আত্মহত্যা মামলার অভিযুক্ত অভিনেত্রী তিথি দেশে ফিরেছেন, দাবি করেছেন বন্ধুত্বের সম্পর্ক
অভিনেত্রী ইফফাত আরা তিথি নেপাল থেকে বাংলাদেশে ফিরেছেন। তিনি অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। তিথি নিজেই গণমাধ্যমকে তার দেশে ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিথির বক্তব্য: ভুল তথ্যের প্রতিবাদ
দেশে ফেরার পর তিথি বলেন, 'অনেকেই অভিযোগ করছেন যে আলভী তার স্ত্রীকে শেষ দেখা দেখতে আসেননি এবং তার গার্লফ্রেন্ডকে নিয়ে নেপালে ঘুমিয়ে আছেন। এটি সম্পূর্ণ ভুল কথা। আমি পুরো টিমের সঙ্গে সোমবার (২ মার্চ) দেশে এসেছি। যেদিন ইকরা আত্মহত্যা করে, সেদিন একটি টিকিটের জন্য অনেক জায়গায় ফোন দেওয়া হয়েছে। প্রথম দিন কোথাও টিকিট পাওয়া যায়নি। পরের দিনের টিকিট ব্যবস্থা করে টিমের সবাই দেশে ফিরেছি।'
শোবিজে গুঞ্জন ও পরকীয়ার অভিযোগ
এদিকে, শোবিজ মহলে অনেক দিন ধরেই গুঞ্জন ছিল যে সহশিল্পী ইফফাত আরা তিথির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন জাহের আলভী। ইকরার আত্মহত্যার পর তার বান্ধবীরাও দাবি করেন যে আলভী ও তিথির পরকীয়ার কারণেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন ইকরা, যা তাকে আত্মহত্যার পথে ঠেলে দিয়েছে।
তিথির জবাব: আলভী আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধু
অবশ্য, তিথি বরাবরই আলভীকে নিজের 'ভালো বন্ধু' বলে উল্লেখ করে আসছেন। অভিনেতার সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন প্রসঙ্গে তিথি বলেন, 'তার (আলভী) সঙ্গে আমি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছি। কোনো অফিসে যখন আপনার কলিগ থাকে, আপনি যখন তার সঙ্গে চার-পাঁচ বছর অফিস করবেন, তখন আপনার সঙ্গে তার ভালো বন্ধুত্ব হতেই পারে। আমি আগেও বলেছি যে, ইন্ডাস্ট্রিতে আলভী আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধু।'
ইকরার আত্মহত্যার ঘটনা
উল্লেখ্য, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ১২টায় গলায় দড়ি দেওয়া অবস্থায় পরিবারের সদস্যরা অভিনেতা আলভীর স্ত্রী ইকরাকে উদ্ধার করেন। এরপর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মামলার অবস্থা
এই ঘটনায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে ইতোমধ্যে রাজধানীর পল্লবী থানায় জাহের আলভী, তার মা ও তিথির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে অভিনেতা জাহের আলভীকে। এই মামলার প্রেক্ষাপটে তিথির দেশে ফেরা এবং তার বক্তব্য শোবিজ মহলে আলোচনার সৃষ্টি করেছে।



