হরমুজ প্রণালিকে 'ট্রাম্প প্রণালি' বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট, ইরানকে হুমকি
হরমুজ প্রণালিকে 'ট্রাম্প প্রণালি' বললেন ট্রাম্প

হরমুজ প্রণালিকে 'ট্রাম্প প্রণালি' বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি বক্তৃতায় হরমুজ প্রণালিকে 'ট্রাম্প প্রণালি' বলে উল্লেখ করে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের মায়ামিতে এক অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন, যা আন্তর্জাতিক মহলে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে।

বক্তৃতায় মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ প্রসঙ্গ

বক্তব্যে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প বলেন, 'ওদের (ইরান) এটা খুলে দিতে হবে। ওদের ট্রাম্প প্রণালি খুলে দিতে হবে। মানে হরমুজ।' পরপরই তিনি মজা করে বলেন, 'মাফ করবেন, আমি দুঃখিত। কী ভয়ানক ভুল।' তবে এরপরই তিনি আবার বলেন, 'ভুয়া খবরে বলা হবে, তিনি (ট্রাম্প) ভুল করে বলেছেন। না, আমার ভুল হয়নি। খুব একটা নয়।'

ইরানকে হুমকি ও হামলা স্থগিত

ট্রাম্প ইরানকে খুব শিগগিরই হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে বলেছেন। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, না হলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ধ্বংস করে দেবেন। এই হুমকির মধ্যেই তিনি দেশটির জ্বালানি অবকাঠামোগুলোয় হামলা আরও ১০ দিন স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছেন। তার মতে, যুদ্ধ বন্ধে তেহরানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের আলোচনা চলছে, তাই হামলা বন্ধ থাকবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

হামলা স্থগিত রাখার কথা বললেও, শুক্রবারের অনুষ্ঠানেই ট্রাম্প বলেছেন, আঘাত হানার জন্য ইরানে এখনো ৩ হাজার ৫৫৪টি লক্ষ্যবস্তু যুক্তরাষ্ট্রের তালিকায় রয়েছে। তিনি দাবি করেন, সেগুলোতে খুব শিগগিরই হামলা চালানো হবে। এছাড়া তিনি মন্তব্য করেন যে, ইরান এক সময় শক্তিশালী এক দেশ থাকলেও, এখন একদমই শক্তিশালী নয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও প্রেক্ষাপট

এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক সম্পর্কে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ, যা তেল পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ট্রাম্পের এই মন্তব্য এবং হুমকি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

সূত্র অনুযায়ী, সিএনএন এই খবরটি প্রথম প্রকাশ করে। এটি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলার প্রসঙ্গেও আলোচনা উসকে দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই বক্তব্য নিয়ে বিশ্বব্যাপী নজর রাখা হচ্ছে, কারণ এটি ভবিষ্যতের কূটনৈতিক ও সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিতে পারে।