টানা ভারী বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলের কারণে দেশের তিন নদীর পাঁচ পয়েন্টের পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। রবিবার (১২ জুলাই) সকাল ৯টার তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ জেলার এসব পয়েন্টে নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
কোন কোন নদীর পানি বিপদসীমার ওপর
কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, সাঙ্গু নদীর বান্দরবান পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ১০৭ সেন্টিমিটার এবং দোহাজারী (চট্টগ্রাম) পয়েন্টে ১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া কুশিয়ারা নদীর ফেঞ্চুগঞ্জ (সিলেট) পয়েন্টে ২৫ সেন্টিমিটার ও মারকুলি (সুনামগঞ্জ) পয়েন্টে ১৪ সেন্টিমিটার এবং সোমেশ্বরী নদীর কলমাকান্দা (নেত্রকোণা) পয়েন্টে ২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।
পর্যবেক্ষণ স্টেশনগুলোর অবস্থা
পর্যবেক্ষণাধীন ১২৭টি পানি সমতল স্টেশনের মধ্যে ৬৬টিতে নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে, ৬০টিতে কমেছে এবং একটি স্টেশনে পানি অপরিবর্তিত রয়েছে। এদিকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নদীর পানি সতর্কসীমার কাছাকাছি রয়েছে। সুরমা নদীর কানাইঘাট, ছাতক ও সুনামগঞ্জ স্টেশন, তিস্তা নদীর ডালিয়া ও কাউনিয়া পয়েন্ট এবং মুহুরী নদীর হরিপুর স্টেশনে পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে।
বৃষ্টিপাতের তথ্য ও ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের উজানে ভারতের মেঘালয়ের আর কে এম সোহরায় সর্বোচ্চ ১৬৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। একই সময়ে বাংলাদেশের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৮৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে পটুয়াখালীতে। ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে বলে কেন্দ্র জানায়।



