ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধে সম্মত হলেন নেতানিয়াহু
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধে সম্মত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই ধরনের হামলায় ক্ষোভ প্রকাশ করার পরই এই সিদ্ধান্ত আসে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সিএনএনের দেওয়া ভাষণে নেতানিয়াহু জানান, বিশ্বের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্রগুলোর একটি ইরানের সাউথ পার্সে হামলার পর তিনি ট্রাম্পের আহ্বান মেনে আর হামলা চালাবেন না।
হামলার পটভূমি ও উত্তেজনা বৃদ্ধি
এই হামলাকে যুদ্ধের বড় ধরনের উত্তেজনা বৃদ্ধির ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে, যার প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে যায়। ওই হামলা নিয়ে নেতানিয়াহু দাবি করেন, ইসরায়েল একাই এটি পরিচালনা করেছে। এতে ট্রাম্পের সেই বক্তব্যের সঙ্গেই মিল পাওয়া যায়, যেখানে তিনি বলেন যুক্তরাষ্ট্র আগাম কিছু জানত না।
বিতর্ক ও সাংঘর্ষিক দাবি
তবে মার্কিন ও ইসরায়েলি একাধিক সূত্র জানিয়েছে, হামলার বিষয়ে ওয়াশিংটন অবগত ছিল—যা দুই নেতার বক্তব্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এই বিতর্ক আন্তর্জাতিক সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ঘটনা ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র জোটের মধ্যে সুস্পষ্ট যোগাযোগের অভাব নির্দেশ করতে পারে।
জ্বালানি বাজারের প্রভাব
এদিকে, নেতানিয়াহুর ঘোষণার পর শুক্রবার তেলের দাম কিছুটা কমলেও, ভবিষ্যতে জ্বালানি বাজারে চাপ অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, তেলের দাম দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ পর্যায়েই থাকতে পারে, কারণ মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি করছে।
সারসংক্ষেপ: নেতানিয়াহুর এই সিদ্ধান্ত ট্রাম্পের কূটনৈতিক চাপের ফল হিসেবে দেখা হচ্ছে, কিন্তু হামলার পিছনে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক চলমান। জ্বালানি বাজারে এর প্রভাব দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন।



