<?xml version="1.0" encoding="utf-8"?><rss version="2.00">
	<channel>
		<title>বিডি গেজেট</title>
		<link>https://bdgazette.com</link>
		<language>bn</language>
					<item>
				<title><![CDATA[জামের বিচির গুঁড়া ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কার্যকর]]></title>
				<category>ডায়াবেটিস</category>
				<link>https://bdgazette.com/swasthyo/diabetes/article-128494.html</link>
				<description><![CDATA[<p>আমাদের দেশের খুব জনপ্রিয় একটি ফল জাম। এই সময় আমরা ভর্তা করে, মেখে বা এমনিতেই মুঠো ভরে পাকা জামের মধুর রসে রঙিন করি মুখ। তারপর এর সবচেয়ে পুষ্টিকর অংশটি দিই ফেলে। এর উপকারিতা আর খাওয়ার পদ্ধতি জানলে আপনি আর কখনোই তা করবেন না। প্রাচীনকাল থেকেই কিন্তু আয়ুর্বেদ ও প্রাকৃতিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে জামের বিচি। বিশেষজ্ঞদের মতে জামের বিচির গুঁড়া বিশেষভাবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। সেই সঙ্গে এর আছে বহুবিধ স্বাস্থ্য উপকারিতা। চলুন দেখে নিই এই মৌসুমি ফলের ফেলে দেওয়া অংশটি আমাদের কত উপকার করতে পারে।</p><h2>রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে</h2><p>জামের বিচিতে থাকা জ্যাম্বোলিন ও জ্যাম্বোসিন নামক সক্রিয় উপাদান রক্তে শর্করার শোষণ ধীর করে এবং শরীরে ইনসুলিন নিঃসরণ বাড়াতে সাহায্য করে। জামের বিচির গুড়োয় গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম থাকে, ফলে ধীরে ধীরে রক্তে শর্করা ছাড়ে, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য আদর্শ। গ্লুকোসুরিয়া (প্রস্রাবে অতিরিক্ত চিনি) কমাতেও এটি কার্যকর।</p><h2>শরীরকে ডিটক্স করে</h2><p>জামের বিচির গুঁড়া একটি ডিটক্সিফায়িং উপাদান, যা শরীরের স্বাভাবিক ঘাম ও প্রস্রাবের প্রবাহ বজায় রাখতে সাহায্য করে। এর ফলে শরীর পরিষ্কার ও সতেজ থাকে।</p><h2>হজমশক্তি উন্নত করে</h2><p>জামের বিচির গুঁড়া হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এটি পেটের সমস্যা যেমন গ্যাস, অম্বল ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে কার্যকর।</p><h2>ত্বকের যত্নে</h2><p>জামের বিচির গুঁড়া ত্বকের জন্য উপকারী। এটি ত্বকের প্রদাহ কমায় এবং ব্রণ দূর করতে সাহায্য করে।</p><h2>ব্যবহার পদ্ধতি</h2><p>জামের বিচি ভালোভাবে ধুয়ে রোদে শুকিয়ে নিন। শুকনো বিচি গুঁড়ো করে একটি বায়ুরোধী পাত্রে সংরক্ষণ করুন। প্রতিদিন সকালে এক চা-চামচ গুঁড়ো পানিতে মিশিয়ে খেতে পারেন। তবে ডায়াবেটিস রোগীরা ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।</p>]]></description>
				<pubDate>Wed, 10 Jun 2026 00:18:41 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[আগামী বাজেটে এনবিআরের রাজস্ব লক্ষ্য ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা]]></title>
				<category>ব্যবসা-বাণিজ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/bebsha-banijjo/article-128493.html</link>
				<description><![CDATA[<p>কয়েক বছর ধরে রাজস্ব আদায়ে বড় ঘাটতি থাকায় আগামী বাজেটেও শুল্ক-কর আদায়ে মরিয়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন বাস্তবায়ন ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আকার বাড়ানোর কারণে এনবিআরকে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য দেওয়া হচ্ছে। এই লক্ষ্য অর্জনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে শুল্ক-কর বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের ওপর করের চাপ বাড়াতে পারে।</p><h2>করমুক্ত আয়সীমা বাড়ছে</h2><p>২০২৬-২৭ অর্থবছরে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের বার্ষিক করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে তিন লাখ থেকে বাড়িয়ে পৌনে চার লাখ টাকা করার ঘোষণা দিতে পারেন অর্থমন্ত্রী। পরের দুই বছর তা ৪ লাখ টাকা থাকবে। নারী, ৬৫ বছরের বেশি বয়সী, তৃতীয় লিঙ্গের, প্রতিবন্ধী ও মুক্তিযোদ্ধা করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমাও বাড়বে।</p><h3>রিটার্ন জমা দেওয়ার সময়সীমা</h3><p>আগামী অর্থবছর থেকে বছরজুড়ে রিটার্ন দেওয়া যাবে। বছরের শুরুতে রিটার্ন দিলে করছাড়, দেরিতে দিলে ৫ হাজার টাকা বা প্রদেয় করের ১০ শতাংশ জরিমানা আরোপের বিধান থাকতে পারে।</p><h2>ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক</h2><p>ব্যাংক হিসাব খুলতে কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) বাধ্যতামূলক করা হতে পারে। শিক্ষার্থী, সরকারি ভাতাভোগী ও পেনশন সুবিধাভোগীদের জন্য ছাড় থাকবে। ১৫০ সিসির বেশি ইঞ্জিন ক্ষমতার মোটরসাইকেল নিবন্ধনেও টিআইএন বাধ্যতামূলক হতে পারে।</p><h2>রপ্তানি প্রণোদনায় উৎসে কর কমানো</h2><p>রপ্তানি প্রণোদনার অর্থের ওপর উৎসে কর ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হতে পারে। বিদেশি ঋণের সুদের বিপরীতে উৎসে কর ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব রয়েছে।</p><h3>কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্রিল্যান্সারদের জন্য করমুক্ত আয়</h3><p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্রিল্যান্সারদের আয় করমুক্ত রাখার ঘোষণা আসতে পারে। বিদেশ থেকে আসা আয়কে প্রবাসী আয়ের স্বীকৃতি দেওয়া হলে তারা প্রণোদনা পাবেন।</p><h2>বৈদ্যুতিক গাড়ির কর কমানো</h2><p>বৈদ্যুতিক গাড়ির (ইভি) আমদানিতে শুল্ক-কর কমানোর প্রস্তাব থাকছে। ২৫ হাজার ডলার পর্যন্ত দামের ইভিতে ৬৪ শতাংশ এবং ২৫-৫০ হাজার ডলার পর্যন্ত দামের ইভিতে ৮০ শতাংশ শুল্ক-কর হারের প্রস্তাব করা হতে পারে। নিবন্ধন ও ফিটনেস নবায়নের সময় অগ্রিম করও কমানো হবে।</p><h2>ব্যবসায়ীদের জন্য করছাড়</h2><p>কৃষি ও ভোগ্যপণ্য সরবরাহে উৎসে কর দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব। খুচরা বিক্রেতাদের জন্য অগ্রিম আয়কর দশমিক ২০ শতাংশ হারে আদায়ের উদ্যোগ। সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে আয়কর অব্যাহতি ২০৩৫ সাল পর্যন্ত। নারী উদ্যোক্তাদের টার্নওভার করমুক্ত সীমা ৫০ লাখ থেকে বাড়িয়ে ৭০ লাখ টাকা।</p><h3>দাম কমতে পারে যে পণ্যের</h3><p>পিওএস মেশিনের আমদানি শুল্ক ১০ থেকে ৫ শতাংশ, এসি ও ফ্রিজের ভ্যাট ১৫ থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ, মুঠোফোন উৎপাদনের কাঁচামালে অগ্রিম কর ৫ থেকে ১ শতাংশ, বিদেশি লিপস্টিক ও লোশনের শুল্কায়ন মূল্য কমানোর ফলে দাম কমতে পারে।</p><h3>দাম বাড়তে পারে যে পণ্যের</h3><p>সিগারেটের মূল্যস্তর ১৫ শতাংশ বাড়তে পারে। কাজুবাদামের আমদানি শুল্ক ৫ থেকে ২৫ শতাংশ, রডের ভ্যাট ১৫০ থেকে ৩৫০ টাকা, পাঙাশ মাছের ফিলেটে ২০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক বসতে পারে।</p><h2>রাজস্ব আদায় সন্তোষজনক নয়</h2><p>এনবিআরের শুল্ক-কর আদায়ে ঘাটতি চলছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিলে ৬৯ হাজার ৭৮২ কোটি টাকা ঘাটতি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্যবসা করার প্রক্রিয়া সহজ করলে বিনিয়োগ বাড়বে এবং কর আদায় বাড়বে। রাজস্ব খাত সংস্কার জরুরি।</p>]]></description>
				<pubDate>Wed, 10 Jun 2026 00:33:49 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ম্যায় ওয়াপাস আউংগা ট্রেলার উন্মোচনে নাসিরুদ্দিনের মজার মন্তব্য]]></title>
				<category>সিনেমা</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/cinema/article-128492.html</link>
				<description><![CDATA[<p>মুম্বাইয়ের একটি মাল্টিপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হলো 'ম্যায় ওয়াপাস আউংগা' ছবির ট্রেলার উন্মোচন। তবে শেষ পর্যন্ত নতুন ছবির প্রচারণা ছাড়িয়ে অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে বলিউডের দুই প্রজন্মের শিল্পীদের আন্তরিক সম্পর্কের জমাটি আয়োজন। এতে নাসিরুদ্দিন শাহ অভিনয় নিয়ে নিজের দর্শন তুলে ধরেন। আর শর্বরী বাগ ও বেদাঙ্গ রায়না জানান, আলিয়া ভাটের প্রতি তাঁদের গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার কথা।</p><h2>নাসিরুদ্দিনের রসিকতা ও অভিনয়দর্শন</h2><p>অনুষ্ঠানে ছবিতে কাজ করার অভিজ্ঞতা ও তাঁর চরিত্র সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে নাসিরুদ্দিন শাহ প্রথমে রসিকতার সুরে বলেন, 'আগে ছবিটা দেখুন, তাহলেই সব জানতে পারবেন।' তাঁর এই জবাবে উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে হাসির রোল পড়ে যায়। তবে পরক্ষণেই অভিনয় ও চলচ্চিত্র নির্মাণ নিয়ে নিজের গভীর উপলব্ধির কথা তুলে ধরেন এই বর্ষীয়ান অভিনেতা। নাসিরুদ্দিন বলেন, 'আমার মনে হয়, কোনো অভিনেতার সাফল্যের পুরো কৃতিত্বই নির্ভর করে লেখক ও পরিচালকের ওপর। লেখা যদি ঠিক না হয়, তাহলে পৃথিবীর সেরা অভিনেতাও কিছু করতে পারবেন না।'</p><p>দীর্ঘ অভিনয়জীবনের প্রসঙ্গ টেনে নাসিরুদ্দিন আরও বলেন, 'অনেক ছবিতে আমি খুব খারাপ অভিনয় করেছি। এতটাই খারাপ যে আমার ছেলে মাঝরাতে ইউটিউবে সেই ছবিগুলো দেখে আমাকে ঘুম থেকে ডেকে বলে, “পাপা, আপনার একটা ছবি চলছে।” তখন এমন একটা ভাব করি যে শুনিনি, ঘুমাচ্ছি। ঘুমের অভিনয় চালিয়ে যাই!'</p><h2>ইমতিয়াজ আলীর প্রশংসা</h2><p>পরিচালক ইমতিয়াজ আলীর প্রশংসা করতেও ভোলেননি নাসিরুদ্দিন, 'ইমতিয়াজ অসাধারণ চিত্রনাট্য, সুন্দর সংলাপ ও প্রভাবশালী দৃশ্য লিখেছেন। তিনি সেই বিরল পরিচালকদের একজন, যিনি অভিনেতাদের কাছ থেকে সেরাটা বের করে আনতে বারবার রিটেক নেন এবং অত্যন্ত ভালোবাসা দিয়ে কাজ করান।'</p><h2>আলিয়া ভাটকে নিয়ে শর্বরী ও বেদাঙ্গের মন্তব্য</h2><p>অনুষ্ঠানের আরেকটি আলোচিত বিষয় ছিল আলিয়া ভাটকে ঘিরে শর্বরী ও বেদাঙ্গের মন্তব্য। সম্প্রতি আলিয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে 'ম্যায় ওয়াপাস আউংগা' ছবির গান 'মাসকারা' শেয়ার করে পুরো টিমকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন। সেই প্রসঙ্গ উঠতেই শর্বরী বলেন, 'আমার মনে হয়, ও এটা নিছক ভালোবাসা থেকেই করেছে। আমাদের সবার প্রতি, এমনকি ইমতিয়াজ স্যারের প্রতিও ওর যে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা, সেখান থেকেই এই পোস্ট। আলিয়া এমনিতে হিসেবি মানুষ নয়। ওর সত্যিই গানটা ভালো লেগেছিল।'</p><p>শর্বরী আরও বলেন, 'আমি নিশ্চিত, কান চলচ্চিত্র উৎসবে ও ভীষণ ব্যস্ত ছিল। তারপরও আমাদের জন্য সময় বের করে বড় মনের পরিচয় দিয়েছে। আমাদের জীবনে এমন একজন “চিয়ারলিডার” আছে বলে আমরা কৃতজ্ঞ। আলিয়ার সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা আমার অসাধারণ ছিল। ভবিষ্যতে আরও অনেক কিছু দেখানোর জন্য আমি মুখিয়ে আছি।'</p><p>অনুষ্ঠানে 'জিগরা' ছবিতে আলিয়ার সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা জানান বেদাঙ্গ রায়না, 'এটা কিন্তু প্রথমবার নয় যে ও এমন কিছু করল। শুটিংয়ের প্রথম দিন আমি খুব নার্ভাস ছিলাম। একজন নতুন অভিনেতা হিসেবে আলিয়ার মতো অভিনেত্রীর সঙ্গে দৃশ্য করতে হবে, এটা ভাবাই চাপের ছিল। কিন্তু ও নিশ্চিত করেছিল, আমি যেন স্বস্তিতে থাকি। বারবার খোঁজ নিয়েছে, পাশে থেকেছে। আমাকে আপন করে নিয়েছে।'</p><p>বেদাঙ্গ আরও বলেন, 'শর্বরীর সঙ্গে যখনই আলিয়াকে নিয়ে কথা বলি, ওর অভিজ্ঞতাও প্রায় একই রকম। তখনই বোঝা যায়, আলিয়া আসলে কেমন মানুষ। ও নিছক ভালোবাসা থেকেই এটা করেছে। নিশ্চয়ই গানটা ওর ভালো লেগেছে, তাই পোস্ট করেছে। আর সে কারণেই আমরা ওকে এত ভালোবাসি।'</p><p>একপর্যায়ে শর্বরী হেসে বলেন, 'মূলকথা হলো, আমরা দুজনই আলিয়া–পাগলু।' বলে নেওয়া ভালো, শর্বরীকে আগামী দিনে আলিয়া ভাটের সঙ্গে 'আলফা' ছবিতে দেখা যাবে। ছবিটি প্রযোজনা করছে যশরাজ ফিল্মস। অন্যদিকে 'জিগরা' ছবিতে অভিনয়ের জন্য এখনো প্রশংসা পাচ্ছেন বেদাঙ্গ রায়না।</p><p>প্রেম, স্মৃতি, অপেক্ষা ও অপূর্ণ ভালোবাসার গল্পে বানানো 'ম্যায় ওয়াপাস আউংগা' মুক্তি পাচ্ছে ১২ জুন।</p>]]></description>
				<pubDate>Wed, 10 Jun 2026 00:33:16 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পাঁচ মাছের সন্ধানে]]></title>
				<category>খাদ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/jibonjapon/khaddo/article-128491.html</link>
				<description><![CDATA[<p>হাঙর নড়াচড়া করতে না পারলে শ্বাস নিতে পারে না। সূত্র: ব্রিটানিকা। পৃথিবীর বেশির ভাগ জায়গাজুড়ে রয়েছে বিশাল সাগর আর নদীনালা। আর সেখানে থাকে এমন কিছু বিশাল আকৃতির মাছ, যাদের আকার দেখলে যে কেউ চমকে যাবে। মাঝে মাঝেই জেলেদের জালে কিংবা শিকারিদের বড়শিতে এমন সব বিশালাকার মাছ ধরা পড়ে, যেগুলো ওজনে ও আকারে এক একটা দানবের মতো।</p><h2>রেকর্ডের খাতা</h2><p>১৯৩৯ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে বড়শিতে ধরা পড়া বড় বড় মাছের অফিশিয়াল রেকর্ড রাখছে ইন্টারন্যাশনাল গেম ফিশ অ্যাসোসিয়েশন (আইজিএফএ)। সংস্থাটি মূলত দুইভাবে রেকর্ড বুক তৈরি করে। একটি হলো মাছের দৈর্ঘ্য মেপে সেটিকে আবার জীবিত অবস্থায় পানিতে ছেড়ে দেওয়া হয়। আর অন্যটি হলো ছিপ দিয়ে ধরা ইতিহাসের সবচেয়ে ভারী মাছের জন্য। তবে এই রেকর্ডের জন্য মাছটিকে দাঁড়িপাল্লায় ওজন করতে গিয়ে অনেক সময়ই মেরে ফেলতে হয়।</p><p>আজকাল অনেক মৎস্যশিকারি রেকর্ড বইয়ে নাম লেখানোর জন্য একটা বিশালাকার মাছকে মেরে ফেলার চেয়ে সেটিকে বাঁচিয়ে রাখতেই বেশি পছন্দ করেন। ২০২২ সালে দক্ষিণ ক্যারোলাইনার উপকূলে ক্যাপ্টেন চিপ মাইকেলভ একটি বিশাল হ্যামারহেড হাঙর ধরেছিলেন। মাছটি ওজনে আগের সব বিশ্ব রেকর্ড খুব সহজেই ভেঙে দিত। কিন্তু হাঙরটিকে বাঁচানোর জন্য চিপ কোনো রেকর্ডের তোয়াক্কা না করে সেটিকে আবার সাগরে ছেড়ে দেন।</p><p>গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস ও আন্তর্জাতিক মৎস্যশিকারি সংস্থার রেকর্ড ঘেঁটে আজ আমরা জানব ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পাঁচ মাছের কথা।</p><h2>১. সবচেয়ে বড় স্টারজন</h2><p>১৯৮৩ সালে ক্যালিফোর্নিয়ায় ধরা পড়ে সবচেয়ে বড় সাদা স্টারজন। ওজনে প্রায় ২১২ কেজি। রেকর্ডটি আজও কেউ ভাঙতে পারেনি। প্রায় ২০ কোটি বছর ধরে পৃথিবীতে টিকে থাকা ডাইনোসর যুগের মাছ এরা। তবে এদের ডিম দিয়ে তৈরি দামি খাবার ক্যাভিয়ার এর জন্য অতিরিক্ত শিকার করায় মাছটি এখন বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে।</p><h2>২. ৭১ বছরের পুরোনো দানবীয় অ্যালিগেটর গার</h2><p>ইতিহাসে নথিভুক্ত সবচেয়ে বড় অ্যালিগেটর গার মাছটির ওজন ছিল ৩২৭ পাউন্ড। ৮ ফুট ৫ ইঞ্চি লম্বা এই দানবীয় মাছ ২০১১ সালে মিসিসিপির লেক চোটার্ডে ধরা পড়ে। জেলে কেনি উইলিয়ামস অন্য মাছ ধরার জন্য জাল পাতলে আচমকা এই বিশাল মাছটি তাতে আটকে যায়। প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় গার মাছটিকে জাল থেকে মুক্ত করে নিজের নৌকায় তোলেন। মাছটি উদ্ধারের সময় থেকেই বেশ দুর্বল ছিল এবং দ্রুতই মারা যায়। পরে উইলিয়ামস মাছটিকে মিসিসিপি মিউজিয়াম অব ন্যাচারাল সায়েন্সে দান করে দেন। বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করে জানান, দানবীয় এই মাছটির বয়স ছিল ৭০ থেকে ৯৫ বছরের মধ্যে।</p><h2>৩. দানবীয় স্যামন</h2><p>কিং স্যামন হলো বিশ্বের স্যামন গোত্রের মধ্যে আকারে সবচেয়ে বড়। স্টারজন মাছের মতো এরাও নদীতে জন্মায়, তারপর বড় হওয়ার জন্য সমুদ্রে চলে যায় এবং ডিম পাড়ার সময়ে আবার নদীতে ফিরে আসে। দুঃখের বিষয় হলো, অতিরিক্ত শিকার ও পরিবেশের কারণে এই দারুণ প্রজাতির মাছের সংখ্যা দিন দিন কমছে এবং এদের বিলুপ্তপ্রায় হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত বড়শিতে ধরা পড়া সবচেয়ে ভারী কিং স্যামনের বিশ্ব রেকর্ডটি হয়েছিল আলাস্কার কেনাই নদীতে। মৎস্যশিকারি লেস অ্যান্ডারসন একটি বিশেষ কৃত্রিম টোপ ব্যবহার করে প্রায় ৪৪ কেজি ওজনের এই বিশাল স্যামন মাছটি ধরে রেকর্ড বইয়ে নাম লেখান।</p><h2>৪. সবচেয়ে বড় ক্যাটফিশ</h2><p>ইতালির দীর্ঘতম নদী পো–এর ঘোলা পানিতে বাস করে এক বিশাল আকৃতির গোঁফওয়ালা ক্যাটফিশ। ২০২৩ সালে এই নদীতেই আলেসান্দ্রো বিয়ানকার্ডি নামের একজন ইতালীয় মৎস্যশিকারি ৯.৪ ফুট লম্বা এক বিশালাকার ওয়েলস ক্যাটফিশ ধরেন। এই বিশাল ক্যাটফিশ আগের সব বিশ্ব রেকর্ড ভেঙে দেয়।</p><h2>৫. লেক ট্রাউট</h2><p>উত্তর আমেরিকার মৎস্যশিকারিদের কাছে ট্রাউট মাছ ধরা খুবই জনপ্রিয়। কাটথ্রোট, রেইনবো বা ইউরোপীয় ব্রাউন ট্রাউটের মতো এক ডজনের বেশি প্রজাতির ট্রাউট পাওয়া যায়। তবে সব প্রজাতির মধ্যে আকারে সবচেয়ে বড় হয় লেক ট্রাউট। বিশালাকার এই মাছগুলো কানাডা, আলাস্কা ও গ্রেট লেকস এলাকায় প্রচুর পরিমাণে দেখা যায়। আইজিএফএ–এর অফিশিয়াল রেকর্ড অনুযায়ী, বড়শিতে ধরা পড়া ইতিহাসের সবচেয়ে ভারী লেক ট্রাউটের ওজন ছিল প্রায় ৩২.৬ কেজি। দানবীয় মাছটি কানাডার নর্থওয়েস্ট টেরিটরিতে ধরা পড়েছিল।</p><p>সূত্র: আউট ডোর লাইফ, ফিশিং বুকার</p>]]></description>
				<pubDate>Wed, 10 Jun 2026 00:12:51 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বাংলাদেশের ক্রিকেটে নতুন রেকর্ড: তামিমের সেঞ্চুরি]]></title>
				<category>ক্রিকেট</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/cricket/article-128490.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছেন তামিম ইকবাল। তিনি তার ক্যারিয়ারের ১৫তম সেঞ্চুরি করে দেশের হয়ে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েছেন। এই কীর্তি অর্জনের মাধ্যমে তিনি সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমকে ছাড়িয়ে গেছেন।</p><h2>ম্যাচের বিবরণ</h2><p>বুধবার মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে তামিম ইকবাল ১০২ রানের ইনিংস খেলেন। তার এই ইনিংসটি ছিল অত্যন্ত কার্যকরী, যাতে তিনি ১১টি চার ও ২টি ছক্কা হাঁকান। তার ব্যাটিংয়ের ফলে বাংলাদেশ নির্ধারিত ওভারে ২৯০ রান সংগ্রহ করে।</p><h3>প্রতিক্রিয়া</h3><p>ম্যাচ শেষে তামিম ইকবাল সাংবাদিকদের বলেন, “এই রেকর্ডটি আমার জন্য খুবই বিশেষ। আমি দলের জয়ের জন্য অবদান রাখতে পেরে খুশি।” বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন তামিমকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “তামিম বাংলাদেশের ক্রিকেটের গর্ব।”</p><p>অন্যদিকে, ক্রিকেট বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তামিমের এই ধারাবাহিকতা বিশ্বকাপের আগে দলের জন্য ইতিবাচক সংকেত।</p><h2>রেকর্ডের গুরুত্ব</h2><p>তামিম ইকবালের ১৫তম সেঞ্চুরি বাংলাদেশের ক্রিকেটে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। এই রেকর্ডটি তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Wed, 10 Jun 2026 00:14:30 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[জবির আইইআরে তীব্র সেশনজট, ৩০০ শিক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক মাত্র ৫]]></title>
				<category>কারিগরি শিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/karigori-shikkha/article-128489.html</link>
				<description><![CDATA[<p>জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ইনস্টিটিউট অব এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ (আইইআর) তীব্র সেশনজট ও শিক্ষক সংকটে চরম অচলাবস্থার মুখে পড়েছে। প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থীর বিপরীতে স্থায়ী শিক্ষক রয়েছেন মাত্র পাঁচজন। এতে ক্লাস, পরীক্ষা ও ফল প্রকাশে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হয়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন অনিশ্চয়তায় পড়েছে।</p><h2>শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ</h2><p>বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগ যেখানে করোনা-পরবর্তী ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ক্লাস-পরীক্ষা দ্রুত শেষ করছে, সেখানে আইইআরের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বিপরীত। পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকা, পরীক্ষার রুটিন প্রকাশে দীর্ঘসূত্রতা, খাতা মূল্যায়নে বিলম্ব এবং ফল প্রকাশে ৬ থেকে ৭ মাস দেরির কারণে শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।</p><p>খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ইনস্টিটিউটের ১৬ থেকে ২০ ব্যাচ পর্যন্ত প্রতিটি ব্যাচই বর্তমানে তীব্র সেশনজটের মধ্যে রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগের ১৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা যেখানে মাস্টার্স শেষ পর্যায়ে, সেখানে আইইআরের ওই ব্যাচের এখনো অনার্স চতুর্থ বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টার (৪–২) শেষ হয়নি। মিডটার্ম পরীক্ষা শেষ হলেও চূড়ান্ত পরীক্ষার রুটিন নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। এতে শিক্ষার্থীদের চাকরির বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন থেকে বঞ্চিত হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।</p><p>১৭ ব্যাচের ৩–২ সেমিস্টারের মিডটার্ম ১ এপ্রিল শেষ হলেও মে মাস পেরিয়ে গেলেও চূড়ান্ত পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করা হয়নি। ১৮ ব্যাচের পূর্ববর্তী সেমিস্টারের ফল এখনো ঝুলে আছে। ১৯ ব্যাচের ২–১ সেমিস্টারের ক্লাস ও মিডটার্ম শেষ হলেও ফাইনাল পরীক্ষার জন্য দীর্ঘ অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। সাধারণ নিয়মে একটি সেমিস্টার ছয় মাসে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখানে ৮–৯ মাস পর্যন্ত সময় লাগছে।</p><h2>শিক্ষক সংকট ও দাবি</h2><p>শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ৩০০ শিক্ষার্থীর বিপরীতে ইনস্টিটিউটে স্থায়ী শিক্ষক মাত্র পাঁচজন। এই সংকট নিরসনে শুরু থেকেই গেস্ট টিচার বা খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানানো হলেও কার্যকর সমাধান মেলেনি। সম্প্রতি নতুন পরিচালক দায়িত্ব নেওয়ার পরও পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি বলে অভিযোগ তাদের।</p><p>নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, তারা বেশিরভাগই মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। দ্রুত পড়ালেখা শেষ করে চাকরিতে প্রবেশ করা তাদের জন্য জরুরি। কিন্তু চার বছরের কোর্স ছয় বছরেও শেষ না হওয়ার আশঙ্কা তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন ও ভাইভায় ভিন্ন মত প্রকাশ করলে শিক্ষকদের বিরূপ আচরণের শঙ্কাও থাকে।</p><p>শিক্ষার্থীরা দ্রুত স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগ, অন্তর্বর্তী সময়ে গেস্ট টিচারের মাধ্যমে ক্লাস সচল রাখা, পরীক্ষা শেষের এক মাসের মধ্যে ফল প্রকাশ এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেমিস্টার শেষ করার দাবি জানিয়েছেন।</p><h2>পরিচালকের বক্তব্য</h2><p>আইইআরের বর্তমান সংকট ও সেশনজটের বিষয়ে জানতে চাইলে ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আজম খান বলেন, শিক্ষক সংকটই মূল সমস্যা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইইআরে যেখানে ৪০ থেকে ৫০ জন শিক্ষক আছেন, সেখানে এখানে মাত্র পাঁচজন। এই অল্প কয়েকজন শিক্ষক দিয়ে পাঁচটি ব্যাচের ২৫ থেকে ২৭টি কোর্স চালানো হচ্ছে। এতে শিক্ষকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ছে এবং সময়মতো ক্লাস-পরীক্ষা নেওয়া কঠিন হয়ে যাচ্ছে।</p><p>তিনি আরও বলেন, ইউজিসি ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের জটিলতার কারণে নতুন পদ সৃষ্টি সম্ভব হচ্ছে না। বাইরে থেকে খণ্ডকালীন শিক্ষক আনার চেষ্টা করা হলেও দূরত্বের কারণে নিয়মিত ক্লাস নেওয়া কঠিন হচ্ছে। ফলে বিদ্যমান শিক্ষকদের ওপর কাজের চাপ বাড়ছে। তাঁর মতে, দ্রুত নতুন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া গেলে এই সংকটের প্রায় ৯০ শতাংশ সমাধান সম্ভব।</p><h2>উপাচার্যের আশ্বাস</h2><p>এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রইচ উদ্দিন বলেন, আইইআরের শিক্ষক সংকট ও সেশনজট বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অবগত। শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কোনোভাবেই কাম্য নয়। ইউজিসির সঙ্গে আলোচনা করে নতুন শিক্ষক পদ সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি আপদকালীন ব্যবস্থা হিসেবে খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগ ও বিশেষ একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়নের বিষয়েও কাজ চলছে। তিনি শিক্ষার্থীদের সেশনজট কমিয়ে আনার আশ্বাস দেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Wed, 10 Jun 2026 00:06:47 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[পল্লবীতে পাঁচ বছরের শিশু নিখোঁজ, বাড়িওয়ালার ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ]]></title>
				<category>মানবাধিকার</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/manbadhikar/article-128488.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ঢাকার পল্লবীতে রামিসা হত্যার পর এবার একই এলাকা থেকে পাঁচ বছর বয়সি শিশু ইব্রাহিম নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৬ জুন) পল্লবী থানায় এ বিষয়ে মামলা হয়েছে। শিশুটির পরিবার বাড়িওয়ালার ছেলের বিরুদ্ধে অপহরণের অভিযোগ এনেছে। তবে পুলিশ বলছে, এখনো কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।</p><h2>ঘটনার বিবরণ</h2><p>ইব্রাহিমের বাবা ফুসকা বিক্রেতা। তিন সন্তানের মধ্যে ইব্রাহিম সবার ছোট। প্রতিদিনের মতো ঘটনার দিনও বাসার সামনে খেলছিল সে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, সন্ধ্যা ৭টা ২১ মিনিটে হঠাৎ তাকে বাসার ভেতরে প্রবেশ করতে দেখা যায়। তার পেছনে পেছনে এক ব্যক্তিও ভেতরে যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই ইব্রাহিমের চিত্কার শোনা যায়। এর কয়েক মিনিট পর ওই ব্যক্তিকে তড়িঘড়ি করে বের হতে দেখা যায়। কিন্তু ইব্রাহিমের আর কোনো সন্ধান মেলেনি।</p><h2>পরিবারের অভিযোগ</h2><p>ইব্রাহিমের পরিবার দীর্ঘ ১০ বছর ধরে ওই এলাকায় বসবাস করছে। এলাকাবাসীর সঙ্গে তাদের কোনো ঝগড়া বা মনোমালিন্য নেই। তবে তাদের অভিযোগ, বাড়িওয়ালার দুই ছেলে মাদকাসক্ত এবং অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত। তারা পরিকল্পিতভাবে এই অপহরণ ঘটিয়েছে বলে সন্দেহ। ইব্রাহিমের বাবা বলেন, 'আমরা এখানে ১০ বছর ধরে আছি। কারো সঙ্গে শত্রুতা নেই। বাড়িওয়ালার দুই ছেলে নেশা আর অনলাইন জুয়া খেলেন। টাকার জন্যই তারা আমার সন্তানকে আটকে রেখেছে।'</p><h2>পুলিশের বক্তব্য</h2><p>পল্লবী থানার পরির্দশক (তদন্ত) মো. এমদাদুল হক বলেন, 'আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে মামলাটি তদন্ত করছি। তবে পরিবার আমাদের কাছে বাড়িওয়ালার ছেলেদের বিষয়ে কোনো অভিযোগ করেনি। এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।'</p><h2>রহস্যের জাল</h2><p>শিশুটির বাড়ি রামিসার ভবন থেকে মাত্র তিন গলি দূরে। বাড়ির ছাদে সবাইকে যেতে দেওয়া হয় না। ঘটনার সময় ছাদটি তালাবদ্ধ ছিল এবং চাবি বাড়ির মালিকের কাছে থাকে। এত অল্প সময়ে শিশুটি কোথায় উধাও হলো, তা নিয়ে রহস্য তৈরি হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Wed, 10 Jun 2026 00:47:22 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা, যশোরে মৃদু তাপপ্রবাহ]]></title>
				<category>কৃষি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/krishi/article-128487.html</link>
				<description><![CDATA[<p>দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে খুলনা বিভাগের যশোরে মৃদু তাপপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।</p><h2>বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস</h2><p>আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিকের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক স্থানে এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণও হতে পারে।</p><h2>তাপমাত্রা ও মৌসুমি বায়ু</h2><p>এ সময় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থায় বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ইতোমধ্যে বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগ পর্যন্ত অগ্রসর হয়েছে। আগামী দুই–তিন দিনের মধ্যে এটি দেশের বাকি অংশে বিস্তার লাভের অনুকূল পরিবেশে রয়েছে।</p><h3>যশোরে তাপপ্রবাহ</h3><p>এদিকে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার আগ পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশের একমাত্র জেলা হিসেবে যশোরের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে ৩৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অধিদফতরের মতে, ৩৬ থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা পর্যন্ত মৃদু তাপপ্রবাহ। একইভাবে ৩৮ থেকে ৩৯ দশমিক ৯ পর্যন্ত মাঝারি, ৪০ থেকে ৪১ দশমিক ৯ পর্যন্ত তীব্র এবং ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রাকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ ধরা হয়।</p><h3>আগামী পাঁচ দিনের পূর্বাভাস</h3><p>আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। এ সময়ে কখনও কিছু কিছু এলাকায়, আবার কখনও অনেক জায়গায় বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দিনের তাপমাত্রা কখনও সামান্য কমবে, কখনও প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।</p>]]></description>
				<pubDate>Wed, 10 Jun 2026 00:43:59 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ট্রাম্পের সাবেক আইনজীবী ব্লাঞ্চ অ্যাটর্নি জেনারেল মনোনীত]]></title>
				<category>আইন বিভাগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/ain-bibhag/article-128486.html</link>
				<description><![CDATA[<p>মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সাবেক ব্যক্তিগত আইনজীবী ও সহকারী টড ব্লাঞ্চকে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছেন। তিনি এর আগে ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ব্ল্যাঞ্চের এই মনোনয়ন নিশ্চিত হওয়ার জন্য এখন সিনেটে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে তাকে।</p><h2>আইনি বাধ্যবাধকতা ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট</h2><p>ফেডারেল আইন অনুযায়ী, অন্তর্বর্তীকালীন কোনো দায়িত্বের মেয়াদ সাধারণত ২১০ দিন পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। গত এপ্রিল মাসে পাম বন্ডি পদত্যাগ করার পর থেকে ব্ল্যাঞ্চ ৬৭ দিন এই পদে আসীন রয়েছেন। ফলে আইনি বাধ্যবাধকতা এড়াতে ও নিজের অনুগত প্রার্থীকে স্থায়ী পদে বসাতে ট্রাম্প এই পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। ব্ল্যাঞ্চের এই মনোনয়ন নিয়ে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে।</p><h3>বিতর্কিত ভূমিকা ও সমালোচনা</h3><p>গত বছরে মার্চে ৫২-৪৬ ভোটে তিনি ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিশ্চিত হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট উভয় শিবিরের মধ্যেই তার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে সংশয় রয়েছে। বিশেষ করে জেফ্রি এপস্টেইন মামলা পরিচালনা, অভ্যন্তরীণ রাজস্ব পরিষেবার (আইআরএস) সাথে বিতর্কিত নিষ্পত্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে তার ভূমিকা কঠোর সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। এছাড়া সাবেক এফবিআই পরিচালক জেমস কোমির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের এবং ৬ জানুয়ারির ক্যাপিটল দাঙ্গায় জড়িতদের বিষয়ে তার অস্পষ্ট অবস্থান তাকে বিতর্কিত করে তুলেছে।</p><h2>ট্রাম্পের আইনি লড়াইয়ে সহায়ক</h2><p>ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ বলয়ের সদস্য হিসেবে পরিচিত ব্ল্যাঞ্চ এর আগেও ট্রাম্পের বিভিন্ন আইনি লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। বিশেষ করে স্টর্মি ড্যানিয়েলস সংক্রান্ত মামলায় যখন ট্রাম্প প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দোষী সাব্যস্ত হন, তখন তার আইনি পরামর্শক দলের অংশ ছিলেন ব্ল্যাঞ্চ। বর্তমান দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ন করেছেন বলে অভিযোগ ডেমোক্র্যাট নেতাদের। -সিএনএন</p>]]></description>
				<pubDate>Wed, 10 Jun 2026 00:07:57 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[২০২৮ সাল থেকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে নতুন শিক্ষাক্রমে চার বিষয় যুক্ত]]></title>
				<category>উচ্চশিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/uccho-shikkha/article-128485.html</link>
				<description><![CDATA[<p>২০২৮ সাল থেকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে নতুন শিক্ষাক্রম চালুর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে চারটি নতুন বিষয় যুক্ত করতে যাচ্ছে সরকার। এগুলো হলো—আনন্দময় শিক্ষা, খেলাধুলা, সংস্কৃতি এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা। সোমবার (৮ জুন) সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ তথ্য জানান।</p><h2>খেলাধুলা ও সংস্কৃতি বাধ্যতামূলক</h2><p>ঘোষণা অনুযায়ী, চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা ও সংস্কৃতি বাধ্যতামূলক করা হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানিয়েছেন, বর্তমানে বিভিন্ন স্কুলে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম থাকলেও সেগুলো শিক্ষাক্রমের অংশ নয়। নতুন পরিকল্পনায় এসব কার্যক্রমকে পাঠ্যসূচির আওতায় আনা হবে। প্রাথমিকভাবে ফুটবল ও দাবা দিয়ে শুরু করার কথা জানানো হয়েছে; ক্রিকেটও অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য খেলাও যোগ করা হবে।</p><p>সংস্কৃতি বিষয়টিকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে—পারফরমেটিভ ও এক্সপ্রেসিভ। পারফরমেটিভ অংশে গান, নাচ, আবৃত্তি, বিতর্ক, বক্তৃতা ইত্যাদি পরিবেশনভিত্তিক কার্যক্রম থাকবে। এক্সপ্রেসিভ অংশে চিত্রাঙ্কন, সাহিত্যচর্চাসহ সৃজনশীল প্রকাশকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। শিক্ষার্থীরা আগ্রহ অনুযায়ী ক্ষেত্র বেছে নিতে পারবে।</p><h2>কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা</h2><p>ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন জানান, কারিগরি শিক্ষাকে মূলধারায় আনাই লক্ষ্য। প্রতিটি স্কুলে ধীরে ধীরে কারিগরি ল্যাব স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তার মতে, সব শিক্ষার্থীর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়মুখী শিক্ষা একমাত্র পথ নয়। স্কুল পর্যায়েই কারিগরি দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি হলে কর্মসংস্থান ও স্বাবলম্বিতা বাড়বে।</p><h3>আনন্দময় শিক্ষা বা লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস</h3><p>ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে যুক্ত হতে যাওয়া 'আনন্দময় শিক্ষা' বিষয়টি কেবল একটি পাঠ্যবিষয় নয়, বরং পুরো শিক্ষাব্যবস্থার নীতিগত কাঠামোর অংশ হিসেবে বিবেচিত হবে বলে জানিয়েছেন মাহ্দী আমিন। তিনি বলেন, এ বিষয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, পারিবারিক মূল্যবোধ, সামাজিক আচরণ, দায়িত্ববোধ ও মানবাধিকার সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হবে। পাশাপাশি বাস্তবভিত্তিক কার্যক্রমের মাধ্যমে এসব মূল্যবোধ চর্চার সুযোগ থাকবে। যেমন—বৃক্ষরোপণ, বিভিন্ন জাতীয় দিবসের তাৎপর্য অনুধাবন ইত্যাদি।</p><h2>বাস্তবায়ন পরিকল্পনা</h2><p>২০২৭ শিক্ষাবর্ষে কিছু বিষয় পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হবে। পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ২০২৮ সালের পূর্ণাঙ্গ শিক্ষাক্রম চূড়ান্ত করা হবে। সব শ্রেণিতে একযোগে নাকি ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন হবে, তা এখনো নির্ধারিত হয়নি। নতুন বিষয়গুলো চালুর জন্য বিপুলসংখ্যক প্রশিক্ষিত শিক্ষক প্রয়োজন হবে। এ লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে ক্রীড়া শিক্ষক নিয়োগ এবং সংস্কৃতি শিক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। 'লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস' বিষয়ে পাঠদানের জন্য আলাদা নির্দেশিকা তৈরি ও ধাপে ধাপে শিক্ষক প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা রয়েছে।</p><p>নতুন যুক্ত হওয়া বিষয়গুলোতে গ্রেড বা জিপিএ থাকবে না। শিক্ষার্থীদের পাস বা ফেল ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 23:09:57 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[নেইমারের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হতে পারে প্রথম ম্যাচেই]]></title>
				<category>ফুটবল</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/football/article-128484.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ইনজুরি কাটিয়ে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ অভিযানের প্রথম ম্যাচেই মাঠে নামতে পারেন নেইমার জুনিয়র। ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম গ্লোবোএসপোর্তের এক প্রতিবেদনে এমন সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, দলের প্রথম ম্যাচে তার খেলার সম্ভাবনা জোরালো হয়েছে।</p><h2>শারীরিক পরীক্ষায় উন্নতির লক্ষণ</h2><p>সোমবার (৮ জুন) নেইমারের এমআরআইসহ কয়েকটি শারীরিক পরীক্ষা করা হয়। ফলাফল পর্যালোচনা করে জাতীয় দলের মেডিকেল টিম জানিয়েছে, তার পুনর্বাসন প্রক্রিয়া পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোচ্ছে এবং উন্নতির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। গ্লোবোএসপোর্তের এক সাংবাদিক জানান, নেইমার এখনো কোচিং স্টাফের নির্ধারিত পুনর্বাসন সূচি অনুসরণ করছেন। চিকিৎসা, ফিজিওথেরাপি এবং আলাদা শারীরিক অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।</p><h3>প্রথম ম্যাচে ফেরার সম্ভাবনা</h3><p>যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯ জুন হাইতির বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচকে সামনে রেখে তাকে পুরোপুরি প্রস্তুত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, তবু ১৪ জুন মরক্কোর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেই তার অংশগ্রহণের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। দ্রুত দলে ফেরার ব্যাপারে আশাবাদী সংশ্লিষ্টরা।</p><p>যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে প্রস্তুতি ক্যাম্প করছে ব্রাজিল দল। সেখানে নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে নেইমারকে। ব্রাজিলিয়ান ফুটবল ফেডারেশন জানিয়েছে, তার শারীরিক অবস্থা প্রত্যাশিত মানদণ্ডের মধ্যেই রয়েছে এবং নির্ধারিত পুনর্বাসন কর্মসূচি অনুসরণ করা হবে।</p><h3>সমর্থকদের আগ্রহ ও বিশ্বকাপ মিশন</h3><p>দীর্ঘদিন চোটের কারণে মাঠের বাইরে থাকা এই ফরোয়ার্ডকে ঘিরে সমর্থকদের আগ্রহ রয়েছে। মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টায় বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে ব্রাজিল। গ্রুপ পর্বে তাদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ হাইতি ও স্কটল্যান্ড।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 23:07:53 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বালুমহল আধিপত্য নিয়ে গুলিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ কর্মী নিহত]]></title>
				<category>দুর্নীতি দমন</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/durniti-domon/article-128483.html</link>
				<description><![CDATA[<p>নাটোর, রাজশাহী ও কুষ্টিয়ার সীমান্তবর্তী পদ্মা নদীর চর এলাকায় বালুমহলের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে আজিজুল হক ওরফে ঝড়ু মাস্তান (৩২) নামে এক নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ কর্মী নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকালে লালপুর উপজেলার চরজাজিরা এলাকায় পদ্মা নদীর কিনারার একটি স্পিডবোটের ভেতর থেকে তার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।</p><h2>নিহতের পরিচয়</h2><p>নিহত আজিজুল হক ওরফে ঝড়ু মাস্তান নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার দয়ারামপুর ইউনিয়নের পাবনাপাড়া গ্রামের আব্দুল শেখ ও হাসিনা বেগমের ছেলে। আওয়ামী লীগের পতনের আগ পর্যন্ত তিনি নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী হিসেবে এলাকায় বহুল পরিচিত ছিলেন।</p><h2>ঘটনার বিবরণ</h2><p>পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে ভোর ৬টার মধ্যে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থানা ও রাজশাহীর বাঘা থানার সীমান্তবর্তী হবিরচর এলাকায় বালুমহলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বেলাল গ্রুপ ও কাকন গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই সংঘর্ষে ঝড়ু মাস্তান গুলিবিদ্ধ হন। এরপর কে বা কারা তাকে একটি স্পিডবোটে করে মঙ্গলবার বিকালে লালপুর থানার চরজাজিরা মৌজার পদ্মা নদীর কিনারায় রেখে যায়, তা জানা যায়নি।</p><p>খবর পেয়ে থানা পুলিশ ও নৌ-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে স্পিডবোটের ভেতরে রক্তাক্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ জানায়, নিহতের বাম চোখের উপরের অংশে গুলির আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। গুলিটি মাথার ওপরের অংশ দিয়ে বের হয়ে গেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।</p><h2>পারিবারিক ও তদন্ত তথ্য</h2><p>পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে আজিজুল ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। সম্প্রতি তিনি পদ্মার চরাঞ্চলের একটি বালুমহলে কাজ নেন। মঙ্গলবার সকালে এক প্রতিবেশীর মাধ্যমে পরিবারের সদস্যরা তার মৃত্যুর খবর জানতে পারেন। পরে ওই প্রতিবেশী বাড়িতে কাফনের কাপড়ও পৌঁছে দেন বলে স্বজনরা জানিয়েছেন।</p><p>সংবাদ পেয়ে লালপুর থানা পুলিশ, কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা থানা পুলিশ এবং লক্ষীকুন্ডা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পুলিশ জানিয়েছে, নিহত আজিজুল হক ঝড়ু চারঘাট এলাকার কাকন গ্রুপের একটি বালু পয়েন্টে কাজ করতেন। বালুমহলের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ বেলাল গ্রুপের সঙ্গে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক বা গ্রেফতার করা হয়নি। পুলিশ নিহত আজিজুল হকের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 22:39:36 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[মোবাইলে কোরআন তিলাওয়াতের সওয়াব: মাসহাফ থেকে পড়ার সমান নয়]]></title>
				<category>আধ্যাত্মিকতা</category>
				<link>https://bdgazette.com/jibonjapon/adhyatmikota/article-128482.html</link>
				<description><![CDATA[<p>প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে কোরআন মাজিদ এখন শুধু মসজিদ, মাদরাসা বা বইয়ের তাকেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং স্মার্টফোন, ট্যাবলেট ও অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে তা সহজেই মানুষের হাতের নাগালে পৌঁছে গেছে। বর্তমানে অনেক মুসলমান নিয়মিত মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে কোরআন তিলাওয়াত করেন। তবে এ ক্ষেত্রে অনেকের মনে একটি প্রশ্ন দেখা দেয়—মোবাইলের পর্দায় কোরআন দেখে তিলাওয়াত করলে কি মুদ্রিত মাসহাফ থেকে পড়ার মতো একই সওয়াব পাওয়া যায়? এই প্রশ্নের উত্তর জানা গুরুত্বপূর্ণ; কারণ ইসলাম মানুষের জন্য ইবাদতকে সহজ করতে এসেছে। তাই আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কোরআনের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা এবং নিয়মিত তিলাওয়াত করা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। তবে এ বিষয়ে ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিভঙ্গি জানা প্রয়োজন।</p><h2>মোবাইলে কোরআন পড়ার সওয়াব</h2><p>মোবাইল কিংবা কোনো ডিভাইসের স্ক্রীনে কোরআন পড়লে সওয়াব হবে। কিন্তু সরাসরি কোরআন মাজিদ তথা মাসহাফ থেকে পড়ার সওয়াব হবে না। কারণ, মোবাইলের অ্যাপ বা ডিভাইসটি সরাসরি কোরআন নয়; বরং তার প্রতিচ্ছবি মাত্র। এ প্রসঙ্গটি হাদিসের একটি বর্ণনা থেকে সুস্পষ্ট। হজরত ওসমান ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু আওস আস্ সাকাফি (রহ.) তার দাদা আওস (রা.) হতে বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, 'কোনো ব্যক্তির মাসহাফ ছাড়া (অর্থাৎ- কোরআন দেখা ছাড়া) মুখস্থ কোরআন পড়া এক হাজার গুণ মর্যাদা সম্পন্ন। আর কোরআন মাসহাফে পড়া (অর্থাৎ- কোরআন খুলে দেখে দেখে পড়া) মুখস্থ পড়ার দু'গুণ থেকে দু' হাজার গুণ পর্যন্ত মর্যাদা রাখে।' (তাবারানি ৬০১, বায়হাকি ২২১৮, মাজমাউজ জাওয়ায়েদ ১১৬৬৮, মিশকাত ২১৬৭)</p><h3>মাসহাফ দেখে পড়ার ফজিলত</h3><p>ফাতোয়া হিন্দিয়ায় বলা হয়েছে, 'কোরআন মুখস্থ থেকে (অর্থাৎ না দেখে) তিলাওয়াত করা জায়েজ। তবে মাসহাফ (কোরআনের কপি) দেখে তিলাওয়াত করা অধিক পছন্দনীয়। কারণ মুখস্থ পাঠের জন্য যে 'আসবাআ' বা নির্দিষ্ট অংশে ভাগ করা পদ্ধতি প্রচলিত হয়েছে, তা পরবর্তী সময়ে উদ্ভাবিত।' আল্লামা ত্বীবী (রহ.) বলেন, 'মাসহাফ দেখে পড়া বেশি ফজিলতপূর্ণ হওয়ার কারণ হলো—এতে কোরআনের দিকে তাকানোর সওয়াব পাওয়া যায়, মাসহাফ বহন ও স্পর্শ করার আমল হয় এবং আয়াতগুলো নিয়ে গভীর চিন্তা-ভাবনা ও অর্থ অনুধাবনের সুযোগ সৃষ্টি হয়।' অর্থাৎ, এই দিকগুলো বিবেচনায় মাসহাফ দেখে পড়া বেশি উত্তম। তবে এর অর্থ এই নয় যে, সব অবস্থায় মুখস্থ পড়ে তিলাওয়াতের মর্যাদা কম। কারণ হাদিসে এসেছে, কোরআনে দক্ষ ব্যক্তি সম্মানিত ফেরেশতাদের সঙ্গী হবেন। আবার কোনো হাফেজের জন্য তার হিফজ সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে মুখস্থ তিলাওয়াত করা কখনো প্রয়োজনীয়ও হতে পারে।</p><h3>দ্বৈত ইবাদতের কারণে সওয়াব বেশি</h3><p>আল্লামা ইবনু হাজার (রহ.) বলেন, 'মাসহাফ দেখে তিলাওয়াতের সওয়াব অনেক বেশি হওয়ার কারণ হলো, এতে তিলাওয়াতের ইবাদতের সঙ্গে কোরআনের দিকে তাকানোর ইবাদতও যুক্ত হয়। অর্থাৎ একটি আমলের সঙ্গে আরেকটি আমল সংযুক্ত হয়ে যায়।' এ কারণেই কিছু আলেম বলেছেন, 'মাসহাফ দেখে তিলাওয়াত করা সর্বাবস্থায় উত্তম।' আবার অন্য কিছু আলেম বলেছেন, 'মুখস্থ থেকে তিলাওয়াত করা সর্বাবস্থায় উত্তম।' তবে সঠিক ও ভারসাম্যপূর্ণ মত হলো— যে পদ্ধতিতে একজনের খুশু (আল্লাহভীতি), মনোযোগ, চিন্তা-গবেষণা ও ইখলাস বেশি হয়, সেটিই তার জন্য উত্তম। যদি উভয় ক্ষেত্রে তা সমান হয়, তাহলে মাসহাফ দেখে পড়া অধিক উত্তম। কারণ মাসহাফ দেখে পড়লে সাধারণত আয়াতের অর্থ নিয়ে বেশি চিন্তা ও গভীর মনোযোগ সৃষ্টি হয়, যা মুখস্থ পাঠের তুলনায় বেশি সহায়ক।</p><h2>মোবাইল অ্যাপ: কোরআনের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার মাধ্যম</h2><p>কোরআন আল্লাহ তাআলার কালাম। তা কাগজে মুদ্রিত মাসহাফ থেকে পড়া হোক কিংবা মোবাইল অ্যাপের পর্দা থেকে—উভয় ক্ষেত্রেই যদি একজন মুসলিম আন্তরিকতার সঙ্গে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে তিলাওয়াত করেন, তাহলে তিনি কোরআন তিলাওয়াতের সওয়াব লাভ করবেন, ইনশাআল্লাহ। কারণ সওয়াবের মূল ভিত্তি হলো আল্লাহর কালাম পাঠ করা, তা থেকে হেদায়েত গ্রহণ করা এবং এর নির্দেশনা অনুযায়ী জীবন পরিচালনার চেষ্টা করা। তবে সুযোগ থাকলে মাসহাফ হাতে নিয়ে আদবের সঙ্গে কোরআন তিলাওয়াত করা অধিক মর্যাদাপূর্ণ ও মনোযোগ বৃদ্ধিকারী। আর যখন মাসহাফ কাছে না থাকে, তখন মোবাইল অ্যাপ কোরআনের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার একটি উত্তম মাধ্যম হতে পারে। আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে বেশি বেশি কোরআন তিলাওয়াত, তা বুঝে পড়া এবং জীবনে বাস্তবায়নের তৌফিক দান করুন। আমিন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 22:17:32 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[সামাজিক মাধ্যম: মঙ্গল-অমঙ্গলের দ্বন্দ্ব ও রাষ্ট্রের ভূমিকা]]></title>
