বাংলাদেশের প্রথম সবাক ছবির কণ্ঠশিল্পী মহবুবা রহমানের জীবনাবসান
প্রথম সবাক ছবির কণ্ঠশিল্পী মহবুবা রহমান আর নেই

বাংলাদেশের প্রথম সবাক ছবির কণ্ঠশিল্পী মহবুবা রহমানের জীবনাবসান

বাংলাদেশের প্রথম সবাক ছবি 'মুখ ও মুখোশ'-এর কণ্ঠশিল্পী, একুশে পদকপ্রাপ্ত মহবুবা রহমান বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত জটিলতায় ভুগছিলেন।

মৃত্যুর সময় ও স্থান

মহবুবা রহমান বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা প্রায় ৬টা ১৫ মিনিটে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছিলেন, যা শেষ পর্যন্ত তার জীবনাবসানের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

এক যুগের সঙ্গীতের প্রতীক

মহবুবা রহমান ১৯৫০-এর দশক থেকে ১৯৭০-এর দশক পর্যন্ত রেডিও ও চলচ্চিত্রে সবচেয়ে পরিচিত কণ্ঠশিল্পীদের একজন ছিলেন। লোক ও আধুনিক গান উভয় ক্ষেত্রেই তার স্বতঃস্ফূর্ত দক্ষতা তাকে বাংলা সঙ্গীতের একটি যুগ গড়তে সহায়তা করেছিল।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সঙ্গীতযাত্রার সূচনা

তার সঙ্গীতযাত্রা শুরু হয় ১৯৪৭ সালে অল ইন্ডিয়া রেডিওর ঢাকা কেন্দ্র থেকে। প্রায় এক দশক পর, ১৯৫৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত 'মুখ ও মুখোশ' ছবিতে তার গাওয়া 'মনরে বনে দোলা লাগে' গানটি তাকে ইতিহাসের পাতায় স্থায়ী আসন দেয়। এটি দেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্রের অন্যতম নির্ধারক ট্র্যাক হিসেবে বিবেচিত হয়।

অমর সৃষ্টি ও অবদান

জহির রায়হানের 'কখনো আসেনি' ছবিতে তার গাওয়া 'নিরালা রাতের প্রথম প্রহরে' এবং 'তোমাকে ভালোবেসে অবশেষে কী পেলাম' গান দুটি আজও শ্রোতাদের হৃদয়ে অম্লান হয়ে আছে। তিনি 'এশিয়া', 'এ দেশ তোমার আমার', 'নবাব সিরাজউদ্দৌলা' এবং 'সাত ভাই চম্পা' সহ অসংখ্য কালজয়ী চলচ্চিত্রে কণ্ঠ দিয়েছেন।

মহবuba রহমানের মৃত্যু বাংলাদেশের সঙ্গীত জগতে একটি অপূরণীয় ক্ষতি। তার সৃষ্টিকর্ম ও অবদান বাংলা সঙ্গীতের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