বাংলাদেশ হজ অফিসের পরিচালক মো. লোকমান হোসেন জানিয়েছেন, শুক্রবার সকাল ১০টা পর্যন্ত মোট ১২৫টি হজ ফ্লাইট জেদ্দায় অবতরণ করেছে। এতে করে ৪৯,০৩১ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরব পৌঁছেছেন।
হজযাত্রীদের মৃত্যু ও চিকিৎসা
হজ বুলেটিন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত প্রাকৃতিক কারণে ১০ জন হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে আটজন পুরুষ ও দুইজন নারী। মৃতদের মধ্যে আটজন মক্কায় এবং দুইজন মদিনায় মারা গেছেন। সৌদি চিকিৎসক দল স্বয়ংক্রিয়ভাবে ১৭,৬৩৬ জন হজযাত্রীকে চিকিৎসা সেবা দিয়েছে, অন্যদিকে আইটি হেল্পডেস্ক ১২,৩৪২ জনকে চিকিৎসা সেবা দিয়েছে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত।
হজ ব্যবস্থাপনা ও ফ্লাইট তথ্য
এ বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮,৫০০ জনকে হজ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৬৬০টি এজেন্সি বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যার মধ্যে ৩০টি লিড এজেন্সি ও ৬৩০টি কো-অর্ডিনেটিং এজেন্সি রয়েছে। বিমান সংস্থাভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৫৮টি ফ্লাইটে ২৩,২০৩ জন, সৌদি এয়ারলাইন্সের ৪৬টি ফ্লাইটে ১৭,৭৩৭ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্সের ২১টি ফ্লাইটে ৮,০৯১ জন হজযাত্রী সৌদি আরব পৌঁছেছেন। পরিচালক আরও জানান, বাকি ২৯,৩৪৪ জন হজযাত্রী নির্ধারিত বিমান সংস্থাগুলোর মাধ্যমে ধীরে ধীরে পৌঁছাবেন।
প্রথম হজ ফ্লাইট ও ভিসা
প্রথম হজ ফ্লাইট (বিজি৩০০১) ৪১৮ জন হজযাত্রী নিয়ে ১৭ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৭ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। ফ্লাইটটি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমান। মোট হজযাত্রীর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪,৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩,৯৩৫ জন হজ করবেন। ঢাকায় সৌদি দূতাবাস এ পর্যন্ত মোট ৭৮,৩৭৫টি ভিসা ইস্যু করেছে, যার মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪,৪৫৭টি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩,৯১৮টি ভিসা রয়েছে।
হজের সম্ভাব্য তারিখ ও রিটার্ন ফ্লাইট
চাঁদ দেখার সাপেক্ষে সৌদি আরবে পবিত্র হজ ২৬ মে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রিটার্ন ফ্লাইট ৩০ মে জেদ্দা থেকে শুরু হবে এবং সর্বশেষ রিটার্ন হজ ফ্লাইট ৩০ জুন নির্ধারিত রয়েছে।