				<category>সামাজিক মাধ্যম</category>
				<link>https://bdgazette.com/projukti/shamajik-madhyom/article-128481.html</link>
				<description><![CDATA[<p>মানবসভ্যতার ইতিহাসে এমন কোনো শক্তিশালী মাধ্যমের আবির্ভাব ঘটেনি, যা একযোগে মঙ্গল ও অমঙ্গলের সম্ভাবনা বহন করে—যতখানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম করছে। এটি যেমন জ্ঞান, তথ্য, সচেতনতা ও জনমত গঠনের ক্ষেত্র, তেমনই এটি গুজব, অপতথ্য, প্রতারণা এবং চরিত্রহননেরও ক্ষেত্র। ফলে ক্ষতিকর বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণের প্রশ্নটি অমূলক নয়। বরং এটি একটি বাস্তব ও গুরুতর রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব; কিন্তু সমস্যাটি অন্যত্র—‘ক্ষতিকর’ বলতে ঠিক কী বোঝায়?</p><h2>প্রাচীন প্রবাদ ও রবীন্দ্রনাথের সতর্কবাণী</h2><p>একটি প্রাচীন প্রবাদে বলা হয়, অমঙ্গলকে ফুঁৎকারে উড়িয়ে দিতে যেও না, কারণ তার সাথে মঙ্গলও উড়ে যেতে পারে। রবীন্দ্রনাথও সতর্ক করেছিলেন—‘দ্বার বন্ধ করে দিয়ে ভ্রমটারে রুখি, সত্য বলে আমি তবে কোথা দিয়ে ঢুকি?’ অর্থাৎ, মিথ্যাকে রোধ করার জন্য যদি সকল দ্বার বন্ধ করা হয়, তাহলে সত্যও প্রবেশের পথ হারাতে পারে। এই দুইটি বাণীর অন্তর্নিহিত শিক্ষা একটিই—জীবনের বাস্তবতা কখনো সাদা-কালো নয়। মঙ্গল ও অমঙ্গল, সত্য ও অসত্য, উপযোগিতা ও অপব্যবহার প্রায়শই একই ক্ষেত্রের মধ্যে সহাবস্থান করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সম্পর্কেও এই সত্য প্রযোজ্য।</p><h2>ক্ষতিকর বিষয়বস্তুর সংজ্ঞা নিয়ে দ্বিধা</h2><p>ভুয়া ছবি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর প্রতারণা, নারী ও শিশুর প্রতি অনলাইন হয়রানি, পরিচয় জালিয়াতি কিংবা সংগঠিত অপপ্রচার—এগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন; কিন্তু যেই মুহূর্তে রাষ্ট্র ঘোষণা করে যে, ‘ক্ষতিকর কনটেন্ট’ অপসারণ করা হবে, সেই মুহূর্তেই একটি মৌলিক প্রশ্ন উত্থাপিত হয়: ক্ষতিকরের সংজ্ঞা কে নির্ধারণ করবে? কারণ, ক্ষতিকর বলে যা এক ব্যক্তি বা গোষ্ঠী বিবেচনা করে, অন্য ব্যক্তি তাকে মতপ্রকাশের বৈধ অধিকার বলে মনে করতে পারে। একজন আস্তিকের কাছে কোনো নাস্তিক্যবাদী বক্তব্য আপত্তিকর হতে পারে, আবার নাস্তিকের কাছে ধর্মীয় প্রচারই ক্ষতিকর বলে প্রতিভাত হতে পারে। ডানপন্থির কাছে বামপন্থি মতবাদ বিপজ্জনক, বামপন্থির কাছে ডানপন্থি চিন্তা প্রতিক্রিয়াশীল। ক্ষমতাসীনদের কাছে কোনো সমালোচনা অযৌক্তিক বা বিদ্বেষমূলক বলে মনে হতে পারে; কিন্তু বিরোধী পক্ষ তাকে জনস্বার্থে প্রয়োজনীয় সমালোচনা বলে দাবি করতে পারে।</p><h3>সমস্যার কেন্দ্রবিন্দু</h3><p>এখানেই সমস্যার কেন্দ্রবিন্দু। যদি ‘ক্ষতিকর’ শব্দটির স্পষ্ট, সংকীর্ণ এবং বস্তুনিষ্ঠ সংজ্ঞা না থাকে, তাহলে এটি এমন এক বিস্তৃত জালে পরিণত হতে পারে, যার মধ্যে প্রকৃত অপরাধীর পাশাপাশি বৈধ মতপ্রকাশও ধরা পড়বে। আরো একটি বিষয় বিবেচ্য। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পরিচালনাকারী আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মগুলোর নিজস্ব নীতিমালা রয়েছে। সন্ত্রাসবাদ, শিশুনির্যাতন, প্রতারণা, সহিংসতার উসকানি, পরিচয় জালিয়াতি এবং বহু ধরনের ক্ষতিকর বিষয়বস্তু তারা নিয়মিত অপসারণ করে থাকে। ব্যবহারকারীদের রিপোর্টের ভিত্তিতেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। সুতরাং প্রশ্ন উঠতে পারে—রাষ্ট্রের অতিরিক্ত হস্তক্ষেপের প্রয়োজন কোথায় এবং তার সীমা কতখানি?</p><h2>রাষ্ট্রের দায়িত্ব ও গণতান্ত্রিক পদ্ধতি</h2><p>রাষ্ট্রের দায়িত্ব অবশ্যই নাগরিককে সুরক্ষা দেওয়া; কিন্তু সেই দায়িত্ব পালনের পদ্ধতিও গণতান্ত্রিক, স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিমূলক হতে হয়। ‘অপমানজনক’, ‘বিভ্রান্তিকর’ কিংবা ‘ক্ষতিকর’–এই জাতীয় শব্দগুলোর ব্যাখ্যা যদি প্রশাসনিক বিবেচনার উপর নির্ভরশীল হয়, তাহলে আইনের প্রয়োগ ব্যক্তি ও পরিস্থিতিভেদে ভিন্ন হওয়ার আশঙ্কা থাকে। আইন তখন নিরাপত্তার নিশ্চয়তা নয়, বরং অনিশ্চয়তার উৎসে পরিণত হয়। সাইবার জগতের বাস্তব বিপদ মোকাবিলা করতে হবে নিঃসন্দেহে; কিন্তু তার জন্য প্রয়োজন সুস্পষ্ট সংজ্ঞা, স্বাধীন পর্যালোচনাপদ্ধতি এবং ন্যায্য আপিলের সুযোগ। অন্যথায়, গুজব দমনের নামে সমালোচনা, অপপ্রচার ঠেকানোর নামে ভিন্নমত এবং ক্ষতিকর বিষয়বস্তু অপসারণের নামে বৈধ মতপ্রকাশও বিপন্ন হতে পারে।</p><h3>ভারসাম্য রক্ষার প্রজ্ঞা</h3><p>খনি থেকে সোনা আহরণ করতে গেলে যেমন মাটি, পাথর ও অন্যান্য খনিজের মধ্য থেকে সতর্কতার সাথে তা পৃথক করতে হয়, তেমনি ডিজিটাল জগতেও অমঙ্গল দূর করার প্রয়াসে মঙ্গলকে ধ্বংস করা চলবে না। কারণ ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়—মিথ্যার বিরুদ্ধে সংগ্রাম যত প্রয়োজনীয়, সত্যের প্রবেশদ্বার খোলা রাখাও ততটাই প্রয়োজনীয়। আর সেই ভারসাম্য রক্ষার মধ্যেই একটি সভ্য রাষ্ট্রের প্রকৃত প্রজ্ঞা নিহিত থাকে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 22:19:10 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[২০৫০ সালে পৃথিবী: প্রকৃতি ধ্বংসের সতর্কবার্তা ও সমাধানের পথ]]></title>
				<category>জলবায়ু পরিবর্তন</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/jolbayu-poriborton/article-128480.html</link>
				<description><![CDATA[<p>মানবসভ্যতার জন্ম প্রকৃতির আঁতুড়ঘরে। সভ্যতার অগ্রগতিতে সেই আঁতুড়ঘরই ক্রমশ বিপন্ন হয়ে পড়ছে। এই বিপন্নতার উপলব্ধি কিন্তু আজকের নয়। এক শতাব্দী আগে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখায় ধরা পড়েছিল প্রকৃতি ধ্বংসের সেই উদ্বেগ। 'তপোবন' প্রবন্ধে তিনি লিখেছিলেন, 'মানুষকে বেষ্টন করে এই যে জগৎপ্রকৃতি আছে, এ যে অত্যন্ত অন্তরঙ্গভাবে মানুষের সকল চিন্তা, সকল কাজের সঙ্গে জড়িত হয়ে আছে। মানুষের লোকালয় যদি কেবলই একান্ত মানবময় হয়ে ওঠে, এর ফাঁকে ফাঁকে যদি প্রকৃতি কোনোমতে প্রবেশাধিকার না পায় তাহলে আমাদের চিন্তা ও কর্ম কলুষিত ব্যাধিগ্রস্ত হয়ে নিজের অতলস্পর্শ আবর্জনার মধ্যে আত্মহত্যা করে মরে।' প্রকৃতির প্রতি অনুরাগে তো বটেই, সেই সঙ্গে আসন্ন দিনের উদ্বেগ থেকেও কলম ধরেছিলেন তিনি।</p><p>গ্লোবাল ওয়ার্মিং, হিমবাহের গলন, অ্যান্টার্কটিকায় সতর্কবার্তা, ভূমিকম্প, ভূমিধস, আবহাওয়ার মারাত্মক খামখেয়ালি—সতর্কবার্তা একাধিকভাবে এসেছে। জলবায়ু পরিবর্তন, দূষণ, জীববৈচিত্র্যের ক্ষয় এবং যুদ্ধ—সব মিলিয়ে পৃথিবী এক গভীর সংকটের মুখে। এই চিন্তার মধ্যেই প্রশ্ন উঠছে ২০৫০ সালের পৃথিবী কেমন হবে? এখনো কি সময় আছে পরিস্থিতি বদলানোর?</p><p>পৃথিবী কেবল মানুষের নয়, কোটি কোটি প্রাণী, উদ্ভিদ ও বাস্তুতন্ত্রেরও আবাসস্থল। কিন্তু ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে পরিস্থিতি আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি উদ্বেগজনক। জলবায়ু পরিবর্তন, জীববৈচিত্র্যের ক্ষয়, দূষণ এবং যুদ্ধ—সব মিলিয়ে পৃথিবী এক বহুমাত্রিক সংকটের মুখোমুখি। রাষ্ট্রপুঞ্জের পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) সতর্ক করে বলছে, এখনই বড় পরিবর্তন না আনলে ২০৫০ সালের পৃথিবী আরো উষ্ণ, আরো দূষিত এবং আরো বসবাস অযোগ্য হয়ে উঠবে।</p><h2>ত্রিমুখী বৈশ্বিক সংকট</h2><p>আজকের পৃথিবী এক অভূতপূর্ব পরিবেশগত সংকটের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে। জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) জলবায়ু পরিবর্তন, জীববৈচিত্র্যের ক্ষয় এবং দূষণকে 'ত্রিমুখী বৈশ্বিক সংকট' হিসেবে চিহ্নিত করেছে। শিল্পবিপ্লবের পর থেকে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যাপক ব্যবহার, অনিয়ন্ত্রিত শিল্পায়ন, দ্রুত নগরায়ণ, বনভূমি ধ্বংস এবং অতিভোগবাদী অর্থনৈতিক সংস্কৃতির কারণে পৃথিবীর প্রাকৃতিক ভারসাম্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলস্বরূপ বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, চরম আবহাওয়ার ঘটনা বাড়ছে এবং পৃথিবীর বিভিন্ন বাস্তুতন্ত্র অভূতপূর্ব চাপের মুখে পড়ছে।</p><p>সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে ভয়াবহ দাবানল, দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহ, অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত, আকস্মিক বন্যা, খরা এবং শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের ঘটনা জলবায়ু পরিবর্তনের বাস্তব প্রভাবকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে। বিজ্ঞানীরা সতর্ক করছেন যে, বৈশ্বিক উষ্ণতা যদি শিল্পবিপ্লব-পূর্ব সময়ের তুলনায় ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি বৃদ্ধি পায়, তাহলে পৃথিবীর বহু বাস্তুতন্ত্রের ক্ষতি অপরিবর্তনীয় হয়ে যেতে পারে। এর ফলে খাদ্য উৎপাদন, পানিসম্পদ, জনস্বাস্থ্য এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর ভয়াবহ প্রভাব পড়বে।</p><h2>বাংলাদেশের জন্য সংকটের গভীরতা</h2><p>বাংলাদেশের জন্য এই সংকট আরো গভীর ও বহুমাত্রিক। বৈশ্বিক কার্বন নিঃসারণে দেশের অবদান অত্যন্ত সামান্য হলেও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সবচেয়ে বেশি অনুভূত হচ্ছে এখানেই। ভৌগোলিক অবস্থান, নদীবাহিত বদ্বীপ অঞ্চল, দীর্ঘ উপকূলরেখা এবং উচ্চ জনঘনত্ব বাংলাদেশের ঝুঁকিকে বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততার বিস্তার, নদীভাঙন, বন্যা, জলাবদ্ধতা এবং ঘূর্ণিঝড়ের মতো দুর্যোগ দেশের অর্থনীতি ও মানুষের জীবনযাত্রাকে ক্রমাগত চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে।</p><p>বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সমুদ্রের লবণাক্ত পানি কৃষিজমিতে প্রবেশ করায় ফসল উৎপাদন কমে যাচ্ছে। সুপেয় পানির উৎস সংকুচিত হচ্ছে। উপকূলীয় নারীরা অনেক ক্ষেত্রে নিরাপদ পানির জন্য কয়েক কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে বাধ্য হচ্ছেন। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় মানুষের জীবন, সম্পদ এবং অবকাঠামো বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে বিপুলসংখ্যক মানুষ জীবিকা হারিয়ে শহরমুখী হচ্ছে, যা জলবায়ুজনিত অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুতির একটি বড় কারণ হিসেবে দেখা দিয়েছে।</p><p>জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সমাজের সব স্তরের মানুষের ওপর সমানভাবে পড়ে না। দরিদ্র, প্রান্তিক এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একজন কৃষক যখন বন্যা বা খরার কারণে ফসল হারান, একজন জেলে যখন মাছের প্রজননক্ষেত্র ধ্বংস হওয়ায় জীবিকার সংকটে পড়েন, অথবা একজন দিনমজুর যখন দুর্যোগের কারণে কাজ হারান, তখন জলবায়ু পরিবর্তন একটি পরিবেশগত সমস্যার গণ্ডি পেরিয়ে সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকটে রূপ নেয়।</p><h2>জীববৈচিত্র্যের সমৃদ্ধি ও হুমকি</h2><p>বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্যের দিক থেকে অত্যন্ত সমৃদ্ধ একটি দেশ। বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন, পার্বত্য চট্টগ্রামের বনাঞ্চল, সিলেটের চিরসবুজ অরণ্য, হাওর-বাঁওড় এবং বিস্তৃত নদী ব্যবস্থাপনা অসংখ্য উদ্ভিদ ও প্রাণীর আবাসস্থল। সুন্দরবন শুধু রয়েল বেঙ্গল টাইগারের আবাস নয়; এটি উপকূলীয় অঞ্চলের কোটি মানুষের জন্য একটি প্রাকৃতিক সুরক্ষা বেষ্টনী। কিন্তু বন উজাড়, জলাভূমি ধ্বংস, দূষণ, অবৈধ দখল এবং বন্যপ্রাণী পাচারের কারণে দেশের জীববৈচিত্র্য ক্রমাগত হুমকির মুখে পড়ছে।</p><h2>প্রকৃতিভিত্তিক সমাধানের গুরুত্ব</h2><p>পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে বর্তমানে বিশ্ব জুড়ে যে ধারণাটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে তা হলো 'প্রকৃতিভিত্তিক সমাধান'। এই ধারণার মূল কথা হলো প্রকৃতির নিজস্ব শক্তি, প্রক্রিয়া এবং বাস্তুতান্ত্রিক সেবাকে কাজে লাগিয়ে পরিবেশগত ও সামাজিক সমস্যার সমাধান করা। ম্যানগ্রোভ বন উপকূলকে ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে, জলাভূমি অতিরিক্ত পানি ধারণ করে বন্যা নিয়ন্ত্রণ করে এবং বনভূমি বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন শোষণ করে বৈশ্বিক উষ্ণতা কমাতে সহায়তা করে।</p><p>বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে প্রকৃতিভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনা অত্যন্ত উজ্জ্বল। সুন্দরবনের সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণ, উপকূলীয় বনায়ন, নদী ও জলাভূমি পুনরুদ্ধার, নগর সবুজায়ন এবং কৃষিতে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার দেশের জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে এসব উদ্যোগ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় অর্থনীতির উন্নয়নেও সহায়ক হবে।</p><p>বিশেষ উদ্বেগের বিষয় হলো, দেশের জলাভূমিগুলোর দ্রুত সংকোচন। খাল, বিল, পুকুর এবং অন্যান্য জলাধার ভরাট করে আবাসন প্রকল্প ও শিল্পপ্রতিষ্ঠান নির্মাণের ফলে প্রাকৃতিক পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এর ফলে জলাবদ্ধতা, আকস্মিক বন্যা এবং পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতা বাড়ছে। একই সঙ্গে মাছ, পাখি, উভচর প্রাণী এবং জলজ উদ্ভিদের আবাসস্থল ধ্বংস হচ্ছে। জলাভূমি শুধু পানির আধার নয়; এগুলো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা, কার্বন সংরক্ষণ এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।</p><h2>প্লাস্টিক দূষণ ও জনস্বাস্থ্য</h2><p>পরিবেশ দূষণের বড় উৎস হলো প্লাস্টিক। একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যাপক ব্যবহার নদী, খাল, সমুদ্র এবং নগর পরিবেশকে দূষিত করছে। প্লাস্টিক সহজে পচনশীল নয়; বরং দীর্ঘদিন পরিবেশে থেকে মাটি ও পানির গুণমান নষ্ট করে। সাম্প্রতিক গবেষণায় মানবদেহের রক্ত, ফুসফুস এবং এমনকি গর্ভস্থ শিশুর শরীরেও মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। এটি শুধু পরিবেশ নয়, জনস্বাস্থ্যের জন্যও একটি গুরুতর হুমকি। তাই প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো, পুনর্ব্যবহার বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব বিকল্প উপকরণের ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি।</p><h2>আইন ও নীতিমালার দুর্বল প্রয়োগ</h2><p>বাংলাদেশে পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় আইন ও নীতিমালার অভাব নেই। সংবিধানের ১৮(ক) অনুচ্ছেদে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের দায়িত্ব রাষ্ট্রের ওপর অর্পণ করা হয়েছে। পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, জীববৈচিত্র্য আইন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন এবং বিভিন্ন নীতিমালা পরিবেশ সুরক্ষার আইনি ভিত্তি প্রদান করেছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, আইনের দুর্বল প্রয়োগ এবং তদারকির ঘাটতির কারণে অনেক ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাচ্ছে না।</p><p>এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে যুদ্ধ ও ভূরাজনৈতিক সংঘাতের প্রভাব। পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাত শুধু মানবিক বিপর্যয়ই তৈরি করছে না, বরং জ্বালানি সরবরাহ, খাদ্য নিরাপত্তা এবং পরিবেশের ওপরও মারাত্মক প্রভাব ফেলছে।</p><h2>২০৫০ সালের ভয়াবহ চিত্র</h2><p>২০৫০ সালে পৃথিবী কেমন রূপ ধারণ করবে, তার একটি ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরা হয়েছে জাতিসংঘের গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট আউটলুক রিপোর্টে। এই প্রতিবেদন অনুযায়ী, বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন না হলে ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বে গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমন বার্ষিক ৭৫ বিলিয়ন টনে পৌঁছবে, যা বর্তমানের চেয়ে প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি। এর ফলে জলবায়ুতে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হবে।</p><p>তবে এখনো সময় ফুরিয়ে যায়নি। বিশ্ব পরিবেশ দিবসের মূল বার্তাই হলো—পৃথিবী সংকেত পাঠাচ্ছে, এখন মানুষের উত্তর দেওয়ার পালা। গাছ লাগানো, প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো, জল ও প্রাকৃতিক সম্পদের সঠিক ব্যবহার এবং পরিবেশবান্ধব নীতি গ্রহণের মাধ্যমে পরিবর্তন সম্ভব। ছোট ছোট পদক্ষেপও বড় পরিবর্তনের ভিত্তি গড়ে দিতে পারে।</p><p>লেখক : ফিকামলি তত্ত্বের জনক, বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক শিক্ষক, গবেষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 22:31:50 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বিশ্বকাপের ভিসা জটিলতা: ট্রাম্প-ইনফান্তিনো ঘনিষ্ঠতা নিয়ে প্রশ্ন]]></title>
				<category>ক্রিকেট</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/cricket/article-128479.html</link>
				<description><![CDATA[<p>২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ শুরুর আগেই যুক্তরাষ্ট্রের ভিসানীতি নিয়ে নানা বিতর্ক দেখা দিয়েছে। সোমালিয়ার এক রেফারিকে মিয়ামি বিমানবন্দর থেকে ফিরিয়ে দেওয়া, ইরান ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের সাংবাদিকদের ভিসা না পাওয়া এবং ইরান জাতীয় দলের প্রশিক্ষণ শিবির মেক্সিকোতে সরিয়ে নেওয়ার মতো ঘটনাগুলো বিশ্বকাপ আয়োজনকে ঘিরে নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।</p><h2>ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ ও ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা</h2><p>সমালোচকদের মতে, এসব সমস্যার ইঙ্গিত অনেক আগেই দেখা গিয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফিরে প্রথম দিনই ‘Protecting the American People Against Invasion’ শিরোনামে একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন। পরে মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার কয়েকটি দেশের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। কিছু দেশের নাগরিকদের জন্য ব্যবসা বা পর্যটক ভিসার ক্ষেত্রে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড জমার শর্ত আরোপ করা হয়। এছাড়া ৭৫টি দেশের নাগরিকদের অভিবাসন ভিসা আবেদনও স্থগিত রাখা হয়।</p><p>এমন বাস্তবতায় বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ভিসা জটিলতা দেখা দেওয়াকে অনেকেই অস্বাভাবিক মনে করছেন না। তবে দীর্ঘদিন ধরে এসব উদ্বেগকে গুরুত্ব দেননি ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ২০২৫ সালে প্যারাগুয়েতে অনুষ্ঠিত ফিফা কংগ্রেসে তিনি বলেছিলেন, ‘বিশ্বকে আমেরিকায় স্বাগত জানানো হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘খেলোয়াড়, সংশ্লিষ্ট সবাই এবং অবশ্যই সমর্থকরা স্বাগত। এটা শুধু আমার কথা নয়, এটা মার্কিন সরকারের অবস্থান।’</p><h2>ইনফান্তিনোর আশ্বাস ও বাস্তবতা</h2><p>একই বছরের গ্রীষ্মে কেনিয়ায় এক দক্ষিণ আফ্রিকান সাংবাদিক ইনফান্তিনোকে বলেন, ‘আমরা এমন একটি দেশে খেলতে যাচ্ছি যেখানে আমাদের অনেকেই নিজেদের স্বাগত মনে করি না। আফ্রিকা ও বিশ্বের অন্যদের যেন বহিরাগত বা দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক মনে না হয়, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব আপনার।’ জবাবে ফিফা সভাপতি বলেন, ‘এ বিষয়ে অনেক ভুল ধারণা রয়েছে। আগামী বছরের বিশ্বকাপে কানাডা, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রে সবাইকে স্বাগত জানানো হবে। যোগ্যতা অর্জনকারীরা তাদের সমর্থকদের নিয়ে আসতে পারবেন।’</p><p>বিশ্লেষকদের মতে, এটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি নীতির বিষয় এবং এর জন্য সরাসরি ফিফাকে দায়ী করা যায় না। তবে ইনফান্তিনোর বারবার দেওয়া আশ্বাস এবং অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস এখন ফিফাকে অস্বস্তিকর অবস্থায় ফেলেছে। কাতার বিশ্বকাপের সময়ও তিনি স্বাগতিক দেশের পক্ষ থেকে নানা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এবারও একই কৌশল নিয়েছেন।</p><h2>ট্রাম্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা</h2><p>ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে বিশ্বের কোনো রাজনৈতিক নেতার চেয়ে বেশি বার হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে দেখা গেছে ইনফান্তিনোকে। ট্রাম্পের অভিষেকের আগের সমাবেশে তিনি রিপাবলিকানদের প্রতীকী লাল টাই পরেন। মার-আ-লাগো সফর করেন এবং ট্রাম্পের অভিষেক অনুষ্ঠানে অংশ নেন। এক সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘ট্রাম্প যা করছেন, আমেরিকানদের তা সমর্থন করা উচিত, কারণ বিষয়টি ভালো দেখাচ্ছে।’</p><p>শুধু তাই নয়, নিউইয়র্কের ট্রাম্প টাওয়ারে ফিফা অফিসও খোলা হয়েছে। ফলে ফিফা সরাসরি ট্রাম্প পরিবারের ব্যবসায় ভাড়া দিচ্ছে। বিশ্বকাপের ড্র অনুষ্ঠানের স্থানও শেষ মুহূর্তে লাস ভেগাস থেকে সরিয়ে ওয়াশিংটনের কেনেডি সেন্টারে নেওয়া হয়, যেখানে ট্রাম্পপন্থিদের প্রভাব ছিল। এসব কারণে সমালোচকদের প্রশ্ন, এত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকার পরও এখন ফিফা কীভাবে দাবি করে যে তারা কেবল একটি ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজক এবং ভিসা সমস্যার বিষয়ে তাদের কিছু করার নেই?</p><h2>ভিসা জটিলতার ইতিহাস</h2><p>ফিফার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা অবশ্য ট্রাম্প আমলেই শুরু হয়নি। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সময়েও এ নিয়ে উদ্বেগ ছিল। বিশ্বকাপের আয়োজক শহরগুলো ও পর্যটন খাতের প্রতিনিধিরা দীর্ঘ ভিসা সাক্ষাৎকারের অপেক্ষা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। পরে কংগ্রেস ৫ কোটি ডলার বরাদ্দ দিয়ে সেই জট কমানোর উদ্যোগ নেয়।</p><p>কাতার বিশ্বকাপে দর্শকদের জন্য ‘হায়া কার্ড’ ব্যবস্থার মতো একটি বিশেষ সুবিধা ২০২৬ বিশ্বকাপেও চালু করতে চেয়েছিল ফিফা। কিন্তু নিরাপত্তাজনিত কারণে যুক্তরাষ্ট্র তা প্রত্যাখ্যান করে। এমনকি কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো মিলিয়ে একটি অভিন্ন ভিসা ব্যবস্থার প্রস্তাবও গ্রহণ করা হয়নি। ফলে তিনটি দেশের জন্য আলাদা প্রবেশ নীতি বহাল আছে।</p><h2>ফিফা পাস ও সীমিত সাফল্য</h2><p>ফিফা কিছু সাফল্যের দাবি করলেও সেগুলোর প্রভাব ছিল সীমিত। ‘ফিফা পাস’ নামে একটি ব্যবস্থা চালু করা হয়, যার মাধ্যমে সমর্থকেরা দ্রুত ভিসা সাক্ষাৎকারের সুযোগ পেতে পারেন। তবে এটি ভিসা পাওয়ার নিশ্চয়তা দেয় না। মে মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত মাত্র প্রায় ২০ হাজার মানুষ এই সুবিধা ব্যবহার করেছিলেন। এদিকে বিশ্বকাপের টিকিটধারীদের জন্য কিছু দেশের নাগরিকদের ভিসা বন্ড মওকুফ করার ঘোষণা দেওয়া হলেও শর্ত ছিল কঠোর। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টিকিট কেনা এবং ফিফা পাসে নিবন্ধন করা ব্যক্তিরাই শুধু এ সুবিধা পান। তাই বাস্তবে উপকৃত হয়েছেন খুব অল্পসংখ্যক সমর্থক।</p><h2>সোমালিয়ার রেফারির ঘটনা</h2><p>তিন দিন আগে মিয়ামিতে বিশ্বকাপের রেফারিদের উদ্দেশে ইনফান্তিনো বলেছিলেন, ‘আমরা আপনাদের জন্য সেরা পরিবেশ ও সেরা সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে চাই। আমি আপনাদের পাশে আছি। আমরা আপনাদের সমর্থন করব।’ কিন্তু একই দিনে সোমালিয়ার রেফারি ওমর আবদুলকাদির আরতান মিয়ামিতে পৌঁছে মার্কিন সীমান্ত কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়েন এবং শেষ পর্যন্ত দেশে প্রবেশের অনুমতি পাননি।</p><p>বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হোয়াইট হাউসের বিশ্বকাপ টাস্কফোর্স পরিচালক অ্যান্ড্রু জুলিয়ানি বলেন, ‘সীমান্ত কর্তৃপক্ষ সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছে।’ অন্যদিকে নিউইয়র্ক টাইমসকে আরতান বলেন, ‘আমার কাছে প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র ছিল। আমার বৈধ ভিসাও ছিল।’ ঘটনার বিস্তারিত এখনও পরিষ্কার নয়। তবে ফিফার প্রতিক্রিয়া ছিল সংক্ষিপ্ত। এ ঘটনায় ফিফার এক মুখপাত্র বলেন, ‘স্বাগতিক দেশের অভিবাসন প্রক্রিয়ায় ফিফা জড়িত নয়। আগের টুর্নামেন্টগুলোর মতোই কোনো ব্যক্তিকে ভিসা দেওয়া হবে কিনা এবং তাকে দেশে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে কিনা, সে সিদ্ধান্ত স্বাগতিক দেশের সরকারের।’</p><p>এসব প্রশ্নের মুখে ফিফা সভাপতিকে খুব কমই গণমাধ্যমের প্রশ্নের জবাব দিতে দেখা গেছে। বিশ্বকাপের টিকেট বিতর্ক, স্টেডিয়ামে পানির বোতল নেওয়ার বিধিনিষেধ, উচ্চ পরিবহন খরচ কিংবা দর্শকদের জন্য অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে জায়ান্ট স্ক্রিনে নাম প্রদর্শনের মতো বিষয়েও তিনি নীরব থেকেছেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 22:06:54 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ফকিরহাটে কৃষকদল নেতা নিহত, বিএনপি নেতা আহত]]></title>
				<category>বিএনপি</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/bnp/article-128478.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলায় দুর্বৃত্তদের হামলায় এক কৃষকদল নেতা নিহত এবং এক বিএনপি নেতা গুরুতর আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৯ জুন) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে ফকিরহাট উপজেলার মূলঘর ইউনিয়নের সোনাখালী গ্রামের নিয়তির মাঠ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।</p><h2>নিহত ও আহত ব্যক্তির পরিচয়</h2><p>নিহত ব্যক্তি হলেন, বাগেরহাট সদর উপজেলার বারুইপাড়া ইউনিয়নের আড়পাড়া গ্রামের জাফর মোড়লের ছেলে ও বারুইপাড়া ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি মো. বাদল মোড়ল (৪০)। গুরুতর আহত হয়েছেন একই গ্রামের নুর ইসলাম মোড়লের ছেলে ও বারুইপাড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ মোড়ল।</p><h2>ঘটনার বিবরণ</h2><p>পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাদল মোড়ল ও আব্দুল্লাহ মোড়ল মঙ্গলবার রাতে মোটরসাইকেলযোগে ব্যবসায়িক কাজে বাগেরহাট সদর উপজেলার আড়পাড়া এলাকা থেকে ফকিরহাটের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে সোনাখালী গ্রামের নিয়তির মাঠ এলাকায় পৌঁছালে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা ৮ থেকে ১০ জন অজ্ঞাত দুর্বৃত্ত তাদের গতিরোধ করে। পরে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি হামলা চালায়।</p><h3>হামলার পরিণতি</h3><p>হামলায় বাদল মোড়ল ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন। তাদের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে দুজনকে উদ্ধার করে ফকিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক বাদল মোড়লকে মৃত ঘোষণা করেন।</p><p>অন্যদিকে গুরুতর আহত আব্দুল্লাহ মোড়লের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঘটনার খবর পেয়ে ফকিরহাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পরে নিহত বাদল মোড়লের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।</p><h2>পুলিশের কার্যক্রম</h2><p>ফকিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সাইফুল ইসলাম জানান, হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 21:56:47 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[জীবনের সিদ্ধান্তে স্থিরতার জন্য নবীজির শেখানো দোয়া]]></title>
				<category>আধ্যাত্মিকতা</category>
				<link>https://bdgazette.com/jibonjapon/adhyatmikota/article-128477.html</link>
				<description><![CDATA[<p>আমাদের জীবনটা আসলে অসংখ্য ছোট-বড় সিদ্ধান্তের সমষ্টি। প্রতিটি মোড়েই আমাদের কোনো না কোনো বেছে নেওয়ার মুখোমুখি হতে হয়। কখনো সিদ্ধান্তটা হয় ক্যারিয়ার নিয়ে—এই চাকরিটা কি আমি নেব, নাকি আরও ভালো কিছুর জন্য অপেক্ষা করব? কখনো সিদ্ধান্তটা হয় জীবনসঙ্গী নির্বাচন নিয়ে—এই মানুষটাকে কি জীবনসাথী হিসেবে গ্রহণ করা ঠিক হবে, নাকি ‘না’ বলে দেওয়া উচিত? অনেকে এমন পরিস্থিতিতে ‘ইস্তিখারা’ (আল্লাহর কাছে কল্যাণ প্রার্থনার নামাজ) করার পরেও মনের ভেতর পুরোপুরি সুনিশ্চিত হতে পারেন না। এই মানসিক অস্থিরতা ও সিদ্ধান্তহীনতা দূর করতে নবীজি (সা.) একটি সংক্ষিপ্ত কিন্তু শক্তিশালী একটি দোয়া শিখিয়েছেন।</p><h2>জীবনের দোলাচলে নবীজির উপহার</h2><p>হজরত আলি ইবনে আবি তালিব (রা.) বলেন, নবীজি তাঁকে লক্ষ্য করে বলেছেন, “তুমি বলো: ‘আল্লাহুম্মাহদিনী ওয়া সাদ্দিদনী’ (হে আল্লাহ, আমাকে সত্য পথ দেখান এবং সঠিকতায় অবিচল রাখুন)।” (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৭২৫) জীবনের প্রতিটি কঠিন ও ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ মুহূর্তে আল্লাহর নবীজির শেখানো দোয়াটিই ছিল তাঁর মনের স্থিরতা ও সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার মূল চাবিকাঠি।</p><p>নবীজি আলিকে চাওয়ার জন্য দীর্ঘ কোনো তালিকা দেননি। বরং মাত্র দুটি শব্দের একটি ছোট্ট বাক্য শিখিয়ে দিয়েছেন, যা জীবনের সব ধরনের চাহিদাকে নিজের ভেতর ধারণ করে। পরবর্তী জীবনে আলি (রা.) একজন মহান নেতা, বিচক্ষণ বিচারক এবং একজন আদর্শ পারিবারিক অভিভাবক হিসেবে অগণিত জটিল ও সংবেদনশীল সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তাঁকে নিতে হয়েছে। জীবনের প্রতিটি কঠিন ও ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ মুহূর্তে আল্লাহর নবীজির শেখানো দোয়াটিই ছিল তাঁর মনের স্থিরতা ও সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার মূল চাবিকাঠি।</p><h2>দোয়াটির গভীর তাৎপর্য</h2><p>দোয়াটি শেখানোর সময় নবীজি একটি চমৎকার উপমা দিয়ে আলি (রা.)-কে এর অন্তর্নিহিত অর্থ বুঝিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, “যখন তুমি ‘হেদায়েত’ (সঠিক পথ) প্রার্থনা করবে, তখন মনে মনে আল্লাহর প্রদর্শিত সরল-সঠিক পথের কথা চিন্তা করবে। আর যখন ‘সাদাদ’ (অবিচলতা বা সোজা থাকা) প্রার্থনা করবে, তখন ধনুক থেকে নিখুঁতভাবে ছুটে যাওয়া তীরের কথা স্মরণ করবে, যা কোনোদিকে না বেঁকে সরাসরি লক্ষ্যে আঘাত করে।” (ইবনে হাজার আসকালানি, ফাতহুল বারি শারহ সহিহ আল-বুখারি, ১১/৯৬, দারুল মাআরিফা, বৈরুত, ১৩৭৯ হিজরি)</p><p>যে কোনো মানুষ তাঁর প্রাত্যহিক জীবনে ছোট কিংবা বড়—যে কোনো সিদ্ধান্তের মুখোমুখি হলেই মনে মনে বা উচ্চস্বরে এই দোয়াটি বারবার পাঠ করতে পারেন।</p><h2>আমলটি কখন, কতবার করবেন</h2><p>হাদিসে এই দোয়াটি পড়ার জন্য নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা বা সীমা বেঁধে দেওয়া হয়নি। যে কোনো মানুষ তাঁর প্রাত্যহিক জীবনে ছোট কিংবা বড়—যে কোনো সিদ্ধান্তের মুখোমুখি হলেই মনে মনে বা উচ্চস্বরে এই দোয়াটি বারবার পাঠ করতে পারেন। নিয়মিত করার জন্য বিশেষ সময়গুলো বেছে নেওয়া যেতে পারে, যে সময়গুলোতে দোয়া কবুল হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে:</p><ul><li><strong>রাতের শেষ তৃতীয়াংশে:</strong> যখন মহান আল্লাহ–তাআলা প্রথম আসমানে নেমে আসেন এবং বান্দার ডাক শোনার জন্য আহ্বান করেন।</li><li><strong>আজান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়ে:</strong> এই মধ্যবর্তী সময়ের দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না।</li><li><strong>ফরজ নামাজের শেষ বৈঠকে:</strong> সালাম ফেরানোর আগে যখন মন পুরোপুরি আল্লাহর দিকে নিবিষ্ট থাকে।</li><li><strong>সেজদারত অবস্থায়:</strong> বান্দা যখন আল্লাহর সবচেয়ে নিকটে চলে যায়।</li></ul><p>বৃষ্টির সময় দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না। ইসলাম থেকে আরও পড়ুন: মহানবী (সা.), নবীজি (সা.), আমল, দোয়া, মুসলিম হাদিস, হাদিস, আল্লাহ, বিশ্বাসী, বিপদের দোয়া।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 21:33:20 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার: জিয়াউর রহমানের নামেও আন্তর্জাতিক অ্যাওয়ার্ডের প্রস্তাব]]></title>
				<category>কূটনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/kutniti/article-128476.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ফিলিপাইনসের সপ্তম প্রেসিডেন্ট র‍্যামন ম্যাগসেসে তার রাষ্ট্রসেবার জন্য বিশ্বনেতায় পরিণত হয়েছিলেন। তিনি ১৯৫৭ সালের ১৭ মার্চ এক রহস্যঘেরা বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হন। তার বিশ্বব্যাপী মহান অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৫৭ সালের এপ্রিলে নিউ ইয়র্কের বিখ্যাত রকফেলার ব্রাদার্স ট্রাস্ট ফান্ডের মাধ্যমে একটি ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয়, যা 'নোবেল প্রাইজ অব এশিয়া' নামে খ্যাতি লাভ করে। নিউ ইয়র্ক নগরীতে ফিলিপাইনস সরকারের সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠিত এই ফাউন্ডেশনটি রাষ্ট্রীয় সার্ভিস, পাবলিক সার্ভিস, কমিউনিটি লিডারশিপ, সাংবাদিকতা, সাহিত্য, সৃজনশীল কমিউনিকেশন আর্টস এবং শান্তি ও আন্তর্জাতিক ইমার্জেন্ট লিডারশিপসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী বরেণ্য ব্যক্তিদের প্রতি বছর পুরস্কৃত করে আসছে।</p><h2>পুরস্কারের ইতিহাস ও প্রভাব</h2><p>ফিলিপাইনসের রাজধানী ম্যানিলায় র‍্যামন ম্যাগসেসে অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন (র‍্যামন ম্যাগসেসে সেন্টার) প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ছয় দশক ধরে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট অবদানের স্বীকৃতিরূপে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের ৩৫৩ জন ব্যক্তিত্বকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। প্রথম অ্যাওয়ার্ডটি চালু হয়েছিল ১৯৫৮ সালে, ৩১ আগস্ট রাষ্ট্রনায়ক র‍্যামন ম্যাগসেসের জন্মবার্ষিকীতে। র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কারটি বিশ্বব্যাপী একটি সম্মানজনক পুরস্কার, বিশেষত এই কারণে যে তিনি বিশ্বব্যাপী অত্যন্ত শ্রদ্ধাভাজন এক নেতা ছিলেন। তিনি অতি সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসেছিলেন; তার বাবা ছিলেন একজন কর্মকার। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি ফিলিপিনস আর্মির ৩১ পদাতিক বাহিনীতে যোগদান করেন। ১৯৪২ সালে দেশটির বাতার অঞ্চল জাপানিদের দখলে চলে গেলে তিনি কষ্টে কাকতালীয়ভাবে অন্তত চারবার জাপানি সেনাদের ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যান। পরে তিনি লুজন গেরিলা ফোর্সে যোগদান করেন এবং ক্যাপ্টেন পদে কমিশন লাভ করেন। যুদ্ধের পর তার সহযোদ্ধা গেরিলাদের অনুরোধে লিবারেল পার্টি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ফিলিপিনস হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভে নির্বাচিত হন।</p><h3>বাংলাদেশের পুরস্কারপ্রাপ্তরা</h3><p>ম্যাগসেসের নামে প্রবর্তিত এই পুরস্কার বাংলাদেশের প্রফেসর আবদুল্লাহ আবু সাঈদ (বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠাতা কিংবদন্তিতুল্য পণ্ডিত ব্যক্তিত্ব), সাংবাদিক-সম্পাদক মতিউর রহমান (সম্পাদক, দৈনিক প্রথম আলো), অ্যানজেলা গোমেজ ও তাহেরুন্নেসা আবদুল্লাহ (দুই বারে দুই এনজিও ব্যক্তিত্ব হিসেবে), পরিবেশবিদ সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান প্রমুখ সম্মানিত হয়েছেন। ভারত ও এশিয়ার অন্যান্য দেশের অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি এই অ্যাওয়ার্ড লাভ করেছেন।</p><h2>জিয়াউর রহমানের নামে অ্যাওয়ার্ডের প্রস্তাব</h2><p>লেখক সংসদ সদস্য, বিএনপির যুগ্মমহাসচিব ও সাবেক ডাকসু সাধারণ সম্পাদক মনে করেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে র‍্যামন ম্যাগসেসের অদ্ভুত রকমের চারিত্রিক মিল রয়েছে। তিনি বলেছেন, 'আমার এমন ভাবনা যে, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নামেও এমন একটি আন্তর্জাতিক মানের অ্যাওয়ার্ড প্রবর্তন করা যায় কি না।' বাংলাদেশের রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দুনিয়াজোড়া সুনাম অর্জন করে গেছেন। কেবল বাংলাদেশকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়াই নয়, তার আমলে (১৯৭৫-১৯৮১ মে/৩০) আন্তর্জাতিক কূটনীতি-রাজনীতির ক্ষেত্রে নিজেকে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা এই যে, র‍্যামন ম্যাগসেসে যেমন রহস্যময় প্লেন ক্রাশে নিহত হন, জিয়াউর রহমানও ষড়যন্ত্রকারীদের সম্মিলিত চক্রান্তে নিষ্ঠুরভাবে নিহত হয়েছিলেন মাত্র ৪৫ বছর বয়সে। রাষ্ট্রনায়ক জিয়া ১৯৮০ সালে শুরু হওয়া ইরান-ইরাক যুদ্ধ-বন্ধে তৎপর হয়ে উঠেছিলেন। তিনিই এই দক্ষিণ-এশীয় অঞ্চলে বিশাল যৌথ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অবদান রাখার লক্ষ্যে দক্ষিণ-এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) গড়ে তোলার প্রথম স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন। তার সব কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি সার্ক ও বিশ্বনেতারা পরে দিয়েছিলেন অকাতরে। তার হত্যাকাণ্ডের পর বিশ্বের অন্যতম সেরা জানাজা অনুষ্ঠানটি হয়েছিল, কারণ জিয়া ছিলেন দেশে ও আন্তর্জাতিক মহলে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে। ম্যাগসেসেও নিহত হওয়ার সময় ছিলেন জনপ্রিয়তার তুঙ্গে।</p><h3>অ্যাওয়ার্ডের কাঠামো</h3><p>প্রস্তাবিত অ্যাওয়ার্ডটি প্রতি বছর রাষ্ট্রনায়ক বা বিখ্যাত লড়াকু রাজনীতিবিদ এবং সমাজের জন্য বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তিদের দেওয়া যেতে পারে। কয়েকটি ক্যাটাগরি রাখা যেতে পারে। পুরস্কারের একটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে অর্থমূল্য হবে। প্রতি বছর র‍্যামন ম্যাগসেসে অ্যাওয়ার্ড বেশ কয়েকটি দেওয়া হয় এবং তার প্রতিটির অর্থমূল্য বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬০ বা ৭০ লাখ টাকার সমান। সারা বিশ্ব থেকে প্রায় ২৫০ রাষ্ট্র ও অঞ্চল থেকে প্রতিযোগিতার জন্য ব্যক্তিত্বদের যাচাই-বাছাই তালিকায় আনা হবে। বাছাই ও মনোনয়ন চূড়ান্ত করবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন একটি বড় আকারের ট্রাস্ট-বডি, যার সদস্যসংখ্যা হবে কমবেশি ১৫ জন এবং তারা বিশ্বব্যাপী স্বনামখ্যাত পণ্ডিত, বুদ্ধিজীবী, লেখক, সাংবাদিক, রাজনীতিক প্রমুখ ব্যক্তিত্ব। প্রতি বছর ট্রাস্টের চল্লিশ শতাংশ সদস্যকে অদল-বদল করা যেতে পারে। প্রতি বছর জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকীতে ঢাকায় অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে অন্তত বিশ্বসেরা ৩০০ ব্যক্তিত্বকে আমন্ত্রণ জানিয়ে আনা যেতে পারে। এই অ্যাওয়ার্ডের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে শহিদ জিয়াউর রহমানের কথা মাথায় রেখে।</p><h2>আন্তর্জাতিক উদাহরণ</h2><p>১৯৯৫ সাল থেকে ভারত গান্ধী আন্তর্জাতিক প্রাইজ দিতে শুরু করেছে। মহাত্মা গান্ধীর নামানুসারে প্রবর্তিত ঐ পুরস্কার দল-মত-ধর্ম-বর্ণ-দেশ-জাতিনির্বিশেষে দেওয়া হয়ে থাকে। জুরি বোর্ডে থাকেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী, লোকসভার বিরোধী দলীয় নেতা, ভারতের প্রধান বিচারপতি এবং লোকসভার স্পিকার। এছাড়াও দুজন প্রথিতযশা ব্যক্তিকে বোর্ডে তিন বছরের জন্য মনোনীত করা হয়। ১৯৯৮ সাল থেকে পাকিস্তানের জিন্নাহ সোসাইটি জিন্নাহ অ্যাওয়ার্ড চালু করেছে, তবে সেটাকে আন্তর্জাতিক বলা যায় না; এটি মূলত পাকিস্তান ও এর জনগণের প্রতি বিশেষ অবদানের জন্য দেওয়া হয়। সবচেয়ে বড় কথা, যে নামে পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়, সেই নামটির একটি বিশেষ ভার থাকতে হয়। সেই বিচারে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে যথোপযুক্ত, এতে কোনো সন্দেহ নেই।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 22:07:07 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[কিডনি রোগে আক্রান্ত শিশুর চিকিৎসায় সাহায্য চেয়ে আবেদন]]></title>
				<category>রোগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/swasthyo/rog/article-128475.html</link>
				<description><![CDATA[<p>রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা মো. হায়দার হোসাইনের ১০ বছর বয়সী ছেলে মুহাম্মদ সায়ীদ হোসাইন জন্মগতভাবে কিডনির রোগে আক্রান্ত। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, তার জীবন বাঁচাতে কিডনি প্রতিস্থাপন করা জরুরি। তুরস্কের ইস্তাম্বুলের আজিবাডেম হেলথপয়েন্ট হাসপাতালে তার কিডনি প্রতিস্থাপন করা হবে। শিশুটির মা কামরুন নাহার লিজা কিডনি দিতে ইচ্ছুক।</p><h2>তুরস্কে অবস্থান</h2><p>কিডনি প্রতিস্থাপনের লক্ষ্যে সায়ীদ ও তার মা-বাবা ২১ জুন থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তুরস্কে অবস্থান করবেন। এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে চিকিৎসা ও থাকা-খাওয়ার খরচ বহন করতে হবে পরিবারকে।</p><h2>অর্থের অভাবে সংকট</h2><p>হায়দার হোসাইন জানিয়েছেন, ছেলের এ ব্যয়বহুল (৫৬ লাখ টাকার বেশি) চিকিৎসার খরচ জোগাতে তিনি সাধ্যমতো চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তবে অর্থের পরিমাণ অনেক বেশি হওয়ায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকুরে হায়দার ও তাঁর পরিবারের পক্ষে তা সামাল দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এমন অবস্থায় তিনি দেশি ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছে ছেলের চিকিৎসার জন্য অর্থসহায়তা চেয়েছেন।</p><h3>সাহায্য পাঠানোর উপায়</h3><p>শিশু সায়ীদ হোসাইনকে সাহায্য পাঠাতে—হিসাবের নাম: মো. হায়দার হোসাইন, হিসাব নম্বর: ১২০২৮১৩৬০১০০১, সিটি ব্যাংক, বনানী লেক ভিউ শাখা, রাউটিং নম্বর: ২২৫২৬০৬৩৮, সুইফট কোড: CIBLBDDH. মুঠোফোন ব্যাংকিংয়ে সাহায্য পাঠাতে (বিকাশ) 01924400777।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 21:40:28 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[কুরিয়ারে নাড়ু বলে পাঠানো ১৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার]]></title>
				<category>সীমান্ত</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/shimanto/article-128474.html</link>
				<description><![CDATA[<p>কুমিল্লা থেকে নাড়ু হিসেবে বুকিং দেওয়া একটি পার্সেল থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রায় ১৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। মঙ্গলবার (৯ জুন) রাতে জেলা শহরের শান্তিমোড় এলাকায় এজেআর পার্সেল অ্যান্ড কুরিয়ার সার্ভিসের চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখায় অভিযান চালিয়ে এই বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়।</p><h2>অভিযানের বিবরণ</h2><p>পুলিশ জানায়, দুটি কার্টনের মধ্যে থাকা সাতটি প্যাকেট থেকে মোট প্রায় ১৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। পার্সেলগুলো গত ৭ জুন কুমিল্লা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের উদ্দেশ্যে ‘নাড়ু’ হিসেবে বুকিং দেওয়া হয়েছিল। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাসের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।</p><h3>আটক ও আইনি প্রক্রিয়া</h3><p>এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করা যায়নি। সদর মডেল থানায় এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। একই সঙ্গে গাঁজার সম্ভাব্য গ্রহীতাকে শনাক্ত ও আটক করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান পুলিশ সুপার।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 21:18:13 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ৩৭, আহত ৪৮৭]]></title>
