ইরানের ইস্ফাহানে বিস্ফোরণ: ট্রাম্পের ভিডিও শেয়ার ও মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার দাবি
ইরানের ইস্ফাহানে বিস্ফোরণ: ট্রাম্পের ভিডিও ও হামলার দাবি

ইরানের ইস্ফাহানে ভয়াবহ বিস্ফোরণ: ট্রাম্পের ভিডিও শেয়ার ও আন্তর্জাতিক উত্তেজনা

ইরানের রাজধানী তেহরান থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দেশটির ইস্ফাহান শহরে সংঘটিত এক ভয়াবহ বিস্ফোরণের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ভোরের দিকে এই বিস্ফোরণ ঘটে বলে মিডিয়া রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। খবরটি প্রথমে এনডিটিভি প্রকাশ করে, যা পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।

বিস্ফোরণের ভিডিও ফুটেজ ও ট্রাম্পের ভূমিকা

ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, একের পর এক বিস্ফোরণের ফলে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে রাতের আকাশ কমলা রঙে রূপান্তরিত হয়েছে, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। তবে এই ভিডিও সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো মন্তব্য করেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর এই শেয়ার আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও অনুমানের জন্ম দিয়েছে।

মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার দাবি

বিভিন্ন মিডিয়া সূত্র দাবি করছে যে, ইস্ফাহানে অবস্থিত গোলাবারুদের ডিপোতে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী যৌথভাবে হামলা চালিয়েছে। ইস্ফাহান শহরটিতে প্রায় ২৩ লাখ ইরানির বসবাস, এবং সেখানে বদর সামরিক বাহিনীর একটি বিমানঘাঁটি রয়েছে, যা এই হামলার সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল মার্কিন এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে যে, মার্কিন বাহিনী ইস্ফাহানের গোলাবারুদের ডিপোতে দুই হাজার পাউন্ডের বাঙ্কার বাস্টার বোমা দিয়ে হামলা চালিয়েছে। এই হামলার ফলে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়, কারণ ইরানি কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ট্রাম্পের হুমকি ও এর প্রেক্ষাপট

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইরানের জ্বালানি ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালানো হবে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির মাত্র একদিন পরেই এই হামলা সংঘটিত হয়েছে। এটি আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান বৈরিতাকে আরও তীব্র করতে পারে।

এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করছে, যেখানে সামরিক সংঘাতের ঝুঁকি বাড়ছে। ইরানি কর্তৃপক্ষ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এই হামলার বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানায়নি, তবে স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপত্তা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।