চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ৬নং কচুয়া উত্তর ইউনিয়নের বাসিন্দা কামরুল ইসলাম (৩৮) গত চার মাস ধরে ওমানের একটি হাসপাতালে গুরুতর অবস্থায় মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন। তার নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণের মতো জটিল উপসর্গ দেখা দেওয়ার পর থেকে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পরিবারের আকুতি
অসুস্থ কামরুল ইসলামকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসী সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন। পারিবারিক সূত্র জানায়, ২০১৭ সালে জীবিকার তাগিদে ওমানে পাড়ি জমান কামরুল ইসলাম। প্রবাসে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করলেও বর্তমানে তিনি সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
পরিবারের দুর্দশা
ছেলের এমন অবস্থায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন তার বাবা-মা। তাদের দিন কাটছে হতাশায়। স্ত্রী ও সন্তানরাও প্রিয় মানুষটিকে ফিরে পাওয়ার আকুতি নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। পরিবারের এই দুর্দশায় এলাকাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে আবেগঘন পরিবেশ।
বাবার বক্তব্য
কামরুল ইসলামের বাবা মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, “আমার ছেলে ওমানের মাস্কাটে কর্মরত অবস্থায় হঠাৎ নাক-মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হলে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে অর্থের অভাবে তার উন্নত চিকিৎসা ও দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হচ্ছে না।”
সরকারের প্রতি দাবি
পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসী দ্রুত প্রশাসনিক উদ্যোগ গ্রহণ করে তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন। তারা কচুয়ার সংসদ সদস্য ও শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনসহ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। পরিবারের দাবি, মানবিক বিবেচনায় সরকারের সহযোগিতায় দ্রুত কামরুল ইসলামকে দেশে ফিরিয়ে আনা হোক, যাতে তিনি পরিবারের পাশে থেকে চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারেন।