				<category>এশিয়া</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/asia/article-128473.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলে মিন্দানাও দ্বীপে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৭ জনে পৌঁছেছে। উদ্ধারকর্মীরা উপকূলীয় শহর ও জনপদগুলোতে পৌঁছানোর পর মিন্দানাও দ্বীপের ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। ইতিমধ্যে আহতের সংখ্যা ৪৮৭ জনে দাঁড়িয়েছে।</p><h2>ভূমিকম্পের তীব্রতা ও ক্ষয়ক্ষতি</h2><p>জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস (জিএফজেড) জানায়, রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৭ দশমিক ৮। ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে এর উৎপত্তি। ভূমিকম্পে ফিলিপাইনে বহু ভবন ধসে পড়েছে এবং রাস্তাঘাট ফেটে গেছে। দ্বীপটির বিস্তীর্ণ এলাকায় এখনো বিদ্যুৎ ও টেলিযোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন রয়েছে। গত সোমবার সকালে এই ভূমিকম্প আঘাত হানে।</p><h3>সুনামি সতর্কতা ও প্রতিক্রিয়া</h3><p>ভূমিকম্পের পরপর সুনামির সতর্কতা জারি করা হলেও পরে তা তুলে নেওয়া হয়। ইন্দোনেশিয়ার উত্তরের শহর মানাদোর প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সোমবার সেখানেও অত্যন্ত তীব্র ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে।</p><h3>ভৌগোলিক প্রেক্ষাপট</h3><p>ফিলিপাইন ও ইন্দোনেশিয়া ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে অবস্থিত। উভয় দেশই ‘প্যাসিফিক রিং অব ফায়ার’–এর অন্তর্ভুক্ত। এটি দক্ষিণ আমেরিকা থেকে শুরু করে রাশিয়ার দূরপ্রাচ্য পর্যন্ত বিস্তৃত অত্যন্ত ভূমিকম্পপ্রবণ একটি অঞ্চল।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 20:43:14 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[দিনাজপুর সীমান্তে উত্তেজনা নেই, নজরদারি জোরদার বিজিবির]]></title>
				<category>সীমান্ত</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/shimanto/article-128472.html</link>
				<description><![CDATA[<p>দেশের বিভিন্ন স্থানে পুশইন নিয়ে সীমান্তে উত্তেজনা বিরাজ করলেও এখনও স্বাভাবিক রয়েছে দিনাজপুরের সীমান্তগুলো। এরপরও নজরদারি বৃদ্ধি ও টহল জোরদার করে কার্যক্রম চালাচ্ছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। পুশইন ঠেকাতে সীমান্তগুলোতে স্থানীয়দেরও সম্পৃক্ত করা হয়েছে।</p><h2>দিনাজপুর জেলার সীমান্ত পরিস্থিতি</h2><p>বিজিবি সূত্রে জানা যায়, দিনাজপুর জেলার মোট ১৩টি উপজেলার মধ্যে আটটি উপজেলাতেই সীমান্ত রয়েছে। এই জেলার মোট সীমান্ত রয়েছে প্রায় ১৪২ কিলোমিটার। বিজিবির ৩টি ব্যাটালিয়নের আওতায় এসব সীমান্তে নিয়মিত টহল ও নজরদারি করে আসছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত দিয়ে পুশইনের ঘটনায় দিনাজপুরের সীমান্তগুলোতে নজরদারি ও টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে। পুশইন ঠেকাতে এলাকার জনগণের সহযোগিতার আহ্বানও জানানো হয়েছে।</p><h3>রাধিকাপুর সীমান্তে টহল জোরদার</h3><p>মঙ্গলবার (৯ জুন) দিনাজপুরের বিরল উপজেলার রাধিকাপুর সীমান্তে গিয়ে দেখা যায়, নিয়মিত টহলের অংশ হিসেবে বিজিবির সদস্যরা টহল দিচ্ছে। পাশাপাশি হ্যান্ডমাইক নিয়েও সতর্কবার্তা দিয়ে যাচ্ছেন। কিশোরীগঞ্জ বিওপির আওতায় বিজিবির সদস্যরা মূল সড়কের পাশাপাশি জমির কাদামাটির আইলেও টহল জোরদার রেখেছেন।</p><p>সেখানে কর্মরত বিজিবির সদস্যরা জানান, এখন পর্যন্ত এই সীমান্ত স্বাভাবিক রয়েছে। এরপরও পুশইনের মতো ঘটনা যাতে করে না ঘটে সেজন্য সতর্কাবস্থায় রয়েছেন তারা। সীমান্ত এলাকাগুলোতে বিজিবির সদস্যরা দিন-রাত দায়িত্ব পালন করছে। যে কোনো ধরনের পরিস্থিতিতে বিজিবির সদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করছেন।</p><h3>স্থানীয়দের সহযোগিতা</h3><p>রাধিকাপুর এলাকার হবিবর রহমান বলেন, ‘আমরাও রাতে উঠে দেখি যে সীমান্তের কোনো লাইট বন্ধ হয়ে গেছে কি না। যদি লাইট বন্ধ হয়ে যায়, সেই সুযোগে বিএসএফ পুশইনের ঘটনা ঘটায়। এজন্য আমরাও বিজিবিকে সহায়তার জন্য সতর্ক রয়েছি।’</p><p>ওই এলাকার লুৎফর রহমান বলেন, ‘আমরা চাই না সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা বৃদ্ধি পাক। কারণ এই সীমান্ত এলাকাতেই মাঠে আমাদের কাজ করতে হয়। যদি উত্তেজনা বৃদ্ধি পায় তাহলে আমাদের কাজ করার অসুবিধা হয়ে যাবে। ফসল ফলানো অসুবিধা হয়ে যাবে।’</p><h3>বিজিবির বক্তব্য</h3><p>দিনাজপুর-৪২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুল্লাহ আল মঈন হাসান বলেন, ‘এখন পর্যন্ত দিনাজপুরের সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা নেই। সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল ও নজরদারি কার্যক্রম জোরদার রয়েছে এবং সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে আছে।’</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 20:51:19 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[শিক্ষার্থী সংকটে বগুড়ায় ৮ কারিগরি প্রতিষ্ঠানের ভর্তি স্থগিত]]></title>
				<category>কারিগরি শিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/karigori-shikkha/article-128471.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বগুড়ায় শিক্ষার্থী সংকটের কারণে আটটি বেসরকারি ডিপ্লোমা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত ও পাঠদান অনুমোদন বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড। এ লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে।</p><h2>শোকজ পাওয়া প্রতিষ্ঠানসমূহ</h2><p>বোর্ডের তালিকায় থাকা বগুড়ার আটটি প্রতিষ্ঠান হলো— মহানগরীর বনানী এলাকার বগুড়া টেকনোলজিকাল ইনস্টিটিউট, শিববাটি এলাকার কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, কানুছগাড়ী এলাকার বগুড়া ইনস্টিটিউট অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং, শিববাটি এলাকার একাডেমিক অ্যান্ড প্রফেশনাল ইনস্টিটিউট, শাজাহানপুর উপজেলার শাকপালা এলাকার বগুড়া সেন্ট্রাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, শেরপুর উপজেলার শেরউড পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, শালফা এলাকার শালফা টেকনোলজিকাল ইনস্টিটিউট এবং খেঁজুরতলা মাল্টিপারপাস অ্যান্ড হায়ার পলিটেকনিক।</p><h2>কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা</h2><p>বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চিঠিতে বলা হয়েছে, বোর্ডের আওতাধীন ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং, ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল এবং ডিপ্লোমা ইন অ্যাগ্রিকালচার শিক্ষাক্রমে যেসব প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি হচ্ছে না, সেসব প্রতিষ্ঠানের ২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত করা হতে পারে। একই সঙ্গে তাদের পাঠদান অনুমোদন কেন বাতিল বা প্রত্যাহার করা হবে না, সে বিষয়ে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।</p><p>গত ৪ জুন বোর্ডের পরিদর্শক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ও সচিব মো. আল মাসুদ করিম স্বাক্ষরিত চিঠিতে আগামী ১৮ জুনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে লিখিত ব্যাখ্যা জমা দিতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যৌক্তিক ও সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নীতিমালা অনুযায়ী চূড়ান্ত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p><h2>সারাদেশে ১৪৭ প্রতিষ্ঠান শোকজ</h2><p>কারিগরি শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, শুধু বগুড়া বা উত্তরাঞ্চল নয়, একই কারণে সারা দেশের মোট ১৪৭টি বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে শোকজ করা হয়েছে। এর মধ্যে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাক্রমের ১২০টি, ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল শিক্ষাক্রমের ১২টি এবং ডিপ্লোমা ইন অ্যাগ্রিকালচার শিক্ষাক্রমের ১৫টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।</p><p>বোর্ডের তালিকা অনুযায়ী, উত্তরাঞ্চলের মধ্যে রাজশাহী বিভাগের আট জেলার ৩৩টি এবং রংপুর বিভাগের ছয় জেলার সাতটি প্রতিষ্ঠান এই ব্যবস্থার আওতায় এসেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রতিষ্ঠান রয়েছে বগুড়া জেলায়। জেলাভিত্তিক তালিকায় বগুড়ার আটটি, নওগাঁর সাতটি, রাজশাহীর ছয়টি, চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিনটি, জয়পুরহাটের দুটি এবং সিরাজগঞ্জের একটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এ ছাড়া রংপুর বিভাগের পঞ্চগড়ের দুটি এবং গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, রংপুর, লালমনিরহাট ও নীলফামারী জেলায় একটি করে প্রতিষ্ঠান রয়েছে।</p><h2>নীতিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা</h2><p>‘বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, পাঠদান ও স্বীকৃতি প্রদান সংক্রান্ত নীতিমালা-২০২০’-এর উপবিধি ৫.৪ অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো প্রতিষ্ঠানের ফলাফল, অবকাঠামো, শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ, ব্যবস্থাপনা কমিটি, আসবাবপত্র, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, গ্রন্থাগার কিংবা অনুমোদনের অন্যান্য শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে সরকারের অনুমোদনক্রমে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড যেকোনো সময় সেই প্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমতি বাতিল বা প্রত্যাহার করতে পারে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 20:20:39 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ইসলামী ব্যাংক ইস্যুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা জামায়াত আমিরের]]></title>
				<category>জাতীয় সংসদ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/jatiyo-shongshod/article-128470.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ইসলামী ব্যাংক নিয়ে সংসদে দেওয়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি অভিযোগ করেন, বক্তব্যে পরোক্ষভাবে জামায়াতকে লক্ষ্য করা হয়েছে, তবে সরাসরি নাম উল্লেখ করা হয়নি। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যে অভিযোগ তুলেছেন তা একটি নির্দিষ্ট দলের দিকে ইঙ্গিত করে। 'নাম বলে দিলেই পারতেন জামায়াতে ইসলামী। মাঝেমধ্যে নেকাব খোলা ভালো—এখানে খুললেন না কেন?'—বলেন তিনি।</p><h2>৭০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে বিতর্ক</h2><p>ইসলামী ব্যাংক থেকে ৭০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে নির্বাচনী তহবিলে অর্থায়নের অভিযোগ প্রসঙ্গে শফিকুর রহমান বলেন, এ অভিযোগে জামায়াতকে বোঝানো হয়ে থাকলে তিনি তা প্রমাণের চ্যালেঞ্জ দিচ্ছেন। তিনি বলেন, 'যদি প্রমাণ করতে পারেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে তাকে মেডেল দেব।' দলীয় তহবিলে এক টাকাও এভাবে এলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।</p><h2>আরডিএস প্রসঙ্গে প্রত্যাখ্যান</h2><p>রুরাল ডেভেলপমেন্ট স্কিম (আরডিএস) প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যও প্রত্যাখ্যান করেন জামায়াতের আমির। তার দাবি, আরডিএস কোনো রাজনৈতিক দল বা ধর্মভিত্তিক প্রকল্প নয়। ১১ হাজার কোটি টাকার অর্থায়নের যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, তা কারা নিয়েছে সে বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা চাওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।</p><h2>শেয়ারহোল্ডার ও এস আলম প্রসঙ্গ</h2><p>শেয়ারহোল্ডারদের প্রসঙ্গ তুলে শফিকুর রহমান বলেন, কীভাবে কারা শেয়ারহোল্ডার হয়েছেন তা পরে নয়, আগেই প্রকাশ হওয়া উচিত। এস আলমের নাম উল্লেখ না করে তিনি দাবি করেন, একজন ব্যক্তি নিজের নামে ৮২ হাজার কোটি টাকা নিয়েছেন এবং ৮২ শতাংশ শেয়ারের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন, যার বাজারমূল্য ছিল প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা। তার অভিযোগ, বিশেষ একটি সংস্থার চাপের মাধ্যমে শেয়ার হস্তান্তর করা হয়েছে।</p><h2>অর্থনীতিতে প্রভাবের আশঙ্কা</h2><p>ইসলামী ব্যাংক কোনো একটি দলের নয় উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক মতের মানুষ ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বীরাও এই ব্যাংকের গ্রাহক। তিনি সতর্ক করে বলেন, ব্যাংকটি আরও ক্ষতিগ্রস্ত হলে দেশের অর্থনীতিতে গুরুতর প্রভাব পড়তে পারে। জোরপূর্বক হস্তান্তর করা শেয়ার আগের মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এরপর নিয়ম অনুযায়ী বোর্ড গঠন ও পরিচালনা করা হলে তাতে তাদের সমর্থন থাকবে।</p><h2>আমানতকারীদের ভোগান্তি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা</h2><p>কয়েকটি ব্যাংকের আমানতকারীরা অর্থ ফেরত পেতে ভোগান্তিতে আছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের বৃহৎ কোনো ব্যাংকে একই পরিস্থিতি তৈরি হলে তার পরিণতি গুরুতর হবে। শফিকুর রহমান আরও অভিযোগ করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে এস আলমকে ব্যবহার করে ব্যাংকটি ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে এবং বর্তমানে তাকে ফের সক্রিয় করার চেষ্টা চলছে। ইসলামী ব্যাংকের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধেও তিনি অভিযোগ তুলে বলেন, দায়িত্বে থাকাকালে সংশ্লিষ্ট অনিয়মে তার ভূমিকা ছিল। সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 20:21:16 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[নির্বাচনী সুবিধায় ইসলামী ব্যাংক থেকে ১১ হাজার কোটি টাকা বিতরণের অভিযোগ]]></title>
				<category>আওয়ামী লীগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/awami-league/article-128469.html</link>
				<description><![CDATA[<p>জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ দাবি করেছেন, নির্বাচনি সুবিধা নেওয়ার উদ্দেশ্যে ইসলামী ব্যাংকের একটি প্রকল্প থেকে ১১ হাজার কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) কার্যপ্রণালি বিধির ৬৮ অনুযায়ী আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।</p><h2>আরডিএস প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য</h2><p>মন্ত্রী বলেন, ইসলামী ব্যাংকের আরডিএস (রুরাল ডেভেলপমেন্ট স্কিম) প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল গ্রামীণ পর্যায়ে ৫, ১০ বা ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ, যেখানে নারী গ্রাহকের সংখ্যা বেশি। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচনের আগে ১০ হাজার টাকা করে অনেক নারীকে ঋণ দেওয়া হয় এবং তা ভোট প্রভাবিত করতে ব্যবহার করা হয়েছে।</p><h3>অভিযোগ ও বিতরণের পরিমাণ</h3><p>সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আরডিএস প্রকল্পের আওতায় মোট ২২ হাজার কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ হাজার কোটি টাকা আগে দেওয়া হলেও ৫ আগস্টের পর নির্বাচনি বৈতরণী পার হওয়ার লক্ষ্যে আরও ১১ হাজার কোটি টাকা বিতরণ করা হয়। এই অর্থের সুনির্দিষ্ট হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না বলে দাবি করেন তিনি।</p><h3>অন্যান্য অনিয়ম</h3><p>মন্ত্রী আরও অভিযোগ করেন, একটি শিল্পগোষ্ঠীকে ৭০০ কোটি টাকা এবং প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদন ছাড়াই আরেকটি গ্রুপকে ৪০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ব্যাংকটিতে বিধিবহির্ভূতভাবে প্রায় ৯ হাজার দক্ষ কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। তাদের পরিবর্তে রাজনৈতিক পরিচয়সম্পন্ন ৬ হাজার নতুন কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয় এবং প্রায় ১৩ হাজার কর্মীকে নিয়মবহির্ভূতভাবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে বলে সংসদে দাবি করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 20:03:23 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[পেন্টাগনে আস্থাহীনতা ও সন্দেহের পরিবেশ, শিকার সেনাপ্রধান]]></title>
				<category>নিরাপত্তা বাহিনী</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/nirapotta-bahini/article-128468.html</link>
				<description><![CDATA[<p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগনে এখন চরম আস্থাহীনতা আর সন্দেহের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ তাঁর চারপাশের সামরিক–বেসামরিক কর্মকর্তাদের আনুগত্য নিয়ে সংশয়ে ভুগছেন। এ পরিস্থিতির সর্বশেষ শিকার মার্কিন সেনাপ্রধান জেনারেল র‍্যান্ডি জর্জ, যাঁকে আকস্মিকভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। পেন্টাগনের বর্তমান ও সাবেক ১৫ কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।</p><h2>তথ্য গোপন ও পলিগ্রাফ টেস্ট</h2><p>অভিযোগ উঠেছে, হেগসেথ পেন্টাগনের সব তথ্য তাঁর দপ্তরের মধ্যে কঠোরভাবে গোপন রাখছেন। তাঁর প্রচণ্ড অবিশ্বাসের কারণে সামরিক অভিযান সম্পর্কে জানতে কিছু সেনাকে গোপনীয়তা রক্ষার চুক্তিতে (এনডিএ) স্বাক্ষর করতে হচ্ছে এবং পেন্টাগনে ‘পলিগ্রাফ টেস্ট’ বা মিথ্যা শনাক্তকরণ পরীক্ষা নিয়মিত বিষয়ে পরিণত হয়েছে। এমনকি সেনাপ্রধানের কর্মজীবনেও সরাসরি হস্তক্ষেপ করছিলেন হেগসেথ; সম্প্রতি তিনি নিজে চারজন কর্নেলের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদের পদোন্নতি আটকে দেন।</p><h2>সেনাপ্রধানকে বরখাস্ত</h2><p>এই টানাপোড়েন কমাতে গত ১ এপ্রিল সেনাপ্রধান জেনারেল জর্জ প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে একটি বৈঠকের অনুরোধ করেছিলেন; কিন্তু সেই বৈঠক আর হয়নি। পরদিনই তাঁকে বরখাস্ত করা হয়। বরখাস্তের খবরটি এতটাই সংক্ষিপ্ত ও সরাসরি ছিল যে কোনো ব্যাখ্যা পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। জেনারেল জর্জের এই বিদায় পেন্টাগনে আস্থাহীনতার জন্ম দিয়েছে।</p><p>পেন্টাগনের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রতিদিন আমাদের হিসাব কষে কাজ করতে হয়। এই সিদ্ধান্তের ফলে বসের চাকরি থাকবে তো, নাকি তিনি বরখাস্ত হবেন? এমন পরিস্থিতি সত্যিই নজিরবিহীন।’</p><p>তবে পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পার্নেল এই অভিযোগ অস্বীকার করে একে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেছেন। তিনি জানান, প্রেসিডেন্টের অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামরিক নেতৃত্বকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।</p><h2>পেন্টাগনে টিকে থাকার উপায়</h2><p>পেন্টাগনের ভেতরে এখন পদে টিকে থাকার একমাত্র উপায়—যথাসম্ভব চুপচাপ থাকা এবং হেগসেথের নজর এড়িয়ে চলা। ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ ও বিশ্বাসের অভাবে এখন পেন্টাগনে কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।</p><h2>হেগসেথের দ্বন্দ্ব</h2><p>ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় পেন্টাগনের দেওয়া হিসাবের চেয়ে দ্বিগুণ হতে পারে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে হেগসেথ এই সংঘাতকে বিশাল সাফল্য হিসেবে চিত্রিত করতে ব্যস্ত এবং সংবাদমাধ্যমের সমালোচনামূলক প্রতিবেদনকে ‘দেশদ্রোহী’ বলে আখ্যা দিচ্ছেন। তবে হরমুজ প্রণালি বন্ধে ইরানের পদক্ষেপের ফলে উদ্ভূত অর্থনৈতিক বাস্তবতায় ট্রাম্প ক্ষুব্ধ হওয়ায় হেগসেথ আবারও তথ্য ফাঁসের তদন্তে মেতে উঠেছেন। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এখন সেনাদের তথ্য ফাঁসের বিষয়ে বারবার জিজ্ঞাসাবাদ করছে। এক সেনা কর্মকর্তা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘তারা আমাদের সঙ্গে এমন আচরণ করছে, যেন আমরাই শত্রু।’</p><p>হেগসেথের এই দ্বন্দ্ব কেবল সেনাবাহিনীর সঙ্গেই নয়, অন্যান্য বিভাগের প্রধানদের সঙ্গেও চলছে। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণে সেনাবাহিনীর সচিব ড্যান ড্রিসকলকে শুরু থেকেই সন্দেহের চোখে দেখছেন হেগসেথ। এ ছাড়া জেনারেল জর্জকে সরানোর কয়েক মাস আগেই তিনি সেনাবাহিনীর ভাইস চিফ অব স্টাফ জেনারেল জেমস মিঙ্গুসকে সরিয়ে নিজের সামরিক সহকারী জেনারেল ক্রিস লানেভকে সেই পদে বসান, যিনি এখন ভারপ্রাপ্ত সেনাপ্রধান।</p><h2>নৌবাহিনীর সচিবও বরখাস্ত</h2><p>জেনারেল জর্জের বিদায়ের কয়েক সপ্তাহ পর নৌবাহিনীর সচিব জন ফেলানকেও আকস্মিকভাবে বরখাস্ত করা হয়। জাহাজ নির্মাণে ধীরগতি এবং ট্রাম্পের সঙ্গে ফেলানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়ে হেগসেথের সন্দেহের কারণেই তাঁকে বরখাস্ত করা হয় বলে জানা গেছে।</p><h2>ট্রাম্পের সমর্থন</h2><p>পেন্টাগনের ভেতরে এত নাটকীয়তা ও অসন্তোষ চললেও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো হেগসেথের পাশেই রয়েছেন। সম্প্রতি মন্ত্রিসভার এক শুনানিতে নিজের পাশে বসা হেগসেথকে ইঙ্গিত করে ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের যুদ্ধমন্ত্রী পিট হেগসেথ একদম উপযুক্ত চরিত্র। ও যুদ্ধ ভালোবাসে।’</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 19:53:23 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[চট্টগ্রামে শিশু ধর্ষণ মামলা: ২০ দিনে বিচার শুরু, চার্জ গঠন]]></title>
				<category>চিকিৎসা প্রযুক্তি</category>
				<link>https://bdgazette.com/swasthyo/chikitsha-projukti/article-128467.html</link>
				<description><![CDATA[<p>চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের চাঞ্চল্যকর মামলায় অভিযুক্ত মনির হোসেনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (৯ জুন) চট্টগ্রাম মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দা হাফছা ঝুমা শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। একইসঙ্গে আগামী ১০ জুন বুধবার সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে। চট্টগ্রামে এটিই প্রথম কোনো ধর্ষণ মামলা, যেখানে ঘটনার দুই সপ্তাহের মাথায় চার্জশিট দেওয়া হয়েছে এবং ২০ দিনের মাথায় বিচার শুরু হলো।</p><h2>ঘটনার বিবরণ</h2><p>পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ২১ মে নগরীর বাকলিয়া থানাধীন নুর হোসেন চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকায় একটি গুদামঘরে ৫ বছর বয়সি এক শিশুকে ধর্ষণ করে স্থানীয় বাসিন্দা মেহেদি হাসানের ছেলে মনির হোসেন (৩০)। স্থানীয় লোকজন তাকে ঘটনাস্থলেই আটক করে। পুলিশ এসে তাকে হেফাজতে নিতে চাইলে জনতা পুলিশকে ঘেরাও করে এবং আসামিকে তাদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। হাজার হাজার লোকের ভিড়ে কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে বিদ্যুৎ বন্ধ করে পুলিশের পোশাক পরিয়ে মনির হোসেনকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের তুলাতুলি এলাকা সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।</p><h3>মামলা প্রক্রিয়া</h3><p>ধর্ষিতার পিতা মেহেদী হাসান বাদী হয়ে বাকলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় নির্দিষ্ট ৫৮ জনসহ ৪০০-৫০০ জনের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা করা হয়। এসআই তানভির আহমেদ ধর্ষণ মামলার তদন্ত করে গত ৪ জুন আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। আসামি মনির হোসেন আগে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার এজাহারে ১৩ জনকে সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।</p><h2>আদালতের নির্দেশনা</h2><p>আদালত মঙ্গলবার একমাত্র আসামি মনির হোসেনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে ১৪ জুন সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন। একদিনেই ১০ জনকে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছে, দ্রুততার সঙ্গে এই মামলার বিচার শেষ করা হবে। বাকলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ সোলাইমান জানান, দ্রুততার সঙ্গে তদন্ত শেষ হয়েছে এবং অপর মামলার তদন্ত চলছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 20:14:10 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[সাভারে মাদক মামলার আসামি ধরতে গিয়ে পুলিশের ওপর হামলা, আহত ২]]></title>
				<category>নিরাপত্তা বাহিনী</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/nirapotta-bahini/article-128466.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ঢাকার সাভারে মাদক মামলার পরোয়ানাভুক্ত এক আসামিকে ধরতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন দুই পুলিশ সদস্য। তাদের সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার বক্তারপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।</p><h2>আহত পুলিশ সদস্যরা</h2><p>আহত দুই পুলিশ সদস্য হলেন সাভার মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এসএম শামীম ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মশিউর রহমান খান।</p><h3>ঘটনার বিবরণ</h3><p>আহত এসআই শামীম জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মাদক মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি রফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করতে তিনি এবং এএসআই মশিউর রহমান বক্তারপুর এলাকায় যান। অভিযানের একপর্যায়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রফিকুলকে গ্রেফতার করেন। এরপর হাতকড়া পরাতে গেলে রফিকুলসহ সাত-আটজন লোক লাঠি নিয়ে তাদের দুজনকে মারধর করেন। একপর্যায়ে আরও কয়েকজন মিলে ৪০ থেকে ৫০ জনের একটি দল তাদের মারধর করে রফিকুলকে ছিনিয়ে নেয়। পরে ঘটনাস্থলের কাছাকাছি থাকা পুলিশের আরেকটি দল সেখানে গিয়ে তাদের উদ্ধার করেন। এর আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।</p><h2>হাসপাতালে চিকিৎসা</h2><p>সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ফারদিন আব্দুর রাজ্জাক বলেন, রাত সাড়ে ৮টার দিকে দুজন পুলিশ সদস্যকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।</p><h3>মামলা দায়েরের প্রস্তুতি</h3><p>সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নূর মোহাম্মদ বলেন, পরোয়ানাভুক্ত আসামি ধরতে গেলে দুজন পুলিশ সদস্যের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। আহত দুই পুলিশ সদস্যকে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা করা হবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 19:34:36 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[তিস্তা নদী: দ্বন্দ্ব নয়, অংশীদারিত্বের চ্যালেঞ্জ]]></title>
				<category>আন্তর্জাতিক অর্থনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/antorjatik-orthoniti/article-128465.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের কয়েকটি বিষয় তিস্তা নদীর মতো এতটা আবেগ জাগিয়ে তোলে না। বাংলাদেশের জন্য তিস্তা উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে লক্ষ লক্ষ কৃষকের জীবনরেখা। ভারতের জন্য, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য এবং সিকিমের হিমালয় অঞ্চলের জন্য, নদীটি কৃষি, জীবিকা এবং উন্নয়নের জন্য সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এই কারণেই তিস্তাকে দুটি প্রতিযোগী পক্ষের মধ্যে বিরোধ হিসেবে না দেখে বরং একটি ভাগ করা চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা উচিত যা কেবল অংশীদারিত্বের মাধ্যমেই সমাধান করা সম্ভব।</p><h2>তিস্তার উৎপত্তি ও গুরুত্ব</h2><p>তিস্তা সিকিমের পূর্ব হিমালয় থেকে উৎপন্ন হয়ে উত্তর পশ্চিমবঙ্গের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে যমুনা নদীতে মিলিত হয়েছে। তার যাত্রাপথে এটি উভয় দেশের সম্প্রদায়, কৃষি এবং বাস্তুতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখে। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এটি দুই দেশের ভবিষ্যৎকে একসাথে বেঁধে রাখে যাদের সমৃদ্ধি ক্রমবর্ধমানভাবে পরস্পর সংযুক্ত।</p><h2>বাংলাদেশের জন্য গুরুত্ব</h2><p>বাংলাদেশের জন্য নদীটি খাদ্য নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিস্তা অববাহিকা রংপুর এবং আশেপাশের জেলাগুলোতে লক্ষ লক্ষ মানুষকে সমর্থন করে। শুষ্ক মৌসুমে, জলপ্রবাহ হ্রাস সেচ, ফসলের ফলন এবং গ্রামীণ আয়কে প্রভাবিত করে। কৃষকরা প্রায়শই অভিযোগ করেন যে পানির অভাব তাদের বার্ষিক একাধিক ফসল চাষের ক্ষমতা সীমিত করে দেয়। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আবহাওয়ার পরিবর্তনশীলতা বাড়ার সাথে সাথে এই উদ্বেগগুলি আরও জরুরি হয়ে উঠেছে।</p><h2>ভারতের বৈধ উদ্বেগ</h2><p>ভারত, তবে, তার নিজস্ব বৈধ উদ্বেগের মুখোমুখি। তিস্তা উত্তর বাংলায় সেচ প্রকল্পগুলিকে সমর্থন করে এবং সিকিমে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে অবদান রাখে। জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, কালিম্পং এবং দার্জিলিং জেলার কৃষকরাও নদীর উপর নির্ভরশীল। তাই কোনো টেকসই চুক্তিতে অবশ্যই সীমান্তের উভয় পাশের নাগরিকদের চাহিদার ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। এই বাস্তবতা প্রায়শই রাজনৈতিক বিতর্কে হারিয়ে যায়। পানি বণ্টন কেবল একটি কূটনৈতিক ব্যায়াম নয়। এতে প্রতিযোগিতামূলক মৌসুমী চাহিদা, পরিবর্তনশীল বৃষ্টিপাতের ধরণ, পরিবেশগত স্থায়িত্ব এবং রাজ্য সরকার ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের স্বার্থ জড়িত। একটি সফল চুক্তি অবশ্যই এই জটিলতাগুলিকে স্বীকার করবে, উপেক্ষা করবে না।</p><h2>সহযোগিতার শক্তিশালী যুক্তি</h2><p>তবে এই চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও, সহযোগিতার পক্ষে যুক্তি আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী। ভারত এবং বাংলাদেশ আজ দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে সফল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কগুলির একটি উপভোগ করছে। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য গত দশকে নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়ে বার্ষিক ১৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। ভারত বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদার হয়ে উঠেছে, অন্যদিকে বাংলাদেশ এই অঞ্চলে ভারতের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার।</p><p>দুই দেশ এমন কিছু ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে যেখানে অনেকে অগ্রগতি অসম্ভব বলে মনে করেছিল। ২০১৫ সালের স্থল সীমানা চুক্তি শান্তিপূর্ণভাবে একটি বিরোধ নিষ্পত্তি করেছিল যা বিভাগের পর থেকে বিদ্যমান ছিল। নিরাপত্তা সহযোগিতা অভূতপূর্ব স্তরে পৌঁছেছে। কয়েক দশক আগে হারিয়ে যাওয়া সংযোগ লিঙ্কগুলি রেলপথ, জলপথ এবং সড়ক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পুনরুদ্ধার করা হচ্ছে। তিস্তা এখন একটি অন্যথায় সমৃদ্ধ অংশীদারিত্বের শেষ বড় অমীমাংসিত বিষয়গুলির একটি হিসাবে দাঁড়িয়ে আছে।</p><h2>কৌশলগত যুক্তি</h2><p>একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য একটি বাধ্যতামূলক কৌশলগত যুক্তিও রয়েছে। উভয় দেশই জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। দক্ষিণ এশিয়া বন্যা, খরা এবং অনিয়মিত বৃষ্টিপাতের জন্য ক্রমশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। হিমালয়ের হিমবাহগুলি সরে যাচ্ছে, আবহাওয়ার ধরণগুলি কম অনুমানযোগ্য হয়ে উঠছে এবং পানি ব্যবস্থাপনা একটি জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যু হিসাবে আবির্ভূত হচ্ছে।</p><p>এই পরিবেশে, কেবল পানি ভাগ করে নেওয়া যথেষ্ট হবে না। ভারত এবং বাংলাদেশের যৌথ নদী অববাহিকা ব্যবস্থাপনার উপর ভিত্তি করে একটি বিস্তৃত কাঠামো প্রয়োজন। এর মধ্যে রিয়েল-টাইম ডেটা ভাগাভাগি, বন্যার পূর্বাভাস, পানি সংরক্ষণ প্রকল্প, দক্ষ সেচ ব্যবস্থা এবং পরিবেশ সুরক্ষা ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত থাকা উচিত। একটি আধুনিক চুক্তি শুধুমাত্র পানি ভাগ করে নেওয়ার উপর নয় বরং পানির সামগ্রিক প্রাপ্যতা এবং দক্ষ ব্যবহার বৃদ্ধির উপরও মনোযোগ দিতে হবে।</p><h2>অর্থনৈতিক সুবিধা ও আস্থা</h2><p>অর্থনৈতিক সুবিধাগুলি উল্লেখযোগ্য হবে। উন্নত পানি ব্যবস্থাপনা কৃষি উৎপাদনশীলতা বাড়াতে, খাদ্য নিরাপত্তা শক্তিশালী করতে এবং সীমান্তের উভয় পাশে গ্রামীণ উন্নয়নকে সমর্থন করতে পারে। এটি বৃহত্তর রাজনৈতিক আস্থাও তৈরি করবে, যা বাণিজ্য, জ্বালানি, সংযোগ এবং বিনিয়োগের মতো ক্ষেত্রে সহযোগিতা সহজতর করবে।</p><p>সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে, একটি তিস্তা চুক্তি দক্ষিণ এশিয়ার ভবিষ্যত সম্পর্কে একটি শক্তিশালী বার্তা পাঠাবে। এমন এক সময়ে যখন বিশ্বের অনেক অঞ্চল সম্পদের উপর ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতা প্রত্যক্ষ করছে, ভারত এবং বাংলাদেশ প্রদর্শন করবে যে ভাগ করা নদীগুলি দ্বন্দ্বের উৎসের পরিবর্তে সহযোগিতার হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে।</p><h2>উপসংহার: ভাগ করা দায়িত্ব, ভাগ করা সমৃদ্ধি</h2><p>কোনো দেশই একা তিস্তা চ্যালেঞ্জ সমাধান করতে পারে না। ভূগোল তাদের অংশীদার করে তোলে তারা তা পছন্দ করুক বা না করুক। তাই এর ভবিষ্যৎ একতরফা পদক্ষেপের উপর নয় বরং পারস্পরিক বোঝাপড়ার উপর নির্ভর করে। সুসংবাদটি হলো যে উভয় দেশেরই সাফল্যের ভিত্তি ইতিমধ্যেই বিদ্যমান। দশকের পর দশকের সহযোগিতা, শক্তিশালী জনগণের মধ্যে সম্পর্ক, ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক আন্তঃনির্ভরতা এবং কঠিন চ্যালেঞ্জগুলি কাটিয়ে ওঠার ইতিহাস আশাবাদের কারণ সরবরাহ করে।</p><p>তিস্তাকে আর ভারত ও বাংলাদেশ যা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে তার প্রতীক হিসেবে দেখা উচিত নয়। বরং, এটি একটি সম্পর্কের পরবর্তী মহান সাফল্যের গল্প হয়ে উঠুক যা বারবার দেখিয়েছে যে প্রতিবেশীরা একসাথে কাজ করলে কী সম্ভব। ভারত ও বাংলাদেশের জন্য পছন্দটি স্পষ্ট: ভাগ করা পানি, ভাগ করা দায়িত্ব এবং শেষ পর্যন্ত ভাগ করা সমৃদ্ধি।</p><p>লেখক: ঋষি সুরি, দ্য ডেইলি মিলাপের প্রধান সম্পাদক। মতামত লেখকের নিজস্ব।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 19:30:41 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[পুলিশের দুর্বলতা ও অপরাধের সাহসিকতা: এক বিপজ্জনক পরিস্থিতি]]></title>
				<category>মানবাধিকার</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/manbadhikar/article-128464.html</link>
				<description><![CDATA[<p>আমাদের দেশে আজ এক অদ্ভুত দ্বন্দ্ব উন্মোচিত হচ্ছে। বছরের পর বছর নাগরিকরা অভিযোগ করতেন পুলিশ খুব শক্তিশালী। আজ অনেকেই অভিযোগ করেন পুলিশ খুব দুর্বল। এই বিদ্রুপ উপেক্ষা করা কঠিন। একসময় যে সমাজ পুলিশকে ভয় পেত, এখন সে সমাজ ক্রমশ অকার্যকর পুলিশিংয়ের পরিণতি নিয়ে ভীত।</p><h2>বিদ্রোহ ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রভাব</h2><p>জুলাই অভ্যুত্থান এবং আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ পুলিশ তার ইতিহাসের সবচেয়ে অশান্ত সময়ের একটিতে প্রবেশ করে। পুলিশ স্টেশনগুলো আক্রান্ত হয়, কর্মকর্তারা হামলার শিকার হন, অনেক সিনিয়র কর্মকর্তা আত্মগোপনে চলে যান এবং বাহিনীটি সাম্প্রতিক দশকগুলিতে অভূতপূর্ণ জনশত্রুতার মুখোমুখি হয়। পরবর্তীতে অন্তর্বর্তী সরকার এবং পরে বিএনপি নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের অধীনে নতুন নেতৃত্ব, পুনর্গঠন উদ্যোগ এবং প্রতিষ্ঠানিক সংস্কারের চেষ্টা করা হয়। তবে এসব প্রচেষ্টা সত্ত্বেও, বাহিনীটি সেই ধাক্কা থেকে পুরোপুরি সেরে উঠেছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়।</p><h2>পরিসংখ্যানে অপরাধের চিত্র</h2><p>পুলিশ সদর দফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ছয় মাসে সারা দেশে পুলিশ কর্মীদের ওপর ২৮৩টি হামলা হয়েছে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ জানিয়েছে, বর্তমান সরকারের প্রথম ১০০ দিনে দেশে ৬০৫টি খুন এবং ১৯৬টি অপহরণ ঘটেছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পরিসংখ্যান দেখায় যে ২০২৬ সালের মার্চ থেকে মে মাসের মধ্যে শুধুমাত্র ৫৭টি খুন, ৯০টি ডাকাতি ও দস্যুতা, ৫৪টি অপহরণ এবং ৪২৮টি চুরির ঘটনা ঘটেছে। পরিসংখ্যান কখনোই পুরো গল্প বলে না। তবে তারা প্রায়শই এমন নিদর্শন প্রকাশ করে যা জনবিতর্ক স্বীকার করতে সংগ্রাম করে।</p><p>ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ শুধু অপরাধের সংখ্যা নয়। অপরাধ প্রতিটি দেশেই বিদ্যমান, সরকার, আদর্শ বা অর্থনৈতিক উন্নয়ন নির্বিশেষে। গভীর উদ্বেগ হলো এই ধারণা যে অপরাধীরা আরও সাহসী হচ্ছে, অন্যদিকে আইন প্রয়োগকারীরা ক্রমশ সতর্ক হয়ে উঠছে।</p><h2>পুলিশিংয়ের মনস্তাত্ত্বিক দিক</h2><p>এই পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ কারণ পুলিশিং মূলত মনস্তাত্ত্বিক। অধিকাংশ মানুষ আইন মেনে চলে কারণ প্রতিটি মোড়ে একজন পুলিশ অফিসার শারীরিকভাবে উপস্থিত থাকে না। তারা মেনে চলে কারণ তারা বিশ্বাস করে যে রাষ্ট্রের কাছে প্রয়োজন হলে আইন প্রয়োগ করার ক্ষমতা এবং ইচ্ছা আছে। তাই পুলিশিংয়ের কার্যকারিতা শুধু জনশক্তি, অস্ত্র বা প্রযুক্তির উপর নির্ভর করে না। এটি নির্ভর করে বৈধতা, আস্থা এবং জনগণের বিশ্বাসের উপর। ইউনিফর্ম নিজেই সেই সম্মিলিত বিশ্বাস থেকে শক্তি অর্জন করে যে এর পিছনের প্রতিষ্ঠানটি সিদ্ধান্তমূলক এবং ন্যায্যভাবে কাজ করতে সক্ষম। একবার সেই বিশ্বাস দুর্বল হতে শুরু করলে, সমস্যাগুলি দ্রুত দেখা দেয়।</p><p>সাম্প্রতিক ঘটনাগুলি এই বাস্তবতা চিত্রিত করে। ট্রাফিক পুলিশ কর্মীদের নিয়মিত দায়িত্ব পালনের সময় হামলার খবর পাওয়া যায়। যানবাহন চালকরা ক্রমশ ট্রাফিক নিয়মকে চ্যালেঞ্জ করে এবং খোলাখুলিভাবে কর্মকর্তাদের সাথে তর্ক করে। পুলিশ স্টেশনগুলি এমন ঘটনায় বিক্ষোভকারীদের দ্বারা ঘেরাও হয় যা আগে প্রশাসনিক চ্যানেলের মাধ্যমে সমাধান করা যেত। কিছু ক্ষেত্রে, পুলিশ কর্মীরা আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘনের মুখেও জোরালোভাবে হস্তক্ষেপ করতে অনিচ্ছুক বলে মনে হয়।</p><h2>প্রাতিষ্ঠানিক কর্তৃত্বের ক্ষয়</h2><p>এই উন্নয়নগুলি সম্পর্কহীন মনে হতে পারে। বাস্তবে, এগুলি একই ঘটনার সংযুক্ত প্রকাশ: প্রাতিষ্ঠানিক কর্তৃত্বের ধীরে ধীরে ক্ষয়। অনেক কর্মকর্তা নিজেরাই স্বীকার করেন যে ৫ আগস্ট বাহিনীর মধ্যে গভীর মনস্তাত্ত্বিক দাগ রেখে গেছে। সমস্যাটি কেবল প্রশাসনিক পুনর্গঠন বা নেতৃত্ব পরিবর্তন নয়। এটি আত্মবিশ্বাসের বিষয়। একজন পুলিশ অফিসার যিনি জনগণের প্রতিক্রিয়া, বিভাগীয় শাস্তি, রাজনৈতিক পরিণতি, আইনি জটিলতা বা ভবিষ্যতের কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা নিয়ে ভয় পান, তিনি এমন একজন অফিসার থেকে অনিবার্যভাবে ভিন্ন আচরণ করবেন যিনি প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সুরক্ষিত বোধ করেন। প্রতিটি গ্রেপ্তার সম্ভাব্য বিতর্কে পরিণত হয়। কর্তৃত্বের প্রতিটি ব্যবহার সম্ভাব্য ঝুঁকিতে পরিণত হয়। প্রতিটি পরিচালনাগত সিদ্ধান্ত দ্বিতীয় অনুমানের অধীন হয়।</p><p>ফলাফল হলো দ্বিধা। সাধারণ নাগরিকদের কাছে দ্বিধা নিরীহ মনে হতে পারে। অপরাধীদের কাছে দ্বিধা মানে সুযোগ। ইতিহাস জুড়ে, অপরাধী নেটওয়ার্কগুলি তখনই বিকশিত হয়েছে যখন আইন প্রয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলি বিভ্রান্ত, বিভক্ত বা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। অপরাধীদের দুর্বলতা সনাক্ত করার অসাধারণ ক্ষমতা রয়েছে। তারা দ্রুত বুঝতে পারে কখন পুলিশ কর্মীরা হস্তক্ষেপ করতে অনিচ্ছুক। তারা বোঝে কখন অভ্যন্তরীণ বিভাজন পরিচালনাগত কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করছে। তারা লক্ষ্য করে কখন প্রাতিষ্ঠানিক মনোবল হ্রাস পায়।</p><p>ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিবেদনগুলি ক্রমশ এই বাস্তবতা প্রতিফলিত করে। মোহাম্মদপুর, আদাবর এবং আশেপাশের এলাকাগুলি প্রায়শই ডাকাতি, গ্যাং সহিংসতা, চাঁদাবাজি, মাদক-সম্পর্কিত কার্যকলাপ এবং সংগঠিত অপরাধমূলক অভিযানের কারণে শিরোনাম হয়। বাসিন্দারা দিনের আলোতেও নিজেদের নিরাপদ বোধ না করার কথা বলেন। রাত প্রায়শই অতিরিক্ত উদ্বেগ নিয়ে আসে।</p><h2>অপরাধের ভয় ও বাস্তবতা</h2><p>অপরাধবিদ্যায়, পণ্ডিতরা প্রায়শই প্রকৃত অপরাধ এবং অপরাধের ভয়ের মধ্যে পার্থক্য করেন। দুটি সম্পর্কিত হলেও অভিন্ন নয়। একটি সমাজ তুলনামূলকভাবে মাঝারি অপরাধের হার অনুভব করতে পারে কিন্তু ব্যাপক ভয়ে ভুগতে পারে। বিপরীতভাবে, উচ্চ অপরাধের হারযুক্ত সমাজগুলি কখনও কখনও নিরাপত্তাহীনতাকে স্বাভাবিক করে এবং সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। বাংলাদেশ আজ একই সাথে উভয় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।</p><p>সোশ্যাল মিডিয়ার উত্থান এই ঘটনাকে নাটকীয়ভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে। ডাকাতি, হামলা, অপহরণ, খুন এবং অন্যান্য অপরাধমূলক ঘটনার ভিডিও তাত্ক্ষণিকভাবে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়ে। লক্ষ লক্ষ মানুষ এই চিত্রগুলি বারবার গ্রহণ করে। এমনকি যারা ব্যক্তিগতভাবে কখনও অপরাধের সম্মুখীন হননি, তারাও দুর্বলতার অনুভূতি অন্তর্নিহিত করতে শুরু করেন। মনস্তাত্ত্বিক গবেষণা ধারাবাহিকভাবে দেখায় যে হুমকির তথ্যের বারবার এক্সপোজার বিপদের ধারণা বাড়িয়ে দেয়। মনোবিজ্ঞানী ড্যানিয়েল কানেম্যান এবং আমোস টভারস্কি দ্বারা বিকশিত প্রাপ্যতা হিউরিস্টিক ব্যাখ্যা করে যে লোকেরা কীভাবে সবচেয়ে সহজে স্মরণ করা উদাহরণগুলির উপর ভিত্তি করে ঝুঁকি অনুমান করে। যখন অপরাধের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়া ফিডে আধিপত্য বিস্তার করে, ব্যক্তিরা স্বাভাবিকভাবেই সিদ্ধান্ত নেয় যে অপরাধ সর্বত্র রয়েছে, এমনকি যদি তাদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা অন্যথা বলে।</p><p>এই ধারণা গভীর সামাজিক পরিণতি তৈরি করে। লোকেরা পাবলিক স্পেস এড়াতে শুরু করে। পরিবারগুলি শিশুদের আরও স্বাধীনতা দিতে অনিচ্ছুক হয়ে পড়ে। ব্যবসাগুলি অপারেটিং ঘন্টা পরিবর্তন করে। নাগরিকরা অপরিচিতদের প্রতি ক্রমশ সন্দেহপ্রবণ হয়ে ওঠে। সামাজিক বিশ্বাস ধীরে ধীরে হ্রাস পায়। ভয় আইনশৃঙ্খলার সমস্যার মতোই একটি জনস্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে ওঠে।</p><h2>পুলিশ মনোবল ও সমাজের নিরাপত্তা</h2><p>এ কারণেই পুলিশের মনোবল নিয়ে আলোচনাকে প্রাতিষ্ঠানিক আত্ম-করুণা হিসাবে উড়িয়ে দেওয়া উচিত নয়। একটি হতাশ পুলিশ বাহিনী সবাইকে প্রভাবিত করে। দুর্ভাগ্যবশত, জনবক্তৃতা প্রায়শই বিষয়টিকে সরলীকৃত ফ্রেমে উপস্থাপন করে। কেউ কেউ যুক্তি দেন যে পুলিশ সামান্য সহানুভূতি পাওয়ার যোগ্য কারণ পূর্ববর্তী রাজনৈতিক প্রশাসনের সময় তাদের বিতর্কিত ভূমিকা। অন্যরা জোর দিয়ে বলেন যে শক্তিশালী পুলিশিং একাই সমস্যার সমাধান করবে। উভয় দৃষ্টিকোণই বৃহত্তর চিত্রটি মিস করে। লক্ষ্য অতীতের পুলিশ পুনরুদ্ধার করা নয়। আইন প্রয়োগকে আরও দুর্বল করাও নয়। লক্ষ্য হওয়া উচিত একটি পেশাদার পুলিশ বাহিনী তৈরি করা যা একই সাথে আত্মবিশ্বাসী, জবাবদিহিমূলক, রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ এবং পরিচালনাগতভাবে কার্যকর।</p><p>এই লক্ষ্যগুলি পরস্পরবিরোধী নয়। প্রকৃতপক্ষে, তারা পরস্পর নির্ভরশীল। জবাবদিহিতার অভাবযুক্ত একটি পুলিশ বাহিনী শেষ পর্যন্ত বৈধতা হারায়। বৈধতার অভাবযুক্ত একটি পুলিশ বাহিনী শেষ পর্যন্ত জনগণের আস্থা হারায়। জনগণের আস্থার অভাবযুক্ত একটি পুলিশ বাহিনী শেষ পর্যন্ত কার্যকারিতা হারায়। বিপরীতভাবে, আত্মবিশ্বাসের অভাবযুক্ত একটি পুলিশ বাহিনী ধারাবাহিকভাবে আইন প্রয়োগ করতে পারে না। আইন প্রয়োগ করতে অক্ষম একটি পুলিশ বাহিনী অপরাধী সুযোগবাদকে আমন্ত্রণ জানায়। তাই চ্যালেঞ্জ কর্তৃত্ব এবং জবাবদিহিতার মধ্যে নির্বাচন করা নয়। চ্যালেঞ্জ উভয় অর্জন করা।</p><p>এর জন্য প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের চেয়ে বেশি প্রয়োজন। এটি প্রাতিষ্ঠানিক নিরাময় প্রয়োজন। পুলিশ কর্মীদের আশ্বাস প্রয়োজন যে সদ্বিশ্বাসে নেওয়া পেশাদার সিদ্ধান্তগুলি প্রাতিষ্ঠানিক সমর্থন পাবে। একই সময়ে, নাগরিকদের আশ্বাস প্রয়োজন যে কর্তৃত্বের অপব্যবহার স্বচ্ছ জবাবদিহিতার মুখোমুখি হবে। অভ্যন্তরীণ দলাদলি, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ এবং পদোন্নতি বা বাধ্যতামূলক অবসর নিয়ে অনিশ্চয়তাও মোকাবেলা করতে হবে কারণ এই সমস্যাগুলি অনিবার্যভাবে ফিল্ড-লেভেল পারফরম্যান্সকে প্রভাবিত করে।</p><h2>প্রাতিষ্ঠানিক নিরপেক্ষতার গুরুত্ব</h2><p>বৃহত্তর পাঠ পুলিশিংয়ের বাইরেও প্রসারিত। আধুনিক রাষ্ট্রগুলি ব্যক্তির পরিবর্তে প্রতিষ্ঠানের উপর নির্ভর করে। সরকার পরিবর্তিত হয়। রাজনৈতিক দলগুলি উঠে পড়ে। জনমত ওঠানামা করে। প্রতিষ্ঠানগুলিকে এই পরিবর্তনের মাধ্যমে টিকে থাকতে হবে। যখন পুলিশের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে গভীরভাবে জড়িয়ে পড়ে, তখন এটি দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতার জন্য প্রয়োজনীয় নিরপেক্ষতা হারানোর ঝুঁকি নেয়। বাংলাদেশের বর্তমান অভিজ্ঞতা আইন প্রয়োগের রাজনীতিকরণের বিপদ সম্পর্কে একটি সতর্কতামূলক শিক্ষা দেয়। যখন পুলিশ একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক শৃঙ্খলার সাথে চিহ্নিত হয়, তখন তারা অনিবার্যভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে যখন সেই শৃঙ্খলা পরিবর্তিত হয়। পরবর্তীতে বিশ্বাস পুনর্নির্মাণ একটি দীর্ঘ এবং বেদনাদায়ক প্রক্রিয়া হয়ে ওঠে।</p><p>তবে পুনর্নির্মাণ অপরিহার্য। অর্থনৈতিক বৃদ্ধি নিরাপত্তার উপর নির্ভর করে। বিনিয়োগ পূর্বাভাসযোগ্যতার উপর নির্ভর করে। পর্যটন নিরাপত্তার উপর নির্ভর করে। শিক্ষা স্থিতিশীল সম্প্রদায়ের উপর নির্ভর করে। সামাজিক সম্প্রীতি জনগণের আস্থার উপর নির্ভর করে যে বিরোধগুলি আইনি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সমাধান করা হবে, ব্যক্তিগত শক্তি দ্বারা নয়। এই ফলাফলগুলির কোনওটিই সম্ভব নয় যদি নাগরিকরা পুলিশিংয়ে বিশ্বাস হারান।</p><p>সেই বিশ্বাস পুনরুদ্ধার পাবলিক রিলেশনস প্রচারণা বা আশাবাদী সরকারি বিবৃতির মাধ্যমে ঘটবে না। এটি দৃশ্যমান পেশাদারিত্ব, কার্যকর অপরাধ প্রতিরোধ, ন্যায্য প্রয়োগ এবং ধারাবাহিক জবাবদিহিতার মাধ্যমে আবির্ভূত হবে। নাগরিকদের দেখতে হবে যে অপরাধীরা পরিণতির মুখোমুখি হয়। পুলিশ কর্মীদের কর্তব্য পালনে ক্ষমতায়িত বোধ করতে হবে। রাজনৈতিক অভিনেতাদের আইন প্রয়োগকে দলীয় সুবিধার হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করার প্রলোভন প্রতিরোধ করতে হবে।</p><p>তাই বিতর্কটি কেবল অপরাধের পরিসংখ্যান বাড়ছে নাকি কমছে তার উপর ফোকাস করা উচিত নয়। এটি আরও মৌলিক কিছুতে ফোকাস করা উচিত: নাগরিক এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মধ্যে সামাজিক চুক্তি মেরামত করা হচ্ছে কিনা। কারণ পুলিশ যখন পিছু হটে, অপরাধীরা অগ্রসর হয়। অপরাধীরা যখন অগ্রসর হয়, ভয় ছড়িয়ে পড়ে। এবং যখন ভয় ছড়িয়ে পড়ে, খরচ অপরাধের বাইরেও প্রসারিত হয়। তারা অর্থনৈতিক কার্যকলাপ, সামাজিক সংহতি, গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা এবং প্রতিদিনের আস্থাকে প্রভাবিত করে যা সাধারণ মানুষকে স্বাধীনভাবে বাঁচতে দেয়।</p><p>এইচএম নজমুল আলম একজন শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক, ঢাকা, বাংলাদেশে অবস্থিত। বর্তমানে তিনি আইইউবিএটিতে শিক্ষকতা করেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 19:38:17 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[কল্যাণ রাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ ও করণীয়]]></title>
