<?xml version="1.0" encoding="utf-8"?><rss version="2.00">
	<channel>
		<title>বিডি গেজেট</title>
		<link>https://bdgazette.com</link>
		<language>bn</language>
					<item>
				<title><![CDATA[এশিয়ান বিচ গেমস কাবাডিতে বাংলাদেশের দুই জয়]]></title>
				<category>কাবাডি</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/kabadi/article-79734.html</link>
				<description><![CDATA[<p>এশিয়ান বিচ গেমস কাবাডিতে এক দিনে দুই জয়ের দেখা পেয়েছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার সকালে নারী দল থাইল্যান্ডকে এবং বিকালে পুরুষ দল সিরিয়াকে হারিয়েছে।</p><h2>পুরুষ দলের জয়</h2><p>আধিপত্য বিস্তার করে খেলে সিরিয়ার বিপক্ষে জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ পুরুষ কাবাডি দল। ম্যাচের শুরু থেকেই আগ্রাসী মেজাজে ছিল বাংলাদেশ। প্রথমার্ধেই লড়াইয়ের ভাগ্য অনেকটা নির্ধারিত হয়ে যায়। বাংলাদেশ ২৯-৮ পয়েন্টের ব্যবধানে এগিয়ে ছিল। সিরিয়ার ডিফেন্স লাইন ভেঙে একের পর এক পয়েন্ট আদায় করে নেন বাংলাদেশের রেইডাররা। ৫৪-২৩ পয়েন্টের বিশাল ব্যবধানে ম্যাচটি জিতে নিয়েছে তারা। ৩১ পয়েন্টের বিশাল ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ পুরুষ কাবাডি দল।</p><h2>নারী দলের জয়</h2><p>অন্যদিকে থাইল্যান্ডের বিপক্ষে দাপুটে জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ নারী দল। রক্ষণভাগ এবং রেইডিং উভয় বিভাগেই থাইল্যান্ডকে টেক্কা দিয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা। ৫১-৩৪ পয়েন্টে জয় পায় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এই জয়ের মাধ্যমে এশিয়ান বিচ গেমসে বাংলাদেশের কাবাডি দল শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 10:45:47 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[সার্টিফিকেটের বাইরে বই পড়ার অমূল্য উপকারিতা]]></title>
				<category>বই</category>
				<link>https://bdgazette.com/jibonjapon/boi/article-79733.html</link>
				<description><![CDATA[<p>সার্টিফিকেট অর্জনের বাইরে বই পড়ে লাভ কী? এই প্রশ্নটি শুনে অনেকেই ভ্রু কুঁচকে ফেলতে পারেন। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে, বই পড়া শুধুমাত্র পরীক্ষায় পাস করার জন্য নয়; এটি জীবনের নানা ক্ষেত্রে অমূল্য ভূমিকা রাখে। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন তাঁর 'দারিদ্র্য ও দুর্ভিক্ষ' গ্রন্থে বলেছেন, শুধু টাকাপয়সার অভাবই দারিদ্র্য নয়; বরং একজন মানুষের সম্ভাবনার সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে না পারা সবচেয়ে বড় দারিদ্র্য। শিক্ষা সেই সম্ভাবনাকে বিকশিত করার হাতিয়ার, এবং শিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সার্টিফিকেটের বাইরের বই পড়া।</p><h2>জ্ঞান অর্জনের শক্তি</h2><p>ফ্রান্সিস বেকনের বিখ্যাত উক্তি 'জ্ঞানই শক্তি'। বই পড়া জ্ঞানের পরিধি বাড়ায় এবং একজন ব্যক্তিকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তোলে। ইতিহাস, বিজ্ঞান, রাজনীতি বা সাহিত্য—যেকোনো বিষয়ের বই নতুন কিছু শেখায় এবং অজানা বিষয়ে স্বচ্ছ ধারণা দেয়। যেমন, এক আত্মীয় উপন্যাসে বাড়ি তৈরির জটিলতা সম্পর্কে পড়ে পরে নিজের বাড়ি বানানোর সময় সেই জটিলতা এড়াতে পেরেছিলেন।</p><h2>ভাষাগত উৎকর্ষ</h2><p>প্রতিদিনের কথা বলা ও লেখায় শব্দের ব্যবহার প্রয়োজন। বই পড়া শব্দভান্ডার বৃদ্ধি করে এবং ভাষাগত দক্ষতা উন্নত করে। গবেষণায় দেখা গেছে, যাঁরা নিয়মিত বই পড়েন, তাঁদের কথা বলার ও লেখার ক্ষমতা অন্যদের তুলনায় বেশি সমৃদ্ধ।</p><h2>স্মৃতিশক্তির উন্নতি</h2><p>বই পড়া মস্তিষ্কের স্নায়ুগুলোকে উদ্দীপিত করে। গল্প পড়ার সময় মস্তিষ্ক চরিত্র, পটভূমি ও ঘটনার ধারাবাহিকতা মনে রাখার চেষ্টা করে, যা স্মৃতিশক্তি বাড়ায় এবং ডিমেনশিয়ার মতো রোগের ঝুঁকি কমায়।</p><h2>মনোযোগ, ধৈর্য ও একাগ্রতা</h2><p>বই পড়া একটি কঠিন কাজ, যার জন্য মনোযোগ ও একাগ্রতা প্রয়োজন। নিয়মিত পড়ার অভ্যাস এই ক্ষমতা বাড়ায় এবং জটিল কাজে ফোকাস রাখতে সাহায্য করে। বই পড়ুয়া মানুষদের ধৈর্য সাধারণত বেশি হয়।</p><h2>মানসিক চাপ কমানো</h2><p>দৈনন্দিন জীবনের দুশ্চিন্তা ও চাপ থেকে মুক্তির একটি কার্যকর উপায় হলো বই পড়া। গবেষণায় দেখা গেছে, বই উত্তেজনা প্রশমিত করে এবং স্ট্রেস কমায়। গল্প বা উপন্যাস মস্তিষ্ককে বর্তমান সমস্যা থেকে দূরে সরিয়ে প্রশান্তি এনে দেয়।</p><h2>সৃজনশীলতার বিকাশ</h2><p>বই পড়া সৃজনশীলতা বাড়ায়। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বন্ধুদের সঙ্গে বাজি ধরে প্রথম গল্প লিখেছিলেন তাঁর পড়ার অভিজ্ঞতা থেকে। বিখ্যাত লেখকদের লিখনশৈলী ও কাহিনির বুনন পর্যবেক্ষণ করে সৃজনশীল ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। কেবল লেখক হওয়ার জন্যই নয়; উপস্থাপনা, ছবি আঁকা—সৃষ্টিশীল যেকোনো কাজে বই পড়ার অভিজ্ঞতা সহায়ক।</p><h2>সহমর্মিতা ও সহানুভূতি</h2><p>গল্প বা উপন্যাসের চরিত্রগুলোর দুঃখ-কষ্ট পড়ার সময় পাঠক তাদের সঙ্গে একাত্মতা বোধ করেন, যা বাস্তব জীবনেও অন্যের প্রতি সহমর্মী হতে সাহায্য করে। বই কেবল তথ্য দেয় না, অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে ভেতরকার মানুষটিকেও বদলে দেয়।</p><h2>একাকিত্বে বন্ধু</h2><p>বই হচ্ছে শ্রেষ্ঠ আত্মীয়, যার সঙ্গে কোনো দিন ঝগড়া বা মনোমালিন্য হয় না। একাকিত্বের সময় বই পরম বন্ধু হয়ে ওঠে এবং মনের গহিনে প্রশান্তি এনে দেয়।</p><h2>ডিজিটাল ডিটক্স</h2><p>ফেসবুকের আসক্তি থেকে মুক্তি পেতে বই পড়া একটি কার্যকর উপায়। হার্ড কপি বই পড়ার অভ্যাস স্মার্টফোনের নীল আলো ও নোটিফিকেশন থেকে দূরে রাখে, যা ডিজিটাল ডিটক্সে সহায়তা করে।</p><p>সৈয়দ মুজতবা আলী বলেছিলেন, 'বই কিনে কেউ কখনো দেউলিয়া হয় না।' আজ বিশ্ব বই দিবসে আসুন, আমরা সবাই অকাজের বই বা আউট বই পড়া শুরু করি এবং পৃথিবীটাকে বইয়ের করে তোলার কাজ শুরু করি।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 10:38:08 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ স্থগিতের আইনি নোটিশ]]></title>
				<category>আইন বিভাগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/ain-bibhag/article-79732.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বৃহস্পতিবার প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ স্থগিতের দাবিতে সরকারি কর্মকর্তাদের কাছে একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।</p><h2>নোটিশ প্রাপক</h2><p>নোটিশটি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো হয়েছে।</p><h2>মানবাধিকার সংগঠনের উদ্যোগ</h2><p>মানবাধিকার সংগঠন ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির পলাশ ও ব্যারিস্টার মোহাম্মদ কাওসার জনস্বার্থে এই নোটিশ পাঠান।</p><h3>নীতির বৈষম্য</h3><p>নোটিশে বলা হয়, প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নীতি ২০২৬-এর অধীনে সরকারের সরকারি ও বেসরকারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৈষম্যমূলক বিধান বাতিল করা উচিত এবং সকল অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর জন্য সমান, মেধাভিত্তিক সুযোগ নিশ্চিত করা উচিত।</p><p>প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রণীত নীতিতে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের নতুন কাঠামো চালু করা হয়েছে। এই নীতি অনুযায়ী, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ৮০% এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ২০% বৃত্তি নির্ধারণ করা হয়েছে।</p><h3>সংবিধানিক অসঙ্গতি</h3><p>নোটিশে দাবি করা হয়, এটি একটি জাতীয় মেধাভিত্তিক পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানভিত্তিক বৈষম্য সৃষ্টি করে। এছাড়া ধারা ৮.৬-এ সরকারি ও বেসরকারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথকভাবে প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যা একক মেধাভিত্তিক মূল্যায়ন পদ্ধতি বাতিল করে।</p><p>নোটিশে আরও বলা হয়, ধারা ৮.১.১, ৮.৩.১ এবং ৮০:২০ প্রতিষ্ঠানগত কোটা সংবিধানের সমতার নীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সরকার ইতিমধ্যে দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক প্রাথমিক শিক্ষা ভাতা কর্মসূচি চালু করেছে, তাই বৃত্তি পরীক্ষায় পুনরায় প্রতিষ্ঠানগত কোটা প্রবর্তন অযৌক্তিক।</p><h2>হুঁশিয়ারি</h2><p>নোটিশে সতর্ক করে বলা হয়েছে, ২০২৬ নীতি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হলে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অন্যায় বৈষম্যের শিকার হবে।</p><p>কর্তৃপক্ষের কাছে ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ স্থগিত করা, নীতির ধারা ৮.১.১, ৮.৩.১ ও ৮.৬ পুনর্বিবেচনা করা এবং সকল শিক্ষার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করে একটি একক মেধাভিত্তিক মূল্যায়ন পদ্ধতি প্রণয়নের অনুরোধ জানানো হয়েছে।</p><p>এতে আরও বলা হয়েছে, তিন কার্যদিবসের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে জনস্বার্থে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 10:05:43 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[পাঁচ বছরে বিশ্বে বিলিয়নেয়ার সংখ্যা ৪ হাজারে পৌঁছাতে পারে]]></title>
				<category>আন্তর্জাতিক অর্থনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/antorjatik-orthoniti/article-79731.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বিশ্বের ধনকুবেরদের সম্পদ অর্জনের গতি এখন অভাবনীয়। সম্পত্তি সংক্রান্ত পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নাইট ফ্র্যাঙ্কের সাম্প্রতিক এক বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বিশ্বে বিলিয়নেয়ারের সংখ্যা ৪ হাজারে পৌঁছাতে পারে। বর্তমানে বিশ্বে বিলিয়নেয়ারের সংখ্যা ৩ হাজার ১১০ জন। প্রতিষ্ঠানটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছরে এই সংখ্যা আরও ২৫ শতাংশ বেড়ে ৩ হাজার ৯১৫ জনে দাঁড়াবে।</p><p>শুধু বিলিয়নেয়ার নয়, মাল্টিমিলিয়নেয়ার বা অতি ধনী ব্যক্তিদের সংখ্যাও অবিশ্বাস্য হারে বাড়ছে। ২০২১ সালে ৩ কোটি ডলার বা তার চেয়ে বেশি সম্পদের অধিকারী মানুষের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৬২ হাজার ১৯১ জন। বর্তমান তথ্যমতে, সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ১৩ হাজার ৬২৬ জনে। অর্থাৎ, মাত্র পাঁচ বছরের ব্যবধানে এই সংখ্যা বেড়েছে ৩০০ শতাংশেরও বেশি।</p><h2>সম্পদ বাড়ার নেপথ্যে এআই ও প্রযুক্তি</h2><p>সম্পদ এমন দ্রুত হারে বাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন নাইট ফ্র্যাঙ্কের গবেষণা প্রধান লিয়াম বেইলি। তিনি বলেন, প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) মুনাফা বিলিয়নেয়ার ও মাল্টিমিলিয়নেয়ারদের সম্পদকে ‘সুপারচার্জড’ করে দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, একটি ব্যবসাকে বড় করার সক্ষমতা আগের চেয়ে অনেক বেশি বেড়েছে। প্রযুক্তি ও এআই সেই প্রক্রিয়াকে আরও ত্বরান্বিত করেছে, যার ফলে দ্রুত বড় বড় সম্পদ গড়ে তোলা সম্ভব হচ্ছে।</p><h2>কোথায় দ্রুত বাড়ছে বিলিয়নেয়ারদের সংখ্যা?</h2><p>গবেষণা অনুযায়ী, সবচেয়ে দ্রুত বিলিয়নেয়ারের সংখ্যা বাড়বে তেলসমৃদ্ধ সৌদি আরবে। ২০২৬ সালে সেখানে ২৩ জন বিলিয়নেয়ার থাকলেও, ২০৩১ সালের মধ্যে তা দ্বিগুণেরও বেশি হয়ে ৬৫ জনে দাঁড়াবে। একই সময়ে পোল্যান্ডে বিলিয়নেয়ারের সংখ্যা ১৩ থেকে ২৯ জনে (১২৪ শতাংশ) এবং সুইডেনে ৩২ থেকে ৫৮ জনে (৮১ শতাংশ) উন্নীত হবে।</p><p>ভৌগোলিক পরিবর্তনের আভাস দিয়ে নাইট ফ্র্যাঙ্ক বলছে, বর্তমানে বিশ্বের মোট বিলিয়নেয়ারের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ উত্তর আমেরিকায় বসবাস করেন। তবে ২০৩১ সালের মধ্যে এই অবস্থান দখল করবে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল। তখন এই অঞ্চলের বিলিয়নেয়াররা বৈশ্বিক মোটের ৩৭.৫ শতাংশ হবে, যেখানে উত্তর আমেরিকার অংশ দাঁড়াবে ২৭.৮ শতাংশ।</p><h2>বৈষম্যের উদ্বেগ ও করের দাবি</h2><p>ধনকুবেরদের এই ক্রমবর্ধমান সংখ্যা বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে। গত বছর ওয়ার্ল্ড ইনইকুয়ালিটি রিপোর্ট-এর তথ্যানুযায়ী, বিশ্বের জনসংখ্যার মাত্র ০.০০১ শতাংশ বা ৬০ হাজারেরও কম মানুষ সমগ্র মানবজাতির নিম্ন অর্ধেকের তুলনায় তিনগুণ বেশি সম্পদের মালিক। ব্রিটিশ দাতব্য সংস্থা অক্সফাম জানিয়েছে, গত বছর প্রথমবারের মতো বিশ্বে বিলিয়নেয়ারের সংখ্যা ৩ হাজার ছাড়িয়েছে এবং তাদের মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৮.৩ ট্রিলিয়ন ডলার।</p><p>এই ক্রমবর্ধমান বৈষম্যের কারণে বিশ্বনেতাদের কাছে ধনীদের ওপর কর বাড়ানোর দাবি ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, সমাজের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিরা তাদের বিপুল অর্থ দিয়ে রাজনৈতিক প্রভাব কিনে নিচ্ছেন।</p><h2>বিশ্বের ধনী ব্যক্তিদের তালিকা</h2><p>ফোর্বসের তালিকা অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি টেসলার প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক, যার মোট সম্পদের পরিমাণ ৭৮৫.৫ বিলিয়ন ডলার। দ্বিতীয় স্থানে আছেন গুগলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ (২৭২.৫ বিলিয়ন ডলার) এবং তৃতীয় স্থানে অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস (২৫৯ বিলিয়ন ডলার)।</p><h2>যুক্তরাজ্যে ধনীদের পালায়ন</h2><p>তবে সব দেশে ধনীদের সংখ্যা বাড়ছে না। দ্য সানডে টাইমসের তথ্যমতে, ব্রিটেনের সবচেয়ে ধনী পরিবার হলো হিন্দুজা পরিবার, যাদের মোট সম্পদ ৩৫ বিলিয়ন পাউন্ড। তবে যুক্তরাজ্যে বিলিয়নেয়ারের সংখ্যা কমছে। ২০২৫ সালে দেশটিতে মোট ১৫৬ জন বিলিয়নেয়ার ছিলেন, যা তালিকার ৩৭ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় পতন। এর আগের বছর এই সংখ্যা ছিল ১৬৫ জন।</p><p>নাইট ফ্র্যাঙ্কের ররি প্যান বলেন, চরম ধনীরা এখন উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ভ্রাম্যমাণ হয়ে উঠেছেন। তবে রাজনৈতিক অস্থিরতা, কর সংস্কার এবং কঠোর নিয়ন্ত্রণের কারণে তারা কেবল কয়েকটি নির্দিষ্ট শহরে বিনিয়োগ করতে বা পরিবার নিয়ে থাকতে আগ্রহী হচ্ছেন, যেখানে সুযোগ ও সুবিধা রয়েছে। ফলে তাদের জন্য বাজারের তালিকা সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে।</p><p>সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 10:32:18 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[হামের প্রকোপ কমছে না, প্রতিদিন হাজারো শিশু হাসপাতালে ভর্তি]]></title>
				<category>জনস্বাস্থ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/swasthyo/jonswasthyo/article-79730.html</link>
				<description><![CDATA[<p>দেশে হামের প্রকোপ কমার কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বরং প্রতিদিনই হাজারখানেক শিশু দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে, যা হাসপাতালগুলোর উপর চাপ বাড়িয়ে দিচ্ছে। সর্বশেষ বুধবার (২২ এপ্রিল) সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় হামে একজন এবং লক্ষণ নিয়ে চার জনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।</p><h2>মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে</h2><p>স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যমতে, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে মৃত্যু দাঁড়িয়েছে ৩৯ জনে। এ ছাড়া এখন পর্যন্ত এ রোগের লক্ষণ নিয়ে মারা গেছে ১৯৪ জন। এই পরিস্থিতি উদ্বেগজনক বলে মনে করছে স্বাস্থ্য বিভাগ।</p><h3>হাসপাতালে শয্যা সংকট</h3><p>হাম আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা বাড়ায় হাসপাতালগুলোতে শয্যা সংকট দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় স্বাস্থ্য অধিদফতর নির্দেশ দিয়েছে, শয্যা সংকট দেখিয়ে কোনও রোগী ফেরত না দিয়ে প্রয়োজনে অতিরিক্ত শয্যার ব্যবস্থা করতে হবে। তবে জটিল রোগীদের ক্ষেত্রে নির্ধারিত রেফারাল চেইন মেনে অন্য হাসপাতালে পাঠানোর কথা বলা হয়েছে।</p><p>স্বাস্থ্য অধিদফতরের এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে তৎপর থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে হাম প্রতিরোধে টিকা প্রদান কার্যক্রম জোরদার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 10:42:24 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বগুড়ায় ব্যবসায়ীকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা]]></title>
				<category>আইন বিভাগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/ain-bibhag/article-79729.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বগুড়ার শাজাহানপুরে রকি মাহমুদ নামে এক ব্যবসায়ীকে বাড়ি থেকে ডেকে এনে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার বনানী এলাকায় কাস্টমস অফিসের পাশে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রকি মাহমুদ (২৮) উপজেলার গন্ডগ্রাম উত্তরপাড়ার বেলাল হোসেনের ছেলে। তিনি এলাকায় ইট-রড, সিমেন্টের ব্যবসা করতেন। ব্যবসা নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষ হত্যা করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।</p><h2>পুলিশের বক্তব্য</h2><p>শাজাহানপুর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আকরাম আলী জানান, পূর্ব বিরোধের জেরে এ হত্যাকান্ড ঘটেছে। নিহতের বিরুদ্ধে দুটি অস্ত্রসহ পাঁচটি মামলা রয়েছে।</p><h3>ঘটনার বিবরণ</h3><p>পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ব্যবসা নিয়ে প্রতিপক্ষের সঙ্গে বিরোধ দেখা দিয়েছিল রকির। বৃহস্পতিবার বেলা ১টার দিকে প্রতিপক্ষের লোকজন রকিকে বাড়ি থেকে ডেকে বনানী এলাকায় নিয়ে আসেন। এরপর সেখানে তারা দা, চাপাতি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে ফেলে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে লাশ উদ্ধার করে ওই হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ।</p><h3>প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা</h3><p>কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, প্রকাশ্য এ হত্যাকাণ্ডের পরই আশপাশের ব্যস্ততম এলাকার দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। স্বজনরা আহাজারি করতে থাকেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুটি দা ও দুটি হাতুড়ি উদ্ধার করেছে।</p><h3>পুলিশের তদন্ত</h3><p>শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিক ইকবাল বলেন, ‘পূর্ববিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের লোকজন রকিকে বাড়ি থেকে ডেকে এনে কুপিয়ে হত্যা করেছে। তাৎক্ষণিকভাবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মরদেহ বগুড়া শজিমেক হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করতে আশপাশের বিভিন্ন ভবনের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করছে পুলিশ।’</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 10:18:09 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ইরান যুদ্ধে বিশ্ব অর্থনীতিতে সংকট, পণ্যমূল্য বাড়ার আশঙ্কা]]></title>
				<category>ব্যবসা-বাণিজ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/bebsha-banijjo/article-79728.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ইরান যুদ্ধ সপ্তম সপ্তাহে গড়িয়েছে, যার প্রভাব বিশ্বব্যাপী ব্যবসা-বাণিজ্যে পড়তে শুরু করেছে। ভোক্তাপণ্য থেকে শুরু করে ভ্রমণ ও খনি শিল্পসহ বিভিন্ন খাতের বৈশ্বিক কোম্পানিগুলো বলছে, যুদ্ধের কারণে পণ্যের উৎপাদন খরচ বাড়ছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে। বুধবার রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।</p><h2>হরমুজ প্রণালী বন্ধের প্রভাব</h2><p>প্রতিবেদনে বলা হয়, হরমুজ প্রণালী বন্ধ ও জ্বালানি সংকটের প্রভাবে বিশ্ব অর্থনীতির প্রায় প্রতিটি খাতে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। যার প্রভাব আগামী কয়েক মাসে আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে থেকেই বিভিন্ন কোম্পানি যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কারোপ, কাঁচামালের উচ্চমূল্য ও দুর্বল চাহিদার সঙ্গে লড়াই করছিল। যুদ্ধ সেই চাপকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।</p><h2>কোম্পানিগুলোর প্রতিক্রিয়া</h2><p>বিখ্যাত ডুলাক্স ব্র্যান্ডের রঙ নির্মাতা কোম্পানি আকজোনোবেল বলেছে, যুদ্ধের কারণে সরবরাহ খরচ অনেক বেড়ে গেছে। কোম্পানির প্রধান নির্বাহী (সিইও) গ্রেগ পক্স-গুইলাম বলেন, ‘হরমুজ প্রণালীতে অচলাবস্থার কারণে আমাদের কাঁচামালের খরচ প্রায় ২০ শতাংশ বাড়বে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে এর পূর্ণ প্রভাব দেখতে পাবো আমরা।’</p><p>ইরান যুদ্ধে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পর্যটন খাত। বিমানের জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় এয়ারলাইন্স ও ট্যুর অপারেটররা টিকিটের দাম বাড়াতে বাধ্য হচ্ছেন। কিছু ফ্লাইটও বাতিল করা হচ্ছে। একইসঙ্গে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ভোক্তাদের ভ্রমণ আগ্রহ কমিয়ে দিচ্ছে।</p><h2>খনি ও শিল্পখাতে চাপ</h2><p>খনিজ শিল্পের ওপরও চাপ বাড়ছে। খনি কোম্পানি সাউথ ৩২ তাদের অস্ট্রেলিয়ার ম্যাঙ্গানিজ ইউনিটের উৎপাদন কমাতে পারে বলে ধারণা দিয়েছে। কোম্পানিটি জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা তাদের পরিবহন ব্যয় ও কাঁচামালের দাম অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। সরবরাহ ব্যবস্থার সম্ভাব্য প্রভাব কমাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে তারা এবং পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।</p><p>একইভাবে শিল্পখাত, শ্রমিকদের সুরক্ষা ও ভোগ্যপণ্য নিয়ে কাজ করে মার্কিন বহুজাতিক কোম্পানি থ্রিএম। কোম্পানিটি তাদের পণ্যের দাম বাড়তে পারে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছে।</p><h2>সরবরাহ সংকটের ভবিষ্যৎ</h2><p>বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি না খোলা পর্যন্ত সরবরাহ সংকট কাটার কোনো লক্ষণ নেই বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 10:44:41 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ফিজের পর রানার আঘাত, ৫৪ রানে ২ উইকেট নিউজিল্যান্ডের]]></title>
				<category>ক্রিকেট</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/cricket/article-79727.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশের কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমানের পর নিউজিল্যান্ড শিবিরে তরুণ পেসার রানার আঘাত। ৫৪ রানে ২ উইকেট নেই সফরকারীদের। তিন ম্যাচ সিরিজের 'অঘোষিত ফাইনালে' ২৬৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল।</p><h2>ম্যাচের প্রেক্ষাপট</h2><p>বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে বাংলাদেশ দলকে প্রথমে ব্যাটিংয়ে পাঠায় নিউজিল্যান্ড। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৩২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় বাংলাদেশ দল।</p><h3>শান্ত-লিটনের জুটি</h3><p>সেই অবস্থা থেকে দলকে খেলায় ফেরান সাবেক অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন কুমার দাস। চতুর্থ উইকেটে তারা গড়েন ১৭৮ বলে ১৬০ রানের জুটি।</p><p>দলীয় ১৯২ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ক্যারিয়ারের ১০১তম ওয়ানডেতে ১৩তম ফিফটি হাঁকিয়ে সাজঘরে ফেরেন লিটন। তিনি ৯১ বলে তিন চার আর এক ছক্কায় ৭৬ রান করে ফেরেন।</p><p>দলীয় ২২১ রানে পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে ফেরেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তিনি ক্যারিয়ারের ৬৪তম ওয়ানডেতে চতুর্থ সেঞ্চুরি করে সাজঘরে ফেরেন। তার ইনিংসটি ১১৯ বলে ৯টি চার আর দুটি ছক্কায় সাজানো।</p><h3>শেষের পতন</h3><p>শান্ত আউট হওয়ার পর আসা-যাওয়ার মিছিলে অংশ নেন লেজের ব্যাটসম্যানরা। যে কারণে ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৬৫ রানের বেশি করতে পারেনি বাংলাদেশ। মোস্তাফিজুর রহমান সর্বশেষ আউট হন।</p><p>এখন নিউজিল্যান্ডের লক্ষ্য ২৬৬ রান। শুরুতে রানার আঘাতে তারা ২ উইকেট হারিয়ে ফেলেছে। বাকি ব্যাটসম্যানদের ওপর চাপ রয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 10:21:58 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ধামরাইয়ে ‘মা’ উপন্যাস নিয়ে বন্ধুসভার পাঠচক্র]]></title>
				<category>সিনেমা</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/cinema/article-79726.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ধামরাইয়ের শৈলান প্রবীণ নিবাসে ঢাকা মহানগর বন্ধুসভার পাঠচক্রের আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশপ্রেম, আত্মমর্যাদা আর সন্তানের জন্য এক মায়ের অসীম আত্মত্যাগ—এই তিন অনুভূতির মেলবন্ধনে রচিত আনিসুল হকের উপন্যাস ‘মা’। বইটি নিয়ে গত ১৩ মার্চ ধামরাইয়ের শৈলান প্রবীণ নিবাসে পাঠচক্রের আসর করে ঢাকা মহানগর বন্ধুসভা।</p><h2>পাঠচক্রে বন্ধুদের অনুভূতি</h2><p>পাঠচক্রে বন্ধুরা কথাসাহিত্যিক আনিসুল হকের আলোচিত এই উপন্যাসে উঠে আসা মুক্তিযুদ্ধের সময়কার ত্যাগ, সংগ্রাম ও এক মায়ের অনন্য সাহসিকতা নিয়ে নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করেন। বন্ধুরা বলেন, ‘মা’ শুধু একটি পরিবারের গল্প নয়; এটি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের এক জীবন্ত দলিল। শহীদ আজাদের মা সাফিয়া বেগমের দীর্ঘ প্রতীক্ষা, অটুট আত্মমর্যাদা ও সন্তানের প্রতি নিঃস্বার্থ ভালোবাসা এই উপন্যাসকে করেছে মর্মস্পর্শী এবং অনন্য।</p><h3>বক্তাদের মতামত</h3><p>ঢাকা মহানগর বন্ধুসভার সভাপতি হাসান মাহমুদ সম্রাট বলেন, ‘এ ধরনের পাঠচক্র নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও সেই সময়কার মানুষের ত্যাগ সম্পর্কে গভীরভাবে জানতে সহায়তা করে। “মা” উপন্যাসটি পাঠের মাধ্যমে তরুণদের মধ্যে দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত হবে।’</p><h3>উপস্থিত সদস্যরা</h3><p>পাঠচক্রে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পরিচালনা পর্ষদের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আশফাকুর রহমান, ঢাকা মহানগর বন্ধুসভার সহসভাপতি রাজা মান্নান তালুকদার ও মামুন হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক অনিক সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেঘা খেতান, সাংগঠনিক সম্পাদক তানভীর হাসান, অর্থ সম্পাদক আতিকুর রহমান, পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক জাকিয়া লিমা, প্রশিক্ষণ সম্পাদক আকিফ বিন সাঈদ, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া সম্পাদক রবিউল হাসান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পাদক আফিয়া ইবনাত, কার্যনির্বাহী সদস্য মৌরি বিনতে আজাদসহ অনেকে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 10:27:03 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[হরমুজ প্রণালী টোল থেকে প্রথম আয় পেয়েছে ইরান]]></title>
				<category>আন্তর্জাতিক অর্থনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/antorjatik-orthoniti/article-79725.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলে আরোপিত টোল থেকে প্রথম আয় পেয়েছে বলে এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন। মার্কিন-ইসরায়েলি যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট এই সংকট বিশ্ব অর্থনীতিকে বিপর্যস্ত করে চলেছে।</p><h2>যুদ্ধবিরতি ও অর্থনৈতিক প্রভাব</h2><p>পরিকল্পিত শান্তি আলোচনা ঝুলে থাকায় জ্বালানি নির্ভর আরও বিমান সংস্থা ফ্লাইট বাতিল করেছে, অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছে এবং এসএন্ডপি গ্লোবাল পিএমআই সূচক দেখিয়েছে ইউরোজোনের ব্যবসায়িক কার্যক্রম ১৬ মাসের মধ্যে প্রথমবারের মতো সংকুচিত হয়েছে।</p><p>ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে যতদিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার বন্দর অবরোধ করবে, ততদিন প্রণালীটি শুধুমাত্র অনুমোদিত জাহাজের জন্য খোলা থাকবে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকি উপেক্ষা করে ইরান হরমুজ পুনরায় চালু ও সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে।</p><p>দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর থেকে অঞ্চলে হামলা বেশিরভাগই বন্ধ থাকলেও গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য পথ নিয়ে অচলাবস্থা অব্যাহত রয়েছে। উভয় পক্ষই অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছে, তবে ট্রাম্প পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আরও আলোচনার জন্য অনির্দিষ্টকালের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছেন।</p><p>ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেছেন, "নৌ অবরোধ না সরালে সম্পূর্ণ যুদ্ধবিরতি অর্থহীন। যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালী পুনরায় চালু করা সম্ভব নয়।"</p><p>গালিবাফের ডেপুটি হামিদরেজা হাজিবাবেই জানিয়েছেন, ইরান হরমুজ অতিক্রমকারী জাহাজ থেকে আরোপিত টোল থেকে প্রথম রাজস্ব পেয়েছে। শান্তিকালে এই পথ দিয়ে বিশ্বের তেল ও গ্যাসের এক-পঞ্চমাংশ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পণ্য পরিবহন হয়।</p><h2>বিশ্লেষকদের মতামত</h2><p>বিশ্লেষকরা বলছেন, তেহরান মনে করে হরমুজ অবরোধ তাদের অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টির ক্ষমতা দিয়েছে, যা শান্তি আলোচনায় ওয়াশিংটনকে পিছু হটতে বাধ্য করবে। তেল আবিবের ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্টাডিজ ইনস্টিটিউটের ড্যানি সিত্রিনোভিচ ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইরানের অবস্থান ভুল বোঝার সমালোচনা করে সামাজিক মাধ্যমে বলেছেন, "তেহরান অর্থনৈতিক কষ্ট সহ্য করেও নিজের মূল স্বার্থে অনড় থাকার প্রমাণ দিয়েছে। এবারও ভিন্ন হবে বলে বিশ্বাস করার কারণ নেই। ইরান ছাড় দেওয়ার পরিবর্তে সংঘাত বাড়ানোর অবস্থান নিচ্ছে।"</p><p>সুফান সেন্টার থিঙ্ক ট্যাঙ্কের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের কট্টরপন্থীরা যুক্তি দেয় যে বৈশ্বিক জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধি ও পণ্যের ঘাটতি ট্রাম্পকে ইরানের অবস্থান মেনে নিতে বাধ্য করবে। অন্যদিকে ট্রাম্প মনে করেন ইরানের তেল রপ্তানি বন্ধ করলে অর্থনীতি ভেঙে পড়বে এবং তেহরানকে মার্কিন দাবি মেনে নিতে হবে।</p><p>বুধবার ট্রাম্প নিউ ইয়র্ক পোস্টকে বলেছেন, দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে পাকিস্তানে আলোচনা শুরু হতে পারে, যদিও ইরান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেনি এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স মঙ্গলবার ইসলামাবাদ সফর স্থগিত করেছেন।</p><p>পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে সম্ভাব্য আলোচনার জন্য টানা চতুর্থ দিন নিরাপত্তা জোরদার রাখা হয়েছে, যাতে পরিবহন ব্যাহত হয়েছে এবং সরকারি এলাকা ও সংলগ্ন বাণিজ্যিক কেন্দ্র প্রায় বন্ধ রয়েছে।</p><p>ওয়াশিংটন ও তেহরানের প্রতিনিধি দল আসার আগে 'রেড জোন' এলাকার স্কুল বন্ধ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দূরশিক্ষণে স্থানান্তরিত হয়েছে।</p><h2>সামরিক ঘটনা</h2><p>ইরানের বিপ্লবী গার্ড বলেছে, তারা হরমুজ প্রণালী থেকে দুটি জাহাজ ইরানের তীরে নিয়ে এসেছে। জাহাজ দুটি হলো পানামার পতাকাবাহী কনটেইনার জাহাজ এমএসসি ফ্রান্সেস্কা ও লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী এপামিনোন্ডাস। যুক্তরাজ্যভিত্তিক সামুদ্রিক নিরাপত্তা পর্যবেক্ষক সংস্থা নিশ্চিত করেছে যে প্রণালীতে তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজ গানবোটের ঘটনার সম্মুখীন হয়েছে।</p><p>মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির সময় তাদের বাহিনী ইরানের বন্দর অবরোধ করে ৩১টি জাহাজকে ফিরিয়ে দিয়েছে বা বন্দরে ফেরত পাঠিয়েছে।</p><p>ইরানের সাথে যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে যুদ্ধবিরতি মধ্যস্থতা করে, যাতে হিজবুল্লাহ জড়িত ছিল।</p><h2>লেবাননে হামলা</h2><p>ঘোষিত যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও বুধবার ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে পাঁচজন নিহত হয়েছে বলে লেবাননের গণমাধ্যম জানিয়েছে। আল-আখবার পত্রিকার সাংবাদিক আমাল খলিল নিহত এবং জেইনব ফারাজ আহত হয়েছেন। প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এক বিবৃতিতে ইসরায়েলকে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে সাংবাদিকদের লক্ষ্যবস্তু করার নিন্দা জানিয়েছেন।</p><p>ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বলেছে, দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর সামরিক স্থাপনা থেকে দুটি গাড়ি বের হওয়া শনাক্ত করে এবং একটি গাড়িতে থাকা 'সন্ত্রাসীদের' লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। সেনাবাহিনী উদ্ধারকর্মীদের এলাকায় প্রবেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং ঘটনা তদন্তাধীন রয়েছে।</p><p>ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে দ্বিতীয় দফা আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। লেবাননের একজন কর্মকর্তা এএফপিকে জানিয়েছেন, লেবানন যুদ্ধবিরতি এক মাস বাড়ানোর অনুরোধ করবে। ইসরায়েলি হামলায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকে লেবাননে ২,৪৫০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 10:16:14 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[মাদকাসক্ত ছেলেকে পুলিশে দিল মা-বাবা]]></title>
				<category>আইন বিভাগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/ain-bibhag/article-79724.html</link>
				<description><![CDATA[<p>কুমিল্লার হোমনায় মাদকাসক্ত ছেলের অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে অবশেষে নিজের ছেলেকেই পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন মা-বাবা। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ৫ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার কলাকান্দি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।</p><h2>শাস্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তি</h2><p>শাস্তিপ্রাপ্ত হাবিবুল্লাহ (২৭) ওই গ্রামের আব্দুল মোতালেবের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন এবং মাদকের টাকার জন্য পরিবারের সদস্যদের উপর অত্যাচার চালিয়ে আসছিলেন।</p><h2>ঘটনার বিবরণ</h2><p>স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার কলাকান্দি গ্রামের হাবিবুল্লাহকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আটকে রাখে তার পরিবার। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ মোফাচ্ছেরকে খবর দিলে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এতে হাবিবুল্লাহকে পাঁচ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।</p><h3>ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারকের বক্তব্য</h3><p>ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও হোমনার এসিল্যান্ড আহমেদ মোফাচ্ছের বলেন, দীর্ঘদিন ধরে হাবিবুল্লাহ মাদকের টাকার জন্য এবং মাদক সেবন করে তার মা-বাবা সহ পরিবারের অন্য সদস্যদেরকে মারধর করে আসছে। এই ঘটনায় তার মা-বাবা অতিষ্ঠ হয়ে তার বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। আজও সে মাদক সেবন করে তার মা-বাবাসহ অন্যদের অত্যাচার করলে তারা তাকে আটক করেন। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে সে তার অপরাধ স্বীকার করে। এই ঘটনার সত্যতা পেয়ে তাকে ৫ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।</p><p>এ ঘটনায় এলাকায় মাদকবিরোধী মনোভাব জোরদার হয়েছে এবং অনেকে মা-বাবার সাহসিকতার প্রশংসা করেছেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 10:22:53 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ট্রাম্পের দূতের প্রস্তাব: বিশ্বকাপে ইরানের জায়গায় ইতালি খেলুক]]></title>
				<category>ফুটবল</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/football/article-79723.html</link>
				<description><![CDATA[<p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত পাওলো জাম্পোল্লি একটি প্রস্তাব দিয়েছেন যা ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। ফিনান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাম্পোল্লি প্রস্তাব দিয়েছেন যে আসন্ন বিশ্বকাপে ইরানের জায়গায় ইতালিকে সুযোগ দেওয়া উচিত। তিনি এই প্রস্তাব ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে জানিয়েছেন।</p><h2>প্রস্তাবের পেছনে যুক্তি</h2><p>জাম্পোল্লি যুক্তি দেখিয়ে বলেছেন, চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালির মতো দলের বিশ্বকাপে থাকা উচিত, বিশেষ করে প্লে-অফে বাদ পড়ার পর। ট্রাম্পের বিশেষ দূত জানান, তিনি বিশ্বকাপে ইরানের জায়গায় ইতালিকে নেওয়ার জন্য ট্রাম্প ও ইনফান্তিনোকে বলেছেন।</p><h3>কূটনৈতিক ও ক্রীড়া মহলে প্রতিক্রিয়া</h3><p>জাম্পোল্লির এই প্রস্তাব শুধু ক্রীড়াঙ্গনেই নয়, কূটনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এটি কেবল ফুটবল নয়—বরং আন্তর্জাতিক রাজনীতির অংশ হিসেবেও দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি ও ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে বিষয়টি আরও স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছে। ইরান যুদ্ধ নিয়ে কঠোর সমালোচনা করা পোপের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার করেন ট্রাম্প। এতে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে ফিনান্সিয়াল টাইমস তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, মেলোনির সঙ্গে সম্পর্ক উন্নতির লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p><h3>ফিফার অবস্থান</h3><p>এদিকে ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, মাঠের পারফরম্যান্সই বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের একমাত্র ভিত্তি। তিনি বলেছেন, 'ইরান মাঠে খেলে যোগ্যতা অর্জন করেছে। তারা খেলতে চায় এবং তাদের খেলা উচিত।'</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 10:37:18 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক, পাঠাভ্যাস বাড়াতে যৌথ উদ্যোগ]]></title>
				<category>উচ্চশিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/uccho-shikkha/article-79722.html</link>
				<description><![CDATA[<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাঠাভ্যাস বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হয়।</p><h2>পাঠাভ্যাস বাড়াতে যৌথ উদ্যোগ</h2><p>প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বর্তমান প্রজন্মের মধ্যে পাঠাভ্যাস কমে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে বিষয়টিকে জাতীয় অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিও উঠে আসে।</p><h3>সৃজনশীলতা ও মুক্তচিন্তার বিকাশে জোর</h3><p>বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা মত দেন, কেবল পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও মুক্তচিন্তার বিকাশে সহায়ক বই পড়ার পরিবেশ তৈরি করা জরুরি। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র যৌথভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠচর্চা কার্যক্রম জোরদার করা, বইভিত্তিক সহশিক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং শিক্ষার্থীদের পাঠে আগ্রহী করে তুলতে নতুন নতুন উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়েও আলোচনা হয়।</p><h2>বৈঠকে উপস্থিত ব্যক্তিরা</h2><p>বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন ও ডা. জাহেদ উর রহমান। এছাড়াও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে অংশ নেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 10:34:14 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[কঙ্কাল চুরির ভয়ে বজ্রপাতে মৃত কিশোরের কবর পাহারা দিচ্ছে পরিবার]]></title>
				<category>সীমান্ত</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/shimanto/article-79721.html</link>
				<description><![CDATA[<p>মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলায় বজ্রপাতে নিহত কিশোর আরাফাত খানের কবর পাহারা দিচ্ছে তার পরিবার। কঙ্কাল চুরির আশঙ্কায় দাফনের পর থেকেই তার বাবা নিজে এবং ভাড়া করা লোক দিয়ে কবর পাহারা দিচ্ছেন। এ অবস্থায় উপজেলা প্রশাসন গ্রাম পুলিশ নিয়োগ দিয়েছে, যাতে মরদেহটি নিরাপদ ও সম্মানজনকভাবে কবরে থাকে।</p><h2>ঘটনার বিবরণ</h2><p>মৃত আরাফাত (১৭) উপজেলার দিঘীরপাড় ইউনিয়নের হাইয়ারপাড় এলাকার জসিম খানের ছেলে। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই এলাকায় বজ্রসহ বৃষ্টি হয়। সেদিন মাঠ থেকে গরুর জন্য ঘাস আনতে গিয়ে বজ্রপাতে মারা যায় আরাফাত। তাকে পার্শ্ববর্তী কামারখাড়া ইউনিয়নের কামারখাড়া সামাজিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।</p><p>গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় কামারখাড়া কবরস্থানে গিয়ে কবর পাহারায় কাউকে দেখা যায়নি। তবে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে আরাফাতের বাবা জসিম খান কবর পাহারা দিতে এসেছিলেন। বুধবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও কামারখাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কবরস্থান পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁরা মরদেহটি নিরাপদ ও সম্মানজনকভাবে কবরে রাখার জন্য চারজন গ্রাম পুলিশকে দায়িত্ব দেন।</p><h2>স্থানীয়দের ধারণা</h2><p>স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে এমন একটি ধারণা প্রচলিত আছে যে বজ্রপাতে নিহত ব্যক্তিদের মরদেহের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নানাভাবে ব্যবহৃত হয় এবং এগুলো উচ্চ মূল্যে বিক্রি করা যায়। এ কারণে একটি চক্র এমন মরদেহের খোঁজ পেলে কবরস্থান থেকে চুরি করে নিয়ে যায়। দাফনের পর থেকেই পরিবারের সদস্যরা পালা করে কবর দেখতে যেতেন এবং গভীর রাত পর্যন্ত পাহারা দিতেন।</p><p>কবরস্থানের পাশের বাসিন্দা মনির শেখ (৫৩) বলেন, ‘গত রোববার রাত সাড়ে তিনটার দিকে মাছ ধরতে যাচ্ছিলাম। তখন চার–পাঁচজন যুবককে গোরস্তানের রাস্তায় বসে থাকতে দেখি। জিজ্ঞাসা করে জানতে পারি, আরাফাতের কবর পাহারা দিতে জসিম খান তাঁদের পারিশ্রমিক দিয়ে ভাড়া করেছেন।’</p><h2>পরিবারের বক্তব্য</h2><p>চরাঞ্চলের হাইয়ারপাড় এলাকার নির্জন চিতাখোলা–সংলগ্ন স্থানে আরাফাতদের বাড়ি। বুধবার রাতে সেখানে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যুৎবিহীন একটি ভাঙা ঘরে তার স্বজনেরা বসে আছেন। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন আরাফাতের বাবা জসিম খান ও মা সোনিয়া বেগম। আরাফাত তিন ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তৃতীয় সন্তান।</p><p>আরাফাতের বাবা জসিম খান বলেন, ‘আমার ছেলে ছোট মানুষ ছিল, তবু সংসারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছিল। দরজির কাজ আর একটি গরু দিয়ে কোনোভাবে সংসার চালাত। সেই ছেলেকে বজ্রপাতে আল্লাহ নিয়ে গেছে। ছেলেকে তো আর পাব না। দাফনের পর থেকে শান্তি পাচ্ছি না। বিভিন্ন জায়গায় বজ্রপাতে মৃতদেহ চুরির ঘটনা শুনেছি। যদি আমার ছেলের লাশ চুরি হয়ে যায়—এই ভয়ে মঙ্গলবার পর্যন্ত প্রতি রাতে কবর পাহারা দিয়েছি। দিনের সময়ও আমরা পাহারা দেব।’</p><p>আরাফাতের মা সোনিয়া বেগম বলেন, ‘আরাফাতের বাবা অসুস্থ, সব সময় পাহারা দিতে পারেন না। ছেলে তো আল্লাহ নিয়েছেন, এখন যদি লাশটাও চুরি হয়ে যায়, তখন মনকে কীভাবে বোঝাব? তাই মানুষের কাছ থেকে টাকা ধার করে শ্রমিক ভাড়া করে কবর পাহারা দিয়েছি। শুনেছি প্রশাসন এখন পাহারার ব্যবস্থা করেছে।’</p><h2>প্রশাসনের পদক্ষেপ</h2><p>লাশ চুরির আশঙ্কায় সন্তানের কবর পাহারা দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসে। পরে পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য বুধবার ইউএনও তাহমিনা আক্তার কবরস্থান পরিদর্শন করেন।</p><p>ইউএনও বলেন, মরদেহ চুরি প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে বুধবার রাত থেকে চারজন গ্রাম পুলিশ দিয়ে কবরস্থানে পাহারার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহ প্রতি রাতে দুজন করে পাহারা দেবেন। এরপর কবরস্থান কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে। কবরস্থানটিকে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনার পরিকল্পনাও রয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 10:03:03 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[২৩ বছর আগের জমি বিরোধে হত্যা মামলায় চার জনের যাবজ্জীবন]]></title>
				<category>আইন বিভাগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/ain-bibhag/article-79720.html</link>
				<description><![CDATA[<p>জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ২৩ বছর আগে সিনেমা দেখানোর কথা বলে জাবেদ নামে এক ব্যক্তিকে খুনের মামলায় দুই ভাইসহ চার জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।</p><h2>রায় ঘোষণা</h2><p>বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ঢাকার ৭ম অতিরিক্ত দায়রা জজ (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুল্লাহ আল মাসুদ এ রায় দেন। দণ্ডিতরা হলেন- দুই ভাই দেলোয়ার হোসেন ও হাবিবুল্লাহ এবং প্রতিবেশী সিরাজুল ইসলাম ও দ্বীন ইসলাম। তারা সবাই কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুরের রসুলপুরের বাসিন্দা।</p><p>দণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আসামিরা পলাতক রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারি মানিক।</p><h2>মামলার বিবরণ</h2><p>মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, নুর হোসেন বাবুর পানের দোকানে কাজ করতেন জাবেদ। ২০০৩ সালের ১৮ মার্চ কাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে দেলোয়ার, হাবিবুল্লাহ ও সিরাজ সিনেমা দেখানোর কথা বলে দ্বীন ইসলামের রিকশায় করে কেরানীগঞ্জের ধলেশ্বরী ঘাটে সৈকত সিনেমা হলে নিয়ে যান। রাত ১২টার সময়ও বাসায় না ফেরায় নুর হোসেন মাইকিং করে জাবেদকে খোঁজাখুঁজি করেন।</p><p>পরদিন সকাল ১০টার দিকে লোকজন নদীতে জাবেদের লাশ পায়। এ ঘটনায় ১৯ মার্চ নুর হোসেন কেরানীগঞ্জ থানায় অপমৃত্যুর মামলা করেন। নুর হোসেনের কথায় এবং আচরণে জাবেদের মা আমিনা বেগমের সন্দেহ হয়। দ্বীন ইসলাম বাদে অপর চারজন পরম আত্মীয়। জমি নিয়ে জাবেদের বাবার সঙ্গে তাদের বিরোধ ছিল। এরই জেরে তারা জাবেদকে পরিকল্পিতভাবে খুন করে লাশ গুম করতে নদীতে ফেলে দিয়েছে। ছেলেকে হত্যার অভিযোগ এনে আদালতে মামলা করেন আমিনা বেগম। আদালত মামলাটি থানাকে এজাহার হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দেয়।</p><h2>তদন্ত ও বিচার</h2><p>আদালতের নির্দেশে মামলাটি তদন্ত করে কেরানীগঞ্জ থানার এসআই মহসিনুল কাদির ২০০৫ সালের ৩০ এপ্রিল পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র জমা দেন। ২০০৬ সালের ৮ মে নুর হোসেনকে অব্যাহতি দিয়ে চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে। আসামিরা পলাতক থাকায় আত্মপক্ষ শুনানি করতে পারেননি। মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আজ আদালত থেকে আসামিদের সাজার রায় এলো।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 10:21:48 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বান্দরবানে বন উজাড় ও কাঠ পাচার: পরিবেশ বিপর্যয়ের শিকার দুর্গম এলাকা]]></title>
				<category>পরিবেশ</category>
				<link>https://bdgazette.com/jibonjapon/poribesh/article-79719.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বান্দরবানের দুর্গম আলীকদম-থানচি সীমান্তবর্তী এলাকায় একটি সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে প্রাকৃতিক বন ধ্বংস ও কাঠ পাচারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, পাহাড় কেটে রাস্তা নির্মাণ, ঝিরির পানিপ্রবাহ বন্ধ এবং শতবর্ষী মাতৃগাছ নির্বিচারে কাটার ফলে পুরো এলাকার পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।</p><h2>বন উজাড়ের চিত্র</h2><p>জানা যায়, জেলা সদর থেকে প্রায় ১২৭ কিলোমিটার এবং আলীকদম উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার দূরে চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পামিয়া ম্রো পাড়া, তন্তুই পাড়া, নামচাক পাড়া, কাকই পাড়া, আদুই পাড়াসহ আশপাশের এলাকার প্রায় ২০০ একর জুড়ে এই বন উজাড় চলছে। আলীকদম-থানচি সড়কের ১৮ কিলোমিটার অংশ পাড়ি দিয়ে আরো প্রায় এক ঘণ্টা হেঁটে গেলে পোলা ব্যাঙ ঝিরি এলাকায় গিয়ে চোখে পড়ে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র।</p><p>সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পোলা ব্যাঙ ঝিরির স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বন্ধ করে পাহাড় কেটে ট্রাক চলাচলের উপযোগী রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। রাস্তার দুই পাশে স্তূপ করে রাখা হয়েছে বিভিন্ন আকারের গাছের গুঁড়ি। এলাকা থেকে প্রাকৃতিক বন থেকে কেটে নিয়ে যাচ্ছে গর্জন, চাম্পা ফুল গাছ, কড়ই, বৈলাম, গুটগুটিয়া, লালি গাছ, চাপালিশসহ নানা প্রজাতির গাছ।</p><h2>পানিসংকট ও পরিবেশ বিপর্যয়</h2><p>ব্যাঙ ঝিরি শুকিয়ে গেছে, পাঁচটি পাড়ার ম্রো জনগোষ্ঠীর মানুষ তীব্র পানিসংকটে দিন পার করছে। দুই বছর আগে বড় বড় গাছ ছিল, বন ছিল, বনের মধ্যে ভালুক, হরিণ, বন্যশূকরসহ নানা প্রজাতির বন্যপশুপাখি ভরপুর ছিল। এখন বনও নেই, পশুপাখিও নেই বলে জানায় স্থানীয়রা।</p><p>স্থানীয়রা জানান, এক্সকাভেটর দিয়ে প্রতিনিয়ত পাহাড় ভেঙে, কেটে রাস্তা তৈরি করা হচ্ছে এবং আলীকদম থেকে থানচি উপজেলায় যাওয়ার রাস্তার ২৩ কিলো নামক স্থান দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চেকপোস্টকে পাশ কাটিয়ে কলার ঝিরি নামক বাইপাস রাস্তা ব্যবহার করে নিয়মিত কাঠ পাচার করা হচ্ছে।</p><h2>অভিযোগ ও বক্তব্য</h2><p>অভিযোগ রয়েছে, কাটা গাছের একটি অংশ বনবিভাগ কর্তৃক অনুমতিপত্র 'জোত পারমিট'-এর কাগজ দেখিয়ে বৈধতার আড়ালে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করা হচ্ছে। অন্য অংশ আলীকদমের অবৈধ ইটভাটায় জ্বালানি হিসেবে বিক্রি করা হচ্ছে। মাতৃগাছ কেটে পাচার করা হচ্ছে। এতে পুরো এলাকা এখন প্রায় বৃক্ষশূন্য হয়ে পড়েছে। বন উজাড়ে পানিসংকটসহ হারিয়ে গেছে বন্যপ্রাণী।</p><p>পামিয়া, তন্তুই, নামচাক, কাকই ও আদুই পাড়াসহ অন্তত পাঁচটি পাড়ার ম্রো জনগোষ্ঠীর মানুষ বিভিন্ন ঝিরির পানির ওপর নির্ভরশীল। বন উজাড় ও ঝিরির প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এখন মারাত্মক পানিসংকট দেখা দিয়েছে। আদুই পাড়ার কার্বারী কামপ্লাত ম্রো বলেন, 'এই ব্যাঙ ঝিরির পানির ওপর সাত-আটটি পাড়া নির্ভরশীল। এখন আমরা পানির জন্য হাহাকার করছি।' নামচাক পাড়ার মেন রাও ম্রো বলেন, 'দুই বছর আগেও এখানে হরিণ, ভালুক, বন্যশূকর ও বিভিন্ন প্রজাতির পাখির আবাস ছিল। এখন বনও নেই, প্রাণীও নেই।' পামিয়া পাড়ার মেন চং ম্রো বলেন, 'আগে ব্যাঙ ঝিরিতে প্রচুর পানি ও মাছ-কাঁকড়া ছিল। এখন পানি শুকিয়ে গেছে, আমরা এখন নিরাপদ পানির চরম সংকটে আছি।'</p><p>পার্বত্য চট্টগ্রাম বন ও ভূমি অধিকার সংরক্ষণ আন্দোলনের বান্দরবান চ্যাপ্টারের সভাপতি জোয়াম লিয়ান আমলাই বলেন, ইসমাইল নামের একজন অসাধু ব্যবসায়ী দুই বছর ধরে প্রাকৃতিক বন ধ্বংস করে কাঠ পাচার করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।</p><h2>প্রশাসনের বক্তব্য</h2><p>তৈন রেঞ্জ কর্মকর্তা খন্দকার আরিফুল ইসলাম বলেন, সংশ্লিষ্ট এলাকায় বন বিভাগের কার্যক্রম নেই। তবে অবৈধ কাঠ পাচারের ঘটনা ঘটলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আলীকদম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনজুর আলম বলেন, 'এ বিষয়ে আমি অবগত নই। আর পাড়াবাসীর কোনো আবেদন পাইনি।' প্রয়োজনে পুলিশ ফোর্স নিয়ে সরেজমিনে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। লামা বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 10:08:40 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[আমির হামজাকে আরেকটি লিগ্যাল নোটিশ, বীর মুক্তিযোদ্ধাকে অশালীন মন্তব্যের জের]]></title>
				<category>আইন বিভাগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/ain-bibhag/article-79718.html</link>
				<description><![CDATA[<p>কুষ্টিয়া-৩ আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য ও আলোচিত ইসলামী বক্তা আমির হামজাকে আবারও লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বাংলাদেশ ছাত্রশক্তি কুষ্টিয়া জেলা শাখার সদস্য-সচিব মো. আই ইয়াশ ইমনের আবেদনের ভিত্তিতে এই নোটিশ জারি করেন আইনজীবী মো. নূরুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমানকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য করার জেরে এ উকিল নোটিশ দেয়া হয়।</p><h2>নোটিশের বিবরণ</h2><p>নোটিশে উল্লেখ করা হয়, কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। পাশাপাশি তিনি রাষ্ট্রের একজন সম্মানিত ব্যক্তি। মুফতি আমির হামজা সম্প্রতি এক বক্তব্যে ফজলুর রহমানকে 'ফজু পাগলা' নামে আখ্যায়িত করেন। তাকে পাবনার মানসিক হাসপাতালে পাঠানোর কথা বলেন আমির হামজা। এছাড়া ফজলুর রহমানকে কুকুর মারার ইনজেকশন দেয়ার কথাও উল্লেখ করেন জামায়াত দলীয় এই সংসদ সদস্য।</p><h3>আইনগত পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি</h3><p>আইনজীবীর নোটিশে বলা হয়েছে, দেশ ও জাতির কাছে ফজলুর রহমানকে হেও প্রতিপন্ন করার জন্য সুপরিকল্পিতভাবে এমন বক্তব্য দিয়েছেন আমির হামজা। এর মাধ্যমে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে ফজলুর রহমানের সম্মানহানি করা হয়েছে। এসব বক্তব্যের কারণে ফজলুর রহমান সামাজিক, মানসিক ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এতে আরও উল্লেখ করা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব না দিলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এর দায়ভার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকেই বহন করতে হবে।</p><h2>পূর্ববর্তী ঘটনা</h2><p>উল্লেখ্য, এর আগেও অশালীন বক্তব্য দেয়ার অভিযোগে মুফতি আমির হামজাকে দুটি উকিল নোটিশ দেয়া হয়। এছাড়া জ্বালানি মন্ত্রীকে নিয়ে দেয়া বক্তব্যের জেরে আমির হামজার বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জের আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওই মামলায় নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে এরই মধ্যে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করা হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 10:09:20 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[দেশে ৭১% মৃত্যু অসংক্রামক রোগে, দায়ী চিনি-লবণ-ট্রান্সফ্যাট]]></title>
				<category>জনস্বাস্থ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/swasthyo/jonswasthyo/article-79717.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশে মোট মৃত্যুর প্রায় ৭১ শতাংশের জন্য দায়ী অসংক্রামক রোগ। অতিরিক্ত চিনি, লবণ (সোডিয়াম), স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও ট্রান্স-ফ্যাটযুক্ত অতি-প্রক্রিয়াজাত অস্বাস্থ্যকর খাদ্য উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ক্যানসারসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাজধানীর ফারস হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশে অসংক্রামক রোগ মোকাবিলা: উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ ও ফ্রন্ট-অব-প্যাক লেবেলিংয়ের ভূমিকা’ শীর্ষক জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের কর্মশালায় এসব বিষয়ে আলোচনা করেন বক্তারা।</p><h2>কর্মশালার আয়োজন ও অংশগ্রহণ</h2><p>গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটরের (জিএইচএআই) সহযোগিতায় প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) এ কর্মশালার আয়োজন করে। কর্মশালায় প্রিন্ট, টেলিভিশন এবং অনলাইন মিডিয়ার ২৮ জন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন।</p><h3>ফ্রন্ট-অব-প্যাকেজ লেবেলিংয়ের গুরুত্ব</h3><p>কর্মশালায় বলা হয়েছে, প্যাকেটজাত খাদ্যের সম্মুখভাগে ফ্রন্ট-অব-প্যাকেজ লেবেলিংয়ের (এফওপিএল) প্রচলন খাদ্যজনিত অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণের একটি কার্যকর উপায়। পাশাপাশি উচ্চ রক্তচাপঘটিত অসংক্রামক রোগ মোকাবিলায় সবার জন্য নিরবিচ্ছিন্ন ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিতকরণ একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।</p><p>দেশে প্রায় ৯৭ শতাংশ মানুষ নিয়মিত প্যাকেটজাত খাদ্য গ্রহণ করেন, তবে প্যাকেটের পেছনে থাকা জটিল পুষ্টিতথ্য অধিকাংশ ভোক্তার জন্য বোধগম্য নয় এবং প্যাকেটে লবণ (সোডিয়াম), চিনি, স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও ট্রান্সফ্যাটের সঠিক পরিমাণ উল্লেখ করা হয় না। ফলে তারা খাদ্যের প্রকৃত পুষ্টিমান ও স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা না নিয়েই খাদ্য নির্বাচন করেন।</p><p>বাধ্যতামূলক এফওপিএল চালু হলে পণ্যের সম্মুখভাগে “অতিরিক্ত” সতর্কবার্তার মাধ্যমে ভোক্তারা সহজেই বুঝতে পারবেন কোন খাদ্যে অতিরিক্ত চিনি, লবণ (সোডিয়াম) ও সম্পৃক্ত চর্বি রয়েছে এবং সে অনুযায়ী সচেতনভাবে স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য নির্বাচন করতে পারবেন। ফলে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে উঠবে এবং খাদ্য উৎপাদকরাও পণ্যের গুণগত মান উন্নত করতে উৎসাহিত হবে।</p><h3>বিশ্বে এফওপিএল বাস্তবায়ন</h3><p>কর্মশালায় আরও জানানো হয়, বিশ্বে ইতোমধ্যে ৪৪টি দেশ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশকৃত কার্যকর ও ব্যয় সাশ্রয়ী জনস্বাস্থ্য উদ্যোগ হিসেবে এফওপিএল চালু করেছে, যার মধ্যে ১০টি দেশে এটি বাধ্যতামূলক। এসব দেশে ভোক্তাদের খাদ্য নির্বাচনে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে এবং অস্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ হ্রাস পেয়েছে।</p><h3>অর্থ বরাদ্দ ও ওষুধ সরবরাহ</h3><p>বক্তারা আরও বলেন, বাংলাদেশে উচ্চ রক্তচাপসহ অসংক্রামক রোগের প্রকোপ ক্রমবর্ধমান হারে বাড়লেও এ খাতে অর্থ বরাদ্দ অত্যন্ত অপ্রতুল, মোট স্বাস্থ্য বাজেটের মাত্র ৪.২ শতাংশ। ফলে সব কমিউনিটি ক্লিনিকে উচ্চ রক্তচাপের ওষুধের নিরবিচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। টেকসই অর্থায়নের মাধ্যমে কমিউনিটি ক্লিনিক ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়মিত ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে উচ্চ রক্তচাপসহ অন্যান্য অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সম্ভব।</p><h3>আলোচকবৃন্দ</h3><p>কর্মশালায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইন্সটিটিউটের ইপিডেমিওলজি অ্যান্ড রিসার্চ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী, গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটরের (জিএইচএআই) বাংলাদেশ কান্ট্রি লিড মুহাম্মাদ রূহুল কুদ্দুস, অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্সের (আত্মা) কনভেনর মর্তুজা হায়দার লিটন, কো-কনভেনর নাদিরা কিরণ ও মিজান চৌধুরী এবং প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের।</p><h3>সঞ্চালনা ও উপস্থাপনা</h3><p>কর্মশালার মুক্ত আলোচনা পর্বটি সঞ্চালনা করেন ঢাকা ট্রিবিউনের সম্পাদক রিয়াজ আহমদ এবং বিষয়ভিত্তিক উপস্থাপনা তুলে ধরেন প্রজ্ঞার প্রোগ্রাম অফিসার সামিহা বিনতে কামাল এবং শবনম মোস্তফা।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:49:54 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ভিডিওতে বাংলাদেশের নতুন দিগন্ত: প্রথোমালো'র বিশেষ প্রতিবেদন]]></title>
				<category>আইটি শিল্প</category>
				<link>https://bdgazette.com/projukti/it-shilpo/article-79716.html</link>
				<description><![CDATA[<p>প্রথম আলোর বিশেষ ভিডিও প্রতিবেদনে বাংলাদেশের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে। এই ভিডিওতে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক পরিবর্তন এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। দর্শকরা দেখতে পাবেন কিভাবে বাংলাদেশ তার ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে ধরে রেখে আধুনিকতার পথে এগিয়ে যাচ্ছে।</p><h2>অর্থনৈতিক অগ্রগতি</h2><p>বাংলাদেশের অর্থনীতি বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি। তৈরি পোশাক শিল্প, রেমিট্যান্স এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাত এই অগ্রগতির মূল চালিকা শক্তি। ভিডিওতে দেখা যাবে কিভাবে গ্রামীণ এলাকার মানুষও এই উন্নয়নের সুবিধা পাচ্ছেন।</p><h3>সামাজিক পরিবর্তন</h3><p>শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। নারী শিক্ষার হার বৃদ্ধি এবং মাতৃমৃত্যুর হার হ্রাস পেয়েছে। ভিডিওতে এই পরিবর্তনগুলোর বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।</p><ul><li>প্রাথমিক শিক্ষায় ভর্তির হার বেড়েছে</li><li>ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচির আওতায় গ্রামে ইন্টারনেট পৌঁছেছে</li><li>স্বাস্থ্যসেবা গ্রাম পর্যায়ে সম্প্রসারিত হয়েছে</li></ul><h2>সংস্কৃতির ধারা</h2><p>বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ভিডিওতে বিশেষভাবে স্থান পেয়েছে। পহেলা বৈশাখ, নবান্ন, এবং অন্যান্য উৎসবের মাধ্যমে দেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।</p><p>ভিডিওটি দেখে দর্শকরা বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পাবেন এবং দেশের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে পারবেন। প্রথম আলোর এই উদ্যোগ বাংলাদেশের গল্প বিশ্বের কাছে পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 10:21:37 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[এশিয়ার মুদ্রায় যুদ্ধের প্রভাব, রেকর্ড সর্বনিম্নে রুপিয়াহ]]></title>
				<category>আন্তর্জাতিক অর্থনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/antorjatik-orthoniti/article-79715.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধের প্রভাব বিশ্ব বাণিজ্যে ব্যাপকভাবে পড়েছে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকার কারণে তেলের দাম বেড়েছে, যা সরাসরি বিভিন্ন দেশের মুদ্রায় প্রভাব ফেলেছে। বিশেষ করে তেল আমদানিকারক দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।</p><h2>ইন্দোনেশিয়ার রুপিয়াহ রেকর্ড সর্বনিম্নে</h2><p>কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরা জানিয়েছে, তেলের দাম বাড়ার কারণে ইন্দোনেশিয়ার মুদ্রা রেকর্ড সর্বনিম্ন অবস্থানে নেমেছে। এক মার্কিন ডলারের বিপরীতে দাম দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ৩১৫ রুপিয়াহতে, যা দেশটির মুদ্রার ইতিহাসে সর্বনিম্ন।</p><h2>এশিয়ার অন্যান্য দেশের মুদ্রায় প্রভাব</h2><p>ইরান যুদ্ধ এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকার প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে এশিয়ার দেশগুলোর ওপর। বিশেষ করে যেসব দেশ জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরশীল—যেমন ইন্দোনেশিয়া, ভারত, ফিলিপাইন ও থাইল্যান্ড। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ তেলের দাম এসব দেশের অর্থনীতিতে চাপ তৈরি করছে। বাংলাদেশেও এর ব্যাপক প্রভাব পড়েছে, তবে মুদ্রার হারে ততটা প্রভাব ফেলেনি।</p><h2>কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পদক্ষেপ</h2><p>বুধবার (২২ এপ্রিল) ইন্দোনেশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘ব্যাংক ইন্দোনেশিয়া’ জানিয়েছে, তারা ‘অবমূল্যায়িত’ রুপিয়াহকে রক্ষা করতে সর্বাত্মক পদক্ষেপ নেবে। একই সঙ্গে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রয়োজন অনুযায়ী নীতিমালায় পরিবর্তন আনার প্রস্তুতির কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি।</p><h2>মুদ্রার মান কমেছে ৩ শতাংশের বেশি</h2><p>ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে রুপিয়াহর মান ৩ শতাংশের বেশি কমেছে। যা এ বছর এশিয়ার মধ্যে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন পারফরম্যান্স ভারতের রুপির পরেই।</p><h2>ফিলিপাইন ও থাইল্যান্ডের মুদ্রাও দুর্বল</h2><p>এদিকে ফিলিপাইনে বৃহস্পতিবার পেসোর মান ডলারের বিপরীতে ৬০.৫২৪-এ নেমে এসেছে, যা দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন। একইভাবে থাইল্যান্ডের মুদ্রা বাতও দুর্বল হয়ে প্রতি ডলারে ৩২.৪৪-এ নেমেছে, যা ৮ এপ্রিলের পর সর্বনিম্ন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:56:08 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ট্রাম্পের শুল্কযুদ্ধ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বেরিয়ে আসা সহজ নয়]]></title>
				<category>আন্তর্জাতিক অর্থনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/antorjatik-orthoniti/article-79714.html</link>
				<description><![CDATA[<p>কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এ বছরের শুরুতে বলেছিলেন, বিশ্ব এখন ‘একটি রূপান্তরের মধ্যে নয়, বরং একধরনের ভাঙনের মধ্যে রয়েছে।’ তাঁর এই মন্তব্য এমন এক বাস্তবতাকে তুলে ধরে, যা অধিকাংশ সরকার এখনো পুরোপুরি উপলব্ধি করতে পারেনি। ১৯৪৪ সাল থেকে যে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বিশ্বকে পরিচালিত করেছে, তা কার্যত শেষ হয়ে গেছে। এখন প্রশ্ন একটাই—এরপর কী আসছে?</p><p>এর সুনির্দিষ্ট উত্তর এখনো স্পষ্ট নয়। তবে নতুন যে বৈশ্বিক বাস্তবতা তৈরি হচ্ছে, তার কয়েকটি বৈশিষ্ট্য ইতিমধ্যে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এই বৈশিষ্ট্যগুলোই ইউরোপ এবং বিশ্বের মধ্যম শক্তিগুলোর সামনে পথনির্দেশক হিসেবে কাজ করবে।</p><h2>ব্রেটন উডস ব্যবস্থার পতন</h2><p>প্রথমত, ব্রেটন উডস ব্যবস্থা (১৯৪৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ব্রেটন উডসে ৪৪টি দেশের প্রতিনিধিরা এক সম্মেলনে মিলিত হয়ে একটি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক কাঠামো তৈরি করেন, যার মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্ব অর্থনীতি স্থিতিশীল ও সংগঠিত করার চেষ্টা করা হয়) আর কার্যকর কোনো ভিত্তি হিসেবে টিকে নেই।</p><p>২০০৮ সালের বৈশ্বিক আর্থিক সংকটেই এর ভঙ্গুরতা প্রকাশ পায়। কোভিড-১৯ মহামারির সময় এর অসম প্রভাব মোকাবিলায় ব্যর্থতা এ ব্যবস্থার গ্রহণযোগ্যতাকে আরও দুর্বল করে দেয়। তবে সবচেয়ে বড় আঘাতটি এসেছে ভেতর থেকেই। যে যুক্তরাষ্ট্র এ ব্যবস্থার প্রধান স্থপতি ও কেন্দ্র ছিল, সে নিজেই এখন এটি থেকে সরে যাচ্ছে।</p><h2>বাণিজ্যে নতুন বাস্তবতা</h2><p>দ্বিতীয়ত, বৈশ্বিক বাণিজ্য আর আগের মতো উন্মুক্ত অবস্থায় ফিরে যাবে না। এর পেছনে রয়েছে গভীর কাঠামোগত কারণ। ২০২৫ সালে চীনের বাণিজ্য–উদ্বৃত্ত এক ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যার প্রধান চালিকা শক্তি উৎপাদন খাত। বর্তমানে বিশ্ব উৎপাদনের প্রায় ৩৫ শতাংশই চীনের হাতে এবং প্রায় সব ধরনের শিল্পপণ্য সরবরাহ করার সক্ষমতা দেশটির রয়েছে।</p><p>অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে শুল্কহার বাড়িয়ে ১৯৩০-এর দশকের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে গেছেন। আগামী দশকে এই শুল্ক থেকে দুই থেকে তিন ট্রিলিয়ন ডলার রাজস্ব আসার সম্ভাবনা ধরা হয়েছে। এই অর্থ গৃহস্থালি কর কমাতে ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে ভবিষ্যতের কোনো প্রশাসনের জন্য এই শুল্কনীতি থেকে সরে আসা রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।</p><h2>নীতিগত প্রভাব</h2><p>তৃতীয়ত, বৈশ্বিক ব্যবস্থার এই ভাঙন শুধু অর্থনৈতিক নয়, নীতিগত দিক থেকেও গভীর প্রভাব ফেলেছে। ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রকে ৬৬টি আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে সরিয়ে নিয়েছেন এবং ব্যক্তিগত ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থের সীমারেখা মুছে দিয়েছেন।</p><p>তবে এর অর্থ এই নয় যে বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থা পুরোপুরি অসম্ভব হয়ে গেছে। বরং এটিকে নতুনভাবে, আরও বাস্তববাদীভাবে কল্পনা করতে হবে। একক কোনো মডেল, যেখানে উন্মুক্ত বাজার, আইনের শাসন, স্বাধীন প্রতিষ্ঠান এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তাছাতা একসঙ্গে কাজ করবে—এমন কাঠামো আর বাস্তবসম্মত নয়। এর পরিবর্তে একধরনের ‘সমন্বিত ব্যবস্থার’ ধারণা সামনে আসছে, যেখানে বিভিন্ন দেশের নিজস্ব পছন্দ-অপছন্দকে জায়গা দেওয়া হবে, তবে এমন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাবে না, যা অন্য দেশের ক্ষতি করে বা বৈশ্বিক সম্পদের ওপর আঘাত হানে।</p><h2>নতুন কাঠামোর সম্ভাবনা</h2><p>এই নতুন কাঠামোর একটি কার্যকর সূচনা হতে পারে হার্ভার্ডের অর্থনীতিবিদ দানি রডরিকের প্রস্তাবিত কাঠামো থেকে। তাঁর ধারণা অনুযায়ী, এমন নীতি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, যা ‘নিজে বাঁচো, অন্যকে ঠকাও’ ধরনের। একই সঙ্গে বৈশ্বিক যৌথ সম্পদকে রক্ষা করতে হবে, তবে জাতীয় বৈচিত্র্যের জন্য জায়গা রাখতে হবে।</p><p>এ কাঠামো কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা গেলে ট্রাম্প প্রশাসনের অনেক নীতিই এর বাইরে পড়ে যাবে। এমন শুল্কনীতি টিকে যেতে পারে, যা মূলত নিজ দেশেরই ক্ষতি করে, কিন্তু বৈশ্বিক আর্থিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করে বা জলবায়ু সহযোগিতা দুর্বল করে—এমন নীতি গ্রহণযোগ্য হবে না।</p><h2>মধ্যম শক্তির ভূমিকা</h2><p>সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো এই নিয়মগুলো কার্যকর করা। যখন যুক্তরাষ্ট্র হয় অনুপস্থিত, নয়তো সরাসরি বিরোধিতায় রয়েছে, তখন কে এই নিয়ম তৈরি করবে এবং তা বাস্তবায়ন করবে? এখানেই মধ্যম শক্তি ও ইউরোপের জন্য সবচেয়ে বড় পরীক্ষা এবং একই সঙ্গে সবচেয়ে বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে।</p><p>আন্তর্জাতিক মুদ্রাব্যবস্থা এই পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। ১৯৭১ সালে স্থির বিনিময় হারভিত্তিক ব্রেটন উডস ব্যবস্থার পতন, ইউরোর উত্থান এবং একাধিক সংকটের পরও ডলারের প্রাধান্য টিকে ছিল। কিন্তু এখন যখন চাপটি আসছে যুক্তরাষ্ট্রের ভেতর থেকেই, তখন ডলারের এই অবস্থান আর নিশ্চিত নয়।</p><p>সময়ের সঙ্গে সঙ্গে একটি বহুমুখী মুদ্রাব্যবস্থার সম্ভাবনাই বেশি, যেখানে ডলারের জায়গা সরাসরি চীনা মুদ্রা রেনমিনবিতে চলে যাবে—এমনটা নয়। কারণ, চীনের মুদ্রা এখনো মূলধন নিয়ন্ত্রণ এবং বৈশ্বিক রিজার্ভ মুদ্রার দায়িত্ব নিতে অনীহার কারণে সীমাবদ্ধ। তবু উৎপাদন খাতে চীনের আধিপত্য রেনমিনবির আঞ্চলিক গুরুত্ব বাড়াবে—এটি প্রায় নিশ্চিত।</p><p>যুক্তরাষ্ট্রনির্ভর নিয়মভিত্তিক বিশ্বব্যবস্থার বিকল্প মানেই বিশৃঙ্খলা নয়। মার্ক কার্নি আসলে যা বলছিলেন, সেটিই এখন প্রয়োজন—এমন একটি জোট, যারা নতুন বিশ্বে এজেন্ডা নির্ধারণ করবে এবং নিয়ম রক্ষার দায়িত্ব নেবে।</p><p>● জর্জ পাপাকনস্টান্টিনু গ্রিসের সাবেক অর্থমন্ত্রী ও<br>● জঁ পিসানি-ফেরি ব্রাসেলসভিত্তিক থিঙ্কট্যাংক ব্রুগেলের সিনিয়র ফেলো</p><p>স্বত্ব: প্রজেক্ট সিন্ডিকেট, ইংরেজি থেকে অনূদিত</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 10:10:43 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[হাম রোগীর জন্য হাসপাতালে শয্যা বাড়ানোর নির্দেশ]]></title>
				<category>জনস্বাস্থ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/swasthyo/jonswasthyo/article-79713.html</link>
				<description><![CDATA[<p>হাম রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় হাসপাতালে শয্যা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। হাম ও উপসর্গে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যা উদ্বেগ বাড়িয়েছে। অন্যদিকে, ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে ১১ শিক্ষককে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। দুই বছর ধরে বন্ধ যমুনা ডিপোতে ৭৫ হাজার লিটার ডিজেল জমা পড়ে আছে, যা পরিবেশ ও নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করছে।</p><h2>হাম রোগীর জন্য জরুরি ব্যবস্থা</h2><p>হামের প্রকোপ কমাতে হাসপাতালগুলোতে অতিরিক্ত শয্যা স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিশুদের মৃত্যু রোধে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করার কথা বলা হয়েছে।</p><h3>শিক্ষা খাতে পরিবর্তন</h3><p>এসএসসি পরীক্ষা ২০২৫ নিয়ে ১১ শিক্ষককে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর কারণ হিসেবে পরীক্ষা ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম ও দায়িত্বে অবহেলার কথা বলা হয়েছে।</p><h3>যমুনা ডিপোর অবস্থা</h3><p>দুই বছর ধরে বন্ধ থাকা যমুনা ডিপোতে ৭৫ হাজার লিটার ডিজেল জমা রয়েছে। এটি দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় পরিবেশ দূষণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ডিজেল সরানোর উদ্যোগ নিচ্ছে।</p><p>এছাড়া, বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য যুক্তরাজ্যের শিক্ষাবৃত্তি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। সংরক্ষিত নারী আসনে ৪৯ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারি ৬টি বন্ধ পাটকল চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঢাকা থেকে ইরানে জরুরি সহায়তা পাঠানো হচ্ছে। জুলাই নিয়ে চমকের মন্তব্য সম্পর্কে ফ্যাক্টচেক জানিয়েছে ভিন্ন তথ্য।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 10:08:17 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[অন্তঃসত্ত্বা দীপিকা ‘রাকা’ ও ‘কিং’-এর শুটিং চালিয়ে যাবেন]]></title>
				<category>সিনেমা</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/cinema/article-79712.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বলিউড পাড়ায় এখন আনন্দের বন্যা বইছে। প্রথম সন্তান দুয়া-র জন্মের পর দ্বিতীয়বার মা হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন। তবে মাতৃত্বকালীন এই সময়েও কাজের প্রতি তার অঙ্গীকারে কোনো ভাটা পড়েনি। বর্তমানে তিনি ‘রাকা’ এবং ‘কিং’ নামক দুটি বড় বাজেটের সিনেমার শুটিংয়ে ব্যস্ত রয়েছেন।</p><h2>‘রাকা’ সিনেমায় দীপিকার ভূমিকা</h2><p>সম্প্রতি গুঞ্জন উঠেছিল যে, অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার কারণে ‘রাকা’ সিনেমায় দীপিকার দৃশ্য কমিয়ে আনা হতে পারে। তবে ছবিটির নির্মাণ সংশ্লিষ্টরা এই গুজবকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক বিবৃতিতে তারা নিশ্চিত করেছেন, সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোচ্ছে এবং ‘রাকা’ সিনেমায় দীপিকা পাড়ুকোন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন। সেটে তিনি দারুণ উদ্দীপনার সঙ্গে শুটিং করছেন।</p><p>আল্লু অর্জুন এবং পরিচালক অ্যাটলির এই বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমায় দীপিকাকে বেশ কিছু রোমাঞ্চকর অ্যাকশন দৃশ্যে দেখা যাবে বলে জানা গেছে। ফ্যান্টাসি ও সায়েন্স ফিকশনের মিশেলে তৈরি এই সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে।</p><h2>শাহরুখ খানের ‘কিং’ সিনেমা</h2><p>‘রাকা’ ছাড়াও দীপিকার হাতে রয়েছে শাহরুখ খানের পরবর্তী সিনেমা ‘কিং’। অ্যাকশন ঘরানার এই সিনেমাটি চলতি বছরের ডিসেম্বরে মুক্তি পাওয়ার কথা। ছবিটিতে রানী মুখার্জি, অভিষেক বচ্চন, সুহানা খানসহ আরও অনেক তারকা অভিনয় করছেন।</p><h3>প্রথম গর্ভাবস্থায়ও শুটিং করেছিলেন দীপিকা</h3><p>উল্লেখ্য, এর আগে নিজের প্রথম গর্ভাবস্থায়ও দীপিকা ‘সিংহাম এগেইন’ সিনেমার অ্যাকশন দৃশ্যের শুটিং করেছিলেন।</p><h2>দ্বিতীয় সন্তানের ঘোষণা</h2><p>গত ১৯ এপ্রিল দীপিকা ও রণবীর সিং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টের মাধ্যমে দ্বিতীয় সন্তানের আগমনের খবর প্রকাশ করেন। তাদের বড় মেয়ে দুয়া-র একটি ছবি শেয়ার করে তারা এই ঘোষণা দেন। মুহূর্তেই পোস্টটি ভাইরাল হয়ে যায় এবং সহকর্মী ও ভক্তদের শুভেচ্ছায় সিক্ত হন এই তারকা দম্পতি।</p><p>২০১৮ সালে ইতালিতে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া এই জুটির ঘর আলো করে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে তাদের প্রথম সন্তান দুয়ার জন্ম হয়।</p><h2>রণবীর সিংয়ের বর্তমান ব্যস্ততা</h2><p>রণবীর সিং বর্তমানে তার ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ সিনেমার সাফল্য উপভোগ করছেন। আর তার মধ্যেই পরিবারে নতুন সদস্য আসার এই খবর তারকা জুটির আনন্দকে দ্বিগুণ করে তুলেছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:57:15 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[এসএসসি পরীক্ষা ২০২৫ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, ১১ শিক্ষক অব্যাহতি]]></title>
				<category>উচ্চশিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/uccho-shikkha/article-79711.html</link>
				<description><![CDATA[<p>২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ১১ জন শিক্ষককে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, হাম ও উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। দুই বছর ধরে বন্ধ থাকা যমুনা ডিপোতে ৭৫ হাজার লিটার ডিজেল জমে আছে। বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।</p><h2>শিক্ষা ও স্বাস্থ্য</h2><p>বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য যুক্তরাজ্যের শিক্ষাবৃত্তি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। এছাড়া সংরক্ষিত নারী আসনে ৪৯ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারি ৬টি বন্ধ পাটকল চালু হচ্ছে।</p><h3>জরুরি সহায়তা ও জ্বালানি</h3><p>ঢাকা থেকে জরুরি সহায়তা ইরানে পাঠানো হচ্ছে। জুলাই নিয়ে চমকের মন্তব্য সম্পর্কে ফ্যাক্টচেক জানিয়েছে, সংকট উত্তরণে বড় পরিসরে জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রেখেছে সরকার।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 10:09:36 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[গ্রাম-শহরে লোডশেডিং সমন্বয়ের উদ্যোগ]]></title>
				<category>জ্বালানি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/jbalani/article-79710.html</link>
				<description><![CDATA[<p>গ্রাম ও শহরের মধ্যে লোডশেডিংয়ের ক্ষেত্রে সমন্বয় করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্মসচিব উম্মে রেহানা। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।</p><h2>জ্বালানি সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত</h2><p>তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে প্রয়োজনীয় জ্বালানি আমদানি করে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সরবরাহ করা যাচ্ছে না। ফলে চাহিদামতো বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৫ হাজার ৭৬৭ মেগাওয়াট, সরবরাহ হয়েছে প্রায় ১৩ হাজার মেগাওয়াট। এতে প্রায় ২ হাজার মেগাওয়াট ঘাটতি ছিল।</p><p>দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের অন্যতম প্রধান উৎস প্রাকৃতিক গ্যাসের তীব্র সংকটের কারণে পরিস্থিতি চরম চাপে রয়েছে। মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রায় ৪৩ শতাংশ আসে প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে এবং এই খাতের মোট উৎপাদন সক্ষমতা ১২ হাজার ১৫৪ মেগাওয়াটের বেশি। তবে গ্যাসের অভাবে বর্তমানে এর অর্ধেকের মতো বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।</p><h3>গ্যাস সংকটের চিত্র</h3><p>যুগ্মসচিব জানান, দেশের সব গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পূর্ণ সক্ষমতায় চালাতে দৈনিক ২ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস প্রয়োজন হলেও বর্তমানে সরবরাহ করা হচ্ছে মাত্র ৮৫০ থেকে ৯০০ মিলিয়ন ঘনফুট। ফলে সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। গতকালের হিসাবে গ্যাস থেকে উৎপাদিত হয়েছে মাত্র ৫ হাজার ২৭৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। তিনি বলেন, ১ হাজার ২০০ এমএমসিএফডি গ্যাস পাওয়া গেলে ৭ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী মূল্যে উৎপাদন সম্ভব হতো।</p><p>তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ ছাড়াও শিল্প-কারখানা এবং সার উৎপাদনের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে গ্যাস সরবরাহ বজায় রাখতে হচ্ছে, যার কারণে বিদ্যুৎ খাতে গ্যাসের বরাদ্দ বাড়ানো যাচ্ছে না।</p><h2>কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ওপর জোর</h2><p>জ্বালানি সংকট অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফার্নেস অয়েল ও ডিজেলভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয়বহুল হওয়ায় সরকার সাশ্রয়ের নীতি নিয়েছে। এ অবস্থায় দেশের ৮টি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে পূর্ণ সক্ষমতায় চালানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি বিদ্যুৎ সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রগুলো পূর্ণদমে চালু থাকলে লোডশেডিং পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।</p><h3>আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্র শিগগিরই চালু</h3><p>এদিকে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্র ২৬ এপ্রিলের মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে এবং বন্ধ থাকা ইউনিট থেকে আবার বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে বলেও জানান তিনি।</p><h2>সাশ্রয়ের আহ্বান</h2><p>সংবাদ সম্মেলনে অপ্রয়োজনে লাইট, ফ্যান ও এসি ব্যবহার না করার আহ্বান জানিয়ে উম্মে রেহানা বলেন, এসির তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রাখার জন্য সবাইকে অনুরোধ করা হচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:50:17 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[স্তাজনিয়া গুহায় মিলল ৮০ হাজার বছরের পুরোনো নিয়ানডারথাল দাঁতের ডিএনএ]]></title>
				<category>গবেষণা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/gobeshona/article-79709.html</link>
				<description><![CDATA[<p>পোল্যান্ডের স্তাজনিয়া গুহায় আবিষ্কৃত ৮০ হাজার বছরের পুরোনো আদিম মানুষ নিয়ানডারথালের একটি দাঁতের ডিএনএ বিশ্লেষণ করে নতুন তথ্য জানতে পেরেছেন ইতালি, জার্মানি, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীরা। বিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, এই নির্দিষ্ট নিয়ানডারথাল গোষ্ঠীটি জিনগতভাবে ককেশাস অঞ্চলে বসবাসকারী সমসাময়িকদের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত ছিল। অত্যাধুনিক প্যালিওজেনোমিক পদ্ধতি ব্যবহার করে নিয়ানডারথালের দাঁতের মাইটোকন্ড্রিয়াল ডিএনএ বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সায়েন্টিফিক রিপোর্টস সাময়িকীতে এই গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।</p><h2>নিয়ানডারথালদের বিচরণ ও যোগাযোগ</h2><p>আদিম মানুষ সম্পর্কে নতুন তথ্য প্রমাণ করে, ইউরেশিয়ার বিশাল ভূখণ্ডজুড়ে নিয়ানডারথালদের ব্যাপক বিচরণ ছিল এবং বিভিন্ন অঞ্চলের গোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ছিল। এই আবিষ্কারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে, এটি নিয়ানডারথালদের অভিবাসন রুট বা চলাচলের পথের ওপর আলোকপাত করেছে। বিজ্ঞানীদের মতে, ইউরোপের নিয়ানডারথালরা কোনো বিচ্ছিন্ন সম্প্রদায় ছিল না। স্তাজনিয়া গুহার বাসিন্দা এবং ককেশাস অঞ্চলের নিয়ানডারথালদের মধ্যে জিনগত সাদৃশ্য আছে।</p><h2>বরফ যুগে নিয়ানডারথালদের গতিশীলতা</h2><p>বিজ্ঞানীদের মতে, বরফ যুগে চরম প্রতিকূল আবহাওয়া থেকে রক্ষা পাওয়ার পাশাপাশি খাদ্যের সন্ধানে নিয়ানডারথালরা বারবার এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ছড়িয়ে পড়ত। এটি প্রচলিত সেই ধারণাকে ভেঙে দেয়, যেখানে মনে করা হতো, নিয়ানডারথালরা নির্দিষ্ট কোনো গুহায় সারা জীবন কাটিয়ে দিত। প্রকৃতপক্ষে তারা ছিল অত্যন্ত গতিশীল এবং অভিযোজন ক্ষমতাসম্পন্ন। স্তাজনিয়া গুহার এই তথ্যগুলো প্রমাণ করে, মানুষের বিবর্তন কোনো সরলরৈখিক পথে ঘটেনি।</p><h2>গবেষণার গুরুত্ব ও অংশগ্রহণকারী বিজ্ঞানীরা</h2><p>নতুন এই তথ্য বন্য পরিবেশে নিয়ানডারথালদের টিকে থাকার লড়াই এবং অভিবাসনের ধরন সম্পর্কেও অভূতপূর্ব তথ্য প্রদান করছে। ইতালির বোলগনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী অ্যান্ড্রিয়া পিচিন, জার্মানির ম্যাক্স প্ল্যাংক ইনিস্টিউট ফর ইভল্যুশনিকার অ্যানথ্রোপলজির বিজ্ঞানী মাতেজা হাজডিনজাকসহ যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীরা এই গবেষণায় অংশ নেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 10:14:30 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ক্যাফে লাইভের নতুন পর্বে আলোচিত অতিথি]]></title>
				<category>বিনোদন ব্যবসা</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/binodon-bebsha/article-79708.html</link>
				<description><![CDATA[<p>জনপ্রিয় টক শো 'ক্যাফে লাইভ'-এর নতুন পর্বে এসেছেন এক আলোচিত অতিথি। তিনি তার ব্যক্তিজীবন ও পেশাগত জীবনের নানা দিক নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন। অনুষ্ঠানটি ইতিমধ্যেই দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।</p><h2>অতিথির পরিচয় ও আলোচনার বিষয়</h2><p>এ পর্বের অতিথি বিনোদন জগতের এক পরিচিত মুখ। তিনি তার ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলো থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ের চ্যালেঞ্জ এবং সাফল্য নিয়ে কথা বলেছেন। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে তার কাজ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।</p><h3>ব্যক্তিগত জীবনের নানা দিক</h3><p>অতিথি তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও খোলামেলা কথা বলেছেন। পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং পেশাগত জীবনের ভারসাম্য নিয়ে তিনি তার মতামত প্রকাশ করেন। এছাড়া, মানসিক স্বাস্থ্য এবং পেশাগত চাপ মোকাবিলার কৌশল নিয়েও আলোচনা হয়েছে।</p><h3>দর্শকদের প্রশ্নোত্তর পর্ব</h3><p>অনুষ্ঠানের শেষাংশে দর্শকদের প্রশ্নের উত্তর দেন অতিথি। দর্শকরা তার কাজ, ব্যক্তিগত পছন্দ এবং ভবিষ্যৎ প্রকল্প নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। অতিথি সেগুলোর সাবলীল ও আন্তরিক উত্তর দেন।</p><p>সামগ্রিকভাবে, 'ক্যাফে লাইভ'-এর এই পর্বটি দর্শকদের জন্য একটি চমৎকার অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে। অনুষ্ঠানটি নিয়মিত দর্শকদের পাশাপাশি নতুন দর্শকদেরও আকর্ষণ করবে বলে আশা করা যায়।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:40:35 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি]]></title>
				<category>প্রাথমিক শিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/prathamik-shikkha/article-79707.html</link>
				<description><![CDATA[<p>প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫ এ চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা দ্রুত পদায়নের দাবিতে এবার সংবাদ সম্মেলন করেছেন। তারা আগামী শনিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ থেকে রাজধানীর শাহবাগে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি শুরু করার ঘোষণা দিয়েছেন।</p><h2>অনিশ্চয়তা বাড়ছে</h2><p>বুধবার এক লিখিত বিবৃতিতে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকেরা জানান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নিয়োগ বিষয়ে ভিন্নমুখী বক্তব্য আসায় তাদের মধ্যে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতে পূর্বঘোষিত ১০ দিনের আলটিমেটাম প্রত্যাহার করে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।</p><p>বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নিয়োগের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হলেও এখনো নিয়োগ ও পদায়নের বিষয়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। রাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের পুনঃতদন্ত শেষে গত ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত সুপারিশ করা হয়। পরে সুপারিশপ্রাপ্তরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেন, মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন করেন এবং অনেকে যোগদানের আশায় পূর্বের চাকরি থেকেও ইস্তফা দেন।</p><h3>পূর্বের আন্দোলন</h3><p>এর আগে দ্রুত নিয়োগের দাবিতে ২১ এপ্রিল সংবাদ সম্মেলন করেন সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকেরা। এ ছাড়া প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি জমা দিয়েছিলেন তাঁরা।</p><p>সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা দাবি করেন, দ্রুত নিয়োগ ও পদায়ন সম্পন্ন না হলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন। তারা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, যারা ইতোমধ্যে চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন, তাদের পুনর্বাসনের বিষয়টিও জরুরি।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 10:20:51 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[হামে ও উপসর্গে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু, যমুনা ডিপো বন্ধ, বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ]]></title>
				<category>ক্যান্সার</category>
				<link>https://bdgazette.com/swasthyo/cancer/article-79706.html</link>
				<description><![CDATA[<p>হাম ও উপসর্গে দেশে আরো পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ জনে। অন্যদিকে, দুই বছর ধরে বন্ধ রয়েছে যমুনা ডিপো। সেখানে পড়ে আছে ৭৫ হাজার লিটার ডিজেল। অপরদিকে, বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।</p><h2>শিক্ষামন্ত্রীর বৃত্তি বাড়ানোর আহ্বান</h2><p>বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য যুক্তরাজ্যের শিক্ষাবৃত্তি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, বর্তমান বৃত্তির সংখ্যা বাড়ানো জরুরি।</p><h2>সংরক্ষিত আসনে ৪৯ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ</h2><p>সংরক্ষিত নারী আসনে ৪৯ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী নির্বাচনে তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।</p><h2>সরকারি ৬ বন্ধ পাটকল চালু</h2><p>সরকারি মালিকানাধীন বন্ধ থাকা ছয়টি পাটকল চালু হচ্ছে। এতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।</p><h2>ইরানে জরুরি সহায়তা</h2><p>ঢাকা থেকে ইরানে জরুরি সহায়তা পাঠানো হচ্ছে। ইরানের সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে এই সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p><h2>জুলাই নিয়ে চমকের মন্তব্য</h2><p>জুলাই মাস নিয়ে চমকের মন্তব্য সম্পর্কে ফ্যাক্টচেক জানিয়েছে, এ বিষয়ে সঠিক তথ্য নেই।</p><h2>জ্বালানি আমদানি অব্যাহত</h2><p>সংকট উত্তরণে বড় পরিসরে জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রেখেছে সরকার। এতে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে বলে আশা করা যাচ্ছে।</p><h2>শান্তর সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৬৫</h2><p>শান্তর সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ২৬৫ রান। ক্রিকেট মাঠে এই অর্জন দলকে এগিয়ে নিয়ে গেছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:41:08 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[জওয়ান ২-এর খলনায়ক হতে পারেন দক্ষিণী সুপারস্টার]]></title>
				<category>সিনেমা</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/cinema/article-79705.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের ব্লকবাস্টার সিনেমা 'জওয়ান'-এর সিক্যুয়েল নিয়ে বি টাউনে উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। তবে সিনেমার গল্পের চেয়েও বড় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে এর খলনায়ক চরিত্রটি। প্রথম কিস্তিতে বিজয় সেতুপতির 'কালি' চরিত্রটি দর্শকের মনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। এবার সেই জায়গা নিতে পারেন দক্ষিণ ভারতের কোনো প্রভাবশালী সুপারস্টার—এমন গুঞ্জনই এখন চারদিকে।</p><h2>সম্ভাব্য খলনায়কদের তালিকা</h2><p>ইন্ডাস্ট্রির একাধিক সূত্রের বরাতে, এই তালিকায় বেশ কিছু হেভিওয়েট নাম শোনা যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো দক্ষিণের তারকা অভিনেতা অজিত কুমার। প্রথম কিস্তির সময়ও তার নাম শোনা গিয়েছিল। পর্দায় অজিতের অনবদ্য উপস্থিতি এবং 'মাস' ইমেজ খলনায়ক হিসেবে দারুণ মানানসই হলেও, ভক্তদের একাংশ তাকে এই ভূমিকায় দেখতে নারাজ।</p><p>এই চরিত্রে চিয়ান বিক্রম, সুরিয়া ও কার্তির নামও উঠে এসেছে। শক্তিশালী অভিনয়ের জন্য পরিচিত এই তিন তারকাও আছেন পছন্দের শীর্ষে। নেতিবাচক চরিত্রে ভিন্ন মাত্রা যোগ করার ক্ষমতা তাদের প্রত্যেকেরই রয়েছে। এছাড়া খল চরিত্রে সাম্প্রতিক সাফল্যের পর আর. মাধবনের নাম এলেও শাহরুখের বিপরীতে তাকে কতটা মানাবে তা নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন। অন্যদিকে 'কাল্কি ২৮৯৮ এডি'-তে খলচরিত্রে অভিনয়ের পর কমল হাসানকে নিয়ে নতুন করে চমক পাওয়ার সম্ভাবনাও কম বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।</p><h3>বিতর্ক ও বিশ্লেষণ</h3><p>তবে আলোচনার পাশাপাশি এক্ষেত্রে একটি বড় বিতর্কও দানা বাঁধছে। কেন দক্ষিণ ভারতের একজন প্রথম সারির সুপারস্টার অন্য কারো সিনেমায় খলনায়কের ভূমিকা গ্রহণ করবেন? বিশেষ করে যখন তাদের প্রত্যেকের নিজস্ব প্যান-ইন্ডিয়া ক্যারিয়ার তুঙ্গে। সমালোচকরা এক্ষেত্রে হৃতিক রোশনের 'ওয়ার ২' সিনেমায় জুনিয়র এনটিআর-এর নেতিবাচক ভূমিকার উদাহরণ টানছেন। বড় তারকা হয়েও খলচরিত্রে অভিনয় করে তিনি যেমন সমালোচনার মুখে পড়েছেন, তেমনি প্রাপ্তির খাতা ছিল প্রায় শূন্য। সেই একই পরিণতির আশঙ্কায় অনেক অনুরাগীই চাইছেন না তাদের প্রিয় তারকা বলিউড বাদশাহর বিপরীতে 'সেকেন্ড ফিডল' বা দ্বিতীয় প্রধান হিসেবে অভিনয় করুক।</p><p>বর্তমানে দক্ষিণী তারকাদের নিজস্ব বাজার ও পরিচিতি পুরো ভারতজুড়ে প্রতিষ্ঠিত। এই অবস্থায় শাহরুখ খানের মতো একজন সিনিয়র তারকার বিপরীতে ভিলেন হওয়াটা তাদের ক্যারিয়ারের জন্য কতটা লাভজনক হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন চলচ্চিত্র বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, যখন প্রত্যেকে নিজের কাঁধে বড় বাজেটের প্রজেক্ট টেনে নেওয়ার সক্ষমতা রাখেন, তখন এমন সিদ্ধান্ত হিতে বিপরীত হতে পারে।</p><p>'জওয়ান ২' শেষ পর্যন্ত দক্ষিণী কোনো জনপ্রিয় তারকাকে খলনায়ক হিসেবে পর্দায় আনতে পারে কিনা, নাকি নতুন কোনো চমক অপেক্ষা করছে—সেদিকেই এখন নজর সবার।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 10:08:28 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব পদে প্রতিদ্বন্দ্বীদের যুক্তি উপস্থাপন]]></title>
				<category>জাতিসংঘ</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/jatishongho/article-79704.html</link>
				<description><![CDATA[<p>জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীরা এই সপ্তাহে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সংস্থাটির আরও সক্রিয় ভূমিকার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেছেন, তবে সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে বিরক্ত করতে পারে এমন অবস্থান এড়িয়ে গেছেন। চিলির মিশেল বাশলে, আর্জেন্টিনার রাফায়েল গ্রোসি, কোস্টা রিকার রেবেকা গ্রিনস্প্যান এবং সেনেগালের ম্যাকি সল—সবাই ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি অ্যান্টোনিও গুতেরেসের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার আশা করছেন, যখন তার দ্বিতীয় পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হবে।</p><h2>ইন্টারেক্টিভ সংলাপে অংশগ্রহণ</h2><p>প্রতিটি প্রার্থী এই সপ্তাহে তিন ঘণ্টা করে ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্র এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে বিস্তৃত প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। তবে, ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের রিচার্ড গোয়ান এএফপিকে বলেন, “অনেক কূটনীতিক শুনানির ব্যাপারে কিছুটা নিন্দুক। ব্যাপক সন্দেহ রয়েছে যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং নিরাপত্তা পরিষদের অন্যান্য ভেটো ক্ষমতাধর দেশ ব্যক্তিগতভাবে একজন বিজয়ী নির্বাচন করবে এবং এই প্রক্রিয়ায় সাধারণ পরিষদের ভূমিকা ন্যূনতম করবে।”</p><h3>নির্বাচন প্রক্রিয়া</h3><p>প্রশ্নোত্তর অধিবেশন, যাকে ‘ইন্টারেক্টিভ ডায়ালগ’ বলা হয়, ২০১৬ সালে চালু হয়। সাধারণ পরিষদ, যেখানে প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্রের আসন রয়েছে, নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশের ভিত্তিতে মহাসচিব নির্বাচিত করতে পারে, যেখানে পাঁচ স্থায়ী সদস্য—মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া, ব্রিটেন এবং ফ্রান্স—ভেটো ক্ষমতা রাখে।</p><h2>প্রার্থীদের বক্তব্য</h2><p>গোয়ানের মতে, প্রার্থীদের বেশিরভাগ বক্তব্য ছিল “সূত্রধর্মী,” তবে তারা কিছু “গুরুত্বপূর্ণ বার্তা” পাঠিয়েছেন। তিনি বলেন, গ্রোসি “আজকে জাতিসংঘ কতটা ভঙ্গুর” তা জোর দিয়ে বলেছেন এবং সংস্কারের বিষয়ে গুতেরেসের চেয়ে বেশি “মৌলবাদী” হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। সব প্রার্থীই আর্থিক ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে থাকা জাতিসংঘের প্রতি আস্থা পুনরুদ্ধারের জরুরি প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে এতটা সশস্ত্র সংঘাতের মুখোমুখি বিশ্বে সংস্থাটির প্রাসঙ্গিকতাও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।</p><h3>মাঠ পর্যায়ে উপস্থিতি</h3><p>চিলির বাশলে, যিনি সাবেক জাতিসংঘ মানবাধিকার প্রধান, বলেছেন যে মহাসচিবের যেখানেই সমস্যা সমাধানের প্রয়োজন সেখানেই “মাঠে শারীরিকভাবে উপস্থিত” থাকা উচিত—একই অবস্থান নিয়েছেন গ্রোসিও। সেনেগালের সাবেক প্রেসিডেন্ট সল একটি “পুনর্বিন্যস্ত ভূমিকা” প্রস্তাব করেছেন যাতে জাতিসংঘ “বৈশ্বিক টেবিলে তার স্থান পুনরুদ্ধার” করতে পারে।</p><h2>গুতেরেসের সমালোচনা</h2><p>কেউ কেউ গুতেরেসের সমালোচনা করেছেন ইউক্রেন বা মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে প্রভাব বিস্তারে ব্যর্থতার জন্য। গ্রিনস্প্যান বলেছেন, পরবর্তী মহাসচিবের “ঝুঁকি নেওয়া প্রয়োজন” এবং তিনি আক্ষেপ করে বলেন, “আমরা একটি ঝুঁকি-রক্ষণশীল সংস্থায় পরিণত হয়েছি।” গ্রিনস্প্যান, যিনি জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থার প্রধান হিসেবে ২০২২ সালের রাশিয়ার আক্রমণের পর ইউক্রেনের শস্য রপ্তানি সহজতর করে এমন একটি চুক্তি আলোচনা করেছিলেন, আরও যোগ করেন, “জাতিসংঘ তখনই ব্যর্থ হয় যখন আমরা চেষ্টা করি না, আমাদের চেষ্টা করতে হবে।”</p><h3>শান্তি, মানবাধিকার ও উন্নয়ন</h3><p>প্রার্থীরা শান্তি, মানবাধিকার এবং উন্নয়নের তিন স্তম্ভের মধ্যে সংযোগ স্বীকার করেছেন, পাশাপাশি প্রথম নীতিটি সমুন্নত রাখতে সংস্থাটির প্রাথমিক ভূমিকার ওপর জোর দিয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতিসংঘকে তার “মূল মিশন” অর্থাৎ শান্তিতে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।</p><h2>নির্দিষ্ট সংঘাত এড়ানো</h2><p>খুব কম প্রশ্ন নির্দিষ্ট সংঘাতের ওপর কেন্দ্রীভূত ছিল এবং প্রার্থীরা মূলত কংক্রিট উত্তর দেওয়া থেকে বিরত থেকে জাতিসংঘ সনদের প্রতি অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করেছেন। তবে, গাজা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে গ্রিনস্প্যান মানবিক সহায়তার “অবাধ” প্রবেশের আহ্বান জানান এবং দুটি রাষ্ট্রের পাশাপাশি “শান্তি ও নিরাপত্তায়” বসবাসের দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের জন্য সমর্থন প্রকাশ করেন। সল ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের “মানবিক ট্র্যাজেডি” তুলে ধরেন।</p><h2>চূড়ান্ত নির্বাচন</h2><p>প্রার্থীদের অতীত অবস্থান এবং পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে চূড়ান্ত নির্বাচনকে প্রভাবিত করবে। রিপাবলিকান আইনপ্রণেতারা ইতিমধ্যে ওয়াশিংটনকে বাশলে ব্লক করার আহ্বান জানিয়েছেন তার গর্ভপাতের অধিকার রক্ষার কারণে। গ্রোসি, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার বর্তমান প্রধান, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির প্রতিক্রিয়ার মতো সংবেদনশীল বিষয়গুলোর সাথে জড়িত। নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য তাদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে নীরব রয়েছেন এবং জাতিসংঘের প্রধানের জন্য অন্যান্য প্রার্থী এখনও আবির্ভূত হতে পারেন। গোয়ান বলেন, “আমার মনে হয় এখনও বেশ কয়েকজন প্রার্থী ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং দেখছেন কিভাবে পরিস্থিতি এগোয়” তাদের প্রার্থিতা ঘোষণার আগে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 10:12:45 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[শ্রীকান্ত আচার্যের ঢাকা সফর: দুই বাংলার সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনে নতুন আশা]]></title>
				<category>সঙ্গীত</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/shongit/article-79703.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ঢাকা সবসময়ই তাঁর কাছে টানে, আর সেই টান যে প্রাণের—তা আবারও প্রমাণিত হলো। পহেলা বৈশাখ ও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত ‘বাঁধন আছে প্রাণে প্রাণে’ সংগীত সন্ধ্যায় অংশ নিয়ে নিজের মুগ্ধতা এভাবেই প্রকাশ করলেন ওপার বাংলার জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী শ্রীকান্ত আচার্য। অনুষ্ঠানের রেশ কাটতে না কাটতেই গতকাল ২২ এপ্রিল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের প্রতিক্রিয়ায় তিনি একে অভিহিত করেছেন এক অনন্য ‘সুখস্মৃতি’ হিসেবে।</p><h2>অনুষ্ঠানের বিবরণ</h2><p>গত ১৭ ও ১৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে গুলশানের ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টার (IGCC) প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শ্রীকান্ত আচার্যের সঙ্গী হয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রথিতযশা শিল্পী অদিতি মহসিন। নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে শ্রীকান্ত আচার্য লিখেছেন, “বাংলাদেশ তথা এই উপমহাদেশের অন্যতম সেরা শিল্পী অদিতি মহসিন আমার দীর্ঘদিনের বন্ধু। আমাদের দ্বৈত ও একক গানের মধ্য দিয়ে দুই বাংলার সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন আমি আরও একবার গভীরভাবে অনুভব করলাম।”</p><h2>রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট</h2><p>সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও গণভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের শীতলতার প্রভাব সরাসরি পড়েছিল সাংস্কৃতিক অঙ্গনে। দীর্ঘদিন কোনো ভারতীয় শিল্পী বাংলাদেশে পারফর্ম করতে আসেননি। অন্যদিকে, মব সংস্কৃতির কবলে পড়ে দেশের অভ্যন্তরীণ সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলেও তৈরি হয়েছে গভীর ক্ষত। একের পর এক কনসার্ট বন্ধ করে দেওয়া, বাউল ও লোকজ শিল্পীদের ওপর হামলা এবং শিল্পকলা একাডেমির মতো জায়গায় নাটক প্রদর্শনী বন্ধ করে দেওয়ার মতো ঘটনায় শিল্পীদের মধ্যে এক ধরণের আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা ছড়িয়ে পড়েছিল।</p><h3>পূর্ববর্তী ঘটনা</h3><p>গত ডিসেম্বরে ওস্তাদ রশিদ খানের পুত্র আরমান খান বাংলাদেশে আসার কথা থাকলেও এই অস্থিতিশীল পরিবেশের কারণে সফর বাতিল করেন। একইভাবে ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রগুলোর কড়াকড়ির কারণে বাংলাদেশের শিল্পীদের ওপারে যাতায়াতও কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছিল। দুই বাংলার আকাশে সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনের ক্ষেত্রে যে এমন গুমোট মেঘ জমেছিল, প্রথিতযশা শ্রীকান্ত আচার্যের উপস্থিতিতে কি তবে সেই মেঘ কাটতে শুরু করেছে—এমন প্রশ্ন এখন জোরালো হচ্ছে।</p><h2>উপস্থিত বিশিষ্টজনেরা</h2><p>আয়োজনটিতে কেবল সংগীত নয়, বরং সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের উপস্থিতি বিষয়টিকে ভিন্ন রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মাত্রা দিয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহাদি আমিন, অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নাসির উদ্দিন ইউসুফ ভারতীয় হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা এবং এইচএসবিসি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী মো. মাহবুব উর রহমানসহ দেশের বিশিষ্টজনেরা।</p><h3>হাই কমিশনারের বক্তব্য</h3><p>হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা তাঁর বক্তব্যে বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বন্ধন জাতীয় সীমানার চেয়েও প্রাচীন ও গভীর। একই মঞ্চে দুই দেশের দুই নক্ষত্রের উপস্থিতি সেই পারস্পরিক আস্থা ও শ্রদ্ধারই প্রতীক। শ্রীকান্ত আচার্য তাঁর প্রতিক্রিয়ায় জানান, আয়োজকদের বক্তব্যেও বাংলা সংস্কৃতির মানবিকতা আর বিশ্বজনীনতার কথা উঠে এসেছে যা তাঁকে স্পর্শ করেছে।</p><h2>ভবিষ্যতের প্রত্যাশা</h2><p>শিল্পীদের অবাধ যাতায়াত ও ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা কাটিয়ে আবারও দুই বাংলা সুরের সুতোয় বাঁধা পড়বে—এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে এখন সেই প্রত্যাশাই দেখছেন সংস্কৃতি সংশ্লিষ্টরা। শ্রীকান্ত আচার্যের এই সফর দুই বাংলার সাংস্কৃতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে আরও শিল্পী বিনিময় ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতার পথ প্রশস্ত করতে পারে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 10:00:54 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ফরিদপুর ও শেরপুরে নতুন ডিসি নিয়োগ]]></title>
				<category>আইন বিভাগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/ain-bibhag/article-79702.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ফরিদপুর ও শেরপুর জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।</p><h2>ফরিদপুরের নতুন ডিসি</h2><p>ফরিদপুর জেলার নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন কামরুল হাসান। তিনি এর আগে বিভিন্ন জেলায় দায়িত্ব পালন করেছেন। তার নিয়োগে ফরিদপুরের প্রশাসনিক কাজে গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p><h3>শেরপুরের নতুন ডিসি</h3><p>শেরপুর জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন তরফদার মো. আক্তার জামিল। তিনি একজন অভিজ্ঞ প্রশাসক হিসেবে পরিচিত। তার নেতৃত্বে শেরপুরের উন্নয়ন কার্যক্রম আরও জোরদার হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।</p><p>নতুন ডিসিদের নিয়োগ দিয়ে সরকার প্রশাসনে গতিশীলতা আনার চেষ্টা করছে। তারা দ্রুত দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:43:17 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[মুক্তির আগেই ২৫০ কোটি আয় করল শাহরুখের ‘কিং’]]></title>
				<category>সিনেমা</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/cinema/article-79701.html</link>
				<description><![CDATA[<p>শাহরুখ খানের সিনেমা মুক্তির আগেই আয়—এটা নতুন নয়, কিন্তু এবার বিষয়টা অন্য মাত্রা পেল। শাহরুখ খান অভিনীত সিদ্ধার্থ আনন্দের ‘কিং’ মুক্তির আগেই প্রায় ২৫০ কোটি রুপি আয় করে ফেলেছে, যা একে বছরের সবচেয়ে বড় প্রি-রিলিজ সাফল্যগুলোর একটি করে তুলেছে।</p><h2>মুক্তির আগেই ‘হিট’ হওয়ার গল্প</h2><p>পরিচালক সিদ্ধার্থ আনন্দের এই বহুল প্রতীক্ষিত ছবিটি এখনো প্রেক্ষাগৃহে আসেনি, কিন্তু ব্যবসায়িক দিক থেকে ইতিমধ্যে শক্ত অবস্থান তৈরি করে ফেলেছে। জানা গেছে, ভারতের ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি পেন মারুধর ছবিটির অল-ইন্ডিয়া থিয়েট্রিক্যাল রাইটস কিনেছে প্রায় ২৫০ কোটি রুপিতে।</p><p>ছবির মোট বাজেট ধরা হচ্ছে প্রায় ৪০০ কোটি রুপি। অর্থাৎ মুক্তির আগেই বাজেটের অর্ধেকের বেশি উঠে এসেছে। এ ধরনের বড় ডিল সাধারণত শুধু সুপারস্টার-কেন্দ্রিক প্রজেক্টেই দেখা যায় আর এখানে সেই সুপারস্টার হলেন শাহরুখ খান।</p><h2>শাহরুখ ফ্যাক্টর</h2><p>এই বিশাল চুক্তির পেছনে শুধু গল্প বা নির্মাণ নয়, বড় ভূমিকা রেখেছে শাহরুখের ব্র্যান্ড ভ্যালু। তাঁর প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্টের সঙ্গে পেন মারুধরের দীর্ঘ সম্পর্ক রয়েছে। আগে তারা ‘জওয়ান’, ‘ডানকি’, ‘জিরো’, ‘বদলা’ ইত্যাদি সিনেমা মুক্তি দিয়েছে।</p><p>এ ধারাবাহিক সাফল্য ডিস্ট্রিবিউটরদের মধ্যে আস্থা তৈরি করেছে, ফলে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করতে তারা দ্বিধা করছে না। এমনকি যশ রাজ ফিল্মস বা ধর্মা প্রোডাকশনসের মতো বড় ব্যানারও এ ছবির রাইটস পেতে আগ্রহ দেখিয়েছিল।</p><h2>গল্প, তারকা আর দুই টাইমলাইনের চমক</h2><p>‘কিং’ শুধু ব্যবসায়িক দিক থেকে নয়, গল্প ও কাস্টিংয়েও আগ্রহ তৈরি করেছে। ছবিতে একজন মেন্টর ও তার শিষ্যের লড়াইয়ের গল্প দেখানো হবে, যেখানে দুই ভিন্ন টাইমলাইনে একই চরিত্রে দেখা যাবে শাহরুখকে—তরুণ ও পরিণত দুই বয়সে।</p><p>ছবিতে শাহরুখের সঙ্গে রয়েছেন দীপিকা পাড়ুকোন, রানী মুখার্জি, অভিষেক বচ্চন, অনিল কাপুর ও আরশাদ ওয়ার্সি। সবচেয়ে বড় চমক—এ ছবির মাধ্যমেই বড় পর্দায় অভিষেক হচ্ছে শাহরুখ-কন্যা সুহানা খানের, যিনি এর আগে ‘দ্য আর্চিজ’ দিয়ে ওটিটিতে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন।</p><h2>বড়দিনে বড় লড়াই</h2><p>২০২৬ সালের ২৪ ডিসেম্বর মুক্তির পরিকল্পনা করা হয়েছে ছবিটির। তবে সময়টা সহজ নয়—একই সময়ে হলিউডের বড় বাজেটের ছবি, যেমন ‘জুমানজি’, ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’, ‘ডুন ৩’ মুক্তির কথা রয়েছে। ফলে বক্স অফিসে প্রতিযোগিতা হবে তীব্র।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:51:46 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[দুই বছর বন্ধ যমুনা ডিপো, পড়ে আছে ৭৫ হাজার লিটার ডিজেল]]></title>
				<category>জ্বালানি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/jbalani/article-79700.html</link>
				<description><![CDATA[<p>দুই বছর ধরে বন্ধ যমুনা ডিপো, পড়ে আছে ৭৫ হাজার লিটার ডিজেল। বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ থাকায় দেশজুড়ে লোডশেডিং বাড়ছে। ইতিমধ্যে লোডশেডিং ৪ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে, যার ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।</p><h2>জ্বালানি সংকট ও আমদানি</h2><p>সরকার সংকট উত্তরণে বড় পরিসরে জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রেখেছে। ঢাকা থেকে ইরানে জরুরি সহায়তা পাঠানো হচ্ছে। জুলাই নিয়ে চমকের মন্তব্য সম্পর্কে ফ্যাক্টচেক জানিয়েছে ভিন্ন তথ্য।</p><h3>শিক্ষা ও অন্যান্য খবর</h3><p>বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য যুক্তরাজ্যের শিক্ষাবৃত্তি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। সংরক্ষিত নারী আসনে ৪৯ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। চালু হচ্ছে সরকারি ৬ বন্ধ পাটকল। অন্যদিকে, শান্তর সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ ২৬৫ রান সংগ্রহ করেছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 10:18:32 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ঢাবির সিন্ডিকেট সদস্য হলেন অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান]]></title>
				<category>উচ্চশিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/uccho-shikkha/article-79699.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খানকে বিশ্ববিদ্যালয়টির সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর কর্তৃক তাকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p><h2>নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যাপক</h2><p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩ এর ২৩(১)(এফ) ও ২৩(৩) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খানকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের অবশিষ্ট কার্যকালের জন্য সদস্য হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হলো। তিনি ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফের পরিবর্তে এই দায়িত্ব পালন করবেন।</p><h3>পূর্ববর্তী নিয়োগ ও মেয়াদ</h3><p>২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর দুই বছরের জন্য মনোনীত সিন্ডিকেট সদস্যদের মধ্যে অধ্যাপক আবু ইউসুফ ছিলেন। তার পরিবর্তে এখন অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান দায়িত্ব পেলেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো. সুলতান আহমেদ স্বাক্ষরিত এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।</p><p>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী সংস্থাগুলোর একটি। নতুন সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও শিক্ষাসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশ নেবেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:34:07 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ডিজেল সংকটে বোরো খেতে হিমশিম খাচ্ছেন কৃষক]]></title>
				<category>জ্বালানি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/jbalani/article-79698.html</link>
				<description><![CDATA[<p>মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের অভিঘাতে বিশ্বের উত্তাল তেলবাজারের ঢেউ এখন বাংলাদেশের কৃষকের বোরো খেতে এসে পড়েছে। এপ্রিলের এই প্রচণ্ড খরা ও গরমে দিনরাত সেচযন্ত্রগুলো চালু রাখা দরকার। ১৬ লাখের অধিক সেচযন্ত্রের প্রায় ১৩ লাখই চলে ডিজেলে। লোডশেডিংয়ের কারণে বিদ্যুচ্চালিত পাম্পের সঙ্গে ইঞ্জিনও রাখতে হয়। সেচপাম্পের মালিকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে অপেক্ষা করেও পর্যাপ্ত তেল পাওয়া দুষ্কর। এর মধ্যেই আবার অন্যান্য জ্বালানি তেলের সঙ্গে ডিজেলের দামও লিটারে ১৫ টাকা বাড়িয়ে মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। এর পেছনে যুক্তি যা–ই থাকুক না কেন, এই মুহূর্তে ডিজেল সরবরাহ–সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির ফলে চলমান বোরো উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।</p><h2>ডিজেলের গুরুত্ব ও বর্তমান পরিস্থিতি</h2><p>সরকারি হিসাবমতে, দেশে ৫৩ লাখ হেক্টর জমির অর্ধেকের বেশি সেচ হয় ১৪ লাখ শ্যালো মেশিনে এবং এক–চতুর্থাংশ দুই লাখ লো লিফট পাম্প দিয়ে। শ্যালো মেশিনের তিন–চতুর্থাংশ এবং লো লিফট পাম্পের বেশির ভাগ চলে ডিজেল দিয়ে। অন্যভাবে বললে, দেশের মোট সেচের আওতাধীন জমির প্রায় ৬০ শতাংশ সেচ হয় ডিজেল দিয়ে।</p><p>এমন অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে ডিজেলের গুরুত্ব কতটা, তা সহজেই বোঝা যায়। দুটি ক্ষেত্রে এটি খুবই প্রাসঙ্গিক। প্রথমত, হাওরের নিম্নাংশের বোরো ধান পরিপক্বতার পর্যায়ে বিধায় সেচের প্রয়োজনীয়তা অতটা হয়তো নেই। তবু যেসব এলাকায় নামিতে বোরো লাগানো হয়েছে, সেখানে ধান এখন পুষ্টতা বা গ্রেইন ফিলিং পর্যায়ে। একটু ওপরের দিকের হাওর এলাকায় ধানের থোড় বের হয়ে পুষ্টতার দিকে যাচ্ছে। কিন্তু সময়টা এখন খুব স্পর্শকাতর। সারা দেশে সেচের প্রয়োজন পুরো মে মাস চলবে। পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হলে সেচের সময় আরও বাড়তে পারে। কাজেই ডিজেল নিয়ে কৃষকের অস্বস্তি থাকছেই।</p><h2>মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব</h2><p>প্রথমত, লিটারে ১৫ টাকা করে মূল্যবৃদ্ধির ফলে কৃষিতে ব্যবহৃত প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টন ডিজেল বাবদ কৃষকের পকেট থেকে বাড়তি প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা বের হয়ে যাবে। এটি কৃষকের বড় বিনিয়োগ ধাক্কা। প্রতিটি সেচপাম্পের মালিককে আগামী এক মাসে সেচযন্ত্র চালনা বাবদ তিন থেকে চার হাজার টাকা বাড়তি খরচ করতে হবে। তাঁরা কৃষকদের কাছে পুরো সেচ মৌসুম সেচপানি সরবরাহ করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। ব্যর্থ হলে আস্থার সংকট তৈরি হবে।</p><h2>দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা ও সরবরাহ সংকট</h2><p>দ্বিতীয়ত, ডিজেলের জন্য দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা, দিন শেষে কম তেল পাওয়া বা না পাওয়া। এতে ব্যয়বহুল বোরো আবাদে কৃষকের উৎসাহে ভাটা পড়বে; কারণ, ধানের দামে খরচ ওঠে না। এ ছাড়া খরার সময় সেচ, সার ও কীটনাশকের ব্যবহার কম হতে পারে।</p><h2>সেচ ফি বৃদ্ধির আশঙ্কা</h2><p>তৃতীয়ত, সেচপাম্পের মালিকেরা প্রত্যেক কৃষকের কাছ থেকে সেচপানির জন্য নির্ধারিত ফির চেয়ে বেশি ফি চাইতে পারেন। তাতে বোরো আবাদের খরচ এমনিতেই বেশি, এরপর সেচ বাবদ বাড়তি খরচ হলে কৃষকের আয় আগের চেয়ে কমে যাবে। এটিও টেকসই কৃষি আবাদের জন্য বড় ধাক্কা।</p><h2>ফলন কমার শঙ্কা</h2><p>চতুর্থত, সেচসংকটের কারণে এবার ফলন কম হতে পারে। সময়মতো পানি না পাওয়ার কারণে কৃষক অন্যান্য উপকরণ যেমন সার, ওষুধ, নিড়ানি ইত্যাদি প্রয়োগেও আগ্রহ হারাবেন। এর ফলে এবার নিম্ন ফলনের কারণে বোরো উৎপাদন কমে যেতে পারে, যা দেশের খাদ্যনিরাপত্তার জন্য চিন্তার বিষয়।</p><h2>করণীয় কী</h2><p>এরই পরিপ্রেক্ষিতে করণীয় কী, তা ভাবনার বিষয়। কয়েকটি বিষয় বিবেচনা করা যেতে পারে। প্রথমত, পৌনে দুই কোটি কৃষকের সবার জন্য ডিজেল নয়, সেচের ডিজেল সরবরাহ করতে হবে কেবল ১৬ লাখ পাম্পমালিকের জন্য। তাঁদের তালিকা বিএডিসি ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কাছে আছে। তাঁদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে ডিজেল কার্ড চালু করা যেতে পারে। দ্বিতীয়ত, বর্তমান বোরো ধানের আবাদ রক্ষার জন্য জরুরি ভিত্তিতে একেবারে অপরিহার্য নয়—এমন সরকারি পরিবহন খাত থেকে আগামী এক মাস অর্থাৎ মে মাস পর্যন্ত কিছু ডিজেল স্থানান্তরিত করে কৃষকদের কাছাকাছি পাম্পগুলোয় সরবরাহ বাড়ানো যায়। তৃতীয়ত, এর জন্য শক্ত তদারকি বা মনিটরিং ব্যবস্থাও থাকতে হবে, যাতে উদ্দিষ্ট পাম্পমালিকের কাছে জরুরি ডিজেল পৌঁছায়।</p><p>এসব করতে করতে হয়তো বোরো মৌসুম চলে যাবে। কিন্তু এক মাঘে শীত যায় না। কৃষকের ডিজেলসংকট উত্তরণে এখন থেকেই কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে আগামী আমন মৌসুমে একই সমস্যায় পড়তে হতে পারে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:56:25 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বাংলাদেশের নতুন শিক্ষানীতি ঘোষণা]]></title>
				<category>উচ্চশিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/uccho-shikkha/article-79697.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশ সরকার নতুন শিক্ষানীতি ঘোষণা করেছে, যা দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনবে। এই নীতির আওতায় প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা স্তরে সংস্কার করা হবে। বিশেষ করে কারিগরি ও ডিজিটাল শিক্ষার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতের চাকরির বাজারের জন্য প্রস্তুত হতে পারে।</p><h2>নতুন শিক্ষানীতির মূল বৈশিষ্ট্য</h2><p>নতুন শিক্ষানীতির কয়েকটি মূল বৈশিষ্ট্য হলো: প্রথমত, প্রাথমিক শিক্ষায় বয়সসীমা নির্ধারণ এবং পাঠ্যক্রমের আধুনিকায়ন। দ্বিতীয়ত, মাধ্যমিক স্তরে বিজ্ঞান, বাণিজ্য ও মানবিক বিভাগের পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষার ওপর জোর দেওয়া। তৃতীয়ত, উচ্চশিক্ষায় গবেষণা ও উদ্ভাবনের জন্য বিশেষ বৃত্তি চালু করা।</p><h3>কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণ</h3><p>নীতিতে কারিগরি শিক্ষার প্রসারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন এবং শিল্প প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া ডিজিটাল শিক্ষার জন্য অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এবং ই-লার্নিং কোর্স চালু করা হবে।</p><h3>শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও মূল্যায়ন</h3><p>শিক্ষকদের দক্ষতা বাড়াতে নতুন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করা হবে। শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আনা হবে, যেখানে শুধু পরীক্ষার ফলাফলের পরিবর্তে দক্ষতা ও সৃজনশীলতার ওপর জোর দেওয়া হবে।</p><h2>বাস্তবায়ন চ্যালেঞ্জ</h2><p>নতুন শিক্ষানীতি বাস্তবায়নে কিছু চ্যালেঞ্জ থাকতে পারে। যেমন: পর্যাপ্ত তহবিলের অভাব, অবকাঠামোর ঘাটতি এবং প্রশিক্ষিত শিক্ষকের সংখ্যা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা। তবে সরকার এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছে।</p><p>সামগ্রিকভাবে, এই শিক্ষানীতি বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও যুগোপযোগী করে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 10:17:07 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ স্থগিতের আইনি নোটিশ]]></title>
