সাংবাদিক সুব্রত দাস রনকের মায়ের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
সাংবাদিক সুব্রত দাস রনকের মায়ের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় সাংবাদিক সুব্রত দাস রনকের মা গীতা রানী দাসের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে। ২০২৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি বুধবার এই অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়, যা তার পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের অংশগ্রহণে ধর্মীয় রীতিতে সম্পন্ন হয়েছে।

মৃত্যুর পটভূমি

গীতা রানী দাস ২০২০ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি ভোর ৬টার দিকে পরলোক গমন করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৬২ বছর। তিনি দীর্ঘ চার বছর ধরে ব্রেইনস্ট্রোকজনিত শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন, যা তার জীবনাবসানের মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত।

ব্যক্তিগত জীবন

তিনি রশুনিয়া ইউনিয়নের সন্তোষপাড়া গ্রামের রশুনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সিনিয়র শিক্ষক বাবু রতন চন্দ্র দাসের স্ত্রী ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি চার পুত্র, পুত্রবধূ, নাতি-নাতনি এবং অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন, যারা তার স্মৃতিকে আজও সম্মান ও ভালোবাসার সঙ্গে ধরে রেখেছেন।

বার্ষিকী অনুষ্ঠান

ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সকালে নিজ বাড়িতে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সন্তোষপাড়ার শ্রী শ্রী গৌর নিতাই মন্দিরে শ্রীমদ্ভাগবত পাঠসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই কর্মসূচির মাধ্যমে তার আত্মার শান্তি কামনা করা হয়েছে, যা পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন এবং শুভানুধ্যায়ীদের অংশগ্রহণে সম্পন্ন হয়েছে।

পরিবারের প্রতিক্রিয়া

পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে গীতা রানী দাসকে স্মরণ করা হয়েছে এবং তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেছেন। এলাকাবাসীও এই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে সমবেদনা ও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন, যা সম্প্রদায়ের ঐক্য ও সহমর্মিতার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সাংবাদিক সুব্রত দাস রনকের ভূমিকা

সুব্রত দাস রনক মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার প্রেসক্লাব সভাপতি, দৈনিক যুগান্তরের সিরাজদিখান উপজেলা প্রতিনিধি এবং যমুনা টিভির (সিরাজদিখান-শ্রীনগর) প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার মায়ের মৃত্যুবার্ষিকী পালন স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ও সম্প্রদায়ের মধ্যে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে, যা তার পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনের সমন্বয়কে প্রতিফলিত করে।

এই অনুষ্ঠানটি শুধু একটি পরিবারের স্মরণই নয়, বরং এটি সামাজিক বন্ধন ও মানবিক মূল্যবোধের একটি প্রাণবন্ত উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান এলাকায় সম্প্রীতি ও ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।