অপতথ্য সংক্রমণের এই যুগে কীভাবে বস্তুনিষ্ঠ থেকে সবার কাছে পৌঁছাতে পারা যায়, বাংলা ট্রিবিউন তার একটি উদাহরণ তৈরি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা, গণস্বাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক শিক্ষাবিদ রাশেদা কে চৌধুরী। তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রতিষ্ঠানটি সেই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে।
বাংলা ট্রিবিউনের এক যুগপূর্তি
বুধবার (১৩ মে) অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা ট্রিবিউনের এক যুগপূর্তি উপলক্ষে দেওয়া এক শুভেচ্ছা বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। শুভেচ্ছা বাণীতে রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, অনলাইন পত্রিকা ‘বাংলা ট্রিবিউন’ এক যুগ পার করে ত্রয়োদশ বছরে পদার্পণ করছে জেনে আমি আনন্দিত। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই শুভলগ্নে গণমাধ্যমটির কর্তৃপক্ষ, পাঠক, সাংবাদিক, শুভানুধ্যায়ীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।
দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশনের গুরুত্ব
বর্তমান বিশ্বে দ্রুততম সময়ে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সংবাদ প্রচারে অনলাইন সংবাদপত্র বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দায়িত্বশীল ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে বাংলা ট্রিবিউনকে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করতে দেখা গেছে। অবাধ তথ্যপ্রবাহের যুগে জরুরি সংবাদটি সাধারণ মানুষের কাছে সঠিক ও দ্রুততার সঙ্গে পৌঁছে দিতে বাংলা ট্রিবিউনের প্রচেষ্টা প্রশংসনীয়।’
পরিশেষে তিনি বলেন, ‘পত্রিকাটির আগামীর পথচলা সহজ ও দায়িত্বশীল হোক।’
এক যুগের পথচলা
প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ১৩ মে বাংলা ট্রিবিউনের যাত্রা শুরু হয়। এক যুগের পথচলায় বাংলা ট্রিবিউন যেমন দায়বদ্ধতা ও দায়িত্বশীলতার প্রমাণ রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছে, তেমনই সঠিক সময়ে সঠিক খবর দেওয়ার মূলমন্ত্রে পাঠকদের আস্থার জায়গাও অর্জন করতে পেরেছে।
শুভেচ্ছা বাণী প্রেরণ
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলা ট্রিবিউনকে শুভেচ্ছা বাণী পাঠিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনসহ রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া অঙ্গণের বিশিষ্টজনেরা।