				<category>বৃত্তি</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/britti/article-79696.html</link>
				<description><![CDATA[<p>প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ স্থগিত রাখতে সরকার সংশ্লিষ্টদের আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালককে এ নোটিশ পাঠানো হয়।</p><p>জনস্বার্থে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) মানবাধিকার সংগঠন ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির (পল্লব) এবং ব্যারিস্টার মোহাম্মদ কাওছার এ নোটিশ পাঠান।</p><h2>বৈষম্যমূলক দফা বাতিলের দাবি</h2><p>নোটিশদাতারা বলেন, প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নীতিমালা, ২০২৬ অনুযায়ী সরকারি এবং বেসরকারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৈষম্যমূলক দফা বাতিল করে সব অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর মেধা ভিত্তিক সমান সুযোগ নিশ্চিতের অনুরোধ করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন।</p><p>নোটিশে বলা হয়েছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রণীত ‘প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নীতিমালা ২০২৬’-এর মাধ্যমে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের মেধা মূল্যায়নের জন্য একটি নতুন কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে। সেখানে ৮০ শতাংশ বৃত্তি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এবং ২০ শতাংশ বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা একটি জাতীয় মেধা ভিত্তিক পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক বৈষম্য সৃষ্টি করে।</p><h3>পৃথক প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা</h3><p>একই সঙ্গে নীতিমালার দফা ৮.৬ অনুযায়ী সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পৃথকভাবে প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ফলে একক মেধাভিত্তিক মূল্যায়ন ব্যবস্থা বিলুপ্ত হয়েছে। এ ধরনের বিধান সংবিধানের সমতা ও বৈষম্যবিরোধী নীতির পরিপন্থী।</p><p>নীতিমালার ৮.১.১, ৮.৩.১ দফায় প্রবর্তিত ৮০:২০ প্রাতিষ্ঠানিক কোটা এবং পৃথক প্রতিযোগিতা কাঠামো সংবিধানের সমতার নীতির সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। যেকোনো শ্রেণিবিভাজন অবশ্যই যৌক্তিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হতে হবে। সেই বিভাজনের সঙ্গে শ্রেণিকরণের যুক্তিসঙ্গত সম্পর্ক থাকতে হবে।</p><p>বর্তমান নীতিমালায় প্রতিষ্ঠানের ধরনের (সরকারি এবং বেসরকারি) ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পাওয়ার ক্ষেত্রে যে বিভাজন করা হয়েছে তা অযৌক্তিক, বৈষম্যমূলক ও স্বেচ্ছাচারী। সংবিধান এ ধরনের স্বেচ্ছাচারী বিভাজন সমর্থন করে না।</p><h2>উপবৃত্তি কর্মসূচির কথা উল্লেখ</h2><p>এছাড়াও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারিভাবে ইতোমধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি কার্যক্রমের মাধ্যমে দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের সহায়তার জন্য পৃথক কর্মসূচি চলমান রয়েছে। কাজেই মেধাভিত্তিক বৃত্তি পরীক্ষায় পুনরায় প্রাতিষ্ঠানিক কোটা আরোপ অযৌক্তিক ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ।</p><p>২০২৬ সালে প্রণীত নীতিমালার অধীনে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হলে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণকারীরা অন্যায্যভাবে বৈষম্যের শিকার হবে। ফলে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মনোজগতে রাষ্ট্র ব্যবস্থার নৈতিক ভিত্তির ওপর নেতিবাচক এবং বিরূপ ধারণা তৈরি হবে।</p><h3>আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি</h3><p>উপরোক্ত বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ স্থগিত রাখা, নীতিমালার ৮.১.১, ৮.৩.১ এবং ৮.৬ দফা পুনর্বিবেচনা করা এবং সকল শিক্ষার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করে একটি একক মেধাভিত্তিক মূল্যায়ন ব্যবস্থা প্রণয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।</p><p>আগামী ৩ কার্যদিবসের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে জনস্বার্থে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:54:59 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[পাকিস্তানের অনুরোধে ইরান-মার্কিন যুদ্ধবিরতি বাড়ালেন ট্রাম্প]]></title>
				<category>কূটনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/kutniti/article-79695.html</link>
				<description><![CDATA[<p>পাকিস্তানের অনুরোধে ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দেওয়া এই ঘোষণায় যুদ্ধবিরতি কবে শেষ হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনও তারিখ উল্লেখ করেননি তিনি।</p><p>ট্রাম্পের এই পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখা হলেও, তা এখনও সংলাপের গতি তৈরি করতে পারেনি। ইরান জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের বন্দরগামী ও বন্দর ত্যাগকারী জাহাজের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ তুলে না নেওয়া পর্যন্ত তারা নতুন করে আলোচনায় বসবে না। দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধবিরতি এবং স্থবির হয়ে পড়া কূটনীতি, এই দুইয়ের বৈপরীত্য বর্তমান পরিস্থিতির ভঙ্গুরতাকেই সামনে আনছে।</p><h2>কেন আলোচনায় যাচ্ছে না ইরান?</h2><p>তেহরানের অংশগ্রহণ নির্ভর করছে ওয়াশিংটনের শর্ত পূরণের ওপর। ইরানের আধা-সরকারি তাসনিম সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ ও অতিরিক্ত দাবিই প্রধান বাধা।</p><p>ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বুধবার বলেছেন, কূটনীতি জাতীয় স্বার্থ রক্ষার একটি হাতিয়ার মাত্র এবং ইরানের স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হলেই কেবল এই পথে হাঁটবে তেহরান।</p><p>পাকিস্তানের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টার জন্য তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি ইরান। ইসলামাবাদে নতুন করে আলোচনার বিষয়ে যেকোনও সিদ্ধান্ত দেশটির জাতীয় স্বার্থের ওপর নির্ভর করবে।</p><p>বাঘাই আরও বলেন, ইরানের বাণিজ্যিক জাহাজগুলোতে হামলা ও সেগুলো জব্দ করার ঘটনা প্রমাণ করে না যে, একটি দেশ কূটনীতি নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক আগ্রাসনের পাল্টা জবাব হিসেবেই ইরান আত্মরক্ষামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে।</p><p>ইরানের এই মুখপাত্র জানান, ইরান খুব নিবিড়ভাবে যুদ্ধের ময়দান ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। এছাড়া ইরান তাদের বৈধ অধিকার রক্ষা, আগ্রাসনের জন্য আইনি দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা এবং যুদ্ধের ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করা চালিয়ে যাবে।</p><p>জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রস্তাব অনুযায়ী কোনও দেশের সমুদ্র ও বন্দর অবরোধ করা আগ্রাসনের শামিল বলেও উল্লেখ করেন বাঘাই। তিনি বলেন, ইরান তাদের জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষার বিষয়টি মাথায় রেখে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করবে।</p><p>তিনি বলেন, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরের বিষয়টি কোনও আলোচনাতেই বিকল্প হিসেবে ছিল না।</p><p>ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ‘উসকানিমূলক পদক্ষেপ’ এবং যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন, এই দুই বিষয়ই শান্তি আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার বড় প্রতিবন্ধক।</p><h2>যুক্তরাষ্ট্রের আসল উদ্দেশ্য কী?</h2><p>যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টভাবে বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে অনেকেই কূটনৈতিক সুযোগ ধরে রাখার চেষ্টা হিসেবে দেখছেন। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এর পেছনে আরও বিস্তৃত কৌশলগত উদ্দেশ্য রয়েছে।</p><p>সিএনএন বুধবার জানিয়েছে, ট্রাম্প একটি কূটনৈতিক সমাধান চাইছেন কারণ তিনি এমন একটি যুদ্ধ পুনরায় শুরু করতে চান না, যেটিকে তিনি ইতোমধ্যে ‘যুক্তরাষ্ট্রের জয়’ হিসেবে দাবি করেছেন।</p><p>তবে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সামরিক অবস্থান কমায়নি। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, উপসাগরীয় এলাকায় মার্কিন নৌ মোতায়েন ও নজরদারি কার্যক্রম বজায় রাখা হয়েছে, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে বাড়ানোও হয়েছে, যা চাপ বজায় রাখা ও সামরিক বিকল্প ধরে রাখার ইঙ্গিত দেয়।</p><p>এনবিসি সোমবার জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র শিগগিরই মধ্যপ্রাচ্যে একসঙ্গে তিনটি বিমানবাহী রণতরি মোতায়েন করতে পারে।</p><p>ট্রাম্প মঙ্গলবার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে অবরোধ চালিয়ে যাবে। তবে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির তাকে জানিয়েছেন, ইরানি বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ অর্থবহ কূটনৈতিক অগ্রগতির বড় বাধা হয়ে থাকবে।</p><p>এই দৃষ্টিকোণ থেকে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোকে চূড়ান্ত শান্তির পদক্ষেপের চেয়ে বরং আলোচনার সময় বাড়ানো ও বিকল্প পরিকল্পনার কৌশল হিসেবেই দেখা হচ্ছে।</p><h2>কোন পথে যাচ্ছে ইরান-মার্কিন আলোচনা?</h2><p>ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকারের উপদেষ্টা মাহদি মোহাম্মাদি বলেছেন, ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর ঘোষণা অর্থহীন। তিনি বলেন, পরাজিত পক্ষ শর্ত নির্ধারণ করতে পারে না। অবরোধ অব্যাহত রাখা বোমা হামলার চেয়ে ভিন্ন কিছু নয় এবং এর সামরিক জবাব দেওয়া প্রয়োজন।</p><p>ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের আচরণসহ সব দিক বিবেচনা করে ইরান কূটনীতি চালিয়ে যাবে কি না, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও নেওয়া হবে।</p><p>ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সোমবার যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ লিখেছেন, প্রতিশ্রুতি রক্ষা করাই অর্থবহ আলোচনার ভিত্তি। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের আচরণের প্রতি ইরানে গভীর অবিশ্বাস রয়েছে এবং মার্কিন কর্মকর্তাদের অসংগত ও নেতিবাচক ইঙ্গিত থেকে বোঝা যায় তারা ইরানের আত্মসমর্পণ চায়।</p><p>এত কিছুর পরও সিএনএন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন কর্মকর্তারা আশা করছেন যে শিগগিরই উভয় পক্ষের মধ্যে বৈঠক হতে পারে। তবে কখন ও আদৌ সেই আলোচনা হবে কি না, তা এখনও অনিশ্চিত।</p><p>তবে দিল্লির থিঙ্ক ট্যাঙ্ক জিওজুরিস্টুডেতে প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, এখন প্রশ্নটা কূটনীতি ব্যর্থ হয়েছে কি না, তা নয়; বরং উভয় পক্ষ ব্যর্থতার পরও চেষ্টা চালিয়ে যেতে ইচ্ছুক কি না।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:55:40 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[মার্কিন অবরোধ উপেক্ষা করে ইরানের তেল রপ্তানি অব্যাহত]]></title>
				<category>আন্তর্জাতিক অর্থনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/antorjatik-orthoniti/article-79694.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ইসলামাবাদে মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিদের সংলাপ ব্যর্থ হওয়ার পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে হরমুজ প্রণালি, পারস্য উপসাগর ও ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ জারি করে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকোম)। অবরোধের উদ্দেশ্য ছিল ইরানকে তেল রপ্তানি থেকে বিরত রাখা। তবে অবরোধটি কতটা কার্যকর হয়েছে, তা নিয়ে ইতোমধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। কারণ যুক্তরাজ্যভিত্তিক অ্যানালিটিক্স সংস্থা ভোরটেক্সা জানিয়েছে, অবরোধের ১০ দিনে প্রায় ১০ লাখ ৭০ হাজার ব্যারেল তেল পারস্য উপসাগর দিয়ে দেশের বাইরে পাঠিয়েছে ইরান।</p><h2>ভোরটেক্সার তথ্য</h2><p>ভোরটেক্সার জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ দেওয়ার পরও এক সপ্তাহে মোট ৩৪টি নিষেধাজ্ঞাভুক্ত ও ইরান-সংশ্লিষ্ট তেলবাহী জাহাজ উপসাগরে আসা-যাওয়া করেছে। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ১৩ এপ্রিল থেকে সোমবার পর্যন্ত সময়ের মধ্যে ১৯টি জাহাজ উপসাগর ছেড়েছে এবং ১৫টি জাহাজ ঢুকেছে। এই তথ্য জানিয়েছে এপি।</p><h3>তেল রপ্তানির পরিমাণ</h3><p>এই ১৯টি বহির্গামী যাত্রার মধ্যে অন্তত ৬টি তেলবোঝাই যাত্রা ছিল বলে জানিয়েছে ভোরটেক্সা। এসব বহির্গামী যাত্রাতেই এই ১০ লাখ ৭০ হাজার ব্যারেল তেলের চালান ইরান দেশের বাইরে পাঠিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এই চালানের তেলগুলো বিক্রি করা হয়েছে কি-না কিংবা বিক্রি করলেও এই তেলের ক্রেতা কারা— সে সম্পর্কিত কোনো তথ্য জানা যায়নি।</p><h2>মার্কিন হুঁশিয়ারি</h2><p>গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেছিলেন, মার্কিন অবরোধ চলাকালে কোনো দেশের বিরুদ্ধে যদি ইরানের তেল ক্রয়ের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে সেই দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে। সূত্র: এপি</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:39:36 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[চোটের কারণে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন জার্মান তারকা সার্জ নাবরি]]></title>
				<category>ফুটবল</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/football/article-79693.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বিশ্বকাপ ফুটবল দুয়ারে কড়া নাড়ছে। ক্রীড়াজগতের এই মহাযজ্ঞ শুরু হতে আর ৫০ দিনও বাকি নেই। কিন্তু বিশ্বকাপ যতই ঘনিয়ে আসছে, চোটের কারণে তারকাপতনের শব্দও যেন ততই বাড়ছে।</p><p>ব্রাজিলিয়ান তারকা রদ্রিগোকে দিয়েই বিশ্বকাপে প্রথম তারকাপতনের শব্দ শোনা গিয়েছিল। গত মার্চের শুরুতে ডান হাঁটুর অ্যান্টেরিয়র ক্রুসিয়েট লিগামেন্ট (এসিএল) ও ল্যাটারাল মিনিস্কাস ছিঁড়ে যাওয়ায় মৌসুমের বাকি সময় এবং বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যান রিয়াল মাদ্রিদের এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড।</p><p>এরপর ছিটকে পড়াদের তালিকায় যুক্ত হয় দুই আর্জেন্টাইন তরুণ হুয়ান ফয়েথ ও ভ্যালেন্তিন কার্বনির নাম। একই ধারায় কদিন আগে চ্যাম্পিয়নস লিগ ম্যাচে চোটে পড়ে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যান ফ্রান্সের ফরোয়ার্ড হুগো একিতিকে। তবে এ তালিকা দীর্ঘায়িত হওয়ার প্রক্রিয়া সেখানেই থেমে যায়নি।</p><p>গতকাল রাতে বায়ার্ন মিউনিখের জার্মান তারকা সার্জ নাবরির নামও এ তালিকায় যুক্ত হয়। পাশাপাশি বিশ্বকাপে আরও বড় তারকা হয়ে ওঠার অপেক্ষায় থাকা দুই তরুণ লামিনে ইয়ামাল ও এস্তেভাওয়েরও চোটের কারণে এ টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। দুজন যদি শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ থেকে ছিটকেই পড়েন, তবে সেটা তাঁদের দেশের জন্য বড় ধাক্কাই হবে। বিশ্বকাপের আমেজও নিশ্চিতভাবে অনেকটা কমে যাবে।</p><h2>জার্মান তারকা নাবরির বিশ্বকাপ শেষ</h2><p>জার্মান তারকা নাবরি নিজেই গতকাল বিশ্বকাপ খেলতে না পারার খবরটি নিশ্চিত করেন। বায়ার্ন জানিয়েছে, নাবরির ডান ঊরুর অ্যাডাক্টর পেশি ছিঁড়ে গেছে। এ কারণে তাঁকে দীর্ঘ সময় মাঠের বাইরে থাকতে হবে এবং বিশ্বকাপে তাঁর খেলার সম্ভাবনা নেই।</p><p>৩০ বছর বয়সী নাবরি ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে লেখেন, ‘বিশ্বকাপের স্বপ্নটা দুঃখজনকভাবে আমার জন্য শেষ। দেশের বাকি সবার মতো আমিও টিভিতে বসে দলকে সমর্থন করব। এখন পুরো মনোযোগ থাকবে পুনর্বাসন এবং প্রাক্‌-মৌসুমের আগে ফেরার প্রস্তুতিতে।’</p><p>জার্মানি জাতীয় দলে নাবরি ছিলেন নিয়মিত মুখ। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের সব ম্যাচেই শুরুর একাদশে ছিলেন এবং মার্চের দুটি প্রীতি ম্যাচেও খেলেছেন। তাই জার্মানির কোচ ইউলিয়ান নাগলসমানের বিশ্বকাপ দলে তাঁর থাকাটা অনেকটাই নিশ্চিত ছিল। কিন্তু চোটে সব এলোমেলো হয়ে গেল।</p><h2>এস্তেভাওয়ের বিশ্বকাপ খেলা শঙ্কায়</h2><p>সাম্প্রতিক সময়ে ব্রাজিল যেসব নতুন তারকাদের আবির্ভাব দেখেছে, এস্তেভাও তাঁদের অন্যতম। বলা যায়, তরুণদের মধ্যে এস্তেভাও নিজেকে সবচেয়ে বেশি প্রমাণ করেছেন। কিন্তু কিছুদিন ধরে চোটের কারণে ব্যাপকভাবে ভুগছিলেন এই উইঙ্গার। শেষ পর্যন্ত চোট কাটিয়ে ফিরলেও থিতু হতে পারেননি। ১৯ এপ্রিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে চেলসির হারের রাতে আবারও ঊরুর চোটে পড়েন ১৮ বছর বয়সী তারকা। শেষ খবর হচ্ছে, এই চোটে এস্তেভাওয়ের বিশ্বকাপ খেলার সম্ভাবনা শঙ্কার মেঘে ঢেকে গেছে।</p><p>আগামী ১৮ মে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা করবেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। এস্তেভাওকে এই স্কোয়াডে রাখা হবে কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে ব্রাজিলের ফুটবলমহলে। এমনকি বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ফেরার সম্ভাবনা থাকলেও তাঁকে দলে রাখা হতে পারে বলে জানিয়েছে ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম।</p><p>আনচেলত্তির অধীনে ব্রাজিলের হয়ে ৭ ম্যাচে ৫ গোল করার পাশাপাশি ৫টি গোলও করিয়েছেন এস্তেভাও। ইতালিয়ান এই কোচের অধীনে ব্রাজিলের কোনো ফুটবলারের এটাই সর্বোচ্চ গোল ও অ্যাসিস্ট। পাশাপাশি তাঁর খেলায় চিরায়ত ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের সৌন্দর্যও আছে। তাই এস্তেভাওকে কোনোভাবেই হারাতে চায় না ব্রাজিল। তবে এস্তেভাও যদি কাঙ্ক্ষিত সময়ে সেরে না ওঠেন, তবে বিশ্বকাপে তাঁকে হয়তো দর্শক হয়েই থাকতে হবে।</p><p>ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, এস্তেভাও শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলে নেইমারের বিশ্বকাপ খেলার সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যাবে। এমনকি বেটিং মার্কেটের চিত্রও এরই মধ্যে অনেকটা বদলে গেছে বলে জানিয়েছে ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম ‘ও গ্লোবো’। এস্তেভাওয়ের চোটে পড়ার খবর প্রকাশিত হওয়ার পর নেইমার বিশ্বকাপ খেলতে পারেবন কি না, এমন প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’ উত্তর এসেছে প্রায় ৫০ শতাংশ, যা গত ১৭ মার্চ এই পোল খোলার পর থেকে সর্বোচ্চ। এমনকি ২১ এপ্রিলও এটি ছিল মাত্র ৩৪ শতাংশ। এ পরিস্থিতিতে এস্তেভাও ও নেইমারের ভাগ্যে কী ঘটতে যাচ্ছে, তা জানতে আরও একটু অপেক্ষা করতে হবে।</p><h2>ইয়ামালের বিশ্বকাপ শঙ্কা</h2><p>এস্তেভাওয়ের মতো বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ার শঙ্কায় আছেন ইয়ামালও। এ মুহূর্তে অন্যতম সেরা এই তারকাকে হারানো স্পেনের জন্য তো বটেই, বিশ্বকাপের জন্যই বিশাল এক ধাক্কা হবে। গতকাল সেল্তা ভিগোর বিপক্ষে বার্সার জয়ের রাতে পেনাল্টি থেকে গোল করার পর মাঠেই শুয়ে পড়েন ইয়ামাল। বোঝা যাচ্ছিল, বাঁ পায়ে অস্বস্তি অনুভব করছেন। বিরতির আগেই বার্সার মেডিক্যাল টিমের সহায়তায় খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে মাঠ ছাড়েন ইয়ামাল।</p><p>ইএসপিএনকে ক্লাবের একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রাথমিক লক্ষণ দেখে মনে হয়েছে, ইয়ামালের হ্যামস্ট্রিংয়ের পেশি ছিঁড়ে গেছে। তবে চোট কতটা গুরুতর এবং তাঁকে কত দিন মাঠের বাইরে থাকতে হবে, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে বৃহস্পতিবারের (আজ) স্ক্যান রিপোর্টের পর। ইয়ামালের ভাগ্য নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানতে এখন আরও কিছু সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।</p><p>আগামী ১১ জুন শুরু হবে বিশ্বকাপ। এবার আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:28:03 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[তীব্র দাবদাহে বিশ্বের খাদ্যব্যবস্থা চরম হুমকির মুখে]]></title>
				<category>জলবায়ু পরিবর্তন</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/jolbayu-poriborton/article-79692.html</link>
				<description><![CDATA[<p>তীব্র দাবদাহের কবলে পড়েছে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল। তাপপ্রবাহ এখন আর শুধু অস্বস্তির কারণ নয়—এটি বিশ্বের খাদ্যব্যবস্থার জন্য সরাসরি হুমকি হয়ে উঠছে। কৃষক মাঠে কাজ করতে পারছেন না, গরমে কাহিল হয়ে পড়ছে গবাদিপশু, কমে যাচ্ছে ফসলের উৎপাদন। এভাবে চলতে থাকলে বিশ্বজুড়ে ১০০ কোটির বেশি মানুষের জীবিকা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ।</p><h2>জাতিসংঘের প্রতিবেদন</h2><p>জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) এবং বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার যৌথ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থলভাগ ও সমুদ্রে তাপপ্রবাহ যত তীব্র হচ্ছে, কিছু অঞ্চলে খাদ্য সরবরাহব্যবস্থা ততই চরম সংকটের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।</p><h3>পরিস্থিতি উদ্বেগজনক</h3><p>পরিস্থিতি ইতিমধ্যে উদ্বেগজনক। ভারতের বড় অংশসহ গোটা দক্ষিণ এশিয়া, সাব-সাহারান আফ্রিকা এবং মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকার বিস্তীর্ণ এলাকায় বছরের প্রায় ২৫০ দিন, অর্থাৎ দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সময় কৃষকদের পক্ষে বাইরে কাজ করা অনিরাপদ হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।</p><h2>গবাদিপশুর ওপর প্রভাব</h2><p>গবাদিপশুর ওপর তীব্র তাপপ্রবাহের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে আগে থেকেই। অনেক প্রাণীর ক্ষেত্রে মাত্র ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসেই তাপজনিত চাপ শুরু হয়। গরম বাড়লে দুধের উৎপাদন কমে, কমে দুধের চর্বি ও প্রোটিনের পরিমাণও। শূকর ও মুরগি ঘামতে পারে না বলে তাপমাত্রা বাড়লে তাদের হজমতন্ত্র বিপর্যস্ত হয়, অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে পড়ে, এমনকি হৃদ্‌রোগজনিত মৃত্যুর ঝুঁকিও তৈরি হয়।</p><h2>ফসলের ক্ষতি</h2><p>ফসলের ক্ষেত্রেও একই চিত্র। তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গেলে অধিকাংশ ফসলের উৎপাদন কমতে শুরু করে। কিছু এলাকায় ভুট্টার উৎপাদন ইতিমধ্যে প্রায় ১০ শতাংশ কমে গেছে। গমেও একই ধারা দেখা যাচ্ছে।</p><p>শিল্পপূর্ব সময়ের তুলনায় তাপমাত্রা ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়লে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।</p><h2>সমুদ্রের তাপপ্রবাহ</h2><p>সমুদ্রও এই ভয়াবহ উত্তাপ থেকে মুক্ত নয়। সেখানে তাপপ্রবাহের কারণে পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ কমছে। ফলে মরছে মাছ, কমছে মৎস্যসম্পদ।</p><h2>আশার কথা</h2><p>তবে জাতিসংঘের প্রতিবেদনে আশার কথাও আছে। আগেভাগে তাপপ্রবাহের পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব হওয়ায় কৃষকদের সময়মতো সতর্ক করা যায়। আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও মুঠোফোনের মাধ্যমে এই সতর্কবার্তা দ্রুত ছড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।</p><h3>বিশেষজ্ঞদের মতামত</h3><p>বিশ্ব সম্পদ ইনস্টিটিউটের কৃষি উদ্যোগ বিভাগের পরিচালক রিচার্ড ওয়েট বলেন, পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে এখনই খাপ খাওয়ানো শুরু করতে হবে। কৃষকদের হাতে পৌঁছে দিতে হবে সঠিক সরঞ্জাম, জ্ঞান আর সময়মতো সতর্কবার্তা।</p><p>রিচার্ড ওয়েট আরও বলেন, ‘এই পদক্ষেপ না নিলে চরম তাপে ফসল ও গবাদিপশুর উৎপাদন কমতে থাকবে। উৎপাদন ধরে রাখতে তখন আরও বেশি জমি চাষের আওতায় আনতে হবে, যা থেকে আরও বেশি কার্বন নির্গত হবে এবং জলবায়ু পরিবর্তন আরও তীব্র হবে। এই দুষ্টচক্র ভাঙতে হলে উল্টো পথে হাঁটতে হবে। পরিবর্তিত জলবায়ুতেও যাতে কৃষকেরা উৎপাদন ধরে রাখতে পারেন, সেই সমাধান বড় পরিসরে বাস্তবায়ন করতে হবে।’</p><p>ক্ষুদ্র কৃষকদের আন্তর্জাতিক সংগঠন লা ভিয়া ক্যাম্পেসিনার সাধারণ সমন্বয়ক মরগান ওডি বলেন, শ্রমজীবী মানুষের জীবন প্রতিদিন আরও বিপন্ন হচ্ছে। তাঁর মতে, ‘মাঠে, নদীতে ও সাগরে যাঁদের প্রতিদিনের জীবিকা—সেই কৃষক, কৃষিশ্রমিক ও ক্ষুদ্র মৎস্যজীবীরা, বিশেষত নারী ও বয়স্করা চরম তাপের কারণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছেন। তাঁদের স্বাস্থ্য ও জীবন দুটোই হুমকির মুখে। আর এই চরম আবহাওয়ার পেছনে বড় ভূমিকা রাখছে শিল্পভিত্তিক একফসলি চাষ ও বৃহৎ গবাদিপশু খামার থেকে ছড়িয়ে পড়া বিপুল পরিমাণ গ্রিনহাউস গ্যাস।’</p><p>ওডি এসব শ্রমজীবী মানুষের জন্য ক্ষতিপূরণ, ঋণ মওকুফ এবং অভিযোজন খাতে সরকারি বিনিয়োগ দাবি করেন। পাশাপাশি মাঠে ও নৌকায় কত ঘণ্টা কাজ করা যাবে, তা নিয়মে বেঁধে দেওয়ার কথা বলেন। নিয়োগদাতাদের ছায়া, বিশ্রাম ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।</p><p>মিডলবুরি কলেজের খাদ্যবিষয়ক অধ্যাপক ও টেকসই খাদ্যব্যবস্থাবিষয়ক আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সদস্য মলি অ্যান্ডারসন বলেন, বর্তমান শিল্পভিত্তিক খাদ্যব্যবস্থা মুষ্টিমেয় কিছু ফসল ও বিশেষায়িত উৎপাদন পদ্ধতির ওপর এতটাই নির্ভরশীল যে এটির তীব্র তাপপ্রবাহের বড় ধাক্কা সামলানোর সক্ষমতা নেই।</p><p>মলি অ্যান্ডারসন খাদ্যব্যবস্থায় বৈচিত্র্য আনার পক্ষে কথা বলেন এবং নিবিড় চাষের কারণে খামার থেকে গাছপালা, ছায়া ও মিশ্র চাষের ধারা হারিয়ে যাওয়ার প্রবণতাকে উদ্বেগজনক বলে মনে করেন।</p><p>মলি অ্যান্ডারসন বলেন, একসঙ্গে অনেক ফসল নষ্ট হলে দাম, সরবরাহ ও অর্থনীতিতে বড় বিপর্যয় নামবে। অভিযোজনের একটা সীমা আছে। আসল সমাধান হলো জীবাশ্ম জ্বালানি ছেড়ে দ্রুত নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে যাওয়া এবং অভিযোজন ব্যবস্থায় জোরালো বিনিয়োগ করা।</p><p>লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের খাদ্যনীতি বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক টিম ল্যাং বলেন, গরমপ্রবণ দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে ঠিকই, তবে নাতিশীতোষ্ণ এলাকা ও ধনী দেশগুলোও নিরাপদ নয়। তাঁর মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের অনিশ্চয়তা দ্রুত বাড়ছে এবং তা গোটা বিশ্বের খাদ্য উৎপাদকদের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ হাজির করছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 10:06:29 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[দেশের বাজারে সোনার দাম কমেছে, ভরিপ্রতি ৩ হাজার ২৬৬ টাকা হ্রাস]]></title>
				<category>পণ্যমূল্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/ponnyomulyo/article-79691.html</link>
				<description><![CDATA[<p>দেশের বাজারে সোনার দাম কমেছে। এর মধ্য দিয়ে সোনার দাম আবার ভরিপ্রতি আড়াই লাখ টাকার নিচে নেমে এল। ভালো মানের, অর্থাৎ ২২ ক্যারেট সোনার দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৩ হাজার ২৬৬ টাকা।</p><p>বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি আজ বৃহস্পতিবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে। আজ সকাল ১০টা থেকে দেশের বাজারে সোনার নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। সোনার পাশাপাশি রুপার দামও কিছুটা কমেছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:26:59 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[তাইওয়ান প্রেসিডেন্টের সফর বাতিলে চীনের ভূমিকা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিন্দা]]></title>
				<category>কূটনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/kutniti/article-79690.html</link>
				<description><![CDATA[<p>মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বুধবার চীনের 'ভীতি প্রদর্শন অভিযান'-এর নিন্দা জানিয়েছে, কারণ বেশ কয়েকটি আফ্রিকান দেশকে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তের একটি সরকারি সফর ব্যাহত করতে ওভারফ্লাইট অনুমতি প্রত্যাহার করতে বেইজিং চাপ দিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।</p><h2>তাইওয়ানের সফর বাতিল</h2><p>তাইওয়ান মঙ্গলবার ঘোষণা করে যে, লাই আফ্রিকায় তার একমাত্র কূটনৈতিক মিত্র দেশ এশোয়াতিনিতে তার সফর স্থগিত করছেন। কারণ 'সেশেলস, মরিশাস এবং মাদাগাস্কার অপ্রত্যাশিতভাবে এবং পূর্ব বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই চার্টারের ওভারফ্লাইট অনুমতি প্রত্যাহার করে নিয়েছে'।</p><h3>যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া</h3><p>চীন তাইওয়ানকে তার ভূখণ্ডের অংশ বলে দাবি করে এবং স্বশাসিত দ্বীপটির আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলিতে অংশগ্রহণ ও অন্যান্য দেশের সাথে বিনিময়ের বিরোধিতা করে।</p><p>মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্র এএফপিকে বলেন, 'তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টকে এশোয়াতিনি সফর থেকে বিরত রাখতে বেশ কয়েকটি দেশ ওভারফ্লাইট ক্লিয়ারেন্স প্রত্যাহার করেছে বলে আমরা উদ্বিগ্ন।' মুখপাত্র আরও বলেন, 'এই দেশগুলো তাইওয়ানের কর্মকর্তাদের নিয়মিত ভ্রমণের নিরাপত্তা ও মর্যাদায় হস্তক্ষেপ করে চীনের নির্দেশে কাজ করছে।' তিনি দেশগুলোর নাম উল্লেখ না করলেও বলেন, 'এটি বেইজিংয়ের তাইওয়ান ও তার সমর্থকদের বিরুদ্ধে ভীতি প্রদর্শন অভিযানের আরেকটি উদাহরণ।'</p><h3>তাইওয়ানের বক্তব্য</h3><p>লাইয়ের সেক্রেটারি-জেনারেল পান মেন-আন আগে বলেছিলেন, 'প্রকৃত কারণ হলো চীনা কর্তৃপক্ষ অর্থনৈতিক জবরদস্তিসহ তীব্র চাপ প্রয়োগ করেছে।'</p><h3>চীনের প্রতিক্রিয়া</h3><p>চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার বলেছে, ওয়াশিংটনের মন্তব্য 'ভিত্তিহীন অভিযোগ'। মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্র তার জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষায় চীনের বৈধ পদক্ষেপের অযৌক্তিক সমালোচনা করেছে। এই আচরণ তথ্যের সম্পূর্ণ বিকৃতি এবং সঠিক ও ভুলের গুলিয়ে ফেলা।'</p><h2>আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট</h2><p>ওয়াশিংটন আনুষ্ঠানিকভাবে তাইওয়ানকে স্বীকৃতি না দিলেও দ্বীপ অঞ্চলটির প্রধান নিরাপত্তা পৃষ্ঠপোষক। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে এই সমর্থনের সুর কিছুটা নরম হয়েছে। ট্রাম্প আগামী মাসে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে সাক্ষাৎ করবেন।</p><p>বুধবার বেইজিং জানিয়েছে, লাইয়ের এই সপ্তাহের সফরের অনুমতি প্রত্যাহারকারী আফ্রিকান দেশগুলোর প্রতি তাদের 'উচ্চ প্রশংসা' রয়েছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন, 'প্রাসঙ্গিক দেশগুলো এক-চীন নীতির প্রতি সমর্থন বজায় রেখেছে, যা আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মৌলিক নিয়মের সাথে পুরোপুরি সঙ্গতিপূর্ণ। চীন এর জন্য উচ্চ প্রশংসা প্রকাশ করে।'</p><p>লাইয়ের শেষ বিদেশ সফর ছিল ২০২৪ সালের নভেম্বরে, যখন তিনি তাইওয়ানের প্রশান্ত মহাসাগরীয় মিত্রদের সফর করেন এবং মার্কিন অঞ্চল গুয়ামের মাধ্যমে ট্রানজিট করেন। ট্রাম্প প্রশাসন গত বছর লাতিন আমেরিকার একটি সরকারি সফরের অংশ হিসেবে নিউইয়র্কের মাধ্যমে ট্রানজিটের অনুমতি দিতে অস্বীকার করেছিল বলে খবর পাওয়া গেছে। তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অবশ্য অস্বীকার করেছে যে তাকে বাধা দেওয়া হয়েছিল।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:58:11 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ইসরায়েলি সেনার যিশুর মূর্তি ভাঙচুর: রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও শাস্তি]]></title>
				<category>মধ্যপ্রাচ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/moddho-pracho/article-79689.html</link>
				<description><![CDATA[<p>দক্ষিণ লেবাননে এক ইসরায়েলি সেনার বড় হাতুড়ি দিয়ে যিশুখ্রিষ্টের ক্রুশবিদ্ধ মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনা ইসরায়েলের রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। দেশটি দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের খ্রিস্টানদের রক্ষক হিসেবে উপস্থাপন করে আসছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের খ্রিস্টান-জায়নবাদী আন্দোলনের সঙ্গে মিত্রতা বজায় রেখেছে।</p><h2>ঘটনার বিবরণ</h2><p>চলতি সপ্তাহের শুরুতে দক্ষিণ লেবাননের দেবল গ্রামে মোতায়েন ইসরায়েলি সেনাদের একটি ভিডিও ও ছবি অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ে। তাতে দেখা যায়, এক সেনা ভারী হাতুড়ি দিয়ে যিশুর মূর্তির মাথায় আঘাত করছে, যার ফলে মূর্তিটি ক্রুশ থেকে খুলে পড়ে যায়। ঘটনাটি তীব্র সমালোচনার জন্ম দেয়। ইসরায়েলের সমর্থকদের একাংশও এই কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানায়।</p><h2>রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট</h2><p>গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর ‘জাতিগত নিধনমূলক যুদ্ধ’ এবং লেবানন ও ইরানে হামলার কারণে ইসরায়েল আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা বিশ্বের খ্রিস্টানদের সমর্থন হারাচ্ছিল। ভিডিও ভাইরাল হওয়ার একদিন পর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, ইসরায়েল সব ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তবে সমালোচকেরা মনে করেন, তাঁর সরকার প্রায়ই এই বক্তব্যের বিপরীত কাজ করে।</p><h2>শাস্তি ও তদন্ত</h2><p>ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) তদন্ত শেষে ওই সেনাকে ৩০ দিনের সামরিক আটকাদেশ দেয়। ভিডিও ধারণকারী সেনা ও ঘটনাস্থলে উপস্থিত অন্য ছয় সেনাকেও আলাদা আলাদা সাজা দেওয়া হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p><h3>বিশেষজ্ঞ মতামত</h3><p>চ্যাথাম হাউসের সিনিয়র কনসালটিং ফেলো ইয়োসি মেকেলবার্গ বলেন, যিশুর মূর্তিতে হামলার ঘটনায় ইসরায়েলি সরকারের জন্য দৃশ্যমান প্রতিক্রিয়া দেখানো গুরুত্বপূর্ণ ছিল, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের খ্রিস্টান কর্মকর্তাদের জন্য, যাঁরা ইসরায়েলকে সমর্থন করেন। এই দলে ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবিও অন্তর্ভুক্ত।</p><p>মেকেলবার্গ আরও বলেন, ইসরায়েলি সেনাদের সাজা দেওয়ার ঘটনা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, কারণ সাধারণত ফিলিস্তিনিদের হত্যার অভিযোগে কোনো ইসরায়েলি সেনার বিরুদ্ধে অভিযোগও দায়ের করা হয় না। গত এক দশকে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি।</p><h3>প্রসঙ্গ ও বিশ্লেষণ</h3><p>এই ঘটনা ইসরায়েলের ধর্মীয় সহিষ্ণুতার দাবি এবং বাস্তব কর্মকাণ্ডের মধ্যে বৈসাদৃশ্য তুলে ধরে। সমালোচকেরা মনে করেন, যিশুর মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনায় প্রকাশ্য পদক্ষেপ নেওয়া হলেও অন্যান্য যুদ্ধাপরাধের ক্ষেত্রে ইসরায়েল নীরব থাকে। মেকেলবার্গ বলেন, ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের মসজিদে হামলা এবং ফিলিস্তিনিদের হত্যা সবই যুদ্ধাপরাধ, কিন্তু এসব ঘটনা কতটা ব্যাপকভাবে ঘটছে তা জানা যায় না।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:45:20 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত রাজধানীর ফুটপাতের ব্যবসায়ী ও ভাসমান মানুষ]]></title>
				<category>কৃষি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/krishi/article-79688.html</link>
				<description><![CDATA[<p>দেশের বিভিন্ন জেলার ওপর দিয়ে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকাও। তাপপ্রবাহে রাজধানীর জনজীবন যখন বিপর্যস্ত, তখন সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে রয়েছেন ফুটপাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। এছাড়া ফুটপাতে বসবাসকারী ভাসমান মানুষও রয়েছেন চরম কষ্টে। প্রখর রোদ, উত্তপ্ত সড়ক আর ধুলাবালির মধ্যে অবস্থান করতে হচ্ছে তাদের। নেই পর্যাপ্ত ছায়া ও বিশুদ্ধ পানির সহজলভ্যতা। ফলে বাড়ছে অসুস্থতার ঝুঁকি। তারপরও চলছে জীবন-জীবিকার লড়াই।</p><h2>ফুটপাতের দোকানিদের দুর্ভোগ</h2><p>সোমবার (২০ এপ্রিল) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ফুটপাতে মানুষের হাঁসফাঁস অবস্থা। এছাড়া ফুটপাতের দোকানিরা মাথার ওপর ছাউনি টানিয়ে বা ছাতা ব্যবহার করে কোনোমতে রোদ থেকে বাঁচার চেষ্টা করছেন। তবে গরমে ক্রেতা কমে যাওয়ায় আয়ও কমে গেছে অনেকের। ফুটপাতে স্বল্প পরিসরে ফলের ব্যবসা করেন কালাম হোসেন। তিনি বলেন, এই গরমে বসে থাকা খুব কষ্টের। মাথা ঘোরায়, শরীর দুর্বল লাগে। তবুও বসতে হয়।</p><p>কাপড় বিক্রেতা রহমত মিয়া বলেন, আগে দিনে যা বিক্রি হতো, এখন তার অর্ধেকও হয় না। গরমে মানুষ বাইরে কম বের হয়, তাই আমাদের আয়ও কমে গেছে। গরম হলেও বসতে হচ্ছে, না বসলে সংসার চলবে না।</p><p>বিভিন্ন ধরনের খেলনা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন আব্দুল আজিজ। খেলনা বিক্রি না করলে পেট চলে না বলে তিনি জানান। যেদিন যা বিক্রি তাই দিয়েই সংসার চলে। এখন গরমের কারণে মানুষ কম আসে। গরমে বেচাকেনা কম, কোনোরকম সংসার চলছে।</p><h3>ভাসমান মানুষের করুণ অবস্থা</h3><p>শুধু ব্যবসায়ীরাই নন, ফুটপাতে বসবাস করা ভাসমান মানুষদের অবস্থা আরও করুণ। তাদের সঙ্গে কথা বলে জান গেছে, খোলা আকাশের নিচে তীব্র গরমে তাদের দিন-রাত চরম কষ্টে কাটছে। বিশুদ্ধ পানি ও পর্যাপ্ত খাবারের অভাবে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।</p><p>ফুটপাতে বসবাসকারী রহিমা বেগম বলেন, এই গরমে সন্তানদের নিয়ে থাকা খুব কষ্ট। দিনভর রোদে বসে থাকতে হয়, রাতে গরমে ঘুমানো যায় না। ঠিকমতো পানি পাই না, অনেক সময় না খেয়েও থাকতে হয়।</p><p>আরেকজন, আব্দুল করিম বলেন, মাথার ওপর কোনও ছাদ নাই। গরমে শরীর জ্বলে যায়। কাজও ঠিকমতো করতে পারি না, তাই আয় কমে গেছে। অসুস্থ হলেও চিকিৎসা করানোর সামর্থ্য নেই।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:35:36 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[এনডিএমের সাবেক মহাসচিব মোমিনুল আমিন বিএনপিতে যোগদান]]></title>
				<category>আওয়ামী লীগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/awami-league/article-79687.html</link>
				<description><![CDATA[<p>নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত দল ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক মুভমেন্টের (এনডিএম) সাবেক মহাসচিব মোমিনুল আমিন আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) যোগদান করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এসে দলের প্রাথমিক সদস্যপদ ফরম পূরণের মাধ্যমে তিনি এই রাজনৈতিক যাত্রা শুরু করেন।</p><h2>যোগদানের পর বিবৃতি</h2><p>যোগদানের পর গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে তিনি বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন এবং আদর্শের প্রতি পূর্ণ আস্থা জ্ঞাপন করে তার হাতে গড়া রাজনৈতিক দল বিএনপিতে যোগদান করলাম। কৈশোর থেকেই খালেদা জিয়ার অপরিসীম ত্যাগ এবং দূরদর্শী রাজনীতি দেখে অনুপ্রাণিত হয়েছি। তার সুযোগ্য সন্তান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেশ গড়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সহযাত্রী হতে আজ থেকে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হলাম।”</p><h3>দায়িত্বের সম্ভাবনা</h3><p>সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে মোমিনুল আমিনকে দলের গবেষণা উইং বা কৌশলগত কোনও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।</p><h3>এনডিএমের পটভূমি</h3><p>উল্লেখ্য, এনডিএমের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য হিসেবে নিবন্ধন কার্যক্রম থেকে শুরু করে নির্বাচন কমিশনের সংলাপ, সভা-সেমিনার ও টকশোতে দলটির প্রধান মুখ ছিলেন তিনি। এর আগে গত ৫ এপ্রিল এনডিএম থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন মোমিনুল। দলটির চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ আগেই বিএনপিতে যোগ দিয়ে বর্তমানে সরকারের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। মহাসচিব মোমিনুল আমিনের এই যোগদানের মাধ্যমে ২০১৭ সালে যাত্রা শুরু করা এনডিএম কার্যত বিলুপ্ত হওয়ার পথে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:57:03 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[হামে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ১১৭০ উপসর্গ]]></title>
				<category>রোগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/swasthyo/rog/article-79686.html</link>
				<description><![CDATA[<p>দেশে হাম ও এর উপসর্গে আরও পাঁচ শিশুর প্রাণহানি ঘটেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট পাঁচ শিশু মারা গেছে। একই সময়ে নতুন করে এক হাজার ১৭০ শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।</p><h2>বিভাগ অনুযায়ী মৃত্যুর সংখ্যা</h2><p>প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত এক দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা বিভাগে দুই শিশু এবং চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে এক জন করে মোট চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া একই সময়ে ঢাকা বিভাগে হাম আক্রান্ত হয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।</p><h2>শনাক্ত ও উপসর্গের তথ্য</h2><p>গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ১২৫ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে আরও এক হাজার ১৭০ শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। ফলে গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ২৮ হাজার ৩৩৪ শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে চার হাজার ৫৯ শিশুর শরীরে হাম নিশ্চিত করা হয়েছে।</p><h2>হাসপাতালে ভর্তি ও সুস্থতা</h2><p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১৮ হাজার ৮৪৫ শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে ১৫ হাজার ৭২৮ জন শিশু ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 10:10:31 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[হরমুজে জাহাজ জব্দ: পাল্টাপাল্টি অবরোধে চরম উত্তেজনা]]></title>
				<category>এশিয়া</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/asia/article-79685.html</link>
				<description><![CDATA[<p>হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামুদ্রিক উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) ইরান হরমুজ প্রণালীতে তিনটি জাহাজে হামলা চালিয়ে দুটি জাহাজ নিজেদের জলসীমায় নিয়ে যায়। জব্দ করা জাহাজ দুটি ইউরোপীয় মালিকানাধীন বলে জানা গেছে।</p><h2>যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ও পাল্টা পদক্ষেপ</h2><p>যুক্তরাষ্ট্র ইরানের এই পদক্ষেপকে গুরুত্বহীন বলে উড়িয়ে দিলেও বাস্তবে তারা নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে পাল্টাপাল্টি অবরোধ জোরদার করছে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, তারা তাদের আরোপিত অবরোধ অতিক্রম করতে চাওয়া ২৯টি জাহাজকে বাধা দিয়েছে। রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম বলেছেন, ইরানের বন্দর ও জাহাজ বয়কট করার যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগ শিগগিরই ‘বৈশ্বিক রূপ’ নিতে পারে।</p><h3>ইরানের সক্ষমতা ও বিশ্লেষকদের মত</h3><p>বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই অভিযান প্রমাণ করে যে যুদ্ধের দুই মাস পরও দেশটির ছোট আক্রমণের নৌযানগুলো গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে সক্ষম। যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছিল ইরানের নৌবাহিনী প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে, কিন্তু এই ঘটনা তার বিপরীত প্রমাণ দিয়েছে।</p><h3>অবরোধের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন</h3><p>তবে ট্রাম্প প্রশাসনের অবরোধের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সামুদ্রিক সংবাদমাধ্যম লয়েড’স লিস্ট। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ট্যাঙ্কারসহ দুই ডজনের বেশি জাহাজ ওমান উপসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ এড়িয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।</p><h2>বৈশ্বিক প্রভাব ও উদ্বেগ</h2><p>এই জাহাজ জব্দ ও পাল্টাপাল্টি অবরোধ হরমুজ প্রণালীতে সামরিক ও কূটনৈতিক অচলাবস্থা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, এর প্রভাব বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে আরও ব্যাপক আকারে পড়তে পারে। হরমুজ প্রণালি বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথগুলোর একটি, তাই এই অঞ্চলে অস্থিরতা বিশ্ব অর্থনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 10:00:09 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[সংরক্ষিত নারী আসনে জেবার বিরুদ্ধে ইসিতে দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ]]></title>
				<category>আইন বিভাগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/ain-bibhag/article-79684.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহ-সভাপতি জেবা আমিনা খানের বিরুদ্ধে দ্বৈত নাগরিকত্ব, হলফনামায় সম্পদের তথ্য গোপন এবং একাধিক ফৌজদারি ও দেওয়ানি মামলার অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) ঢাকার বনানীর বাসিন্দা নাদিম মাহমুদ ও মাসুদ মৃধা নামে দুজন পৃথক অভিযোগ দায়ের করেন। এর মধ্যে মাসুদ মৃধার পক্ষে কমিশনে অভিযোগ দাখিল করে রিসিভ কপি সংগ্রহ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হোসনে আরা।</p><h2>অভিযোগের বিবরণ</h2><p>নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের নির্বাচন ব্যবস্থাপনা-২ অনুবিভাগের যুগ্ম সচিব ও সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কাছে দাখিল করা অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে, জেবা আমিনা খান বাংলাদেশের পাশাপাশি যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন। অভিযোগকারীর মতে, সংবিধানের ৬৬(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকলে সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা হারান।</p><p>অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, প্রার্থী তার নির্বাচনি হলফনামায় স্থাবর সম্পদের পূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেননি। অভিযোগকারীর দাবি অনুযায়ী, রাজধানীর গুলশান এলাকায় ১০৮নং রোডের একটি প্লটে তার নামে মোট সাতটি ফ্ল্যাট রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি ফ্ল্যাটের হোল্ডিং ট্যাক্স দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া রয়েছে, যার পরিমাণ প্রায় ৩২ লাখ টাকার বেশি।</p><p>অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, এসব সম্পদের তথ্য হলফনামায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি, যা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (RPO) অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি কোম্পানির রেকর্ড উল্লেখ করা হয়েছে, জেবা আমিনা খানকে পরিচালক হিসেবে দেখানো হয়। কোম্পানিটি পরবর্তীতে বিলুপ্ত হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। তার জাতীয়তা, বসবাস এবং ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।</p><p>অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, জেবা আমিনা খানের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে বাইগ্যামি, জালিয়াতি, পারিবারিক বিরোধ, সন্তানের অভিভাবকত্ব সংক্রান্ত মামলা এবং সশস্ত্র হামলার অভিযোগ। তবে এসব মামলার কোনোটিরই চূড়ান্ত নিষ্পত্তি বা রায়ের বিষয়ে অভিযোগপত্রে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।</p><h2>তদন্তের দাবি</h2><p>অভিযোগকারী নির্বাচন কমিশনের কাছে অনুরোধ করেছেন, উল্লেখিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে দ্রুত তদন্ত পরিচালনা করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করা হোক। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।</p><h3>আইনজীবীর বক্তব্য</h3><p>এ বিষয়ে অভিযোগকারী মাসুদ মৃধার আইনজীবী বলেন, আমার মক্কেলের কথা অনুযায়ী লিখিত অভিযোগ নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছি। নির্বাচন কমিশন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা না নিলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p><h3>জেবার পক্ষের বক্তব্য</h3><p>এ ব্যাপারে জেবা আমিনার ব্যক্তিগত মোবাইল এবং হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি কল রিসিভ করেননি। জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মীর জিয়াউদ্দিন মিজান বলেন, নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে জেবা আমিনা খানসহ ৩৬ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ করেছে। যে অভিযোগ নির্বাচন কমিশনে দায়ের করা হয়েছে তা মিথ্যা। অভিযোগকারীর বাবার নাম বা ঠিকানা নেই। এসব ভুয়া অভিযোগ নির্বাচন কমিশনের আমলে নেওয়া উচিত নয়।</p><p>উল্লেখ্য, জেবা আমিনা খান ২০১৮ সালে বিএনপির মনোনয়নে ঝালকাঠি-২ আসনে সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:53:20 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ঢাকায় নবীনগর থানা এলাকায় বাসচাপায় পাঁচজন নিহত]]></title>
				<category>সীমান্ত</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/shimanto/article-79683.html</link>
				<description><![CDATA[<p>রাজধানীর নবীনগর থানা এলাকায় একটি বাসের চাপায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। শুক্রবার সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।</p><h2>দুর্ঘটনার বিবরণ</h2><p>প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি যাত্রীবাহী বাস দ্রুতগতিতে আসছিল। পথচারীদের চাপা দিয়ে বাসটি একটি দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই পাঁচজন মারা যান। আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।</p><h3>উদ্ধার ও তদন্ত</h3><p>পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ চালায়। বাসটি জব্দ করা হয়েছে। চালককে আটক করা সম্ভব হয়নি বলে পুলিশ জানিয়েছে। তদন্ত চলছে।</p><p>স্থানীয়রা জানান, এলাকায় প্রায়ই বাসের দ্রুতগতির কারণে দুর্ঘটনা ঘটে। তারা দ্রুত গতিরোধ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:38:38 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[অন্তর্বর্তী সরকারের দুই রাষ্ট্রদূতের নিয়োগ বাতিল]]></title>
				<category>কূটনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/kutniti/article-79682.html</link>
				<description><![CDATA[<p>অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নিয়োগ পাওয়া দুই জন রাষ্ট্রদূতের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ আদেশ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।</p><p>প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. ময়নুল ইসলাম এবং সাবেক সচিব ড. এম মাহফুজুল হকের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করা হয়েছে।</p><p>উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১০ এপ্রিল ময়নুল ইসলামকে চুক্তিতে পোল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত এবং ২০২৪ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর মাহফুজুল হককে পর্তুগালের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ দেওয়া হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় চুক্তিতে নিয়োগ পাওয়া ময়নুল ও মাহফুজুলসহ চার রাষ্ট্রদূতকে গত ৮ মার্চ প্রত্যাহার করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এখন তাদের নিয়োগের বাকি মেয়াদ বাতিল করলো সরকার।</p><p>এই বাতিলকরণের ফলে কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দেওয়া চুক্তিভিত্তিক নিয়োগগুলো পরবর্তী সরকারের নীতির কারণে পুনর্বিবেচনার মুখে পড়তে পারে। একইসঙ্গে, এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নেওয়া প্রশাসনিক পদক্ষেপের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:41:03 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ঈশ্বরদী কলেজে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ]]></title>
				<category>গণতন্ত্র</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/gonotontro/article-79681.html</link>
				<description><![CDATA[<p>পাবনার ঈশ্বরদী সরকারি কলেজ চত্বরে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের পৃথক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ এবং কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের বেশ কয়েকজন আহতের খবর পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঈশ্বরদী সরকারি কলেজ সংলগ্ন এলাকায় এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।</p><h2>সংঘর্ষের সূত্রপাত</h2><p>সংঘর্ষ চলাকালে ছাত্রদলের একটি অস্থায়ী কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ঈশ্বরদী উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি সজিব হাসান জানান, কলেজে তাদের পূর্বনির্ধারিত বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল। এ জন্য কলেজ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেওয়া হয়েছিল এবং পুলিশ-প্রশাসনের সহযোগিতাও কামনা করা হয়। তিনি বলেন, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বকুল মোড় থেকে মিছিল নিয়ে কলেজ গেটের সামনে পৌঁছালে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। ছাত্রদলের কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনায় ছাত্রশিবিরের কেউ জড়িত কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত নন বলে দাবি করেন তিনি।</p><h2>ছাত্রদলের অভিযোগ</h2><p>অন্যদিকে, ঈশ্বরদী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ইমরান হোসেন খান অভিযোগ করেন, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করছিলেন। এ সময় ১০০-১৫০ জন শিবির কর্মী বহিরাগতদের সঙ্গে নিয়ে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে এবং ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, শিবির কর্মীরাই কলেজ গেটের সামনে ছাত্রদলের অস্থায়ী কার্যালয় ভাঙচুর করে।</p><h2>পুলিশের বক্তব্য</h2><p>এ বিষয়ে আমবাগান পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ মো. আফজাল হোসেন বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। উভয়পক্ষই ক্যাম্পাস ত্যাগ করেছে এবং ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:53:47 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[এইচএসসি ফরম পূরণের সময়সীমা বাড়ল ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত]]></title>
				<category>উচ্চশিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/uccho-shikkha/article-79680.html</link>
				<description><![CDATA[<p>চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য ফরম পূরণের সময়সীমা বাড়িয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিলম্ব ফিসহ আগামী ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত ফরম পূরণ করা যাবে।</p><h2>বিজ্ঞপ্তি জারি</h2><p>বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বোর্ডের আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের কাছে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।</p><h3>সময়সীমা বৃদ্ধির কারণ</h3><p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ এবং ‘সোনালী সেবা’র মাধ্যমে ফি পরিশোধের সময়সীমা বাড়িয়ে ২৮ এপ্রিল নির্ধারণ করা হয়েছে। শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্টরা জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনেক শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করতে না পারায় তাদের সুযোগ দিতে এই সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে।</p><p>এ সিদ্ধান্তে পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীরা নতুন করে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। আগামী ২৮ এপ্রিলের মধ্যে বিলম্ব ফি জমা দিয়ে শিক্ষার্থীরা ফরম পূরণ সম্পন্ন করতে পারবেন।</p><p>ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন শিক্ষক ও অভিভাবকরা। তারা মনে করেন, এতে করে অনেক শিক্ষার্থী সময়মতো পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:46:58 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[সরকার নতুন করে টাকা ছাপানো শুরু করেছে: পিআরআই’র প্রধান অর্থনীতিবিদ]]></title>
				<category>কর</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/kar/article-79679.html</link>
				<description><![CDATA[<p>আজ রাজধানীর বনানীতে পিআরআইয়ের নিজস্ব কার্যালয়ে ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা নিয়ে এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স, বাংলাদেশের (আইসিসিবি) সভাপতি মাহবুবুর রহমান।</p><h2>টাকা ছাপানোর অভিযোগ</h2><p>সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) মূখ্য অর্থনীতিবিদ আশিকুর রহমান বলেন, সরকার নতুন করে টাকা ছাপানো শুরু করেছে। তিনি বলেন, ‘মার্চ মাসেই বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সরকার ২০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। এটা হাইপাওয়ার মানি, ছাপানো টাকা। অর্থাৎ এটার প্রভাবে মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে।’</p><h2>সংস্কারের আহ্বান</h2><p>আশিকুর রহমান আরও বলেন, ‘আমরা সংস্কার থেকে পিছিয়ে গেলে সেটা আত্মঘাতী হবে। আশা করছি সরকার ব্যাংক রেজোল্যুশন পর্যালোচনা করবে। সংস্কার থেকে পিছিয়ে এসে সরকার আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিষয়ে অপ্রয়োজনীয় টেনশন সৃষ্টি করেছে।’</p><h3>প্রধান অতিথির বক্তব্য</h3><p>প্রধান অতিথি মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘বিনিয়োগ নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে এখনই দ্বিধা–দ্বন্দ্ব কাজ করছে। তারা গ্যাস বিদ্যুৎ পাবেন কি না সেই চিন্তা করছে। সরকার ও ব্যবসায়ীদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’</p><h3>সভাপতির বক্তব্য</h3><p>পিআরআই চেয়ারম্যান জাইদি সাত্তার বলেন, সব জিনিসের দামের ওপরে জ্বালানির প্রভাব রয়েছে। হরমুজ ইস্যুতে বৈশ্বিক অর্থনীতিতেই চাপ পড়ছে। তাই নির্বাচিত সরকারকে বড় সংস্কারের দিকে যেতে হবে।</p><p>সেমিনারে আরও বক্তারা অর্থনৈতিক সংস্কার ও মূল্যস্ফীতি নিয়ে আলোচনা করেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:50:41 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[রাজধানীতে হামে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা চলছে, মৃত্যু বেড়ে ৩৯]]></title>
				<category>রোগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/swasthyo/rog/article-79678.html</link>
				<description><![CDATA[<p>রাজধানীর ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালে হামে আক্রান্ত শিশুরা চিকিৎসা নিচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে এক শিশু ও হামের উপসর্গ নিয়ে চার শিশু মারা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামে মোট ৩৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৯৪টি শিশুর।</p><h2>হামের প্রকোপ ও হাসপাতালে ভর্তি</h2><p>আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম–বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়েছে ১২৫টি শিশু। আর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮৪৭ জন। হামের সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে।</p><h3>চিকিৎসা ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা</h3><p>ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালে হামে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হাম প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামের বিস্তার রোধে সতর্কতা ও টিকাদান অত্যন্ত জরুরি।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:38:00 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[হাম রোগী ফিরিয়ে না দেওয়ার নির্দেশ সরকারি হাসপাতালকে]]></title>
				<category>জনস্বাস্থ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/swasthyo/jonswasthyo/article-79677.html</link>
				<description><![CDATA[<p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (ডিজিএইচএস) সরকারি হাসপাতালগুলোকে শয্যা সংখ্যা বাড়াতে এবং হামের সংক্রমণ বৃদ্ধির মধ্যে কোনো রোগীকে ফিরিয়ে না দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।</p><h2>নির্দেশনা জারি</h2><p>২১ এপ্রিল মোহাখালীর স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কার্যালয় থেকে জারি করা এই নির্দেশনা বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. আবু হোসেন মো. মাইনুল আহসান স্বাক্ষরিত আদেশে সব সরকারি হাসপাতালকে অবিলম্বে ব্যবস্থা বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।</p><h3>প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা</h3><p>নির্দেশনা অনুযায়ী, হামের উপসর্গ দেখা দিলে শয্যা না থাকলেও রোগীদের ভর্তি করতে হবে এবং প্রয়োজনে অতিরিক্ত শয্যার ব্যবস্থা করতে হবে। তবে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে জেলা হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রমাণ রেফারেল চেইন অনুসরণ করতে হবে।</p><h3>দায়বদ্ধতা</h3><p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সতর্ক করে বলেছে, নির্দেশনা লঙ্ঘনের জন্য সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের প্রধানকে দায়ী করা হবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:35:30 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[হরমোনজনিত রোগে আক্রান্ত দেশের অর্ধেক মানুষ, বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা]]></title>
				<category>জনস্বাস্থ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/swasthyo/jonswasthyo/article-79676.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশে হরমোনজনিত স্বাস্থ্য সমস্যা নীরবে মহামারির আকার ধারণ করছে। বর্তমানে দেশের প্রায় অর্ধেক মানুষ কোনো না কোনো হরমোনজনিত সমস্যায় ভুগছেন। তবে রোগ জটিল পর্যায়ে না পৌঁছানো পর্যন্ত অধিকাংশ মানুষই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হচ্ছেন না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শরীরের হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হলে প্রায় ৪০০ ধরনের রোগ হতে পারে।</p><h2>সংবাদ সম্মেলনে তথ্য</h2><p>গতকাল বুধবার দুপুরে রাজধানীর পরিবাগে অ্যাসোসিয়েশন অব ক্লিনিক্যাল এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট অ্যান্ড ডায়াবেটোলজিস্ট অব বাংলাদেশ (এসেডবি) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। বিশ্ব হরমোন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে সহযোগিতা করেছে রেনাটা পিএলসি।</p><h2>কেন বাড়ছে হরমোন সমস্যা</h2><p>সংবাদ সম্মেলনে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা জানান, মূলত জীবনযাত্রার অনিয়ম, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং শারীরিক পরিশ্রমের অভাবই এই সংকটের প্রধান কারণ। এ ছাড়া পরিবেশগত প্রভাব যেমন প্লাস্টিকের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার, রাসায়নিক দ্রব্যের সংস্পর্শ এবং আধুনিক প্রযুক্তির বিকিরণ হরমোনের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে।</p><p>এসেডবি–এর সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. ফরিদ উদ্দিন বলেন, শরীরে প্রায় ৫০ রকমের হরমোন থাকে। এগুলোর ভারসাম্য নষ্ট হলে ডায়াবেটিস, থাইরয়েড বা উচ্চ রক্তচাপের মতো মারাত্মক রোগ সৃষ্টি হয়। অনেক ক্ষেত্রে কোনো অস্ত্রোপচার বা অন্য রোগের পরীক্ষা করতে গিয়ে হঠাৎ এসব রোগ ধরা পড়ে। এর ফলে আক্রান্ত ব্যক্তিদের বড় একটি অংশ জানতেই পারেন না যে তারা দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।</p><h2>প্রতিরোধের উপায়</h2><p>অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন জানান, অধিকাংশ হরমোনজনিত রোগই প্রতিরোধযোগ্য। নিয়মিত ব্যায়াম, সুষম খাদ্য গ্রহণ, পর্যাপ্ত ঘুম এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে এই ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব। তিনি অপচিকিৎসা পরিহার করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানান।</p><p>ঢাকা মেডিকেল কলেজের এন্ডোক্রাইনোলজি ও মেটাবলিজম বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. ইন্দ্রজিৎ প্রসাদ বলেন, হরমোন নিয়ে সামাজিক ট্যাবু বা ভুল ধারণা দূর করে বৈজ্ঞানিক চিকিৎসার ওপর নির্ভর করতে হবে। অপচিকিৎসা বা অবৈজ্ঞানিক প্রচারণা থেকে দূরে থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণই হতে পারে সুস্থ জীবনের প্রধান চাবিকাঠি। পরিশেষে বলা যায়, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাত্রা শুধু একটি রোগ নয়, বরং শত শত রোগের ঝুঁকি তৈরি করছে। তাই এখনই সময়—সচেতন হওয়া, জীবনযাত্রা বদলানো এবং সুস্থ ভবিষ্যতের জন্য সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া।</p><h2>ঝুঁকিতে শিশু ও নারীরা</h2><p>বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, হরমোনজনিত সমস্যা এখন আর কেবল বয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। অতিরিক্ত স্ক্রিন-নির্ভরতা, খেলাধুলার অভাব এবং ফাস্টফুড আসক্তির কারণে শিশু-কিশোর ও তরুণদের মধ্যে স্থূলতা ও ডায়াবেটিস দ্রুত বাড়ছে। এটি ভবিষ্যতে তাদের হৃদ্‌রোগ ও কিডনি জটিলতার ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডা. শারমিন জাহান নারীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি প্রসঙ্গে বলেন, নারীদের মধ্যে পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (পিসিওএস), অনিয়মিত মাসিক ও বন্ধ্যত্বের মতো সমস্যাগুলো এখন প্রকট। সামাজিক সংকোচ বা ট্যাবু ভেঙে বৈজ্ঞানিক চিকিৎসার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা।</p><p>সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন এসেডবি–এর সহসভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. রুহুল আমীন, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. এ কে এম আমিনুল ইসলাম, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. এম এ হালিম খান, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. নুসরাত সুলতানা, সহযোগী অধ্যাপক ডা. হুরজাহান বানু, রেনাটা পিএলসির হেড অব মার্কেটিং (ডার্মা পোর্টফোলিও) মো. খায়রুল ইসলাম প্রমুখ।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:42:41 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[কাঁধ ও হাঁটুর আঘাত: কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা পদ্ধতি]]></title>
				<category>চিকিৎসক</category>
				<link>https://bdgazette.com/swasthyo/chikitsok/article-79675.html</link>
				<description><![CDATA[<p>কাঁধ ও হাঁটু আমাদের শরীরের সবচেয়ে সক্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ জোড়া। হঠাৎ পড়ে যাওয়া, খেলাধুলায় ধাক্কা খাওয়া, ভারী কিছু তোলা বা ভুল ভঙ্গিতে দীর্ঘ সময় কাজ করা ইত্যাদি কারণে কাঁধ বা হাঁটুতে আঘাত লাগতে পারে। হাঁটুর ক্ষেত্রে লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়া, মেনিকাসে আঘাত বা বয়সজনিত অস্টিওআর্থ্রাইটিস ব্যথার বড় কারণ। কাঁধে পেশি ও ল্যাব্রাম ইনজুরি, টেনডনে প্রদাহ (টেনডিনাইটিস) বা জোড়া ছুটে যাওয়া (ডিসলোকেশন) থেকে সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ ছাড়া অতিরিক্ত ওজন, নিয়মিত ব্যায়ামের অভাব ও বয়সজনিত ক্ষয়ও বড় ভূমিকা রাখে।</p><h2>লক্ষণ ও প্রাথমিক করণীয়</h2><p>তীব্র ব্যথা বা হঠাৎ ফুলে যাওয়া, জোড়া নাড়াতে কষ্ট হওয়া, হাঁটু লক হয়ে যাওয়া বা কাঁধে ক্লিক শব্দ, ছুটে যাওয়া, দুর্বলতা বা অস্থিরতা অনুভব করা—এসব হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। আঘাত পাওয়ার প্রথম ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা রোগীর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ অবস্থায় বিশ্রাম নিতে হবে এবং আক্রান্ত অংশে চাপ কমানোর চেষ্টা করতে হবে। বরফ সেঁক দিতে হবে দিনে ১৫ থেকে ২০ মিনিট কয়েকবার। ইলাস্টিক ব্যান্ডেজ ব্যবহার করা যেতে পারে। হাঁটুর ক্ষেত্রে পা সামান্য উঁচুতে রাখতে হবে। নিজে নিজে মালিশ বা জোর করে ব্যায়াম বিপজ্জনক হতে পারে।</p><h2>চিকিৎসার ধাপ</h2><h3>ওষুধ ও নিয়ন্ত্রিত বিশ্রাম</h3><p>হালকা থেকে মাঝারি আঘাতে ব্যথানাশক ও প্রদাহনাশক ওষুধ দেওয়া হয়। তবে সম্পূর্ণ বিশ্রামে না থেকে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সীমিত নড়াচড়া জরুরি, যাতে জোড়া শক্ত হয়ে না যায়।</p><h3>ব্রেস বা সাপোর্ট</h3><p>হাঁটুর জন্য নি-ব্রেস ও কাঁধের জন্য স্লিং ব্যবহার করা হতে পারে। এটি জোড়া স্থিতিশীল রাখে এবং আঘাতের ঝুঁকি কমায়।</p><h3>ফিজিওথেরাপি</h3><p>কাঁধ বা হাঁটুর আঘাতে বা ব্যথায় গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ফিজিওথেরাপি। ধাপে ধাপে ব্যথা কমানো, পেশি নমনীয় করা, শক্তি বৃদ্ধি ও ব্যালান্স ট্রেনিং করানো হয়। নিয়মিত ব্যায়াম না করলে ব্যথা ফিরে আসতে পারে।</p><h3>ইনজেকশন</h3><p>কিছু ক্ষেত্রে স্টেরয়েড ইনজেকশন দেওয়া হয়, যা প্রদাহ কমাতে ও টিস্যু পুনর্গঠনে সাহায্য করে।</p><h3>অস্ত্রোপচার</h3><p>লিগামেন্ট সম্পূর্ণ ছিঁড়ে গেলে, মেনিকাস গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে, কাঁধের পেশি পুরোপুরি এবং ল্যাব্রাম ছিঁড়ে গেলে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে। বর্তমানে আর্থ্রোস্কোপিক পদ্ধতিতে ছোট ছিদ্র করে অস্ত্রোপচার করা হয়, যা তুলনামূলক নিরাপদ ও দ্রুত সুস্থতা নিশ্চিত করে।</p><p>অধ্যাপক ডা. জি এম জাহাঙ্গীর হোসেন, অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগ, জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (নিটোর), ঢাকা</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:11:24 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ছাত্রলীগ জয় বাংলা বলে হামলা করত, শিবির নারায়ে তাকবীর বলে: রাশেদ খাঁন]]></title>
				<category>রাজনৈতিক জোট</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/rajnoitik-jot/article-79674.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন মন্তব্য করেছেন যে, আগে ছাত্রলীগ হামলা করতো 'জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু' বলে, কিন্তু এখন ছাত্রশিবির হামলা শুরু করেছে 'নারায়ে তাকবীর, আল্লাহু আকবার' বলে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।</p><h2>ঈশ্বরদী কলেজে শিবিরের তাণ্ডব</h2><p>তিনি বলেন, এই স্লোগান মুখে নিয়ে পাবনার ঈশ্বরদী কলেজে শিবির এমন তাণ্ডব ও ভাঙচুর চালিয়েছে। ক্ষমতায় থাকলে নাকি সেই ছাত্র সংগঠন আধিপত্য বিস্তার করে। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করছি প্রথমবারের মতো বিরোধীদল হয়ে ছাত্রশিবিরের দাপট।</p><h3>ক্যাম্পাস দখল ও রাজনীতি</h3><p>রাশেদ বলেন, সাধারণ শিক্ষার্থীর বেশ ধরে ক্যাম্পাস দখল করে রেখেছে তারা এবং ছাত্রদল কোনো ধরনের রাজনৈতিক কর্মযজ্ঞ করতে গেলে সেটাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। এর আগে হল কমিটি গঠন নিয়ে একই নাটক করেছিল। কিন্তু নির্বাচনের আগে ও পরে দেখেছি জামায়াতে ইসলামীর ভোট চাওয়ার নামে ছাত্রশিবির সবচেয়ে বেশি লেজুড়বৃত্তি করেছে। তারা তো ডাকসুসহ সকল ছাত্র সংসদকে নিজেদের কার্যালয় বানিয়ে ফেলেছে।</p><h3>গণঅভ্যুত্থানের অংশীজনদের বিতর্কিত করা</h3><p>বিএনপির এ নেতা আরও বলেন, এছাড়া নিজেদের স্টেক ও ক্রেডিট নিতে গিয়ে গণঅভ্যুত্থানের অন্যান্য অংশীজনদের বিতর্কিতও করেছে। এনসিপির মতো কেউ কেউ পরবর্তীতে জামায়াত জোটে গিয়ে কোনো রকম বেঁচে আছে।</p><h3>পবিত্র স্লোগানকে ব্যবহারের অপচেষ্টা</h3><p>পোস্টের শেষে রাশেদ বলেন, জামায়াত শিবিরের রাজনীতি এমন যে, ওদের সমালোচনা করলে বটবাহিনী লেলিয়ে দেয়। সেটাও না হয় মানা যায়। কিন্তু আজকে দেখলাম হামলার সময় 'নায়ারে তাকবীর আল্লাহু আকবার'-এর মতো পবিত্র স্লোগানকে ব্যবহার করে বিতর্কিত করার চূড়ান্ত রকমের অপচেষ্টা করলো ছাত্রশিবির।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:27:58 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ট্রাম্পের দূতের প্রস্তাব: ইরানের বদলে ইতালি বিশ্বকাপে খেলুক]]></title>
				<category>ফুটবল</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/football/article-79673.html</link>
				<description><![CDATA[<p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একজন বিশেষ দূত বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফাকে প্রস্তাব দিয়েছেন যে, ইরানের পরিবর্তে ইতালিকে বিশ্বকাপে অন্তর্ভুক্ত করা হোক। ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।</p><h2>পাওলো জাম্পোলির প্রস্তাব</h2><p>যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত পাওলো জাম্পোলি ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে জানিয়েছেন, চারবারের বিশ্বকাপজয়ী ইতালিকে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডায় অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপের ফাইনালে দেখা তার জন্য 'স্বপ্ন' হবে। গত মাসে বাছাইপর্বের প্লে-অফে হেরে ইতালি বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যায়।</p><p>প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই প্রস্তাবটি ট্রাম্প এবং ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির মধ্যে সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের একটি প্রচেষ্টা। ইরান যুদ্ধ নিয়ে পোপ লিও চতুর্দশের ওপর ট্রাম্পের আক্রমণের সমালোচনা করে মেলোনি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন।</p><p>জাম্পোলি ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে বলেন, 'আমি নিশ্চিত করছি যে আমি ট্রাম্প এবং ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফ্যান্টিনোকে প্রস্তাব দিয়েছি যে ইরানের পরিবর্তে ইতালি বিশ্বকাপে খেলুক। আমি ইতালীয় বংশোদ্ভূত এবং যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টে আজ্জুরিদের দেখা আমার জন্য স্বপ্ন হবে। চারটি শিরোপা নিয়ে তাদের অন্তর্ভুক্তি সমর্থন করার মতো যথেষ্ট সুনাম রয়েছে।'</p><h2>ইতালির বিশ্বকাপ স্বপ্ন ভঙ্গ</h2><p>বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে বাছাইপর্বের প্লে-অফ ফাইনালে পেনাল্টি শুটআউটে হেরে টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ হারায় ইতালি।</p><h2>ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে সংশয়</h2><p>২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের কারণে ইরানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। ইরানের ফুটবল ফেডারেশন (এফএফআইআরআই) এপ্রিল মাসে জানিয়েছিল যে তারা ইরানের বিশ্বকাপ ম্যাচগুলো যুক্তরাষ্ট্র থেকে মেক্সিকোতে সরানোর জন্য ফিফার সাথে 'আলোচনা' করছে।</p><p>তবে গত মাসে তুরস্কে ইরানের কোস্টা রিকার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে অংশ নেওয়ার সময় ইনফ্যান্টিনো এএফপিকে জানিয়েছিলেন, ইরান বিশ্বকাপে থাকবে এবং তারা 'ড্র অনুযায়ী যেখানে থাকার কথা সেখানেই খেলবে'।</p><p>জাম্পোলি একজন ইতালীয়-আমেরিকান সোশ্যালাইট, ব্যবসায়ী এবং সাবেক মডেলিং এজেন্ট। তিনি দাবি করেন যে তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে তার বর্তমান স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্পের পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:40:34 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ, লোডশেডিং ৪ হাজার মেগাওয়াট ছাড়াল]]></title>
				<category>জ্বালানি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/jbalani/article-79672.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশজুড়ে লোডশেডিং ৪ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে, যা সাধারণ মানুষের জীবনে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি করেছে। এই পরিস্থিতিতে সরকার জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রেখেছে সংকট উত্তরণের জন্য।</p><h2>বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ</h2><p>বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধের কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহে মারাত্মক ঘাটতি দেখা দিয়েছে। ফলে লোডশেডিং বেড়ে ৪ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্যুৎ না থাকায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।</p><h3>জ্বালানি আমদানি অব্যাহত</h3><p>সরকার সংকট উত্তরণে বড় পরিসরে জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রেখেছে। তবে এতেও বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে না বলে বিশেষজ্ঞরা মন্তব্য করেছেন। তারা দ্রুত বিদ্যুৎকেন্দ্র মেরামত ও বিকল্প জ্বালানি ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দিয়েছেন।</p><h3>অন্যান্য খবর</h3><ul><li>বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য যুক্তরাজ্যের শিক্ষাবৃত্তি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।</li><li>সংরক্ষিত নারী আসনে ৪৯ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।</li><li>সরকারি ৬ বন্ধ পাটকল চালু হচ্ছে বলে জানা গেছে।</li><li>ঢাকা থেকে ইরানে জরুরি সহায়তা পাঠানো হয়েছে।</li></ul><p>এদিকে ক্রিকেটে শান্তর সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ ২৬৫ রান সংগ্রহ করেছে। পাম্পে শৃঙ্খলা ফেরাতে ইউএনওর হাতে লাঠি ও বাইকারকে চড় মারার ঘটনাও আলোচিত হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:09:02 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[এক হাজার মাদ্রাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু হবে]]></title>
				<category>কারিগরি শিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/karigori-shikkha/article-79671.html</link>
				<description><![CDATA[<p>দেশের এক হাজার মাদ্রাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকালে প্রশ্নোত্তর পর্বে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাতের (হাসনাত আবদুল্লাহ) টেবিলে উত্থাপিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২০তম দিন বৃহস্পতিবার সংসদে সভাপতিত্ব করছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।</p><h2>সংসদ সদস্যের প্রশ্ন</h2><p>কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাত প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘মাদ্রাসা শিক্ষায় বাংলাদেশের ২ কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী রয়েছে এবং ৪০ লাখেরও বেশি প্রাথমিক স্তরে মাদ্রাসায় পড়ছে। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, মাদ্রাসার স্নাতকরা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বাইরে কর্মসংস্থানে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়ে থাকেন। এ বিশাল জনগোষ্ঠীকে কর্মবাজারমুখী করতে মন্ত্রণালয় কী কার্যকর পরিকল্পনা নিয়েছে এবং কবে নাগাদ সেগুলো আলোর মুখ দেখবে?’</p><h3>শিক্ষামন্ত্রীর জবাব</h3><p>জবাবে ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে মাদ্রাসার কারিকুলামে পেশাভিত্তিক ও বৃত্তিমূলক বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। মাদ্রাসায় ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, আইটি ও ইংরেজি ভাষা শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ কর্তৃক গঠিত একটি কমিটি মাদ্রাসার কারিকুলাম যুগোপযোগী করার এ কাজ শুরু করেছে। সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী সবার জন্য কারিগরি শিক্ষা নিশ্চিত লক্ষ্যে প্রতিটি মাদ্রাসায় কারিগরি ট্রেড চালু করা হবে।</p><h3>বর্তমান অগ্রগতি</h3><p>শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি মাদ্রাসাগুলোতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের কারিগরি শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৫৪৮টি মাদ্রাসায় ভোকেশনাল কোর্স চালু করা হয়েছে। আরও এক হাজার মাদ্রাসায় পর্যায়ক্রমে কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু করা হবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:29:43 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[হরমুজ প্রণালী পরিষ্কারে ৬ মাস লাগতে পারে: পেন্টাগন]]></title>
				<category>জ্বালানি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/jbalani/article-79670.html</link>
				<description><![CDATA[<p>পেন্টাগনের একটি মূল্যায়নে বলা হয়েছে, ইরানের পুঁতে রাখা মাইন থেকে হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণ পরিষ্কার করতে ছয় মাস সময় লাগতে পারে, যা তেলের দাম উচ্চ রাখতে পারে। ওয়াশিংটন পোস্ট বুধবার এই খবর প্রকাশ করে।</p><h2>যুদ্ধের প্রভাব</h2><p>মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ প্রায় সম্পূর্ণরূপে অবরুদ্ধ করে রেখেছে, যা তেল ও গ্যাসের দাম তীব্রভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে এবং বিশ্ব অর্থনীতিকে ব্যাহত করেছে।</p><p>শান্তিকালে বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস যে প্রণালী দিয়ে যায়, তা একটি অনিশ্চিত যুদ্ধবিরতির সময়ও মূলত বন্ধ ছিল, যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজস্ব অবরোধ আরোপ করে।</p><h2>মাইন পরিষ্কারের সময়সীমা</h2><p>ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমনকি যদি শত্রুতা শেষ হয় এবং অবরোধ তুলে নেওয়া হয়, তবুও জলপথ থেকে মাইন পরিষ্কার করতে মাস সময় লাগতে পারে। পেন্টাগনের মূল্যায়নে বলা হয়েছে, যুদ্ধ শেষ হওয়ার আগে এই ধরনের অভিযান শুরু হওয়ার সম্ভাবনা নেই।</p><p>প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ছয় মাসের এই অনুমান হাউস আর্মড সার্ভিসেস কমিটির সদস্যদের সাথে একটি শ্রেণীবদ্ধ ব্রিফিংয়ে শেয়ার করা হয়েছিল। আইনপ্রণেতাদের জানানো হয় যে ইরান প্রণালীটিতে এবং তার আশেপাশে ২০ বা তার বেশি মাইন স্থাপন করেছে, যার মধ্যে কিছু জিপিএস প্রযুক্তি ব্যবহার করে দূরবর্তীভাবে ভাসানো হয়েছে, যা তাদের সনাক্ত করা কঠিন করে তোলে।</p><h2>পেন্টাগনের অস্বীকৃতি</h2><p>পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল এএফপিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে প্রতিবেদনটি অস্বীকার করে বলেন, “হরমুজ প্রণালীর ছয় মাস বন্ধ থাকা একটি অসম্ভব বিষয় এবং সেক্রেটারির কাছে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।” পার্নেল বলেন, পোস্টের প্রতিবেদনটি একটি “শ্রেণীবদ্ধ, বন্ধ ব্রিফিং”-এর উপর ভিত্তি করে তৈরি, তবে অনেক তথ্য “মিথ্যা”।</p><h2>ইরানের সতর্কতা</h2><p>ইরানের বিপ্লবী গার্ড ১,৪০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে একটি “বিপদজনক অঞ্চল” সম্পর্কে সতর্ক করেছে – যা প্যারিসের আকারের ১৪ গুণ – যেখানে মাইন থাকতে পারে। ইরানের সংসদের স্পিকার বলেছেন, যতক্ষণ মার্কিন নৌ অবরোধ থাকবে, ততক্ষণ ইসলামিক প্রজাতন্ত্র প্রণালীটি পুনরায় খুলবে না।</p><p>জার্মান পরিবহন জায়ান্ট হাপাগ-লয়েডের একজন মুখপাত্র গত সপ্তাহে সতর্ক করে বলেছিলেন, শিপারদের কার্যকর রুট সম্পর্কে বিস্তারিত জানা দরকার, কারণ তারা মাইন সম্পর্কে ভীত।</p><h2>যুদ্ধবিরতির পর পরিস্থিতি</h2><p>এই মাসের শুরুতে যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার সময় হরমুজ প্রণালী সংক্ষিপ্তভাবে পুনরায় খোলা হলে, আক্রমণ বা মাইনের আশঙ্কায় মাত্র কয়েকটি জাহাজ এর মধ্য দিয়ে যায়। এপ্রিলের শুরুর দিকে, মার্কিন নৌবাহিনী বলেছিল যে তাদের জাহাজগুলি মাইন অপসারণ শুরু করার জন্য জলপথ অতিক্রম করেছে, কিন্তু ইরানের বিপ্লবী গার্ড এই দাবি অস্বীকার করে এবং চ্যানেল অতিক্রম করার চেষ্টাকারী যেকোনো সামরিক জাহাজকে হুমকি দেয়।</p><h2>আন্তর্জাতিক উদ্যোগ</h2><p>লন্ডনে বুধবার থেকে ৩০টিরও বেশি দেশের সামরিক পরিকল্পনাকারীদের সাথে আলোচনা শুরু হয়েছে, যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর হরমুজ প্রণালীতে নেভিগেশন রক্ষার জন্য যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের নেতৃত্বে একটি বহুজাতিক মিশন নিয়ে। এই “প্রতিরক্ষামূলক” জোট প্রণালী পুনরায় খোলা এবং মাইন পরিষ্কার অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:06:46 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[সম্মিলিত প্রচেষ্টায় হাম নিয়ন্ত্রণে এসেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী]]></title>
				<category>পুষ্টি</category>
				<link>https://bdgazette.com/swasthyo/pushti/article-79669.html</link>
				<description><![CDATA[<p>সম্মিলিত প্রচেষ্টায় হাম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে উল্লেখ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, সবার প্রচেষ্টায় আমরা হাম মোটামুটি একটা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আনতে সক্ষম হচ্ছি। অনেক ডাক্তারদের সঙ্গে আলাপ হয়েছে। একটা চীনা টিমের সঙ্গেও আলাপ হয়েছে।</p><h2>জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বোধন</h2><p>বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আয়োজিত ‘জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ-২০২৬’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।</p><h3>ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা</h3><p>স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমারও ছোটবেলায় হাম হয়েছিল, আমার মনে আছে এবং তখনকার মায়েদের একটা কথা ছিল, জন্মের পরে একবার হাম হবেই। একবার জলবসন্ত হবেই।</p><h2>বুকের দুধ খাওয়ানোর গুরুত্ব</h2><p>এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশের সকল স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতি ‘মায়ের শাল দুধের বিকল্প নেই’ এমন প্রচারণা বৃদ্ধি করার আহ্বান জানান। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, এখনকার মায়েরা ব্রেস্টফিডিংয়ে অভ্যস্ত না। দিন দিন কমে আসছে। একদিকে সিজারিয়ান অপারেশনে বেবি হওয়া, তার শারীরিক গঠন অত্যন্ত দুর্বল এবং মারাত্মক হুমকির মুখামুখি নিয়ে যায় শিশুকে। একটি বাচ্চা যখন মায়ের পেটে গড়ে ওঠে, যতক্ষণ না আল্লাহ নির্ধারিত সময়ে সে বের হবে, দুনিয়ার মুখ না দেখবে, ততক্ষণ পর্যন্ত সে মায়ের কাছ থেকে পেটে পুষ্টি নিতেই থাকে।</p><h3>স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতি আহ্বান</h3><p>পুষ্টিকর্মীদের উদ্দেশ্য করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমার অনুরোধ থাকবে আপনাদের কাছে, যারা ঘরে ঘরে যান, মায়েদেরকে বলা যাতে করে বাচ্চাদেরকে বুকের দুধ পান করান।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:34:24 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[নিউইয়র্কে বিশ্বকাপের আগে গণশৌচাগার সংকট]]></title>
				<category>ফুটবল</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/football/article-79668.html</link>
				<description><![CDATA[<p>আর কিছু দিন পরই পর্দা উঠবে ফুটবল বিশ্বকাপের। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হবে এবারের বিশ্বকাপ। এরই মধ্যে নতুন এক অপ্রত্যাশিত সমস্যায় পড়েছে বিশ্বকাপের শহর নিউইয়র্ক সিটি। আসরকে সামনে রেখে শহরটিতে দেখা দিয়েছে গণশৌচাগারের সংকট, যা লাখো দর্শনার্থীকে নতুন ভোগান্তিতে ফেলতে পারে।</p><h2>সংকটের কারণ</h2><p>স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপের একাধিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে নিউইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে। ধারণা করা হচ্ছে, এই সময় নিউইয়র্ক ও আশপাশের এলাকায় এক মিলিয়নেরও বেশি মানুষ আসবেন। কিন্তু বর্তমান পরিসংখ্যান বলছে, শহরটিতে প্রতি প্রায় ৮,৫০০ মানুষের জন্য রয়েছে মাত্র একটি গণশৌচাগার। ফলে সাধারণ সময়েই পার্ক ও পর্যটন এলাকায় দীর্ঘ লাইনের সমস্যা দেখা যায়।</p><h2>ম্যাচের তালিকা ও দর্শক চাপ</h2><p>মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে মোট আটটি ম্যাচ—যার মধ্যে রয়েছে গ্রুপ পর্বের পাঁচটি ম্যাচ, নকআউটের দুটি ম্যাচ এবং ফাইনাল। ফলে এই অঞ্চলে দর্শক সমাগম হবে সবচেয়ে বেশি। বিশ্বকাপের সময় চাপ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা। নিউইয়র্ক ও নিউ জার্সির মধ্যে সমর্থকদের যাতায়াত, বিশেষ করে মেটলাইফ স্টেডিয়ামকে ঘিরে, মৌলিক সেবাগুলোর ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করবে।</p><h3>কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনা</h3><p>নিউইয়র্ক শহর কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে শৌচাগার সুবিধা বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করেছে। তাদের মতে, এমন একটি বড় আয়োজনের সময় মৌলিক সুবিধা নিশ্চিত করা না গেলে শহরের ভাবমূর্তিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:04:36 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[তীব্র দাবদাহে বিপর্যস্ত জনজীবন, ২৭ জেলায় তাপপ্রবাহ]]></title>
				<category>পরিবেশ</category>
				<link>https://bdgazette.com/jibonjapon/poribesh/article-79667.html</link>
				<description><![CDATA[<p>তীব্র দাবদাহে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা পৌঁছেছে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, রাজশাহী বিভাগসহ দেশের ২৭ জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।</p><h2>তাপপ্রবাহের বর্তমান অবস্থা</h2><p>বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এতে বলা হয়, রাজশাহী জেলার ওপর দিয়ে বর্তমানে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এছাড়া রাজশাহী বিভাগের অন্যান্য অংশসহ খুলনা বিভাগ এবং ঢাকা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, মাদারীপুর, দিনাজপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, লক্ষ্মীপুর, রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আবহাওয়া অফিস।</p><h3>সিনপটিক অবস্থা ও বৃষ্টির সম্ভাবনা</h3><p>সিনপটিক অবস্থা নিয়ে বলা হয়, লঘুচাপের একটি বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর প্রভাবে আজ ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একইসঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।</p><h2>আগামী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাস</h2><p>আগামী শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়— রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। বিরাজমান তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে।</p><h3>শনিবারের পূর্বাভাস</h3><p>শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়— রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এদিন সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:29:53 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[আইপিএলে ফিরছেন মিচেল স্টার্ক, ১ মে মাঠে নামার সম্ভাবনা]]></title>
				<category>ক্রিকেট</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/cricket/article-79666.html</link>
				<description><![CDATA[<p>কাঁধ ও কনুইয়ের চোট কাটিয়ে উঠে অস্ট্রেলিয়ার তারকা ফাস্ট বোলার মিচেল স্টার্ক চলমান আইপিএলে আবারও যোগ দিতে ভারতে ভ্রমণের অনুমতি পেয়েছেন। আশা করা হচ্ছে, তিনি ১ মে জয়পুরে দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে ম্যাচের আগেই দলে যোগ দিতে পারবেন। ইএসপিএনক্রিকইনফো এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।</p><h2>চোটের ইতিহাস ও পুনর্বাসন</h2><p>৩৬ বছর বয়সী এই তারকা বোলার জানুয়ারির শেষভাগের পর কোনো ধরণের ক্রিকেটই খেলেননি। অ্যাশেজ সিরিজে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে তিনি ৩১ উইকেট তুলে নিয়ে প্লেয়ার অব দ্য সিরিজ হন এবং পাঁচটি টেস্টে মোট ১৫৩.১ ওভার বল করেন।</p><p>এরপর জানুয়ারির শেষ দিকে তিনি সিডনি সিক্সার্সের হয়ে পাঁচটি বিগ ব্যাশের ম্যাচ খেলেন এবং দলকে ফাইনালে তুলতে সাহায্য করেন। তবে পার্থ স্কর্চার্সের বিপক্ষে এক ম্যাচে ক্যাচ লুফে নিতে যেয়ে পড়ে যান, ফলে বাম কাঁধ ও কনুইয়ের ওপর গুরুতরভাবে চাপ লেগে আঘাত পান।</p><p>ফেব্রুয়ারিতে বিশ্রামের পর আবার বোলিং শুরু করলে কিছুটা ব্যথা অনুভব করেন, যার ফলে চলমান আইপিএলের শুরুতে তিনি যোগ দিতে পারেননি। প্রথমদিকে কেন তিনি আইপিএলের শুরুতে ভারতে ছিলেন না, তা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। পরে স্টার্ক সামাজিক মাধ্যমে নিজের চোট সম্পর্কে বিস্তারিত জানান এবং তাকে নিয়ে ছড়ানো ভুল তথ্য ও মতামত নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন।</p><h3>বর্তমান অবস্থা ও সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন</h3><p>জানা গেছে, সিডনিতে গত এক সপ্তাহ তিনি ব্যথা অনুভব ছাড়াই ভালো বোলিং করেছেন এবং শুক্রবার তার ভারতে পৌঁছানোর কথা আছে। সবকিছু ঠিক থাকলে ১ মে এর ম্যাচে তিনি খেলতে পারবেন এবং বাকি আইপিএল আসরেও উপস্থিত থাকবেন। মিচেল স্টার্কের প্রত্যাবর্তন দিল্লি ক্যাপিটালসের বোলিং আক্রমণে শক্তি যোগাবে বলে মনে করা হচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:14:26 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ভারত থেকে যুক্তরাষ্ট্রে মানুষ আসে শুধু সন্তান জন্ম দিতে: ট্রাম্প]]></title>
				<category>যুক্তরাষ্ট্র</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/juktorashtro/article-79665.html</link>
				<description><![CDATA[<p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও বিতর্কিত মন্তব্য করে আলোচনায় এসেছেন। তিনি নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম 'ট্রুথ সোশ্যাল'-এ মার্কিন রাজনৈতিক ভাষ্যকার মাইকেল স্যাভেজের একটি পডকাস্টের লিখিত অংশ পুনরায় পোস্ট করেছেন। ওই পডকাস্টে ভারত ও চীনকে 'হেল-হোল' বা 'জাহান্নাম' হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।</p><h2>ট্রাম্পের বিতর্কিত পোস্ট</h2><p>মাইকেল স্যাভেজ তার 'স্যাভেজ নেশন' পডকাস্টে দাবি করেন, ভারত ও চীন থেকে আসা লোকজন যুক্তরাষ্ট্রে আসেন কেবল 'সন্তান জন্ম' দিতে, যাতে তারা জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব পায়। তিনি ভারতীয় ও চীনা অভিবাসীদের 'ল্যাপটপধারী গ্যাংস্টার' বলে সম্বোধন করেন। স্যাভেজের ভাষায়, 'তারা আমাদের পতাকাকে পদদলিত করেছে এবং মাফিয়াদের চেয়েও এই দেশের বেশি ক্ষতি করেছে। বর্তমানে ক্যালিফোর্নিয়ার কোনো টেক কোম্পানিতে শ্বেতাঙ্গদের চাকরি পাওয়া অসম্ভব, কারণ পুরো ব্যবস্থাটি ভারতীয় ও চীনারা নিয়ন্ত্রণ করছে।'</p><h3>জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বিতর্ক</h3><p>সম্প্রতি সিএনবিসি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া বিশ্বের আর কোনো দেশে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব দেওয়ার নিয়ম নেই। তবে এই দাবিটি ভুল। কানাডা, মেক্সিকোসহ বিশ্বের প্রায় তিন ডজন দেশে এ নিয়ম চালু রয়েছে। বর্তমানে ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রে এই প্রথা বন্ধ করতে মরিয়া। গত জানুয়ারি মাসে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের পর ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন, যার উদ্দেশ্য ছিল নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শিশুদের স্বয়ংক্রিয় নাগরিকত্ব বন্ধ করা।</p><h3>সুপ্রিম কোর্টে মামলা</h3><p>মার্কিন সংবিধানের ১৪তম সংশোধনী অনুযায়ী যে কেউ দেশটির মাটিতে জন্ম নিলে নাগরিকত্ব পাওয়ার অধিকারী। ট্রাম্পের এই নির্বাহী আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে 'ট্রাম্প বনাম বারবারা' নামক একটি মামলা বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। এই মামলার সম্ভাব্য রায় নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ট্রাম্প বলেন, 'আদালত যদি আমাদের দেশের বিপক্ষে (নাগরিকত্বের বিপক্ষে) রায় দেয়, তবে তা আমেরিকার বিপুল অর্থের ক্ষতি করবে এবং সবচেয়ে বড় কথা, এটি আমেরিকার মর্যাদা ধুলোয় মিশিয়ে দেবে।'</p><h2>বর্ণবাদী মন্তব্য হিসেবে সমালোচনা</h2><p>ট্রাম্পের এমন উস্কানিমূলক পোস্ট এবং ভারত-চীনের মতো দেশগুলোকে 'জাহান্নাম' বলার মতো মন্তব্যকে সরাসরি বর্ণবাদ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে দক্ষ অভিবাসীদের 'গ্যাংস্টার' হিসেবে আখ্যা দেওয়াকে অত্যন্ত অবমাননাকর বলে মনে করছে অভিবাসী সম্প্রদায়। সূত্র: এনডি টিভি।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:50:37 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বাংলাদেশের বাজারে আসুসের নতুন এআই ল্যাপটপ উন্মোচন]]></title>
				<category>আইটি শিল্প</category>
				<link>https://bdgazette.com/projukti/it-shilpo/article-79664.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশের বাজারে নতুন মডেলের একাধিক এআই ল্যাপটপ এনেছে আসুস বাংলাদেশ। বিশ্বের বর্তমান আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এখন আর কেবল তাত্ত্বিক কোনো বিষয় নয়, বরং তা আমাদের প্রাত্যহিক কাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই রূপান্তর সামনে রেখে গতকাল বুধবার রাতে রাজধানীর একটি হোটেলে নিজেদের তৈরি পরবর্তী প্রজন্মের জেনবুক ডুও, জেনবুক ১৪, জেনবুক এস ১৬ এবং ভিভোবুক ১৬ মডেলের এআই ল্যাপটপ উন্মোচন করেছে আসুস বাংলাদেশ।</p><h2>আসুসের নতুন এআই ল্যাপটপ</h2><p>‘অলওয়েজ ইনক্রেডিবল’ থিম নিয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে আসুসের এশিয়া প্রশান্ত অঞ্চলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পিটার চ্যাং বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কোনো ক্ষণস্থায়ী প্রবণতা বা বুদবুদ নয়, বরং এটি ইতিমধ্যেই পৃথিবীর সঙ্গে আমাদের মিথস্ক্রিয়ার ধরন বদলে দিয়েছে। আসুসের লক্ষ্য কেবল এআই সক্ষম প্রসেসর সমৃদ্ধ কম্পিউটার বিক্রি করা নয়, বরং ব্যবহারকারীরা যেন তাঁদের দৈনন্দিন জীবনে প্রকৃত এআই অভিজ্ঞতার মাধ্যমে কাজকে আরও সহজ ও কার্যকর করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা। ভবিষ্যতের কম্পিউটিং জগৎ সম্পূর্ণভাবে এআইয়ের ওপর নির্ভরশীল হবে এবং আসুস সেই পরিবর্তনের অগ্রভাগে থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।</p><p>আসুস বাংলাদেশের কান্ট্রি প্রোডাক্ট ম্যানেজার আসাদুর রহমান নতুন ল্যাপটপগুলোর কারিগরি দিক তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে দুই পর্দার আসুস জেনবুক ডুও। ১৪ ইঞ্চি ৩কে ওএলইডি স্পর্শনির্ভর পর্দার ল্যাপটপটিতে দুটি পর্দার আকার প্রায় ২০ ইঞ্চি হওয়ায় বড় পর্দায় কাজ করার সুবিধা পাওয়া যায়। পেশাদার প্রোগ্রামার ও আধেয় (কনটেন্ট) নির্মাতাদের উপযোগী ল্যাপটপটির দাম ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৮২ হাজার ৯৯০ টাকা। অন্যদিকে আভিজাত্য আর বহনযোগ্যতার চমৎকার সমন্বয় দেখা গেছে জেনবুক ১৪ ওএলইডি মডেলে। মাত্র ১ দশমিক ২ কেজি ওজনের এই ল্যাপটপ ভ্রমণপিপাসু পেশাজীবীদের জন্য আদর্শ, যা দীর্ঘ ১৫ ঘণ্টার বেশি ব্যাটারি লাইফ নিশ্চিত করে। ল্যাপটপটির দাম ধরা হয়েছে ১ লাখ ৫৩ হাজার টাকা।</p><h3>জেনবুক এস ১৬ ও ভিভোবুক ১৬</h3><p>জেনবুক এস ১৬ ল্যাপটপটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ‘সেরালুমিনিয়াম’, যা অ্যালুমিনিয়াম ও সিরামিকের মিশ্রণে তৈরি। ২ লাখ ৫৬ হাজার টাকা দামের ল্যাপটপটিতে এএমডি রাইজেন এআই প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে। এ ছাড়া সাধারণ শিক্ষার্থী ও ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ১ লাখ ২৯ হাজার টাকা দামের ভিভোবুক ১৬ মডেল এনেছে আসুস।</p><p>অনুষ্ঠানে আসুস বাংলাদেশের ব্যবসা উন্নয়ন ব্যবস্থাপক মো. আল ফুয়াদ বলেন, বাংলাদেশে গেমিং ল্যাপটপ এবং ওএলইডি ল্যাপটপের বাজারে আসুস বর্তমানে শীর্ষস্থানে রয়েছে। গত দুই বছর বাজার কিছুটা নিম্নমুখী থাকলেও এ বছরের প্রথম প্রান্তিকে ১০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে, যা একটি ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। এ ছাড়া গ্রাহকসেবায় আসুস তাদের বিশেষ ‘পারফেক্ট ওয়ারেন্টি’ প্যাকেজটি আরও জোরদার করেছে, যা ল্যাপটপের দুর্ঘটনাজনিত যেকোনো ক্ষয়ক্ষতির বিপরীতে গ্রাহককে সুরক্ষা দেবে।</p><p>অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে আসুসের ব্যবসায়িক অংশীদার গ্লোবাল ব্র্যান্ড পিএলসির চেয়ারম্যান আবদুল ফাত্তাহ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আনোয়ার, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক জসিম উদ্দিন খন্দকার প্রমুখ।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:09:23 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষ নারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে 'সুগার ড্যাডি' খোঁজার অভিযোগ]]></title>
				<category>কূটনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/kutniti/article-79663.html</link>
				<description><![CDATA[<p>মার্কিন প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা এক নারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিলাসবহুল জীবনযাপনের নেশা মেটাতে 'সুগার ড্যাডি' খোঁজার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। ২৯ বছর বয়সি জুলিয়া ভারভারো, যিনি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অফ হোমল্যান্ড সিকিউরিটির কাউন্টার-টেররিজম বিভাগের ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি হিসেবে কর্মরত, তার বিরুদ্ধেই এই গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।</p><h2>অভিযোগের বিবরণ</h2><p>'ডেইলি মেইল'-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, 'রবার্ট বি' নামক এক বিচ্ছেদপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তার অভিযোগের ভিত্তিতে এই তদন্ত শুরু হয়েছে। রবার্টের দাবি, 'হিঞ্জ' ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে জুলিয়ার সঙ্গে তার তিন মাসের সম্পর্ক চলাকালে জুলিয়া তার কাছ থেকে প্রায় ৪০ হাজার ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪৭ লাখ টাকা) হাতিয়ে নিয়েছেন। এই অর্থ খরচ করা হয়েছে কার্টিয়ার জুয়েলারি, দামি হ্যান্ডব্যাগ এবং আরুবা, সুইজারল্যান্ড ও ইতালিতে বিলাসবহুল ভ্রমণের পেছনে।</p><p>অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, জুলিয়া 'Seeking.com' নামক সাইটে 'অ্যালেসিয়া' ছদ্মনামে প্রোফাইল চালাতেন। রবার্টের দাবি, জুলিয়া তাকে জানিয়েছিলেন তার কলেজের পড়ার খরচও মিটিয়েছিলেন আগের 'সুগার ড্যাডিরা'।</p><h2>জাতীয় নিরাপত্তার উদ্বেগ</h2><p>গোয়েন্দা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার এমন বিপুল অর্থের নেশা এবং আর্থিক চাপ তাকে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা বা অপরাধীদের ব্ল্যাকমেইলের সুযোগ করে দিতে পারে, যা আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি।</p><h3>অভিযোগকারীর বক্তব্য</h3><p>অভিযোগকারী আরও জানান, জুলিয়া নিজেকে 'বস প্রিন্সেস' বলে পরিচয় দিতেন এবং সম্পর্কের সময় তারা মারিজুয়ানা সেবন করতেন। জুলিয়ার দাবি ছিল, তিনি সরকারি 'ড্রাগ টেস্ট'-এর ঊর্ধ্বে। উল্লেখ্য, সিআইএ বা এফবিআই-এর মতো সংস্থায় মাদক সেবনের তথ্য প্রমাণিত হলে তাৎক্ষণিক চাকরিচ্যুতির নিয়ম রয়েছে।</p><h2>জুলিয়ার অস্বীকৃতি</h2><p>তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জুলিয়া ভারভারো। তার দাবি, ওই সাইটে তার কোনো প্রোফাইল নেই এবং একজন 'প্রতিশোধপরায়ণ সাবেক প্রেমিক' তাকে বিপদে ফেলতে এসব বানোয়াট অভিযোগ সাজিয়েছেন।</p><p>ট্রাম্প প্রশাসনের এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এমন এক সময়ে সামনে এলো যখন খোদ ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের নানা ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বিতর্ক তুঙ্গে। এখন দেখার বিষয়, অভ্যন্তরীণ তদন্তে জুলিয়ার এই 'বিলাসী জীবনযাত্রা'র আসল রহস্য কী বেরিয়ে আসে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:49:53 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[প্রিন্সেস ডায়ানার চিকিৎসক এখন পাকিস্তানে হৃদরোগ প্রতিষ্ঠানের প্রধান]]></title>
				<category>হৃদরোগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/swasthyo/hridrog/article-79662.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>ডা. হাসনাত খানের নতুন দায়িত্ব</h2><p>প্রিন্সেস ডায়ানার সঙ্গে সম্পর্কের কারণে বিশ্বজুড়ে পরিচিত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. হাসনাত খান যুক্তরাজ্য ছেড়ে পাকিস্তানে ফিরেছেন। তিনি লাহোরে প্রতিষ্ঠিত হতে যাওয়া জিন্নাহ ইনস্টিটিউট অব কার্ডিওলজির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন। লাহোরের অন্যতম বড় এই কার্ডিয়াক চিকিৎসা কেন্দ্রটির প্রধান হিসেবে তিনি সিইও ও ডিন—দুই দায়িত্বই পালন করবেন।</p><h2>প্রস্তুতি ও জনবল নিয়োগ</h2><p>হাসপাতালটির কার্যক্রম শুরুর প্রস্তুতি ইতোমধ্যে জোরেশোরে চলছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জনবল নিয়োগ ও অন্যান্য প্রশাসনিক প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে, যা দ্রুত প্রতিষ্ঠানটি চালুর ইঙ্গিত দিচ্ছে।</p><h2>ডা. হাসনাত খানের পরিচিতি</h2><p>১৯৫৮ সালে পাকিস্তানের ঝেলামে জন্মগ্রহণ করেন ডা. খান। তিনি কিং এডওয়ার্ড মেডিকেল কলেজ থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা শিক্ষা সম্পন্ন করেন। পরে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন বিশ্বের খ্যাতনামা রয়্যাল ব্রোম্পটন হাসপাতালে।</p><h3>প্রিন্সেস ডায়ানার সঙ্গে সম্পর্ক</h3><p>১৯৯৫ সালে প্রিন্সেস ডায়ানা লন্ডনের রয়্যাল ব্রোম্পটন হাসপাতালে এক বন্ধুকে দেখতে গিয়ে ডা. খানের সঙ্গে পরিচিত হন। পরবর্তীতে তাদের সম্পর্ক আন্তর্জাতিকভাবে আলোচনায় আসে। জানা যায়, ডায়ানা তাকে স্নেহভরে 'মিস্টার ওয়ান্ডারফুল' বলে ডাকতেন।</p><h2>নতুন অধ্যায়</h2><p>দীর্ঘ সময় যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্যখাতে কাজ করার পর এবার নিজ দেশে ফিরে এলেন ডা. হাসনাত খান। তার নেতৃত্বে জিন্নাহ ইনস্টিটিউট অব কার্ডিওলজি চালু হলে লাহোরে আধুনিক হৃদরোগ চিকিৎসা সেবার পরিধি আরও বিস্তৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:38:31 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[গ্রাম থেকে শহরে রেফ্রিজারেটর এখন সবার ঘরে]]></title>
				<category>শিল্প</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/shilpo/article-79661.html</link>
				<description><![CDATA[<p>গ্রীষ্মের তাপপ্রবাহে রেফ্রিজারেটরে নানা পানীয় সংরক্ষণের চল এখন সাধারণ। কিন্তু একসময় বাজারের ব্যাগে মাছের সঙ্গে আসা এক টুকরো বরফ পানিতে ধুয়ে খাওয়ার জন্য মায়ের কাছে বায়না ধরা, না পেয়ে মাটিতে গড়াগড়ি দেওয়া—এ দৃশ্য গ্রামবাংলায় অতি পরিচিত ছিল। বরফকলের শীতলতা আর মাছ সংরক্ষণের বড় বড় বরফখণ্ডের দিন এখন স্মৃতিমাত্র। দেশি শিল্পের বিকাশ ও প্রযুক্তির অগ্রযাত্রায় রেফ্রিজারেটর এখন শহর ছাড়িয়ে গ্রামে পৌঁছে গেছে।</p><h2>স্মৃতির বরফ থেকে আধুনিক রান্নাঘর</h2><p>একসময় গরমে তৃষ্ণা মেটানোর ভরসা ছিল মাটির কলসির পানি। পচনশীল খাবার সংরক্ষণে রোদে শুকানো, লবণ মাখানো বা মাটির নিচে গর্ত করে রাখার পদ্ধতি চলত। নব্বইয়ের দশকেও দশ গ্রামে একটি ফ্রিজ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর ছিল। যে গৃহস্থের বাড়িতে ফ্রিজ থাকত, এক গ্লাস ঠান্ডা পানির জন্য পাড়া-প্রতিবেশীর ভিড় লেগে থাকত।</p><p>বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০২৩ সালের জরিপ বলছে, দৃশ্যপট বদলে গেছে। বর্তমানে দেশের প্রায় ৫৩.৪% পরিবারের নিজস্ব রেফ্রিজারেটর রয়েছে। শহরাঞ্চলে তা ৭০% হলেও গ্রামাঞ্চলেও এখন প্রায় ৪৮% পরিবার রেফ্রিজারেটর ব্যবহার করছে।</p><h2>বিলাসিতা থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে রূপান্তর</h2><p>রেফ্রিজারেটরের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি ১৮০০ শতকে স্থাপিত হলেও বাংলাদেশে বাণিজ্যিক প্রসার শুরু হয় গত শতাব্দীর আশির দশকে। তখন হিটাচি বা ন্যাশনালের মতো বিদেশি ব্র্যান্ডের ফ্রিজ ড্রয়িংরুমে থাকা মানেই আভিজাত্যের বহিঃপ্রকাশ। প্রকৃত বিপ্লব শুরু হয় ২০০৮ সালে, যখন ওয়ালটন প্রথম বাংলাদেশে রেফ্রিজারেটর উৎপাদন শুরু করে। এরপর মিনিস্টার, যমুনা, প্রাণ-আরএফএল (ভিশন), ট্রান্সকম ও ওরিয়নের মতো কোম্পানিগুলো নিজেদের কারখানা স্থাপন করে। এমনকি স্যামসাং, সিঙ্গার ও কনকার মতো বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডও এখন বাংলাদেশে যৌথ উদ্যোগে রেফ্রিজারেটর তৈরি করছে। বর্তমানে বাজারের ৯০% চাহিদা মেটানো হচ্ছে স্থানীয় উৎপাদনের মাধ্যমে।</p><h3>বর্তমান চিত্র (২০২৪-২৫)</h3><ul><li>বাজারের আকার প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার বেশি।</li><li>স্থানীয় উৎপাদন মোট চাহিদার ৯০%।</li><li>মডেলভেদে দাম ১৫,০০০ থেকে ৫০,০০০ টাকার মধ্যে।</li><li>বিশ্বের ৫০টির বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে।</li></ul><h2>স্মার্ট হোম ও প্রযুক্তির ছোঁয়া</h2><p>চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের যুগে রেফ্রিজারেটর এখন কেবল ঠান্ডা করার বাক্স নয়, এটি আইওটি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত স্মার্ট ডিভাইস। দেশি ব্র্যান্ডগুলো প্রযুক্তিগত উৎকর্ষে বিশ্বমানের নেতৃত্ব দিচ্ছে।</p><h3>আধুনিক রেফ্রিজারেটরের স্মার্ট ফিচার</h3><ul><li><strong>এআই ডক্টর:</strong> যন্ত্রাংশ নষ্ট হওয়ার আগেই সংকেত দেয় এবং ছোটখাটো ত্রুটি নিজে সমাধান করে।</li><li><strong>এমএসও ইনভার্টার:</strong> কম্প্রেসরের গতি নিয়ন্ত্রণ করে বিদ্যুৎ খরচ ৭৫% পর্যন্ত কমায়।</li><li><strong>রিমোট কন্ট্রোল:</strong> ওয়াই-ফাই সংযোগে স্মার্টফোন দিয়ে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ।</li><li><strong>ন্যানো-হেলথকেয়ার:</strong> অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রযুক্তি খাবারের পুষ্টি ও সতেজতা বজায় রাখে।</li></ul><h2>অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব</h2><p>রেফ্রিজারেটরের সহজলভ্যতা গ্রামীণ অর্থনীতির চিত্র বদলে দিয়েছে। গোয়ালার দুধ সংরক্ষণ থেকে কৃষকের সবজি সতেজ রাখা—এটি এখন আয়ের পথ সুগম করছে। ডায়াবেটিস রোগীর ইনসুলিন সংরক্ষণ থেকে সপ্তাহের বাজার এক দিনে গুছিয়ে রাখা—মধ্যবিত্তের জীবনযাত্রায় গতি এনেছে। সহজ কিস্তি বা ১০% ডাউন পেমেন্টে নিম্ন আয়ের মানুষও সুফল পাচ্ছেন। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্যমতে, আমদানিনির্ভরতা কমায় বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হচ্ছে এবং লাখো মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।</p><h2>পরিবেশগত সচেতনতা ও ভবিষ্যৎ</h2><p>শিল্পের প্রসারের সঙ্গে পরিবেশের ঝুঁকি কমাতেও বাংলাদেশ সচেতন। একসময় সিএফসি গ্যাস ওজোন স্তরের ক্ষতি করলেও এখন পরিবেশবান্ধব আইসোবিউটেন গ্যাস ব্যবহার করা হচ্ছে। ২০৪৫ সালের মধ্যে ক্ষতিকর গ্রিনহাউস গ্যাসের ব্যবহার ৮৫% কমানোর লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে সরকার। তবে অনানুষ্ঠানিক সার্ভিসিং খাতে মেকানিকদের প্রশিক্ষণ ও সাশ্রয়ী মূল্যে পরিবেশবান্ধব গ্যাস সরবরাহ এখনো চ্যালেঞ্জ।</p><p>বাংলাদেশের রেফ্রিজারেটর শিল্প আজ গর্বের নাম। দেশি চাহিদা মিটিয়ে 'মেড ইন বাংলাদেশ' লেখা রেফ্রিজারেটর এশিয়া ও ইউরোপের ৫০টির বেশি দেশে পৌঁছেছে। বিশেষজ্ঞদের প্রত্যাশা, অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশ বৈশ্বিক রেফ্রিজারেটর শিল্পের প্রধান রপ্তানি হাবে পরিণত হবে। স্মার্ট হোম সাজাতে প্রযুক্তিনির্ভর ও বিদ্যুৎ-সাশ্রয়ী রেফ্রিজারেটর হতে পারে সেরা বিনিয়োগ।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:29:07 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[গরমে ভরসা দেশি এয়ারকুলার, খরচ কম শীতলতা বেশি]]></title>
				<category>আমদানি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/amodani/article-79660.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাইরে কাঠফাটা রোদ, আর ঘরে ভ্যাপসা গরম। সিলিং ফ্যান কেবল তপ্ত বাতাস ঘুরিয়ে দিচ্ছে, আর এসির আকাশচুম্বী দাম ও বিদ্যুৎ বিল মধ্যবিত্তের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশের সাধারণ মানুষের কাছে তপ্ত গ্রীষ্মের ‘তুরুপের তাস’ হয়ে উঠেছে আধুনিক এয়ারকুলার।</p><h2>তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রি ছাড়িয়েছে</h2><p>আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এবার দেশের অনেক জেলায় তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়েছে। গরমে অল্প খরচে এসির কাছাকাছি শীতলতা পেতে ঘরে ঘরে জায়গা করে নিচ্ছে এই যন্ত্র।</p><h3>বাজার এখন দেশি ব্র্যান্ডের দখলে</h3><p>একসময় এয়ারকুলার মানেই ছিল আমদানিনির্ভর বিদেশি ব্র্যান্ডের দাপট। তবে গত কয়েক বছরে দৃশ্যপট বদলে দিয়েছে গ্রী, ওয়ালটন, ভিশন, মিনিস্টার ও মার্সেলের মতো দেশি ব্র্যান্ডগুলো। বর্তমানে বাজারের ৬৫-৭০ শতাংশ শেয়ারই দেশীয় কোম্পানিগুলোর দখলে। উৎপাদন পর্যায়ে খরচ কমায় বর্তমানে মাত্র ৫,০০০ থেকে ১৫,০০০ টাকার মধ্যেই পাওয়া যাচ্ছে এসব এয়ারকুলার। ফলে এটি এখন কেবল বিলাসিতা নয়, বরং সাধারণের ক্রয়ক্ষমতার নাগালে থাকা প্রয়োজনীয় যন্ত্রে পরিণত হয়েছে।</p><h2>পকেটের সুরক্ষা</h2><p>মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য এসি কেনা যতটা কঠিন, তার চেয়ে কঠিন মাসিক বিদ্যুৎ বিল মেটানো। ১ টনের এসি যেখানে ১০০০ ওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে, সেখানে এয়ারকুলার চলে মাত্র ১০০ থেকে ২০০ ওয়াটে। কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এসি থেকে মাসে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আসতে পারে ২,০০০ থেকে ৩,০০০ টাকা। আর এয়ারকুলারে মাসে বাড়তি খরচ মাত্র ২০০ থেকে ৩০০ টাকা। এ ছাড়া লোডশেডিংয়ের সময় যেখানে এসি চালানো প্রায় অসম্ভব, সেখানে কম ওয়াটের হওয়ায় এয়ারকুলার অনায়াসেই সাধারণ আইপিএস বা সোলার প্যানেলে চালানো যায়। গ্রামাঞ্চল বা শহরতলিতে এটি একটি বড় আশীর্বাদ।</p><h3>আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়া</h3><ul><li><strong>হানিকম্ব কুলিং প্যাড:</strong> আগের কাঠের আঁশের বদলে এখন মৌচাকের মতো ‘হানিকম্ব’ প্যাড ব্যবহার করা হয়, যা দীর্ঘক্ষণ পানি ধরে রেখে বাতাসকে দ্রুত ঠান্ডা করে।</li><li><strong>আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ:</strong> বাংলাদেশের আর্দ্র আবহাওয়ায় ঘরের গুমোট ভাব দূর করতে আধুনিক কুলারে যুক্ত হয়েছে হিউমিডিটি কন্ট্রোল প্রযুক্তি।</li><li><strong>আইওটি ও ইনভার্টার:</strong> এখনকার প্রিমিয়াম কুলারগুলো ওয়াই-ফাইয়ের মাধ্যমে স্মার্টফোন দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ইনভার্টার মোটর ব্যবহারের ফলে বিদ্যুৎ খরচ কমে আসে নামমাত্র পর্যায়ে।</li><li><strong>আইস চেম্বার:</strong> দ্রুত শীতলতার জন্য এতে বরফ রাখার বিশেষ জায়গা রয়েছে, যা মুহূর্তেই ঘরের তাপমাত্রা কমিয়ে আনে।</li></ul><h2>পরিবেশবান্ধব ও টেকসই সমাধান</h2><p>এসিতে ব্যবহৃত ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (সিএফসি) গ্যাস ওজোন স্তরের ক্ষতি করলেও, এয়ারকুলার কাজ করে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক বাষ্পীভবন প্রক্রিয়ায়। ফলে এটি পরিবেশের জন্য শতভাগ নিরাপদ। গ্লোবাল মার্কেট রিসার্চ ফার্মগুলোর মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের এই সময়ে এয়ারকুলার একটি টেকসই কুলিং সমাধান হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত হচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:30:13 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিক ‘মাইকেল’ আসছে ২৪ এপ্রিল]]></title>
				<category>সিনেমা</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/cinema/article-79659.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বিশ্বজুড়ে ভক্ত-অনুরাগীদের কাছে মাইকেল জ্যাকসন নামটি এক দুর্নিবার আকর্ষণ। কেবল ‘পপসম্রাট’ নন, কোটি মানুষের হৃদয়ের সম্রাট হয়ে আছেন তিনি। ২০০৯ সালে মাত্র ৫০ বছর বয়সে মৃত্যুর পরও তাঁর জনপ্রিয়তা কমেনি। স্পটিফাইয়ে তাঁর মাসিক শ্রোতা প্রায় ৬৫ মিলিয়ন। মৃত্যুর আগপর্যন্ত যেমন কৌতূহল ছিল তাঁকে নিয়ে, মৃত্যুর পরও কৌতূহলের শেষ নেই; যার প্রমাণ মেলে তাঁর জীবনী নিয়ে সিনেমা নির্মাণের ঘোষণার পর। যেদিন ঘোষণা আসে, তার পর থেকেই ভক্তরা অপেক্ষায়, কবে আসবে সিনেমাটি। অবশেষে অপেক্ষার অবসান ঘটছে।</p><h2>মুক্তির তারিখ ও বাংলাদেশের প্রদর্শনী</h2><p>২৪ এপ্রিল আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ‘মাইকেল’ নামের এই সিনেমা। বাংলাদেশের দর্শকের জন্য আন্তর্জাতিক মুক্তির দিনেই সিনেমাটি মুক্তি পাবে স্টার সিনেপ্লেক্সে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে মাল্টিপ্লেক্সটি।</p><h2>অভিনয়শিল্পী ও পরিচালনা</h2><p>অ্যান্টনি ফুকো পরিচালিত এই সিনেমায় মাইকেল জ্যাকসনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তাঁর ভাইয়ের ছেলে জাফার জ্যাকসন। আরও অভিনয় করেছেন মাইলস টেলার, কোলম্যান ডোমিঙ্গো, ক্যাট গ্রাহাম, নিয়ালং, লরা হ্যারিয়ার, কেনড্রিক স্যাম্পসন ও জুলিয়ানো ক্রু ভ্যালদি।</p><h2>সিনেমার বিষয়বস্তু</h2><p>সিনেমাটিতে তুলে ধরা হবে সংগীতের বাইরেও মাইকেল জ্যাকসনের জীবনের গল্প, যেভাবে জ্যাকসন ফাইভ ব্যান্ডের তরুণ প্রতিভা থেকে তিনি হয়ে ওঠেন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বিনোদনশিল্পী। মঞ্চের বাইরের জীবন ও একক সংগীতজীবনের সোনালি মুহূর্তগুলো দর্শক দেখবেন একেবারে কাছ থেকে, যেখানে শুরু হয়েছিল তাঁর পথচলা। মাইকেল জ্যাকসনের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মানুষদের চরিত্রও তুলে ধরা হয়েছে এখানে।</p><h3>গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রসমূহ</h3><p>তাঁর বাবা জো জ্যাকসনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন কোলম্যান ডোমিঙ্গো। মা ক্যাথরিন জ্যাকসনের চরিত্রে দেখা যাবে নিয়ালংকে। বোন লাটোয়া জ্যাকসনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন জেসিকা সুলা। এ ছাড়া সংগীতজগতের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছেন মোটাউন রেকর্ডসের প্রতিষ্ঠাতা বেরি গর্ডি, সংগীত নির্বাহী সুজান দে পাসে এবং ডায়ানা রসের চরিত্রও। এই চরিত্রগুলোর মাধ্যমে মাইকেলের ক্যারিয়ারের পেছনের মানুষদের ভূমিকা তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।</p><p>ছোট বয়সে জ্যাকসন ফাইভ ব্যান্ডের প্রধান কণ্ঠশিল্পী হিসেবে মাইকেলের যাত্রা শুরু হয়। সেখান থেকে ধীরে ধীরে একক শিল্পী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করে তিনি হয়ে ওঠেন বিশ্বসংগীতের সবচেয়ে বড় তারকা। এই বায়োপিকে তুলে ধরা হবে মাইকেল জ্যাকসনের অজানা অনেক গল্প। থাকবে তাঁর বিখ্যাত কিছু পারফরম্যান্সও।</p><h2>ট্রেলারের সাফল্য ও প্রত্যাশা</h2><p>গত বছরের নভেম্বের মাইকেলের বায়োপিক ‘মাইকেল’-এর টিজার মুক্তির পর ভিউয়ের রেকর্ড গড়েছিল। মাত্র ২৪ ঘণ্টায় ১১৬.২ মিলিয়ন ভিউ। এর আগে অন্য কোনো মিউজিক্যাল বায়োপিক সিনেমার টিজার ২৪ ঘণ্টায় এত ভিউ হয়নি। ঝড় উঠেছে ট্রেলার মুক্তির পরও। গত ফেব্রুয়ারিতে মুক্তির এক দিনের মধ্যেই ট্রেলারটি পাঁচ মিলিয়নের বেশি ভিউ ছাড়িয়ে গেছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, মুক্তির পর ব্যাপক ব্যবসায়িক সাফল্য পেতে যাচ্ছে ‘মাইকেল’।</p><p>বাংলাদেশেও সিনেমাটি ব্যাপক সাড়া তৈরি করবে বলে মনে করেন স্টার সিনেপ্লেক্সের মিডিয়া ও মার্কেটিং বিভাগের এজিএম মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও মাইকেল জ্যাকসনের প্রচুর ভক্ত রয়েছেন। সেই আশি-নব্বইয়ের দশক থেকে শুরু করে এই সময়েও পপসংগীত শ্রোতাদের কাছে সম্রাট হয়ে আছেন মাইকেল। তাঁর বায়োপিক দেখার আগ্রহ আছে সবার। এরই মধ্যে অনেক দর্শক আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন, অগ্রিম টিকেটের খোঁজ নিচ্ছেন। সিনেমাটি সবার মন জয় করবে বলে আমরা আশাবাদী।’</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:22:21 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[এশিয়ান বিচ গেমসে কাবাডি ও ভলিবলে বাংলাদেশের বড় জয়]]></title>
				<category>কাবাডি</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/kabadi/article-79658.html</link>
