কেটি পেরি ট্রুডোর সঙ্গে প্রেমকে রূপান্তরমূলক বললেন
কেটি পেরি ট্রুডোর সঙ্গে প্রেমকে রূপান্তরমূলক বললেন

সাবেক কানাডিয়ান প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে বেশ কিছু দিন ধরেই প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন পপ সুপারস্টার কেটি পেরি। প্রায়ই এই যুগলকে সংবাদ শিরোনামে জায়গা করে নিতে দেখা যায়। তাদের নিয়ে আলোচনারও যেন কমতি নেই।

প্রেমের সম্পর্কের প্রভাব

সম্প্রতি এই সংগীতশিল্পী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে তার সম্পর্ক তার জীবনে কেমন গভীর প্রভাব ফেলেছে তা নিয়ে মুখ খুলেছেন। সম্প্রতি একটি পডকাস্ট অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে কেটি পেরি এই সম্পর্ককে একটি ‘রূপান্তরমূলক’ অভিজ্ঞতা হিসেবে উল্লেখ করেন।

‘আনফেমাস’ পডকাস্টে কথা বলার সময় পেরি বলেন, তিনি এখন তার জীবনে ভালোবাসার এক তীব্র অনুভূতি টের পাচ্ছেন, যা তাকে মানসিকভাবে এবং ব্যক্তিগতভাবে বদলে দিয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

৪৪ বছর বয়সি পেরি ব্যাখ্যা করেন যে, একসময় তিনি ‘ভালোবাসাই সব’-এর মতো কথাগুলোকে কেবলই সস্তা প্রচলিত বুলি মনে করতেন। কিন্তু এখন তিনি এগুলোর অন্তর্নিহিত গভীর অর্থ বুঝতে পেরেছেন।

ভালোবাসার গভীর অনুভূতি

সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমার জীবনে এখন ভালোবাসা আছে। আর এটাই আমাকে বদলে দিয়েছে।’ তিনি আরও যোগ করেন, মানুষ নিজে নিজে অনুভব না করা পর্যন্ত ভালোবাসার আসল অনুভূতি পুরোপুরি বুঝতে পারে না। এই অনুভূতিকে তিনি জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া বড় কোনো মানসিক মাইলফলকের সঙ্গে তুলনা করেন।

জানা গেছে, অভিনেতা অরল্যান্ডো ব্লুমের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর, ২০২৫ সালে জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে কেটি পেরির সম্পর্কের সূচনা হয়। এই পপ গায়িকা জানান, আগের সেই বিচ্ছেদটি তার ওপর তীব্র মানসিক প্রভাব ফেলেছিল। সেই সময়টিকে তিনি ‘বেশ কঠিন’ বলে বর্ণনা করেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিচ্ছেদের পর মানসিক সংগ্রাম

এই পপ তারকা স্পষ্ট করেন যে, তিনি সাধারণত নিজেকে পরিস্থিতির শিকার বা ভুক্তভোগী ভাবেন না, তবে গত বছর তাকে মারাত্মক মানসিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। বিচ্ছেদের পর কীভাবে তিনি নিজেকে সামলে নিয়েছেন, সে বিষয়েও কথা বলেন পেরি। তিনি জানান, আবেগ বা কষ্টকে চেপে না রেখে তিনি সচেতনভাবে সেগুলোর মুখোমুখি হওয়া বেছে নিয়েছিলেন।

তার কথায়, ‘নিজেকে ভুক্তভোগী ভাবার বৃত্তে আটকে পড়াটা আমার জন্য সহজ ছিল। কিন্তু তা না করে, আমি নিজের অনুভূতিগুলোকে মেনে নিয়ে এবং সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়ার দিকে মনোনিবেশ করেছিলাম।’

এই পুরো প্রক্রিয়াটিকে তিনি মানসিক বিকাশ এবং আত্মদর্শনের একটি সফর হিসেবে বর্ণনা করেন। পেরির মতে, এই অভিজ্ঞতা শেষ পর্যন্ত তাকে জীবনের জটিলতা কাটিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে এবং ব্যক্তিগত জীবনে স্পষ্টতা ফিরে পেতে সাহায্য করেছে।