				<category>সেবা খাত</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/seba-khato/article-128463.html</link>
				<description><![CDATA[<p>২০২৭ অর্থবছরের বাজেট বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে সবচেয়ে বড় বাজেট হতে যাচ্ছে, যা একটি উচ্চাভিলাষী প্রতিশ্রুতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি: একটি কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। কিন্তু অস্বস্তিকর বাস্তবতা হলো, এই প্রতিশ্রুতি পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় রাজস্ব ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি না থাকলে এটি দরিদ্রদের আরও খারাপ অবস্থায় ফেলে দিতে পারে।</p><h2>বৈষম্য ও অর্থনৈতিক সংকট</h2><p>বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান বৈষম্য দেখা যাচ্ছে এবং একইসঙ্গে দেশটি অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কল্যাণ রাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করা উচিত, তবে তা ধাপে ধাপে এবং লক্ষ্যভিত্তিক পদ্ধতিতে। সর্বজনীন কভারেজ, যদি রাজস্ব ভিত্তি ও শাসন ব্যবস্থা সমর্থন না করে, তবে তা একটি ফাঁদে পরিণত হতে পারে।</p><h2>স্বাস্থ্য ব্যয়ের চিত্র</h2><p>সংজ্ঞা অনুযায়ী, একটি কল্যাণ রাষ্ট্র তার সমস্ত নাগরিককে সুবিধা প্রদান করে। এটি স্বাস্থ্য, শিক্ষা, আবাসনের ক্ষেত্রে ধনী-দরিদ্রের মধ্যে পার্থক্য করে না। কিন্তু যখন রাষ্ট্রের আর্থিক সক্ষমতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক প্রস্তুতি সর্বজনীন কভারেজ অর্জনের জন্য অপর্যাপ্ত হয়, তখন সুবিধার চেয়ে ক্ষতি বেশি হয়।</p><p>বাংলাদেশে পকেট থেকে স্বাস্থ্য ব্যয়ের (ওওপি) অবস্থা বিবেচনা করা যাক। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ২০২১ সালে বাংলাদেশে ওওপি স্বাস্থ্য ব্যয় ছিল ৭৩%, যা ভারতের (৪৭.১%), মালদ্বীপের (১৭%), পাকিস্তানের (৫৭%) এবং শ্রীলঙ্কার (৪৩%) তুলনায় অনেক বেশি।</p><p>ওওপি স্বাস্থ্য ব্যয় কমানোর জন্য সরকারকে নিজস্ব স্বাস্থ্য ব্যয় বাড়াতে হবে এবং সর্বজনীন স্বাস্থ্য কভারেজের লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে। বাংলাদেশ স্বাস্থ্য সেক্টর কমিশন রিপোর্ট ২০২৫-এ স্বাস্থ্য ব্যয়ের বরাদ্দ জাতীয় বাজেটের ১৫% বা জিডিপির ৫% করার সুপারিশ করা হয়েছে। বর্তমানে এটি মোট বাজেটের মাত্র ৫.৩০% বা জিডিপির ০.৬৭%।</p><h2>বাজেট ও রাজস্ব চ্যালেঞ্জ</h2><p>সরকারের সংকেত স্পষ্ট—এটি ব্যয় বাড়াতে চায়। ২০২৭ অর্থবছরের বাজেট ধরা হয়েছে ৯,৩০,০০০ কোটি টাকা, যা ২০২৬ অর্থবছর থেকে ১,৪০,০০০ কোটি টাকা বেশি (১৭.৭% বৃদ্ধি)। এই অর্থ কোথা থেকে আসবে?</p><p>সরকার বিদেশি ঋণদাতাদের কাছ থেকে ১৬,০০০ কোটি টাকা ধার নেওয়ার পরিকল্পনা করছে, যা ২০২৬ অর্থবছরের তুলনায় ৯১% বেশি। এটি ৬,৯৫,০০০ কোটি টাকা রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে, যার মধ্যে ৬,০৪,০০০ কোটি টাকা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর থেকে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p><p>এখানে একটি শর্ত রয়েছে। ঐতিহাসিকভাবে, বাংলাদেশ কখনই তার কর আদায়ের লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি। এটি ২০২৩ অর্থবছরে ৮৩% এ শীর্ষে পৌঁছেছিল কিন্তু ২০২৬ অর্থবছরে ৭০% এ নেমে এসেছে।</p><p>একটি কল্যাণ রাষ্ট্র নিশ্চিত করতে, সরকারের পর্যাপ্ত, প্রগতিশীল এবং ন্যায়সঙ্গত কর রাজস্ব থাকতে হবে এবং সুবিধা সম্প্রসারণের আগে তা গড়ে তুলতে হবে। অর্থাৎ, উপার্জন প্রথমে, তারপর কল্যাণ।</p><h2>প্রত্যাশা ব্যবস্থাপনা ও বেসরকারি খাত</h2><p>যখন সরকার কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনের উচ্চাভিলাষ ঘোষণা করে, তখন এটি প্রত্যাশা ও জল্পনা তৈরি করে। এবং যদি প্রত্যাশা ও জল্পনা ভালোভাবে পরিচালিত না হয়, তবে তা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ক্ষয় করতে পারে। বিশেষ করে, এটি বর্ধিত করের বোঝার মাধ্যমে বেসরকারি খাতকে কঠিনভাবে আঘাত করতে পারে।</p><p>২০২৬ সালের এপ্রিলে বেসরকারি ঋণ বৃদ্ধি সর্বকালের সর্বনিম্ন ৪.৭৫% এ পৌঁছেছে এবং বেসরকারি খাতের বিনিয়োগের আস্থা দুর্বল রয়েছে। এটি বেসরকারি খাতের করের বোঝা বাড়ানোর সঠিক সময় নয়। এর বাইরে, সরকার যদি কম দামে বা ভর্তুকিতে সেবা প্রদান শুরু করে, তবে বেসরকারি খাত ক্রাউড আউট হতে পারে।</p><p>তাছাড়া, সরকার যদি বেসরকারি খাতের পণ্য ও সেবার প্রধান ক্রেতা হয়ে ওঠে, তবে বেসরকারি খাত সরকারের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়তে পারে। এটি ব্যক্তি পরিবারের সরাসরি বেসরকারি খাত থেকে কেনার ইচ্ছা কমিয়ে দেয়। এই পরিস্থিতিতে, বেসরকারি খাত শেষ পর্যন্ত বাজার ছেড়ে চলে যায়। একটি দেশ যেখানে বড় অনানুষ্ঠানিক ও আনুষ্ঠানিক বেসরকারি খাতের ওপর ব্যাপক নির্ভরশীল, সেখানে সরকার তা ব্যাহত করতে পারে না।</p><h2>প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও শাসন</h2><p>এখন যদি ধরে নেওয়া যায় যে সরকার তার রাজস্ব আদায় উন্নত করতে এবং তহবিল বিতরণে দক্ষতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে, তবে তহবিলের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে। এর জন্য প্রয়োজন প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, যা সুশাসনের সঙ্গে জড়িত। যদি সরকার দুর্নীতি বন্ধ করতে না পারে, তবে সামাজিক স্থানান্তর থেকে ফাঁস রোধ করতে পারবে না।</p><p>ঐতিহাসিকভাবে, কর্মসূচি বাজেটের ১০-৪০% ফাঁস হয়েছে। এই ফাঁস অনিচ্ছাকৃতভাবে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার সঙ্গে জড়িত, যা দুর্নীতি তীব্র করে এবং লক্ষ্য নির্ধারণের দক্ষতা হ্রাস করে। বর্তমান সরকার নতুন এবং তৃণমূল "ক্ষুধার্ত"। প্রকল্পগুলি কেবল ক্ষুধা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে এবং আরও বেশি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীকে আকর্ষণ করতে পারে।</p><p>লক্ষ্য নির্ধারণ নিজেই একটি পৃথক চ্যালেঞ্জ। সরকারের গ্রামীণ ও শহর, নিম্ন আয় ও মধ্যবিত্তের মধ্যে পছন্দ করতে হবে। এমনকি উচ্চ লক্ষ্য নির্ধারণের দক্ষতা সম্পন্ন সবচেয়ে উন্নত কর্মসূচিও মানুষের প্রশ্নের মুখে পড়ে। সীমিত সম্পদের কারণে, একটি ধাপে ধাপে বা সিঁড়ি পদ্ধতি আরও কার্যকর পথ।</p><h2>বৈশ্বিক শিক্ষা</h2><p>সরকারের শেখার জন্য বিশ্বব্যাপী অনেক ব্যর্থতার উদাহরণ রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে, ব্রাজিলে সরকার বলসা ফামিলিয়া কর্মসূচি সম্প্রসারিত করে, যা একটি লক্ষ্যভিত্তিক নগদ স্থানান্তর প্রকল্প ছিল, প্রায় সর্বজনীন কভারেজ, বড় পাবলিক সেক্টরের বেতন বৃদ্ধি এবং উদার পেনশন সম্প্রসারণে পরিণত করে।</p><p>শীঘ্রই ২০১৫ সালের মধ্যে রাজস্ব ঘাটতি জিডিপির ১০% এ পৌঁছায় এবং রাজনৈতিক কেলেঙ্কারি প্রাতিষ্ঠানিক আস্থা ধ্বংস করে। লক্ষ্যভিত্তিক বলসা ফামিলিয়া টিকে গেলেও সর্বজনীন সম্প্রসারণ টেকেনি।</p><p>অভিজ্ঞতা বলে যে, বাংলাদেশের মতো দেশগুলির জন্য যারা রাজস্ব চ্যালেঞ্জ, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা এবং রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার সঙ্গে লড়াই করছে, একটি লক্ষ্যভিত্তিক এবং প্রগতিশীল পদ্ধতি সর্বজনীন পদ্ধতির চেয়ে অনেক ভালো।</p><p>তাছাড়া, সরকারের মনে রাখা উচিত যে কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা একটি যাত্রা; এটি একটি পিটস্টপ নয় এবং সময় লাগে। দক্ষিণ কোরিয়া ১৯৮৯ সালে সর্বজনীন স্বাস্থ্য কভারেজ অর্জন করেছিল—কিন্তু ২৫ বছর জিডিপি প্রবৃদ্ধির পর (বার্ষিক ৬-১০%)। এটি ১৯৬৩ সালে নিয়োগকর্তা-ভিত্তিক বীমা দিয়ে শুরু করেছিল এবং সেক্টর অনুযায়ী সম্প্রসারণ করেছিল।</p><h2>সরকারের করণীয়</h2><p>প্রথমত, আমি দৃঢ়ভাবে সুপারিশ করি যে সরকার একটি স্তরযুক্ত বা ধাপে ধাপে পদ্ধতি ব্যবহার করুক। সরকারের উচিত পরিবার কার্ড প্রকল্পের আওতায় লক্ষ্যভিত্তিক গ্রামীণ ও শহুরে দরিদ্র পরিবারগুলিতে নগদ স্থানান্তরের ওপর মনোযোগ দেওয়া। একইসঙ্গে, রাজস্ব বৃদ্ধি এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা গঠনের পাশাপাশি রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার বিষয়টি মোকাবেলা করতে হবে।</p><p>দ্বিতীয়ত, সরকারকে নিজস্ব ব্যয়ের বোঝা কমাতে বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলির সক্ষমতা কাজে লাগাতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, পরিবার কার্ড প্রকল্পকে একটি কোহর্ট-ভিত্তিক পদ্ধতিতে সময়সীমাবদ্ধ করা উচিত, যেখানে লক্ষ্যভিত্তিক দরিদ্র পরিবারগুলি মেয়াদ শেষে এনজিওগুলির মাইক্রোফাইন্যান্স ও উদ্যোগ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় নগদ ভাতা পাবে।</p><p>তৃতীয়ত, করভিত্তি সম্প্রসারণ, ছাড় হ্রাস এবং কর-থেকে-জিডিপি অনুপাত উন্নত করতে সম্মতি প্রয়োগের ওপর মনোযোগ দিতে হবে। শুধুমাত্র যদি এনবিআর সংগ্রহ বার্ষিক লক্ষ্যের ৮৫% এর বেশি ধারাবাহিকভাবে অতিক্রম করে, তবেই সরকার লক্ষ্যভিত্তিক পরিবারের বাইরে কভারেজ সম্প্রসারণের কথা বিবেচনা করতে পারে।</p><p>দক্ষিণ কোরিয়া তাদের নাগরিকরা যা এখন মঞ্জুর বলে মনে করে তা গড়ে তুলতে ২৫ বছর সময় নিয়েছে। বাংলাদেশও সেখানে পৌঁছাতে পারে। তবে শুধুমাত্র যদি এটি প্রতিশ্রুতি দেওয়ার আগে তৈরি করে।</p><p>লেখক: মোঃ রুবাইয়াত সারওয়ার, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ইনোভিশন কনসাল্টিং।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 19:07:32 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় গোলের রেকর্ড ও স্মরণীয় ম্যাচ]]></title>
				<category>ফুটবল</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/football/article-128462.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ফুটবল বিশ্বকাপে জয় নিশ্চিত করার জন্য যেমন গোল করার মরিয়া চেষ্টা থাকে, ঠিক তেমনি গোল হজম না করার জন্য রক্ষণভাগকে নিরেট রাখার কৌশল নেয় দলগুলো। তবে মাঠের চরম উত্তেজনা, কৌশলগত ভুল কিংবা দুই দলের শক্তির আকাশ-পাতাল ব্যবধানের কারণে মাঝেমধ্যেই এমন কিছু ম্যাচ উপহার পাওয়া যায়, যা রূপ নেয় অপ্রত্যাশিত গোলবন্যা। বিশ্বকাপের মঞ্চে এমন কিছু স্মরণীয় ম্যাচ রয়েছে, যেখানে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে পুরোপুরি চূর্ণ-বিচূর্ণ করে গোলের ঢল নামিয়েছিল আক্রমণভাগ। কখনো দুই দলের শক্তিমত্তার বিশাল ফারাক, আবার কখনো অল-আউট অ্যাটাকিং ফুটবলের কারণে এই ঐতিহাসিক ম্যাচগুলোর জন্ম হয়েছে।</p><h2>হাঙ্গেরির অনন্য রেকর্ড</h2><p>বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক ম্যাচে এককভাবে সর্বোচ্চ গোল করার অনন্য রেকর্ডটি এখনো নিজেদের করে রেখেছে হাঙ্গেরি। ১৯৮২ সালের আসরে এক ম্যাচে ১০ গোল করার কীর্তি গড়েছিল তারা। ওই ম্যাচে এল সালভাদরকে ১০-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয় পায় হাঙ্গেরি। এক ম্যাচে ১০ গোলের এই রেকর্ড এখনো অক্ষুণ্ন রয়েছে।</p><h3>৯ গোলের জয়ও হাঙ্গেরির</h3><p>হাঙ্গেরির ঝুলিতে ৯ গোলের জয়ও রয়েছে। ১৯৫৪ বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে তারা ৯-০ গোলের একতরফা জয় তুলে নেয়। একই আসরে পশ্চিম জার্মানির বিপক্ষেও গ্রুপ পর্বে ৮-৩ ব্যবধানে জেতে হাঙ্গেরি।</p><h2>যুগোস্লাভিয়ার বড় জয়</h2><p>১৯৭৪ বিশ্বকাপে জাইরের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে যুগোস্লাভিয়া ৯-০ গোলের বড় জয় পায়, যা বিশ্বকাপ ইতিহাসে অন্যতম বড় ব্যবধানের জয় হিসেবে বিবেচিত।</p><h2>উচ্চ স্কোরের ম্যাচের তালিকায় ১৯৫৪ বিশ্বকাপ</h2><p>উচ্চ স্কোরের ম্যাচের তালিকায় ১৯৫৪ বিশ্বকাপ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ওই আসরের কোয়ার্টার ফাইনালে অস্ট্রিয়া ৭-৫ গোলে সুইজারল্যান্ডকে হারায়। ‘ব্যাটল অব লসান’ নামে পরিচিত ম্যাচটিতে মোট ১২টি গোল হয়, যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ মোট গোলের রেকর্ড। একই আসরের প্লে-অফে পশ্চিম জার্মানি তুরস্ককে ৭-২ গোলে হারায়।</p><h3>ফ্রান্সের জয়</h3><p>১৯৫৮ বিশ্বকাপে ফ্রান্স প্যারাগুয়েকে ৭-৩ ব্যবধানে পরাজিত করে।</p><h2>সাম্প্রতিক সময়ে বড় ব্যবধানের ম্যাচ</h2><p>সাম্প্রতিক সময়ে বড় ব্যবধানের ম্যাচের মধ্যে ২০১৪ বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল বিশেষভাবে আলোচিত। ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত ওই আসরে স্বাগতিকদের ৭-১ গোলে হারায় জার্মানি, যা ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাসে অন্যতম বড় পরাজয় হিসেবে বিবেচিত।</p><p>২০২৬ বিশ্বকাপ সামনে রেখে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ বাড়ছে। আসন্ন আসরে নতুন কোনো রেকর্ড যুক্ত হয় কি না, সেদিকেই এখন নজর সমর্থকদের। তথ্যসূত্র: ফিফা</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 19:11:32 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[সৈয়দপুরে লাইট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে রেল যন্ত্রপাতি উৎপাদনে স্বনির্ভরতা]]></title>
				<category>শিল্প</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/shilpo/article-128461.html</link>
				<description><![CDATA[<p>নীলফামারীর সৈয়দপুরে গড়ে ওঠা লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প এখন দেশের রেলওয়ে যন্ত্রপাতি উৎপাদনে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলেছে। একসময় বিদেশ থেকে আমদানি করা হতো, এমন প্রায় ১৬০ ধরনের যন্ত্রপাতির বড় একটি অংশ এখন তৈরি হচ্ছে স্থানীয় কারিগরদের হাতেই। অবসরপ্রাপ্ত রেলশ্রমিকদের দক্ষতা, দেশীয় প্রযুক্তি ও উদ্যোক্তাদের প্রচেষ্টায় এই খাত ধীরে ধীরে স্বনির্ভরতার পথে এগিয়ে যাচ্ছে।</p><h2>স্থানীয় উদ্যোক্তাদের সাফল্য</h2><p>স্থানীয় উদ্যোক্তারা বলছেন, এক সময় রেলওয়ে কোচের ফ্যান, জানালা, রেলক্রসিংয়ের সিগন্যাল বাতিসহ প্রায় ১৬০ ধরনের পণ্য বিদেশ থেকে আমদানি করা হতো। এখন এসব যন্ত্রপাতি তৈরি হচ্ছে সৈয়দপুরে গড়ে ওঠা ওয়ার্কশপগুলোতে। পাশাপাশি স্থানীয় বেকারি, সাবান ফ্যাক্টরি, ইটভাটাসহ বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানেও এখানকার তৈরি মেশিন ও যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় খুচরা যন্ত্রাংশও এখন আর ভারত বা চীন থেকে আমদানি না করে স্থানীয় কারখানাতেই তৈরি হচ্ছে।</p><h3>অবসরপ্রাপ্ত রেলশ্রমিকদের ভূমিকা</h3><p>এসব কারখানায় কাজ করছেন রেলের অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিকরা। তাদের হাতেই তৈরি হচ্ছে রেলকোচের ১৬০ প্রকারের যন্ত্রপাতি। এর মধ্যে খড়কাটা মেশিনসহ বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় মেশিন ও যন্ত্রাংশও তৈরি করা হচ্ছে।</p><h2>সাশ্রয়ী মূল্যে দেশীয় উৎপাদন</h2><p>উদ্যোক্তাদের দাবি, সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় কোচ মেরামতের জন্য এতদিন জার্মানি থেকে আমদানি করা হতো স্ক্রু লিফটিং জ্যাক। যার দাম প্রায় দেড় কোটি টাকা। অথচ সৈয়দপুরে এটি তৈরি হচ্ছে মাত্র ৫০ লাখ টাকায়। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ রেলওয়ে এখান থেকে পণ্যটি কেনা শুরু করেছে।</p><p>সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার পাশাপাশি চিলাহাটি, ঈশ্বরদী ও ঢাকার জন্যও এটি কেনা হয়েছে এবং পরবর্তী সময়ে সিলেটের জন্য একটি স্ক্রু লিফটিং জ্যাকের অর্ডার দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ইমার্জেন্সি ব্রেক ভালভ এখানে তৈরি হচ্ছে ১৫ হাজার টাকায়, যা আমদানি করতে খরচ হতো ৪৫ হাজার টাকা।</p><h3>সেন্ড বক্স উৎপাদন</h3><p>রেলওয়ে ইঞ্জিনের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র সেন্ড বক্সও তৈরি হচ্ছে এখানে। রেললাইন পিচ্ছিল হলে বা উঁচু স্থানে উঠার সময় ব্রেক কাজ না করলে চাকায় শুকনা বালু স্প্রে করতে এই সেন্ড বক্স ব্যবহৃত হয়। এটি মাত্র ২৫ হাজার টাকায় তৈরি করছে সৈয়দপুরের লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানাগুলো।</p><h2>কর্মসংস্থান ও মানের নিশ্চয়তা</h2><p>সৈয়দপুর বিসিক শিল্পনগরীসহ বিভিন্ন ওয়ার্কশপে প্রায় ৫ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী কাজ করছেন, যাদের বেশিরভাগই রেলের অবসরপ্রাপ্ত। তারা বিদেশি পণ্যের হুবহু তৈরি করছেন, যা মানের দিক থেকেও ভালো বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।</p><h2>সরকারি সহযোগিতার অভাব ও সম্ভাবনা</h2><p>তবে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে রপ্তানির সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও এই শিল্প সরকারি কোনো উল্লেখযোগ্য সহযোগিতা পাচ্ছে না। উদ্যোক্তাদের মতে, ব্যাংকঋণ ও সরকারি প্রণোদনা পেলে এসব প্রতিষ্ঠান বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আধুনিক প্রযুক্তির প্রায় সব ধরনের যন্ত্রাংশ তৈরি করে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারবে।</p><p>বাংলাদেশ লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আগামী দিনে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্রে লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এই খাত দেশের অর্থনীতিকে আরও এগিয়ে নিতে সক্ষম হবে।</p><p>তিনি বলেন, ‘এ অঞ্চলের কারিগর ও উদ্যোক্তাদের যথাযথ প্রশিক্ষণ, আধুনিক যন্ত্রপাতি ও সরকারি সহযোগিতা দেওয়া হলে এই খাত জাতীয় অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখতে পারবে।’ পাশাপাশি দক্ষ জনবল তৈরিতে দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালুর দাবি জানান তিনি।</p><p>জেলা সভাপতি এরশাদ হোসেন পাপ্পু বলেন, সৈয়দপুরের প্রতিষ্ঠানগুলো শিল্প খাতে বড় ভূমিকা রাখতে সক্ষম। শিল্প মন্ত্রণালয় ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নজরে বিষয়টি এসেছে। তিনি এই শিল্পের বিকাশে সহজ শর্তে ঋণ ও আর্থিক সহায়তার দাবি জানান।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 19:37:07 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[পাঁচ দেশের নিষেধাজ্ঞা ইসরায়েলি বসতি স্থাপনে]]></title>
				<category>কূটনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/kutniti/article-128460.html</link>
				<description><![CDATA[<p>অধিকৃত পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ইসরায়েলের ছয়টি ডানপন্থী সংগঠন এবং একজন উগ্র ডানপন্থী অধিকারকর্মীর ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে পাঁচটি পশ্চিমা দেশ। দেশগুলো হলো যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া ও নরওয়ে। মঙ্গলবার ইসরায়েলের সংবাদমাধ্যম হারেৎজ এ তথ্য জানিয়েছে।</p><p>যৌথ বিবৃতিতে পাঁচটি দেশ জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞা দেওয়া ব্যক্তি–প্রতিষ্ঠানের সম্পদ জব্দ করা হবে। ওই অধিকারকর্মী এই পাঁচটি দেশে ভ্রমণ করতে পারবেন না। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এ নিষেধাজ্ঞার মূল উদ্দেশ্য হলো ব্যক্তি–প্রতিষ্ঠানগুলোর অর্থের জোগান বন্ধ করা। কারণ, এই অর্থের জোরেই এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান অধিকৃত পশ্চিম তীরে বিনা বাধায় অপরাধ করছে এবং পার পেয়ে যাচ্ছে।</p><p>সেই সঙ্গে ফ্রান্স পৃথকভাবে জানিয়েছে, দেশটি ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেবে। তাঁকে ফ্রান্সে ঢুকতে দেওয়া হবে না। ফ্রান্সের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, স্মোট্রিচ পশ্চিম তীরে দখলদারত্বে সক্রিয়ভাবে উৎসাহ দিচ্ছেন।</p><p>এর আগে ইসরায়েলের একদল কট্টর ডানপন্থী এবং বসতি স্থাপনকারী গোষ্ঠী ও কর্মীর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাজ্য। এর মধ্যে রয়েছে পশ্চিম তীরের বসতি স্থাপনকারী সংস্থা আমানা, কট্টর-ডানপন্থী বসতি স্থাপনকারী দল নাচালা, বসতি স্থাপনকারীদের নিরাপত্তা দল হাশোমার ইয়োশ, তোরাত লেখিমা ও লেহাভা। সেই সঙ্গে বসতি স্থাপনকারী কর্মী এলিশা ইয়েরেদ এবং কাচ আন্দোলনের কর্মী নোয়াম ফেডারম্যান, নেরিয়া বেন পাজি ও ইডেন লেভির বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাজ্য।</p><p>তবে রেগাভিম নামের আরেকটি বসতি স্থাপনকারী গোষ্ঠী এ দফায় নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়ছে না। এ গোষ্ঠীর অনেক কর্মকর্তার সঙ্গে ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তাঁদের একজন রেগাভিম গোষ্ঠীর সহপ্রতিষ্ঠাতা ইহুদা এলিয়াহু। তিনি ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বসতি প্রশাসন বিভাগের প্রধান। সম্প্রতি এলিয়াহুকে ইসরায়েলের ভূমি কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 19:15:35 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বিশ্বকাপ টিকেট বাতিলের অভিযোগ ইরানের, ফিফার নিয়ম লঙ্ঘনের দাবি]]></title>
				<category>ফুটবল</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/football/article-128459.html</link>
				<description><![CDATA[<p>দুই দিন পর পর্দা উঠতে যাচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপের। এ সময়ে টিকেট নিয়ে অভিযোগ তুলেছে ইরান। দেশটির ফুটবল ফেডারেশনের (এফএফআইআরআই) দাবি, তাদের জন্য বরাদ্দ থাকা টিকেট বাতিল করা হয়েছে। এতে ইরানের সমর্থকদের একটি অংশ ধাক্কা খাবে। ইতোমধ্যে দেশের খেলা দেখার জন্য ভ্রমণের সমস্ত পরিকল্পনা সম্পন্ন যারা করেছিলেন, তারা এখন ম্যাচগুলো দেখা থেকে বঞ্চিত হবেন।</p><h2>ইরানি সমর্থকদের উপস্থিতি পণ্ড করার চক্রান্ত?</h2><p>এ সিদ্ধান্তকে টুর্নামেন্টে 'ইরানি সমর্থকদের উপস্থিতি পণ্ড করার একটি চক্রান্ত' বলছে এফএফআইআরআই। তারা মঙ্গলবার বিবৃতিতে বলেছে, অথচ বাস্তব চিত্র হলো, ইরানের ফুটবল সমর্থকরা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত প্রক্রিয়ার ওপর ভরসা করে ম্যাচগুলোতে উপস্থিত থাকার জন্য ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় সমস্ত প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা নিয়ে রেখেছিলেন।</p><h3>ফিফার নিয়ম ও ইরানের টিকেট বরাদ্দ</h3><p>ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করা প্রতিটি দেশ তাদের প্রত্যেক ম্যাচের মোট টিকেটের ৮ শতাংশ করে বরাদ্দ পায়। যা ফেডারেশনের মাধ্যমে সমর্থকদের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে বিতরণ করা হয়। ইরানও এ নিয়ম অনুযায়ী টিকেট পাওয়ার কথা ছিল। একটি অপ্রত্যাশিত পদক্ষেপে, ইরান ফুটবল ফেডারেশনের টিকেট বরাদ্দ বাতিল করা হয়েছে। আর বর্তমান পরিস্থিতিতে জাতীয় দলের সমর্থকদের একটি টিকেটও সরবরাহ করতে পারছে না ফেডারেশন। এফএফআইআরআই আরও বলেছে, এ পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার মূল চেতনা এবং অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে সমতার নীতির সম্পূর্ণ পরিপন্থি।</p><h2>ইরানের বিশ্বকাপ যাত্রায় নানা বাধা</h2><p>এবারের বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে জল ঘোলা কম হয়নি। অনেক টানাপোড়েনের পর নিজেদের প্রথম ম্যাচের ১০ দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পায় ইরানের ফুটবলাররা। তবে গণমাধ্যমের খবর, দেশটির কয়েকজন ফুটবল কর্মকর্তা এখনও ভিসা পাননি। ইরানের গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচই পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। কিন্তু গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর, দেশটিতে গিয়ে খেলতে আপত্তি জানায় ইরান এবং তাতে বিশ্বকাপে তাদের অংশগ্রহণ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। ১৯৩০ সালে বিশ্বকাপের যাত্রা শুরুর পর এ প্রথম এমন একটি আসর হতে হচ্ছে, যেখানে আয়োজক দেশ এমন এক দেশকে আতিথেয়তা দিতে যাচ্ছে, যাদের সঙ্গে তাদের যুদ্ধ চলছে!</p><h3>বেইস ক্যাম্প মেক্সিকোতে স্থানান্তর</h3><p>যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকায় বিশ্বকাপের জন্য জাতীয় দলের বেইস ক্যাম্প অ্যারিজোনা থেকে মেক্সিকোর টিহুয়ানায় সরিয়ে নেয় ইরানের ফুটবল ফেডারেশন। গত রোববার সেখানে পৌঁছেছে তারা।</p><h2>ইরানের গ্রুপ পর্বের সূচি</h2><p>আগামী বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হবে 'দা গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ।' ফুটবলের সবচেয়ে বড় প্রতিযোগিতায় 'জি' গ্রুপে পড়েছে ইরান। লস অ্যাঞ্জেলেসে আগামী সোমবার নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে তারা। একই মাঠে ২১ জুন তাদের প্রতিপক্ষ বেলজিয়াম। আর ২৬ জুন সিয়াটলে মিশরের মুখোমুখি হবে তারা।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 18:49:55 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বিরাহিমপুর ডাকঘর পুনরায় চালু, উদ্বোধন করলেন ডিপিএমজি সুজিত চক্রবর্তী]]></title>
				<category>টেলিকম</category>
				<link>https://bdgazette.com/projukti/telecom/article-128458.html</link>
				<description><![CDATA[<p>সিলেটের দক্ষিণ সুরমার সিলাম এলাকার বিরাহিমপুরে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শ্বশুরবাড়িতে ডাকঘরের (টাউন সাব-পোস্ট অফিস) কার্যক্রম আবার শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে এর উদ্বোধন করেন সিলেট বিভাগীয় প্রধান ডাকঘরের ডেপুটি পোস্টমাস্টার জেনারেল (ডিপিএমজি) সুজিত চক্রবর্তী। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমানের নিকটজন, ডাক বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।</p><h2>উদ্বোধনী অনুষ্ঠান</h2><p>এদিন দুপুর ১২টায় ফিতা কেটে ‘বিরাহিমপুর ডাকঘর’ নামের এই সাব-পোস্ট অফিসের নব-কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন অতিথিরা। এর আগে সিলেট প্রধান ডাকঘরের সহকারী পোস্টমাস্টার জেনারেল কাম পোস্টমাস্টার মো. আব্দুল কাদেরের সভাপতিত্বে এবং পোস্ট অফিস পরিদর্শক (শহর) রুনু চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।</p><h3>সভায় বক্তব্য</h3><p>সভায় প্রধান অতিথি ডিপিএমজি সুজিত চক্রবর্তী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শ্বশুর মরহুম রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খাঁনের দাদা মরহুম খাঁন বাহাদুর ডা. আছদ্দর আলী জীবদ্দশায় তার এই বাড়িতে ডাকবিভাগকে ১৬ শতক জমি দান করেছিলেন। সেখানে একটি শাখা ডাকঘর স্থাপন করা হয়। পরবর্তী সময়ে ভবনটি পরিত্যক্ত হওয়ায় ২০১৩ সালে এ ডাকঘরের কার্যক্রম পার্শ্ববর্তী সিলাম সাব-পোস্ট অফিসে স্থানান্তর করা হয়। পরে ২০২৪ সালে এটিকে টাউন সাব-পোস্ট অফিস হিসেবে উন্নীত করে পুনরায় কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়। সম্প্রতি ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) কাজী আসাদুল ইসলামের নির্দেশনা এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের পোস্টমাস্টার জেনারেল (পিএমজি) মো. আবু তালেবের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও সিলেট বিভাগীয় ডাকঘরের ব্যবস্থাপনায় ভবনের সংস্কারকাজ সম্পন্ন করা হয়। মরহুম খাঁন বাহাদুর ডা. আছদ্দর আলীসহ প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শ্বশুরবাড়ির সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়ে সুজিত চক্রবর্তী বলেন, স্থানীয় মানুষের ডাকসেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই তারা বহু বছর আগে এই উদ্যোগ নিয়েছিলেন। আজ আমরা সেই উদ্যোগকে এগিয়ে নিয়ে যাব এবং স্থানীয়দের আধুনিক ডাকসেবা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকব।</p><h3>অন্যান্য বক্তা</h3><p>সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ‘খাঁন বাহাদুর ডা. আছদ্দর আলী ওয়াকফ এস্টেট’র মুতাওয়াল্লি বাবর আলী খাঁন, সমাজসেবক আসাদ উদ্দিন, সিলেট প্রধান ডাকঘরের এপিএম লিপ্টন রঞ্জন রায় ও এপিএম মুজিবুর রহমান খান পাঠান। সভা শুরুর আগে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করেন স্থানীয় মসজিদের খতিব ও ইমাম মাওলানা আনোয়ার হোসেন এবং গীতা পাঠ করেন ডাকবিভাগ কর্মকর্তা চুমকি রানী তালুকদার। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিলেট প্রধান ডাকঘরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, ‘বিরাহিমপুর ডাকঘর’র পোস্টমাস্টার ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 19:18:50 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[দীঘার জগন্নাথ মন্দির থেকে ‘ধাম’ শব্দ বাদ, নতুন নামকরণ]]></title>
				<category>যুক্তরাষ্ট্র</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/juktorashtro/article-128457.html</link>
				<description><![CDATA[<p>পশ্চিমবঙ্গের দীঘায় অবস্থিত জগন্নাথ মন্দিরের নাম থেকে ‘ধাম’ শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রাজ্য সচিবালয় নবান্নে এক সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।</p><h2>নতুন নামকরণ</h2><p>সংবাদ সম্মেলনে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘আজ থেকে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের নাম থেকে “ধাম” শব্দটি বাদ দেওয়া হলো। নাম হবে দীঘার জগন্নাথ মন্দির। পুরো কমপ্লেক্সের নাম হবে শ্রীশ্রী জগন্নাথ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।’</p><h3>পটভূমি</h3><p>মন্দিরটি তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলে তৈরি করা হয়েছিল। ২০২৫ সালের এপ্রিলে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তখন থেকে মমতা এই মন্দিরের নাম ‘জগন্নাথ ধাম’ বলে প্রচার করতে থাকেন। এ সময় সনাতনী হিন্দু সমাজের একাংশ ‘ধাম’ শব্দটির বিরোধিতা করেন। তাদের দাবি, ভারতের হিন্দুদের জন্য চার প্রান্তে চারটি ধাম রয়েছে। পূর্ব প্রান্তের পুরীতে রয়েছে জগন্নাথ ধাম, যা নির্মাণ করেছিলেন হিন্দুদের আদি ধর্মগুরু শঙ্করাচার্য।</p><h3>ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা</h3><p>শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, ওডিশার মুখ্যমন্ত্রী পুরীর সাংসদ সম্বিতকে পাঠিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, সবাই চান পুজোপাঠ হোক। কিন্তু ‘ধাম’ শব্দটি সনাতন সংস্কৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বিতর্ক আগেই ছিল। ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তাব গ্রহণ করে দীঘার ওই ক্যাম্পাস থেকে ‘ধাম’ শব্দ সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।</p><h3>প্রতিক্রিয়া</h3><p>মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন দীঘা জগন্নাথ মন্দিরের ট্রাস্টি ও প্রধান পুরোহিত রাধারমণ দাস। তিনি বলেন, এটি সনাতন ধর্মের মর্যাদা রক্ষার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 19:03:49 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ফকিরহাটে কৃষক দল নেতা খুন, বিএনপি নেতা আহত]]></title>
				<category>দুর্নীতি দমন</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/durniti-domon/article-128456.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার নিয়তির মোড় এলাকায় গত মঙ্গলবার রাতে দুর্বৃত্তের হামলায় কৃষক দলের এক নেতা নিহত হয়েছেন। এ সময় বিএনপির আরেক নেতাও আহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তির নাম বাদল মোড়ল। তিনি সদর উপজেলার বারুইপাড়া ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি। আহত আবদুল্লাহ মোড়ল বারুইপাড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি।</p><h2>হামলার বিবরণ</h2><p>পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাদল মোড়ল ও আবদুল্লাহ মোড়ল মোটরসাইকেলে করে বারুইপাড়া থেকে ফকিরহাটে যাচ্ছিলেন। পথে রাত আনুমানিক ১১টার দিকে ফকিরহাটের নিয়তির মোড় এলাকায় পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা তাদের পথরোধ করে। তারা এলোপাতাড়ি ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে দুজনকে রাস্তায় ফেলে পালিয়ে যায়।</p><h3>উদ্ধার ও চিকিৎসা</h3><p>স্থানীয় লোকজন তাদের আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ফকিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক বাদল মোড়লকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত আবদুল্লাহ মোড়লকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাদের দুজনের শরীরেই ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।</p><h2>পুলিশের কার্যক্রম</h2><p>ফকিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সাইফুল ইসলাম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য আহত আবদুল্লাহকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাদল মোড়লের মরদেহ হাসপাতালে রয়েছে। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 18:56:45 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বাগেরহাটে কৃষক দল নেতা বাদল মোড়ল দুর্বৃত্তের হামলায় নিহত]]></title>
				<category>বিএনপি</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/bnp/article-128455.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাগেরহাটে দুর্বৃত্তের হামলায় সদর উপজেলার বারুইপাড়া ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি বাদল মোড়ল (৩৮) নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৯ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ফকিরহাট উপজেলার নিয়তির মাঠ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।</p><h2>ঘটনার বিবরণ</h2><p>প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হেলমেট পরা দুর্বৃত্তরা তিনটি মোটরসাইকেলে এসে বাদল মোড়ল ও আব্দুল্লাহ মোড়লকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। এ সময় আহত হন বারুইপাড়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ মোড়ল।</p><h2>হামলার পটভূমি</h2><p>পুলিশ জানায়, বাদল মোড়ল ও আব্দুল্লাহ মোড়ল মোটরসাইকেলে বারুইপাড়া থেকে ফকিরহাটের দিকে যাচ্ছিলেন। নিয়তির মাঠ এলাকায় পৌঁছালে তিনটি মোটরসাইকেলে আসা হেলমেট পরা দুর্বৃত্তরা তাদের গতিরোধ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।</p><h2>আহতদের উদ্ধার ও চিকিৎসা</h2><p>আহতদের উদ্ধার করে ফকিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক বাদল মোড়লকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত বিএনপি নেতা আব্দুল্লাহ মোড়লকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হতাহত উভয়ের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।</p><h2>পুলিশের বক্তব্য</h2><p>বাগেরহাট পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মাদ নাছের রিকাবদার জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে এবং নিহতের মরদেহ পুলিশ হেফাজতে হাসপাতালে রাখা হয়েছে। রাতের ঘটনা হওয়ায় বিস্তারিত তথ্য তখনও পাওয়া যায়নি বলে তিনি জানান।</p><p>এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত টহল জোরদার করেছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 19:06:06 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[কোম্পানীগঞ্জে আ.লীগ সাধারণ সম্পাদকসহ গ্রেফতার ২]]></title>
				<category>আওয়ামী লীগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/awami-league/article-128454.html</link>
				<description><![CDATA[<p>নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় অভিযান চালিয়ে চর এলাহী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ। সোমবার (৮ জুন) রাতে উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়। মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে তাদের নোয়াখালীর বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।</p><h2>গ্রেফতারকৃতদের পরিচয়</h2><p>গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চর এলাহী ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক ও একই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবদুল জলিল (৫০) এবং সিরাজপুর ইউনিয়নের যুবলীগ কর্মী মোশারফ হোসেন মিলন (২৯)।</p><h3>পুলিশের বক্তব্য</h3><p>কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ নুরুল হাকিম জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মামলা রয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 19:07:48 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ইসলামী ব্যাংক ইস্যুতে সংসদে তীব্র বিতর্ক, সরকার-বিরোধী দলের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ]]></title>
				<category>জাতীয় সংসদ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/jatiyo-shongshod/article-128453.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় (বাজেট) অধিবেশনের তৃতীয় দিন মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকালজুড়ে উত্তপ্ত ছিল জাতীয় সংসদ। আওয়ামী লীগ আমলে সরকারি সংস্থার মাধ্যমে জোরজবরদস্তি করে এস আলম গ্রুপ ব্যাংকের শেয়ার ‘দখল’ করে নেয়—এমন অভিযোগ তুলে সেই শেয়ার মূল মালিকদের ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানায় বিরোধী দল।</p><p>ইসলামী ব্যাংকের ‘দখল-পাল্টা দখল’ নিয়ে সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে তীব্র বিতর্ক হয়। বিরোধী দল দাবি করে, ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডিকে সরিয়ে নতুন চেয়ারম্যান বসিয়ে সরকার কার্যত এস আলম গ্রুপের পথই অনুসরণ করছে। তবে সরকার পক্ষ বলেছে, ব্যাংকে গতিশীলতা আনা এবং মূল মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে গ্রাহকদের আমানত সুরক্ষার আশ্বাসও দেওয়া হয়।</p><h2>বিরোধী দলের বক্তব্য</h2><p>মঙ্গলবার সংসদের বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা মো. শফিকুর রহমান ৬৮ বিধিতে নোটিশ উত্থাপন করেন। তিনি ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের শেয়ার বৈধ মালিকদের কাছে ফেরত, ব্যবস্থাপনায় সব ধরনের অনিয়ম ও হস্তক্ষেপ বন্ধ এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাংকের ভূমিকা অব্যাহত রাখার বিষয়ে আলোচনা চান। তার নোটিশের পক্ষে তার দলের পাঁচজন সংসদ সদস্য সমর্থন জানান এবং চারজন সদস্য বক্তব্য দেন।</p><p>বিরোধী দলের প্রধান বক্তব্যে বলা হয়, বিগত সরকারের সময়ে প্রকৃত শেয়ারহোল্ডারদের সরিয়ে এস আলম গ্রুপের কাছে শেয়ার হস্তান্তর করা হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে শেয়ারহোল্ডাররা ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে ফিরলেও বর্তমান সরকারের সময়ে আবার এমন ব্যক্তিদের চেয়ারম্যান ও এমডি করা হচ্ছে, যাতে এস আলম গ্রুপের পুনরায় ফিরে আসার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।</p><h2>সরকার পক্ষের বক্তব্য</h2><p>সরকারি দলের পক্ষে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ছাড়াও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ বক্তব্য রাখেন। সরকার পক্ষের বক্তব্যে বলা হয়, ইসলামী ব্যাংককে জামায়াতে ইসলামী দলীয় কাজে ব্যবহার করেছে এবং সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনের আগেও ব্যাংক থেকে রাজনৈতিক কাজে অর্থায়ন করা হয়েছে।</p><p>এদিন সংসদে ইসলামী ব্যাংকের মালিকানা, শেয়ার হস্তান্তর, চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ ও পদত্যাগ, গ্রাহকদের টাকা উত্তোলন, আন্দোলন, ঋণ বিতরণ, জামায়াতের নির্বাচনী ব্যয়সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে ব্যাপক বিতর্ক হয়। আলোচনার সময় বিরোধী দলীয় উপনেতা আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের স্পিকারের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।</p><h3>অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য</h3><p>অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ইসলামী ব্যাংককে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিপদে ফেলে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, কোনো ব্যাংকের চেয়ারম্যান পরিবর্তনের কারণে গ্রাহকরা টাকা তুলে নেয়—বিশ্বে এমন নজির নেই। গ্রাহকরা তাদের সুদ ও নিরাপত্তা বিবেচনায় রাখেন। একটি মহল ব্যাংকটিকে ফেইল করানোর চেষ্টা করছে।</p><p>তিনি আরও বলেন, বিগত নির্বাচনে নির্বাচনী এলাকায় অবিশ্বাস্য পরিমাণ টাকা খরচ হয়েছে। এমন অনেক প্রার্থী ছিলেন, যাদের আয়ের কোনো উৎস জানা নেই, অথচ তারা ৫০ থেকে ১০০ কোটি টাকা খরচ করেছেন। এই ‘আনআর্নড ইনকাম’ রাজনীতিতে প্রবেশ করায় তা ক্ষতিকর।</p><p>অর্থমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক তদন্ত করে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কিছু পায়নি। তিনি বলেন, চেয়ারম্যান নিয়োগকে কেন্দ্র করে গ্রাহকদের টাকা উত্তোলনের কোনো নজির নেই। যারা টাকা তুলে নিচ্ছে, তারা ব্যাংকটিকে বিপদে ফেলতে চায়।</p><p>ইসলামী ব্যাংকের সাম্প্রতিক মুনাফা নিয়ে সমালোচনা করে অর্থমন্ত্রী বলেন, গত দুই বছরের প্রফিট ‘উইন্ডো ড্রেসিং’—কৃত্রিমভাবে ভালো দেখানো হয়েছে। ওই সময়ে প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকার প্রভিশন ক্যারি ফরওয়ার্ড করা হয়েছে।</p><p>তিনি জানান, ২০২৫ সালের শেষে ব্যাংকের শ্রেণিকৃত ঋণ ৯৪ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা মোট ঋণ পোর্টফোলিওর ৫১ শতাংশ। ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর ব্যাংকটি ৬৯ হাজার কোটি টাকা এবং ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর ৮৪ হাজার কোটি টাকার প্রভিশন ডেফারেল সুবিধা নিয়েছে। এর ফলে ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে ব্যাংকটি প্রায় ২৬৮ কোটি টাকা নিট লোকসান করেছে।</p><p>অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, পূর্বের সরকারের সময় ইসলামী ব্যাংক দখল হওয়ার পর গ্রাহকরা টাকা তোলেননি, তাহলে এখন কেন তুলছেন—এ প্রশ্নও তিনি তোলেন। তিনি বলেন, সরকার ব্যাংকটিকে তার বৈধ মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করছে।</p><p>দেশে ‘মবোক্রেসি’ বা উচ্ছৃঙ্খলতার প্রবণতা বাড়ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের ভূমিকার প্রশংসা করে অর্থমন্ত্রী বলেন, তিনি আইনের কাঠামোর মধ্যে থেকে সাহসিকতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।</p><p>বিএনপি সবসময় আর্থিক শৃঙ্খলায় বিশ্বাস করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অতীতের বিএনপি সরকারের সময় ম্যাক্রো ইকোনমিক স্থিতিশীলতা সবচেয়ে ভালো ছিল। ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ বিএনপির হাতে শতভাগ নিরাপদ বলেও তিনি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেন।</p><h3>বিরোধী দলীয় নেতার বক্তব্য</h3><p>এর আগে বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, ২০১৬ সালে ইসলামী ব্যাংক ৪৪৭ কোটি টাকার বেশি মুনাফা অর্জন করে এবং তখন খেলাপি বিনিয়োগের হার ছিল মাত্র ৪ শতাংশ। পরবর্তীতে ‘ফ্যাসিবাদী সরকার’ ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লুটপাট ও অনিয়মের মাধ্যমে অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত করে—এমন অভিযোগ তিনি করেন।</p><p>তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালে ব্যাংকের মুনাফা কমে যায় এবং শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দেওয়া সম্ভব হয়নি। খেলাপি বিনিয়োগ ৫১ শতাংশে পৌঁছায়। পরবর্তীতে ব্যাংক ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করলেও আবারও পুরোনো ‘দখলকারী চক্র’ সক্রিয় হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।</p><p>শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, নতুনভাবে বিতর্কিত ব্যক্তিদের চেয়ারম্যান পদে বসানো হয়েছে এবং এমডিকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। তিনি বলেন, একদিনে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা আমানত উত্তোলন করা হয়েছে, যা আস্থার সংকটের প্রতিফলন।</p><p>তিনি ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান এবং প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।</p><h3>স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য</h3><p>স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বিরোধী দল যে ন্যায়নীতির পথে ফেরার কথা বলছে, সেই প্রক্রিয়াই বাংলাদেশ ব্যাংক বাস্তবায়ন করবে। বৈধ শেয়ারহোল্ডারদের কাছে মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়া হবে।</p><p>তিনি আরও বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়’—এ ধরনের বক্তব্য ব্যবহার নিয়ে সমালোচনা করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ব্যাংক থেকে অর্থায়ন ও রাজনৈতিক ব্যবহার নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়েও।</p><p>তিনি বলেন, যারা পর্দার আড়াল থেকে গ্রাহক পরিচয়ে আন্দোলন করছে, তাদের রাজনৈতিক পরিচয় খতিয়ে দেখা উচিত।</p><p>স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, ইসলামী ব্যাংকের আরডিএস প্রকল্পে পল্লী উন্নয়নের জন্য ক্ষুদ্র ঋণ দেওয়া হয়। ভোটের আগে কিছু অর্থ বিতরণের অভিযোগও তিনি তোলেন।</p><p>তিনি বলেন, নাবিল গ্রুপকে ৭০০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হয়েছিল, যা ফেরত আসেনি। সিএসআর তহবিল, নিয়োগ ও অর্থ স্থানান্তর নিয়েও তদন্তের দাবি জানান তিনি।</p><h3>অন্যান্য সাংসদের বক্তব্য</h3><p>বিরোধী দলীয় উপনেতা আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, ইসলামী ব্যাংকের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত না হলে সারা দেশে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হতে পারে।</p><p>ঢাকা-১২ আসনের সাংসদ সাইফুল আলম বলেন, ২৪টি অ-ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২০টি প্রতিষ্ঠান আমানত ফেরত দিতে পারছে না, যা আস্থাহীনতার প্রমাণ। তিনি এস আলম গ্রুপকে বড় ঋণ খেলাপি হিসেবে উল্লেখ করেন।</p><p>তিনি আরও বলেন, ইসলামী ব্যাংক এস আলম গ্রুপের হাতে যাওয়ার ফলে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে এবং ডলারের দর ৮৪ টাকা থেকে ১২৬ টাকায় পৌঁছেছে।</p><p>জামায়াতের সংরক্ষিত আসনের সাংসদ মারিয়া মমতাজ বলেন, এমডিকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে এবং গভর্নরের পরিবারের সঙ্গে বিরোধের বিষয়ও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি দেশের অর্থনীতির জন্য পরিস্থিতিকে ‘অবমাননাকর’ বলে মন্তব্য করেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 18:57:03 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ইউসিবির বোর্ড পুনর্গঠন না করে এজিএম বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট]]></title>
