ইরান ফ্লাইট ৬৫৫-এর রেপ্লিকা সাগরে ভাসিয়ে নিহতদের স্মরণ
ইরান ফ্লাইট ৬৫৫-এর রেপ্লিকা সাগরে ভাসিয়ে স্মরণ

ইরান ফ্লাইট ৬৫৫-এর রেপ্লিকা সাগরে ভাসিয়ে ১৯৮৮ সালের ৩ জুলাই মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ২৯০ জনকে স্মরণ করছে ইরান। এতে ৬৬ শিশুসহ সবাই প্রাণ হারান।

ঘটনার পটভূমি

১৯৮৮ সালের ৩ জুলাই, ইরাক-ইরান যুদ্ধ চলাকালে, ইরান এয়ারের ফ্লাইট ৬৫৫ (এয়ারবাস এ-৩০০) বন্দর আব্বাস থেকে দুবাই যাওয়ার পথে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস ভিনসেন্স থেকে নিক্ষিপ্ত দুটি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ধ্বংস হয়। উড়োজাহাজটিতে ২৭৪ জন যাত্রী ও ১৬ জন ক্রু ছিলেন।

মার্কিন প্রতিক্রিয়া ও তদন্ত

যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী তদন্ত প্রতিবেদনে ঘটনাটিকে ‘মর্মান্তিক ও দুঃখজনক দুর্ঘটনা’ বলে উল্লেখ করে। ক্যাপ্টেন উইলিয়াম সি রজার্স দাবি করেন, তিনি ইরানের এফ-১৪ যুদ্ধবিমান ভেবে ভুল করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেন। তবে উড়োজাহাজটি অনুমোদিত বাণিজ্যিক বিমানপথে ছিল এবং আগাম সতর্ক করা হয়নি।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ক্ষতিপূরণ ও সমঝোতা

১৯৯৬ সালে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে ৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ দেয় এবং ‘গভীর সহানুভূতি’ জানায়। এর বিনিময়ে ইরান আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত থেকে অভিযোগ তুলে নেয়। তবে ক্যাপ্টেন রজার্স শাস্তি না পেয়ে ১৯৯০ সালে ‘লিজিওন অব মেরিট’ পদক লাভ করেন।

ইরানের স্মরণ

ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি ২০১৯ সালে ঘটনার কড়া সমালোচনা করে বলেন, ‘মার্কিন নাগরিকেরা এ জন্য আজও ক্ষমা চায়নি। যুদ্ধজাহাজের ক্যাপ্টেনকে শাস্তি দেয়নি, পুরস্কৃত করেছে।’ তাঁর আমলে বন্দর আব্বাস বিমানবন্দরের নাম ‘ফ্লাইট ৬৫৫ শহীদ বিমানবন্দর’ রাখা হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