ব্ল্যাকপিংকের 'ডেডলাইন' ইপি প্রথম সপ্তাহে রেকর্ড বিক্রি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার ঝড়
ব্ল্যাকপিংকের 'ডেডলাইন' ইপি প্রথম সপ্তাহে রেকর্ড বিক্রি

ব্ল্যাকপিংকের 'ডেডলাইন' ইপি প্রথম সপ্তাহে রেকর্ড বিক্রি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার ঝড়

বিশ্বখ্যাত কে পপ গার্ল গ্রুপ ব্ল্যাকপিংকের নতুন ইপি 'ডেডলাইন' প্রকাশের পর প্রথম সপ্তাহে রেকর্ড পরিমাণ বিক্রি হয়েছে, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। গ্রুপের এজেন্সি ওয়াইজি এন্টারটেইনমেন্ট শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, গত শুক্রবার অ্যালবামটি প্রকাশের পর প্রথম সপ্তাহে এর ১৭ লাখ ৭৪ হাজারের বেশি কপি বিক্রি হয়েছে। এই সংখ্যা গ্রুপের পূর্ববর্তী অ্যালবাম 'বর্ন পিংক'-এর তুলনায় প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার কপি বেশি, যা ব্ল্যাকপিংকের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তার প্রমাণ দিচ্ছে।

অ্যালবাম বিক্রির পরিসংখ্যানে নতুন রেকর্ড

অ্যালবাম বিক্রির পরিসংখ্যান নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান হান্টেও চার্টের তথ্য অনুযায়ী, কে পপ গার্ল গ্রুপের মধ্যে প্রথম সপ্তাহে 'ডেডলাইন' ইপিই সর্বোচ্চ বিক্রি হয়েছে। প্রকাশের দিনই অ্যালবামটি ১৪ লাখ কপির বেশি বিক্রি হয়, যা বিশ্বজুড়ে চাহিদা প্রত্যাশার চেয়ে বেশি হওয়ায় ওয়াইজি এন্টারটেইনমেন্ট অতিরিক্ত কপি তৈরি করতে বাধ্য হয়েছে। এই সাফল্য ব্ল্যাকপিংকের শক্তিশালী ফ্যান বেস এবং তাদের সঙ্গীতের গুণমানকে প্রতিফলিত করে।

বিশ্বজুড়ে চার্টে শীর্ষ অবস্থান

'ডেডলাইন' ইপি বিশ্বজুড়ে ৩৮টি অঞ্চলে আইটিউনসের টপ অ্যালবামস চার্টে শীর্ষে উঠে এসেছে, যা গ্রুপের বৈশ্বিক প্রভাবের সাক্ষ্য দিচ্ছে। অ্যালবামের 'গো' গানের ভিডিও ইউটিউবে ট্রেন্ডিংয়ের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে এবং প্রকাশের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সবচেয়ে বেশিবার দেখা হয়েছে। রোলিং স্টোন ম্যাগাজিন লিখেছে, 'ব্ল্যাকপিংক তাদের সেরা সময়েই ফিরে এসেছে।' অন্যদিকে, বিলবোর্ড মন্তব্য করেছে, '"গো" গানটি অ্যালবামের সেরা গান এবং ব্ল্যাকপিংকের প্রকৃত পরিচয় তুলে ধরে।'

ওয়ার্ল্ড ট্যুর এবং অ্যালবামের নামের উৎস

২০২৫ সালের জুলাইয়ে ব্ল্যাকপিংক তাদের ওয়ার্ল্ড ট্যুর 'ডেডলাইন'-এর ঘোষণা দেয়, এবং অ্যালবামের নামটি এই ট্যুর থেকেই নেওয়া হয়েছে। এ বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত গ্রুপটি ১৬টি শহরে ৩৩টি শো করেছে, যার মধ্যে লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামসহ বিশ্বের বিভিন্ন বড় স্টেডিয়ামে হাউসফুল শো অন্তর্ভুক্ত। এই ট্যুরের সাফল্য অ্যালবামের জনপ্রিয়তাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে, যা ফ্যানদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।

সামগ্রিকভাবে, ব্ল্যাকপিংকের 'ডেডলাইন' ইপি শুধু বিক্রির রেকর্ডই ভাঙেনি, বরং সঙ্গীত শিল্পে তাদের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করেছে। বিশ্বজুড়ে ফ্যানদের সমর্থন এবং মিডিয়ার ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া গ্রুপটির ভবিষ্যৎ প্রকল্পগুলোর জন্য আশাব্যঞ্জক সংকেত দিচ্ছে।