নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে সৃষ্ট আগুনে দগ্ধ হয়ে মো. কালাম নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তার স্ত্রী ও তিন সন্তানও দগ্ধ হয়েছেন। রবিবার (১০ মে) সকালে ফতুল্লার গিরিধারা এলাকায় একটি বসতবাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে সোমবার (১১ মে) বেলা ১১টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কালামের মৃত্যু হয়। তার শরীরের ৯৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
চিকিৎসকের বক্তব্য
জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দগ্ধদের মধ্যে কালামের স্ত্রী সালমার (৪০) শরীরের ৬০ শতাংশ, ছেলে মুন্নার (১২) ৩০ শতাংশ, মেয়ে কথার (১০) ৫২ শতাংশ এবং আরেক মেয়ে মুন্নীর (৭) ৩৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক। তারা প্রত্যেকেই জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন।
ঘটনার বিবরণ
জানা গেছে, গিরিধারা এলাকার মো. শাহজাহান মিয়ার মালিকানাধীন ৯তলা ভবনের নিচতলায় এ ঘটনা ঘটে। লিকেজের কারণে বদ্ধ কক্ষে গ্যাস জমে ছিল। এ অবস্থায় ভাড়াটিয়া কালাম লাইটার দিয়ে সিগারেট ধরাতে গেলে বিস্ফোরণ ঘটে এবং আগুন ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
কালামের পরিচয়
কালামের গ্রামের বাড়ি বাউফল উপজেলার বলুকদিয়া এলাকায়। তিনি পরিবার নিয়ে ফতুল্লার গিরিধারা সাদ্দাম মার্কেট সংলগ্ন ভবনের নিচতলায় বসবাস করতেন। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।



