অনুপম রায়ের জন্মদিন: শৈশবের স্মৃতি থেকে বর্তমানের ব্যস্ততা
সংগীতশিল্পী অনুপম রায়ের জন্মদিনে তার দিনটি শুরু হয়েছে ফোনকল ও শুভেচ্ছা বার্তার মধ্য দিয়ে। মাঝরাত থেকেই বন্ধু, ভক্ত ও আত্মীয়দের ফোন পেয়ে তিনি আনন্দিত। সকাল থেকেই বাসায় উৎসবের আমেজ থাকলেও, আগামীকালের শুটিংয়ের প্রস্তুতির জন্য তিনি ব্যস্ত। একটি মিটিংয়ের জন্য শীঘ্রই বের হওয়ার কথা বলেছেন তিনি। বাংলাদেশ থেকে ফোন পেয়ে তার সকালটি ভালোভাবে শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন অনুপম।
শৈশবের জন্মদিন: উৎসব ও স্মৃতির গল্প
শৈশবের জন্মদিনের স্মৃতি স্মরণ করে অনুপম রায় বলেন, তিনি বাড়িভর্তি মানুষ পছন্দ করতেন। জন্মদিনের সপ্তাহ আগে থেকেই অপেক্ষা শুরু হতো। দিনটি বিকেল থেকেই তৈরি হয়ে যেতেন, বন্ধু ও আত্মীয়দের আগমনের জন্য অপেক্ষা করতেন। সবাই মিলে খাওয়াদাওয়া করার পরিকল্পনা থাকলেও, প্রায়ই রাত হয়ে যেত। নতুন জামা পাওয়া এবং মায়ের হাতের পায়েসসহ নানা রান্নার স্বাদ এখনো মনে পড়ে। হইহুল্লোড়ে কাটানো সেই দিনগুলো বয়সের সঙ্গে হারিয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
নিয়মিত অনুশীলন ও বিনোদনের অভ্যাস
অনুপম রায় নিয়মিত অনুশীলন করেন, যা দিয়ে তার দিন শুরু হয়। বাসায় থাকাকালীন তিনি গানের কম্পোজিশনের কাজ করেন, প্রচুর গান শোনেন, বই পড়েন এবং সিনেমা-সিরিজ দেখেন। নিজেকে সময় দেওয়ার মাধ্যমে সময়টা ভালো কাটে বলে উল্লেখ করেন তিনি। সম্প্রতি পড়া বই হিসেবে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘মনের মানুষ’ উল্লেখ করেন, যা লালন ফকিরকে নিয়ে কাল্পনিক উপন্যাস। সিনেমার ক্ষেত্রে ঋতুপর্ণ ঘোষের ‘বাড়িওয়ালি’ বারবার দেখার কথা বলেন, কারণ বিভিন্ন বয়সে কাজগুলো ভিন্নভাবে উপলব্ধি হয়।
বাংলাদেশের সিনেমা-সিরিজ ও ঢাকার প্রতি টান
বাংলাদেশের সিনেমা-সিরিজ দেখার অভ্যাস সম্পর্কে অনুপম রায় বলেন, তিনি ওটিটি প্ল্যাটফর্মে ‘মহানগর’, ‘তাকদির’, ‘কাইজার’ এর মতো সিরিজ দেখেন এবং মোশাররফ করিম, চঞ্চল চৌধুরী, জয়া আহসানের অভিনয় পছন্দ করেন। তবে ইদানীং বাংলাদেশের সিনেমা তেমন দেখা হয় না বলে জানান, সবশেষ মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘টেলিভিশন’ দেখেছিলেন। ঢাকায় আসার ব্যাপারে তিনি বলেন, প্রায় দুই বছর হয়ে গেছে আসা হয়নি। ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহর মিস করেন, বিশেষ করে বনানী, উত্তরা এবং পুরান ঢাকার খাবারের কথা স্মরণ করেন। সামনে কয়েকটি অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা আছে এবং ঢাকায় এসে কী খাবেন তার একটি লিস্ট তৈরি করছেন বলে মজা করে বলেন।