				<category>আইন বিভাগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/ain-bibhag/article-128452.html</link>
				<description><![CDATA[<p>জুলাই বিপ্লবের পর গঠিত ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি)–এর অন্তর্বর্তীকালীন পরিচালনা পর্ষদ দুই বছরেও পুনর্গঠন করা হয়নি। এই অবস্থায় বোর্ড পুনর্গঠন ছাড়া নতুন করে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে।</p><h2>শুনানি আজ</h2><p>রিটের শুনানি আজ বুধবার (১০ জুন) হওয়ার কথা রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক জুলাই বিপ্লবের পর ইউসিবিতে একটি অন্তর্বর্তীকালীন বোর্ড গঠন করে। ওই বোর্ডে দুজন শেয়ারহোল্ডার পরিচালক ও তিনজন স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়। তখন কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্রুত সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ বোর্ড পুনর্গঠনের কথা জানিয়েছিল।</p><h3>দুই বছরেও পুনর্গঠন হয়নি</h3><p>তবে এর মধ্যে দুই বছর পার হলেও বোর্ড পুনর্গঠন হয়নি। এই সময়ে একবার এজিএম অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামীকাল আবারও এজিএম ডাকা হয়েছে। বোর্ড পুনর্গঠন ছাড়া এজিএম আহ্বান করায় ব্যাংকটির একজন শেয়ারহোল্ডার শওকত আজিজ রাসেল হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন।</p><h3>রিটের আবেদন</h3><p>রিটে বোর্ড পুনর্গঠন না হওয়া পর্যন্ত এজিএমের সব কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। রিটকারীর আইনজীবী জানিয়েছেন, অন্তর্বর্তীকালীন বোর্ড পুনর্গঠনে উদ্যোগ না নিয়ে দায়িত্ব দীর্ঘায়িত করছে, যা শেয়ারহোল্ডার ও আমানতকারীদের স্বার্থের পরিপন্থী। আদালতে বিষয়টি শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হবে বলে তিনি জানান।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 18:21:51 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ধর্ষণ বন্ধে আইন যথেষ্ট নয়, সামাজিক মূল্যবোধের পরিবর্তন জরুরি]]></title>
				<category>আইন বিভাগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/ain-bibhag/article-128451.html</link>
				<description><![CDATA[<p>রাজধানীর এক মতবিনিময় সভায় দেশের শীর্ষস্থানীয় আইনবিদ, মানবাধিকার কর্মী ও পুলিশ কর্মকর্তারা মত প্রকাশ করেছেন যে ধর্ষণ, যৌন হয়রানি ও নারী নির্যাতন বন্ধে আইনগত সুরক্ষার পাশাপাশি সামাজিক মূল্যবোধের উন্নয়ন সবচেয়ে বেশি জরুরি। তারা বলেছেন, কেবল আইনের কঠোর প্রয়োগ বা শাস্তির ভয় দেখিয়ে এই সামাজিক ব্যাধি দূর করা সম্ভব নয়। বরং এ অপরাধ স্থায়ীভাবে প্রতিরোধ করতে হলে শিক্ষাব্যবস্থা, পারিবারিক সদাচার এবং নৈতিক মূল্যবোধের জায়গায় আমূল পরিবর্তন আনতে হবে।</p><h2>মতবিনিময় সভার আয়োজন</h2><p>মঙ্গলবার (৯ জুন) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘ধর্ষণ ও নির্যাতন: আইনগত সুরক্ষায় করণীয়’ শীর্ষক এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট)। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি মোহাম্মদ ইমাম আলী।</p><h2>প্রধান অতিথির বক্তব্য</h2><p>সাবেক বিচারপতি মোহাম্মদ ইমাম আলী তার বক্তব্যে বলেন, ‘ধর্ষণ, নির্যাতন কিংবা যৌন হয়রানি—যে নামেই আমরা একে সংজ্ঞায়িত করি না কেন, এর মূল উৎস আমাদের সামাজিক অবক্ষয়। এটি রাতারাতি শুধু আইন দিয়ে বন্ধ করা যাবে না। সমাজ ও পরিবারের ভেতর থেকে সচেতনতা তৈরি করতে হবে।’ তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন যে আইনগত পদক্ষেপের পাশাপাশি সামাজিক আচরণ ও মূল্যবোধের পরিবর্তন অপরিহার্য।</p><h3>বিচার ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা</h3><p>সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মাসুদা রেহানা বেগম বিচার ব্যবস্থার নানাবিধ সীমাবদ্ধতা ও দীর্ঘসূত্রতার চিত্র তুলে ধরে বলেন, ‘আমরা এখনো পুরো সিস্টেম বা বিচারিক প্রক্রিয়াকে পুরোপুরি জনবান্ধব ও জবাবদিহিমূলক করতে পারিনি। ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হলে সবার আগে পুলিশের তদন্ত প্রক্রিয়াকে ত্রুটিমুক্ত ও নির্ভুল হতে হবে। একই সঙ্গে বিচার প্রক্রিয়ার বিলম্ব দূর করতে এবং যুগের চাহিদা অনুযায়ী সাক্ষ্য আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা জরুরি।’</p><h3>তদন্ত ও সামাজিক নিরাপত্তা</h3><p>মতবিনিময় সভায় বক্তারা আরও বলেন, অনেক ক্ষেত্রেই সঠিক তদন্তের অভাব এবং সামাজিক প্রতিবন্ধকতার কারণে অপরাধীরা পার পেয়ে যায়। তাই আইনি সুরক্ষাকে কার্যকর করতে হলে তদন্তকারী কর্মকর্তাদের আরও দক্ষ ও সংবেদনশীল হতে হবে। পাশাপাশি ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে সামাজিক নিরাপত্তা দেওয়ার আহ্বান জানান তারা।</p><p>এ সময় ব্লাস্টের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের প্রতিনিধি এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত থেকে স্ব-স্ব মতামত তুলে ধরেন। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে বলা হয়, ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে আইন ও সমাজের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 18:07:47 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[শেফিল্ড ডকফেস্টে বাংলাদেশের চার নির্মাতার প্রকল্প প্রদর্শন]]></title>
				<category>পুরস্কার</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/puroshkar/article-128449.html</link>
				<description><![CDATA[<p>আজ বুধবার থেকে শুরু হয়েছে যুক্তরাজ্যের শেফিল্ড ডকফেস্ট। এই উৎসবটি যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে বড় প্রামাণ্যচিত্র উৎসব এবং প্রভাবশালী ডকুমেন্টারি বাজার হিসেবে পরিচিত। এতে নিজেদের প্রকল্প নিয়ে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশের চার নির্মাতা ও প্রযোজক।</p><h2>বাংলাদেশের নির্মাতাদের অংশগ্রহণ</h2><p>মূলত নির্মাতারা ‘নিউ স্টোরিজ, ইমার্জিং অথরস: শোকেস অব ওয়ার্ক ইন প্রোগ্রেস ফ্রম বাংলাদেশ’ শীর্ষক আয়োজনে তাঁদের প্রকল্প তুলে ধরবেন। নির্মিত তথ্যচিত্রের কিছু অংশও সেখানে প্রদর্শন করবেন।</p><p><strong>নোম্যাডস অব দ্য নর্থ</strong> নিয়ে অংশ নিচ্ছেন পরিচালক ও প্রযোজক পিপলু আর খান। তথ্যচিত্রটির শুটিং চলছে। এ ছাড়া কাজী আরেফিন আহমেদ অপেক্ষা, তায়রান রাজ্জাক মন্ত্র অব দ্য ম্যানগ্রোভস এবং মকবুল চৌধুরী মাশাব শীর্ষক তিনটি তথ্যচিত্রের প্রকল্প তুলে ধরবেন। এই তিনটি তথ্যচিত্রের কাজ চলছে।</p><h3>নির্মাতাদের বক্তব্য</h3><p>পরিচালক ও প্রযোজক পিপলু আর খান বলেন, ‘শেফিল্ড ডকফেস্টে আমরা প্রযোজক, পরিবেশক ও সেলস এজেন্টদের কাছে তথ্যচিত্রটি তুলে ধরব। সাউথ এশিয়ান নির্মাতাদের জন্য এটা একটি বড় আয়োজন। এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে আমরা তথ্যচিত্রটিকে বড় পরিসরে নিয়ে যেতে চাই।’</p><h2>শেফিল্ড ডকফেস্টের গুরুত্ব</h2><p>প্রতিবছর ইংল্যান্ডের শেফিল্ডে হয় এই উৎসব। এ সময়ে বিশ্বজুড়ে প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা, প্রযোজক, পরিবেশক, সম্প্রচারক ও দর্শকদের মিলনমেলায় পরিণত হয় শেফিল্ড। শুধু তথ্যচিত্র নয়, টেলিভিশন, পডকাস্ট, ইমারসিভ মিডিয়া এবং শিল্পভিত্তিক নানা ধরনের ডকুমেন্টারি কাজও এখানে প্রদর্শিত হয়।</p><p>২০২৬ সালের আয়োজনে স্থান পেয়েছে বিশ্বের ১০৪টি চলচ্চিত্র। চলবে ১৫ জুন পর্যন্ত। ঢাকা ডকল্যাব ও ব্রিটিশ কাউন্সিলের সহযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশের নির্মাতারা।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 18:26:58 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[সুদের হার বৃদ্ধির শঙ্কায় স্বর্ণের দাম কমেছে আন্তর্জাতিক বাজারে]]></title>
				<category>মুদ্রাস্ফীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/mudrasphiti/article-128448.html</link>
				<description><![CDATA[<p>যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশের আগে সুদের হার বৃদ্ধির জোরালো সম্ভাবনায় আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে। মঙ্গলবার বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ বিক্রি এবং ফেডারেল রিজার্ভের সম্ভাব্য কড়াকড়ি মুদ্রানীতির আশঙ্কায় নিরাপদ সম্পদ হিসেবে বিবেচিত স্বর্ণের বাজার চাপে পড়ে।</p><h2>স্বর্ণের বর্তমান দর</h2><p>নিউইয়র্ক সময় মঙ্গলবার সকাল ১১টা পর্যন্ত স্পট গোল্ডের দাম ০.৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,২৯৮.৭৫ ডলারে নেমে আসে। দিনের শুরুর দিকে দর ১ শতাংশের বেশি হ্রাস পেয়েছিল। একই সময়ে আগস্ট ডেলিভারির মার্কিন গোল্ড ফিউচার্স ০.৯ শতাংশ কমে দাঁড়ায় প্রতি আউন্স ৪,৩২৩.৯০ ডলারে।</p><h3>বিশ্লেষকদের মতামত</h3><p>বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান আরজেও ফিউচার্সের সিনিয়র মার্কেট স্ট্র্যাটেজিস্ট বব হ্যাবারকর্ন বলেন, মূল্যস্ফীতির প্রতিবেদন প্রকাশের আগে বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ঝুঁকি এড়ানোর প্রবণতা বাড়ায় স্বর্ণের দাম চাপের মুখে পড়েছে। ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার নিয়ে স্পষ্ট সংকেত না দেওয়া পর্যন্ত স্বর্ণ ও রূপার বাজারে অস্থিরতা থাকতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।</p><h2>অর্থনৈতিক সূচক</h2><p>সম্প্রতি শক্তিশালী কর্মসংস্থানের তথ্য প্রকাশের পর বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি এখন চলতি সপ্তাহের অর্থনৈতিক সূচকের দিকে। বুধবার ভোক্তা মূল্যসূচক এবং বৃহস্পতিবার প্রযোজক মূল্যসূচক প্রকাশিত হবে। এসব তথ্য থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ মুদ্রানীতির দিকনির্দেশনা পাওয়া যেতে পারে।</p><h3>মূল্যস্ফীতি ও সুদের হার</h3><p>জার্মানির কমার্সব্যাংক এক নোটে জানিয়েছে, মে মাসের মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশার চেয়ে বেশি হলে স্বর্ণের দর আরও কমতে পারে। সিএমই ফেডওয়াচ টুল অনুযায়ী, ব্যবসায়ীরা আগামী ডিসেম্বরে সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা প্রায় ৭০ শতাংশ ধরে হিসাব করছেন।</p><h2>অন্যান্য ধাতুর দাম</h2><p>এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমনের ইঙ্গিত এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আহ্বানে সাড়া দিয়ে ইরান ও ইসরাইল হামলা বন্ধের ঘোষণা দেওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমেছে। তেলের দাম কমলে মূল্যস্ফীতির চাপ হ্রাস পেতে পারে, যা সুদের হার নীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। উচ্চ সুদের হার সাধারণত সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা কমিয়ে দেয়। স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দরও কমেছে। স্পট সিলভার ৩.২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬৫.৯৮ ডলারে, প্লাটিনাম ১.১ শতাংশ কমে ১,৭৩৬.০৮ ডলারে এবং প্যালাডিয়াম ২.৫ শতাংশ কমে ১,২৩৪.৯৩ ডলারে লেনদেন হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 18:04:41 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বিশ্বকাপের প্রাইজমানি রেকর্ড ৮৭১ মিলিয়ন ডলার]]></title>
				<category>ক্রীড়া প্রশাসন</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/krira-proshashon/article-128447.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ফুটবল বিশ্বকাপ শুধু গৌরব আর ট্রফির লড়াই নয়, এটি বিপুল অর্থ পুরস্কারেরও মঞ্চ। তাই আসন্ন বিশ্বকাপকে ঘিরে ট্রফির পাশাপাশি চ্যাম্পিয়ন দলের প্রাইজমানি নিয়েও ভক্তদের আগ্রহ তুঙ্গে। ৬.১ কেজি ওজনের সোনালি বিশ্বকাপ ট্রফির সঙ্গে বিজয়ী দল কত অর্থ পাবে?</p><h2>বিশ্বকাপের আয়োজন ও দল সংখ্যা</h2><p>যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এবারের বিশ্বকাপে অংশ নেবে ৪৮টি দল। ৩৯ দিনব্যাপী টুর্নামেন্টে অনুষ্ঠিত হবে মোট ১০৪টি ম্যাচ, যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। দলসংখ্যা বাড়ানো ও রেকর্ডসংখ্যক ম্যাচের কারণে এবার প্রাইজমানির অঙ্কও রেকর্ড গড়েছে।</p><h2>মোট প্রাইজমানি</h2><p>বিশ্বকাপের মোট প্রাইজমানি নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৮ হাজার ৩২১ কোটি টাকা। এই অর্থ শুধু চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য নয়, বরং টুর্নামেন্টের বিভিন্ন ধাপে অংশ নেওয়া দলগুলোর মধ্যেও বণ্টন করা হবে।</p><h2>চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপের পুরস্কার</h2><p>চ্যাম্পিয়ন দল সবচেয়ে বড় অঙ্কের পুরস্কার পাবে। ট্রফির সঙ্গে শিরোপাজয়ীরা ঘরে তুলবে ৫০ মিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬১৩ কোটি টাকা। রানার্সআপ দল পাচ্ছে ৩৩ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার।</p><h2>তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানের পুরস্কার</h2><p>তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দল পাবে ২৯ মিলিয়ন ডলার, আর চতুর্থ দল পাবে ২৭ মিলিয়ন ডলার।</p><h2>নকআউট পর্বের পুরস্কার</h2><p>নকআউট পর্বে পৌঁছানো দলগুলোর জন্যও রয়েছে বড় অঙ্কের অর্থ। কোয়ার্টার ফাইনালিস্টরা পাবে ১৯ মিলিয়ন ডলার করে, আর রাউন্ড অব সিক্সটিনে উঠলেই মিলবে ১৫ মিলিয়ন ডলার। এমনকি রাউন্ড অব ৩২ থেকে বিদায় নেওয়া দলগুলোর জন্যও থাকছে ১১ মিলিয়ন ডলার করে।</p><h2>গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া দল</h2><p>গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিলেও কোনো দল খালি হাতে ফিরবে না। অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলই পাবে ৯ মিলিয়ন ডলার।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 18:35:12 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[সকালের বৃষ্টিতে শিশুদের স্কুলে নিয়ে যাওয়া ও নগরের দৃশ্য]]></title>
				<category>সিনেমা</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/cinema/article-128434.html</link>
				<description><![CDATA[<p>সকালের বৃষ্টির মধ্যে ছাতা মাথায় দিয়ে শিশুকে বিদ্যালয়ে পৌঁছে দিচ্ছেন অভিভাবক। কখনো ঝিরিঝিরি, কখনো ঝুম বৃষ্টিতে বদলে গেছে নগরের চেনা দৃশ্য। বৃষ্টির মধ্যে যাত্রী নিয়ে ছুটছেন রিকশাচালক। মাথায় পলিথিন দিয়ে চলছেন রিকশাচালক। বৃষ্টি থেকে নিজেকে রক্ষায় দৌড়াচ্ছে কিশোর। অন্ধকার নেমে আসায় বাতি জ্বালিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাচ্ছেন একজন। ভ্যান ও রিকশাচালক—দুজনই বৃষ্টিতে ভিজে একাকার। এক ছাতা মাথায় দিয়ে পথ চলছেন দুই নারী। বৃষ্টির মধ্যে বাতি জ্বালিয়ে চলছে যানবাহন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 18:00:44 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[অস্ট্রেলিয়ায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য কঠোর নিয়ম চালুর দাবি]]></title>
				<category>উচ্চশিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/uccho-shikkha/article-128433.html</link>
				<description><![CDATA[<p>অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন ব্যবস্থার অপব্যবহার রোধ এবং অবৈধ নাগরিকদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া গতিশীল করতে বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য কঠোর নিয়ম চালুর দাবি উঠেছে। নতুন এই প্রস্তাব অনুযায়ী, উচ্চশিক্ষার জন্য আসা শিক্ষার্থীদের পরবর্তী কোর্সে আবেদনের আগে বাধ্যতামূলকভাবে নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে।</p><h2>ওয়ান নেশনের প্রস্তাব</h2><p>অস্ট্রেলিয়ার রাজনৈতিক দল ‘ওয়ান নেশন’-এর প্রধান সিনেটর পলিন হ্যানসন মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এই দাবি জানান। তিনি অভিযোগ করেন, দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিদেশি শিক্ষার্থীদের অর্থের ওপর অতিরিক্ত মাত্রায় নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে এবং অনিয়মের পরোক্ষ অংশীদারে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় রেকর্ড ২৬ লাখ অস্থায়ী ভিসাধারী অবস্থান করছেন, যার জন্য এই অব্যবস্থাপনা আংশিক দায়ী বলে তিনি উল্লেখ করেন।</p><h3>শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন</h3><p>সিনেটর হ্যানসন বলেন, ‘এই বিপুলসংখ্যক মানুষের একটি বড় অংশ এমন সব ঘরবাড়ি ও নাগরিক সুবিধা ব্যবহার করছেন, যা প্রকৃত অস্ট্রেলীয়দের প্রাপ্য। এটি স্পষ্ট যে অনেক শিক্ষার্থীর মূল উদ্দেশ্য পড়াশোনা নয়, বরং ব্যবস্থার ফাঁকফোকর গলে অস্ট্রেলিয়ার উচ্চ মজুরি ও অর্থনৈতিক সুবিধা ভোগ করা।’</p><h3>শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের সংকট</h3><p>বিবৃতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের প্রবণতাকে একটি বড় সংকট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অভিযোগ করা হয়েছে, অনেক বিদেশি শিক্ষার্থী স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় আসার পরপরই মূল পড়াশোনা ছেড়ে দেন এবং ভুয়া কোর্সে ভর্তি হন। এই প্রক্রিয়ার অন্তর্বর্তীকালে তাঁরা একধরনের বিশেষ ভিসায় (ব্রিজিং ভিসা) বছরের পর বছর অবস্থান করেন, যা তাঁদের এখানে কাজ করার ও বসবাসের আইনি সুযোগ দেয়।</p><h3>অন্তর্বর্তীকালীন ভিসার জটিলতা</h3><p>সরকারি হিসাব তুলে ধরে জানানো হয়, এই অন্তর্বর্তীকালীন ভিসাপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে গড়ে ২০০ দিন সময় লাগে। আবেদন নাকচ হলে শিক্ষার্থীরা আপিল বা পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন, যা নিষ্পত্তিতে আরও প্রায় ৬৪ সপ্তাহ কেটে যায়। এমনকি কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই অনেকে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেন, কারণ এই ধরনের আবেদন ঝুলে থাকে প্রায় তিন বছর। প্রথম দফায় নাকচ হলে আবারও আপিল করে অস্ট্রেলিয়ায় অর্থ উপার্জনের সময় বাড়িয়ে নেওয়া হয়।</p><h3>ভিসাধারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি</h3><p>গত তিন বছরে এই অন্তর্বর্তীকালীন ভিসায় থাকা বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩ হাজার থেকে বেড়ে ১ লাখ ৭ হাজারে দাঁড়িয়েছে। সিনেটর হ্যানসন সেন্ট্রাল কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের উদাহরণ টেনে বলেন, ২০২৩ সালে সেখানে প্রথম বর্ষের বিদেশি শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হার ছিল ৫৭ দশমিক ২ শতাংশ। সিডনির মতো প্রধান শহরগুলোতে ক্যাম্পাস খোলার একমাত্র উদ্দেশ্য বিদেশি শিক্ষার্থীদের অর্থ লুফে নেওয়া।</p><h2>নতুন নীতিমালার প্রস্তাব</h2><p>এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ‘ওয়ান নেশন’ দল একটি নতুন নীতিমালা প্রস্তাব করেছে। এর অধীনে পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়া কোনো বিদেশি শিক্ষার্থীকে অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান বা কাজের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন ভিসা দেওয়া হবে না এবং দেশটির পুনর্বিবেচনা ট্রাইব্যুনালে আপিল করার কোনো সুযোগ থাকবে না।</p><h3>স্থানীয় শিক্ষাকে অগ্রাধিকার</h3><p>বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে স্থানীয়দের শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে বিবৃতিতে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 18:22:08 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বিসিবি সভায় অধিকাংশ পরিচালকের দায়িত্ব বণ্টন, ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান নেই]]></title>
				<category>ক্রিকেট</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/cricket/article-128432.html</link>
				<description><![CDATA[<p>তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নবনির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদের জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় অধিকাংশ পরিচালকের দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। তবে ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান হিসেবে কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। পেশাদার কর্মকর্তাদের দিয়েই বিভাগটি পরিচালিত হবে। তাদের ওপর তদারকির দায়িত্বে থাকবেন বোর্ড সভাপতি।</p><h2>কমিটি বণ্টন</h2><p>বিসিবির ২৩টি কার্যকরী কমিটির মধ্যে ২১টির দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের মতো বাংলাদেশ টাইগার্স কমিটির চেয়ারম্যানও এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। বিসিবি নির্বাচন ও নতুন কমিটির দায়িত্ব গ্রহণের পরদিন মঙ্গলবার পরিচালনা পর্ষদের সভা শেষে বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করা হয়।</p><h3>সভাপতি ও সহসভাপতির দায়িত্ব</h3><p>সভাপতি তামিম ইকবাল ওয়ার্কিং কমিটি ও ফ্যাসিলিটিজ কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকছেন। অ্যাডহক কমিটিতেও তিনি এই দুটি বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন। তামিমের মতো দুটি করে কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পেয়েছেন ফাহিম সিনহা, শানিয়ান তানিম নাভিন ও সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ। সহসভাপতি ফাহিম সিনহা গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির পাশাপাশি বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।</p><h3>অন্যান্য পরিচালকের দায়িত্ব</h3><p>শানিয়ান তানিম নাভিন থাকছেন গ্রাউন্ডস কমিটি ও হাই পারফরম্যান্স বিভাগের দায়িত্বে। সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদকে দেওয়া হয়েছে সিকিউরিটি কমিটি এবং টেন্ডার অ্যান্ড পারচেজ কমিটির দায়িত্ব। এ ছাড়া টুর্নামেন্ট কমিটির দায়িত্ব পেয়েছেন চট্টগ্রামের সংগঠক সিরাজউদ্দিন মো. আলমগীর। আম্পায়ার্স কমিটির চেয়ারম্যান হয়েছেন মির্জা ইয়াসির আব্বাস। মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের দায়িত্বে থাকবেন আসিফ রব্বানি। ঢাকার ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিসিডিএমের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়া মঈন উদ্দিন চৌধুরীকে।</p><h3>নারী ও বয়সভিত্তিক ক্রিকেট</h3><p>নারী ক্রিকেট–সংক্রান্ত কমিটির দায়িত্ব পেয়েছেন রফিকুল ইসলাম বাবু। অ্যাডহক কমিটিতে তিনি গ্রাউন্ডস কমিটির দায়িত্বে ছিলেন। বয়সভিত্তিক ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান হয়েছেন সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন। আরেক সংগঠক মাসুদুজ্জামান মার্কেটিং কমিটির চেয়ারম্যান এবং বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।</p><h3>পরিচালকদের অবস্থা</h3><p>নির্বাচনের পরদিন রাজশাহী থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত পরিচালক মীর শাকরুল আলম সীমান্ত হঠাৎ পদত্যাগ করায় বর্তমানে বিসিবির পরিচালকের সংখ্যা ২৪। তাদের মধ্যে ১৮ জন বিভিন্ন কমিটির প্রধানের দায়িত্ব পেয়েছেন। বাকি ছয়জনের মধ্যে খুলনা থেকে নির্বাচিত সরফরাজ আহমেদ ও মির্জা ফয়সল আমিনকে দুটি কমিটির সহসভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অন্য চার পরিচালক মিজানুর রহমান, সাকিফ আহমেদ সালাম, শান্তুনু ইসলাম ও শফিকুল আলম কোনো কমিটির দায়িত্ব পাননি।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 18:02:43 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[সরকারি বাঙলা কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা ১০ জুলাই]]></title>
				<category>উচ্চশিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/uccho-shikkha/article-128431.html</link>
				<description><![CDATA[<p>রাজধানীর সরকারি বাঙলা কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের প্রথম মিলনমেলা আগামী ১০ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে। দিনব্যাপী এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে একটি স্থায়ী অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।</p><h2>আয়োজনের বিবরণ</h2><p>আয়োজক কমিটি জানিয়েছে, কলেজের বর্তমান অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. কামরুল হাসানের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক মিটুল চৌধুরীর সহযোগিতায় এ মিলনমেলার আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা অংশ নেবেন।</p><h3>দিনব্যাপী কর্মসূচি</h3><p>মিলনমেলার দিনব্যাপী কর্মসূচিতে রয়েছে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, প্রয়াত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্মরণে শ্রদ্ধা নিবেদন, ব্যাচভিত্তিক পরিচিতি ও স্মৃতিচারণা। এ ছাড়া অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠনের বিষয়ে আলোচনা, র‍্যাফল ড্র এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকবে।</p><p>আয়োজকেরা আশা করছেন, এই মিলনমেলার মাধ্যমে কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের সেতুবন্ধ তৈরি হবে। সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 17:41:30 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ভিডিওতে উঠে এলো বাংলাদেশের নতুন দৃশ্য]]></title>
				<category>বিনোদন ব্যবসা</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/binodon-bebsha/article-128430.html</link>
				<description><![CDATA[<p>প্রথম আলোর ভিডিও বিভাগে বাংলাদেশের একটি নতুন দৃশ্য প্রকাশিত হয়েছে। এই ভিডিওতে দেশের অপরূপ সৌন্দর্য ও সংস্কৃতির নানা দিক ফুটে উঠেছে। দর্শকরা ভিডিওটির মাধ্যমে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখতে পাবেন।</p><h2>ভিডিওর বৈশিষ্ট্য</h2><p>এই ভিডিওতে বাংলাদেশের গ্রামীণ জীবন, নদী, পাহাড় ও সমুদ্র সৈকতের দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে। প্রথম আলোর ভিডিও টিম দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গিয়ে এই দৃশ্যগুলো ধারণ করেছে। ভিডিওটি উচ্চ মানের ও রঙিন, যা দর্শকদের মনোরঞ্জন করবে।</p><h3>দর্শক প্রতিক্রিয়া</h3><p>ভিডিওটি প্রকাশের পর থেকেই দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। অনেকে সামাজিক মাধ্যমে ভিডিওটি শেয়ার করে দেশের সৌন্দর্য নিয়ে গর্ব প্রকাশ করেছেন। প্রথম আলো আশা করছে, এই ভিডিও দেশের পর্যটন শিল্পেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 18:01:40 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[পল্টনে শুরু হচ্ছে বয়সভিত্তিক হ্যান্ডবল ট্রফি]]></title>
				<category>ক্রীড়া প্রশাসন</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/krira-proshashon/article-128419.html</link>
				<description><![CDATA[<p>রাজধানীর পল্টনে শহীদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে উড়ছে ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, ইয়েমেন, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশের পতাকা। স্টেডিয়ামে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। এই স্টেডিয়ামে বুধবার (১০ জুন) শুরু হবে ৫ দিনব্যাপী বয়সভিত্তিক পুরুষ আইএএইচএফ (আন্তর্জাতিক হ্যান্ডবল ফেডারেশন) ট্রফি। প্রতিযোগিতার পৃষ্ঠপোষকতা করছে ঢাকা আইসক্রীম ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।</p><p>ভারত, নেপাল, ইয়েমেন, মালদ্বীপ, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ; এই ছয় জাতির অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হবে এই প্রতিযোগিতা। অনূর্ধ্ব-২০ বিভাগে দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে দলগুলো। ‘এ’ গ্রুপে খেলবে ভারত, নেপাল ও ইয়েমেন। ‘বি’ গ্রুপে মালদ্বীপ, আফগানিস্তান ও স্বাগতিক বাংলাদেশ। দুই গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলগুলো নিয়ে ১৩ জুন হবে সেমিফাইনাল। ১৪ জুন ফাইনাল। অনূর্ধ্ব-১৮ বিভাগের ম্যাচগুলো রাউন্ড রবিন লিগ পদ্ধতিতে হবে। সর্বোচ্চ পয়েন্ট পাওয়া দল হবে চ্যাম্পিয়ন।</p><p>প্রতিযোগিতা উপলক্ষ্যে দেশগুলো এরই মধ্যে ঢাকায় পৌঁছেছে। ভ্রমণক্লান্তির কারণে বেশিরভাগ দেশই মঙ্গলবার কোনও অনুশীলন করেনি। শুধু আফগানিস্তান পল্টনস্থ জাতীয় রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে ও স্বাগতিক বাংলাদেশ জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে অনুশীলন করেছে।</p><p>বুধবার বেলা ১১টায় প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করবেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। উপস্থিত থাকবেন যুব ও ক্রীড়া সচিব মাহবুব উল আলম, বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সভাপতি মেজর জেনারেল আবু মোহাম্মদ সরোয়ার ফরিদ, সাধারণ সম্পাদক মো. সালাউদ্দিন আহমেদ এবং পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান ঢাকা আইসক্রিম ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মাসুদ ইমাম।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 18:17:21 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[নাহিদ রানার গতি সামলাতে পারিনি: অ্যালেক্স ক্যারি]]></title>
				<category>ক্রিকেট</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/cricket/article-128418.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৮৬ রানে হারের পর স্বাগতিকদের পেস আক্রমণের প্রশংসা করেছেন অস্ট্রেলিয়ার উইকেটকিপার-ব্যাটার অ্যালেক্স ক্যারি। বিশেষ করে নাহিদ রানার গতি ও বাউন্স সামলাতে না পারার কথা স্বীকার করেন তিনি। মঙ্গলবার ২৮৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। ২ রানে ২ উইকেট হারানোর পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়ে। ১৫৬ রানে ৯ উইকেট হারানো দলটি শেষদিকে ক্যামেরন গ্রিনের পঞ্চাশোর্ধ ইনিংসে ১৯১ পর্যন্ত পৌঁছায়। এরপর বজ্রপাত ও বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ হলে ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে বাংলাদেশ ৮৬ রানে জয় পায়। নাহিদ রানা একাই নেন ৪ উইকেট।</p><h2>ম্যাচ শেষে ক্যারির প্রতিক্রিয়া</h2><p>ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ক্যারি বলেন, ‘আমাদের অনেক ব্যাটারের জন্য বাংলাদেশের পেসাররা নতুন ছিল। বিশেষ করে নাহিদ আজ আলাদা করে চোখে পড়েছে। এ ধরনের উইকেটে তার অতিরিক্ত গতি ও বাউন্স কার্যকর হয়েছে।’ তিনি যোগ করেন, ‘আমরা জানতাম তার গতি সম্পর্কে। কিন্তু সামনে দাঁড়িয়ে খেলা ভিন্ন অভিজ্ঞতা। সে লম্বা গড়নের, তাই বাড়তি বাউন্স পায়।’</p><h3>পেস আক্রমণের তুলনা</h3><p>দুই দলের পেস আক্রমণের তুলনা টেনে ক্যারি বলেন, শুরুতে অস্ট্রেলিয়ার বোলাররাও ভালো বল করেছেন এবং কয়েকটি সুযোগ তৈরি হয়েছিল। তবে সেগুলো কাজে লাগানো যায়নি। ‘ফিল্ডিংয়ে আরও নিখুঁত হতে হবে। আমাদের ব্যাটাররা এখন তাদের পেস ও স্পিন আক্রমণ দেখেছে। দ্রুত শেখা এবং মানিয়ে নেওয়াই এখন গুরুত্বপূর্ণ,’ বলেন তিনি।</p><h2>নাহিদের মুখোমুখি প্রথমবার</h2><p>অস্ট্রেলিয়ার বেশিরভাগ ব্যাটারই এবার প্রথমবারের মতো নাহিদের মুখোমুখি হয়েছেন। ক্যারির ভাষায়, ‘সে সত্যিই ভালো বোলিং করেছে। আমরা জানতাম কী আসছে, তবু সামলাতে পারিনি। সামনে আরও দুই ম্যাচ আছে। বৃহস্পতিবার ও রোববার আবার তার বিপক্ষে খেলব। আশা করি তখন ভালোভাবে মোকাবিলা করতে পারব।’</p><h3>উদযাপন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা</h3><p>ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক জস ইংলিসকে আউট করার পর নাহিদের উদযাপন এবং দুজনের কথার লড়াই নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। এ প্রসঙ্গে ক্যারি বলেন, ‘ক্রিকেটে এমন প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকতেই পারে। সীমা অতিক্রম না করলে এটি খেলাটিরই অংশ। ঠিক কী কথা হয়েছে, তা জানি না।’ ক্যারি আরও বলেন, ‘দ্রুতগতির বোলারদের কাছ থেকে এমন আগ্রাসন প্রত্যাশিত। আমরা তার ভিডিও দেখেছিলাম, দ্বিতীয় স্পেলে সে যেভাবে বল করেছে সেটাও অনুমেয় ছিল। তবে মাঠে তা মোকাবিলা করা কঠিন ছিল। পরের ম্যাচগুলোতে আমরা পরিস্থিতি বদলাতে চাই।’</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 17:49:07 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ইসলামী ব্যাংকে এস আলম গ্রুপের পুনঃপ্রভাব প্রতিষ্ঠার চেষ্টার অভিযোগ]]></title>
				<category>দুর্নীতি দমন</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/durniti-domon/article-128417.html</link>
				<description><![CDATA[<p>জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের অভিযোগ করেছেন, ইসলামী ব্যাংকে আবারও এস আলম গ্রুপ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রভাব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে। মঙ্গলবার কার্যপ্রণালি বিধির ৬৮ অনুযায়ী উত্থাপিত এক নোটিশের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ অভিযোগ করেন।</p><h2>গ্রাহক আস্থা ও আমানত পুনর্গঠন</h2><p>তাহের বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের পর ব্যাংকটি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে শুরু করেছিল এবং গ্রাহকদের আস্থা পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া চলছিল। তার দাবি, এ সময়ে গ্রাহকেরা নতুন করে প্রায় ২৬ হাজার কোটি টাকা আমানত রাখেন। তিনি আশা প্রকাশ করেছিলেন যে, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে সরকার উদ্যোগ নেবে।</p><h2>ব্যাংক ব্যবস্থাপনায় বিতর্কিত পরিবর্তন</h2><p>তবে এখন ব্যাংকের অভ্যন্তরে বিতর্কিত ব্যক্তিদের বসানো হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এম জুবায়দুর রহমান ও সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর ফারুকের প্রসঙ্গ তুলে তাহের বলেন, তাদের নেতৃত্বে ব্যাংকটি ধীরে ধীরে স্থিতিশীল হচ্ছিল। হঠাৎ করে চেয়ারম্যান পরিবর্তন এবং এমডিকে পদত্যাগে বাধ্য করার কারণ সরকারকে স্পষ্ট করতে হবে। তিনি আগের ব্যবস্থাপনা কাঠামো পুনর্বহাল এবং সংশ্লিষ্ট দুজনকে দায়িত্বে ফিরিয়ে আনার বিষয় বিবেচনার আহ্বান জানান।</p><h2>মালিকানা কাঠামো ও শেয়ার নিয়ন্ত্রণ</h2><p>ব্যাংকের মালিকানা কাঠামো নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিরোধীদলীয় উপনেতা। তার অভিযোগ, বর্তমানে এস আলম গ্রুপ ব্যাংকের প্রায় ৮২ শতাংশ শেয়ারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং অন্যান্য শেয়ারধারীদের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করে এ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। প্রকৃত শেয়ারধারীদের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও মালিকানা কাঠামো পুনর্বিবেচনার দাবি জানান তিনি।</p><h3>নতুন চেয়ারম্যান নিয়ে উদ্বেগ</h3><p>নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ প্রসঙ্গে তাহের বলেন, যার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে, তাকে ইসলামী ব্যাংকের মতো প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান করা হয়েছে। এতে গ্রাহকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। তার ভাষ্য, ইসলামী ব্যাংকের মূল শক্তি ছিল সততা ও দক্ষতা; সেই মানদণ্ড বজায় রাখা জরুরি।</p><h3>আন্দোলনের হুঁশিয়ারি</h3><p>তাহের সতর্ক করে বলেন, ব্যাংক পরিচালনায় এস আলম-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে পুনর্বহাল করা হলে গ্রাহকদের মধ্যে নতুন করে অনাস্থা সৃষ্টি হতে পারে। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, আমানতকারীদের স্বার্থ ও অর্থের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে ব্যাংক পরিচালনা করা হোক এবং অতীতের মালিকানা পরিবর্তনের অভিযোগগুলো পর্যালোচনা করা হোক। গ্রাহকদের উদ্বেগ নিরসন না হলে পরিস্থিতি আন্দোলনের দিকে যেতে পারে বলেও সংসদে মন্তব্য করেন বিরোধীদলীয় উপনেতা।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 17:39:04 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[জবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের অপতৎপরতার প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ]]></title>
				<category>বিএনপি</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/bnp/article-128416.html</link>
				<description><![CDATA[<p>জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের রফিক ভবনের সামনে থেকে এ বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। পরে মিছিলটি ভিসি ভবন, বিজ্ঞান অনুষদ ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবন প্রদক্ষিণ করে শান্ত চত্বরে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।</p><h2>ছাত্রদল নেতাদের বক্তব্য</h2><p>ছাত্রদল নেতারা দাবি করেন, নিষিদ্ধ সংগঠনের ব্যানারে ক্যাম্পাসে কর্মসূচি পালনের চেষ্টা শিক্ষাঙ্গনের স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত করার একটি অপচেষ্টা। ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস ও অস্থিতিশীলতার রাজনীতির বিরুদ্ধে অবস্থান জানাতেই তারা এই বিক্ষোভ করেছেন।</p><p>সমাবেশে জবি শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামছুল আরেফিন বলেন, গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে নিষিদ্ধ সংগঠনের পুনর্বাসনের যে কোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় একটি শিক্ষার পরিবেশ সম্পন্ন ক্যাম্পাস। এখানে সন্ত্রাস ও অপসংস্কৃতির রাজনীতি ফিরে আসার কোনো সুযোগ নেই।</p><p>সংগঠনের আহ্বায়ক মেহেদি হাসান হিমেল বলেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ব্যানারে ক্যাম্পাসে কর্মসূচি পালনের যে অপচেষ্টা হয়েছে, তা সাধারণ শিক্ষার্থীরা কখনো মেনে নেবে না। ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে তা প্রতিহত করা হবে।</p><h3>বিক্ষোভে উপস্থিত নেতাকর্মীরা</h3><p>বিক্ষোভ ও সমাবেশে জবি ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জাফর আহমেদ, যুগ্ম আহ্বায়ক সুমন সরদার, মো. মুস্তাফিজুর রহমান রুমি, শাহরিয়ার আহমেদ, কে. এম. মাহমুদ হাসান, রবিউল আউয়াল, ইয়াকুব শেখ অনিক, শাখায়তুল ইসলাম খান পরাগসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।</p><h2>পূর্বের ঘটনা</h2><p>এর আগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ৩ নং ফটকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ব্যানার হাতে মানববন্ধনের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তবে ছবিতে দৃশ্যমান ব্যক্তিদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গে অসংলগ্নতা পরিলক্ষিত হলে সন্দেহ সৃষ্টি হয়। নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার সকাল ৯ টায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালনের দাবি করা হলেও উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শী কেউই এ ধরনের সমাবেশ দেখেনি বলে জানান।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 17:47:55 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির]]></title>
				<category>আন্তর্জাতিক অর্থনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/antorjatik-orthoniti/article-128113.html</link>
				<description><![CDATA[<p>রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন মঙ্গলবার দক্ষিণ কোরিয়াকে বাংলাদেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি দেশের উন্নত ব্যবসায়িক পরিবেশ ও ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সুযোগের ওপর জোর দেন।</p><h2>প্রত্যক্ষদূতের পরিচয়পত্র প্রদান</h2><p>নবনিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত কিম জি-জুন বঙ্গভবনে তাঁর পরিচয়পত্র প্রদান করলে রাষ্ট্রপতি এই আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব সারোয়ার আলম সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।</p><h3>বাংলাদেশে কোরিয়ান বিনিয়োগ</h3><p>রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বিদেশি বিনিয়োগকারী। তিনি উল্লেখ করেন, ইয়ংওয়ান গ্রুপের প্রতিষ্ঠিত কোরিয়ান ইপিজেড-সহ দেশের বিভিন্ন রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে স্যামসাং ও হুন্ডাইয়ের মতো প্রায় ১০০টি কোরিয়ান কোম্পানি কাজ করছে ও বিনিয়োগ করছে।</p><h2>ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ</h2><p>রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে একটি চমৎকার ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ উপভোগ করছে, যা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ফলে সম্ভব হয়েছে। তিনি নতুন রাষ্ট্রদূতকে হালকা প্রকৌশল, ইলেকট্রনিক্স, জাহাজ নির্মাণ, কৃষি প্রক্রিয়াকরণ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, তৈরি পোশাক এবং অবকাঠামো উন্নয়নের মতো খাতে কোরিয়ান বিনিয়োগ বাড়াতে উৎসাহিত করার আহ্বান জানান।</p><h3>শুল্কমুক্ত সুবিধা ও সিইপিএ</h3><p>দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের পরও কমপক্ষে আরও চার বছর বাংলাদেশি পণ্যের ৯৫ শতাংশের জন্য শুল্কমুক্ত ও কোটা-মুক্ত বাজার প্রবেশাধিকার সুবিধা অব্যাহত রাখতে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতি অনুরোধ জানান। তিনি দুই দেশের মধ্যে ব্যাপক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি স্বাক্ষরের সামগ্রিক অগ্রগতিতেও সন্তোষ প্রকাশ করেন।</p><h2>উন্নয়ন সহযোগিতা ও শ্রম বাজার</h2><p>দক্ষিণ কোরিয়াকে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে বর্ণনা করে রাষ্ট্রপতি কোরিয়ান উন্নয়ন সংস্থাগুলোর কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং বলেন, তাদের আর্থিক সহায়তা দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মসংস্থান অনুমতি ব্যবস্থারও প্রশংসা করেন এবং বিশেষ করে জাহাজ নির্মাণ ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে আরও বেশি বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগে রাষ্ট্রদূতের সমর্থন কামনা করেন।</p><h3>রাষ্ট্রদূতের প্রতিক্রিয়া</h3><p>জবাবে রাষ্ট্রদূত কিম বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদার করতে আগ্রহী এবং তিনি ব্যবসা, সংস্কৃতি, শিক্ষা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 13:14:38 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[নওগাঁয় মৎস্য খাতে লাইসেন্স নিশ্চিত করতে কর্মশালা]]></title>
				<category>কৃষি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/krishi/article-128112.html</link>
				<description><![CDATA[<p>সোমবার সকালে নওগাঁয় স্মার্ট উপ-প্রকল্পের আওতায় একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে মৎস্য চাষি, হ্যাচারি ও ফিড মিল মালিকদের ব্যবসায়িক লাইসেন্স নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়। স্থানীয় উন্নয়ন সংস্থা মৌসুমির প্রধান কার্যালয়ে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।</p><h2>প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিরা</h2><p>জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ফেরদৌস আলী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। উপ-প্রকল্পটি নওগাঁয় মৌসুমি বাস্তবায়ন করছে, যার আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এবং বিশ্বব্যাংক।</p><p>বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. নাজমুল হক, মহাদেবপুরের সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শিল্পী রায়, রাণীনগরের সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা পলাশ চন্দ্র দেবনাথ এবং আত্রাইয়ের সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মকসুদুর রহমান।</p><p>মৌসুমি এবং স্মার্ট উপ-প্রকল্পের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।</p><h3>বক্তারা যা বলেছেন</h3><p>বক্তারা বলেন, মৎস্য খাতে সুশাসন ও টেকসই উন্নয়নের জন্য স্মার্ট প্রকল্পটি সময়োপযোগী এবং প্রয়োজনীয়। তারা এর কার্যকর বাস্তবায়নে অব্যাহত সহযোগিতা কামনা করেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 13:16:37 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[রাবড়ি লিচু: গরমে সুস্বাদু ও সহজ রেসিপি]]></title>
