৭ মার্চ উদযাপনে ধানমন্ডিতে মিছিল নিয়ে ফুল দিতে গিয়ে চারজন গ্রেফতার, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা
ধানমন্ডিতে ৭ মার্চ উদযাপনে মিছিলে চারজন গ্রেফতার, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা

ধানমন্ডিতে ৭ মার্চ উদযাপনে মিছিল নিয়ে ফুল দিতে গিয়ে চারজন গ্রেফতার

ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ৭ মার্চ উদযাপনে মিছিল নিয়ে ফুল দিতে গিয়ে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন চারজন। তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলা দিয়ে আদালতে পাঠিয়েছে কলাবাগান থানা পুলিশ।

ঘটনার বিবরণ

শনিবার (৭ মার্চ) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি মিছিল ধানমন্ডি ২৭ নম্বর সড়কের দিক থেকে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে যাচ্ছিল। মিছিলের উদ্দেশ্য ছিল ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে স্মরণ করে ফুল দেওয়া।

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে পৌঁছানোর পর পুলিশের বাধায় তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। ওই সময় সেখান থেকে চারজনকে আটক করে কলাবাগান থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে তিনজন নারী ও একজন পুরুষ রয়েছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পরে আটককৃতদের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয় এবং তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশের বক্তব্য

এ বিষয়ে কলাবাগান থানার ওসি মো. ফজলে আশিক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “গ্রেফতারকৃতরা হাতে ফুল নিয়ে মিছিল করতে করতে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে যান। এ সময় তাদের মধ্যে চারজনকে আটক করা হয়েছে। এ চারজনকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।”

৭ মার্চ উদযাপনের পটভূমি

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে ৭ মার্চ উদযাপিত হতো। প্রতিবছরই নানা কর্মসূচিতে পালিত হতো জাতীয় দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া দিনটি।

রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার ৭ মার্চসহ আটটি জাতীয় দিবস বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়। এই সিদ্ধান্তের পর থেকে ৭ মার্চের আনুষ্ঠানিক উদযাপন বন্ধ রয়েছে, তবে বিভিন্ন গোষ্ঠী ও ব্যক্তিরা ব্যক্তিগতভাবে দিনটি স্মরণ করে থাকেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক বাসভবন হিসেবে পরিচিত, যেখানে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তিনি তার বিখ্যাত ভাষণ দিয়েছিলেন। এই স্থানটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।

বর্তমান ঘটনাটি রাজনৈতিক ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির একটি দিক তুলে ধরছে, যেখানে প্রকাশ্য সমাবেশ ও স্মরণ অনুষ্ঠান নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা দেখা যাচ্ছে।