হরমুজ প্রণালিতে সাইপ্রাসের পতাকাবাহী একটি জাহাজে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) নৌবাহিনী হামলার জবাবে যুক্তরাষ্ট্র তেহরানে হামলা চালানোর পর ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে প্রতিশোধমূলক হামলা চালাতে পারে বলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাহরাইন ও কাতারে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
বাহরাইনে সাইরেন বাজিয়ে সতর্কতা
বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশটির বাসিন্দাদের শান্ত থাকার এবং দ্রুত নিকটস্থ নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে সাইরেন বাজিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, 'সবাইকে শান্ত থাকতে এবং নির্দেশনা মেনে চলতে বলা হয়েছে।'
কাতারে উচ্চ নিরাপত্তা ঝুঁকি
অন্যদিকে, কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটির নিরাপত্তা ঝুঁকির মাত্রা বর্তমানে অনেক বেশি। তাই সবাইকে নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলতে এবং বাড়ি বা নিরাপদ স্থানে অবস্থান করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য
এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বড় নৌঘাঁটি রয়েছে, আর কাতারে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি অবস্থিত। ফলে এই দুই দেশ ইরানের সম্ভাব্য হামলার জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ।
মিডল ইস্ট আইয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।



