ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর চীন সফর যুদ্ধ পরিস্থিতি ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার জন্য
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর চীন সফর যুদ্ধ ও সম্পর্ক নিয়ে

যুদ্ধ পরিস্থিতি ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার জন্য চীন সফরে যাচ্ছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। মঙ্গলবার (৫ মে) বেইজিংয়ের উদ্দেশ্যে তেহরান ত্যাগ করছেন তিনি।

উচ্চপর্যায়ের বৈঠক

সফরকালে আরাগচি চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জানিয়েছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই সফরে তিনি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং চলমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

আলোচনার বিষয়বস্তু

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে জানিয়েছে, দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিরসনে বেইজিংয়ের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। মূলত গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্মিলিতভাবে ইরানের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়ার পর থেকে এ অঞ্চলে যে ভয়াবহ সংঘাত শুরু হয়েছে, তা নিরসনে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা কাটানোই এই সফরের প্রধান লক্ষ্য।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

চীনের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার আলোচনা বর্তমানে স্থবির হয়ে পড়ায় বেইজিংয়ের এই মধ্যস্থতাকারী ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার দীর্ঘকালীন নীতি এবং যুদ্ধের সকল পক্ষের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখায় চীন নিজেকে একজন নির্ভরযোগ্য কূটনৈতিক খেলোয়াড় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছে।

সফরের গুরুত্ব

বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বেইজিংয়ের এই ক্রমবর্ধমান প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে ইরান যুদ্ধের সমাপ্তি এবং মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফেরাতে আরাগচির এই সফর বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। সূত্র: আল-জাজিরা।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