সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ফুটবল বিশ্বকাপের জোয়ারে ভাসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও। লিওনেল মেসির সই করা জার্সিটি তিনি উপহার পেয়েছিলেন, সেটি নিজের ব্যক্তিগত সংগ্রহে না রেখে উন্মুক্ত করে দিয়েছেন জনসাধারণের জন্য। প্রধানমন্ত্রীর উপহার দেওয়া সেই জার্সি দেখতে এখন জাতীয় জাদুঘরে সাধারণ দর্শক ও ফুটবল সমর্থকদের ভিড় উপচে পড়ছে।
ভালোবাসা ও সম্মানের প্রতীক জার্সি
ভালোবাসা, সম্মান আর আত্মমর্যাদার প্রতীক যেকোনো দলের জার্সি। বাংলাদেশের সমর্থক গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে এই সম্মানে শীর্ষে আর্জেন্টিনা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপহার পেয়েছেন আর্জেন্টিনার তিন তারকার অটোগ্রাফ সংবলিত অরিজিনাল জার্সি। সেই আনন্দ আকাশি নীল ভক্তদের সঙ্গে ভাগাভাগি করেছেন প্রধানমন্ত্রী। ফুটবলপ্রেমীরা যাতে সরাসরি মেসিদের জার্সি দেখতে পারেন, তাই জাতীয় জাদুঘরে তা উপহার হিসেবে দিয়েছেন। যা জাদুঘরের নিচতলার লবিতে সবার জন্য উন্মুক্ত। আর তা দেখতে দেশের নানা প্রান্ত থেকে ছুটে আসছেন ফুটবলপ্রেমীরা।
দর্শকদের ভিড় ও প্রতিক্রিয়া
সিলেট থেকে সন্তান নিয়ে এসেছেন এক অধ্যাপক। বাপ-বেটা দুজনেই আর্জেন্টিনার সমর্থক। কাছ থেকে মোবাইলে নিজেদের বন্দি করছেন তারা। তাদের মতো আরও অসংখ্য মানুষ মেসি-এঞ্জো-আলভারেজদের চিহ্ন দেখার জন্য ভিড় করছেন জাদুঘরের লবিতে। তারা বলছেন, "প্রধানমন্ত্রীকে এই জার্সি উপহার দেওয়া হয়েছে। এটি এখন মেসির ভক্তরা দেখতে পারছেন। খুব ভালো লাগছে।"
জাদুঘরের নিরাপত্তা রক্ষী কবির উদ্দিন জানান, প্রতিদিন শত শত ভক্তরা আসছেন। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে যারা জাদুঘর পরিদর্শনে আসছেন, তারা মেসির লবিতে উঁকি দিতে ভুলছেন না।
প্রদর্শনীর মেয়াদ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
জাতীয় জাদুঘরের ইতিহাস ও ধ্রুপদী শিল্পকলা বিভাগের কিপার মনিরুল জানান, বিশ্বকাপ পর্যন্ত লবিতেই মেসিদের জার্সির প্রদর্শনী চলবে। এরপর সিদ্ধান্ত নেয়া হবে গ্যালারিতে কোথায় রাখা হবে সর্বকালের অন্যতম সেরা এই ফুটবলারের নিদর্শন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে বাংলাদেশে ব্রাজিল সমর্থকদের কথা বিবেচনা করে ব্রাজিলের সেরা কোনো প্লেয়ারের সাইন করা জার্সি প্রদর্শন করা যায় কি-না, তাও চিন্তায় আছে বলে জানান তিনি।



