বহুল আলোচিত হাসান জাহাঙ্গীর পরিচালিত ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ সিনেমা ঘিরে বিতর্ক যেন থামছেই না। এ বিতর্কের মাঝেই আগামী ১৫ মে সিনেমাটি মুক্তি পেতে চলেছে। মুক্তির আগেই একের পর এক অভিযোগে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসছে সিনেমাটি। সব মিলিয়ে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ এখন বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে। প্রশ্ন ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের কারণে সিনেমাটি এখন আলোচনা ঘুরপাক খাচ্ছে।
রবি চৌধুরীর বক্তব্য
এরই মধ্যে নতুন করে এই বিতর্কে যুক্ত হয়েছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী রবি চৌধুরী। তিনি বলেন, এক ঘণ্টার নাটকের কথা বলে যদি সিনেমা বানানো হয়, সেটিকে অবশ্যই অপরাধ বলতে হবে। কারণ নাটক ও সিনেমার পারিশ্রমিক এক নয়, এটা সবাই জানে।
এ সংগীতশিল্পী বলেন, মৌসুমী একজন ভালো মানুষ। আমার বিশ্বাস, যদি কোনো সঠিক চুক্তি বা অ্যাগ্রিমেন্ট থাকত, তাহলে তিনি অস্বীকার করতেন না। এভাবে সিনেমাটির বিরুদ্ধে কথা বলতেন না। বিষয়টিতে নিশ্চয়ই কোথাও সমস্যা রয়েছে। শিল্পীদের সম্মতি ও পারিশ্রমিক ঠিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছিল কিনা, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
রবি চৌধুরীর এ বক্তব্যে এমন ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, যে পুরো বিষয়টিতে চুক্তিসংক্রান্ত কোনো জটিলতা বা কোনো ভুল বোঝাবুঝি থাকতে পারে, যা এখন বড় আকার ধারণ করেছে। তার মন্তব্যের পর সামাজিক মাধ্যমেও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে— এ সিনেমাটি আদৌ কীভাবে নির্মিত হয়েছে?
জেবা জান্নাতের অভিযোগ
সিনেমাটির পোস্টার সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশের পর আরও একটি বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পোস্টারে চিত্রনায়িকা মৌসুমীর পাশাপাশি মডেল ও অভিনেত্রী জেবা জান্নাতকেও দেখা যাচ্ছে। তবে বিষয়টি নিয়ে জেবা জান্নাত বলেন, এ প্রজেক্ট সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না। বন্ধুরা পোস্টার পাঠিয়ে বিষয়টি জানালে তিনি বিস্মিত হন। সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের বিভ্রান্তি দূর করতেই তিনি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন— এ সিনেমায় তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
নিজের ছবি পোস্টারে ব্যবহার করা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে জেবা জান্নাত বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নির্মাতা হাসান জাহাঙ্গীরের সঙ্গে তার কোনো কাজ নেই। তবে অতীতে একটি ধারাবাহিকে কাজ করেছিলেন, যার কিছু ফুটেজ অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন তিনি। অভিনেত্রী বলেন, নাটকের ফুটেজ কীভাবে সিনেমায় ব্যবহার করা হয় এবং তা কীভাবে সেন্সর পায়, তা আমার বোধগম্য নয়?
এছাড়া কোনো ধরনের অনুমতি ছাড়াই পোস্টারে তার ছবি ব্যবহার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন জেবা জান্নাত। এ অভিনেত্রী বলেন, এ কাজের জন্য তাকে কোনো পারিশ্রমিকও দেওয়া হয়নি।