				<category>রান্না</category>
				<link>https://bdgazette.com/jibonjapon/ranna/article-128111.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>রাবড়ি লিচু: গরমে সুস্বাদু ও সহজ রেসিপি</h2><p>গরমের সময়ে লিচুর মৌসুম। এই সুস্বাদু ফলের সতেজতা আর রাবড়ির ক্রিমি টেক্সচারের মেলবন্ধনে তৈরি করতে পারেন অসাধারণ একটি ডেজার্ট। রাবড়ি লিচু তৈরি করা খুবই সহজ, আর উপকরণগুলোও সহজে পাওয়া যায়। আসুন জেনে নিই রেসিপিটি।</p><h3>উপকরণ</h3><ul><li>মিষ্টি পাকা লিচু: ১৫-২০টি</li><li>ফুল ক্রিম তরল দুধ: দেড় লিটার</li><li>চিনি: ৪-৫ টেবিল চামচ (স্বাদমতো)</li><li>কনডেন্সড মিল্ক: ৩ টেবিল চামচ</li><li>এলাচিগুঁড়া: সিকি চা-চামচ</li><li>জাফরান: ১ চিমটি</li><li>বাদামকুচি: ২ টেবিল চামচ (পেস্তা ও কাঠবাদাম)</li><li>গোলাপজল: আধা চা-চামচ</li></ul><h3>প্রণালী</h3><p>প্রথমে লিচুর খোসা ছাড়িয়ে সাবধানে বিচি বের করে নিন। একটি চওড়া কড়াইয়ে দুধ ঢেলে মাঝারি আঁচে জ্বাল দিন। দুধ ফুটে উঠলে চুলার আঁচ কমিয়ে দিন। দুধের ওপর যে সর জমবে, তা চামচ দিয়ে আলতো করে কড়াইয়ের চারপাশে বা কিনারায় লাগিয়ে রাখুন। এভাবে বারবার সর জমিয়ে কড়াইয়ের গায়ে জমা করতে থাকুন।</p><p>দুধ জ্বাল হতে হতে যখন মূল পরিমাণের এক-তৃতীয়াংশ হয়ে আসবে, তখন কড়াইয়ের কিনারায় জমে থাকা সব সর চামচ দিয়ে স্ক্র্যাপ বা চেঁছে দুধের মধ্যে মিশিয়ে দিন। এতে দুধে চমৎকার দানাদার ভাব আসবে। এবার এই ঘন দুধে চিনি, কনডেন্সড মিল্ক, এলাচিগুঁড়া ও জাফরান ভেজানো দুধ দিয়ে দিন। মাঝারি আঁচে আরও ৫ মিনিট রান্না করুন। চিনি গলে রাবড়ি ঘন হয়ে এলে চুলা বন্ধ করে দিন।</p><p>এবার এর ওপর গোলাপজল ছড়িয়ে দিয়ে ঘরের তাপমাত্রায় এনে পুরোপুরি ঠান্ডা করে লিচুগুলো মিশিয়ে নিন। এরপর এটি দুই ঘণ্টার জন্য ফ্রিজে রেখে দিন। ঠান্ডা ঠান্ডা রাবড়ি লিচু বাদামকুচি ছড়িয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।</p><h3>পরিবেশন টিপস</h3><p>রাবড়ি লিচু ঠান্ডা পরিবেশন করলে এর স্বাদ আরও বাড়ে। ইচ্ছে করলে ওপরে কিছু লিচু ও বাদামকুচি দিয়ে সাজিয়ে দিতে পারেন। গরমের দিনে এই ডেজার্ট অতিথি আপ্যায়নেও দারুণ কাজে আসবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 13:10:27 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ঢাকায় শুরু হচ্ছে ডেনিম এক্সপোর ২০তম আসর]]></title>
				<category>ব্যবসা-বাণিজ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/bebsha-banijjo/article-128110.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ঢাকায় দুই দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ ডেনিম এক্সপো’ আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী শুরু হচ্ছে আগামীকাল বুধবার। রাজধানীর পূর্বাচলের ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। এটি ডেনিম এক্সপোর ২০তম আসর। এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘সম্মুখসারি থেকে ভবিষ্যতের পথে’।</p><h2>অংশগ্রহণ ও আয়োজন</h2><p>বাংলাদেশসহ ১০টি দেশের ৫০টির বেশি প্রতিষ্ঠান এই প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করবে। প্রদর্শনীর দুই দিনে মোট ৫টি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ, ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং তৈরি পোশাকশিল্পের উদ্যোক্তারা এসব প্যানেল আলোচনায় অংশ নেবেন।</p><h3>উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শন</h3><p>বাংলাদেশ ডেনিম এক্সপোর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোস্তাফিজ উদ্দিন জানিয়েছেন, অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কেবল তাদের উদ্ভাবনী পণ্যই প্রদর্শন করবে না, বরং এমন নতুন ধারণাও উপস্থাপন করবে যা ডেনিমশিল্পের ভবিষ্যৎ রূপকে তুলে ধরবে। এই প্রদর্শনী ডেনিমশিল্পের বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p><p>বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত ডেনিম। এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে দেশি-বিদেশি ক্রেতা ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে নতুন ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে উঠবে, যা শিল্পের প্রসারে সহায়ক হবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 13:34:57 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ফেসবুকে জাইমা রহমানের ছবি পোস্ট করে যুবক গ্রেফতার]]></title>
				<category>সামাজিক মাধ্যম</category>
				<link>https://bdgazette.com/projukti/shamajik-madhyom/article-128109.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাগেরহাটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমানের ছবি দিয়ে ‘আপত্তিকর’ পোস্ট করার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার (৮ জুন) রাতে বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার বাধাল বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার (০৯ জুন) বিকালে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।</p><h2>গ্রেফতার যুবকের পরিচয়</h2><p>গ্রেফতার শেখ রসুল রফিকুল (২৪) ওই উপজেলার গোপালপুর গ্রামের জাহিদ শেখের ছেলে। কচুয়া থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে দুপুরে তাকে আদালতে তোলে পুলিশ। পরে কারাগারে পাঠানো হয়।</p><h2>পুলিশের বক্তব্য</h2><p>বাগেরহাট আদালত পুলিশের পরিদর্শক মো. মুজিবুর রহমান বলেন, ‘ওই যুবককে বাগেরহাট আমলি আদালতের বিচারক জেবুন্নেছার আদালতে তোলা হয়। শুনানি শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।’</p><p>কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘রাজধানীর মিরপুরে রামিসা হত্যাকাণ্ডের দুই দিন পর শেখ রসুল তার ফেসবুক আইডি থেকে জাইমা রহমানের একটি ছবি আপত্তিকর শিরোনামসহ পোস্ট করেন। অপর একটি ফেসবুক আইডি থেকে পাওয়া ওই পোস্ট ডাউনলোড করে নিজের আইডিতে প্রচার করেন রফিকুল। এ ঘটনায় কচুয়া থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে আবদুস সালাম নামের এক ব্যক্তি মামলা করেন। এ মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 13:22:34 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[রামিসা হত্যা মামলায় পেপার বুক তৈরির কাজ দুই দিনে শেষ হবে: অ্যাটর্নি জেনারেল]]></title>
				<category>আইন বিভাগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/ain-bibhag/article-128108.html</link>
				<description><![CDATA[<p>শিশু রামিসা হত্যা মামলায় হাইকোর্টে পেপার বুক তৈরির কাজ আগামী দুই কর্মদিবসের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।</p><h2>পেপার বুক তৈরির অগ্রগতি</h2><p>মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকালে রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ড (ডেথ রেফারেন্স) অনুমোদনের নথি হাইকোর্টে পৌঁছানোর পর সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, 'আমি আশা করছি আগামী দুই কর্মদিবসের মধ্যে এই মামলায় পেপার বুক তৈরির কাজ সম্পন্ন হবে। পেপার বুক প্রস্তুত হলে প্রধান বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী গঠিত বিশেষ বেঞ্চে মামলাটি শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হবে।'</p><h3>দ্রুত নিষ্পত্তির প্রতিশ্রুতি</h3><p>অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আন্তরিক। এ কারণে শুনানিতে কোনও বিলম্ব না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, 'আমরা একদিনের জন্যও শুনানি মুলতবি চাইবো না। দ্রুত আপিল নিষ্পত্তির মাধ্যমে মামলার রায় কার্যকরের দিকে এগিয়ে যাওয়া হবে।'</p><h2>মামলার পটভূমি</h2><p>উল্লেখ্য, রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় গত ৭ জুন আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। একই সঙ্গে সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্না আক্তারকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।</p><h3>ঘটনার বিবরণ</h3><p>গত ১৯ মে পল্লবীর একটি ভবনের ফ্ল্যাট থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে এ ঘটনায় পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করা হয়। তদন্ত শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল এবং বিচার শেষে দ্রুত সময়ের মধ্যেই রায় ঘোষণা করা হয়।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 13:16:48 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[প্রধানমন্ত্রীর মেয়েকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ পোস্ট: গ্রেপ্তার ১]]></title>
				<category>রাজনৈতিক জোট</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/rajnoitik-jot/article-128107.html</link>
				<description><![CDATA[<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে নিয়ে ফেসবুকে অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ পোস্ট দেওয়ার ঘটনায় মো. গোলাম রসুল ওরফে রফিকুল (২৪) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৯ জুন) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।</p><h2>গ্রেপ্তারের বিবরণ</h2><p>সোমবার দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার বাধাল বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে কচুয়া থানা পুলিশ। গ্রেপ্তার গোলাম রসুল বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার গোপালপুর গ্রামের জাহিদ শেখের ছেলে। তিনি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।</p><h3>পুলিশের বক্তব্য</h3><p>কচুয়া থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, চাঞ্চল্যকর শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমানকে নিয়ে মো. গোলাম রসুল ওরফে রফিকুল নিজ ফেসবুক অ্যাকাউন্টে অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ একটি পোস্ট দেয়। বিষয়টি পুলিশের দৃষ্টিগোচর হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।</p><p>এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করে। ওসি আরও জানান, গোলাম রসুলকে মঙ্গলবার সকালে বাগেরহাট আদালতে পাঠালে বিজ্ঞ বিচারক তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 13:47:37 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[হাসান মাহমুদের কাউন্টি ক্রিকেটে যোগদান, দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে কেন্টে খেলবেন]]></title>
				<category>ক্রিকেট</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/cricket/article-128106.html</link>
				<description><![CDATA[<p>চোটের কারণে গত কয়েক মাস মাঠের বাইরে ছিলেন হাসান মাহমুদ। এবারের প্রিমিয়ার লিগের মাঝপথে মাঠে ফিরেছিলেন লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের হয়ে। এর মধ্যেই তার সামনে এল আরও বড় মঞ্চ। দ্বিতীয় বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে কাউন্টি ক্রিকেটে খেলবেন এই পেসার। কাউন্টি ক্রিকেটে তার যোগ দেওয়ার খবরটি মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে কেন্ট।</p><h2>কেন্টে যোগ দিয়ে উচ্ছ্বাস</h2><p>দলটির অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে হাসান জানিয়েছেন নিজের উচ্ছ্বাসের কথা, ‘কেন্টের মতো ঐতিহ্যবাহী একটি ক্লাবে খেলার সুযোগ পেয়ে আমি গর্বিত। কাউন্টি ক্রিকেটে খেলতে পারা স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো। এটা শুধু আমার জন্য নয়, বাংলাদেশের সবার জন্যও গর্বের একটি মুহূর্ত।’</p><h3>ম্যাচের সময়সূচি</h3><p>কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে সব মিলে ছয়টি ম্যাচে কেন্টের হয়ে খেলবেন হাসান। ১২ থেকে ১৫ জুন ল্যাঙ্কাশায়ারের বিপক্ষে মাঠে নামবে কেন্ট, ওই ম্যাচই হতে পারে কাউন্টিতে হাসান মাহমুদের প্রথম ম্যাচ। ১৯ থেকে ২২ জুন ক্যান্টারবেরির বিপক্ষে কেন্টের পরের ম্যাচ। এই দুই ম্যাচ খেলে বাংলাদেশে ফিরবেন হাসান। সেপ্টেম্বরে মৌসুমের শেষ চারটি ম্যাচ খেলতে আবার যাবেন ইংল্যান্ডে।</p><h3>দলের প্রতি অঙ্গীকার</h3><p>কেন্টের এই অধ্যায়টা স্মরণীয় করে রাখতে চান হাসান। ডানহাতি এই পেসার কেন্টের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছেন, ‘আমি কঠোর পরিশ্রম করতে ও দলের সাফল্যে অবদান রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। দলে আমি কী অবদান রাখতে পারি এবং আমার কাছে কী আশা করা হচ্ছে, সে সম্পর্কে আমি অ্যাডাম হোলিওক (কেন্টের প্রধান কোচ) এবং সাইমন কুকের সঙ্গে কথা বলেছি। এই কাউন্টির হয়ে মাঠে নামার জন্য আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।’</p><h3>বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের কাউন্টি অধ্যায়</h3><p>হাসানের আগে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে কাউন্টি খেলেছিলেন শুধু সাকিব আল হাসান। উস্টারশায়ার ও সারের হয়ে দুই দফায় খেলেছিলেন তিনি। ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি দল চারজন করে বিদেশি ক্রিকেটারকে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে, দুজন খেলতে পারবেন একাদশে।</p><h3>কেন্টের পরিচালকের প্রতিক্রিয়া</h3><p>হাসানকে দলে নেওয়ার পর কেন্টের ডিরেক্টর অব ক্রিকেট সাইমন কুক বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত আনন্দিত যে আমাদের দলে হাসানকে স্বাগত জানানোর সুযোগ এসেছে, যা মৌসুমের শেষভাগে আমাদের বোলিং আক্রমণে আন্তর্জাতিক মানের পেস যোগ করবে। হাসান আসায় আমাদের স্কোয়াডের তৈরি হওয়া শক্তিশালী ভিত্তি আরও জোরালো হলো।’</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 13:21:20 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ইতিহাসে প্রথমবার ১২টি পারমাণবিক বোমা মোতায়েন করল ভারত]]></title>
				<category>চীন</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/china/article-128105.html</link>
				<description><![CDATA[<p>আন্তর্জাতিক ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ১২টি পারমাণবিক বোমা সক্রিয়ভাবে মোতায়েন করেছে ভারত। নিজেদের পরমাণু নীতিতে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন এনে এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। বৈশ্বিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা ও সামরিক শক্তির ওপর নজরদারি চালানো শীর্ষ আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট’ (সিপরাই)-এর সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে।</p><h2>পারমাণবিক নীতিতে বড় পরিবর্তন</h2><p>সিপরাই-এর এই প্রতিবেদনটি কয়েক দশকের পুরোনো পারমাণবিক নীতি থেকে নয়াদিল্লির এক বড় ধরনের সরে আসার ইঙ্গিত দেয়। এতকাল ভারতের নীতি ছিল শান্তিকালীন সময়ে পারমাণবিক ওয়ারহেড এবং সেগুলো উৎক্ষেপণের ক্ষেপণাস্ত্র বা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ আলাদাভাবে সংরক্ষণ করা। তবে এবারই প্রথম আন্তর্জাতিক এই সংস্থাটি ভারতের পারমাণবিক সক্ষমতার একটি অংশকে কেবল ‘মজুত’ হিসেবে না দেখিয়ে ‘সক্রিয়ভাবে মোতায়েনকৃত’ (অপারেশনালি ডেপ্লয়েড) হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে।</p><h3>১২টি বোমা যুদ্ধপ্রস্তুত</h3><p>প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভূগর্ভস্থ মিসাইল সাইলো এবং নতুন পারমাণবিক সাবমেরিনগুলোতে যেকোনো মুহূর্তে উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত এই ১২টি পারমাণবিক বোমা যুক্ত করা হয়েছে। এটি ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ যুদ্ধপ্রস্তুতিরই একটি স্পষ্ট সংকেত। এই প্রথমবারের মতো ভারত তাদের পারমাণবিক ওয়ারহেডগুলোকে সরাসরি উৎক্ষেপণ ব্যবস্থার সাথে যুক্ত করেছে কিংবা সরাসরি অপারেশনাল ফোর্সের ঘাঁটিতে মোতায়েন করেছে।</p><h2>মোট মজুত বেড়ে ১৯০</h2><p>সদ্য প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে আরও জানা যায়, গত এক বছরে ভারতের সামগ্রিক পারমাণবিক বোমার মজুতও কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। জানুয়ারি ২০২৬ সালের হিসাব অনুযায়ী, ভারতের পারমাণবিক বোমার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৯০টিতে, যা আগের বছরের চেয়ে কিছুটা বেশি। এই পরমাণু অস্ত্রগুলো মূলত ভারতের আকাশপথ, স্থলভাগ এবং সাবমেরিন চালিত নৌবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত একটি পরিপক্ব ‘নিউক্লিয়ার ট্রায়াড’-এর অংশ হিসেবে বিন্যস্ত রয়েছে। এর মধ্যে ১২টি পরমাণু অস্ত্র সরাসরি ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং বাকি ১৭৮টি সুরক্ষিত মজুতে রয়েছে।</p><h3>সাবমেরিন শক্তি জোরদার</h3><p>সিপরাই-এর ধারণা, ভারত তাদের ব্যালিস্টিক মিসাইল সাবমেরিন (এসএসবিএন) এবং সমুদ্রভিত্তিক টহল কার্যক্রম জোরদার করার লক্ষ্যেই শান্তিকালীন সময়ে ক্ষেপণাস্ত্রের সাথে ওয়ারহেড জুড়ে দেওয়ার এই নতুন কৌশল বেছে নিয়েছে। তবে এই কৌশলগত পরিবর্তনের মধ্যেও ভারত তার দীর্ঘদিনের ‘নো ফার্স্ট ইউজ’ বা ‘আগে আঘাত না করার’ নীতিতে অনড় রয়েছে। এই নীতি অনুযায়ী, ভারত কখনই কোনো দেশের বিরুদ্ধে নিজে থেকে আগে পারমাণবিক হামলা চালাবে না। কেবল ভারতীয় ভূখণ্ড বা বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে থাকা ভারতীয় বাহিনীর ওপর যদি কোনো শত্রুদেশ পারমাণবিক হামলা চালায়, তবেই তার প্রতিশোধ বা পাল্টা জবাব হিসেবে এই অস্ত্র ব্যবহার করা হবে। মূলত কোনো দেশকে আক্রমণ করার প্রতিযোগিতায় না নেমে, সম্ভাব্য শত্রুদের যেকোনো আগ্রাসন থেকে নিজেদের সুরক্ষিত রাখতেই ভারত এই সীমিত অথচ অত্যন্ত কার্যকর পারমাণবিক সক্ষমতা বজায় রাখছে।</p><p>সূত্র: এনডিটিভি।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 13:18:31 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ফুটবল বিশ্বকাপে ছত্তার পাগলার অমর গান: শিকড়ের সুরের জয়গান]]></title>
				<category>লোকসংগীত</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/lokshongit/article-128104.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ফুটবল বিশ্বকাপ এলেই বাংলাদেশের আকাশে যেন আরেকটি নতুন ঋতু নামে। পতাকার ঋতু। আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের পতাকার ঋতু। চায়ের দোকান, পাড়া-মহল্লা, গ্রামগঞ্জ, শহর-বন্দর থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সবখানেই তখন শুধুই ফুটবল। প্রিয় দলের জার্সি আর পতাকার রঙে রঙিন হয়ে ওঠে চারপাশ। ড্রয়িংরুম থেকে টংদোকানের চায়ের আড্ডা কিংবা সরকারি অফিস থেকে করপোরেট আড্ডা—সবখানেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে ফুটবল।</p><p>চিরচেনা এই ফুটবল উন্মাদনার ঠিক মাঝখানেই অদ্ভুত এক সুর ভেসে ওঠে ফেসবুক ওয়ালজুড়ে। বিশ্বকাপের ভরা মৌসুমে বাংলাদেশের মানুষের মুখে মুখে ফিরে আসা এই সুর আন্তর্জাতিক কোনো ফুটবল থিম সং কিংবা ঝাঁ-চকচকে স্টেডিয়ামের গান নয়; বরং নেত্রকোনার হাওরপাড়ের এক সাধক শিল্পীর সরল সংগীত।</p><p>‘হারভেইচ্ছারে বল খেলাডা তওবা কইরা ছাড়, আমি তোকে না করতাছি পাগল ছত্তার…।’ গোঁফের ছাঁটে খানিকটা চার্লি চ্যাপলিনের ছাপ, গলায় রংবেরঙের কাপড় আর মালা, মাথায় পাগড়ি আর হাতে নিজের তৈরি অদ্ভুত এক বাদ্যযন্ত্র নিয়ে বসতভিটার বারান্দায় আপনমনে গেয়ে যান এক চারণ শিল্পী।</p><p>চার দশকের বেশি সময় আগে লেখা এই গান আজও প্রাসঙ্গিক। প্রতিবার বিশ্বকাপ এলেই গানটি নতুন করে বেজে ওঠে। গানটি প্রাসঙ্গিক হওয়া কিংবা বিশ্বকাপের মঞ্চে বেজে ওঠার কারণ বোধ হয় গানের ভেতরকার দর্শন। গানের ভেতরে শুধু একজন বাবার ছেলেকে দেওয়া খেলার নিষেধ বা উপদেশটুকুই নেই; আছে এর গভীরে লুকিয়ে থাকা বাংলার গ্রামীণ জীবনের হাসি-কান্না, নিখাদ রসবোধ, গভীর লোকদর্শন এবং মানুষের সঙ্গে মানুষের সহজ–সরল সম্পর্কের এক অমূল্য দলিল। আধুনিক ফুটবলের জোয়ারেও তাই গানটি প্রতিবারই মনে করিয়ে দেয় আমাদের শিকড়ের টান।</p><h2>কে এই ছত্তার পাগলা</h2><p>ছত্তার পাগলার জন্ম নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা থানার লালচাপুর গ্রামে। মুক্তিযুদ্ধের পর তিনি সপরিবার বারহাট্টার নুরুল্লাচর গ্রামে এবং পরে মোহনগঞ্জের নলুয়ার চরে বসতি গড়েন। ২০১৪ সালের এপ্রিলে ৮৭ বছর বয়সে এই অবিনাশী শিল্পী প্রয়াত হন।</p><p>শৈশবে রাতে ঘর পালিয়ে লেটো গান শুনতে শুনতেই গানের প্রতি আসক্তি জন্মেছিল তাঁর। একসময় নিজে লেটো দলে যোগ দিয়ে পায়ে ঘুঙুর পরে মেয়ে সেজে নাচতেন। পরে নিজেই গান বাঁধা ও সুর করা শুরু করেন। রশিদ উদ্দীন, জালাল খাঁ, উকিল মুন্সির মতো নেত্রকোনার সমৃদ্ধ বাউল-পরম্পরারই এক সার্থক উত্তরসূরি ছিলেন ছত্তার পাগলা।</p><h2>বাণিজ্যের হাটে বিক্রি না হওয়া এক সাধক</h2><p>ছত্তার পাগলার কাছে গান কোনো বাণিজ্য কিংবা বিনিময়ের মাধ্যম ছিল না, ছিল তাঁর উপাসনা। রেলস্টেশন, ট্রেনের কামরায় কিংবা হাটবাজারে গানের মজমা জমাতেন। তাঁর গানের সঙ্গী হতো কন্যা পারভীন ও ছেলে পারভেজ।</p><p>এই শিল্পীর বাদ্যযন্ত্রগুলো ছিল সম্পূর্ণ নিজস্ব। কোনো প্রথাবদ্ধ বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করতেন না। পেঁপেগাছের ডগা দিয়ে তৈরি পাতার বাঁশি, বাঁশের ‘কইঞ্চা’ দিয়ে নিজেই তৈরি করতেন সুরের জাদুদণ্ড। সেই বাঁশি আর ডুগডুগির তালে চারণ কবির গান শুনে মুগ্ধ শ্রোতারা চার আনা, আট আনা পয়সা ছুড়ে দিতেন। তাতেই চলত তাঁর সংসার ও আনন্দের এক মোহ জগৎ।</p><p>বিনোদনের বাণিজ্যিক দুনিয়া তাঁর চেনা থাকলেও নিজের পছন্দেই থেকেছেন শিকড়ের কাছাকাছি। খুব একটা লিখতে পারতেন না। মুখে মুখে গান বাঁধতেন আর পরিবারের সদস্য বা ভক্তরা তা লিখে রাখতেন। ৮৭ বছরের জীবনে কয়েক শ গান লিখলেও সংরক্ষণ করা গেছে মাত্র শ খানেক গান, যা এখন বইয়ের প্রচ্ছদ আঁকার অপেক্ষায়।</p><h3>ছত্তার পাগলার গানের বৈচিত্র্য</h3><p>ছত্তার পাগলা শুধু বল খেলার গানই বাঁধেননি, সমাজের অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধেও তাঁর কণ্ঠ ছিল সোচ্চার। শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের পক্ষে দাঁড়িয়ে তিনি গেয়ে ওঠেন, ‘কাঙাল মাইরা জাঙাল দিলে গুনাহ হইব তর’। আবার হাওরাঞ্চলের মানুষের জীবন, বিশ্বাস ও মিথ রূপকের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছিলেন তাঁর অন্য জনপ্রিয় গানে, ‘শাপলা বানু শাপলা বানু/ অই দেখ কামধেনু দুধের গাই/ বালটি লইয়া খাটে বইয়া/ বাছুর ছাড়া দুধ গিরাই…’। এ ছাড়া ‘ইঞ্জিন ছাড়া ঠেলাইয়া নেই খালি মালগাড়ি/ সব ইঞ্জিন বন্ধ আইজকাল নাইগা ব্যাটারি’ কিংবা ‘ডিঙ্গা পোতা বন্দ’ গানের মতো অসংখ্য গান আশি ও নব্বইয়ের দশকেই নেত্রকোনা ছাড়িয়ে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছিল।</p><h2>নতুন প্রজন্মে ছত্তার পাগলার পুনর্জন্ম</h2><p>দশকের পর দশক পেরিয়ে গেলেও ছত্তার পাগলার গান হারিয়ে যায়নি সময়ের স্রোতে। নতুন প্রজন্মের হাত ধরে তা ফিরে আসছে নতুন আবহে, নতুন উপস্থাপনায়। রায়হান রাফী নির্মিত ‘তাণ্ডব’ সিনেমার আলোচিত গান ‘কে দিল পিরিতের বেড়া লিচুরও বাগানে, আরে কমলার বাগানে’ তারই এক উজ্জ্বল উদাহরণ। শাকিব খান ও সাবিলা নূর অভিনীত এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে গানটি যখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও চলচ্চিত্র অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসে, তখন অনেকেই নতুন করে জানতে পারেন—এর শিকড় লুকিয়ে আছে লোককবি ছত্তার পাগলার সৃষ্টি ভান্ডারে।</p><h2>যেভাবে ‘ভাইরাল’ হলেন ছত্তার পাগলা</h2><p>জীবদ্দশায় কোনো স্টুডিওতে পা রাখেননি ছত্তার পাগলা, বের হয়নি কোনো গানের অ্যালবাম। তাহলে আজ এই ফেসবুক-ইউটিউবের যুগে তিনি এলেন কীভাবে? নেপথ্যে আছেন নির্মাতা ও লোকসংগীত সংগ্রাহক মোল্লা সাগর। ২০০৭ সালের দিকে তিনি ছত্তার পাগলার বাড়িতে গিয়ে তাঁর গানের কিছু ভিডিও ধারণ করেন। পরে নিজের ‘চল মন নাটক দেখতে যাইতে’ প্রামাণ্যচিত্রে এটি ব্যবহার করেন এবং ২০১৯ সালে ইউটিউবে প্রকাশ করেন। সেখান থেকেই এই ফুটবল উন্মাদনার মৌসুমে গানটির খণ্ডিতাংশ ছড়িয়ে পড়ে নেটদুনিয়ায়।</p><p>আজ ছত্তার পাগলা নেই, কিন্তু মোহনগঞ্জের নলুয়ার চরে প্রতিবছর তাঁর ওফাত দিবসে বসে ওরস। জনপদের শিল্পীকে নলুয়ারচরের জনমানুষ আজও ভোলেনি। ভুলবে না, কারণ ছত্তার পাগলা ছিলেন জনপদেরই স্বর।</p><p>চলচ্চিত্র বা বিনোদন বাণিজ্যের স্বার্থে ইদানীং লোকগানকে ‘রিপ্যাকেজিং’ বা আধুনিকায়নের নামে বিকৃত করার যে প্রবণতা, ছত্তার পাগলা ছিলেন তার সম্পূর্ণ বিপরীত। ফুটবল বিশ্বকাপের এই রঙিন আলোয় ছত্তার পাগলার গান আমাদের মনে করিয়ে দেয়, শিকড়ের সুর কখনো ম্লান হয় না।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 13:07:59 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[পল্লবীতে ধর্ষণ-হত্যা মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের কোনো স্থগিতাদেশ চাওয়া হবে না: অ্যাটর্নি জেনারেল]]></title>
				<category>আইন বিভাগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/ain-bibhag/article-128103.html</link>
				<description><![CDATA[<p>অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল মঙ্গলবার বলেছেন, পল্লবী এলাকায় এক শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ডেথ রেফারেন্সের শুনানির সময় রাষ্ট্রপক্ষ কোনো স্থগিতাদেশ চাইবে না যা কার্যক্রম বিলম্বিত করতে পারে।</p><h2>জনগণের প্রত্যাশা দ্রুত রায় বাস্তবায়ন</h2><p>তিনি বলেন, ‘জনগণের মধ্যে একটি প্রত্যাশা রয়েছে যে রায় যত দ্রুত সম্ভব বাস্তবায়ন করা উচিত। আমাদের পক্ষ থেকে এটি পরিষ্কার যে আমরা এই মামলার শুনানিতে কোনো বিলম্ব ঘটাব না। আমরা এক দিনের জন্যও শুনানির স্থগিতাদেশ চাইব না।’ মঙ্গলবার বিকেলে তার কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।</p><p>অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, তার কার্যালয় এই মামলার শুনানির জন্য আইনজীবী নিয়োগ করেছে। তিনি যোগ করেন, ‘আমরা আশা করি যে আপিল যত দ্রুত সম্ভব নিষ্পত্তি হবে, যাতে রায় কার্যকর করার প্রক্রিয়া এগিয়ে যেতে পারে।’</p><h3>পেপার বুক প্রস্তুতির অগ্রগতি</h3><p>কাজল আরও বলেন, তিনি আশা করেন যে হাইকোর্টে মামলার পেপার বুক প্রস্তুতির কাজ আগামী দুই কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন হবে। ‘পেপার বুক প্রস্তুত হলে, বিশেষ বেঞ্চের সামনে মামলাটি শুনানির জন্য তোলার পদক্ষেপ নেওয়া হবে, যা প্রধান বিচারপতি বলেছেন রোববার থেকে কার্যক্রম শুরু হবে। সেই বেঞ্চের সামনে মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার চেষ্টা করা হবে,’ তিনি যোগ করেন।</p><h2>ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে প্রেরণ</h2><p>দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ডেথ রেফারেন্স এবং সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের রায় মঙ্গলবার সকালে হাইকোর্টে পৌঁছায়। ঢাকা মহানগর দমন ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল, যা ৭ জুন মামলার রায় ঘোষণা করে, মঙ্গলবার বিকেলে তিন পৃষ্ঠার ডেথ রেফারেন্স এবং ৬৯ পৃষ্ঠার রায় হাইকোর্টে পাঠায়। অফিস সহায়ক শহিদুল ইসলাম নথিগুলি বহন করেন, বেঞ্চ কর্মকর্তা পঙ্কজ পিটার গোমেজ বাসসকে জানান।</p><h3>দ্রুততম নিষ্পত্তি মামলা</h3><p>ঢাকা মহানগর দমন ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল ৭ জুন সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে পল্লবী এলাকায় শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেয়, যা দেশের বিচারিক ইতিহাসে সবচেয়ে দ্রুত নিষ্পত্তি হওয়া বড় ধর্ষণ-হত্যা মামলাগুলোর একটি। এছাড়া সোহেল রানাকে পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্না আক্তারকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।</p><p>ভুক্তভোগী, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী, ১৯ মে পল্লবী মিল্লাত ক্যাম্প এলাকায় তার প্রতিবেশী সোহেল রানা তার ফ্ল্যাটে ধর্ষণ ও শিরশ্ছেদ করে। তার বাবা পরের দিন মামলাটি দায়ের করেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 13:01:47 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বান্দরবানে ভূমিমাইনে রোহিঙ্গা যুবক নিহত]]></title>
				<category>সীমান্ত</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/shimanto/article-128102.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে মঙ্গলবার ভূমিমাইন বিস্ফোরণে আব্দুল খালেক (৩০) নামে এক রোহিঙ্গা যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কুতুপালং-১ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি ব্লকের বাসিন্দা ছিলেন।</p><h2>ঘটনার বিবরণ</h2><p>স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের রেজু আমতলী সীমান্ত এলাকায় বিস্ফোরণটি ঘটে। আব্দুল খালেক সকাল ৯টার দিকে রেজু আমতলী বর্ডার আউটপোস্ট (বিওপি) সংলগ্ন সীমান্ত পিলার ৪০-এর কাছে গেলে একটি ভূমিমাইন বিস্ফোরিত হয়।</p><p>বিস্ফোরণে তিনি মারাত্মকভাবে আহত হন। স্থানীয়রা জানান, তার বাম পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং ডান পায়ে গুরুতর আঘাত লাগে। স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে উদ্ধার করে কুতুপালংয়ে এমএসএফ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেলে তিনি মারা যান।</p><h3>পুলিশের পদক্ষেপ</h3><p>নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক জানান, ঘটনার পরপরই ঘুমধুম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের একটি মোবাইল টিম ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। তিনি আরও জানান, বিষয়টি সম্পর্কে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 13:14:44 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[যৌতুক নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যু, স্বামীর শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন]]></title>
				<category>নারী</category>
				<link>https://bdgazette.com/jibonjapon/nari/article-128101.html</link>
				<description><![CDATA[<p>নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের শিকার হয়ে শাহিদা আক্তার (২১) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যুর ঘটনায় স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে ওই গৃহবধূ আত্মহত্যা করেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। মঙ্গলবার দুপুরে মোহনগঞ্জ পৌরসভার শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে আয়োজিত মানববন্ধনে শাহিদার বাবা শহীদ মিয়া, মা ময়না আক্তারসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।</p><h2>ঘটনার বিবরণ</h2><p>পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোহনগঞ্জ উপজেলার মাঘান-সিয়াধার ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের শাহিদার প্রায় এক বছর আগে এক প্রবাসীর সঙ্গে বিয়ে হয়। স্বামী বিদেশে থাকায় তিনি বাবার বাড়িতেই বসবাস করতেন। গত বছরের আগস্ট মাসে পার্শ্ববর্তী বাখরপুর গ্রামের মোনাইদ হোসেনের সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে মোনাইদ শাহিদাকে বিয়ে করেন। সে সময় শাহিদা তাঁর আগের স্বামীকে তালাক দেন।</p><h3>যৌতুকের দাবি ও নির্যাতন</h3><p>স্বজনদের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই শাহিদার কাছে ছয় লাখ টাকা যৌতুক দাবি করা হয়। দরিদ্র পরিবার যৌতুকের টাকা না দিতে পারায় মোনাইদ ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বিভিন্ন সময় মারধর, গালাগাল ও মানসিক নির্যাতন করতেন।</p><h3>আত্মহত্যা ও মৃত্যু</h3><p>পরিবারের ভাষ্য, গত ২৯ মার্চ স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে শাহিদা বাবার বাড়িতে গিয়ে কীটনাশক পান করেন। পরে গুরুতর অবস্থায় তাঁকে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে ওই রাতেই তাঁর মৃত্যু হয়।</p><h2>মামলা ও গ্রেপ্তার</h2><p>এ ঘটনায় ১ এপ্রিল শাহিদার বাবা শহীদ মিয়া বাদী হয়ে মোহনগঞ্জ থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন। মামলায় মোনাইদ হোসেনকে প্রধান আসামি করা হয়। এ ছাড়া শ্বশুর শফিকুল ইসলাম, ভাশুর জুনাইদ হোসেন, ননদ চম্পা আক্তারসহ আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়। গত ৯ এপ্রিল মোনাইদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান।</p><h2>মানববন্ধনে বক্তব্য</h2><p>মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রধান আসামি জামিনে মুক্ত হওয়ার পর মামলা তুলে নিতে বাদীপক্ষকে বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। এতে বাদীপক্ষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।</p><h2>প্রতিক্রিয়া</h2><p>এ বিষয়ে জানতে মোনাইদ হোসেনের মুঠোফোনে কল করা হলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুল ইসলাম বলেন, মামলাটির তদন্তকাজ শেষে কয়েক দিন আগে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। এখন মামলার পরবর্তী কার্যক্রম আদালতের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। বাদীপক্ষকে হুমকি দেওয়ার বিষয়টি জানা নেই। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 13:17:24 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[দেশে বৈধ রেজিস্ট্রার্ড সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ]]></title>
				<category>টেলিকম</category>
				<link>https://bdgazette.com/projukti/telecom/article-128100.html</link>
				<description><![CDATA[<p>দেশে বর্তমানে বৈধ রেজিস্ট্রার্ড সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন-১০ এর সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির লিখিত প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।</p><h2>প্রশ্ন ও উত্তরের বিবরণ</h2><p>এদিন নিলোফার চৌধুরী মনি মন্ত্রীর কাছে জানতে চান, বর্তমানে দেশে মোবাইল অপারেটর কোম্পানির সংখ্যা কত এবং সেসব কোম্পানির বৈধ সিমের সংখ্যা কত। জবাবে ফকির মাহবুব আনাম জানান, বর্তমানে দেশে মোবাইল কোম্পানির সংখ্যা চারটি।</p><h3>মোবাইল অপারেটর কোম্পানিগুলো</h3><p>কোম্পানিগুলো হলো- টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড, গ্রামীণফোন লিমিটেড, রবি আজিয়াটা পিএলসি ও বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেড। এসব মোবাইল কোম্পানিগুলোর বৈধ রেজিস্ট্রার্ড সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 13:24:32 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ইসলামী ব্যাংক নিয়ন্ত্রণ ইস্যুতে উদ্বেগ প্রকাশ বিরোধী দলনেতার]]></title>
				<category>কূটনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/kutniti/article-128099.html</link>
				<description><![CDATA[<p>জামায়াত-ই-ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলনেতা শফিকুর রহমান মঙ্গলবার সংসদে বলেছেন, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টাকারী একটি গোষ্ঠী আবারও সেই প্রতিষ্ঠানের দিকে নজর দিয়েছে। তিনি বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিক আলোচনার আহ্বান জানান।</p><h2>সংসদে বক্তব্য</h2><p>১৩তম জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের তৃতীয় দিনে বিষয়টি উত্থাপন করে শফিকুর রহমান বলেন, ইসলামী ব্যাংক দেশের বৃহত্তম বেসরকারি খাতের ব্যাংক এবং দেশের রেমিট্যান্সের একটি বড় অংশ এই ব্যাংকের মাধ্যমে আসে।</p><p>তিনি বলেন, ২০১৬ সালে রাজনৈতিক চাপ সত্ত্বেও ব্যাংকটি শক্তিশালী পারফরম্যান্স দেখিয়েছিল এবং প্রায় ৪৪৭ কোটি টাকা মুনাফা অর্জন করেছিল, যেখানে খেলাপি ঋণের হার ছিল মাত্র ৪ শতাংশের কাছাকাছি। তবে তিনি অভিযোগ করেন, পরবর্তীতে কর্তৃত্ববাদী হস্তক্ষেপের কারণে ব্যাংকটি দখল হয়ে যায়, যার ফলে আর্থিক অবস্থার অবনতি ঘটে এবং ২০২৪ সালের মধ্যে মুনাফা তীব্রভাবে কমে যায়।</p><h2>খেলাপি ঋণ ও মুনাফা</h2><p>বিরোধী দলনেতা আরও দাবি করেন, ব্যাংকের খেলাপি ঋণ এখন মোট বিনিয়োগের প্রায় ৫১ শতাংশে পৌঁছেছে এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্যাংকটি লভ্যাংশ দিতে পারেনি। তিনি বলেন, ব্যাংকটি ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধার হচ্ছিল, মুনাফা ১০৮ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১৩৭ কোটি টাকা হয়েছিল, ঠিক তখনই এর ব্যবস্থাপনার ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার নতুন চেষ্টা করা হয়।</p><p>শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, সম্প্রতি একজন বিতর্কিত ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত হস্তক্ষেপের কারণে ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন।</p><h2>স্পিকারের হস্তক্ষেপ</h2><p>এ সময় স্পিকার হস্তক্ষেপ করে বলেন, বক্তব্যের বাকি অংশ পরে পেশ করা যেতে পারে, ফলে বিরোধী দলনেতা সংসদে পুরো নোটিশ পড়তে পারেননি।</p><h2>লিখিত বক্তব্যে উদ্বেগ</h2><p>লিখিত বক্তব্যে বিরোধী দলনেতা আরও বলেন, ইসলামী ব্যাংককে জামায়াত-নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে, যা বিভ্রান্তিকর কারণ লক্ষ লক্ষ আমানতকারী বছরের পর বছর ধরে এর ব্যবস্থাপনার ওপর আস্থা রেখেছেন।</p><p>তিনি যুক্তি দেন, আগের অভিযোগগুলো ব্যাংক দখলের অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে, যা পরবর্তীতে আর্থিক অনিয়ম ও আস্থা হারানোর কারণ হয়েছে।</p><h2>তরলতা সংকট</h2><p>তিনি সাম্প্রতিক তরলতা চাপ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে দাবি করেন, ক্রমবর্ধমান অনিশ্চয়তার কারণে একদিনেই আমানতকারীরা প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা তুলে নিয়েছেন।</p><h2>সংসদীয় হস্তক্ষেপের দাবি</h2><p>সংসদীয় হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ব্যাংকের শেয়ার বৈধ মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দিতে এবং আমানতকারী ও বৃহত্তর অর্থনীতি রক্ষায় ব্যবস্থাপনায় সব ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে পদক্ষেপ নেওয়া হোক।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 13:28:11 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বিশ্বকাপে চীনের প্রতিনিধি রেফারি মা নিং, ‘কার্ড মাস্টার’ খ্যাতি]]></title>
				<category>যুদ্ধ-সংঘাত</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/juddho-shonghat/article-128098.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বিশ্বকাপ ফুটবলে চীনের জাতীয় দল না থাকলেও, দেশটির ফুটবল সমর্থকরা এখন রেফারি মা নিংকে নিয়ে মাতামাতি করছেন। ‘কার্ড মাস্টার’ নামে পরিচিত এই রেফারি খেলোয়াড়দের কার্ড দেখানোর জন্য বিখ্যাত। তিনি এখন বিশ্বকাপে চীনের প্রতিনিধি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।</p><h2>ভাইরাল রেফারি মা নিং</h2><p>৪৬ বছর বয়সী মা নিং গত মাসে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিশ্বকাপের ফাইনালে যাওয়ার ছবি পোস্ট করার পর অপ্রত্যাশিতভাবে ভাইরাল হন। তার ভ্রমণ সংক্রান্ত হ্যাশট্যাগটি উইবো প্ল্যাটফর্মে ৩৬ লাখেরও বেশি ভিউ পেয়েছে। রেডনোট অ্যাপে তার অ্যাকাউন্টের ফলোয়ার সংখ্যা দুই সপ্তাহেরও কম সময়ে ১ লাখ ৯৫ হাজারে পৌঁছেছে।</p><h3>ব্র্যান্ডের সঙ্গে সহযোগিতা</h3><p>মা নিং ল্যাপটপ নির্মাতা লেনোভো, ইলেকট্রনিক্স প্রস্তুতকারক হাইসেন্স এবং দুগ্ধজাত পণ্য কোম্পানি মেংনিউ-এর মতো ব্র্যান্ডের সঙ্গে প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন। রেডনোটে তার প্রথম পোস্টে তিনি তার রেফারির সামনের পকেট থেকে একটি লাল বই বের করে দেখান, যা প্ল্যাটফর্মের চীনা নামের প্রতি ইঙ্গিত ছিল। আরেকটি পোস্টে তাকে চীনের একটি বিমানবন্দরে দেখা গেছে, যেখানে তিনি মেক্সিকো, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের উদ্দেশ্যে রওনা হচ্ছিলেন।</p><h2>‘কার্ড মাস্টার’ উপাধি</h2><p>মা নিং ২০১৫ সালে একটি উত্তপ্ত শাংহাই ডার্বি ম্যাচে নয়টি হলুদ ও তিনটি লাল কার্ড দেখানোর পর ‘কার্ড মাস্টার’ উপাধি পান। তার এই ভূমিকা নিয়ে নেটিজেনরা মজা করে মন্তব্য করেছেন। একজন উইবো ব্যবহারকারী তার বিমানবন্দরের পোস্টের নিচে মন্তব্য করেন, “তার লাগেজ সম্ভবত হলুদ ও লাল কার্ডে ভরা।”</p><h3>শান্তি স্থাপনে ভূমিকা</h3><p>অনেকে মা নিংকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার ম্যাচ পরিচালনার সম্ভাবনা নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন, যাতে তিনি চীনের শান্তি স্থাপনের ভূমিকা পালন করবেন। আরেকজন সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারী মন্তব্য করেন, “পুরো দেশ আপনার পিছনে আছে (যদিও চীনের ফুটবল দলের কেউ নেই)” — যা জাতীয় দলের বিশ্বকাপে না খেলার ব্যর্থতার প্রতি ইঙ্গিত।</p><h2>বিশ্বকাপে চীনের রেফারি</h2><p>মা নিং এই টুর্নামেন্টে একমাত্র চীনা ম্যাচ রেফারি। এটি তার দ্বিতীয় বিশ্বকাপ; ২০২২ সালে কাতারে তিনি চতুর্থ অফিসিয়াল হিসেবে অভিষেক করেছিলেন। এবার উত্তর আমেরিকায় তার সঙ্গে সহকারী রেফারি চৌ ফেই এবং ভিএআর অফিসিয়াল ফু মিং রয়েছেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:59:51 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[রাজশাহীর আম চাষিরা দাম কমে ক্ষতির মুখে, বাম্পার ফলনেও লাভ নেই]]></title>
				<category>আমদানি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/amodani/article-128097.html</link>
				<description><![CDATA[<p>রাজশাহীর আম চাষিরা এ মৌসুমে আর্থিক চাপের মুখে পড়েছেন। বাম্পার ফলন ও সক্রিয় বাণিজ্য সত্ত্বেও বিখ্যাত বনেশ্বর হাটে দাম কম থাকায় তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। ঈদ পরবর্তী চাহিদা প্রত্যাশার চেয়ে দুর্বল হওয়ায় কৃষকরা ক্রমবর্ধমান উৎপাদন খরচ তুলতে হিমশিম খাচ্ছেন।</p><h2>বনেশ্বর হাটের বর্তমান অবস্থা</h2><p>পুঠিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পাইকারি বাজারটিতে প্রায় ৫০টি আম ব্যবসায়িক স্টল রয়েছে। এখানে অঞ্চলের বিভিন্ন বাগান থেকে নিয়মিত আম আসছে। দেশের নানা প্রান্ত থেকে ব্যবসায়ীরা এখনও রাজশাহীর সুগন্ধি ও স্বাদবিশিষ্ট আম কিনতে আসছেন। তবে বাগান মালিকরা বলছেন, বর্তমান দাম উৎপাদন খরচের চেয়ে অনেক কম।</p><h3>রবিবারের দর</h3><p>গোপালভোগ আম বিক্রি হয়েছে ১,২০০-১,৫০০ টাকা মণ, খিরসাপাত (হিমসাগর) ১,২০০-১,৪০০ টাকা মণ। এসব জাতের উচ্চমানের ফল ১,৬০০-১,৮০০ টাকা মণে বিক্রি হয়েছে। কম দামের জাত যেমন লখনা ও গুটি আম ৪০০-৭০০ টাকা মণে (প্রতি কেজি মাত্র ১০ টাকার বেশি) বিক্রি হয়েছে। রানীপ্রসাদ আম ৯০০-১,২০০ টাকা মণে বিক্রি হয়েছে। নতুন বাজারে আসা ল্যাংড়া আম বিক্রি হয়েছে ১,৩০০-১,৬০০ টাকা মণে, যা গত বছর একই সময়ে প্রায় ১,০০০ টাকা মণ ছিল।</p><h2>চাষিদের বক্তব্য</h2><p>বাগান মালিক আনোয়ার হোসেন বলেন, 'খরা সত্ত্বেও নিয়মিত সেচ দিয়ে ফসল বাঁচিয়েছি, কিন্তু গুটি আমের প্রায় কোনো চাহিদাই নেই। ফলে দাম তীব্রভাবে কমে গেছে।' অনেক চাষি বলছেন, বর্তমান বাজার দর বাগান রক্ষণাবেক্ষণ, সেচ, কীটনাশক ও শ্রম খরচ তুলতে যথেষ্ট নয়।</p><p>শহিদুল ইসলাম তিন বছরের জন্য ৫০০,০০০ টাকায় ১৫০ গাছের একটি বাগান লিজ নিয়েছিলেন। তিনি বললেন, 'উৎপাদন ভালো, কিন্তু দাম এভাবে কম থাকলে মুনাফা সীমিত থাকবে।' বাঘা উপজেলার কৃষক বাবু বলেন, 'ছোট আম ৪০০-৭০০ টাকা মণে বিক্রি হচ্ছে, যা যথেষ্ট আয় দিচ্ছে না। গত বছরের মতো এবারও আমরা ক্ষতির মুখে।'</p><h2>ব্যবসায়ীদের মত</h2><p>ব্যবসায়ীরা মন্দার জন্য ঈদের ছুটিতে ক্রেতার সংখ্যা কমে যাওয়াকে দায়ী করছেন, তবে আগামী দিনে চাহিদা বাড়বে বলে আশা করছেন। বনেশ্বর হাটের ব্যবসায়ী মিন্টু সরকার বলেন, 'গত বছরের তুলনায় দাম অনেক কম। ঈদের পর দুর্বল চাহিদার কারণে বেশিরভাগ জাত সস্তা হয়েছে।' আরেক ব্যবসায়ী মনিরুল ইসলাম মানিক বলেন, 'পাইকারি অর্ডার তীব্রভাবে কমেছে। আমরা প্রতিদিন চার থেকে পাঁচ ট্রাকলোড কিনছি, কিন্তু বিক্রি প্রায় অর্ধেক হয়ে গেছে।'</p><h2>ভোক্তাদের সুবিধা</h2><p>চাষিরা উদ্বিগ্ন হলেও ভোক্তারা কম দামে উপকৃত হচ্ছেন। অনেক ক্রেতা বলছেন, সাশ্রয়ী মূল্যে মৌসুমি আম পরিবার ও উপহারের জন্য আরও সহজলভ্য হয়েছে। বাজার লিজধারী জাকির হোসেন রাসেলের মতে, মৌসুমের শীর্ষ সময়ে বনেশ্বর হাটে প্রতিদিন প্রায় ৫ কোটি টাকার আম লেনদেন হয়।</p><h2>আম খাতের গুরুত্ব</h2><p>আম খাত হাজার হাজার মানুষের জীবিকা নির্বাহ করে। প্রায় ৫০,০০০ মানুষ আম সংগ্রহ, বাছাই, প্যাকেজিং, পরিবহন ও কুরিয়ার সেবায় নিয়োজিত। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, কঠোর মনিটরিংয়ের মাধ্যমে এ মৌসুমে নিরাপদ ও রাসায়নিকমুক্ত আম বাজারজাত করা হচ্ছে।</p><h2>শিল্প নেতাদের পরামর্শ</h2><p>শিল্প নেতারা বাজার অস্থিরতা থেকে চাষিদে রক্ষায় আম প্রক্রিয়াকরণ শিল্প ও উন্নত সংরক্ষণাগারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিচ্ছেন। রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট শামসুর রহমান শান্টান বলেন, 'জুস, জ্যাম, আচার ও অন্যান্য আম-ভিত্তিক পণ্যের কারখানা স্থাপন করলে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা ন্যায্য মূল্য পাবেন।'</p><h2>উৎপাদনের তথ্য</h2><p>কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মতে, রাজশাহীতে এ মৌসুমে ১৯,০৬২ হেক্টর জমি থেকে প্রায় ২৪৩,৯৯৩ টন আম উৎপাদন হবে, যার বাজারমূল্য ৮০০ কোটি টাকা। অনুকূল আবহাওয়া ও বড় প্রাকৃতিক দুর্যোগের অনুপস্থিতি ভালো ফলনে ভূমিকা রেখেছে। রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বলেন, 'এ বছর উৎপাদন চমৎকার হয়েছে এবং বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি। আমরা আশা করি মৌসুম এগোতে থাকলে বাজার ধীরে ধীরে স্থিতিশীল হবে।'</p><h2>বিশেষজ্ঞদের মতামত</h2><p>বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাম্পার উৎপাদন উৎসাহব্যঞ্জক হলেও চাষিরা তাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফল ফসল থেকে ন্যায্য মূল্য পান তা নিশ্চিত করতে সংরক্ষণ, পরিবহন ও বাজার ব্যবস্থাপনায় বিনিয়োগ অপরিহার্য।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 13:36:17 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[সিলেটে ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনা, প্রিয় দলের পতাকায় সাজছে নগর]]></title>
