মা চম্পা বেগমের চোখে কেয়া পায়েল: চঞ্চল কিন্তু লক্ষ্মী মেয়ে
মা চম্পা বেগমের চোখে কেয়া পায়েল: চঞ্চল কিন্তু লক্ষ্মী মেয়ে

মা চম্পা বেগমের সঙ্গে অভিনেত্রী কেয়া পায়েলের স্মৃতিচারণ। ছবি: কেয়া পায়েলের সৌজন্যে

ছোটবেলার কেয়া পায়েল

‘ছোটবেলায় ও খুব চঞ্চল ছিল, তবে হাসিখুশি আর মিশুকও ছিল। সবার সঙ্গে হেসে হেসে কথা বলতে ভালোবাসত, আনন্দ করত। তবে দুষ্টুমির জন্য আমার কাছে বেশ বকুনিও খেত,’ মেয়ে কেয়া পায়েলের বিষয়ে বলছিলেন মা চম্পা বেগম। সম্প্রতি ‘এটা আমাদেরই গল্প’ ধারাবাহিকে মেহরীন চরিত্র করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছেন এই অভিনেত্রী। চরিত্রটি করে মেরিল–প্রথম আলো তারকা জরিপ পুরস্কার ২০২৫-এ পেয়েছেন সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার।

সম্প্রতি ‘এটা আমাদেরই গল্প’ ধারাবাহিকে মেহরীন চরিত্র করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছেন কেয়া পায়েল। ছবি: কবির হোসেন

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ধারাবাহিকটিতে কেয়া পায়েলকে বাড়ির লক্ষ্মী বউ ও লক্ষ্মী মেয়ের চরিত্রে দেখা যায়। বাস্তবেও কি কেয়া পায়েল এমন লক্ষ্মী মেয়ে? জানতে চাইলে কেয়া পায়েলের মা চম্পা বেগম বললেন, ‘ও একটু চঞ্চল হলেও বেশ কেয়ারিং। ভেতরটা বেশ নরম। কেয়া আমার কাছে বন্ধুর মতো সন্তান। অনেক সময় আমি ওর কাছে পরামর্শ নিই। কোনো ঝামেলা হলে ও খুব সুন্দর করে তার সমাধান করে।’ মা মনে করেন, পারিবারিক জীবনেও কেয়া পায়েল এমন মেয়ে হওয়ায় ‘এটা আমাদেরই গল্প’র মেহরীন চরিত্রটি আরও বাস্তবভাবে ফুটিয়ে তুলতে পেরেছেন।

রান্নার হাতেখড়ি মায়ের কাছ থেকে

ছোটবেলা থেকেই কেয়া পায়েলকে সারপ্রাইজ দিতে ভালোবাসেন মা। ছবি: কেয়া পায়েলের সৌজন্যে

কথার মাঝখানে কেয়া পায়েল নিজেই জানালেন, পর্দার মেহরীনের মতো বাস্তবেও তিনি রান্নায় বেশ পারদর্শী। খিচুড়ি ও গরুর মাংস ভালো রান্না করতে পারেন। বাঙালি যেকোনো খাবারও রাঁধতে পারেন। জানালেন, মা চম্পা বেগমের কাছ থেকেই রান্নায় হাতেখড়ি হয়েছে।

তাসনিয়া ফারিণের মা স্কুলের জানালায় কেন ওড়না বেঁধে রাখতেন? ০৫ মে ২০২৬

সেলফিতে মা–মেয়ে। ছবি: কেয়া পায়েলের সৌজন্যে

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ছোটবেলায় চঞ্চল ছিলেন, এ জন্য কি মায়ের কাছে বকুনি খেয়েছেন কখনো? হাসতে হাসতে মা-মেয়ে দুজনই বললেন, ‘তা আর বলতে।’ পরে মেয়ে বললেন, ‘বেশি দুষ্টুমি করলে মা অবশ্য বকা দিতেন, গাছের সঙ্গে কয়েকবার বেঁধেও রেখেছিলেন।’ তবে মা আবারও বললেন, ‘শুধু দুষ্টুমি ছাড়া বাকি সব বিষয়ে ও খুব লক্ষ্মী ছিল।’ কেয়া পায়েল সঙ্গে যোগ করলেন, ‘আমি কিন্তু খুব কথা বলতে ভালোবাসি।’

মায়ের কাছে বন্ধুর মতো কন্যা

বাস্তবেও কেয়া পায়েল মেহরীনের মতো মায়ের লক্ষ্মী মেয়ে। ছবি: কবির হোসেন

তিন ভাই–বোনের মধ্যে কেয়া পায়েল বড়। ছোটবেলা থেকেই কেয়া পায়েলকে সারপ্রাইজ দিতে ভালোবাসেন মা। একবার ঈদে হলো কি, কেয়া পায়েল নিজেদের বাসায় ঘুমাতে গেছেন, পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখেন নানাবাড়ি। ‘ঘুম থেকে উঠে কী যে অবাক হয়েছিলাম!’

‘এটা আমাদেরই গল্প’র প্রতিটি পর্ব বেশ মনোযোগ দিয়ে দেখেছেন চম্পা বেগম। কেয়া পায়েল বললেন, ‘নাটকে আমার অভিনয় দেখে যতটা না মা খুশি হয়েছেন, তার চেয়ে বেশি খুশি হয়েছেন আত্মীয়স্বজনের ফোন পেয়ে। আসলে প্রতিটি পর্ব প্রচারের পর এত মানুষজন আম্মুকে ফোন করত যে এতেই তিনি খুব খুশি হতেন।’

কোন শিশুরা পরবর্তী জীবনে সফল ও সুখী হয়, হার্ভার্ডের ৭৫ বছরের গবেষণা কী বলছে জানুন। ০৭ মে ২০২৬

প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন।

সম্পর্ক থেকে আরও পড়ুন: তরুণ অভিনয়শিল্পী, বাংলা নাটক, কেয়া পায়েল, মা।