মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ফ্লাইট বাতিল, যাত্রীদের ভোগান্তি
চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ফ্লাইট বাতিল, যাত্রীদের ভোগান্তি

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ফ্লাইট বাতিল, যাত্রীদের ভোগান্তি

মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির নেতিবাচক প্রভাব সরাসরি পড়েছে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ফ্লাইট পরিচালনায়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত এক মাসের সময়কালে দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ ও দোহা রুটের মোট ২১৮টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে, যা যাত্রীদের জন্য চরম ভোগান্তির সৃষ্টি করেছে।

ফ্লাইট বাতিলের বিস্তারিত তথ্য

সোমবার (৩০ মার্চ) রাতে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শুধুমাত্র সোমবারেই ছয়টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। বিমানবন্দর সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের আবুধাবি থেকে একটি আগমন ও একটি বহির্গমন ফ্লাইট, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের দুবাই থেকে একটি আগমন ও একটি বহির্গমন ফ্লাইট, এবং এয়ার আরাবিয়ার শারজাহ থেকে একটি আগমন ও একটি বহির্গমন ফ্লাইট।

তবে এদিন মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন রুটে পাঁচটি আগমন ও চারটি বহির্গমন ফ্লাইট নিয়মিত চলাচল করেছে বলে কর্তৃপক্ষ উল্লেখ করেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

যাত্রীদের মারাত্মক ভোগান্তি

ফ্লাইট বাতিলের ফলে প্রবাসীরা সময়মতো কর্মস্থলে ফিরতে পারছেন না এবং অনেকে দীর্ঘ সময় বিমানবন্দরে অবস্থান করেও গন্তব্যে পৌঁছাতে ব্যর্থ হচ্ছেন। কর্তৃপক্ষের মতে, সালাম এয়ার, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের শারজাহ, দুবাই ও আবুধাবি রুটের ফ্লাইট চলাচলের স্থবিরতা এখনো কাটেনি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই পরিস্থিতির কারণে ফ্লাইট সূচিতে চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে। এর ফলে চট্টগ্রাম থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী এবং মধ্যপ্রাচ্য থেকে চট্টগ্রামমুখী যাত্রীসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে, যা স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই সংকট মোকাবিলায় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করছে, কিন্তু যুদ্ধ পরিস্থিতির স্থায়িত্ব অনিশ্চিত হওয়ায় দ্রুত সমাধানের সম্ভাবনা কম বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিচ্ছেন।