স্কুলজীবনে প্রেমের প্রস্তাব বান্ধবীদের মাধ্যমেই আসত: অপু বিশ্বাস
স্কুলজীবনে প্রেমের প্রস্তাব বান্ধবীদের মাধ্যমেই আসত: অপু

ঢালিউড অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস বর্তমানে আগের মতো অভিনয়ে না থাকলেও সামাজিক মাধ্যমে নিয়মিত সক্রিয় রয়েছেন। প্রায়ই তিনি ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে নিজের না বলা কথা শেয়ার করে থাকেন। শুধু অভিনয় দক্ষতা নয়, বরং শৈশবের স্মৃতিকথাও শোনান এই অভিনেত্রী।

পডকাস্টে শৈশবের স্মৃতিচারণ

সম্প্রতি এক পডকাস্টে হাজির হয়ে নিজের শৈশব ও স্কুলজীবনের নানা স্মৃতি বর্ণনা করেন অপু বিশ্বাস। তিনি ছোটবেলায় তার স্বভাব-চরিত্র কেমন ছিল, তা ভক্তদের মাঝে তুলে ধরেন।

অপু বিশ্বাস বলেন, 'ছোটবেলায় আমি নিজেকে ছেলে মনে করতাম। আমার নাম ছিল অপু। আমার কাকা বা বাবা, তার ফ্রেন্ড সার্কেল, ফ্যামিলির অনেকেই যারা আমাকে চিনতেন না বা দেখেননি, তারা ভাবতেন আমি হয়তো কোনো ছেলে।'

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তিনি আরও বলেন, 'তারা আমার বাবাকে বলতেন— আপনার ছোট ছেলে। বাবাও এ বিষয়টি নিয়ে খুব মজা নিতেন। ওই জায়গা থেকে বলতে পারি— আমি খুব ডানপিটে ছিলাম, কখনোই মিষ্টি স্বভাবের ছিলাম না।'

স্কুলজীবনের শিক্ষা ও প্রেম

স্কুলের কথা বলতে গিয়ে অভিনেত্রী বলেন, 'স্কুলে স্যারদের মধ্যে কোনো ভালো প্রোগ্রাম মানেই অপুকে ডাকো, প্ল্যানিং করতে হবে। যেহেতু আমি ক্লাস ফাইভে বৃত্তি পেয়েছিলাম, তাই ছাত্রী হিসেবেও বেশ ভালো ছিলাম।'

স্কুলজীবনে প্রেম প্রসঙ্গে তিনি জানান, সরাসরি তাকে প্রস্তাব দেওয়ার কেউ সাহস পেত না। সব প্রস্তাব বান্ধবীদের মাধ্যমেই আসত। সব প্রেমের চিঠি আসত বান্ধবীদের হাত ধরে।

প্রেমে পড়া নিয়ে প্রশ্ন

স্কুলজীবনে কারও সঙ্গে কি মন দেওয়া-নেওয়া হয়নি? এমন প্রশ্নের উত্তরে অপু বিশ্বাস বলেন, 'ওই জায়গা থেকে আমার কখনো প্রেম হয়নি। পছন্দ অনেকে হয়তো করতেন, সেটা পরবর্তী সময়ে শুনতাম বা জানতাম।'

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তিনি আরও বলেন, 'আমার বান্ধবীদের দিয়ে বলাত। আমাকে সরাসরি কেউ বলত না। আমাকে বলার সাহস পেত না। বান্ধবীদের বলত— অপুকে অনেক ভালো লাগে, কীভাবে বলা যায়। চিঠি-টিঠি লিখত। তখন বান্ধবীরা বলত— ওরে বাপরে বাপ! চিঠি রিসিভ করে কি আমরা বন্ধুত্ব নষ্ট করে ফেলব? ও তো অনেক রাগ করে।'

এই পডকাস্টে অপু বিশ্বাস তার শৈশবের ডানপিটে স্বভাব এবং স্কুলজীবনের স্মৃতিচারণ করে ভক্তদের মুগ্ধ করেছেন।