ইসরাইলে পৌঁছাল ২৫০ ভারতীয়, আসছে আরও ৬ হাজার
ইসরাইলে পৌঁছাল ২৫০ ভারতীয়, আসছে আরও ৬ হাজার

বৃহস্পতিবার রাতে ইসরাইলের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে পা রাখলেন ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকে আসা ২৫০ জনেরও বেশি মানুষ। তারা নিজেদের বাইবেলের মানাশে গোত্রের বংশধর বলে দাবি করেন। ইসরাইল সরকারের একটি বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে তাদের এখানে আনা হয়েছে।

আগমন ও স্বাগত

রাত ১০টার দিকে দীর্ঘ ফ্লাইটের ক্লান্তি নিয়ে তারা টার্মিনাল ওয়ানে প্রবেশ করেন। নীল-সাদা বেলুনের তোরণ পেরিয়ে লাল গালিচায় হেঁটে আসেন তারা। স্পিকারে বাজছিল 'ওসেহ শালোম' গান। স্বজনেরা ছোট ইসরাইলি পতাকা নাড়িয়ে তাদের স্বাগত জানান।

অভিযানের পরিকল্পনা

গত নভেম্বরে ইসরাইল সরকার মিজোরাম ও মণিপুর থেকে এই সম্প্রদায়ের হাজার হাজার সদস্যকে দেশে আনার সিদ্ধান্ত নেয়। ২০৩০ সালের মধ্যে বাকি ৬,০০০ সদস্যকে ইসরাইলে নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে। এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন উইংস অব ডন’। ২০২৬ সালজুড়ে ১,২০০ জনকে ইসরাইলে আনার পরিকল্পনা রয়েছে এবং আগামী দুই সপ্তাহে আরও দুটি ফ্লাইট আসার কথা রয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অভিবাসন প্রক্রিয়া

শাভেই ইসরাইল সংস্থাটি এই অভিবাসন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করছে। সংস্থাটি জানায়, ১৯৯০-এর দশক থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৪,০০০ বনেই মেনাশে ইসরাইলে এসেছেন। এখনো প্রায় ৭,০০০ জন ভারতে রয়েছেন।

আবেগঘন মুহূর্ত

বিমানবন্দরে অনেকের সঙ্গে বহু বছর পর প্রিয়জনের দেখা হয়। অনেকের চোখে তখন আনন্দের অশ্রু। ২০০৬ সালে ইসরাইলে আসা ৭১ বছর বয়সী দাগান জোলাত তার পুরনো প্রতিবেশীকে জড়িয়ে ধরে বলেন, ‘এই মানুষটি আমার ভাইয়ের মতো, নয় বছর তাকে দেখিনি।’

মন্ত্রীর বক্তব্য

অভিবাসন মন্ত্রী ওফির সোফার বিমানবন্দরে নতুনদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, এটি একটি ‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত।’ তিনি আরও বলেন, ‘এটি এমন একটি অভিযানের শুরু যা পুরো সম্প্রদায়কে অভিবাসনের সুযোগ দেবে, বছরে ১,২০০ জন।’

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আশ্রয় কেন্দ্র

নতুন আসা সদস্যদের প্রথমে নাজারেথ সংলগ্ন উত্তরের শহর নফ হাগালিলের একটি আশ্রয় কেন্দ্রে রাখা হবে। সেখানে আগে থেকেই বনেই মেনাশে সম্প্রদায়ের অনেকে বসবাস করছেন।