মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের রণতরি 'জর্জ বুশ' মোতায়েনের সম্ভাবনা
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কাছাকাছি এলাকায় যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরি 'ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ' মোতায়েন করা হতে পারে। বিষয়টি নিয়ে জানাশোনা আছে এমন একটি সূত্র সিএনএনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সূত্রটি উল্লেখ করেছে যে, এই রণতরিটি মার্কিন বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) অধীন এলাকায় প্রেরণ করা হবে, যার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
রণতরির ভূমিকা ও সম্ভাব্য পরিবর্তন
তবে এখনো স্পষ্ট নয় যে, ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ এই অঞ্চলে ইতোমধ্যেই অবস্থানরত মার্কিন রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন ও ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড-এর সঙ্গে যোগ দেবে, নাকি তাদের মধ্যে কোনো একটির স্থলাভিষিক্ত হবে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে এই দুটি রণতরিই ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে।
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও প্রতিক্রিয়া
এর আগে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এবং সংবাদ সংস্থা ইরনার বরাতে জানানো হয়েছে যে, বুধবার ইরানের নৌবাহিনী তাদের উপকূলে অবস্থিত 'কাদের' ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন-কে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে। ইরানি নৌবাহিনীর প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহরাম ইরানি এক বিবৃতিতে দাবি করেছেন, 'শত্রু পক্ষের বিমানবাহী রণতরীটি আমাদের নজরদারিতে ছিল। এটি আমাদের ক্ষেপণাস্ত্রের সীমানার মধ্যে প্রবেশ করা মাত্রই আঘাত হানা হয়েছে, যার ফলে রণতরীটি তার অবস্থান পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছে।' তেহরান এই পদক্ষেপকে তাদের সামুদ্রিক সার্বভৌমত্ব রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
অপারেশন এপিক ফিউরি ও চলমান উত্তজনা
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তজনা এবং 'অপারেশন এপিক ফিউরি'-র অংশ হিসেবে এই রণতরীটি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দুর্ঘটনার ধাক্কা সামলে নিয়ে আব্রাহাম লিংকন স্ট্রাইক গ্রুপ তাদের নির্ধারিত সামরিক মিশন অব্যাহত রেখেছে। এই প্রেক্ষাপটে নতুন রণতরির মোতায়েন আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
সূত্র: সিএনএন



