গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ৭০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনআরডব্লিউএ) জানিয়েছে, এই হামলায় নিহতদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু।
হামলার বিবরণ
ইসরায়েলি বাহিনী গাজার বিভিন্ন এলাকায় বিমান ও স্থল হামলা চালিয়েছে। দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস শহরে সবচেয়ে বেশি হামলা হয়েছে। সেখানে একটি আবাসিক ভবনে হামলায় ২০ জন নিহত হয়েছেন। উত্তর গাজার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরেও হামলা চালানো হয়েছে।
ইউএনআরডব্লিউএর প্রধান ফিলিপ লাজারিনি বলেছেন, “এটি একটি ভয়াবহ পরিস্থিতি। বেসামরিক লোকজন হামলার শিকার হচ্ছেন। আমরা অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি চাই।”
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এই হামলার নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘন করে হামলা চালানো হচ্ছে।”
যুক্তরাষ্ট্রও গাজার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তবে তারা ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকারকে সমর্থন জানিয়েছে।
হতাহতের সংখ্যা
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৩০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৭০ শতাংশই নারী ও শিশু।
ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় গাজার অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে। হাসপাতাল, স্কুল ও আবাসিক ভবন ধ্বংস হয়েছে। খাদ্য, পানি ও ওষুধের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।
যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টা
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার জন্য কয়েক দফা আলোচনা হয়েছে। তবে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে কোনো চুক্তি হয়নি। সর্বশেষ রমজানের আগে যুদ্ধবিরতির চেষ্টা চলছে।
মিশর ও কাতার মধ্যস্থতায় আলোচনা চলছে। তবে ইসরায়েল গাজার দক্ষিণাঞ্চল রাফাহ শহরে স্থল অভিযান চালানোর হুমকি দিয়েছে।