				<description><![CDATA[<p>এশিয়ান বিচ গেমসে সিরিয়াকে একেবারেই পাত্তা দেয়নি বাংলাদেশ পুরুষ কাবাডি দল। ৫৪-২৩ পয়েন্টের বিশাল ব্যবধানে ম্যাচটি জিতে নিয়েছে তারা। ম্যাচের শুরু থেকেই আগ্রাসী মেজাজে ছিল বাংলাদেশ। প্রথমার্ধেই লড়াইয়ের ভাগ্য অনেকটা নির্ধারিত হয়ে যায়। বাংলাদেশ ২৯-৮ পয়েন্টের ব্যবধানে এগিয়ে ছিল। সিরিয়ার ডিফেন্স লাইন ভেঙে একের পর এক পয়েন্ট আদায় করে নেন বাংলাদেশের রেইডাররা। অন্যদিকে রক্ষণভাগও ছিল নিশ্ছিদ্র, যা সিরিয়াকে ম্যাচ থেকে পুরোপুরি ছিটকে দেয়।</p><h2>নারী দলের জয়</h2><p>পুরুষ দলের এই বড় জয়ের আগেই থাইল্যান্ডের বিপক্ষে দাপুটে জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ নারী দল। শক্তিশালী থাইল্যান্ডের বিপক্ষে ৫১-৩৪ পয়েন্টে জয় পায় টাইগ্রেসরা। এই জয় নারী কাবাডির সামর্থ্যকে আবারও প্রমাণ করে।</p><h2>ভলিবলেও জিতেছে বাংলাদেশ</h2><p>এশিয়ান বিচ গেমসে চীনের সানিয়াতে কাবাডির পর ভলিবলেও জিতেছে বাংলাদেশ দল। পুরুষদের দল ২-০ সেটে হারিয়েছে লাওসকে। শুরুতে ২১-৯ পয়েন্টে জয় আসে। পরে ২১-১০ পয়েন্টে জিতেছে বাংলাদেশ। শুক্রবার কাজাখস্তানের বিপক্ষে খেলবে হরষিত বিশ্বাস ও তার সঙ্গী।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:21:53 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[শিবির ফ্যাসিবাদকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে: হামিম]]></title>
				<category>রাজনৈতিক জোট</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/rajnoitik-jot/article-79657.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ছাত্রদলের সাবেক নেতা শেখ তানভীর বারী হামিম বলেছেন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির নানাভাবে ফ্যাসিবাদকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে এবং এটি রুখে দিতে হবে। যুগান্তরকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।</p><h2>ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ</h2><p>হামিম বলেন, একটি নির্ধারিত দল গত ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের আগে সারা বাংলাদেশে ছড়িয়েছিল যে জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি যদি রাষ্ট্রের দায়িত্ব পায়, তাহলে প্রত্যেকটা ক্যাম্পাস বিএনপির সহযোগী ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল উত্তপ্ত করে ফেলবে। অথচ সরকার গঠনের দুই মাস পেরোলেও ছাত্রদল কোনো ক্যাম্পাস অস্থিতিশীলতা তো দূরের কথা, বরং প্রত্যেকটি ক্যাম্পাসে পজিটিভ কর্মকাণ্ডের এক ধরনের ইতিবাচক প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে।</p><p>তিনি গভীর পরিতাপের সঙ্গে উল্লেখ করেন যে, চট্টগ্রাম সিটি কলেজে ছাত্রদল তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার মত প্রকাশের স্বাধীনতার একটি মাধ্যম দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ঐতিহ্য দেয়ালিখা ব্যবহার করেছিল। সে দেয়ালিখার এক জায়গায় লেখা ছিল 'ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ চাই'। সেখানে 'ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ চাই' কেটে ছাত্ররা লিখেছে 'গুপ্ত রাজনীতি নিষিদ্ধ চাই'। তার প্রতিবাদে পরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে ছাত্রদলের নিরস্ত্র নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়।</p><h3>প্রতিবাদে অস্ত্র নয়</h3><p>হামিম বলেন, আমরা চাইলে অস্ত্রের পরিবর্তে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েই প্রতিবাদ করতে পারতাম, কিন্তু আমরা সেটি করিনি। তিনি আরও বলেন, ছাত্রশিবির নানাভাবে ফ্যাসিবাদকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে এবং এটি রুখে দিতে হবে।</p><h2>গণতান্ত্রিক রাজনীতির আহ্বান</h2><p>হামিম বলেন, আমরা চেয়েছি প্রত্যেকটি ক্যাম্পাসে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে শিক্ষার্থীদের মনোভাবকে প্রাধান্য দিয়ে শিক্ষার্থীবান্ধব কর্মকাণ্ড পরিচালনার মাধ্যমে গুপ্ত রাজনীতিকে প্রতিহত করব। তার থেকে বড় কথা, এই ধরনের ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল করলে কাদের লাভ, তা বুঝতে হবে। যেহেতু বর্তমান বাংলাদেশের জনগণ তাদের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে বিএনপিকে রাষ্ট্রের দায়িত্ব দিয়েছে, সুতরাং তারা চায় প্রত্যেকটি ক্যাম্পাসকে উত্তপ্ত করার মাধ্যমে ছাত্র রাজনীতিকে কলুষিত করতে।</p><p>তিনি বলেন, গত ১৭ বছরের ছাত্রশিবির ছাত্রলীগের সঙ্গে থেকে ছাত্র রাজনীতিকে কলুষিত করার জন্য যেভাবে সমর্থন ও সহযোগিতা করেছিল, ঠিক একইভাবে তারা তাদের পুরোনো অভ্যাস থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি। তারা এখনো চাচ্ছে ছাত্র রাজনীতিকে কলুষিত করার মাধ্যমে গুপ্ত রাজনীতির চর্চাকে তরান্বিত করা।</p><h3>সহনশীলতার আহ্বান</h3><p>ছাত্রদলের সাবেক এই নেতা বলেন, ছাত্রদল এখনো চায় ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে যারা ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠন রয়েছে, প্রত্যেকের মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে। প্রত্যেকে নিজ নিজ মতাদর্শ বাস্তবায়নে পৃথক কর্মসূচি থাকবে। কর্মসূচি শেষে ক্যাম্পাসগুলোতে সুস্থ স্বাভাবিক পরিবেশে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির সম্পর্ক বজায় থাকবে, যা গত ১৭ বছর অনুপস্থিত ছিল। আওয়ামী লীগ সেই সংস্কৃতিকে নষ্ট করেছিল।</p><p>তিনি আরও বলেন, ক্যাম্পাসে আমাদের প্রত্যেকের মতাদর্শের প্রোগ্রামগুলো ভিন্ন হলেও দিন শেষে আমরা একই টেবিলে বসে দেশের প্রশ্নে সিদ্ধান্তে আসতে পারি, ঐকমত্যে থাকতে পারি। কিন্তু তারা কোনোভাবেই এটা চাচ্ছে না। আমরা ছাত্রদল বারবার নমনীয়তার পরিচয় দিচ্ছি। আমরা চাই দেশের বৃহত্তর স্বার্থে প্রত্যেকে নিজ নিজ রাজনৈতিক মত থাকবে, সমালোচনা করবে, কিন্তু দিনশেষে একই টেবিলে বসে দেশের স্বার্থে একটি সিদ্ধান্তে আসতে পারি। কিন্তু আমরা দেখেছি, এরকম পরিবেশ বারবার শিবিরের পক্ষ থেকে নষ্ট করা হচ্ছে। তারা ক্যাম্পাসকে উত্তপ্ত করার মাধ্যমে দেশকে উত্তপ্ত করতে যাচ্ছে এবং ফ্যাসিবাদকে বিভিন্নভাবে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে।</p><h2>ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা</h2><p>হামিম জানান, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে যখন গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিনির্মিত হয়েছে, এখন আমাদের রাজনৈতিক লক্ষ্য দুটি। একটি হচ্ছে নীতি-ভিত্তিক রাজনীতি, অর্থাৎ রাষ্ট্রকে বিভিন্ন নীতি দেওয়া, তারুণ্যদীপ্ত নীতি দেওয়া, যার মাধ্যমে দেশের বেকারত্ব কমবে এবং শিক্ষার্থীরা শিক্ষাজীবন শেষে কর্মসংস্থান পাবে। আরেকটি হলো শিক্ষার্থী কল্যাণ-ভিত্তিক রাজনীতি, অর্থাৎ শিক্ষার্থীদের কল্যাণ। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের যে সংকট রয়েছে, সেগুলো মোকাবিলায় ছাত্রদল তাদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবে। আরেকটি বিষয় আমরা প্রাধান্য দেব, সেটি হলো দুর্নীতিমুক্ত দেশ গঠন।</p><p>তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা তাদের প্রথম বর্ষে শিক্ষাজীবন শুরু করে। ছাত্রদলের পক্ষ থেকে আমরা যদি একটি দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ ক্যাম্পেইন করি, সেক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের মনজগতে একটি পরিবর্তন আসবে যে, আমি কোনো অবস্থাতেই দুর্নীতিগ্রস্ত হবো না। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ঘটবে এবং দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ গঠনের মধ্যে সততা ও মানবিকতা মানুষের মধ্যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।</p><p>হামিম আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে রাষ্ট্রকে যেমন ভিন্ন নীতি দেওয়া যায়, ঠিক একইভাবে একটি দুর্নীতিমুক্ত সমাজ ব্যবস্থা গঠন করা। এই তিন-চারটি কাজ আমরা মূল অগ্রাধিকার দিয়ে সামনের দিকে আগাবো। ছাত্রদল নেতাকর্মীরা আমরা ঐক্যবদ্ধ আছি এবং বিশেষ করে সারা বাংলাদেশের প্রত্যেকটি ক্যাম্পাসে আমরা সহনশীলতার পরিচয় দিচ্ছি। প্রকৃতপক্ষে, ছাত্র রাজনীতি যেমন হওয়া উচিত, তেমন ছাত্র রাজনীতির প্রতিযোগিতা চলছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:19:50 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[আমার অনুরোধে ইরান ৮ নারীকে ফাঁসি দিচ্ছে না: ট্রাম্প]]></title>
				<category>কূটনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/kutniti/article-79656.html</link>
				<description><![CDATA[<p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তার অনুরোধের পর ইরান সরকার আট নারীকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে। তবে ইরান এই দাবি অস্বীকার করেছে। বুধবার (২৩ এপ্রিল) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, 'আমি কৃতজ্ঞ যে ইরান ও তাদের নেতৃত্ব যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমার অনুরোধকে সম্মান জানিয়েছে এবং পরিকল্পিত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর বন্ধ করেছে।'</p><h2>ট্রাম্পের পূর্ববর্তী দাবি</h2><p>এর আগে ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেছিলেন, সরকারবিরোধী বিক্ষোভে আটক আট নারীকে ফাঁসিতে ঝোলানোর পরিকল্পনা রয়েছে ইরানের। তিনি তাদের মুক্তির আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটি চলমান আলোচনায় ইরানের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। তবে ওই দাবির পক্ষে কোনো নির্দিষ্ট নাম উল্লেখ করা হয়নি, যদিও কয়েকজন নারীর ছবি শেয়ার করা হয়েছিল।</p><h3>মানবাধিকার সংগঠনের তথ্য</h3><p>অন্যদিকে মানবাধিকার সংগঠনগুলো জানিয়েছে, জানুয়ারির বিক্ষোভে আটক অন্তত একজন নারীকে ইতোমধ্যে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং আরও একজন এমন অভিযোগের মুখোমুখি, যার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হতে পারে। সংগঠনগুলোর অভিযোগ, সমাজে ভয় তৈরি করতে এবং রাজনৈতিক বন্দিদের দমনে ইরান ক্রমবর্ধমানভাবে মৃত্যুদণ্ড ব্যবহার করছে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে।</p><h3>আলোচনার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত</h3><p>যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনার ভবিষ্যৎ এখনো অনিশ্চিত। পাকিস্তানে আয়োজিত আগের দফার আলোচনা ভেস্তে যায়। তেহরান অভিযোগ করে, হরমুজ প্রণালি ও তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র অতিরিক্ত দাবি তুলেছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:42:47 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[হাম রোগী বাড়ায় হাসপাতালে শয্যা বাড়ানোর নির্দেশ]]></title>
				<category>জনস্বাস্থ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/swasthyo/jonswasthyo/article-79655.html</link>
				<description><![CDATA[<p>দেশে হাম রোগীর সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব সরকারি হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একই সাথে শয্যা সংকটের অজুহাতে কোনো রোগীকে ফেরত না দেওয়ার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসানের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।</p><h2>নির্দেশনায় কী বলা হয়েছে</h2><p>নির্দেশনায় বলা হয়েছে, শয্যা খালি না থাকলেও প্রয়োজনে অতিরিক্ত বেডের ব্যবস্থা করে রোগীদের চিকিৎসা দিতে হবে। শুধুমাত্র জটিল অবস্থার রোগীদের ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিয়ম মেনে রেফার করা যাবে। এছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে শুরু করে জেলা হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বিশেষায়িত হাসপাতাল পর্যন্ত নির্ধারিত রেফারাল চেইন কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। এই নিয়ম ভঙ্গ হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে দায় নিতে হবে।</p><h3>হামে মৃত্যুর পরিসংখ্যান</h3><p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে নিশ্চিত হামে ৩৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম-উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ১৯০ শিশু। এ সময় ২৭ হাজার ১৬৪ শিশুর মধ্যে উপসর্গ দেখা যায়, যাদের মধ্যে ১৭ হাজার ৯৯৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ৩ হাজার ৯৩৪ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে এবং ১৪ হাজার ৮৯২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।</p><h3>টিকাদান কর্মসূচি</h3><p>পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ৫ এপ্রিল থেকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু করা হয়। পরে ১২ এপ্রিল থেকে ঢাকাসহ চার সিটি করপোরেশন এলাকায় এবং ২০ এপ্রিল থেকে সারা দেশে একযোগে হাম টিকাদান কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:11:29 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[এশিয়ার জলসীমা থেকে ইরানি তেলবাহী জাহাজ জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র]]></title>
				<category>জ্বালানি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/jbalani/article-79654.html</link>
				<description><![CDATA[<p>যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী এশিয়ার কয়েকটি দেশের জলসীমা থেকে ইরানি পতাকাবাহী অন্তত তিনটি তেলবাহী জাহাজ জব্দ করেছে। বুধবার (২৩ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক শিপিং ও নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানায়।</p><h2>জাহাজ জব্দের ঘটনা</h2><p>জানা গেছে, ভারত, মালয়েশিয়া ও শ্রীলঙ্কার কাছাকাছি অবস্থান থেকে জাহাজগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। হরমুজ প্রণালি ও ইরানের বন্দরসমূহে সমুদ্রপথে তেহরানের বাণিজ্যের ওপর ওয়াশিংটন অবরোধ আরোপ করার পর এ পদক্ষেপ নেওয়া হলো। এর আগে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রবেশদ্বার হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করতে তেহরান তিনটি জাহাজে গুলিবর্ষণ করেছিল।</p><h3>জ্বালানি সংকট</h3><p>হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার ফলে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস সরবরাহের এক-পঞ্চমাংশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ শুরুর প্রায় দুই মাস পর দুপক্ষের মধ্যে নতুন করে শান্তি আলোচনার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।</p><p>গত কয়েক দিনে মার্কিন বাহিনী ইরানের একটি কার্গো জাহাজ এবং একটি তেলবাহী ট্যাংকার জব্দ করেছে। অন্যদিকে, ইরান জানিয়েছে, তারা গতকাল বুধবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় দুটি কন্টেইনার জাহাজ জব্দ করেছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটিই ইরানের প্রথম জাহাজ জব্দের ঘটনা।</p><h3>জাহাজের পরিচয়</h3><p>মার্কিন ও ভারতীয় শিপিং সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের জব্দ করা তিন ইরানি ট্যাংকারের একটি ‘ডিপ সি’ নামের সুপারট্যাংকার। এটি মালয়েশিয়া উপকূল থেকে এক সপ্তাহ আগে নিখোঁজ হয়েছিল। এ ছাড়া ‘সেভিন’ ও ‘ডোরেনা’ নামের আরও দুটি ট্যাংকার জব্দ করা হয়েছে। ডোরেনা ২০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল নিয়ে ভারত উপকূলের কাছে ছিল।</p><h3>মার্কিন বাহিনীর বক্তব্য</h3><p>মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ইরানি বন্দর অবরোধ অমান্য করার চেষ্টা করায় ডোরেনা বর্তমানে একটি মার্কিন রণতরীর পাহারায় ভারত মহাসাগরে রয়েছে। সেন্টকম আরও জানায়, অবরোধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ২৯টি জাহাজকে তারা বন্দরে ফিরে যেতে বাধ্য করেছে। সমুদ্রপথে ইরানের সামরিক তৎপরতা এবং ভাসমান মাইন এড়াতে মার্কিন বাহিনী এখন উন্মুক্ত সাগরে ইরানি জাহাজগুলো লক্ষ্যবস্তু করছে। তথ্যসূত্র: রয়টার্স</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:42:19 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য যুক্তরাজ্যের শিক্ষাবৃত্তি বাড়ানোর আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর]]></title>
				<category>উচ্চশিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/uccho-shikkha/article-79653.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য যুক্তরাজ্যের শিক্ষাবৃত্তি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মেধাবী শিক্ষার্থীরা যাতে যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে পারে, সেজন্য বৃত্তির সংখ্যা বাড়ানো জরুরি।</p><h2>সংরক্ষিত নারী আসনে ৪৯ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ</h2><p>সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য জমা দেওয়া মনোনয়নপত্রের যাচাই-বাছাই শেষে ৪৯ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি কয়েকজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।</p><h3>সরকারি ৬ বন্ধ পাটকল চালু হচ্ছে</h3><p>সরকারি মালিকানাধীন বন্ধ থাকা ৬টি পাটকল পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে করে পাটশিল্পের উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান বাড়বে বলে আশা করা যাচ্ছে।</p><p>ঢাকা থেকে জরুরি সহায়তা যাচ্ছে ইরানে। জুলাই নিয়ে চমকের মন্তব্য সম্পর্কে ফ্যাক্টচেক জানিয়েছে তা ভিত্তিহীন। সংকট উত্তরণে বড় পরিসরে জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রেখেছে সরকার।</p><h3>শান্তর সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৬৫</h3><p>ক্রিকেটে শান্তর সেঞ্চুরির সুবাদে বাংলাদেশ ২৬৫ রান সংগ্রহ করেছে। লোডশেডিং ছাড়াল ৪ হাজার মেগাওয়াট, দেশজুড়ে চরম ভোগান্তি। পাম্পে শৃঙ্খলা ফেরাতে হাতে লাঠি, এবার বাইকারকে চড় মারলেন ইউএনও। বিশ্বে ৫ বছরে বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা ছুঁতে পারে ৪ হাজারের ঘর।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:41:26 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[গরমে অ্যাসিডিটি কমাবে প্রাকৃতিক উপায়, জানুন বিস্তারিত]]></title>
				<category>খাদ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/jibonjapon/khaddo/article-79652.html</link>
				<description><![CDATA[<p>গ্রীষ্মকাল শুধু তাপই নিয়ে আসে না, এটি নিঃশব্দে হজম প্রক্রিয়াকেও ব্যাহত করে। অনেকেই এই সময়ে হঠাৎ করে অ্যাসিডিটি, পেট ফাঁপা বা খাবারের পর বুক জ্বালাপোড়ার মতো সমস্যার সম্মুখীন হন। বিষয়টি সাময়িক মনে হলেও অবহেলা করলে তা দীর্ঘমেয়াদি সমস্যায় রূপ নিতে পারে।</p><h2>গরমে কেন বাড়ে হজমের সমস্যা</h2><p>ভারতের ন্যাচারোপ্যাথি ও যোগ বিশেষজ্ঞ ডা. নরেন্দ্র কে শেঠি বলেন, গরমের সময় ডিহাইড্রেশন, অতিরিক্ত তাপ ও খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনের কারণে হজম প্রক্রিয়া সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। গরম আবহাওয়ায় হজমের গতি কমে যায়। শরীরে পানির ঘাটতি দেখা দিলে পাকস্থলীর হজম রস ঘন হয়ে যায়, ফলে খাবার ভাঙতে সমস্যা হয়। এছাড়া এ সময়ে খাদ্যে বিষক্রিয়ার ঝুঁকিও বেড়ে যায়, কারণ উষ্ণ পরিবেশে ব্যাকটেরিয়া দ্রুত বংশবিস্তার করে। বাইরে বেশি খাওয়াদাওয়া করলেও পেটের সমস্যার আশঙ্কা বাড়ে। ডা. শেঠির মতে, ঘাম বেশি হওয়ার ফলে শরীরে ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য নষ্ট হয়, যা বমি ভাব, ক্লান্তি ও পেট ফাঁপার মতো উপসর্গ তৈরি করতে পারে।</p><h2>পানি পানেই শুরু সমাধান</h2><p>অ্যাসিডিটি কমাতে পর্যাপ্ত পানি পান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি পাকস্থলীর অতিরিক্ত অ্যাসিড কমাতে সাহায্য করে এবং হজম প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক রাখে। তবে শুধু পানি নয়, ডাবের পানি ও বাটারমিল্ক (লাচ্ছি) এই সময় বিশেষ উপকারী।</p><h2>খাবারে আনুন সচেতনতা</h2><p>সহজপাচ্য ও ঠান্ডা প্রকৃতির খাবার অ্যাসিডিটি কমাতে সাহায্য করে। শসা, পুদিনা, তরমুজ, বাঙ্গি, চালকুমড়া এবং মুগ ডাল-ভাতের মতো খাবার উপকারী। অন্যদিকে ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত ঝাল বা অ্যাসিডিক খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো। এছাড়া প্রাকৃতিক উপাদান 'গন্ড কাতিরা'ও উপকারী। পানিতে ভিজিয়ে খেলে এটি জেলির মতো হয়ে শরীর ঠান্ডা রাখে এবং হজমতন্ত্রকে প্রশান্ত করে।</p><h2>রুটিনেও চাই নজর</h2><p>শুধু কী খাচ্ছেন তা নয়, কখন এবং কীভাবে খাচ্ছেন তাও গুরুত্বপূর্ণ। অনিয়মিত খাবারের সময় বা দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকা অ্যাসিডিটি বাড়াতে পারে। খাবারের পর কয়েক মিনিট বজ্রাসনে বসলে হজমে সহায়তা করে। পাশাপাশি মানসিক চাপ কমানোও জরুরি, কারণ পেট ও মস্তিষ্কের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।</p><h2>সহজ কিছু ঘরোয়া উপায়</h2><p>কিছু সহজ অভ্যাস অ্যাসিডিটি কমাতে কার্যকর হতে পারে। যেমন—জিরা পানি পান, খাবারের পর মৌরি চিবানো, খাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে না পড়া। এছাড়া খালি পেটে চা বা কফি পান কমিয়ে আনা উচিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রীষ্মকালের অ্যাসিডিটি শুধু খাবারের ওপর নির্ভর করে না; বরং তাপমাত্রা, পানি গ্রহণ ও দৈনন্দিন রুটিন—সবকিছুর সমন্বয়ে এর প্রভাব তৈরি হয়।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:24:14 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বাংলাদেশের নতুন শিক্ষানীতি ঘোষণা]]></title>
				<category>উচ্চশিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/uccho-shikkha/article-79651.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশ সরকার নতুন শিক্ষানীতি ঘোষণা করেছে। এই নীতি শিক্ষাখাতে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে। নতুন শিক্ষানীতিতে প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত সব স্তরের সংস্কারের কথা বলা হয়েছে। বিশেষ করে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।</p><h2>শিক্ষানীতির মূল দিক</h2><p>নতুন শিক্ষানীতির মূল দিকগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন, মাধ্যমিক স্তরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষার প্রসার, এবং উচ্চশিক্ষায় গবেষণা ও উদ্ভাবনের ওপর জোর দেওয়া। এছাড়াও, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।</p><h3>কারিগরি শিক্ষার প্রসার</h3><p>নীতিতে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রসারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি খাতে কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও পরিচালনার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে।</p><ul><li>প্রাথমিক শিক্ষায় ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার</li><li>মাধ্যমিক স্তরে বিজ্ঞান ও গণিত শিক্ষার জোর</li><li>উচ্চশিক্ষায় গবেষণা ও উদ্ভাবন কেন্দ্র স্থাপন</li><li>শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন কর্মসূচি</li></ul><p>নতুন শিক্ষানীতি বাস্তবায়নে প্রাথমিকভাবে কয়েকটি পাইলট প্রকল্প চালু করা হবে। সফল হলে তা সারা দেশে সম্প্রসারিত হবে। শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞরা এই নীতিকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, এই নীতি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের শিক্ষাখাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:04:53 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বাস ভাড়া না মানলে কঠোর ব্যবস্থা: সড়কমন্ত্রী]]></title>
				<category>পণ্যমূল্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/ponnyomulyo/article-79650.html</link>
				<description><![CDATA[<p>সরকার নির্ধারিত বাস ভাড়া বাড়ানোর নতুন সিদ্ধান্ত বাস মালিকরা যদি না মানেন তাহলে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান এবং কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।</p><h2>মন্ত্রীর বক্তব্য</h2><p>তিনি বলেন, ‘বিআরটিএ নির্ধারণ করা এবং আমরা আলোচনা করে বাস ভাড়া বাড়ানোর যে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, বাস মালিকরা অঙ্গীকার করেছেন তারা সেটি যে কোনও মূল্যে মানবেন এবং অনুসরণ করবেন। যেহেতু তারা অঙ্গীকার করেছেন, এর ব্যত্যয় না হওয়া পর্যন্ত আমাকে এ বিষয়ে প্রশ্ন না করার জন্য রিকোয়েস্ট করবো।’</p><p>বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সচিবালয়ে বাস ও মিনিবাসের নতুন ভাড়া বাড়ানোর বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী।</p><h3>নতুন ভাড়া কাঠামো</h3><p>উল্লেখ্য, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া বাড়ানো হয়েছে ১১ পয়সা। ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে বাস ও মিনিবাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ২ টাকা ৪২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২ টাকা ৫৩ পয়সা করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ভাড়া বেড়েছে ৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ। অপর দিকে দূরপাল্লার পথে বাস ভাড়া কিলোমিটারে ২ টাকা ১২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২ টাকা ২৩ পয়সা করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ভাড়া বেড়েছে ৫ দশমিক ১৯ শতাংশ।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:28:00 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বাউবির এসএসসি পরীক্ষা শুরু ২৪ এপ্রিল, ১৭০ কেন্দ্রে]]></title>
				<category>উচ্চশিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/uccho-shikkha/article-79649.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি) পরিচালিত এসএসসি প্রোগ্রামের পরীক্ষা-২০২৬ আগামী ২৪ এপ্রিল (শুক্রবার) থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। সারা দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মোট ১৭০টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা একযোগে অনুষ্ঠিত হবে।</p><h2>পরীক্ষার্থীর সংখ্যা</h2><p>দেশব্যাপী প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষে মোট ৩১ হাজার ৫২ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবেন। এর মধ্যে পুরুষ পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২০ হাজার ১৫৯ জন এবং নারী পরীক্ষার্থী ১০ হাজার ৮৯৩ জন।</p><h3>পরীক্ষা ব্যবস্থাপনা</h3><p>বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. খালেকুজ্জামান খান প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, প্রতি বছরের মতো এবারও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় নকলমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা নেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এ ছাড়াও বাউবি থেকে ভিজিল্যান্স টিম বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবেন।</p><p>পরীক্ষা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য বাউবির ওয়েবসাইট <strong>www.bou.ac.bd</strong> থেকে জানা যাবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:33:11 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[প্রচণ্ড গরমে এনার্জি ধরে রাখার ৭ সহজ কৌশল]]></title>
				<category>জনস্বাস্থ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/swasthyo/jonswasthyo/article-79648.html</link>
				<description><![CDATA[<p>গ্রীষ্মকালের প্রখর রোদে নাজেহাল অবস্থা সবার। বাইরে বের হলেই তীব্র তাপ ও ঘামে শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে। পানিশূন্যতার কারণে মাথা ঘোরা, দুর্বলতা এমনকি অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটছে। তবে চিকিৎসকদের মতে, জীবনযাত্রায় কিছু সহজ পরিবর্তন এনে এই গরমেও নিজেকে সতেজ ও কর্মক্ষম রাখা সম্ভব।</p><h2>গরমে ক্লান্তি কেন বাড়ে?</h2><p>অতিরিক্ত গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে প্রচুর ঘাম হয়। এতে প্রয়োজনীয় লবণ ও পানি বেরিয়ে যায়, রক্তসঞ্চালন ধীর হয় এবং কোষে অক্সিজেন সরবরাহ কমে। ফলে দ্রুত ক্লান্তি আসে। সচেতনতাই সুস্থ থাকার মূল চাবিকাঠি।</p><h2>গরমে সুস্থ থাকার ৭টি বিশেষ টিপস</h2><h3>১. শরীর হাইড্রেটেড রাখুন</h3><p>তৃষ্ণা না লাগলেও সারাদিন অল্প অল্প করে পানি পান করুন। শুধু পানি নয়, ডাবের পানি, লেবুর শরবত, ঘোল বা ওআরএস খান। তরমুজ, শসা, কমলার মতো পানিজাতীয় ফল খাদ্যতালিকায় রাখুন।</p><h3>২. খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনুন</h3><p>গরমে গুরুপাক ও তেল-মসলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন, কারণ এগুলো শরীরের তাপমাত্রা বাড়ায়। দই, সালাদ, মুগ ডাল ও সবুজ শাকসবজি বেশি খান। সকালে ভেজানো বাদাম বা কলা খেলে সারাদিন এনার্জি ভালো থাকে।</p><h3>৩. কড়া রোদ এড়িয়ে চলুন</h3><p>দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত সরাসরি রোদে না যাওয়ার চেষ্টা করুন। জরুরি প্রয়োজনে বের হলে ছাতা, টুপি বা স্কার্ফ ব্যবহার করুন। হালকা রঙের ঢিলেঢালা সুতির পোশাক পরুন।</p><h3>৪. বাইরে থেকে ফিরে সাবধানতা</h3><p>রোদ থেকে এসে সাথে সাথে ফ্রিজের ঠান্ডা পানি না খেয়ে কিছুক্ষণ জিরিয়ে সাধারণ তাপমাত্রার পানি পান করুন। ঘাম না শুকিয়ে গোসল বা সরাসরি এসির নিচে যাবেন না। ৫-১০ মিনিট ফ্যানের বাতাসে শরীর মানিয়ে নিন।</p><h3>৫. ঠান্ডা খাবারে সতর্কতা</h3><p>রোদ থেকে ফিরে আইসক্রিম বা অতিরিক্ত ঠান্ডা ফল খেলে গলা ব্যথা বা কাশি হতে পারে। তাই এগুলো এড়িয়ে চলুন।</p><h3>৬. পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও ঘুম</h3><p>গরমে শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়, তাই বিশ্রাম জরুরি। রাতে অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম নিশ্চিত করুন।</p><h3>৭. হালকা ব্যায়াম ও যোগব্যায়াম</h3><p>তীব্র গরমে ভারী ব্যায়াম না করে সকাল বা বিকালে হালকা স্ট্রেচিং বা যোগব্যায়াম করুন। এটি মেটাবলিজম ঠিক রাখে ও মানসিক চাপ কমায়।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:33:49 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[সাবেক চসিক মেয়র রেজাউলের তিন অনিয়ম তদন্তে দুদক]]></title>
				<category>দুর্নীতি দমন</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/durniti-domon/article-79647.html</link>
				<description><![CDATA[<p>চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরীর তিনটি অনিয়মের ঘটনা তদন্ত শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। নিয়োগ ও পদোন্নতি, উন্নয়নকাজে ঠিকাদার নিয়োগ এবং বর্জ্য সংগ্রহে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়ার ঘটনায় এই তদন্ত শুরু হয়েছে।</p><h2>তদন্তের নথি চেয়েছে দুদক</h2><p>সাবেক মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরীর ব্যক্তিগত নথি, তাঁর আমলে চাকরি পাওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগসংক্রান্ত নথিপত্র, ২৫টি উন্নয়ন প্রকল্পের ঠিকাদারকে কার্যাদেশ দেওয়ার কাগজপত্র এবং বর্জ্য সংগ্রহের জন্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়ার চুক্তিপত্রসহ যাবতীয় নথিপত্র চেয়েছে দুদক। সাত কর্মদিবসের মধ্যে দুদক নথিপত্র জমা দেওয়ার কথা বলেছে।</p><h2>চিঠি প্রেরণ</h2><p>১৬ এপ্রিল চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেনকে চিঠি দিয়েছেন দুদকের সহকারী পরিচালক মো. রাজু আহমেদ। তিনি তদন্তের অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা হিসেবে আছেন। বর্তমান মেয়রকে চিঠি দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদক কর্মকর্তা মো. রাজু আহমেদ।</p><p>চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিটি করপোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও আইন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।</p><h2>সাবেক মেয়রের পটভূমি</h2><p>চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগের (কার্যক্রমক নিষিদ্ধ) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল করিম চৌধুরী ২০২১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি মেয়রের দায়িত্ব নেন এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে ১৯ আগস্ট তাঁকে অপসারণ করে অন্তর্বর্তী সরকার।</p><h2>নিয়োগে অনিয়ম</h2><p>যেসব নথি চেয়েছে দুদক সাবেক মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরীর আমলে শ্রমিক, কর আদায়কারী, অফিস সহায়ক, সড়ক তদারককারী, সুপারভাইজার, সড়ক পরিদর্শকসহ বিভিন্ন পদে বিপুলসংখ্যক লোক নিয়োগ দেওয়া হয়। তাঁর মেয়াদের শেষ ২ বছরে অন্তত ১৮৮ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।</p><p>এখন দুদক এসব পদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, আবেদন, নিয়োগ পরীক্ষার রেকর্ডপত্র, নিয়োগপত্রসহ যাবতীয় রেকর্ডপত্র চেয়েছে।</p><p>সাবেক মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরীর আমলের নিয়োগ ও পদোন্নতিতে অনিয়ম নিয়ে গত বছরের ৪ জুলাই প্রথম আলোর শেষ পাতায় ‘শ্রমিক থেকে “এক লাফে” প্রকৌশলী, কর আদায়কারী’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।</p><p>শ্রমিক হিসেবে নিয়োগ দিয়েই একলাফে উচ্চ গ্রেডের পদে পদায়ন করা হয়েছে অন্তত ৬৪ জনকে। চসিকের জনবলকাঠামো অনুযায়ী, শ্রমিক পদ ২০তম গ্রেডের। কিন্তু সেখান থেকে ১০ম গ্রেডের উপসহকারী প্রকৌশলী, ১৬তম গ্রেডের কর আদায়কারী বা অনুমতিপত্র পরিদর্শক পদে পদায়ন করা হয়েছে। এ ধরনের পদোন্নতিতে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।</p><p>চসিকের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তখনকার মেয়র, ওয়ার্ড কাউন্সিলর, কিছু কর্মকর্তা ও শ্রমিকনেতাদের সুপারিশেই এসব নিয়োগ হয়েছিল। ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের জন্য পরীক্ষা ছাড়াই চাকরির ব্যবস্থা করা হয়। পরে তাঁদের পদায়ন করা হয় গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে।</p><h2>ঠিকাদার নিয়োগে অনিয়ম</h2><p>এদিকে রেজাউল করিম চৌধুরীর আমলে সিটি করপোরেশনের আড়াই হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালককে মারধরের ঘটনা ঘটেছিল। কাজ ভাগ-বাঁটোয়ারায় রাজি না হওয়ায় ২০২৩ সালের ২৯ জানুয়ারি প্রকৌশলী মো. গোলাম ইয়াজদানীকে মারধর করেছিলেন ঠিকাদাররা।</p><p>এখন দুদক ২০২২ সালের অক্টোবরে সিটি করপোরেশনের ২৫টি প্রকল্পের সংক্ষিপ্ত বিবরণ, দরপত্রের ধরন, প্রাক্কলন, বিজ্ঞপ্তি, ঠিকাদারকে কার্যাদেশ দেওয়ার সময়, ঠিকাদারের নাম-ঠিকানা, মুঠোফোন নম্বর ও চুক্তিমূল্য এবং কাজের বর্তমান অগ্রগতি জানতে চেয়েছে।</p><h2>বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম</h2><p>সাবেক মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরীর আমলে নগরের চার ওয়ার্ডে বাসাবাড়ি ও দোকান-অফিস থেকে সরাসরি বর্জ্য সংগ্রহের (ডোর টু ডোর) জন্য তিনটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছিল সিটি করপোরেশন। এগুলো হচ্ছে মেসার্স পাওয়ার সোর্স, ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রাইভেট সার্ভিস ও চান্দগাঁও ক্লিনার্স সার্ভিস। প্রতিষ্ঠানগুলো তৎকালীন মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী ও এক ওয়ার্ড কাউন্সিলরের ঘনিষ্ট ব্যক্তির প্রতিষ্ঠান বলে জানা গেছে।</p><p>এখন এই ব্যাপারে দেওয়া বিজ্ঞপ্তি, নিয়োগ কমিটির কর্মকর্তাদের তালিকা, প্রতিবেদন ও চুক্তিপত্রের যাবতীয় রেকর্ডপত্র দিতে বলেছে দুদক।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:07:22 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ইউএনওর হস্তক্ষেপে শ্রুতিলেখকের সহায়তায় এসএসসি পরীক্ষা দিল বিথী]]></title>
				<category>উচ্চশিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/uccho-shikkha/article-79646.html</link>
				<description><![CDATA[<p>পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে বিথী আক্তার নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর ডান হাত হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়। বুধবার এ ঘটনায় দৈনিক যুগান্তরের অনলাইনে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকলিমা আক্তারের নজরে এলে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) তার বিশেষ হস্তক্ষেপে একজন শ্রুতিলেখকের সহায়তায় পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে বিথী।</p><h2>হামলার ঘটনা</h2><p>পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে বিথীর ওপর হামলা চালান তার চাচা নজরুল। এতে বিথীর ডান হাত গুরুতর জখম ও ভেঙে যায়। ডান হাতে লিখতে অক্ষম হয়ে পড়ায় বিথীর এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। বিথী তোফেল আকন মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।</p><h2>প্রশাসনের ভূমিকা</h2><p>বিথীর এই সংকটের কথা জানতে পেরে দ্রুত এগিয়ে আসেন মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকলিমা আক্তার। তিনি বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর জিএম শহিদুল ইসলামের কাছে বিশেষ আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে একই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী মরিয়ম আক্তারকে শ্রুতিলেখক হিসেবে নিয়োগের অনুমতি প্রদান করা হয়।</p><h3>পরীক্ষায় অংশগ্রহণ</h3><p>অনুমতি পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার বাংলা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষায় শ্রুতিলেখকের মাধ্যমে অংশ নিয়েছে বিথী। শারীরিক যন্ত্রণা থাকলেও পরীক্ষায় বসতে পেরে বিথী ও তার পরিবার প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।</p><h3>ইউএনওর বক্তব্য</h3><p>ইউএনও আকলিমা আক্তার বলেন, আমরা পরীক্ষার্থীর পরিবারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখেছি। মেয়েটির সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সে যেন কোনোভাবেই তার শিক্ষাজীবন থেকে ঝরে না পড়ে, সেজন্য একজন শ্রুতলেখক বা ‘রাইটার’ প্রদানের প্রয়োজনীয় সুপারিশ ও সব ধরনের সহযোগিতা করা হয়েছে।</p><h3>আইনি ব্যবস্থা</h3><p>এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ হিলাল উদ্দিন বলেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:03:09 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বিশ্ব বই দিবস: বই নিয়ে দশটি মজার তথ্য]]></title>
				<category>বিনোদন ব্যবসা</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/binodon-bebsha/article-79645.html</link>
				<description><![CDATA[<p>প্রতি বছর ২৩ এপ্রিল বিশ্ব বই দিবস পালিত হয়। এই দিনটি বিশ্ব সাহিত্যের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির জন্ম ও মৃত্যুর সাথে জড়িত। আজকের এই দিনে পৃথিবী ছেড়ে চলে যান অমর সাহিত্যকর্ম ডন কিহোতের স্রষ্টা মিগেল দে সার্ভান্তেস এবং পেরুর বিশিষ্ট লেখক ইনকা গার্সিলাসো দে লা ভেগা। এছাড়াও ২৩ এপ্রিল ইংরেজি সাহিত্যের খ্যাতিমান কবি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারেরও মৃত্যুদিন। এই বিখ্যাত লেখকদের সম্মান জানানোর জন্য আজকের এই দিনটিকে বিশ্ব বই দিবস হিসেবে বেছে নেওয়া হয়।</p><h2>বই নিয়ে দশটি মজার তথ্য</h2><p><strong>প্রথম তথ্য:</strong> বিশ্বের সবচেয়ে পুরনো বই হলো 'দ্য এপিক অফ গিলগামেশ', যা প্রায় ৪,০০০ বছর আগে লেখা হয়েছিল।</p><p><strong>দ্বিতীয় তথ্য:</strong> সবচেয়ে বেশি বিক্রিত বই হলো বাইবেল, যা আজ পর্যন্ত প্রায় ৫ বিলিয়ন কপি বিক্রি হয়েছে।</p><p><strong>তৃতীয় তথ্য:</strong> বিশ্বের সবচেয়ে বড় বইটি হলো 'দ্য কোডেক্স গিগাস' বা 'ডেভিলস বাইবেল', যার ওজন প্রায় ৭৫ কেজি।</p><p><strong>চতুর্থ তথ্য:</strong> বিশ্বের সবচেয়ে ছোট বইটি হলো 'শ্রী চৈতন্য শিক্ষামৃত', যা মাত্র ১ সেন্টিমিটার লম্বা।</p><p><strong>পঞ্চম তথ্য:</strong> 'হ্যারি পটার' সিরিজের প্রথম বই 'হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ফিলোসফার্স স্টোন' প্রথম প্রকাশিত হওয়ার সময় মাত্র ৫০০ কপি ছাপা হয়েছিল।</p><p><strong>ষষ্ঠ তথ্য:</strong> বিশ্বের সবচেয়ে দামি বই হলো 'লেস্টার কোডেক্স', যা লিওনার্দো দা ভিঞ্চির লেখা এবং বর্তমানে এটি বিল গেটসের মালিকানাধীন।</p><p><strong>সপ্তম তথ্য:</strong> 'ডন কিহোত' বইটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ভাষায় অনূদিত বইগুলোর মধ্যে একটি, যা ১৪০টিরও বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।</p><p><strong>অষ্টম তথ্য:</strong> গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস হলো সবচেয়ে বেশি বিক্রিত কপিরাইটযুক্ত বই সিরিজ।</p><p><strong>নবম তথ্য:</strong> বিশ্বের সবচেয়ে বেশি চুরি হওয়া বই হলো 'দ্য গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস'।</p><p><strong>দশম তথ্য:</strong> ফিনল্যান্ডে প্রতি বছর 'বই দিবস' উদযাপিত হয়, যেখানে মানুষ একে অপরকে বই উপহার দেয়।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:24:14 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[হবিগঞ্জে কলেজছাত্র নিহতের মামলায় তিনজন গ্রেপ্তার]]></title>
				<category>আইন বিভাগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/ain-bibhag/article-79644.html</link>
				<description><![CDATA[<p>হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় সংঘর্ষের সময় কলেজছাত্র নিহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) উপজেলার জগন্নাথপুর এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন হেলাল মিয়া, নাসির মিয়া ও মাসুম মিয়া। এদের মধ্যে হেলাল মিয়া সংঘর্ষে কলেজছাত্র হত্যার মামলার প্রধান আসামি বলে জানিয়েছে পুলিশ।</p><h2>ঘটনার বিবরণ</h2><p>পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার সকালে নবীগঞ্জ উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নের বেগমপুর গ্রামে সরকারি জমি দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে মঞ্জুর মিয়া (২৩) নামে এক কলেজছাত্র নিহত হন এবং অন্তত ২০ জন আহত হন। নিহত মঞ্জুর মিয়া ওই গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে এবং নবীগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজের বিএ প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন।</p><h3>গ্রেপ্তার ও তদন্ত</h3><p>ঘটনার পর মামলা দায়ের হয়। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার ভোর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর এলাকা থেকে মামলার তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের নবীগঞ্জ থানায় নিয়ে আসা হয়। নবীগঞ্জ থানার এসআই জয়ন্ত তালুকদার জানান, গ্রেপ্তার আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।</p><p>স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি একটি জমি ভোগদখল করে আসছিলেন খলিলুর রহমান। অন্যদিকে একই গ্রামের হেলাল মিয়া ও মনিরুজ্জামান পক্ষ ওই জমি নিজেদের দখলে নেওয়ার চেষ্টা করলে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনা চলছিল। ঘটনার দিন সকালে হেলাল মিয়া ও মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে একদল লোক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে জমি দখলের চেষ্টা চালালে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।</p><h3>পুলিশের বক্তব্য</h3><p>নবীগঞ্জ থানার ওসি মো. মোনায়েম মিয়া গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সংঘর্ষে কলেজছাত্র নিহতের ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। মামলার তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:29:27 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[হরমুজ প্রণালির টোল থেকে প্রথম আয় পেল ইরান]]></title>
				<category>আন্তর্জাতিক অর্থনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/antorjatik-orthoniti/article-79643.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ইরান হরমুজ প্রণালি থেকে টোল আদায়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো রাজস্ব আয় করেছে। দেশটির পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার হামিদ রেজা হাজিবাবাই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ফার্স নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে জানা গেছে, তিনি বলেছেন, ‘হরমুজ প্রণালিতে টোল থেকে প্রাপ্ত প্রথম রাজস্ব কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাবে জমা হয়েছে।’ তবে তিনি এই অর্থের পরিমাণ এবং কীভাবে তা সংগ্রহ করা হয়েছে তা জানাননি।</p><h2>পটভূমি ও বর্তমান পরিস্থিতি</h2><p>এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। তবে নানা নাটকীয়তার পর সেটি আবারও বন্ধ করে দেয় তেহরান সরকার। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, চূড়ান্ত কোনো সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত ওয়াশিংটন ইরানের জলসীমায় অবরোধ বজায় রাখবে। তবে তিনি দ্রুত এই সংকটের সমাধানের আশা করছেন।</p><h3>ইরানের অবস্থান</h3><p>ইরানকে পাল্টা অবরোধ দেওয়ার প্রতিক্রিয়ায় দেশটির সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, মার্কিন নৌ অবরোধ পুরোপুরি তুলে না নেওয়া পর্যন্ত তারা হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখবে। একই সঙ্গে জাহাজ মালিকদের শুধু ইরানের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়। এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংকট দেখা দিয়েছে, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহে প্রভাব ফেলতে পারে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:59:09 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[সংরক্ষিত নারী আসনে ৪৯ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ, সরকারি ৬ বন্ধ পাটকল চালু]]></title>
				<category>জাতীয় সংসদ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/jatiyo-shongshod/article-79642.html</link>
				<description><![CDATA[<p>সংরক্ষিত নারী আসনে ৪৯ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এসব প্রার্থীর মধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী রয়েছেন। বৈধ মনোনয়নপত্র পাওয়া প্রার্থীরা এখন নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশ নেবেন।</p><h2>সরকারি ৬ বন্ধ পাটকল চালু</h2><p>সরকারি মালিকানাধীন বন্ধ থাকা ৬টি পাটকল পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাটকলগুলো চালু করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার। এতে করে পাটশিল্পের উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্টরা।</p><h3>ঢাকা থেকে ইরানে জরুরি সহায়তা</h3><p>বাংলাদেশ থেকে ইরানে জরুরি মানবিক সহায়তা পাঠানো হয়েছে। সহায়তার মধ্যে রয়েছে খাদ্য, ওষুধ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী। ইরানের চলমান সংকট মোকাবেলায় এই সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p><h3>জুলাই নিয়ে চমকের মন্তব্য ফ্যাক্টচেক</h3><p>সম্প্রতি জুলাই মাস নিয়ে একটি চমকের মন্তব্য ফ্যাক্টচেক করা হয়েছে। ফ্যাক্টচেক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, মন্তব্যটি সঠিক নয়। বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে।</p><h2>সংকট উত্তরণে বড় পরিসরে জ্বালানি আমদানি</h2><p>দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় সরকার বড় পরিসরে জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রেখেছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি জাহাজ তেল ও গ্যাস নিয়ে দেশে পৌঁছেছে। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।</p><h3>শান্তর সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৬৫</h3><p>ক্রিকেটে শান্তর সেঞ্চুরির সুবাদে বাংলাদেশ ২৬৫ রান সংগ্রহ করেছে। শান্ত দারুণ ব্যাটিং করে দলকে বড় সংগ্রহ এনে দিয়েছেন। তার এই ইনিংস প্রশংসিত হয়েছে সমর্থকদের মধ্যে।</p><h3>লোডশেডিং ছাড়াল ৪ হাজার মেগাওয়াট</h3><p>দেশজুড়ে লোডশেডিংয়ের মাত্রা বেড়ে ৪ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। এতে জনজীবনে চরম ভোগান্তি দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে। সরকার দ্রুত এই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছে।</p><h2>পাম্পে শৃঙ্খলা ফেরাতে হাতে লাঠি, এবার বাইকারকে চড় মারলেন ইউএনও</h2><p>পাম্পে শৃঙ্খলা ফেরাতে ইউএনও হাতে লাঠি নিয়ে মাঠে নামেন। ঘটনায় বাইকারকে চড় মারেন তিনি। স্থানীয়দের মধ্যে এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।</p><h3>বিশ্বে ৫ বছরে বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা ছুঁতে পারে ৪ হাজারের ঘর</h3><p>বিশ্বে আগামী ৫ বছরে বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা ৪ হাজারে পৌঁছাতে পারে বলে এক সমীক্ষায় দেখা গেছে। ধনীদের সংখ্যা বাড়লেও দারিদ্র্য কমছে না বলে সমালোচনা রয়েছে।</p><h3>শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের তারিখ নির্ধারণ</h3><p>শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী মাসে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। আইনজীবীরা এ মামলায় দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:24:44 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[জাতীয় দলে ডাক পেয়ে উচ্ছ্বসিত পেসার সাকলাইন]]></title>
				<category>ক্রিকেট</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/cricket/article-79641.html</link>
				<description><![CDATA[<p>প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে ডাক পেয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত পেস বোলিং অলরাউন্ডার আব্দুল গাফফার সাকলাইন। ২৮ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার লাল-সবুজের জার্সিতে নিজের সেরাটা দিয়ে নির্বাচকদের আস্থার প্রতিদান দিতে চান। মোস্তাফিজ ও তাসকিনদের বিশ্রামের সুযোগে পাওয়া এই সুযোগটি কাজে লাগানোর লক্ষ্য তার।</p><h2>লিটনের শুভেচ্ছা</h2><p>বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক লিটন দাস তার সঙ্গে যোগাযোগ করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তাই বেশ খুশি তিনি। রাজশাহীতে বিসিএলের ম্যাচ নিয়ে ব্যস্ত থাকার সময়ই জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার সুখবর পান সাকলাইন। খবরটি পেয়ে তিনি ভীষণ আনন্দিত হন।</p><h3>ক্রিকেট যাত্রার শুরু</h3><p>তার ক্রিকেট যাত্রা অন্যদের মতো বয়সভিত্তিক ক্রিকেট দিয়ে নয়, বরং টেপ টেনিস দিয়ে শুরু। সাম্প্রতিক বিপিএলে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের হয়ে ভালো পারফরম্যান্সের ফল হিসেবেই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম দুই টি-টিয়েন্টি ম্যাচের দলে জায়গা পেয়েছেন তিনি।</p><p>দলে সুযোগ পাওয়ার পর লিটন দাস ফোন করে তাকে অভিনন্দন জানান, যা সাকলাইনের জন্য বিশেষ একটি মুহূর্ত। ব্যক্তিগত জীবনে বাবাকে হারিয়েছেন তিনি; মা তাকে পরামর্শ দিয়েছেন যেন সংযত থাকেন এবং সুযোগটাকে কাজে লাগান।</p><h2>আল্লাহর আশীর্বাদ</h2><p>সাকলাইন জানিয়েছেন, জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়া তার জন্য আল্লাহর আশীর্বাদ। তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন ভালো পারফর্ম করার। বড়দের অনুপস্থিতিতে তাদের জায়গা পূরণের দায়িত্বও নিতে চান তিনি। এর আগে তিনি বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারসে খেলেছেন। উত্তরবঙ্গের সৈয়দপুরের এই ক্রিকেটার বোলিংয়ের পাশাপাশি দ্রুত রান তোলার সক্ষমতাও রাখেন। অভিষেক ম্যাচটি স্মরণীয় করে রাখতে এবং নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করতে মুখিয়ে আছেন তিনি।</p><h3>বিসিবির সাহসী সিদ্ধান্ত</h3><p>অন্যদিকে, সাবেক নির্বাচক হান্নান সরকার মনে করেন, সাকলাইন ও রিপনের মতো তরুণদের সুযোগ দেওয়া বিসিবির সাহসী সিদ্ধান্ত। তার মতে, ২০২৮ সালের টি-টিয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে শক্তিশালী পেস আক্রমণ গড়ে তুলতে এ ধরনের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। হান্নান আরও বলেন, সাকলাইনের বোলিংয়ের বৈচিত্র্য ও ব্যাটিংয়ের পাওয়ারহিটিং তাকে দলে নেওয়ার বড় কারণ। তিনি দেশীয় ক্রিকেটে নিজেকে প্রমাণ করেছেন, এখন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কেমন করেন সেটাই দেখার বিষয়। বিসিবির এই পরিকল্পনাকে তিনি সময়োপযোগী ও সঠিক পদক্ষেপ বলেও উল্লেখ করেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:26:01 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[সরকারি ৬ বন্ধ পাটকল চালু হচ্ছে, ইরানে জরুরি সহায়তা]]></title>
				<category>ব্যবসা-বাণিজ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/bebsha-banijjo/article-79640.html</link>
				<description><![CDATA[<p>সরকারি মালিকানাধীন ৬টি বন্ধ পাটকল পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এছাড়া ইরানে জরুরি সহায়তা পাঠানো হচ্ছে। জুলাই নিয়ে চমকের মন্তব্য সম্পর্কে ফ্যাক্টচেক সংস্থা জানিয়েছে যে মন্তব্যটি সঠিক নয়। সংকট উত্তরণে সরকার বড় পরিসরে জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রেখেছে।</p><h2>শান্তর সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৬৫</h2><p>ক্রিকেটে শান্তর সেঞ্চুরির সুবাদে বাংলাদেশ ২৬৫ রান সংগ্রহ করেছে। লোডশেডিং ৪ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে গেছে, ফলে দেশজুড়ে চরম ভোগান্তি দেখা দিয়েছে।</p><h3>পাম্পে শৃঙ্খলা ফেরাতে ইউএনও-এর কঠোর পদক্ষেপ</h3><p>পাম্পে শৃঙ্খলা ফেরাতে হাতে লাঠি নিয়ে একজন ইউএনও বাইকারকে চড় মারেন। এ ঘটনা এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।</p><h3>বিশ্বে বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা বাড়ছে</h3><p>বিশ্বে আগামী ৫ বছরে বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা ৪ হাজারের ঘর ছুঁতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।</p><h3>শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের তারিখ নির্ধারণ</h3><p>শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।</p><h3>ইন্টার মায়ামির টানা জয়</h3><p>ডি পল ও সুয়ারেজের গোলে ইন্টার মায়ামি টানা জয় ধরে রেখেছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:15:45 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বান্দরবানে অস্ত্রধারীদের হামলা, ছয় শ্রমিক অপহরণ, ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি]]></title>
				<category>সীমান্ত</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/shimanto/article-79639.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বান্দরবান জেলার সদর উপজেলায় অস্ত্রধারীদের হামলায় ছয়জন শ্রমিক অপহৃত হয়েছেন। বুধবার রাত ১১টার দিকে টঙ্কাবতি ইউনিয়নের হাতিরডেরা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে আজ সকালে বিষয়টি জানাজানি হয়। অপহরণকারীরা ছয় শ্রমিকের মুক্তির বিনিময়ে ২০ লাখ টাকা দাবি করেছে বলে রাবারবাগান সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।</p><h2>ঘটনার বিবরণ</h2><p>প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে রাবারবাগানের মালিক মোহাম্মদ ইসমাইল জানান, বাগানে দুজন নারীসহ আটজন শ্রমিক ছিলেন। রাত ১১টার দিকে একদল অস্ত্রধারী তাঁর বাগানে ঢুকে শ্রমিকদের মারধর ও গালাগালি শুরু করে। এ সময় দুই নারীশ্রমিক পালিয়ে পার্শ্ববর্তী লোকজনের বাড়িতে চলে যান। আর বাকি ছয়জন শ্রমিককে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে অপহরণ করা হয়।</p><h3>অপহৃত শ্রমিকদের পরিচয়</h3><p>অপহৃত শ্রমিকেরা হলেন নুরুল আফছার, মো. আরাফাত, ইসমাইল, করিম উল্লাহ, রমিত উদ্দিন ও মো. সাকিব। তাঁরা সবাই নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের সাপের ঘেরা এলাকার বাসিন্দা।</p><h3>মুক্তিপণের দাবি</h3><p>হাতিরডেরা এলাকাটি জেলা সদর থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে টঙ্কাবতি ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে রাবারবাগানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি জানান, অপহরণকারীরা শ্রমিকদের মুঠোফোনে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছে। অপহরণকারীরা সবাই পাহাড়ি বলে তাঁদের মনে হয়েছে।</p><h2>স্থানীয় প্রশাসনের অবস্থান</h2><p>টঙ্কাবতি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাংইয়ং ম্রো বলেন, শ্রমিক উদ্ধারে এলাকার লোকজন বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করছেন। কারা এ অপহরণের সঙ্গে যুক্ত তা জানা যায়নি।</p><p>বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ পারভেজ বলেন, অপহরণের বিষয়টি তদন্তের জন্য পুলিশের একটি দল রাবারবাগানে পাঠানো হয়েছে। বিস্তারিত জানার পর উদ্ধার অভিযান জোরদার করা হবে।</p><h2>পূর্বের ঘটনা</h2><p>বান্দরবানে শ্রমিক অপহরণের ঘটনা এবারই প্রথম নয়। এর আগে গত মঙ্গলবার জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী এলাকা থেকে রাবারবাগানের চারজন শ্রমিককে অপহরণ করা হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে গতকাল সন্ধ্যায় ওই চারজনকে উদ্ধার করা হয়।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:08:59 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ ৫ মে]]></title>
				<category>আইন বিভাগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/ain-bibhag/article-79638.html</link>
				<description><![CDATA[<p>জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় নারায়ণগঞ্জে ১০ জনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের আদেশের জন্য আগামী ৫ মে দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।</p><h2>আদেশের দিন নির্ধারণ</h2><p>বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ দিন ধার্য করেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।</p><p>এদিন ডিসচার্জ (অব্যাহতি) আবেদনের বিষয়ে শুনানি করেন আইনজীবী মো. আলী হায়দার, শেখ মুস্তাভী হাসান ও আমির হোসেন। আসামিরা পলাতক থাকায় সরকারি খরচে নিয়োগ পেয়ে আইনি লড়াই করছেন তারা।</p><h2>আইনজীবীদের বক্তব্য</h2><p>শুনানিতে স্টেট ডিফেন্স আইনজীবীরা দাবি করেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার কারণেই এ মামলায় শামীম ওসমানসহ ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে প্রাথমিক কোনো অভিযোগ আনতে পারেনি প্রসিকিউশন। তাই তারা তাদের অব্যাহতি চান।</p><p>এ সময় আইনজীবী আলী হায়দারের ডিসচার্জ আবেদন নিয়ে আপত্তি জানান প্রসিকিউশন। শামীম ওসমানসহ অন্য আসামিদের সঙ্গে তার যোগসাজশ রয়েছে বলেও দাবি করেন তারা।</p><h2>প্রসিকিউশনের আপত্তি</h2><p>ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম বলেন, ডিসচার্জ আবেদনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে কথিত বলে উল্লেখ করেছেন শামীম ওসমানসহ চারজনের পক্ষে নিয়োগ পাওয়া স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী আলী হায়দার। ফরমাল চার্জের বাইরেও তিনি বিভিন্ন বিষয় এনেছেন। তাই এ আবেদন নিয়ে আমাদের আপত্তি রয়েছে।</p><h2>আসামিদের তালিকা</h2><p>শামীম ওসমান ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন—শামীম ওসমানের ছেলে ইমতিনান ওসমান অয়ন, ভাতিজা আজমেরী ওসমান, অয়নের শ্যালক মিনহাজ উদ্দিন আহমেদ ভিকি, নারায়ণগঞ্জ রাইফেলস ক্লাবের সাবেক সভাপতি তানভীর আহমেদ টিটু, বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ডিবিসির নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি রাজু আহমেদ, ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবু, ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর কামরুল হাসান মুন্না, নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজাম উদ্দিন আহমেদ, যুবলীগ নেতা শাহাদাত হোসেন সাজনু, ছাত্রলীগ নেতা হাবিবুর রহমান রিয়াদ ও সোহানুর রহমান শুভ্র।</p><h2>অভিযোগের বিবরণ</h2><p>গত ১৯ এপ্রিল আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের আবেদন জানিয়ে প্রসিকিউশনের শুনানি শেষ হয়। শুনানিতে মামলায় আনা তিনটি অভিযোগ তুলে ধরেন তারা।</p><p>প্রথম অভিযোগ হলো—২০২৪ সালের ১৯ জুলাই নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার চাষাড়া, ফতুল্লা থানাধীন সাইনবোর্ডসহ আশপাশের এলাকায় কিশোর আদিল, ইয়াছিন, শিক্ষার্থী পারভেজ, পোশাককর্মী রাসেল, ছয় বছরের শিশু রিয়াসহ ছয়জনকে হত্যা করা হয়।</p><p>দ্বিতীয় অভিযোগ অনুযায়ী ২১ জুলাই ফাতুল্লা থানাধীন ভূইগড় বাসস্ট্যান্ডের সামনে আবদুর রহমান ও মোহাম্মদ রাকিবকে হত্যা করা হয়।</p><p>তৃতীয় অভিযোগ অনুযায়ী ৫ আগস্ট বদিউজ্জামান ও আবুল হাসানকে হত্যা করা হয়।</p><p>এই তিন অভিযোগে ১২ আসামির বিরুদ্ধে চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। একই দিন অভিযোগ আমলে নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল-১।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:21:09 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[মালয়েশিয়ায় মদ্যপ সেনা কর্মকর্তার গাড়ি দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত]]></title>
				<category>যুদ্ধ-সংঘাত</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/juddho-shonghat/article-79637.html</link>
				<description><![CDATA[<p>মালয়েশিয়ায় এক সেনা কর্মকর্তা মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটিয়েছেন। মদ্যপান করে গাড়ি চালানোর সময় ভুলপথে ঢুকে পড়েন ওই কর্মকর্তা। তখন বিপরীত দিক থেকে আসা একটি গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে একজন বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ফ্রি মালয়েশিয়ার টুডের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।</p><p>ভোরে কুয়ালালামপুরের এমইএক্স হাইওয়েতে সালাক সেলাতানের দিক থেকে জালান তুন রাজাকগামী পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। কুয়ালালামপুর ট্রাফিক তদন্ত ও আইন প্রয়োগকারী বিভাগের প্রধান এসিপি মোহাম্মদ জামজুরি মোহাম্মদ ঈসা জানান, ভোর ৫টা ৩৮ মিনিটে তারা দুর্ঘটনার খবর পান। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ৩১ বছর বয়সী ওই সেনা কর্মকর্তা তার ফোর্ড ফিয়েস্তা গাড়িটি নিয়ে ভুল পথে ঢুকে পড়েন এবং বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পেরোদুয়া আলজা এমপিভিকে (ই-হেইলিং) মুখোমুখি ধাক্কা দেন।</p><p>ঘটনার সময় ই-হেইলিং গাড়িটিতে দুই বাংলাদেশি যাত্রী ছিলেন, যারা কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফিরছিলেন। সংঘর্ষের তীব্রতায় গাড়ির মাঝের সারিতে বসা ২২ বছর বয়সি এক বাংলাদেশি যুবক ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, ফোর্ড ফিয়েস্তা চালক সেনা কর্মকর্তা ও তার গাড়িতে থাকা ৩৬ বছর বয়সী এক স্থানীয় নারী যাত্রীও আহত হয়েছেন। সেনা কর্মকর্তার অ্যালকোহল টেস্টে মাত্রাতিরিক্ত মদ্যপানের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তার বিরুদ্ধে সড়ক পরিবহন আইন ১৯৮৭-এর ৪৪ (১) ধারায় মামলা দায়ের করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের পুলিশি তদন্তে সহায়তার আহ্বান জানানো হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:05:33 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[মাউশির নতুন মহাপরিচালক খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ]]></title>
				<category>উচ্চশিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/uccho-shikkha/article-79636.html</link>
				<description><![CDATA[<p>মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল। তিনি এত দিন সংস্থাটির পরিচালকের (মাধ্যমিক) দায়িত্বে ছিলেন। একই সঙ্গে তিনি মাউশির মহাপরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।</p><h2>দীর্ঘদিন ধরে শূন্য ছিল ডিজি পদ</h2><p>মাউশিতে ছয় মাস ধরে নিয়মিত মহাপরিচালক (ডিজি) ছিল না। পদটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই একধরনের অস্থিরতা চলে আসছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গত বছরের ১৪ অক্টোবর মাউশির তৎকালীন মহাপরিচালক অধ্যাপক মুহাম্মদ আজাদ খানকে সরিয়ে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়। এর আগে একই বছরে নিয়োগ পাওয়া অধ্যাপক এহতেসাম উল হককে মাত্র ২০ দিনের মাথায় সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।</p><h3>পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ</h3><p>আজাদ খানকে সরিয়ে দেওয়ার পর সংস্থাটির পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) বি এম আবদুল হান্নান অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে মহাপরিচালকের কাজ চালিয়ে আসছিলেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ৯ এপ্রিল জারি করা প্রজ্ঞাপনে তাঁকে সরিয়ে দিয়ে সরকারি তিতুমীর কলেজে সংযুক্ত করা হয়। এরপর ১৬ এপ্রিল মাউশির মহাপরিচালক নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদকে সংস্থাটির ডিজির অতিরিক্ত দায়িত্বসহ আর্থিক ক্ষমতা দেওয়া হয়।</p><h2>নতুন নিয়োগের শর্তাবলি</h2><p>আজ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে মইনুদ্দিন আল মাহমুদকে মহাপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) করা হয়। তিনটি শর্তে তাঁকে মহাপরিচালক করা হয়েছে। এগুলো হলো: এই চলতি দায়িত্ব কোনো পদোন্নতি নয়। এই দায়িত্বের কারণে তিনি পদোন্নতি দাবি করতে পারবেন না। এই পদে নিয়মিত পদোন্নতির মাধ্যমে কর্মকর্তা নিয়োগ করা হলে তাঁর যোগদানের তারিখ থেকে এই চলতি দায়িত্বের আদেশটি বাতিল বলে গণ্য হবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:15:37 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ইরানে জ্বালানি সহায়তা ও লোডশেডিং নিয়ে ফ্যাক্টচেক]]></title>
				<category>জলবায়ু পরিবর্তন</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/jolbayu-poriborton/article-79635.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ঢাকা থেকে জরুরি সহায়তা যাচ্ছে ইরানে। জুলাই নিয়ে চমকের মন্তব্য সম্পর্কে ফ্যাক্টচেক জানিয়েছে সংকট উত্তরণে বড় পরিসরে জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রেখেছে সরকার। শান্তর সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৬৫। লোডশেডিং ছাড়াল ৪ হাজার মেগাওয়াট, দেশজুড়ে চরম ভোগান্তি। পাম্পে শৃঙ্খলা ফেরাতে হাতে লাঠি, এবার বাইকারকে চড় মারলেন ইউএনও।</p><h2>বিশ্বে বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা</h2><p>বিশ্বে ৫ বছরে বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা ছুঁতে পারে ৪ হাজারের ঘর। শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের তারিখ নির্ধারণ। ডি পল ও সুয়ারেজের গোলে ইন্টার মায়ামির টানা জয়। ২৪ ঘণ্টায় অবস্থার অবনতি, ডায়রিয়ায় প্রাণ গেল শিশুর। সব খবর সব খবর।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:59:52 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বাসভাড়া কিলোমিটারে ১১ পয়সা বাড়ল, নতুন হার কার্যকর]]></title>
				<category>পণ্যমূল্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/ponnyomulyo/article-79634.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে এবং আন্তজেলা বাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বাড়ানো হয়েছে। সড়ক, রেল ও নৌপরিবহণমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে সড়ক পরিবহণ মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এ কথা জানান।</p><h2>নতুন ভাড়া কত?</h2><p>ঢাকা-চট্টগ্রাম মহানগরে বাস ভাড়া ২ টাকা ৪২ পয়সা থেকে ১১ পয়সা বাড়িয়ে ২ টাকা ৫৩ পয়সা করা হয়েছে। আন্তজেলার বাসে ২ টাকা ১২ পয়সা থেকে ১১ পয়সা বাড়িয়ে ২ টাকা ২৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা পরিবহণ সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) এলাকার ক্ষেত্রে ভাড়া ২ টাকা ৩২ পয়সা থেকে ১১ পয়সা বাড়িয়ে ২ টাকা ৪৩ পয়সা করা হয়েছে। সর্বনিম্ন ভাড়া ১০ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।</p><h3>শতকরা ভাড়া বৃদ্ধি</h3><p>এই হিসাবে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহানগরে বাস ভাড়া ৪.৫ শতাংশ, আন্তজেলায় ৫.১ শতাংশ ও ডিটিসিএ এলাকায় ৪.৭ শতাংশ বেড়েছে।</p><h2>ভাড়া বাড়ানোর কারণ</h2><p>বাসভাড়া বাড়ানোর কারণ হিসেবে ডিজেলের দাম বাড়ার কথা উল্লেখ করেন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে সরকার দীর্ঘসময় জ্বালানির দাম না বাড়ানোর চেষ্টা করেছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ডিজেলে প্রতি লিটারে প্রায় ১৫ টাকা বাড়াতে হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে পরিবহন খাতে।</p><p>বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) নেতৃত্বাধীন বাসভাড়া পুনর্নির্ধারণ কমিটি বাসভাড়া কিলোমিটারপ্রতি ২২ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব করেছিল, তবে শেষ পর্যন্ত ১১ পয়সা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।</p><h2>সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া</h2><p>মন্ত্রী জানান, পরিবহন মালিক, সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী এবং ভোক্তা প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক দফায় বৈঠক করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন ভাড়া আজ থেকেই কার্যকর এবং জ্বালানি তেলের দাম বাড়া–কমার সঙ্গে পরবর্তী সময় বাসভাড়া সমন্বয় করা হবে।</p><h2>রেল ও লঞ্চভাড়া</h2><p>রেলভাড়া ও লঞ্চভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি এবং বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় নেই বলে জানান মন্ত্রী।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:52:27 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[তাপপ্রবাহে ফ্যানের বাজার: দাম বাড়লেও চাহিদা তুঙ্গে]]></title>
				<category>পণ্যমূল্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/ponnyomulyo/article-79633.html</link>
				<description><![CDATA[<p>প্রচণ্ড তাপপ্রবাহে জনজীবন যখন ওষ্ঠাগত, তখন একটু বাতাসের খোঁজে সাধারণ মানুষের প্রথম ভরসা হয়ে দাঁড়ায় বৈদ্যুতিক পাখা বা ফ্যান। একসময় বিদেশি ব্র্যান্ডের ওপর নির্ভরশীলতা থাকলেও বর্তমানে বাংলাদেশের ফ্যানের বাজার এখন পুরোপুরি দেশি উদ্যোক্তাদের দখলে। প্রযুক্তির ছোঁয়া আর নান্দনিক নকশায় ঘরের শোভা বাড়ানোর পাশাপাশি বিদ্যুৎ–সাশ্রয়ী স্মার্ট ফ্যান এখন ক্রেতাদের পছন্দের শীর্ষে। তবে বিশ্ববাজারের অস্থিরতা আর কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধিতে এবার উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ফ্যানের বাজারও।</p><h2>চাহিদা ও বাজারের হালচাল</h2><p>বর্তমানে বাংলাদেশে সিলিং ফ্যানের বার্ষিক চাহিদা ৫০ থেকে ৬০ লাখ। দেশের মোট চাহিদার প্রায় ৮০–৯০ শতাংশই এখন মেটাচ্ছে দেশীয় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। ফ্যানের গড় মূল্য আড়াই হাজার টাকা ধরলে শুধু সিলিং ফ্যানের বাজারই বর্তমানে ১ হাজার ২৫০ কোটি থেকে দেড় হাজার কোটি টাকার। তবে টেবিল ফ্যান, স্ট্যান্ড ফ্যান, এগজোস্ট ফ্যানসহ সামগ্রিক বাজার প্রায় সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে।</p><p>বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, বর্তমানে মোট বাজারের প্রায় ৭৫ শতাংশ হিস্যা রয়েছে যমুনা ইলেকট্রনিকস, আরএফএল গ্রুপের (ভিশন ও ক্লিক), বিআরবি, ওয়ালটন, কনকা, সুপারস্টার, এমইপি ও এনার্জিপ্যাকের মতো বড় কোম্পানিগুলোর হাতে।</p><h3>প্রযুক্তির ভূমিকা</h3><p>ইলেকট্রোমার্ট লিমিটেডের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুল আফসার প্রথম আলোকে বলেন, দেশের ফ্যানের চাহিদা বৃদ্ধিতে বাজার যেমন বাড়ছে, তেমনি স্মার্ট প্রযুক্তির আধুনিক নকশার প্রতি ক্রেতাদের ঝোঁক আছে। দেশের বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কনকা ব্র্যান্ডের ১২ থেকে ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ফ্যানের বাজার বৃদ্ধির পেছনে প্রযুক্তি বড় ভূমিকা রেখেছে। সাধারণ ফ্যানে ৯০ থেকে ১০০ ওয়াট বিদ্যুৎ ব্যবহার হলেও স্মার্ট প্রযুক্তির ফ্যানে ৬০ থেকে ৭০ ওয়াট লাগছে। নতুন বিএলডিসি প্রযুক্তিতে ফ্যান তৈরির কাজ চলছে। মাত্র ৩০ ওয়াট বিদ্যুতে চলা এই ফ্যান আগামী বছরে বাজারে ছাড়া হবে।</p><h2>দাম বাড়ার নেপথ্যে কাঁচামাল ও ডলার</h2><p>এ বছর বাজারে প্রতিটি ফ্যানের দাম গত বছরের তুলনায় ৪০০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। আগে প্রতিবছর গ্রীষ্মের শুরুতে ফ্যানের দাম সাধারণত ১০০ থেকে ১৫০ টাকা বাড়ত, কিন্তু এবারের চিত্র ভিন্ন। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, কোম্পানি পর্যায়ে দাম ২০০ টাকার মতো বাড়লেও খুচরা পর্যায়ে তা ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত ঠেকেছে। এই মূল্যবৃদ্ধির পেছনে মূল কারণ হিসেবে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধিকে দায়ী করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তাঁরা জানান—</p><ul><li>ফ্যানে ব্যবহৃত কেবল বা তারের দাম বেড়েছে ২৫ শতাংশ।</li><li>মোটরের মূল উপাদান তামা বা কপারের দাম বেড়েছে ১৫ শতাংশ।</li><li>অ্যালুমিনিয়াম পণ্যের দাম বেড়েছে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ।</li></ul><p>এ ছাড়া ডলারের বাজার অস্থিরতা এবং আমদানি শুল্ক উৎপাদন খরচ বাড়িয়েছে। মিরপুরের খুচরা ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন বলেন, ‘গরমের তীব্রতা বাড়লে চাহিদা আরও বাড়বে, তখন সরবরাহ সংকটে দাম আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’</p><h2>স্মার্ট ঘর সাজাতে আধুনিক প্রযুক্তির ফ্যান</h2><p>বর্তমান সময়ে ফ্যান শুধু বাতাস দেওয়ার যন্ত্র নয়, বরং ঘরের ইন্টেরিয়র বা অভ্যন্তরীণ সজ্জার একটি বড় অংশ। আধুনিক গ্রাহকেরা এখন সাধারণ ফ্যানের বদলে বিএলডিসি মোটরচালিত ফ্যান এবং স্মার্ট ফ্যানের দিকে ঝুঁকছেন।</p><h3>স্মার্ট ফ্যানের বিশেষত্ব</h3><ul><li><strong>বিদ্যুৎ সাশ্রয়:</strong> সাধারণ ফ্যান যেখানে ৭০-৮০ ওয়াট বিদ্যুৎ খরচ করে, বিএলডিসি ফ্যান মাত্র ২৮-৩৫ ওয়াটে একই বাতাস দেয়। এতে বিদ্যুৎ বিল প্রায় ৬৫ শতাংশ পর্যন্ত কমে আসে।</li><li><strong>রিমোট ও আইওটি নিয়ন্ত্রণ:</strong> এখনকার স্মার্ট ফ্যানগুলো রিমোট কন্ট্রোল তো বটেই, মোবাইল অ্যাপ বা ভয়েস কমান্ডের (যেমন অ্যালেক্সা বা গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট) মাধ্যমেও নিয়ন্ত্রণ করা যায়।</li><li><strong>নান্দনিক নকশা:</strong> মেটালিক ফিনিশ, এডি ল্যাম্পযুক্ত ফ্যান এবং কাঠের টেক্সচারের ব্লেড আধুনিক ঘরকে দিচ্ছে আভিজাত্যের ছোঁয়া।</li></ul><p>ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের ইলেকট্রিক্যাল অ্যাপ্লায়েন্সেসের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর অ্যান্ড সিবিও সোহেল রানা বলেন, ওয়ালটন সাশ্রয়ী ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে গ্রাহকসন্তুষ্টি নিশ্চিত করছে। আমাদের বিএলডিসি প্রযুক্তির ফ্যান প্রচলিত ফ্যানের তুলনায় ৬০ থেকে ৬৫ শতাংশ বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে, যা একজন গ্রাহকের বার্ষিক খরচ প্রায় ১ হাজার ৬২০ টাকা পর্যন্ত কমিয়ে দেয়। দেশব্যাপী এ প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে জাতীয় গ্রিডে প্রায় ২ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয় সম্ভব, যা লোডশেডিং কমাতে বড় ভূমিকা রাখবে।</p><h2>ভবিষ্যৎ পূর্বাভাস</h2><p>বাজারে দাম বাড়লেও ফ্যান বিক্রিতে খুব একটা নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলে মনে করছেন কোম্পানির কর্মকর্তারা। প্রচণ্ড গরম এবং ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে রিচার্জেবল বা ডিসি ফ্যানের চাহিদাও এবার তুঙ্গে।</p><h3>আভিজাত্য ও সুস্থতার সঙ্গী</h3><p>আধুনিক নগরায়ণে ঘর এখন কেবল থাকার জায়গা নয়, বরং আমাদের রুচি ও সুস্থতার প্রতিফলন। ফলে ফ্যান এখন কেবল বাতাস দেওয়ার যন্ত্র নয়, এটি লাইফস্টাইল ও স্মার্ট লিভিংয়ের প্রতীক।</p><p>অন্দরসজ্জায় আভিজাত্য আনতে সুপার স্টারের ‘গোল্ডেন আর্ট’ বা ‘ডায়মন্ড’ সিরিজের প্রিমিয়াম ফ্যানগুলোতে রুচিশীল গ্রাহকদের বেশ কদর রয়েছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত জীবনের জন্য ঘরে নিরবচ্ছিন্ন বায়ু চলাচলে এগজোস্ট ফ্যানের চাহিদা আছে। পরিবারের সুরক্ষায় সুপার স্টারের ‘হিউম্যান সেফটি স্ট্রিং’ প্রযুক্তি যান্ত্রিক ত্রুটিতে ফ্যান পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি দূর করে শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে।</p><p>সাশ্রয়ী জীবনের জন্য শতভাগ কপার কয়েল ও সিলিকন স্টিলসমৃদ্ধ মোটর যেমন বিদ্যুৎ বিল কমায়, তেমনি ডাবল ‘জেড’ বল বিয়ারিং প্রযুক্তি নিশ্চিত করে শব্দহীন প্রশান্তি। তাই ফ্যান নির্বাচনে সঠিক সিদ্ধান্তই নিশ্চিত করবে নিরাপদ ও আভিজাত্যপূর্ণ আগামী।</p><h2>স্মার্ট জীবনযাত্রায় পাখার প্রযুক্তি</h2><p>দেশে বর্তমানে বছরে ৫০ থেকে ৬০ লাখ সিলিং ফ্যানের চাহিদা রয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য ফ্যানের কদরও বেশ বেড়েছে। এখন ফ্যানের সামগ্রিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। প্রযুক্তির উৎকর্ষে ফ্যান এখন কেবল বাতাস দেওয়ার যন্ত্র নয়, বরং স্মার্ট জীবনযাত্রার অপরিহার্য অংশ।</p><p>আধুনিক গ্রাহকেরা এখন ঘরের ইন্টেরিয়রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ডিজাইন এবং বিদ্যুৎ-সাশ্রয়ী পণ্য খুঁজছেন। এমইপি ফ্যান শতভাগ কপার কয়েল ও উন্নত মোটর প্রযুক্তির মাধ্যমে সর্বোচ্চ বাতাস সরবরাহ ও বিদ্যুৎ সাশ্রয় নিশ্চিত করে। এ ছাড়া এর উন্নত বিয়ারিং প্রযুক্তি নিশ্চিত করে শব্দহীন ও আরামদায়ক পরিবেশ।</p><p>নিরাপত্তা ও টেকসই নির্মাণকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাজারে এমইপি ফ্যান শৈল্পিক নকশা, সাশ্রয় এবং নিরাপত্তার এক অনন্য সমন্বয় নিয়ে এসেছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:18:52 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের নতুন কমিটি, সভাপতি ইশরাক হোসেন]]></title>
				<category>আওয়ামী লীগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/awami-league/article-79632.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট নতুন পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এই কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনকে এবং সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে ড. কে এম আই মন্টিকে।</p><h2>কমিটি ঘোষণার বিবরণ</h2><p>বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও সক্রিয় ও শক্তিশালী করতে এই পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর আগে ২৪ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে ঘোষিত কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত করা হয়।</p><h3>নতুন কমিটির নেতৃত্ব</h3><p>নতুন কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক ড. কে এম আই মন্টি। তারা সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।</p><p>বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এই পূর্ণাঙ্গ কমিটির মাধ্যমে সংগঠনটি তার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:07:10 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[মাউশির মহাপরিচালকের চলতি দায়িত্বে অধ্যাপক সোহেল]]></title>
				<category>আইন বিভাগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/ain-bibhag/article-79631.html</link>
				<description><![CDATA[<p>মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালকের (ডিজি) চলতি দায়িত্ব পেয়েছেন অধ্যাপক খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।</p><h2>দায়িত্বের বিবরণ</h2><p>অধ্যাপক খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বর্তমানে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত) দায়িত্বের পাশাপাশি মাধ্যমিক পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের একান্ত সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তবে মহাপরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি একান্ত সচিবের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন।</p><p>শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ এই দপ্তরে নিয়মিত মহাপরিচালক না থাকায় তাকে এই চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অধ্যাপক খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিজ বেতন ও বেতনক্রমে মহাপরিচালক চলতি দায়িত্বে পদায়ন করা হলো। এছাড়া চলতি দায়িত্ব কোনো পদোন্নতি নয়; এ চলতি দায়িত্ব প্রদানের কারণে তিনি পদোন্নতি দাবি করতে পারবেন না।</p><h3>পদ শূন্যতার ইতিহাস</h3><p>সংশ্লিষ্ট পদে নিয়মিত পদোন্নতির মাধ্যমে কর্মকর্তা নিয়োগ করা হলে তার যোগদানের তারিখ থেকে এ চলতি দায়িত্বের আদেশটি বাতিল বলে গণ্য হবে। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।</p><p>উল্লেখ্য, গত ছয় মাস ধরে মাউশিতে নিয়মিত মহাপরিচালকের পদ ফাঁকা। এ পদে দীর্ঘদিন ধরে অস্থিরতা বিরাজ করছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গত বছরের ১৪ অক্টোবর তৎকালীন মহাপরিচালক অধ্যাপক মুহাম্মদ আজাদ খানকে অপসারণ করে ওএসডি করা হয়। এর আগে একই বছরে নিয়োগ পাওয়া অধ্যাপক এহতেসাম উল হককে এক মাসের মধ্যে সরিয়ে দেওয়া হয়।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:45:57 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[হামে আক্রান্ত হয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত ৩৯]]></title>
				<category>জনস্বাস্থ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/swasthyo/jonswasthyo/article-79630.html</link>
				<description><![CDATA[<p>রাজধানীর ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালে হামে আক্রান্ত শিশুরা চিকিৎসা নিচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম–বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) হামে আক্রান্ত হয়ে এক শিশু ও হামের উপসর্গ নিয়ে চার শিশু মারা গেছে।</p><p>এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামে মোট ৩৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৯৪টি শিশুর। এ সময়ে হামে আক্রান্ত হয়েছে ১২৫টি শিশু। আর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮৪৭ জন।</p><p>বিস্তারিত আসছে...</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:20:13 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[হাম রোগী ফেরত না দেয়ার নির্দেশ, শয্যা বাড়ানোর তাগিদ]]></title>
				<category>জনস্বাস্থ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/swasthyo/jonswasthyo/article-79629.html</link>
				<description><![CDATA[<p>দেশে হামের রোগী ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকারি হাসপাতালগুলোকে রোগী ফেরত না দিয়ে শয্যা সংখ্যা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। শয্যা সংকটের অজুহাতে কোনো রোগীকে অন্যত্র পাঠানো যাবে না বলে জানানো হয়েছে।</p><h2>নির্দেশনা জারি</h2><p>স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাখালী কার্যালয় থেকে ২১ এপ্রিল এই নির্দেশনা জারি করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়। স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় সব সরকারি হাসপাতালকে দ্রুত এটি কার্যকর করতে বলা হয়েছে।</p><h3>শয্যা ব্যবস্থাপনা</h3><p>নির্দেশনায় বলা হয়, হাসপাতালে আসা হাম বা হাম-উপসর্গের রোগীদের ক্ষেত্রে শয্যা খালি না থাকলেও ফিরিয়ে দেওয়া যাবে না। প্রয়োজনে অতিরিক্ত শয্যার ব্যবস্থা করতে হবে। তবে জটিল অবস্থা দেখা দিলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রোগীকে রেফার করা যাবে।</p><h3>রেফারাল চেইন</h3><p>রেফার করার ক্ষেত্রে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, জেলা হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বিশেষায়িত হাসপাতালের নির্ধারিত রেফারাল চেইন অনুসরণ করতে হবে। এই নিয়ম না মানলে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের প্রধানকে দায় বহন করতে হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:52:27 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[পিএসএলে বাবরের রেকর্ড ভেঙে চার সেঞ্চুরি উসমান খানের]]></title>
				<category>ক্রিকেট</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/cricket/article-79628.html</link>
				<description><![CDATA[<p>পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) দারুণ এক কীর্তি গড়েছেন হায়দরাবাদ কিংসম্যানের উইকেটকিপার-ব্যাটার উসমান খান। বুধবার করাচিতে মুলতান সুলতানসের বিপক্ষে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে তিনি পিএসএলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ চারটি সেঞ্চুরির রেকর্ড নিজের নামে লিখিয়েছেন।</p><h2>উসমান খানের অসাধারণ অর্জন</h2><p>এর আগে তার তিনটি সেঞ্চুরিই এসেছিল মুলতান সুলতানসের হয়ে। পিএসএলের দ্রুততম সেঞ্চুরি (মাত্র ৩৬ বলে) করার রেকর্ডও রয়েছে তার ঝুলিতে। ২০২৩ সালে কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্সের বিপক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন তিনি। এরপর করাচি কিংস ও ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের বিরুদ্ধেও শতকের দেখা পান।</p><h2>রেকর্ড ভাঙার গল্প</h2><p>এই কীর্তির মাধ্যমে তিনি বাবর আজম, কামরান আকমল ও রাইলি রুশোদের মতো ক্রিকেটারদের পেছনে ফেলেছেন। সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছেন কামরান আকমল, যিনি ৭৪ ইনিংসে তিনটি সেঞ্চুরি করেছেন। এছাড়া রাইলি রুশো ৯৭ ইনিংসে এবং বাবর আজম ১০৬ ইনিংসে তিনটি করে সেঞ্চুরি করেছেন।</p><h3>ম্যাচের বিবরণ</h3><p>গতকালের ম্যাচে হায়দরাবাদ যখন ৪৮ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে ছিল, তখন পাঁচ নম্বরে নেমে এই ঐতিহাসিক ইনিংস গড়েন উসমান। মাত্র ৪৭ বলে ১০১ রানের ঝোড়ো ইনিংসে তিনি ১০টি ছক্কা ও ৫টি চার মেরেছেন। তার এই ইনিংসের সুবাদে হায়দরাবাদ কিংসম্যান ম্যাচটি জয়লাভ করে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:58:20 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[জ্বালানি আমদানি অব্যাহত, লোডশেডিংয়ে ভোগান্তি]]></title>
				<category>আমদানি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/amodani/article-79627.html</link>
				<description><![CDATA[<p>জ্বালানি সংকট উত্তরণে সরকার বড় পরিসরে জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রেখেছে। তবে দেশজুড়ে লোডশেডিং ৪ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে, যা জনজীবনে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি করছে।</p><h2>লোডশেডিংয়ের প্রভাব</h2><p>বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতির কারণে বিভিন্ন এলাকায় লম্বা সময় ধরে লোডশেডিং চলছে। পাম্পে শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রশাসন লাঠি হাতে নেমেছে, এমনকি একজন ইউএনও বাইকারকে চড় মারার ঘটনাও ঘটেছে।</p><h2>ক্রিকেটে সাফল্য</h2><p>ক্রিকেটে শান্তর সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ ২৬৫ রান সংগ্রহ করেছে। দলটি ভালো অবস্থানে রয়েছে।</p><h2>অন্যান্য খবর</h2><ul><li>বিশ্বে ৫ বছরে বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা ৪ হাজারে পৌঁছাতে পারে।</li><li>শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।</li><li>ডি পল ও সুয়ারেজের গোলে ইন্টার মায়ামি টানা জয় পেয়েছে।</li><li>ডায়রিয়ায় এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে, স্বাস্থ্য সতর্কতা জারি।</li><li>লো ব্লাড প্রেসার কখন ঝুঁকির কারণ, তা নিয়ে চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতামত।</li></ul>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:21:03 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[জ্বালানি সংকটে বড় পরিসরে আমদানি অব্যাহত, লোডশেডিং ৪ হাজার মেগাওয়াট ছাড়াল]]></title>
				<category>জ্বালানি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/jbalani/article-79626.html</link>
				<description><![CDATA[<p>সংকট উত্তরণে বড় পরিসরে জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রেখেছে সরকার। দেশজুড়ে লোডশেডিং ৪ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে, যার ফলে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে। পাম্পে শৃঙ্খলা ফেরাতে হাতে লাঠি নিয়ে মাঠে নেমেছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা। সম্প্রতি এক ঘটনায় ইউএনও বাইকারকে চড় মারার ঘটনা আলোচিত হয়েছে।</p><h2>বিশ্বে বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা বৃদ্ধি</h2><p>বিশ্বে আগামী পাঁচ বছরে বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা ৪ হাজারের ঘর ছুঁতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। এদিকে শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।</p><h2>ক্রীড়া জগতের খবর</h2><p>ফুটবলে ডি পল ও সুয়ারেজের গোলে ইন্টার মায়ামি টানা জয় ধরে রেখেছে। ক্রিকেটে শান্তর সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ ২৬৫ রান সংগ্রহ করেছে।</p><h2>স্বাস্থ্য ও ডায়রিয়ার প্রকোপ</h2><p>২৪ ঘণ্টায় অবস্থার অবনতি ঘটায় ডায়রিয়ায় এক শিশুর প্রাণ গেছে। লো ব্লাড প্রেসার কখন ঝুঁকির কারণ হতে পারে, তা নিয়ে চিকিৎসা বিজ্ঞান কী বলছে তা জানা জরুরি।</p><h2>জ্বালানি আমদানি</h2><p>ভারত থেকে আরো ৭ হাজার টন ডিজেল এসেছে। সরকার জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আমদানি বাড়ানোর পাশাপাশি বিতরণ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরাতে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:49:45 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানিতে নিয়োগ, পদ ৭১]]></title>
				<category>কর্মসংস্থান</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/kormosongstthan/article-79625.html</link>
				<description><![CDATA[<p>গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেড (GTCL) সম্প্রতি তাদের স্থায়ী ও চুক্তিভিত্তিক মোট ১৬টি ভিন্ন ভিন্ন ক্যাটাগরিতে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি মোট ৭১টি পদে জনবল নেবে, যার মধ্যে স্থায়ী পদ ৬৮টি এবং চুক্তিভিত্তিক পদ ৩টি। আগ্রহী যোগ্য প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।</p><h2>প্রতিষ্ঠানের নাম</h2><p>গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেড (GTCL)</p><h2>পদের সংখ্যা ও বিবরণ</h2><p>মোট ১৬টি ক্যাটাগরিতে ৭১টি পদ। স্থায়ী পদের মধ্যে রয়েছে: অডিটর ২টি, হিসাব সহকারী ১টি, রিসেপশনিস্ট ২টি, মেডিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট (পুরুষ) ১টি, মেডিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট (মহিলা) ১টি, সার্ভেয়ার ৪টি, প্ল্যান্ট অপারেটর ১৭টি, সিনিয়র টেকনিশিয়ান ১টি, ইলেকট্রিশিয়ান ১৮টি, ট্রান্সপোর্ট সুপারভাইজার ২টি, পিসি অপারেটর (কোরিয়ার) ৩টি, মেকানিক ১০টি, জুনিয়র ট্রান্সপোর্ট সুপারভাইজার ১টি এবং জুনিয়র টেকনিশিয়ান ১টি। চুক্তিভিত্তিক পদের মধ্যে রয়েছে: ইমাম ২টি এবং মুয়াজ্জিন ১টি।</p><h2>আবেদনের শর্তাবলি</h2><h3>বয়সসীমা</h3><p>২৭ মে ২০২৬ তারিখে সাধারণ প্রার্থীদের বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে বীর মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এবং শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে বয়স সর্বোচ্চ ৩২ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য।</p><h3>অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া</h3><p>আগ্রহী প্রার্থীদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। আবেদনের সময় প্রার্থীর ৩০০x৩০০ পিক্সেলের ছবি এবং ৩০০x৮০ পিক্সেলের স্বাক্ষর স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।</p><h3>আবেদন ফি জমা দেওয়া</h3><p>টেলিটক প্রি-পেইড সিমের মাধ্যমে এসএমএস করে আবেদন ফি জমা দিতে হবে। ফি’র পরিমাণ সার্ভিস চার্জসহ মোট ২২৩/- থেকে ৩৩৫/- টাকা (পদভেদে)। এসএমএস ফরম্যাট: GTCL User ID পাঠিয়ে দিন ১৬২২২ নম্বরে।</p><h2>আবেদনের সময়সীমা</h2><p>আবেদন শুরুর তারিখ: ২৭ এপ্রিল ২০২৬, সকাল ৯টা। আবেদনের শেষ তারিখ: ১৮ মে ২০২৬, বিকাল ৫টা।</p><p>আবেদন মাধ্যম: টেলিটকের মাধ্যমে অনলাইন। অনলাইন আবেদনের পদ্ধতিসহ বিস্তারিত জানতে প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট দেখুন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:07:52 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ইরান যুদ্ধের প্রভাবে অর্থনীতিতে ‘প্ল্যান বি’ জরুরি]]></title>
				<category>আন্তর্জাতিক অর্থনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/antorjatik-orthoniti/article-79624.html</link>
				<description><![CDATA[<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৭ বছর পর দেশে ফিরেই বলেছিলেন, ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান।’ সেই পরিকল্পনার বেশ কিছু অংশ বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে পাওয়া গেছে। ক্ষমতায় যাওয়ার পর সেসব পরিকল্পনার কিছু বাস্তবায়নও হচ্ছে। যেমন ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ইত্যাদি। ধরে নেওয়া হচ্ছে এসবই ‘প্ল্যান এ’–এর অংশ। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, এর মধ্যেই দুনিয়া অনেক বদলে গেছে।</p><h2>বাংলাদেশ ও বিশ্বের পরিবর্তন</h2><p>প্রথমত, গত ২০ বছরে বাংলাদেশও আসলে অনেক বদলে গেছে। অর্থনীতির আকার বেড়েছে। মানুষের চাওয়া-পাওয়ার ধরন, চিন্তাভাবনা, প্রত্যাশা—সবকিছুরই পরিবর্তন হয়েছে। যদিও মন্ত্রীদের কারও কারও কথা শুনলে মনে হয়, তাঁরা সেই ২০ বছর আগের বাংলাদেশেই আছেন। দ্বিতীয়ত, গত দুই মাসে দুনিয়াই অনেক বদলে গেছে। একেকটা বৈশ্বিক সংকটই আসলে দুনিয়াকে বদলে দেয়। তবে এখনকার সংকট এতটাই বড় যে এর প্রভাবে দুনিয়া বদলাতে বদলাতে কোথায় গিয়ে ঠেকবে, তা এখনো কেউ জানে না।</p><p>এ রকম এক সময়ে ‘প্ল্যান এ’ তেমন কাজ করবে না, দরকার হবে ‘প্ল্যান বি’। ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি নিরাপত্তায় যে সংকট দেখা দিয়েছে, তাতে সব দেশই অর্থনৈতিক পরিকল্পনাকে নতুন করে সাজাচ্ছে। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। কেননা বলা হচ্ছে, ইরান যুদ্ধের কারণে যেসব উন্নয়নশীল দেশ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তার মধ্যে বাংলাদেশের মতো দেশই বেশি।</p><h2>আইএমএফের সতর্কবার্তা</h2><p>মাত্রই শেষ হলো বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বার্ষিক সভা। নিয়ম মেনে এ সভার আগে আইএমএফ বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ১৪ এপ্রিল প্রকাশিত এবারের প্রতিবেদনে আইএমএফ বলেছে, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব তিন রকম হবে।</p><p>প্রথমত, জ্বালানি ও অন্যান্য পণ্যের দাম বাড়বে। এতে উৎপাদন খরচ বাড়বে, পরিবহন ব্যয় বাড়বে, বাজারে জিনিসপত্রের দামও বাড়বে। অর্থাৎ মূল্যস্ফীতি বাড়বে, আর মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমবে। দ্বিতীয়ত, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও শ্রমিকেরা নিজেদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে চাইবে। এতে পণ্যের দাম আরও বাড়তে পারে, মজুরি বাড়ানোর চাপও বাড়তে পারে। ফলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তৃতীয়ত, বিনিয়োগকারীরা যদি মনে করেন—পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে, তাহলে আর্থিক বাজারে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। শেয়ারবাজার পড়ে যেতে পারে, ডলার শক্তিশালী হতে পারে, অনেক দেশ থেকে টাকা বেরিয়ে যেতে পারে। এতে ঋণ পাওয়া কঠিন হবে, বিনিয়োগ কমবে, অর্থনীতির গতি আরও শ্লথ হবে।</p><p>তবে আইএমএফ বলেছে, সব দেশ সমানভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে না; এই ধাক্কা সব দেশে একইভাবে লাগবে না। যেসব দেশ তেল-গ্যাস বেশি আমদানি করে, তারা বেশি বিপদে পড়বে। নিম্ন আয়ের ও উন্নয়নশীল দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকবে। কারণ, তাদের হাতে ধাক্কা সামাল দেওয়ার মতো বাড়তি অর্থ বা নীতিগত শক্তি কম। অন্যদিকে উপসাগরীয় তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোরও সমস্যা হবে। যুদ্ধের কারণে অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, উৎপাদন কমে যেতে পারে, রপ্তানি ব্যাহত হতে পারে, পর্যটন ও ব্যবসাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ফলে যেসব দেশ মধ্যপ্রাচ্যে শ্রমিক পাঠায়, সেসব দেশের জন্য আরেকটি ঝুঁকি হলো রেমিট্যান্স কমে যাওয়া।</p><h2>বাংলাদেশের জন্য প্রভাব</h2><p>আইএমএফ আরও বলেছে, জ্বালানির দাম বাড়লে সব সময় সঙ্গে সঙ্গে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হয় না। কারণ, এতে অর্থনীতির গতি এমনিতেই কমে যায়। কিন্তু যদি দেখা যায়, এই দাম বাড়ার প্রভাব অন্য খাতেও ছড়িয়ে পড়ছে, মানুষ ও ব্যবসা ভবিষ্যতে আরও মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা করছে, তখন কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সুদহার বাড়ানোসহ কঠোর নীতি নিতে হতে পারে।</p><p>এখন আপনারাই মিলিয়ে দেখুন। আইএমএফ তো আসলে বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর কথাই বেশি বলছে। কারণ, বাড়তি ধাক্কা সামাল দেওয়ার মতো অর্থ ও সামর্থ্য বাংলাদেশের নেই। বাংলাদেশ জ্বালানি খাতে প্রায় পুরোটাই আমদানিনির্ভর। আর এখন অর্থনীতির সবচেয়ে বড় ভরসা হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য থেকে পাঠানো রেমিট্যান্স। এর মধ্যে আবার বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশ ঠিকই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েও ফেলেছে। অর্থাৎ জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়েছে।</p><p>মজার ব্যাপার হচ্ছে, অর্থনীতির সব তত্ত্ব উড়িয়ে দিয়ে মন্ত্রীরা বলা শুরু করেছেন যে জ্বালানির দাম বাড়ার কারণে মূল্যস্ফীতি বাড়বে না। তাঁরা হয়তো ভুলে গেছেন, সাড়ে তিন বছর ধরে বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতির হার অনেক বেশি, সে তুলনায় মজুরি বৃদ্ধির হার কম। অর্থাৎ ক্রমাগতভাবে মানুষের প্রকৃত আয় কমেছে। এখন জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে মানুষের ব্যয় আরও বাড়বে। এ অবস্থায় মূল্যস্ফীতি কমানোর একমাত্র ক্ষমতা আছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বা বিবিএসের। মন্ত্রীরা এখন তাঁদের বক্তৃতা-বিবৃতির মান রাখতে বিবিএসকে মূল্যস্ফীতি কম দেখাতে বলবেন কি না, সেটাই দেখার বিষয়।</p><h2>প্ল্যান বি-এর প্রয়োজনীয়তা</h2><p>আসলে বর্তমান পরিস্থিতিতে ‘প্ল্যান বি’র অংশ হওয়া উচিত—মন্ত্রীরা সবাই সব বিষয়ে কথা বলবেন না, তা নিশ্চিত করা। সংকটের সময় নীতিনির্ধারকেরা কীভাবে কথা বলবেন, এ বিষয়ে ‘পাবলিক কমিউনিকেশন ডিউরিং ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইসিস’ শিরোনামে আইএমএফের একটি গাইডলাইন আছে। নীতিনির্ধারকেরা সেটা পড়ে দেখতে পারেন।</p><p>অর্থনীতিতে ‘প্ল্যান বি’ কেন দরকার, সেটা আরও পরিষ্কার করে বলা যাক। চলতি (২০২৫-২৬) অর্থবছর শেষ হতে আর দুই মাসের কিছু বেশি সময় বাকি। দেখা যাচ্ছে, অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে বাণিজ্যঘাটতি বেড়েছে। এর মধ্যে টানা আট মাস ধরে রপ্তানি আয়ে কোনো প্রবৃদ্ধি নেই। উল্টো আমদানি ব্যয় বাড়ছে। খাদ্য আমদানি বৃদ্ধি এর প্রধান কারণ। এখন ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি আমদানির ব্যয়ও বাড়ছে। এতে বাণিজ্যঘাটতি আরও বাড়বে। ফলে চাপ পড়বে বিনিময় মূল্য ও বৈদেশিক মুদ্রার মজুতের ওপর। এর ওপর আবার ইরান যুদ্ধের প্রভাবে প্রবাসী আয় কমে গেলে নতুন করে বিপদ দেখা দেবে। তখন মানুষের ভোগ ব্যয়, ব্যাংকের আমানত—সবই কমবে। ফলে পুরো মুদ্রানীতিই নতুন করে আরও কঠোর করতে হবে। আর তাতে কমবে বিনিয়োগ। মনে রাখতে হবে, গত এক দশকের মধ্যে দেশে বিনিয়োগের হার এখনই সবচেয়ে কম।</p><h2>সরকারের আয় ও ব্যয়ের চাপ</h2><p>বিএনপি সরকারের ‘প্ল্যান এ’ কার্যকর করতে সরকারকে বাড়তি ব্যয় করতে হবে। এ ক্ষেত্রে বড় সমস্যা হচ্ছে সরকারের আয় অত্যন্ত কম। এতটাই কম যে সরকারকে এখন ব্যাংকব্যবস্থা থেকে ঋণ করে চলতে হচ্ছে। গত অর্থবছরে কর-জিডিপি অনুপাত ১৫ বছরের মধ্যে প্রথমবার ৭ শতাংশের নিচে নেমে যায়। চলতি অর্থবছরেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। সুতরাং সরকার কোথায় কী ব্যয় করবে, আর আয় কোথা থেকে আসবে—এ নিয়েই তো ‘প্ল্যান বি’ দরকার।</p><p>ইরান যুদ্ধের সময় কাতারের রাস লাফানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) রপ্তানি প্ল্যান্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কাতারের হিসাবে, এটি পুনর্নির্মাণে তিন থেকে পাঁচ বছর লাগতে পারে। ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে কাতারের এলএনজির ওপর বেশি নির্ভরশীল দেশগুলো। এর মধ্যে বাংলাদেশও আছে। তাহলে এখন কি যুক্তরাষ্ট্র থেকেই এলএনজি বেশি আনতে হবে? তাহলে ব্যয় কত বাড়বে? এরও হিসাব করতে হবে। এমনিতেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তির নানা ধারা নিয়ে উদ্বেগ আছে। এই চুক্তি কীভাবে সামাল দেওয়া হবে, তা নিয়েও তো ‘প্ল্যান বি’ দরকার।</p><h2>বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন</h2><p>বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশ নিয়ে এপ্রিলের হালনাগাদ প্রতিবেদনে ইরান যুদ্ধের প্রভাব নিয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু আশঙ্কার কথা বলেছে। যেমন—জ্বালানির দাম বাড়ায় চলতি হিসাব ঘাটতি জিডিপির প্রায় ১ শতাংশ পর্যন্ত যেতে পারে; মূল্যস্ফীতি অন্তত দশমিক ৫ শতাংশ পয়েন্ট বাড়তে পারে; শিল্পে প্রবৃদ্ধি কমবে, রপ্তানি ধীর হবে, আমদানি বাড়ায় বাণিজ্য ভারসাম্য খারাপ হবে; প্রবাসী আয়ে চাপ পড়বে, ২০২৬-২৭ সময়ে প্রায় ১৬ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকবে; সরকারের ব্যয় জিডিপির প্রায় দশমিক ৮ শতাংশ পয়েন্ট বাড়তে পারে। ফলে সরকারি ঋণ জিডিপির ৪৬ দশমিক ৩ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। সবশেষে বলেছে, আগেই দুর্বল ব্যাংক খাত আরও দুর্বল হতে পারে। এতে বিনিয়োগ কমবে এবং কর্মসংস্থান তৈরির সক্ষমতাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।</p><p>সব মিলিয়ে অর্থনীতি আবারও কঠিন পরীক্ষার সামনে দাঁড়িয়ে। বাংলাদেশ এমনিতে কঠিন পরীক্ষার মধ্যে আছে কোভিডের পর থেকেই। এ থেকে উত্তরণের দায়িত্ব নিয়েছে বিএনপি সরকার। আইএমএফ বারবার একটাই কথা বলছে, উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য এবারের যুদ্ধের ঝুঁকি বেশি। তবে সঠিক নীতি নিলে ক্ষতি কিছুটা সামলানো সম্ভব। সেই সঠিক নীতি কী ‘প্ল্যান এ’তে আছে? সম্ভাবনা কম। তাহলে সরকারের ‘প্ল্যান বি’ কী?</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:40:40 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ঢাকার বাতাসে উদ্বেগজনক মাত্রায় দূষণ, স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে]]></title>
				<category>জলবায়ু পরিবর্তন</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/jolbayu-poriborton/article-79623.html</link>
				<description><![CDATA[<p>রাজধানী ঢাকার বাতাসে দূষণের মাত্রা উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে গেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) নির্ধারিত মাত্রার তুলনায় অনেক বেশি দূষণকারী কণা বাতাসে মিশে আছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই দূষিত বাতাসে দীর্ঘ সময় শ্বাস নেওয়ার ফলে ফুসফুসের ক্যান্সার, হৃদরোগ ও শ্বাসকষ্টের মতো মারাত্মক রোগের ঝুঁকি বাড়ছে।</p><h2>দূষণের উৎস ও স্বাস্থ্যঝুঁকি</h2><p>ঢাকার বায়ুদূষণের প্রধান কারণ হিসেবে ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া, নির্মাণকাজ ও শিল্পকারখানাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব উৎস থেকে নির্গত সূক্ষ্ম কণা (পিএম ২.৫) সরাসরি ফুসফুসে প্রবেশ করে রক্তের মাধ্যমে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই কণাগুলো ফুসফুসের কোষ ধ্বংস করে এবং হৃদযন্ত্রের কার্যক্রম ব্যাহত করে।</p><h3>দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব</h3><p>দীর্ঘমেয়াদী বায়ুদূষণের সংস্পর্শে আসা মানুষের মধ্যে অ্যাজমা, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি), ফুসফুসের ক্যান্সার ও হৃদরোগের হার বেশি দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের জন্য এই দূষণ আরও ক্ষতিকর। তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকায় দ্রুত আক্রান্ত হচ্ছেন।</p><h2>পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয়</h2><p>পরিবেশবিদরা বলছেন, বায়ুদূষণ কমাতে ইটভাটা বন্ধ করা, যানবাহনের নির্গমন নিয়ন্ত্রণ, এবং নির্মাণকাজে ধুলা প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি সবুজায়ন বাড়িয়ে বাতাসের গুণমান উন্নত করা সম্ভব। সরকার ইতোমধ্যে কিছু পদক্ষেপ নিলেও তা যথেষ্ট নয় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।</p><p>ঢাকার বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে আরও কঠোর আইন প্রয়োগ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজন। অন্যথায় আগামী দিনে স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:54:41 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিক ‘মাইকেল’ আগামীকাল ঢাকায় মুক্তি পাচ্ছে]]></title>
				<category>সিনেমা</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/cinema/article-79622.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বিশ্বজুড়ে কোটি ভক্তের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে রূপালি পর্দায় আসছেন কিংবদন্তি পপসম্রাট মাইকেল জ্যাকসন। আগামীকাল ২৪ এপ্রিল (শুক্রবার) আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পেতে যাচ্ছে তাঁর বহুল আলোচিত বায়োপিক ‘মাইকেল’। বাংলাদেশের দর্শকদের জন্য সুখবর হলো, বিশ্বমুক্তির দিনেই ঢাকার স্টার সিনেপ্লেক্সে সিনেমাটি মুক্তি পাবে। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন স্টার সিনেপ্লেক্সের বিপণন কর্মকর্তা মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ।</p><p>২০০৯ সালে অকাল মৃত্যুর প্রায় দেড় দশক পেরিয়ে গেলেও মাইকেল জ্যাকসনের জনপ্রিয়তা এখনো আকাশচুম্বী। যার বড় প্রমাণ বর্তমান সময়েও মিউজিক স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম স্পটিফাইয়ে তাঁর মাসিক প্রায় ৬৫ মিলিয়ন শ্রোতা। প্রিয় তারকার জীবনের না-বলা গল্পগুলো বড় পর্দায় দেখতে ভক্তরা মুখিয়ে আছেন শুরু থেকেই।</p><h2>নির্মাণ ও কলাকুশলী</h2><p>অ্যান্টনি ফুকো পরিচালিত এই বিগ বাজেটের সিনেমায় মাইকেল জ্যাকসনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তাঁরই আপন ভাইপো জাফার জ্যাকসন। সিনেমা সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মাইকেলের চলন-বলন ও নাচের মুদ্রা জাফার যেভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন, তা দর্শকদের বিস্মিত করবে। এছাড়াও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন মাইলস টেলার, কোলম্যান ডমিঙ্গো, ক্যাট গ্রাহাম, নিয়া লং এবং লরা হ্যারিয়ার।</p><h3>কী থাকছে এই বায়োপিকে?</h3><p>সিনেমাটিতে শুধু পপসম্রাটের বর্ণিল ক্যারিয়ারই নয়, বরং সংগীতের নেপথ্যে থাকা মানুষটির জীবনের জটিলতা ও মানবিক গল্পগুলোও তুলে ধরা হয়েছে। ‘জ্যাকসন ফাইভ’ ব্যান্ডের সেই কিশোর প্রতিভা থেকে কীভাবে তিনি পৃথিবীর ইতিহাসে অন্যতম প্রভাবশালী বিনোদনশিল্পী হয়ে উঠলেন—সেই পুরো যাত্রাটি দর্শক এই সিনেমায় দেখতে পাবেন।</p><p>মাইকেলের জীবনে তাঁর বাবা জো জ্যাকসন এবং মা ক্যাথরিন জ্যাকসনের প্রভাব ছিল ব্যাপক। সিনেমায় বাবা জো জ্যাকসনের চরিত্রে কোলম্যান ডমিঙ্গো এবং মা ক্যাথরিন জ্যাকসনের চরিত্রে দেখা যাবে নিয়া লংকে। এছাড়া মোটাউন রেকর্ডসের প্রতিষ্ঠাতা বেরি গর্ডি থেকে শুরু করে ডায়ানা রসের মতো ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতি সিনেমাটিকে আরও পূর্ণতা দিয়েছে।</p><p>আগামীকাল থেকে বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সের শাখাগুলোতে দর্শকরা সিনেমাটি উপভোগ করতে পারবেন। মাইকেল জ্যাকসনের ভক্তদের জন্য এটি বছরের সবচেয়ে বড় চমক হতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:21:46 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[জাল সনদে ৩৩০ কলেজ প্রভাষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী]]></title>
				<category>উচ্চশিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/uccho-shikkha/article-79621.html</link>
				<description><![CDATA[<p>জাল ও ভুয়া সনদের অভিযোগে ৩৩০ জন কলেজ প্রভাষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের টেবিলে উত্তাপিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য দেন শিক্ষামন্ত্রী। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২০তম দিন বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকালের সংসদে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।</p><h2>সংসদ সদস্যের প্রশ্ন</h2><p>পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস তার প্রশ্নে বলেন, দেশের শিক্ষা খাতে বড় ধরনের অনিয়মের চিত্র সামনে এনেছে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদফতর (ডিআইএ)। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থাটি ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পরিচালিত তদন্ত ও নিরীক্ষার ভিত্তিতে ৯৭৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ওপর একটি প্রতিবেদনে উঠে আসে জাল ও ভুয়া সনদে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগসহ বিস্তর আর্থিক অনিয়ম। বিষয়টি সত্য হলে, সরকার এই অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে কিনা?</p><h3>শিক্ষামন্ত্রীর জবাব</h3><p>জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের শিক্ষা খাতে অনিয়ম সংক্রান্ত বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদফর (ডিআইএ) নিয়মিতভাবে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। বিভিন্ন সময়ে পরিচালিত পরিদর্শন ও নিরীক্ষার মাধ্যমে জাল ও ভুয়া সনদে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগসহ বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের বিষয় উদঘাটিত হয়েছে।</p><p>ওই অনিয়মের বিরুদ্ধে সরকার ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদফতরের প্রতিবেদন অনুযায়ী শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশক্রমে জাল ও ভুয়া সনদের অভিযোগে কলেজ পর্যায়ের মোট ২০২ জন প্রভাষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে এমপিওভুক্ত ৭৪ জন শিক্ষকের বেতন-ভাতা ২০২৩ সালের জুলাই মাস থেকে স্থগিত করা হয়েছে এবং এমপিওবিহীন অবশিষ্ট ১২৮ জন প্রভাষকের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট গভর্নিং বডি কর্তৃক বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।</p><h3>ভবিষ্যৎ ব্যবস্থা</h3><p>এছাড়া, এ ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে ভবিষ্যতেও সংশ্লিষ্ট সকলের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:07:55 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[শান্তর সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের ২৬৫ রানের পুঁজি]]></title>
				<category>ক্রিকেট</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/cricket/article-79620.html</link>
				<description><![CDATA[<p>নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তার সেঞ্চুরির সঙ্গে লিটন দাসের ফিফটিতে চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পেয়েছে বাংলাদেশ। কিউইদের ২৬৬ রানের টার্গেট দিয়েছে টাইগাররা।</p><h2>ম্যাচের শুরু</h2><p>বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) চট্টগ্রামে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠান নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক টম ল্যাথাম। আগে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই সাজঘরের পথ ধরেন ওপেনার সাইফ হাসান। দলীয় ৩২ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে স্বাগতিকরা। তানজিদ তামিম ১, সৌম্য ১৮ ও রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফিরে যান সাইফ হাসান।</p><h3>শান্ত-লিটনের জুটি</h3><p>এরপর চতুর্থ উইকেটে দলের হাল ধরেন শান্ত ও লিটন। শুরুতে দেখে-শুনে ব্যাট করতে থাকলেও ক্রমেই কিউই বোলারদের ওপর চড়াও হতে থাকেন তারা। জুটিতে দুজন মিলে তোলেন ১৬০ রান। ফিফটি পূরণের পর ৭৬ রানে থামেন লিটন। এদিকে ফিফটির পূরণের পর সেঞ্চুরিও তুলে নেন শান্ত। এটি তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের চতুর্থ শতরানের ইনিংস। শান্তর ইনিংস থামে ১০৫ রানে। ১১৯ বলে খেলা তার এই অনবদ্য ইনিংসটি ৯টি চার ও দুটি ছয়ে সাজানো।</p><h3>শেষ দিকের রান</h3><p>শেষ দিকে তাওহিদ হৃদয়ের ৩৩ ও মেহেদী হাসান মিরাজের ২২ রানে ভর করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৬৫ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:42:21 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকে এসএমই রিলেশনশিপ ম্যানেজার পদে নিয়োগ]]></title>
				<category>আর্থিক প্রতিষ্ঠান</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/arthik-protishtthan/article-79619.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বেসরকারি খাতের মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি) তাদের স্মল সেগমেন্ট বিভাগে এসএমই রিলেশনশিপ ম্যানেজার পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা ২১ এপ্রিল থেকে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।</p><h2>পদের বিবরণ</h2><p>প্রতিষ্ঠানের নাম: মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি<br>পদের নাম: এসএমই রিলেশনশিপ ম্যানেজার<br>বিভাগ: স্মল সেগমেন্ট<br>পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়</p><h3>শিক্ষাগত যোগ্যতা</h3><p>যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি আবশ্যক। তবে তৃতীয় বিভাগ বা সমমানের ফলাফল থাকলে আবেদন করা যাবে না।</p><h3>অভিজ্ঞতা</h3><p>প্রার্থীদের কমপক্ষে ৩ বছরের প্রাসঙ্গিক কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।</p><h3>বয়সসীমা</h3><p>নির্দিষ্ট বয়সসীমা উল্লেখ করা হয়নি।</p><h3>কর্মস্থল</h3><p>ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কক্সবাজার, কুমিল্লা, ঢাকা, গাজীপুর, মৌলভীবাজার, নওগাঁ, নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদী—এই ৯টি জেলায় কর্মস্থল নির্ধারিত হবে।</p><h3>বেতন ও সুযোগ-সুবিধা</h3><p>বেতন আলোচনা সাপেক্ষে নির্ধারণ করা হবে এবং প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হবে।</p><h2>আবেদনের নিয়ম</h2><p>আগ্রহী প্রার্থীরা বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি দেখতে এবং অনলাইনে আবেদন করতে পারেন নির্ধারিত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। আবেদনের শেষ তারিখ ২৫ এপ্রিল।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:53:12 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[শান্তর সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৬৫, লোডশেডিং ছাড়াল ৪ হাজার মেগাওয়াট]]></title>
				<category>ক্রিকেট</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/cricket/article-79618.html</link>
				<description><![CDATA[<p>শান্তর সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৬৫ রান। লোডশেডিং ছাড়াল ৪ হাজার মেগাওয়াট, দেশজুড়ে চরম ভোগান্তি। পাম্পে শৃঙ্খলা ফেরাতে হাতে লাঠি, এবার বাইকারকে চড় মারলেন ইউএনও। বিশ্বে ৫ বছরে বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা ছুঁতে পারে ৪ হাজারের ঘর। শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের তারিখ নির্ধারণ। ডি পল ও সুয়ারেজের গোলে ইন্টার মায়ামির টানা জয়। ২৪ ঘণ্টায় অবস্থার অবনতি, ডায়রিয়ায় প্রাণ গেল শিশুর। লো ব্লাড প্রেসার কখন এটি ঝুঁকির কারণ, কী বলছে চিকিৎসা বিজ্ঞান। ভারত থেকে এলো আরো ৭ হাজার টন ডিজেল। ভাটারায় দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ১৬। সব খবর সব খবর।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:05:31 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল চালু হবে ডিসেম্বরে বা জানুয়ারিতে: প্রতিমন্ত্রী]]></title>
				<category>আইন বিভাগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/ain-bibhag/article-79617.html</link>
				<description><![CDATA[<p>হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালুর সময়সীমা জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেন, চলতি বছরের ১৬ ডিসেম্বর বা আগামী বছরের শুরুতেই এই টার্মিনাল চালু হবে।</p><h2>প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তথ্য</h2><p>বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান। এ সময় তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী যেকোনো মূল্যে বিমানকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।</p><h3>কক্সবাজার বিমানবন্দর চালুর পরিকল্পনা</h3><p>প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী বাজেট ঘোষণার পর কক্সবাজার বিমানবন্দর চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে কক্সবাজার থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু হবে।</p><h3>পর্যটন কেন্দ্র উন্নয়নে পিপিপি মডেল</h3><p>রশিদুজ্জামান বলেন, কক্সবাজার, সুন্দরবন ও কুয়াকাটাকে আকর্ষণীয় পর্যটন নগরীতে রূপান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। এসব এলাকা পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলে উন্নয়ন করা হবে, যাতে দার্জিলিং না গিয়ে মানুষ বাংলাদেশেই আসে। সরকার পর্যটন কেন্দ্রগুলোকে লাভজনক করতে পিপিপি মডেলে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কথা ভাবছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:48:48 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[নিউইয়র্কে বাংলা নববর্ষের স্বীকৃতি: ঐতিহাসিক রেজোল্যুশন পাস]]></title>
				<category>ইউরোপ</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/europe/article-79616.html</link>
