প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের লাইলাতুল কদরের শুভেচ্ছা: শান্তি ও কল্যাণের বার্তা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পবিত্র লাইলাতুল কদর উপলক্ষ্যে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন। আগামীকাল ‘পবিত্র লাইলাতুল কদর’ উপলক্ষ্যে রোববার (১৫ মার্চ) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এই শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ প্রকাশ করেন।
লাইলাতুল কদরের মহিমা ও তাৎপর্য
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বাণীতে উল্লেখ করেন যে, পবিত্র লাইলাতুল কদরের মহিমা আমাদের জীবনে শান্তি, সম্প্রীতি ও কল্যাণ বয়ে আনুক। তিনি বলেন, ‘লাইলাতুল কদর মহিমামন্ডিত ও বরকতময় এক রাত। পবিত্র কুরআনুল কারিম রমজান মাসের এই মহিমান্বিত রাতেই অবতীর্ণ হয়েছে। মহান আল্লাহতাআলা এ রাতকে হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ বলে ঘোষণা করেছেন।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘এ রাত মানবজাতির জন্য কল্যাণ, ক্ষমা ও রহমতের বার্তা নিয়ে আসে। এই রাতে ইবাদত-বন্দেগি, তওবা ও দোয়ার মাধ্যমে মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক অনন্য সুযোগ সৃষ্টি হয়।’
রমজানের শিক্ষা ও সামাজিক প্রভাব
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রমজান মাসের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘রমজান মাস সংযম, আত্মশুদ্ধি, সহনশীলতা ও মানবিক গুণাবলির জাগরণের মাস। পবিত্র লাইলাতুল কদরের শিক্ষা আমাদের ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনে শান্তি, ন্যায় ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠায় অনুপ্রাণিত করে।’
তিনি সকলকে আহ্বান জানান, ‘আসুন, আমরা সবাই এই রাতের তাৎপর্য অনুধাবন করে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে বেশি বেশি ইবাদত-বন্দেগি করি এবং মানবকল্যাণে আত্মনিয়োগ করি।’
প্রার্থনা ও আশাবাদ
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে প্রার্থনা করেন। তিনি বলেন, ‘তিনি যেন পবিত্র লাইলাতুল কদরের অসীম রহমত ও বরকত আমাদের সবার ওপর বর্ষণ করেন এবং দেশ ও জাতিকে অগ্রগতি, শান্তি, সম্প্রীতি এবং কল্যাণের পথে পরিচালিত করেন।’
এই বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান লাইলাতুল কদরের আধ্যাত্মিক গুরুত্ব ও সামাজিক মূল্যবোধের উপর জোর দিয়েছেন, যা মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য একটি অনুপ্রেরণামূলক বার্তা হিসেবে কাজ করবে।
