জাকির নায়েকের সামনে কুরআন তিলাওয়াত করলেন হাফেজ আবু রায়হান
বাংলাদেশের খ্যাতিমান হাফেজ ও কারী আবু রায়হানের সুললিত কণ্ঠে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত শুনে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও বক্তা ড. জাকির নায়েক। এই বিশেষ মুহূর্তটি ফেসবুকে একটি ভিডিও আকারে প্রকাশ করা হয়েছে, যা সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
ভিডিওতে ধরা পড়েছে তিলাওয়াতের মুহূর্ত
ড. জাকির নায়েকের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক মিনিট ৫৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। ভিডিওর ক্যাপশনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশের কারী হাফেজ আবু রায়হান ড. জাকির নায়েকের জন্য কুরআন তিলাওয়াত করছেন। ভিডিওতে দেখা যায়, জাকির নায়েকের সামনে শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শনের ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে আছেন হাফেজ আবু রায়হান। এ সময় তাদের সঙ্গে আরও কয়েকজন ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন, যা এই ঘটনাকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।
সুরা কাউসারের তিলাওয়াত শুনে তন্ময় জাকির নায়েক
ভিডিওতে হাফেজ আবু রায়হান সুললিত কণ্ঠে সুরা কাউসার তিলাওয়াত শুরু করেন। ড. জাকির নায়েক তন্ময় হয়ে দাঁড়িয়ে তার তিলাওয়াত শোনেন, যা তার গভীর আগ্রহ ও শ্রদ্ধার প্রতিফলন ঘটায়। তিলাওয়াত শেষে হাফেজ আবু রায়হান জাকির নায়েকের সঙ্গে মুসাফাহা করেন এবং বলেন, এটি তার জন্য অনেক সৌভাগ্যের বিষয়। এই অভিজ্ঞতাকে তিনি জীবনের একটি অনন্য মুহূর্ত হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
ফেসবুকে ভিডিও প্রকাশের তারিখ ও বিবরণ
ড. জাকির নায়েকের ফেসবুক পেজে শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬ তারিখে দুপুরে ভিডিওটি প্রকাশ করা হয়। তবে হাফেজ আবু রায়হানের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ভিডিওটি এর আগেই ৪ মার্চ প্রকাশ করা হয়েছিল। সেখানে ক্যাপশনে লেখা ছিল—‘ড. জাকির নায়েক স্যার তিলাওয়াত শুনে দোয়া করলেন, আলহামদুলিল্লাহ।’ একই দিন ড. জাকির নায়েকের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করে হাফেজ আবু রায়হান লিখেছিলেন, ‘লাখো কোটি মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন ড. জাকির নায়েক স্যারের সঙ্গে দেখা হলো, আলহামদুলিল্লাহ।’
জাকির নায়েকের সাধারণ জীবনযাপনের প্রশংসা
নিজের পোস্টে হাফেজ আবু রায়হান জাকির নায়েকের সাধারণ জীবনযাপনের বিষয়টিও তুলে ধরেন। তিনি লেখেন, ‘স্যারকে এত কাছ থেকে না দেখলে বুঝতেই পারতাম না—এত স্পেশাল একজন মানুষের জীবনযাপনের ধরন কতটা সাধারণ।’ পোস্টে তিনি আরও বলেন, ‘মহান আল্লাহ স্যারকে মৃত্যু পর্যন্ত ইসলামের একজন প্রকৃত সেবক হিসেবে কবুল করে নিন। আমিন।’ এই মন্তব্যগুলো জাকির নায়েকের ব্যক্তিত্ব ও নম্রতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করে।
এই ঘটনাটি ইসলামী বিশ্বে একটি উল্লেখযোগ্য মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যেখানে দুই বিশিষ্ট ব্যক্তির মধ্যে আধ্যাত্মিক বন্ধন ও সম্মান প্রদর্শন করা হয়েছে। ফেসবুকের মাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ায় এটি বিশ্বব্যাপী মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রশংসা ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