				<description><![CDATA[<p>যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে বাঙালি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের স্বীকৃতিতে এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। ২২ এপ্রিল আলবেনির নিউইয়র্ক স্টেট ক্যাপিটালে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে ১৪ এপ্রিলকে বাংলা নিউ ইয়ার ডে (Bangla New Year Day) হিসেবে ঘোষণার আহ্বান জানিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজোল্যুশন গৃহীত হয়েছে। এই স্বীকৃতির মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য বাংলা নববর্ষ উদ্‌যাপনের রাজকীয় সমাপ্তি ঘটে।</p><h2>রেজোল্যুশন উত্থাপন ও সমর্থন</h2><p>স্থানীয় সময় বেলা ১১টা ১৫ মিনিটে নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটের অধিবেশনে এই প্রস্তাব উত্থাপন করেন সিনেটর লুউস আর সেপুলভেদা, নাথালিয়া ফার্নান্দেজ ও টবি অ্যান স্ট্যাভিস্কি। সিনেটর টবি অ্যান স্ট্যাভিস্কি বলেন, বহুসাংস্কৃতিক নিউইয়র্কে বাঙালিরা শিক্ষা, ব্যবসা ও সংস্কৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন এবং এই রেজোল্যুশন সেই অবদানের স্বীকৃতি। তাঁর বক্তব্যের পর উপস্থিত সদস্যদের সমর্থনে অধিবেশন করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানে প্রায় ৫০ জন বিশিষ্ট প্রবাসী বাঙালি উপস্থিত ছিলেন, যাঁরা এই মুহূর্তকে দাঁড়িয়ে অভিবাদন জানান।</p><h2>রেজোল্যুশনের মূল প্রস্তাবনা</h2><p>রেজোল্যুশনের মূল প্রস্তাবনা অনুযায়ী, গভর্নর ক্যাথি হুচোলকে ১৪ এপ্রিল ২০২৬ তারিখকে ‘Bangla New Year Day’ হিসেবে ঘোষণা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। এতে বাংলা নববর্ষকে একটি অসাম্প্রদায়িক ও বহুমাত্রিক সাংস্কৃতিক উৎসব হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে, যার শিকড় মোগল আমলের কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিতে নিহিত। সংগীত, নৃত্য, চারুকলা এবং লোক–ঐতিহ্যের মাধ্যমে এই উৎসব বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ একসঙ্গে উদ্‌যাপন করে থাকেন।</p><h3>বাংলা ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীর অবদান</h3><p>রেজোল্যুশনে আরও উল্লেখ করা হয় যে বাংলা ভাষাভাষী জনগোষ্ঠী—যা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ভাষাগোষ্ঠী—নিউইয়র্কে একটি শক্তিশালী সাংস্কৃতিক উপস্থিতি তৈরি করেছে। উনিশ শতকের শেষ ভাগ থেকে শুরু করে আধুনিক সময় পর্যন্ত বাঙালিরা যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষা, গবেষণা, ব্যবসা, স্বাস্থ্যসেবা ও সাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। বিশেষভাবে মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের তিন দশকের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এবং বাংলা উৎসব ও বইমেলার ঐতিহ্যও এতে স্বীকৃতি পেয়েছে। একই সঙ্গে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা বিশ্বজিৎ সাহার ভূমিকার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।</p><h3>গভর্নরের প্রতি আহ্বান</h3><p>রেজোল্যুশনের সমাপনী অংশে গভর্নরের প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে তিনি ১৪ এপ্রিল ২০২৬ তারিখকে নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে ‘Bangla New Year Day’ হিসেবে ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে রেজোল্যুশনের একটি অনুলিপি যথাযথভাবে প্রেরণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে গভর্নরের দপ্তরে। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে এই রেজোল্যুশনের কপি প্রেরণের তালিকায় বিশ্বজিৎ সাহা—মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও এনআরবি ওয়ার্ল্ডওয়াইডের সভাপতির নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে প্রবাসে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি বিকাশে তাঁর অবদান নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের আইনসভা কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি পেয়েছে।</p><h2>সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান</h2><p>রেজোল্যুশন পাসের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বেলা ১টা থেকে শুরু হয় এক মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সংগীত পরিচালক মহিতোষ তালুকদার তাপসের নেতৃত্বে রবীন্দ্রসংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন সিনেটর টবি অ্যান স্ট্যাভিস্কি। তিনি বলেন, নিউইয়র্কে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি বিকাশে এনআরবি ওয়াল্ডওয়াইড এবং মুক্তধারা (NRB Worldwide এবং Muktadhara Foundation) অনন্য ভূমিকা পালন করছে। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন এনআরবি ওয়ার্ল্ডওয়াইডের সহসভাপতি কল্লোল বসু, সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল লিটন এবং সংগীত পরিচালক মহিতোষ তালুকদার তাপস। সংগঠনের সভাপতি বিশ্বজিৎ সাহা তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘বাংলা নববর্ষ উদ্‌যাপনকে আমরা প্রবাসী বাঙালিদের গণ্ডি ছাড়িয়ে আমেরিকার মূলধারার সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই।’</p><h3>সাংস্কৃতিক পরিবেশনা</h3><p>সাংস্কৃতিক পর্বে শিশুশিল্পী ভাষা সাহার নৃত্য ও দুর্গা ক্ষত্রিয়ের সংগীত ছিল অনন্য পরিবেশনা। অন্যদিকে বাউলশিল্পী এমডি শাহীন হোসেনের লোকসংগীত দর্শকদের মুগ্ধ করে। মহিতোষ তাপসের সংগীত পরিচালনায় পাঁচটি বিশেষ গান পরিবেশিত হয়। প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী এই আয়োজন পুরো অনুষ্ঠানকে উৎসবমুখর করে তোলে। সম্মিলিত কণ্ঠে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে সাংস্কৃতিক পর্বের সফল পরিসমাপ্তি ঘটে।</p><h2>উদ্‌যাপনের পরিসর</h2><p>নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে এনআরবি ওয়ার্ল্ডওয়াইড এবং মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা বিশ্বজিৎ সাহা নেতৃত্ব দেন। এনআরবি ওয়ার্ল্ডওয়াইডের ব্যানারে বাংলা নববর্ষ উদ্‌যাপন ১১ ও ১২ এপ্রিল নিউইয়র্ক সিটির টাইমস স্কয়ার ও জ্যাকসন হাইটসে শুরু হয়ে ২২ এপ্রিল আলবেনির ক্যাপিটাল হিলে সমাপনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শেষ হয়। এই রেজোল্যুশন গৃহীত হওয়ার মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ এখন নিউইয়র্কে একটি আনুষ্ঠানিক সাংস্কৃতিক দিবস হিসেবে প্রতিষ্ঠার পথে এগিয়ে গেল—যা প্রবাসী বাংলাদেশি ও বাঙালি কমিউনিটির জন্য এক ঐতিহাসিক অর্জন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:02:41 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[মোহাম্মদ সালাউদ্দিন পাচ্ছেন হাই পারফরম্যান্স ইউনিটের দায়িত্ব]]></title>
				<category>ক্রিকেট</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/cricket/article-79615.html</link>
				<description><![CDATA[<p>জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন শিগগিরই নতুন দায়িত্ব পেতে পারেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তাকে হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) ইউনিটের প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। এই ইউনিটটি বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ভবিষ্যৎ তারকা তৈরির অন্যতম প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত, যেখান থেকে সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবালের মতো ক্রিকেটাররা উঠে এসেছেন।</p><h2>নতুন দায়িত্বের সম্ভাবনা</h2><p>সূত্র জানায়, আসন্ন মৌসুমে এইচপি ইউনিটের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিতে পারেন সালাউদ্দিন। বর্তমানে তিনি জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিসিবি এই অভিজ্ঞ কোচের ওপর আস্থা রাখতে চায়, যিনি জাতীয় দলের সঙ্গেও কাজ করেছেন। চলতি মাসেই বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল এইচপি কার্যক্রম নিয়ে বৈঠকে বসবেন, যার পর বিস্তারিত জানা যাবে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এবার এইচপি ইউনিটে বয়সসীমা নির্ধারণ করা হচ্ছে না।</p><h3>আসন্ন সফর ও টুর্নামেন্ট</h3><p>সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে, আগামী মে মাস থেকে এইচপি দলের অনুশীলন শুরু হবে। জুন মাসে জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দল বাংলাদেশে এসে এইচপি দলের বিপক্ষে খেলবে। এরপর জুলাইয়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় সফরে যাবে বাংলাদেশ এইচপি দল, যেখানে তারা তিনটি একদিনের ও দুটি চার দিনের ম্যাচ খেলবে।</p><p>পরবর্তীতে ১৫ আগস্ট থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়া সফরে যাবে এইচপি দল। সেখানে টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি দুটি চার দিনের ম্যাচ খেলবে তারা। এছাড়া ইমার্জিং এশিয়া কাপেও এইচপি ইউনিট থেকে খেলোয়াড় নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। বিসিবি আশা করছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ আরও শক্তিশালী হবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:58:01 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[২ মে শুরু হচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচি]]></title>
				<category>ক্রীড়া প্রশাসন</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/krira-proshashon/article-79614.html</link>
				<description><![CDATA[<p>দেশের তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করতে আগামী ২ মে দেশব্যাপী শুরু হচ্ছে বিশেষ ক্রীড়া কর্মসূচি ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ওই দিন বেলা তিনটায় সিলেট জেলা স্টেডিয়াম থেকে এই কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করবেন। এরপর সারা দেশে একযোগে এ কর্মসূচি শুরু হবে। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে দেশের সব মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।</p><h2>মাউশির নির্দেশনা</h2><p>আজ বৃহস্পতিবার মাউশির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক আদেশে বলা হয়, ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের অনলাইন বা অনস্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। প্রতিটি শ্রেণিতে পাঠদান চলাকালে নোটিশের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের এই কর্মসূচি সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।</p><p>মাউশির শারীরিক শিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা আদেশে বলা হয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশপথে অনুমোদিত ব্যানার প্রদর্শন এবং নিজস্ব ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার কার্যক্রম চালাতে হবে। প্রতিষ্ঠানের নোটিশ বোর্ডে এ–সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে হবে।</p><h2>উদ্বোধন ও লক্ষ্য</h2><p>আদেশে উল্লেখ করা হয়, ২ মে বেলা তিনটায় সিলেট থেকে প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের মধ্য দিয়েই সারা দেশে একযোগে এই কর্মসূচির কার্যক্রম শুরু হবে। তৃণমূল থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের চিহ্নিত করে তাদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দক্ষ ক্রীড়াবিদ হিসেবে গড়ে তোলাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:48:07 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করলেন জামায়াত আমির]]></title>
				<category>বিরোধী দল</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/birodhi-dol/article-79613.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বৃহস্পতিবার সকালে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি রাজধানীর মিরপুর-১০ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, কাজীপাড়া সিদ্দিকিয়া ফাজিল মাদ্রাসা এবং শহীদ পুলিশ স্মৃতি কলেজ কেন্দ্রে যান।</p><h2>পরীক্ষার্থীদের খোঁজখবর</h2><p>পরিদর্শনকালে তিনি পরীক্ষার্থীদের সুবিধা-অসুবিধার বিষয়ে খোঁজখবর নেন এবং তাদের সুস্থতা ও ভালো ফলাফলের জন্য দোয়া করেন। কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে কথা বলে পরীক্ষার পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও দেন তিনি।</p><h3>বিদ্যুৎ সরবরাহের আহ্বান</h3><p>এ সময় পরীক্ষাকালীন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান শফিকুর রহমান। তিনি কেন্দ্রের বাইরে অভিভাবকদের জন্য করা ছাউনি ও সুপেয় পানির ব্যবস্থাও ঘুরে দেখেন এবং তাদের সঙ্গে কথা বলেন।</p><p>পরিদর্শনকালে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনসহ স্থানীয় নেতারা।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:36:58 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সব ইউনিট বন্ধ, উত্তরের ৮ জেলায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট]]></title>
				<category>কৃষি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/krishi/article-79612.html</link>
				<description><![CDATA[<p>দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। পর্যাপ্ত কয়লা মজুত থাকা সত্ত্বেও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির তিনটি ইউনিটের সবকটিই বন্ধ রয়েছে। ফলে দিনাজপুরসহ উত্তরাঞ্চলের আট জেলায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে।</p><h2>১ নং ইউনিট বন্ধের কারণ</h2><p>বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত ১০টা ১০ মিনিটে ১২৫ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন ১ নং ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যায়। বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, কয়লার সঙ্গে পাথর আসায় ১ নং ইউনিটের বয়লারের পাইপ ফেটে যায়। এতে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় উৎপাদন।</p><p>তিনি আরও জানান, মেরামত কাজ চলছে। এটি মেরামত করে পুনরায় উৎপাদন শুরু করতে চার থেকে পাঁচ দিন সময় লাগতে পারে। এর আগে থেকেই ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ২ নং ইউনিট এবং ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ৩ নং ইউনিট দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে।</p><h2>বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইতিহাস</h2><p>দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির উৎপাদিত কয়লার ওপর ভিত্তি করে খনির পাশেই ২০০৬ সালে গড়ে ওঠে কয়লাভিত্তিক বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র। প্রথম পর্যায়ে ১২৫ মেগাওয়াট করে মোট ২৫০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট স্থাপন করা হয়। ২০১৭ সালে আরও একটি ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ইউনিট চালু হওয়ায় কেন্দ্রটির মোট উৎপাদন ক্ষমতা দাঁড়ায় ৫২৫ মেগাওয়াট। তবে যান্ত্রিক ত্রুটিসহ নানা জটিলতার কারণে কখনোই একসঙ্গে পূর্ণ ক্ষমতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হয়নি।</p><h2>ইউনিটগুলোর বর্তমান অবস্থা</h2><p>বর্তমানে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তিনটি ইউনিটের মধ্যে ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ইউনিট যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ২০২৪ সালের ১ নভেম্বর থেকে বন্ধ। ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দ্বিতীয় ইউনিট ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে বন্ধ। গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর প্রথম ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যায়, যা ১৫ দিন পর ১৪ জানুয়ারি পুনরায় চালু হয়। কিন্তু বেশ কয়েক মাস ঢিমেতালে চলার পর গত ২২ এপ্রিল রাতে আবারও বন্ধ হয়ে যায়। ফলে বর্তমানে কেন্দ্রটির সব ইউনিট বন্ধ রয়েছে।</p><h2>কয়লা খনির সংকট</h2><p>বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র পুরোপুরি বন্ধ থাকায় উৎপাদিত কয়লা নিয়ে বিপাকে পড়েছে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি কর্তৃপক্ষ। কয়লা রাখার স্থান সংকুলান না হওয়ায় অব্যাহত উৎপাদন নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। খনির কর্মকর্তারা জানান, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির উৎপাদিত কয়লার একমাত্র ক্রেতা এই তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র। কিন্তু কেন্দ্রটি বন্ধ থাকায় খনির উৎপাদিত কয়লা ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে মজুত অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গিয়ে কয়লা রাখার জায়গা সংকট দেখা দিয়েছে।</p><p>হিসেব অনুযায়ী, বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তিনটি ইউনিট একসঙ্গে চালাতে প্রতিদিন প্রায় ৫ হাজার ২শ টন কয়লার প্রয়োজন হয়। কিন্তু যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে তিনটি ইউনিট একসঙ্গে কখনো চালানো সম্ভব হয়নি, ফলে কোল ইয়ার্ডে কয়লার বিপুল মজুত জমেছে।</p><p>বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিএমসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. শাহ আলম জানান, খনিতে বর্তমানে দৈনিক গড়ে ২ হাজার ৭শ টন কয়লা উত্তোলন করা হচ্ছে। খনির ইয়ার্ডে কয়লা রাখার সর্বোচ্চ ধারণ ক্ষমতা ২ লাখ ২০ হাজার টন হলেও বর্তমানে মজুত বেড়ে দাঁড়িয়েছে সাড়ে ৫ লাখ টন। তিনি বলেন, ইয়ার্ডে কয়লা রাখার জায়গা নেই। তাই তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনা করে বিকল্প স্থানে কয়লা রাখার চেষ্টা চলছে।</p><h2>উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও ভোগান্তি</h2><p>জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হলেও উত্তরাঞ্চলে চাহিদা পূরণে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একদিকে বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ, অন্যদিকে সরবরাহে ঘাটতি থাকায় মারাত্মক ভোগান্তিতে পড়েছেন উত্তরাঞ্চলের মানুষ। জাতীয় গ্রিড থেকেও চাহিদামাফিক বিদ্যুৎ মিলছে না। এক সপ্তাহ ধরে ভ্যাপসা গরম বেড়েছে। তাপমাত্রা ৩৫ থেকে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে। এই গরমে বিদ্যুৎ বিভ্রাট আরও বেড়েছে। সকাল, ভোর কিংবা গভীর রাতে বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। দিনাজপুরসহ আশপাশের এলাকায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:55:09 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[জুলাই বিপ্লবে হত্যা মামলায় সাবেক ডিজিএফআই পরিচালক আফজাল নাসেরের চারদিনের রিমান্ড]]></title>
				<category>আইন বিভাগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/ain-bibhag/article-79611.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ঢাকার একটি আদালত বৃহস্পতিবার সাবেক ডিজিএফআই পরিচালক ও বরখাস্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আফজাল নাসেরকে চারদিনের রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় উত্তরার এলাকায় মাহমুদুল হাসান নামে এক ব্যক্তি নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় এই রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।</p><h2>আদালতের আদেশ</h2><p>ঢাকা অতিরিক্ত মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহ পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন। পুলিশ আফজাল নাসেরকে আদালতে হাজির করে সাতদিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করলে আদালত চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।</p><h3>গ্রেপ্তারের বিবরণ</h3><p>গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল গত ৩০ মার্চ মিরপুর ডিওএইচএসের বাসা থেকে আফজাল নাসেরকে গ্রেপ্তার করে।</p><h2>মামলার বর্ণনা</h2><p>মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট মাহমুদুল হাসান উত্তর ইস্ট পুলিশ স্টেশনের আওতাধীন আজমপুর এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একটি মিছিলে যোগ দেন। মিছিলটি আক্রান্ত হলে হাসান গুলিবিদ্ধ হন। তাকে দ্রুত কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।</p><p>২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর উত্তর ইস্ট থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:27:58 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[জামায়াত আমিরের এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন]]></title>
				<category>আইন বিভাগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/ain-bibhag/article-79610.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশ জামায়াত-ই-ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর কয়েকটি এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। তিনি মিরপুর-১০ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, কাজীপাড়া সিদ্দিকী ফাজিল মাদ্রাসা ও শহীদ পুলিশ স্মৃতি কলেজের পরীক্ষাকেন্দ্রগুলো সরেজমিনে ঘুরে দেখেন।</p><h2>পরীক্ষার্থীদের সুবিধা ও সমস্যা জানতে চান</h2><p>পরিদর্শনকালে তিনি পরীক্ষার্থীদের জন্য উপলব্ধ সুবিধা এবং তাদের কোনো সমস্যা হচ্ছে কিনা তা জানতে চান। পাশাপাশি তিনি তাদের মঙ্গল ও পরীক্ষায় সাফল্য কামনা করে দোয়া করেন। জামায়াত আমির কেন্দ্র কর্তৃপক্ষকে একটি নিরপেক্ষ পরীক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান এবং কর্তৃপক্ষের কাছে পরীক্ষার সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ বজায় রাখার অনুরোধ জানান।</p><h3>স্থানীয় নেতাদের উপস্থিতি</h3><p>এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনসহ স্থানীয় নেতারা। তিনি কেন্দ্রের বাইরে অভিভাবকদের জন্য আসন ও চলমান তাপপ্রবাহের মধ্যে পানীয় জলের ব্যবস্থা পর্যালোচনা করেন এবং অভিভাবকদের সঙ্গে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:27:58 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বিপর্যয়ের মুখে নাজমুলের অসাধারণ সেঞ্চুরি, দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান]]></title>
				<category>ক্রিকেট</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/cricket/article-79609.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বিপর্যয়ের মুখে দারুণ এক সেঞ্চুরি করেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ২০ ইনিংস আর ২৫ মাস—নাজমুল হোসেনের অপেক্ষা ছিল এতটাই লম্বা। চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে আজ যখন তা শেষ হলো, স্বস্তির সেই বাতাসটা টের পাওয়া গেল তাঁর উদ্‌যাপনেও।</p><h2>দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান</h2><p>দৌড়ে এক রান নিয়ে ৯৯ থেকে সেঞ্চুরিতে পৌঁছান নাজমুল। ক্রিজের সাদা দাগটা ছুয়ে তাকালেন আকাশে, হেলমেট খুললেন, সেঞ্চুরি করলে তাঁর চিরচেনা উদ্‌যাপন ব্যাটে চুমু খেয়ে ড্রেসিংরুমের দিকে বাড়িয়ে দেওয়া—নাজমুল করেছেন তা–ও। তবে সবকিছুতেই ছিল একটা ধীর লয়, দীর্ঘ একটা অপেক্ষা শেষ হওয়ার স্বস্তিও।</p><h3>ম্যাচের গুরুত্ব</h3><p>আজকের ইনিংসও গড়েও তুলেছেন এভাবেই। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সমতায় থাকা সিরিজে আজকের ম্যাচটা একরকম ফাইনালই। বাংলাদেশের জন্য সিরিজ জয়টা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ আটে থেকে বিশ্বকাপ খেলার চ্যালেঞ্জের কারণে। অথচ এমন ম্যাচেই কিনা ৩২ রানেই নেই বাংলাদেশের ৩ উইকেট!</p><h2>নাজমুলের ইনিংস গড়ার কৌশল</h2><p>সেখান থেকে যেভাবে ইনিংসটা গড়ে তোলার দরকার, নাজমুল করেছেন তা–ই। চতুর্থ উইকেটে লিটন দাসের সঙ্গে জুটি বেঁধে ইনিংসটা টেনে তিনি এমন জায়গায় নিয়ে গেছেন, যেখান থেকে অন্তত লড়াইটা করতে পারার কথা বাংলাদেশের। নাজমুল কাল প্রথম পঞ্চাশ রান করতেই যেমন নিয়েছেন ৭০ বল। তখনো সুযোগমতো বাউন্ডারি আর বাকি সময়ে ভর করেছিলেন সিঙ্গেলস আর ডাবলসের ওপর। সুযোগমতো ব্যাটও চালিয়েছেন। পরের পঞ্চাশ রান করতে তাঁর লেগেছে ৪৪ বল।</p><h3>লিটনের সঙ্গে জুটি</h3><p>লিটনের সঙ্গে ১৬০ রানের অসাধারণ এক জুটি গড়েছেন নাজমুল। সেঞ্চুরিতে পৌঁছে একটা চক্রও পূরণ হয়েছে নাজমুলের। ২০২৪ সালের মার্চে এই মাঠেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ছিল তাঁর সর্বশেষ ওয়ানডে সেঞ্চুরি। এবার একই মাঠে তৃতীয় বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরি পেলেন।</p><h2>অধিনায়কত্ব হারানোর পর ফর্মে ফেরা</h2><p>গত বছর হুট করে নাজমুলের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হয় ওয়ানডে অধিনায়কত্ব। অধিনায়ক হিসেবে ওয়ানডেতে তাঁর ব্যাটিং গড় ছিল ৫১.২৭। তবে নেতৃত্ব ছাড়ার পরই যেন ব্যাটের ছন্দটাও হারিয়ে ফেলেন নাজমুল। এই ম্যাচের আগে ওয়ানডেতে ১৪ ইনিংসে তাঁর ফিফটি ছিল মাত্র একটি, ব্যাটিং গড়টাও নেমে এসেছিল ১৮.৭৬–তে। এ নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ছিল দলেরও। আগের ম্যাচে ফিফটি পাওয়ার পর তা কিছুটা কমেছিল।</p><h3>ত্রাতা হিসেবে নাজমুল</h3><p>আজ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ম্যাচে তিনি পেলেন সেঞ্চুরিও, দলের বিপদের সময় হলেন ত্রাতাও। লিটনের সঙ্গে ১৭৮ বলে ১৬০ রানের জুটিতে বাংলাদেশ পেয়েছে বড় রানের ভিত, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের জুটি এটি। ৯১ বলে ৭৬ রান করে লিটন থেমে গিয়েছিলেন নাজমুলের সেঞ্চুরির আগেই। তিন অঙ্কে পৌঁছানো নাজমুলও ১১৯ বলে ১০৫ রান করে আউট হয়ে গেছেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:08:35 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[লোডশেডিং ৪ হাজার মেগাওয়াট ছাড়াল, দেশজুড়ে চরম ভোগান্তি]]></title>
				<category>জ্বালানি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/jbalani/article-79608.html</link>
				<description><![CDATA[<p>দেশজুড়ে লোডশেডিং ৪ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে, যার ফলে জনজীবনে চরম ভোগান্তি দেখা দিয়েছে। পাম্পে শৃঙ্খলা ফেরাতে লাঠি হাতে নিলেন ইউএনও। এছাড়াও বিশ্বে ৫ বছরে বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা ৪ হাজারে পৌঁছাতে পারে। শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। ডি পল ও সুয়ারেজের গোলে ইন্টার মায়ামির টানা জয় অব্যাহত রয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় অবস্থার অবনতি হওয়ায় ডায়রিয়ায় এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। লো ব্লাড প্রেসার কখন ঝুঁকির কারণ, তা নিয়ে চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতামত। ভারত থেকে আরো ৭ হাজার টন ডিজেল এসেছে। ভাটারায় দেশীয় অস্ত্রসহ ১৬ জন গ্রেপ্তার হয়েছে। আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দু'পক্ষের সংঘর্ষে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:22:54 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[লোডশেডিং ৪ হাজার মেগাওয়াট ছাড়াল, দেশজুড়ে চরম ভোগান্তি]]></title>
				<category>পরিবেশ</category>
				<link>https://bdgazette.com/jibonjapon/poribesh/article-79607.html</link>
				<description><![CDATA[<p>দেশজুড়ে লোডশেডিং ৪ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় চরম ভোগান্তি সৃষ্টি করেছে। বিদ্যুৎ সরবরাহে এই অস্থিরতার কারণে নিত্যদিনের কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে।</p><h2>পাম্পে শৃঙ্খলা ফেরাতে কঠোর পদক্ষেপ</h2><p>পাম্পে শৃঙ্খলা ফেরাতে স্থানীয় প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। ইউএনও নিজে লাঠি হাতে নেমে পড়েছেন এবং এক বাইকারকে চড় মারার ঘটনাও ঘটেছে।</p><h3>বিশ্বে বিলিয়নিয়ার সংখ্যা ৪ হাজারের ঘরে</h3><p>বিশ্বব্যাপী বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা আগামী ৫ বছরে ৪ হাজারে পৌঁছাতে পারে বলে জানা গেছে।</p><h3>শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন</h3><p>শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।</p><h3>ইন্টার মায়ামির টানা জয়</h3><p>ডি পল ও সুয়ারেজের গোলে ইন্টার মায়ামি টানা জয়ের ধারা বজায় রেখেছে।</p><h3>ডায়রিয়ায় শিশুর মৃত্যু</h3><p>২৪ ঘণ্টায় অবস্থার অবনতি হওয়ায় ডায়রিয়ায় এক শিশুর প্রাণ গেছে।</p><h3>লো ব্লাড প্রেসার: ঝুঁকির কারণ ও চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতামত</h3><p>লো ব্লাড প্রেসার কখন ঝুঁকির কারণ হয় এবং চিকিৎসা বিজ্ঞান কী বলছে তা নিয়ে আলোচনা।</p><h3>ভারত থেকে আরও ৭ হাজার টন ডিজেল এলো</h3><p>ভারত থেকে আরও ৭ হাজার টন ডিজেল দেশে এসে পৌঁছেছে।</p><h3>ভাটারায় দেশীয় অস্ত্রসহ ১৬ জন গ্রেপ্তার</h3><p>ভাটারায় দেশীয় অস্ত্রসহ ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।</p><h3>আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে বৃদ্ধ নিহত</h3><p>আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দু'পক্ষের সংঘর্ষে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:40:37 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[হাজারীবাগে অটোচালককে কুপিয়ে অটোরিকশা ছিনতাই]]></title>
				<category>স্থানীয় সরকার</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/sthanio-shorokar/article-79606.html</link>
				<description><![CDATA[<p>রাজধানীর হাজারীবাগের বেড়িবাঁধের মাহাদিনগর এলাকায় বৃহস্পতিবার দুপুরে এক চালককে কুপিয়ে তার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ছিনতাই করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। আহত চালকের নাম মনির মান্না (৩৫)। ঘটনাটি ঘটেছে দুপুর ১টার দিকে।</p><h2>ছিনতাইয়ের ঘটনা</h2><p>প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মনির মান্না মাহাদিনগর এলাকায় অটোরিকশা নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় হাজারীবাগ কোম্পানি ঘাট এলাকার বাসিন্দা রাব্বিসহ তিন-চারজন দুর্বৃত্ত তার পথরোধ করে। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে মনির মান্নাকে এলোপাথারি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে তার কাছ থেকে মোবাইল ফোন, গলার চেইন এবং অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে যায়।</p><h3>আহতের অবস্থা</h3><p>আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। তার পিঠে ও হাতে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।</p><p>ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, 'আহত ব্যক্তি বর্তমানে চিকিৎসাধীন। তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল।'</p><h2>প্রতিবেশীর বক্তব্য</h2><p>আহতের প্রতিবেশী সাগর জানান, 'দুপুরে মাহাদিনগর এলাকায় রাব্বিসহ ৩-৪ জন মনির মান্নার পথরোধ করে। তারা তাকে কুপিয়ে আহত করে এবং তার মোবাইল, চেইন ও অটোরিকশা নিয়ে যায়। পরে আমরা খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসি।'</p><p>এ ঘটনায় হাজারীবাগ থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে। পুলিশ ছিনতাইকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তৎপরতা চালাচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:05:45 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[সংস্কৃতি কি সত্যিই স্থবির? ডব্লিউ. ডেভিড মার্ক্সের বিশ্লেষণ]]></title>
				<category>ইউরোপ</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/europe/article-79605.html</link>
				<description><![CDATA[<p>সংস্কৃতি কি নিজেকে ভেঙে ফেলার জন্যই জন্মায়, নাকি ভাঙার গল্পটাই পরে আমরা বানাই; এই প্রশ্নটা কাগজে যতটা সোজা, বাস্তবে ততটাই কাদামাটি, হাঁটু ডুবিয়ে হাঁটতে হয়, কারণ এখানে শুধু গান, সিনেমা, বই নেই, আছে বাজার, আছে টাকার গন্ধ, আছে সেইসব অদৃশ্য হাত যারা ঠিক করে দেয় কোনটা জনপ্রিয় হবে, কোনটা অদৃশ্য হয়ে যাবে। ডব্লিউ. ডেভিড মার্ক্স তার বই <em>Blank Space</em>-এ এসে যেন এই সবকিছুর উপর একরকম হিসাবের খাতা খুলে বসেন। তিনি বলেন, বিংশ শতাব্দী ছিল উদ্ভাবনের, নতুন ভাবনার, নতুন স্টাইলের, বিদ্রোহের; আর একবিংশ শতাব্দী যেন দাঁড়িয়ে আছে এক অদ্ভুত স্থিরতায়, যেন সব আছে কিন্তু কিছুই নড়ছে না, একটা অস্বস্তিকর নীরবতা, যেখানে সবকিছু একইরকম দেখায়, একইরকম শোনায়, আর মানুষ নিজের অজান্তেই বলে ফেলে; কিছু একটা ঠিক নেই।</p><h2>নিওলিবারালিজম ও পপটিমিজমের প্রভাব</h2><p>কিন্তু এই 'ঠিক নেই'-এর দোষ মার্ক্স সরাসরি সোশ্যাল মিডিয়া বা অ্যালগরিদমের ঘাড়ে চাপান না, বরং একধরনের বিস্তৃত, একটু ঝাপসা শব্দ ব্যবহার করেন; নিওলিবারালিজম। যেটা ঠিক কখন শুরু, কোথায় শেষ, সেটা স্পষ্ট নয়, কিন্তু তার দাবি, এই ব্যবস্থাই আমাদের রুচি, পছন্দ, আচরণ; সবকিছুর পেছনে বসে থাকা অদৃশ্য হিসাবরক্ষক; যেখানে লাভই শেষ কথা, আর সেই লাভের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তৈরি হয় এক ধরনের সাংস্কৃতিক দর্শন, যেখানে 'পপটিমিজম' এসে বলে জনপ্রিয় মানেই ভালো, আর লজ্জাহীন প্রদর্শন, ব্যবসায়িক বুদ্ধি; এসবকে বলা হয় গণতান্ত্রিক শক্তি, যেন শিল্পের ভেতরের কারিগরি, গভীরতা, বা প্রতিভা আর একমাত্র মানদণ্ড নয়। কারদাশিয়ানদের রিয়েলিটি শো থেকে লেডি গাগার পারফরম্যান্স, এমনকি আমেরিকার ৬ জানুয়ারির রাজনৈতিক হাঙ্গামা; সবকিছু একই ধারার মধ্যে পড়ে যায়, যেখানে সংস্কৃতি আর রাজনীতি একে অপরের ভাষা ধার করে।</p><h2>সংস্কৃতি ও রাজনীতির মিলন</h2><p>এখানেই মার্ক্সের আরেকটা বড় দাবি; একবিংশ শতাব্দীতে সংস্কৃতি রাজনীতির হাতিয়ার হয়ে গেছে, ডান আর বাম; দুই দিকেই। বামপন্থিরা নাকি শিল্পের নতুনত্ব, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছেড়ে দিয়ে ভোক্তাবাদ আর বিদ্রূপের আড়ালে ঢুকে পড়েছে, সেই হিপস্টার সংস্কৃতি, যেখানে সবকিছুতেই একধরনের 'আইরনি' আছে, কিন্তু অবস্থান নেই। আর সেই ফাঁক দিয়েই ডানপন্থা, বিশেষ করে ফার-রাইট, এসে সংস্কৃতির 'বিদ্রোহী' ভূমিকাটা কেড়ে নেয়; চ্যান, ম্যাগা, নিক ফুয়েন্তেস; যারা কোনো শিল্পগত নতুনত্বে আগ্রহী নয়, কিন্তু বিদ্রোহের ভাষাটা ব্যবহার করে। ২০১৬-এর নির্বাচনকে তাই তিনি সংস্কৃতির লড়াই হিসেবে দেখেন, যেখানে ব্যবসায় সফল কিন্তু সাংস্কৃতিক মর্যাদা না পাওয়া মানুষদের ক্ষোভ জমে ওঠে, আর সেই ক্ষোভ একসময় পুরো রিপাবলিকান পার্টিকেই গ্রাস করে ফেলে।</p><h2>নব্বই দশকের শেষ 'প্রকৃত' শিল্প?</h2><p>মার্ক্স যখন নব্বইয়ের দশককে শেষ 'প্রকৃত' শিল্পের সময় হিসেবে দাঁড় করান; পার্ল জ্যাম, পাঙ্ক এথোস, 'সেল আউট' হওয়ার বিরুদ্ধে একধরনের নৈতিক অবস্থান; তখনই একটা অস্বস্তি এসে বসে, কারণ সেই সময়েই তো নিওলিবারালিজমও শক্ত হয়ে বসছিল, পোস্টমডার্নিজমও তখন বহু আগেই সংস্কৃতির কেন্দ্রে ঢুকে পড়েছে, যেখানে উচ্চ-নিম্নের পার্থক্য ভেঙে যাচ্ছে, বহুত্ববাদ, আপেক্ষিকতা; এসবই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। তাহলে একবিংশ শতাব্দীকে আলাদা করে 'দোষী' বানানোর জায়গাটা কোথায়?</p><h3>ফ্রেডরিক জেমসনের ছায়া</h3><p>এখানে এসে ফ্রেডরিক জেমসনের ছায়া পড়ে, যাকে মার্ক্স ব্যবহার করেন, কিন্তু পুরোপুরি ধরেন না। জেমসন বলেছিলেন, পোস্টমডার্ন সংস্কৃতি মূলত একধরনের 'প্যাস্টিশ'; অতীতের সব স্টাইলকে টুকরো টুকরো করে নিয়ে এসে নতুন কিছু বানানোর ভান, কিন্তু ভেতরে কোনো দিকনির্দেশ নেই, যেন মৃত ভাষা, যেটার মধ্যে আমরা বাস করছি। মার্ক্স এই জায়গায় 'ফিউশন'-এর কথা বলেন; ট্র্যাপ আর কান্ট্রি মিউজিক একসাথে, স্ট্রিটওয়্যার আর আর্ট; সবকিছু মিশে যাচ্ছে, আর এই মিশ্রণ তৈরি করছে একধরনের 'অমনিভোরাস' সংস্কৃতি, যেখানে সবকিছু খাওয়া যায়, সবকিছু গ্রহণযোগ্য, ফলে আলাদা করে কোনো সাবকালচার দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না, সবাই মিলে একটা 'pluralistic monoculture'-এর ভেতরে ঢুকে পড়ে।</p><h2>ড্র্যাগ সংস্কৃতি ও লেডি গাগা</h2><p>কিন্তু এই বিশ্লেষণে সমস্যা দেখা দেয় যখন তিনি নিজেই উদাহরণ দেন; ড্র্যাগ সংস্কৃতি, যার ভাষা, ভঙ্গি মূলধারায় ঢুকে পড়েছে; 'ইয়াস কুইন', 'মাদার'; এসব শব্দ এখন সোশ্যাল মিডিয়ার সাধারণ শব্দ, কিন্তু প্রশ্ন ওঠে; এটা কি সমর্থন, নাকি মূলধারার দ্বারা প্রান্তিক সংস্কৃতির ভাষা দখল? RuPaul's Drag Race-এর মতো শো কি সেই সাবকালচারকে শক্তিশালী করছে, নাকি বাজারের পণ্য বানিয়ে ফেলছে? আবার লেডি গাগাকে তিনি সমালোচনা করেন, কারণ তিনি নাকি ড্র্যাগ এস্থেটিক ব্যবহার করেছেন কিন্তু 'র‍্যাডিক্যাল' কিছু করেননি। এখানেই একটা চাপা প্রত্যাশা দেখা যায়, যেন পপ শিল্পীকে অবশ্যই রাজনৈতিক বা বিপ্লবী হতে হবে।</p><h2>দ্বন্দ্ব ও সমালোচনা</h2><p>এই দ্বন্দ্ব আরও স্পষ্ট হয় যখন দেখা যায় মার্ক্স একইসঙ্গে বলছেন; সংস্কৃতি খুব বেশি রাজনৈতিক হয়ে গেছে, আবার যথেষ্ট রাজনৈতিকও হয়নি, কারণ 'প্রকৃত' বিপ্লব ঘটেনি; অথচ ম্যাগা-এর উত্থান নিজেই তো একধরনের সাংস্কৃতিক দখল, কিন্তু সেটা তার পছন্দের নয়, তাই সেটাকে তিনি উদ্ভাবন হিসেবে মানতে চান না। এই জায়গায় এসে তর্কটা একটু নিজের সাথেই লড়াই করে। শিকাগো ড্রিলের মতো উদাহরণ তিনি দেন, কিন্তু তার গভীরে যান না; যেখানে বাস্তব সহিংসতা, গান, সোশ্যাল মিডিয়া; সব একসাথে জড়িয়ে আছে, যেখানে শিল্প আর বাস্তবের সীমানা ভেঙে যায়, আর প্রশ্ন ওঠে; সব উদ্ভাবন কি ভালো? সব সাবকালচার কি উদযাপনযোগ্য?</p><h3>মার্ক ফিশারের Capitalist Realism</h3><p>মার্ক ফিশারের কথাও এখানে এসে জুড়ে যায়; <em>Capitalist Realism</em>; যেখানে বলা হয়, এখন আর বিকল্প কল্পনা করার জায়গা নেই, পুঁজিবাদ এতটাই সবকিছু গ্রাস করেছে যে নতুন কিছু ভাবার আগেই সেটাকে শোষণ করে নেয়। কুর্ট কোবেইনের উদাহরণ; MTV-কে গালি দিলেও সেই গালিটাই MTV-র পণ্য হয়ে যায়। এই লুপ থেকে বের হওয়া কঠিন। মার্ক্স যেখানে নব্বইয়ের দশককে একধরনের শেষ প্রতিরোধ হিসেবে দেখেন, ফিশার সেখানে দেখেন এক অদ্ভুত ফাঁদ, যেখানে প্রতিরোধই পণ্যে পরিণত হয়।</p><h2>সমাধানের পথ</h2><p>তবু মার্ক্স পুরোপুরি নিরাশ নন। তিনি বলেন, শিল্পকে আবার জনসম্পদ হিসেবে ভাবতে হবে, শুধু অর্থনৈতিক সাফল্যের বাইরে গিয়ে সামাজিক মূল্য তৈরি করতে হবে, শিল্পীদের ঝুঁকি নিতে হবে, সমালোচকদের সেই ঝুঁকিকে চিনতে হবে, ছোট ছোট আন্ডারগ্রাউন্ড জায়গাগুলোকে সময় দিতে হবে বড় হওয়ার, বাজারের বাইরে একটু শ্বাস নেওয়ার। এমনকি তিনি বলেন, ক্লাসিক এত পড়তে হবে, এত দেখতে হবে যে বিরক্তি আসে; কারণ সেই বিরক্তি থেকেই নতুন কিছু বের হয়। আর ডেটা, অ্যানালিটিক্স; এসবের ওপর কম নির্ভর করে নিজের ভেতরের অনুভূতিকে বিশ্বাস করতে হবে।</p><h2>উপসংহার: সময়ের গণ্ডি</h2><p>কিন্তু বইয়ের শেষে এসে একটা অন্যরকম দৃশ্য ভেসে ওঠে; একজন সমালোচক, যিনি নব্বইয়ের দশকে বড় হয়েছেন, কোবেইনের সময়ে, যখন 'অথেন্টিসিটি' একটা মূল্য ছিল, আর এখন তিনি তাকিয়ে আছেন নতুন সময়ের দিকে, যেখানে সবকিছুই একটু বেশি মিশ্র, একটু বেশি খোলা, একটু বেশি বাজারের ভেতরে। কৈশোরে যে শিল্প আবিষ্কার করা হয়, সেটাই তো সবচেয়ে নতুন লাগে, কারণ তখন নিজের ভেতরটাই নতুন থাকে; তারপরের সবকিছুই যেন একটু পুনরাবৃত্তি, একটু কম তীব্র। সংস্কৃতি কি সত্যিই স্থবির হয়ে পড়েছে, নাকি আমরা স্রেফ নিজেদের সময়ের গণ্ডিতে দাঁড়িয়ে নতুন এক সময়কে বুঝতে ব্যর্থ হচ্ছি—এই চিরাচরিত প্রশ্নটিই আবার সামনে চলে আসে। 'আমাদের সময়ের শিল্পীরাই প্রকৃত শিল্পী ছিলেন'—এমন আপ্তবাক্য প্রতিটি প্রজন্মের হাত ধরেই ফিরে আসে; মানুষ বদলে যায়, কিন্তু এই অনুভূতির কোনো হেরফের হয় না। ঠিক সেই পুরনো রেশ ধরে এই বিংশ শতাব্দীতেও আমাদের মনে হয় যে কিছু একটা আমূল বদলে গেছে, কিন্তু নির্দিষ্ট করে তা চিহ্নিত করা সম্ভব হয় না; কেবল অনুভব করা যায় যে গহীনে কোথাও একটা প্রবল পরিবর্তন ঘটে চলেছে।</p><p>টোকিওতে বসবাসরত সাংস্কৃতিক বিশ্লেষক ডব্লিউ. ডেভিড মার্ক্স মূলত জাপানি এবং আমেরিকান সংস্কৃতির মেলবন্ধন নিয়ে কাজ করেন। তাঁর সর্বশেষ প্রকাশিত গ্রন্থটির নাম 'Blank Space: A Cultural History of the 21st Century'। এর আগে তিনি 'Status and Culture' এবং 'Ametora: How Japan Saved American Style'-এর মতো প্রশংসিত বই উপহার দিয়েছেন। তাঁর নিয়মিত কলাম ও প্রবন্ধগুলো <em>The Atlantic</em>, <em>The New Yorker</em> এবং <em>The New Republic</em>-এর মতো বিশ্বখ্যাত সাময়িকীগুলোতে স্থান করে নিয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:33:08 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[কাপ্তাই জলবিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন কমেছে, চার ইউনিট বন্ধ]]></title>
				<category>জ্বালানি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/jbalani/article-79604.html</link>
				<description><![CDATA[<p>রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে নির্মিত জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিটের চারটিতেই উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। স্বাভাবিক সময়ে ওই বিদ্যুৎকেন্দ্রে ২৪২ মেগাওয়াট উৎপাদন হলেও এখন হচ্ছে মাত্র ৪০ মেগাওয়াট। এ ছাড়া রাঙামাটি জেলাতেও সরবরাহ কমেছে। জেলায় প্রতিদিন ৩২ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা থাকলেও পাওয়া যাচ্ছে ১৮ মেগাওয়াট।</p><h2>পানি কমে যাওয়ায় ইউনিট বন্ধ</h2><p>কাপ্তাই কর্ণফুলী জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান প্রথম আলোকে বলেন, কাপ্তাই হ্রদে পানি কমে যাওয়ায় চারটি ইউনিট বন্ধ রাখা হয়েছে। বাকি একটি ইউনিট দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। বর্তমানে এতে দৈনিক ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। সব কটি ইউনিট চালু করলে কাপ্তাই হ্রদের পানি শুকিয়ে যাবে। গতকাল পর্যন্ত হ্রদের পানির লেভেল (মিন সি লেভেল) ছিল ৭৭ দশমিক ৪৭ ফুট।</p><h3>রাঙামাটিতে লোডশেডিং বাড়ানো হয়েছে</h3><p>জানতে চাইলে রাঙামাটি বিদ্যুৎ বিতরণ ও বিপণন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী স্বাগত সরকার প্রথম আলোকে বলেন, জেলায় রাতে বিদ্যুতের চাহিদা ১৮ মেগাওয়াট। তবে এখন সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে ১১ মেগাওয়াট। আর দিনের বেলায় চাহিদা ১৪ মেগাওয়াট। দিনে পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। এ কারণে লোডশেডিং বাড়াতে হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:00:09 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[তীব্র তাপপ্রবাহ আরও চার-পাঁচ দিন অব্যাহত থাকবে]]></title>
				<category>পণ্যমূল্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/ponnyomulyo/article-79603.html</link>
				<description><![CDATA[<p>চলমান তীব্র তাপপ্রবাহ আগামী চার থেকে পাঁচ দিন দেশব্যাপী অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর (বিএমডি)।</p><h2>তাপপ্রবাহের সময়সীমা</h2><p>আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম জানান, ‘চলমান তীব্র তাপপ্রবাহ আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে এবং ২৬ এপ্রিলের পর কিছুটা কমতে পারে, তবে এটি ২৮ থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।’ তিনি উল্লেখ করেন, এ বছর এটিই দীর্ঘতম তাপপ্রবাহ। মে মাসে দেশে এক থেকে দুই দফা তাপপ্রবাহ হতে পারে, কারণ সাধারণত মার্চ থেকে মে মাসে তাপপ্রবাহ দেখা দেয়।</p><h3>বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা</h3><p>বৃষ্টিপাত প্রসঙ্গে শাহীনুল বলেন, সিলেট অঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত হচ্ছে, তবে ২৬ এপ্রিলের পর বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়বে।</p><p>রাজশাহী জেলা সবচেয়ে তীব্র তাপপ্রবাহের সম্মুখীন হচ্ছে, অন্যদিকে রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের বাকি অংশ এবং ঢাকা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, মাদারীপুর, দিনাজপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, লক্ষ্মীপুর, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান জেলায় মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বইছে। আগামী কয়েক দিন আবহাওয়ার এই প্যাটার্ন অব্যাহত থাকতে পারে।</p><h3>আবহাওয়ার পূর্বাভাস</h3><p>আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় (সকাল ৯টা থেকে) ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের এক-দুই জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে এবং কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যান্য স্থানে আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে এবং আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। দিবসের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।</p><p>বুধবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে রাজশাহীতে এবং আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস সিলেটে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:49:57 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বিশ্বে ৫ বছরে বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা ৪ হাজার ছুঁতে পারে]]></title>
				<category>আন্তর্জাতিক অর্থনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/antorjatik-orthoniti/article-79602.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বিশ্বে আগামী ৫ বছরের মধ্যে বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা ৪ হাজারে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সম্পদের এই কেন্দ্রীভবন বৈষম্য আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। এদিকে শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের তারিখ নির্ধারণ করেছে আদালত। অন্যদিকে, ডি পল ও সুয়ারেজের গোলে ইন্টার মায়ামি টানা জয় ধরে রেখেছে। স্বাস্থ্য খাতে, ২৪ ঘণ্টায় অবস্থার অবনতি হয়ে ডায়রিয়ায় এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে, লো ব্লাড প্রেসার কখন ঝুঁকির কারণ হতে পারে তা নির্ধারণ করা জরুরি। এছাড়া ভারত থেকে আরো ৭ হাজার টন ডিজেল এসেছে। ভাটারায় দেশীয় অস্ত্রসহ ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। ভার্চুয়াল কোর্টের প্রথম দিনেই ১৭৭ মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাব হত্যা মামলায় শীর্ষ সন্ত্রাসী 'নলা কাশেম' গ্রেপ্তার হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:37:42 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ইরানে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ]]></title>
				<category>আন্তর্জাতিক অর্থনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/antorjatik-orthoniti/article-79601.html</link>
				<description><![CDATA[<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশ আজ ইরানে পাঠানোর জন্য ঢাকায় নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূতের কাছে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা সামগ্রী হস্তান্তর করেছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।</p><h2>সহায়তা পাঠানোর পদ্ধতি</h2><p>প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, এই সহায়তা বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মাধ্যমে পাঠানো হচ্ছে। ইরানের চলমান সংকটের প্রেক্ষাপটে এই মানবিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।</p><h3>প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য</h3><p>ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলার পর দেশটিতে জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জামের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের এই সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় দ্রুত এই সহায়তা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।</p><p>বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই উদ্যোগ বাংলাদেশের মানবিক অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:38:50 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ডিজিএফআইয়ের বহিষ্কৃত কর্মকর্তা আফজাল নাছেরের চার দিনের রিমান্ড]]></title>
				<category>আইন বিভাগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/ain-bibhag/article-79600.html</link>
				<description><![CDATA[<p>জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানায় মাহমুদুল হাসান নামে এক ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগের মামলায় ডিজিএফআইয়ের বহিষ্কৃত কর্মকর্তা মো. আফজাল নাছেরকে চার দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।</p><p>বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন সেফাতুল্লাহর আদালত এই আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন এ তথ্য জানান।</p><p>এর আগে, আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পূর্ব থানার উপপরিদর্শক মোহাম্মদ আশরাফুল আলম। আবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক তদন্তে এই মামলার ঘটনার সঙ্গে মো. আফজাল নাছের জড়িত বলে জানা গেছে। তদন্তকালে আরও জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে তার নির্দেশে ব্যাপক সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালানো হয়। এই বলে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে। মামলার ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন, সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামি মো. আফজাল নাছেরকে নিবিড়ভাবে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়া একান্ত প্রয়োজন।</p><p>আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক আসামির চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে, গত ৩০ মার্চ ভোরে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএসের ১২ নম্বর সড়কের ৮৬৪ নম্বর বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। এরপর একাধিক মামলায় কয়েকদফা রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়।</p><p>মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট মাহমুদুল হাসান বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একটি মিছিলে অংশ নেন। বিকাল ৪টার সময় উত্তরা পূর্ব থানার ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের পূর্ব পাশে আজমপুর ফুট ওভার ব্রিজের নিচে পাকা রাস্তার ওপর আন্দোলনকারীরা পৌঁছালে আসামিসহ অজ্ঞাত আসামিরা বেআইনিভাবে অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তাদের উদ্দেশ্যে গুলি বর্ষণ করেন। আসামিদের ছোড়া গুলিতে বাদীর ভাগনে মাহমুদুল হাসানের শরীরে লাগলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। ওই ঘটনার তার পরিবার থেকে উত্তরা পূর্ব থানায় হত্যা মামলাটি দায়ের করা হয়।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:32:06 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[চট্টগ্রাম সিটি এফসির বাজিমাত, চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে শীর্ষে]]></title>
				<category>ক্রিকেট</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/cricket/article-79599.html</link>
				<description><![CDATA[<p>চট্টগ্রাম বয়েজ ক্লাব নামে পাইওনিয়ার লিগে খেলতো দলটি। এবার নাম পাল্টে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে প্রথম অংশ নিয়েই বাজিমাত করেছে চট্টগ্রাম সিটি ফুটবল ক্লাব। তাদের শহর থেকে আসা আরেক ক্লাব চট্টগ্রাম আবাহনীকে হারিয়ে বাংলাদেশ ফুটবল লিগে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। এমন সাফল্যের পর ক্লাবটিতে বইছে আনন্দের ঢেউ। তবে একই সঙ্গে চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে ম্যাচ ফিক্সিং নিয়ে আলোচনা-সমালোচনাও কম হচ্ছে না।</p><h2>পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষে চট্টগ্রাম সিটি</h2><p>১৫ ম্যাচে ১১ জয়ে চট্টগ্রাম সিটির সংগ্রহ এখন ৩৬ পয়েন্ট। টেবিলের তিনে থাকা ঢাকা ওয়ান্ডার্সের (১৪ ম্যাচে ২০) আর সুযোগ নেই চট্টগ্রাম সিটিকে ছোঁয়ার বা টপকে যাওয়ার। শেষ তিন ম্যাচের দুটি জিতলেই চ্যাম্পিয়ন হয়ে শীর্ষ লিগে খেলার পথ খুলে যাবে তাদের। টেবিলের দুইয়ে থাকা সিটি ক্লাবের চেয়ে চট্টগ্রাম সিটি এগিয়ে আছে ৯ পয়েন্টে, যদিও সিটি ক্লাব একটি ম্যাচ কম খেলেছে।</p><h2>ক্লাবের লক্ষ্য ও সাফল্যের রহস্য</h2><p>ক্লাবটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন, যিনি সাবেক ফুটবলার- ডিফেন্ডার হিসেবে ৭ বছর খেলেছেন আবাহনী লিমিটেডে। দল নিয়ে বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেছেন, ‘আমাদের শুরু থেকেই লক্ষ্য ছিল পেশাদার স্তরের মূল পর্বে খেলা। সেই লক্ষ্য সামনে রেখে আমরা ভালো দল গড়েছি। খেলোয়াড়দের ভালো পারিশ্রমিক দিয়েছি, আর তার ফলও পেয়েছি। এখন বাকি তিন ম্যাচ ভালোভাবে শেষ করে বাংলাদেশ ফুটবল লিগ নিয়ে ভাবতে চাই।’</p><h2>ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ অস্বীকার</h2><p>চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে এবার ম্যাচ ফিক্সিং ইস্যুতে আলোচনা-সমালোচনা ছিল তুঙ্গে। তবে এ বিষয়ে দৃঢ় অবস্থান জানিয়ে নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘আমরা ফুটবলে এসেছি টিকে থাকার জন্য, হারিয়ে যেতে নয়। আর ম্যাচ ফিক্সিং আমরা করবো কেন? আমরা ম্যাচ ফিক্সিং করিনি, এমন প্রশ্নই আসে না। ভালো পারিশ্রমিক দিয়ে খেলোয়াড় এনে পারফরম্যান্সের মাধ্যমে আমরা সাফল্য পেয়েছি। এখানে অন্য কিছু ভাবার সুযোগ নেই।’</p><h2>স্থানীয় খেলোয়াড় ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা</h2><p>চট্টগ্রামের এই দলটিতে স্থানীয় ১৫ জন খেলোয়াড় রয়েছেন। ক্লাবটির অবস্থান চট্টগ্রামের সদরঘাট এলাকায়। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘চট্টগ্রামের বড় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ আছে। আমরা চাই, সামনে বাংলাদেশ ফুটবল লিগে আরও শক্তিশালী দল গড়ে ভালোভাবে টিকে থাকতে।’</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 09:04:47 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে শিক্ষার্থীদের পড়ার অভ্যাস বাড়ানোর উদ্যোগ]]></title>
				<category>উচ্চশিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/uccho-shikkha/article-79598.html</link>
				<description><![CDATA[<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃহস্পতিবার দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।</p><h2>সচিবালয়ে বৈঠক</h2><p>তিনি সচিবালয়ে তার কার্যালয়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র এবং শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রীদের সাথে এক বৈঠকে এই নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং অনুসারে, শিক্ষার্থীদের মধ্যে পড়ার অভ্যাস বাড়াতে সরকার বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সাথে যৌথভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।</p><h3>বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতার সাথে আলোচনা</h3><p>প্রধানমন্ত্রী বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের সাথে এই লক্ষ্যে বৈঠক করেন। বৈঠকে দেশব্যাপী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পড়ার কর্মসূচি কীভাবে সম্প্রসারণ করা যায় তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।</p><h3>উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ</h3><p>অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ, শিক্ষামন্ত্রী ডা. এ এন এম এহসানুল হক মিলন, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজাজ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন ও ডা. জাহেদ উর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।</p><p>এর আগে, ৭ এপ্রিল অধ্যাপক আবু সায়ীদ প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করেন, যেখানে তারা বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের পড়ার কর্মসূচি সম্প্রসারণে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে আলোচনা করেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:35:35 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক]]></title>
				<category>উচ্চশিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/uccho-shikkha/article-79597.html</link>
				<description><![CDATA[<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।</p><h2>বৈঠকের বিষয়বস্তু</h2><p>প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বৈঠকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়। শিক্ষার্থীদের বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে সরকারের সঙ্গে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র একসঙ্গে কাজ করার বিষয়টিও বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।</p><h3>উপস্থিত ব্যক্তিরা</h3><p>এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী ও প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন ও ডাঃ জাহেদ উর রহমান।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:53:11 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[জ্বালানি স্বল্পতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার অর্ধেকেরও কম]]></title>
				<category>জ্বালানি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/jbalani/article-79596.html</link>
				<description><![CDATA[<p>জ্বালানি স্বল্পতার কারণে সক্ষমতার পুরোটা বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্মসচিব উম্মে রেহানা। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।</p><h2>জ্বালানি সংকটের কারণ</h2><p>বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্মসচিব বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে প্রয়োজনীয় জ্বালানি আমদানি করে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সরবরাহ করতে না পারায় চাহিদামতো বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাচ্ছে না। তাই গ্রাম ও শহরের মধ্যে লোডশেডিংয়ের ক্ষেত্রে সমন্বয় করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p><h3>গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের অবস্থা</h3><p>দেশে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ১২ হাজার মেগাওয়াটের বেশি হলেও গ্যাসের অভাবে অর্ধেকের মতো উৎপাদন হচ্ছে। বুধবার দেশে বিদ্যুৎ চাহিদা ছিল ১৫ হাজার ৭৬৭ মেগাওয়াট। সরবরাহ হয়েছে ১৩ হাজার মেগাওয়াটের মতো। ঘাটতি ছিল ২ হাজার মেগাওয়াট।</p><h2>আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের ত্রুটি</h2><p>এর আগে, বুধবার দুপুরে চালুর ১১ দিনের মাথায় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আবারও ওই ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, এদিন দুই ইউনিট থেকে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৪৯৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছিল। তবে দুপুর ২টার দিকে উৎপাদন এক লাফে কমে প্রায় সাড়ে ৭০০ মেগাওয়াটে নেমে আসে।</p><h3>মেরামতের সময়সীমা</h3><p>বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ও আদানির দায়িত্বশীল সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার মধ্যরাতের পর ভারতে আদানির পাওয়ারসের বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিটের বিয়ারিং থেকে সতর্কসংকেত পাওয়া যায়। সাউন্ড শুনে এটি শনাক্ত করেন কেন্দ্রটির প্রকৌশলীরা। বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে তাৎক্ষণিকভাবে ওই ইউনিটে উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়। পিডিবির সদস্য মো. জহুরুল ইসলাম জানান, কারিগরি ত্রুটির কারণে আদানির একটি ইউনিট থেকে উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। মেরামতে তিন থেকে চার দিন সময় লাগতে পারে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:16:12 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ভিত্তিহীন বিষয় নিয়ে সময় নষ্ট না করার আহ্বান সুনেরাহর]]></title>
				<category>সিনেমা</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/cinema/article-79595.html</link>
				<description><![CDATA[<p>অভিনেত্রী সুনেরাহ বিনতে কামাল বর্তমানে নাটক ও চলচ্চিত্র—দুই মাধ্যমেই কাজ করে ব্যস্ত সময় পার করছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমেও তার সরব উপস্থিতি রয়েছে। তবে নানা সময় সামাজিক মাধ্যমে ভুয়া তথ্য ও সমালোচনার মুখে পড়তে হয় তাকে। এ নিয়ে যাচাই-বাছাইহীন লেখালেখি ও তার নেতিবাচক প্রবণতায় নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলেন এই অভিনেত্রী।</p><h2>সামাজিক মাধ্যমে অবস্থান স্পষ্ট</h2><p>সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টে এসব বিষয়ে সরব হন সুনেরাহ। সঙ্গে অনুসারীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে অনলাইন লেখকদের একটি অংশের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অভিনেত্রী।</p><h3>অনলাইন লেখকদের নিয়ে বক্তব্য</h3><p>সেই পোস্টে সুনেরাহ লিখেছেন—সামাজিক মাধ্যমে কিছু লেখক আছেন, ভালো কথা। কিন্তু এদের মধ্যে অনেকেই না জেনে, না বুঝে, যাচাই না করে, যা ইচ্ছা লিখে ফেলেন, যার বেশিরভাগই নেতিবাচক। তিনি বলেন, আমাদের জার্নালিস্ট ভাইবোনেরা কষ্ট করে এই পজিশন অর্জন করেছেন—এটা তাদের কাজ। এবং তারা তাদের কাজ ঠিকমতো যাচাই করে সংবাদ প্রচার করেন। আমাদের কাজ প্রচার করেন।</p><h3>উদ্দেশ্যপ্রণোদিত লেখা নিয়ে প্রশ্ন</h3><p>উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে লেখা বা মতামতের আড়ালে অপপ্রচার চালানোর প্রবণতার প্রশ্ন তুলে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমার এটা মনে হলো, ওটা মনে হলো’ বলে কাউকে নিয়ে যা ইচ্ছা লেখাটা অযৌক্তিক—খুব সুবিধার না। এদের উদ্দেশ্যটা কী? হয়তো ‘এটেনশন’, ‘এন্টারটেইনমেন্ট’ অথবা ‘মনিটাইজেশন’। তিনি বলেন, দয়া করে ভিত্তিহীন বিষয় নিয়ে নিজের সময় নষ্ট করবেন না।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:14:38 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বান্দরবানে হামের প্রাদুর্ভাব: কুরুকপাতায় ১৫ শিশু ভর্তি, একজনের মৃত্যু]]></title>
				<category>জনস্বাস্থ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/swasthyo/jonswasthyo/article-79594.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার দুর্গম কুরুকপাতা ইউনিয়নে শিশুদের মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। জ্বর, সর্দি, ফুসকুড়ি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে গত বুধবার ও আজ বৃহস্পতিবার আলীকদম স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ১৫ জন শিশু ভর্তি হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি পাড়ায় শিশুরা অসুস্থ হচ্ছে।</p><h2>এক শিশুর মৃত্যু</h2><p>গত মঙ্গলবার রাতে ইউনিয়নের একটি বেসরকারি অনাথ আশ্রমের ৮ বছর বয়সী চাংমুম ম্রো হামের লক্ষণ নিয়ে মারা গেছে। দুর্গম এলাকা হওয়ায় মৃত্যুর খবর বুধবার রাতে জানাজানি হয়। চাংমুম ম্রো কুরুকপাতা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং প্রেন্নয় নামের একটি অনাথ আশ্রমে থাকত। আশ্রমের পরিচালক উথোয়াইংগ্যো মারমা জানান, জ্বর ও সর্দি থেকে হঠাৎ অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। গত এক সপ্তাহে আশ্রমটির ৪০টি শিশুকে হাসপাতালে নেওয়া হয়, যার মধ্যে তিনজনকে ভর্তি করা হয়।</p><h3>আক্রান্তের সংখ্যা</h3><p>কুরুকপাতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ক্রাতপুং ম্রো জানান, উজিপাড়া, ছোট ব্যাটি, বড় ব্যাটি পাড়াসহ বিভিন্ন পাড়ায় হামের উপসর্গে আক্রান্ত বহু শিশু রয়েছে। এর মধ্যে ১১ এপ্রিল দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তবে চিকিৎসকদের ধারণা ওই দুই শিশুর মৃত্যু হামে নয়।</p><p>উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) মো. হাসান বলেন, আজ হামের উপসর্গ নিয়ে ১৬ জন এসেছে, যার মধ্যে ৬ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল বুধবার থেকে ভর্তি থাকা ৯ জনসহ মোট ১৫ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। গত দুই সপ্তাহে হামের উপসর্গ নিয়ে ৬১ জন রোগী এসেছে, যার মধ্যে ২৮ জনকে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে ১৫ জন চিকিৎসাধীন, ১৩ জন সুস্থ হয়ে ফিরেছে।</p><h2>স্বাস্থ্য বিভাগের পদক্ষেপ</h2><p>আলীকদমের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) মো. হানিফ চাংমুম ম্রোর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আগামী শনিবার থেকে কুরুকপাতা ইউনিয়নে ক্রাশ প্রোগ্রাম নেওয়া হবে। প্রত্যেক ওয়ার্ডে দুইজন করে স্বাস্থ্যকর্মী যাবেন এবং প্রতিটি ঘরে গিয়ে খোঁজ নেবেন। দশ বছরের নিচে হামের উপসর্গে অসুস্থ কাউকে পাওয়া গেলে হাসপাতালে আনা হবে।</p><h3>দুর্গম এলাকার চ্যালেঞ্জ</h3><p>কুরুকপাতা ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা মাতামুহুরী সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ভেতরে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, ছোট-বড় মিলিয়ে ১৩৫টি পাড়ায় প্রায় ১২ হাজার মানুষের বসবাস। সড়ক ও মোবাইল নেটওয়ার্কের অভাবে জরুরি পরিস্থিতিতে খবর দেওয়া কঠিন। জেলা সিভিল সার্জন মোহাম্মদ শাহীন হোসাইন চৌধুরী বলেন, দুর্গম ও স্বাস্থ্যসচেতনতার অভাবে ম্রো সম্প্রদায়ের মধ্যে ডায়রিয়া, ম্যালেরিয়া ও হামের ঝুঁকি বেশি, তবে ধীরে ধীরে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:54:31 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[জন ফেলানের পদত্যাগ: ট্রাম্প প্রশাসনে আরেক শীর্ষ কর্মকর্তার বিদায়]]></title>
				<category>যুদ্ধ-সংঘাত</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/juddho-shonghat/article-79593.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ট্রাম্প প্রশাসন ছাড়ছেন মার্কিন নৌবাহিনীর বেসামরিক প্রধান জন ফেলান। বুধবার (২৩ এপ্রিল) পেন্টাগনের পক্ষ থেকে তার এই বিদায়ের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।</p><p>পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানান, জন ফেলানের পদত্যাগ ‘অবিলম্বে কার্যকর’ হয়েছে। তার জায়গায় নৌবাহিনীর আন্ডারসেক্রেটারি হুং কাও ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।</p><p>জন ফেলানের বিদায়ের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ নৌবাহিনী উল্লেখ করেনি। তবে মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাহাজ নির্মাণ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে মার্কিন নেতৃত্বের অভ্যন্তরে তৈরি হওয়া উত্তেজনার জেরে তিনি পদত্যাগ করেছেন।</p><p>সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ট্রাম্প প্রশাসন থেকে একের পর এক শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের সরিয়ে দেওয়ার হিড়িক পড়েছে। মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ সেনাপ্রধান র‍্যান্ডি জর্জকে পদত্যাগ করতে বলেন। এ ছাড়া জেনারেল ডেভিড হোডনে এবং মেজর জেনারেল উইলিয়াম গ্রিনকেও সম্প্রতি তাদের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।</p><p>উল্লেখ্য, পেন্টাগনের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে হেগসেথ এখন পর্যন্ত এক ডজনেরও বেশি ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছেন, যার মধ্যে নৌবাহিনীর অপারেশন প্রধান এবং বিমানবাহিনীর ভাইস চিফ অফ স্টাফও রয়েছেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:41:27 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[সিনেমায় আসা নিয়ে যা বললেন সিয়ামপত্নী অবন্তী]]></title>
				<category>সিনেমা</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/cinema/article-79592.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সিয়াম আহমেদের স্ত্রী শাম্মা রুশাফি অবন্তী সম্প্রতি গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিভিন্ন প্রসঙ্গে খোলামেলা কথা বলেছেন। সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া তাদের নাচের ভিডিও, সিয়ামের স্ত্রী হিসেবে পরিচয় এবং সিনেমায় অভিনয় প্রসঙ্গে তিনি নিজের মতামত প্রকাশ করেন।</p><h2>ভাইরাল ভিডিও প্রসঙ্গে</h2><p>সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া নাচের ভিডিও সম্পর্কে অবন্তী বলেন, এটি একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানের ভিডিও। মামাতো ভাইয়ের বিয়েতে সিয়ামের সঙ্গে নাচেন তিনি। তিনি জানান, সেখানে কোনো পেশাদারত্ব বা পূর্বপরিকল্পনা ছিল না। তিনি বলেন, 'আমি আমার আপন মামাতো ভাইয়ের হলুদের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম। পরিবারের পক্ষ থেকে আমাদের যে পোশাক দেওয়া হয়েছিল, আমরা সেটিই পরেছি। কোনো ডিজাইনার হায়ার করে কাপড় পরিনি। আমরা সবাই সাধারণ মানুষ হিসেবেই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছি।'</p><p>পারফরম্যান্স প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'পারফরম্যান্সটা খুব এনজয় করেছি। তবে কোনো রিহার্সাল ছিল না। আমরা তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে নাচব, আর লাফ দিয়ে স্টেজে উঠে গেছি। শেষ মুহূর্তে আমার ছেলেও আমাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিল।'</p><h2>সিয়ামের স্ত্রী হিসেবে পরিচয়</h2><p>অবন্তী বলেন, 'আমাকে যদি কেউ সিয়ামের ওয়াইফ বলে, আমি কখনোই ক্ষেপি না। বরং আমি প্রাউডলি এটা বলি। আমার নিজস্ব বিজনেস ওম্যান বা মার্কেটিং পরিচয়ের চেয়েও আমি চিত্রনায়কের বউ— এই পরিচয়ে বেশি খুশি। কারণ আমি তাকে ভালোবেসে বিয়ে করেছি এবং এই তকমা সারাজীবন হ্যাপিলি বয়ে বেড়াতে চাই।'</p><h2>সিনেমায় অভিনয় প্রসঙ্গে</h2><p>নিজেকে সিনেমায় অভিনয়ে জড়ানো প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, 'না, সিনেমা আমাকে দিয়ে হবে না। এখন আমার বয়স হয়েছে, বাচ্চাও আছে। ছোটখাটো কাজ করা গেলেও সিনেমা অনেক বড় পরিসরের বিষয়। অনেক কিছু জেনে-বুঝে সেখানে যেতে হয়। তা ছাড়া আগে যখন সুযোগ ছিল, তখন আমার আম্মু স্ট্রিক্টলি মানা করে দিয়েছিলেন। তাই এখন আর সিনেমার কথা ভাবছি না।'</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:29:45 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ঝিনাইদহে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে কৃষক নিহত, আহত ১০]]></title>
				<category>নিরাপত্তা বাহিনী</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/nirapotta-bahini/article-79591.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে মোহন শেখ (৬০) নামের এক কৃষক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নারীসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে গ্রামের খালপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।</p><h2>ঘটনার বিবরণ</h2><p>স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সামাজিক আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আবু জাহিদ চৌধুরী নামের এক ব্যক্তির সমর্থকদের সঙ্গে তরিকুল সাদাত নামের আরেকজনের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় জাহিদের এক সমর্থককে মারধর করেন সাদাতের লোকজন। এর জের ধরে আজ সকালে উভয় পক্ষ দেশি অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে দুই পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত হন। আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে মোহন শেখকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। তিনি জাহিদ চৌধুরীর সমর্থক।</p><h3>চিকিৎসকের বক্তব্য</h3><p>শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নাহিদ এমরান বলেন, ‘মোহন শেখকে আমরা মৃত অবস্থায় পেয়েছি। আহত ব্যক্তিদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এদের মধ্যে আব্বাস শেখ নামের একজনের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুরে পাঠানো হয়েছে।’</p><h3>পুলিশের অবস্থান</h3><p>শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির মোল্লা বলেন, আধিপত্য বিস্তারের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:45:17 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[গুলশান সোসাইটির নির্বাচনে ‘ভালোবাসার গুলশান’ প্যানেল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী]]></title>
				<category>স্থানীয় সরকার</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/sthanio-shorokar/article-79590.html</link>
				<description><![CDATA[<p>গুলশান সোসাইটির ১২তম নির্বাহী কমিটির নির্বাচনে ব্যারিস্টার ওমর সাদাতের নেতৃত্বাধীন ‘ভালোবাসার গুলশান’ প্যানেল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছে। মঙ্গলবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার নুরুল আলমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।</p><h2>নতুন কমিটির নেতৃত্ব</h2><p>ব্যারিস্টার ওমর সাদাত পুনরায় দুই বছরের জন্য সোসাইটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন সিনিয়র আইনজীবী এবং নগর অধিকারকর্মী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন। নতুন মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন মুজিবুর রহমান মৃধা, যিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী।</p><h3>অন্যান্য পদে নির্বাচিতরা</h3><p>সহ-সভাপতি হয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন (অব.) আব্দুল মাজেদ মিয়া। কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন ইভা রহমান আলি আশফাক। যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন খাদেম মো. রাইয়ান সাদীদ ও জয়া কবির। যুগ্ম কোষাধ্যক্ষ পদে নির্বাচিত হয়েছেন মাহফুজুল আজম রোমেল।</p><p>নির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ফাইজুর রহমান খান, আমিনুল ইসলাম চৌধুরী, রেজিনা নাসির, ফারজানা চৌধুরী ও ইফতেখার রহমান। এছাড়া ছয়টি জোনের চেয়ারম্যান হিসেবে ইমতিয়াজ মোহাম্মদ মহসিন, ব্যারিস্টার কামরুন নাহার মাহমুদ, মোরশেদুল আলম চাকলাদার, পুলক পোদ্দার এবং ড. জাফরুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।</p><h2>ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা</h2><p>পূর্বের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে নতুন কমিটি গুলশান এলাকার নাগরিক সেবা, নিরাপত্তা, পরিবেশ উন্নয়ন এবং সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষায় আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:47:46 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[যুদ্ধের পরিণতির দায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী]]></title>
				<category>যুক্তরাষ্ট্র</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/juktorashtro/article-79589.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, চলমান যুদ্ধের পরিণতির দায় 'আগ্রাসীদের' অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ওপরই বর্তায়। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানায়।</p><h2>দক্ষিণ কোরিয়ার দূতের সঙ্গে বৈঠক</h2><p>তেহরানে দক্ষিণ কোরিয়ার বিশেষ দূত চুং বিয়ুং-হার সঙ্গে বৈঠকের সময় আরাগচি এ মন্তব্য করেন। খবর আল জাজিরার।</p><h2>যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত</h2><p>এর আগে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়িয়ে দেন। যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে প্রেসিডেন্ট এ পদক্ষেপ নেন, যাতে আলোচনার জন্য আরও সময় পাওয়া যায়।</p><h3>দ্বিতীয় দফা বৈঠক নিয়ে অনিশ্চয়তা</h3><p>একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান দ্বিতীয় দফা বৈঠক নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। ইসলামাবাদে এ বৈঠক আয়োজনের প্রস্তুতি চললেও শেষ পর্যন্ত তা অনুষ্ঠিত হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ওই বৈঠকে যোগ দিতে যাওয়ার কথা থাকলেও হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেন, তিনি সফরে যাচ্ছেন না। অন্যদিকে ইরানও কোনো প্রতিনিধি দল পাঠাবে কি না, তা স্পষ্ট করে জানায়নি।</p><h2>জ্বালানি সংকটের সৃষ্টি</h2><p>এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র সমুদ্রপথে ইরানের বাণিজ্যে অবরোধ আরোপ করেছে। পাল্টা হিসেবে ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ঠেকাতে গুলি চালিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরের প্রবেশমুখে অবস্থিত এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বে প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট তৈরি করেছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:54:34 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[শান্ত-লিটন জুটিতে বাংলাদেশের লড়াকু সংগ্রহ ২৬৫ রান]]></title>
				<category>ক্রিকেট</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/cricket/article-79588.html</link>
				<description><![CDATA[<p>চলমান ওয়ানডে সিরিজের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে ব্যাট হাতে ইনিংসের শুরুতে ধাক্কা খেলেও ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। নির্ধারিত ৫০ ওভার ব্যাটিং করে স্বাগতিকদের দলীয় সংগ্রহ ২৬৫ রান, হারিয়েছে ৮টি উইকেট। সিরিজ জিততে নিউজিল্যান্ডের প্রয়োজন ২৬৬ রান।</p><h2>লড়াকু সংগ্রহের মূল কারিগর</h2><p>লড়াকু এই সংগ্রহের মূল কারিগর দুই টাইগার ব্যাটার নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাস। চতুর্থ উইকেটে তাদের ১৬০ রানের জুটিই বাংলাদেশকে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করেছে। শান্ত তুলে নিয়েছেন নিজের সেঞ্চুরি, লিটনও ৭৬ রানের দায়িত্বশীল এক ইনিংস খেলেছেন।</p><h3>শান্তর চতুর্থ ওয়ানডে সেঞ্চুরি</h3><p>ওয়ানডে ক্রিকেটে এটি ছিল শান্তর চতুর্থ সেঞ্চুরি। সবশেষ এই চট্টগ্রামেই মাটিতেই ২০২৪ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শতকের দেখা পেয়েছিলেন তিনি। আগের ম্যাচেও ফিফটি করেছিলেন এই টাইগার ব্যাটার।</p><h3>লিটনের ফিফটি ফেরা</h3><p>অন্যদিকে ১৯ ইনিংস পর ওয়ানডে ফরম্যাটে ফিফটির দেখা পেয়েছেন লিটন। এটি ছিল তার ১৩তম ফিফটি। শান্তর সেঞ্চুরির পর লিটনও ছিলেন আগ্রাসী মনোভাবে, সেঞ্চুরির পথেই এগোচ্ছিলেন। তবে কিউই স্পিনার জেইডেন লেনক্সের ওভারে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরেন তিনি।</p><h2>বাংলাদেশের ব্যাটিং বিপর্যয়</h2><p>এর আগে পাওয়ার প্লেতেই প্রথম তিন ব্যাটারকে হারায় বাংলাদেশ। ব্যাটিং বিপর্যয় থেকে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে দল। শান্ত-লিটন ছাড়াও অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ খেলেছেন ১৮ বলে ২২ রানের ছোট ইনিংস। আরেক ব্যাটার তাওহিদ হৃদয় ২৯ বলে ৩৩ রানে অপরাজিত থেকেছেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:34:23 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[৩০ টাকায় স্বপ্ন শুরু, এখন আঙুর চাষে লাখ টাকা আয় তরুণ উদ্যোক্তার]]></title>
				<category>কৃষি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/krishi/article-79587.html</link>
				<description><![CDATA[<p>গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার খবদার গ্রামের কৃষকের সন্তান মো. ফরহাদ হোসেন (২৮) ছোটবেলা থেকেই কৃষির প্রতি আগ্রহী। তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় স্কুলের টিফিনের টাকা জমিয়ে ৩০ টাকায় স্থানীয় বাজার থেকে একটি আঙুরের চারা কিনেছিলেন। এক বছর পর ওই গাছে ফল ধরলেও তা টক স্বাদের ছিল। সেই অভিজ্ঞতা তাকে মিষ্টি আঙুর চাষে আগ্রহী করে তোলে।</p><h2>শৈশবের স্বপ্ন বাস্তবায়ন</h2><p>দীর্ঘদিনের সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে আঙুর চাষ শুরু করেন ফরহাদ। প্রথমে মাত্র ১২টি চারা লাগিয়ে ছয় মাসের মধ্যেই চমৎকার ফলন পান। সেই আঙুর ছিল মিষ্টি জাতের। এতে উৎসাহিত হয়ে তিনি আরও প্রায় ২৫টি উন্নত জাতের চারা সংগ্রহ করেন।</p><h3>বাগান ও আয়</h3><p>বাড়ির পাশের ছোট জায়গায় গড়ে তোলা বাগানে খরচ হয়েছে প্রায় দেড় লাখ টাকা। চলতি বছরেই তিনি প্রায় ১ লাখ টাকা আয় করেছেন। আগামী বছরে আয় ২ থেকে ৩ লাখ টাকায় পৌঁছাবে বলে আশা করছেন ফরহাদ।</p><p>তার বাগানে বারোমাসি জাতের আঙুর চাষ হচ্ছে। বাইকুনুর, একুলা, ডিক্সন, গ্রিন লং, ব্ল্যাক ম্যাজিক, ব্ল্যাক জাম্বো, সুপার সোনাকা, অস্ট্রেলিয়ান কিং, ভেলেস, প্রেস্টিজ, ইয়ামিন, ড্রিম অব পর্তুগাল, গোল্ডেন সান মাসকাট, জেসমিন ও গোল্ডেন সিক্রেট ড্রিমসহ প্রায় ২৫টি জাত রয়েছে। এসব আঙুরের রং ও আকারে বৈচিত্র্য থাকলেও স্বাদে সবই মিষ্টি।</p><h3>বারোমাসি ফলন ও বাজার</h3><p>ফরহাদ জানান, কিছু জাত বারোমাসি হওয়ায় সারা বছরই কমবেশি ফল পাওয়া যায়। আঙুর গাছ দীর্ঘমেয়াদী; একেকটি গাছ ১০০ থেকে ১৫০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। ফলে এই খাত থেকে নিয়মিত আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। তার বাগানের আঙুর বাজারে প্রচলিত দামের চেয়েও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। ভোক্তারা প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা দরে কিনছেন। দেশে উৎপাদিত নিরাপদ ও মিষ্টি আঙুর জনপ্রিয়তা পাচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।</p><h2>কৃষি কর্মকর্তার মতামত</h2><p>শ্রীপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সুমাইয়া সুলতানা বন্যা বলেন, দেশে আঙুর চাষ একটি সম্ভাবনাময় খাত। ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির মিষ্টি আঙুরের চাষ শুরু হয়েছে, যা কৃষি অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:48:35 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[মাধ্যমিকের শিক্ষকদের নতুন নির্দেশনা দিল মাউশি]]></title>
				<category>ক্রীড়া প্রশাসন</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/krira-proshashon/article-79586.html</link>
				<description><![CDATA[<p>মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) 'নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস' কর্মসূচিতে সহযোগিতা করতে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধানদের নির্দেশনা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) মাউশির উপপরিচালক (শারীরিক শিক্ষা) প্রফেসর মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।</p><h2>কর্মসূচির উদ্বোধন</h2><p>নোটিশে বলা হয়, বাংলাদেশে ক্রীড়া উন্নয়নে সরকারের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী আগামী ২ মে বেলা ৩টায় সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে 'নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস' কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করবেন। এই উদ্বোধনের মাধ্যমে সারাদেশে একযোগে কর্মসূচির কার্যক্রম শুরু হবে।</p><h3>প্রতিষ্ঠান প্রধানদের জন্য ৬টি নির্দেশনা</h3><p>নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস উপলক্ষ্যে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের ৬টি পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলা হয়েছে:</p><ul><li>কর্মসূচি বাস্তবায়নে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সি শিশু-কিশোরদের অনলাইন বা অনস্পট রেজিস্ট্রেশনে অংশগ্রহণে শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করা।</li><li>প্রতি শ্রেণিতে পাঠদানের সময় নোটিশের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অবহিত করা।</li><li>নোটিশ বোর্ডে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রদান করা।</li><li>শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গেটে অনুমোদিত ব্যানার প্রদর্শন করা।</li><li>শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা।</li><li>সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ওয়েবসাইটে 'নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস' সম্পর্কে প্রচারণা চালানো।</li></ul><p>মাউশি আশা করছে, এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে ক্রীড়া উন্নয়নে সরকারের উদ্যোগ সফল হবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:28:39 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[গুনাহের পর ফিরে আসার ৬টি কার্যকর উপায়]]></title>
				<category>আধ্যাত্মিকতা</category>
				<link>https://bdgazette.com/jibonjapon/adhyatmikota/article-79585.html</link>
				<description><![CDATA[<p>মানুষ ভুল করে—এটাই তার স্বভাব। কখনো প্রবৃত্তির টানে, কখনো অসাবধানতায় সে এমন কাজ করে ফেলে, যা অন্তরকে ভারাক্রান্ত করে এবং আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ককে দুর্বল করে দেয়। গুনাহের পর অনেকেই ভেতরে ভেতরে ভেঙে পড়ে, মনে করে তার জন্য আর ফিরে আসার সুযোগ নেই। অথচ ইসলামে সবচেয়ে আশার কথা হলো, আল্লাহর রহমত অসীম; তিনি সবসময় তওবার দরজা খোলা রাখেন। প্রয়োজন কেবল আন্তরিকতা ও সচেতন প্রয়াস।</p><h2>১. আন্তরিক তাওবা</h2><p>তাওবা হলো ফিরে আসার প্রথম ধাপ। এটি কেবল মুখের উচ্চারণ নয়; বরং অন্তরের গভীর অনুশোচনা। আল্লাহ–তাআলা বলেন, “হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহর কাছে খাঁটি তাওবা কর।” (সুরা তাহরিম, আয়াত: ৮) সঠিক তাওবার জন্য তিনটি বিষয় জরুরি—গুনাহের জন্য গভীর অনুশোচনা, সঙ্গে সঙ্গে তা ছেড়ে দেওয়া, এবং ভবিষ্যতে আর না করার দৃঢ় সংকল্প। এই তিনটি একসঙ্গে না থাকলে তাওবা পূর্ণ হয় না।</p><h2>২. আল্লাহর রহমতের প্রতি দৃঢ় আশা রাখা</h2><p>গুনাহের পর অনেকেই হতাশ হয়ে পড়ে এবং ভাবে সে আর ক্ষমার যোগ্য নয়। অথচ দয়াময় প্রভু বারবার ঘোষণা করেন, “তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না।” (সুরা জুমার: ৫৩) এই আয়াত আমাদের শিক্ষা দেয়, যত বড় গুনাহই হোক, আল্লাহ ক্ষমা করতে সক্ষম। এই বিশ্বাস মানুষকে ভেঙে পড়া থেকে রক্ষা করে এবং বারবার ফিরে আসার সাহস জোগায়।</p><h2>৩. ইবাদতকে অভ্যাসে পরিণত করা</h2><p>ইবাদত মানুষের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে এবং আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ককে দৃঢ় করে। নামাজ, কোরআন পাঠ, জিকির—এসব শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং আত্মিক ব্যাধির কার্যকর মহৌষধ। আল্লাহ–তাআলা বলেন, “নিশ্চয়ই নামাজ অশ্লীল ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে।” (সুরা আনকাবুত, আয়াত: ৪৫) যখন কেউ নিয়মিত ইবাদতে অভ্যস্ত হয়ে যায়, তখন তার অন্তরে আল্লাহর ভয় ও ভালোবাসা জন্ম নেয়। ফলে গুনাহের প্রতি আকর্ষণ ধীরে ধীরে কমে যায় এবং নেক আমলের প্রতি আগ্রহ বাড়ে।</p><h2>৪. প্রতিদিন নিজের কর্মের হিসাব নেওয়া</h2><p>সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগ নির্ণয় যেমন জরুরি, তেমনি আত্মোন্নতির জন্য নিজের ভুলগুলো চিহ্নিত করাও প্রয়োজন। প্রতিদিন কিছু সময় নিজের কর্মের হিসাব নিলে মানুষ সহজেই বুঝতে পারে, সে কোথায় ভুল করছে এবং কীভাবে তা শোধরানো যায়। আল্লাহ–তাআলা বলেন, “হে ইমানদারগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং প্রত্যেকে যেন দেখে নেয়, সে আগামীকালের জন্য কী প্রেরণ করেছে।” (সুরা হাশর, আয়াত: ১৮) এই আত্মজবাবদিহিতা একজন মানুষকে সচেতন করে তোলে এবং একই ভুল বারবার করার প্রবণতা কমিয়ে দেয়। তাই এটি একজন মুমিনের আত্মিক উন্নতির অন্যতম মাধ্যম।</p><h2>৫. গুনাহের পরিবেশ ত্যাগ করা</h2><p>মানুষ তার পরিবেশের দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত হয়। অনেক সময় ব্যক্তি নিজে পরিবর্তন হতে চাইলেও, তার চারপাশের পরিবেশ তাকে আগের ভুল পথে টেনে নেয়। তাই আল্লাহ–তাআলা নির্দেশ দেন, “তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং সত্যবাদীদের সঙ্গে থাকো।” (সুরা তাওবা, আয়াত: ১১৯) খারাপ পরিবেশ ও অসৎ সঙ্গ ত্যাগ করা শুরুতে কঠিন মনে হলেও, এটি আত্মশুদ্ধির পথে অপরিহার্য। অনেক সময় এটিই হয়ে ওঠে জীবনের পরিবর্তনের বড় কারণ।</p><h2>৬. আল্লাহর কাছে দোয়া করা</h2><p>দোয়া হলো পরিবর্তনের শক্তিশালী মাধ্যম। মানুষ যতই চেষ্টা করুক, আল্লাহর সাহায্য ছাড়া পরিবর্তন সম্ভব নয়। তাই প্রতিদিন দোয়া করা উচিত—“হে আল্লাহ, আমাকে গুনাহ থেকে রক্ষা করো।” “হে আল্লাহ, আমাকে তাওবার পথে স্থির রাখো।” “হে আল্লাহ, আমার অন্তরকে পরিশুদ্ধ করো।” দোয়া মানুষকে আল্লাহর সঙ্গে যুক্ত রাখে এবং ভেতর থেকে পরিবর্তনের শক্তি দেয়।</p><p>রায়হান আল ইমরান: লেখক ও গবেষক</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:50:25 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ভারত থেকে পাইপলাইনে আরও ৭ হাজার টন ডিজেল এলো বাংলাদেশে]]></title>
				<category>জ্বালানি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/jbalani/article-79584.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারত থেকে আরও ৭ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল দেশে এসেছে। ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড থেকে সরবরাহকৃত এই জ্বালানি দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড অয়েল ডিপোতে পৌঁছেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের ম্যানেজার (অপারেশন্স) কাজী মো. রবিউল আলম।</p><h2>চলতি মাসের আমদানি</h2><p>এতে চলতি মাসে পাইপলাইনের মাধ্যমে মোট ২০ হাজার মেট্রিক টন এবং চলতি বছরে মোট ৪২ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানি হলো। আগামী ২৬ ও ২৭ মার্চ আরও ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আসার কথা রয়েছে। রবিউল আলম জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে পাইপলাইনের মাধ্যমে এই চালান পার্বতীপুর ডিপোতে পৌঁছানো সম্পন্ন হয়। এর আগে সোমবার রাত সাড়ে ৮টা থেকে নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে পার্বতীপুর রিসিপ্ট টার্মিনালের উদ্দেশ্যে ডিজেল পাম্পিং শুরু হয়।</p><h2>এপ্রিল মাসের পরিকল্পনা</h2><p>সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এপ্রিল মাসে মোট চারটি চালানের মাধ্যমে ভারত থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে ১১ এপ্রিল ৮ হাজার টন, ১৯ এপ্রিল ৫ হাজার টন এবং ২৩ এপ্রিল ৭ হাজার টন ডিজেল এসেছে। ফলে তিনটি চালানে চলতি মাসে মোট ২০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানি সম্পন্ন হয়েছে। এর আগে মার্চ মাস পর্যন্ত চারটি চালানে পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারত থেকে মোট ২২ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল বাংলাদেশে পৌঁছায়।</p><h2>পাইপলাইন প্রকল্প</h2><p>ভারতের আসামে অবস্থিত নুমালিগড় রিফাইনারি কেন্দ্র থেকে পাইপলাইনে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে রেলহেড ওয়েল ডিপোতে ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন প্রকল্পের রিসিপ্ট টার্মিনালে এসব ডিজেল পৌঁছায়। এরপর সেখান থেকে রেলহেড অয়েল ডিপোর পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা এই তিন কোম্পানিতে এই তেল সরবরাহ করা হয়। উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে নিরবচ্ছিন্নভাবে সারাবছর ডিজেল সরবরাহ রাখতে ভারত থেকে সরাসরি পাইপলাইনের মাধ্যমে পার্বতীপুরের রেলহেড তেল ডিপোতে জ্বালানি তেল (ডিজেল) সরবরাহ করা হয়।</p><h2>চুক্তি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা</h2><p>২০১৮ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর সমঝোতা চুক্তি সইয়ের মাধ্যমে ১৩১ দশমিক ৫৭ কিলোমিটার দীর্ঘ ভূ-গর্ভস্থ এই পাইপলাইন স্থাপনের কার্যক্রম শুরু হয়। ২০২৩ সালের ১৮ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি তেল আমদানি কার্যক্রম শুরু হয়। দুই দেশের চুক্তি অনুযায়ী, ভারত আগামী ১৫ বছর ডিজেল সরবরাহ করবে এবং বছরে ২ থেকে ৩ লাখ টন জ্বালানি আমদানি করা যাবে। পরে ব্যবহার, খরচ ও চাহিদা অনুযায়ী আমদানির পরিমাণ বাড়ানো হবে। এই পাইপলাইন দিয়ে বছরে ১০ লাখ মেট্রিক টন তেল ভারত থেকে আমদানি করা সম্ভব বলেও বিপিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:32:50 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[টরন্টোয় মঙ্গল শোভাযাত্রায় বাঙালির বর্ণাঢ্য বৈশাখ উদযাপন]]></title>
				<category>উৎসব</category>
				<link>https://bdgazette.com/jibonjapon/utshob/article-79583.html</link>
				<description><![CDATA[<p>কানাডার টরন্টোর বুক চিরে যেন এক টুকরো বাংলাদেশ নেমে এসেছিল ডেনফোর্থের রাজপথে। রোববার দুপুর ১২টা থেকে বাংলাপাড়াখ্যাত ডেনফোর্থে অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী মঙ্গল শোভাযাত্রা। শোভাযাত্রাটি ডেনফোর্থ এলাকার ডেন্টোনিয়া পার্কের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়ে মেট্রো পার্কিং লটে গিয়ে জড়ো হয়। এরপর ডেনফোর্থ অ্যাভিনিউ ধরে ফার্মেসি অ্যাভিনিউ প্রদক্ষিণ করে পুনরায় মেট্রো পার্কিং লটে এসে শেষ হয়।</p><p>শোভাযাত্রায় ঢোলের তালের সঙ্গে নানা রঙের মুখোশ ও বৈশাখী গানের মূর্ছনা পুরো এলাকায় এক অনন্য পরিবেশ সৃষ্টি করে। এতে কয়েক শতাধিক প্রবাসী বাঙালির পাশাপাশি স্থানীয় এমপি স্মিথার ম্যান এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিনিধিরাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। বিদেশের মাটিতেও শেকড়ের টানে সবার স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি এই মঙ্গল শোভাযাত্রাকে দিয়েছে ভিন্ন মাত্রা।</p><p>এর আগে বাংলাটাউনের উদ্যোগে পান্তা উৎসব, টরন্টো ফিল্ম ফোরামে বৈশাখী উৎসব, বাংলাদেশ সেন্টারে বর্ষবরণ এবং দুর্গাবাড়ি মন্দিরে রঙিলা বৈশাখের আয়োজন করা হয়। এছাড়াও অটোয়া, মন্ট্রিয়ল, ক্যালগারি ও ভ্যাঙ্কুভারেও আনন্দঘন পরিবেশে পহেলা বৈশাখ উদযাপিত হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:21:02 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াত-এনসিপি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল]]></title>
				<category>নির্বাচন কমিশন</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/nirbachon-commission/article-79582.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বাতিল করা হয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত্ব কৃষি ব্যাংকের চাকরি ছাড়ার তিন বছর পার না হওয়ায় আইন অনুযায়ী এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করার সুযোগ রয়েছে।</p><p>প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন। বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন শর্টস।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:04:20 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বন্ধুসভার পয়লা বৈশাখ উদযাপন: বাংলা নববর্ষের উৎসব]]></title>
				<category>উৎসব</category>
				<link>https://bdgazette.com/jibonjapon/utshob/article-79581.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে বন্ধুসভার আয়োজনে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান শুরু হয় সমবেত কণ্ঠে ‘এসো হে বৈশাখ’ গানের সুরে।</p><h2>উদ্বোধন ও শুভেচ্ছা</h2><p>অনুষ্ঠানে নববর্ষে মমতার চাষ করার আহ্বান জানান জাতীয় পরিচালনা পর্ষদের উপদেষ্টা কথাসাহিত্যিক ও মনোচিকিৎসক মোহিত কামাল। নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান জাতীয় পর্ষদের জেন্ডার ও সমতাবিষয়ক সম্পাদক ডা. তাওহীদা রহমান ইরিন। জাতীয় পর্ষদের সভাপতি জাফর সাদিক আশা প্রকাশ করেন যে বন্ধুরা যেন বাংলাদেশের কণ্ঠ হয়ে ওঠেন।</p><h2>সাংস্কৃতিক পরিবেশনা</h2><p>অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন ঢাকা মহানগর বন্ধুসভার বন্ধু মেঘা খেতান, সাভার বন্ধুসভার বন্ধু মোহনা বিনতে মোস্তাফিজ, ঢাকা মহানগর বন্ধুসভার বন্ধু সাদিকুর রহমান, জাতীয় পর্ষদের কাভী সিকান্দার ও হৃদয় সৈকত। কবিতা আবৃত্তি করেন জাতীয় পর্ষদের উপদেষ্টা মাহবুব পারভেজ। নৃত্য পরিবেশন করেন ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি বন্ধুসভার বন্ধু জেরিন আহমেদ ও ঢাকা মহানগরের বন্ধু হোসাইন ইসলাম।</p><h2>বাঙালি খাবারের আয়োজন</h2><p>বৈশাখের আবহে মেনুতে রাখা হয় পুরোপুরি বাঙালি খাবার—পান্তাভাত, মাছভাজা, বেগুনভর্তা, আলুভর্তা, পেঁয়াজভর্তা, ডালভর্তা ও শুঁটকিভর্তা। কেউ মুড়ি-মুড়কি খাচ্ছে, কেউ গান গাইছে; উৎসবের আমেজ ছিল চারদিকে।</p><h2>সঞ্চালনা ও সমাপ্তি</h2><p>অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ঢাকা মহানগর বন্ধুসভার সভাপতি হাসান মাহমুদ সম্রাট। শুভেচ্ছা জানান জাতীয় পর্ষদের দপ্তর সম্পাদক আলাদিন আল আসাদ। উৎসবের আনন্দঘন মুহূর্তগুলো স্মৃতিতে অম্লান হয়ে থাকবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:26:30 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[শিক্ষার্থীদের বই পড়ার অভ্যাস গড়তে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সহায়তা]]></title>
				<category>উচ্চশিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/uccho-shikkha/article-79580.html</link>
				<description><![CDATA[<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। এতে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়। সিদ্ধান্ত হয়, শিক্ষার্থীদের বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে সরকারের সঙ্গে কাজ করবে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র।</p><p>বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন– শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী ও প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন ও ড. জাহেদ উর রহমান।</p><h2>বৈঠকের মূল বিষয়বস্তু</h2><p>বৈঠকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ তার অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ উপস্থাপন করেন।</p><h3>সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা</h3><p>বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় যে, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র শিক্ষার্থীদের বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে সরকারের পাশাপাশি কাজ করবে। এই উদ্যোগে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা থাকবে।</p><h2>উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ</h2><p>বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন ও ড. জাহেদ উর রহমান।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:38:38 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ]]></title>
				<category>আওয়ামী লীগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/awami-league/article-79579.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেছেন, ''জনগণের উত্তরণ থেকে শুরু করে উন্নয়ন, অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। আমরা আশা করি, সেই লক্ষ্য পূরণে আমরা সফল হবো।''</p><h2>মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা</h2><p>বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে রিটার্নিং কর্মকর্তা কর্তৃক সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করার পর তিনি এসব কথা বলেন। সেলিমা রহমান আরও বলেন, ''এ সংসদে গণতন্ত্রকে সামনে রেখে জনগণের উন্নয়ন, বৈষম্য দূরীকরণ এবং দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতিত ও বঞ্চিত সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। গত ১৭ বছর ধরে যারা কষ্টে দিন কাটিয়েছে, যেখানে অনেক মানুষ না খেয়ে থেকেছে তাদের সবাইকে সমান সুযোগের আওতায় নিয়ে আসাই আমাদের লক্ষ্য।''</p><h3>প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ</h3><p>তিনি বলেন, ''প্রধানমন্ত্রী দেশের সব মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে চান। তাই আমরা যারা আজ নির্বাচিত হয়ে সংসদে এসেছি, সবাই তাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।'' বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য আরও বলেন, ''সংসদে যারা এসেছেন, তারা সংসদে তাদের প্রয়োজনীয় ভূমিকা যথাযথভাবে পালন করবেন। জনগণের উত্তরণ থেকে শুরু করে উন্নয়ন, অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। আমরা আশা করি, সেই লক্ষ্য পূরণে আমরা সফল হবো।''</p><h3>দলীয় সিদ্ধান্তে কাজ</h3><p>''আপনারা যে এলাকাকে প্রতিনিধিত্ব করবেন, সেখানে তো আগে থেকেই একজন এমপি রয়েছেন—সে ক্ষেত্রে আপনাদের কাজ করতে কোনও ধরনের সমস্যা হবে কিনা'' জানতে চাইলে তিনি বলেন, ''এ বিষয়ে আমি নিশ্চিতভাবে কিছু বলতে পারছি না। আপনারা জানেন, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যরা দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ করেন। কোথায় এবং কীভাবে তারা কাজ করবেন, তা মূলত দল থেকেই নির্ধারণ করা হয়।''</p><h2>অন্যান্য প্রার্থীদের বক্তব্য</h2><p>এদিকে বিএনপি জোট থেকে মনোনয়ন বৈধতা পাওয়া শিরিন সুলতানা বলেন, ''নারীদের নিয়ে আমাদের সমাজে অনেক বড় বড় কথা বলা হয়। কিন্তু পদক্ষেপ নেওয়া হয় না। আমরা দেশের নারীদের নিয়ে কাজ করতে চাই। পাশাপাশি সমাজে ছড়িয়ে পড়া মাদক নির্মুলেও কাজ করতে চাই।'' বিএনপি জোটের আরেক নেত্রী রেহানা আক্তার রানু বলেন, ''আমরা আজ সংসদে যাচ্ছি, আমরা নেতার উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় কাজ করতে চাই। আর আমাদের সংসদে যে বট বাহিনী আছে তাদের বিরুদ্ধে কাজ করতে চাই।''</p><h3>স্বতন্ত্র প্রার্থীর মতামত</h3><p>এদিকে মনোনয়ন বৈধতা পাওয়ার পর স্বতন্ত্র মোর্চার সুলতানা জেসমিন বলেন, ''সামনের দিনে ভালো করতে হলে আমাদের দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। এর জন্য সবচেয়ে ভালো ম্যাথড হতে পারে কারিগরি শিক্ষার জায়গাটা সম্প্রসারণ করা। কৃষিক্ষেত্রে কাজ করতে হবে। শুধু নারী নয়, পুরো জনগোষ্ঠী নিয়ে আমি কাজ করতে চাই।''</p><h2>মোট বৈধ প্রার্থী ৪৯</h2><p>উল্লেখ্য, দুদিনের বাছাইয়ে বিএনপি জোটের ৩৬, জামায়াত জোটের ১২ ও স্বতন্ত্র মোর্চার একজনসহ মোট ৪৯ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:22:02 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[কর্ণাটকে মার্কিন নারী পর্যটক যৌন নিপীড়নের শিকার, হোমস্টে বন্ধ]]></title>
				<category>সন্ত্রাসবাদ</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/shontrasabad/article-79578.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের কোডাগু জেলার একটি হোমস্টেতে অবস্থানকালে এক মার্কিন নারী পর্যটককে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে। ওই সময় বন্ধ রাখা হয়েছিল ইন্টারনেট সংযোগও। টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই নারী সেখানকার একটি হোমস্টেতে বা টাকার বিনিময়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের বাড়িতে থাকার সময় যৌন নির্যাতনের শিকার হন। ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয়ভাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।</p><p>প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১৭ই এপ্রিল তিনি নয়াদিল্লিতে মার্কিন দূতাবাসে যোগাযোগ করার পর ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। এই তথ্য ভারত সরকারকে জানানো হলে, তারা কর্ণাটকের স্বরাষ্ট্র দপ্তরকে সতর্ক করে, যার ফলস্বরূপ ১৯শে এপ্রিল একটি মামলা দায়ের করা হয়। এ ঘটনায় কর্ণাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জি পরমেশ্বর বলেছেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশ পেয়ে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে।</p><p>তিনি আরও বলেন, ‘হোমস্টেটির লাইসেন্স আছে কি না এবং এটি এসওপি অনুসরণ করে কি না, তা আমরা খতিয়ে দেখব। কোনো নিয়ম লঙ্ঘন পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’</p><p>এছাড়া বিরাজপেটের বিধায়ক এবং মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার আইনি উপদেষ্টা এএস পোনান্না বলেছেন, ভুক্তভোগীর পরিচয় গোপন রাখতে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে না এবং তিনি নিশ্চিত করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে না যাওয়া পর্যন্ত তিনি গোপনীয়তা চেয়েছেন। কোডাগু জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী এনএস বোসেরাজু বলেছেন, তিনি পুলিশকে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, ফরেনসিক বিশ্লেষণ ও ডিজিটাল প্রমাণ সংগ্রহের কাজ চলছে।</p><p>পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তসহ আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ঘটনাটি গত সপ্তাহে ঘটে।</p><p>পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, ‘ঘটনার পর ভুক্তভোগী যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। দূতাবাসের কর্মকর্তারা আমাদের বিষয়টি জানানোর পর আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু করি।’ পুলিশ সূত্র আরও জানায়, ওই নারী তিন দিনের জন্য হোমস্টেতে থাকতে এসেছিলেন।</p><p>তিনি বলেন, ‘ঘটনার পরপরই তিনি দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।’ অভিযোগের পরপরই ব্যবস্থা নেয় পুলিশ। কোডাগুর পুলিশ সুপার আর এন বিন্দু মণি জানান, এই ঘটনায় দুজন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘কুট্টা থানায় এক বিদেশি নাগরিকের ওপর যৌন নির্যাতনের মামলা দায়ের করা হয়েছে। আমরা দুজন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে স্থানীয় আদালতে হাজির করেছি, আদালত তাদের বিচারিক হেফাজতে পাঠিয়েছে।’ তিনি আরও জানান, মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন। ভুক্তভোগী বর্তমানে মাইসুরু শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।</p><p>এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কর্ণাটকের এমএলসি সিটি রবি এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, এই ঘটনা ‘অত্যন্ত লজ্জাজনক এবং অগ্রহণযোগ্য’ এবং এটি ভারতের ‘অতিথি দেবো ভব’ বা অতিথি ভগবানের সমান—নীতির পরিপন্থী। তিনি বলেন, ‘এটি শুধু একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ নয়, বরং আমাদের দেশের ভাবমূর্তি ও মূল্যবোধের ওপর একটি কলঙ্ক।’ তিনি দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য রাজ্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়াকে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া এবং ভুক্তভোগীর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।</p><p>কর্ণাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জি পরমেশ্বর বলেন, ‘এসওপি (স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর) জারি করা হয়েছে। হোমস্টে পরিচালনাকারীদের অবশ্যই নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে এবং প্রয়োজনীয় লাইসেন্স থাকতে হবে।’</p><p>ভ্রমণে ভারতে আসা আমেরিকান পর্যটকটি কুট্টা গ্রামের দেবী ভিলা হোমস্টেতে থাকছিলেন। সেখানে থাকাকালীন, ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা বৃজেশ কুমার নামে এক রাঁধুনি একটি মিষ্টি পানীয়তে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে তাকে পান করান বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীর দায়ের করা অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি জ্ঞান হারানোর পর রাঁধুনিটি তাকে যৌন নির্যাতন করেন।</p><p>এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থতা এবং অবৈধ কার্যকলাপে জড়িত থাকার কারণ দেখিয়ে পর্যটন বিভাগ হোমস্টেটি বন্ধ করে দিয়েছে, যেটির লাইসেন্স কেবল ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে ইস্যু করা হয়েছিল। জেলা প্রশাসন এও কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে যে, জেলার সকল হোমস্টেকে পর্যটকদের নিরাপত্তা বিধিমালা বাধ্যতামূলকভাবে মেনে চলতে হবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:34:39 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বড় পরিসরে জ্বালানি তেল আমদানি অব্যাহত, মজুত বাড়ানো হয়েছে]]></title>
				<category>জ্বালানি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/jbalani/article-79577.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশ সরকার জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বড় পরিসরে জ্বালানি তেল আমদানি অব্যাহত রেখেছে। একইসঙ্গে অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনায় সাশ্রয়, নিয়ন্ত্রণ এবং বহুমুখী উদ্যোগ জোরদার করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। আমদানিনির্ভর জ্বালানি ব্যবস্থার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারের চড়া দাম দেশের অর্থনীতি ও দৈনন্দিন জীবনেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে।</p><h2>বিপুল এলএনজি আমদানি</h2><p>জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার জরুরি ভিত্তিতে বিপুল পরিমাণ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করছে। যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, অ্যাঙ্গোলা, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), কাজাখস্তান ও ওমানসহ বিভিন্ন দেশ থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে জ্বালানি সংগ্রহ করছে সরকার। এর মাধ্যমে অন্তত কয়েক মাসের চাহিদা পূরণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পেট্রোবাংলা সূত্র জানিয়েছে, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও অ্যাঙ্গোলা থেকে ২০ কার্গো এলএনজি কিনেছে সরকার। এর মধ্যে এপ্রিলে ৯টি কার্গো কেনা হয়েছে এবং ৬টি দেশে এসে পৌঁছেছে। বাকি কার্গোগুলোও দ্রুত আসবে। মে মাসে আরও ১১টি কার্গো আমদানি করবে সরকার।</p><h3>দেশীয় উৎপাদন ও আমদানি বৈচিত্র্য</h3><p>একইসঙ্গে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। নতুন উৎস থেকে আমদানি বাড়াতে পারলে ভবিষ্যতে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জ্বালানি নির্ভরতা কমানো সম্ভব হবে। পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. এরফানুল হক বলেন, গ্যাস নিয়ে কোনো চিন্তা নেই। পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং আমদানিও অব্যাহত রয়েছে। মে মাসের জন্য ১১টি কার্গো ইতোমধ্যে নিশ্চিত হয়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতেও চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।</p><h2>চাহিদা নিয়ন্ত্রণ ও সাশ্রয়ী পদক্ষেপ</h2><p>সরকার আমদানির পাশাপাশি চাহিদা নিয়ন্ত্রণ ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনায়ও গুরুত্ব দিচ্ছে। অফিস সময় কমানো, ব্যাংকিং সময়সীমা সীমিত করা এবং বাজার ও শপিংমল নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত খোলা রাখার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এতে জ্বালানি সাশ্রয়ে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এপ্রিল মাসে কৃষি খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এ সময়ে সেচ কার্যক্রমের কারণে ডিজেলের চাহিদা সর্বোচ্চ থাকে। সরকার ইতোমধ্যে এপ্রিলের চাহিদা পূরণের ব্যবস্থা করেছে। কৃষকেরা যাতে কোনভাবেই জ্বালানি সংকটে না পড়ে, সে জন্য জেলা প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।</p><h2>ডিজেল ও জ্বালানি তেল সরবরাহ</h2><p>বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, গত মঙ্গলবার চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে ১ লাখ টনের বেশি ডিজেল ও অকটেনবাহী তিনটি ট্যাংকার ভিড়েছে। এছাড়া ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে এপ্রিলে ২৫ হাজার মেট্রিক টন পরিশোধিত ডিজেল আমদানি করা হচ্ছে। এর মধ্যে দুই দফায় ১৩ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে পৌঁছেছে। বিভিন্ন উৎস থেকে নিয়মিত জ্বালানি তেল আমদানি অব্যাহত রয়েছে। জ্বালানি তেল আমদানিতে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের সময়সীমা ৪২ দিন থেকে কমিয়ে ১০ দিন করেছে সরকার। ফলে পরিশোধিত জ্বালানি তেল সংগ্রহ প্রক্রিয়া গতিশীল হয়েছে এবং সরবারাহ ব্যবস্থায় দ্রুততা এসেছে।</p><h2>নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে জোর</h2><p>সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর গুরুত্ব বাড়িয়েছে। বর্তমানে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ১ হাজার ৪৪৫ দশমিক ০৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে এই উৎপাদন ১০ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করার লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্মসচিব (অপারেশন অনুবিভাগ) মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, বছরের শুরু থেকেই পরিকল্পিতভাবে নিয়মিত আমদানি নিশ্চিত করা হচ্ছে। সরকার ইতোমধ্যে জ্বালানির দাম সমন্বয়ের পাশাপাশি সরবরাহও বাড়িয়েছে। ভবিষ্যতে সরবরাহ আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। দেশে জ্বালানি সংকট এড়াতে অন্তত তিন মাসের মজুত রাখার সক্ষমতাও বাড়ানো হয়েছে।</p><h3>বহুমুখী উৎস থেকে আমদানি</h3><p>তিনি বলেন, বাংলাদেশ শুধু মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভরশীল নয়। পরিশোধিত তেল ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, চীন ও সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। মধ্যপ্রাচ্য থেকে মূলত ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত) তেল আসে। ফলে ওই অঞ্চলের যুদ্ধ পরিস্থিতিতেও বাংলাদেশে জ্বালানি আমদানির ক্ষেত্রে ব্যাঘাত ঘটবে না। মুখপাত্র বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হওয়ার মতো কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি। বর্তমানে বড় কোনো সংকটও নেই। তবে মানুষের অতিরিক্ত আতঙ্ক বা অবৈধ মজুতের প্রবণতা অনেক সময় বাজারে অস্থিরতা তৈরি করে। সরকারের বহুমুখী পদক্ষেপের ফলে আগামী দুই থেকে তিন মাস জ্বালানি সরবরাহে সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই।</p><h2>কৃচ্ছ্রসাধন ও তদারকি</h2><p>সরকারের কৌশলের অংশ হিসেবে কৃচ্ছ্রসাধনমূলক পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে। অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ ব্যবহার কমানো, আলোকসজ্জা সীমিত করা এবং সরকারি ব্যয় কমিয়ে সামগ্রিক জ্বালানি ব্যবস্থার ওপর চাপ কমানোর চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি ইলেকট্রিক বাস চালুর মতো উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি সাশ্রয় ও পরিবেশ সুরক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। আবার কেউ যাতে তেল মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে, সেজন্য সারাদেশে ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে। জ্বালানি পাম্পগুলোতে সরবরাহ নিশ্চিত করতে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। পাচার রোধে সীমান্ত এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও কোস্ট গার্ডের টহল জোরদার করা হয়েছে। সারাদেশে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত অভিযানে অবৈধভাবে মজুত করা ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৯৯৩ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে জনগণকে সচেতন করতে বিভিন্ন কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।</p><h2>বিশেষজ্ঞের মতামত</h2><p>সরকারের এসব উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনারারি অধ্যাপক ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. বদরুল ইমাম। তিনি বলেন, ‘এই উদ্যোগগুলোতেই কাজ হওয়া উচিত। তবে একদিনে তা হবে না, আস্তে আস্তে এর ইতিবাচক ফলাফল আসবে। যদি সঠিকভাবে উদ্যোগগুলো নেওয়া হয় তাহলে সংকট অনেকটা কমে আসবে।’ তিনি বলেন, ‘জ্বালানি ব্যবহারে অবশ্যই সকলের সাশ্রয়ী হওয়া উচিত। ব্যবহার কমানো বা নিয়ন্ত্রণ নীতি অবলম্বন করলে কিছুটা লাভ হবে।’</p><h2>বর্তমান মজুত পরিস্থিতি</h2><p>জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, ২২ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে ডিজেল ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮০৮ মেট্রিক টন, অকটেন ২৫ হাজার ৭৭ মেট্রিক টন, পেট্রোল ১৯ হাজার ২০১ মেট্রিক টন, ফার্নেস অয়েল ৫৩ হাজার ১৩৫ মেট্রিক টন এবং জেট ফুয়েল ১৭ হাজার ৪৮৪ মেট্রিক টন মজুত রয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:14:57 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[শিরিন শারমিনের পুরনো ভিডিও ভুয়া দাবিতে প্রচার]]></title>
				<category>জাতীয় সংসদ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/jatiyo-shongshod/article-79576.html</link>
				<description><![CDATA[<p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দাবি করা হচ্ছে, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে জরুরি নির্দেশনা দিয়ে বলেছেন, গ্রেফতার হওয়া নেতা-কর্মীদের পরিবারের পাশে থাকবেন এবং দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে গিয়ে কেউ গ্রেফতার হলে তাদের পরিবারের দায়িত্ব নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন।</p><p>ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর নামে খোলা একটি ভুয়া ফেসবুক পেজ থেকে ভিডিওটি প্রচারের পর তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ফ্যাক্টচেক রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রচারিত ভিডিওটি সাম্প্রতিক সময়ের নয় এবং এর সঙ্গে আওয়ামী লীগ কর্মীদের গ্রেফতার কিংবা পরিবারের স্বজনদের পাশে থাকার কোনো সম্পর্ক নেই।</p><h2>ভিডিওটির প্রকৃত প্রসঙ্গ</h2><p>প্রকৃতপক্ষে, কোভিড-১৯ পরিস্থিতি সামাল দিতে সংসদের ভূমিকা প্রসঙ্গে ২০২০ সালে তার দেওয়া একটি বক্তব্যের ভিডিওকে সাম্প্রতিক সময়ে উক্ত দাবিতে প্রচার করা হয়েছে। এ বিষয়ে অনুসন্ধানে ‘Inter-Parliamentary Union (IPU)’ নামক একটি ইউটিউব চ্যানেলে ২০২০ সালের ১৯ আগস্টে প্রচারিত একটি ভিডিও খুঁজে পাওয়া যায়, যার সঙ্গে আলোচিত দাবি সংবলিত ভিডিওর মিল রয়েছে।</p><p>ভিডিওটি পর্যবেক্ষণে এবং এর বিস্তারিত বিবরণী থেকে জানা যায়, এটি সংসদ কীভাবে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি সামাল দিতে পারে সে বিষয়ে শিরিন শারমিনের বক্তব্যের অংশ। ২০২০ সালের আগস্ট মাসে অনুষ্ঠিত ‘Fifth World Conference of Speakers of Parliament’ এবং ’13th Summit of Women Speakers of Parliament’ এর অংশ হিসেবে ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছে বলেও জানা যায়।</p><p>পাশাপাশি, একই দিনে অর্থাৎ ২০২০ সালের ১৯ আগস্টে ‘Inter-Parliamentary Union’ এর ফেসবুক পেজেও আলোচিত ভিডিওটি প্রচার হতে দেখা যায়। উক্ত ভিডিও এবং ক্যাপশন থেকেও একই তথ্য জানা যায়।</p><h3>শিরিন শারমিনের ফেসবুক পেজ</h3><p>এছাড়া, ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ পর্যবেক্ষণেও ২০২৪ সালের ২০ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনো পোস্ট খুঁজে পাওয়া যায়নি।</p><p>উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর লালবাগ থানায় দায়ের করা একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গত ৭ এপ্রিল গ্রেফতার হন সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। মামলার এজাহার অনুযায়ী, আন্দোলন চলাকালীন সংঘর্ষে হত্যাচেষ্টাসহ গুরুতর অপরাধ সংঘটনের অভিযোগে তাকে আসামি করা হয়েছিল। তবে শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা যুক্তি দেখান যে, সংশ্লিষ্ট ঘটনায় ড. শিরীন শারমিনের প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততার কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ নেই। পরবর্তীতে, গত ১২ এপ্রিল তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান।</p><p>সুতরাং, শিরিন শারমিন গ্রেফতার হওয়া দলীয় কর্মীদের পরিবারের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছেন শীর্ষক এই দাবিটি সম্পূর্ণ মিথ্যা।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:57:32 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[সীতাকুণ্ডে বিদেশি পিস্তলসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘নলা কাশেম’ গ্রেফতার]]></title>
				<category>নিরাপত্তা বাহিনী</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/nirapotta-bahini/article-79575.html</link>
				<description><![CDATA[<p>চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে বিদেশি পিস্তলসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী আবুল কাশেম ওরফে ‘নলা কাশেম’কে (৪৩) গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও ছয় রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়। তার বিরুদ্ধে খুন, ধর্ষণসহ ১৫টি মামলা রয়েছে। এ ছাড়া আবুল কাশেম জঙ্গল সলিমপুরে অভিযানে সময় র‍্যাবের উপসহকারী পরিচালক-ডিএডি (নায়েব সুবেদার) মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া হত্যা মামলার আসামি।</p><h2>অভিযানের বিবরণ</h2><p>বুধবার (২২ এপ্রিল) রাতে সীতাকুণ্ড মডেল থানা পুলিশের অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টায় ‘ক্রাইম জোন’ হিসেবে পরিচিত জঙ্গল সলিমপুর এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছিল। তবে সম্প্রতি নলা কাশেমের নেতৃত্বে একটি সশস্ত্র চক্র পুনরায় ওই এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছিল।</p><h3>পরিকল্পিত অভিযান</h3><p>গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁনের নির্দেশনায় সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি মহিনুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। রাত প্রায় ৯টা থেকে সন্ত্রাসীদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে ৯টা ৪৫ মিনিটের দিকে দক্ষিণ সলিমপুর এলাকায় অভিযান শুরু হয়।</p><p>সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি মহিনুল ইসলাম জানান, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা সংগঠিত হামলার প্রস্তুতি নিলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত তাদের আস্তানা ঘিরে ফেলেন। একপর্যায়ে সাঁড়াশি অভিযানে নলা কাশেমকে অস্ত্রসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। তবে তার সহযোগীরা অন্ধকার ও জঙ্গলের সুযোগ নিয়ে পালিয়ে যায়।</p><h2>মামলা ও অভিযোগ</h2><p>পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত নলা কাশেমের বিরুদ্ধে ডাকাতি, দস্যুতা, চাঁদাবাজি, অস্ত্র আইন ও হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে চট্টগ্রামের বিভিন্ন থানায় মোট ১৫টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এ ছাড়া জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাব কর্মকর্তাকে হত্যার একটি মামলাতেও তিনি অভিযুক্ত।</p><h3>পুলিশের প্রতিক্রিয়া</h3><p>চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁন জানান, জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনও অপচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে। জঙ্গল সলিমপুর এলাকাকে স্থায়ীভাবে সন্ত্রাসমুক্ত রাখতে এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:31:24 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[আ.লীগ নিষিদ্ধের প্রতিবাদে হাসনাতের হুঁশিয়ারি দাবি মিথ্যা]]></title>
				<category>কূটনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/kutniti/article-79574.html</link>