				<category>ফুটবল</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/football/article-128096.html</link>
				<description><![CDATA[<p>আর কয়েক দিন পরই শুরু হচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপ। এরই মধ্যে সিলেটের হাওরাঞ্চল থেকে নগরের অলিগলি—সবখানেই ছড়িয়ে পড়েছে ফুটবল উন্মাদনা। প্রিয় দলকে ঘিরে উৎসবের আমেজে মেতে উঠেছেন সমর্থকেরা। নগরের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা, সড়ক ও অলিগলিতে চলছে প্রস্তুতি। প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতে সমর্থকেরা নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন দেশের পতাকা টাঙাচ্ছেন, পছন্দের খেলোয়াড়দের গ্রাফিতি আঁকছেন, লাগাচ্ছেন পোস্টার ও স্টিকার। খেলার সামগ্রীর দোকানগুলোতেও বেড়েছে ব্যস্ততা। বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন দলের জার্সি ও ফুটবলসামগ্রী।</p><h2>সড়ক-মহল্লায় পতাকার ছড়াছড়ি</h2><p>সিলেট নগরের আম্বরখানা, মদিনা মার্কেট, সুবিদবাজার, শাহপরান, টিলাগড়, উপশহর, কুমারপাড়া, মীরাবাজার, জিন্দাবাজার, জল্লারপাড়, মির্জা জাঙ্গালসহ বিভিন্ন এলাকায় ইতিমধ্যে দেখা মিলছে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন, পর্তুগাল ও ইংল্যান্ডের পতাকা। ভবনের ছাদ, বারান্দা এবং সড়কের দুই পাশেও ঝুলছে বিভিন্ন দেশের পতাকা।</p><h2>দেয়ালচিত্রে বিশ্বকাপের আবহ</h2><p>শুধু পতাকাই নয়, দেয়ালচিত্রেও ফুটে উঠছে বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও লিওনেল মেসি, কোথাও কিলিয়ান এমবাপ্পে, আবার কোথাও নেইমার জুনিয়র, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র কিংবা জুড বেলিংহামের বিশালাকৃতির গ্রাফিতি নজর কাড়ছে পথচারীদের। এসব আয়োজনে অংশ নিচ্ছে শিশু-কিশোরেরাও।</p><h3>মহল্লায় প্রতিযোগিতা</h3><p>নগরের মির্জা জাঙ্গাল এলাকার বাসিন্দা রতন মল্লিক বলেন, ‘মহল্লায় ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার দুটি গ্রুপ সৃষ্টি হয়েছে। প্রতি ফুটবল বিশ্বকাপে এমনটি দেখা দেয়। একটি গ্রুপ ৩০ ফুট লম্বা কোনো দলের পতাকা তৈরি করলে অন্য গ্রুপ ৩৫ ফুট লম্বা পতাকা তৈরি করবে। একটি গ্রুপ দেয়াললিখন করলে অন্য গ্রুপ দেয়াললিখনও করছে। এরই মধ্যে মহল্লায় একাধিক দেয়ালচিত্র ও পতাকা আকার কাজ শুরু হয়ে গেছে।’</p><p>উপশহর এলাকার ফুটবলপ্রেমী রায়হান আহমদ বলেন, ‘বিশ্বকাপ মানেই অন্য রকম অনুভূতি। চার বছর পরপর এই আয়োজন আসে। তাই বন্ধুদের নিয়ে এলাকার সাজসজ্জার কাজ শুরু করেছি। প্রিয় দল আর্জেন্টিনার পতাকা লাগানোর পাশাপাশি মেসির একটি বড় গ্রাফিতিও আঁকা হচ্ছে।’</p><h3>ব্যবসায়ীদের ব্যস্ততা</h3><p>শহরের বিভিন্ন স্টিকার ও প্রিন্টিং প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ীরা জানান, বিশ্বকাপ উপলক্ষে বিভিন্ন দেশের পতাকা, জার্সি, পোস্টার ও খেলোয়াড়দের স্টিকারের চাহিদা বেড়েছে। বিশেষ করে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের সামগ্রীর চাহিদা সবচেয়ে বেশি।</p><h2>হাওরেও উন্মাদনা</h2><p>নগরের বাইরেও ছড়িয়ে পড়েছে এই উন্মাদনা। সম্প্রতি শহরতলির উফতার হাওরের মাঝখানে ব্রাজিলের একটি পতাকা দেখা গেছে। স্থানীয় বাসিন্দা আহমদ সবুজ বলেন, নৌকায় গিয়ে বাঁশের খুঁটিতে পতাকাটি টাঙিয়েছেন এলাকার এক ব্রাজিল সমর্থক। তিনি নিজে আর্জেন্টিনার ভক্ত। অন্য সমর্থকদের নিয়ে তাঁরাও পতাকা টাঙানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 13:10:26 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[প্রাদার বিশেষ পোশাক চাঁদে যাবে নভোচারীদের]]></title>
				<category>মহাকাশ</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/mohakash/article-128095.html</link>
				<description><![CDATA[<p>সম্প্রতি নিউইয়র্কে এক বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রাদা উন্মোচন করেছে এমন একটি পোশাক, যা ভবিষ্যতে চাঁদে যাওয়া নভোচারীদের পরিধানের অংশ হবে। মহাকাশ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান অ্যাক্সিওম স্পেসের সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি করা হয়েছে এই বিশেষ ‘লিকুইড কুলিং অ্যান্ড ভেন্টিলেশন গার্মেন্ট’ (এলসিভিজি), যা মূল স্পেসস্যুটের ভেতরে পরতে হবে।</p><h2>প্রাদা ও অ্যাক্সিওম স্পেসের যৌথ উদ্যোগ</h2><p>প্রাদা ও অ্যাক্সিওম স্পেসের যৌথভাবে তৈরি স্পেসস্যুট এবং কুলিং গার্মেন্ট ভবিষ্যতের চন্দ্রাভিযানের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। এই পোশাকটি নাসার পরবর্তী চাঁদে অবতরণ কর্মসূচিতে ব্যবহৃত হতে পারে। এলসিভিজি পোশাকটি নভোচারীদের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং আরামদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে।</p><h3>পোশাকের বৈশিষ্ট্য</h3><p>এই বিশেষ পোশাকটি তরল শীতলীকরণ ও বায়ুচলাচল ব্যবস্থার মাধ্যমে নভোচারীদের দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখবে। এটি মূল স্পেসস্যুটের নিচে পরা হবে এবং নভোচারীদের দীর্ঘ সময় ধরে চন্দ্রপৃষ্ঠে কাজ করার সুবিধা দেবে।</p><p>প্রাদার ফ্যাশন ও প্রযুক্তির এই সংমিশ্রণ ভবিষ্যতের মহাকাশ অভিযানে নতুন মাত্রা যোগ করবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 13:21:37 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[প্রথম বছরেই অনিয়মের নির্বাচন করলে সরকার পাঁচ বছর টিকবে না: জাপা মহাসচিব]]></title>
				<category>রাজনৈতিক জোট</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/rajnoitik-jot/article-128094.html</link>
				<description><![CDATA[<p>জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেছেন, 'যদি প্রথম বছরেই অনিয়মের নির্বাচন করে তাহলে এই সরকার মুখথুবড়ে পড়বে এবং আগামী পাঁচ বছর দেশ চালাতে পারবে না।' মঙ্গলবার বিকালে বরিশাল নগরীর কীর্তনখোলা মিলনায়তনে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে জাতীয় পার্টির করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।</p><h2>স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জাতীয় পার্টির অংশগ্রহণ</h2><p>স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জাতীয় পার্টি অংশ নেবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে জাপা মহাসচিব বলেন, 'স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের অসহায়ত্ব দেখেছি। সম্প্রতি তিনি তার বক্তব্যে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা বলেছেন। এসব দল আলোচনা করে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন যেন করতে পারে, সেটি বোঝাতে চেয়েছেন তিনি। এতে বোঝা যায় সরকার না চাইলে নির্বাচন কমিশন শান্তিপূর্ণ ভোট করতে পারবে না। তাই যদি হয়ে থাকে সেই নির্বাচনে জাতীয় পার্টি অংশগ্রহণ করবে কিনা, সে বিষয়ে আমাদের প্রেসিডিয়াম মিটিংয়ে আলোচনা হবে এবং কেন্দ্রীয় কমিটিতেও আলোচনা হবে। তবে সরকার যদি প্রথম বছরে অর্থা শুরুতেই অনিয়মের নির্বাচন করে তাহলে পাঁচ বছর দেশ চালাতে পারবে না।'</p><h3>অতীতের নির্বাচন ও বর্তমান সংকট</h3><p>তিনি বলেন, 'অতীতে আওয়ামী লীগের আমলে ত্রুটিযুক্ত নির্বাচন হয়েছে বলেই দেশের সব সমস্যার সমাধান হয়নি। বরং সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে আরও বেশি। আবার যদি সেই রকম ভোট হয় ইতিহাসের নির্মম পুনরাবৃত্তি ঘটবে। এমনিতেই দেশ একটি ক্লান্তিকালে পড়েছে, তীব্রভাবে অর্থনৈতিক সংকট বাড়ছে, অসংখ্য মানুষ চাকরি হারাচ্ছে। নতুন সরকার, নতুন আগমনে গণতন্ত্রের নতুন দুয়ার খোলার কথা ছিল। আমরা কষ্ট ভারাক্রান্ত মনে দেখেছি, নতুন সরকারের যাত্রা গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা হচ্ছে না। সেখানে আমরা একমুখী, একদলীয় করণের, স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির পূর্বাভাস দেখতে পাচ্ছি। সরকার যদি সচেষ্ট না হয়, জাতীয় ঐক্য করতে না পারে, জনগণকে সঙ্গে নিতে না পারে, সব দলকে সঙ্গে নিতে না পারে তাহলে আমরা রোহিঙ্গার চেয়েও আরও বড় সমস্যার আশঙ্কা করছি।'</p><h3>জাতীয় ঐক্যের আহ্বান</h3><p>জাতীয় পার্টি দেশপ্রেমিক মানুষের দল, জাতীয় পার্টি মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের দল উল্লেখ করে জাপা মহাসচিব বলেন, 'নতুন করে জাতীয় ঐক্য করার জন্য সরকারকে আহ্বান জানাচ্ছি। যদি সরকার জাতীয় ঐক্য করতে ব্যর্থ হয় তাহলে বাংলাদেশ একটি দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতপ্রবণ এলাকায় পরিণত হতে পারে। বাংলাদেশে দীর্ঘমেয়াদি দুর্ভিক্ষ হতে পারে, অভ্যন্তরীণ গৃহযুদ্ধও হতে পারে। তখন কারও কিছুই করার থাকবে না।'</p><p>মতবিনিময় সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও বরিশাল বিভাগের জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেন তাপস। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া ও আলমগীর সিকদার লোটন। জাপার বরিশাল মহানগরের আহ্বায়ক মহসিন উল ইসলাম হাবুলের সভাপতিত্বে সভায় বরিশাল বিভাগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 13:25:51 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বৃষ্টি থামলেও জিতবে বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১ উইকেট দূরে জয়]]></title>
				<category>ক্রিকেট</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/cricket/article-128093.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশ দল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয়ের খুব কাছে পৌঁছে গেছে। মঙ্গলবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ওয়ানডে ম্যাচে বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ থাকলেও ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে বাংলাদেশ ৮৬ রানে জিতবে।</p><h2>ম্যাচের বর্তমান অবস্থা</h2><p>৪২.২ ওভারে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ৯ উইকেটে ১৯১ রান। জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন মাত্র ১ উইকেট, আর অস্ট্রেলিয়ার প্রয়োজন ৪৬ বলে ৯৪ রান। এমন সময় সন্ধ্যায় মাঠে বজ্রপাত হয়, পরে বৃষ্টি শুরু হলে খেলা আপাতত বন্ধ রয়েছে। যদি খেলা আর না হয়, তবে বাংলাদেশ ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে জিতবে।</p><h2>বাংলাদেশের ইনিংস</h2><p>টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৮ উইকেটে ২৮৪ রান করে বাংলাদেশ। দীর্ঘদিন পর মাঠে ফেরা মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ৭০ বলে ৭টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৮৪ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন। এছাড়া নাজমুল হোসেন শান্ত ৮৬ বলে ৯টি চার ও ১টি ছক্কায় ৬৭ রান করেন এবং ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ৪৪ বলে ৭টি চার ও ১টি ছক্কায় ৫৪ রান করেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে নাথান ইলস সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন।</p><h2>অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস</h2><p>টার্গেট তাড়া করতে নেমে ২ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারিয়ে প্রাথমিক বিপর্যয়ে পড়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। তাসকিন আহমেদ প্রথম ওভারের প্রথম বলেই ম্যাথিউ শর্টকে বোল্ড করে গোল্ডেন ডাক দেন। দ্বিতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলে মোস্তাফিজুর রহমান মার্নাস লাবুশেনকে এলবিডব্লিউ করে ফেরান। অধিনায়ক জশ ইংলিস ২৫ বলে ৩ বাউন্ডারিতে ১৯ রান করে নাহিদ রানার বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন। কুপার কনোলি ৫০ বলে ৫টি চার ও ১টি ছক্কায় ৩৫ রান করে ফেরেন। অ্যালেক্স ক্যারি ৬২ বলে ৫টি বাউন্ডারিতে ৪৭ রান করেন। শেষ পর্যন্ত ১৫৬ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় অস্ট্রেলিয়া। ক্যামেরন গ্রিন ৫২ রানে অপরাজিত থেকে শেষ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।</p><h2>ম্যাচের সম্ভাব্য ফলাফল</h2><p>বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ থাকায় ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে বাংলাদেশ ৮৬ রানে জিতবে। বাংলাদেশের জয় প্রায় নিশ্চিত, কারণ তাদের প্রয়োজন মাত্র ১ উইকেট।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:50:08 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[পাবনায় কিশোরী ধর্ষণ-হত্যার প্রতিবাদে বাড়িতে আগুন দিতে গিয়ে তিনজনের মৃত্যু]]></title>
				<category>যুদ্ধ-সংঘাত</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/juddho-shonghat/article-128092.html</link>
				<description><![CDATA[<p>পাবনার সদর উপজেলায় এক কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় একটি বাড়িতে আগুন দিতে গিয়ে দগ্ধ হয়ে কমপক্ষে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারিতে তাদের মধ্যে দুজন মারা যান। অপরজন সোমবার বিকেলে একই হাসপাতালে মারা যান বলে জানান পাবনা সদর থানার ওসি তারিকুল ইসলাম।</p><h2>নিহতদের পরিচয়</h2><p>নিহতরা হলেন- ভাণ্ডারা ইউনিয়নের পূর্ব রাঘবপুর এলাকার সুমন শেখ (৩৫), একই এলাকার নটুনপাড়ার সাইফুল ইসলাম সাব্বির (২৮) এবং সাপু (৪৫)। তারা সকলেই দিনমজুর ছিলেন এবং উত্তেজিত জনতার অংশ হিসেবে ওই বাড়িতে আগুন দিতে গিয়েছিলেন।</p><p>ঘটনার পর থেকে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:57:19 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[পদ্মা নদীতে ভাসমান স্পিডবোট থেকে গুলিবিদ্ধ যুবকের লাশ উদ্ধার]]></title>
				<category>সীমান্ত</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/shimanto/article-128091.html</link>
				<description><![CDATA[<p>নাটোরের লালপুর থানার চরজাজিরা এলাকায় পদ্মা নদীতে ভাসমান একটি স্পিডবোট থেকে আজিজুল হক (৩৫) নামে এক যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে এই ঘটনা ঘটে। নিহত আজিজুল হক ওরফে ঝড় নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার পাবনাপাড়া গ্রামের আবদুল শেখ ও হাসিনা বেগম দম্পতির ছেলে। তিনি কুষ্টিয়ার বহুল আলোচিত ‘কাকন বাহিনী’র সদস্য।</p><h2>ঘটনার বিবরণ</h2><p>স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে স্থানীয় লোকজন চরজাজিরা এলাকায় পদ্মা নদীতে একটি নীল-সবুজ রঙের স্পিডবোট ভাসতে দেখেন। লাল রঙের ছাউনি দেওয়া স্পিডবোটের ভেতরে গুলিবিদ্ধ এক যুবকের লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে বেলা সাড়ে তিনটার দিকে লালপুর থানার পুলিশ ও লক্ষ্মীকুন্ডা নৌ পুলিশ সেখানে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।</p><h3>বহুপক্ষীয় সংঘর্ষ</h3><p>নাটোরের লালপুর, রাজশাহীর বাঘা ও কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার সংযোগস্থলে পদ্মার চরে আবারও দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় আজিজুল হক নিহত হন। চরে বিভিন্ন পক্ষের আধিপত্য নিয়ে সংঘর্ষে গত বছরের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় লোকজন পুলিশকে জানান, আজ ভোরের দিকে সেখানে বালুমহালের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বেলাল ও কাকনের সমর্থকদের মধ্যে গোলাগুলি হয়।</p><h3>তদন্ত ও মামলা</h3><p>লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, মারামারির ঘটনাস্থলটি তিন জেলার তিন উপজেলার সংযোগস্থলে হওয়ায় ঠিক কোন থানায় মামলা হবে, তা নিয়ে বিতর্ক আছে। তবে লাশটি যেহেতু পদ্মা নদীতে ভাসমান স্পিডবোট থেকে উদ্ধার হয়েছে তাই লক্ষ্মীকুন্ডা নৌ পুলিশ তদন্ত করবে। মামলা হবে লালপুর থানায়।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 13:23:23 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ইসলামের দোহাই দেওয়া সমীচীন নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী]]></title>
				<category>আইন বিভাগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/ain-bibhag/article-128090.html</link>
				<description><![CDATA[<p>সব বিষয়ে ইসলামের দোহাই দেওয়া মোটেও সমীচীন নয় বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুল ইসলামও ইসলাম নয়, জামায়াতে ইসলামীও ইসলাম নয়।</p><h2>সংসদে বক্তব্য</h2><p>মঙ্গলবার (৯ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় (বাজেট) অধিবেশনের তৃতীয় দিনে ৬৮ বিধিতে দেওয়া ইসলামী ব্যাংক সংক্রান্ত বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমানের নোটিশের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।</p><p>স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, ইসলামী ব্যাংকের মালিকানা নিয়ে বিরোধী দল যে বক্তব্য দিয়েছে, সেখানে বলা হয়েছে ন্যায্যতার পথে ফিরতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।</p><h3>শেয়ার বিতর্ক</h3><p>ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা হচ্ছে। বিরোধী দলীয় নেতার বক্তব্য অনুযায়ী, শেয়ারগুলো ‘ডাকাতি করে’ কেনা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ইবনে সিনার শেয়ার লেনদেন প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ব্লক মার্কেটে শেয়ার তিন গুণ দামে বিক্রি হয়েছে—এটি একটি রেকর্ড।</p><p>স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডিং কাঠামো নিয়ে বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপন করা হচ্ছে, তবে এসব বিষয়ে সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান প্রকাশ করা উচিত। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের প্রতি তথ্য প্রকাশের আহ্বান জানান তিনি।</p><h3>তদন্তের প্রয়োজনীয়তা</h3><p>শেয়ারহোল্ডাররা কীভাবে শেয়ার কিনেছেন, সেটি একটি আলাদা বিষয় এবং এ নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে। প্রয়োজনে এটি দুদকের তদন্ত বা মামলার বিষয়ও হতে পারে। তবে পাবলিক লিস্টেড কোম্পানির শেয়ারহোল্ডিং কাঠামো একটি ভিন্ন বিষয় এবং তা আলাদাভাবে তদন্ত করা যেতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।</p><p>তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে অতিরিক্ত মন্তব্য করতে গিয়ে অনেকে রাজনৈতিকভাবে বিষয়টিকে টেনে আনছেন। “ইসলামের ওপর হাত দেবেন না”—সম্প্রতি জামায়াত নেতাদের এমন মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে বক্তব্যের এক পর্যায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুল ইসলামও ইসলাম নয়, জামায়াতে ইসলামীও ইসলাম নয়।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:53:07 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বিশ্বকাপ ফুটবলে পতাকা টাঙানো নিয়ে সংঘর্ষ, যুবক আহত]]></title>
				<category>ফুটবল</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/football/article-128089.html</link>
				<description><![CDATA[<p>লক্ষ্মীপুরের সদর উপজেলায় পছন্দের ফুটবল দলের পতাকা টাঙানোকে কেন্দ্র করে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মধ্যে বিরোধের জেরে এক যুবকের মাথা ফাটানোর অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (৮ জুন) বিকেলে সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ থানার হাজিরপাড়া ইউনিয়নের যাত্রাপুর তুলাগাছতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত যুবকের নাম আজাদ হোসেন (২০)। তিনি আর্জেন্টিনা দলের সমর্থক। আহত অবস্থায় তিনি লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।</p><h2>ঘটনার বিবরণ</h2><p>অভিযোগ রয়েছে, ব্রাজিল দলের সমর্থক রিফাত হোসেনের হামলায় তিনি আহত হন। অভিযুক্ত রিফাতও একই এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বকাপ ফুটবলকে ঘিরে সোমবার এলাকার কয়েকজন তরুণ আর্জেন্টিনা দলের পতাকা টাঙানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় ব্রাজিলের কয়েকজন সমর্থক তাদের বাধা দেন। বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে আজাদ ও রিফাতের মধ্যে মারামারি হয়। এ সময় রিফাত একটি লাঠি দিয়ে আজাদের মাথায় আঘাত করেন। এতে আজাদের মাথা ফেটে যায়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেন।</p><h3>আহত যুবকের বক্তব্য</h3><p>জানতে চাইলে আহত আজাদ হোসেন বলেন, তিনি ও তার বন্ধুরা আর্জেন্টিনার পতাকা টাঙানোর সময় রিফাত হোসেন বাধা দেন। পরে আকস্মিকভাবে তার ওপর হামলা চালানো হয়। হামলায় তার মাথায় আঘাত লেগেছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেন রিফাত হোসেন। তিনি বলেন, ‘আমি কাউকে মারধর করিনি। পতাকা নিয়ে সামান্য বাগ্‌বিতণ্ডা হয়েছিল। এর বাইরে কিছু নয়।’</p><h3>পুলিশের অবস্থান</h3><p>জানতে চাইলে চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদ আলম বলেন, বিশ্বকাপ ফুটবলে দল সমর্থনকে কেন্দ্র করে মারামারিতে এক তরুণ আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 13:30:06 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ইসলামী ব্যাংকের টাকার সংকট, গ্রাহকরা ৫ হাজার কোটি টাকা তুলে নিলেন]]></title>
				<category>ব্যাংকিং</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/banking/article-128088.html</link>
				<description><![CDATA[<p>আবারও টাকার সংকটে পড়েছে বেসরকারি খাতের ইসলামী ব্যাংক। চেয়ারম্যান নিয়োগের পর নানা বিতর্ক ও চলমান আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংকটি থেকে গ্রাহকেরা গত এক সপ্তাহে পাঁচ হাজার কোটি টাকার বেশি তুলে নিয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে গ্রাহকের চাহিদা সামাল দিতে আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকা ধার চেয়েছে ব্যাংকটি।</p><h2>বাংলাদেশ ব্যাংকের অবস্থান</h2><p>বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র মোহাম্মদ শাহরিয়ার সিদ্দিকী প্রথম আলোকে বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংক ১০ হাজার কোটি টাকা ধার চেয়েছে। তবে এখনো টাকা দেওয়ার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’</p><h3>আমানত কমেছে</h3><p>ইসলামী ব্যাংক সূত্রে জানায়, গত ৩১ মে থেকে ৭ জুন পর্যন্ত ব্যাংকটির আমানত কমেছে ৪ হাজার ২০৪ কোটি টাকা। এরপর গত দুই দিনে আমানতের পরিমাণ আরও কমেছে।</p><h2>চেয়ারম্যান পরিবর্তন ও আন্দোলন</h2><p>ঈদের আগে শেষ কর্মদিবসে ইসলামী ব্যাংকের তৎকালীন চেয়ারম্যান এম জুবায়দুর রহমান পদত্যাগ করেন। বাংলাদেশ ব্যাংক তাঁকে স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল। একই দিন রাত ৯টায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর মো. খুরশীদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়।</p><p>এরপর থেকে সচেতন গ্রাহক ফোরামের ব্যানারে চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবিতে ব্যাংকটির দিলকুশার প্রধান কার্যালয়ের সামনে বিভিন্ন আন্দোলন কর্মসূচি পালন করছে একদল গ্রাহক। গ্রাহকদের যৌক্তিক আন্দোলনে সমর্থন দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। কয়েক দিনের টানা আন্দোলনে ব্যাংকটির গ্রাহকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তাতে আতঙ্কিত অনেক গ্রাহক টাকা তুলে নেন। আজও নবম দিনের মতো এই আন্দোলন চলে।</p><p>আজ সকাল ১০টা থেকে রাজধানীর দিলকুশায় ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে শুরু হওয়া কর্মসূচিতে শতাধিক নারী গ্রাহক অংশ নেন। অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নারীরা বলেন, আর্থিক অনিয়ম ও বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ থাকা ব্যক্তিকে ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়ায় তারা তাদের আমানতের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন।</p><h3>গ্রাহকদের দাবি</h3><p>আন্দোলন করা গ্রাহকদের দাবির মধ্যে আরও রয়েছে ওমর ফারুক খানকে এমডি পদে পুনর্বহাল, লুটপাটের সঙ্গে জড়িত কাউকে ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদে না রাখা, ব্যাংক রেজোল্যুশন অ্যাক্ট থেকে ১৮ (ক) ধারা বাতিল, এস আলমের দখল করা মালিকানা ও দেশে থাকা সম্পত্তি বিক্রি করে লুট করা অর্থের সমন্বয়, শুধু ইসলামী ব্যাংক নয়, এস আলম যাতে কোনো ব্যাংকেই ফিরতে না পারে, সেই ব্যবস্থা করা, ইসলামী ব্যাংকসহ সব ব্যাংক লুটকারীকে বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।</p><h2>পটভূমি ও বর্তমান অবস্থা</h2><p>জানা যায়, শেয়ারবাজার থেকে নামে–বেনামে শেয়ার কিনে সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তা ও রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় ২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংক দখল করে এস আলম গ্রুপ। ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র–জনতার গণ–অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ব্যাংকটি এস আলমের দখলমুক্ত হয়। এরপর থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধিরা ব্যাংক পরিচালনা করছেন। ব্যাংকটির ৫০ শতাংশ ঋণ এখন খেলাপি। এস আলমের ঋণ কেলেঙ্কারির কারণে একসময়ের ভালো ব্যাংকটি এখন আর্থিক সংকটে ভুগছে। এ জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তা চেয়েছে ব্যাংকটি। এর আগেও বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ব্যাংকটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে নানা ধরনের সুবিধা নিয়েছিল।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:56:17 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[উখিয়ায় রোহিঙ্গা আটক, ফ্রান্সের নিষেধাজ্ঞা ও অন্যান্য খবর]]></title>
				<category>এশিয়া</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/asia/article-128087.html</link>
				<description><![CDATA[<p>উখিয়ার রহমতের বিল থেকে ১৯ রোহিঙ্গা আটক হয়েছে। ইসরায়েলের এক মন্ত্রীর ওপর ফ্রান্স নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। অনিয়মের দায়ে ৫ ফার্মেসিকে ২৭ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। নিখোঁজ দুই ভাইয়ের মরদেহ ফ্রিজের নিচে লুকানো অবস্থায় পাওয়া গেছে। গোখরার কামড়ে এক কিশোরীর প্রাণ গেছে। হার দিয়ে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু করেছে বাংলাদেশ। বারবার প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধিতে বিরক্ত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কিউবায় ‘১৫০ বছরের মধ্যে’ সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। টিআইবি মূল বিষয় পাশ কাটাতেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘পেপার কাটিং’ বক্তব্য। ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে পুশইন চেষ্টার নিন্দা জানিয়েছে জামায়াত। সব খবর একসঙ্গে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 13:21:13 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রীর ওপর ফ্রান্সের নিষেধাজ্ঞা; অনিয়মে ৫ ফার্মেসিকে জরিমানা]]></title>
				<category>আন্তর্জাতিক অর্থনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/antorjatik-orthoniti/article-128086.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রীর ওপর ফ্রান্সের নিষেধাজ্ঞা</h2><p>ফ্রান্স ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রীর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এই নিষেধাজ্ঞার ফলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নতুন করে টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়েছে। ফ্রান্সের এই পদক্ষেপকে ইসরায়েল নিন্দা জানিয়েছে।</p><h2>অনিয়মে ৫ ফার্মেসিকে ২৭ হাজার টাকা জরিমানা</h2><p>অনিয়মের দায়ে পাঁচটি ফার্মেসিকে ২৭ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। জরিমানা আদায়ের পাশাপাশি ফার্মেসিগুলোকে সতর্ক করা হয়েছে।</p><h3>নিখোঁজ দুই ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার</h3><p>নিখোঁজ দুই ভাইয়ের মরদেহ ফ্রিজের নিচে লুকানো অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে আটক করা হয়েছে।</p><h3>গোখরার কামড়ে কিশোরীর মৃত্যু</h3><p>গোখরা সাপের কামড়ে এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়ার পর ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সাপের উপদ্রব বাড়ায় এলাকাবাসী উদ্বিগ্ন।</p><h2>হার দিয়ে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু বাংলাদেশের</h2><p>বাংলাদেশ ক্রিকেট দল বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু করেছে হার দিয়ে। প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে তারা প্রতিপক্ষের কাছে পরাজিত হয়েছে। কোচ ও অধিনায়ক দলের ভুলগুলো শুধরে নেওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন।</p><h2>বারবার প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধিতে বিরক্ত প্রধানমন্ত্রী</h2><p>প্রধানমন্ত্রী বারবার প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধিতে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। তিনি দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রকল্প বাস্তবায়নে গাফিলতি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।</p><h3>কিউবায় ‘১৫০ বছরের মধ্যে’ সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প</h3><p>কিউবায় ১৫০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭.৭। ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।</p><h2>টিআইবি মূল বিষয় পাশ কাটাতেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘পেপার কাটিং’ বক্তব্য</h2><p>টিআইবি-র প্রতিবেদন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘পেপার কাটিং’ বক্তব্য দিয়েছেন বলে সমালোচনা হয়েছে। তিনি বলেছেন, টিআইবি মূল বিষয় পাশ কাটিয়ে সংবাদপত্রের কাটিং নিয়ে মন্তব্য করছে। বিরোধী দল এই বক্তব্যের নিন্দা জানিয়েছে।</p><h3>ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে পুশইন চেষ্টার নিন্দা জামায়াতের</h3><p>ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে পুশইন করার চেষ্টার নিন্দা জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। তারা বলেছে, এ ধরনের ঘটনা দুই দেশের সম্পর্কের জন্য ক্ষতিকর। সরকারকে এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।</p><h2>মুন্সীগঞ্জে কালবৈশাখি ঝড়ে গাছ উপড়ে পড়লো অটোরিকশার উপর</h2><p>মুন্সীগঞ্জে কালবৈশাখি ঝড়ে একটি গাছ উপড়ে অটোরিকশার উপর পড়ে। এতে অটোরিকশার চালক আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। ঝড়ে এলাকার বেশ কিছু গাছপালা ও ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:46:11 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রীর ওপর ফ্রান্সের নিষেধাজ্ঞা]]></title>
				<category>আন্তর্জাতিক অর্থনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/antorjatik-orthoniti/article-128085.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রীর ওপর ফ্রান্স নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এই ঘটনা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।</p><h2>অনিয়মে ৫ ফার্মেসিকে জরিমানা</h2><p>দেশের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে অনিয়মের দায়ে ৫ ফার্মেসিকে ২৭ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।</p><h3>নিখোঁজ দুই ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার</h3><p>দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকার পর অবশেষে দুই ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ফ্রিজের নিচে লুকানো অবস্থায় তাদের মরদেহ পাওয়া যায়।</p><h3>গোখরার কামড়ে কিশোরীর মৃত্যু</h3><p>সাপের কামড়ে এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। গোখরা সাপের বিষক্রিয়ায় তার প্রাণহানি ঘটে।</p><h2>হার দিয়ে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু</h2><p>বাংলাদেশ ক্রিকেট দল বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু করেছে। হার দিয়ে শুরু হলেও দলের আত্মবিশ্বাস অটুট রয়েছে।</p><h3>প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধিতে প্রধানমন্ত্রীর বিরক্তি</h3><p>বারবার প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধিতে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি দ্রুত প্রকল্প শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন।</p><h2>কিউবায় শক্তিশালী ভূমিকম্প</h2><p>কিউবায় ১৫০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।</p><h3>টিআইবি ও পেপার কাটিং বক্তব্য</h3><p>দুর্নীতি দমন কমিশনের (টিআইবি) মূল বিষয় পাশ কাটাতেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘পেপার কাটিং’ বক্তব্য বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্লেষকরা।</p><h2>ভারতীয় নাগরিকদের পুশইন চেষ্টার নিন্দা</h2><p>ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে পুশইন চেষ্টার নিন্দা জানিয়েছে জামায়াত। এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।</p><h3>কালবৈশাখি ঝড়ে অটোরিকশার ওপর গাছ</h3><p>মুন্সীগঞ্জে কালবৈশাখি ঝড়ে একটি গাছ উপড়ে পড়ে অটোরিকশার ওপর। এতে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:50:50 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[নিখোঁজ দুই ভাইয়ের মরদেহ ফ্রিজের নিচে উদ্ধার]]></title>
				<category>নিরাপত্তা বাহিনী</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/nirapotta-bahini/article-128084.html</link>
				<description><![CDATA[<p>অবশেষে পাওয়া গেলো নিখোঁজ দুই ভাইয়ের মরদেহ ফ্রিজের নিচে। ঘটনাটি এলাকায় শোকের ছায়া ফেলেছে। অন্যদিকে, গোখরার কামড়ে প্রাণ গেল এক কিশোরীর। এ ঘটনায় পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোক।</p><h2>হার দিয়ে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু বাংলাদেশের</h2><p>বাংলাদেশ ক্রিকেট দল বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু করেছে হার দিয়ে। তবে দলটি আশাবাদী যে পরবর্তী ম্যাচগুলোতে তারা ভালো করবে।</p><h3>বারবার প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধিতে বিরক্ত প্রধানমন্ত্রী</h3><p>প্রধানমন্ত্রী বারবার প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধিতে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। তিনি দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন।</p><h3>কিউবায় ‘১৫০ বছরের মধ্যে’ সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প</h3><p>কিউবায় ১৫০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।</p><h3>টিআইবি মূল বিষয় পাশ কাটাতেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘পেপার কাটিং’ বক্তব্য</h3><p>টিআইবি’র সমালোচনা এড়াতেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘পেপার কাটিং’ বক্তব্য দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।</p><h3>ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে পুশইন চেষ্টার নিন্দা জামায়াতের</h3><p>জামায়াত ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টার নিন্দা জানিয়েছে।</p><h3>মুন্সীগঞ্জে কালবৈশাখি ঝড়ে গাছ উপড়ে অটোরিকশার উপর</h3><p>মুন্সীগঞ্জে কালবৈশাখি ঝড়ে গাছ উপড়ে একটি অটোরিকশার উপর পড়ে। এতে কয়েকজন আহত হয়েছে।</p><h3>‘দুই সিটির প্রশাসক সরকারের টাকায় নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছেন’</h3><p>অভিযোগ উঠেছে, দুই সিটির প্রশাসক সরকারের টাকায় নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছেন।</p><h3>ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ</h3><p>ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:48:43 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[স্কুল ফিডিং প্রকল্পে অনিয়ম: মাদারীপুরে গ্রেপ্তার ২]]></title>
				<category>কৃষি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/krishi/article-128083.html</link>
				<description><![CDATA[<p>এ এফ এম আহসানুল হাবিব ও মো. নুরুজ্জামান নামে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁদের বিরুদ্ধে স্কুল ফিডিং (মিড–ডে মিল) প্রকল্পে অনিয়ম ও পচা খাবার সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে। মাদারীপুর সদর উপজেলা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</p><h2>গ্রেপ্তারের বিবরণ</h2><p>অনিয়মে জড়িত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল সোমবার মাদারীপুর পৌরসভার চাঁদমারি এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়। গ্রেপ্তার হওয়া আহসানুল হাবিবের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলায় এবং মো. নুরুজ্জামানের বাড়ি বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায়।</p><h2>অভিযোগ ও তদন্ত</h2><p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা সমতা ট্রেডার্স নামের প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে স্কুল ফিডিং প্রকল্পের আওতায় শিক্ষার্থীদের জন্য খাদ্য সরবরাহ কার্যক্রমের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নষ্ট ও খাবার অযোগ্য খাদ্যসামগ্রী সরবরাহের ঘটনায় তাঁদের ভূমিকা ও দায়দায়িত্বের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় মাদারীপুর সদর থানা–পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করে।</p><h3>শিক্ষার্থীদের অসুস্থতা</h3><p>মাদারীপুর সদর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার কয়েকটি বিদ্যালয়ে মিড–ডে মিলের খাবার খেয়ে কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিষয়টি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত হয়। এরপর সরকার এ বিষয়ে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।</p><h3>সরকারের পদক্ষেপ</h3><p>শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ বিষয়ে সিভিল সার্জনকে অন্তর্ভুক্ত করে কমিটি গঠনের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও মাদারীপুরের জেলা প্রশাসককে অনুরোধ করেন। তিনি অনিয়মে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণেরও অনুরোধ জানিয়েছিলেন।</p><p>প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন। শিক্ষা থেকে আরও পড়ুন: পুলিশ, খাবার, শিক্ষার্থী, গ্রেপ্তার, বিদ্যালয়, অনিয়ম, মাদারীপুর, মামলা, স্কুল।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 13:07:15 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বিশ্বশান্তিতে অবদান রাখা শান্তিরক্ষীদের অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর]]></title>
				<category>প্রধানমন্ত্রী</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/prodhanmontri/article-128082.html</link>
				<description><![CDATA[<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্বশান্তিতে অবদান রাখা শান্তিরক্ষীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি এ অভিনন্দন জানান।</p><h2>শান্তিরক্ষীদের প্রতি শ্রদ্ধা</h2><p>তিনি লিখেন, বিশ্বশান্তি, স্থিতিশীলতা ও মানবিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম একটি অনন্য উদ্যোগ। সংঘাত, সহিংসতা ও মানবিক সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনতে শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত সাহস, ধৈর্য ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে চলেছেন। আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা দিবস উপলক্ষে আমি বিশ্বের সকল শান্তিরক্ষীর প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও গভীর শ্রদ্ধা জানাই।</p><h3>আত্মত্যাগের স্মরণ</h3><p>তিনি আরও লিখেন, বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার মহান দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যেসব সাহসী শান্তিরক্ষী আত্মত্যাগ করেছেন, আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে তাদের অবদান স্মরণ করছি। তাদের এই আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। একই সঙ্গে আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত শান্তিরক্ষী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।</p><h2>বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী</h2><p>পোস্টে তারেক রহমান লিখেন, বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। আমাদের শান্তিরক্ষীরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও মানবিক মূল্যবোধের পরিচয় দিয়ে দেশের সুনাম বৃদ্ধি করেছেন। তাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করেছে। বর্তমানে বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে সর্বাধিক শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম।</p><h3>নারী শান্তিরক্ষীদের ভূমিকা</h3><p>বাংলাদেশের নারী শান্তিরক্ষীরাও আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। দক্ষতা, নেতৃত্ব ও পেশাগত সক্ষমতার মাধ্যমে তারা বিশ্বব্যাপী প্রশংসা অর্জন করেছেন। এটি নারীর ক্ষমতায়ন এবং বাংলাদেশের উন্নয়নের একটি উজ্জ্বল প্রতিচ্ছবি।</p><h2>ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা</h2><p>সর্বশেষ তিনি লিখেন, আমরা বিশ্বাস করি, পারস্পরিক সম্মান, সহযোগিতা ও সহনশীলতার ভিত্তিতে একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়ে তোলা সম্ভব। ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতিসংঘের উদ্যোগে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখবে। আসুন, আমরা সবাই শান্তি, মানবতা ও সম্প্রীতির মূল্যবোধ ধারণ করে একটি উন্নত ও নিরাপদ পৃথিবী গঠনে একযোগে কাজ করি।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 13:18:07 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[চকরিয়ায় প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি, মা-মেয়ে ধর্ষণের অভিযোগ]]></title>
				<category>গণতন্ত্র</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/gonotontro/article-128081.html</link>
				<description><![CDATA[<p>কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় এক প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ডাকাতদল পরিবারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে প্রবাসীর স্ত্রী ও কন্যাকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে ডাকাতির সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ছয়জনকে আটক করেছে পুলিশ।</p><h2>ঘটনার বিবরণ</h2><p>সোমবার (৮ জুন) রাত ৮টার দিকে মাতামুহুরী উপজেলার পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সিকদারপাড়ায় প্রবাসী ফুরুক আহমদ চৌধুরীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। আটকরা হলেন- মাতামুহুরী উপজেলার বড় ভেওলা ইউনিয়নের রেজাউল করিম, মেহেদী, বাবু, কেফায়েত, তানজিদ। তবে আরেকজনের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।</p><h2>ডাকাতির কাহিনি</h2><p>স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে ৮ থেকে ১০ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাতদল প্রবাসী ফুরুক আহমদ চৌধুরীর বাড়ির গ্রীল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে পরিবারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মা ও মেয়েকে ধর্ষণ করে। এ সময় ডাকাতদল আলমারী থেকে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকাসহ মূল্যবান মালামাল নিয়ে যায়।</p><h2>আহতদের অবস্থা</h2><p>ঘটনার পর স্থানীয়রা আহত মা-মেয়েকে উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। স্বজনদের দাবি, মেয়েটির শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে।</p><h2>পুলিশের অভিযান</h2><p>পুলিশ ঘটনার খবর পেয়ে চকরিয়া সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার (এএসপি) অভিজিৎ দাসের নেতৃত্বে থানার ওসি মো. মনির হোসেনসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এরপর পুলিশ ও স্থানীয় জনতা বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ছয়জন ডাকাতকে আটক করে। ভুক্তভোগী মেয়ের মামা সাইদুল ইসলাম ফারুক বলেন, ‘ডাকাত দলের সদস্যরা চলে যাওয়ার পর খবর পেয়ে আমরা সেখানে যাই। তখন আমার বোন ও ভাগনি জড়সড় হয়ে দুজন দুটি কক্ষে বসে ছিলেন। আমার ভাগিনীর অবস্থা আশংকাজনক। তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে।’</p><h3>পুলিশের বক্তব্য</h3><p>মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক (ওসি) মো. মাসুদ ডাকাতির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘পুলিশ ভোরে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে আটক করেছে। এর মধ্যে চারজনকে ভুক্তভোগী ব্যক্তিরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে শনাক্ত করেছেন।’</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 13:16:02 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ফ্রিজের নিচে লুকানো গোখরার কামড়ে কিশোরীর মৃত্যু]]></title>
