আইভরি কোস্টে ভয়াবহ বন্যায় নিহত ৫৯, আশঙ্কা আরও বাড়বে
আইভরি কোস্টে বন্যায় ৫৯ জনের মৃত্যু, আশঙ্কা আরও বাড়বে

চলতি বছরের শুরু থেকে আইভরি কোস্টে ভয়াবহ বন্যায় অন্তত ৫৯ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। দেশটির সরকারি মুখপাত্র আমাদু কুলিবালি বুধবার (১ জুলাই) রাজধানী আবিদজানে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, এই সংখ্যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং সাম্প্রতিক ভারি বর্ষণের কারণে প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে সর্বশেষ বন্যায় ঠিক কতজন মারা গেছেন, সে বিষয়ে তিনি নির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেননি।

দুই দেশে মিলিয়ে অন্তত ২৪ জন নিহত

সোমবার (২৯ জুন) ঘানা ও আইভরি কোস্টের রাজধানী এলাকায় টানা কয়েক দিনের ভারি বৃষ্টির কারণে বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। এতে দুই দেশ মিলিয়ে অন্তত ২৪ জন নিহত হন এবং আরও কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন। ঘানার রাজধানী আক্রায় বন্যার পানিতে বহু সড়ক ও ভবন তলিয়ে যায়, যার ফলে শহরের বিভিন্ন এলাকায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। পার্শ্ববর্তী তেমা শহরেও একই ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।

আবিদজানে ব্যাপক জলাবদ্ধতা

আইভরি কোস্টে কয়েক দিনের ভারি বৃষ্টিতে রাজধানী আবিদজানের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। দেশটির জাতীয় সংহতি বিষয়ক মন্ত্রী মাইস বেলমন্দে দোগোর তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক বন্যায় ১২ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের বেশিরভাগই আবিদজানের আতেকুবে ও ইয়োপুগন পৌর এলাকার বাসিন্দা।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সরকারের নিরাপত্তা নির্দেশনা

সরকারের মুখপাত্র আমাদু কুলিবালি নাগরিকদের সরকারি নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি সরকার যেসব এলাকাকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে, সেখান থেকে দ্রুত সরে যাওয়ার অনুরোধ জানান।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার (ডব্লিউএমও) তথ্য অনুযায়ী, আফ্রিকা বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলগুলোর একটি, যেখানে চরম আবহাওয়ার ঘটনা ক্রমেই বাড়ছে। অথচ বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণে মহাদেশটির অবদান তুলনামূলকভাবে খুবই কম। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে প্রতিবছরই প্রাণঘাতী বন্যা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘটনা ঘটছে।