				<description><![CDATA[<p>সম্প্রতি 'আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের প্রতিবাদে সংসদ থেকে রাজপথে হাসনাত আব্দুল্লাহর কঠিন হুঁশিয়ারি' শিরোনামে একটি ভিডিও ইন্টারনেটে ভাইরাল হয়েছে। এই ভিডিও নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। তবে ফ্যাক্টচেক সংস্থা রিউমর স্ক্যানারের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, দাবিটি সম্পূর্ণ মিথ্যা।</p><h2>ভিডিওর প্রকৃত ঘটনা কী?</h2><p>রিউমর স্ক্যানার টিম জানায়, প্রচারিত ভিডিওটি আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের প্রতিবাদে রাজপথে হাসনাত আব্দুল্লাহর অবস্থানের নয়। বরং, এটি ২০২৫ সালের মার্চ মাসে গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগের বিচার, নিবন্ধন বাতিল ও রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধের দাবিতে হাসনাত আব্দুল্লাহর নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিলের ভিডিও। ভিডিওটির অডিও পরিবর্তন করে আলোচিত দাবিতে প্রচার করা হয়েছে।</p><p>ডিবিসি নিউজের ইউটিউব চ্যানেলে ২০২৫ সালের ২২ মার্চ প্রকাশিত একটি ভিডিও প্রতিবেদনের সঙ্গে আলোচিত ভিডিওটির দৃশ্যের মিল পাওয়া গেছে। তবে অডিওতে পার্থক্য রয়েছে। মূল ভিডিওতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহকে আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা চেয়ে বক্তব্য দিতে দেখা যায়।</p><h2>গণমাধ্যমের প্রতিবেদন</h2><p>এ বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত একাধিক প্রতিবেদন পর্যালোচনায় জানা যায়, ২০২৫ সালের মার্চ মাসে গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগের বিচার, নিবন্ধন বাতিল ও রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ওই সমাবেশে হাসনাত আব্দুল্লাহ ও জুলাই আন্দোলনের অন্যান্য নেতারা আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন।</p><p>উল্লেখ্য, ২০২৪ সালেও আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ চেয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক দুই সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করেন।</p><h3>সত্যতা</h3><p>সুতরাং, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের প্রতিবাদে রাজপথে হাসনাত আব্দুল্লাহর অবস্থানের দাবিটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। প্রকৃতপক্ষে, এটি আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে বিক্ষোভের ভিডিও, প্রতিবাদে নয়।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:57:34 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[দেশের বাজারে সোনার দাম কমল, ভরিপ্রতি ৩ হাজার ২৬৬ টাকা]]></title>
				<category>পণ্যমূল্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/ponnyomulyo/article-79573.html</link>
				<description><![CDATA[<p>দেশের বাজারে সোনার দাম কমেছে। এর মধ্য দিয়ে সোনার দাম আবার ভরিপ্রতি আড়াই লাখ টাকার নিচে নেমে এসেছে। ভালো মানের, অর্থাৎ ২২ ক্যারেট সোনার দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৩ হাজার ২৬৬ টাকা।</p><h2>নতুন দাম কার্যকর</h2><p>বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি আজ বৃহস্পতিবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে। আজ সকাল ১০টা থেকে দেশের বাজারে সোনার নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। সোনার পাশাপাশি রুপার দামও কিছুটা কমেছে।</p><h3>পূর্ববর্তী সমন্বয়</h3><p>এর আগে ১৫ এপ্রিল সোনার দাম সর্বশেষ সমন্বয় করা হয়। তখন ভালো মানের সোনার দাম ভরিপ্রতি ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়ানো হয়।</p><h3>বিভিন্ন ক্যারেটের দাম</h3><p>নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা। প্রতি ভরি ২১ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ৩৫ হাজার ৬৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ২ হাজার ২০ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম কমে হয়েছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকা। এর সঙ্গে ৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট যুক্ত হবে।</p><h3>পূর্বের দাম</h3><p>মূল্যবৃদ্ধির আগপর্যন্ত সোনার দাম ছিল এ রকম: ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা; প্রতি ভরি ২১ ক্যারেটের ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮২০ টাকা; ১৮ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ৪ হাজার ৭০৩ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ১ লাখ ৬৬ হাজার ৭৩৭ টাকা।</p><h2>বিশ্ববাজারের প্রভাব</h2><p>মূলত বিশ্ববাজারে মূল্যহ্রাসের কারণে সোনার দাম কমানো হয়েছে। গোল্ডপ্রাইস ডটকমের তথ্যানুযায়ী, আজ এ প্রতিবেদন লেখার সময় প্রতি আউন্স সোনার দাম ছিল ৪ হাজার ৭০৪ ডলার। এর আগে যখন দাম বাড়ানো হয়, তখন দাম ছিল ৪ হাজার ৮২৭ ডলার। অর্থাৎ এ সময়ের মধ্যে সোনার দাম কমেছে ১২৩ ডলার।</p><h3>বিশ্ববাজারের সাম্প্রতিক প্রবণতা</h3><p>মাঝে কিছুদিন বিশ্ববাজারে সোনার দাম কমেছে। তবে গত ৩০ দিনে বিশ্ববাজারে সোনার দাম আউন্সপ্রতি ১৮১ ডলার বেড়েছে। ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর সামগ্রিকভাবে বিশ্ববাজারে সোনার দাম কমেছে। এর কারণ হলো, সোনার দাম এমনিতেই বাড়তি। ২০২৫ সালে বিশ্ববাজারে সোনার দাম ৭০ শতাংশের বেশি বেড়েছে।</p><h2>রুপার দাম কমানো</h2><p>এদিকে আজ রুপার দামও কমানো হয়েছে। এতে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৭১৫ টাকা। এর আগে রুপার দাম ছিল ভরিপ্রতি ৬ হাজার ৬৫ টাকা।</p><h3>সর্বোচ্চ দামের ইতিহাস</h3><p>গত জানুয়ারিতে স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স (৩১.১০৩৪৭৬৮ গ্রাম) সোনার দাম ৫ হাজার ৬০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। এর প্রভাবে দেশের বাজারে গত ২৯ জানুয়ারি সোনার দাম বেড়ে দাঁড়ায় ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায়। দেশের ইতিহাসে এটাই সোনার সর্বোচ্চ দাম।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:29:07 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[আইসিসিবিতে ৭ মে শুরু হচ্ছে মেডিটেক্স ও হেলথ ট্যুরিজম এক্সপো]]></title>
				<category>ব্যবসা-বাণিজ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/bebsha-banijjo/article-79572.html</link>
				<description><![CDATA[<p>রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) আগামী ৭ মে থেকে শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ‘মেডিটেক্স, হেলথ ট্যুরিজম এক্সপো ২০২৬’। কনফারেন্স অ্যান্ড এক্সিবিশন ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেস (সেমস-গ্লোবাল ইউএসএ) এর আয়োজনে গত ১৬ বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলবে এই প্রদর্শনী।</p><h2>সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত</h2><p>মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সেমস বাংলাদেশের কার্যালয়ে প্রদর্শনীসমূহ আয়োজন সম্পর্কিত একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সেমস-গ্লোবাল ইউএসএ অ্যান্ড এশিয়া প্যাসিফিক এর প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড গ্রুপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর মেহেরুন এন. ইসলাম। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সেমস-গ্লোবালের নির্বাহী পরিচালক তানভীর কামরুল ইসলাম, গ্রুপ ডিরেক্টর অভিষেক দাস এবং সেমস-বাংলাদেশের ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান বিভাগের এজিএম আশরাফুল ইসলাম প্রমুখ।</p><p>সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, এই প্রদর্শনীগুলো সংশ্লিষ্ট খাতের ক্রেতা-বিক্রেতাদের জন্য একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম তৈরি করবে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জ্ঞান ও প্রযুক্তির আদান-প্রদান বাড়বে, যা বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবা, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও স্বাস্থ্য পর্যটন খাতের উন্নয়নেও এটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।</p><p>তারা আরও বলেন, মানসম্মত ও সাশ্রয়ী চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সঠিক চিকিৎসক, উপযুক্ত হাসপাতাল এবং নির্ভরযোগ্য সেবা পাওয়া জরুরি। এ ক্ষেত্রে হেলথ ট্যুরিজম এক্সপো একটি সমন্বিত সমাধানের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ভূমিকা রাখবে।</p><h2>প্রদর্শনীর বিবরণ</h2><p>আয়োজকসূত্রে জানা যায়, এতে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা, চিকিৎসা সরঞ্জাম, অস্ত্রোপচার, ফার্মাসিউটিক্যাল ও ডায়াগনস্টিক যন্ত্রপাতি, হাসপাতালের সরঞ্জাম ও সরবরাহ কেন্দ্রিক অন্যতম সুপ্রতিষ্ঠিত ও শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ‘১৭তম মেডিটেক্স বাংলাদেশ ২০২৬ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো’ (আইসিসিবি, নবরাত্রি - হল ৪) অনুষ্ঠিত হবে। একইসঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে ‘১০ম বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল ল্যাব এক্সপো ২০২৬’ (আইসিসিবি, নবরাত্রি - হল ৪), এবং ‘১২তম ফার্মা বাংলাদেশ ২০২৬ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো’ (আইসিসিবি, নবরাত্রি - হল ৪)। আরও অনুষ্ঠিত হবে স্বাস্থ্যসেবা, মেডিকেল ট্যুরিজম ও তৎসংশ্লিষ্ট সেবা সম্পর্কিত বাংলাদেশের একমাত্র ও বৃহত্তম প্রদর্শনী ‘৯ম ইন্টারন্যাশনাল হেলথ ট্যুরিজম অ্যান্ড সার্ভিসেস এক্সপো বাংলাদেশ ২০২৬’ (আইসিসিবি, রাজদর্শন- হল ৩)।</p><p>স্বাস্থ্য পর্যটন এবং চিকিৎসাক্ষেত্রে উন্নত প্রযুক্তি ও সেবা নিয়ে স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধান, দেশি-বিদেশি হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের সহযোগিতা বিষয়ক এই প্রদর্শনীসমূহে ভারত, পাকিস্তান, চীন, শ্রীলংকা, ইন্দোনেশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, নেপাল, সিঙ্গাপুর, তুর্কি, বাংলাদেশ, দক্ষিণ কোরিয়া, মরোক্কো, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়াসহ ১৫টিরও অধিক দেশের ১৫০টিরও অধিক বুথ নিয়ে প্রায় ৯০টি কোম্পানি অংশগ্রহণ করবে।</p><p>প্রদর্শনীতে উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে থাকবে সিএফসি-এসআইবিএল রিপ্রোডাক্টিভ হেলথ ইনিশিয়েটিভ, হেলথকেয়ার ডায়াগনস্টিক সলিউশন, বিটিএল মেডিকেল ডিভাইস বাংলাদেশ লিমিটেড, মেডিপ্যাক টেকনোলজিস লিমিটেড, এলাইভ হেলথকেয়ার প্রভৃতি। পাশাপাশি, প্রদর্শনীতে সংশ্লিষ্ট শিল্প সম্পর্কিত কতিপয় আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে।</p><h2>সেমস-গ্লোবালের ইতিহাস</h2><p>উল্লেখ্য, ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত সেমস-গ্লোবাল বিগত তিন দশকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ৭৬২টিরও বেশি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী সফলভাবে আয়োজন করেছে। এসব আয়োজনে অংশ নিয়েছে ৫৫ হাজারের বেশি প্রদর্শক প্রতিষ্ঠান এবং প্রায় ২০ লাখ ব্যবসায়িক দর্শনার্থী। সেমস-গ্লোবালের ফ্ল্যাগশিপ প্রদর্শনীসমূহের মধ্যে রয়েছে টেক্সটাইল সিরিজ, পাওয়ার সিরিজ, বিল্ড সিরিজ, ফুড অ্যান্ড এগ্রো এক্সপো, মেডিটেক্স এবং অটো সিরিজ।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:05:15 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[টাইটানিক থেকে বেঁচে ফেরা যাত্রীর লাইফ জ্যাকেট রেকর্ড দামে বিক্রি]]></title>
				<category>বিনোদন ব্যবসা</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/binodon-bebsha/article-79571.html</link>
				<description><![CDATA[<p>যুক্তরাজ্যের এক নিলামে টাইটানিক থেকে বেঁচে ফেরা এক যাত্রীর লাইফ জ্যাকেট রেকর্ড দামে বিক্রি হয়েছে। ১৯১২ সালের ঐতিহাসিক জাহাজডুবির এই স্মারকটি ৯ লাখ ৪ হাজার ৫০০ ডলারে (প্রায় ২৫ কোটি টাকার বেশি) বিক্রি হয়েছে, যা এর প্রাথমিক অনুমিত মূল্য ৩ লাখ ৩৯ হাজার থেকে ৪ লাখ ৭৪ হাজার ডলারের চেয়ে অনেক বেশি।</p><h2>নিলামের বিবরণ</h2><p>ব্রিটিশ এক নিলাম সংস্থা জানিয়েছে, বিরল এই লাইফ জ্যাকেটটি প্রথম শ্রেণির যাত্রী লরা মেবেলের ছিল। তিনি লাইফবোট নম্বর ১-এ করে দুর্ঘটনা থেকে প্রাণে বেঁচে যান। জ্যাকেটটিতে লরা মেবেলসহ আরও কয়েকজন বেঁচে যাওয়া যাত্রীর স্বাক্ষর রয়েছে, যা এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।</p><h3>টাইটানিক দুর্ঘটনা</h3><p>টাইটানিক ১৯১২ সালের এপ্রিল মাসে যুক্তরাজ্য থেকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম যাত্রার সময় আটলান্টিক মহাসাগরে একটি হিমশৈলের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ডুবে যায়। এ দুর্ঘটনায় ১,৫০০-এর বেশি মানুষের মৃত্যু হয় এবং প্রায় ৭০০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়।</p><p>লাইফ জ্যাকেটটি নিলামে তোলার আগে বিভিন্ন সংগ্রহশালায় সংরক্ষিত ছিল। নিলাম সংস্থার মতে, এটি টাইটানিকের সবচেয়ে মূল্যবান স্মারকগুলোর একটি।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:47:06 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[হাইকোর্ট বিচারপতি মো. আব্দুল মান্নানকে দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে]]></title>
				<category>আইন বিভাগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/ain-bibhag/article-79570.html</link>
				<description><![CDATA[<p>প্রধান বিচারপতি হাইকোর্ট বিচারপতি মো. আব্দুল মান্নানকে বিচারিক দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছেন। কুমিল্লায় এক অনুষ্ঠানে অনিয়মের অভিযোগের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।</p><h2>বিচারিক কাজে বাধা</h2><p>সূত্র মতে, ১৬ এপ্রিল গঠিত ৬৩টি বেঞ্চের কোনোটিতেই বিচারপতি মান্নানকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ফলে কার্যত তিনি বিচারিক কাজ থেকে বিরত রয়েছেন।</p><h3>ভাইরাল ভিডিও</h3><p>এই পদক্ষেপের কারণ হিসেবে একটি ভিডিও উল্লেখযোগ্য। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, গত ৩ এপ্রিল কুমিল্লার অ্যাপেক্স ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে বিচারপতি মান্নান নিজেকে বিচারক পরিচয় দিয়ে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় করছেন। ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হলে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।</p><h2>পটভূমি</h2><p>মো. আব্দুল মান্নান ২০২৪ সালের ৯ অক্টোবর হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হন। এর আগে তিনি পিরোজপুরের জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:51:58 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সুগার ড্যাডি খোঁজার অভিযোগ]]></title>
				<category>সন্ত্রাসবাদ</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/shontrasabad/article-79569.html</link>
				<description><![CDATA[<p>যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের (ডিএইচএস) সন্ত্রাসবিরোধী শাখার একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিলাসিতার খরচ জোগাতে ‘সুগার ড্যাডি’ বা বিত্তশালী পুরুষ খোঁজার অভিযোগ উঠেছে। ২৯ বছর বয়সী ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জুলিয়া ভারভারোর বিরুদ্ধে জনৈক এক ব্যক্তি হোমল্যান্ড সিকিউরিটির ইনস্পেক্টর জেনারেলের কাছে এই লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। বুধবার (২২ এপ্রিল) ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ভারভারো ডেটিং সাইটের মাধ্যমে বয়স্ক পুরুষদের প্রলুব্ধ করে নিজের বিলাসবহুল জীবনযাত্রার ব্যয়ভার বহন করাতেন।</p><h2>অভিযোগের বিবরণ</h2><p>এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে বলে মিডল ইস্ট আই নিশ্চিত করেছে। অভিযোগকারী ব্যক্তি, যাকে প্রতিবেদনে ‘রবার্ট বি’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, দাবি করেছেন যে হিঞ্জ নামক একটি ডেটিং সাইটের মাধ্যমে ভারভারোর সঙ্গে তার পরিচয় হয়। মাত্র তিন মাসের সম্পর্কের মধ্যে ভারভারো তার কাছ থেকে প্রায় ৪০ হাজার মার্কিন ডলার মূল্যের বিভিন্ন উপহার ও ভ্রমণের খরচ আদায় করেছেন।</p><h3>ডেটিং সাইটে ছদ্মনাম</h3><p>অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ‘সিকিং ডটকম’ নামক একটি বিতর্কিত ডেটিং সাইটে ‘আলেসিয়া’ ছদ্মনামে ভারভারোর একটি প্রোফাইল রয়েছে, যেখানে তিনি অত্যন্ত মার্জিত ও আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করেন। রবার্ট বি-র মতে, বিলাসবহুল পণ্যের প্রতি এই অদম্য আকর্ষণ এবং আর্থিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ভারভারোকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য একটি ঝুঁকিপূর্ণ চরিত্রে পরিণত করেছে।</p><h3>বিলাসবহুল জীবনযাত্রা</h3><p>অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে, রবার্ট বি ভারভারোর অ্যাপার্টমেন্টের অর্ধেক ভাড়া পরিশোধ করার পাশাপাশি তাকে আরুবা, সুইস আল্পস এবং ইতালির মতো ব্যয়বহুল স্থানে ভ্রমণে নিয়ে গিয়েছিলেন। এ ছাড়া কার্টিয়ার জুয়েলারি ও দামি হ্যান্ডব্যাগসহ অন্তত ৪০ হাজার ডলারের উপহার তাকে কিনে দিতে হয়েছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, ভারভারো নিজেকে ‘বস প্রিন্সেস’ হিসেবে পরিচয় দিতেন এবং মাদক পরীক্ষা বা নিয়ম-কানুনের ঊর্ধ্বে বলে মনে করতেন। এমনকি তারা একসঙ্গে মারিজুয়ানা বা গাঁজা সেবন করেছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।</p><h2>ভারভারোর অস্বীকৃতি</h2><p>উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে মাদক সেবনের তথ্য হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বা সিআইএ এবং এফবিআইয়ের মতো সংস্থায় চাকরির অযোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হয়। জুলিয়া ভারভারো অবশ্য তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং ডেইলি মেইলকে জানিয়েছেন যে তিনি ভুল কিছু করেননি। তার দাবি, ‘সিকিং ডটকম’-এ তার কোনো প্রোফাইল নেই এবং তার একজন ‘উন্মাদ প্রাক্তন প্রেমিক’ এসব বানোয়াট অভিযোগ ছড়িয়ে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছেন। তবে তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন যে ভারভারোর ইনস্টাগ্রামের ছবির সঙ্গে ওই ডেটিং প্রোফাইলের ছবির মিল রয়েছে কি না।</p><h2>প্রশাসনের ভাবমূর্তি সংকট</h2><p>ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত জীবন ও ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড নিয়ে যখন নানা মহলে সমালোচনা চলছে, ঠিক সেই সময়ে এই ধরনের নৈতিক স্খলনের অভিযোগ প্রশাসনের ভাবমূর্তিকে নতুন করে সংকটে ফেলেছে। সূত্র: মিডল ইস্ট আই</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:27:05 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[মিনি-স্ট্রোক: বড় বিপদের আগাম সতর্কতা, লক্ষণ ও করণীয়]]></title>
				<category>স্বাস্থ্য বীমা</category>
				<link>https://bdgazette.com/swasthyo/swasthyo-bima/article-79568.html</link>
				<description><![CDATA[<p>হঠাৎ শরীরের একপাশ দুর্বল লাগা বা কথা জড়িয়ে যাওয়াকে অনেকে সাধারণ ক্লান্তি ভেবে ভুল করেন। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, এটি আসলে ‘ওয়ার্নিং স্ট্রোক’ বা ‘মিনি-স্ট্রোক’, যা বড় কোনো স্ট্রোকের আগাম সতর্কতা। লক্ষণগুলো কয়েক মিনিটের মধ্যে মিলিয়ে গেলেও এটি প্রাণঘাতী হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।</p><h2>মিনি-স্ট্রোক কী?</h2><p>চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ট্রানজিয়েন্ট ইস্কেমিক অ্যাটাক (টিআইএ)। মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলে সাময়িক বিঘ্ন ঘটলে এটি দেখা দেয়। ব্রিটিশ চিকিৎসকদের মতে, এটি ‘মস্তিষ্কের হার্ট অ্যাটাক’। উপসর্গ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সেরে গেলে টিআইএ বলা হয়, নইলে স্থায়ী স্ট্রোকে রূপ নিতে পারে।</p><h2>দ্রুত চেনার উপায়: ‘BE FAST’ সূত্র</h2><p>স্ট্রোকের লক্ষণ সহজে মনে রাখতে বিশেষজ্ঞরা ‘BE FAST’ ফর্মুলা ব্যবহারের পরামর্শ দেন:</p><ul><li><strong>B (Balance):</strong> হঠাৎ শরীরের ভারসাম্য হারানো।</li><li><strong>E (Eyes):</strong> ঝাপসা দেখা বা দৃষ্টিশক্তির সমস্যা।</li><li><strong>F (Face):</strong> হাসতে গেলে মুখের একপাশ ঝুলে যাওয়া।</li><li><strong>A (Arms):</strong> হাত উপরে তুলতে গেলে এক হাত পড়ে যাওয়া বা অবশ ভাব।</li><li><strong>S (Speech):</strong> কথা জড়িয়ে যাওয়া বা স্পষ্ট বলতে না পারা।</li><li><strong>T (Time):</strong> লক্ষণ দেখামাত্র সময় নষ্ট না করে জরুরি চিকিৎসা নেওয়া।</li></ul><h2>অন্যান্য উপসর্গ</h2><p>প্রধান লক্ষণ ছাড়াও হঠাৎ মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, খাবার গিলতে সমস্যা, বা বিভ্রান্তি মিনি-স্ট্রোকের লক্ষণ হতে পারে।</p><h2>ঝুঁকিতে কারা?</h2><p>বিশেষজ্ঞরা জানান, ৫০ ঊর্ধ্ব বয়সিদের ঝুঁকি বেশি, তবে তরুণরাও নিরাপদ নন। অনেকের হৃদপিণ্ডে জন্মগত ছিদ্র থাকতে পারে যা ঝুঁকি বাড়ায়। বয়স্কদের অনিয়মিত হৃদস্পন্দন রক্ত জমাট বাঁধিয়ে স্ট্রোকের ঝুঁকি তৈরি করে।</p><h2>চিকিৎসকদের কড়া সতর্কবার্তা</h2><p>ব্রিটিশ স্বাস্থ্যসেবা সংস্থা সতর্ক করে বলছে, মিনি-স্ট্রোকের লক্ষণ কয়েক মিনিটে মিলিয়ে গেলেও এটি বড় বিপদের সংকেত। লক্ষণ সেরে গেলেও দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করানো জরুরি। মনে রাখবেন, সঠিক সময়ে সচেতনতা বড় স্ট্রোক বা পক্ষাঘাত থেকে বাঁচাতে পারে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:28:39 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ময়মনসিংহে হামে আরও এক শিশুর মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা ১৬]]></title>
				<category>ক্যান্সার</category>
				<link>https://bdgazette.com/swasthyo/cancer/article-79567.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৪ ঘণ্টায় হাম আক্রান্ত আরেক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এ পর্যন্ত হাম আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ জনে।</p><h2>নতুন করে ২৭ শিশু ভর্তি</h2><p>হাসপাতালের হাম ওয়ার্ডের ফোকাল পারসন ডা. গোলাম মাওলা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ময়মনসিংহের ত্রিশাল থেকে আসা ১০ মাস বয়সী এক ছেলেশিশুর মৃত্যু হয়েছে। শিশুটি গত ১৮ এপ্রিল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। হাম ছাড়াও শিশুটি নানা রোগে ভুগছিল।</p><p>গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ২৭ শিশু হাম আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে মোট ৬৫ শিশু চিকিৎসাসেবা নিচ্ছে।</p><h3>পরিস্থিতি উদ্বেগজনক</h3><p>হামের এই প্রাদুর্ভাবে ময়মনসিংহ অঞ্চলে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় তৎপরতা বাড়িয়েছে। তবে শিশুদের মধ্যে হামের সংক্রমণ রোধে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:49:23 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা থমকে আছে কেন, নেপথ্যে কী?]]></title>
				<category>আন্তর্জাতিক অর্থনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/antorjatik-orthoniti/article-79566.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির ৬ সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও জনসমক্ষে দেখা নেই। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এক ড্রোন হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর তাকে উত্তরসূরি ঘোষণা করা হয়। কিন্তু এরপর থেকে তিনি জনসমক্ষে না আসায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনা অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তাদের ধারণা, মোজতবা খামেনির এই ‘অনুপস্থিতি’ বা লোকচক্ষুর আড়ালে থাকাই আলোচনার প্রধান অন্তরায়। খবর এনডিটিভির।</p><h2>মোজতবার অবস্থা ও নেতৃত্বে ফাটল</h2><p>সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোজতবা খামেনি বর্তমানে সরাসরি সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো অবস্থায় নেই। ট্রাম্প প্রশাসনের ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, গত ২৮ ফেব্রুয়ারির বিমান হামলায় মোজতবা গুরুতর আহত হয়েছেন। তার পায়ে ফ্র্যাকচার, বাম চোখে আঘাত এবং মুখে ক্ষত রয়েছে বলে গুঞ্জন রয়েছে। তবে তেহরানের পক্ষ থেকে একে নিরাপত্তা জনিত কারণে ‘গোপন রাখা’ বলে দাবি করা হলেও, মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে ইরানি নেতৃত্বের ভেতরে এখন চরম সমন্বয়হীনতা ও ফাটল দেখা দিয়েছে।</p><h2>ইউরেনিয়াম মজুত বড় অন্তরায়</h2><p>শান্তি আলোচনার সবচেয়ে বড় কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের বিশাল মজুত। ধারণা করা হচ্ছে, তেহরানের কাছে বর্তমানে ৪৪০ কেজি (৬০ শতাংশ বিশুদ্ধ) ইউরেনিয়াম রয়েছে। এটি পারমাণবিক বোমা তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় ৯০ শতাংশ বিশুদ্ধতার খুব কাছাকাছি। এই মজুত দিয়ে ৮ থেকে ১২টি বোমা বানানো সম্ভব। এই স্পর্শকাতর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়ার মতো ক্ষমতা এখন কার হাতে, তা নিয়েই সন্দিহান ওয়াশিংটন।</p><h3>এআই ব্যবহার ও সমালোচনা</h3><p>আশ্চর্যের বিষয় হলো, মোজতবা খামেনি সরাসরি কোনো ভাষণ না দিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-ভিত্তিক ভিডিও এবং অডিও বার্তার মাধ্যমে নিজের উপস্থিতি জানান দিচ্ছেন। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, তিনি অডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে যুক্ত থাকছেন। তবে সমালোচকদের মতে, এটি মূলত একটি ‘কভার’ বা ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে যাতে আলোচকরা কোনো কঠিন সিদ্ধান্তে না পৌঁছে আলোচনা দীর্ঘায়িত করতে পারেন।</p><p>ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের ইরান প্রজেক্ট ডিরেক্টর আলী ভায়েজ বলেন, সিস্টেমটি উদ্দেশ্যমূলকভাবে মোজতবার নাম ব্যবহার করছে যাতে আলোচনার যেকোনো নেতিবাচক সিদ্ধান্তের জন্য অভ্যন্তরীণ সমালোচনা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। তার বাবার মতো তিনি নিয়মিত সরাসরি কথা বলছেন না, যা একটি বড় শূন্যতা তৈরি করেছে।</p><h2>ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা</h2><p>পাকিস্তান ও ওমানের মধ্যস্থতায় এই শান্তি আলোচনা আবারও শুরু হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও, মোজতবা খামেনি নিজে সামনে না আসা পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের চুক্তিতে পৌঁছানো অসম্ভব বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলার পর মোজতবা খামেনির অবস্থান আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:55:00 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[সীতাকুণ্ডে র‍্যাব হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার]]></title>
				<category>নিরাপত্তা বাহিনী</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/nirapotta-bahini/article-79565.html</link>
				<description><![CDATA[<p>চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে আলোচিত জঙ্গল সলিমপুরে র‍্যাব সদস্য হত্যা মামলার আসামি মো. আবুল কাশেম ওরফে নলা কাশেমকে (৪৩) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ সলিমপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।</p><h2>অভিযানের বিবরণ</h2><p>পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে উপজেলার দক্ষিণ সলিমপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়। এ সময় আগ্নেয়াস্ত্রসহ কাশেমকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে র‍্যাব-৭ এর ডিএডি আব্দুল মোতালেব হত্যাসহ ডাকাতি, দস্যুতা ও অস্ত্রসহ মোট ১৫টি মামলা রয়েছে।</p><h3>উদ্ধার অস্ত্র</h3><p>সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি মহিনুল ইসলাম জানান, অভিযানে আসামি কাশেমের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তলসহ তাজা ৬ রাউন্ড গুলি ও একটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়েছে।</p><h3>ঘটনার পটভূমি</h3><p>উল্লেখ্য, সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে র‍্যাব-৭ এর সদস্যরা অভিযানে যান গেলে দুর্বৃত্তরা তাদের অবরুদ্ধ করে এবং এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে র‍্যাবের চার সদস্য গুলিবিদ্ধ হন। তাদের উদ্ধার করে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল নিলে মোতালেব হোসেন ভূঁইয়াকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:53:50 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ডাকটিকিটে অমর সত্যজিৎ রায়: ভারত-ডমিনিকা-বাংলাদেশে স্মারক]]></title>
				<category>সিনেমা</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/cinema/article-79564.html</link>
				<description><![CDATA[<p>সত্যজিৎ রায় বহুমুখী প্রতিভার এক বিস্ময়কর প্রতিমূর্তি। তিনি শুধু একজন চলচ্চিত্র নির্মাতাই নন; ছিলেন একাধারে গল্পকার, চিত্রনাট্যকার, গীতিকার, সুরকার, অলংকরণশিল্পী, সম্পাদক ও প্রকাশক। তাঁর নির্মিত চলচ্চিত্রে মানবজীবনের সহজ-সরল অথচ গভীর সত্যগুলো মূর্ত হয়ে ওঠে, যেখানে গ্রামবাংলার মাটি, শহুরে জীবনের টানাপোড়েন ও মানুষের অন্তর্জগৎ একসূত্রে গাঁথা। সাহিত্য ও চলচ্চিত্রের মেলবন্ধনে তিনি গড়ে তুলেছিলেন এক স্বতন্ত্র ভাষা, যা আজও প্রাসঙ্গিক। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ডাকটিকিট প্রকাশের মধ্য দিয়ে এই বিশ্ববরেণ্য বাঙালি চলচ্চিত্রকারকে স্মরণীয় করে রেখেছে।</p><h2>ভারতে প্রথম ডাকটিকিট</h2><p>ভারতীয় ডাক বিভাগ ১৯৯৪ সালের ১১ জানুয়ারি সত্যজিৎ রায়কে নিয়ে প্রথম ডাকটিকিট প্রকাশ করে। সেটি ছিল দুটি ডাকটিকিটের সমন্বয়ে একটি সি–টেন্যান্ট (একাধিক ডাকটিকিটে একটি ধারাবাহিক দৃশ্য)। সি–টেন্যান্টের ছয় রুপি সমমূল্যের প্রথম ডাকটিকিটে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত <em>পথের পাঁচালী</em> চলচ্চিত্রের একটি স্থিরচিত্র তুলে ধরা হয় এবং ১১ রুপি মূল্যের অন্য ডাকটিকিটে স্থান পেয়েছে সত্যজিৎ রায়ের প্রতিকৃতিসহ ১৯৯২ সালে পাওয়া অস্কার সম্মাননার স্মারকচিহ্ন। ভারতের সাধারণ টিকিটেও (ডেফিনেটিভ স্ট্যাম্প) উঠে আসেন সত্যজিৎ রায়। জলছাপযুক্ত তিন রুপি সমমূল্যের সেই সাধারণ টিকিট প্রকাশিত হয় ২০০৯ সালের ১ মার্চ।</p><h2>ডমিনিকার ডাকটিকিটে সত্যজিৎ</h2><p>ক্যারিবীয় দ্বীপরাষ্ট্র ডমিনিকা ২০০০ সালের ২১ এপ্রিল বার্লিনে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ছয়টি ডাকটিকিট প্রকাশ করে। সেগুলোর মধ্যে প্রথম দুটি ডাকটিকিটেই স্থান পেয়েছেন সত্যজিৎ রায়। প্রথম ডাকটিকিটে সত্যজিৎ রায়ের প্রতিকৃতির নিচে উল্লেখ করা হয় <em>অশনি সংকেত</em> চলচ্চিত্রের কথা। এটি ১৯৪৩ সালে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া স্মরণকালের ভয়াবহতম দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে নির্মিত হয়েছে। বাংলাদেশের চিত্রনায়িকা ববিতা অভিনীত চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় ১৯৭৩ সালে। মুক্তির বছরেই এটি বার্লিন চলচ্চিত্র উৎসবে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হিসেবে ‘স্বর্ণ ভালুক’ পুরস্কার জয় করে। দ্বিতীয় ডাকটিকিটে তাঁর নির্মিত আরেকটি চলচ্চিত্র <em>মহানগর</em>-এর একটি স্থিরচিত্র তুলে ধরা হয়েছে। চিত্রে আরতি মজুমদারের চরিত্রে অভিনীত মাধবী মুখার্জি ও তাঁর শিশুপুত্র পিন্টু চরিত্রে অভিনীত প্রসেনজিৎ সরকারকে দেখা যায়। <em>মহানগর</em> ১৯৬৪ সালে শ্রেষ্ঠ পরিচালক ক্যাটাগরিতে বার্লিন চলচ্চিত্র উৎসবে ‘রৌপ্য ভালুক’ পুরস্কার লাভ করে।</p><h2>বাংলাদেশের ডাকটিকিট</h2><p>ভারত ও ডমিনিকার পর সত্যজিৎ রায় উঠে আসেন বাংলাদেশের ডাকটিকিটে। তাঁর শততম জন্মবর্ষকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য বাংলাদেশ ডাক বিভাগ ২০২১ সালের ২ মে ১০ টাকা সমমূল্যের একটি ডাকটিকিট প্রকাশ করে। বহুরঙা এ ডাকটিকিটের ছিদ্রক দূরত্ব ১২.৫। নকশাকার শিল্পী সুমন্ত কুমার। এটি মুদ্রিত হয়েছিল এক লাখ কপি। ইংল্যান্ড থেকে প্রকাশিত বিশ্ব ডাকটিকিট ক্যাটালগ স্ট্যানলি গিবনস–এ এটি বাংলাদেশের ১৪২৪ নম্বর ডাকটিকিট হিসেবে তালিকাভুক্ত।</p><h2>সত্যজিৎ রায়ের জীবন ও উত্তরাধিকার</h2><p>সত্যজিৎ রায়ের পূর্বপুরুষদের আদি নিবাস বাংলাদেশ। তিনি ১৯২১ সালের ২ মে তৎকালীন বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৯২ সালের ২৩ এপ্রিল সেই জন্মশহর কলকাতাতেই শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। ডাকটিকিট, উদ্বোধনী খাম, বিশেষ খাম, বিশেষ সিলমোহরসহ বিভিন্ন ডাক প্রকাশের পাশাপাশি সত্যজিৎ রায়কে নিয়ে সরকারি ও ব্যক্তি উদ্যোগে প্রকাশিত হয়েছে আরও অসংখ্য স্যুভেনির ও স্মরণিকা।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:13:38 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[প্রতিশোধের গল্প ‘পাপ কাহিনী ২’ মুক্তি পাচ্ছে আজ]]></title>
				<category>সিনেমা</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/cinema/article-79563.html</link>
				<description><![CDATA[<p>প্রতিশোধের গল্প নিয়ে গত বছর আইস্ক্রিনে মুক্তি পেয়েছিল শাহরিয়ার নাজিমের ওয়েব সিরিজ ‘পাপ কাহিনী’। বছর ঘুরে আজ বৃহস্পতিবার মুক্তি পাচ্ছে সিরিজটির দ্বিতীয় মৌসুম। মুক্তির আগে গতকাল বুধবার প্ল্যাটফর্মটির ইউটিউব চ্যানেলে এসেছে টিজার।</p><p>৩৭ সেকেন্ডের টিজারের শুরুতেই রয়েছে সতর্কবার্তা, ‘দয়া করে প্রাপ্তবয়স্ক ছাড়া কেউ উঁকিও দেবেন না।’ এরপর দেখানো হয়েছে সিরিজটির বিভিন্ন ঝলক। তবে টিজারে কোনো সংলাপ রাখা হয়নি, কেবল আবহসংগীতের তালে কয়েকটি দৃশ্য দেখা গেছে; এর ফলে গল্প সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়নি।</p><p>প্রেম, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক, প্রতারণা এবং প্রতিশোধের গল্পে ‘পাপ কাহিনী ২’ পরিচালনা করেছেন শাহরিয়ার নাজিম। সিরিজটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন রুনা খান, কুসুম সিকদার, আশনা হাবিব ভাবনা, ফারিন খান, শাহরিয়ার নাজিম, ইমতিয়াজ বর্ষণ প্রমুখ।</p><p>সিরিজটির প্রথম কিস্তি নির্মিত হয় মফিজ নামের এক ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে। তার স্ত্রীর অঢেল সম্পদ। তবে বউকে ভালো লাগে না মফিজের। অন্য নারীর প্রতি তার চোখ। সেটা হাতেনাতে ধরে ফেলে স্ত্রী। মফিজ তার কাছে মাফ চেয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। একসময় হত্যার জন্য স্ত্রীকে মাঝনদীতে ফেলে দেয়। কিন্তু প্রাণে বেঁচে যায় মফিজের স্ত্রী। এরপর কী হয়, তা নিয়েই এগিয়েছিল গল্প। এবারের কিস্তিতেও ইঙ্গিত পাওয়া গেছে প্রেম, প্রতারণা এবং প্রতিশোধের গল্প থাকবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:06:41 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[হরমুজ প্রণালিতে মাইন অপসারণে ইতালির প্রস্তুতি]]></title>
				<category>আন্তর্জাতিক অর্থনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/antorjatik-orthoniti/article-79562.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ইরান যুদ্ধে চলমান সংঘাত যদি কমে আসে, তাহলে হরমুজ প্রণালিতে মাইন অপসারণ কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইতালির নৌবাহিনী। বুধবার (২৩ এপ্রিল) দেশটির সংবাদ সংস্থা আনসা নৌবাহিনীর সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া এ খবরটি নিশ্চিত করেছে।</p><h2>বহুপাক্ষিক কাঠামোতে কাজ</h2><p>এএনএসএ-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ ধরনের কোনো পদক্ষেপ এককভাবে নেওয়া হবে না। বরং একটি সমন্বিত বহুপাক্ষিক কাঠামোর আওতায় এই মাইন অপসারণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক আইন মেনে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা রক্ষা এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্য রয়েছে।</p><h3>ইতালির অঙ্গীকার</h3><p>ইতালির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা রক্ষা এবং সম্মিলিত বহুপাক্ষিক সহযোগিতার মাধ্যমে সামুদ্রিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে দেশটির অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। তারা জানিয়েছে, এই উদ্যোগ শুধু ইতালির নয়, বরং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিচালিত হবে।</p><h2>ইউরোপের জ্বালানি নিরাপত্তা ঝুঁকি</h2><p>হরমুজ প্রণালিতে বিরাজমান উত্তেজনা ইউরোপের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করেছে। ইতালির সরকার ও নিরাপত্তা কর্মকর্তারা এ ঝুঁকির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছেন। তারা বৃহত্তর ইউরোপীয় কাঠামোর আওতায় সামুদ্রিক নিরাপত্তা কার্যক্রম সম্প্রসারণের সম্ভাবনাও তুলে ধরেছেন। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের তেল সরবরাহের একটি বড় অংশ পরিবহন করা হয়, তাই এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:40:28 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[থাইল্যান্ডকে হারিয়ে এশিয়ান বিচ গেমসে বাংলাদেশের মেয়েদের শুভ সূচনা]]></title>
				<category>কাবাডি</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/kabadi/article-79561.html</link>
				<description><![CDATA[<p>চীনে অনুষ্ঠিত এশিয়ান বিচ গেমসের কাবাডি ইভেন্টে দারুণ সূচনা করেছে বাংলাদেশ নারী দল। শক্তিশালী প্রতিপক্ষ থাইল্যান্ডকে ৫১-৩৪ পয়েন্টের বড় ব্যবধানে পরাজিত করে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা সহজ জয় তুলে নিয়েছে।</p><h2>ম্যাচের বিবরণ</h2><p>বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলা প্রদর্শন করে বাংলাদেশ। থাইল্যান্ড প্রথম দিকে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও বাংলাদেশের রেইডারদের দ্রুত গতি ও ডিফেন্ডারদের দৃঢ়তায় তারা বেশি সুবিধা করতে পারেনি। প্রথমার্ধেই ১০ পয়েন্টের লিড নিয়ে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ, যা পরবর্তীতে ম্যাচ জয়ের ভিত্তি গড়ে দেয়।</p><h3>দলের পারফরম্যান্স</h3><p>পুরো ম্যাচে বাংলাদেশ ৫১ পয়েন্ট সংগ্রহ করে, যেখানে থাইল্যান্ড থেমে যায় ৩৪ পয়েন্টে। আক্রমণ ও রক্ষণ—উভয় বিভাগেই আধিপত্য বিস্তার করে বাংলাদেশ দল। শেষ দিকে থাইল্যান্ড ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও বাংলাদেশের কৌশলী খেলার কাছে তারা হার মানতে বাধ্য হয়।</p><h2>পরবর্তী ম্যাচ</h2><p>এই জয়ের মাধ্যমে নকআউট পর্বে ওঠার লড়াইয়ে শক্ত অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার দ্বিতীয় ম্যাচে নেপালের মুখোমুখি হবে তারা। দলটি আশাবাদী যে এই ধারা বজায় রেখে তারা সাফল্য অর্জন করবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:01:56 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের তারিখ নির্ধারণ]]></title>
				<category>আইন বিভাগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/ain-bibhag/article-79560.html</link>
				<description><![CDATA[<p>শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের তারিখ নির্ধারণ করেছে আদালত। এই মামলায় আগামী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। অন্যদিকে, ডি পল ও সুয়ারেজের গোলে ইন্টার মায়ামি টানা জয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছে। ফুটবল বিশ্বে এই জয় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।</p><h2>স্বাস্থ্য ও দুর্ঘটনা</h2><p>২৪ ঘণ্টায় অবস্থার অবনতি ঘটায় ডায়রিয়ায় এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে, লো ব্লাড প্রেসার একটি গুরুতর ঝুঁকির কারণ হতে পারে। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে এটি মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।</p><h3>জ্বালানি ও অপরাধ</h3><p>ভারত থেকে আরো ৭ হাজার টন ডিজেল বাংলাদেশে এসেছে। এদিকে, ভাটারায় দেশীয় অস্ত্রসহ ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন।</p><h2>আইন ও শৃঙ্খলা</h2><p>ভার্চুয়াল কোর্টের প্রথম দিনেই ১৭৭ মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। এটি বিচার ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। জঙ্গল সলিমপুরে র্যাব হত্যা মামলায় শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘নলা কাশেম’ গ্রেপ্তার হয়েছে। বান্দরবানে ৬ রাবার শ্রমিককে অপহরণ করে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাটি তদন্ত করছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:13:08 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের তারিখ নির্ধারণ]]></title>
				<category>আইন বিভাগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/ain-bibhag/article-79559.html</link>
				<description><![CDATA[<p>শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। আদালত আগামী ১৫ জুলাই এ বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য করেছেন।</p><h2>ডি পল ও সুয়ারেজের গোলে ইন্টার মায়ামির টানা জয়</h2><p>মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) ইন্টার মায়ামি তাদের টানা জয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছে। দলটি ডি পল ও লুইস সুয়ারেজের গোলে প্রতিপক্ষকে ২-০ গোলে হারিয়েছে।</p><h3>২৪ ঘণ্টায় অবস্থার অবনতি, ডায়রিয়ায় প্রাণ গেল শিশুর</h3><p>রাজধানীর একটি হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অবস্থার অবনতি ঘটে এক শিশুর। ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দ্রুত চিকিৎসা না নেওয়ায় এমন পরিণতি হয়েছে।</p><h3>লো ব্লাড প্রেসার কখন এটি ঝুঁকির কারণ, কী বলছে চিকিৎসা বিজ্ঞান</h3><p>লো ব্লাড প্রেসার বা নিম্ন রক্তচাপ সাধারণত ঝুঁকিপূর্ণ নয়, তবে কিছু ক্ষেত্রে এটি মারাত্মক হতে পারে। চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে, যদি এটি মাথা ঘোরা, অজ্ঞান হওয়া বা অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ক্ষতি করে, তবে দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন।</p><h2>ভারত থেকে এলো আরো ৭ হাজার টন ডিজেল</h2><p>ভারত থেকে বাংলাদেশে আরো ৭ হাজার টন ডিজেল এসেছে। দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে এই আমদানি অব্যাহত রয়েছে।</p><h2>ভাটারায় দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ১৬</h2><p>ভাটারা এলাকায় অভিযান চালিয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে বেশ কিছু ধারালো অস্ত্র ও দেশীয় বন্দুক উদ্ধার করা হয়েছে।</p><h3>আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, বৃদ্ধ নিহত</h3><p>আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে, পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।</p><h2>ভার্চুয়াল কোর্টের প্রথম দিনেই নিষ্পত্তি ১৭৭ মামলা</h2><p>ভার্চুয়াল কোর্ট চালুর প্রথম দিনেই ১৭৭টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। এই পদ্ধতি সময় ও খরচ সাশ্রয় করবে বলে আশা করছে আইন বিভাগ।</p><h2>জঙ্গল সলিমপুরে র্যাব হত্যা: শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘নলা কাশেম’ গ্রেপ্তার</h2><p>জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় র্যাবের অভিযানে শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘নলা কাশেম’ গ্রেপ্তার হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরো তথ্য পাওয়ার আশা করছে র্যাব।</p><h2>বান্দরবানে এবার ৬ রাবার শ্রমিককে অপহরণ, ২০ লাখ মুক্তিপণ দাবি</h2><p>বান্দরবানের একটি রাবার বাগান থেকে ছয় শ্রমিককে অপহরণ করা হয়েছে। অপহরণকারীরা ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করছে। পুলিশ উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:48:13 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[জিটিসিএল-এ ১৬ ক্যাটাগরিতে ৪৭ পদে নিয়োগ, আবেদন শুরু ২৭ এপ্রিল]]></title>
				<category>কারিগরি শিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/karigori-shikkha/article-79558.html</link>
				<description><![CDATA[<p>গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেড (জিটিসিএল) সম্প্রতি শূন্য পদে জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের স্থায়ী ও চুক্তিভিত্তিক মোট ১৬টি ভিন্ন ভিন্ন ক্যাটাগরিতে জনবল নিয়োগ দেবে। আগ্রহী যোগ্য প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।</p><h2>একনজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য</h2><ul><li><strong>প্রতিষ্ঠানের নাম:</strong> গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেড (জিটিসিএল)</li><li><strong>পদের সংখ্যা:</strong> ১৬টি ক্যাটাগরিতে মোট ৪৭টি পদ</li><li><strong>আবেদন শুরুর তারিখ:</strong> ২৭ এপ্রিল ২০২৬, সকাল ৯টা</li><li><strong>আবেদনের শেষ তারিখ:</strong> ১৮ মে ২০২৬, বিকেল ৫টা</li><li><strong>আবেদন মাধ্যম:</strong> টেলিটকের মাধ্যমে অনলাইন</li><li><strong>অফিসিয়াল ওয়েবসাইট:</strong> জিটিসিএলের ওয়েবসাইট</li></ul><h2>পদের বিবরণ (স্থায়ী পদ)</h2><ul><li>অডিটর: ০২টি</li><li>হিসাব সহকারী: ০১টি</li><li>রিসেপশনিস্ট: ০২টি</li><li>মেডিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট (পুরুষ): ০১টি</li><li>মেডিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট (মহিলা): ০১টি</li><li>সার্ভেয়ার: ০৪টি</li><li>প্ল্যান্ট অপারেটর: ১৭টি</li><li>সিনিয়র টেকনিশিয়ান: ০১টি</li><li>ইলেকট্রিশিয়ান: ১৮টি</li><li>ট্রান্সপোর্ট সুপারভাইজার: ০২টি</li><li>পিসি অপারেটর (কোরিয়ার): ০৩টি</li><li>মেকানিক: ১০টি</li><li>জুনিয়র ট্রান্সপোর্ট সুপারভাইজার: ০১টি</li><li>জুনিয়র টেকনিশিয়ান: ০১টি</li></ul><h2>পদের বিবরণ (চুক্তিভিত্তিক)</h2><ul><li>ইমাম: ২টি পদ</li><li>মুয়াজ্জিন: ১টি পদ</li></ul><h2>আবেদনের শর্তাবলি ও নিয়মাবলি</h2><h3>বয়সসীমা</h3><p>২৭ মে ২০২৬ তারিখে সাধারণ প্রার্থীদের বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে বীর মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এবং শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে বয়স সর্বোচ্চ ৩২ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য।</p><h3>অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া</h3><p>আগ্রহী প্রার্থীদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। আবেদনের সময় প্রার্থীর ৩০০x৩০০ পিক্সেলের ছবি এবং ৩০০x৮০ পিক্সেলের স্বাক্ষর স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।</p><h3>আবেদন ফি জমা দেওয়া</h3><p>টেলিটক প্রি-পেইড সিমের মাধ্যমে এসএমএস করে আবেদন ফি জমা দিতে হবে। ফি'র পরিমাণ: সার্ভিস চার্জসহ মোট ২২৩/- থেকে ৩৩৫/- টাকা (পদভেদে)। এসএমএস ফরম্যাট: GTCL User ID পাঠিয়ে দিন ১৬২২২ নম্বরে।</p><p>অনলাইন আবেদনের পদ্ধতিসহ বিস্তারিত জানতে জিটিসিএলের ওয়েবসাইট দেখুন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:10:25 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[২৪ ঘণ্টায় অবস্থার অবনতি, ডায়রিয়ায় শিশুর মৃত্যু]]></title>
				<category>ডায়াবেটিস</category>
				<link>https://bdgazette.com/swasthyo/diabetes/article-79557.html</link>
				<description><![CDATA[<p>২৪ ঘণ্টায় অবস্থার অবনতি ঘটে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত এক শিশুর। শেষ পর্যন্ত প্রাণ গেল তার। চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে, লো ব্লাড প্রেসার ডায়রিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকির কারণ।</p><h2>লো ব্লাড প্রেসার কখন ঝুঁকির কারণ?</h2><p>ডায়রিয়ার কারণে শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণে পানি ও ইলেক্ট্রোলাইট বেরিয়ে যায়। এর ফলে রক্তচাপ কমে যায়। লো ব্লাড প্রেসার হলে মস্তিষ্ক, কিডনি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে রক্ত সরবরাহ কমে যায়, যা মারাত্মক হতে পারে। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এটি দ্রুত মৃত্যুর কারণ হতে পারে।</p><h3>চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতামত</h3><p>চিকিৎসকরা বলছেন, ডায়রিয়া হলে দ্রতমাত্রায় ওরস্যালাইন বা স্যালাইন দেওয়া জরুরি। রক্তচাপ কমে গেলে তা দ্রুত শনাক্ত করে চিকিৎসা না দিলে মৃত্যুঝুঁকি বাড়ে।</p><h2>ভারত থেকে এলো আরো ৭ হাজার টন ডিজেল</h2><p>ভারত থেকে আরো ৭ হাজার টন ডিজেল বাংলাদেশে এসেছে। এটি দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে সহায়ক হবে।</p><h2>ভাটারায় দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ১৬</h2><p>ভাটারা এলাকায় অভিযান চালিয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।</p><h2>আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ, বৃদ্ধ নিহত</h2><p>আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন।</p><h2>ভার্চুয়াল কোর্টের প্রথম দিনেই নিষ্পত্তি ১৭৭ মামলা</h2><p>ভার্চুয়াল কোর্ট চালুর প্রথম দিনেই ১৭৭টি মামলা নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয়েছে। এটি একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি।</p><h2>জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাব হত্যা: শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘নলা কাশেম’ গ্রেপ্তার</h2><p>জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাবের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘নলা কাশেম’কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।</p><h2>বান্দরবানে এবার ৬ রাবার শ্রমিককে অপহরণ, ২০ লাখ মুক্তিপণ দাবি</h2><p>বান্দরবানে ৬ রাবার শ্রমিককে অপহরণ করে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে।</p><h2>প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া ১১ পয়সা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত</h2><p>বাস ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।</p><h2>সৌদি আরবে হজে গিয়ে আরো এক বাংলাদেশির মৃত্যু</h2><p>সৌদি আরবে হজ পালন করতে গিয়ে আরো এক বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:39:19 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[২৪ ঘণ্টায় ডায়রিয়ায় শিশুর মৃত্যু, লো ব্লাড প্রেসার ঝুঁকি]]></title>
				<category>ডায়াবেটিস</category>
				<link>https://bdgazette.com/swasthyo/diabetes/article-79556.html</link>
				<description><![CDATA[<p>২৪ ঘণ্টায় অবস্থার অবনতি ঘটে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত এক শিশুর। মৃত্যু হয়েছে তার। এ ঘটনায় চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে, লো ব্লাড প্রেসার কখন ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায় তা নির্ধারণ করা জরুরি।</p><h2>ডায়রিয়ায় শিশুর মৃত্যু</h2><p>গত ২৪ ঘণ্টায় ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে এক শিশু মারা গেছে। তার অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। চিকিৎসকরা জানান, ডায়রিয়ায় দেহে পানি ও লবণের ঘাটতি দেখা দেয়, যা লো ব্লাড প্রেসারের কারণ হতে পারে।</p><h3>লো ব্লাড প্রেসার কখন ঝুঁকির কারণ</h3><p>চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে, লো ব্লাড প্রেসার সাধারণত বিপজ্জনক নয়, তবে কিছু ক্ষেত্রে এটি ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। যেমন- ডায়রিয়া বা বমির কারণে দ্রুত পানি কমে গেলে, রক্তচাপ কমে যেতে পারে। এতে অঙ্গপ্রত্যঙ্গে রক্ত সরবরাহ কমে গিয়ে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।</p><h2>ভারত থেকে এলো আরো ৭ হাজার টন ডিজেল</h2><p>ভারত থেকে বাংলাদেশে আরো ৭ হাজার টন ডিজেল এসেছে। এটি দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে সাহায্য করবে।</p><h2>ভাটারায় দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ১৬</h2><p>ভাটারায় অভিযান চালিয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে বেশ কিছু অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।</p><h2>আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ, বৃদ্ধ নিহত</h2><p>আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। ঘটনাটি এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।</p><h2>ভার্চুয়াল কোর্টের প্রথম দিনে ১৭৭ মামলা নিষ্পত্তি</h2><p>ভার্চুয়াল কোর্ট চালুর প্রথম দিনেই ১৭৭ মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। এটি বিচার ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।</p><h2>জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাব হত্যা: শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘নলা কাশেম’ গ্রেপ্তার</h2><p>জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাবের অভিযানে শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘নলা কাশেম’ গ্রেপ্তার হয়েছে। তাকে হত্যা মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।</p><h2>বান্দরবানে ৬ রাবার শ্রমিক অপহরণ, ২০ লাখ মুক্তিপণ দাবি</h2><p>বান্দরবানে ৬ রাবার শ্রমিককে অপহরণ করা হয়েছে। অপহরণকারীরা ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছে।</p><h2>প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া ১১ পয়সা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত</h2><p>সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া ১১ পয়সা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন ভাড়া শিগগিরই কার্যকর হবে।</p><h2>সৌদি আরবে হজে গিয়ে আরো এক বাংলাদেশির মৃত্যু</h2><p>সৌদি আরবে হজ পালন করতে গিয়ে আরো এক বাংলাদেশি নাগরিক মারা গেছেন। এ পর্যন্ত হজে গিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:35:47 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[রূপচর্চায় ক্রায়োথেরাপি ও মানসিক স্বাস্থ্য: জ্যাকুলিনের রুটিন]]></title>
				<category>সৌন্দর্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/jibonjapon/shoundorjo/article-79555.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বলিউড তারকা জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ শুধু বাহ্যিক রূপ নয়, মানসিক সুস্থতার প্রতিও বিশেষ গুরুত্ব দেন। তার প্রতিদিনের রুটিনে বেশ কিছু অভ্যাস রয়েছে যা তাকে সুস্থ ও সুন্দর রাখতে সাহায্য করে। চলুন জেনে নেওয়া যাক সেই অভ্যাসগুলো।</p><h2>ইতিবাচক শুরুর গুরুত্ব</h2><p>দিনের শুরুটা ইতিবাচক হওয়া জরুরি, কারণ এটি পুরো দিনের মেজাজ নির্ধারণ করে। জ্যাকুলিন সকালে নিজেকে আনন্দে ও খুশি রাখার চেষ্টা করেন। এটি তার পাঁচটি প্রধান অভ্যাসের একটি।</p><h2>ইলেকট্রোলাইট ও পানি পান</h2><p>সারা দিনে পর্যাপ্ত ইলেকট্রোলাইট ও পানি পান করেন জ্যাকুলিন। এটি তার রুটিনের অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা তাকে সারা দিন শক্তি জোগায় এবং শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে।</p><h2>ধ্যানের উপকারিতা</h2><p>জ্যাকুলিন মনে করেন ধ্যান কেবল মানসিক শান্তির জন্য নয়, ত্বকের জন্যও উপকারী। তিনি প্রতিদিন ধ্যান করে মানসিক চাপ কমান এবং শরীরের শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখেন।</p><h2>পর্যাপ্ত ঘুমের অভ্যাস</h2><p>সঠিক সময়ে ও পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমানো জ্যাকুলিনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস। তিনি বিশ্বাস করেন, ভালো ঘুম ছাড়া কোনো স্বাস্থ্যকর রুটিন সম্পূর্ণ নয়। তাই প্রতিদিন তিনি পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করেন।</p><h2>ক্রায়োথেরাপি: ত্বকচর্চার বিশেষ পদ্ধতি</h2><p>জ্যাকুলিনের ত্বকচর্চার রুটিনে ক্রায়োথেরাপি একটি বিশেষ অংশ। এই পদ্ধতিতে শরীরকে অল্প সময়ের জন্য খুব ঠান্ডা তাপমাত্রায় রাখা হয়, যা রক্তসঞ্চালন বাড়ায় এবং ত্বককে টানটান দেখায়। ক্রায়োথেরাপি একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করতে বা শারীরিক সমস্যা সমাধানে চরম ঠান্ডা ব্যবহার করা হয়। গ্রিক শব্দ 'ক্রায়ো' অর্থ বরফের মতো ঠান্ডা, যা থেকে এই পদ্ধতির নামকরণ। কখনো পুরো শরীরের জন্য ক্রায়োথেরাপি চেম্বার ব্যবহার করা হয়, আবার কখনো নির্দিষ্ট অংশে প্রয়োগ করা হয়। তবে এটি স্থায়ী সমাধান নয় এবং অতিরিক্ত ব্যবহারে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:15:53 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ঢাবি হলে দেয়াললিখন ঘিরে উত্তেজনা, সাংবাদিক হেনস্তা]]></title>
				<category>রাজনৈতিক জোট</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/rajnoitik-jot/article-79554.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) একাধিক হলে দেয়াললিখন ঘিরে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। গতকাল বুধবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় ৭১ ও ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলে দেয়াললিখন ঘিরে এই উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ ছাড়া শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলেও গতকাল রাতে একই রকম দেয়াললিখন হয়েছে। এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।</p><h2>বিজয় ৭১ হলে ছাত্রদলের দেয়াললিখন</h2><p>গতকাল রাত ৮টার দিকে বিজয় একাত্তর হলে ‘প্রতিবাদী দেয়াললিখন’ কর্মসূচি পালন করে ছাত্রদল। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, ছাত্রদলের কর্মীরা হল সংসদ কক্ষের সামনের দেয়ালে ‘গুপ্ত’ ছাড়াও অন্যান্য বিষয় লিখেছিলেন। এতে বাধা দেন হল সংসদের পাঠকক্ষ সম্পাদক তারেক রহমান শাকিব। বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে তারেক ছাত্রদলের একজন কর্মীকে গালাগালি করেন বলে অভিযোগ বিজয় ৭১ হল ছাত্রদলের। তাদের এক কর্মীর মুঠোফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টাও হয় বলে অভিযোগ করে তারা। এর প্রতিবাদে ছাত্রদলের নেতা–কর্মীরা একত্রিত হয়ে বিক্ষোভ-মিছিল করেন।</p><p>তারেক রহমান শাকিব তাঁর বিরুদ্ধে আনা গালাগালির অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘আমি কোনোপ্রকার গালিগালাজ করিনি। শুধু বাধা দিয়েছি হল সংসদ কক্ষের দেয়ালে কিছু না লিখতে।’ মুঠোফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ সম্পর্কে তারেক রহমান শাকিব বলেন, ‘ওই ছেলে (যাঁর ফোন) আমার মোস্ট জুনিয়র। ওর ফোন কেন কেড়ে নিতে চাইব? মোবাইল কেড়ে নেওয়ার প্রশ্নই আসে না।’</p><p>ঘটনাটি নিয়ে বিজয় ৭১ হল সংসদের সহসভাপতি (ভিপি) হাসানুল বান্না তাঁর ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে শৃঙ্খলা নষ্টের ব্যাপারে শিক্ষার্থীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। তিনি লিখেছেন, ‘প্রতিবাদের নামে বিজয় একাত্তর হলের অভ্যন্তরীণ সৌন্দর্য এবং শৃঙ্খলা নষ্ট করছে একটা গোষ্ঠী। নিন্দা জানিয়ে রাখলাম।’</p><h2>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলে উত্তেজনা</h2><p>একইদিনে রাতে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলে দেয়াললিখন ঘিরে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। হল সূত্র জানায়, ছাত্রদল হলে ‘গুপ্ত রাজনীতি নিপাক যাক’ লিখে দেয়াললিখন করে। প্রতিবাদে ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে ‘আদু ভাইদের ঠিকানা, আবাসিক হলে হবে না’ লিখে দেয়াললিখন করা হয়। এ নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।</p><p>পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হলের হাউস টিউটর মিজানুর রহমান উভয়পক্ষকে নিয়ে বৈঠক করেন। তিনি দুটি দেয়াললিখনই মুছে ফেলার প্রস্তাব দেন। কিন্তু ছাত্রদলের নেতা–কর্মীরা দেয়াললিখন মুছে ফেলার প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন। তাঁরা বলেন, আগে প্রধাক্ষ্যের সঙ্গে আলোচনা করবেন, তারপর সিদ্ধান্ত নেবেন। এর আগপর্যন্ত দেওয়াললিখন এভাবেই থাকবে।</p><h2>শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে দেয়াললিখন</h2><p>অপরদিকে গতকাল গভীর রাতে শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের অতিথিকক্ষে ছাত্রদলের উদ্যোগে ‘গুপ্ত শিবির’ লিখে দেওয়াললিখন করা হয়। হল সংসদের সমাজসেবা সম্পাদক জহির রায়হান রিপন এই দেওয়াললিখনকে ‘মস্তিষ্ক বিকৃত কার্যক্রম’, ‘রাজনৈতিক নোংরামি’ হিসেবে অভিহিত করে ফেসবুকে পোস্ট দেন। বিষয়টি নিয়ে হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) খালেদ হাসান ফেসবুকে লিখেন, অতিথিকক্ষে যে ঘটনাটি ঘটেছে, তা তাঁর জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয়। ছাত্রদল–শিবির দ্বন্দ্বে জড়াবে, এটা হয়তো তাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু হলের উন্নয়নমূলক কাজগুলো এভাবে নষ্ট করে দেওয়া সত্যিই তাঁর জন্য কষ্টের।</p><h2>ছয় সাংবাদিককে হেনস্তা</h2><p>দেয়াললিখন ঘিরে ছাত্রদল–ছাত্রশিবিরের মধ্যে উত্তেজনার খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে ছয়জন সাংবাদিক হেনস্তা–হুমকিধমকির শিকার হয়েছেন। বিজয় একাত্তর ও ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ্ হলে পৃথকভাবে এই ঘটনা ঘটে।</p><p>গতকাল রাত ৮টার দিকে বিজয় একাত্তর হলে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির ভিডিও ধারণ করতে গেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (ডুজা) তিন সদস্য হেনস্তার শিকার হন। তাঁরা হলেন ইফতেখার সোহান সিফাত, আসাদুজ্জামান খান ও হারুন ইসলাম। ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, এক সাংবাদিক ঘটনার ভিডিও ধারণ করছিলেন। তাঁকে ভিডিও ধারণে বাধা দেন ছাত্রদলের নেতা–কর্মীরা। পরিচয় দিলে তাঁকে বলা হয়, ‘সাংবাদিক হলেই এখানে ভিডিও করা যাবে না।’ এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ডুজার দুই সদস্য প্রতিবাদ জানালে তাঁদেরও হেনস্তা করা হয়।</p><p>অন্যদিকে গতকাল দিবাগত রাত ১টার দিকে ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ্ হলে তিন সাংবাদিক হেনস্তা–হুমকিধমকির শিকার হন। হলটিতে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে দেওয়াললিখন ঘিরে সৃষ্ট উত্তেজনার সংবাদ সংগ্রহ করতে তাঁরা গিয়েছিলেন। ভুক্তভোগী সাংবাদিকেরা হলেন মানজুর হোছাইন মাহি, নাইমুর রহমান ইমন ও সজিব মিয়া। ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, হলের একটি কক্ষে হাউস টিউটরের উপস্থিতিতে বৈঠক চলাকালে সেখানে তিন সাংবাদিক প্রবেশ করেন। তখন তাঁদের বের হয়ে যেতে বলা হয়। এ সময় ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা–কর্মী এই তিন সাংবাদিকের দিকে তেড়ে যান। তাঁদের ভয়ভীতি দেখান।</p><h2>ছাত্রদলের দুঃখ প্রকাশ</h2><p>বিজয় একাত্তর হলের ঘটনার পর বিষয়টি মীমাংসায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতিতে যান ছাত্রদলের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস, দপ্তর সম্পাদক মল্লিক ওয়াসি উদ্দিন তামিসহ অন্য নেতারা। সেখানে তাঁরা সাংবাদিকদের কাছে দুঃখপ্রকাশ করেন। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সতর্ক থাকার আশ্বাস দেন।</p><p>ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ্ হলের ঘটনার বিষয়ে মল্লিক ওয়াসি উদ্দিন বলেন, সাংবাদিক সমিতির সদস্যদের চিনতে না পেরে ছাত্রদলের কয়েকজন কর্মী তাঁদের সঙ্গে উচ্চস্বরে কথা বলেছিলেন। একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির তৈরি হয়েছিল। পরবর্তীতে তিনিসহ হলের যাঁরা সিনিয়র রয়েছেন, তাঁরা ব্যক্তিগতভাবে সাংবাদিকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।</p><h2>সাংবাদিক সমিতির প্রতিক্রিয়া</h2><p>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক লিটন ইসলাম বলেন, সাংবাদিকরা কারও প্রতিপক্ষ নন। তাঁরা নিরপেক্ষতা, বস্তুনিষ্ঠতার সঙ্গে দায়িত্বের জায়গা থেকে কাজ করেন। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে গতকাল রাতে সাংবাদিকেরা হেনস্তার শিকার হয়েছেন। তাঁদের হেনস্তায় দুবার মব সৃষ্টি করা হয়েছে। এ ধরনের কার্যক্রমে জড়িতদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:54:29 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[গ্রাম-শহরে লোডশেডিং সমন্বয়ের উদ্যোগ]]></title>
				<category>জ্বালানি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/jbalani/article-79553.html</link>
				<description><![CDATA[<p>গ্রাম ও শহরের মধ্যে লোডশেডিংয়ের ক্ষেত্রে সমন্বয় করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্মসচিব উম্মে রেহানা। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।</p><h2>জ্বালানি সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত</h2><p>তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে প্রয়োজনীয় জ্বালানি আমদানি করে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সরবরাহ করা যাচ্ছে না। ফলে চাহিদামতো বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৫ হাজার ৭৬৭ মেগাওয়াট, সরবরাহ হয়েছে প্রায় ১৩ হাজার মেগাওয়াট। এতে প্রায় ২ হাজার মেগাওয়াট ঘাটতি ছিল।</p><p>দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের অন্যতম প্রধান উৎস প্রাকৃতিক গ্যাসের তীব্র সংকটের কারণে পরিস্থিতি চরম চাপে রয়েছে। মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রায় ৪৩ শতাংশ আসে প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে এবং এই খাতের মোট উৎপাদন সক্ষমতা ১২ হাজার ১৫৪ মেগাওয়াটের বেশি। তবে গ্যাসের অভাবে বর্তমানে এর অর্ধেকের মতো বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।</p><h3>গ্যাস সংকট ও বিদ্যুৎ উৎপাদন</h3><p>যুগ্মসচিব জানান, দেশের সব গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পূর্ণ সক্ষমতায় চালাতে দৈনিক ২ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস প্রয়োজন হলেও বর্তমানে সরবরাহ করা হচ্ছে মাত্র ৮৫০ থেকে ৯০০ মিলিয়ন ঘনফুট। ফলে সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।</p><p>গতকালের হিসাবে গ্যাস থেকে উৎপাদিত হয়েছে মাত্র ৫ হাজার ২৭৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। তিনি বলেন, ১ হাজার ২০০ এমএমসিএফডি গ্যাস পাওয়া গেলে ৭ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী মূল্যে উৎপাদন সম্ভব হতো।</p><p>তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ ছাড়াও শিল্প-কারখানা এবং সার উৎপাদনের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে গ্যাস সরবরাহ বজায় রাখতে হচ্ছে, যার কারণে বিদ্যুৎ খাতে গ্যাসের বরাদ্দ বাড়ানো যাচ্ছে না।</p><h3>জ্বালানি সাশ্রয় ও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র</h3><p>জ্বালানি সংকট অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফার্নেস অয়েল ও ডিজেলভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয়বহুল হওয়ায় সরকার সাশ্রয়ের নীতি নিয়েছে। এ অবস্থায় দেশের ৮টি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে পূর্ণ সক্ষমতায় চালানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি বিদ্যুৎ সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।</p><p>তিনি জানান, কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রগুলো পূর্ণদমে চালু থাকলে লোডশেডিং পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।</p><h3>আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু</h3><p>এদিকে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্র ২৬ এপ্রিলের মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে এবং বন্ধ থাকা ইউনিট থেকে আবার বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে বলেও জানান তিনি।</p><p>সংবাদ সম্মেলনে অপ্রয়োজনে লাইট, ফ্যান ও এসি ব্যবহার না করার আহ্বান জানিয়ে উম্মে রেহানা বলেন, এসির তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রাখার জন্য সবাইকে অনুরোধ করা হচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:29:46 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের দ্বিতীয় দফা বৈঠক শুক্রবারের মধ্যেই: ট্রাম্প]]></title>
				<category>যুক্তরাষ্ট্র</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/juktorashtro/article-79552.html</link>
				<description><![CDATA[<p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফা শান্তি আলোচনা শুক্রবারের মধ্যেই শুরু হওয়ার ‘সম্ভাবনা আছে’। বুধবার (২২ এপ্রিল) মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক পোস্টকে ট্রাম্প এবং পাকিস্তানের কর্মকর্তারাও এ তথ্য জানিয়েছেন।</p><h2>পাকিস্তানের ভূমিকা</h2><p>পাকিস্তানি কর্মকর্তারা বলেছেন, আগামী ‘৩৬ থেকে ৭২ ঘণ্টার’ মধ্যে নতুন করে শান্তি আলোচনা শুরুর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর ঘোষণার পর থেকে ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। পাকিস্তানি এক কর্মকর্তা বলেছেন, এর ভিত্তিতেই আলোচনার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।</p><h3>ট্রাম্পের বার্তা</h3><p>ওয়াশিংটন পোস্ট এই অগ্রগতি সম্পর্কে ট্রাম্পের কাছে জানতে চাইলে এক টেক্সট মেসেজে তিনি লেখেন, ‘এটি সম্ভব! প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে ট্রাম্প।’ ইরানের নেতারা যুদ্ধ বন্ধে একটি ‘ঐক্যবদ্ধ প্রস্তাব’ না নিয়ে আসা পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়ার পরদিনই এই ইতিবাচক খবর এল।</p><h3>যুদ্ধবিরতির মেয়াদ</h3><p>ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল বুধবার ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় সন্ধ্যায়। তার আগেই ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানোর ঘোষণা দেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:10:04 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[মুম্বাইয়ে আল্লু অর্জুনের বিলাসবহুল ফ্ল্যাট ভাড়া, মাসে ১৬ লাখ টাকা খরচ]]></title>
				<category>অভিনেতা</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/obhineta/article-79551.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>মুম্বাইয়ে আল্লু অর্জুনের বিলাসবহুল আবাসন: মাসিক ভাড়া ১৬ লাখ টাকা</h2><p>দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেতা আল্লু অর্জুন বর্তমানে মুম্বাইয়ে 'রাকা' সিনেমার শুটিংয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। এই সিনেমার বেশিরভাগ দৃশ্য মুম্বাইয়ে ধারণ করা হচ্ছে, তাই তিনি আরব সাগরের তীরবর্তী জুহু এলাকায় একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছেন।</p><h3>ভাড়ার বিশদ বিবরণ</h3><p>প্রায় ৬০০০ বর্গফুট আয়তনের এই পাঁচ কামরার ফ্ল্যাটে রয়েছে ব্যক্তিগত পুল এবং চারটি গাড়ি রাখার ব্যবস্থা। আল্লু অর্জুন প্রতি মাসে প্রায় <strong>১৬ লাখ টাকা</strong> ভাড়া দিচ্ছেন এবং তিন বছরের চুক্তিতে এই ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছেন।</p><h3>স্থায়ীভাবে মুম্বাই যাওয়ার গুঞ্জন</h3><p>এই খবর সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই ধারণা করছেন যে আল্লু অর্জুন হয়তো হায়দরাবাদ ছেড়ে মুম্বাইয়ে স্থায়ীভাবে চলে যাচ্ছেন। তবে তার বাবা ও প্রযোজক আল্লু অরবিন্দ এই গুঞ্জনকে মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।</p><p>আল্লু অরবিন্দ বলেন, <em>"ওর বর্তমান সিনেমার শুটিং মুম্বাইয়ে হচ্ছে, তাই এমন ধারণা হতে পারে। কিন্তু হায়দরাবাদই ওর আসল ঠিকানা। ওর সন্তানরা সেখানেই পড়াশোনা করে এবং পরিবারের সবাই সেখানেই থাকে। তাহলে ও মুম্বাইয়ে স্থায়ীভাবে কেন যাবে?"</em></p><h3>শুটিং ও ভবিষ্যৎ প্রকল্প</h3><p>'রাকা' সিনেমার পাশাপাশি আল্লু অর্জুন পরিচালক লোকেশ কনগরাজের সঙ্গে একটি নতুন সিনেমায় কাজ করতে পারেন, যার শুটিংও মুম্বাইয়েই হবে বলে জানা গেছে। তাই মুম্বাইয়ে থাকা তার জন্য বর্তমানে সুবিধাজনক।</p><p>স্কুলের ছুটিতে তার সন্তান আয়ান ও আরহা মুম্বাইয়ে এসে তার সঙ্গে থাকতে পারবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া, এই ফ্ল্যাটের ইন্টেরিয়র ডিজাইন করেছেন তার স্ত্রী স্নেহা রেড্ডি।</p><p>এই বিলাসবহুল আবাসন দক্ষিণী সুপারস্টারের পেশাদার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে, যা তার ভক্ত ও গণমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:01:38 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অর্থনীতির দুর্বল প্রবৃদ্ধি ও চ্যালেঞ্জের বিশ্লেষণ]]></title>
				<category>আন্তর্জাতিক অর্থনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/antorjatik-orthoniti/article-79550.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অর্থনীতির দুর্বল প্রবৃদ্ধি ও চ্যালেঞ্জের বিশ্লেষণ</h2><p>এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) তাদের সাম্প্রতিক বার্ষিক প্রতিবেদন ২০২৫–এ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধিকে দুর্বল করেছে, যা অর্থনীতির সামগ্রিক গতিকে প্রভাবিত করছে।</p><h3>জিডিপি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ও কারণসমূহ</h3><p>এডিবির এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক এপ্রিল সংস্করণে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ শতাংশ হতে পারে। মূলত মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাব এবং অভ্যন্তরীণ পণ্য ও সেবার চাহিদা কমে যাওয়া এই প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাসকে সীমিত করেছে। তবে, জাতীয় নির্বাচন শেষে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কিছুটা কমে এসেছে, যা অর্থনৈতিক কার্যক্রমে গতি আনতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।</p><h3>জিডিপি প্রবৃদ্ধির অর্থনৈতিক তাৎপর্য</h3><p>জিডিপি প্রবৃদ্ধি হলো একটি দেশের অর্থনীতির সামগ্রিক আকার বা উৎপাদন আগের বছরের তুলনায় কত শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, তার পরিমাপ। এটি অর্থনৈতিক স্বাস্থ্য ও উন্নতির একটি প্রধান সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়। সাধারণত, জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাড়লে মানুষের আয় বৃদ্ধি পায় এবং অর্থনীতি সচল থাকে। কিন্তু অনেক সময় প্রবৃদ্ধি বাড়লেও জীবনযাত্রার মান বা প্রকৃত আয় সেই হারে না বাড়ার সম্ভাবনা থাকে, যা উন্নয়নের সুফল গরিব জনগোষ্ঠী পর্যন্ত পৌঁছাতে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।</p><h3>এডিবির সহায়তা ও প্রতিশ্রুতি</h3><p>২০২৫ সালে এডিবি বাংলাদেশকে মোট ৫২১ কোটি ডলারের সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এর মধ্যে ঋণ ও অনুদান হিসেবে ২৫৭ কোটি ডলার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বাকি অর্থ বেসরকারি খাত এবং অন্যান্য দাতা সংস্থার সঙ্গে সহ–অর্থায়নকারী হিসেবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে। এই সহায়তা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও অবকাঠামো প্রকল্পগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।</p><h3>ব্যাংক খাতের দুর্বলতা ও এডিবির উদ্যোগ</h3><p>এডিবির প্রতিবেদনে বাংলাদেশের ব্যাংক খাতের দুর্বলতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের দুর্বল শাসনব্যবস্থা, অপর্যাপ্ত তদারকি এবং মূলধনের ঘাটতি দক্ষ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সেবা প্রদানে বাধা সৃষ্টি করছে। এর ফলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের ঋণপ্রাপ্তি সীমিত হচ্ছে এবং অনেক পরিবারের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ২০২৫ সালে এডিবি বাংলাদেশকে ৫০ কোটি ডলার সহায়তা দিয়েছে, যা ব্যাংক তদারকি শক্তিশালী করা, শাসনব্যবস্থা উন্নয়ন এবং তারল্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে ব্যবহৃত হবে। এই কর্মসূচি ডিজিটালাইজেশন বৃদ্ধি, সাশ্রয়ী অর্থায়নের সুযোগ বিস্তৃতকরণ এবং ব্যাংক খাতের স্থিতিশীলতা জোরদার করতে সহায়তা করবে।</p><h3>অন্যান্য উন্নয়ন প্রকল্প ও সহায়তা</h3><p>এডিবি বাংলাদেশের পরিবহনব্যবস্থার উন্নয়নে অর্থায়ন করছে, যা দেশের যোগাযোগ অবকাঠামোকে শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখবে। এছাড়া, মিয়ানমার থেকে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) জীবনমান রক্ষায় বিভিন্ন কর্মসূচিতেও এডিবি অর্থায়ন করছে। এই উদ্যোগগুলো মানবিক সহায়তা ও সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।</p><p>এডিবির প্রতিবেদন বাংলাদেশের অর্থনীতির বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলোকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে, যা নীতিনির্ধারকদের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দিকনির্দেশনা প্রদান করে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক সংস্কার এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:57:30 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন]]></title>
				<category>পরীক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/porikha/article-79549.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন</h2><p>বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি বৃহস্পতিবার সকালে এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। তিনি মিরপুর-১০ এলাকার তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কেন্দ্র সরেজমিনে দেখেন এবং পরীক্ষার্থীদের সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন।</p><h3>পরিদর্শিত কেন্দ্রসমূহ</h3><p>ডা. শফিকুর রহমান নিম্নলিখিত তিনটি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন:</p><ul><li>মিরপুর-১০ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়</li><li>কাজীপাড়া সিদ্দিকিয়া ফাজিল মাদ্রাসা</li><li>শহীদ পুলিশ স্মৃতি কলেজ</li></ul><p>পরিদর্শনের সময় তিনি পরীক্ষার্থীদের সুবিধা ও অসুবিধার খোঁজখবর নিয়েছেন। তিনি তাদের সুস্থতা কামনা করেছেন এবং ভালোভাবে পরীক্ষা দিয়ে সফলতার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করেছেন।</p><h3>পরামর্শ ও আহ্বান</h3><p>বিরোধীদলীয় নেতা কেন্দ্র সচিবকে পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি পরীক্ষাকালীন সময়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন।</p><p>তিনি কেন্দ্রের বাইরে অভিভাবকদের বসার জন্য তৈরি ছাউনি এবং প্রচণ্ড গরমে তৃষ্ণার্তদের জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থাও পরিদর্শন করেছেন। এই সুযোগে তিনি অভিভাবকদের সঙ্গে সার্বিক বিষয়ে আলোচনা করেছেন এবং তাদের মতামত শুনেছেন।</p><h3>উপস্থিত নেতৃবৃন্দ</h3><p>পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনসহ স্থানীয় নেতারা। তাদের উপস্থিতি এই পরিদর্শনকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করেছে।</p><p>ডা. শফিকুর রহমানের এই উদ্যোগ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। তিনি শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:34:00 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে অশান্তি ও ভুয়া ভোটের অভিযোগ, উত্তেজনা ছড়িয়েছে বীরভূম-শিলিগুড়িতে]]></title>
				<category>নির্বাচন কমিশন</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/nirbachon-commission/article-79548.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় অশান্তি ও ভুয়া ভোটের অভিযোগ</h2><p>পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্ত অশান্তি, ভুয়া ভোট প্রদান এবং রাজনৈতিক সংঘাতের খবর পাওয়া গেছে। সকাল থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বীরভূম ও শিলিগুড়িসহ বেশ কিছু এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, যা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় একটি কালো দাগ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।</p><h3>বীরভূমে বুথ জ্যাম ও সংঘর্ষের ঘটনা</h3><p>বীরভূমের লাভপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বুথ জ্যাম করার অভিযোগে সাধারণ ভোটাররা দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও ভোট দিতে না পেরে বিক্ষোভ শুরু করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ বেঁধে যায়, যা এলাকাটিকে রণক্ষেত্রে পরিণত করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর কুইক রেসপন্স টিম লাঠিচার্জ করলে সহিংসতা আরও বৃদ্ধি পায়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অশান্তিপ্রবণ এলাকাগুলোতে টহলদারি আরও বাড়ানো হয়েছে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিরাপত্তা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।</p><h3>শিলিগুড়ি ও মালদায় ভুয়া ভোটের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ</h3><p>নির্বাচনের এই দফায় শিলিগুড়ি ও মালদায় ভুয়া ভোটের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে এসেছে। শিলিগুড়ির ২৩৫ নম্বর বুথে এক তরুণী প্রথমবারের মতো ভোট দিতে গিয়ে জানতে পারেন যে তাঁর ভোট আগেই অন্য কেউ দিয়ে গেছে। একই ঘটনা ঘটেছে মালদার গাজোল এলাকার নোয়াপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে; সেখানে রিক্তা মন্ডল বিশ্বাস নামে এক নারী ভোটার তাঁর অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে দেখেন তাঁর নামে ভোট প্রদান সম্পন্ন হয়ে গেছে। পরবর্তীকালে প্রিজাইডিং অফিসাররা আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ওই দুই ভোটারের ভোট পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে গ্রহণ করেন, কিন্তু এসব ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এলাকায় ভোটারদের মধ্যে ক্ষোভ ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।</p><h3>নির্বাচন কমিশনের ব্যবস্থা ও বিশ্লেষকদের প্রশ্ন</h3><p>অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে এবার নির্বাচন কমিশন প্রায় ৫ লাখ ভোটকর্মী মোতায়েন করেছে। প্রতিটি বুথে সিসিটিভি ক্যামেরা ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নজরদারি থাকলেও অনেক জায়গায় বিশৃঙ্খলা এড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। বিশেষ করে বীরভূমের লাভপুরের মতো স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে কুইক রেসপন্স টিমকে বারবার হস্তক্ষেপ করতে হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা প্রশ্ন তুলেছেন যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিপুল উপস্থিতি সত্ত্বেও কেন বারংবার ভুয়া ভোট বা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, সব অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং যেখানেই অনিয়ম ধরা পড়বে সেখানেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p><h3>ভোটারদের দৃঢ়তা ও ভবিষ্যৎ প্রভাব</h3><p>বিকেল পর্যন্ত ভোটগ্রহণের সময় নির্ধারিত থাকলেও বিভিন্ন বুথে লাইনে দাঁড়ানো ভোটারদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে, যা প্রমাণ করছে যে সব বাধা উপেক্ষা করেই মানুষ তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগে অনড়। গণতান্ত্রিক এই উৎসবে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ থাকলেও সহিংসতার ছায়া সাধারণ ভোটারদের মধ্যে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। রাজ্যের এই দফার নির্বাচনে ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যেখানে হেভিওয়েট প্রার্থীদের ভাগ্য ইভিএম বন্দি হবে। উত্তেজনার মধ্যেও ভোটারদের এই দৃঢ়তা ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:42:03 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[রাজধানীতে গ্যাসের স্বল্পচাপ: তিতাসের জরুরি মেরামত কাজের কারণে অসুবিধা]]></title>
				<category>জ্বালানি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/jbalani/article-79547.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ: তিতাসের জরুরি মেরামত কাজের কারণে অসুবিধা</h2><p>তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের পাইপলাইনের জরুরি মেরামত কাজের কারণে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাজধানীর বেশ কয়েকটি এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ দেখা দিতে পারে। কর্তৃপক্ষের এক বার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে, যা স্থানীয় সময় দুপুর ১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।</p><h3>কোন কোন এলাকায় প্রভাব পড়বে?</h3><p>এই জরুরি মেরামত কাজের ফলে আশকোনা এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপজনিত সমস্যা সমাধানে কাজ করা হচ্ছে, কিন্তু এর প্রভাব পড়বে আশেপাশের বিস্তৃত অঞ্চলে। <strong>প্রভাবিত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে:</strong></p><ul><li>আশকোনা</li><li>উত্তরখান</li><li>দক্ষিণ খান</li><li>উত্তরা</li><li>কসাইবাড়ি</li><li>প্রেমবাগান</li><li>কাওলা</li><li>বিমানবন্দর ও এর আশেপাশের এলাকা</li></ul><p>এই সময়ে উল্লিখিত এলাকাগুলোতে <em>গ্যাসের তীব্র স্বল্পচাপ বিরাজ করবে</em>, যা দৈনন্দিন কাজকর্মে সাময়িক অসুবিধা সৃষ্টি করতে পারে।</p><h3>তিতাস গ্যাসের বক্তব্য</h3><p>তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ তাদের বার্তায় গ্রাহকদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে জানিয়েছে যে, এই সাময়িক অসুবিধার জন্য তারা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। তারা আশা করছে যে মেরামত কাজ শেষ হওয়ার পর স্বাভাবিক গ্যাস সরবরাহ পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে।</p><p>এই জরুরি পদক্ষেপটি আশকোনা এলাকায় বিদ্যমান গ্যাসের স্বল্পচাপ সমস্যা দূর করতে নেওয়া হয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদে গ্রাহকদের জন্য উপকারী হবে বলে কর্তৃপক্ষ উল্লেখ করেছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:53:02 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল: সরকারি চাকরি ছাড়ার তিন বছর পার না হওয়ায়]]></title>
				<category>নির্বাচন কমিশন</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/nirbachon-commission/article-79546.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল: সরকারি চাকরি ছাড়ার তিন বছর পার না হওয়ায়</h2><p>ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বাতিল করা হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তা মঈন উদ্দীন খান আজ বৃহস্পতিবার এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন।</p><h3>আইনগত কারণ ও প্রতিক্রিয়া</h3><p>রাষ্ট্রায়ত্ত কৃষি ব্যাংকের চাকরি ছাড়ার তিন বছর পার না হওয়ায় গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ১২ (১) (চ) ধারা অনুযায়ী মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এই আইন অনুসারে, সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগ বা অবসরের পর তিন বছর না পারলে কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার অযোগ্য হন।</p><p>মনিরা শারমিন সাংবাদিকদের বলেন, <em>"আমি আইনজীবীর পরামর্শ নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করব।"</em> তাঁর আইনজীবী নাজমুস সাকিব জানান, <em>"আগামী রোববার নির্বাচন কমিশনে প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিল করব। আমরা বুঝেশুনেই নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি।"</em></p><h3>বাছাই প্রক্রিয়া ও অন্যান্য দলের অবস্থা</h3><p>সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটে জামায়াত জোটের ১৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দেন। গতকাল বুধবার বাছাইয়ে ১২ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়, মনিরার মনোনয়ন স্থগিত রাখা হয়। আজ চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে তা বাতিল করা হলো।</p><p>সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মনির হোসেন বলেন, <strong>"রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। এরপর আসনটি শূন্য হলে সব দল ও জোটের জন্য উন্মুক্ত হবে।"</strong></p><p>অন্যদিকে, বিএনপি জোটের ৩৬ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। স্বতন্ত্র জোটের একজনের মনোনয়নপত্রও গ্রহণ করা হয়েছে। তবে কোন দল বা জোটের সমর্থন না থাকায় আলাদাভাবে জমা দেওয়া তিনজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।</p><h3>মনিরা শারমিনের পটভূমি</h3><p>মনিরা শারমিন ২০২৫ সালের মার্চে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পান। তিনি ২০২৩ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে অফিসার জেনারেল পদে যোগ দেন এবং দুই বছর পর গত ডিসেম্বরে চাকরি ছাড়েন। এই সময়সীমা তিন বছর পূরণ না হওয়ায় তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।</p><p>এই ঘটনা রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার সৃষ্টি করেছে, এবং মনিরা শারমিনের আপিলের ফলাফলের দিকে এখন সকলের নজর রয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:35:23 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বাংলাদেশে জ্বালানি আমদানি ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি: একাধিক ঘটনার বিশ্লেষণ]]></title>
				<category>আমদানি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/amodani/article-79545.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>বাংলাদেশে জ্বালানি আমদানি ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি: একাধিক ঘটনার বিশ্লেষণ</h2><p>বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি আমদানি, নিরাপত্তা সংক্রান্ত ঘটনা, এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খবর নিয়ে আলোচনা চলছে। ভারত থেকে ৭ হাজার টন ডিজেল আমদানি করা হয়েছে, যা দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p><h3>নিরাপত্তা ও সন্ত্রাস দমন অভিযান</h3><p>ভাটারায় দেশীয় অস্ত্রসহ ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যা আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষের প্রেক্ষিতে একটি বড় সাফল্য। এছাড়া, বৃদ্ধ নিহত হওয়ার ঘটনায় ভার্চুয়াল কোর্টের প্রথম দিনেই ১৭৭টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে, যা বিচার ব্যবস্থার দ্রুততা প্রদর্শন করে।</p><p>জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাবের হত্যা অভিযানে শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘নলা কাশেম’ গ্রেপ্তার হয়েছে, যা সন্ত্রাস দমনে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি। বান্দরবানে এবার ৬ জন রাবার শ্রমিককে অপহরণ করা হয়েছে, এবং ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হচ্ছে, যা নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের ইঙ্গিত দেয়।</p><h3>পরিবহন ও অর্থনৈতিক খবর</h3><p>পরিবহন খাতে, প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া ১১ পয়সা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে পরিবহন মালিকদের সঙ্গে বৈঠকে সড়কমন্ত্রী আলোচনা করেছেন, যা ভাড়া বৃদ্ধির প্রক্রিয়া ও প্রভাব নিয়ে আলোকপাত করে।</p><h3>আন্তর্জাতিক ও রাজনৈতিক ঘটনা</h3><p>সৌদি আরবে হজে গিয়ে আরো এক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে, যা হজযাত্রীদের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে, এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন, যা রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।</p><p>এই সব খবর বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিকে প্রতিফলিত করে, যেখানে জ্বালানি, নিরাপত্তা, অর্থনীতি, এবং আন্তর্জাতিক বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 08:07:52 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[লেবাননে ইসরাইলি সেনাদের সম্পদ লুটের অভিযোগ, হারেৎজের প্রতিবেদনে উল্লেখ]]></title>
				<category>যুদ্ধ-সংঘাত</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/juddho-shonghat/article-79544.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>লেবাননে ইসরাইলি সেনাদের সম্পদ লুটের অভিযোগ, হারেৎজের প্রতিবেদনে উল্লেখ</h2><p>ইরান যুদ্ধ শুরুর পর লেবাননে নতুন করে আগ্রাসন চালাচ্ছে দখলদার ইসরাইলি বাহিনী। হিজবুল্লাহ সেনাদের লক্ষ্য করে হামলার নামে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর চলছে হত্যাযজ্ঞ। শুধু তাই নয়, দখলদার সেনারা ঘরবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে বিপুল পরিমাণ সম্পদ লুট করছে। এমনটাই জানিয়েছে ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজ।</p><h3>লুট হওয়া সামগ্রীর তালিকা</h3><p>দক্ষিণ লেবাননে অবস্থানরত সূত্রগুলো জানিয়েছে, লুট হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে মোটরসাইকেল, টেলিভিশন, চিত্রকর্ম, সোফা ও কার্পেটসহ বিভিন্ন মূল্যবান জিনিস। সূত্রগুলো আরও জানিয়েছে, সেনারা চুরি করা জিনিসপত্র নিজেদের যানবাহনে তুলছে এবং তা লুকানোরও কোনো চেষ্টা করছে না।</p><h3>অভিযোগের প্রতিক্রিয়া ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা</h3><p>প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, মাঠপর্যায়ের জ্যেষ্ঠ ও কনিষ্ঠ উভয় কর্মকর্তাই এ বিষয়ে অবগত থাকলেও লুটপাট বন্ধে কার্যকর কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। যদিও ইসরাইলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে।</p><p>একজন সেনা বলেন, <em>‘এটা অবিশ্বাস্য মাত্রায় ঘটছে। কেউ কিছু পেলেই—টিভি, সিগারেট, যন্ত্রপাতি বা যা-ই হোক—তা সঙ্গে সঙ্গে নিজের গাড়িতে তুলে রাখছে বা আলাদা করে রাখছে। এটা গোপনে নয়, সবাই দেখছে এবং বুঝছে।’</em></p><p>এই ঘটনাগুলো আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এবং লেবাননে মানবাধিকার লঙ্ঘনের নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনও কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি, তবে স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপত্তাহীনতা ও অর্থনৈতিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন বলে জানা গেছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:43:08 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[শান্তর সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ দুইশ ছাড়াল, লিটনের ফিফটিও]]></title>
				<category>ক্রিকেট</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/cricket/article-79543.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>শান্তর সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের ব্যাটিং জোরদার, সংগ্রহ দুইশ ছাড়াল</h2><p>ব্যাট হাতে ইনিংসের শুরুতে কিছুটা ধাক্কা খেলেও বাংলাদেশ দল দ্রুত ঘুরে দাঁড়িয়েছে। টানা দ্বিতীয় ম্যাচে নিজের অর্ধশতকের পর সেঞ্চুরিও তুলে নিয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। লিটন দাসও নিজের হাফ সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছিলেন, তবে ব্যক্তিগত ৭৬ রানেই সাজঘরে ফিরতে বাধ্য হন তিনি।</p><h3>শান্ত-লিটনের জুটি দলের হাল ধরল</h3><p>ব্যাটিং বিপর্যয় কাটিয়ে দলের হাল বেশ ভালোভাবেই ধরেছিলেন চতুর্থ উইকেটের শান্ত-লিটন জুটি। চাপ সামলে নিয়ন্ত্রিত ব্যাটিং করেছেন তারা। তবে জেইডেন লেনক্সের স্পিনে ভাঙল ১৬০ রানের দারুণ এই জুটি, বোল্ড হলেন লিটন।</p><p>এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪১ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ২০৮ রান। শান্তর সঙ্গে ক্রিজে আছেন তাওহিদ হৃদয়। দলীয় স্কোর দুইশ ছাড়িয়েছে, যা দলের জন্য একটি শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে।</p><h3>শান্তর দারুণ সেঞ্চুরি</h3><p>চলমান ইনিংসে ২৬তম ওভারে নিজের ফিফটির পর সেঞ্চুরিও তুলে নিলেন শান্ত। দারুণ এই শতক করতে তার লেগেছে ১১৪ বল, খেলেছেন ৯টি চার ও ২টি ছক্কার মার। আগের ম্যাচেও ফিফটি করেছিলেন এই টাইগার ব্যাটার, যা তার ফর্মের ধারাবাহিকতা প্রমাণ করে।</p><h3>লিটনের ফিফটি ফিরে আসা</h3><p>অন্যদিকে ১৯ ইনিংস পর ওয়ানডে ফরম্যাটে ফিফটির দেখা পেয়েছেন লিটন। এটি ছিল তার ১৩তম ফিফটি। প্রায় বছর তিনেক আগে ২০২৩ সালে ভারতের বিপক্ষে বিশ্বকাপের মঞ্চে হাফ সেঞ্চুরির ইনিংস খেলেছিলেন এই টাইগার উইকেপকিপার-ব্যাটার। তার এই ফিরে আসা বাংলাদেশ দলের জন্য একটি ইতিবাচক সংকেত।</p><p>ম্যাচটি এখনও চলমান, এবং বাংলাদেশের সংগ্রহ আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। শান্ত ও তাওহিদ হৃদয়ের পার্টনারশিপ দলের স্কোরকে আরও শক্তিশালী করতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:26:04 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[মুদ্রাবাজারে ডলারের দাম ১২২.৭৫ টাকা, বেশিরভাগ বিদেশি মুদ্রার দামে পতন]]></title>
				<category>মুদ্রা</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/mudra/article-79542.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>মুদ্রাবাজারে ডলারের দাম ১২২.৭৫ টাকা, বেশিরভাগ বিদেশি মুদ্রার দামে পতন</h2><p>আজ বৃহস্পতিবার দেশের মুদ্রাবাজারে লেনদেন চলছে। মধ্যপ্রাচ্য সংকটসহ বিভিন্ন কারণে কয়েক দিন ধরেই বিদেশি মুদ্রার দাম ওঠানামা করছে। তবে দামের বাড়তি প্রবণতা বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুসারে, আজ ডলারের গড় দাম ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা। কয়েক মাস ধরেই ডলারের দাম ওঠানামা করছে। তবে গত এক মাসে ডলারের দাম অল্প কিছুটা বেড়েছে।</p><h3>বেশিরভাগ মুদ্রার দাম কমেছে</h3><p>আজ দেশের মুদ্রাবাজারে বেশির ভাগ মুদ্রার দাম কমেছে। এই তালিকায় আছে ইউরো, পাউন্ড, রুপি, ইউয়ান ও সিঙ্গাপুরি ডলার। অপরিবর্তিত আছে রুপির দাম, বেড়েছে অস্ট্রলীয় ডলারের দাম। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত বৈদেশিক মুদ্রার দামের চেয়ে কিছুটা বেশি দামে খোলাবাজারে বিক্রি হয়। বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারের ওঠানামার সঙ্গে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের খরচও ওঠানামা করে।</p><h3>মধ্যপ্রাচ্য সংকটের প্রভাব</h3><p>মধ্যপ্রাচ্য সংকটসহ বিভিন্ন কারণে বিদেশি মুদ্রার দামে ওঠানামা অব্যাহত রয়েছে। এই সংকটের প্রভাবে বৈশ্বিক বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে, যা বাংলাদেশের মুদ্রাবাজারেও প্রভাব ফেলছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই পরিস্থিতি আগামী কয়েক দিনেও চলতে পারে।</p><h3>ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রভাব</h3><p>বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারের ওঠানামার সঙ্গে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের খরচও ওঠানামা করে। আমদানি ও রপ্তানি খাতে এই পরিবর্তন সরাসরি প্রভাব ফেলে। উদাহরণস্বরূপ, ডলারের দাম বাড়লে আমদানি পণ্যের দাম বৃদ্ধি পেতে পারে, যা ভোক্তাদের উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।</p><ul><li>ডলারের গড় দাম: ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা</li><li>দাম কমেছে: ইউরো, পাউন্ড, ইউয়ান, সিঙ্গাপুরি ডলার</li><li>দাম অপরিবর্তিত: রুপি</li><li>দাম বেড়েছে: অস্ট্রলীয় ডলার</li></ul><p>বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়মিত পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, খোলাবাজারে বৈদেশিক মুদ্রার দাম কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত দামের চেয়ে কিছুটা বেশি। এই পার্থক্য বাজার চাহিদা ও সরবরাহের উপর নির্ভর করে। মুদ্রাবাজারের এই গতিবিধি আগামী দিনগুলোতে অর্থনীতির উপর কী প্রভাব ফেলে, তা নিয়ে সংশ্লিষ্টরা সতর্ক নজর রাখছেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:35:27 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ভাটারায় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ১৬, ভার্চুয়াল কোর্টে ১৭৭ মামলা নিষ্পত্তি ও বান্দরবানে অপহরণ]]></title>
				<category>নিরাপত্তা বাহিনী</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/nirapotta-bahini/article-79541.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>ভাটারায় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ১৬, ভার্চুয়াল কোর্টের সাফল্য ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা</h2><p>ভাটারায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় দেশীয় অস্ত্রসহ ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই সংঘর্ষে একজন বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন, যা স্থানীয় সম্প্রদায়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো ঘটনাটি তদন্ত করছে এবং শান্তি বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।</p><h3>ভার্চুয়াল কোর্টের অভূতপূর্ব সাফল্য</h3><p>দেশের প্রথম ভার্চুয়াল কোর্টের উদ্বোধনী দিনেই ১৭৭টি মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে, যা বিচার ব্যবস্থায় ডিজিটাল রূপান্তরের একটি মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। এই সাফল্য বিচার প্রক্রিয়ার গতি বৃদ্ধি এবং জনসাধারণের সুবিধা নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p><h3>জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাবের অভিযান</h3><p>জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় র‌্যাবের একটি অভিযানে শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত ‘নলা কাশেম’কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই গ্রেপ্তার অঞ্চলের সন্ত্রাসী কার্যক্রম দমনে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।</p><h3>বান্দরবানে রাবার শ্রমিক অপহরণ</h3><p>বান্দরবানে এবার ৬ জন রাবার শ্রমিককে অপহরণ করা হয়েছে, যেখানে অপহরণকারীরা ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি তদন্ত করছে এবং শ্রমিকদের নিরাপদে মুক্ত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে, যা অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।</p><h3>পরিবহন খাতে বাসভাড়া বৃদ্ধি</h3><p>পরিবহন খাতে প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া ১১ পয়সা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে পরিবহন মালিকদের সঙ্গে সড়কমন্ত্রীর একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে ভাড়া বৃদ্ধির পেছনের কারণগুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং জনসাধারণের ওপর এর প্রভাব মূল্যায়ন করা হচ্ছে।</p><h3>সৌদি আরবে হজে বাংলাদেশির মৃত্যু</h3><p>সৌদি আরবে হজ পালন করতে গিয়ে আরো একজন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে, যা হজযাত্রীদের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে উদ্বেগ বৃদ্ধি করেছে। কর্তৃপক্ষ মৃত্যুর কারণ তদন্ত করছে এবং অন্যান্য হজযাত্রীদের জন্য প্রয়োজনীয় সতর্কতা জারি করেছে।</p><h3>রাজনৈতিক উন্নয়ন</h3><p>এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা ইসি কর্তৃক বাতিল করা হয়েছে, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের সূচনা করেছে। এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিয়মকানুন নিয়ে আলোচনা উৎসাহিত করছে।</p><h3>দেশজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ</h3><p>দেশজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ চলছে, যা জনস্বাস্থ্য ও দৈনন্দিন জীবনে ব্যাপক প্রভাব ফেলছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সতর্কতা ও পরামর্শ দিচ্ছে, এবং নাগরিকদের সতর্ক থাকার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:18:54 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনে আরও ৭ হাজার টন ডিজেল আমদানি সম্পন্ন]]></title>
				<category>জ্বালানি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/jbalani/article-79540.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনে জ্বালানি আমদানি অব্যাহত</h2><p>বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে আরও সাত হাজার মেট্রিক টন ডিজেল সফলভাবে আমদানি করা হয়েছে। ভারতের আসাম রাজ্যে অবস্থিত নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড কেন্দ্র থেকে এই জ্বালানি তেল দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড অয়েল ডিপোতে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে এই কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের ম্যানেজার (অপারেশন্স) কাজী মো. রবিউল আলম।</p><h3>চলতি মাসে আমদানির পরিসংখ্যান</h3><p>এখন পর্যন্ত চলতি এপ্রিল মাসে পাইপলাইনের মাধ্যমে মোট তিনটি চালানে <strong>বিশ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল</strong> বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে। এর মধ্যে ১১ এপ্রিল আট হাজার টন, ১৯ এপ্রিল পাঁচ হাজার টন এবং ২৩ এপ্রিল সাত হাজার টন ডিজেল আমদানি করা হয়েছে। আগামী ২৬-২৭ মার্চ আরও পাঁচ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আসার কথা রয়েছে, যা এপ্রিল মাসের চতুর্থ চালান হিসেবে গণ্য হবে।</p><h3>বছরব্যাপী আমদানি পরিকল্পনা</h3><p>চলতি ২০২৪ সালে এখন পর্যন্ত পাইপলাইনটির মাধ্যমে <em>মোট ৪২ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল</em> আমদানি করা হয়েছে। এর আগে মার্চ মাস পর্যন্ত চারটি চালানে ২২ হাজার টন জ্বালানি তেল এসেছিল। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে মোট চারটি চালানের মাধ্যমে ভারত থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।</p><h3>পাইপলাইন প্রকল্পের পটভূমি ও কার্যক্রম</h3><p>উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে সারাবছর নিরবচ্ছিন্ন ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে ২০১৮ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির আওতায় ১৩১.৫৭ কিলোমিটার দীর্ঘ ভূ-গর্ভস্থ বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন স্থাপনের কাজ শুরু হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৩ সালের ১৮ মার্চ থেকে এই পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি তেল আমদানি কার্যক্রম চালু হয়েছে।</p><p>দুই দেশের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি অনুসারে, ভারত আগামী ১৫ বছর ধরে ডিজেল সরবরাহ করবে। প্রাথমিকভাবে বছরে দুই থেকে তিন লাখ টন জ্বালানি আমদানির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, তবে ভবিষ্যতে ব্যবহার, খরচ ও চাহিদা অনুযায়ী এই পরিমাণ বাড়ানো যেতে পারে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানানো হয়েছে, এই পাইপলাইনের মাধ্যমে বছরে সর্বোচ্চ ১০ লাখ মেট্রিক টন তেল আমদানি করা সম্ভব।</p><h3>ডিজেল বিতরণ প্রক্রিয়া</h3><p>নুমালিগড় রিফাইনারি কেন্দ্র থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল প্রথমে পার্বতীপুর রেলহেড অয়েল ডিপোতে অবস্থিত রিসিপ্ট টার্মিনালে পৌঁছায়। এরপর সেখান থেকে রেলওয়ের মাধ্যমে এই তেল <strong>পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা</strong> নামক তিনটি তেল বিপণন কোম্পানিতে সরবরাহ করা হয়। সোমবার রাত সাড়ে আটটা থেকে শুরু হওয়া পাম্পিং কার্যক্রমের মাধ্যমেই সর্বশেষ চালানটি সম্পন্ন হয়েছে।</p><p>এই পাইপলাইন প্রকল্পটি কেবল জ্বালানি নিরাপত্তাই নিশ্চিত করছে না, বরং বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতেও ভূমিকা রাখছে বলে বিশেষজ্ঞরা মত প্রকাশ করেছেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:17:13 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[জামায়াত আমিরের এক্স আইডি হ্যাক মামলায় তদন্ত থমকে: ডিভাইস না পাওয়ায় অগ্রগতি ব্যাহত]]></title>
				<category>সাইবার নিরাপত্তা</category>
				<link>https://bdgazette.com/projukti/cyber-nirapotta/article-79539.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>জামায়াত আমিরের এক্স আইডি হ্যাক মামলায় তদন্ত থমকে: ডিভাইস না পাওয়ায় অগ্রগতি ব্যাহত</h2><p>জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স আইডি হ্যাক হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্ত থমকে আছে। গত ৩১ জানুয়ারি এই হ্যাকিংয়ের ঘটনা ঘটলেও আড়াই মাস পার হওয়ার পরও তদন্তে তেমন কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। তদন্তকারী সংস্থা ডিভাইস না পাওয়ায় ফরেনসিক পরীক্ষা করতে পারছে না, যা মামলার অগ্রগতিতে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।</p><h3>তদন্তে বাধা: ডিভাইস সংগ্রহে সমস্যা</h3><p>এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকের অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর তরফে প্রথমে হাতিরঝিল থানায় মামলা দায়ের করা হয়। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত করছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম-দক্ষিণ ইউনিট। তদন্তের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্টরা এক্স কর্তৃপক্ষের কাছে তথ্য চেয়ে চিঠি দিলেও কোনো সাড়া মেলেনি। এক্স কর্তৃপক্ষ তদন্ত-সংশ্লিষ্টদের জানিয়েছে, কোনো ব্যক্তির অ্যাকাউন্টের তথ্য নিতে হলে দুদেশের আদালতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে।</p><p>সূত্র থেকে জানা গেছে, ডিভাইসসহ অন্যান্য আলামত জব্দ করে ফরেনসিক পরীক্ষা করা জরুরি ছিল। তাই তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রেজাউল আমীন মামলার বাদী সিরাজুল ইসলামকে ডিভাইসসহ অন্য আলামত জব্দের ব্যাপারে চারবার চিঠি দিয়েছেন। তবে বাদীপক্ষ ডিভাইস জমা দেননি বলে জানা গেছে।</p><h3>পুলিশের বক্তব্য: ডিভাইস না পেলে তদন্ত কঠিন</h3><p>এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, <em>"মামলার বাদীর কাছে চিঠি দিয়ে ডিভাইস চেয়েছি। কিন্তু তারা ডিভাইস জমা দেননি। পরে আদালতের মাধ্যমেও ডিভাইস চাওয়া হলেও পাওয়া যায়নি। এতে তদন্তের অগ্রগতি থমকে আছে।"</em></p><p>অভিযোগ প্রমাণের জন্য ওই ডিভাইসের ফরেনসিক পরীক্ষা করা জরুরি– এমন প্রশ্নে শফিকুল ইসলাম আরও বলেন, <em>"ডিভাইসই তো প্রধান জিনিস। ওটা না পেলে ঘটনার সত্যতা প্রমাণ করা কঠিন।"</em></p><h3>গ্রেফতার ও জামিন: রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের কর্মকর্তার ভূমিকা</h3><p>জানা গেছে, জিডির তদন্ত শুরুর পরই অ্যাকাউন্ট হ্যাকের অভিযোগে বঙ্গভবনের রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের সহকারী প্রোগ্রামার মোহাম্মদ ছরওয়ারে আলমকে ৩ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর এজিবি কলোনির বাসা থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) আটক করে। তার মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ জব্দ করা হয়। যদিও জিডির তদন্ত কাজ শুরু করেছিল ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম ইউনিট, ছরওয়ারে আলমকে আটক করে ডিবির অন্য একটি ইউনিট। পরে তাকে মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে আনা হলে তদন্ত-সংশ্লিষ্টরা বিষয়টি জানতে পারেন।</p><p>প্রায় ২৩ ঘণ্টা পর, ৪ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টায় মিন্টো রোডে সংবাদ সম্মেলনে ছরওয়ারে আলমকে মামলায় গ্রেফতারের কথা জানায় ডিবি। ওই দিন রাতে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম বলেন, জামায়াতে ইসলামীর আমিরের এক্স আইডি হ্যাক হওয়ার বিষয়ে ছরওয়ারে আলমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়। যথেষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।</p><h3>মামলার এজাহার ও তদন্তের সীমাবদ্ধতা</h3><p>জামায়াত আমিরের তরফে করা মামলার এজাহারে বলা হয়, <em>"রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের সহকারী প্রোগ্রামার মোহাম্মদ ছরওয়ারে আলমসহ অজ্ঞাতনামা ১৫ থেকে ২০ জন কম্পিউটার ডিজিটাল ডিভাইসে বেআইনি প্রবেশ করে ডা. শফিকুর রহমানের অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডল অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে অনাকাঙ্ক্ষিত পোস্ট করে, যা নারীর প্রতি বিদ্বেষ, অশ্লীলতা, জাতিগত সহিংসতা, ঘৃণা ও দাঙ্গা-হাঙ্গামা ছড়ায়।"</em></p><p>তবে তদন্ত-সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের ওই মেইলের কারণে হ্যাক হয়েছে কিনা, নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া জামায়াতের কাছে মেইল গেছে কিনা– এ বিষয়ে এজাহারের সঙ্গে সংযুক্ত স্ক্রিনশর্ট ছাড়া তদন্তে অন্য কোনো তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি।</p><p>এদিকে গ্রেফতারের পর ছরওয়ারে আলমকে তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে হাজির করলে ওই দিনই তিনি জামিন পান। এই জামিনের পর মামলার তদন্ত আরও জটিল হয়ে পড়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।</p><p>সাইবার অপরাধ তদন্তে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের অভাব এই মামলার অগ্রগতিকে ব্যাহত করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিভাইস না পাওয়া এবং এক্স কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহে বাধার কারণে এই মামলার তদন্ত দীর্ঘায়িত হতে পারে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:13:13 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ভারত থেকে আরও ৭ হাজার টন ডিজেল এসেছে পার্বতীপুরে, জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার]]></title>
				<category>জ্বালানি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/jbalani/article-79538.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>ভারত থেকে আরও ৭ হাজার টন ডিজেল এসেছে পার্বতীপুরে</h2><p>দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেল হেড ডিপোতে বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে আরও ৭ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টায় এই জ্বালানি তেলের চালানটি ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি ফুয়েল টার্মিনাল থেকে এসে পৌঁছায়। মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের ব্যবস্থাপক (অপারেশন্স) কাজী রবিউল আলম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।</p><h3>নিয়মিত আমদানি অব্যাহত</h3><p>কাজী রবিউল আলম জানান, চুক্তি অনুযায়ী নিয়মিত আমদানির অংশ হিসেবে ২০ এপ্রিল থেকে ভারতের শিলিগুড়ি নুমালিগড় টার্মিনাল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত এই ডিপোতে জ্বালানি তেলগুলো এসে পৌঁছায়। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের চুক্তি অনুযায়ী ভারতের পাইপ লাইনে তেল আমদানি অব্যাহত রয়েছে। ডিপো কর্তৃপক্ষ আশা করছে, আগামী সপ্তাহে আরও পর্যাপ্ত পরিমাণ তেল আনা হবে।</p><h3>এপ্রিল মাসের লক্ষ্যমাত্রা</h3><p>চলতি এপ্রিল মাসে ৪৪ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পাইপ লাইনে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা আছে। এর আগে গত মার্চ মাসে তিন দফায় ২২ হাজার টন ডিজেল এসেছে পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের এই ডিপোতে। এছাড়া, এপ্রিল মাসে এই পাইপলাইনের মাধ্যমে ইতিমধ্যে ১৩ হাজার টন ডিজেল এসেছে, যার মধ্যে:</p><ul><li>১৯ এপ্রিল: ৫ হাজার টন ডিজেল</li><li>১১ এপ্রিল: ৮ হাজার টন ডিজেল</li></ul><p>এপ্রিল মাসে মোট চারটি চালানের মাধ্যমে ভারত থেকে ২৫ হাজার টন ডিজেল আসার কথা রয়েছে, যা দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:27:48 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[দুই বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টি, তাপপ্রবাহ অব্যাহত: আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস]]></title>
				<category>দুর্যোগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/durjog/article-79537.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>দুই বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস, তাপপ্রবাহ অব্যাহত</h2><p>আবহাওয়া অধিদপ্তর সতর্কবার্তা জারি করে জানিয়েছে, দেশের দুই বিভাগে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একইসঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে, যা এই আবহাওয়া পরিস্থিতির জন্য দায়ী।</p><h3>আজকের পূর্বাভাস: বজ্রসহ বৃষ্টি ও তাপপ্রবাহ</h3><p>বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। তবে দেশের অন্যত্র আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে। রাজশাহী জেলায় তীব্র তাপপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে, যা স্থানীয়দের জন্য অস্বস্তিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে।</p><p>এছাড়া রাজশাহী বিভাগের অবশিষ্ট অংশ, খুলনা বিভাগসহ ঢাকা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, মাদারীপুর, দিনাজপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, লক্ষ্মীপুর, রাঙামাটি ও বান্দরবানসহ বিভিন্ন জেলায় মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বইছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে, তবে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।</p><h3>আগামী দিনগুলোর আবহাওয়া পরিস্থিতি</h3><p>আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুক্রবার রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু জায়গায় বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। অন্যত্র আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে এবং তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে, যা জনজীবনে প্রভাব ফেলতে পারে।</p><p>আগামী শনিবার রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু এলাকায় বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এদিন দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে, যা তাপপ্রবাহ থেকে কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে।</p><p>এছাড়া আগামী রোববার দেশের বিভিন্ন বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা আরও বাড়তে পারে, যা কৃষি ও দৈনন্দিন জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। আগামী সোমবার রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেটসহ কয়েকটি বিভাগে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে এবং কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণের আশঙ্কাও রয়েছে। দিনের তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমার প্রবণতা থাকবে, যা গ্রীষ্মের দাবদাহ থেকে মুক্তি দিতে পারে।</p><p>আবহাওয়া অধিদপ্তর জনগণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে, বিশেষ করে বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টির সময় নিরাপদ স্থানে অবস্থান করার জন্য। তাপপ্রবাহের কারণে স্বাস্থ্য সুরক্ষার দিকেও নজর দেওয়া জরুরি বলে জানানো হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:42:12 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ঝিনাইদহের শৈলকুপায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে এক নিহত, আহত ১৯]]></title>
				<category>বিএনপি</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/bnp/article-79536.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>ঝিনাইদহের শৈলকুপায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে এক ব্যক্তি নিহত, আহত ১৯</h2><p>ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে মোহন শেখ (৬০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। পাশাপাশি নারীসহ অন্তত ১৯ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের মাধবপুরের খালপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।</p><h3>দীর্ঘদিনের বিরোধের জের</h3><p>স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সামাজিক আধিপত্য বিস্তার নিয়ে জেলা যুবদল নেতা আবু জাহিদ চৌধুরীর গ্রুপের সঙ্গে শৈলকুপা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আবুল বাশার তরিকুল সাদাতের গ্রুপের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বুধবার সন্ধ্যায় জাহিদের এক সমর্থককে মারধর করে সাদাতের লোকজন। এরই জের ধরে বৃহস্পতিবার সকালে উভয় গ্রুপের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।</p><h3>আহতদের চিকিৎসা ও মৃতের সনাক্তকরণ</h3><p>সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন। তাদের উদ্ধার করে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে মোহন শেখকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. নাহিদ এমরান তন্নি বলেন, <em>‘মোহন শেখকে আমরা মৃত অবস্থায় পেয়েছি। আহতদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এদের মধ্যে আব্বাস শেখ নামে একজনের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ফরিদপুরে স্থানান্তর করা হয়েছে।’</em></p><h3>পুলিশের মোতায়েন ও তদন্ত</h3><p>শৈলকুপা থানার ওসি হুমায়ুন কবির মোল্লা বলেন, <em>‘আধিপত্য বিস্তারের জেরে এই ঘটনা ঘটেছে। এলাকায় উত্তেজনা থাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’</em> তিনি আরও জানান, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p><p>নিহত মোহন শেখ একই এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। স্থানীয়রা বলছেন, এই সংঘর্ষের ফলে এলাকায় ভীতির সৃষ্টি হয়েছে এবং নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:32:30 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[YKK: বিশ্বের অর্ধেক চেইন তৈরি করে জাপানি এই কোম্পানি, জানুন এর অসাধারণ ইতিহাস]]></title>
