ট্রাম্পের দাবি: যুদ্ধ বন্ধে চুক্তিতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার (২৩ মার্চ) ফ্লোরিডায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় দাবি করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয় পক্ষই একটি আন্তর্জাতিক যুদ্ধ বন্ধে চুক্তি করতে আগ্রহী। তিনি বলেন, ‘উভয় পক্ষই একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে আগ্রহী’ এবং ইরানের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে তিনি অব্যাহতভাবে দাবি করে যাচ্ছেন।
চুক্তির গ্যারান্টি নেই, কিন্তু সম্ভাবনা উজ্জ্বল
ট্রাম্প যোগ করেছেন যে, তিনি কোনো চুক্তির গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তা দিতে পারছেন না, তবে যদি কোনো চুক্তি হয়, তবে তা ইরান এবং পুরো অঞ্চলের জন্য একটি ‘দুর্দান্ত সূচনা’ হবে। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের আলোচনায় ‘প্রধান বিষয়গুলোতে ঐকমত্য’ হয়েছে এবং মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে ইরানের আলোচনায় উভয় পক্ষ ‘প্রধান প্রধান পয়েন্টগুলোতে একমত’ হয়েছে।
ইরানের পক্ষ থেকে আলোচনার দাবি ও অস্বীকার
ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, ইরানিরাই আলোচনার জন্য তাকে ফোন করেছে, তিনি নিজে থেকে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। তবে, ট্রাম্পের এই আলোচনার দাবির বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ইরানের আধা-সরকারি মেহর নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে যে, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে কোনো ধরনের আলোচনা চলছে না, যা ট্রাম্পের দাবিকে চ্যালেঞ্জ করছে।
ইসরাইলি নেতাদের সঙ্গে কথোপকথন
ট্রাম্প আরও বলেন, কিছুক্ষণ আগে ইসরাইলি নেতাদের সঙ্গে কথা হয়েছে এবং তিনি দাবি করেন যে, ‘আমাদের কাছে যা আছে তাতে ইসরাইল খুবই খুশি হবে’। এই মন্তব্যটি আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও অনিশ্চয়তা
যদিও ট্রাম্প দাবি করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা চলছে, তেহরান থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ইরানের আধা-সরকারি মেহর নিউজ এজেন্সি দুই পক্ষের মধ্যে কোনো ধরনের আলোচনার বিষয়টি অস্বীকার করেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। এই অনিশ্চয়তা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, কারণ যুদ্ধ বন্ধের সম্ভাবনা নিয়ে বিভ্রান্তি বিরাজ করছে।



