ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির দাবি: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ওপর 'ভয়াবহ আঘাত' হেনেছে ইরান
ইরান যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের ওপর 'ভয়াবহ আঘাত' হেনেছে: মোজতবা খামেনি

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দাবি: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ওপর 'ভয়াবহ আঘাত' হেনেছে ইরান

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি শুক্রবার (২০ মার্চ) এক লিখিত বার্তায় দাবি করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে তার দেশ শত্রুদের ওপর 'ভয়াবহ আঘাত' হেনেছে। এই দাবি এসেছে এমন এক সময়ে, যখন পারস্য নববর্ষ 'নওরোজ' উৎসবের প্রথম দিনেই তেহরানে নতুন করে বেশ কিছু বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

জেরুজালেমে বিস্ফোরণ ও ইসরাইলের অভিযোগ

এদিকে, জেরুজালেমের ওল্ড সিটিতে আল-আকসা মসজিদ, ওয়েস্টার্ন ওয়াল এবং চার্চ অব দ্য হোলি সেপালকারের মাত্র কয়েকশ মিটার দূরে একটি বিস্ফোরণে বিশাল গর্ত তৈরি হওয়ার পর ইসরাইল তেহরানের বিরুদ্ধে পবিত্র স্থানগুলোতে হামলার অভিযোগ এনেছে। এই ঘটনা অঞ্চলজুড়ে ছড়িয়ে পড়া যুদ্ধের উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে, যা ইতিমধ্যেই চতুর্থ সপ্তাহে প্রবেশ করেছে।

মোজতবা খামেনির লিখিত বার্তা ও ঐক্যের জোর

পারস্য নববর্ষ 'নওরোজ' উপলক্ষে দেওয়া এক লিখিত বার্তায় মোজতবা খামেনি বলেন, 'ইরানিরা শত্রুকে এমন এক ভয়াবহ আঘাত হেনেছে যে, তারা এখন উল্টোপাল্টা ও অর্থহীন কথা বলতে শুরু করেছে।' তিনি আরও যোগ করেন, 'বর্তমানে আমাদের দেশবাসীর মধ্যে ধর্মীয়, বুদ্ধিভিত্তিক, সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক ভিন্নতা থাকা সত্ত্বেও যে বিশেষ ঐক্য তৈরি হয়েছে, তার ফলেই শত্রু পরাজিত হয়েছে।'

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

উল্লেখ্য, এই যুদ্ধের শুরুতে ইসরাইলি বিমান হামলায় নিহত বাবা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির উত্তরসূরি হিসেবে মনোনীত হওয়ার পর থেকে মোজতবা খামেনি এখন পর্যন্ত জনসমক্ষে আসেননি; তিনি কেবল লিখিত বিবৃতি দিয়েই নিজের অবস্থান জানিয়ে আসছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নওরোজ উৎসব ও যুদ্ধের ছায়া

চতুর্থ সপ্তাহে গড়াতে যাওয়া যুদ্ধের ছায়ায় ইরানিরা যখন অনেকটা ম্লানভাবে নওরোজ পালন করছে, ঠিক তখনই খামেনির এই বার্তাটি এলো। এই পরিস্থিতিতে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলা নিয়ে ঘটনাপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে, যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সংঘাতের প্রভাব পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলজুড়ে ব্যাপক হতে পারে, এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য দ্রুত কূটনৈতিক উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।