				<category>ব্যবসা-বাণিজ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/bebsha-banijjo/ykk-79535.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>YKK: বিশ্বের চেইন শিল্পের অদৃশ্য সম্রাট</h2><p>আপনি হয়তো লক্ষ্য করেছেন প্যান্ট, জ্যাকেট বা ব্যাগের চেইনে ছোট্ট তিনটি অক্ষর - YKK। এটি কোনো সাধারণ ব্র্যান্ড নয়, বরং বিশ্বের চেইন শিল্পের প্রায় অর্ধেক অংশ নিয়ন্ত্রণকারী একটি জাপানি কোম্পানি। YKK-এর পূর্ণ নাম 'ইয়োশিদা কোগিও কাবুশিকিকাইশা', যার ইংরেজি অর্থ ইয়োশিদা কোম্পানি লিমিটেড।</p><h3>অকল্পনীয় উৎপাদন পরিসংখ্যান</h3><p>এই কোম্পানি প্রতিবছর প্রায় এক হাজার কোটি চেইন উৎপাদন করে, যা বিশ্বব্যাপী মোট চেইন উৎপাদনের প্রায় ৫০ শতাংশ। আরও অবাক করার বিষয় হলো, YKK প্রতিবছর ৩০ লাখ কিলোমিটার লম্বা চেইন তৈরি করে। এই পরিমাণ চেইন দিয়ে পুরো পৃথিবীকে ৮০ বারেরও বেশি পেঁচানো সম্ভব!</p><h3>ইতিহাসের সূচনা</h3><p>১৯৩৪ সালে জাপানের টোকিও শহরে তাদাও ইয়োশিদা নামের এক উদ্যোক্তা এই কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন। তখনকার প্রচলিত চেইন উৎপাদন পদ্ধতি তাঁর পছন্দ না হওয়ায় তিনি নিজস্ব পদ্ধতিতে চেইন তৈরি শুরু করেন। শুরুতে কোম্পানিটি শুধুমাত্র সেনাবাহিনীর পোশাক ও প্যারাস্যুটের জন্য চেইন তৈরি করত, কিন্তু বর্তমানে এটি ফ্যাশন শিল্পের অপরিহার্য অংশে পরিণত হয়েছে।</p><h3>চেইনের উদ্ভাবনের ইতিহাস</h3><p><strong>চেইনের প্রথম ধারণা</strong> ১৮৯০-এর দশকে হুইটকম্ব এল জাডসন নামের এক মার্কিন উদ্ভাবকের মাথায় আসে। তিনি জুতার জন্য হুকযুক্ত একটি ফাস্টেনার তৈরি করেন, যা দেখতে চেইনের মতো হলেও ব্যবহারে অসুবিধা ছিল।</p><p><em>আধুনিক চেইনের প্রকৃত উদ্ভাবক</em> হিসেবে স্বীকৃতি পান জিডিওন সুন্ডবেক নামের এক সুইডিশ-মার্কিন প্রকৌশলী। ১৯০৯ সালে জার্মানিতে প্রথম পেটেন্ট নেওয়ার পর ১৯১৭ সালে তিনি 'সেপারেবল ফাস্টেনার' নামে আরেকটি পেটেন্ট পান, যা আজকের পরিচিত চেইনের ভিত্তি তৈরি করে।</p><h3>YKK-এর সাফল্যের রহস্য</h3><p>এই কোম্পানির সাফল্যের প্রধান কারণ হলো এর অসাধারণ গুণমান ও নিখুঁত উৎপাদন প্রক্রিয়া। YKK-এর কারখানায় চেইন তৈরির প্রতিটি ধাপ - ধাতু গলানো থেকে শুরু করে প্যাকেটিং পর্যন্ত - সম্পূর্ণ নিজস্ব নিয়ন্ত্রণে সম্পন্ন হয়। এই একীভূত উৎপাদন ব্যবস্থা গুণমান নিশ্চিত করে এবং ত্রুটির সম্ভাবনা কমিয়ে আনে।</p><p>বিখ্যাত মার্কিন ফ্যাশন ডিজাইনার ট্রিনা টার্ক একবার স্লেট পত্রিকাকে বলেছিলেন, <strong>'আগে আমরা কম দামি চেইন ব্যবহার করে সমস্যায় পড়েছিলাম। এখন শুধু YKK ব্যবহার করি। যখন কেউ ২০০ ডলার দিয়ে প্যান্ট কিনে, তখন চেইনটিও উন্নত মানের হওয়া উচিত। চেইন নষ্ট হলে ক্রেতা শুধু চেইন নয়, পুরো পণ্যের নির্মাতাকেই দায়ী করে!'</strong></p><h3>ব্যবহারের ব্যাপকতা</h3><p>আপনি বিশ্বের যে কোনো প্রান্তেই থাকুন না কেন, YKK চেইন আপনার দৈনন্দিন জীবনের নানা জিনিসে পাওয়া যাবে:</p><ul><li>প্যান্ট ও জ্যাকেটের চেইন</li><li>ব্যাকপ্যাক ও হ্যান্ডব্যাগ</li><li>স্কুবা ডাইভিংয়ের বিশেষ পোশাক</li><li>ব্যাগপাইপের কভার</li><li>হার্মিসের মতো বিলাসবহুল ব্র্যান্ডের দামি ব্যাগ</li><li>জুতার বিভিন্ন মডেল</li></ul><p>ফ্যাশন শিল্পে YKK-এর আধিপত্য এতটাই যে, বিশ্বের প্রধান পোশাক নির্মাতারা চোখ বন্ধ করে এই ব্র্যান্ডের ওপর ভরসা করে। কারণ তারা জানে, YKK-এর চেইন সহজে নষ্ট হয় না এবং দীর্ঘস্থায়ী কর্মক্ষমতা প্রদান করে।</p><p>একটি ছোট্ট তিন অক্ষরের ব্র্যান্ড কীভাবে বিশ্বব্যাপী শিল্প নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, YKK তার জ্বলন্ত উদাহরণ। প্রায় নয় দশক ধরে টোকিও থেকে শুরু হওয়া এই যাত্রা আজ বিশ্বের প্রতিটি কোণে পৌঁছে গেছে, প্রতিদিন কোটি কোটি মানুষ অজান্তেই YKK-এর তৈরি চেইন ব্যবহার করছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:39:40 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[এশিয়ার জলসীমায় মার্কিন বাহিনীর অভিযানে ইরানি তিন তেলবাহী ট্যাংকার আটক]]></title>
				<category>যুদ্ধ-সংঘাত</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/juddho-shonghat/article-79534.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>এশিয়ার জলসীমায় মার্কিন বাহিনীর অভিযানে ইরানি তিন তেলবাহী ট্যাংকার আটক</h2><p>মার্কিন সামরিক বাহিনী এশিয়ার জলসীমায় ইরানি পতাকাবাহী অন্তত তিনটি তেলবাহী ট্যাংকার আটক করেছে। বুধবার (২৩ এপ্রিল) নৌ-চলাচল ও নিরাপত্তা সূত্রগুলো এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারত, মালয়েশিয়া এবং শ্রীলঙ্কার কাছ থেকে এই জাহাজগুলোর অবস্থান পরিবর্তন করে অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।</p><h3>জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণে মেরিন ট্রাফিকের তথ্য</h3><p>জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী প্ল্যাটফর্ম মেরিন ট্রাফিকের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি আরও অন্তত তিনটি ইরানি পতাকাবাহী তেলবাহী ট্যাংকারকে ঘুরিয়ে দিয়েছে। এ বিষয়ে দুই মার্কিন ও ভারতীয় শিপিং সূত্র এবং দুই পশ্চিমা সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্র রয়টার্সকে তথ্য দিয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতর এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও মন্তব্য করেনি।</p><h3>আটক হওয়া ট্যাংকারগুলোর বিস্তারিত বিবরণ</h3><p>রয়টার্স জানায়, মালয়েশিয়ার উপকূলে সর্বশেষ দেখা ইরানি পতাকাবাহী সুপারট্যাংকার <strong>'ডিপ সি'</strong> আংশিকভাবে অপরিশোধিত তেল বহন করছিল। একইভাবে ১০ লাখ ব্যারেল ধারণক্ষমতার ছোট ট্যাংকার <strong>'সেভিন'</strong>ও আটক করা হয়েছে, যা ৬৫ শতাংশ তেলভর্তি ছিল। তৃতীয় ট্যাংকার <strong>'ডোরেনা'</strong> সম্পূর্ণভাবে ২০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল নিয়ে দক্ষিণ ভারতের উপকূলের কাছে দেখা গিয়েছিল।</p><h3>মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের নজরদারি ও অবরোধ লঙ্ঘনের চেষ্টা</h3><p>মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ জানায়, <em>'ডোরেনা'</em> ভারত মহাসাগরে মার্কিন নৌবাহিনীর একটি ডেস্ট্রয়ারের নজরদারিতে রয়েছে, কারণ এটি অবরোধ লঙ্ঘনের চেষ্টা করেছিল। সেন্টকম আরও জানায়, ভারত উপকূলের কাছে থাকা <em>'ডেরিয়া'</em> নামের আরেকটি ইরানি ট্যাংকারও যুক্তরাষ্ট্র আটক করে।</p><h3>অবরোধ শুরুর পর থেকে ইরানি জাহাজ ফেরত</h3><p>সেন্টকমের তথ্য অনুযায়ী, অবরোধ শুরুর পর থেকে ইরানের বন্দরগামী বা বন্দর ত্যাগ করা অন্তত ২৯টি জাহাজকে ফিরিয়ে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে সব আটক হওয়া জাহাজের তালিকা প্রকাশ করেনি মার্কিন সেনাবাহিনী। এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক জলসীমায় মার্কিন-ইরান উত্তেজনার নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:50:57 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[শান্ত-লিটনের জুটিতে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বাংলাদেশ, তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে ১৭৪ রানে ৩ উইকেট]]></title>
				<category>ক্রিকেট</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/cricket/article-79533.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>শান্ত-লিটনের জুটিতে বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানো, তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে সংগ্রহ ১৭৪ রান</h2><p>চট্টগ্রামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় ও চূড়ান্ত টি-টোয়েন্টি ম্যাচের শুরুতে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামে। তবে চতুর্থ উইকেটে নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন কুমার দাস দারুণভাবে চাপ সামাল দিয়ে দলকে ঘুরে দাঁড় করিয়েছেন। দুজন ব্যাটসম্যানই ইতোমধ্যে অর্ধশতক পূর্ণ করেছেন, যার ফলে শুরুর ধাক্কা কাটিয়ে বাংলাদেশ ম্যাচের গতি পাল্টে দিচ্ছে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দলের সংগ্রহ ১৭৪ রান, ক্রিজে রয়েছেন শান্ত ও লিটন, যারা দলের জন্য আশার আলো হয়ে উঠেছেন।</p><h3>শুরুর ধাক্কা: বাংলাদেশের ব্যাটিং বিপর্যয়</h3><p>চট্টগ্রামে টস জিতে প্রথমে বাংলাদেশকে ব্যাট করতে পাঠান নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক টম ল্যাথাম। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই সাজঘরে ফেরেন ওপেনার সাইফ হাসান। উইলিয়াম ও’রুরকের বলে কট বিহাইন্ড হয়ে রানের খাতা খোলার আগেই বিদায় নেন তিনি, যা বাংলাদেশের জন্য ভয়াবহ শুরু নির্দেশ করে। এরপর আগের ম্যাচের হাফ-সেঞ্চুরিয়ান তানজিদ হাসান তামিমও ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেননি। মাত্র ৫ বলে ১ রান করে ফেরেন তিনি, ফলে বাংলাদেশ ৯ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপের মুখে পড়ে।</p><h3>মধ্যবর্তী সংগ্রাম: সৌম্য সরকারের সংক্ষিপ্ত ইনিংস</h3><p>৯ রানে ২ উইকেট হারানোর পর ইনিংস গড়ার চেষ্টা করেন শান্ত ও সৌম্য সরকার। তবে সৌম্য সরকার ২৬ বলে ১৮ রান করে আউট হন, যা বাংলাদেশের জন্য আরেকটি বড় ধাক্কা হিসেবে আসে। এই জুটির ভাঙন দলের সংগ্রহকে আরও নাজুক করে তোলে, কিন্তু শান্ত দৃঢ়ভাবে ক্রিজে থাকেন, ভবিষ্যতের জন্য আশা জাগান।</p><h3>শান্ত-লিটনের জুটি: বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানো</h3><p>চতুর্থ উইকেটে শান্ত ও লিটন কুমার দাস ধৈর্যের সঙ্গে ব্যাটিং শুরু করেন, সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তারা আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন। তাদের পার্টনারশিপ কিউই বোলারদের চাপে ফেলে দেয়, এবং ধীরে ধীরে বড় সংগ্রহের দিকে এগোতে থাকে বাংলাদেশ। শান্ত ও লিটন উভয়েই অর্ধশতক পূর্ণ করে দলের স্কোরবোর্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন, যা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। তাদের এই জুটি বাংলাদেশকে ১৭৪ রানে ৩ উইকেটে নিয়ে গেছে, এবং ম্যাচের ফলাফল এখনও উন্মুক্ত রয়ে গেছে।</p><h3>ম্যাচের গুরুত্ব ও ভবিষ্যত সম্ভাবনা</h3><p>এই তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি সিরিজ নির্ধারণী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ আগের ম্যাচগুলোতে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্র ছিল। শান্ত ও লিটনের পারফরম্যান্স বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক সংকেত দিচ্ছে, এবং যদি তারা এই ধারা বজায় রাখতে পারেন, তাহলে দল একটি প্রতিযোগিতামূলক স্কোর তৈরি করতে সক্ষম হবে। নিউজিল্যান্ডের বোলারদের এখন চাপ সামলাতে হবে, কারণ বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা ক্রিজে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:24:54 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[লেবানন-ইসরায়েল দ্বিতীয় দফার ঐতিহাসিক আলোচনা শুরু, যুদ্ধবিরতি দীর্ঘায়িত হবে কি?]]></title>
				<category>মধ্যপ্রাচ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/moddho-pracho/article-79532.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>লেবানন-ইসরায়েল দ্বিতীয় দফার ঐতিহাসিক আলোচনা শুরু, যুদ্ধবিরতি দীর্ঘায়িত হবে কি?</h2><p>মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার মাঝে লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে একটি টেকসই সমঝোতার লক্ষ্যে ওয়াশিংটন ডিসিতে দ্বিতীয় দফার ঐতিহাসিক সরাসরি আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবারের (২৩ এপ্রিল) এই বৈঠককে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষই ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় আয়োজিত এই আলোচনা কয়েক দশকের মধ্যে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে প্রথম কোনো সরাসরি সংলাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।</p><h3>যুদ্ধবিরতি দীর্ঘায়িত করার প্রস্তাব</h3><p>লেবানন সরকার বর্তমানে কার্যকর থাকা নড়বড়ে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও এক মাস বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা শুরু করবে। আগামী রোববার বর্তমান ১০ দিনের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে এই বৈঠকের গুরুত্ব অপরিসীম হয়ে দাঁড়িয়েছে। বৈরুত থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, লেবাননের প্রতিনিধি দল যুদ্ধবিরতির মেয়াদ এক মাস বাড়ানোর পাশাপাশি ইসরায়েলি বাহিনীর বোমা বর্ষণ ও ধ্বংসযজ্ঞ সম্পূর্ণ বন্ধের দাবি জানাবে।</p><h3>বড় ইস্যু নিয়ে দরকষাকষির সম্ভাবনা</h3><p>লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন বুধবার এক ভাষণে জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতি দীর্ঘায়িত করতে সব পর্যায়ে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। যদি এই মেয়াদ বৃদ্ধি পায়, তবে পরবর্তী ধাপে লেবানন বিতর্কিত স্থল সীমান্ত নির্ধারণ, ইসরায়েলে আটক লেবাননি নাগরিকদের মুক্তি এবং দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের মতো বড় বিষয়গুলো নিয়ে দরকষাকষি করবে। ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডন সারও এক অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন যে, লেবাননের সঙ্গে তাঁদের কোনো বড় বিরোধ নেই এবং হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াই দুই দেশেরই অভিন্ন লক্ষ্য হওয়া উচিত।</p><h3>রণাঙ্গনে উত্তেজনা অব্যাহত</h3><p>কূটনৈতিক এই আশাবাদের মধ্যেই দক্ষিণ লেবাননের রণাঙ্গনে উত্তেজনা কমেনি। বুধবার ইসরায়েলের স্বাধীনতা দিবস চলাকালেও হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলি বাহিনীর মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) দাবি অনুযায়ী, হিজবুল্লাহ দক্ষিণ লেবাননে মোতায়েন করা সেনাদের লক্ষ্য করে একটি ড্রোন হামলা চালিয়েছে, যা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্বারা প্রতিহত করা হয়েছে। আইডিএফ একে যুদ্ধবিরতি চুক্তির ‘নির্লজ্জ লঙ্ঘন’ হিসেবে অভিহিত করেছে।</p><h3>দীর্ঘমেয়াদী শান্তির পথে বাধা</h3><p>ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ এক ভাষণে লেবাননের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্কের স্বপ্ন প্রকাশ করে বলেছেন, তাঁর স্বপ্ন হলো একদিন সরাসরি গাড়ি চালিয়ে বৈরুতে যাওয়া এবং সেখানকার মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা। তবে এই দীর্ঘমেয়াদী শান্তির পথে হিজবুল্লাহর সশস্ত্র উপস্থিতি একটি বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে। লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম হিজবুল্লাহর সঙ্গে গৃহযুদ্ধে জড়াতে চান না বলে স্পষ্ট করলেও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় শক্তিশালী সেনাবাহিনীর প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেছেন।</p><h3>অনিশ্চয়তা কাটানোর প্রচেষ্টা</h3><p>গত ২ মার্চ শুরু হওয়া এই সংঘাত গত ১৭ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ১০ দিনের যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে কিছুটা থিতু হলেও পূর্ণাঙ্গ শান্তি এখনো সুদূর পরাহত। ওয়াশিংটনের বৈঠকটি এখন সেই অনিশ্চয়তা কাটানোর প্রধান মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। টাইমস অব ইসরায়েল-এর এক প্রতিবেদনে এই কূটনৈতিক তৎপরতার চিত্র ফুটে উঠেছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:11:03 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরানে জরুরি ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ]]></title>
				<category>কূটনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/kutniti/article-79531.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরানে জরুরি ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ</h2><p>যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরানের আহত জনগণের জন্য জরুরি ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ঢাকায় ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রাহিমি জাহানাবাদির কাছে এই সহায়তা সামগ্রী হস্তান্তর করা হয়েছে।</p><h3>প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে মানবিক সহায়তা</h3><p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরাসরি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই মানবিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। গত ৬ এপ্রিল, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানের আহত জনগণের চিকিৎসা সহায়তার লক্ষ্যে জরুরি ঔষধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয়ের জন্য বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিকে এক কোটি টাকা অনুদান দেন প্রধানমন্ত্রী।</p><p>এই সহায়তা বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মাধ্যমে ইরানে পাঠানো হচ্ছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নজরুল ইসলাম সহায়তা প্রদানের সময় মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে ব্যাপক প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির জন্য গভীর উদ্বেগ ও দুঃখ প্রকাশ করেন।</p><h3>শান্তির পক্ষে বাংলাদেশের অবস্থান</h3><p>ড. নজরুল ইসলাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, <strong>বাংলাদেশ সব সময় শান্তির পক্ষে অবস্থান নেয়</strong>। তিনি কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ উপায়ে এই সংকটের সমাধান হবে এবং মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন।</p><p>ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রাহিমি জাহানাবাদি সহায়তা গ্রহণকালে বাংলাদেশ সরকারের এই মানবিক উদ্যোগের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বাংলাদেশ ও ইরানের মধ্যে বিদ্যমান গভীর ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।</p><h3>দুই দেশের সম্পর্কের গভীরতা</h3><p>রাষ্ট্রদূত জাহানাবাদি এই দুঃসময়ে ইরানের জনগণের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের সহমর্মিতা ও আন্তরিক সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানান। তার মতে, এই মানবিক পদক্ষেপ দুই দেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক বন্ধুত্বেরই প্রতিফলন।</p><p>এই সহায়তা কার্যক্রমে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য:</p><ul><li>জরুরি ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রীর প্রেরণ</li><li>প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি তত্ত্বাবধানে এক কোটি টাকা অনুদান</li><li>বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মাধ্যমে বাস্তবায়ন</li><li>মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশের অব্যাহত সমর্থন</li></ul><p>এই উদ্যোগটি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মানবিক দিকটিকে আরও সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে। আন্তর্জাতিক সংকটে মানবিক সহায়তা প্রদানে বাংলাদেশের সক্রিয় ভূমিকা বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে প্রশংসনীয় বলে বিবেচিত হচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:30:12 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ট্রাম্পের দূতের অনুরোধ: বিশ্বকাপে ইরানের বদলে ইতালিকে অন্তর্ভুক্ত করতে ফিফাকে আহ্বান]]></title>
				<category>ফুটবল</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/football/article-79530.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>ট্রাম্পের দূতের অনুরোধ: বিশ্বকাপে ইরানের বদলে ইতালিকে অন্তর্ভুক্ত করতে ফিফাকে আহ্বান</h2><p>২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলে ইরানকে সরিয়ে ইতালিকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফাকে অনুরোধ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক বিশেষ দূত। গত বুধবার ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক ফুটবল মহলে নতুন বিতর্কের সূত্রপাত ঘটিয়েছে।</p><h3>প্রস্তাবের পেছনের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট</h3><p>প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়, ইরান যুদ্ধ নিয়ে পোপ লিও চতুর্দশের প্রতি ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক আচরণের ঘটনায় ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সম্পর্কের অবনতি ঘটে। মূলত মেলোনির সঙ্গে সম্পর্কের সেই টানাপোড়েন মেটাতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।</p><p>যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত পাওলো জাম্পোলি ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে বলেন, <em>‘আমি ট্রাম্প এবং ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর কাছে প্রস্তাব করেছি যে বিশ্বকাপে ইরানের বদলে ইতালিকে অন্তর্ভুক্ত করা হোক। ইতালির সন্তান হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টে “আজ্জুরি”দের দেখতে পাওয়া আমার কাছে স্বপ্নের মতো। চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হিসেবে বিশ্বকাপে খেলার মতো সব যোগ্যতা ও ঐতিহ্য তাদের রয়েছে।’</em></p><h3>ফিফা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নীরবতা</h3><p>তবে এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস, ফিফা, ইতালি ফুটবল ফেডারেশন (এফআইজিসি) ও এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি। এই নীরবতা প্রস্তাবটির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।</p><p>গত মার্চে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে প্লে–অফ ফাইনালে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার কাছে টাইব্রেকারে ৪-১ ব্যবধানে হেরে ইতালির ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়। এ নিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ হলো চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।</p><h3>ইরানের অবস্থান ও বিশ্বকাপ প্রস্তুতি</h3><p>গত বছর টানা চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে ইরান। তবে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল ইরানে হামলা শুরুর পর দলটির গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরিয়ে মেক্সিকোতে নেওয়ার জন্য ফিফাকে অনুরোধ জানানো হয়।</p><p>গত মাসে তুরস্কে ইরান দলের অনুশীলন ক্যাম্প পরিদর্শনে গিয়ে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলেন, সব ম্যাচ নির্ধারিত সূচি অনুযায়ীই অনুষ্ঠিত হবে। এ সময় তিনি বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে ইরান দলকে সহযোগিতার আশ্বাসও দেন।</p><p>গত বুধবার তেহরানে সরকারপন্থীদের এক সমাবেশে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইরান ফুটবল ফেডারেশনের (এফএফআইআরআই) সভাপতি মেহদি তাজ বলেন, <em>‘আমরা বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি। তবে আমরা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের প্রতি অনুগত। আপাতত জাতীয় দলকে বিশ্বকাপের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত রাখার সিদ্ধান্তই বহাল আছে।’</em></p><h3>বিশ্বকাপ নীতিমালা ও সম্ভাব্য বিকল্প</h3><p>ইরান সরকার যদি শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ দল প্রত্যাহার করে নেয়, তবে তাদের পরিবর্তে কোন দেশ সুযোগ পাবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবে ফিফা। বিশ্বকাপ নীতিমালার ছয় নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো দেশ নাম প্রত্যাহার করলে ফিফা নিজেদের পছন্দমতো যেকোনো দেশকে সেই শূন্যস্থান পূরণের জন্য ডাকতে পারে।</p><p>এমন পরিস্থিতিতে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) চাইবে এশিয়ার কোনো দেশই যেন সেই সুযোগ পায়। সে ক্ষেত্রে গত নভেম্বরে ইরাকের কাছে প্লে-অফে হেরে যাওয়া সংযুক্ত আরব আমিরাতই হতে পারে অন্যতম দাবিদার। তবে ফুটবল ঐতিহ্যে ইতালির ধারেকাছেও নেই আরব আমিরাত। একবারই বিশ্বকাপে খেলেছে তারা। ১৯৯০ সালের সেই বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচই হেরেছিল আরব আমিরাত।</p><h3>ইরান সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষা</h3><p>ইরান ফুটবল দল বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিলেও এই টুর্নামেন্টে তাদের অংশগ্রহণ শেষ পর্যন্ত নির্ভর করছে সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপর—এমনটাই জানিয়েছেন দেশটির যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী আহমদ দুনিয়ামালি।</p><p>গত মঙ্গলবার ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাতে জানা যায়, আহমদ দুনিয়ামালি বলেছেন, <em>‘যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলেই কেবল আমরা বিশ্বকাপে অংশ নিতে সে দেশে যাব। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সরকার এবং দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল।’</em></p><p>দুনিয়ামালি জোর দিয়ে বলেন, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা চললেও জাতীয় দলের বিশ্বকাপ প্রস্তুতিতে কোনো ভাটা পড়বে না, <em>‘জাতীয় দল শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপে না-ও যেতে পারে; কিন্তু যদি আমরা অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিই, তবে আমাদের অবশ্যই পুরোপুরি প্রস্তুত থাকতে হবে।’</em></p><p>আগামী ১১ জুন পর্দা উঠবে বিশ্বকাপের। সূচি অনুযায়ী, ১৫ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করার কথা ইরানের। যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি মেক্সিকো ও কানাডা এবার বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:25:23 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও গ্রামীণ জীবনের একঝলক: ফুল, মাছ, হাটবাজার ও কৃষিকাজ]]></title>
				<category>পরিবেশ</category>
				<link>https://bdgazette.com/jibonjapon/poribesh/article-79529.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও গ্রামীণ জীবনের একঝলক</h2><p>বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও গ্রামীণ জীবনের নানা দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি হয়েছে। রাঙামাটি, ফরিদপুর, খুলনা, বগুড়া, রংপুর ও মানিকগঞ্জের স্থানীয় দৃশ্যগুলো দেশের বৈচিত্র্যময় জীবনধারাকে ফুটিয়ে তুলেছে।</p><h3>প্রকৃতির রঙিন আভা</h3><p>রাঙামাটির লিচুবাগান তঞ্চঙ্গ্যাপাড়ায় হলুদ অলকানন্দা ফুলের শোভা ছড়িয়ে পড়েছে। এপ্রিলের এই সময়ে ফুলের সৌন্দর্য প্রকৃতিকে আরও রঙিন করে তুলছে। খুলনার গোয়ালখালীতে বুনো লতার ডগায় প্রজাপতি উড়ে এসে বসেছে, যা প্রাকৃতিক জীবনের এক মোহনীয় দৃশ্য সৃষ্টি করেছে।</p><h3>গ্রামীণ অর্থনীতি ও জীবিকা</h3><p>রাঙামাটির বনরূপায় কাপ্তাই হ্রদ থেকে ধরা ছোট মাছ বিক্রেতারা সাজিয়ে বিক্রি করছেন। ফরিদপুরের খলিলপুরে সাপ্তাহিক হাটে বসে বাঁশের চালুনিসহ অন্যান্য সামগ্রী তৈরি ও বিক্রি করা হচ্ছে। বগুড়ার গাবতলীর সোন্দাবাড়িতে স্বল্প মূল্যে চাল-আটা কেনার জন্য নারীদের দীর্ঘ সারি লক্ষণীয়।</p><h3>কৃষিকাজ ও দৈনন্দিন জীবন</h3><p>ফরিদপুরের অম্বিকাপুরে ইজার দুর্গাপুরে পেঁয়াজের বীজ মাড়াই শেষে বাড়ির উঠানে শুকাতে দেওয়া হয়েছে। রংপুরের গঙ্গাচড়ার ওকড়াবাড়িতে খেতে পলিথিন বিছিয়ে শসার বীজ রোপণের প্রস্তুতি চলছে। রংপুরের গঙ্গাচড়ার বেতগাড়িতে একটি শিশু দাদার পিঠে চড়ে বিদ্যালয়ে যাচ্ছে, যা গ্রামীণ পরিবারের মধুর সম্পর্কের প্রতিফলন।</p><h3>প্রাকৃতিক পরিবেশ</h3><p>মানিকগঞ্জের গিলন্ডে সড়কের দুই পাশের বড় বড় গাছ সবুজ শামিয়ানার মতো ছায়া দিচ্ছে, যা পরিবেশের শান্তি ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি করছে। এই দৃশ্যগুলো বাংলাদেশের গ্রামীণ ও প্রাকৃতিক জীবনের সমৃদ্ধিকে তুলে ধরে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:24:03 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বিশ্ব বই দিবসে জেনে নিন বিশ্বের ১০টি সবচেয়ে সুন্দর লাইব্রেরির গল্প]]></title>
				<category>বই</category>
				<link>https://bdgazette.com/jibonjapon/boi/article-79528.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>বিশ্ব বই দিবস: জ্ঞানের আলোয় উদ্ভাসিত একটি দিন</h2><p>আজ ২৩ এপ্রিল, বিশ্ব বই দিবস। দিনটিকে অনেকে ‘বিশ্ব গ্রন্থ ও গ্রন্থস্বত্ব দিবস’ হিসেবেও চেনেন। বই পড়া, বই ছাপানো, বইয়ের কপিরাইট সংরক্ষণসহ নানা বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে প্রতিবছর এই দিনটি পালন করা হয়। জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (ইউনেসকো) এর উদ্যোগে ১৯৯৫ সাল থেকে দিবসটি উদযাপিত হয়ে আসছে।</p><p>বই দিবস হিসেবে ২৩ এপ্রিলকে বেছে নেওয়ার পেছনে রয়েছে একটি ঐতিহাসিক কারণ। এই দিনেই সাহিত্যজগতের তিন কিংবদন্তি লেখক উইলিয়াম শেক্সপিয়ার, মিগেল দে থের্ভান্তেস এবং ইনকা গার্সিলাসো দে ভেগার প্রয়াণদিবস। তাদের স্মরণে দিনটি বইপ্রেমীদের জন্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।</p><h3>বই পড়ার গুরুত্ব ও বিশ্বের পরিসংখ্যান</h3><p>বিশ্ব বই দিবস শুধু উদযাপনের দিন নয়, এটি বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলারও একটি আহ্বান। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বই পড়া কেবল বিনোদনের মাধ্যমই নয়, বরং এটি কাজের চাপ, শিক্ষাজীবনের ক্লান্তি কিংবা ব্যক্তিগত জীবনের সংকট থেকে মুক্তি পেতেও সহায়ক ভূমিকা পালন করে। বই হয়ে ওঠে মানুষের নির্ভরযোগ্য আশ্রয়স্থল।</p><p>তবে পৃথিবীতে বই পড়া মানুষের সংখ্যা কমে যাওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন অনেক গবেষক। বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ সবচেয়ে বেশি বই পড়েন, অন্যদিকে বাংলাদেশের অবস্থান তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে। এই দিবসটি তাই বই পড়ার অভ্যাস বৃদ্ধি ও জ্ঞানার্জনের গুরুত্বকে আরও একবার মনে করিয়ে দেয়।</p><h3>বিশ্বের ১০টি সবচেয়ে সুন্দর লাইব্রেরির অভ্যন্তরীণ সৌন্দর্য</h3><p>বিশ্ব বই দিবসে বইপ্রেমীরা শুধু গল্প ও জ্ঞানই নয়, সেই সব স্থানকেও উদযাপন করেন যেখানে এসব সংরক্ষিত থাকে। ডিজিটাল পাঠ জনপ্রিয় হলেও, একটি শ্বাসরুদ্ধকর সুন্দর লাইব্রেরিতে প্রবেশ করার অনুভূতি অদ্বিতীয়। স্থাপত্য, ইতিহাস ও সাহিত্য যেখানে নীরব সুরে এক হয়ে যায়। শতাব্দীপ্রাচীন হলঘর থেকে ভবিষ্যৎমুখী নকশা পর্যন্ত, এখানে বিশ্বের ১০টি সবচেয়ে সুন্দর লাইব্রেরির কথা তুলে ধরা হলো।</p><ol><li><strong>ট্রিনিটি কলেজ লাইব্রেরি, ডাবলিন, আয়ারল্যান্ড:</strong> দীর্ঘ লম্বা রুম, উঁচু কাঠের বুকশেলফ ও খিলানাকৃতির ছাদ নিয়ে এই লাইব্রেরিটি যেন সরাসরি কোনো ফ্যান্টাসি চলচ্চিত্র থেকে উঠে এসেছে। এখানে রয়েছে বিখ্যাত বুক অব কেলস।</li><li><strong>অ্যাডমন্ট অ্যাবি লাইব্রেরি, অ্যাডমন্ট, অস্ট্রিয়া:</strong> বারোক স্থাপত্যের এই অনন্য নিদর্শনটিকে প্রায়ই বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর মঠ-লাইব্রেরি বলা হয়। সাদা-সোনালি আঁকিবুঁকির ছাদ ও অলংকৃত ভাস্কর্য এটিকে ঝলমলে করে তোলে।</li><li><strong>বিবলিওথেকা আলেকজান্দ্রিনা, আলেকজান্দ্রিয়া, মিসর:</strong> প্রাচীন আলেকজান্দ্রিয়ার লাইব্রেরির আধুনিক শ্রদ্ধার্ঘ্য হিসেবে নির্মিত এই দৃষ্টিনন্দন স্থাপনাটি আধুনিক নকশা ও ঐতিহাসিক গুরুত্বকে একসঙ্গে মিলিয়েছে।</li><li><strong>স্ত্রাহভ মনাস্টেরি লাইব্রেরি, প্রাগ, চেক প্রজাতন্ত্র:</strong> নিখুঁতভাবে আঁকা ছাদ ও প্রাচীন গ্লোব নিয়ে এই লাইব্রেরিটি বিশেষ আকর্ষণীয়। থিওলজিক্যাল হল ও ফিলোসফিক্যাল হল শতাব্দীপ্রাচীন পাণ্ডুলিপির সংগ্রহ নিয়ে গর্ব করে।</li><li><strong>জর্জ পিবডি লাইব্রেরি, বাল্টিমোর, যুক্তরাষ্ট্র:</strong> ‘ক্যাথেড্রাল অব বুকস’ নামে পরিচিত এই লাইব্রেরিতে পাঁচ স্তরের ঢালাই করা লোহার বারান্দা রয়েছে, যা নাটকীয়ভাবে ওপরে স্কাইলাইট পর্যন্ত উঠে গেছে।</li><li><strong>স্টুটগার্ট সিটি লাইব্রেরি, স্টুটগার্ট, জার্মানি:</strong> মিনিমালিস্ট ও ভবিষ্যৎমুখী এই লাইব্রেরি ক্লাসিক নকশার সম্পূর্ণ বিপরীত। ভেতরটা পুরো সাদা, কিউবিক আকৃতির এবং উন্মুক্ত বিন্যাসে অনন্য পাঠপরিবেশ তৈরি করে।</li><li><strong>রয়্যাল পর্তুগিজ ক্যাবিনেট অব রিডিং, রিও ডি জেনেইরো, ব্রাজিল:</strong> নিও-ম্যানুয়েলাইন স্থাপত্যের এই লুকানো রত্নে কাঠের সূক্ষ্ম খোদাই ও রঙিন কাচের স্কাইলাইট রয়েছে, যা উনিশ শতকের রাজকীয় পাঠকক্ষের অনুভূতি জাগায়।</li><li><strong>তিয়ানজিন বিনহাই লাইব্রেরি, তিয়ানজিন, চীন:</strong> বিশ্বের সবচেয়ে ভবিষ্যৎমুখী লাইব্রেরিগুলোর একটি, যেখানে ঢেউয়ের মতো বুকশেলফ ও বিশাল গোলাকার অডিটোরিয়াম রয়েছে।</li><li><strong>লাইব্রেরি অব কংগ্রেস, ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র:</strong> বিশ্বের সবচেয়ে বড় লাইব্রেরিগুলোর একটি, থমাস জেফারসন বিল্ডিংয়ে বিশাল সিঁড়ি, মোজাইক ও বিস্ময়কর পাঠকক্ষ রয়েছে।</li><li><strong>বিবলিওতেকা জোয়ানিনা, কোইম্ব্রা, পর্তুগাল:</strong> ১৮ শতকের এই লাইব্রেরিটি সোনালি কাঠের কাজ, সমৃদ্ধভাবে আঁকা ছাদ ও প্রাচীন চামড়ায় বাঁধানো বই নিয়ে গর্ব করে। মজার তথ্য হলো, বইগুলোকে পোকামাকড় থেকে রক্ষা করতে ভেতরে বাদুড় রাখা হয়।</li></ol><p>এই লাইব্রেরিগুলো শুধু বইয়ের ভান্ডারই নয়, বরং স্থাপত্য শিল্পেরও অনন্য নিদর্শন। বিশ্ব বই দিবসে এগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে বই জ্ঞানের পাশাপাশি সৌন্দর্যেরও উৎস হতে পারে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:03:56 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ঢাকার ৯ এলাকায় ৮ ঘণ্টার গ্যাসের তীব্র স্বল্পচাপ, তিতাস গ্যাসের দুঃখ প্রকাশ]]></title>
				<category>জ্বালানি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/jbalani/article-79527.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>ঢাকার ৯ এলাকায় ৮ ঘণ্টার গ্যাসের তীব্র স্বল্পচাপ</h2><p>রাজধানী ঢাকার আশকোনা, উত্তরখান, দক্ষিণখান, উত্তরা, কসাইবাড়ি, প্রেমবাগান, কাওলা, বিমানবন্দর ও এর আশপাশের এলাকায় আজ বৃহস্পতিবার গ্যাসের তীব্র স্বল্পচাপ থাকবে বলে জানিয়েছে তিতাস গ্যাস লিমিটেড।</p><h3>সময়সীমা ও কারণ</h3><p>এক বিজ্ঞপ্তিতে তিতাস গ্যাস লিমিটেড স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে যে, আজ বেলা ১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মোট ৮ ঘণ্টার জন্য গ্যাসের তীব্র স্বল্পচাপ থাকবে। এই সমস্যার মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে আশকোনা এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপের সমস্যা সমাধানে পাইপ লাইনের জরুরি মেরামতকাজ।</p><p>এই মেরামতকাজটি সম্পন্ন করার জন্য গ্যাস সরবরাহ সাময়িকভাবে হ্রাস করা হচ্ছে, যা উল্লিখিত এলাকাগুলোতে স্বল্পচাপের সৃষ্টি করবে। তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই কাজটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এবং ভবিষ্যতে গ্যাস সরবরাহের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে এটি করা হচ্ছে।</p><h3>গ্রাহকদের জন্য বার্তা</h3><p>তিতাস গ্যাস লিমিটেড এসব এলাকার গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে। কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে গ্রাহকদের অনুরোধ করা হয়েছে যে, এই সময়ে গ্যাস ব্যবহারে সংযম বজায় রাখুন এবং সম্ভব হলে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।</p><p>এছাড়াও, তিতাস গ্যাস লিমিটেড আশ্বাস দিয়েছে যে, মেরামতকাজ শেষ হওয়ার পর দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হবে। গ্রাহকরা যাতে আরও বিস্তারিত তথ্য পেতে পারেন, সে জন্য তিতাস গ্যাসের অফিসিয়াল চ্যানেলগুলোতে নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।</p><p>এই ঘটনাটি রাজধানীর দৈনন্দিন জীবনে গ্যাসের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে। তিতাস গ্যাস লিমিটেডের এই পদক্ষেপটি দীর্ঘমেয়াদে গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নতির লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:29:39 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[শুটিং ফেডারেশন কলির বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করল, তবে নানাবিধ শর্ত আরোপ]]></title>
				<category>ক্রীড়া প্রশাসন</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/krira-proshashon/article-79526.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>শুটিং ফেডারেশন কলির বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করল, তবে নানাবিধ শর্ত আরোপ</h2><p>ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের সুপারিশ ও নানান শর্তে অবশেষে দেশসেরা শুটার কামরুন নাহার কলির বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছে শুটিং ফেডারেশন। বহিষ্কার প্রত্যাহার করলেও তার ওপর আরোপ করা হয়েছে নানাবিধ শর্ত ও বিধি-নিষেধ। এসব নির্দেশনা মেনে লিখিত অঙ্গীকার দিয়ে আবার শুটিং ক্যাম্পে ফিরতে হবে কলিকে। ফেডারেশন আরোপিত নির্দেশনা অমান্য করলে কোনো নোটিশ ছাড়াই আবার স্থায়ীভাবে বহিষ্কার হবেন কলি। এমনটি জানিয়ে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে চিঠি দিয়েছে শুটিং ফেডারেশন।</p><h3>মিডিয়া সংক্রান্ত কঠোর নির্দেশনা</h3><p>ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আলেয়া ফেরদৌস স্বাক্ষরিত বহিষ্কার প্রত্যাহার চিঠিতে কলির প্রতি মিডিয়া সংক্রান্ত নির্দেশনাই বেশি এসেছে। সেখানে উল্লেখ রয়েছে ফেডারেশনের অনুমতি ছাড়া মিডিয়ায় বক্তব্য দেওয়া যাবে না। এমনকি ফেসবুক কিংবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেডারেশনের কোনো সিদ্ধান্ত কিংবা কোনো খেলোয়াড়-কোচকে নিয়ে বিশেষভাবেও পোস্ট দেওয়া যাবে না। কোচের আচরণবিধির পাশাপাশি ক্যাম্পের আইনশৃঙ্খলাও মেনে চলতে হবে।</p><h3>তিন মাসের পর্যবেক্ষণ ও স্থায়ী বহিষ্কারের হুমকি</h3><p>কলিকে তিন মাস পর্যবেক্ষণ করবে ফেডারেশন। এই সময়ের মধ্যে কোনো ছোটখাটো শৃঙ্খলা ভঙ্গ হলেও সেটা স্থায়ী বহিষ্কারের কারণ হবে। পর্যবেক্ষণ সময়ের পরেও যদি ফেডারেশনের উল্লেখিত শর্ত ভাঙা হয়; সেক্ষেত্রে কারণ দর্শানোর নোটিশ ছাড়াই বহিষ্কার পুনরায় কার্যকর হবে।</p><h3>অভিযোগ ও তদন্তের পটভূমি</h3><p>মূলত ফেডারেশনের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক জিএম হায়দার সাজ্জাদের বিরুদ্ধে মিডিয়ায় অসদাচরণের অভিযোগ তোলার পরই শাস্তি পেয়েছেন কলি। যা নিয়ে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে চিঠিও দিয়েছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ তদন্ত কমিটি করে। সেই কমিটি সাজ্জাদের দোষ খুঁজে পেয়ে শুটিং থেকে নিষিদ্ধের সুপারিশ করে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ সাজ্জাদকে শুটিং ফেডারেশনের পদ থেকে সরিয়েও দেয়।</p><h3>কলির প্রতিক্রিয়া</h3><p>বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার নিয়ে কলি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন,‘আমি শুধু শুনেছি। এখনও ফেডারেশন থেকে চিঠি পাইনি।’</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:02:30 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্র্রাইব্যুনালে শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির মামলার পরবর্তী আদেশের দিন নির্ধারণ]]></title>
				<category>আইন বিভাগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/ain-bibhag/article-79525.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির মামলার পরবর্তী আদেশের দিন নির্ধারণ</h2><p>আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় নারায়ণগঞ্জে ১০ জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের পরবর্তী আদেশের জন্য আগামী ৫ মে দিন নির্ধারণ করেছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ দিন নির্ধারণ করেন, যেখানে অপর সদস্য ছিলেন বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।</p><h3>আসামিদের অব্যাহতি আবেদন ও শুনানি</h3><p>ট্রাইব্যুনালে আসামিদের অব্যাহতি চেয়ে করা আবেদনের শুনানি করেন আইনজীবী মো. আলী হায়দার, শেখ মুস্তাভী হাসান ও আমির হোসেন। আসামিরা পলাতক থাকায় সরকারি খরচে নিযুক্ত হয়ে আইনি লড়াই করছেন তারা। শুনানিতে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবীরা দাবি করেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার কারণেই এ মামলায় শামীম ওসমানসহ ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে, কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে প্রাথমিক কোনো অভিযোগ আনতে পারেনি প্রসিকিউশন। তাই তারা আসামিদের অব্যাহতি চান।</p><p>এ সময় আইনজীবী আলী হায়দারের করা অব্যাহতি আবেদন নিয়ে আপত্তি জানান প্রসিকিউশন। তারা দাবি করেন, শামীম ওসমানসহ অন্য আসামিদের সঙ্গে তার যোগসাজশ রয়েছে। প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম বলেন, <em>"ডিসচার্জ আবেদনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে কথিত বলে উল্লেখ করেছেন শামীম ওসমানসহ চারজনের পক্ষে নিযুক্ত স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী আলী হায়দার। ফরমাল চার্জের বাইরেও তিনি বিভিন্ন জিনিস এনেছেন। তাই এ আবেদন নিয়ে আমাদের আপত্তি রয়েছে।"</em></p><h3>আসামিদের তালিকা ও অভিযোগের বিবরণ</h3><p>শামীম ওসমান ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন:</p><ul><li>তার ছেলে ইমতিনান ওসমান অয়ন</li><li>ভাতিজা আজমেরী ওসমান</li><li>অয়নের শ্যালক মিনহাজ উদ্দিন আহমেদ ভিকি</li><li>নারায়ণগঞ্জ রাইফেলস ক্লাবের সাবেক সভাপতি তানভীর আহমেদ টিটু</li><li>বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ডিবিসির নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি রাজু আহমেদ</li><li>১৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবু</li><li>১৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর কামরুল হাসান মুন্না</li><li>নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজাম উদ্দিন আহমেদ</li><li>যুবলীগ নেতা শাহাদাত হোসেন সাজনু</li><li>ছাত্রলীগ নেতা হাবিবুর রহমান রিয়াদ</li><li>সোহানুর রহমান শুভ্র</li></ul><p>গত ১৯ এপ্রিল আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের আবেদন জানিয়ে প্রসিকিউশনের শুনানি শেষ হয়। শুনানিতে মামলায় আনা তিনটি অভিযোগ তুলে ধরা হয়:</p><ol><li>২০২৪ সালের ১৯ জুলাই নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার চাষাড়া, ফতুল্লা থানাধীন সাইনবোর্ডসহ আশপাশের এলাকায় কিশোর আদিল, ইয়াছিন, শিক্ষার্থী পারভেজ, পোশাককর্মী রাসেল, ছয় বছরের শিশু রিয়াসহ ছয়জনকে হত্যা করা হয়।</li><li>২১ জুলাই ফাতুল্লা থানাধীন ভূইগড় বাসস্ট্যান্ডের সামনে আবদুর রহমান ও মোহাম্মদ রাকিবকে হত্যা করা হয়।</li><li>৫ আগস্ট বদিউজ্জামান ও আবুল হাসানকে হত্যা করা হয়।</li></ol><p>এ তিন অভিযোগে ১২ আসামির বিরুদ্ধে চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেয় প্রসিকিউশন। একই দিন অভিযোগ আমলে নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল-১। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী ৫ মে দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:37:27 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ঢাকাসহ ২৩ জেলায় তাপপ্রবাহ বৃদ্ধির পূর্বাভাস, রাজশাহীতে তীব্র গরম]]></title>
				<category>পরিবেশ</category>
				<link>https://bdgazette.com/jibonjapon/poribesh/article-79524.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>ঢাকাসহ ২৩ জেলায় তাপপ্রবাহ বৃদ্ধির পূর্বাভাস, রাজশাহীতে তীব্র গরম</h2><p>আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপপ্রবাহের তীব্রতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। রাজশাহী জেলার ওপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যেখানে বুধবার (২২ এপ্রিল) তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠেছে। এছাড়া, দেশের প্রায় সব জেলাতেই তাপমাত্রা ৩৫ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে।</p><h3>তাপপ্রবাহের বিস্তার ও প্রভাব</h3><p>বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালের পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, রাজশাহী বিভাগের অবশিষ্ট অংশ এবং খুলনা বিভাগসহ ঢাকা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, মাদারীপুর, দিনাজপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, লক্ষ্মীপুর, রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলাসমূহের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এই তাপপ্রবাহ আগামী কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।</p><p>এর ফলে, সারা দেশে বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে, তবে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল)ও তাপপ্রবাহের এই ধারা অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর সতর্ক করে দিয়েছে যে, পরিস্থিতি উন্নতির কোনো লক্ষণ এখনো দেখা যাচ্ছে না, বরং গরম আরও বাড়তে পারে।</p><h3>আবহাওয়ার অন্যান্য পূর্বাভাস</h3><p>বৃহস্পতিবার ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দুএক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিও হতে পারে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।</p><p>তবে, শনিবার (২৫ এপ্রিল) বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ওইদিন রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দুএক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এর ফলে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।</p><p><strong>সারসংক্ষেপ:</strong> দেশজুড়ে তাপপ্রবাহের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে, বিশেষ করে রাজশাহীতে তীব্র গরম অনুভূত হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই অবস্থা আগামী কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে, তবে শনিবার বৃষ্টির মাধ্যমে কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে। জনসাধারণকে অতিরিক্ত গরম থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:22:32 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ওমরাহর ১০টি গুরুত্বপূর্ণ কাজ: আধ্যাত্মিক পরিশুদ্ধির পথে ধাপে ধাপে নির্দেশনা]]></title>
				<category>আধ্যাত্মিকতা</category>
				<link>https://bdgazette.com/jibonjapon/adhyatmikota/article-79523.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>ওমরাহর ১০টি গুরুত্বপূর্ণ কাজ: আধ্যাত্মিক পরিশুদ্ধির পথে ধাপে ধাপে নির্দেশনা</h2><p>পবিত্র ওমরাহ মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত, যা আল্লাহর নৈকট্য লাভের অনন্য সুযোগ সৃষ্টি করে। এই ইবাদতটি মক্কা নগরীর পবিত্র পরিবেশে মসজিদুল হারাম ও কাবা শরিফকে কেন্দ্র করে সম্পন্ন হয়, যা মুসলমানদের হৃদয়ে গভীর প্রশান্তি ও আধ্যাত্মিক শান্তি বয়ে আনে। ওমরাহর প্রতিটি ধাপই আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা, আনুগত্য এবং আত্মসমর্পণের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই সঠিকভাবে এই ইবাদত সম্পন্ন করতে এর মূল কাজগুলো জানা অত্যন্ত জরুরি।</p><h3>ওমরাহর ধাপগুলো: একটি বিস্তারিত বিবরণ</h3><p>ওমরাহ পালনের জন্য প্রয়োজনীয় ১০টি কাজ নিম্নলিখিত ধারাবাহিকতায় সম্পন্ন করতে হয়। প্রতিটি ধাপের মধ্যে রয়েছে বিশেষ আধ্যাত্মিক তাৎপর্য, যা মুসলিমদের অন্তরকে পরিশুদ্ধ করে।</p><ol><li><strong>গোসল করা:</strong> ওমরাহ শুরু করার আগে গোসল বা পবিত্রতা অর্জন করা আবশ্যক। এটি শারীরিক ও আত্মিক পরিচ্ছন্নতার প্রতীক।</li><li><strong>ইহরাম পরিধান করা:</strong> বিশেষ পোশাক ইহরাম পরিধান করে ওমরাহর উদ্দেশ্যে প্রস্তুতি নিতে হয়। এটি সরলতা ও আল্লাহর সামনে সমর্পণের চিহ্ন।</li><li><strong>মিকাতে এসে ওমরার নিয়ত করা:</strong> নির্দিষ্ট স্থান মিকাতে পৌঁছে ওমরাহর নিয়ত পাঠ করতে হয়। নিয়তের আরবি উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি উরিদুল উমরাতা ফাইয়াসসিরহা লি ওয়া তাকাব্বালহা মিননি’, অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আমি ওমরাহ পালনের ইচ্ছা করেছি, আপনি তা আমার জন্য সহজ করে দিন এবং আমার পক্ষ থেকে তা কবুল করুন।’</li><li><strong>তালবিয়া পাঠ করা:</strong> ইহরাম অবস্থায় তালবিয়া পাঠ করা গুরুত্বপূর্ণ। এর আরবি উচ্চারণ: ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়ান্নিমাতা লাকা ওয়াল মুল্ক, লা শারিকা লাক।’ অর্থ: ‘আমি হাজির, হে আল্লাহ! আমি হাজির; আমি হাজির, আপনার কোনো শরিক নেই, আমি হাজির; নিশ্চয়ই সকল প্রশংসা, নিয়ামত এবং রাজত্ব আপনারই; আপনার কোনো শরিক নেই।’</li><li><strong>মসজিদুল হারামে প্রবেশ করা:</strong> পবিত্র মসজিদুল হারামে প্রবেশ করে ওমরাহর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এই স্থানের মহিমা মুসলমানদের হৃদয়ে বিশেষ ভক্তি জাগায়।</li><li><strong>কাবা শরিফ তাওয়াফ করা:</strong> কাবা শরিফের চারপাশে সাত চক্কর দিয়ে তাওয়াফ সম্পন্ন করতে হয়। এটি আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা ও আনুগত্যের প্রকাশ।</li><li><strong>মাক্কামে ইবরাহিমের সামনে ২ রাকাত সলাত পড়া:</strong> তাওয়াফের পর মাক্কামে ইবরাহিমের সামনে দুই রাকাত নামাজ আদায় করা সুন্নত। এটি নবী ইবরাহিম (আ.)-এর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা।</li><li><strong>জমজমের পানি পান করা:</strong> পবিত্র জমজমের পানি পান করা ওমরাহর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা আধ্যাত্মিক ও শারীরিক কল্যাণ বয়ে আনে বলে বিশ্বাস করা হয়।</li><li><strong>সাফা মারওয়া সাঈ করা:</strong> সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের মধ্যে সাতবার দৌড়ানো বা হাঁটা প্রয়োজন। এটি হাজেরা (আ.)-এর স্মৃতির সাথে সম্পর্কিত এবং ধৈর্যের প্রতীক।</li><li><strong>মাথা মুন্ডন করে হালাল হওয়া:</strong> শেষ ধাপে মাথার চুল মুন্ডন বা ছোট করে কাটার মাধ্যমে ওমরাহ সম্পন্ন হয় এবং হালাল অবস্থায় ফিরে আসা যায়। এটি ইবাদতের সমাপ্তি ও নতুন শুরুকে নির্দেশ করে।</li></ol><h3>ওমরাহর আধ্যাত্মিক তাৎপর্য ও গুরুত্ব</h3><p>ওমরাহর এই সংক্ষিপ্ত ধাপগুলো অনুসরণ করে একজন মুসলিম সহজেই শুদ্ধভাবে এই ইবাদত আদায় করতে পারেন। প্রতিটি কাজের মধ্যে লুকিয়ে আছে গভীর আধ্যাত্মিক তাৎপর্য, যা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের পথ সুগম করে। আন্তরিক নিয়ত, খুশু-খুজু এবং সুন্নাহ অনুযায়ী আমল করলে ওমরাহ জীবনের এক অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতায় পরিণত হয়। এটি শুধু একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং আত্মার পরিশুদ্ধি ও আল্লাহর সাথে সম্পর্ক দৃঢ় করার একটি মাধ্যম।</p><p>ওমরাহ পালনের মাধ্যমে মুসলমানরা নিজেদের অন্তরকে পরিশুদ্ধ করে, পাপ থেকে মুক্তি পায় এবং আল্লাহর বিশেষ রহমত লাভের আশা করে। এই ইবাদতের মাধ্যমে তারা বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সাথে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার অনুভূতি অনুভব করে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই পবিত্র ইবাদত সুন্দরভাবে আদায় করার তৌফিক দান করুন। আমিন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:22:31 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর ঢাকা-চট্টগ্রাম ও আন্তজেলা বাস ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বাড়ানো হয়েছে]]></title>
				<category>জ্বালানি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/jbalani/article-79522.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে বাস ভাড়া সমন্বয়: প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বাড়ানো হয়েছে</h2><p>সড়ক, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে একটি সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা করেছেন যে, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগর এবং আন্তজেলা বাসের ভাড়া সমন্বয় করা হয়েছে। এই সমন্বয়ের ফলে প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া <strong>১১ পয়সা বাড়ানো হয়েছে</strong>, যা যাত্রীদের জন্য নতুন ভাড়া কাঠামো নির্ধারণ করবে।</p><h3>মন্ত্রীর বিবৃতি ও সরকারের পদক্ষেপ</h3><p>মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সড়ক পরিবহন মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে বলেন, <em>"জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর সরকার বাসের ভাড়া সমন্বয় করল। এই সিদ্ধান্ত যাত্রী ও পরিবহন মালিকদের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে নেওয়া হয়েছে।"</em> তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই ভাড়া সমন্বয় প্রক্রিয়া দ্রুততার সাথে বাস্তবায়ন করা হবে যাতে যাত্রীরা কোনো অসুবিধার সম্মুখীন না হন।</p><h3>ভাড়া বৃদ্ধির প্রভাব ও বিশদ বিবরণ</h3><p>এই ভাড়া সমন্বয়ের ফলে:</p><ul><li>ঢাকা মহানগরে বাস ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বৃদ্ধি পেয়েছে।</li><li>চট্টগ্রাম মহানগরেও একই হারে ভাড়া বাড়ানো হয়েছে।</li><li>আন্তজেলা বাস রুটগুলোর জন্য ভাড়া কাঠামো সংশোধন করা হয়েছে।</li></ul><p>মন্ত্রী জানান, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পরিবহন খাতের অপারেটিং খরচ বাড়িয়ে দিয়েছে, যা ভাড়া সমন্বয়ের মূল কারণ। সরকার এই পদক্ষেপ নিয়ে পরিবহন মালিকদের সাথে আলোচনা করেছে এবং যাত্রীদের স্বার্থ বিবেচনায় রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।</p><h3>ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও সতর্কতা</h3><p>সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ ভাড়া সমন্বয়ের পর নিয়মিত মনিটরিং করবে যাতে কোনো অসাধু পরিবহন মালিক অতিরিক্ত ভাড়া আদায় না করতে পারে। মন্ত্রী আরও বলেন, <em>"আমরা যাত্রীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং পরিবহন খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিচ্ছি।"</em> এই ভাড়া বৃদ্ধি জ্বালানি তেলের বাজার মূল্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে পরিস্থিতি পরিবর্তন হলে পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:24:22 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[জ্বালানি মূল্য সমন্বয়ের প্রেক্ষিতে বাস ভাড়া বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত সরকারের]]></title>
				<category>জ্বালানি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/jbalani/article-79521.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>জ্বালানি মূল্য সমন্বয়ের প্রেক্ষিতে বাস ভাড়া বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত সরকারের</h2><p>চলমান জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষিতে সরকার বাস ভাড়া বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যাত্রীদের এখন প্রতি কিলোমিটারে অতিরিক্ত ১১ পয়সা প্রদান করতে হবে। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বাস মালিক সমিতি ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সাথে এক বৈঠকের পর এই পদক্ষেপের ঘোষণা দেন।</p><h3>মন্ত্রীর বিবৃতি ও সিদ্ধান্তের কারণ</h3><p>মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, জ্বালানি মূল্যের সাম্প্রতিক সমন্বয়ের পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। তিনি বলেন, <em>"জ্বালানির দাম বৃদ্ধির প্রভাব মোকাবেলায় এবং পরিবহন খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এই ভাড়া সমন্বয় অপরিহার্য ছিল।"</em> বৈঠকে বাস মালিকদের প্রতিনিধি এবং সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন, যারা এই বিষয়ে সম্মতির ভিত্তিতে এগিয়ে এসেছেন।</p><h3>নতুন ভাড়ার হার ও প্রয়োগের ক্ষেত্র</h3><p>নতুন হার অনুসারে, ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরী এলাকায় বাস ও মিনিবাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ২ টাকা ৪২ পয়সা থেকে বেড়ে ২ টাকা ৫৩ পয়সায় নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ, এই দুই মহানগরীতে ভাড়া বৃদ্ধির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১১ পয়সা প্রতি কিলোমিটারে।</p><p>অন্যদিকে, দীর্ঘ দূরত্বের রুটগুলোর জন্য ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ২ টাকা ১২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২ টাকা ২৩ পয়সা করা হয়েছে। এই সমন্বয়ও প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বৃদ্ধির নির্দেশ দেয়।</p><h3>সিদ্ধান্তের প্রভাব ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা</h3><p>এই ভাড়া বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নগরবাসী ও দৈনিক যাত্রীদের উপর তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলবে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিচ্ছেন। তবে, মন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন যে সরকার যাত্রীসেবার মান বজায় রাখতে এবং পরিবহন খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।</p><p>সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের একজন কর্মকর্তা জানান, <strong>নতুন ভাড়া হার দ্রুততম সময়ের মধ্যে কার্যকর করা হবে এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে এই বিষয়ে অবহিত করা হচ্ছে।</strong> এছাড়াও, ভাড়া নিয়ন্ত্রণ ও পর্যবেক্ষণের জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠনের কথাও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।</p><p>সর্বোপরি, এই সিদ্ধান্তটি জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা এবং পরিবহন খাতের ব্যয় বৃদ্ধির মধ্যে একটি ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা হিসেবে দেখা যাচ্ছে। সরকারের লক্ষ্য হলো পরিবহন সেবা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি যাত্রীদের জন্য যুক্তিসঙ্গত ভাড়া নিশ্চিত করা।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:07:31 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বান্দরবানে ৬ রাবার শ্রমিক অপহরণ, ২০ লাখ মুক্তিপণ দাবি; ভার্চুয়াল কোর্টে ১৭৭ মামলা নিষ্পত্তি]]></title>
				<category>আফ্রিকা</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/africa/article-79520.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>বান্দরবানে ছয় রাবার শ্রমিক অপহরণ, ২০ লাখ মুক্তিপণ দাবি</h2><p>বান্দরবানে একটি উদ্বেগজনক ঘটনায় ছয়জন রাবার শ্রমিককে অপহরণ করা হয়েছে। অপহরণকারীরা ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছে, যা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছে নিশ্চিত করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং অপহৃতদের উদ্ধারে তদন্ত চলছে।</p><h3>ভার্চুয়াল কোর্টের প্রথম দিনেই ১৭৭ মামলা নিষ্পত্তি</h3><p>আদালতের ডিজিটাল রূপান্তরের অংশ হিসেবে ভার্চুয়াল কোর্টের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রথম দিনেই ১৭৭টি মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে, যা বিচার ব্যবস্থার গতি বৃদ্ধির একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই ব্যবস্থা বিচারপ্রার্থীদের জন্য সময় ও খরচ সাশ্রয়ী হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।</p><h3>সৌদি আরবে হজে গিয়ে আরেক বাংলাদেশির মৃত্যু</h3><p>সৌদি আরবে হজ পালন করতে গিয়ে আরেক বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় মৃতের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে এবং কর্তৃপক্ষ মৃত্যুর কারণ তদন্ত করছে। প্রতি বছর হজে অংশ নেওয়া হাজারো বাংলাদেশির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।</p><h3>বাসভাড়া বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত ও পরিবহন মালিকদের বৈঠক</h3><p>পরিবহন খাতে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া ১১ পয়সা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে পরিবহন মালিকদের সঙ্গে সড়কমন্ত্রীর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে ভাড়া বৃদ্ধির পেছনের কারণ ও প্রভাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এই পরিবর্তন যাত্রীদের উপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন।</p><h3>অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খবর</h3><ul><li><strong>জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাব হত্যা:</strong> শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘নলা কাশেম’ গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যা নিরাপত্তা বাহিনীর একটি বড় সাফল্য।</li><li><strong>এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা বাতিল:</strong> নির্বাচন কমিশন তার প্রার্থিতা বাতিল করেছে, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার সৃষ্টি করেছে।</li><li><strong>দেশজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ:</strong> আবহাওয়া অধিদপ্তর সতর্কতা জারি করেছে, জনগণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।</li><li><strong>মার্কিন নৌবাহিনীর সচিব জন ফেলান বরখাস্ত:</strong> আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এই ঘটনা নিয়ে আলোচনা চলছে।</li></ul><p>এই সমস্ত ঘটনা বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতিকে প্রতিফলিত করে, যেখানে নিরাপত্তা, বিচার ব্যবস্থা, ধর্মীয় কার্যক্রম ও অর্থনৈতিক নীতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:32:13 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বান্দরবানে ৬ রাবার শ্রমিক অপহরণ, ২০ লাখ মুক্তিপণ দাবি; ভার্চুয়াল কোর্টে ১৭৭ মামলা নিষ্পত্তি]]></title>
				<category>সন্ত্রাসবাদ</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/shontrasabad/article-79519.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>বান্দরবানে রাবার শ্রমিক অপহরণ: ২০ লাখ মুক্তিপণ দাবি</h2><p>বান্দরবানে একটি উদ্বেগজনক ঘটনা ঘটেছে, যেখানে ছয়জন রাবার শ্রমিককে অপহরণ করা হয়েছে। অপহরণকারীরা তাদের মুক্তিপণ হিসেবে বিশ লাখ টাকা দাবি করেছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি তদন্ত করছে এবং নিরাপত্তা জোরদার করেছে। এই ঘটনা অঞ্চলে নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের ইঙ্গিত দিচ্ছে, যা সাম্প্রতিক সময়ে অন্যান্য অপহরণ মামলার সাথে মিলে যায়।</p><h3>ভার্চুয়াল কোর্টের সাফল্য: প্রথম দিনে ১৭৭ মামলা নিষ্পত্তি</h3><p>দেশের বিচার ব্যবস্থায় একটি নতুন মাইলফলক সৃষ্টি করেছে ভার্চুয়াল কোর্ট, যার প্রথম কার্যদিবসেই ১৭৭টি মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বিচার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে সাহায্য করছে এবং কোভিড-১৯ মহামারীর পর থেকে এর ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এটি আদালতের কার্যকারিতা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p><h3>জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাবের অভিযান: বৃদ্ধ নিহত ও শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার</h3><p>জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাবের একটি অভিযানে একজন বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন, যিনি স্থানীয় বাসিন্দা হিসেবে পরিচিত। একই অভিযানে শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত 'নলা কাশেম' গ্রেপ্তার করা হয়েছে। র‌্যাবের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই গ্রেপ্তার অঞ্চলের সন্ত্রাসী কার্যক্রম দমনে একটি বড় সাফল্য। তবে নিহত বৃদ্ধের পরিবার ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছে।</p><h3>অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ</h3><ul><li><strong>সৌদি আরবে হজে গিয়ে আরেক বাংলাদেশির মৃত্যু:</strong> সৌদি আরবে হজ পালন করতে গিয়ে আরেকজন বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে, যা সাম্প্রতিক সময়ে হজযাত্রীদের মধ্যে মৃত্যুর একটি ধারাবাহিকতা দেখাচ্ছে। কর্তৃপক্ষ মৃতের পরিবারকে সহায়তা প্রদান করছে।</li><li><strong>এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা বাতিল:</strong> নির্বাচন কমিশন (ইসি) এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা বাতিল করেছে, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার সৃষ্টি করেছে। এই সিদ্ধান্তটি নির্বাচনী আইন অনুসরণের অংশ বলে দাবি করা হচ্ছে।</li><li><strong>বাসভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে বৈঠক:</strong> সড়কমন্ত্রী পরিবহন মালিকদের সাথে বৈঠক করেছেন বাসভাড়া প্রতি কিলোমিটারে এগারো পয়সা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়ে। এই সিদ্ধান্ত যাত্রীদের উপর প্রভাব ফেলতে পারে এবং অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে।</li><li><strong>দেশজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ:</strong> দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র তাপপ্রবাহ চলছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ। আবহাওয়া অধিদপ্তর সতর্কতা জারি করেছে এবং নাগরিকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।</li><li><strong>মার্কিন নৌবাহিনীর সচিব জন ফেলান বরখাস্ত:</strong> আন্তর্জাতিক সংবাদে, মার্কিন নৌবাহিনীর সচিব জন ফেলানকে বরখাস্ত করা হয়েছে, যা বৈশ্বিক নিরাপত্তা বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। এই পদক্ষেপটি মার্কিন প্রশাসনের নীতির পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিতে পারে।</li></ul><p>এই ঘটনাগুলি সাম্প্রতিক সময়ের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নগুলিকে তুলে ধরে, যা নিরাপত্তা, বিচার, রাজনীতি, অর্থনীতি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিককে স্পর্শ করে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:10:12 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[যুদ্ধ ও সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী বিশেষ কনসার্ট আগামীকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে]]></title>
				<category>সঙ্গীত</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/shongit/article-79518.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>যুদ্ধ ও সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী বিশেষ কনসার্ট আগামীকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে</h2><p>বিশ্বজুড়ে চলমান যুদ্ধ, সাম্রাজ্যবাদী আধিপত্য এবং গণহত্যার বিরুদ্ধে সুরের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানাতে আগামীকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এক বিশেষ কনসার্ট। ‘নো ওয়ার নো এম্পায়ার’ শিরোনামের এই যুদ্ধ ও আধিপত্যবিরোধী কনসার্টটি আগামীকাল ২৪ এপ্রিল (শুক্রবার) বিকাল ৪টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু স্মারক ভাস্কর্যের পাদদেশে শুরু হবে।</p><h3>আয়োজনের পেছনে উদ্দেশ্য ও সংহতি</h3><p>জানা যায়, বেশকিছু রাজনৈতিক দল ও প্রগতিশীল ছাত্রসংগঠনের যৌথ উদ্যোগ এটি। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, ফিলিস্তিন, ইরান, লেবানন, ভেনেজুয়েলা ও কিউবাসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে চলমান আগ্রাসন ও গণহত্যার বিরুদ্ধে সংহতি প্রকাশ করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে এই আয়োজন থেকে অবিলম্বে মার্কিন বাণিজ্যিক চুক্তি বাতিলের দাবি জানানো হবে।</p><p>আয়োজকরা জানান, বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে যখন দেশে দেশে যুদ্ধ ও সাধারণ মানুষের ওপর গণহত্যা চলছে, তখন শিল্পী সমাজ নীরব থাকতে পারে না। সংস্কৃতি ও গানের শক্তির মাধ্যমে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলা এবং সাধারণ মানুষের মনে শান্তির বার্তা পৌঁছে দেওয়াই এই অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য।</p><h3>শিল্পী ও ব্যান্ড দলের অংশগ্রহণ</h3><p>এই প্রতিবাদী কনসার্টে গান ও পারফরম্যান্সের মাধ্যমে সংহতি জানাবেন দেশের একঝাঁক জনপ্রিয় শিল্পী ও ব্যান্ড দল। অংশগ্রহণকারী শিল্পীদের তালিকায় রয়েছেন অরূপ রাহী, আহমেদ হাসান সানী, ইলা লালালালা, ওয়ারদা আশরাফ, কফিল আহমেদ এবং কুয়াশা মূর্খ। এছাড়াও পারফর্ম করবে ব্যান্ড দল কোরাস দা কমরেডস, বাংলা ফাইভ, মাভৈ, সমগীত এবং সুচিন মারমা ও সহজিয়া।</p><p>কনসার্টটি প্রসঙ্গে সহজিয়া ব্যান্ডের ভোকাল, রাজু সহজিয়া বাংলাট্রিবিউনকে বলেন, “এটা আসলে যে সাধারণ নাগরিকের জায়গা থেকেই যদি ভাবি, যারা যুদ্ধ চায় না। আমরা তেমন যুদ্ধ চাই না, এ ধরণের যুদ্ধ বিরোধী ডাকে পৃথিবীর যে কোন প্রান্তেই হোক না আমরা সহজিয়া ব্যান্ড সশরীরে উপস্থিত হতে পারি বা না পারি সমর্থন জানাই। তাই এ আমন্ত্রণে আমরা সাড়া দিয়েছি। আগামীকালের কনসার্টে সকলকে আমন্ত্রণ জানাই।”</p><h3>সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত আহ্বান</h3><p>আগামীকালকের এই উন্মুক্ত কনসার্টে শিক্ষার্থীসহ সাধারণ জনগণকে উপস্থিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আয়োজকবৃন্দ। তারা আশা প্রকাশ করেন যে এই আয়োজন শান্তি ও ন্যায়ের বার্তা ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করবে এবং বিশ্বব্যাপী সংহতির একটি শক্তিশালী উদাহরণ স্থাপন করবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:35:59 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[কুমিল্লায় এপেক্স ক্লাবের অনুষ্ঠানে অসৌজন্যমূলক আচরণের ঘটনায় বিচারপতি আব্দুল মান্নানকে বিচারকাজ থেকে সরিয়ে দিলেন প্রধান বিচারপতি]]></title>
				<category>আইন বিভাগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/ain-bibhag/article-79517.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>কুমিল্লায় এপেক্স ক্লাবের অনুষ্ঠানে অসৌজন্যমূলক আচরণের ঘটনায় বিচারপতি আব্দুল মান্নানকে বিচারকাজ থেকে সরিয়ে দিলেন প্রধান বিচারপতি</h2><p>কুমিল্লায় এপেক্স ক্লাবের এক অনুষ্ঠানে বিচারপতি মো. আব্দুল মান্নানের অসৌজন্যমূলক আচরণের ঘটনায় প্রধান বিচারপতি তাকে বিচারকাজ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) প্রধান বিচারপতির দপ্তর থেকে এ তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি বিচার বিভাগের শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্ব রক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।</p><h3>ঘটনার পটভূমি ও বিস্তারিত বিবরণ</h3><p>গত ৩ এপ্রিল কুমিল্লায় এপেক্স ক্লাবের একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে গিয়ে বিচারপতি আব্দুল মান্নান অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। তিনি সেখানে বিচারপতি হিসেবে নিজের পরিচয় দিয়ে হুমকি প্রদান করেন এবং একটি বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এই ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও আকারে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, যা ব্যাপক সমালোচনা ও জনমতের সৃষ্টি করে।</p><p>বিচারপতির এমন আচরণ বিচার বিভাগের মর্যাদা ও ভাবমূর্তির জন্য ক্ষতিকর হিসেবে চিহ্নিত হয়। এর ফলে, প্রধান বিচারপতি সম্প্রতি বিচারকাজ পরিচালনার জন্য যে ৬৩টি বেঞ্চ গঠন করেছেন, সেখানে বিচারপতি আব্দুল মান্নানকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। তাকে বিচারকাজ থেকে সম্পূর্ণরূপে বিরত রাখা হয়েছে, যা তার পেশাগত দায়িত্বে একটি সাময়িক স্থগিতাদেশের সমতুল্য।</p><h3>বিচারপতি আব্দুল মান্নানের পেশাগত ইতিহাস</h3><p>বিচারপতি মো. আব্দুল মান্নান ২০২৪ সালের ৯ অক্টোবর হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। তার নিয়োগটি বিচার বিভাগে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছিল। এর আগে, তিনি পিরোজপুর জেলার জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, যেখানে তিনি বিচারিক কাজে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।</p><p>তবে, কুমিল্লার এই ঘটনাটি তার পেশাগত জীবনকে একটি বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে। প্রধান বিচারপতির এই সিদ্ধান্তটি বিচার বিভাগের নীতিমালা ও নৈতিকতার প্রতি অঙ্গীকারের একটি স্পষ্ট বার্তা দেয়। এটি অন্যান্য বিচারকদের জন্য একটি সতর্কীকরণ হিসেবে কাজ করতে পারে, যাতে তারা তাদের পদমর্যাদা ও দায়িত্বের প্রতি সচেতন থাকেন।</p><p>এই ঘটনাটি বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার গুরুত্বকে আরও উজ্জ্বল করে তুলেছে। ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:50:18 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[এমপিদের গাড়ির দাবিতে তাসনিম জারার সমালোচনা: 'সংসদে গেছেন জনগণের সেবায়, নিজেদের সুবিধায় নয়']]></title>
				<category>জাতীয় সংসদ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/jatiyo-shongshod/article-79516.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>এমপিদের গাড়ির দাবিতে তাসনিম জারার তীব্র প্রতিক্রিয়া: 'জনগণের ট্যাক্সে বিলাসিতা অনৈতিক'</h2><p>দেশের চলমান অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেই জাতীয় সংসদে এমপিদের জন্য ব্যক্তিগত গাড়ির দাবি উঠেছে, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। এনসিপি নেতা ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর এই দাবির প্রতি কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সাবেক এনসিপি নেত্রী ডা. তাসনিম জারা। তিনি এমপিদের এই ভূমিকাকে তীব্রভাবে সমালোচনা করেছেন এবং একটি নিরপেক্ষ কাঠামো গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন।</p><h3>শিক্ষক-চিকিৎসকের আন্দোলন বনাম এমপিদের সুবিধা</h3><p>বুধবার (২২ এপ্রিল) রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে একটি দীর্ঘ পোস্টে তাসনিম জারা উল্লেখ করেন, যখন শিক্ষক, চিকিৎসক, নার্স ও সরকারি কর্মচারীরা বেতন বৃদ্ধি ও ন্যায্য দাবির জন্য রাজপথে দিনের পর দিন আন্দোলন করছেন, তখন এমপিরা সংসদে নিজেদের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে ব্যস্ত। তিনি বলেন, <em>'জনগণের মৌলিক সমস্যা সমাধানে দীর্ঘসূত্রতা দেখা গেলেও এমপিদের গাড়ি বা অফিসের দাবির প্রশ্নে সরকারি ও বিরোধী দল মুহূর্তের মধ্যে একমত হয়ে যায়।'</em> এই দ্বৈত মানদণ্ড সমাজে অসন্তোষ বাড়াচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।</p><h3>এমপিদের বেতন নির্ধারণে নীতিগত ভুল</h3><p>তাসনিম জারা জোর দিয়ে বলেন, পৃথিবীর কোনো পেশার মানুষ নিজের বেতন বা সুযোগ-সুবিধা নিজে নির্ধারণ করে না। এমপিদের বেতন জনগণের ট্যাক্সের টাকা থেকে আসে, তাই এটি তারা নিজেরা নির্ধারণ করা নীতিগতভাবে ভুল। তার মতে, এমপিরা জনগণের সেবক হওয়া সত্ত্বেও বর্তমান ব্যবস্থায় জনগণের সমস্যার চেয়ে এমপিদের নিজস্ব প্রাপ্তির হিসাবই বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, <strong>'এমপিরা সংসদে গিয়েছেন জনগণের সমস্যার সমাধান করতে, নিজেদের প্রাপ্তির হিসাব কষতে না।'</strong></p><h3>নিরপেক্ষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব</h3><p>সমাধান হিসেবে ডা. তাসনিম জারা একটি স্বাধীন কমিটি গঠনের আহ্বান জানান, যা এমপিদের ব্যক্তিগত সুযোগ-সুবিধার বিষয়গুলো নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনা করবে। এই কমিটির কাজ হবে:</p><ul><li>অন্যান্য পেশার সাথে তুলনা করে এমপিদের দায়িত্ব, সময়, ঝুঁকি ও যোগ্যতা বিবেচনা করা।</li><li>সুযোগ-সুবিধাগুলো বর্তমান বাস্তবতায় প্রাসঙ্গিক কিনা তা যাচাই করা।</li><li>প্রয়োজন অনুযায়ী কিছু সুবিধা বাড়ানো বা কাটছাঁট করার সুপারিশ করা।</li></ul><p>তিনি উল্লেখ করেন, একজন জেলা জজ, সচিব, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বা হাসপাতালের কনসালট্যান্টের সাথে তুলনা করে যৌক্তিক অবস্থান নির্ধারণ করা সম্ভব।</p><h3>কমিটির গঠন ও জনগণের অংশগ্রহণ</h3><p>তাসনিম জারা বলেন, এই কমিটিতে বিচারক, অর্থনীতিবিদ, প্রশাসন বিশেষজ্ঞ, সুশাসন সংস্থার প্রতিনিধির পাশাপাশি সাধারণ মানুষও থাকতে হবে। তিনি প্রস্তাব দেন, <em>'একজন সরকারি স্কুলশিক্ষক, একজন নার্স, একজন ছোট ব্যবসায়ী থাকতে পারেন, কারণ এমপিদের সুযোগ-সুবিধা সাধারণ বাংলাদেশির জীবনমানের সঙ্গে তাদের প্রাপ্যতার অনুপাতের প্রশ্ন।'</em> এই অনুপাত বোঝার জন্য যারা সেই জীবন যাপন করেন, তাদের অংশগ্রহণ জরুরি বলে তিনি মনে করেন।</p><h3>এমপিদের মর্যাদা ও দায়িত্ব</h3><p>সাবেক এই নেত্রী এমপিদের নিজেদেরই এই প্রস্তাব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, <strong>'এটা আপনাদের মর্যাদার প্রশ্ন। জাতির সামনে দাঁড়িয়ে নিজের বেতন নিজে ঠিক করা একটা অস্বস্তিকর বিষয়।'</strong> তিনি জোর দিয়ে বলেন, জনসেবার দোহাই দিয়ে জনগণের করের টাকায় নিজেদের বিলাসিতা নিশ্চিত করাকে অনৈতিক ও অগ্রহণযোগ্য বলে গণ্য করা উচিত। তার মতে, এই ব্যবস্থা থেকে বের হয়ে আসা এমপিদের নিজেদের স্বার্থেই প্রয়োজন।</p><p>তাসনিম জারার এই বক্তব্য সামাজিক মাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে, যা এমপিদের দায়িত্ব ও সুযোগ-সুবিধা নিয়ে চলমান বিতর্ককে নতুন মাত্রা দিয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:32:53 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ইসলামে ব্যবসার বরকত নষ্ট করে এমন আটটি কাজের বিস্তারিত বিবরণ]]></title>
				<category>আধ্যাত্মিকতা</category>
				<link>https://bdgazette.com/jibonjapon/adhyatmikota/article-79515.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ইসলাম ধর্মে জীবিকা অর্জনের একটি অত্যন্ত সম্মানজনক ও পবিত্র মাধ্যম হিসেবে ব্যবসাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। পবিত্র কুরআন ও হাদিসের নির্দেশনামাফিক পরিচালিত ব্যবসায় আল্লাহ তাআলা বিশেষ বরকত দান করেন বলে বিশ্বাস করা হয়। সততা ও আমানতদারিতার সাথে ব্যবসা পরিচালনাকারী ব্যক্তির মর্যাদা ইসলামে অত্যন্ত উচ্চ পর্যায়ের। প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) একটি হাদিসে উল্লেখ করেছেন, <em>‘সৎ ও আমানতদার ব্যবসায়ী কেয়ামতের দিন নবী, সত্যবাদী ও শহীদদের সঙ্গে থাকবে।’</em> (তিরমিজি ১২০৯)।</p><h2>শরিয়তবিরোধী পন্থায় ব্যবসার পরিণতি</h2><p>অন্যদিকে, শরিয়তের বিপরীত পদ্ধতিতে পরিচালিত ব্যবসা কার্যক্রম সাময়িকভাবে লাভজনক মনে হলেও এর থেকে প্রকৃত বরকত উঠে যায় এবং পরকালীন জীবনে কঠিন জবাবদিহির সম্মুখীন হতে হয়। ইসলামী বিধান অনুযায়ী এমন বেশ কিছু কাজ রয়েছে যা ব্যবসার বরকত নষ্ট করে দেয়। নিচে সেগুলোর বিস্তারিত আলোচনা উপস্থাপন করা হলো।</p><h3>মাপে কম দেওয়া</h3><p>মাপে বা ওজনে কম দেওয়া ইসলামে একটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত। পবিত্র কুরআনের সুরা মুতাফফিফিনের প্রথম ছয় আয়াতে এ বিষয়ে স্পষ্ট সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেছেন, <em>‘ধ্বংস তাদের জন্য, যারা মাপে কম দেয়, যারা লোকদের কাছ থেকে মেপে নেওয়ার সময় পূর্ণমাত্রায় গ্রহণ করে, আর যখন তাদেরকে মেপে দেয় বা ওজন করে দেয়, তখন কম দেয়। তারা কি মনে করে না যে, তাদের পুনরুত্থিত করা হবে এক মহান দিবসে?’</em></p><h3>পণ্যের মান নিয়ে প্রতারণা</h3><p>উচ্চমানের পণ্যের সাথে নিম্নমানের পণ্য মিশিয়ে দেওয়া অথবা পণ্যের প্রকৃত গুণাগুণ গোপন করে ক্রেতাকে প্রতারিত করা ইসলামে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, <em>‘যে প্রতারণা করে, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।’</em> (আবু দাউদ ৩৪৫২)।</p><h3>মিথ্যা শপথ করা</h3><p>পণ্য বিক্রির উদ্দেশ্যে মিথ্যা শপথ করা একটি বড় গুনাহ। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, <em>‘তিন শ্রেণির লোকের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলবেন না… তাদের একজন হলো যে মিথ্যা শপথ করে পণ্য বিক্রি করে।’</em> (নাসাঈ ৫৩৩৩)।</p><h3>ত্রুটি গোপন করে পণ্য বিক্রি</h3><p>পণ্যের মধ্যে বিদ্যমান দোষ বা ত্রুটি লুকিয়ে রেখে তা বিক্রি করা ইসলামী শরিয়তে বৈধ নয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, <em>‘মুসলমান মুসলমানের ভাই… কোনো মুসলমানের জন্য বৈধ নয় যে, সে তার ভাইয়ের কাছে ত্রুটিযুক্ত পণ্য বিক্রি করবে অথচ তা জানাবে না।’</em> (ইবনে মাজাহ ২২৪৬)।</p><h3>ঋণ পরিশোধে গড়িমসি করা</h3><p>সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও ঋণ পরিশোধে বিলম্ব করা বা গড়িমসি করাকে ইসলামে জুলুম হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। হাদিসে এসেছে, <em>‘ধনী ব্যক্তির ঋণ পরিশোধে গড়িমসি করা জুলুম।’</em> (বুখারি ২২৮৭)।</p><h3>সুদি লেনদেন</h3><p>সুদভিত্তিক লেনদেন ব্যবসার সমস্ত বরকত ধ্বংস করে দেয়। পবিত্র কুরআনের সুরা বাকারার ২৭৬ নং আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, <em>‘আল্লাহ সুদকে ধ্বংস করেন এবং সদকাকে বৃদ্ধি করেন।’</em></p><h3>অবৈধ মজুদদারি</h3><p>কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে পণ্য মজুদ করে রাখা এবং অতিরিক্ত মুনাফা অর্জনের চেষ্টা ইসলামে নিষিদ্ধ। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, <em>‘যে ব্যক্তি মজুদদারি করে, সে গুনাহগার।’</em> (ইবনে মাজাহ ২১৫৫)।</p><h3>দালালি ও অনৈতিক প্রতিযোগিতা</h3><p>অন্যের ক্রয়-বিক্রয়ে হস্তক্ষেপ করা অথবা কৃত্রিমভাবে দাম বাড়ানোর মাধ্যমে প্রতারণামূলক প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হওয়া ইসলামে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। হাদিসে এসেছে, <em>‘তোমাদের কেউ যেন অন্যের ক্রয়-বিক্রয়ের ওপর ক্রয়-বিক্রয় না করে।’</em> (বুখারি ২১৪০) এবং <em>‘তোমরা কৃত্রিমভাবে দর (মূল্য) বাড়িও না (প্রতারণার উদ্দেশ্যে)।’</em> (তিরমিজি ১৩০৪)।</p><h2>সততা ও ন্যায়পরায়ণতার গুরুত্ব</h2><p>রিজিকের একমাত্র মালিক আল্লাহ তাআলা। অনৈতিক ও হারাম পন্থায় অর্জিত সম্পদ কখনোই প্রকৃত কল্যাণ বয়ে আনে না; বরং তা ব্যবসার বরকত নষ্ট করে দেয় এবং পরকালীন জীবনে কঠিন হিসাব-নিকাশের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই ইহকালীন সাফল্য ও পরকালীন মুক্তি লাভের জন্য ব্যবসা-বাণিজ্যে সততা, ন্যায়পরায়ণতা ও ইসলামের সুস্পষ্ট নির্দেশনাগুলো মেনে চলা অপরিহার্য কর্তব্য। আল্লাহ তাআলা সকল মুসলিম ব্যবসায়ীকে হালাল উপায়ে বরকতময় রিজিক অর্জনের তৌফিক দান করুন। আমিন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:28:22 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ বাংলাদেশি দুই পিএইচডি শিক্ষার্থী: পরিবারের উদ্বেগ]]></title>
				<category>বিদেশে পড়াশোনা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/bideshe-porashona/article-79514.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ বাংলাদেশি দুই পিএইচডি শিক্ষার্থী: পরিবারের উদ্বেগ</h2><p>যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা রাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় অধ্যয়নরত বাংলাদেশি দুই পিএইচডি শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছেন। গতকাল বুধবার (২২ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের পুলিশ বিভাগের বরাতে এনবিসি নিউজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের পরিবার ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে।</p><h3>নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের পরিচয়</h3><p>নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থী হলেন জামিল লিমন (২৭) ও নাহিদা এস বৃষ্টি (২৭)। লিমন ভূগোল, পরিবেশবিজ্ঞান ও নীতিমালা বিষয়ে পিএইচডি করছেন, যাকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে ফ্লোরিডার টাম্পায় তার বাসায় শেষবার দেখা যায়। এরপর থেকে তার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই। হিলসবরো কাউন্টি শেরিফস অফিস নিখোঁজের প্রতিবেদন নথিভুক্ত করেছে।</p><p>অন্যদিকে, রাসায়নিক প্রকৌশলের শিক্ষার্থী বৃষ্টিকে একই দিন সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যাচারাল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস ভবনে সর্বশেষ দেখা যায়। বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ তার নিখোঁজের ঘটনাও নথিভুক্ত করেছে। পুলিশ জানায়, এই দুই শিক্ষার্থী একে অপরের বন্ধু এবং তারা একসঙ্গে থাকতে পারেন।</p><h3>পরিবারের প্রতিক্রিয়া</h3><p>নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থীর পরিবার বলছে, তাদের এমনভাবে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার কথা নয়। লিমনের ছোট ভাই জুবায়ের আহমেদ এনবিসি নিউজকে বলেন, <em>"লিমন খুব দায়িত্বশীল মানুষ। কাউকে না জানিয়ে তার কোথাও চলে যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।"</em></p><p>বৃষ্টির বড় ভাই জাহিদ হাসান প্রান্ত বলেন, <em>"তার বোন প্রতিদিন পরিবারের সঙ্গে কথা বলতেন এবং নিখোঁজ হওয়ার দিনও তার সঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই কথা হয়েছে। সে এমন কিছুই করবে না, যা আমাদের কষ্ট দেবে।"</em> পরিবারের সদস্যরা আরও উল্লেখ করেন, লিমন ও বৃষ্টির মধ্যে আগে প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং ভবিষ্যৎ নিয়েও তাদের ভাবনা ছিল, যদিও সাম্প্রতিক সময়ে তারা আনুষ্ঠানিক কোনো সম্পর্কে ছিলেন না।</p><h3>তদন্তের বিবরণ</h3><p>এনবিসি নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিখোঁজ হওয়ার দিন বৃষ্টি তার ল্যাপটপ, আইপ্যাড ও অন্যান্য জিনিস বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে রেখে যান, কেবল তার ফোন ও পার্স ছিল না। অন্যদিকে, লিমনের পাসপোর্ট তার বাসায় পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় পুলিশ ও শেরিফস অফিস তদন্ত চালাচ্ছে এবং নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের খোঁজে জনসাধারণের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।</p><p>এই ঘটনা বাংলাদেশি প্রবাসী সম্প্রদায়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পরিবার ও কর্তৃপক্ষ দ্রুত সমাধানের আশা প্রকাশ করছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:05:39 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি জোটের ৩৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ, এক স্বতন্ত্র প্রার্থীও পেলেন অনুমোদন]]></title>
				<category>নির্বাচন কমিশন</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/nirbachon-commission/article-79512.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি জোটের ৩৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা</h2><p>নির্বাচন কমিশন (ইসি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য বিএনপি জোটের ৩৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রাথমিকভাবে বৈধ ঘোষণা করেছে। এছাড়াও এক স্বতন্ত্র প্রার্থী সুলতানা জেসমিনের মনোনয়নপত্র বৈধ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং অফিসার মো. মঈন উদ্দিন খান এই ঘোষণা দেন। এসময় সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো. মনির হোসেন উপস্থিত ছিলেন।</p><h3>এনসিপি প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাকি</h3><p>রিটার্নিং অফিসার জানান, এনসিপি প্রার্থী মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাকি রয়েছে, কারণ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র—যার মধ্যে পদত্যাগের প্রমাণপত্রও অন্তর্ভুক্ত—জমা দেওয়া হয়নি। বিধি অনুযায়ী, একজন প্রার্থীকে সরকারি চাকরি ছাড়ার পর তিন বছর পূর্ণ করতে হবে যোগ্যতা অর্জনের জন্য। তাকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আগামী ১২টা পর্যন্ত জমা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।</p><h3>আপিল ও প্রার্থী প্রত্যাহারের সময়সীমা</h3><p>মো. মঈন উদ্দিন খান আরও বলেন, যাচাই-বাছাই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল রবিবার পর্যন্ত দাখিল করা যাবে, অন্যদিকে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৯ এপ্রিল। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আপিল ২৬ এপ্রিল সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টার মধ্যে জমা দেওয়া যাবে, শুনানি ২৭ ও ২৮ এপ্রিল নির্ধারিত হয়েছে। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ সময়সীমা ২৯ এপ্রিল, অন্যদিকে প্রতীক বণ্টন করা হবে ৩০ এপ্রিল।</p><h3>বৈধ প্রার্থীদের তালিকা</h3><p>বিএনপি জোটের বৈধ প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন:</p><ul><li>সেলিমা রহমান</li><li>শিরিন সুলতানা</li><li>রাশেদা বেগম হীরা</li><li>রেহানা আখতার রানু</li><li>নেওয়াজ হালিমা আরলি</li><li>ফরিদা ইয়াসমিন</li><li>বিলকিস ইসলাম</li><li>শাকিলা ফারজানা</li><li>হেলেন জেরিন খান</li><li>নিলুফার চৌধুরী মনি</li><li>নিপুণ রায় চৌধুরী</li><li>জেবা আমিন খান</li><li>মাহমুদা হাবিবা</li><li>সাবিরা সুলতানা</li><li>সানসিলা জেবরিন</li><li>সানজিদা ইসলাম তুলি</li><li>সুলতানা আহমেদ</li><li>ফাহমিদা হক</li><li>আন্না মিঞ্জ</li><li>সুবর্ণ শিকদার</li><li>শামিম আরা বেগম স্বপ্না</li><li>শাম্মী আখতার</li><li>ফেরদৌসী আহমেদ</li><li>বিতিকা বিনতে হোসেন</li><li>সুরাইয়া জেরিন</li><li>মানসুরা আখতার</li><li>জাহারাত আদিব চৌধুরী</li><li>মমতাজ আলম</li><li>ফাহিমা নাসরিন</li><li>আরিফা সুলতানা</li><li>সানজিদা ইয়াসমিন</li><li>নাদিয়া পাঠান পাপন</li><li>শওকত আরা আখতার</li><li>মাধবী মারমা</li><li>সেলিনা সুলতানা</li><li>রেজেকা সুলতানা</li></ul><h3>ভোটগ্রহণের তারিখ</h3><p>সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটগ্রহণ ১২ মে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ায় এখন আপিল ও প্রত্যাহারের পর্যায় শুরু হয়েছে, যা নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:00:38 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বান্দরবানে ৬ রাবার শ্রমিক অপহরণ, ২০ লাখ মুক্তিপণ দাবি; সৌদিতে হজে আরেক বাংলাদেশির মৃত্যু]]></title>
				<category>সন্ত্রাসবাদ</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/shontrasabad/article-79511.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>বান্দরবানে ৬ রাবার শ্রমিক অপহরণ: ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি</h2><p>বান্দরবানের একটি প্রত্যন্ত এলাকায় ছয়জন রাবার শ্রমিককে অপহরণ করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অজ্ঞাতপরিচয় সশস্ত্র দলটি শ্রমিকদের জোরপূর্বক নিয়ে গেছে এবং তাদের মুক্তির জন্য পরিবারগুলোর কাছ থেকে <strong>২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ</strong> দাবি করেছে। এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং নিরাপত্তা বাহিনী তদন্ত শুরু করেছে।</p><h3>সৌদি আরবে হজে গিয়ে আরেক বাংলাদেশির মৃত্যু</h3><p>এদিকে সৌদি আরবে হজ পালনকালে আরেক বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। মক্কায় অবস্থানকালে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। বাংলাদেশ দূতাবাস মৃতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের কথা জানিয়েছে।</p><h3>অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ</h3><p>দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলির মধ্যে রয়েছে:</p><ul><li>প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে নতুন মহাপরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা শিক্ষা খাতে সংস্কারের আশা জাগিয়েছে।</li><li>দেশজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে, যা জনজীবনকে ব্যাহত করছে এবং স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি তৈরি করছে।</li><li>পরিবহন মালিকদের সঙ্গে বৈঠকে সড়কমন্ত্রী বাসভাড়া বাড়ানো নিয়ে আলোচনা করেছেন, যদিও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো নেওয়া হয়নি।</li><li>মার্কিন নৌবাহিনীর সচিব জন ফেলানকে বরখাস্ত করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।</li></ul><p>এই ঘটনাগুলো দেশের নিরাপত্তা, অর্থনীতি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:24:42 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধিতে বাস ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বাড়ল]]></title>
				<category>জ্বালানি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/jbalani/article-79510.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধিতে বাস ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বাড়ল</h2><p>জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে বাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সচিবালয়ে পরিবহন ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে শ্রমিক মালিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ ঘোষণা দেন।</p><h3>ভাড়া বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত কার্যকর</h3><p>মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, ভাড়া বাড়নোর সিদ্ধান্ত আজ থেকেই কার্যকর হবে। <strong>ডিজেলচালিত বাসের ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য হবে</strong>, তবে সিএনজিচালিত বাসের ভাড়া বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করা হয়নি। জনস্বার্থ বিবেচনা করে সরকার ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে প্রতি ভাড়া কিলোমিটারে ১১ পয়সা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।</p><h3>আন্তঃজেলা ও অন্যান্য পরিবহনের ভাড়া</h3><p>আন্তঃজেলায় ৫২ সিটের গাড়ির ভাড়াও প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বাড়ানো হবে। এছাড়া, <em>ডিটিসি এবং মিনিবাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বাড়িয়ে সমন্বয় করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে</em>। মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক সংকট সৃষ্টি হওয়ার পর সরকার প্রায় দেড় মাস জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ানোর চেষ্টা করেছিল, কিন্তু পরবর্তীতে ন্যূনতম রেটে দাম বাড়ানো হয়েছে।</p><h3>জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধির প্রভাব</h3><p>প্রতি লিটারে প্রায় ১৫ টাকা জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার ফলে পরিবহন খাতে ভাড়া বাড়ানোর দাবি উত্থাপিত হয়েছিল। মন্ত্রী বলেন, <strong>আমরা এটাকে সমন্বয় করতে চেয়েছি, ভাড়া বৃদ্ধি হিসেবে দেখতে চাই না</strong>। জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় সমন্বয়ের দাবিও ছিল, যা বিবেচনায় নিয়ে তৃতীয়বার দীর্ঘ সময় বৈঠক করা হয়েছে।</p><h3>পূর্ববর্তী বৈঠকের ফলাফল</h3><p>এর আগে, গত ২২ এপ্রিল সচিবালয়ে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে নতুন বাস ভাড়া নির্ধারণ সংক্রান্ত বৈঠক শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন যে, সভায় পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ হয়নি। তিনি তখনই উল্লেখ করেছিলেন যে, বাস-ট্রাকসহ পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে আজ সিদ্ধান্ত হবে, যা এখন কার্যকর হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:00:49 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[রিনা খানের মন খারাপ: বিএনপির মনোনয়ন না পাওয়ায় অভিনেত্রীর ক্ষোভ]]></title>
				<category>অভিনেতা</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/obhineta/article-79509.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>রিনা খানের মন খারাপ: বিএনপির মনোনয়ন না পাওয়ায় অভিনেত্রীর ক্ষোভ</h2><p>বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রিনা খান দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতিতে সক্রিয় আছেন। বিশেষ করে খল চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি দর্শকের কাছে আলাদা পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন। তবে অনেকদিন ধরেই সিনেমার পর্দায় তাকে অভিনয় করতে দেখা যায় না। স্যোশাল মিডিয়ায় বেশ সরব এই অভিনেত্রী বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন।</p><h3>মনোনয়ন না পাওয়ায় ক্ষোভ</h3><p>রিনা খান বিএনপির নারী সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের তালিকায় ছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি মনোনয়ন পাননি। কেবল রিনা খান নন, শোবিজ অঙ্গনের কোনো তারকাকেই মনোনয়ন দেয়নি বিএনপি। এ নিয়ে তার বেশ মন খারাপ বোঝা যাচ্ছে তার ফেসবুকে চোখ রাখলেই। একের পর এক স্ট্যাটাস দিয়ে শিল্পী হিসেবে অবমূল্যায়িত হওয়ার ক্ষোভ প্রকাশ করছেন তিনি।</p><p>সেই ধারাবাহিকতায় গতকাল (২২ এপ্রিল) বুধবার ফেসবুকে রিনা খান লেখেন, <em>‘বাংলাদেশের শিল্পী হওয়া একটা অভিশাপ। নাই টাকা, নাই সম্মান। যতটুকু পাই নিজের যোগ্যতায়।’</em> তার সেই পোস্টে অনেকেই এসে সহমত প্রকাশ করেছেন। অনেকে তুলে ধরেছেন এই দেশে শিল্প চর্চার কঠিন বাস্তবতার চিত্র।</p><h3>রাজনৈতিক পথচলা</h3><p>রাজনৈতিক অঙ্গনে রিনা খান দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত আছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র সঙ্গে। বর্তমানে জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। দলীয় বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়া এবং সংগঠনের সঙ্গে সক্রিয় থাকতে দেখা গেছে তাকে। এখন সেই রাজনৈতিক পথচলাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিতে চান এই অভিনেত্রী।</p><p>তবে মনোনয়ন না পাওয়ায় তার হতাশা স্পষ্ট। ফেসবুকে তার মন্তব্যে শিল্পী সমাজের প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গির একটি গভীর সমস্যা ফুটে উঠেছে। রিনা খানের এই অবস্থান অনেকের মধ্যে আলোচনার সৃষ্টি করেছে এবং শিল্প ও রাজনীতির সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে ভাবনার সুযোগ দিয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:47:50 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[লালমনিরহাটে ইউএনওর থাপ্পর মারা অভিযোগ: ফুয়েল কার্ডের ছবি নিয়ে বিতর্ক]]></title>
				<category>উপজেলা</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/upojela/article-79508.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>লালমনিরহাটে ইউএনওর থাপ্পর মারা অভিযোগ: ফুয়েল কার্ডের ছবি নিয়ে তীব্র বিতর্ক</h2><p>লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলায় ফুয়েল কার্ডের ছবির সঙ্গে চেহারার মিল না থাকায় এক মোটর সাইকেল গ্যারেজ কর্মচারীকে থাপ্পর মারার অভিযোগ উঠেছে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শামীমা আক্তার জাহানের বিরুদ্ধে। বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের চাপারহাট বাজারের ‘লুবানা ফিলিং স্টেশনে’ এ ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।</p><h3>ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ</h3><p>স্থানীয় সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, চাপারহাট কলেজের সহকারী অধ্যাপক গোলক চন্দ্র অসুস্থ থাকায় তার মোটরসাইকেলে তেল নিতে হিমশিম খাচ্ছিলেন। পরে তিনি গ্যারেজ মালিক প্রদীপের সহায়তা চাইলে, প্রদীপ তার কর্মচারী নদীকে (১৮) ফুয়েল কার্ডসহ তেল নেওয়ার জন্য লাইনে পাঠান। নদী যখন লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন তখন সেখানে তদারকিতে থাকা কালীগঞ্জ ইউএনও শামীমা আক্তার জাহান তার হাতের কার্ডটি পরীক্ষা করেন।</p><p>প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুসারে, কার্ডের ছবির সঙ্গে নদীর চেহারার মিল না থাকায় কোনো কিছু জিজ্ঞাসা না করেই ইউএনও তাকে চড়থাপ্পর মারেন। এ ঘটনায় উপস্থিত স্থানীয় জনতা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং স্থানীয়দের তোপের মুখে ইউএনও বিষয়টি পুনরায় খতিয়ে দেখেন।</p><h3>পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ ও প্রতিক্রিয়া</h3><p>পরবর্তীতে অসুস্থ কলেজ শিক্ষকের মোটরসাইকেল ও ফুয়েল কার্ডের সত্যতা প্রমাণিত হলে প্রায় ঘণ্টা-খানেক পর ওই তরুণকে ছেড়ে দেওয়া হয়। গ্যারেজ কর্মচারী নদী বলেন, <em>‘আমি গ্যারেজ মেকানিক। মালিকের কথায় অসুস্থ এক শিক্ষকের কার্ড ও টাকা নিয়ে তেল নিতে লাইনে দাঁড়িয়েছিলাম। ইউএনও কার্ড চেক করার সময় কোনো কথা না বলেই আমাকে কয়েকটি থাপ্পড় মারেন। আমি কোনো অন্যায় করিনি, বিনা অপরাধে আমাকে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।’</em></p><p>অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শামীমা আক্তার জাহান চড়-থাপ্পর মারার বিষয়টি অস্বীকার করে গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, <em>‘আমি শুধু তার গাড়ির চাবি নিয়েছিলাম, গায়ে হাত তুলিনি। সম্ভবত তার কাছে সঠিক কার্ড ছিল না। নিয়ম না মেনে লাইনে দাঁড়ানোর কারণে চাবি নিয়ে পরে অফিসে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছিল। পরবর্তীতে তার অভিভাবকরা এলে চাবি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।’</em></p><h3>সামাজিক মাধ্যম ও জনমত</h3><p>এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলাজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাটিকে অমানবিক ও আইনের ঊর্ধ্বে কাজ বলে মন্তব্য করেছেন। অনেকেই ইউএনওর পদক্ষেপের ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, বিশেষ করে যেখানে কর্মচারীটি একজন অসুস্থ শিক্ষকের সহায়তায় নিয়োজিত ছিলেন।</p><p>স্থানীয় প্রশাসনের একজন কর্মকর্তার এমন আচরণ জনগণের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে, যা প্রশাসনিক দায়িত্ব ও জনসেবার মান নিয়ে নতুন করে ভাবনার সুযোগ তৈরি করেছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:15:53 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল, সরকারি চাকরি ছাড়ার তিন বছর না হওয়ায়]]></title>
				<category>নির্বাচন কমিশন</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/nirbachon-commission/article-79507.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল, ইসি জানাল কারণ</h2><p>ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের পর এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন রিটার্নিং অফিসার ও ইসির যুগ্ম সচিব মঈন উদ্দীন খান। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, সরকারি চাকরি ছাড়ার তিন বছর পার না হওয়ায় মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।</p><h3>আপিলের সুযোগ রয়েছে</h3><p>রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করার সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও ইসির উপসচিব মনির হোসেন। তিনি বলেন, <em>‘আসনটি শূন্য হওয়ার পরে সব দল বা জোটের জন্য উন্মুক্ত হবে।’</em> এই ঘোষণার পর মনিরা শারমিন আইনজীবীর পরামর্শ নিয়ে আপিল করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তার আইনজীবী নাজমুস সাকিব বলেছেন, আগামী রোববার নির্বাচন কমিশনে প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিল করা হবে এবং তারা আশাবাদী যে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়া যাবে।</p><h3>জামায়াত জোটের প্রার্থীদের অবস্থা</h3><p>ত্রয়োদশ সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটে জামায়াত ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের মোট ১৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। বুধবারের বাছাইয়ে ১২ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষিত হয়, এবং বৃহস্পতিবার দুপুরে একজনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসে। মনিরা শারমিন জামায়াত জোটের প্রার্থী ছিলেন, এবং তার কাগজপত্রে সরকারি পে স্কেলের উল্লেখ থাকায় তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য বলা হয়েছিল। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপনের পরও বাছাইয়ে বাদ পড়ার ঘটনায় তিনি হতাশা প্রকাশ করেছেন।</p><h3>মনিরা শারমিনের পেশাগত ইতিহাস</h3><p>মনিরা শারমিন ২০২৫ সালের মার্চ মাসে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পান। তিনি ২০২৩ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে অফিসার জেনারেল হিসেবে যোগ দেন এবং দুই বছর পর ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে চাকরি ছেড়ে দেন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ১২ (১) (চ) ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার অযোগ্য হবেন যদি তিনি সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগ বা অবসর নিয়ে থাকেন এবং সেই পদত্যাগ বা অবসরগ্রহণের তিন বছর না পার হয়। এই বিধান অনুসারে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।</p><h3>নির্বাচনী তফসিল ও পরবর্তী পদক্ষেপ</h3><p>গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর ৮ এপ্রিল সংরক্ষিত নারী আসনের তফসিল ঘোষণা করে এএমএম নাসির উদ্দীন নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ২১ এপ্রিল বুধবার ও ২২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র বাছাই করা হয়েছে। ২৬ এপ্রিল আপিল করার সুযোগ রয়েছে, ২৭ ও ২৮ এপ্রিল আপিল নিষ্পত্তি হবে। ২৯ এপ্রিল প্রার্থিতা প্রত্যাহার ও ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দের পর ভোটগ্রহণ নির্ধারিত হয়েছে ১২ মে। এই প্রক্রিয়ায় মনিরা শারমিনের আপিলের ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।</p><p>এই ঘটনা রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, এবং অনেক পর্যবেক্ষক মনে করছেন যে নির্বাচনী আইনের কঠোর প্রয়োগ ভবিষ্যতের জন্য একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে। মনিরা শারমিনের আইনি লড়াই এবং নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সকলের নজর রাখার বিষয় হয়ে উঠেছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:57:49 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[আইপিএলে নতুন রেকর্ড: ১৫ বছর বয়সী বৈভব সূর্যবংশীর ২২৭ বলে ৫০০ রান]]></title>
				<category>ক্রিকেট</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/cricket/article-79506.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>আইপিএলে নতুন রেকর্ড: ১৫ বছর বয়সী বৈভব সূর্যবংশীর ২২৭ বলে ৫০০ রান</h2><p>লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের বিপক্ষে বড় ইনিংস খেলতে না পারলেও <strong>আইপিএলে নতুন ইতিহাস গড়েছেন ১৫ বছর বয়সী ব্যাটার বৈভব সূর্যবংশী</strong>। এই ম্যাচে তার ব্যাট থেকে মাত্র ৮ রান এলেও তিনি এক বিশেষ রেকর্ডে পৌঁছে যান, যা ক্রিকেট বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।</p><h3>মাইলফলক অর্জনের মুহূর্ত</h3><p>লক্ষ্ণৌয়ের বিপক্ষে নামার আগে তার আইপিএল রান ছিল ৪৯৮। মাত্র ২ রান যোগ করেই তিনি ৫০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। তবে <em>সবচেয়ে বড় বিষয় হলো</em>, বৈভব মাত্র ২২৭ বলে ৫০০ রান পূর্ণ করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি আইপিএলে ২৫০ বলের কমে ৫০০ রান করা প্রথম ব্যাটার হিসেবে ইতিহাসে নাম লেখান।</p><h3>পুরনো রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস</h3><p>এর আগে এই রেকর্ড ছিল অস্ট্রেলিয়ার গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের দখলে, যিনি ২৬০ বলে ৫০০ রান করেছিলেন। ম্যাক্সওয়েলের সেই রেকর্ডও ভেঙে দেন বৈভব। তালিকায় তৃতীয় স্থানে আছেন প্রিয়াংশ আর্য ও বীরেন্দ্র শেবাগ, যারা ২৮০ বলে ৫০০ রান করেছিলেন।</p><p>এই অর্জন শুধু বৈভবের ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং তরুণ ক্রীড়াবিদদের জন্য একটি অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে। আইপিএলের মাঠে তার এই অসাধারণ পারফরম্যান্স ক্রিকেট প্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ জাগিয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:23:23 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকে ক্রিকেটের প্রত্যাবর্তনে নির্মাণ শুরু, আইসিসি চেয়ারম্যানের মন্তব্য]]></title>
				<category>অলিম্পিক</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/olympic/article-79505.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>১২৮ বছর পর অলিম্পিকে ক্রিকেটের প্রত্যাবর্তনে নির্মাণ শুরু</h2><p>ক্রিকেটের অলিম্পিক গেমসে প্রত্যাবর্তন একটি ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সূচনা করছে। ১২৮ বছর বিরতির পর এই খেলা আবারও অলিম্পিকের মঞ্চে ফিরে আসতে চলেছে। বুধবার লস অ্যাঞ্জেলেস ২০২৮ অলিম্পিকের জন্য নির্ধারিত নতুন ক্রিকেট ভেন্যুর নির্মাণকাজ শুরু হওয়ায় এই যাত্রায় একটি <strong>গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক</strong> অর্জিত হয়েছে।</p><h3>ভূমি পূজায় অংশ নিলেন আইসিসি চেয়ারম্যান</h3><p>লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টির পোমোনায় অবস্থিত ফেয়ারপ্লেক্স গ্রাউন্ডসে একটি ভূমি পূজা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) চেয়ারম্যান <strong>জয় শাহ</strong> এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রকল্পের নির্মাণকাজের সূচনা করেন।</p><p>জয় শাহ তার বক্তব্যে বলেন, <em>"ক্রিকেটের পরিধি বিস্তার করা আমাদের মূল লক্ষ্য। অলিম্পিক আন্দোলনের অংশ হওয়া এমন একটি বিষয় যা গর্ব ও স্বপ্ন দুটোই নিয়ে আসে।"</em> তিনি আরও যোগ করেন, <em>"এই ভূমি পূজা ক্রিকেটের অলিম্পিকে প্রত্যাবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক এবং বিশ্বব্যাপী সকল আইসিসি সদস্য ও অংশীদারদের জন্য এটি একটি গর্বের মুহূর্ত।"</em></p><h3>অলিম্পিক ক্রিকেটের বৈশ্বিক প্রভাব</h3><p>আইসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সঞ্জোগ গুপ্তা বলেছেন, অলিম্পিক গেমস ক্রিকেটকে তার ঐতিহ্যবাহী অঞ্চলের বাইরে প্রসারিত করার ক্ষেত্রে একটি <strong>উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ</strong> হবে। তিনি বলেন, <em>"আমাদের খেলার জন্য গতি কখনোই এতটা শক্তিশালী ছিল না। বিশ্বজুড়ে অংশগ্রহণ বৃদ্ধির মাধ্যমে ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা বাড়ছে।"</em></p><p>আইসিসির মতে, লস অ্যাঞ্জেলেস ২০২৮-এ ক্রিকেটের অন্তর্ভুক্তি আরও বেশি তরুণ-তরুণীকে এই খেলায় আকৃষ্ট করার একটি মঞ্চ তৈরি করবে। এটি মহাদেশ জুড়ে ভক্তদের ভিত্তি প্রসারিত করবে এবং খেলাটির বৈশ্বিক বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করবে।</p><h3>টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে প্রতিযোগিতা</h3><p>লস অ্যাঞ্জেলেস গেমসে ক্রিকেট <strong>টি-টোয়েন্টি</strong> ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হবে। পুরুষ ও মহিলা উভয় দলের জন্য আলাদা আলাদা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। এই সিদ্ধান্ত ক্রিকেটের দ্রুতগতি ও উত্তেজনাপূর্ণ বৈশিষ্ট্যকে অলিম্পিকের মঞ্চে উপস্থাপনের জন্য নেওয়া হয়েছে।</p><p>এই উদ্যোগের মাধ্যমে ক্রিকেট বিশ্বব্যাপী আরও বেশি দর্শক ও খেলোয়াড়ের কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হবে বলে আশা করা হচ্ছে। অলিম্পিকের মতো বৃহৎ প্ল্যাটফর্মে অংশগ্রহণ ক্রিকেটের ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:42:18 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বান্দরবানে ৬ রাবার শ্রমিক অপহরণ, ২০ লাখ মুক্তিপণ দাবি; সৌদিতে হজে আরেক বাংলাদেশির মৃত্যু]]></title>
				<category>মানবাধিকার</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/manbadhikar/article-79504.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>বান্দরবানে ৬ রাবার শ্রমিক অপহরণ, ২০ লাখ মুক্তিপণ দাবি</h2><p>বান্দরবানে এবার ৬ রাবার শ্রমিককে অপহরণ করা হয়েছে। অপহরণকারীরা প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া ১১ পয়সা বাড়ানোর সিদ্ধান্তের মতো ঘটনায় ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি তদন্ত করছে এবং অপহৃত শ্রমিকদের নিরাপদে উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে।</p><h3>সৌদি আরবে হজে গিয়ে আরেক বাংলাদেশির মৃত্যু</h3><p>সৌদি আরবে হজ পালন করতে গিয়ে আরেক বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। এটি সাম্প্রতিক সময়ে হজে গিয়ে মৃত্যুর কয়েকটি ঘটনার মধ্যে একটি। বাংলাদেশ দূতাবাস মৃতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করছে।</p><h3>এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা বাতিল করলো ইসি</h3><p>নির্বাচন কমিশন (ইসি) এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা বাতিল করেছে। এই সিদ্ধান্তটি রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার সৃষ্টি করেছে। মনিরা শারমিনের পক্ষ থেকে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে।</p><h3>বাসভাড়া বাড়ানো নিয়ে পরিবহন মালিকদের সঙ্গে বৈঠকে সড়কমন্ত্রী</h3><p>বাসভাড়া বাড়ানো নিয়ে পরিবহন মালিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন সড়কমন্ত্রী। বৈঠকে প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া ১১ পয়সা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মন্ত্রী ভাড়া বৃদ্ধির প্রভাব যাত্রীদের ওপর কমানোর জন্য পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।</p><h3>দেশজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ</h3><p>দেশজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বিরাজ করছে, যা জনজীবনকে ব্যাহত করছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর সতর্কতা জারি করেছে এবং জনগণকে প্রচুর পানি পান ও সূর্যের তাপ থেকে সুরক্ষিত থাকার পরামর্শ দিয়েছে। এই তাপপ্রবাহ কৃষি ও স্বাস্থ্য খাতেও প্রভাব ফেলছে।</p><h3>মার্কিন নৌবাহিনীর সচিব জন ফেলান বরখাস্ত</h3><p>মার্কিন নৌবাহিনীর সচিব জন ফেলানকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। মার্কিন কর্তৃপক্ষ বরখাস্তের কারণ হিসেবে অভ্যন্তরীণ বিষয় উল্লেখ করেছে, তবে বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করেনি।</p><h3>শুক্রবার টানা ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়</h3><p>শুক্রবার টানা ২৪ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে কিছু নির্দিষ্ট এলাকায়। গ্যাস সংকটের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। প্রভাবিত এলাকার বাসিন্দাদের আগাম সতর্কতা দেওয়া হয়েছে এবং বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।</p><h3>প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে নতুন মহাপরিচালক নিয়োগ</h3><p>প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে নতুন মহাপরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই নিয়োগটি শিক্ষা খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। নতুন মহাপরিচালক প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন।</p><h3>ময়মনসিংহে হামে আরো এক শিশুর মৃত্যু</h3><p>ময়মনসিংহে হামে আক্রান্ত হয়ে আরো এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এটি সাম্প্রতিক সময়ে হামের প্রাদুর্ভাবে শিশু মৃত্যুর কয়েকটি ঘটনার মধ্যে একটি। স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ টিকা প্রদান ও সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে রোগ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:00:29 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[রাজধানীর ৯ এলাকায় ৯ ঘণ্টার গ্যাস সংকট, তিতাসের জরুরি মেরামত কাজ]]></title>
				<category>জ্বালানি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/jbalani/article-79503.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>রাজধানীর ৯ এলাকায় ৯ ঘণ্টার গ্যাস সংকট, তিতাসের জরুরি মেরামত কাজ</h2><p>রাজধানীর বেশ কয়েকটি এলাকায় আজ (২৩ এপ্রিল) দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত ৯ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহে সাময়িক বিঘ্ন ঘটবে। তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।</p><h3>মেরামত কাজের কারণ ও সময়সীমা</h3><p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গ্যাসের স্বল্পচাপজনিত সমস্যা সমাধানে রাজধানীর আশকোনা এলাকায় পাইপলাইনের জরুরি মেরামত কাজ চলছে। এ কারণে আজ দুপুর ১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মোট ৯ ঘণ্টা গ্যাসের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে।</p><h3>যেসব এলাকা প্রভাবিত হবে</h3><p>প্রভাবিত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে:</p><ul><li>আশকোনা</li><li>উত্তরখান</li><li>দক্ষিণখান</li><li>উত্তরা</li><li>কসাইবাড়ি</li><li>প্রেমবাগান</li><li>কাওলা</li><li>বিমানবন্দর এলাকা</li><li>আশপাশের অন্যান্য এলাকা</li></ul><p>এই সময়ে উল্লিখিত এলাকাগুলোতে গ্যাস সরবরাহে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে জানিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।</p><h3>কর্তৃপক্ষের বক্তব্য</h3><p>তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে। তারা জানিয়েছে, জরুরি মেরামত কাজ সম্পন্ন হলে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে। কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের ধৈর্য ধারণের অনুরোধ জানিয়েছে এবং দ্রুততম সময়ে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছে।</p><p>এদিকে, এই গ্যাস সংকটের কারণে প্রভাবিত এলাকার বাসিন্দাদের দৈনন্দিন কাজকর্মে কিছুটা সমস্যা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে রান্না ও অন্যান্য গ্যাস নির্ভর কাজে অসুবিধা দেখা দিতে পারে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:47:22 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[সংরক্ষিত নারী আসনে মনিরা শারমিনের মনোনয়ন বাতিল, ইসি’র সিদ্ধান্তে জামায়াত জোটের আসন ঝুঁকিতে]]></title>
				<category>নির্বাচন কমিশন</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/nirbachon-commission/article-79502.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>সংরক্ষিত নারী আসনে মনিরা শারমিনের মনোনয়ন বাতিল, ইসি’র সিদ্ধান্তে জামায়াত জোটের আসন ঝুঁকিতে</h2><p>ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে জামায়াত জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেত্রী মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে মনোনয়নপত্র বাছাই কার্যক্রম শেষে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন খান।</p><h3>মনোনয়ন বাতিলের কারণ</h3><p>মঈন উদ্দিন খান ব্যাখ্যা করেন, গত ২২ এপ্রিল মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় মনিরা শারমিনের কিছু ডকুমেন্টে ঘাটতি ধরা পড়ে। সেগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দিতে বলা হলে তিনি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেন। এরপর সংরক্ষিত নারী আসন সংক্রান্ত আইন ও আরপিও’র প্রাসঙ্গিক ধারা পর্যালোচনা করা হয়। এতে দেখা যায়, তিনি কৃষি ব্যাংকের মতো একটি স্ট্যাটিউটরি পাবলিক অথরিটিতে কর্মরত ছিলেন। আরপিও অনুযায়ী এমন প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরি ছাড়ার বা অবসরের পর নির্বাচনে অংশ নিতে কমপক্ষে তিন বছর অতিবাহিত হতে হয়। কিন্তু তার ক্ষেত্রে সেই সময়সীমা পূরণ হয়নি। তাই তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।</p><h3>মনিরা শারমিনের প্রতিক্রিয়া ও আইনি পটভূমি</h3><p>মনিরা শারমিন ২০২৩ সালের ১১ নভেম্বর কৃষি ব্যাংকে যোগ দেন এবং রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার পর ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে চাকরি থেকে পদত্যাগ করেন। আইন অনুযায়ী, সরকারি চাকরি ছাড়ার পর তিন বছর না পারলে নির্বাচনে অযোগ্য বিবেচিত হন। এ কারণেই তার মনোনয়ন বাতিল করে ইসি। তবে মনিরা শারমিন জানিয়েছেন, তিনি এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করবেন।</p><h3>রাজনৈতিক প্রভাব ও আসন বণ্টন</h3><p>এই সিদ্ধান্তের ফলে জামায়াত জোটের সংরক্ষিত নারী আসনের একটি আসন কমে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ওই আসনটি নতুন বণ্টনে উন্মুক্ত হিসেবে গণ্য হলে বিএনপি জোটের দিকে যেতে পারে বলেও সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। দুই দিনের বাছাইয়ে বিএনপি জোটের ৩৬ জন, জামায়াত জোটের ১২ জন এবং স্বতন্ত্র মোর্চার একজনসহ মোট ৪৯ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।</p><h3>নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা</h3><p>নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আইনের কঠোর প্রয়োগের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে প্রার্থীদের যোগ্যতা যাচাইয়ে ইসি’র এই পদক্ষেপ নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা বজায় রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে বিশ্লেষকরা মত দিচ্ছেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:53:00 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র: ফুয়েল লোডিং লাইসেন্স পেল, উৎপাদন কবে শুরু হবে?]]></title>
