অভিনেতা ফারুক আহমেদের ফেসবুক পেজ বন্ধের পেছনে কাছের মানুষদের অভিযোগ
ফারুক আহমেদের ফেসবুক পেজ বন্ধের পেছনে কাছের মানুষদের অভিযোগ

অভিনেতা ফারুক আহমেদের ফেসবুক পেজ বন্ধের পেছনে কাছের মানুষদের অভিযোগ

সামাজিক মাধ্যমে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে আলোচনায় এসেছেন অভিনেতা ফারুক আহমেদ। সম্প্রতি তাঁর দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে তিনি দাবি করেছেন, তাঁর আগের ফেসবুক পেজ বন্ধ হওয়ার পেছনে ছিল তাঁরই পরিচিত কিছু মানুষ। যাদের তিনি কাছের মানুষ উল্লেখ করে বলেন, 'আমার কাছের মানুষই শত্রু, তারা অভিযোগ দিয়ে ফেসবুক পেজ বন্ধ করেছে।'

ফেসবুক পেজ বন্ধের ঘটনা

পোস্টে এই অভিনেতা জানান, প্রায় দেড় বছর আগে হঠাৎ করেই একটি অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁর ফেসবুক পেজ, যার ছিল ৬ লাখ অনুসারী, এবং আইডি, যার ছিল ৩ লাখ অনুসারী, বন্ধ হয়ে যায়। এই ঘটনায় তিনি বেশ অবাক হয়ে যান। তিনি বলেন, 'বছর দেড়েক আগে আমার ফেসবুক প্রোফাইল ও পেজ আমার পরিচিত লোক মেটাতে অভিযোগ করে বন্ধ করে দেন। যে ছিলেন আমার ঘনিষ্ঠ।'

ফারুক আরও বলেন, 'কারা এই অভিযোগ করেছিলেন এবং কেন করেছিলেন—তা আমি পরে জেনেছি। কিন্তু কখনোই আমি তাঁদের কিছু বলিনি। এমনকি তাঁদের কোনো কিছু বুঝতেও দিইনি। তাঁরা ছিলেন আমারই কাছের। মানুষকে চেনা আসলে কঠিন। আমি বুঝতে পেরেছি। এটাও বুঝতে পেরেছি, তাঁরা আমার কেন ক্ষতি করেছেন।'

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নতুন করে ফেসবুকে ফেরা

পরবর্তী সময়ে নতুন করে আবার ফেসবুকে ফেরেন এই অভিনেতা। তাঁর নতুন এই পথচলায় অল্প সময়েই তাঁর সঙ্গে যুক্ত হন আড়াই লাখ ভক্ত। এই অভিনেতা বলেন, 'এখন ভক্তদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের জন্য ফেসবুক খুবই গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। যে কারণে পেজটি উদ্ধার করতে না পেরে নতুন ফেসবুক প্রোফাইল খুলেছি। আমার বিশ্বাস ছিল, দেশের মানুষ আমাকে ভালোবাসেন। মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে আমার এই নতুন প্রোফাইলে আজ সকাল পর্যন্ত ২ লাখ ৫০ হাজার অনুসারী যুক্ত হয়েছেন।'

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ভুয়া আইডি নিয়ে সতর্কতা

এই সময় ফারুক আহমেদ আরও জানান, এখনো কেউ কেউ তাঁর নামে ভুয়া ফেসবুক আইডি তৈরি করে ইমেজ ক্ষুণ্ন করতে চান। এমনকি কোনো কোনো আইডি থেকে ভক্তদের কাছে ভুল তথ্যও ছড়ানো হচ্ছে। তাদের উদ্দেশে এই অভিনেতা বলেন, 'আমার ভুয়া আইডির সঙ্গে কেউ যুক্ত থাকবেন না। আমি এই আইডি থেকে পোস্ট করি, লাইভ করি। আমার এই আইডির সঙ্গে থাকুন।'

এই ঘটনা সামাজিক মাধ্যমে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা এবং বিশ্বাসের গুরুত্ব তুলে ধরেছে। ফারুক আহমেদের অভিজ্ঞতা অন্যান্য সেলিব্রিটিদের জন্য একটি সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করতে পারে।