ট্রাম্পের দাবি: ইরান যুদ্ধে আমার ক্ষমতার কোনো সীমা নেই
ট্রাম্পের দাবি: ইরান যুদ্ধে আমার ক্ষমতার কোনো সীমা নেই

ইরান যুদ্ধ মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার ক্ষমতা প্রয়োগের সীমাবদ্ধতাকে প্রকাশ করে দিয়েছে এমন দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন গণমাধ্যম অ্যাক্সিওস শোতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, তিনি এখনও বিশ্বাস করেন তার ক্ষমতার ‘কোনও সীমাবদ্ধতা নেই’।

যুদ্ধের শুরুতে ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ দাবি

ইরান যুদ্ধের শুরুতে ট্রাম্প ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ দাবি করেছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত যুদ্ধের অবসান ঘটে একটি সীমিত সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে। অ্যাক্সিওসের সাংবাদিক মার্ক ক্যাপুটোকে ট্রাম্প জানান, যুদ্ধ যাতে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দায় রূপ না নেয়, সে কারণেই তিনি ওই চুক্তিতে পৌঁছান।

নমনীয়তার ধারণা নাকচ

তবে এই অভিজ্ঞতা তাকে নমনীয় করেছে এমন ধারণা তিনি নাকচ করে দেন। যুদ্ধ থেকে নিজের ক্ষমতার সীমা সম্পর্কে কী শিখেছেন জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, এখানে কোনও সীমাবদ্ধতা নেই। আমি এখনও তেমন কোনও শিক্ষা পাইনি। আমি জানি সীমাবদ্ধতা থাকে, কিন্তু আমার ক্ষেত্রে কোনো সীমাবদ্ধতা নেই।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ট্রাম্প দাবি করেন, আমরা তাদের সামরিকভাবে পুরোপুরি পরাজিত করেছি। এমনকি তার মতে, সমঝোতা স্মারকটিও সম্ভবত নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ।

সামরিক শক্তির প্রমাণ

যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তির প্রমাণ দিয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, এমন অবরোধ আর কে দিতে পারত? আমি নৌ অবরোধ দিয়েছিলাম, যেখানে একটি জাহাজও পার হতে পারেনি। কেউ কেউ চেষ্টা করেছিল, কিন্তু তা বেশিক্ষণ টেকেনি।

তবে সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প স্বীকার করেন, চুক্তি না হলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারত। ইরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অবস্থান না নেওয়ার সমালোচনার জবাবে তিনি বলেন, আমি আরও কঠোর হতে পারতাম যদি আরও দুই বা তিন সপ্তাহ বোমাবর্ষণ চালিয়ে যেতাম। কিন্তু তাতে কী হতো? হরমুজ প্রণালি খোলা থাকত না।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তার ভাষায়, মাসের পর মাস তেল পাওয়া যেত না। যতক্ষণ বোমা পড়ত, প্রণালিটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ থাকত। পরে তিনি বলেন, এ ধরনের পরিস্থিতি বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দার কারণ হতে পারে।

সূত্র: অ্যাক্সিওস