				<category>জ্বালানি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/jbalani/article-79501.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র: ফুয়েল লোডিং লাইসেন্স পেল, উৎপাদন কবে শুরু হবে?</h2><p>বাংলাদেশের সবচেয়ে ব্যয়বহুল প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে ‘ফুয়েল লোডিং’ এর জন্য কমিশনিং লাইসেন্স দিয়েছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ। এই লাইসেন্স পাওয়ার মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি উৎপাদনের চূড়ান্ত ধাপে পৌঁছেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে দিচ্ছেন যে, বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হতে আরও ৬ থেকে ১২ মাস সময় লাগতে পারে।</p><h3>সরকারের দাবি ও বিশেষজ্ঞদের মতামত</h3><p>বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানিয়েছেন, চলতি মাসের শেষেই প্রথম ইউনিটের ফুয়েল লোডিং উদ্ধোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ভার্চুয়ালি উপস্থিত থাকতে পারেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন। মন্ত্রী দাবি করেন, ফুয়েল লোডিংয়ের মাধ্যমে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মূল কাজ শুরু হবে এবং বছরের শেষ নাগাদ জাতীয় গ্রিডে এক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।</p><p>অন্যদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক মো. শফিকুল ইসলাম বলছেন, ফুয়েল লোডিংয়ের পর পাইলট অপারেশন শুরু হবে, যা অন্তত ছয়মাস থেকে এক বছর সময় নিতে পারে। তিনি ব্যাখ্যা করেন, <em>“এটা একটা পাইলট অপারেশন। এ সময়ে পাওয়ার তৈরির মাধ্যমে সিনক্রোনাইজেশন, টারবাইন জেনারেটর কাজ করছে কি না, ইমার্জেন্সি সব সাপোর্ট কাজ করছে কি না এগুলো সব দেখা হয়।”</em> তিনি আরও যোগ করেন, ফুয়েল লোডিং একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল প্রক্রিয়া, যা সম্পন্ন হতে প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ দিন সময় লাগতে পারে।</p><h3>গ্রিড সক্ষমতা ও সঞ্চালন লাইনের অবস্থা</h3><p>রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের জন্য গ্রিড সক্ষমতা এবং সঞ্চালন লাইন তৈরির কাজ ইতিমধ্যেই শেষ করেছে গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ। প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুর রশিদ খান দাবি করেন, ২০২৫ সালের মে মাসেই প্রথম ইউনিটের জন্য বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। তিনি বলেন, <strong>“ইউনিট ওয়ানের জন্য আমাদের যে কয়টা লাইন দরকার সেগুলো গত বছরের ৩০শে মে'র মধ্যেই শেষ করে ফেলেছি। আমাদের চারটা লাইন রেডি হয়ে আছে তখন থেকেই।”</strong></p><p>তিনি জানান, রূপপুর-বাঘাবাড়ি দুটি সার্কিট, রূপপুর-বগুড়া একটি এবং রূপপুর-গোপালগঞ্জ একটি সার্কিট- এই চারটি লাইন প্রস্তুত রয়েছে, যেগুলোর মোট ক্যাপাসিটি চারশ মেগাওয়াট। দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য গ্রিডের সক্ষমতা তৈরির কাজ চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।</p><h3>নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা</h3><p>রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিউক্লিয়ার ফিশন প্রক্রিয়ায় কাজ করবে, যেখানে ইউরেনিয়ামের নিউক্লিয়াস বিভাজনের মাধ্যমে তাপশক্তি উৎপন্ন হয়ে বিদ্যুৎ তৈরি হবে। অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম নিরাপত্তার ওপর জোর দিয়ে বলেন, <em>“নিউক্লিয়ার প্ল্যান্টের নিরাপত্তা নিয়ে কোনোভাবেই আপস করার সুযোগ নেই। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার নির্দেশনায় থাকা অগ্নি নিরাপত্তা, ইভাকুয়েশন প্ল্যান ও জরুরি সাপোর্ট সিস্টেম নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মূল দায়িত্ব।”</em></p><p>পরমাণু শক্তি কমিশন দাবি করেছে, প্রথম ইউনিটের কমিশনিং লাইসেন্স পাওয়ার আগেই প্রয়োজনীয় সব কারিগরি পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে নির্ধারিত মানদণ্ড অনুসরণ করে বিভিন্ন ধাপের পর্যবেক্ষণ, মূল্যায়ন ও পর্যালোচনা সম্পন্ন করা হয়েছে বলেও তারা জানিয়েছে।</p><p>মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বড় আশার আলো হয়ে উঠেছে। যদিও অতীতে একাধিকবার সময়সীমা পিছিয়েছে, এবার সরকার দৃঢ়ভাবে ডিসেম্বরেই বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হতে আরও সময় লাগবে, যা দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:35:08 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ট্রাম্পের নির্দেশে মার্কিন নৌবাহিনীর বেসামরিক প্রধান জন ফেলান পদত্যাগে বাধ্য]]></title>
				<category>জাতিসংঘ</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/jatishongho/article-79500.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>ট্রাম্পের নির্দেশে মার্কিন নৌবাহিনীর বেসামরিক প্রধান পদত্যাগে বাধ্য</h2><p>যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর বেসামরিক প্রধান জন ফেলানকে গতকাল বুধবার তাঁর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছেন, ফেলান ‘অবিলম্বে’ পদত্যাগ করছেন। এই সিদ্ধান্তটি বেশ আকস্মিক, কারণ বর্তমানে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চলাকালে মার্কিন নৌবাহিনী ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ আরোপ করেছে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে ইরানি জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।</p><h3>উত্তেজনার পেছনের কারণ</h3><p>সিএনএন-এর কাছে প্রকাশিত ছয়টি সূত্র অনুযায়ী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জাহাজ নির্মাণ সংস্কার বাস্তবায়নে ধীরগতি এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফেলানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়ে বেশ চটেছিলেন। একাধিক সূত্র জানায়, ফেলান ও হেগসেথের মধ্যে কয়েক মাস ধরে উত্তেজনা চলছিল। হেগসেথ মনে করতেন, ফেলান জাহাজ নির্মাণ সংস্কার বাস্তবায়নে খুবই ধীরগতিতে কাজ করছেন। এ ছাড়া ট্রাম্পের সঙ্গে ফেলানের সরাসরি যোগাযোগও হেগসেথকে বিরক্ত করেছিল, যা তাঁকে ডিঙিয়ে প্রেসিডেন্টের কাছে যাওয়ার চেষ্টা হিসেবে দেখা হতো।</p><p>হোয়াইট হাউসের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার মতে, বুধবার হোয়াইট হাউসে জাহাজ নির্মাণ নিয়ে ট্রাম্প ও হেগসেথের মধ্যে বৈঠক চলাকালে এসব সমস্যা চরমে পৌঁছায়। কর্মকর্তা জানান, জাহাজ নির্মাণের ধীরগতিতে ট্রাম্প নিজেও ক্ষুব্ধ ছিলেন এবং বৈঠকের সময় তিনি নিশ্চিত হন, ফেলানকে পরিবর্তন করা দরকার। তিনি ও তাঁর প্রতিরক্ষামন্ত্রী এমন কাউকে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, যিনি আরও দ্রুত কাজ করবেন।</p><h3>পদত্যাগের প্রক্রিয়া</h3><p>সূত্রগুলো থেকে জানা যায়, ফেলানকে সরানোর আগে হেগসেথ ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেন এবং ফেলানকে জানান, তাঁকে পদত্যাগ করতে হবে অথবা তাঁকে বরখাস্ত করা হবে। প্রশাসনের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা সিএনএনকে বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথ একমত হয়েছেন, নৌবাহিনীতে নতুন নেতৃত্ব প্রয়োজন। তবে ফেলান সম্ভবত বিশ্বাস করতে পারেননি, এই বার্তার বিষয়ে ট্রাম্প জানতেন। তিনি দ্রুত হোয়াইট হাউসের অন্যান্য কর্মকর্তাকে ফোন করতে শুরু করেন এবং তাঁদের কাছে জানতে চান, তাঁরা তাঁর পদত্যাগের কথা শুনেছেন কি না এবং প্রেসিডেন্ট এ বিষয়ে জানেন কি না।</p><p>ওই কর্মকর্তা আরও জানান, এরপর ফেলান ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করার অনুরোধ করেন এবং ওয়েস্ট উইং লবিতে যান। ট্রাম্প তাঁর সঙ্গে সংক্ষেপে দেখা করেন এবং নিশ্চিত করেন, ফেলান আর তাঁর পদে নেই। হোয়াইট হাউসের অন্তত দুজন কর্মী ফেলানকে বলেন, এটি ট্রাম্পেরই সিদ্ধান্ত ছিল।</p><h3>ফেলানের পটভূমি ও প্রাসঙ্গিকতা</h3><p>জন ফেলান একজন ব্যবসায়ী এবং তাঁর কোনো পূর্ব সামরিক অভিজ্ঞতা নেই। ২০২৫ সালে নৌবাহিনীর বেসামরিক প্রধান হিসেবে নিশ্চিত হওয়ার আগে তিনি ও তাঁর স্ত্রী ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারে লাখ লাখ ডলার সংগ্রহ করেছিলেন। সে সময় ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘জন ফেলান আমাদের নৌবাহিনীর সদস্যদের জন্য বিশাল শক্তি হবেন। তিনি আমার “আমেরিকা ফার্স্ট” স্বপ্ন এগিয়ে নিতে এক অবিচল নেতা হবেন।’</p><p>ট্রাম্পের অধীনে মনোনীত সামরিক বিভাগের বেসামরিক প্রধানদের মধ্যে ফেলানের বিদায়ই প্রথম। তবে পেন্টাগনের হাল ধরার পর থেকে হেগসেথ বিভিন্ন বাহিনীর অসংখ্য জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তাকে সরিয়ে দিয়েছেন। ফেলানের বিদায়ের এ ঘোষণা এমন এক সপ্তাহে এল, যখন ওয়াশিংটন ডিসির ঠিক বাইরে বড় বার্ষিক সমুদ্র সম্মেলন ‘নেভি লিগস অ্যানুয়াল সি এয়ারস্পেস কনফারেন্স’ চলছিল। ফেলান ও নৌবাহিনীর অন্যান্য ঊর্ধ্বতন নেতৃত্ব সেই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তব্য দিয়েছিলেন।</p><p>এর আগে সিএনএন জানিয়েছিল, ফেলানের নাম একটি ফ্লাইটের তালিকায় দেখা গিয়েছিল, যা থেকে বোঝা যায়, ২০০৬ সালে তিনি কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টিনের উড়োজাহাজে ভ্রমণ করেছিলেন। ফেলানের এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু জানিয়েছেন, তাঁকে উড়োজাহাজে ভ্রমণের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন বিয়ার স্টার্নসের সিইও জিমি কেইন এবং পৌঁছানোর আগে ফেলান জানতেন না, তাঁরা এপস্টিনের বিমানে ভ্রমণ করবেন।</p><p>পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল ‘এক্স’-এ (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে লিখেছেন, ‘যুদ্ধমন্ত্রী এবং উপযুদ্ধমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আমরা ফেলানকে বিভাগ ও মার্কিন নৌবাহিনীর প্রতি তাঁর সেবার জন্য ধন্যবাদ জানাই। আমরা তাঁর ভবিষ্যৎ প্রচেষ্টার সাফল্য কামনা করি। আন্ডার সেক্রেটারি হুং কাও নৌবাহিনীর ভারপ্রাপ্ত বেসামরিক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।’</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:13:57 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বাসভাড়া বৃদ্ধি, হজযাত্রীর মৃত্যু ও রাজনৈতিক সংকট: এক নজরে দেশের গুরুত্বপূর্ণ খবর]]></title>
				<category>জাতীয় সংসদ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/jatiyo-shongshod/article-79499.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>বাসভাড়া বৃদ্ধি, হজযাত্রীর মৃত্যু ও রাজনৈতিক সংকট: এক নজরে দেশের গুরুত্বপূর্ণ খবর</h2><p>দেশে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে বাসভাড়া বৃদ্ধি, হজযাত্রীর মৃত্যু, রাজনৈতিক প্রার্থিতা বাতিল ও তীব্র তাপপ্রবাহ উল্লেখযোগ্য। সড়ক পরিবহন মালিকদের সঙ্গে বৈঠকে সড়কমন্ত্রী প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া ১১ পয়সা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। এই সিদ্ধান্ত যাত্রীদের জন্য বাড়তি বোঝা হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মন্তব্য করেছেন।</p><h3>হজযাত্রীর মৃত্যু ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক খবর</h3><p>সৌদি আরবে হজ পালন করতে গিয়ে আরো এক বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় হজযাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। এদিকে, মার্কিন নৌবাহিনীর সচিব জন ফেলানকে বরখাস্ত করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।</p><h3>রাজনৈতিক সংকট ও নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত</h3><p>নির্বাচন কমিশন (ইসি) এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা বাতিল করেছে, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। একইসঙ্গে, সংরক্ষিত আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থীকে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। ইসির এই সিদ্ধান্তগুলো আগামী নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।</p><h3>দেশজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ ও অন্যান্য স্থানীয় খবর</h3><p>দেশজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বিরাজ করছে, যা জনজীবনে অস্বস্তি ও স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করেছে। আবহাওয়া বিভাগ এই অবস্থা কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে। এছাড়া, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে নতুন মহাপরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা শিক্ষা খাতের উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p><h3>অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খবর</h3><p>ময়মনসিংহে হাম রোগে আক্রান্ত হয়ে আরো এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যা শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষার দিকে নজর দিতে আহ্বান জানিয়েছে। শুক্রবার টানা ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়, সেখানে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এই সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে স্থানীয়দের কাছ থেকে।</p><p>সর্বোপরি, এই খবরগুলো দেশের অর্থনীতি, রাজনীতি, স্বাস্থ্য ও দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকরী পদক্ষেপের মাধ্যমে এই সংকটগুলো মোকাবেলা করা জরুরি বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:05:43 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রে দুজন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ]]></title>
				<category>বিদেশে পড়াশোনা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/bideshe-porashona/article-79498.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>যুক্তরাষ্ট্রে দুজন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ</h2><p>যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনারত দুজন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নিখোঁজ হওয়ার খবরে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। তাদের পরিবার ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মধ্যে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় এই ঘটনাটি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।</p><h3>ঘটনার বিবরণ</h3><p>প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এই দুজন শিক্ষার্থী যুক্তরাষ্ট্রের একটি নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছিলেন। গত কয়েক দিন ধরে তাদের সাথে পরিবার বা বন্ধুদের কোনো যোগাযোগ নেই বলে জানা গেছে। পরিবারের সদস্যরা উদ্বেগ প্রকাশ করে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছে সাহায্যের আবেদন করেছেন।</p><p>স্থানীয় পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে। তাদের শেষ দেখা যাওয়ার স্থান ও সময় সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এছাড়াও, সামাজিক মাধ্যম ও অন্যান্য যোগাযোগের মাধ্যমগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে সম্ভাব্য সূত্র খুঁজে পেতে।</p><h3>পরিবারের প্রতিক্রিয়া</h3><p>নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের পরিবার গভীর উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তায় রয়েছে। তারা দ্রুততম সময়ে তাদের সন্তানদের খোঁজ পেতে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সহায়তা চেয়েছেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এই ঘটনায় সজাগ দৃষ্টি রাখছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছে।</p><p>পরিবারের সদস্যদের মতে, শিক্ষার্থীরা নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন, তাই এই আকস্মিক যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা অস্বাভাবিক বলে মনে করা হচ্ছে। তারা আশা করছেন যে দ্রুতই ইতিবাচক কোনো খবর পাওয়া যাবে।</p><h3>তদন্তের অগ্রগতি</h3><p>তদন্তকারী দল নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের শেষ পরিচিত অবস্থান, তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও সাম্প্রতিক কার্যক্রম সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের সহপাঠী ও বন্ধুদের সাথে কথা বলছে সম্ভাব্য সূত্র খুঁজে বের করতে।</p><p>এছাড়াও, যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো এই ঘটনাকে গুরুত্বের সাথে নিয়ে কাজ করছে। তারা জনগণের কাছ থেকে কোনো তথ্য থাকলে তা শেয়ার করার অনুরোধ জানিয়েছে।</p><h3>বিদেশে পড়াশোনারত বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা</h3><p>এই ঘটনা বিদেশে পড়াশোনারত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বিদেশে অবস্থানকালীন সময়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও সচেতনতা ও প্রস্তুতি প্রয়োজন।</p><p>পরিবার ও শিক্ষার্থীদের জন্য কিছু পরামর্শ:</p><ul><li>নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখা</li><li>স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগের তথ্য শেয়ার করা</li><li>জরুরি অবস্থার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া</li></ul><p>এই ঘটনার সমাধান দ্রুত হওয়া কাম্য, যাতে অন্যান্য শিক্ষার্থীরা নিরাপদে তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:04:34 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ঢাকা ও চট্টগ্রামে বাস ভাড়া বৃদ্ধি: প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বাড়ল]]></title>
				<category>ব্যবসা-বাণিজ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/bebsha-banijjo/article-79497.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে এবং আন্তজেলা বাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বৃদ্ধি পেয়েছে। সড়ক, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এই ঘোষণা দেন।</p><h2>ভাড়া বৃদ্ধির কারণ</h2><p>মন্ত্রী জানান, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর সরকার বাসের ভাড়া সমন্বয় করেছে। এই পদক্ষেপটি নেওয়া হয়েছে যাত্রীদের ওপর অতিরিক্ত বোঝা না চাপিয়ে পরিবহন খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য।</p><h3>নতুন ভাড়ার হার</h3><p>ভাড়া বৃদ্ধির ফলে নতুন হারগুলো নিম্নরূপ:</p><ul><li>ঢাকা-চট্টগ্রাম মহানগরে বাস ভাড়া আগে ছিল প্রতি কিলোমিটার ২ টাকা ৪২ পয়সা, যা ১১ পয়সা বাড়িয়ে ২ টাকা ৫৩ পয়সা করা হয়েছে।</li><li>আন্তজেলার বাসে ভাড়া আগে ছিল প্রতি কিলোমিটার ২ টাকা ১২ পয়সা, এখন তা ১১ পয়সা বৃদ্ধি পেয়ে ২ টাকা ২৩ পয়সা হয়েছে।</li><li>ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) এলাকার ক্ষেত্রে ভাড়া আগে ছিল প্রতি কিলোমিটার ২ টাকা ৩২ পয়সা, যা ১১ পয়সা বাড়িয়ে ২ টাকা ৪৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।</li></ul><p>সর্বনিম্ন ভাড়া আগের মতোই ১০ টাকা রয়ে গেছে, যা যাত্রীদের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর। এই পরিবর্তনটি কার্যকর হওয়ার পর যাত্রীরা তাদের দৈনন্দিন যাতায়াত খরচ পুনর্বিবেচনা করতে পারেন।</p><p>মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, সরকার পরিবহন খাতের উন্নয়নে নিবেদিত এবং ভবিষ্যতে জ্বালানি তেলের দামের ওঠানামার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করা হতে পারে। এই সিদ্ধান্তটি নাগরিকদের যাতায়াতের সুবিধা ও পরিবহন সেবার মান বজায় রাখার লক্ষ্যে গৃহীত হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:01:41 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ইরানে বাংলাদেশের জরুরি চিকিৎসা সহায়তা, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পাঠানো হয়েছে]]></title>
				<category>কূটনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/kutniti/article-79496.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>ইরানে বাংলাদেশের জরুরি চিকিৎসা সহায়তা, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পাঠানো হয়েছে</h2><p>বাংলাদেশ ইরানে জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠিয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমানের নির্দেশে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটের মধ্যে মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মাধ্যমে এই সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।</p><h3>ঢাকায় ইরানি দূতাবাসে সহায়তা হস্তান্তর</h3><p>ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জালিল রহিমি জাহানাবাদীর কাছে রাজধানীর ইরানি দূতাবাসে এই সহায়তা হস্তান্তর করা হয়েছে। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মহাসচিব ড. কবির এম আশরাফ আলম বৃহস্পতিবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে সরঞ্জামগুলো হস্তান্তর করেন।</p><p>সরকারের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দ্বিপক্ষীয় বিষয়ক সচিব ড. মো. নজরুল ইসলাম এবং পশ্চিম এশিয়া বিভাগের মহাপরিচালক মো. হুমায়ুন কবির অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।</p><h3>প্রধানমন্ত্রীর পূর্ববর্তী অনুদান ও প্রতিক্রিয়া</h3><p>এর আগে, ৬ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী ইরানে সংঘাতের শিকার ব্যক্তিদের জন্য জরুরি ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয়ের জন্য বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিকে ১ কোটি টাকা অনুদান দেন।</p><p>অনুষ্ঠানে ড. নজরুল ইসলাম মধ্যপ্রাচ্যে জীবন ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং শান্তির প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই সংকটের সমাধান হবে।</p><h3>ইরানি রাষ্ট্রদূতের কৃতজ্ঞতা ও রেড ক্রিসেন্টের ভূমিকা</h3><p>রাষ্ট্রদূত জালিল রহিমি জাহানাবাদী মানবিক সহায়তার জন্য বাংলাদেশ সরকার ও প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান, দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন।</p><p>ড. কবির বলেন, রেড ক্রিসেন্ট বিশ্বব্যাপী সংকটে থাকা মানুষদের সহায়তা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি যোগ করেন, যুদ্ধকালীন সময়ে ইরানের জনগণকে সহায়তা করা তাদের মানবিক দায়িত্বের প্রতিফলন।</p><p>এই উদ্যোগটি বাংলাদেশের বৈশ্বিক মানবিক সম্পৃক্ততা এবং আন্তর্জাতিক সংকটে সহমর্মিতার প্রকাশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি এটি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য বাংলাদেশের অবদানকেও তুলে ধরে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:48:31 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধিতে বাস ভাড়া বাড়ল: প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বেশি]]></title>
				<category>জ্বালানি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/jbalani/article-79495.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে বাস ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল সরকার</h2><p>বর্তমান জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে এবার বাস ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নতুন নির্ধারণ অনুযায়ী, এখন থেকে যাত্রীদের প্রতি কিলোমিটারে আগের তুলনায় ১১ পয়সা বেশি ভাড়া গুনতে হবে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সচিবালয়ে বাস মালিক সমিতি ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মিটিং শেষে এ তথ্য জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।</p><h3>নতুন ভাড়া কাঠামোর বিস্তারিত বিবরণ</h3><p>সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে প্রতি কিলোমিটার বাস ভাড়া ১১ পয়সা বাড়ানো হয়েছে। ফলে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে চলাচলকারী বাস ও মিনিবাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটার ২ টাকা ৪২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২ টাকা ৫৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। অপরদিকে দূরপাল্লায় বাস ভাড়া প্রতি কিলোমিটার দুই টাকা ১২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২ টাকা ২৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।</p><p>এই ভাড়া বৃদ্ধির সিদ্ধান্তটি জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জ্বালানি খরচ বৃদ্ধির কারণে পরিবহন খাতে চাপ তৈরি হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম উল্লেখ করেছেন যে, এই পরিবর্তনটি যাত্রীদের ওপর অতিরিক্ত বোঝা না চাপিয়ে সুষমভাবে প্রয়োগ করা হবে।</p><h3>যাত্রী ও পরিবহন মালিকদের প্রতিক্রিয়া</h3><p>ভাড়া বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্তের ফলে যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াত খরচ কিছুটা বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে নিয়মিত বাসে যাতায়াতকারী কর্মজীবী ও শিক্ষার্থীদের জন্য এটি অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণ হতে পারে। অন্যদিকে, বাস মালিক সমিতির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির কারণে তাদের পরিচালন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় এই ভাড়া সমন্বয় অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ছিল।</p><p>সরকারি সূত্রে জানা গেছে, এই নতুন ভাড়া কাঠামো অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তা পর্যবেক্ষণ করা হবে। যাত্রীদের সুবিধার্থে ভাড়া বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্তটি স্বচ্ছভাবে বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:10:31 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[যুদ্ধবিরতিতেও ইসরায়েলের অস্ত্র কেনা: এলবিট সিস্টেমসকে ২০ কোটি ডলারের গোলাবারুদ চুক্তি]]></title>
				<category>যুদ্ধ-সংঘাত</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/juddho-shonghat/article-79494.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>যুদ্ধবিরতির মধ্যেও ইসরায়েলের অস্ত্র ক্রয়: এলবিট সিস্টেমসকে ২০ কোটি ডলারের গোলাবারুদ চুক্তি</h2><p>ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধের অংশ হিসেবে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দেশটির অন্যতম শীর্ষ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নির্মাতা প্রতিষ্ঠান <strong>এলবিট সিস্টেমস</strong>কে প্রায় <strong>২০ কোটি মার্কিন ডলার</strong> মূল্যের উন্নত আকাশপথে ব্যবহারযোগ্য গোলাবারুদ সরবরাহের কার্যাদেশ দিয়েছে। এই চুক্তি ইসরায়েলের সামরিক স্বনির্ভরতা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার প্রস্তুতি হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে।</p><h3>এলবিট সিস্টেমসের প্রযুক্তিগত শ্রেষ্ঠত্ব ও দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্ব</h3><p>এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এলবিট সিস্টেমস আকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য অস্ত্র ব্যবস্থায় তাদের <em>‘প্রযুক্তিগত শ্রেষ্ঠত্বের’</em> কথা তুলে ধরে জানায়, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এই দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্বের জন্য তারা গর্বিত। প্রতিষ্ঠানটির দাবি অনুযায়ী, তাদের উৎপাদিত এই অত্যাধুনিক গোলাবারুদগুলো ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর আকাশপথে নিরঙ্কুশ আধিপত্য বজায় রাখার অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছে।</p><p>ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম <strong>হারেৎজ</strong>-এর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিরক্ষা সংগ্রহ অধিদপ্তর এই চুক্তির নেতৃত্ব দিচ্ছে এবং তাদের মতে, এই বিশাল বিনিয়োগের মূল লক্ষ্য হলো সমরাস্ত্রের ক্ষেত্রে তথাকথিত <em>‘স্বনির্ভরতা’</em> অর্জন করা।</p><h3>সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর বক্তব্য</h3><p>মন্ত্রণালয় আরও উল্লেখ করেছে, <em>‘তৎক্ষণাৎ যুদ্ধ পরিস্থিতি’</em> মোকাবেলা এবং আগত একটি <em>‘তীব্র নিরাপত্তাহীন দশক’</em> এর জন্য সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী <strong>ইসরায়েল কাটজ</strong> এই চুক্তির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেছেন যে, এটি ইসরায়েলের নিজস্ব গোলাবারুদ সরবরাহ ব্যবস্থার স্বাধীনতা ও সক্ষমতাকে সুসংহত করার একটি বিশেষ প্রয়াস।</p><p>গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে যখন আন্তর্জাতিক মহলে ইসরায়েলের ওপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপের দাবি জোরালো হচ্ছে, ঠিক তখনই এই বিশাল অংকের সমরাস্ত্র ক্রয়ের খবর সামনে এলো।</p><h3>গাজায় হতাহতের পরিসংখ্যান ও মানবাধিকার সংস্থার সমালোচনা</h3><p>উল্লেখ্য, গত বুধবার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত মোট <strong>৭২ হাজার ৬৫২ জন</strong> ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া একই সময়ে ইসরায়েলি আগ্রাসনে আরও <strong>১ লাখ ৭২ হাজার ৩২০ জন</strong> মানুষ গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।</p><p>মানবাধিকার সংস্থাগুলো এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ইসরায়েলের এই ক্রমবর্ধমান সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির তীব্র সমালোচনা করছে। তাদের মতে, যখন গাজায় মানবিক বিপর্যয় চরম আকার ধারণ করেছে, তখন ইসরায়েলের এই ধরনের সমরাস্ত্র কেনা কেবল সংঘাতকেই দীর্ঘায়িত করবে।</p><h3>এলবিট সিস্টেমসের প্রতিশ্রুতি ও ভবিষ্যৎ প্রভাব</h3><p>এলবিট সিস্টেমস অবশ্য জানিয়েছে, তারা তাদের অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই চুক্তির ফলে ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর আক্রমণাত্মক ক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।</p><p>সামগ্রিকভাবে, এই চুক্তি ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, তবে তা আন্তর্জাতিক সমালোচনা ও মানবিক উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 07:06:04 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বেসরকারি উদ্যোগে ছয়টি বন্ধ পাটকল চালু হবে আগামী ৬ মাসে: মন্ত্রী]]></title>
				<category>শিল্প</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/shilpo/article-79493.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>বেসরকারি উদ্যোগে ছয়টি বন্ধ পাটকল চালু হবে আগামী ৬ মাসে</h2><p>বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীন বন্ধ পাটকলগুলোর মধ্যে ছয়টি পাটকল আগামী ৬ মাসের মধ্যে বেসরকারি উদ্যোগে চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বন্ধ জুট মিল, কারখানা চালু ও ইজারা সংক্রান্ত অংশীজনদের সঙ্গে জরুরি সভা শেষে এ তথ্য জানান বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।</p><h3>পর্যায়ক্রমে চালু হবে বাকি পাটকল</h3><p>মন্ত্রী বলেন, <strong>পর্যায়ক্রমে বন্ধ বাকি পাটকলগুলো চালু অথবা ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার</strong>। তিনি উল্লেখ করেন, এই পদক্ষেপের ফলে <em>বিনিয়োগের পাশাপাশি একইসঙ্গে রফতানি বাড়বে এবং কর্মসংস্থান বাড়বে</em>। বৈঠকে উদ্যোক্তা ও অংশীজনদের সঙ্গে বন্ধ পাটকল চালুর বিষয়ে মতবিনিময় শেষে নানা নির্দেশনাও দেন তিনি।</p><h3>বৈঠকে অংশগ্রহণকারী সংস্থা ও কর্মকর্তা</h3><p>বৈঠকে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশনের (বিটিএমসি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা অংশ নেন। এই সভাটি পাট শিল্পের পুনরুজ্জীবন এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।</p><h3>সরকারের পদক্ষেপের সম্ভাব্য প্রভাব</h3><p>সরকারের এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে পাট শিল্পে নতুন জীবন ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। <strong>বিনিয়োগ বৃদ্ধি, রফতানি আয়ের উন্নতি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি</strong> এই পদক্ষেপের প্রধান উদ্দেশ্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পাটকলগুলো চালু হলে স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং দেশের মোট জাতীয় উৎপাদনে অবদান রাখবে বলে আশা করা যাচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:56:25 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ফরিদপুরে হাম প্রাদুর্ভাব: মৃত্যু ৬, আক্রান্ত ৫১৪, নতুন শনাক্ত ৩৩]]></title>
				<category>জনস্বাস্থ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/swasthyo/jonswasthyo/article-79492.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>ফরিদপুরে হাম প্রাদুর্ভাব: মৃত্যু ৬, আক্রান্ত ৫১৪, নতুন শনাক্ত ৩৩</h2><p>ফরিদপুর জেলায় হামের প্রাদুর্ভাব ক্রমাগতভাবে অব্যাহত রয়েছে, যা স্থানীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৩৩ জন রোগী শনাক্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে এই সময়ের মধ্যে নতুন কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি, যা কিছুটা স্বস্তির খবর বয়ে এনেছে।</p><h3>মোট আক্রান্ত ও মৃত্যুর পরিসংখ্যান</h3><p>জেলা সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত জেলায় মোট ৫১৪ জন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে মোট ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা প্রাদুর্ভাবের গুরুত্ব তুলে ধরছে। আক্রান্তদের মধ্যে বিভিন্ন উপজেলায় বণ্টন নিম্নরূপ:</p><ul><li>আলফাডাঙ্গায় ১০ জন</li><li>বোয়ালমারীতে ১২ জন</li><li>ভাঙ্গায় ৮ জন</li><li>চরভদ্রাসনে ৪ জন</li><li>নগরকান্দায় ২ জন</li><li>মধুখালীতে ৩ জন</li><li>সদরপুরে ৭ জন</li><li>ফরিদপুর সদরে ২০ জন</li></ul><h3>হাসপাতালের বর্তমান অবস্থা</h3><p>হাসপাতাল ভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ১০ জন এবং ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৩ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে দুই হাসপাতালে মোট ৭৫ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন, যা চিকিৎসা সেবার চাপ বাড়াচ্ছে। তবে ইতিবাচক দিক হলো, গত ২৪ ঘণ্টায় ৩০ জন রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন, যা চিকিৎসার কার্যকারিতা নির্দেশ করে।</p><h3>স্বাস্থ্য বিভাগের সতর্কতা ও আহ্বান</h3><p>স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে হামের সংক্রমণ প্রতিরোধে জোরালো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তারা শিশুদের টিকাদান কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য অভিভাবকদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়েছেন। এছাড়াও, জ্বর, ফুসকুড়ি বা সংশ্লিষ্ট উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যাতে রোগের বিস্তার রোধ করা যায়। এই প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় সামাজিক সচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:51:41 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[রাজশাহীতে বরেন্দ্র জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা শরৎকুমার রায়ের সার্ধশত জন্মবার্ষিকী উদযাপন]]></title>
				<category>বই</category>
				<link>https://bdgazette.com/jibonjapon/boi/article-79491.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>রাজশাহীতে বরেন্দ্র জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা শরৎকুমার রায়ের সার্ধশত জন্মবার্ষিকী উদযাপন</h2><p>রাজশাহীতে বরেন্দ্র রিসার্চ মিউজিয়ামের প্রতিষ্ঠাতা কুমার শরৎকুমার রায়ের সার্ধশত জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে একটি আলোচনা সভা ও স্মারক প্রকাশনা অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়েছে। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় নগরের কুমারপাড়া এলাকায় অবস্থিত বাতিঘর লাইব্রেরিতে <em>'স্মরণে-বরণে কুমার শরৎকুমার রায়'</em> শীর্ষক এই আয়োজনটি যৌথভাবে পরিচালনা করে বাতিঘর ও বরেন্দ্র ইতিহাস পরিষদ।</p><h3>অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক ও বক্তারা</h3><p>অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন দৈনিক সোনার দেশ পত্রিকার সম্পাদক আকবারুল হাসান মিল্লাত। সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-রেজিস্ট্রার সফিকুল ইসলাম। এছাড়াও, অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন:</p><ul><li>রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের অধ্যাপক মুহাম্মদ আলমগীর</li><li>সাবেক জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ মনিরুল ইসলাম আলমগীর</li><li>বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল লতিফ চঞ্চল</li><li>চলচ্চিত্রকর্মী সুলতানুল ইসলাম টিপু</li><li>নাট্যকার দ্বীজেন্দ্র নাথ ব্যানার্জী</li></ul><h3>শরৎকুমার রায়ের জীবন ও অবদান</h3><p>কুমার শরৎকুমার রায় ১৮৭৬ সালের ২২ এপ্রিল নাটোরের দিঘাপতিয়া রাজপরিবারে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৪৬ সালের ১২ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর বাবা রাজা প্রমথনাথ রায় ও মা দ্রবময়ী দেবী ছিলেন বিদ্যানুরাগী ও প্রজাহিতৈষী ব্যক্তিত্ব। এই পরিবারিক ঐতিহ্য ধারণ করে শরৎকুমার রায় ইতিহাসচর্চা ও প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণায় অসামান্য অবদান রাখেন।</p><p>বক্তারা উল্লেখ করেন যে, ইতিহাসবিদ অক্ষয়কুমার মৈত্রেয় ও রমাপ্রসাদ চন্দসহ অন্যান্য কৃতী ব্যক্তিদের সহযোগিতায় শরৎকুমার রায় ১৯১০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর নিজ অর্থায়নে রাজশাহী শহরে বরেন্দ্র রিসার্চ মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে এটি দেশের অন্যতম প্রাচীন ও সমৃদ্ধ প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর হিসেবে স্বীকৃত।</p><h3>স্মারক প্রকাশনা ও গ্রন্থ উন্মোচন</h3><p>অনুষ্ঠানে কুমার শরৎকুমার রায়ের জীবন ও কর্ম তুলে ধরে বরেন্দ্র ইতিহাস পরিষদের একটি স্মারকপত্র প্রকাশ করা হয়। পাশাপাশি, সফিকুল ইসলাম রচিত <strong>'বাংলার গৌরব বরেন্দ্র রিসার্চ মিউজিয়াম'</strong> শীর্ষক গ্রন্থটি ঢাকার কথাপ্রকাশ প্রকাশনী কর্তৃক প্রকাশিত হয়।</p><h3>প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ও খনন কার্যক্রম</h3><p>বক্তারা আরও জানান যে, বরেন্দ্র রিসার্চ মিউজিয়ামে বর্তমানে প্রায় ১৮ হাজার প্রত্ননিদর্শন সংরক্ষিত রয়েছে, যার মধ্যে ৫ হাজার বছর আগের সিন্ধু সভ্যতার উল্লেখযোগ্য নিদর্শনও অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া, নওগাঁর পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহারসহ বিভিন্ন প্রত্নস্থানে খনন কার্যক্রমের পথিকৃৎ ছিলেন শরৎকুমার রায়। ১৯২৩ সালের ১ মার্চ তাঁর অর্থায়নে সোমপুর মহাবিহারে অবিভক্ত বাংলার প্রথম বৈজ্ঞানিক প্রত্নতাত্ত্বিক খনন শুরু হয়।</p><h3>শরৎকুমার রায়ের ব্যাপক প্রভাব</h3><p>বক্তারা আরও বলেন যে, কুমার শরৎকুমার রায়ের অবদান কেবল একটি জাদুঘর প্রতিষ্ঠার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং তিনি বরেন্দ্র অঞ্চলের ইতিহাস সংরক্ষণ, গবেষণা ও জাতিসত্তার পরিচয় নির্মাণে অনন্য ভূমিকা রেখেছেন। তাঁর জীবন ও কর্ম নতুন প্রজন্মকে ইতিহাসচর্চায় উদ্বুদ্ধ করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:19:05 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[শান্তের ফিফটিতে বাংলাদেশের একশ রান: ২৮ ওভারে ৩ উইকেটে ১২২]]></title>
				<category>ক্রিকেট</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/cricket/article-79490.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>শান্তের ফিফটিতে বাংলাদেশের একশ রান: শুরুতে ধাক্কা, পরে ঘুরে দাঁড়ানো</h2><p>বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ব্যাট হাতে শুরুতে কিছু ধাক্কা খেলেও, ঘুরে দাঁড়ানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। দলটি ইতিমধ্যে দলীয় একশ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছে, যা ম্যাচে তাদের অবস্থানকে শক্তিশালী করছে।</p><h3>নাজমুল হোসেন শান্তের উল্লেখযোগ্য পারফরম্যান্স</h3><p>নাজমুল হোসেন শান্ত তার ব্যাটিং দক্ষতা প্রদর্শন করে নিজের অর্ধশতক তুলে নিয়েছেন। তার এই ইনিংস বাংলাদেশের সংগ্রহকে স্থিতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। শান্তের ফিফটি দলের মোট রান সংগ্রহে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে।</p><h3>ম্যাচের বর্তমান স্কোর ও অবস্থা</h3><p>এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত, ম্যাচের ২৮ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৩ উইকেট হারিয়ে ১২২ রান। দলটি এখনও মাঠে অবস্থান করছে এবং আরও রান সংগ্রহের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।</p><p>বাংলাদেশের ইনিংসে শুরুতে কিছু উইকেট হারানোর পর, ব্যাটসম্যানরা ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন। শান্তের নেতৃত্বে দলটি একশ রান পেরিয়ে ম্যাচে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে রয়েছে।</p><strong>ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ দিক:</strong><ul><li>বাংলাদেশ দলীয় একশ রান পেরিয়েছে।</li><li>নাজমুল হোসেন শান্ত অর্ধশতক করেছেন।</li><li>২৮ ওভারে ৩ উইকেটে ১২২ রান সংগ্রহ করা হয়েছে।</li><li>দলটি শুরুতে ধাক্কা খেলেও ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে।</li></ul><p>ম্যাচের বিস্তারিত তথ্য ও আপডেট আসছে। বাংলাদেশ দলের পারফরম্যান্স ক্রিকেট ভক্তদের জন্য আশাব্যঞ্জক সংবাদ বয়ে আনছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:47:38 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[জামালপুরে ১৫ টন সরকারি চাল কালোবাজারে বিক্রি চেষ্টা: ট্রাকসহ চালক গ্রেপ্তার]]></title>
				<category>দুর্নীতি দমন</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/durniti-domon/article-79489.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>জামালপুরে সরকারি চাল কালোবাজারে বিক্রি চেষ্টা: ট্রাকসহ চালক গ্রেপ্তার</h2><p>জামালপুরে প্রায় ১৫ টন সরকারি চাল কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে একটি ট্রাকসহ চালককে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। গতকাল বুধবার রাতে শহরের ডাকপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ট্রাকটি জব্দ করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার সকালে র‍্যাব-১৪–এর জামালপুরের কোম্পানি কমান্ডার লাবিদ আহমেদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।</p><h3>গ্রেপ্তার ও মামলার বিস্তারিত</h3><p>গ্রেপ্তারকৃত চালকের নাম শামছুল হক (৫৪)। তিনি টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর এলাকার আবদুল হাকিমের ছেলে। এই ঘটনায় গতকাল রাতে শহরের সিংহজানি খাদ্যগুদামের সংরক্ষণ ও পরিবহন কর্মকর্তা (এসএমও) ইসরাত আহমেদ বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলায় দুজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় পাঁচ থেকে ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে।</p><p>র‍্যাব-১৪ জামালপুর কোম্পানি কমান্ডারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে চালবোঝাই একটি ট্রাক জামালপুর থেকে শেরপুরের একটি রাইস মিলে নেওয়া হচ্ছে—এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। পরে শহরের ডাকপাড়া এলাকা থেকে ১৫ টন সরকারি চালবোঝাই একটি ট্রাকসহ চালককে আটক করা হয় এবং ট্রাকটি জব্দ করা হয়।</p><h3>অভিযানের পরবর্তী পদক্ষেপ</h3><p>পরে জামালপুরের সিংহজানি খাদ্যগুদামের কর্তৃপক্ষকে খবর দিলে কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এসে নিশ্চিত করেন, জব্দ করা চালগুলো সরকারি। এরপর র‍্যাব সদস্যরা ট্রাকটিসহ চালককে রাতেই সদর থানায় হস্তান্তর করে। একই রাতে থানায় একটি মামলা করা হয়।</p><p>র‍্যাব-১৪–এর জামালপুরের কোম্পানি কমান্ডার লাবিদ আহমেদ বলেন, <em>"চালকের ভাষ্যমতে, চালগুলো জামালপুরের সিংহজানি খাদ্যগুদাম থেকে একটি রাইস মিলে নেওয়া হচ্ছিল। কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যেই চালগুলো নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।"</em></p><h3>তদন্ত ও আদালত প্রক্রিয়া</h3><p>মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জামালপুর সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, <strong>"আজ দুপুরে গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে আদালতে পাঠানোর কথা আছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।"</strong></p><p>এই ঘটনায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ প্রশংসিত হয়েছে, যা সরকারি সম্পদের অপব্যবহার রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। জামালপুরে এরকম অনিয়মের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানা গেছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:40:12 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[কাপ্তাইয়ে পানিস্বল্পতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন হ্রাস, মাত্র ৪০ মেগাওয়াট উৎপাদন হচ্ছে]]></title>
				<category>জ্বালানি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/jbalani/article-79488.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>কাপ্তাইয়ে পানিস্বল্পতায় বিদ্যুৎ উৎপাদনে মারাত্মক সংকট</h2><p>রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে অবস্থিত কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন আরও হ্রাস পেয়েছে। হ্রদে পানিস্বল্পতার কারণে বর্তমানে কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিটের মধ্যে শুধু একটিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। আর এই একটি ইউনিট থেকে মাত্র ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। এই কেন্দ্রে পাঁচটি ইউনিটের মাধ্যমে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় ২শ ৪২ মেগাওয়াট।</p><h3>ব্যবস্থাপক প্রকৌশলীর বক্তব্য</h3><p>বিষয়টি নিশ্চিত করে বিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান বলেন, <em>‘শুষ্ক মৌসুমে কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর দিন দিন কমতে থাকে। আর পানির ওপর নির্ভরশীল এই কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিটের মধ্যে বুধবার সকাল ৯টা পর্যন্ত শুধু ২নং ইউনিট থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।’</em></p><h3>হ্রদের পানির স্তরের অবস্থা</h3><p>বর্তমানে রুলকার্ভ অনুযায়ী কাপ্তাই হ্রদে ৮৩.৮০ এমএসএল (মিনস সি লেভেল) পানি থাকার কথা থাকলেও বুধবার সকাল ৯টা পর্যন্ত কাপ্তাই হ্রদে পানির লেভেল ছিল ৭৭.৪৭ এমএসএল। এটি নির্দিষ্ট স্তরের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে কম, যা বিদ্যুৎ উৎপাদনে সরাসরি প্রভাব ফেলছে।</p><h3>কন্ট্রোল রুমের তথ্য</h3><p>কাপ্তাই কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের কন্ট্রোল রুমে দায়িত্বরত প্রকৌশলীরা জানান, বিগত সপ্তাহগুলোতে কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিটের মধ্যে দুটি ইউনিট চালু রেখে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হতো। কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর দ্রুত কমতে থাকায় মঙ্গলবার থেকে শুধু একটি করে ইউনিট চালু রেখে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে।</p><p>তারা আরও উল্লেখ করেন, <strong>যতদিন বৃষ্টি হবে না, ততদিন পর্যন্ত এই সমস্যার সমাধান হবে না</strong>। শুষ্ক মৌসুমে পানির স্তর কমতে থাকায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে, যা জাতীয় গ্রিডে চাপ সৃষ্টি করতে পারে।</p><h3>সম্ভাব্য প্রভাব ও ভবিষ্যৎ</h3><p>এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে কাপ্তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ আরও সীমিত হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও অনিয়মিত বৃষ্টিপাতের কারণে ভবিষ্যতে এমন সংকট আরও বাড়তে পারে। তাই বিকল্প বিদ্যুৎ উৎসের দিকে নজর দেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:18:24 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার গালিবাফের অভিযোগ: যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করা অসম্ভব]]></title>
				<category>যুদ্ধ-সংঘাত</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/juddho-shonghat/article-79487.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার গালিবাফের অভিযোগ: যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করা অসম্ভব</h2><p>যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতি চুক্তির <strong>লঙ্ঘন</strong> হওয়ার অভিযোগ তুলে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা <em>অসম্ভব</em> বলে জানিয়েছেন। মার্কিন বার্তাসংস্থা এপি এই খবর নিশ্চিত করেছে, যা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উত্তেজনা বাড়িয়ে দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে গালিবাফ স্পষ্ট ভাষায় বলেন, <strong>যুদ্ধবিরতির কোনো অর্থই থাকে না</strong>, যদি তা নৌ অবরোধের মাধ্যমে লঙ্ঘিত হয় এবং বিশ্ব অর্থনীতিকে জিম্মি করা হয়।</p><h3>মার্কিন নৌ অবরোধ ও ইসরায়েলের ভূমিকা</h3><p>গালিবাফ সরাসরি অভিযোগ করেন যে, ইরানি বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌ অবরোধ এবং ইসরায়েলের <em>যুদ্ধোন্মাদ আচরণ</em> যুদ্ধবিরতির প্রতিশ্রুতিকে দুর্বল করছে। তিনি উল্লেখ করেন, এই পদক্ষেপগুলো আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করছে এবং কূটনৈতিক সমাধানের পথকে বাধাগ্রস্ত করছে। ইরানের দাবি অনুযায়ী, ১৩ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া মার্কিন নৌ অবরোধ অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে, নতুবা পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।</p><h3>তেহরানের অবস্থান ও আলোচনা বর্জন</h3><p>তেহরান দৃঢ়ভাবে জানিয়েছে যে, মার্কিন নৌ অবরোধ যুদ্ধবিরতির <strong>স্পষ্ট লঙ্ঘন</strong> এবং এ কারণেই ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফা আলোচনায় অংশ নেয়নি তারা। ইরানের ভাষায়, এই অবরোধ শুধু অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করছে না, বরং আন্তর্জাতিক আইন ও চুক্তিরও উলঙ্ঘন করছে। গালিবাফের এই বক্তব্য ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ পরিবর্তন না হলে হরমুজ প্রণালির মতো কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ পুনরায় উন্মুক্ত করা সম্ভব নয়, যা বিশ্ব জ্বালানি বাজারে ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে।</p><p>এই পরিস্থিতিতে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক অর্থনীতির উপর প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে, এবং কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করার আহ্বান জানানো হচ্ছে। গালিবাফের মন্তব্য ইরানের কঠোর অবস্থানকে প্রতিফলিত করছে, যা যুদ্ধবিরতি চুক্তি পুনরুদ্ধারের জন্য মার্কিন নীতির পরিবর্তনের উপর জোর দিচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:19:32 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ভারতের হাই কমিশনারের প্রতিশ্রুতি: বাংলাদেশিদের জন্য মানসম্মত ও স্বল্প ব্যয়ে স্বাস্থ্যসেবা]]></title>
				<category>হাসপাতাল</category>
				<link>https://bdgazette.com/swasthyo/hashpatal/article-79486.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>ভারতের হাই কমিশনারের প্রতিশ্রুতি: বাংলাদেশিদের জন্য মানসম্মত ও স্বল্প ব্যয়ে স্বাস্থ্যসেবা</h2><p>ভারত বাংলাদেশিদের জন্য মানসম্মত ও স্বল্প ব্যয়ে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির হাই কমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা। বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশের রিদম গ্রুপ এবং ভারতের ম্যানিপালস হসপিটালের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।</p><h3>যৌথ উদ্যোগে চিকিৎসা খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি</h3><p>প্রণয় কুমার ভার্মা বলেন, <em>‘এদেশের চিকিৎসা খাতের সক্ষমতা বাড়াতে যৌথ উদ্যোগে আমরা কাজ করতে চাই। পাশাপাশি বাংলাদেশিদের জন্য মানসম্মত ও স্বল্প ব্যয়ে স্বাস্থ্যসেবা দিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’</em> তিনি উল্লেখ করেন যে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।</p><h3>মেডিকেল ট্যুরিজম খাতকে সুসংগঠিত করার আহ্বান</h3><p>এসময় তিনি বাংলাদেশের মেডিকেল ট্যুরিজম খাতকে সুসংগঠিত করতে এবং ভারতে বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যাওয়া রোগীদের মধ্যে আস্থা ফেরাতে দুই দেশের বেসরকারি খাতকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। ভার্মা বলেন, <strong>‘বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ মেডিকেল ট্যুরিজমের মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।’</strong></p><p>এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দুই দেশের স্বাস্থ্য খাতের প্রতিনিধিরা। তারা আশা প্রকাশ করেন যে, এই সহযোগিতা বাংলাদেশের চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। প্রণয় কুমার ভার্মা আরও বলেন, <em>‘ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে, এবং স্বাস্থ্য খাতে এই সহযোগিতা সেই সম্পর্ককে আরও মজবুত করবে।’</em></p><p>এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশিরা এখন আরও সহজে ও কম খরচে ভারতের উন্নত চিকিৎসা সেবা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এটি দুই দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নেও অবদান রাখতে পারে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:52:34 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[মাহমুদা মিতুর সতর্কবার্তা: শব্দের রাজনীতির দোহাই দিয়ে সন্তান-ভাইদের হত্যার অভিযোগ]]></title>
				<category>আওয়ামী লীগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/awami-league/article-79485.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>মাহমুদা মিতুর সতর্কবার্তা: শব্দের রাজনীতির দোহাই দিয়ে সন্তান-ভাইদের হত্যার অভিযোগ</h2><p>জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ডা. মাহমুদা আলম মিতু শব্দের রাজনীতির তীব্র সমালোচনা করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে নিজের ফেসবুক টাইমলাইনে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি অভিযোগ করেন যে, <strong>শব্দের রাজনীতির দোহাই দিয়ে তাদের সন্তান ও ভাইদের হত্যা ও গুম করা হয়েছে</strong>।</p><h3>শব্দের রাজনীতির বিপদ</h3><p>মিতু তার পোস্টে উল্লেখ করেন, <em>"আবারও শব্দের রাজনীতি শুরু হয়ে গেল। শব্দের রাজনীতি খুব সাধারণ জিনিস না। এই শব্দের দোহাই দিয়ে আমাদের সন্তানদের হত্যা করা হয়েছিল, এই শব্দের রাজনীতি দিয়ে আমাদের সন্তানদের ও ভাইদের গুম করা হয়েছিল।"</em> তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, শব্দ দিয়েই মানুষকে চিহ্নিত ও আলাদা করা হয়, যা পরবর্তীতে সহিংসতার নীরব অনুমতিতে পরিণত হতে পারে।</p><p>তিনি আরও বলেন, <strong>১৭ বছরে যারা গুম বা খুন হয়েছেন, তাদের মাথায়ও 'মৌলবাদী', 'জঙ্গী', 'স্বাধীনতা বিরোধী', 'রাজাকার' এর মতো শব্দের দাগ দেওয়া হয়েছে</strong>। এই শব্দগুলোকে তিনি মানুষ খুন করার আদর্শিক অস্ত্র হিসেবে বর্ণনা করেন।</p><h3>সমাজ ও শিক্ষাঙ্গনে প্রভাব</h3><p>মিতু একজন মা হিসেবে তার ভয় প্রকাশ করে বলেন, <em>"শব্দের শেষটা রক্তে গিয়ে থামে।"</em> তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে, এই ভাষা এখন শুধু রাস্তায় নয়, বরং পার্লামেন্ট, নেতৃত্বের বক্তব্য ও শিক্ষাঙ্গনের দেয়ালেও জায়গা করে নিচ্ছে। এর ফলে সমাজ আসল বিষয়গুলো, যেমন শিক্ষা, স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিক্ষা নিয়ে ভুলে যাচ্ছে।</p><p>তিনি বলেন, <strong>"রাজনীতির ময়দানে ও শিক্ষাঙ্গনে আমরা এসব শব্দ নিয়ে এতটাই ব্যস্ত হয়ে উঠি যে আমাদের শিক্ষা ও নীতি নিয়ে ভাবার সময় থাকে না।"</strong></p><h3>রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও আশা</h3><p>মিতু চট্টগ্রামের বক্তব্যে উল্লেখ করেছেন যে, গুপ্ত শব্দ শক্তিশালী হয়ে উঠবে। তিনি বলেন, <em>"রাজাকার শব্দে হাসিনার পতন হয়েছে, যে রাজনীতি শুরু করেছেন সেটাতে লাগাম না দিলে আজ হোক কাল হোক পতন হবেই।"</em> তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সংশ্লিষ্টরা লাগাম টানবেন।</p><p>নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মিতু বলেন, <strong>তাকে অনেক মিথ্যা ট্যাগ দেওয়া হলেও তিনি চুপ থাকেন, কারণ তিনি বিশ্বাস করেন যে আল্লাহ মিথ্যা অপবাদের জবাব দেন</strong>। তিনি বলেন, <em>"আমার জন্য আমার রব কথা বলছেন, এর চেয়ে সম্মান আর কি হতে পারে?"</em></p><p>ডা. মাহমুদা মিতুর এই বক্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের সূচনা করতে পারে, যেখানে শব্দের ব্যবহার ও এর পরিণতি নিয়ে গভীর আলোচনার আহ্বান জানানো হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:46:35 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[শুটার কামরুন নাহার কলির বহিষ্কার প্রত্যাহার, তবে ফেডারেশনের শর্ত মেনে চলতে হবে]]></title>
				<category>জাতীয় দল</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/jatiyo-dol/article-79484.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>শুটার কামরুন নাহার কলির বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার: ফেডারেশনের কঠোর শর্তাবলি</h2><p>নানা নাটকীয়তা ও সমালোচনার মুখে বাংলাদেশ শুটিং স্পোর্ট ফেডারেশন শুটার কামরুন নাহার কলির ওপর আরোপিত বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে নিয়েছে। তবে কলির এই ফেরা আনন্দের পাশাপাশি চ্যালেঞ্জেরও, কারণ তাকে ফেডারেশনের একগুচ্ছ শর্ত মেনে চলতে হবে শুটিং ক্যাম্পে ফিরতে।</p><h3>ফেডারেশনের সিদ্ধান্ত ও শর্তাবলি</h3><p>গতকাল শুটিং ফেডারেশনের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের জরুরি সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর আজ কলিকে বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহারের চিঠি দেওয়া হয়েছে। ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আলেয়া ফেরদৌসের স্বাক্ষরিত সেই চিঠিতে একাধিক শর্ত উল্লেখ করা হয়েছে, যা কলিকে কঠোরভাবে মানতে হবে।</p><p>চিঠিতে বলা আছে:</p><ul><li>ফেডারেশনের অনুমতি ছাড়া কোনো সংবাদমাধ্যম (প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক বা অনলাইন) বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেডারেশনবিরোধী বা উসকানিমূলক কোনো বক্তব্য দেওয়া যাবে না।</li><li>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেডারেশনের সিদ্ধান্ত, কোচ বা অন্য কোনো খেলোয়াড়কে নিয়ে বিতর্কিত বা অবমাননাকর কোনো পোস্ট করা যাবে না।</li><li>যেকোনো প্রকার মিডিয়া সাক্ষাৎকার বা টক শোতে অংশ নেওয়ার কমপক্ষে ৪৮ ঘণ্টা আগে ফেডারেশন থেকে লিখিত অনুমতি নিতে হবে।</li></ul><h3>মিডিয়া গাইডলাইন ও পর্যবেক্ষণ</h3><p>এখানেই শেষ নয়, মিডিয়াতে কোনো বক্তব্য প্রদানের ক্ষেত্রে ফেডারেশন কর্তৃক নির্ধারিত মিডিয়া সেলের গাইডলাইনও অনুসরণ করতে হবে কলিকে। আগামী তিন মাস বিশেষ পর্যবেক্ষণেও থাকবেন এই শুটার। এ সময়ে যেকোনো ছোটখাটো শৃঙ্খলাভঙ্গ করলে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারও হতে পারেন তিনি, যা তার ক্যারিয়ারের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করে।</p><h3>পূর্বের নিষেধাজ্ঞা ও বর্তমান পরিস্থিতি</h3><p>এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে ফেডারেশনের গঠনতন্ত্রের ১৬.২০ ও ১৬.২১ ধারা অনুযায়ী, শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ হন দেশের শীর্ষ এই নারী শুটার। এখন বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হলেও, ফেডারেশনের শর্তাবলি মেনে চলা তার জন্য একটি কঠিন পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কলির ফেরা শুটিং সম্প্রদায়ে আশার আলো জাগালেও, ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা এখনও রয়ে গেছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:31:54 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ট্রাম্পের সামাজিক মাধ্যম পোস্টে ভারত-চীনকে 'নরককুণ্ড' বলা বর্ণবাদী চিঠি শেয়ার]]></title>
				<category>চীন</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/china/article-79483.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>ট্রাম্পের সামাজিক মাধ্যম পোস্টে বিতর্কিত চিঠি শেয়ার: ভারত-চীনকে 'নরককুণ্ড' আখ্যা</h2><p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাম্প্রতিক সময়ে একটি বিতর্কিত পদক্ষেপ নিয়েছেন, যা আন্তর্জাতিক মহলে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। তিনি রেডিও উপস্থাপক মাইকেল স্যাভেজের একটি চিঠি নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম 'ট্রুথ সোশ্যাল' প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করেছেন। এই চিঠিতে ভারত, চীন এবং অন্যান্য এশীয় দেশগুলোর মানুষদের 'নরককুণ্ড' হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।</p><h3>চিঠির বর্ণবাদী বক্তব্য এবং জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব আইনের দাবি</h3><p>মাইকেল স্যাভেজের চিঠিতে একটি বর্ণবাদী বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব আইনের পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছেন। স্যাভেজ দাবি করেন যে, এশীয় দেশগুলোর মানুষ 'সন্তান জন্ম দিতে নবম মাসে' যুক্তরাষ্ট্রে আসে এবং বর্তমান আইন তাদের 'তাত্ক্ষণিকভাবে' মার্কিন নাগরিক বানিয়ে দেয়। তিনি আরও লিখেছেন, <em>'এখানে জন্ম নেওয়া একটি শিশু সঙ্গে সঙ্গে মার্কিন নাগরিক হয়ে যায়। তারপর তারা চীন, ভারত বা পৃথিবীর অন্য কোনো 'নরকভূমি' থেকে তাদের পুরো পরিবারকে নিয়ে আসে।'</em> এই মন্তব্যগুলো জাতিগত বিদ্বেষ এবং বিভাজনমূলক রেটোরিক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।</p><h3>ট্রাম্পের পূর্ববর্তী মিথ্যা দাবি এবং সামাজিক মাধ্যম পোস্ট</h3><p>এই ঘটনার আগের দিন, ডোনাল্ড ট্রাম্প সিবিএসসির সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে একটি মিথ্যা দাবি করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, <strong>'যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া বিশ্বের আর কোনো দেশে জন্মগত নাগরিকত্ব নেই।'</strong> তবে বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। বিশ্বের প্রায় তিন ডজন দেশে তাদের মাটিতে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তিদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেশী দেশ কানাডা ও মেক্সিকো, পাশাপাশি দক্ষিণ আমেরিকার অধিকাংশ দেশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ট্রাম্পের এই মিথ্যা দাবির পরদিনই তিনি স্যাভেজের বর্ণবাদী চিঠিটি শেয়ার করেন, যা তাঁর অবস্থানকে আরও বিতর্কিত করে তুলেছে।</p><h3>আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া এবং আইনগত বাস্তবতা</h3><p>এই ঘটনা আন্তর্জাতিক স্তরে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে ভারত ও চীনের মতো দেশগুলোর প্রতি এই ধরনের মন্তব্য কূটনৈতিক সম্পর্কের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব আইন একটি জটিল বিষয়, এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের অনেক দেশে এটি বিদ্যমান। উদাহরণস্বরূপ:</p><ul><li>কানাডা: জন্মস্থানের ভিত্তিতে নাগরিকত্ব প্রদান করে।</li><li>মেক্সিকো: জন্মগ্রহণকারী শিশুদের স্বয়ংক্রিয় নাগরিকত্ব দেয়।</li><li>ব্রাজিল: দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোর মধ্যে একটি যেখানে এই নীতি প্রচলিত।</li></ul><p>স্যাভেজের চিঠিতে উল্লিখিত 'নরককুণ্ড' শব্দটি অত্যন্ত আপত্তিকর এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল, যা বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে নিন্দা পেয়েছে।</p><h3>সামাজিক মাধ্যমের ভূমিকা এবং রাজনৈতিক প্রভাব</h3><p>ট্রাম্পের 'ট্রুথ সোশ্যাল' প্ল্যাটফর্মে এই চিঠি শেয়ার করা সামাজিক মাধ্যমের মাধ্যমে বর্ণবাদী বক্তব্য প্রচারের একটি উদাহরণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে। এটি রাজনৈতিক প্রভাবের দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতি এবং জাতিগত সম্প্রীতির উপর প্রশ্ন তুলছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই ধরনের পদক্ষেপ সমাজে বিভাজন তৈরি করতে পারে এবং বৈশ্বিক স্তরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে পারে।</p><p>সামগ্রিকভাবে, এই ঘটনা জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব আইন, বর্ণবাদ, এবং সামাজিক মাধ্যমের দায়িত্ব সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার সূত্রপাত করেছে। এটি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং মানবাধিকার সংক্রান্ত বিতর্ককে নতুন করে উসকে দিয়েছে, যা ভবিষ্যতে রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব ফেলতে পারে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:21:18 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[এআই দিয়ে তৈরি পাসওয়ার্ড নিরাপদ নয়, সাইবার হামলার ঝুঁকি বাড়ায়]]></title>
				<category>সাইবার নিরাপত্তা</category>
				<link>https://bdgazette.com/projukti/cyber-nirapotta/article-79482.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>এআই দিয়ে তৈরি পাসওয়ার্ড নিরাপদ নয়, সাইবার হামলার ঝুঁকি বাড়ায়</h2><p>অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহারের গুরুত্ব অপরিসীম। তবে একাধিক অনলাইন অ্যাকাউন্টের জন্য ভিন্ন ভিন্ন জটিল পাসওয়ার্ড তৈরি ও মনে রাখা কষ্টসাধ্য হওয়ায় বিপুলসংখ্যক ইন্টারনেট ব্যবহারকারী সহজ ও অনুমানযোগ্য পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেন। কেউ আবার শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরির জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করেন। কিন্তু সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ইরেগুলারের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় বলা হয়েছে, এআই দিয়ে তৈরি পাসওয়ার্ড নিরাপত্তার দিক থেকে মোটেই নির্ভরযোগ্য নয়। বরং এতে সাইবার হামলার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে।</p><h3>গবেষণায় এআই পাসওয়ার্ডের দুর্বলতা</h3><p>ইরেগুলারের তথ্য অনুযায়ী, গবেষকেরা জনপ্রিয় তিনটি এআই মডেলের মাধ্যমে অক্ষর, সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্নের সমন্বয়ে ১৬ অক্ষরের একাধিক পাসওয়ার্ড তৈরি করেন। এরপর এআই দিয়ে তৈরি পাসওয়ার্ডগুলোর সঙ্গে প্রচলিত র‍্যান্ডম পাসওয়ার্ড জেনারেটরের তৈরি পাসওয়ার্ড তুলনা করা হয়। দেখা গেছে, এআই দিয়ে তৈরি পাসওয়ার্ডগুলো প্রথম দেখায় জটিল ও নিরাপদ মনে হলেও এগুলোর গঠনে নির্দিষ্ট কিছু ধরন বা প্যাটার্ন রয়েছে। পাসওয়ার্ডগুলোতে অক্ষর বা সংখ্যার পুনরাবৃত্তি, একই ধরনের বিন্যাসসহ নির্দিষ্ট অক্ষর বা সংখ্যার প্রতি পক্ষপাত লক্ষ করা গেছে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে প্রায় অভিন্ন পাসওয়ার্ডও পাওয়া গেছে, যা নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করে।</p><h3>এআই পাসওয়ার্ড কেন নিরাপদ নয়</h3><p>নিরাপদ পাসওয়ার্ডের প্রধান শর্ত হলো র‍্যান্ডমনেস, অর্থাৎ এলোমেলো সংখ্যা বা চিহ্ন দিয়ে তৈরি হওয়া। কিন্তু এআই মূলত প্যাটার্ন শনাক্ত ও পূর্বানুমানের ভিত্তিতে কাজ করে। ফলে এআই যখন পাসওয়ার্ড তৈরি করে, তখন সেটি নির্দিষ্ট কাঠামো অনুসরণ করে। এই সীমাবদ্ধতাই ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কারণ, সাইবার অপরাধীরা খুব দ্রুত অসংখ্য সম্ভাব্য পাসওয়ার্ড পরীক্ষা করতে পারে। যদি পাসওয়ার্ডে কোনো পূর্বানুমানযোগ্য ধরন থাকে, তবে সেটি ভেঙে ফেলা আরও সহজ হয়ে যায়। তাই অনলাইনে নিরাপদ থাকতে ই-মেইল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টগুলোতে অবশ্যই শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে।</p><h3>নিরাপদ পাসওয়ার্ডের বিকল্প পদ্ধতি</h3><p>অনলাইনে নিরাপদ থাকতে শক্তিশালী পাসওয়ার্ডের পাশাপাশি নিম্নোক্ত প্রযুক্তিসুবিধা ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।</p><ol><li><strong>পাসওয়ার্ড ম্যানেজার:</strong> বিভিন্ন পাসওয়ার্ড ম্যানেজার অ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে শক্তিশালী ও সম্পূর্ণ র‍্যান্ডম পাসওয়ার্ড তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে সব পাসওয়ার্ড নিরাপদভাবে সংরক্ষণ করে। ফলে ব্যবহারকারীর আলাদা করে মনে রাখার প্রয়োজন হয় না।</li><li><strong>পাসকি প্রযুক্তি:</strong> পাসওয়ার্ডের বিকল্প হিসেবে পাসকি প্রযুক্তি দ্রুত জনপ্রিয় হচ্ছে। পাসকিতে মূলত যন্ত্রের পরিচয় যাচাই করা হয়। ফলে পাসওয়ার্ড অনুমান বা চুরি করার সুযোগ থাকে না। এ কারণে এটি তুলনামূলকভাবে বেশি নিরাপদ।</li><li><strong>দীর্ঘ পাসফ্রেজ:</strong> পাসওয়ার্ড সহজে মনে রাখার জন্য একাধিক র‍্যান্ডম শব্দ মিলিয়ে দীর্ঘ পাসফ্রেজ ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে নিরাপত্তা বৃদ্ধির পাশাপাশি মনে রাখাও সহজ হয়। তবে এটি যেন পরিচিত বাক্য বা উদ্ধৃতি না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।</li><li><strong>মাল্টিফ্যাক্টর অথেনটিকেশন:</strong> পাসওয়ার্ডের পাশাপাশি অতিরিক্ত নিরাপত্তা হিসেবে মাল্টিফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সুবিধা ব্যবহার করতে হবে। এতে লগইনের সময় অতিরিক্ত একটি যাচাইকরণ ধাপ যুক্ত হয়, যা অননুমোদিত প্রবেশের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়।</li></ol><p>সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, এআই প্রযুক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শক্তিশালী পাসওয়ার্ডের পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার অপরিহার্য।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:45:19 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[সৌদি আরবে হজে বাংলাদেশির মৃত্যু, ইসি মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা বাতিল, বাসভাড়া বৈঠক ও তীব্র তাপপ্রবাহ]]></title>
				<category>রাষ্ট্রপতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/rashtropoti/article-79481.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>সৌদি আরবে হজে গিয়ে আরো এক বাংলাদেশির মৃত্যু</h2><p>সৌদি আরবে হজ পালন করতে গিয়ে আরো এক বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় দেশে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত করছে।</p><h3>ইসি নেত্রী মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা বাতিল</h3><p>নির্বাচন কমিশন (ইসি) এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা বাতিল করেছে। এই সিদ্ধান্তটি রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার সৃষ্টি করেছে এবং ভবিষ্যত নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় এর প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।</p><h3>বাসভাড়া বাড়ানো নিয়ে পরিবহন মালিকদের সঙ্গে বৈঠক</h3><p>সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বাসভাড়া বাড়ানো নিয়ে পরিবহন মালিকদের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন। এই বৈঠকে ভাড়া বৃদ্ধির সম্ভাব্যতা, যাত্রীদের উপর প্রভাব এবং পরিবহন খাতের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে।</p><h3>দেশজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ</h3><p>দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র তাপপ্রবাহ চলছে, যা জনজীবনে অস্বস্তি সৃষ্টি করছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর এই অবস্থার উন্নতির জন্য প্রয়োজনীয় সতর্কতা জারি করেছে এবং নাগরিকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।</p><h3>মার্কিন নৌবাহিনীর সচিব জন ফেলান বরখাস্ত</h3><p>মার্কিন নৌবাহিনীর সচিব জন ফেলানকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এবং মার্কিন প্রতিরক্ষা নীতিতে এর প্রভাব নিয়ে বিশ্লেষণ চলছে।</p><h3>শুক্রবার টানা ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়</h3><p>শুক্রবার টানা ২৪ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে এমন কিছু এলাকার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এই বন্ধের কারণে নাগরিকদের অসুবিধা হতে পারে বলে কর্তৃপক্ষ সতর্ক করেছে এবং বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।</p><h3>প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে নতুন মহাপরিচালক নিয়োগ</h3><p>প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে নতুন মহাপরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই নিয়োগটি শিক্ষা খাতের উন্নয়ন ও সংস্কারের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।</p><h3>ময়মনসিংহে হামে আরো এক শিশুর মৃত্যু</h3><p>ময়মনসিংহে হাম রোগে আক্রান্ত হয়ে আরো এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ সতর্কতা জারি করেছে এবং টিকা কর্মসূচি জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।</p><h3>সংরক্ষিত আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থী বৈধ ঘোষণা</h3><p>সংরক্ষিত আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থীকে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে এবং ভবিষ্যত নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা চলছে।</p><h3>ইসির আরো দুই জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ</h3><p>নির্বাচন কমিশন (ইসি) আরো দুই জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ করেছে। এই নিয়োগগুলি প্রশাসনিক কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:24:24 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[সংরক্ষিত নারী আসনে মনিরা শারমিনের মনোনয়ন বাতিল, ইসি ঘোষণা]]></title>
				<category>নির্বাচন কমিশন</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/nirbachon-commission/article-79480.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>সংরক্ষিত নারী আসনে মনিরা শারমিনের মনোনয়ন বাতিল, ইসি ঘোষণা</h2><p>ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী ও দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুর ১২টার পর রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এই ঘোষণা দেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইসির যুগ্মসচিব মঈন উদ্দীন খান।</p><h3>মনোনয়ন বাতিলের কারণ</h3><p>নির্বাচন কমিশনের এ কর্মকর্তা বলেন, <strong>‘সরকারি চাকরি ছাড়ার তিন বছর পার না হওয়ায় মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হলো।’</strong> তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ১২ (১) (চ) ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার অযোগ্য হবেন যদি তিনি প্রজাতন্ত্রের বা সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের কোনো চাকরি থেকে পদত্যাগ করেছেন বা অবসর নিয়েছেন এবং এই পদত্যাগ বা অবসরগ্রহণ যদি তিন বছর অতিবাহিত না হয়।</p><h3>আপিলের সুযোগ ও পরবর্তী পদক্ষেপ</h3><p>তবে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ রয়েছে বলে জানান সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইসির উপসচিব মনির হোসেন। তিনি বলেন, <em>‘আসনটি শূন্য হওয়ার পরে সব দল/জোটের জন্য উন্মুক্ত হবে।’</em> আপিল নিষ্পত্তি শেষে ২৯ এপ্রিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় রয়েছে এবং ১২ মে ভোটের তারিখ ঠিক করা আছে।</p><h3>পূর্ববর্তী ঘটনাপ্রবাহ</h3><p>এর আগে বুধবার (২২ এপ্রিল) জামায়াত জোটের ১৩ প্রার্থীর মধ্যে ১২ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। এদিন মনিরা শারমিনকে চাকরি-সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ তথ্য বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার মধ্যে সরবরাহ করার নির্দেশ দিয়ে তার মনোনয়নপত্র বাছাই কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়।</p><h3>মনিরা শারমিনের পটভূমি</h3><p>২০২৫ সালের মার্চে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পান মনিরা শারমিন। তিনি ২০২৩ সালে নভেম্বরে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে অফিসার (জেনারেল) পদে যোগ দেন এবং দুই বছর পর গত ডিসেম্বর চাকরি ছাড়েন এই এনসিপি নেত্রী। তফসিল অনুযায়ী, বুধ ও বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র বাছাই হয়, যা এই সিদ্ধান্তের পটভূমি তৈরি করে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:16:32 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে বাস ভাড়া বাড়লো: প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা]]></title>
				<category>পণ্যমূল্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/ponnyomulyo/article-79479.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে বাস ভাড়া বাড়লো: প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা</h2><p>জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রেক্ষিতে সরকার বাস ভাড়া বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সচিবালয়ে পরিবহণ ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে শ্রমিক ও মালিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এই ঘোষণা দেন সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।</p><h3>ভাড়া বৃদ্ধির বিস্তারিত</h3><p>মন্ত্রী জানান, ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যে দূরপাল্লার গাড়িতে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া <strong>১১ পয়সা</strong> বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া আন্তঃজেলার প্রতিটি কিলোমিটারের ভাড়াও একই হারে বৃদ্ধি পাবে।</p><p>এই সিদ্ধান্তের ফলে যাত্রীদের ভাড়ার বোঝা কিছুটা বাড়বে, তবে সরকারের মতে জ্বালানি খরচ মেটানোর জন্য এই পদক্ষেপ অপরিহার্য ছিল। পরিবহণ খাতের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সঙ্গে আলোচনার পর এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।</p><h3>প্রভাব ও পরবর্তী পদক্ষেপ</h3><p>ভাড়া বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত সড়ক পরিবহণ খাতে সরাসরি প্রভাব ফেলবে। <em>যাত্রীসেবার মান বজায় রাখা এবং পরিবহণ খাতের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করাই এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য</em> বলে জানানো হয়েছে।</p><p>সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, ভাড়া বৃদ্ধির বিস্তারিত নির্দেশিকা শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া ও নিয়মকানুন সম্পর্কে সবাইকে অবহিত করা হবে।</p><p>জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি বিশ্বব্যাপী একটি সাধারণ ঘটনা হলেও বাংলাদেশে এর প্রভাব মোকাবিলায় সরকারের এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে। পরিবহণ খাতের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতায় এই পরিবর্তন মসৃণভাবে বাস্তবায়িত হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:43:40 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[গাজীপুরের টঙ্গীতে বিদেশি পিস্তলসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ]]></title>
				<category>নিরাপত্তা বাহিনী</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/nirapotta-bahini/article-79478.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>গাজীপুরের টঙ্গীতে বিদেশি পিস্তলসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ</h2><p>গাজীপুরের টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ একটি বিদেশি পিস্তল ও একটি ম্যাগাজিনসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। বৃহস্পতিবার ভোর রাতে টঙ্গীর পাগার পাঠানপাড়া এলাকা থেকে এই অভিযান চালানো হয়।</p><h3>গ্রেফতারকৃতদের পরিচয়</h3><p>গ্রেফতারকৃতরা হলেন:</p><ul><li>টঙ্গীর পাগার পাঠানপাড়া এলাকার মৃত শহিদুল ইসলামের ছেলে জসিম (৪০ বছর)।</li><li>লালমনিরহাট জেলা সদরের নয়া কুঠিরপাড়া গ্রামের মৃত নুর রহমানের ছেলে শরিফুল আলম আরিফ (৩২ বছর)।</li></ul><h3>অভিযানের পটভূমি</h3><p>পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি পাগাড় ঝিনু মার্কেট এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার এজাহারভুক্ত জসিম ও আরিফকে গ্রেফতার করা হয়।</p><p>গ্রেফতারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পাঠানপাড়া এলাকার জনৈক মজিবরের বাড়ির এক ভাড়াটিয়ার কক্ষ থেকে অস্ত্র ও ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়েছে।</p><h3>পুলিশের বক্তব্য</h3><p>টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মেহেদী হাসান অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, <em>"গ্রেফতার আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের শেষে আদালতে পাঠানো হচ্ছে।"</em> তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পুলিশ কঠোর অবস্থান বজায় রাখবে।</p><p>এই ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে, তবে পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপ প্রশংসা কুড়িয়েছে। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আরও নজরদারি জোরদার করা হবে বলে জানানো হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:49:44 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধিতে বিপাকে ব্যবসায়ী-কৃষক, ময়মনসিংহ-বগুড়ায় বিক্রি ও দামে ধস]]></title>
				<category>মুদ্রাস্ফীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/mudrasphiti/article-79477.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে ময়মনসিংহে মুদিদোকানের বিক্রি কমেছে ৪০%</h2><p>ময়মনসিংহ নগরের আমলাপাড়া এলাকার মিল্ক পয়েন্ট অ্যান্ড ভ্যারাইটিজ স্টোরের মালিক মো. সারোয়ার হোসেনের দোকানে একসময় ক্রেতাদের ভিড় লেগে থাকত। কিন্তু জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পর পরিস্থিতি বদলে গেছে। দোকানের বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিক্রিতে ভাটা পড়েছে। সারোয়ার হোসেন বলেন, <em>‘আমার দোকানে আগে যা বিক্রি হতো, গত ঈদের পর থেকে ৪০ শতাংশ কমে গেছে। আগে ক্রেতার চাপ থাকলেও এখন বেশির ভাগ সময় বসে কাটাতে হয়।’</em></p><h3>পণ্যমূল্য বৃদ্ধি ও ক্রেতাদের অস্বস্তি</h3><p>সারোয়ার হোসেন উল্লেখ করেন, সাত দিন আগে ডিমের হালি ৩২ টাকা ছিল, যা এখন ৪২ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহও এক মাস ধরে বন্ধ রয়েছে। তিনি বলেন, <em>‘কোম্পানিগুলো তেল দিচ্ছে না, শুধু চাল ও আটার সঙ্গে অল্প তেল দেয়। এ কারণে বোতলের তেল আনা বন্ধ করে দিয়েছি।’</em> দোকানে আইসক্রিম কিনতে আসা অনামিকা রানী পালের মতো ক্রেতারা দাম বৃদ্ধিতে হতাশ। তিনি বলেন, <em>‘আমাদের আয় বাড়েনি, কিন্তু সব জিনিসের দাম বেড়ে যাচ্ছে। প্রয়োজনের তুলনায় কম কিনতে বাধ্য হচ্ছি।’</em></p><h3>দুধের বিক্রি ও ব্যবসায়িক প্রভাব</h3><p>জ্বালানিসংকটের ফলে সারোয়ার হোসেনের দৈনিক দুধের বিক্রিও কমেছে। আগে দৈনিক ৩০০ কেজি দুধ বিক্রি হতো, যা এখন ২০০ থেকে ২৫০ কেজিতে নেমে গেছে। তিনি বলেন, <em>‘জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মানুষ কেনাকাটা করছে না।’</em> ময়মনসিংহের মেছুয়া বাজারের ফারুক স্টোরের মালিক অলিউর রহমানও একই সমস্যার কথা জানান। তাঁর দোকানে আগে দিনে ৫০ হাজার টাকা বিক্রি হতো, এখন তা ২০ থেকে ৩০ হাজারে নেমে গেছে।</p><h2>বগুড়ায় সবজি বাজারে দামে ধস, কৃষকরা বিপাকে</h2><p>বগুড়া সদর উপজেলার নুরইল গ্রামের কৃষক আবদুল মোমিনের জন্য পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ। তিনি এক বিঘা জমিতে করলা, ঝিঙা, কাঁচা মরিচসহ নানা সবজি চাষ করেছেন। কিন্তু এক সপ্তাহের ব্যবধানে সবজির দাম অর্ধেকে নেমে এসেছে। আবদুল মোমিন বলেন, <em>‘এক সপ্তাহ আগে হাটে প্রতিমণ করলার দাম ছিল ২ হাজার ৮০০ টাকা। তেলের দাম বাড়ার পর এখন করলার দাম ৮০০ টাকায় নেমেছে।’</em> একইভাবে ঝিঙার দাম ২ হাজার টাকা থেকে ৫০০ টাকায় নেমে গেছে।</p><h3>উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি ও কৃষকের দুর্ভোগ</h3><p>শুধু দাম কমাই নয়, উৎপাদন খরচও বেড়ে গেছে। আবদুল মোমিনের হিসাব অনুযায়ী, সবজিখেতের প্রতি শতক জমিতে একবার সেচের খরচ ছিল ১০ টাকা, যা এখন ১৫ থেকে ২০ টাকা। সারের দাম প্রতি কেজিতে চার থেকে পাঁচ টাকা বেড়েছে। পলিথিনের দাম কেজিতে পাঁচ হাজার থেকে ছয় হাজার টাকা হয়েছে। তিনি বলেন, <em>‘খরচ তোলাই কঠিন হয়ে পড়েছে।’</em> বগুড়ার মহাস্থান হাটে সবজির রেকর্ড সরবরাহ থাকলেও ব্যাপারিরা সস্তায় কিনছেন, ফলে কৃষকরা ক্ষতির মুখে।</p><h3>পরিবহন খরচ ও বাজার পরিস্থিতি</h3><p>মহাস্থান হাটের আড়তদার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পর ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটে সবজি পরিবহনে ট্রাকের ভাড়া ছয় থেকে সাত হাজার টাকা বেড়েছে। এতে ব্যাপারিদের আগ্রহ কমে গেছে। বগুড়া সদর উপজেলার কৃষক নুরুল ইসলাম বলেন, <em>‘২০ শতক জমিতে করলা আবাদ করছি। এক সপ্তাহ আগে করলার কেজি ৫০ টাকায় বিক্রি করতাম, আজ ২৫ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে।’</em></p><h2>শ্রমিকদের চাকরি হারানোর আশঙ্কা ও দৈনন্দন জীবনের সংকট</h2><p>ঢাকার সাভার উপজেলার আশুলিয়ার একটি গার্মেন্টস কারখানার শ্রমিক মো. সামিউল ইসলামের কথায় উঠে এল আরেক দিক। তিনি বলেন, <em>‘আমি ওভারটাইম নিয়ে ২০-২৫ হাজার টাকা বেতন পাই। এই টাকা দিয়ে আগেই সংসার চালাতে পারতাম না, এখন দাম বাড়ায় বিপদ আরও বেড়েছে।’</em> ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রভাবে অনেক কারখানায় নতুন ক্রয়াদেশ না আসায় উৎপাদন কমছে, শ্রমিকরা চাকরি হারানোর আশঙ্কায়।</p><h3>নারী শ্রমিকের উদ্বেগ ও ভবিষ্যৎ চিন্তা</h3><p>আশুলিয়ার ভার্চুয়া বটম লিমিটেডের এক নারী শ্রমিক বলেন, <em>‘সাড়ে ১৪ হাজার টাকা বেতন পাই, স্বামী রিকশা চালায়। দুজনের আয় দিয়ে চলা কঠিন। যুদ্ধের কারণে বাজারে সবকিছুর দাম বাড়ছে। কারখানা বন্ধ হলে খাবো কী?’</em> লোডশেডিং ও জ্বালানি সংকটে কারখানার কাজ বন্ধ থাকায় মালিকরা ফ্যাক্টরি বন্ধের হুমকি দিচ্ছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।</p><h2>সরকারি পদক্ষেপ ও সমাধানের দাবি</h2><p>সামিউল ইসলামের মতো শ্রমিকরা সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। তিনি বলেন, <em>‘গার্মেন্টস যাতে বন্ধ না হয়, আগে থেকে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা করা উচিত।’</em> জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপরিচালক সোহেল মো. শামসুদ্দীন ফিরোজের মতে, বগুড়া অঞ্চলে গ্রীষ্ম মৌসুমে ৩ হাজার ৫১০ হেক্টর জমিতে ১০ হাজার ১৭০ মেট্রিক টনের বেশি সবজি উৎপাদিত হয়েছে, কিন্তু দাম কমায় কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত।</p><p>জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির এই প্রভাব শুধু মুদিদোকান বা সবজি বাজারেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি সমগ্র অর্থনীতিকে প্রভাবিত করছে। ব্যবসায়ী, কৃষক ও শ্রমিকসহ সাধারণ মানুষ চরম সংকটে পড়েছেন। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল করতে জরুরি পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা উঠে এসেছে এই প্রতিবেদনে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:21:28 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পে নতুন সম্ভাবনা: ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের উত্থান]]></title>
				<category>সিনেমা</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/cinema/article-79476.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের উত্থান একটি নতুন যুগের সূচনা করেছে। এটি শিল্পের গতিপথ পরিবর্তন করে দর্শকদের কাছে সহজলভ্যতা বৃদ্ধি করছে।</p><h2>ডিজিটাল বিপ্লবের প্রভাব</h2><p>ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে চলচ্চিত্র শিল্পে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। এটি দর্শকদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা সৃষ্টি করেছে এবং শিল্পের বিকাশে ভূমিকা রাখছে।</p><h3>দর্শকদের সুবিধা</h3><p>ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম দর্শকদের জন্য চলচ্চিত্র দেখা সহজ করেছে। এটি সময় ও স্থানের সীমাবদ্ধতা দূর করে দর্শকদের কাছে পৌঁছানো সম্ভব করছে।</p><h3>আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ</h3><p>ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছে। এটি শিল্পের আন্তর্জাতিকীকরণে সহায়তা করছে।</p><h2>চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা</h2><p>ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের উত্থান কিছু চ্যালেঞ্জ নিয়ে এসেছে, যেমন পাইরেসি ও প্রতিযোগিতা। তবে এটি নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলেছে এবং শিল্পের উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে।</p><h3>ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা</h3><p>ভবিষ্যতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে চলচ্চিত্র শিল্পের আরও উন্নতি সম্ভব। এটি শিল্পের টেকসই উন্নয়নে সহায়ক হবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:23:15 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ইসি কর্তৃক মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা বাতিল, বিএনপির ৩৬ প্রার্থী বৈধ ঘোষণা]]></title>
				<category>নির্বাচন কমিশন</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/nirbachon-commission/article-79475.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত: মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা বাতিল, বিএনপির ৩৬ প্রার্থী বৈধ</h2><p>নির্বাচন কমিশন (ইসি) একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে ন্যাশনাল চিলড্রেনস পার্টির (এনসিপি) নেত্রী মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা বাতিল করেছে। এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। একইসঙ্গে, সংরক্ষিত আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থীকে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে, যা দলটির নির্বাচনী প্রস্তুতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।</p><h3>সড়কমন্ত্রীর বৈঠক ও পরিবহন খাতের চ্যালেঞ্জ</h3><p>সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের পরিবহন মালিকদের সঙ্গে একটি জরুরি বৈঠক করেছেন, যেখানে বাসভাড়া বাড়ানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এই বৈঠকে পরিবহন খাতের বর্তমান সমস্যা ও সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়েছে। মন্ত্রী পরিবহন মালিকদের সঙ্গে সমন্বয় করে যাত্রীদের সুবিধা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।</p><h3>দেশজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ ও গ্যাস সংকট</h3><p>দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র তাপপ্রবাহ বিরাজ করছে, যা জনজীবনে অস্বস্তি সৃষ্টি করছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর সতর্কতা জারি করে এই তাপপ্রবাহ মোকাবিলার জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। এদিকে, শুক্রবার টানা ২৪ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে এমন কিছু এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য নতুন সংকট তৈরি করতে পারে।</p><h3>শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে গুরুত্বপূর্ণ আপডেট</h3><p>প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে নতুন মহাপরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা শিক্ষা খাতের সংস্কার ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। অন্যদিকে, ময়মনসিংহে হাম রোগে আক্রান্ত হয়ে আরো এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যা স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দুর্বলতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।</p><h3>বিনোদন জগতের খবর: সিয়াম-অবন্তীর ভাইরাল নাচ</h3><p>বিনোদন জগতে, সিয়াম ও অবন্তীর একটি ভাইরাল নাচ সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। অবন্তী এই নাচ সম্পর্কে মন্তব্য করে জানিয়েছেন যে এটি তাদের শৈল্পিক অভিব্যক্তির একটি অংশ এবং দর্শকদের প্রতিক্রিয়া তাদের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক।</p><h3>নির্বাচন কমিশনের অন্যান্য সিদ্ধান্ত</h3><p>নির্বাচন কমিশন আরো দুই জেলায় নতুন ডেপুটি কমিশনার (ডিসি) নিয়োগ দিয়েছে, যা স্থানীয় প্রশাসনিক কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে। এই নিয়োগগুলো নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও শাসন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতে ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:24:00 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফার ভোট শুরু, প্রধানমন্ত্রী মোদির তরুণ ও নারীদের প্রতি বিশেষ আহ্বান]]></title>
				<category>নির্বাচন কমিশন</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/nirbachon-commission/article-79474.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরু</h2><p>পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার সাথে সাথেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাজ্যবাসীর উদ্দেশ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (পূর্বে টুইটার) একটি পোস্টের মাধ্যমে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, <strong>গণতন্ত্রের এই মহান উৎসবে সকল নাগরিককে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে হবে</strong>।</p><h3>মোদির বিশেষ অনুরোধ তরুণ ও নারী ভোটারদের প্রতি</h3><p>প্রধানমন্ত্রী মোদি তার বার্তায় বিশেষভাবে তরুণ প্রজন্ম এবং পশ্চিমবঙ্গের নারীদের উদ্দেশ্যে অনুরোধ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, <em>আমি সমস্ত নাগরিককে পূর্ণ উদ্যমে গণতন্ত্রের এই উৎসবে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানাই। আমি বিশেষভাবে আমার তরুণ বন্ধুদের এবং পশ্চিমবঙ্গের মহিলাদের বিপুল সংখ্যায় ভোট দেবার জন্য অনুরোধ করছি</em>। এই আহ্বানটি রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভোটার অংশগ্রহণ বাড়াতে একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখা যাচ্ছে।</p><h3>উত্তরবঙ্গের ৫৪টি আসনে ভোটগ্রহণ চলছে</h3><p>প্রথম দফার ভোটে পশ্চিমবঙ্গের উত্তরবঙ্গের ৫৪টি আসনে ভোটগ্রহণ চলছে। এই অঞ্চলটি রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই এলাকা থেকেই বিজেপির উল্লেখযোগ্য উত্থান ঘটেছিল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উত্তরবঙ্গে নিজেদের প্রভাব ধরে রাখা বিজেপির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p><p>একই সাথে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের জন্যও এই আসনগুলো সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। উভয় দলই এই অঞ্চলে তাদের অবস্থান শক্তিশালী করতে চাইছে, যা নির্বাচনের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।</p><h3>রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা</h3><p>পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনটি রাজ্য ও জাতীয় রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির এই আহ্বানটি ভোটারদের মধ্যে গণতান্ত্রিক চেতনা জাগ্রত করতে সাহায্য করবে বলে আশা করা হচ্ছে। নির্বাচনী প্রক্রিয়াটি নিম্নলিখিত দিকগুলো তুলে ধরছে:</p><ul><li>ভোটারদের অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা।</li><li>তরুণ ও নারী ভোটারদের সক্রিয়ভাবে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা।</li><li>উত্তরবঙ্গের আসনগুলোর রাজনৈতিক গুরুত্ব এবং দলগুলোর কৌশলগত প্রতিযোগিতা।</li></ul><p>সূত্র হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এক্স পোস্টটি উল্লেখ করা হয়েছে, যা এই ঘটনার প্রামাণিক তথ্য সরবরাহ করে। নির্বাচনের পরবর্তী দফাগুলোতে রাজনৈতিক গতিবিধি আরও তীব্র হতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মত দিচ্ছেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:31:28 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ওয়াশিংটনে ইসরাইল-লেবাননের দ্বিতীয় দফা বৈঠক, যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর লক্ষ্য]]></title>
				<category>যুদ্ধ-সংঘাত</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/juddho-shonghat/article-79473.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>ওয়াশিংটনে ইসরাইল-লেবাননের দ্বিতীয় দফা বৈঠক শুরু</h2><p>যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল ২০২৬) ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে দ্বিতীয় দফার বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বর্তমানে চলমান ১০ দিনের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর লক্ষ্যেই এ আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি।</p><h3>লেবাননের প্রেসিডেন্টের শর্তাবলি</h3><p>লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, রাষ্ট্রদূত পর্যায়ের এ আলোচনার মূল ভিত্তি হলো ইসরাইলি আগ্রাসন সম্পূর্ণ বন্ধ করা, লেবাননের ভূখণ্ড থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার এবং বন্দিবিনিময় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা। এ ছাড়া, আন্তর্জাতিক সীমান্তে লেবানন সেনাবাহিনীর মোতায়েন এবং যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠে পুনর্গঠন প্রক্রিয়া শুরু করার বিষয়েও জোর দিচ্ছে বৈরুত সরকার।</p><h3>প্রথম দফার আলোচনার সাফল্য</h3><p>এর আগে গত ১৬ এপ্রিল প্রথম দফার আলোচনার পর দুই দেশের মধ্যে ১০ দিনের একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী ওইদিন দিবাগত রাত ৩টা থেকে এ যুদ্ধবিরতি শুরু হয়েছে, যা আঞ্চলিক উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত করতে সাহায্য করেছে।</p><p>বর্তমান দ্বিতীয় দফার বৈঠকে উভয় পক্ষই আরও দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির দিকে অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করবে বলে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই আলোচনা শুধু যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোই নয়, বরং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার দিকেও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে।</p><p>ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিতব্য এ বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীদের উপস্থিতি ожиনা করা হচ্ছে, যারা ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে সংঘাত নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:33:08 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[কুমিল্লায় অনুষ্ঠানে অসৌজন্যমূলক আচরণ: বিচারপতি আব্দুল মান্নানকে বিচারকাজ থেকে সরিয়ে দিলেন প্রধান বিচারপতি]]></title>
				<category>আইন বিভাগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/ain-bibhag/article-79472.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>কুমিল্লায় অনুষ্ঠানে অসৌজন্যমূলক আচরণ: বিচারপতি আব্দুল মান্নানকে বিচারকাজ থেকে সরিয়ে দিলেন প্রধান বিচারপতি</h2><p>কুমিল্লায় অ্যাপেক্স ক্লাবের এক অনুষ্ঠানে অসৌজন্যমূলক আচরণের ঘটনায় হাইকোর্টের বিচারপতি মো. আব্দুল মান্নানকে বিচারকাজ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এই সিদ্ধান্তটি বিচার বিভাগের শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্ব রক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।</p><h3>বিচারকাজ থেকে বিরত রাখা হয়েছে</h3><p>জানা গেছে, গত ১৬ এপ্রিল প্রধান বিচারপতি বিচারকাজ পরিচালনার জন্য যে ৬৩টি বেঞ্চ গঠন করেছেন, সেখানে বিচারপতি আব্দুল মান্নানকে রাখা হয়নি। তাকে বিচারকাজ থেকে সম্পূর্ণরূপে বিরত রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি বিচারিক আচরণবিধি লঙ্ঘনের জন্য একটি প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা যাচ্ছে।</p><h3>অনুষ্ঠানে ঘটনার বিবরণ</h3><p>এর আগে গত ৩ এপ্রিল কুমিল্লায় অ্যাপেক্স ক্লাবের অনুষ্ঠানে গিয়ে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন বিচারপতি আব্দুল মান্নান। তিনি সেখানে বিচারপতি পরিচয় দিয়ে হুমকি দেন এবং বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। বিচারপতির এমন আচরণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, যা ব্যাপক সমালোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি করে।</p><h3>পেশাগত পটভূমি</h3><p>প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৯ অক্টোবর মো. আব্দুল মান্নান হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। এর আগে তিনি পিরোজপুরের জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তার এই ঘটনাটি বিচারিক পদে নিয়োগের পর একটি উল্লেখযোগ্য বিতর্ক তৈরি করেছে।</p><p>এই ঘটনাটি বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার উপর নতুন করে আলোচনার সূত্রপাত করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধরনের পদক্ষেপ বিচারিক আচরণবিধি মেনে চলার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:35:01 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[হজযাত্রায় বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ২৫ হাজার ৩৯৬ জন, মৃত্যু হয়েছে আরও একজনের]]></title>
				<category>আধ্যাত্মিকতা</category>
				<link>https://bdgazette.com/jibonjapon/adhyatmikota/article-79471.html</link>
				<description><![CDATA[<p>চলতি বছর পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে যাত্রা করেছেন বিপুল সংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসলমান। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) প্রকাশিত হজ বুলেটিনে জানানো হয়েছে যে, আজ পর্যন্ত মোট ২৫ হাজার ৩৯৬ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। এই সংখ্যা সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় যাত্রা করা ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত।</p><h2>হজযাত্রায় মৃত্যুর দুঃখজনক ঘটনা</h2><p>একইসঙ্গে, হজ পালনের সময় মো. আবুল কাশেম (৭০) নামে একজন হাজির মৃত্যু হয়েছে। তিনি টাঙ্গাইলের সদর উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন। এই মৃত্যুর ফলে চলতি মৌসুমে হজ পালনে গিয়ে মোট ২ জন বাংলাদেশীর মৃত্যু হয়েছে। এর আগে, জয়পুরহাট সদর উপজেলার নাইম উদ্দীন মন্ডলও মারা গিয়েছিলেন। এই ঘটনাগুলো হজযাত্রীদের জন্য নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য সচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরছে।</p><h3>ফ্লাইট পরিচালনা ও যাত্রী বণ্টন</h3><p>হজ বুলেটিন অনুযায়ী, সৌদি আরবে পৌঁছানো হজযাত্রীদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় গেছেন ২ হাজার ৮৭০ জন এবং বেসরকারিভাবে গেছেন ২২ হাজার ৫২৬ জন। এ পর্যন্ত মোট ৬৩টি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে, যা বিমান সংস্থাগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল।</p><ul><li>বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিচালনা করেছে ২৪টি ফ্লাইট, যেখানে গেছেন ৯ হাজার ৯৫১ জন হজযাত্রী।</li><li>সৌদি এয়ারলাইন্স পরিচালনা করেছে ২৩টি ফ্লাইট, যেখানে গেছেন ৮ হাজার ৫৮০ জন হজযাত্রী।</li><li>ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স পরিচালনা করেছে ১৬টি ফ্লাইট, যেখানে গেছেন ৬ হাজার ৮৬৫ জন হজযাত্রী।</li></ul><p>এই ফ্লাইটগুলো হজযাত্রীদের নিরাপদ ও সময়মতো পৌঁছানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।</p><h3>হজ ব্যবস্থাপনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা</h3><p>হজ বুলেটিনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, চলতি মৌসুমে হজযাত্রীদের সংখ্যা ও ফ্লাইট পরিচালনা আগের বছরের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে হজ ব্যবস্থাপনা আরও সুসংগঠিত করার চেষ্টা চলছে, যাতে প্রতিটি হাজি নিরাপদে ও স্বাচ্ছন্দ্যে ধর্মীয় কর্তব্য পালন করতে পারেন। এছাড়া, মৃত্যুর ঘটনাগুলোতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া এবং পরিবারগুলোর সাথে যোগাযোগ রাখার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।</p><p>সামগ্রিকভাবে, বাংলাদেশ থেকে হজযাত্রার এই প্রবাহ ধর্মীয় সম্প্রদায়ের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা, যা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের অবস্থানকেও শক্তিশালী করছে। ভবিষ্যতে আরও উন্নত ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে হজযাত্রাকে আরও সফল করে তোলার লক্ষ্য রয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:38:20 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালু হবে ডিসেম্বর বা নতুন বছরে]]></title>
				<category>ভ্রমণ</category>
				<link>https://bdgazette.com/jibonjapon/bhromon/article-79470.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালু হবে ডিসেম্বর বা নতুন বছরে</h2><p>বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের জানান, <strong>হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চলতি বছরের ১৬ ডিসেম্বর বা নতুন বছরের শুরুতে চালু হতে পারে</strong>। তিনি বলেন, 'এই বছরের শেষ নাগাদ চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।'</p><h3>বিমানকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের নির্দেশ</h3><p>প্রতিমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী <em>যেকোনো মূল্যে বিমানকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে নির্দেশ দিয়েছেন</em>। এই লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে, যা দেশের বিমান পরিবহন খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p><h3>কক্সবাজার এয়ারপোর্ট ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের পরিকল্পনা</h3><p>আগামী বাজেট ঘোষণার পর <strong>কক্সবাজার এয়ারপোর্ট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে</strong> বলে জানান মিল্লাত। তিনি বলেন, '২-৩ মাসের মধ্যে কক্সবাজার থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু হবে।' এই উদ্যোগ দেশের দক্ষিণাঞ্চলের পর্যটন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন মাত্রা যোগ করবে।</p><h3>পর্যটন নগরী গড়ে তোলার উদ্যোগ</h3><p>প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'কক্সবাজার, সুন্দরবন ও কুয়াকাটাকে আকর্ষণীয় পর্যটন নগরীতে রূপান্তরের পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে।' তিনি জানান, <em>পিপিপি মডেলে এগুলো করতে চাই, যাতে দার্জিলিং না গিয়ে মানুষ বাংলাদেশে আসে</em>। সরকার পর্যটন কেন্দ্রগুলোকে লাভজনক করতে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কথা ভাবছে।</p><p>এই পদক্ষেপগুলো দেশের বিমান পরিবহন ও পর্যটন খাতের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:10:58 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে উন্নত বগি সংযোজনে অনিশ্চয়তা, রেলওয়ের গড়িমসি]]></title>
				<category>সেবা খাত</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/seba-khato/article-79469.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে উন্নত বগি সংযোজনে অনিশ্চয়তা, রেলওয়ের গড়িমসি</h2><p>চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে চলাচলরত আন্তনগর ট্রেনে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত (এসি) বগিসহ উন্নত মানের কোচ সংযোজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল রেলওয়ে। তবে দেড় মাস পার হলেও এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। আদৌ এসব উন্নত মানের বগি যুক্ত করা হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। রেলওয়ে কবে নাগাদ নতুন বগি নিয়ে এই রুটের ট্রেনগুলো চলাচল করবে, তা–ও স্পষ্ট করছে না। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে দেরি হওয়ার কারণও জানাচ্ছেন না রেলের কর্মকর্তারা।</p><h3>রেলওয়ের নতুন পরিকল্পনা ও যাত্রীদের আশঙ্কা</h3><p>রেলওয়ে এসি বগি দিয়ে চট্টগ্রামের পরিবর্তে ঢাকা থেকে একটি বিশেষ ট্রেন পরিচালনার পরিকল্পনা করছে বলে জানা গেছে। এ কারণে যাত্রীদের অনেকের আশঙ্কা, এসি বগি সংযোজনের পরিকল্পনা শেষ পর্যন্ত রেলের কথা কথা হিসেবে রয়ে যাবে কি না। রেলওয়ে সূত্র জানায়, রেলওয়ের নতুন নির্মিত রেললাইন কক্সবাজার রুটে আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছিল ২০২৩ সালের ১ ডিসেম্বর। প্রথম দিকে ঢাকা থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত দুই জোড়া বিরতিহীন ট্রেন দেওয়া হয়।</p><p>এ ছাড়া চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে চলাচল করে দুই জোড়া আন্তনগর ট্রেন। এই রুটে যাত্রীচাহিদা বাড়লেও ট্রেনগুলোর সবগুলো বগি পুরোনো এবং মানসম্মত নয়। বিশেষ করে এসি বগি ও কেবিন–সুবিধা না থাকায় অনেক যাত্রী এই রুটে ট্রেন ভ্রমণে আগ্রহ হারাচ্ছেন। পর্যটননির্ভর এই রুটে উন্নত মানের সেবা না থাকায় রাজস্ব আয়ের সম্ভাবনাও পুরোপুরি কাজে লাগানো যাচ্ছে না।</p><h3>মহানগর ট্রেন থেকে বগি স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত</h3><p>ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলাচলরত মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেনে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে আসা নতুন বগি সংযোজন করা হয়। মহানগর ট্রেন থেকে খুলে নেওয়া এসি বগিসহ সব কোচ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের ট্রেনে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়। বগিগুলো ২০২০ সালে ইন্দোনেশিয়া থেকে আনা হয়েছিল। ইন্দোনেশিয়ায় নির্মিত এসব বগি চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের ট্রেনে সংযোজন করলে যাত্রীসেবার মান উন্নত হতো।</p><p>দেড় মাস আগে সিদ্ধান্তচাহিদা থাকলেও প্রথম এক বছরের বেশি সময়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে কোনো নিয়মিত ট্রেন দেয়নি রেলওয়ে। মাঝে একটি বিশেষ ট্রেন চালু করলেও ইঞ্জিন ও বগিসংকটে একপর্যায়ে তা বন্ধ হয়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবির মুখে ২০২৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে দুই জোড়া নিয়মিত ট্রেন চালু করে রেল।</p><h3>ট্রেন পরিচালনায় সমস্যা ও যাত্রী ভোগান্তি</h3><p>একটিমাত্র রেক দিয়ে (ইঞ্জিন ও একাধিক কোচ মিলে একটি রেক) এই চার ট্রেন চালানো হয়। এতে প্রায়ই সময়সূচি বিঘ্নিত হয় এবং দেরি হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি পোহাতে হয়। রেলওয়ের এক নথিতে দেখা গেছে, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের আন্তনগর ট্রেনে নতুন উন্নত মানের বগি সংযোজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল গত ৯ মার্চ।</p><p>রেলওয়ের পরিবহন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সৈকত ও প্রবাল এক্সপ্রেস ট্রেন ১৬টি কোচ নিয়ে চলাচল করে। এই পুরোনো বগিগুলো বাদ দিয়ে নতুন করে একটি এসি কেবিন, একটি নন-এসি কেবিন, তিনটি এসি চেয়ার (স্নিগ্ধা), আটটি শোভন চেয়ার, একটি পাওয়ার কার এবং দুটি গার্ড ব্রেক যুক্ত করার পরিকল্পনা ছিল। প্রতিটি ট্রেনে প্রায় সাড়ে সাত শ আসন রয়েছে।</p><h3>রাজনৈতিক চাপ ও বিশেষ ট্রেনের আলোচনা</h3><p>রেলওয়ের দুই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, এসিসহ উন্নত মানের বগি দিয়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে আন্তনগর ট্রেন চালানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। তবে এখন এসব বগি দিয়ে ঢাকা থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত একটি বিশেষ ট্রেন চালু হতে পারে। সপ্তাহের বৃহস্পতি থেকে শনিবার পর্যন্ত এই ট্রেন চালানোর আলোচনা চলছে। যদি এই সিদ্ধান্ত হয়, তাহলে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে চলাচলরত আন্তনগর ট্রেনগুলো এখন যেসব বগি দিয়ে চলছে, সেভাবে চলাচল করবে।</p><p>ওই দুই কর্মকর্তা বলেন, মূলত রাজনীতিবিদদের চাপে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ঢাকা-কক্সবাজার রুটে চলাচলরত বিরতিহীন দুই জোড়া ট্রেন যাতে মধ্যবর্তী স্টেশনগুলোতে স্টপেজ দেওয়া হয়, সে জন্য স্থানীয় রাজনীতিবিদদের চাপ রয়েছে। কিন্তু এই দুই জোড়া ট্রেনের স্টপেজ দেওয়া সম্ভব নয়। তাই নতুন করে একটি বিশেষ ট্রেন চালানোর আলোচনা চলছে। ওই বিশেষ ট্রেন ঢাকা থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বিভিন্ন স্টেশনে থামবে।</p><h3>যাত্রী ও সুশীল সমাজের প্রতিক্রিয়া</h3><p>চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের ট্রেন যাত্রীরা অভিযোগ করেন, যাত্রীদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে লাইন চালুর এক বছর পর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে নিয়মিত ট্রেন দেয় রেলওয়ে। তবে আন্তনগর ট্রেন নাম দেওয়া হলেও সেখানে তেমন কোনো সুযোগ-সুবিধা নেই। ট্রেনের বগিগুলোও অনেক পুরোনো। শীতাতপনিয়ন্ত্রিত বগি ও কেবিন না থাকায় অনেক যাত্রী ট্রেনে যাতায়াতে আগ্রহ হারান।</p><p>সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক)-টিআইবির চট্টগ্রামের সভাপতি প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার বলেন, কক্সবাজার রেললাইন করতে গিয়ে এই অঞ্চলের মানুষ জমি দিয়েছেন। নির্মাণকাজের কারণে তাঁদের নানা কষ্ট ও ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। তাই উন্নত মানের ট্রেন তাঁদের অধিকার। অথচ শুরুতে কোনো ট্রেন দেওয়া হয়নি। পরে দাবির মুখে নিয়মিত ট্রেন দেওয়া হলেও বগিগুলোর মান ভালো নয়। এই রুটে উন্নত মানের বগি থাকা খুবই জরুরি।</p><p>রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মো. সবুক্তগীন বলেন, কক্সবাজার রুটে আরও উন্নত মানের সেবা দিতে চান তাঁরা। চাহিদা থাকায় ঢাকা থেকে আরও একটি ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে কবে নাগাদ ট্রেন চালানো হবে, সে বিষয়ে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেবেন তাঁরা।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:00:21 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ইরানের জনগণের জন্য বাংলাদেশের মানবিক ওষুধ সহায়তা]]></title>
				<category>মধ্যপ্রাচ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/moddho-pracho/article-79468.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ইরানের জনগণের জন্য বাংলাদেশের মানবিক ওষুধ সহায়তা</h2><p>মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটের মধ্যে ইরানের জনগণের জন্য মানবিক সহায়তা হিসেবে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জরুরি ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী প্রদান করেছে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকায় ইরানি দূতাবাসে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে এই হস্তান্তর কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।</p><h3>হস্তান্তর অনুষ্ঠানের বিবরণ</h3><p>অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মহাসচিব কবির এম আশরাফ আলম বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রাহিমি জাহানাবাদির কাছে এসব মানবিক সহায়তাসামগ্রী হস্তান্তর করেন। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (দ্বিপাক্ষিক) নজরুল ইসলাম এবং পশ্চিম এশিয়া অনুবিভাগের মহাপরিচালক হুমায়ুন কবির এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।</p><h3>প্রধানমন্ত্রীর অনুদান ও উদ্যোগ</h3><p>মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানের আহত জনগণের চিকিৎসাসহায়তায় জরুরি ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয়ের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত ৬ এপ্রিল বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিকে এক কোটি টাকা অনুদান প্রদান করেন। এই অর্থ দিয়ে সংগঠনটি প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসা উপকরণ সংগ্রহ করে ইরানের জনগণের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে।</p><h3>কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও আশাবাদ</h3><p>অনুষ্ঠানে নজরুল ইসলাম মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে ব্যাপক প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির জন্য গভীর দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ উপায়ে এই সংকটের সমাধান হবে এবং মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে।</p><h3>ইরানের রাষ্ট্রদূতের কৃতজ্ঞতা</h3><p>এ সময় ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রাহিমি জাহানাবাদি বাংলাদেশের এই মানবিক উদ্যোগের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বাংলাদেশ ও ইরানের মধ্যে বিদ্যমান গভীর ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন। এই দুঃসময়ে ইরানের জনগণের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের সহমর্মিতা ও আন্তরিক সমর্থনের জন্য তিনি বিশেষ ধন্যবাদ জানান।</p><p>এই উদ্যোগটি দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও মানবিক বন্ধনের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির এই কার্যক্রম বিশ্বব্যাপী মানবিক সহায়তা প্রদানে দেশটির অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটিয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:31:12 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ময়মনসিংহ মেডিকেলে হামে আরও ২৭ শিশু ভর্তি, ১০ মাস বয়সী শিশুর মৃত্যু]]></title>
				<category>হাসপাতাল</category>
				<link>https://bdgazette.com/swasthyo/hashpatal/article-79467.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>ময়মনসিংহ মেডিকেলে হামের প্রাদুর্ভাবে নতুন করে ২৭ শিশু ভর্তি, ১০ মাস বয়সী শিশুর মৃত্যু</h2><p>ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের লক্ষণ নিয়ে নতুন করে আরও ২৭ শিশু ভর্তি হয়েছে এবং ১০ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মারা যাওয়া শিশুটির নাম জোবাইদ, সে জেলার ত্রিশাল উপজেলার জয়নাল হোসেনের ছেলে। গত ২৪ ঘণ্টায় এই নতুন ভর্তির ঘটনা ঘটেছে, যা চলতি বছরে হামের প্রাদুর্ভাবের একটি উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরেছে।</p><h3>শিশুটির মৃত্যু ও চিকিৎসার বিবরণ</h3><p>জোবাইদকে ১৮ এপ্রিল ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগে ভর্তি করা হয় এবং ২০ এপ্রিল তাকে হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল বুধবার রাত ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়। উল্লেখ্য, শিশুটির শরীরে হাম শনাক্তের জন্য কোনো নমুনা সংগ্রহ করা হয়নি, যা রোগ নির্ণয় প্রক্রিয়ায় একটি সীমাবদ্ধতা হিসেবে দেখা দিয়েছে।</p><h3>হাসপাতালের সর্বশেষ পরিসংখ্যান</h3><p>হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল সকাল ৮টা থেকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে হামের লক্ষণ নিয়ে নতুন করে ২৭ শিশু হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছে। গত ১৭ মার্চ থেকে আজ সকাল পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে মোট <strong>৭৪৮ শিশু ভর্তি</strong> হয়েছে। এর মধ্যে <em>৬৬৭ শিশু হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে</em> এবং <strong>১৬ শিশুর মৃত্যু</strong> হয়েছে। বর্তমানে চিকিৎসাধীন শিশুর সংখ্যা ৬৫, এবং গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে আরও ৪৭ শিশু হাসপাতাল ছেড়েছে।</p><h3>হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য</h3><p>ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ মাইনউদ্দিন খান বলেন, <em>"হামের লক্ষণ নিয়ে ১০ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ১৬ শিশুর মৃত্যু হলো। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও নতুন ২৭ শিশু হামের লক্ষণ নিয়ে ভর্তি হয়েছে, যা আমাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।"</em> তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, হাসপাতালটি চিকিৎসা সেবা অব্যাহত রাখতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে এবং রোগীদের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে।</p><h3>হামের প্রাদুর্ভাব ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা</h3><p>হাম একটি সংক্রামক রোগ যা প্রধানত শিশুদের মধ্যে দেখা দেয় এবং টিকা কর্মসূচির মাধ্যমে এর প্রতিরোধ সম্ভব। ময়মনসিংহ অঞ্চলে হামের এই প্রাদুর্ভাব স্বাস্থ্য বিভাগের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, <strong>টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা</strong> এবং <em>সচেতনতা বৃদ্ধি</em> এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীদের পরিবারকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে এবং দ্রুত চিকিৎসা সেবা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:18:36 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বাসভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে বৈঠক, তীব্র তাপপ্রবাহ ও নৌবাহিনী সচিব বরখাস্ত]]></title>
