ফেনীতে পৃথক স্থানে ট্রেনে কাটা পড়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় ফেনী শহরের নাজির রোড ও সদর উপজেলার শর্শদি রেলগেট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের পরিচয়
নিহত ব্যক্তিরা হলেন রেজিয়া বেগম (৫৫) ও আবু সুফিয়ান (২৩)। রেজিয়া বেগম ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার মধ্যম শিলুয়া গ্রামের আলী আশরাফের স্ত্রী। শহরের নাজির রোড এলাকার একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন তিনি। আবু সুফিয়ান সদর উপজেলার শর্শদি ইউনিয়নের গজারিয়া কান্দি গ্রামের মোহাম্মদ ইউছুফের ছেলে।
শর্শদি রেলগেটে ঘটনা
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে রেলওয়ে পুলিশ জানায়, সিলেট থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনটি শুক্রবার সন্ধ্যায় ফেনী সদর উপজেলার শর্শদি রেলগেট অতিক্রম করছিল। এ সময় ট্রেনটিতে কাটা পড়েন আবু সুফিয়ান। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
নাজির রোডে ঘটনা
একই দিন সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা অভিমুখী সোনার বাংলা এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়েন রেজিয়া বেগম। রেলপথ দিয়ে হাঁটার সময় ট্রেনটিতে কাটা পড়েন তিনি। তাঁর শরীর খণ্ডবিখণ্ড হয়ে যায়।
কানে কম শোনার কারণ
রেলওয়ে পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, প্রথমে অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে রেজিয়া বেগমের খণ্ডবিখণ্ড লাশ উদ্ধার হয়। পরে পরিচয় নিশ্চিত হয় পুলিশ। স্বজনেরা জানিয়েছেন, ওই নারী বার্ধক্যের কারণে কানে কম শুনতেন। এ কারণে তিনি ট্রেন আসার শব্দ শুনতে পাননি বলে ধারণা স্বজনদের।
পুলিশের বক্তব্য
জানতে চাইলে ফেনী রেলওয়ে পুলিশের উপপরিদর্শক মো. মাসুদুর রহমান ট্রেনে কাটা পড়ে দুজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই দুজনের লাশ দাফনের জন্য পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পৃথক দুটি ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হবে।



