আট বছর বয়সী রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ মঙ্গলবার এক দিনেই শেষ হয়েছে। ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জন প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিচারক মসরুর সালেকিন বুধবার আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য দিন ধার্য করেছেন।
সাক্ষ্যগ্রহণ প্রক্রিয়া
সকাল সাড়ে ১০টায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুসা কালিমুল্লাহ সাক্ষীদের জেরা করেন। ট্রাইব্যুনাল বেঞ্চ সহকারী পঙ্কজ পিটার গোমেজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মামলার বাদী ও রামিসার বাবা আব্দুল মান্নান মোল্লা প্রথম সাক্ষ্য দেন। পরে তার মা, বড় বোন ও অন্যরা সাক্ষ্য দেন।
মামলার পটভূমি
গত ২৪ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক ওহিদুজ্জামান ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। পরে মামলাটি ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরিত হয়। গত ১৯ মে প্রতিবেশী ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানা রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যা করে বলে অভিযোগ। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, সোহেল তাকে তার ঘরে ডেকে নিয়ে যায় এবং ধর্ষণের পর হত্যা করে। রামিসার শিরশ্ছেদ করা মৃতদেহ বিছানার নিচে এবং মাথা বাথরুমের বালতিতে পাওয়া যায়। স্বপ্না আক্তার ঘটনাস্থল থেকে আটক হলেও সোহেল জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায়। পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।