				<category>জাতীয় সংসদ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/jatiyo-shongshod/article-79466.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>বাসভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে সড়কমন্ত্রীর বৈঠক ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খবর</h2><p>সড়ক পরিবহন মালিকদের সঙ্গে বৈঠকে সড়কমন্ত্রী বাসভাড়া বাড়ানো নিয়ে আলোচনা করেছেন। এই বৈঠকে পরিবহন খাতের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও ভাড়া নীতিমালা নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়েছে।</p><h3>দেশজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ ও মার্কিন নৌবাহিনীর সচিব বরখাস্ত</h3><p>দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র তাপপ্রবাহ চলছে, যা জনজীবনে অস্বস্তি সৃষ্টি করছে। একই সময়ে, মার্কিন নৌবাহিনীর সচিব জন ফেলানকে বরখাস্ত করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।</p><h3>গ্যাস সরবরাহ বন্ধ ও প্রাথমিক শিক্ষায় নতুন নিয়োগ</h3><p>শুক্রবার টানা ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়, সেগুলো ঘোষণা করা হয়েছে। এতে দৈনন্দিন জীবনে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে নতুন মহাপরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা শিক্ষা খাতের উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p><h3>ময়মনসিংহে হামে শিশুর মৃত্যু ও বিএনপির প্রার্থী বৈধতা</h3><p>ময়মনসিংহে হামে আক্রান্ত হয়ে আরো এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যা স্বাস্থ্য সেবার উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে। সংরক্ষিত আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থীকে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে, যা রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।</p><h3>ইসির নতুন ডিসি নিয়োগ ও সিয়াম-অবন্তীর নাচ নিয়ে মন্তব্য</h3><p>নির্বাচন কমিশন (ইসি) আরো দুই জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ করেছে, যা প্রশাসনিক কার্যক্রমকে শক্তিশালী করবে। সিয়াম-অবন্তীর ভাইরাল নাচ নিয়ে অবন্তী তার মন্তব্য জানিয়েছেন, যা সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।</p><h3>বাংলাদেশের ক্রিকেট দলে পরিবর্তন</h3><p>টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশ ক্রিকেট দলে একাদশে দুই পরিবর্তন আনা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত দলের কৌশলগত পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 05:54:20 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[তীব্র তাপপ্রবাহে বিদ্যুৎ সংকট: ২৪ জেলায় লোডশেডিং বেড়ে যাওয়ায় জনদুর্ভোগ]]></title>
				<category>জ্বালানি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/jbalani/article-79465.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>তীব্র তাপপ্রবাহে বিদ্যুৎ সংকট: ২৪ জেলায় লোডশেডিং বেড়ে যাওয়ায় জনদুর্ভোগ</h2><p>গরমের তীব্রতার সঙ্গে দেশের ২৪ জেলায় তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যার মধ্যে রাজধানী ঢাকা অন্তর্ভুক্ত। বিদ্যুতের চাহিদা বাড়লেও জ্বালানি সংকটে উৎপাদন কম থাকায় লোডশেডিং বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে শিশুদের হাতপাখা দিয়ে বাতাস করতে হচ্ছে মায়েদের।</p><h3>তাপপ্রবাহের প্রভাব ও বিদ্যুৎ ঘাটতি</h3><p>কয়েক দিন ধরে গরমের সঙ্গে বাড়ছে বিদ্যুতের চাহিদা। কিন্তু জ্বালানির অভাবে চাহিদামতো উৎপাদন করতে না পারায় বাড়ছে বিদ্যুতের ঘাটতি। এই সংকটের ফলে লোডশেডিংও বাড়ছে, যা বিশেষ করে চট্টগ্রাম নগরের ফিরিঙ্গি বাজার এলাকা, রাজশাহী, খুলনা বিভাগসহ বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্রভাবে অনুভূত হচ্ছে।</p><h3>জনজীবনে প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া</h3><p>বিদ্যুৎ না থাকায় ঘরের কাজ রেখে শিশুদের হাতপাখা দিয়ে বাতাস করছেন মায়েরা। এই পরিস্থিতি দৈনন্দিন জীবনে ব্যাপক অসুবিধা সৃষ্টি করছে, বিশেষ করে গরমের মৌসুমে স্বাস্থ্য ও স্বাচ্ছন্দ্য নিয়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।</p><h3>সম্ভাব্য সমাধান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা</h3><p>জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিচ্ছেন। বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো এবং বিকল্প জ্বালানি উৎসের দিকে নজর দেওয়া এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:23:16 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[পশ্চিমবঙ্গের ভোটে জ্ঞানেশ কুমারের চ্যালেঞ্জ: তৃণমূল বনাম বিজেপির যুদ্ধে সাসপেন্স তুঙ্গে]]></title>
				<category>নির্বাচন কমিশন</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/nirbachon-commission/article-79464.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে জ্ঞানেশ কুমারের চ্যালেঞ্জ: তৃণমূল বনাম বিজেপির যুদ্ধে সাসপেন্স তুঙ্গে</h2><p>পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে এবার এমন টানটান উত্তেজনা দেখা যাচ্ছে, যা রাজ্যের ইতিহাসে বিরল। সম্ভাব্য ফলাফল ঘিরে সাসপেন্স, চৈত্র মাসের তাপপ্রবাহের মতো তপ্ত সমাজ এবং দুই প্রধান শিবিরের মধ্যে ঘৃণামিশ্রিত রেষারেষি বঙ্গসমাজ আগে কখনো প্রত্যক্ষ করেনি। পাঁচ বছর আগের ২০২১ সালের ভোটেও উত্তেজনা ছিল, কিন্তু এবারের তুলনায় তা ছিল নিতান্তই সরল।</p><h3>জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা: নির্বাচন কমিশনের নতুন চাল</h3><p>এবারের ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসের মূল চ্যালেঞ্জার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমার। তাঁর ভূমিকা অদৃষ্টপূর্ব, এবং কোনো রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে এমন সাঁড়াশি আক্রমণ সংসদীয় ভারতের চুয়াত্তর বছরের ইতিহাসে দেখা যায়নি। ছয় মাস ধরে সবচেয়ে চর্চিত, সমালোচিত, বন্দিত এবং নিন্দিত চরিত্র হয়ে উঠেছেন জ্ঞানেশ কুমার, যিনি এবারের ভোটকে হিচককীয় থ্রিলারে রূপান্তরিত করেছেন।</p><p>সোমবার কলকাতায় অবতরণের প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই জানা গেল, জ্ঞানেশ কুমার নতুন চাল চেলেছেন। প্রথম দফার ভোটের তিন দিন ও দ্বিতীয় দফার নয় দিন আগেই রাজ্যের সব মদের দোকান ও পানশালা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন, যা গাইডলাইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট এলাকায় ভোটের মাত্র ৪৮ ঘণ্টা আগে হওয়ার কথা। একইভাবে তিন দিন আগেই সব থানার কর্তৃত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর হাতে, অলিখিতভাবে, যার অর্থ পুলিশের অনুমতি ছাড়াই কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবস্থা নেবে। তৃণমূল কংগ্রেস দাবি করছে, এভাবে অঘোষিতভাবে জারি হয়েছে জরুরি অবস্থা।</p><h3>ভোটার তালিকা সংশোধন: বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু</h3><p>জ্ঞানেশ কুমারের চর্চা শুরু হয় গত বছর বিহারের ভোটের কয়েক মাস আগে, যখন তিনি ভোটার তালিকার 'স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন' (এসআইআর) বা বিশেষ নিবিড় সংশোধনের নির্দেশ দেন। তাঁর মতে, শাসকশ্রেণির ভোট জেতার অন্যতম হাতিয়ার ভুয়া ভোটার, এবং সেই আগাছা সাফ করাই এসআইআরের লক্ষ্য। এই যুক্তিতে বিহারে শুরুতে ৬৫ লাখ ভোটারের নাম বাদ যায়, যাঁরা নাকি মৃত, স্থানান্তরিত কিংবা যাঁদের নাম একাধিক কেন্দ্রে পাওয়া গেছে।</p><p>পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর করতে নেমে টিম জ্ঞানেশ প্রথমে বাদ দেয় ৫৮ লাখ নাম, কিন্তু বিতর্ক শুরু হয় যখন একধাক্কায় আরও ৯১ লাখ ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়। তৃণমূল কংগ্রেস জানপ্রাণ দিয়ে ইসিকে চ্যালেঞ্জ জানায়, এবং শুরু হয় বিজেপি-জ্ঞানেশ 'অশুভ আঁতাতের পর্দা ফাঁস' ও ইসির বিরুদ্ধে মামলা। শেষ পর্যন্ত ৯১ লাখ নেমে আসে ৬১ লাখে, এবং 'বিচারাধীন' তালিকা থেকে বেরিয়ে আসেন আরও ৩২ লাখ ভোটার, প্রধানত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দৌলতে।</p><h3>নিরাপত্তা ব্যবস্থা: কঠোরতা ও সমালোচনা</h3><p>জ্ঞানেশ কুমার এবারের ভোটে অত্যন্ত কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। ৮৮ হাজার বুথ মুড়ে দেওয়া হয়েছে দুই লাখ সিসি ক্যামেরায়, এবং ভোটের দিন হবে রিয়েল টাইম ওয়েবকাস্টিং। কলকাতায় খোলা হচ্ছে 'ইন্টিগ্রেটেড কন্ট্রোল অ্যান্ড কমান্ড সেন্টার', যেখানে ৯০টি স্ক্রিনে ২০০ পর্যবেক্ষক একসঙ্গে ৫০০ বুথে নজরদারি রাখবেন। সব জেলায় খোলা হচ্ছে কন্ট্রোল রুম, এবং বেগরবাই বা গড়বড় হওয়ার আগাম আন্দাজ পেতে সাহায্য করবে কৃত্রিম মেধা বা এআই।</p><p>তবে, নাম বাদ যাওয়ার চিন্তা, দুশ্চিন্তা ও কাজের চাপ সহ্য করতে না পারা শতাধিক মানুষের মৃত্যু ও আত্মহত্যার দায় জ্ঞানেশ কুমার নেননি, এবং এমন তাড়াহুড়া ও অব্যবস্থায় কেন এসআইআর, সেই প্রশ্নও সুপ্রিম কোর্ট করেননি। এই অবস্থায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবারের ভোটকে 'বাঙালি বনাম বহিরাগত' হিসেবে উপস্থাপন করেছেন, যেখানে একদিকে বাঙালির মান, মর্যাদা ও আত্মসম্মান রক্ষার প্রশ্ন, অন্যদিকে বহিরাগত ধূর্ত অবাঙালির আগ্রাসন।</p><h3>রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া: তীব্র রেষারেষি</h3><p>তৃণমূল কংগ্রেসের চোখে জ্ঞানেশ কুমার বিজেপির বিশুদ্ধ এজেন্ট, এবং রেষারেষি এত তীব্র যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, কমিশনের বৈঠকে তাঁকে সম্মান দেখাতে জ্ঞানেশ উঠে পর্যন্ত দাঁড়াননি। তৃণমূল সরকারের প্রতি জ্ঞানেশের অবিশ্বাস এতটাই যে সন্ত্রাসমুক্ত ভোট করাতে রাজ্যের প্রায় ৬০০ পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্তাকে বদলি করেছেন। তাঁর সর্বশেষ ছক চার হাজার 'দুষ্টকে' আত্মসমর্পণ করতে বলা এবং ৮০০ জন তৃণমূল নেতা-কর্মীকে আটক করা, যা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।</p><p>পশ্চিমবঙ্গের এবারের ভোট তাই এত ক্ষুরধার, এত অনিশ্চিত, এবং সাসপেন্সে মোড়া। শেষ হাসি কে হাসবে—মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, নাকি বিজেপি-ইসির যুগলবন্দী? উত্তর কঠিন, যদিও পরম্পরা হলো, এই ধরনের লড়াইয়ে তৃণমূলেশ্বরী এখনো অজেয়।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:13:12 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বার্সেলোনার জয়ে দুশ্চিন্তা: ইয়ামালের চোটে এল ক্লাসিকো ও বিশ্বকাপে অনিশ্চয়তা]]></title>
				<category>ক্রিকেট</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/cricket/article-79463.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>বার্সেলোনার জয়ে শিরোপা পথে অগ্রগতি, কিন্তু ইয়ামালের চোটে ছায়া</h2><p>লা লিগার শীর্ষে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছে বার্সেলোনা। সেল্টা ভিগোকে ১-০ গোলে হারিয়ে তারা টেবিলে তাদের ব্যবধান বাড়িয়ে নিয়েছে ৯ পয়েন্টে। এই জয়ের মাধ্যমে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দলটি শিরোপা ধরে রাখার পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেছে, তাদের হাতে এখনও ৬টি ম্যাচ বাকি রয়েছে।</p><h3>ইয়ামালের গোল ও দুর্ভাগ্যজনক চোট</h3><p>নু ক্যাম্পে অনুষ্ঠিত ম্যাচের ৪০ মিনিটে, ১৮ বছর বয়সী লামিনে ইয়ামাল পেনাল্টি থেকে গোল করে বার্সেলোনাকে এগিয়ে নিয়ে যান। ইয়োয়েল লাগোর ট্যাকলে পড়ে গেলে পেনাল্টি পায় বার্সা, এবং ইয়ামাল স্পটকিক থেকে সহজেই বল জালে জড়ান। তবে গোল করার পরপরই একটি দুঃসংবাদ আসে। সেল্টা গোলরক্ষক ইয়োনুত রাডুকে পরাস্ত করার পর, ইয়ামাল বাম পায়ের হ্যামস্ট্রিং চেপে ধরে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং বেঞ্চের দিকে ইশারা করেন। দলীয় চিকিৎসকদের সহায়তায় তিনি খুঁড়িয়ে মাঠ ছেড়ে দেন, এবং তার পরিবর্তে রুনি মাঠে নামেন।</p><h3>কোচ ফ্লিক ও দলের উদ্বেগ</h3><p>এই জয়ের আনন্দে মিশে গেছে উদ্বেগ, কারণ কোচ হান্সি ফ্লিকের জন্য এখন বড় দুশ্চিন্তার বিষয় হয়ে উঠেছে ইয়ামালের চোট। আগামী মাসে দ্বিতীয় স্থানে থাকা রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে এল ক্লাসিকো ম্যাচে ইয়ামালের উপস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে, জুনে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপকে সামনে রেখে স্পেন জাতীয় দলও তার ফিটনেসের দিকে নজর রাখছে।</p><h3>পেদ্রির মন্তব্য ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা</h3><p>বার্সেলোনা ও স্পেন মিডফিল্ডার পেদ্রি এই পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করেছেন, 'আমি আশা করি তার চোট খুব বেশি দিনের না হোক। আগামীকাল পরীক্ষা করা হবে, তখনই বোঝা যাবে অবস্থা কী।' এই পরীক্ষার ফলাফল ইয়ামালের পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া এবং ভবিষ্যৎ ম্যাচে তার অংশগ্রহণ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।</p><p>সামগ্রিকভাবে, বার্সেলোনার এই জয় লা লিগায় তাদের আধিপত্য বজায় রাখতে সাহায্য করলেও, ইয়ামালের চোট দল ও সমর্থকদের মধ্যে একটি বড় প্রশ্ন রেখে গেছে। এল ক্লাসিকো এবং বিশ্বকাপের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতায় তার ভূমিকা এখন অনিশ্চিত, যা বার্সেলোনার কৌশলগত পরিকল্পনায় প্রভাব ফেলতে পারে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 05:51:42 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ইরান যুদ্ধে নেতানিয়াহুর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন জন কেরি]]></title>
				<category>যুদ্ধ-সংঘাত</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/juddho-shonghat/article-79462.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পর ইরান যুদ্ধ নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি। তিনি দাবি করেছেন, ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু পূর্ববর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্টদের কাছে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, কিন্তু তারা সবাই এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।</p><h2>নেতানিয়াহুর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান</h2><p>জন কেরি 'দ্য লেট শো উইথ স্টিফেন কোলবার্ট'-এ অতিথি হিসেবে আলাপকালে বলেন, 'ওবামা না বলেছিলেন, বুশ না বলেছিলেন, প্রেসিডেন্ট বাইডেনও না বলেছিলেন। আমি সেইসব আলোচনার অংশ ছিলাম।' তিনি উল্লেখ করেন, নেতানিয়াহু যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আইসিসির গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত ছিলেন, যা প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের একটি কারণ হতে পারে।</p><h3>শান্তিপূর্ণ পথের গুরুত্ব</h3><p>সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যাখ্যা করেন, পূর্ববর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্টরা ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যেতে রাজি হননি কারণ তারা শান্তিপূর্ণ উপায়ের সব পথ যাচাই করে দেখেননি। তিনি ভিয়েতনাম ও ইরাক যুদ্ধের উদাহরণ টেনে বলেন, 'মার্কিন জনগণের কাছে মিথ্যা বলবেন না, তারপর তাদের ছেলেমেয়েদের যুদ্ধে পাঠাতে বলবেন না।'</p><h2>ট্রাম্পের সবুজসংকেত</h2><p>দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেতানিয়াহু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইসরাইলের সঙ্গে মিলে ইরানে হামলা চালাতে রাজি করিয়েছিলেন। ১১ ফেব্রুয়ারি সিচুয়েশন রুমে নেতানিয়াহু জোরালোভাবে যুক্তি দিয়েছিলেন যে ইরান এখন শাসন পরিবর্তনের জন্য উপযুক্ত সময়। ট্রাম্প এই প্রস্তাবকে সমর্থন জানিয়ে বলেন, 'এটি আমার কাছে ভালো মনে হচ্ছে,' এবং পরবর্তীতে যৌথ আগ্রাসনের সবুজসংকেত দেন।</p><h3>ভবিষ্যদ্বাণী বনাম বাস্তবতা</h3><p>জন কেরি মন্তব্য করেন, নেতানিয়াহুর উপস্থাপনাটি কেবল একটি 'ভবিষ্যদ্বাণী' ছিল, এবং দেশটির দখল নেওয়া বা শাসন পরিবর্তনের দাবি বাস্তবায়িত হয়নি। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভিও এই বক্তব্য শেয়ার করে লিখেছে, 'ভবিষ্যদ্বাণী ছিল শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটবে, কিন্তু তার কিছুই ঘটেনি।'</p><h2>ভ্যান্সের সঙ্গে উত্তপ্ত আলাপ</h2><p>মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত মাসে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে নেতানিয়াহুর ফোনে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়েছিল। ভ্যান্স ইরান যুদ্ধ নিয়ে নেতানিয়াহুর অতিরিক্ত আশাবাদী বক্তব্যের জন্য তাকে কড়া কথা শুনিয়েছিলেন এবং শাসন পরিবর্তনের সম্ভাবনা নিয়ে তার নিশ্চয়তা প্রশ্নবিদ্ধ করেছিলেন।</p><p>এক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, যুদ্ধের আগে নেতানিয়াহু প্রেসিডেন্টের কাছে বিষয়টিকে খুব সহজ হিসেবে তুলে ধরেছিলেন, কিন্তু ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স এই বক্তব্যের ব্যাপারে অনেক বেশি বাস্তববাদী ও সতর্ক ছিলেন। এই ঘটনাগুলো ইরান যুদ্ধের জটিলতা ও আন্তর্জাতিক রাজনীতির গভীর প্রভাবকে তুলে ধরে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:30:32 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[নেত্রকোনায় কাভার্ডভ্যানে ডিজেল পাচারকালে তিনজন আটক, জব্দ ১ হাজার ৫০ লিটার]]></title>
				<category>দুর্নীতি দমন</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/durniti-domon/article-79461.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>নেত্রকোনায় কাভার্ডভ্যানে ডিজেল পাচারকালে তিনজন আটক, জব্দ ১ হাজার ৫০ লিটার</h2><p>নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলায় গিরিপথ ফিলিং স্টেশন থেকে কাভার্ডভ্যানে করে অবৈধভাবে ডিজেল পাচারের সময় স্থানীয় জনতা ১ হাজার ৫০ লিটার জ্বালানি জব্দ করেছে। এ সময় তিনজনকে আটক করে পুলিশে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ভোর ৬টার দিকে উপজেলার আতকাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।</p><h3>আটক ব্যক্তিদের পরিচয়</h3><p>আটকরা হলেন- ছোটন মিয়া (৩৫), শামীম আহমেদ (৪০) ও মফিজুল ইসলাম (৩৫)। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি কাভার্ডভ্যানে পাঁচটি ড্রামে করে প্রায় এক হাজার লিটার এবং একটি পিকআপ ভ্যানে ৫০ লিটার ডিজেল ময়মনসিংহের উদ্দেশে পাঠানো হচ্ছিল। বিষয়টি স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা গাড়ি দুটি আটক করে।</p><h3>স্থানীয়দের বক্তব্য</h3><p>নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, <em>"প্রায় প্রতিদিনই রাতে গোপনে তেল পাচার করা হয়। বৃহস্পতিবার ভোরে ডিজেল পরিবহণের সময় সন্দেহ হওয়ায় আমরা গাড়িসহ তিনজনকে আটক করি।"</em> শ্যামগঞ্জ–দুর্গাপুর সড়কের আতকাপাড়া এলাকায় অবস্থিত গিরিপথ ফিলিং স্টেশন থেকে কভারভ্যানে করে ডিজেল পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল খবর পেয়ে পূর্বধলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়।</p><h3>পুলিশের অভিযান ও জব্দ</h3><p>পুলিশ জানায়, কভারভ্যান থেকে মোট ১ হাজার ৫০ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাসনিম জাহান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬-এর ২০ ধারা অনুযায়ী অবৈধভাবে তেল পাচারের দায়ে ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক হাসানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।</p><h3>অভিযানের গুরুত্ব</h3><p>এই ঘটনা জ্বালানি পাচার রোধে স্থানীয় জনতার সক্রিয় ভূমিকা এবং প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দ্রুত বিচারিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে, যা অন্যান্য অপরাধীদের জন্য একটি সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে। নেত্রকোনা জেলায় এ ধরনের পাচার চক্রের তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে আরও কঠোর নজরদারির প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:12:53 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[দীপিকা পাড়ুকোনের মাতৃত্ব নিয়ে জল্পনা: 'রাকা' ছবিতে কাজের পরিধি কি কমবে?]]></title>
				<category>অভিনেতা</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/obhineta/article-79460.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>দীপিকা পাড়ুকোনের মাতৃত্ব ঘোষণা: বলিউডে নতুন আলোচনার সূত্রপাত</h2><p>বলিউডে একজন অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত জীবনের খবর যত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, তত দ্রুতই শুরু হয় নানা জল্পনা-কল্পনা। এবার এমনই একটি ঘটনা ঘটেছে দীপিকা পাড়ুকোনকে ঘিরে। সম্প্রতি দ্বিতীয়বার মা হতে চলেছেন—এমন আনন্দঘোষণা দিয়েছেন দীপিকা পাড়ুকোন। এই সুখবর ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ ছড়ালেও, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে অন্য এক ধরনের আলোচনা। প্রশ্ন উঠেছে: এবার কি কমে যাবে দীপিকার কাজের পরিধি? বড় বাজেটের ছবিতে কি তাঁর ভূমিকা ছোট হয়ে আসবে?</p><h3>'রাকা' ছবিতে দীপিকার চরিত্র নিয়ে গুঞ্জন ও নির্মাতাদের প্রতিক্রিয়া</h3><p>বিশেষ করে 'রাকা' ছবিতে দীপিকা পাড়ুকোনের চরিত্র নিয়ে নানা গুঞ্জন ছড়িয়েছে। অনেকে ধরে নিতে শুরু করেছেন যে, গর্ভাবস্থার কারণে হয়তো তাঁর স্ক্রিনটাইম কমিয়ে দেওয়া হবে বা চরিত্রের গুরুত্ব হ্রাস পেতে পারে। কিন্তু এই ধারণাকে সরাসরি 'ভিত্তিহীন' বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ছবির নির্মাতারা। তাঁদের ভাষায়, দীপিকা পাড়ুকোন এই ছবিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন এবং শুটিং পরিকল্পনা অনুযায়ীই সবকিছু এগোচ্ছে।</p><p>নির্মাতারা আরও উল্লেখ করেছেন যে, সেটে কাজের পরিবেশকে তাঁরা 'প্রাণশক্তিতে ভরপুর' হিসেবে বর্ণনা করেছেন। অর্থাৎ, দীপিকার ব্যক্তিগত জীবনের পরিবর্তন তাঁর পেশাদার প্রতিশ্রুতিকে প্রভাবিত করছে—এমন কোনো লক্ষণ তাঁরা দেখছেন না। বরং, দীপিকা শুধু শুধু উপস্থিত থাকছেন না; তিনি ছবির অ্যাকশন দৃশ্যেও অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, অবশ্যই প্রয়োজনীয় সতর্কতা মেনে চলছেন।</p><h3>'রাকা' ছবির কেন্দ্রীয় ভূমিকা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা</h3><p>আল্লু অর্জুন অভিনীত 'রাকা' ছবিটি পরিচালনা করছেন অ্যাটলি। এটি একটি বড় বাজেট ও অ্যাকশনধর্মী প্রজেক্ট, যেখানে দীপিকা পাড়ুকোনের ভূমিকা যে কেন্দ্রীয়, তা নির্মাতাদের বক্তব্যেই পরিষ্কার হয়ে উঠেছে। এই ছবিতে দীপিকার অংশগ্রহণ বলিউডে তাঁর স্থিতিশীল অবস্থানকেই নির্দেশ করে, যা মাতৃত্বের মতো ব্যক্তিগত পরিবর্তনেও অটুট রয়েছে।</p><p>সামগ্রিকভাবে, দীপিকা পাড়ুকোনের মাতৃত্ব ঘোষণা বলিউডে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে, কিন্তু নির্মাতাদের দৃঢ় বক্তব্য ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, তাঁর পেশাদার জীবন এই পরিবর্তনে প্রভাবিত হবে না। 'রাকা' ছবির মাধ্যমে দীপিকা তাঁর অভিনয় দক্ষতা ও প্রতিশ্রুতিকে আরও সমৃদ্ধ করবেন বলে আশা করা যায়।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:10:19 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[প্রবাসীদের পাসপোর্ট নবায়নে জটিলতা: জামায়াত আমিরের সরকারকে জরুরি উদ্যোগের আহ্বান]]></title>
				<category>প্রবাসী</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/probashi/article-79459.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>প্রবাসীদের পাসপোর্ট নবায়নে জটিলতা: জামায়াত আমিরের সরকারকে জরুরি উদ্যোগের আহ্বান</h2><p>প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাসপোর্ট নবায়নে ধীরগতি ও জটিলতার প্রতিকার চেয়ে সরকারকে জরুরি উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে তিনি এই আহ্বান জানান।</p><h3>প্রবাসীদের কষ্টের প্রতিফলন</h3><p>ডা. শফিকুর রহমান লিখেছেন, <em>'প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাসপোর্ট নবায়নে বিভিন্ন দেশে ধীরগতি ও জটিলতার বিষয়ে আমাদের কাছে অনেকেই প্রতিকার চেয়ে উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেছেন। আমরা সরকারকে আহ্বান জানাব, আমাদের রেমিট্যান্সযোদ্ধাদের এই অতি জরুরি বিষয়টির দিকে যেন শিগগিরই নজর দেয়া হয় এবং সমস্যার আশু সমাধান করা হয়।'</em></p><p>তিনি আরও উল্লেখ করেন, <strong>'প্রবাসীরা ভালো থাকলে দেশও ভালো থাকবে, ইনশাআল্লাহ। আর প্রবাসীরা কষ্টে থাকলে দেশও ঝুঁকিতে পড়বে। প্রবাসী ভাই-বোনদের প্রতি দোয়া, কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা রইল।'</strong></p><h3>সামাজিক মাধ্যমের প্রতিক্রিয়া</h3><p>ডা. শফিকুর রহমানের এই স্ট্যাটাসের নিচে মন্তব্যের ঘরে একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, <em>'পুরানো পাসপোর্ট দিয়ে যেনো নতুন পাসপোর্ট করা যাই এমন একটা ব্যবস্থা করলে পাসপোর্টের সমস্যা সমাধান হয়ে যেতো।'</em></p><p>অন্য আরেকজন মন্তব্যে বলেন, <em>'আপনার কথার সাথে একমত। প্রবাসীরা আসলেই দেশের রেমিট্যান্সযোদ্ধা। পাসপোর্ট নবায়ন নিয়ে হয়রানি হলে সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েন তারাই। ভিসা, আকামা, কাজ, চিকিৎসা, এমনকি দেশে আসা-যাওয়া সবকিছু আটকে যায় একটা পাসপোর্টের জন্য। অথচ তাদের পাঠানো রেমিট্যান্সেই দেশের রিজার্ভ সচল থাকে।'</em></p><h3>বৈশ্বিক অভিযোগ ও সমাধানের পথ</h3><p>প্রবাসীরা বিভিন্ন দেশে পাসপোর্ট নবায়নে নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। মালয়েশিয়া, সৌদি আরব, দুবাই, ইতালি থেকে প্রায়ই এই অভিযোগ আসে। দূতাবাসে লোকবল কম, সার্ভার ডাউন, অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেতে মাসের পর মাস লাগার মতো ঘটনা ঘটছে।</p><p>এই জটিলতা সমাধানে কিছু সুপারিশ উঠে এসেছে:</p><ul><li>ই-পাসপোর্ট সেবার আরও বিকেন্দ্রীকরণ করা</li><li>দূতাবাসে জনবল বাড়ানো</li><li>জরুরি কেসের জন্য ফাস্ট-ট্র্যাক সেবা চালু করা</li></ul><p>একজন মন্তব্যকারী বলেন, <em>'ডিজিটাল সিস্টেম করেও যদি মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে কষ্ট পায়, তাহলে লাভ কী। প্রবাসী ভাই-বোনদের কষ্ট মানে দেশের অর্থনীতির চাকা স্লো হয়ে যাওয়া। তারা ভালো থাকলেই দেশ ভালো থাকবে, এটা ১০০% সত্যি। আপনার মতো করে সবাই আওয়াজ তুললে হয়তো নজর পড়বে। দোয়া রইল সকল প্রবাসীর জন্য, যেন দ্রুত এই জটিলতা কাটে।'</em></p><p>প্রবাসীদের পাসপোর্ট নবায়নের এই জটিলতা কেবল ব্যক্তিগত সমস্যা নয়, এটি দেশের অর্থনীতির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। রেমিট্যান্স প্রবাহ বজায় রাখতে সরকারের দ্রুত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেছেন বিশ্লেষকরা।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:07:48 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও বিমানের বহর শক্তিশালী করতে বোয়িং থেকে ১৪টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত]]></title>
				<category>বিনিয়োগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/biniyog/article-79458.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর শক্তিশালীকরণে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত</h2><p>বাংলাদেশ সরকার দেশের বিমান বাহিনী এবং জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর শক্তিশালী করতে মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং থেকে ১৪টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রাশিদুজ্জামান মিল্লাত সাংবাদিকদের সামনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।</p><h3>আনুষ্ঠানিক চুক্তি ও প্রকল্পের ব্যয়</h3><p>প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত জানিয়েছেন, এপ্রিল মাসের মধ্যেই এই সংক্রান্ত একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩৫০ বিলিয়ন টাকা, যা মার্কিন ডলারে প্রায় ২ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের সমতুল্য। বার্তা সংস্থা আনাদোলুর এক প্রতিবেদনে এই সিদ্ধান্তের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।</p><h3>পূর্ববর্তী পরিকল্পনার ধারাবাহিকতা</h3><p>সরকারের এই সিদ্ধান্তটি মূলত পূর্ববর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একটি পরিকল্পনার ধারাবাহিকতা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের এয়ারবাস থেকে বিমান কেনার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে বোয়িংয়ের দিকে ঝুঁকেছিল। প্রতিমন্ত্রী মিল্লাতের মতে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের তীব্র উড়োজাহাজ সংকট কাটাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।</p><h3>বিমানের বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা</h3><p>বর্তমানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে আন্তর্জাতিক রুটের জন্য ১৯টি উড়োজাহাজ রয়েছে, কিন্তু ক্রমবর্ধমান যাত্রী চাহিদা মেটাতে অন্তত ৩০ থেকে ৩৫টি উড়োজাহাজের প্রয়োজন। এই চাহিদা পূরণে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করেছে, যার লক্ষ্য ২০৩৪-৩৫ অর্থ বছরের মধ্যে বিমানের বহরে মোট উড়োজাহাজের সংখ্যা ৪৭টিতে উন্নীত করা।</p><h3>মিশ্র বহর ও স্বল্পমেয়াদী উদ্যোগ</h3><p>বোয়িংয়ের পাশাপাশি ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের সঙ্গেও সরকারের আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে একটি ‘মিশ্র বহর’ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে করে কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল হতে না হয়। এছাড়া স্বল্পমেয়াদে বিমানের বহর বাড়াতে আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে লিজ বা ভাড়ার ভিত্তিতে নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p><h3>আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণ</h3><p>বহর সম্প্রসারণের এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী জুন মাসে জাপানের টোকিওতে সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই ফ্লাইট বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় স্থগিত করা হয়েছিল। বিমান চলাচল বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, বোয়িং থেকে এই ১৪টি উড়োজাহাজ যুক্ত হলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে এবং আন্তর্জাতিক রুটগুলোতে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা করার ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।</p><p><strong>সূত্র:</strong> আনাদোলু এজেন্সি</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:24:37 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[অফিসে দীর্ঘক্ষণ এসিতে থাকার ক্ষতিকর প্রভাব ও সতেজ থাকার উপায়]]></title>
				<category>সৌন্দর্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/jibonjapon/shoundorjo/article-79457.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>অফিসে দীর্ঘক্ষণ এসিতে থাকার ক্ষতিকর প্রভাব ও সতেজ থাকার উপায়</h2><p>সকালে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় নিজেকে যতটা সতেজ লাগে, অফিসে কয়েক ঘণ্টা কাটানোর পর অনেকেরই মনে হয় সেই সতেজতা আর নেই। ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়, চুল তেলতেলে হয়ে পড়ে এবং মুখে ক্লান্তির ছাপ ভর করে। এই অভিজ্ঞতা এখন অফিসকর্মীদের জন্য বেশ সাধারণ একটি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।</p><h3>অফিস এয়ার থিওরি: একটি সামাজিক আলোচনা</h3><p>সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় 'অফিস এয়ার থিওরি' নিয়ে আলোচনা উঠে এসেছে। যদিও এটি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত কোনো তত্ত্ব নয়, তবুও বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে অফিসের পরিবেশজনিত কিছু বাস্তব কারণ এই শারীরিক পরিবর্তনের পেছনে কাজ করে।</p><h3>এসির সরাসরি প্রভাব: আর্দ্রতা হ্রাস ও ত্বকের সমস্যা</h3><p>অফিসে দীর্ঘসময় এয়ার কন্ডিশনের মধ্যে থাকলে ঘরের আর্দ্রতা কমে যায়। এর ফলে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা দ্রুত হারিয়ে যায় এবং ত্বক রুক্ষ বা টানটান লাগতে শুরু করে। মজার বিষয় হলো, এই শুষ্কতা কাটাতে ত্বক উল্টো বেশি তেল উৎপাদন করতে শুরু করে। এতে একই সঙ্গে শুষ্কতা ও তেলতেলে ভাব—দুই ধরনের সমস্যাই দেখা দেয়।</p><h3>বদ্ধ পরিবেশে দূষণের প্রভাব</h3><p>বেশিরভাগ অফিসেই জানালা-দরজা বন্ধ থাকে, ফলে বাইরের তাজা বাতাস ভেতরে প্রবেশের সুযোগ কমে যায়। এতে ধুলা ও অ্যালার্জিজনিত কণাগুলো ভেতরে জমে থাকতে পারে। এর প্রভাবে ত্বক নিস্তেজ হয়ে পড়ে, চোখে জ্বালাপোড়া বা অস্বস্তিও দেখা দিতে পারে।</p><h3>স্ক্রিন টাইম ও ক্লান্তির সম্পর্ক</h3><p>দীর্ঘসময় কম্পিউটার বা ল্যাপটপের সামনে বসে থাকা ত্বক ও চেহারার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। চোখ শুকিয়ে যাওয়া, চাপ অনুভব করা এবং মুখে ক্লান্ত ভাব চলে আসা—এসবই এর সাধারণ লক্ষণ। পাশাপাশি দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার কারণে রক্ত সঞ্চালন কমে গিয়ে ত্বকের উজ্জ্বলতাও হ্রাস পায়।</p><h3>স্ট্রেসের প্রভাব: হরমোনের পরিবর্তন</h3><p>অফিসের কাজের চাপ ও মানসিক দুশ্চিন্তা শরীরে হরমোনের পরিবর্তন ঘটায়, যা ত্বকে অতিরিক্ত তেল উৎপাদন বাড়াতে পারে। এর ফলে ব্রণ, তেলতেলে ভাব ও নিস্তেজতা বৃদ্ধি পায়।</p><h3>সারাদিন সতেজ থাকার কার্যকরী উপায়</h3><p>এই সমস্যাগুলো পুরোপুরি এড়ানো না গেলেও কিছু সহজ অভ্যাসের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব:</p><ul><li>পর্যাপ্ত পানি পান করে শরীর হাইড্রেটেড রাখুন।</li><li>নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে।</li><li>কাজের ফাঁকে ছোট বিরতি নিন এবং সম্ভব হলে কিছু সময় খোলা বাতাসে কাটান।</li><li>বারবার চুলে হাত না দিয়ে পরিষ্কার রাখুন; প্রয়োজনে ড্রাই শ্যাম্পু ব্যবহার করতে পারেন।</li></ul><p>সব মিলিয়ে, অফিসের পরিবেশ, এসির বাতাস ও কাজের চাপ মিলেই ত্বক ও চুলে এই নেতিবাচক পরিবর্তন আনে। তবে সচেতনতা ও নিয়মিত যত্ন নিলে ব্যস্ত কর্মজীবনেও সতেজতা ধরে রাখা সম্ভব।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:20:58 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[রাঙামাটিতে বিরল লজ্জাবতী বানর উদ্ধার, সুস্থ করে জঙ্গলে ছাড়া]]></title>
				<category>পরিবেশ</category>
				<link>https://bdgazette.com/jibonjapon/poribesh/article-79456.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>রাঙামাটিতে বিরল লজ্জাবতী বানর উদ্ধার ও পুনর্বাসন</h2><p>রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলা থেকে বিরল প্রজাতির একটি লজ্জাবতী বানর উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল বুধবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের কেপিএম কলাবাগান এলাকা থেকে বানরটিকে উদ্ধার করে বন বিভাগ। আনুমানিক দুই বছর বয়সী এই পুরুষ বানরটি বৈদ্যুতিক তারে স্পৃষ্ট হয়ে নিচে পড়ে ছিল বলে জানা গেছে।</p><h3>উদ্ধার প্রক্রিয়া ও চিকিৎসা</h3><p>বাংলাদেশ বন্য প্রাণী ও সাপ উদ্ধারকারী দলের সদস্য ইমরান হোসেন প্রথমে বানরটিকে উদ্ধার করেন এবং পরে বন বিভাগকে খবর দেন। বন বিভাগের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত বানরটিকে সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদান করে। কাপ্তাই রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা মামুনুর রহমান নিশ্চিত করেছেন যে, বানরটিকে সুস্থ করে তোলা হয়েছে এবং পরে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ইকো পার্কের পাশের জঙ্গলে নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।</p><h3>লজ্জাবতী বানরের বৈশিষ্ট্য ও সংরক্ষণ অবস্থা</h3><p>লজ্জাবতী বানরের বৈজ্ঞানিক নাম <em>Nycticebus bengalensis</em>। আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘ আইইউসিএনের লাল তালিকায় এ প্রজাতিকে <strong>বিপন্ন</strong> হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। নিশাচর এই প্রাণী সাধারণত চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের বনাঞ্চলে দেখা যায়।</p><ul><li>বানরটি পুরুষ প্রজাতির এবং আনুমানিক বয়স দুই বছর।</li><li>উদ্ধার পর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং এটি এখন সুস্থ।</li><li>বিরল এই প্রজাতির সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি।</li></ul>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 05:58:55 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[কামরাঙ্গীরচরে হোস্টেলের শৌচাগারে শ্রমিকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার, তদন্ত চলছে]]></title>
				<category>হাসপাতাল</category>
				<link>https://bdgazette.com/swasthyo/hashpatal/article-79455.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>কামরাঙ্গীরচরে হোস্টেলের শৌচাগারে শ্রমিকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার</h2><p>রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর এলাকায় একটি হোস্টেলের শৌচাগার থেকে এক শ্রমিকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত ব্যক্তির নাম ইয়াকুব আলী, যিনি বয়সে মাত্র ২৫ বছর ছিলেন। তিনি একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী হিসেবে ওই হোস্টেলে অবস্থান করতেন।</p><h3>ঘটনার বিবরণ</h3><p>গত বুধবার মধ্যরাতে ইয়াকুব আলীর সহকর্মীরা তাঁকে শৌচাগারে অচেতন অবস্থায় পান এবং দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ইয়াকুব আলী ম্যাটাডোর গ্রুপে কাজ করতেন এবং তাঁর হোস্টেলের পাশেই প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয় অবস্থিত ছিল।</p><p>ইয়াকুব আলীকে হাসপাতালে নিয়ে যান প্রতিষ্ঠানটির সহকারী ব্যবস্থাপক বজলুর রহমান। তিনি জানান, শৌচাগারের দরজা খোলা ছিল এবং সেখানে দুটি ব্লেড পড়ে থাকতে দেখা গেছে। তবে কীভাবে এই ঘটনাটি ঘটেছে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলতে পারেননি।</p><h3>পরিবারের প্রতিক্রিয়া</h3><p>খবর পেয়ে হাসপাতালে আসেন ইয়াকুব আলীর বড় ভাই মো. আরফান। তিনি বলেন, মরদেহ দেখে তাঁর মনে হয়েছে, ইয়াকুবকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তিন ভাইয়ের মধ্যে ইয়াকুব ছিলেন সবার ছোট এবং পরিবার এই ঘটনায় গভীর শোকে আচ্ছন্ন।</p><h3>পুলিশের তদন্ত</h3><p>কামরাঙ্গীরচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম ফারুক বৃহস্পতিবার সকালে জানান, সহকর্মীদের কাছে ইয়াকুব আলী তাঁর শরীর খারাপের কথা বলেছিলেন। ঘটনাটি হত্যা না আত্মহত্যা, তা তদন্ত শেষ করে নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব হবে।</p><p>ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার কারণ ও প্রকৃতি নির্ধারণে তদন্ত জোরদার করেছে।</p><p>এই ঘটনা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এবং স্থানীয়রা ন্যায়বিচারের দাবি জানাচ্ছে। পুলিশ আশ্বাস দিয়েছে যে দ্রুত তদন্ত শেষ করে সত্যতা উদ্ঘাটন করা হবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:29:53 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ত্রয়োদশ সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনিরা শারমিনের মনোনয়ন বাতিল]]></title>
				<category>নির্বাচন কমিশন</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/nirbachon-commission/article-79454.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>ত্রয়োদশ সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনিরা শারমিনের মনোনয়ন বাতিল</h2><p>ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী ও দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই ঘোষণা বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল ২০২৬) দুপুর ১২টার পর রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনে দেওয়া হয়।</p><h3>ঘোষণার সময় ও স্থান</h3><p>বৃহস্পতিবার দুপুরে নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল ঘোষণায় মনিরা শারমিনের মনোনয়ন বাতিলের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে একটি প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়, যা রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।</p><h3>প্রার্থীর পরিচয় ও প্রভাব</h3><p>মনিরা শারমিন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা এবং দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর মনোনয়ন বাতিলের ফলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে এনসিপির প্রার্থীতা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।</p><h3>নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা</h3><p>নির্বাচন কমিশন এই মনোনয়ন বাতিলের পেছনে নির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করেছে, যদিও বিস্তারিত বিবরণ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। কমিশনের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন যে, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় কিছু <strong>প্রশাসনিক ত্রুটি</strong> বা <em>বিধিবদ্ধ শর্ত</em> পূরণ না হওয়ার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।</p><h3>রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা</h3><p>মনিরা শারমিনের মনোনয়ন বাতিলের খবরটি রাজনৈতিক মহলে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টির পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো না হলেও, দলীয় সূত্রে জানা গেছে যে তারা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে বিবেচনা করছে। এই ঘটনাটি সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থী মনোনয়নের প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন বিতর্কের সূচনা করতে পারে।</p><p>নির্বাচন কমিশনের এই ঘোষণার পর, রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন যে, এটি ভবিষ্যতে অন্যান্য দলের প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রক্রিয়াতেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিস্তারিত তথ্য ও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি শীঘ্রই প্রকাশের আশা করা হচ্ছে, যা এই বিষয়ে আরও স্পষ্টতা দেবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:20:55 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[দেশজুড়ে তাপপ্রবাহ, নৌবাহিনীর সচিব বরখাস্ত, গ্যাস সংকট ও শিক্ষা বিভাগে নতুন নিয়োগ]]></title>
				<category>রাষ্ট্রপতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/rashtropoti/article-79453.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>দেশজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি</h2><p>দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র তাপপ্রবাহ চলমান থাকার মধ্যেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে। মার্কিন নৌবাহিনীর সচিব জন ফেলানকে বরখাস্ত করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একই সময়ে, শুক্রবার টানা ২৪ ঘণ্টার জন্য গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে এমন কিছু এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য অসুবিধা সৃষ্টি করতে পারে।</p><h3>শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে নতুন উন্নয়ন</h3><p>প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে নতুন মহাপরিচালক নিয়োগ করা হয়েছে, যা শিক্ষা ব্যবস্থায় নতুন দিকনির্দেশনা আনতে পারে। ময়মনসিংহে হাম রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যা স্বাস্থ্য সেবার উন্নতির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে। এই ঘটনা শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষার গুরুত্বকে আরও জোরালো করে তুলছে।</p><h3>রাজনৈতিক ও নির্বাচনী প্রক্রিয়া</h3><p>সংরক্ষিত আসনে বিএনপির ৩৬ জন প্রার্থীকে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে, যা আসন্ন নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় দলটির অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে। নির্বাচন কমিশন আরও দুই জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ দিয়েছে, যা স্থানীয় প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে পারে। এই নিয়োগগুলি নির্বাচনী ব্যবস্থাপনাকে আরও সুসংহত করার লক্ষ্যে করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।</p><h3>বিনোদন ও ক্রীড়া জগতের খবর</h3><p>সিয়াম ও অবন্তীর ভাইরাল নাচ সম্পর্কে অবন্তী নিজেই কিছু তথ্য জানিয়েছেন, যা সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। ক্রিকেট মাঠে, বাংলাদেশ টসে হেরে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং দলের একাদশে দুইটি পরিবর্তন আনা হয়েছে, যা খেলার কৌশলগত দিক নির্দেশ করে।</p><h3>বাণিজ্যিক কার্যক্রমে বিঘ্ন</h3><p>হিলি স্থলবন্দরে দুই দিনের জন্য পণ্যবাহী কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়ায় সাময়িক বিঘ্ন ঘটাতে পারে। এই বন্ধের ফলে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের উপর প্রভাব পড়তে পারে এবং পণ্য সরবরাহে বিলম্ব দেখা দিতে পারে।</p><p>এই সমস্ত ঘটনা দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতিকে প্রতিফলিত করে, যেখানে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিনোদন ও ক্রীড়া ক্ষেত্রে একযোগে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ও চ্যালেঞ্জ দেখা যাচ্ছে। জনগণের দৈনন্দিন জীবন, প্রশাসনিক কার্যক্রম ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কে এই ঘটনাগুলির প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 05:37:09 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাত ভাঙনের দ্বারপ্রান্তে]]></title>
				<category>টেলিকম</category>
				<link>https://bdgazette.com/projukti/telecom/article-79452.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাত ভাঙনের দ্বারপ্রান্তে</h2><p>দীর্ঘমেয়াদি বিদ্যুৎ ঘাটতি ও জ্বালানি সংকটের কারণে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাত বর্তমানে গুরুতর ঝুঁকির মুখে পড়েছে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকায় নেটওয়ার্ক অবকাঠামো ক্রমেই জেনারেটরের ওপর নির্ভরশীল হয়ে উঠছে, যা বড় ধরনের যোগাযোগ বিপর্যয়ের আশঙ্কা বাড়াচ্ছে। খাত সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। সম্প্রতি অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ (অ্যামটব) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-কে একটি চিঠির মাধ্যমে এই পরিস্থিতির কথা জানিয়েছে।</p><h3>জ্বালানি ব্যবহারের উদ্বেগজনক চিত্র</h3><p>চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সংকটটি শুধু পরিচালনাগত সমস্যায় সীমাবদ্ধ নেই; বরং এটি ধীরে ধীরে দেশের সামগ্রিক ডিজিটাল সংযোগ ব্যবস্থার জন্য বড় ধরনের ঝুঁকিতে পরিণত হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রতিদিন গড়ে পাঁচ থেকে আট ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। এর ফলে মোবাইল অপারেটরদের বেস স্টেশন, ডাটা সেন্টার এবং সুইচিং সেন্টারগুলো সচল রাখতে প্রায় সম্পূর্ণভাবে ডিজেলচালিত জেনারেটরের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।</p><p>অপারেটরদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সারাদেশে মোবাইল নেটওয়ার্ক পরিচালনা স্বাভাবিক রাখতে বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় এক লাখ লিটার জ্বালানি ব্যবহৃত হচ্ছে। কোথায় কত জ্বালানি লাগছে তার বিস্তারিত হিসাব হলো:</p><ul><li>বেস ট্রান্সসিভার স্টেশন (বিটিএস) সাইটগুলো সচল রাখতে প্রতিদিন ৫২ হাজার ৪২৫ লিটার ডিজেল ও ১৯ হাজার ৮৫৯ লিটার অকটেন ব্যবহৃত হচ্ছে।</li><li>ডাটা সেন্টার ও সুইচিং স্থাপনাগুলোতে প্রতিদিন ব্যবহৃত হচ্ছে ২৭ হাজার ১৯৬ লিটার ডিজেল।</li><li>গ্রিডের বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হলে গুরুত্বপূর্ণ ডাটা স্থাপনাগুলোতে প্রতি ঘণ্টায় অতিরিক্ত ৫০০ থেকে ৬০০ লিটার ডিজেল ব্যবহার করতে হচ্ছে।</li></ul><p>গ্রামীণফোন, রবি আজিয়াটা এবং বাংলালিংক—এই তিন কোম্পানির জ্বালানি তেল সবচেয়ে বেশি লাগছে। কেবল ডাটা সেন্টার পরিচালনাতেই প্রতিদিন ২৭ হাজার লিটারেরও বেশি ডিজেল ব্যবহার করছে এই তিন কোম্পানি। জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বালানি ব্যবহারের এই চিত্রটি একটি ক্রমবর্ধমান কাঠামোগত দুর্বলতাকে তুলে ধরে—যেখানে দেশের টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত জেনারেটরের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পরিচালিত হচ্ছে।</p><h3>ডাটা সেন্টারগুলোর অস্তিত্বের সংকট</h3><p>উদ্বেগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ডাটা সেন্টারগুলো—যা মোবাইল ভয়েস ও ইন্টারনেট ট্রাফিকের সব রাউটিং, প্রক্রিয়াকরণ এবং নিয়ন্ত্রণের মতো গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম পরিচালনা করে। অ্যামটবের মহাসচিব লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ জুলফিকার সতর্ক করে বলেন, <em>“কোনও ধরনের বিঘ্নতা তাৎক্ষণিকভাবে সারা দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে দিতে পারে। ডাটা সেন্টারগুলো অপারেটরগুলোর ‘ব্রেইন’। যদি সেটি বন্ধ হয়ে যায় তাহলে গোটা নেটওয়ার্ক অচল হয়ে যাবে।”</em></p><p>অপারেটররা জানান, ডাটা সেন্টারগুলোর বিদ্যুতের চাহিদা দৈনিক প্রায় চার মেগাওয়াট। গ্রিডের বিদ্যুৎ না থাকলে বাধ্যতামূলকভাবে জেনারেটর চালাতে হয়। বর্তমানে বাংলাদেশে ১৮ কোটি ৫০ লাখের বেশি মোবাইল গ্রাহক রয়েছে। ফলে টেলিযোগাযোগ সংযোগ ব্যবস্থা দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।</p><h3>সংকটের প্রভাব ও সম্ভাব্য বিপর্যয়</h3><p>খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সংকট অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি খুবই খারাপ অবস্থায় যেতে পারে। ইতোমধ্যে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ ব্যবহারকারী সেবার মানে অবনতি অনুভব করতে পারছেন, বিশেষ করে গ্রামীণ ও প্রান্তিক অঞ্চলের ব্যবহারকারীরা। সংকট অব্যাহত থাকলে এই বিঘ্ন শহরাঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। মোট ব্যবহারকারীর ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ, অর্থাৎ ১১ কোটিরও বেশি ব্যবহারকারী আংশিক বা সম্পূর্ণ সেবা বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারেন।</p><p>সেবার মান কমার প্রাথমিক সংকেতগুলোর মধ্যে রয়েছে, বারবার কল ড্রপ, ধীরগতির ইন্টারনেট ও দীর্ঘক্ষণ বিদ্যুৎ না থাকা এলাকাগুলোতে ‘ব্ল্যাক জোন’ তৈরি হওয়া। দুর্বল অবকাঠামো ও সীমিত জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার কারণে গ্রামীণ অঞ্চলগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে বলে সতর্ক করেছে অপারেটররা।</p><p>বিটিআরসিতে দেওয়া চিঠিতে অ্যামটব জানায়, জ্বালানি ঘাটতির বাইরে থাকা লজিস্টিক সংকটও এই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। প্রধান সমস্যাগুলোর মধ্যে রয়েছে:</p><ol><li>জেলা পর্যায়ের জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থায় বিঘ্ন</li><li>ডিপো থেকে সরাসরি জ্বালানি সরবরাহের সীমাবদ্ধতা</li><li>জরুরি জ্বালানি পরিবহনে আরোপিত বিধিনিষেধ</li><li>টেলিযোগাযোগ স্থাপনাগুলোতে জ্বালানি মজুত হ্রাস</li></ol><p>অ্যামটব সতর্ক করে বলেছে, এসব সীমাবদ্ধতার কারণে নিরবচ্ছিন্ন নেটওয়ার্ক পরিচালনা বজায় রাখা ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়ছে।</p><h3>অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর প্রভাব</h3><p>টেলিযোগাযোগ খাতের নির্বাহীরা সতর্ক করে বলছেন, এই সংকট কেবল সংযোগ ব্যবস্থার সমস্যার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় বরং এটি দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপরও উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। রবি আজিয়াটার চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার শাহেদ আলম এমন পরিস্থিতিকে টেলিযোগাযোগ খাতকে <strong>‘ভাঙনের দ্বারপ্রান্তে’</strong> বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, <em>“দীর্ঘ সময়ের বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা অপারেটরদের জেনারেটর নির্ভরতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং সমন্বিত জ্বালানি লজিস্টিক ব্যবস্থা না থাকলে সাময়িক বিঘ্নগুলো স্থায়ী নেটওয়ার্ক ‘ব্ল্যাক জোন’এ পরিণত হতে পারে, বিশেষ করে গ্রামীণ অঞ্চলে।”</em></p><p>গ্রামীণফোনের চিফ করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার তানভীর মোহাম্মদ বলেন, <em>“পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি ও লক্ষ্যভিত্তিক পদক্ষেপ প্রয়োজন। আমরা টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোর জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ চাই। ডাটা সেন্টারের জন্য বিদ্যুতে অগ্রাধিকার চাই। জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা ও জ্বালানি পরিবহন সহজ করার ব্যবস্থা চাই। এসব ব্যবস্থা না নিলে লাখো ব্যবহারকারীর জন্য নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।”</em></p><p>একই ধরনের কথা বলেছেন বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান। তিনি বলেন, <em>“জ্বালানির ওপর ক্রমবর্ধমান নির্ভরতা টেকসই না। টেলিযোগাযোগ খাতকে একটি জরুরি সেবা হিসেবে যেভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে বাস্তব কার্যক্রমে সেভাবে তা পরিলক্ষিত হচ্ছে না।”</em> তিনি যুক্তি দিয়ে বলেন, <em>“বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং জ্বালানি সহজলভ্যতা নিশ্চিত না হলে দেশের ডিজিটাল অবকাঠামো ভেঙে পড়বে।”</em></p><h3>সমন্বয়ের প্রচেষ্টা ও হুমকি</h3><p>সংকটের কথা স্বীকার করে বিটিআরসির চেয়ারম্যান জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী বলেন, <em>“কমিশন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, বিদ্যুৎ বিভাগ এবং আইসিটি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিস্থিতি স্থিতিশীল করার জন্য কাজ করছে।”</em> তবে, টেলিযোগাযোগ খাতের নেতারা জোর দিয়ে বলছেন, এই সমন্বয়কে দ্রুত কার্যকর বাস্তব পদক্ষেপে রূপ দিতে হবে। নইলে পুরো ব্যবস্থায় ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।</p><p>বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, টেলিযোগাযোগ সংকট এখন বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতির জন্য একটি হুমকি হয়ে উঠছে। ক্ষতির মুখে পড়তে পারে যেসব কাজ:</p><ul><li>ডিজিটাল ব্যাংকিং ও আর্থিক ব্যবস্থা</li><li>ই-কমার্স ও লজিস্টিকস ব্যবস্থা</li><li>রফতানিমুখী শিল্প, বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাত</li><li>সরকারের ডিজিটাল সেবা ও জরুরি সেবা</li></ul><p>বিশ্লেষকদের মতে, যেকোনও দীর্ঘমেয়াদি বিঘ্ন অর্থনৈতিক ক্ষতি, উৎপাদনশীলতা হ্রাস এবং লাখো মানুষকে প্রভাবিত করে। জ্বালানি সংকট অব্যাহত থাকা এবং বিদ্যুৎ সরবরাহে অস্থিতিশীলতা টেলিযোগাযোগ খাতকে নজিরবিহীন চাপের মধ্যে ফেলেছে। সংকট নিয়েই কোনোভাবে চলছে এই খাত।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 05:50:33 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন জার্মান ফুটবল তারকা সার্জ গেনাব্রি, ইনজুরি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ]]></title>
				<category>ক্রিকেট</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/cricket/article-79451.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন জার্মান ফুটবল তারকা সার্জ গেনাব্রি</h2><p>আসন্ন বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু হতে আর মাত্র দুই মাস বাকি থাকতে বড় ধাক্কা খেল চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি। দলের গুরুত্বপূর্ণ ফরোয়ার্ড সার্জ গেনাব্রি গুরুতর ইনজুরির কারণে এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।</p><h3>ইনজুরির বিস্তারিত বিবরণ</h3><p>নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গেনাব্রি ডান উরুর অ্যাডাক্টর পেশিতে গুরুতর চোট পেয়েছেন। পরবর্তীতে তিনি নিজেই ইনস্টাগ্রামে নিশ্চিত করেছেন যে এই ইনজুরির কারণে তার বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন শেষ হয়ে গেছে।</p><p>৩০ বছর বয়সী এই বায়ার্ন মিউনিখ তারকা সম্প্রতি ক্লাবের হয়ে একটি ম্যাচ মিস করেছিলেন। ওই ম্যাচে জয়ের মাধ্যমে বায়ার্ন তাদের ১৩তম বুন্দেসলিগা শিরোপা নিশ্চিত করে। ক্লাব কর্তৃপক্ষ আগেই জানিয়েছিল যে গেনাব্রি দীর্ঘ সময় মাঠের বাইরে থাকতে পারেন।</p><h3>চোটের প্রভাব ও গেনাব্রির প্রতিক্রিয়া</h3><p>এই চোটের কারণে তিনি চলতি মৌসুমের বাকি সকল ম্যাচ থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন। এর মধ্যে রয়েছে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে পিএসজির বিপক্ষে দুই লেগ এবং ডিএফবি পোকাল সেমিফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলো।</p><p>গেনাব্রি স্বীকার করেছেন যে গত কয়েক দিন তার জন্য মানসিকভাবে অত্যন্ত কঠিন ছিল। তিনি বলেন, <em>"জাতীয় দলের হয়ে বিশ্বকাপ খেলার আশা আর পূরণ হচ্ছে না। তবে আমি দূর থেকেই জার্মান দলকে সমর্থন দেব।"</em></p><h3>গেনাব্রির পারফরম্যান্স ও ক্যারিয়ার</h3><p>এই মৌসুমে চমৎকার ফর্মে থাকা এই ফরোয়ার্ড সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১০টি গোল এবং ১১টি অ্যাসিস্ট করেছেন। জার্মানির হয়ে এখন পর্যন্ত ৫৯টি ম্যাচে তার গোল সংখ্যা ২৬।</p><p>২০২২ বিশ্বকাপে তিনি গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচে খেলেছিলেন এবং ২০২৬ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। তার অনুপস্থিতি জার্মান দলের জন্য একটি বড় ক্ষতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।</p><p>বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক আগ মুহূর্তে এই ইনজুরি জার্মান ফুটবল দলের প্রস্তুতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। গেনাব্রির বিকল্প খুঁজে পাওয়া কোচের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:01:05 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ট্রাম্প-ইরান অচলাবস্থা: কে বেশি সময় টিকবে? অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা]]></title>
				<category>যুদ্ধ-সংঘাত</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/juddho-shonghat/article-79450.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>ট্রাম্প-ইরান অচলাবস্থা: কে বেশি সময় টিকবে?</h2><p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিইরানের নেতারা মনে করছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের তুলনায় তাঁরা বেশি সময় ধরে এই দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা মোকাবিলা করে টিকে থাকতে পারবেন। তবে তেহরানের এই কৌশল সাধারণ ইরানিদের জন্য চরম অর্থনৈতিক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন।</p><h3>যুদ্ধবিরতি ও পাল্টা হুমকি</h3><p>যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাবিত আলোচনার আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও ইরানের নেতারা একে অপরকে পাল্টা হুমকি ও অপমান করেছেন। বিষয়টি ছিল অনেকটা ‘কে আগে হার মানে’ এর মতো। তবে শেষ পর্যন্ত অন্তত ইরানের দৃষ্টিতে ট্রাম্পই আগে পিছু হটেছেন। দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনার জন্য ইরান বা যুক্তরাষ্ট্র—কোনো পক্ষই তখনো পাকিস্তানে পৌঁছায়নি। এরই মধ্যে গত মঙ্গলবার রাতে ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে অনির্দিষ্টকালের জন্য যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন। ট্রাম্প তখন বলেন, ইরানের নেতাদের যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া শর্তের জবাব দেওয়ার সময় দেওয়া হয়েছে। কোনো একটি সিদ্ধান্তে না পৌঁছানো পর্যন্ত এই যুদ্ধবিরতি চলবে।</p><h3>ইরানের আত্মবিশ্বাস ও সময়ের হিসাব</h3><p>ইরানের নেতৃত্বের চোখে যুদ্ধের ধকল সহ্য করার ক্ষমতা ট্রাম্পের চেয়ে তাঁদেরই বেশি। চলমান যুদ্ধবিরতির ফলে তাঁদের সেই বিশ্বাস আরও জোরালো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলায় ইরানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তারপরও ইরানের নেতারা মনে করছেন, তাঁরা দীর্ঘ সময় যুক্তরাষ্ট্রের বন্দর অবরোধের চাপ সইতে সক্ষম। অন্যদিকে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকাটা ট্রাম্প বেশি দিন সহ্য করতে পারবেন না।</p><p>চিন্তক প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের ইরান প্রকল্পের পরিচালক আলী ভায়েজ বলেন, <em>“ইরানিরা মাস ধরে নিজেদের সময় হিসাব করে। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসন ও বিশ্ব অর্থনীতির সময়কে দেখে সাপ্তাহিক হিসাবে।”</em> এই বিশ্লেষক আরও বলেন, ইরানের নেতারা মনে করছেন, ট্রাম্প আরও তিন সপ্তাহও এই প্রণালির বন্ধ থাকা সহ্য করতে পারবেন না।</p><h3>বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রভাব</h3><p>যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ইরান হরমুজ প্রণালিতে অধিকাংশ নৌ চলাচল বন্ধ করে রেখেছে। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল এবং বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাস এই পথ দিয়েই সরবরাহ করা হয়। এর প্রভাব সারা বিশ্বে পড়েছে। শুধু তেলের দাম বেড়েছে, তা নয়। সার ও গ্যাসেরও তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ট্রাম্প রাজনৈতিক সংকটে পড়েছেন।</p><h3>আলোচনা ভেস্তে যাওয়া ও অভিযোগ</h3><p>পাকিস্তানের ইসলামাবাদে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথম দফার আলোচনা কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়েছে। এরপরই ট্রাম্প পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইরানে নৌ অবরোধ শুরু করেন। এর লক্ষ্য ছিল ইরানের তেল রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়া। কারণ, এই তেলের ওপরই ইরানের অর্থনীতি টিকে আছে। শান্তি আলোচনা কেন ভেস্তে গেল, তা এখনো পরিষ্কার নয়। এর জন্য ট্রাম্প ইরানের নেতৃত্বের ‘মারাত্মক বিভক্তি’–কে দায়ী করেন। তাঁর দাবি, আলোচনার আগে ইরানি নেতারা নিজেদের অবস্থানে একমত হতে পারেননি।</p><p>অন্যদিকে ইরানি কর্মকর্তাদের অভিযোগ ভিন্ন। তাঁরা বলেন, ট্রাম্প আলোচনার আগেই অবরোধ তুলে নিতে রাজি হননি। এর মধ্যে গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পতাকাবাহী একটি জাহাজও জব্দ করেছে। মঙ্গলবার রাতে ইসলামাবাদে কেউ যাচ্ছেন না নিশ্চিত হওয়ার পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি লেখেন, <em>“ইরানের বন্দর অবরোধ করা যুদ্ধের শামিল। এটি যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন।”</em></p><h3>ইরানের কৌশল ও ব্যঙ্গাত্মক প্রচারণা</h3><p>যুদ্ধের পুরোটা সময়জুড়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হুমকিকে গুরুত্ব না দেওয়ার কৌশল অনুসরণ করছে ইরান। এই কাজে তারা বিভিন্ন ব্যঙ্গাত্মক মিম ও ভিডিও ব্যবহার করছে। গত বুধবার ভোরে ইরানের বেশ কিছু আধা সরকারি সংবাদমাধ্যম একটি ব্যঙ্গাত্মক ভিডিও প্রকাশ করে। সেই ভিডিওতে দেখা যায়, রাগান্বিত ট্রাম্প ইরানকে বোমা মারার হুমকি দিচ্ছেন। অন্যদিকে আলোচনার টেবিলে ট্রাম্পের মধ্যস্থতাকারীরা বসে আছেন। কিন্তু সেখানে ইরানের কোনো প্রতিনিধি নেই। পরিবর্তে একটি চিরকুট পাঠিয়ে বলা হয়েছে, <em>“ট্রাম্প, আপনি চুপ করুন।”</em></p><h3>দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য ও অর্থনৈতিক ঝুঁকি</h3><p>ইতালির মিলান শহরের ইউনিভার্সিটি অব ক্যাথলিকের ইরানবিষয়ক বিশেষজ্ঞ আবদোররসুল দিভসাল্লার বলেন, আলোচনা আবার শুরু হওয়ার পথে মূল বাধা হলো উভয় দেশের দৃষ্টিভঙ্গি। দুই দেশই মনে করছে, তারা সুবিধাজনক অবস্থানে আছে এবং নিজের শর্ত অন্যের ওপর চাপিয়ে দিতে পারবে। দিভসাল্লার আরও বলেন, ইরান মনে করছে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক লক্ষ্যগুলো সফল হতে না দেওয়াই তাদের জন্য বড় জয়। তারা ভাবছে, ট্রাম্প প্রশাসনের হাতে আর কোনো ভালো বিকল্প নেই। তাই এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে ইরানেরই লাভ হবে।</p><p>অবশ্য এ বিষয়ে বিশ্লেষকেরা সতর্ক করছেন। তাঁরা বলছেন, তেহরানের নেতৃত্ব এই অচলাবস্থায় টিকে গেলেও দেশটির অর্থনীতি ভেঙে পড়তে পারে। যুদ্ধের আগে থেকেই ইরানের অর্থনীতি গভীর সংকটে ছিল। সেই সংকটের কারণে গত জানুয়ারিতে দেশজুড়ে বড় বিক্ষোভ হয়েছিল। পরে কঠোরভাবে সেই বিক্ষোভ দমন করা হয়। ইরানের নেতারা অর্থনৈতিক চাপ থেকে কিছুটা মুক্ত হলেও সাধারণ মানুষকে এর চরম মূল্য দিতে হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইরানিরা নিয়মিত চাকরি হারানো ও অভাব-অনটনের কথা লিখছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংস হয়েছে। এর ফলে দেশটিতে ওষুধ ও প্রয়োজনীয় পণ্যের তীব্র সংকট দেখা দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।</p><p>ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের আলী ভায়েজ বলেন, <em>“জনগণের কষ্ট নিয়ে নয়, বরং ইরান সরকার কেবল নিজেদের টিকে থাকা নিয়েই ভাবছে। তারা একে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই হিসেবে দেখছে।”</em> ভায়েজ আরও বলেন, এ কারণেই সাধারণ মানুষের যতই কষ্ট হোক, ইরান সহজে পিছু হঠবে না।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:12:55 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[এভিয়েশন ও পর্যটন খাতের বিকাশে ‘বিউটিফুল বাংলাদেশ রান-২০২৬’ শনিবার হাতিরঝিলে]]></title>
				<category>ভ্রমণ</category>
				<link>https://bdgazette.com/jibonjapon/bhromon/article-79449.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>এভিয়েশন ও পর্যটন খাতের বিকাশে ‘বিউটিফুল বাংলাদেশ রান-২০২৬’ শনিবার হাতিরঝিলে</h2><p>এভিয়েশন অ্যান্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্টস ফোরাম অব বাংলাদেশের (এটিজেএফবি) আয়োজনে আগামী শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাজধানীর হাতিরঝিলে অনুষ্ঠিত হবে ‘বিউটিফুল বাংলাদেশ রান-২০২৬’। গত বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও আয়োজনটির টাইটেল স্পন্সর হিসেবে রয়েছে রিদম গ্রুপ এবং বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের সহযোগিতায় এটি পাওয়ার্ড বাই হিসেবে পরিচালিত হবে।</p><h3>সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত প্রকাশ</h3><p>এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তুলে ধরেন এটিজেএফবির সভাপতি তানজিম আনোয়ার। অনুষ্ঠানে রানের সার্বিক বিষয় উপস্থাপন করেন সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও রেস ডিরেক্টর শফিউল্লাহ সুমন এবং সাধারণ সম্পাদক বাতেন বিপ্লব।</p><p>সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২৫ এপ্রিল সকাল ৬টায় হাতিরঝিলের পুলিশ প্লাজা থেকে ৭.৫ কিলোমিটার মূল দৌড় এবং ২ কিলোমিটার ফান রান শুরু হবে। দেশের বিভিন্ন পেশাজীবীর পাশাপাশি এভিয়েশন ও পর্যটন খাত সংশ্লিষ্ট এক হাজারের বেশি রানার এতে অংশ নেবেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করবেন প্রতিমন্ত্রী এম রশীদুজ্জামান মিল্লাত।</p><h3>অ্যাম্বাসেডর ও বিশেষ অতিথিরা</h3><p>আয়োজনটিকে প্রাণবন্ত করতে অ্যাম্বাসেডর হিসেবে থাকছেন আয়রনম্যান ফেরদৌসী আক্তার মারিয়া ও ডা. নাসরীন আক্তার শিমু। ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে থাকছেন বাবলী ইয়াসমিন ও সালেহীন। গেস্ট রানার হিসেবে অংশ নেবেন ফুটবলার মামুনুল ইসলাম মামুনসহ আরও অনেকে। এছাড়া পেসার ও ফিটনেস ট্রেইনারদের একটি দল অংশগ্রহণকারীদের সহায়তা করবেন।</p><h3>মূল লক্ষ্য ও পূর্বের আয়োজন</h3><p>বক্তারা জানান, এই আয়োজনের মাধ্যমে দেশের এভিয়েশন ও পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরাই মূল লক্ষ্য। এটিজেএফবি ইতোমধ্যে পর্যটন শিল্পের বিকাশে একাধিক আয়োজন করেছে এবং তারই ধারাবাহিকতায় দ্বিতীয়বারের মতো এই রান আয়োজন করা হচ্ছে।</p><h3>উৎসবমুখর পরিবেশ ও বিশেষ আকর্ষণ</h3><p>রেস ডিরেক্টর শফিউল্লাহ সুমন বলেন, এবারের আয়োজনকে শুধু দৌড়ে সীমাবদ্ধ না রেখে উৎসবে রূপ দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। অংশগ্রহণকারীদের জন্য থাকছে র‍্যাফেল ড্র, আকর্ষণীয় পুরস্কার এবং ফটো কনটেস্ট।</p><h3>আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করার আহ্বান</h3><p>সংবাদ সম্মেলনে স্পন্সর প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে আগামী বছর থেকে এই আয়োজনকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। এটি দেশের পর্যটন ও এভিয়েশন খাতের উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 05:36:09 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[কর্ণফুলী গ্রুপে অ্যাসিস্ট্যান্ট এক্সিকিউটিভ পদে নিয়োগ, আবেদনের শেষ তারিখ ১৯ মে]]></title>
				<category>কর্মসংস্থান</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/kormosongstthan/article-79448.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>কর্ণফুলী গ্রুপে অ্যাসিস্ট্যান্ট এক্সিকিউটিভ পদে নতুন নিয়োগের সুযোগ</h2><p>শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান কর্ণফুলী গ্রুপ তাদের স্পেয়ার পার্টস, মাহিন্দ্রা ট্রাক্টর ডিভিশনে <strong>অ্যাসিস্ট্যান্ট এক্সিকিউটিভ</strong> পদে জনবল নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। এই পদে মোট <strong>দুই জন</strong> প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হবে, যারা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কার্যক্রমে সহায়ক ভূমিকা পালন করবেন।</p><h3>আবেদনের যোগ্যতা ও শর্তাবলি</h3><p>আগ্রহী প্রার্থীদের জন্য আবেদনের যোগ্যতা ও শর্তাবলি নিম্নরূপ:</p><ul><li><strong>শিক্ষাগত যোগ্যতা:</strong> বিএসসি অথবা ডিপ্লোমা ডিগ্রি থাকতে হবে।</li><li><strong>অভিজ্ঞতা:</strong> সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ১ থেকে ২ বছরের অভিজ্ঞতা প্রাধান্য পাবে।</li><li><strong>বয়সসীমা:</strong> প্রার্থীদের বয়স ২২ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে।</li><li><strong>বেতন:</strong> মাসিক বেতন ১৬,০০০ থেকে ১৮,০০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।</li><li><strong>চাকরির ধরন:</strong> এটি একটি ফুল টাইম চাকরি, যেখানে নারী ও পুরুষ উভয়ই আবেদন করতে পারবেন।</li><li><strong>কর্মস্থল:</strong> চাকরির স্থান প্রতিষ্ঠানের যে কোনো শাখা বা অফিস হতে পারে।</li></ul><h3>আবেদন প্রক্রিয়া ও সময়সীমা</h3><p>কর্ণফুলী গ্রুপের এই চাকরির জন্য আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের শেষ তারিখ <strong>১৯ মে ২০২৬</strong>। প্রতিষ্ঠানটি তাদের ওয়েবসাইট বা নির্ধারিত পোর্টালে আবেদন ফর্ম প্রকাশ করবে, যেখানে প্রার্থীরা প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করে আবেদন সম্পন্ন করতে সক্ষম হবেন।</p><p>এই নিয়োগের মাধ্যমে কর্ণফুলী গ্রুপ তাদের দলকে শক্তিশালী করতে এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে চায়। প্রতিষ্ঠানটি দেশের শিল্পখাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে এবং নতুন প্রতিভা আহ্বানের মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে প্রস্তুত।</p><p>আবেদনকারীদের জন্য পরামর্শ হলো, তাদের সকল প্রাসঙ্গিক দলিলপত্র ও অভিজ্ঞতার সারসংক্ষেপ প্রস্তুত রাখা উচিত, যাতে আবেদন প্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুত সম্পন্ন হতে পারে। নিয়োগের ফলাফল প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ওয়েবসাইট বা যোগাযোগের মাধ্যমে জানানো হবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:00:24 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ভাইরাল ভিডিওর পর বিচারপতি আব্দুল মান্নানকে বিচারকাজ থেকে সরালেন প্রধান বিচারপতি]]></title>
				<category>আইন বিভাগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/ain-bibhag/article-79447.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>ভাইরাল ভিডিওর পর বিচারপতি আব্দুল মান্নানকে বিচারকাজ থেকে সরালেন প্রধান বিচারপতি</h2><p>কুমিল্লায় এপেক্স ক্লাবের একটি অনুষ্ঠানে অসৌজন্যমূলক আচরণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর হাইকোর্টের বিচারপতি মো. আব্দুল মান্নানকে বিচারকাজ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল ২০২৬) সুপ্রিম কোর্টের একাধিক সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে, যা দেশের বিচারব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।</p><h3>বিচারকাজ থেকে সরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া</h3><p>সুপ্রিম কোর্টের সূত্রগুলো জানিয়েছে, সম্প্রতি প্রধান বিচারপতি বিচারকাজ পরিচালনার জন্য যে ৬৩টি বেঞ্চ গঠন করেছেন, সেখানে বিচারপতি আব্দুল মান্নানকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তাকে কার্যত বিচারকাজ থেকে বিরত রাখা হয়েছে, যা বিচার বিভাগীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখার একটি দৃঢ় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা যাচ্ছে।</p><h3>অসৌজন্যমূলক আচরণের ঘটনা</h3><p>গত ৩ এপ্রিল কুমিল্লায় এপেক্স ক্লাবের অনুষ্ঠানে বিচারপতি আব্দুল মান্নান অংশ নেন এবং সেখানে তিনি অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, তিনি বিচারপতি হিসেবে নিজের পরিচয় দিয়ে হুমকি প্রদান করেন এবং একটি বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এই ঘটনার ভিডিও দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা ব্যাপক জনসমালোচনার সৃষ্টি করে এবং বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলে।</p><h3>বিচারপতি মান্নানের পেশাগত পটভূমি</h3><p>বিচারপতি মো. আব্দুল মান্নান ২০২৪ সালের ৯ অক্টোবর হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান, যা তার আইনী পেশায় একটি উল্লেখযোগ্য পদোন্নতি ছিল। এর আগে তিনি পিরোজপুর জেলার জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, যেখানে তার কাজের অভিজ্ঞতা ছিল ব্যাপক। তবে সাম্প্রতিক এই ঘটনা তার পেশাগত জীবনকে গুরুতরভাবে প্রভাবিত করেছে এবং এটি বিচারকদের আচরণবিধি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে।</p><p>এই সিদ্ধান্তটি বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থায় জবাবদিহিতা ও নৈতিক মানদণ্ড রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ স্থাপন করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ভাইরাল ভিডিওর মতো ডিজিটাল প্রমাণের ভিত্তিতে এমন দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া আধুনিক যুগে বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও শৃঙ্খলা প্রয়োগের নতুন মাত্রা যোগ করেছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 05:36:59 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বিএনপির ৩৬ প্রার্থী বৈধ, ইসির নতুন ডিসি নিয়োগ ও ময়মনসিংহে হামে শিশু মৃত্যু]]></title>
				<category>নির্বাচন কমিশন</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/nirbachon-commission/article-79446.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>বিএনপির ৩৬ প্রার্থী সংরক্ষিত আসনে বৈধ ঘোষণা</h2><p>নির্বাচন কমিশন শুক্রবার সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থীকে বৈধ ঘোষণা করেছে। এই সিদ্ধান্তটি রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার সৃষ্টি করেছে, যা আগামী নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে।</p><h3>ইসির দুই জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ</h3><p>একই দিনে, নির্বাচন কমিশন আরো দুই জেলায় নতুন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছে। এই পদক্ষেপটি নির্বাচনী ব্যবস্থাপনা আরো কার্যকর করতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p><h3>ময়মনসিংহে হামে আরেক শিশুর মৃত্যু</h3><p>ময়মনসিংহে হাম রোগে আক্রান্ত হয়ে আরেকটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনা স্বাস্থ্য বিভাগের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।</p><h3>প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে নতুন মহাপরিচালক নিয়োগ</h3><p>প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে নতুন মহাপরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই নিয়োগটি শিক্ষা খাতের উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যাচ্ছে।</p><h3>অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খবর</h3><ul><li>মার্কিন নৌবাহিনীর সচিব জন ফেলান বরখাস্ত হওয়ার খবরটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।</li><li>টানা ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়, সেখানে নাগরিকদের অসুবিধার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।</li><li>হিলি স্থলবন্দরে দুই দিন পণ্যবাহী কার্যক্রম বন্ধ থাকায় বাণিজ্যিক কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটেছে।</li><li>দেশের বাজারে আজ স্বর্ণের দর নির্ধারণ করা হয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।</li><li>সিয়াম-অবন্তীর ভাইরাল নাচ সম্পর্কে অবন্তী তার মতামত জানিয়েছেন, যা সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।</li><li>টসে হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ দল, একাদশে দুই পরিবর্তন করা হয়েছে, যা ক্রিকেট প্রেমীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।</li></ul>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:02:07 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[রাশিয়ার যুদ্ধে প্রাণ হারালেন মৌলভীবাজারের মুহিবুর রহমান, দালালের প্রলোভনে ইউক্রেনে ড্রোন হামলায় নিহত]]></title>
				<category>প্রবাসী</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/probashi/article-79445.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>রাশিয়ার যুদ্ধে প্রাণ হারালেন মৌলভীবাজারের মুহিবুর রহমান</h2><p>রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে অংশ নিয়ে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছেন মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আমতৈল ইউনিয়নের সম্পদপুর গ্রামের মুহিবুর রহমান। দালালের প্রলোভনে তিনি রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে যোগ দেন, যেখানে নাগরিকত্ব ও মোটা অঙ্কের বেতনের প্রতিশ্রুতি ছিল। তবে তার স্বপ্ন নিমিষেই ধূলিসাৎ হয়ে যায় ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায়।</p><h3>পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া</h3><p>মুহিবুর রহমানের মৃত্যুর খবরে তার পরিবারসহ সম্পদপুর গ্রামে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। তিনি ছিলেন মসুদ মিয়া ও সুফিয়া বেগমের তৃতীয় সন্তান, যিনি তিন ভাই ও দুই বোনের মধ্যে অবস্থান করতেন। পরিবারের একমাত্র আয়-উপার্জনের পথ ছিল মুহিবুর, যার মৃত্যু এখন তাদের জন্য ভয়াবহ আর্থিক সংকট ডেকে এনেছে।</p><h3>মেক্সিকো থেকে রাশিয়া: একটি ট্র্যাজিক যাত্রা</h3><p>পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুহিবুর রহমান ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে উচ্চশিক্ষার আশায় মেক্সিকোতে স্টুডেন্ট ভিসায় যান। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে তিনি দেশে ফিরে আসেন এবং প্রায় এক মাস অবস্থান করেন। এই সময়ে পারিবারিক সিদ্ধান্তে তিনি বিয়ে সম্পন্ন করেন। গত বছরের ৬ আগস্ট তিনি রাশিয়ার উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়েন, যেখানে পৌঁছানোর পর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দুএকবার ফোনে যোগাযোগ হয়েছিল। এরপর প্রায় চার মাস ধরে তার কোনো খবর পাওয়া যায়নি, যা পরিবারকে উদ্বিগ্ন করে তোলে।</p><h3>শিক্ষাজীবন ও দালালের প্রলোভন</h3><p>মুহিবুর রহমান নিজ এলাকায় চুরাইন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়া শুরু করেন। এরপর আমলৈ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে সিলেট এমসি কলেজে ভর্তি হন। পরে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত অবস্থায় মেক্সিকোতে স্টুডেন্ট ভিসায় যান। মেক্সিকোতে ভিসা মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে তার জীবন হঠাৎ করেই অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে এবং এই সংকটময় সময়ে দালাল চক্র তাকে টার্গেট করে।</p><p>স্থানীয় ইউপি সদস্য ইকবাল আহমদ জানান, দালালরা মুহিবুরকে প্রলোভন দেখায় যে রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে অংশ নিলে মোটা অঙ্কের বেতন ও যুদ্ধ শেষে নাগরিকত্ব মিলবে। ভবিষ্যতের আশায় তিনি সেই প্রলোভনে সাড়া দেন এবং রাশিয়ায় গিয়ে সামরিক প্রশিক্ষণ নেন। তাকে সম্মুখ যুদ্ধে পাঠানো হয়, যেখানে দীর্ঘদিন রুশ বাহিনীর হয়ে লড়াই করলেও শেষ রক্ষা হয়নি।</p><h3>ড্রোন হামলায় মৃত্যু ও মরদেহ ফেরত আনার প্রচেষ্টা</h3><p>ইকবাল আহমদ আরও জানান, মুহিবুর রহমান একটি বাংকারে অবস্থানকালে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় সেটি বিধ্বস্ত হলে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। যুদ্ধে রাশিয়ার সেনাদের জন্য খাবার সরবরাহকারী এক ব্যক্তির মাধ্যমে প্রথমে পরিবারের কাছে তার মৃত্যুর খবর পৌঁছায়, যদিও ঠিক কবে তিনি নিহত হয়েছেন তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সপ্তাহখানেক আগে মারা গেলেও ২১ এপ্রিল বিষয়টি জানাজানি হয় এবং পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।</p><p>মৌলভীবাজার উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজিব হোসেন জানান, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে মুহিবুরের মৃত্যুর বিষয়টি তার পরিবারের কাছ থেকে জেনেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, মুহিবুরের মরদেহ দ্রুত বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করা হচ্ছে, যা পরিবারের জন্য সামান্য স্বস্তির আশা জাগিয়েছে।</p><p>এই ঘটনা বাংলাদেশিদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা বহন করে, বিশেষ করে যারা বিদেশে উচ্চশিক্ষা বা কর্মসংস্থানের সন্ধানে যাচ্ছেন। দালাল চক্রের প্রলোভনে পড়ে বিপজ্জনক পথ বেছে নেওয়ার আগে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। মুহিবুর রহমানের মৃত্যু শুধু একটি পরিবারকেই শোকসাগরে ভাসায়নি, বরং এটি সমগ্র সমাজের জন্য একটি বেদনাদায়ক শিক্ষা হিসেবে রয়ে গেছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 05:44:24 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ইভিএম ত্রুটি: মুর্শিদাবাদ ও শিলিগুড়িতে ভোট বিলম্ব]]></title>
				<category>নির্বাচন কমিশন</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/nirbachon-commission/article-79444.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ইভিএম ত্রুটির ঘটনা: ভোটগ্রহণে বিলম্ব</h2><p>পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএম ত্রুটির অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) শুরু হওয়া এই নির্বাচনে মুর্শিদাবাদ ও শিলিগুড়ির বেশ কয়েকটি বুথে যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে নির্ধারিত সময়ে ভোটগ্রহণ শুরু করা সম্ভব হয়নি। ভারতের শীর্ষ সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা এ খবর নিশ্চিত করেছে।</p><h3>মুর্শিদাবাদ ও শিলিগুড়িতে ইভিএম সমস্যার বিস্তারিত</h3><p>প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুর্শিদাবাদের কান্দি বিধানসভার ১৩০ নম্বর বুথে ইভিএম-এ ত্রুটি দেখা দেয়। সকাল ৭টা ২৫ মিনিট বেজে গেলেও সেখানে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু করা যায়নি। একই জেলার শমসেরগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের ২১২ নম্বর বুথেও ইভিএম-এ ত্রুটির অভিযোগ উঠেছে, যার ফলে সেখানেও সময়মতো ভোট শুরু করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।</p><p>এদিকে, শিলিগুড়ি বিধানসভার ২৬/৩১ নম্বর বুথেও একই ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছে। মার্গারেট স্কুলের ওই বুথে ভোট দিতে ভোর থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন ভোটারেরা। তবে ইভিএম সমস্যার কারণে নির্ধারিত সময়ে ভোটগ্রহণ শুরু করা সম্ভব হয়নি। এই বিলম্বের কারণ সম্পর্কে নির্বাচন কমিশন এখন পর্যন্ত স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।</p><h3>নির্বাচনের সময়সূচি ও প্রভাব</h3><p>পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় মোট ১৫২টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট হচ্ছে। নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ২৯ এপ্রিল এবং ফলাফল ঘোষণা করা হবে ৪ মে। ইভিএম ত্রুটির ঘটনাগুলো ভোটারদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করেছে এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।</p><p>এই ধরনের যান্ত্রিক সমস্যা প্রায়ই ভারতের নির্বাচনে দেখা যায়, যা ভোটারদের অংশগ্রহণ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ ও সমাধান কামনা করছেন স্থানীয়রা।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 05:33:26 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[কুয়েতে প্রবেশে জটিলতায় পড়া বাংলাদেশিদের জন্য দূতাবাসের নতুন নির্দেশনা]]></title>
				<category>প্রবাসী</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/probashi/article-79443.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>কুয়েতে প্রবেশে জটিলতায় পড়া বাংলাদেশিদের জন্য দূতাবাসের নতুন নির্দেশনা</h2><p>উপসাগরীয় অঞ্চলের চলমান পরিস্থিতির কারণে কুয়েতে প্রবেশে জটিলতায় পড়া বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে কুয়েতের বাংলাদেশ দূতাবাস। বুধবার (২২ এপ্রিল) দূতাবাসের প্রথম সচিব মো. শোয়াইব-উল-ইসলাম তরফদার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ নির্দেশনা জানানো হয়েছে।</p><h3>ইলেকট্রনিক লিভ পারমিটের বিস্তারিত</h3><p>কুয়েত সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, কুয়েতের বৈধ সিভিল আইডিধারী যেসব বিদেশি নাগরিক ছয় মাসের বেশি সময় ধরে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন এবং কুয়েতে ফিরতে পারছেন না, তাদের জন্য তিন মাস মেয়াদী ইলেকট্রনিক লিভ পারমিট প্রদান করা হবে। এই লিভ পারমিট গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে। এর মাধ্যমে তাদের সিভিল আইডির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়া প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে। এ উদ্দেশ্যে কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কম্পিউটার ব্যবস্থা ইতোমধ্যে সমন্বয় করা হয়েছে।</p><h3>ভিসা সংক্রান্ত নির্দেশনা</h3><p>এছাড়া বিভিন্ন ধরনের এন্ট্রি ভিসা (বেসরকারি খাতে চাকরি, গৃহকর্ম, পারিবারিক পুনর্মিলনসহ অন্যান্য) ধারণকারী যেসব বিদেশি নাগরিক বর্তমান পরিস্থিতির কারণে কুয়েতে প্রবেশ করতে পারেননি, তাদের ভিসার মেয়াদ বাড়ানো হবে না। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নিয়োগকর্তা বা আবেদনকারীকে প্রচলিত নিয়ম মেনে নতুন করে প্রবেশ ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। ভিসা ইস্যু পুনরায় শুরু হওয়ার ঘোষণার পর থেকে এই নির্দেশনা কার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছে দূতাবাস।</p><p>এই পদক্ষেপগুলি বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হিসেবে কাজ করবে, বিশেষ করে যারা বর্তমান পরিস্থিতিতে কুয়েতে ফিরতে অক্ষম। দূতাবাসের এই নির্দেশনা প্রবাসী বাংলাদেশিদের আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা কমাতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:07:36 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[হেলিও স্মার্টফোনে ১৫ মাসের ওয়ারেন্টি সুবিধা: ব্যবহারকারীদের জন্য বড় সুখবর]]></title>
				<category>মোবাইল ফোন</category>
				<link>https://bdgazette.com/projukti/mobile-phone/article-79442.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>হেলিও স্মার্টফোনে ১৫ মাসের ওয়ারেন্টি: ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন আশ্বাস</h2><p>স্মার্টফোন বাজারে সাধারণত স্পেসিফিকেশন, ক্যামেরা বা পারফরম্যান্সই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়, কিন্তু ওয়ারেন্টি সুবিধা প্রায়ই উপেক্ষিত থেকে যায়। তবে ব্যবহারকারীর দীর্ঘমেয়াদি অভিজ্ঞতায় ওয়ারেন্টির গুরুত্ব অপরিসীম। এই প্রেক্ষাপটে হেলিও মোবাইলের নতুন ঘোষণা একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ব্র্যান্ডটি তাদের সব স্মার্টফোনের জন্য ১৫ মাসের এক্সটেন্ডেড ওয়ারেন্টি দিচ্ছে, যেখানে বাজারে ১২ মাস এখনো ডিফল্ট স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে বিবেচিত হয়।</p><h3>সংখ্যার পার্থক্য নয়, ব্যবহারিক সুবিধাই মুখ্য</h3><p>প্রথম নজরে পার্থক্যটা মাত্র তিন মাসের মনে হতে পারে, কিন্তু ব্যবহারিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি ততটা সরল নয়। বাস্তবে অনেক ডিভাইসেই এক বছরের পর ছোটখাটো সমস্যা দেখা দিতে শুরু করে, যেমন ব্যাটারির চার্জ ধরে না রাখা, চার্জিং পোর্ট ঢিলে হয়ে যাওয়া বা ডিসপ্লেতে মাইনর ইস্যু। এই অতিরিক্ত তিন মাসের সময়সীমা সেই 'পোস্ট-ওয়ারেন্টি' ঝুঁকির একটি উল্লেখযোগ্য অংশ কভার করতে সক্ষম, যা ব্যবহারকারীদের জন্য বাড়তি নিরাপত্তা ও সুবিধা বয়ে আনে।</p><h3>সব মডেলের জন্য সমান সুযোগ</h3><p>হেলিও মোবাইলের এই উদ্যোগের আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো, এটি সব মডেলের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। এন্ট্রি-লেভেল থেকে শুরু করে প্রিমিয়াম ডিভাইস পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই একই ওয়ারেন্টি কাভারেজ রাখা হয়েছে। যেখানে অনেক ব্র্যান্ড প্রিমিয়াম সেগমেন্টে বাড়তি সুবিধা সীমাবদ্ধ রাখে, সেখানে হেলিওর এই সিদ্ধান্ত তুলনামূলকভাবে বেশি ইনক্লুসিভ ও ন্যায্য, যা ব্র্যান্ডটির গ্রাহক-কেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন ঘটায়।</p><h3>বাস্তব পরিস্থিতি ও গ্রাহক চাহিদা</h3><p>এই সিদ্ধান্তের পেছনে একটি বাস্তব কারণও কাজ করছে। বিশ্ব বাজারে মোবাইল কম্পোনেন্টের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের পক্ষে ঘন ঘন নতুন ফোন কেনা কঠিন হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ক্রেতারা চান তাদের কেনা ফোনটি দীর্ঘ মেয়াদে ব্যবহার করা যায় এবং কোনো সমস্যা হলে প্রতিষ্ঠান থেকে সহায়তা পাওয়া যায়। হেলিও মোবাইল ঠিক সেই চাহিদাটাই পূরণ করতে এগিয়ে এসেছে, যা বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ।</p><h3>গ্রাহক অভিজ্ঞতা ও বাজার কৌশল</h3><p>ব্র্যান্ডটির পক্ষ থেকে এই উদ্যোগকে 'গ্রাহক অভিজ্ঞতা' উন্নয়নের অংশ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এটি একদিকে যেমন পণ্যের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাসের ইঙ্গিত দেয়, অন্যদিকে বাজারে আলাদা করে নজর কাড়ার একটি কার্যকর কৌশল হিসেবেও বিবেচিত হতে পারে। বর্তমান যুগে স্মার্টফোন একটি অপরিহার্য ডিভাইসে পরিণত হয়েছে—শুধু যোগাযোগ নয়, কাজ, কনটেন্ট কনজাম্পশন, এমনকি আয়ের সঙ্গেও এটি সরাসরি যুক্ত। ফলে ডিভাইসের যেকোনো সমস্যা ব্যবহারকারীর ওপর তাৎক্ষণিক ও গভীর প্রভাব ফেলে।</p><h3>সুখবর সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য</h3><p>এই প্রেক্ষাপটে বাড়তি তিন মাসের ওয়ারেন্টি ছোট আপগ্রেড হলেও এর ব্যবহারিক গুরুত্ব অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। হেলিও মোবাইলের এই উদ্যোগ দেশের সাধারণ মোবাইলফোন ব্যবহারকারীদের জন্য, বিশেষত যারা মধ্যম বাজেটে মোবাইল কেনেন, তাদের জন্য একটি বড় সুখবর বয়ে এনেছে। এখন থেকে হেলিওর ফোন কেনা মানেই ১৫ মাস নিশ্চিন্তে ব্যবহারের গ্যারান্টি পাওয়া, যা দীর্ঘমেয়াদে সাশ্রয়ী ও নির্ভরযোগ্য সমাধান হিসেবে কাজ করবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 05:24:45 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বিজয় ভার্মার জীবনে নতুন বসন্ত: রহস্যময়ী আলিয়া কুরেশি কে?]]></title>
				<category>অভিনেতা</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/obhineta/article-79441.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>বিজয় ভার্মার জীবনে নতুন বসন্ত: রহস্যময়ী আলিয়া কুরেশি কে?</h2><p>বলিউড অভিনেতা <strong>বিজয় ভার্মা</strong> ও অভিনেত্রী <strong>তামান্না ভাটিয়া</strong> দীর্ঘদিন ধরে জুটিতে ছিলেন। তাদের সম্পর্ক ছিল সম্পূর্ণ প্রকাশ্য, কখনোই গোপনীয়তার পথে হাঁটেননি তারা। কিন্তু হঠাৎ করেই সেই সম্পর্ক ভেঙে যায়, যা বলিউড মহলে আলোড়ন সৃষ্টি করে।</p><h3>তামান্না ও ফাতিমার পর নতুন মুখ</h3><p>সম্পর্ক ভাঙার পর একসময় অভিনেত্রী <em>ফাতিমা সানা শেখ</em>-এর সঙ্গে বিজয়ের নাম জড়িয়েছিল। তবে এবার দেখা গেল অন্য আরেকজনকে। মুম্বাইয়ের একটি রেস্তোরাঁয় বিজয় ভার্মা এক রহস্যময়ী নারীর সঙ্গে ক্যামেরাবন্দি হন। রেস্তোরাঁর সামনে বিজয়ের পেছনে পেছনে গাড়িতে উঠতে দেখা যায় ওই নারীকে, যার ঠোঁটের কোণে ছিল স্মিত হাসি।</p><p>সেই রহস্যময়ী নারী হলেন <strong>আলিয়া কুরেশি</strong>, একজন পেশাদার অভিনেত্রী ও গায়িকা। তার অভিনয় ক্যারিয়ার শুরু হয় ‘ইটারনালি কনফিউজড অ্যান্ড ইগার ফর লাভ’ সিরিজের মাধ্যমে। এরপর শাহরুখ খানের সিনেমা ‘জওয়ান’-এ অভিনয় করে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। ‘জওয়ান’-এ শাহরুখের প্রমীলা বাহিনীর সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলিয়া।</p><h3>আলিয়া কুরেশির পেশাগত সাফল্য</h3><p>আলিয়া কুরেশির অভিনয় দক্ষতা নেটফ্লিক্সের সিনেমা ‘নাদানিয়া’তেও দেখা গেছে, যেখানে প্রধান চরিত্রে ছিলেন ইব্রাহিম আলি খান ও খুশি কাপুর। অভিনয়ের পাশাপাশি গায়িকা হিসেবেও তার নামডাক রয়েছে। অন্যদিকে, বিজয় ভার্মা বর্তমানে ব্যস্ত ‘মটকা কিং’ সিনেমার শুটিং নিয়ে, যা তার ক্যারিয়ারে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।</p><h3>তামান্নার প্রতিক্রিয়া ও বিজয়ের অবস্থান</h3><p>বিজয় ভার্মার সঙ্গে সম্পর্কছেদের পর তামান্না ভাটিয়া প্রকাশ্যে বলেছিলেন, তিনি একজন দারুণ জীবনসঙ্গিনী হতে চান এবং সেই খোঁজে রয়েছেন। সম্প্রতি বিজয়ের জীবনের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই তামান্নার সুরেই কথা বলেন, <em>‘আমি খুব ভালো জীবনসঙ্গী হতে চাই, যাতে আমাকে পেয়ে সৌভাগ্যবতী মনে করে সে।’</em></p><p>এখন প্রশ্ন উঠছে, বিজয় ভার্মা কি আলিয়া কুরেশির মধ্যেই তার জীবনসঙ্গীকে খুঁজে পেয়েছেন? তবে এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেননি বলিউডের এই তারকা জুটি। গুঞ্জন ও ক্যামেরাবন্দি দৃশ্য শুধুই নতুন সম্পর্কের সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।</p><p>বলিউড মহলে এই নতুন জুটির গল্প নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ভক্তরা অপেক্ষায় রয়েছেন, কবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবেন বিজয় ও আলিয়া। এদিকে, তামান্না ভাটিয়ার জীবনেও নতুন অধ্যায় শুরু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:08:30 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বাংলাদেশে অনলাইন শিক্ষার নতুন দিগন্ত: ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে]]></title>
				<category>অনলাইন শিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/online-shikkha/article-79440.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>বাংলাদেশে অনলাইন শিক্ষার নতুন দিগন্ত: ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে</h2><p>বাংলাদেশে অনলাইন শিক্ষার ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যেখানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই প্রবণতা দেশের শিক্ষা খাতকে আরও গতিশীল ও প্রযুক্তিনির্ভর করে তুলছে।</p><h3>ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের প্রভাব</h3><p>গত কয়েক বছরে, বাংলাদেশে অনলাইন শিক্ষার জন্য বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে। <strong>এই প্ল্যাটফর্মগুলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ করে</strong>, যার ফলে দূরবর্তী অঞ্চলের শিক্ষার্থীরাও সহজে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারছে।</p><p>অনলাইন শিক্ষার এই প্রসারের পেছনে প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে:</p><ul><li>স্মার্টফোন ও ইন্টারনেটের ব্যাপক প্রাপ্যতা</li><li>সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে ডিজিটাল শিক্ষা প্রকল্প</li><li>শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রযুক্তি ব্যবহারের দক্ষতা বৃদ্ধি</li></ul><h3>শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি</h3><p>বাংলাদেশে অনলাইন শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। <em>বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী</em>, গত দুই বছরে অনলাইন কোর্সে নিবন্ধিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৩০% বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বৃদ্ধি বিশেষ করে উচ্চশিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষা ক্ষেত্রে লক্ষণীয়।</p><p>শিক্ষার্থীদের মতে, অনলাইন প্ল্যাটফর্মের সুবিধাগুলো হলো:</p><ol><li>নমনীয় সময়সূচি ও স্ব-গতিতে শেখার সুযোগ</li><li>বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তৃত কোর্সের উপস্থিতি</li><li>কম খরচে মানসম্পন্ন শিক্ষা উপকরণ প্রাপ্তি</li></ol><h3>চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা</h3><p>যদিও অনলাইন শিক্ষার প্রসার ঘটছে, তবুও কিছু চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান। ইন্টারনেট সংযোগের অস্থিরতা, ডিজিটাল ডিভাইসের অভাব, এবং কিছু ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি ব্যবহারে অসুবিধা প্রধান সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তবে, সরকার ও বিভিন্ন সংস্থা এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কাজ করছে।</p><p>ভবিষ্যতে, বাংলাদেশে অনলাইন শিক্ষার সম্ভাবনা উজ্জ্বল। <strong>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিং প্রযুক্তির সমন্বয়ে</strong> আরও উন্নত শিক্ষা পদ্ধতি চালু হতে পারে, যা শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যক্তিগতকৃত শিক্ষা অভিজ্ঞতা সরবরাহ করবে।</p><p>সামগ্রিকভাবে, বাংলাদেশে অনলাইন শিক্ষার এই অগ্রগতি দেশের শিক্ষা খাতকে বৈশ্বিক মানের কাছাকাছি নিয়ে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে আরও উদ্ভাবনী পদক্ষেপের দিকে ইঙ্গিত করছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 05:31:21 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী: জামিল লিমন ও নাহিদা এস. বৃষ্টি]]></title>
				<category>বিদেশে পড়াশোনা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/bideshe-porashona/article-79439.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী: জামিল লিমন ও নাহিদা এস. বৃষ্টি</h2><p>যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের টাম্পায় অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার (ইউএসএফ) দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী গত বৃহস্পতিবার থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজ শিক্ষার্থীরা হলেন জামিল লিমন ও নাহিদা এস. বৃষ্টি, যাদের বয়স ২৭ বছর। বিশ্ববিদ্যালয়ের পুলিশ বিভাগ গত মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই দুই শিক্ষার্থীর নিখোঁজ থাকার তথ্য গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, যা উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে বাংলাদেশি প্রবাসী ও শিক্ষা মহলে।</p><h3>শিক্ষার্থীদের পরিচয় ও শেষ দেখা</h3><p>জামিল লিমন ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় ভূগোল, পরিবেশবিজ্ঞান ও নীতি বিষয়ে পিএইচডি করছেন। অন্যদিকে নাহিদা এস. বৃষ্টি কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে পিএইচডি গবেষণায় নিয়োজিত ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জামিল ও নাহিদাকে সবশেষ ১৬ এপ্রিল টাম্পায় দেখা গিয়েছিল। সেদিন সকাল ৯টার দিকে জামিলকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে তাঁর ছাত্রাবাসে শেষবারের মতো দেখা যায়। নাহিদাকে সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যাচারাল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস বিল্ডিংয়ে শেষ দেখা মেলে।</p><h3>তদন্ত ও কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপ</h3><p>বর্তমানে স্থানীয় হিলসবোরো কাউন্টি শেরিফ (পুলিশ) এই দুই নিখোঁজ শিক্ষার্থীকে খুঁজে বের করতে কাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্রের এনবিসিসহ একাধিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, জামিল ও নাহিদার সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে তাঁদের এক পারিবারিক বন্ধু পরদিন গত শুক্রবার বিকেল পাঁচটার দিকে বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে দুটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয় এবং অঙ্গরাজ্য ও জাতীয় পর্যায়ের নিখোঁজ ব্যক্তির ডেটাবেজে দুজনের নাম ইতিমধ্যে তালিকাভুক্ত হয়েছে।</p><p>বিষয়টি তদন্তাধীন থাকায় পুলিশ কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে বিস্তারিত আর কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি। তবে নিখোঁজ দুজনের বিষয়ে কোনো তথ্য জানলে তা অবিলম্বে কর্তৃপক্ষকে জানাতে অনুরোধ করেছে পুলিশ। পুলিশের বরাতে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ফক্স ১৩ টাম্পা বে–এর প্রতিবেদনে বলা হয়, এই দুই শিক্ষার্থী যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের (আইসিই) হেফাজতে নেই, যা উদ্বেগ কিছুটা কমালেও তাদের অবস্থান এখনো অজানা।</p><h3>বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিক্রিয়া ও উদ্বেগ</h3><p>দুই শিক্ষার্থীর নিখোঁজের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং তদন্তে সহযোগিতা করছে। ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা পুলিশ বিভাগ নিয়মিত হালনাগাদ তথ্য প্রদানের আশ্বাস দিয়েছে। এই ঘটনা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও বিদেশে পড়াশোনার চ্যালেঞ্জ নিয়ে নতুন করে আলোচনার সূত্রপাত করেছে, বিশেষ করে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে প্রবাসী শিক্ষার্থীদের জন্য সহায়তা ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 05:38:14 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বিএনপির ৩৬ প্রার্থী বৈধ, ইসির নতুন ডিসি নিয়োগ, ময়মনসিংহে হামে শিশুর মৃত্যু]]></title>
				<category>নির্বাচন কমিশন</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/nirbachon-commission/article-79438.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>বিএনপির ৩৬ প্রার্থী বৈধ ঘোষণা ও ইসির নতুন ডিসি নিয়োগ</h2><p>সংরক্ষিত আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থীকে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে, যা বিরোধী দলের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। একইসাথে, নির্বাচন কমিশন আরো দুই জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ দিয়েছে, যা প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।</p><h3>ময়মনসিংহে হামে শিশুর মৃত্যু ও স্বাস্থ্য সংকট</h3><p>ময়মনসিংহে হামে আক্রান্ত হয়ে আরো এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যা শিশু স্বাস্থ্য সংকটকে আরো তীব্র করেছে। স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিলেও, রোগের বিস্তার রোধে কার্যকর পদক্ষেপের অভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে।</p><h3>ক্রিকেটে বাংলাদেশের অবস্থান ও হিলি বন্দরের কার্যক্রম</h3><p>টসে হেরে ফিল্ডিংয়ে নামা বাংলাদেশ দলে একাদশে দুই পরিবর্তন আনা হয়েছে, যা দলের কৌশলগত পুনর্বিবেচনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। অন্যদিকে, হিলি স্থলবন্দরে দুই দিনের জন্য পণ্যবাহী কার্যক্রম বন্ধ থাকবে, যা আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে সাময়িক বিঘ্ন ঘটাতে পারে।</p><h3>অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খবর</h3><ul><li>শুক্রবার টানা ২৪ ঘন্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়, তা স্থানীয় বাসিন্দাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলছে।</li><li>প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে নতুন মহাপরিচালক নিয়োগ করা হয়েছে, যা শিক্ষা খাতের সংস্কারের দিকে একটি পদক্ষেপ।</li><li>দেশের বাজারে আজ স্বর্ণ যে দরে বিক্রি হচ্ছে, তা অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রতিফলন।</li><li>উত্তর প্রদেশে ট্রাক-গাড়ি সংঘর্ষে নিহত ১১ জনের ঘটনাটি সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।</li><li>সিয়াম-অবন্তীর ভাইরাল নাচ সম্পর্কে অবন্তী যা জানিয়েছেন, তা সামাজিক মাধ্যমের প্রভাবকে উল্লেখ করেছে।</li></ul>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 05:25:33 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অভিনেতা তারিকুজ্জামান তপন আইসিইউতে, পরিবার আর্থিক সহায়তা চাইছে]]></title>
				<category>অভিনেতা</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/obhineta/article-79437.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অভিনেতা তারিকুজ্জামান তপন আইসিইউতে</h2><p>ছোট পর্দা ও চলচ্চিত্রের পরিচিত মুখ অভিনেতা তারিকুজ্জামান তপন জটিল ব্যাধি ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন। তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে তপনের ফেসবুকে এক পোস্টে এ তথ্য জানান তাঁর ছেলে তাছফিক। তিনি লেখেন, <em>'আমার বাবা কিছু সময় আগে গ্রিন লাইফ হাসপাতালের আইসিইউতে অ্যাডমিট হয়েছে। আপনারা সবাই আমার বাবার জন্য দোয়া করবেন।'</em></p><h3>পরিবারের আকুতি: আর্থিক সহায়তা ও সরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর</h3><p>তাছফিক একই সঙ্গে তাঁর বাবাকে সরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তরের জন্য সহযোগিতা এবং চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে আর্থিক সহায়তার আবেদন জানান। তিনি আরও লেখেন, <em>'আর একটা অনুরোধ রইল, কেউ যদি ওনাকে সরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করার ব্যাপারে সহযোগিতা করতে পারেন, তাহলে প্লিজ জানাবেন। আর আর্থিক সহযোগিতা ছাড়া কিছুই সম্ভব নয়। দয়া করে আপনারা যাঁর যাঁর পর্যায় থেকে যতটুকু পারেন, সহযোগিতা করবেন।'</em></p><h3>ক্যানসারের ইতিহাস ও বর্তমান অবস্থা</h3><p>গত বুধবার সকালে অভিনেতার স্ত্রী সাবিনা হেলেন প্রথম আলোকে জানান, খাদ্যনালির ক্যানসারে আক্রান্ত তপনের শরীরে গত ডিসেম্বরে রোগটি ধরা পড়ে। পরে চিকিৎসকেরা জানান, ক্যানসারটি ইতিমধ্যে চতুর্থ পর্যায়ে পৌঁছেছে। এখন পর্যন্ত তাঁকে তিনটি কেমোথেরাপি দেওয়া হয়েছে। স্বামীর শারীরিক অবস্থার বর্ণনা দিতে গিয়ে সাবিনা হেলেন বলেন, <em>'কিছুই খেতে পারেন না। সারাক্ষণ বমি হয়। সারা দিন শুয়ে থাকেন, শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা।'</em></p><p>চিকিৎসা চালিয়ে যেতে গিয়ে আর্থিকভাবে ভেঙে পড়েছে পরিবার। এর আগে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (পিজি) ভর্তি করানোর চেষ্টা করা হলেও শয্যা না থাকায় তা সম্ভব হয়নি বলে জানান তিনি।</p><h3>তারিকুজ্জামান তপনের কর্মজীবন</h3><p>একসময় ছোট পর্দা ও চলচ্চিত্রে নিয়মিত অভিনয় করেছেন তারিকুজ্জামান তপন। কমেডি চরিত্রে তাঁর স্বতঃস্ফূর্ত অভিনয় দর্শকের কাছে বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়। টেলিভিশন নাটক ও সিনেমা—দুই মাধ্যমেই কাজ করেছেন তিনি।</p><p>তপনের অভিনীত চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে:</p><ul><li>'আলতা বানু'</li><li>'ঠিকানা'</li><li>'যা ছিল অন্ধকারে'</li></ul><p>আর টেলিভিশন নাটকের মধ্যে উল্লেখযোগ্য:</p><ul><li>'জোড়া শালিক'</li><li>'হাতছানি'</li><li>'অল্পে গল্পে'</li><li>'মৃত্তিকার যাত্রা'</li></ul><p>এই কঠিন সময়ে পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করছে তপনের পরিবার।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 06:05:19 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের অবদান: আজকের মুদ্রার বিনিময় হার]]></title>
				<category>প্রবাসী</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/probashi/article-79436.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের ভূমিকা ও আজকের মুদ্রার বিনিময় হার</h2><p>বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের ভূমিকা অপরিসীম। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য দিন দিন সম্প্রসারিত হচ্ছে, যা দেশের আর্থিক প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করছে। দেশের কোটি মানুষ প্রবাসে অবস্থান করছেন এবং তাদের পাঠানো রেমিট্যান্স অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে কাজ করছে।</p><h3>প্রবাসীদের লেনদেনের সুবিধার্থে মুদ্রার বিনিময় হার</h3><p>প্রবাসীদের লেনদেনের সুবিধার্থে, আজকের তারিখে (২৩ এপ্রিল, ২০২৬) মুদ্রার বিনিময় হার তুলে ধরা হলো। এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, যা তাদের আর্থিক লেনদেনকে সহজতর করতে সাহায্য করবে। উল্লেখ্য, যেকোনো সময় মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে, তাই সর্বশেষ তথ্য অনুসরণ করা জরুরি।</p><p>বৈদেশিক মুদ্রার রেট বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য একটি কৌশলগত বিষয়। বিশ্বে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বাংলাদেশিরা নিয়মিতভাবে অর্থ প্রেরণ করে থাকেন, যা দেশের অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়তা করে। এই প্রক্রিয়ায় মুদ্রার বিনিময় হারের গুরুত্ব অত্যাধিক, কারণ এটি প্রবাসীদের আর্থিক সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করে।</p><p>আজকের মুদ্রার বিনিময় হার প্রবাসীদের পাশাপাশি দেশের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের জন্যও প্রাসঙ্গিক। এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও লেনদেনের ক্ষেত্রে একটি নির্দেশিকা হিসেবে কাজ করতে পারে। বাংলাদেশের অর্থনীতির এই দিকটি ক্রমাগত বিবেচনায় রাখা উচিত, যাতে প্রবাসীদের অবদান আরও কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হতে পারে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 05:20:46 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ: আমদানি বৃদ্ধি ও সাশ্রয়ী ব্যবস্থাপনা]]></title>
				<category>জ্বালানি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/jbalani/article-79435.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ: আমদানি বৃদ্ধি ও সাশ্রয়ী ব্যবস্থাপনা</h2><p>মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় ব্যাপক অস্থিরতা তৈরি করেছে। এই প্রেক্ষাপটে আমদানিনির্ভর বাংলাদেশের অর্থনীতি ও দৈনন্দিন জীবনে জ্বালানির চড়া দামের প্রভাব মোকাবিলায় সরকার বড় পরিসরে জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রেখেছে। একই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনায় সাশ্রয়, নিয়ন্ত্রণ এবং বহুমুখী উদ্যোগ জোরদার করা হয়েছে।</p><h3>বিপুল পরিমাণে এলএনজি আমদানি ও সরবরাহ নিশ্চিতকরণ</h3><p>জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার জরুরি ভিত্তিতে বিপুল পরিমাণ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করছে। যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, অ্যাঙ্গোলা, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), কাজাখস্তান ও ওমানসহ বিভিন্ন দেশ থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে জ্বালানি সংগ্রহ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) সূত্র জানিয়েছে, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও অ্যাঙ্গোলা থেকে ২০ কার্গো এলএনজি কেনা হয়েছে। এপ্রিলে ৯টি কার্গো কেনা হয়েছে এবং ৬টি দেশে এসে পৌঁছেছে। মে মাসে আরও ১১টি কার্গো আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে।</p><p>পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. এরফানুল হক বলেন, <em>"গ্যাস নিয়ে কোনো চিন্তা নেই। পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং আমদানিও অব্যাহত রয়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতেও চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।"</em> নতুন উৎস থেকে আমদানি বাড়ানোর মাধ্যমে ভবিষ্যতে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জ্বালানি নির্ভরতা কমানোর চেষ্টা চলছে।</p><h3>কৃষি খাতের অগ্রাধিকার ও চাহিদা নিয়ন্ত্রণ</h3><p>এপ্রিল মাসে কৃষি খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এই সময়ে সেচ কার্যক্রমের কারণে ডিজেলের চাহিদা সর্বোচ্চ থাকে। সরকার ইতোমধ্যে এপ্রিলের চাহিদা পূরণের ব্যবস্থা করেছে এবং কৃষকদের জ্বালানি সংকটে না পড়ার জন্য জেলা প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।</p><p>সরকার আমদানির পাশাপাশি চাহিদা নিয়ন্ত্রণ ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনায়ও গুরুত্ব দিচ্ছে। অফিস সময় কমানো, ব্যাংকিং সময়সীমা সীমিত করা এবং বাজার ও শপিংমল নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত খোলা রাখার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এতে জ্বালানি সাশ্রয়ে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।</p><h3>জ্বালানি তেল আমদানি ও গতিশীল প্রক্রিয়া</h3><p>বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে ১ লাখ টনের বেশি ডিজেল ও অকটেনবাহী তিনটি ট্যাংকার ভিড়েছে। ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে এপ্রিলে ২৫ হাজার মেট্রিক টন পরিশোধিত ডিজেল আমদানি করা হচ্ছে। জ্বালানি তেল আমদানিতে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের সময়সীমা ৪২ দিন থেকে কমিয়ে ১০ দিন করেছে সরকার, যা সংগ্রহ প্রক্রিয়াকে গতিশীল করেছে।</p><h3>নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা</h3><p>সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর গুরুত্ব বাড়িয়েছে। বর্তমানে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ১,৪৪৫.০৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে এই উৎপাদন ১০ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করার লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ইলেকট্রিক বাস চালুর মতো উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি সাশ্রয় ও পরিবেশ সুরক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে।</p><h3>ভিজিলেন্স টিম ও সচেতনতা কার্যক্রম</h3><p>কেউ যাতে তেল মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে, সেজন্য সারাদেশে ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে। জ্বালানি পাম্পগুলোতে সরবরাহ নিশ্চিত করতে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে এবং পাচার রোধে সীমান্ত এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও কোস্ট গার্ডের টহল জোরদার করা হয়েছে। ২১ এপ্রিল পর্যন্ত অভিযানে অবৈধভাবে মজুত করা ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৯৯৩ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে।</p><h3>বিশেষজ্ঞদের মতামত ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা</h3><p>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনারারি অধ্যাপক ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. বদরুল ইমাম সরকারের এসব উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, <em>"এই উদ্যোগগুলোতেই কাজ হওয়া উচিত। আস্তে আস্তে ইতিবাচক ফলাফল আসবে। জ্বালানি ব্যবহারে সকলের সাশ্রয়ী হওয়া উচিত।"</em></p><p>জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, <em>"বাংলাদেশ শুধু মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভরশীল নয়। পরিশোধিত তেল বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। সরকারের বহুমুখী পদক্ষেপের ফলে আগামী দুই থেকে তিন মাস জ্বালানি সরবরাহে সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই।"</em> ২২ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল, ফার্নেস অয়েল ও জেট ফুয়েলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 05:21:13 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[হজযাত্রায় বাংলাদেশ: ২৫ হাজারের বেশি হাজি পৌঁছেছেন সৌদিতে, দুইজনের মৃত্যু]]></title>
				<category>মধ্যপ্রাচ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/moddho-pracho/article-79434.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>হজযাত্রায় বাংলাদেশ: ২৫ হাজারের বেশি হাজি পৌঁছেছেন সৌদিতে, দুইজনের মৃত্যু</h2><p>এ বছর হজ পালনের জন্য বাংলাদেশ থেকে ইতিমধ্যে ২৫,৩৯৬ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। বাংলাদেশ হজ ব্যবস্থাপনা পোর্টালের সর্বশেষ বুলেটিনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। বুলেটিন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এই সংখ্যা নথিভুক্ত হয়েছে।</p><h3>হজযাত্রীদের বিভাজন ও পরিবহন ব্যবস্থা</h3><p>পৌঁছানো হজযাত্রীদের মধ্যে ২,৮৭০ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনে গেছেন। অন্যদিকে, ২২,৫২৬ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। এ পর্যন্ত মোট ৬৩টি ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়েছে হজযাত্রীদের পরিবহনের জন্য।</p><p>বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ২৪টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে, যা দিয়ে ৯,৯৫১ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। সৌদিয়া এয়ারলাইন্স ২৩টি ফ্লাইট পরিচালনা করে ৮,৫৮০ জন হজযাত্রী পরিবহন করেছে। ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ১৬টি ফ্লাইটের মাধ্যমে ৬,৮৬৫ জন হজযাত্রীকে পৌঁছে দিয়েছে।</p><h3>হজযাত্রীদের মৃত্যুর দুঃখজনক খবর</h3><p>বাংলাদেশ হজ ব্যবস্থাপনা পোর্টালের বুলেটিনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, এ বছর সৌদি আরবে বাংলাদেশি হজযাত্রীদের মধ্যে দুজন মৃত্যুবরণ করেছেন। বুধবার মক্কায় এক হজযাত্রীর মৃত্যুর মাধ্যমে এই সংখ্যা দুইতে পৌঁছেছে।</p><p>হজযাত্রীদের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিয়ে কর্তৃপক্ষের কঠোর নজরদারি থাকলেও এই দুর্ঘটনা হজ ব্যবস্থাপনায় আরও সতর্কতা প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে। হজযাত্রীদের পরিবার ও আত্মীয়স্বজনের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে বাংলাদেশ হজ মিশন।</p><p>হজ পালনকারীদের জন্য সৌদি আরবে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা ও চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করে যাচ্ছে। আগামী দিনগুলোতে আরও হজযাত্রীর আগমন ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে, যার জন্য প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 05:25:22 +0000</pubDate>
			</item>
			</channel>
</rss>