ইরান থেকে ইসরাইলকে লক্ষ্য করে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে। আকাশপথে নিক্ষিপ্ত এসব ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে বলেও জানানো হয়। চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যে এই হামলার ঘটনা ঘটল। এর আগে লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরাইলি হামলার জবাবে পালটা আঘাতের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ইরানি কর্মকর্তারা।
ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের দাবি
ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড (IRGC) দাবি করেছে, তারা ইসরাইলের রামাত ডেভিড বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে এবং ইসরাইলকে লেবাননের বিরুদ্ধে হামলা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে। আল-জাজিরার এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে। গত সোমবার বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলিতে প্রাণঘাতী হামলার পর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ইসরাইলে সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় তারা ‘উচ্চ সতর্ক অবস্থায়’ রয়েছে বলে ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছিল।
ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ও প্রতিরোধ
ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ শনাক্ত হওয়ার পর হাইফা ও উত্তর ইসরাইলের অন্যান্য এলাকায় সাইরেন সক্রিয় করা হয়েছে বলে সেনাবাহিনী জানিয়েছে। ইসরাইলি সেনাবাহিনী আরও জানায়, প্রথম ধাপের সব ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে ইসরাইলকে লক্ষ্য করে ‘আরও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ’ করা হয়েছে। এদিকে ইসরাইল অভিমুখে ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের কথা ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানানোর ঠিক কয়েক মিনিট পর দেশটির কট্টর ডানপন্থি জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘আজ রাতে তেহরানকে অবশ্যই পুড়তে হবে!’
এই পরিস্থিতিতে পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে সরাসরি সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহলও এই ঘটনার দিকে নজর রাখছে।



