নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সাংবাদিকতার ভূমিকা নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সাংবাদিকতা নিয়ে আলোচনা সভা

নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সাংবাদিকতার ভূমিকা নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

উদীয়মান তরুণ গণমাধ্যমকর্মীদের কল্যাণে কাজ করা ইয়ুথ জার্নালিস্ট কমিউনিটি (ওয়াইজেসি) 'নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সাংবাদিকতা' শীর্ষক একটি আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। এই সভায় রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ গণমাধ্যমের প্রতিদিনের চ্যালেঞ্জ এবং সাংবাদিকতায় নানা অভিজ্ঞতার কথা উঠে এসেছে। রোববার (১ মার্চ) রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে সংগঠনের উদ্যোগে ইফতার মাহফিলও আয়োজন করা হয়েছিল।

অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট অতিথিদের উপস্থিতি

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও উপস্থাপক হাবিবুর রহমান পলাশ, বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রিয়াজুর রহমান রিয়াজ এবং ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিলের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাহিদ হাসনা অংশগ্রহণ করেন। ইয়ুথ জার্নালিস্ট কমিউনিটির দফতর সম্পাদক ওমর ফারুকের সঞ্চালনায় আয়োজনে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতি আহসান কামরুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু রায়হান অর্নবসহ অন্যান্য অতিথিরা।

সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জ ও দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, সরকারকে উপদেশ ও পরামর্শ দেওয়া সাংবাদিকদের কাজ। নিজ নিজ জায়গা থেকে ন্যায়পরায়ণ থেকে সত্যকে তুলে ধরতে হবে। যেন হলুদ সাংবাদিকতা মাথাচাড়া না দেয় সেদিকেও তরুণ সাংবাদিককে খেয়াল রাখতে হবে। সুন্দর সমাজ গড়ে তুলতে সাংবাদিকদের ভূমিকা অনবদ্য। নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সাংবাদিকদের আছে দক্ষতা, আছে শক্তি।

সংগঠনের সভাপতি আহসান কামরুল বলেন, বাংলাদেশ একটি সংকটকাল অতিক্রম করেছে। এমন সময়ে সাংবাদিকতার উপরও নানা দিক থেকে আঘাত এসেছে। সকল বিরূপ পরিস্থিতি সামাল দিয়ে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সাংবাদিকদের এগিয়ে আসতে হবে। চতুর্থ স্তম্ভ বাদ দিয়ে একটি রাষ্ট্র সঠিকভাবে চলতে পারে না। এজন্য নতুন সাংবাদিকদের পেশাদারিত্বের সাথে এগিয়ে আসতে হবে।

এছাড়াও আলোচনা সভায় সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে নানা প্রতিবন্ধকতা ও বাধার বিষয়ে সাংবাদিকরা বিস্তারিত আলোচনা করেন। সভা শেষে ইফতার মাহফিলে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মুফতি জাকারিয়া হারুন।