মঙ্গল গ্রহে মানববসতি স্থাপনের লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন স্পেসএক্স, টেসলা ও এক্স-এর মালিক ইলন মাস্ক। তবে নাসার পরবর্তী মঙ্গল অভিযানের জন্য মহাকাশযান তৈরির প্রতিযোগিতায় মাস্কের স্পেসএক্সকে পেছনে ফেলে চুক্তি করেছে গুগলের সাবেক প্রধান নির্বাহী ও চেয়ারম্যান এরিক শ্মিটের প্রতিষ্ঠান রিলেটিভিটি স্পেস।
চুক্তির বিবরণ
চুক্তি অনুযায়ী, রিলেটিভিটি স্পেসের তৈরি মহাকাশযানটি নাসার তৈরি বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি নিয়ে মঙ্গল গ্রহে যাবে এবং সেখানে বৈজ্ঞানিক গবেষণা পরিচালনা করবে। নাসার তথ্যমতে, ২০২৮ সালের মধ্যে মঙ্গল গ্রহের উদ্দেশে মহাকাশযানটি উৎক্ষেপণ করা হবে, যা অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত একটি সময়সীমা। রিলেটিভিটি স্পেসকে এই অল্প সময়ের মধ্যে নাসার বিভিন্ন যন্ত্রাংশ বহনের জন্য মহাকাশযান ও রকেট নির্মাণ সম্পন্ন করতে হবে।
নাসার বক্তব্য
নাসার প্রশাসক জ্যারেড আইজ্যাকম্যান এক বিবৃতিতে বলেন, 'নাসার বিশ্বমানের যন্ত্রপাতির সঙ্গে বাণিজ্যিক উদ্ভাবন ও বিনিয়োগের সমন্বয় ঘটিয়ে আমরা আরও বেশি বৈজ্ঞানিক তথ্য সরবরাহ করতে পারি। নতুন এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে মানব মিশন পাঠানোর সঙ্গে যুক্ত গবেষকদের প্রয়োজনীয় তথ্য দ্রুত পৌঁছে দেবে।'
বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি
নাসার তথ্যমতে, মঙ্গল গ্রহে চারটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র পাঠানো হবে। যন্ত্রগুলো কক্ষপথ থেকে মঙ্গল গ্রহের বায়ুমণ্ডলের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করবে। এসব তথ্য পর্যালোচনার মাধ্যমে মঙ্গল গ্রহের ধূলিকণা, বাতাস ও তাপমাত্রার প্রথম দৈনিক ও বৈশ্বিক চিত্র পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই তথ্যগুলো ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে ল্যান্ডার ও মানুষ পাঠানোর মিশনকে অনেক বেশি নিরাপদ করবে।



