ট্রাম্পের দাবি: ইরানের সামরিক সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস, চুক্তির জন্য তেহরানের অনুরোধ
ট্রাম্পের দাবি: ইরানের সামরিক সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস

ট্রাম্পের দাবি: ইরানের সামরিক সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস, চুক্তির জন্য তেহরানের অনুরোধ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি মন্ত্রিসভার বৈঠকে দাবি করেছেন যে ইরানের সামরিক সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, তেহরান এখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তি করার জন্য অনুরোধ করছে। ট্রাম্প সতর্ক করে দিয়েছেন যে যদি যুদ্ধবিরতি না হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর নির্মম হামলা চালাবে।

পারমাণবিক কর্মসূচি পরিত্যাগের হুমকি

ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেন, ইরান যদি তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পরিত্যাগ না করে, তাহলে এই সংঘাত তাদের জন্য দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে। তবে তিনি জানান, এখনো যুদ্ধবিরতির সুযোগ রয়েছে। তার মতে, এই হামলা না হলে ইরান দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারত।

ইরানের সামরিক অবকাঠামো ধ্বংসের দাবি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে এবং ইরানের নৌ ও বিমানবাহিনী পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় করে দিয়েছে। তিনি বলেন, ইরানের সামরিক শক্তি ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে দেওয়া হয়েছে। ট্রাম্পের মতে, এই পদক্ষেপগুলো ইরানের আগ্রাসন রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ন্যাটোকে ‘কাগুজে বাঘ’ অভিহিত

ট্রাম্প আরও বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধে ন্যাটো দেশগুলো কোনো সহায়তা দেয়নি এবং যুক্তরাষ্ট্রেরও কারও সাহায্যের প্রয়োজন নেই। তিনি উল্লেখ করেন যে তিনি ২৫ বছর আগেই ন্যাটোকে ‘কাগুজে বাঘ’ বলে অভিহিত করেছিলেন। তার এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি করতে পারে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ইরানের আঞ্চলিক হামলার অভিযোগ

ইরানের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে ট্রাম্প বলেন, তেহরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে হামলা চালিয়েছে এবং চলমান সংঘাতের চাপের মধ্যে উপসাগরীয় দেশগুলোতেও আক্রমণ করেছে। তিনি দাবি করেন, ইরান ওই দেশগুলোতে বোমা হামলা চালিয়েছে এবং পুরো মধ্যপ্রাচ্যের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল। এই অভিযোগগুলো ইরানের পররাষ্ট্রনীতির ওপর নতুন আলোচনার জন্ম দিতে পারে।

মাদক পাচার কমানোর দাবি

এ ছাড়া ট্রাম্প দাবি করেন, সমুদ্রপথে যুক্তরাষ্ট্রে মাদক পাচার ৯৮ শতাংশ কমে গেছে। তিনি বলেন, চার থেকে ছয় সপ্তাহে যে ফল পাওয়ার কথা ছিল, তা এর আগেই অর্জিত হয়েছে। তার মতে, এই পদক্ষেপ আরও ৪৭ বছর আগেই নেওয়া উচিত ছিল। এই দাবি যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নীতির সাফল্য হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।

ট্রাম্পের এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা কমানোর জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করা প্রয়োজন। এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনার গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।