ইরান যুদ্ধে মার্কিন লক্ষ্য ঘোষণা: রুবিও বললেন অস্ত্র কারখানা ধ্বংসই প্রধান টার্গেট
ইরান যুদ্ধে মার্কিন লক্ষ্য ঘোষণা: রুবিওর বক্তব্য

ইরান যুদ্ধে মার্কিন লক্ষ্য ঘোষণা: রুবিও বললেন অস্ত্র কারখানা ধ্বংসই প্রধান টার্গেট

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া একটি পোস্টে ইরান যুদ্ধের লক্ষ্যগুলো স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের 'শক্তিশালী ভাষণ' ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত উদ্দেশ্যগুলো পরিষ্কার করে দিয়েছে।

রুবিওর ঘোষিত চারটি প্রধান লক্ষ্য

মার্কো রুবিও তার পোস্টে ইরান যুদ্ধের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের চারটি মূল লক্ষ্য উল্লেখ করেছেন:

  1. ইরানের অস্ত্র কারখানাগুলো সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করা
  2. ইরানের নৌবাহিনীর সামরিক ক্ষমতা নষ্ট করা
  3. ইরানের বিমানবাহিনীর অবকাঠামো ধ্বংস করা
  4. ইরান যেন কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, সেই সক্ষমতা চিরতরে বিলুপ্ত করা

রুবিও আরও বলেন, 'প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্ব বিশ্ববাসীকে একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে—যুক্তরাষ্ট্র তার জনগণ ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করবে এবং শক্তির মাধ্যমেই শান্তি বজায় রাখবে।'

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ট্রাম্পের ভাষণে যুদ্ধের অগ্রগতি দাবি

এদিকে, স্থানীয় সময় বুধবার (১ এপ্রিল) জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, 'আজ অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে আমি জানাচ্ছি যে আমাদের কৌশলগত লক্ষ্য অর্জন প্রায় কাছাকাছি রয়েছে। গত চার সপ্তাহে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী যুদ্ধক্ষেত্রে দ্রুত, চূড়ান্ত ও অপ্রতিরোধ্য জয় এনে দিয়েছে। এমন জয় যা অনেক মানুষ কখনো দেখেননি।'

ট্রাম্প আবারও দাবি করেছেন যে ইরান পারমাণবিক বোমা তৈরির খুব কাছাকাছি ছিল। তবে তিনি তার এই দাবির পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করেননি। উল্লেখ্য, যুদ্ধ শুরুর আগে ইরান একাধিকবার জানিয়েছিল যে তারা কোনো ধরনের পারমাণবিক বোমা তৈরি করছে না।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

যুদ্ধপূর্ব ইরানের অবস্থান

ইরান সরকার বারবার জানিয়েছে যে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে। যুদ্ধ শুরুর আগে ইরানের কর্মকর্তারা একাধিকবার বলেছেন, 'আমরা কোনো ধরনের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছি না'। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার পর এই সংঘাত নতুন মোড় নিয়েছে।

মার্কো রুবিওর এই ঘোষণা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সামরিক অবকাঠামো সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, এই যুদ্ধের ফলে পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে।