দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলের বিস্তৃত স্থল অভিযান শুরু
ইসরাইলের সেনাবাহিনী মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬ তারিখে দক্ষিণ লেবাননে একটি বিস্তৃত স্থল অভিযানে যোগ দিয়েছে। এই অভিযানটি শুরু হয়েছে সীমান্তে হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘাত তীব্র হওয়ার পর, যা আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ডিভিশন ৩৬-এর মোতায়েন ও পূর্ববর্তী হামলা
ইসরাইলি সেনাবাহিনীর ডিভিশন ৩৬ দক্ষিণ লেবাননে ‘বিস্তৃত স্থল অভিযান’-এ অংশ নিয়েছে। মোতায়েনের আগে, ইসরাইলি বাহিনী বিমান হামলা ও গোলাবারুদ ব্যবহার করে এলাকাটি প্রস্তুত করেছে। সেনাবাহিনী তাদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট এক্স-এর মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে, যা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।
বৃহত্তর পরিকল্পনা ও ফরওয়ার্ড ডিফেন্স এরিয়া
এই মোতায়েন একটি বৃহত্তর সামরিক পরিকল্পনার অংশ, যা ইসরাইলি সেনাবাহিনী ‘ফরওয়ার্ড ডিফেন্স এরিয়া’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। এই কৌশলের অধীনে, আরও কয়েকটি ডিভিশন দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় লক্ষ্যভিত্তিক স্থল অভিযান চালাচ্ছে। এটি ইঙ্গিত দেয় যে ইসরাইল সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান শক্তিশালী করতে চাইছে।
হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘাতের প্রেক্ষাপট
সীমান্তে হিজবুল্লাহর সঙ্গে লড়াইয়ের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় ইসরাইল এই অভিযানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত কয়েক মাস ধরে এই অঞ্চলে উত্তেজনা চলছিল, এবং বর্তমান পদক্ষেপটি সেই সংঘাতের একটি নতুন পর্যায়ের সূচনা করতে পারে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই উন্নয়নকে সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে, যেহেতু এটি পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য প্রভাব ফেলতে পারে।
এই অভিযানের ফলে দক্ষিণ লেবাননের বেসামরিক জনগণের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে যে তাদের লক্ষ্য হলো হিজবুল্লাহর সামরিক অবকাঠামোকে দুর্বল করা, কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বানও জানানো হয়েছে।
