ইরানের নতুন হামলা: ইসরাইল ও মার্কিন অবস্থানে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন আক্রমণ
ইরানের নতুন হামলা: ইসরাইল-মার্কিন অবস্থানে আক্রমণ

ইরানের নতুন হামলা: ইসরাইল ও মার্কিন অবস্থানে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন আক্রমণ

ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিমের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার সরদার মুসাভি আমেরিকান-জায়নবাদী শত্রুর বিরুদ্ধে অঞ্চলজুড়ে কার্যকর এবং শক্তিশালী হামলার এক নতুন পর্যায় ঘোষণা করেছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, তেল আবিব এবং ওয়াশিংটনের অহংকারের মেরুদণ্ড রাস্তা ও চত্বরগুলোতেই ভেঙে দেওয়া হবে।

হামলার বিস্তারিত বিবরণ

আইআরজিসি ভোর থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে পুরো অঞ্চল জুড়ে মার্কিন এবং ইসরাইলি অবস্থানগুলোতে তীব্র হামলার একটি ঢেউ পরিচালনা করছে। ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ধেয়ে আসা ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে। ইরান থেকে তাদের ভূখণ্ডের দিকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো প্রতিহত করতে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কাজ করছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে তারা জানায়, হোম ফ্রন্ট কমান্ড লক্ষ্যবস্তু এলাকার মানুষের মোবাইল ফোনে একটি নির্দেশনা পাঠিয়েছে। সেখানে তাদের নিরাপদ আশ্রয়ে লুকাতে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ইসরাইলি প্রতিক্রিয়া ও উদ্ধারকারীদের তৎপরতা

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইসরাইলি উদ্ধারকারীরা সম্ভাব্য 'আঘাতপ্রাপ্ত স্থানগুলোতে' কাজ করছে। দ্য টাইমস অব ইসরাইল জানায়, মধ্য ইসরাইলে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের সতর্কতামূলক সাইরেন বাজার পর ইসরাইলি উদ্ধারকর্মীরা ‘আঘাতপ্রাপ্ত স্থানগুলোর রিপোর্টের ভিত্তিতে সাড়া দিচ্ছেন’। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই হামলায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি এবং এতে ‘অল্প সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র’ ব্যবহার করা হয়েছিল।

এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে। ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে দীর্ঘদিনের বৈরিতা নতুন করে প্রকাশ পেয়েছে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলছে।