ইরানের হামলায় সৌদি বিমানঘাটিতে মার্কিন নজরদারি বিমান ক্ষতিগ্রস্ত, আহত ১২ সেনা
ইরানের হামলায় সৌদিতে মার্কিন নজরদারি বিমান ক্ষতিগ্রস্ত

ইরানের হামলায় সৌদি বিমানঘাটিতে মার্কিন নজরদারি বিমান ক্ষতিগ্রস্ত

সৌদি আরবের একটি বিমান ঘাটিতে ইরান কর্তৃক পরিচালিত হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যাধুনিক নজরদারি বিমান ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ঘটনায় অন্তত ১২ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন এবং বেশ কয়েকটি রিফুয়েলিং বিমানও ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

হামলার সময় ও স্থান

শুক্রবার, ২৭ মার্চ তারিখে সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাটিতে এই হামলা চালানো হয়। ইরান কর্তৃক পরিচালিত এই হামলায় ড্রোন ও মিসাইলের সমন্বয় ব্যবহার করা হয়েছে, যা বিমানঘাটির নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে গুরুতরভাবে প্রভাবিত করেছে।

ক্ষতিগ্রস্ত বিমানের বিবরণ

হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এয়ারবর্ন ওয়ার্নিং এন্ড কন্ট্রোল সিস্টেম (এওসিএস) বিমান বোয়িং ই-৩ সেন্ট্রি। এই বিমানটি উন্নত রাডার প্রযুক্তি ব্যবহার করে শত শত কিলোমিটার দূরের বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করতে সক্ষম, যা মার্কিন সামরিক বাহিনীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সম্পদ।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মার্কিন সামরিক বাহিনীর অবস্থান

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বিমানঘাটিতে মাত্র ১৬টি বোয়িং ই-৩ সেন্ট্রি বিমান মোতায়েন ছিল। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এই মুহূর্তে এই বিমানের সরাসরি কোনো বিকল্প নেই। এর কাছাকাছি বিকল্প হিসেবে বিবেচিত ই-৭ ওয়েজটেইল বিমানের মূল্য প্রায় ৭০০ মিলিয়ন ডলার, যা প্রতিস্থাপনের জন্য উল্লেখযোগ্য ব্যয়ের প্রয়োজন হবে।

হামলার প্রভাব ও পরিণতি

এই হামলা শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সম্পদের ক্ষতি নয়, বরং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকেও জটিল করে তুলেছে। আহত সেনাদের চিকিৎসা ও ক্ষতিগ্রস্ত বিমানগুলোর মেরামত বা প্রতিস্থাপনের বিষয়টি এখন মার্কিন কর্তৃপক্ষের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