				<category>কৃষি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/krishi/article-128080.html</link>
				<description><![CDATA[<p>মুন্সীগঞ্জে ফ্রিজের নিচে লুকিয়ে থাকা গোখরা সাপের কামড়ে এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে ঘরের ফ্রিজের নিচে লুকিয়ে থাকা বিষধর গোখরা সাপটি কিশোরীকে কামড় দেয়। পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।</p><h2>ঘটনার বিবরণ</h2><p>প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কিশোরীটি ঘরের কাজ করছিল। হঠাৎ ফ্রিজের নিচ থেকে একটি সাপ বেরিয়ে এসে তার পায়ে কামড় দেয়। চিৎকার শুনে পরিবারের অন্য সদস্যরা ছুটে এসে সাপটিকে মেরে ফেলে। কিন্তু ততক্ষণে কিশোরীর শরীরে বিষ ছড়িয়ে পড়ে।</p><h3>স্থানীয় প্রতিক্রিয়া</h3><p>ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় প্রশাসন ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, সাপটি ফ্রিজের নিচে লুকিয়ে ছিল এবং কিশোরীটি অসাবধানতাবশত সেটিকে উসকে দেয়।</p><p>এ ধরনের ঘটনা এড়াতে বিশেষজ্ঞরা ঘরের কোণায় ও আসবাবপত্রের নিচে নিয়মিত পরিষ্কার রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। পাশাপাশি সাপ দেখা গেলে দ্রুত ফায়ার সার্ভিস বা সাপ বিশেষজ্ঞদের খবর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 13:10:03 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ভারতের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার বেড়ে ১৯০, পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে]]></title>
				<category>রাশিয়া</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/russia/article-128079.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বিশ্বের পারমাণবিক শক্তিধর দেশগুলোর মধ্যে ভারতের পারমাণবিক অস্ত্রের সম্ভার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এসআইপিআরআই) ২০২৬ সালের সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের পারমাণবিক ওয়ারহেডের সংখ্যা আগের ১৮০টি থেকে বেড়ে বর্তমানে প্রায় ১৯০টিতে দাঁড়িয়েছে। এর মাধ্যমে ভারত পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যার দিক থেকে পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া এবং ইসরায়েলকে ছাড়িয়ে গেছে।</p><h2>ভারতের পারমাণবিক অস্ত্রের বর্তমান অবস্থা</h2><p>চলতি বছরের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এসআইপিআরআই জানিয়েছে, বর্তমানে ভারতের হাতে সচল বা মোতায়েনকৃত পারমাণবিক বোমা রয়েছে ১২টি এবং সংরক্ষিত রয়েছে ১৭৮টি; অর্থাৎ সব মিলিয়ে মোট মজুত ১৯০টি। এর বিপরীতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের পারমাণবিক ওয়ারহেডের সংখ্যা ১৭০টি। তবে এই অঞ্চলে পারমাণবিক অস্ত্রের দিক থেকে ভারতের চেয়ে অনেক এগিয়ে রয়েছে চীন, যাদের হাতে রয়েছে ৬২০টি ওয়ারহেড।</p><h3>শান্তিকালে মোতায়েনের নতুন নীতি</h3><p>দীর্ঘদিনের সামরিক কৌশল ও পারমাণবিক নীতি ভেঙে এবারই প্রথম শান্তির সময়েও ১২টি পারমাণবিক বোমা পুরোপুরি মোতায়েন রেখেছে ভারত। এসআইপিআরআই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এতদিন প্রচলিত ধারণা ছিল যে ভারত শান্তির সময়ে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বা অন্য কোনো উৎক্ষেপণ ব্যবস্থার সঙ্গে পারমাণবিক বোমা যুক্ত না করে আলাদাভাবে সংরক্ষণ করে। তবে সম্প্রতি ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে ক্যানিস্টারে রাখা এবং সমুদ্রে পারমাণবিক সাবমেরিনের মাধ্যমে নিয়মিত টহল দেওয়ার পদক্ষেপগুলো ইঙ্গিত দেয় যে, ভারত শান্তির সময়েও কিছু ওয়ারহেডকে সরাসরি উৎক্ষেপণ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করার নীতিতে হাঁটছে।</p><h2>বিশ্বের পারমাণবিক অস্ত্রের বর্তমান চিত্র</h2><p>বর্তমানে বিশ্বের মোট পারমাণবিক অস্ত্র মূলত ৯টি দেশের হাতে পুঞ্জীভূত রয়েছে। তবে এর সিংহভাগই রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক অস্ত্রের ভাণ্ডার রয়েছে রাশিয়ার কাছে। তাদের মোট পারমাণবিক বোমার সংখ্যা প্রায় ৫ হাজার ৪২০টি। এর মধ্যে সামরিক ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত রয়েছে ৪ হাজার ৪০০টি, যার মধ্যে আবার ১ হাজার ৭৯৬টি বোমা সরাসরি মোতায়েন বা সচল রয়েছে। রাশিয়ার ঠিক পরেই রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির মোট ওয়ারহেডের সংখ্যা ৫ হাজার ৪২টি। এর মধ্যে সামরিক মজুদ ৩ হাজার ৭০০টি এবং সরাসরি মোতায়েন রয়েছে প্রায় ১ হাজার ৭৭০টি অস্ত্র।</p><h3>চীন ও অন্যান্য দেশের অবস্থান</h3><p>সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন তাদের পারমাণবিক সক্ষমতা ব্যাপকভাবে বাড়িয়েছে। বর্তমানে তাদের মোট ওয়ারহেডের সংখ্যা প্রায় ৬২০টি। ইউরোপের দেশ ফ্রান্সের মোট পারমাণবিক বোমার সংখ্যা প্রায় ৩৭০টি এবং তাদের সামরিক মজুত ২৯০টি। অন্যদিকে যুক্তরাজ্যের হাতে রয়েছে আনুমানিক ২২৫টি পারমাণবিক বোমা। দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের সংগ্রহে ১৯০টি এবং পাকিস্তানের কাছে ১৭০টি ওয়ারহেড রয়েছে। মূলত একে অপরকে সামরিকভাবে প্রতিহত বা নিরস্ত করতেই এই দুই প্রতিবেশী দেশ তাদের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার বজায় রেখেছে। তালিকায় সবচেয়ে কম পরমাণু অস্ত্র রয়েছে বাকি দুটি দেশের কাছে। ইসরায়েলের কাছে আনুমানিক ৯০টি এবং উত্তর কোরিয়ার কাছে প্রায় ৬০টি পারমাণবিক ওয়ারহেড রয়েছে বলে এসআইপিআরআই-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:50:52 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বাংলাদেশের নতুন শিক্ষানীতি ঘোষণা, পরিবর্তন আসছে পাঠ্যক্রমে]]></title>
				<category>উচ্চশিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/uccho-shikkha/article-128078.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশ সরকার সম্প্রতি একটি নতুন শিক্ষানীতি ঘোষণা করেছে, যা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনবে। এই নতুন নীতির আওতায় পাঠ্যক্রমে ব্যাপক সংস্কার করা হবে, যেখানে ব্যবহারিক শিক্ষার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হবে।</p><h2>নতুন শিক্ষানীতির মূল বৈশিষ্ট্য</h2><p>নতুন শিক্ষানীতির মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের বাস্তব জীবনের জন্য প্রস্তুত করা। এর আওতায় পাঠ্যক্রমে প্রযুক্তি, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং দক্ষতা-ভিত্তিক শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এছাড়া, শিক্ষার্থীদের সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে।</p><h3>পাঠ্যক্রমের পরিবর্তন</h3><p>নতুন নীতিতে পাঠ্যক্রমে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হচ্ছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত (STEM) শিক্ষার ওপর জোর দেওয়া হবে। এছাড়া, উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষার্থীরা তাদের আগ্রহ অনুযায়ী বিষয় নির্বাচন করতে পারবে।</p><ul><li>প্রাথমিক শিক্ষায় হাতেকলমে শেখার ওপর জোর</li><li>মাধ্যমিক স্তরে দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি</li><li>উচ্চ মাধ্যমিকে বিষয় নির্বাচনের স্বাধীনতা</li></ul><p>নতুন শিক্ষানীতি বাস্তবায়নে সরকার ইতিমধ্যে একটি টাস্কফোর্স গঠন করেছে। টাস্কফোর্সটি আগামী তিন মাসের মধ্যে বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা প্রস্তুত করবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় আশা করছে, ২০২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে নতুন পাঠ্যক্রম চালু করা সম্ভব হবে।</p><h3>বিশেষজ্ঞদের মতামত</h3><p>শিক্ষাবিদরা নতুন শিক্ষানীতিকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, এই নীতি বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক ও বিশ্বমানের করতে সাহায্য করবে। তবে, বাস্তবায়নে কিছু চ্যালেঞ্জ থাকতে পারে, যেমন শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও অবকাঠামো উন্নয়ন।</p><p>নতুন শিক্ষানীতি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। সরকার শিগগিরই একটি জনসচেতনতামূলক প্রচারণাও চালাবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 13:03:43 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[হার দিয়ে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু বাংলাদেশের]]></title>
				<category>ক্রিকেট</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/cricket/article-128077.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে হেরে শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রী বারবার প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধিতে বিরক্ত। কিউবায় ১৫০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। টিআইবি মূল বিষয় পাশ কাতাতেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘পেপার কাটিং’ বক্তব্য দিয়েছেন। ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে পুশইন চেষ্টার নিন্দা জানিয়েছে জামায়াত। মুন্সীগঞ্জে কালবৈশাখি ঝড়ে গাছ উপড়ে অটোরিকশার উপর পড়েছে। দুই সিটির প্রশাসক সরকারের টাকায় নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ। ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়েছে। দিপু মনির ৩৮ মামলার দুটিতে জামিন মিলেছে। বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থন চাইল হালান্ডের নরওয়ে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:45:33 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ফ্রান্সে নিষিদ্ধ ইসরাইলি অর্থমন্ত্রী, আরোপিত নিষেধাজ্ঞা]]></title>
				<category>কূটনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/kutniti/article-128076.html</link>
				<description><![CDATA[<p>অধিকৃত পশ্চিম তীরে সহিংসতা বৃদ্ধি এবং ঔপনিবেশিক তৎপরতা জোরালো করার অভিযোগে ইসরাইলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচসহ একাধিক নেতার ওপর ফ্রান্সে প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জঁ-নোয়েল বারো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।</p><h2>যৌথ জাতীয় নিষেধাজ্ঞা</h2><p>ফ্রান্স তার আন্তর্জাতিক মিত্রদের সাথে সমন্বয় করে এই যৌথ জাতীয় নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বারো জানান, ব্রিটেন, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং নরওয়ের মতো অংশীদার দেশগুলোর সাথে একযোগে এই নতুন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হচ্ছে। মূলত পশ্চিম তীরে যারা সহিংসতা উস্কে দিচ্ছে এবং অবৈধ বসতি স্থাপনের প্রক্রিয়াকে আরও তীব্র করছে, তাদের লক্ষ্য করেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।</p><h3>কাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা</h3><p>এই সিদ্ধান্তের ফলে ইসরাইলের কট্টরপন্থী অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ ছাড়াও দেশটির চারজন প্রভাবশালী সেটলার সংগঠনের নেতা এবং ২১ জন সহিংস সেটলারের ফ্রান্সে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্মোট্রিচের কড়া সমালোচনা করে বলেন, ইসরাইলি অর্থমন্ত্রী সক্রিয়ভাবে পশ্চিম তীরকে ইসরাইলের অন্তর্ভুক্ত বা সংযুক্তি করার পক্ষে প্রচার চালাচ্ছেন এবং তা প্রকাশ্যে দাবিও করছেন।</p><p>এর পাশাপাশি তিনি পশ্চিম তীরে নতুন অবৈধ বসতি তৈরি, গাজা পুনরুপনিবেশকরণ এবং ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার মতো নীতিকে সমর্থন ও উস্কে দিচ্ছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও যোগ করেন যে স্মোট্রিচের এসব নীতি ফিলিস্তিনের সাধারণ জনগণের ওপর মারাত্মক ও ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে।</p><p>আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ, যারা ফিলিস্তিন ও ইসরাইলের মধ্যকার চলমান সংকট নিরসনে ‘দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান’ নীতিতে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাসী, তারা এই ধরণের নীতি বা কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নিতে পারে না। আর এই কারণেই ফ্রান্স ও তার মিত্র দেশগুলো এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।</p><p>সূত্র: আল-জাজিরা।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 13:13:25 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[স্কুল ফিডিং প্রকল্পে নিম্নমানের খাবার সরবরাহের দায়ে গ্রেফতার ২]]></title>
				<category>কৃষি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/krishi/article-128075.html</link>
				<description><![CDATA[<p>জাতীয় স্কুল ফিডিং (মিড ডে মিল) প্রকল্পে নিম্নমানের ও পচা খাবার সরবরাহের অভিযোগে মাদারীপুর সদর উপজেলা থেকে এএফএম আহসানুল হাবিব (৫১) ও মো. নুরুজ্জামান (৪৩) নামে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আহসানুল হাবিবের বাড়ি ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায় এবং নুরুজ্জামানের বাড়ি বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায়।</p><h2>অভিযোগ ও গ্রেফতার</h2><p>অনিয়মে জড়িত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। গ্রেফতার আসামিরা সমতা ট্রেডার্স নামক প্রতিষ্ঠানে দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে স্কুল ফিডিং প্রকল্পের আওতায় শিক্ষার্থীদের জন্য খাদ্য সরবরাহ কার্যক্রমের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন।</p><h2>তদন্তের তথ্য</h2><p>তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নষ্ট ও খাবার অযোগ্য খাদ্যসামগ্রী সরবরাহের ঘটনায় তাদের ভূমিকা ও দায়-দায়িত্বের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় মাদারীপুর সদর থানা পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সত্যতা পাওয়ায় তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।</p><h2>শিক্ষার্থীদের অসুস্থতা</h2><p>এর আগে মাদারীপুর সদর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার কয়েকটি স্কুলে মিড ডে মিলের খাবার খেয়ে কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিষয়টি বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রচারিত হলে সরকার দ্রুত ব্যবস্থা নেয়।</p><h3>সরকারের পদক্ষেপ</h3><p>সরকার এ বিষয়ে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ বিষয়ে সিভিল সার্জনকে অন্তর্ভুক্ত করে কমিটি গঠনের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও মাদারীপুরের জেলা প্রশাসককে অনুরোধ করেন। তিনি অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণেরও অনুরোধ জানান।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:41:36 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরীর বিয়ে, স্বামীকে ‘সবচেয়ে সুন্দর হৃদয়ের মানুষ’ বললেন]]></title>
				<category>সেলিব্রিটি</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/celebrity/article-128074.html</link>
				<description><![CDATA[<p>চ্যানেল আইয়ের জনপ্রিয় উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরী সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ও গবেষক মুশতাক ইবনে আইয়ুবের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। রাজধানীর বাংলামোটরে তাঁদের আক্দ সম্পন্ন হয়। এই বিয়ে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলেও দীপ্তি নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে ভোলেননি।</p><h2>ফেসবুকে আবেগঘন পোস্ট</h2><p>বিয়ের পর ফেসবুকে এক আবেগঘন পোস্টে দীপ্তি তাঁর স্বামী মুশতাক ইবনে আইয়ুবকে 'সবচেয়ে সুন্দর হৃদয়ের মানুষ' বলে উল্লেখ করেন। তিনি লেখেন, "যাকে না পাওয়া ছিল একমাত্র আফসোস, আল্লাহ তাঁকে জীবনসঙ্গী হিসেবে উপহার দিয়েছেন।" তাঁর এই পোস্টে ইতিমধ্যে আড়াই লাখের বেশি রিঅ্যাকশন এসেছে, যা প্রমাণ করে দীপ্তির প্রতি তাঁর অনুসারীদের ভালোবাসা ও সমর্থন কতটা গভীর।</p><h3>বিয়ের পরেও পেশাগত জীবন সক্রিয়</h3><p>বিয়ের পরেও দীপ্তি তাঁর পেশাগত কাজে সক্রিয় রয়েছেন। তিনি চ্যানেল আইয়ের নিয়মিত অনুষ্ঠান উপস্থাপনা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর এই পেশাদারিত্ব ও দায়িত্ববোধ দর্শকদের কাছে প্রশংসিত হচ্ছে।</p><h3>সামাজিক মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া</h3><p>দীপ্তি চৌধুরীর বিয়ে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ তাঁদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, আবার কেউ কেউ সমালোচনাও করেছেন। তবে দীপ্তি নিজে এসব কিছুকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করে নিজের জীবনের নতুন অধ্যায় উদযাপন করছেন। তাঁর এই আত্মবিশ্বাস ও মানসিকতা অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:41:43 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক পোস্ট অফিস চালু করবে সরকার]]></title>
				<category>ব্যবসা-বাণিজ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/bebsha-banijjo/article-128073.html</link>
				<description><![CDATA[<p>সরকার সারা দেশে ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক পোস্ট অফিস চালুর পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম মঙ্গলবার সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে এই উদ্যোগের কথা জানান। রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুর রহমান বেলালের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, কর্তৃপক্ষ বর্তমানে ফ্র্যাঞ্চাইজি আউটলেট স্থাপনের জন্য উপযুক্ত অবস্থান চিহ্নিত করছে।</p><h2>ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিসের উদ্দেশ্য</h2><p>এই ফ্র্যাঞ্চাইজি আউটলেটগুলি ডাক সংগ্রহ এবং সেবা পয়েন্ট হিসেবে কাজ করবে। বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বিশেষ করে ঐতিহ্যবাহী ডাক পরিকাঠামো সীমিত এলাকায় প্রবেশযোগ্যতা এবং দক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।</p><h3>ডাক বিভাগের সংস্কার</h3><p>ডাক বিভাগের চলমান সংস্কার তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, জমির রেকর্ড, পাসপোর্ট এবং ড্রাইভিং লাইসেন্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ নথির জন্য ইতিমধ্যেই হোম ডেলিভারি সেবা চালু রয়েছে। এছাড়াও, ক্রমবর্ধমান ই-কমার্স খাতের জন্য লজিস্টিক সহায়তা জোরদার করতে সারা দেশে ১৪টি ফুলফিলমেন্ট সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। এই কেন্দ্রগুলি পণ্য সংগ্রহ, গুদামজাতকরণ, বাছাই, পরিবহন এবং বিতরণের কাজ করে।</p><p>সরকার ডোমেস্টিক মেইল মনিটরিং সিস্টেমের মাধ্যমে রিয়েল-টাইম পার্সেল ট্র্যাকিং সম্প্রসারণ এবং সাশ্রয়ী মূল্যের অভ্যন্তরীণ পার্সেল সেবা নিশ্চিত করার জন্যও কাজ করছে। এক্সপ্রেস মেইল সার্ভিসের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক চালান অব্যাহত রয়েছে।</p><p>আনাম আশা প্রকাশ করেন যে, সম্মিলিত ব্যবস্থাগুলি সেবা বিতরণ উন্নত করবে, পরিচালনাগত দক্ষতা বাড়াবে এবং দেশীয় ও আন্তঃসীমান্ত লজিস্টিকসে জাতীয় ডাক ব্যবস্থাকে একটি প্রতিযোগিতামূলক খেলোয়াড় হিসেবে অবস্থান করবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 13:11:44 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে বাজেটে আর্থিক খাত সংস্কারের ওপর জোর]]></title>
				<category>ব্যবসা-বাণিজ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/bebsha-banijjo/article-128072.html</link>
				<description><![CDATA[<p>মঙ্গলবার এক প্রাক-বাজেট সেমিনারে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় বাজেটে আর্থিক খাত সংস্কার ও ব্যাংকিং খাত পুনরুদ্ধারকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এর মাধ্যমে বেসরকারি বিনিয়োগ পুনরুজ্জীবিত করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক গতি ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে। বিশেষ করে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও ক্রমবর্ধমান খেলাপি ঋণের (এনপিএল) প্রেক্ষাপটে এ পদক্ষেপ জরুরি বলে মন্তব্য করেন তারা।</p><h2>সেমিনারের মূল আলোচনা</h2><p>উন্নয়নশময়ের আয়োজনে 'বাজেট ২০২৬-২৭ ও বাংলাদেশের আর্থিক খাত: নতুন সরকারের প্রত্যাশা' শীর্ষক এ সেমিনারটি রাজধানীর খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয়। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. মাহফুজ কবির। তিনি উচ্চ মূল্যস্ফীতি, মন্থর বেসরকারি বিনিয়োগ, দুর্বল ঋণ প্রবাহ এবং ব্যাংকিং খাতে শাসন সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জগুলোর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব তুলে ধরেন। তার মতে, আসন্ন বাজেটে অর্থনৈতিক কার্যক্রম পুনরুজ্জীবিত করতে আর্থিক খাতের পুনর্গঠন ও পুনর্বাসনকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।</p><h3>সুপারিশ</h3><p>ড. মাহফুজ কবির কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সহায়তা এবং মাঝারি ও বড় উদ্যোগের জন্য ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি করে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ ত্বরান্বিত করার পরামর্শ দেন। প্যানেল আলোচক ড. শাহীদুল ইসলাম জাহিদ বলেন, জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে বেসরকারি খাতের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করতে হবে। তিনি আর্থিক মধ্যস্থতা শুধু বাণিজ্যিক ব্যাংকের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বিকল্প আর্থিক প্রতিষ্ঠান সম্প্রসারণের ওপর জোর দেন। পাশাপাশি বিদেশ থেকে অবৈধভাবে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যা সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা বাড়াবে। ব্যাংকিং খাতে শাসন উন্নত হলে এবং আমানতকারীদের আস্থা ফিরে এলে প্রবৃদ্ধির গতি ফিরে আসবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।</p><p>আরেক আলোচক ড. রুমানা হক বলেন, কোভিড-১৯ মহামারির প্রভাব ও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অগ্রাধিকার নির্ধারণে ভূমিকা রাখবে। তার মতে, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সামাজিক সুরক্ষা এবং নারী উদ্যোক্তাদের জন্য সম্প্রসারিত ঋণ সুবিধার ওপর জোর দেওয়া হতে পারে, যেখানে ব্যাংকিং খাত মূল সক্ষমকারী হিসেবে কাজ করবে।</p><h2>ব্যাংকিং খাতের চ্যালেঞ্জ</h2><p>বিশেষ অতিথি ব্যাংক এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোহেল আর কে হোসেন বলেন, সামষ্টিক অর্থনীতির কিছু সূচকের উন্নতি সত্ত্বেও খেলাপি ঋণ বাড়ছে। গত ১৮-২৪ মাসে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হয়েছে এবং মূল্যস্ফীতি কমার ইঙ্গিত থাকলেও বেড়ে যাওয়া মূল্যস্ফীতি ও উচ্চ সুদ হার অর্থনীতির দুর্বলতা প্রতিফলিত করে। তিনি ব্যাংকিং খাতের কাঠামোগত দুর্বলতা তুলে ধরে বলেন, প্রায় ৩৫ শতাংশ খেলাপি ঋণ ১২টি ব্যাংকে কেন্দ্রীভূত, যা খাতটির বিনিয়োগ ও প্রবৃদ্ধি সমর্থনের সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে। কর্পোরেট মূলধন পুনর্গঠনে সময় লাগবে এবং বেশি বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (এফডিআই) আকর্ষণের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন তিনি।</p><h3>খোলা আলোচনা</h3><p>সেমিনারের চেয়ার খন্দকার সাখাওয়াত আলীর সঞ্চালনায় খোলা আলোচনায় বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি ও শিক্ষার্থীরা আর্থিক ও অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার নিয়ে সুপারিশ দেন। প্রধান অতিথি সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) বিশিষ্ট ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান সতর্ক করে বলেন, খেলাপি ঋণ না কমানো এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত না করা পর্যন্ত ব্যাংকিং খাতের সংগ্রাম চলবে। তিনি দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ হ্রাস, রপ্তানি মন্থর, মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানি কমা এবং এলসি খোলা কমে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে অর্থনীতির দুর্বলতা নির্দেশ করেন। ব্যাংকিং খাত পুনরুদ্ধারে পুনঃঅর্থায়ন ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা এবং আর্থিক খাতের বৈচিত্র্যের ওপর জোর দেন।</p><p>তিনি বলেন, 'অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর বিকল্প নেই।' সেমিনার শেষে মূল প্রবন্ধ ও আলোচনার সুপারিশগুলো নীতিনির্ধারক ও অংশীজনদের জন্য একটি নীতি সংক্ষিপ্ত আকারে প্রস্তুত করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 13:19:43 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[টাঙ্গাইলে পিকআপ-ট্রাক সংঘর্ষে ৪ নিহত]]></title>
				<category>ক্রীড়া প্রশাসন</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/krira-proshashon/article-128071.html</link>
				<description><![CDATA[<p>টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলায় মঙ্গলবার মুরগি বোঝাই একটি পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে বাঁশ বোঝাই ট্রাকের সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন।</p><h2>দুর্ঘটনার বিবরণ</h2><p>সখীপুর-সাগরদীঘি সড়কের কালিয়া ঘোনারচলা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তিরা হলেন: পিকআপ ভ্যানের চালক জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার আব্দুল হাকিম মিয়ার ছেলে নুর নবী (৬৪); নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার পলাশের ছেলে রফিকুল (১৮); নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার এরশাদের ছেলে সাগর (২২); এবং ভোলা সদর উপজেলার মো. সেলিমের ছেলে সুমন (২৬)। তারা সবাই পিকআপ ভ্যানে যাত্রী ছিলেন।</p><h3>ঘটনার সময়</h3><p>পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘোনারচলার কালিয়া বাজার এলাকায় একটি ট্রাক রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিল, যাতে বাঁশ বোঝাই করা হচ্ছিল। একপর্যায়ে বারাচোনা এলাকা থেকে আসা পিকআপ ভ্যানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয়। ঘটনাস্থলেই পিকআপ ভ্যানের চার যাত্রী নিহত হন। এ সময় বাঁশ বোঝাই ট্রাকের সঙ্গে জড়িত একজন ব্যক্তি গুরুতর আহত হন।</p><h3>উদ্ধার ও আইনি প্রক্রিয়া</h3><p>আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হেলাল উদ্দিন জানান, পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান চলছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:58:39 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[আনোয়ারায় চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রকল্প একনেকে অনুমোদন পায়নি]]></title>
				<category>আন্তর্জাতিক অর্থনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/antorjatik-orthoniti/article-128070.html</link>
				<description><![CDATA[<p>এক দশকের বেশি সময় ধরে নানা জটিলতায় আটকে রয়েছে বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক সহযোগিতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্প অঞ্চল (সিইআইজেড) প্রতিষ্ঠার সহায়ক অবকাঠামো প্রকল্প। ১০ বছর পর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে মঙ্গলবার (৯ জুন) প্রকল্পটি উপস্থাপন করা হলেও তা অনুমোদন পায়নি। প্রকল্পের প্রস্তাবিত ব্যয় ছিল চার হাজার ১৮৯ কোটি টাকা।</p><h2>প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা</h2><p>পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রকল্পটি নিয়ে চীনা প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করবেন। এরপরই অনুমোদনের বিষয়ে পদক্ষেপ নেবেন। পরিকল্পনা কমিশন জানিয়েছে, চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় প্রায় ৮০০ একর জমিতে গভর্নমেন্ট টু গভর্নমেন্ট (জি টু জি) ভিত্তিতে গড়ে তোলা হচ্ছে চায়নিজ ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন (সিইআইজেড)। কর্ণফুলী টানেল, চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর ও শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিকটবর্তী হওয়ায় অঞ্চলটির অবস্থানকে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। সরকার আশা করছে, এটি ভবিষ্যতে চীনা বিনিয়োগের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হয়ে উঠবে।</p><h3>পটভূমি ও জটিলতা</h3><p>চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) মধ্যে ২০১৪ সালে এই অঞ্চল প্রতিষ্ঠার জন্য সমঝোতা স্মারক সই হয়। ২০১৬ সালে প্রকল্পের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হলেও ডেভেলপার নির্বাচন, অর্থায়ন কাঠামো এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতায় প্রকল্পটি বছরের পর বছর ঝুলে থাকে।</p><h2>একনেকে অনুমোদিত অন্যান্য প্রকল্প</h2><p>এদিকে, আজ দুই হাজার ২৬৬ কোটি ৪১ লাখ টাকা ব্যয় সম্বলিত আটটি প্রকল্প অনুমোদন করেছে একনেক। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়নে দুই হাজার ২২৯ কোটি ১৩ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৩৭ কোটি ২৮ লাখ টাকা। সভায় অনুমোদিত ৮ প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে—</p><ul><li><strong>পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়:</strong> বরিশাল সেচ প্রকল্পের রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্বাসন (১ম পর্যায়) প্রকল্প</li><li><strong>সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়:</strong> আনোয়ারা-বাঁশখালী-টইটং-পেকুয়া-বদরখালী-চকরিয়া (ঈদমনি) (আর-১৭০) আঞ্চলিক মহাসড়ক (কালাবিবির দিঘী থেকে ঈদমনি) যথাযথমান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্প</li><li><strong>জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়:</strong> বাংলাদেশের ৩৩টি জেলায় সার্কিট হাউজ এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, ঠাকুরগাঁও এ লিফট সংযোজন প্রকল্প</li><li><strong>স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়:</strong> বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট সম্প্রসারণ প্রকল্প-২</li><li><strong>প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়:</strong> ঢাকা সিএমএইচ এ ক্যান্সার সেন্টার নির্মান (২য় পর্যায়) (১ম সংশোধন) প্রকল্প</li><li><strong>শিক্ষা মন্ত্রণালয়:</strong> মাদ্রাসা এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম (এমইএমআইএস) সাপোর্ট (৩য় সংশোধন) প্রকল্প ও ৬৫৩ মাদ্রাসায় মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন (৩য় সংশোধিত) প্রকল্প</li><li><strong>বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়:</strong> বিদ্যমান গ্রিড উপকেন্দ্র ও সঞ্চালন লাইনের ক্ষমতাবর্ধন (১ম সংশোধিত) প্রকল্প</li></ul>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:40:57 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[মৌচাকে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা হত্যা মামলায় ৪৮ আসামি]]></title>
				<category>দুর্নীতি দমন</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/durniti-domon/article-128069.html</link>
				<description><![CDATA[<p>রাজধানীর মৌচাকে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের রমনা থানার সাবেক আহ্বায়ক বিল্লাল হোসেন তালুকদার (৫৭) হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। একই সঙ্গে নিহতের ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।</p><h2>মামলার বিবরণ</h2><p>রমনা থানায় দায়ের করা মামলায় ২১ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ২৭ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। মামলাটি করেছেন নিহতের স্ত্রী আম্বিয়া খাতুন। মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাহাত খান।</p><h3>ঘটনার বিবরণ</h3><p>তিনি জানান, মৌচাক এলাকায় ফুটপাতে চাঁদা তোলা নিয়ে চলমান একটি সালিশ বৈঠকের সময় বিল্লাল হোসেন তালুকদারকে ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।</p><h3>গ্রেফতার ও অভিযান</h3><p>পুলিশ এরই মধ্যে এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করেছে। বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এদিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে বিল্লালের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 13:03:27 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধিতে প্রধানমন্ত্রীর বিরক্তি]]></title>
				<category>দুর্নীতি দমন</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/durniti-domon/article-128068.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বার বার প্রকল্পের মেয়াদ এবং ব্যয় বৃদ্ধিতে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি কার জন্য হচ্ছে, তাকে খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এ জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী এই নির্দেশনা দেন। সভা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।</p><h2>একনেক সভায় ৮টি প্রকল্প অনুমোদন</h2><p>জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) মঙ্গলবার (৯ জুন) ৩ হাজার ৮৯০ কোটি ৯৭ লাখ টাকা ব্যয় সম্বলিত ৮টি প্রকল্প অনুমোদন করেছে। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ৩ হাজার ৮১০ কোটি ৬২ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৮০ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। প্রধানমন্ত্রী এবং একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ সচিবালয় কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।</p><h3>খুলনা শিপইয়ার্ড প্রকল্প ফিরিয়ে</h3><p>একনেক সভায় খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধনের জন্য একনেক সভায় উপস্থাপন করা হয়। বারবার মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাবে বিরক্তি প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। যে কারণে প্রকল্পটি অনুমোদন না দিয়ে একনেক সভা থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকি কার কারণে প্রকল্পটিতে বার বার মেয়াদ বৃদ্ধি করা হচ্ছে, সেই ব্যক্তিকে খুঁজে বের করার নির্দেশ দেন তারেক রহমান।</p><h3>খরচ কমানোর নির্দেশ</h3><p>একনেক সভায় প্রকল্পের খরচ কমানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া প্রকল্পের অধিকাংশ খরচ বা ব্যয় অস্বাভাবিক বলে মত দিয়েছেন তিনি। এলজিইডি-পিডাব্লিউডিসহ সব বিভাগের রেট সিডিউল এক না হওয়ায় বিরক্ত প্রকাশ করেন। এ জন্য দ্রুত সময়ে রেট সিডিউল একীভূত করার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।</p><h3>প্রধানমন্ত্রীর পছন্দ গ্রামীণ পরিবেশ</h3><p>একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এক সময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অনেক গাছ ছিল, যা দেখে ভালো লাগতো। ঢাকা-বগুড়া সড়কেও গাছ নেই। নগরায়ন নয়, গ্রামীণ পরিবেশ পছন্দ প্রধানমন্ত্রীর। সড়কের পাশে যেন ইউক্লিপটাস-ইপিলি-ইপিল গাছ না লাগানো হয়, সে বিষয়েও সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:43:07 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[সুনিধি নায়েক: সংক্ষিপ্ত উপস্থিতিতেই দর্শক নজর কাড়লেন ‘রকস্টার’য়ে]]></title>
				<category>ঢালিউড</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/dhaliwood/article-128067.html</link>
				<description><![CDATA[<p>শাকিব খানের ‘রকস্টার’ সিনেমায় সংক্ষিপ্ত উপস্থিতি দিয়েই দর্শকের নজর কাড়েন গায়িকা সুনিধি নায়েক। পর্দায় তাঁর উপস্থিতি খুব বেশি না হলেও দর্শকদের একটি বড় অংশ তাঁকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে। এমনকি শাকিব খান নিজেও এক সাক্ষাৎকারে মন্তব্য করেন, ‘সিনেমায় সুনিধির উপস্থিতি আরও কিছুটা বেশি হলে ভালো হতো।’ গানের জগতের পরিচিত মুখ সুনিধিকে নিয়ে শাকিবের সেই মন্তব্যের পর থেকেই ঢালিউড দর্শকদের কাছে নতুন করে পরিচিতি পাচ্ছেন সুনিধি, রয়েছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায়।</p><h2>গানের জগৎ থেকে চলচ্চিত্রে</h2><p>গানের জগৎ থেকে বিনোদন অঙ্গনে পরিচিতি পাওয়া সুনিধি নায়েক এখন চলচ্চিত্র দর্শকদেরও আগ্রহের কেন্দ্রে। সংক্ষিপ্ত উপস্থিতিতেও দর্শকদের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছেন। ঈদে মুক্তি পাওয়া ‘রকস্টার’ সিনেমার ক্যামেরার সামনে আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতি তাঁকে আলাদা করে চিনিয়ে দিয়েছে দর্শকদের কাছে।</p><h3>শাকিব খানের প্রশংসা</h3><p>শাকিব খানের সঙ্গে পর্দায় উপস্থিত হওয়ার পর নতুন করে আলোচনায় আসেন সুনিধি। অনেকেই বলছেন, সুনিধির নতুন করে সিনেমার ভক্তদের কাছে জন্ম হলো। ‘ও যে মানে না মানা’, ‘বন্ধু রহো সাথে’, ‘বুক বেঁধে তুই দাঁড়া দেখি’র মতো গান নিজের মতো গেয়ে পরিচিতি পেয়েছেন সংগীতশিল্পী সুনিধি নায়েক।</p><h3>প্রথম সিনেমা ও জনপ্রিয়তা</h3><p>এই গায়িকার ‘রকস্টার’ প্রথম ছবি। গানের পাশাপাশি ফ্যাশন ও ব্যক্তিত্বের কারণেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয় সুনিধি। পর্দার বাইরেও নিয়মিত সিনেমাটি নিয়ে নানা ফটোশুট ও জনসমক্ষে উপস্থিতির মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় রয়েছেন। বাড়ছে তাঁর ফেসবুক ফলোয়ার।</p><h2>অভিনয়ের ভবিষ্যৎ</h2><p>অভিনয়ে তাঁর সম্ভাবনা নিয়ে ইতিমধ্যে ঢালিউড ভক্তদের মধ্যে শুরু হয়েছে আলোচনা। তিনি জানিয়েছেন, সুযোগ হলে সিনেমায় অভিনয়ে আপত্তি নেই। বেশির ভাগ ভক্তের মন্তব্য, গ্ল্যামার ও সাবলীল অভিব্যক্তির সমন্বয়ে সিনেমায় নিজস্ব একটি পরিচয় তৈরি করতে পেরেছেন সুনিধি।</p><h3>ভক্ত ও শাকিবের প্রতিক্রিয়া</h3><p>গায়িকা হিসেবে পরিচিত হলেও চলচ্চিত্রে সুনিধিকে অনেক দর্শক ভবিষ্যৎতে দেখতে চাইছেন। মন্তব্যে জানাচ্ছেন সেসব কথা। শাকিব খানও জানিয়েছেন, তাঁর আরও সিনেমা করা উচিত। সিনেমাটি ঘিরে বিনোদন অঙ্গনের বিভিন্ন আয়োজনে অংশ নিয়ে নিয়মিত দর্শকদের সামনে আসছেন সুনিধি। এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, দর্শক তাঁকে এতটা পছন্দ করবেন, কখনোই ভাবেননি।</p><h3>ব্যক্তিগত জীবন</h3><p>সুনিধি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, ‘শাকিবের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করাটা আ ব্লেসিং ইন ইটসেলফ’। কলকাতার মেয়ে হলেও সুনিধি বিয়ের পর থেকে ঢাকাতেই থাকেন। তিনি গায়ক শায়ান চৌধুরী অর্ণবের স্ত্রী। বর্তমানে তিনি গান নিয়ে ব্যস্ত।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 13:12:31 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[এনসিসি ব্যাংকে ‘হেড অব রিটেইল ব্যাংকিং’ পদে নিয়োগ]]></title>
				<category>কর্মসংস্থান</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/kormosongstthan/article-128066.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বেসরকারি ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক পিএলসিতে (এনসিসি ব্যাংক) ‘হেড অব রিটেইল ব্যাংকিং’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ১৫ জুন ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।</p><h2>পদের বিবরণ</h2><p>প্রতিষ্ঠানের নাম: ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক পিএলসি (এনসিসি ব্যাংক)। বিভাগের নাম: সিআরএম রিটেইল ডিভিশন (এও-অফিসার)। পদের নাম: হেড অব রিটেইল ব্যাংকিং। পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়।</p><h3>শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা</h3><p>প্রার্থীকে অবশ্যই এমবিএ/এমবিএম/স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী হতে হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ন্যূনতম ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। ঢাকায় কাজ করার মানসিকতা থাকতে হবে।</p><h3>অন্যান্য তথ্য</h3><ul><li>বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে</li><li>চাকরির ধরন: ফুল টাইম</li><li>প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ</li><li>বয়স: নির্ধারিত নয়</li><li>কর্মস্থল: ঢাকা</li></ul><h2>আবেদনের প্রক্রিয়া</h2><p>আগ্রহীরা এখানে ক্লিক করে ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক পিএলসি (এনসিসি ব্যাংক) আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের শেষ সময়: ১৫ জুন ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। সূত্র: বিডিজবস ডটকম।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 13:15:00 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[পুশইন আতঙ্ক কমলেও সীমান্তে উত্তেজনা, বেনাপোলে দ্বিগুণ বিজিবি মোতায়েন]]></title>
				<category>সীমান্ত</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/shimanto/article-128065.html</link>
				<description><![CDATA[<p>যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইনের আশঙ্কা কমলেও সীমান্তজুড়ে এখনো বিরাজ করছে সতর্কতা, উৎকণ্ঠা ও চাপা উত্তেজনা।</p><p>গত কয়েকদিনে নতুন করে কোনো পুশইনের ঘটনা না ঘটলেও সীমান্তের ওপারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে জড়ো করে রাখা হয়েছে বলে গোয়েন্দা তথ্য পাওয়ার পর সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।</p><p>সম্ভাব্য যেকোনো পুশইন বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বেনাপোল সীমান্তে আগের তুলনায় প্রায় দিগুণ বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্তের স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে বাড়ানো হয়েছে টহল, নজরদারি ও গোয়েন্দা তৎপরতা।</p><p>মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে বেনাপোলের সাদিপুর, দৌলতপুর, পুটখালী, কাগজপুকুর, ঘিবা ও সীমান্তঘেঁষা বেশ কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বিজিবি সদস্যরা সার্বক্ষণিক টহল ও নজরদারিতে নিয়োজিত রয়েছেন। সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি রাতের টহলও বাড়ানো হয়েছে। সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোর বাসিন্দাদের মধ্যেও সতর্কতা লক্ষ্য করা গেছে। অনেকেই স্বেচ্ছায় বিজিবিকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করছেন।</p><p>স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ মে গভীর রাতে বেনাপোলের সাদিপুর সীমান্ত দিয়ে নারী ও শিশুসহ কয়েকজন ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে বিএসএফ। এর আগে সীমান্তের ওপারে প্রায় ১০০ থেকে ১২০ জন লোককে জড়ো করা হয়েছিল বলে গোয়েন্দা তথ্য পায় বিজিবি। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর বিজিবি দ্রুত সীমান্তে অবস্থান নিয়ে পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করে। ফলে ওই ব্যক্তিরা সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করতে বাধ্য হয়।</p><p>স্থানীয়দের দাবি, প্রায় দুই দিন ধরে নারী, শিশু ও পুরুষদের একটি দল সীমান্তের শূন্যরেখায় মানবেতর জীবনযাপন করে। প্রচণ্ড গরম, বিশুদ্ধ পানির সংকট, খাদ্যাভাব এবং অনিশ্চয়তার মধ্যে তারা দিন কাটায়। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ে নারী ও শিশুরা। পরে ২ জুন রাতের দিকে বিএসএফ তাদের শূন্যরেখা থেকে সরিয়ে নিয়ে যায় বলে স্থানীয়রা জানান।</p><p>ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পুশইনের আশঙ্কায় সীমান্তবর্তী গ্রামের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিজিবির পাশে এসে দাঁড়ায়। স্থানীয় বাসিন্দারা রাত জেগে সীমান্ত পাহারায় অংশ নেন এবং যেকোনো সন্দেহজনক তৎপরতার তথ্য বিজিবিকে জানান।</p><p>সাদিপুর গ্রামের বাসিন্দা সাগর হোসেন বলেন, ১ জুন সকালে জানতে পারি বিজিবি পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করেছে। এরপর গ্রামের মানুষ নিজের উদ্যোগেই সীমান্ত এলাকায় অবস্থান নেয়। আমরা বিজিবির সদস্যদের সঙ্গে রাত জেগে পাহারা দিয়েছি। এখন পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও সবাই সতর্ক রয়েছে।</p><p>একই গ্রামের জসিম উদ্দিন বলেন, সীমান্ত রক্ষা শুধু বিজিবির দায়িত্ব নয়, দেশের নাগরিক হিসেবেও আমাদের দায়িত্ব আছে। তাই আমরা সীমান্তে অবস্থান নিয়ে বিজিবিকে সহযোগিতা করেছি। ভবিষ্যতেও দেশের স্বার্থে আমরা তাদের পাশে থাকব।</p><p>বেনাপোল বাজারের ব্যবসায়ী পলাশ আহমেদ বলেন, পুশইনের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। অনেকেই ভেবেছিলেন পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। তবে বিজিবির দৃঢ় অবস্থান এবং দ্রুত পদক্ষেপের কারণে বড় ধরনের কোনো সমস্যা হয়নি।</p><p>আমদানি-রপ্তানি ব্যবসায়ী শরিফুল ইসলাম বলেন, আন্তর্জাতিক নিয়ম-কানুন ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে কাউকে সীমান্ত দিয়ে ঠেলে পাঠানো গ্রহণযোগ্য নয়। বিজিবি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সীমান্তে স্থিতিশীলতা বজায় থাকা ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।</p><p>ঘটনার পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী গত ৩ জুন সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় জনগণ ও বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করে দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।</p><p>স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ৩১ মে রাতে বিএসএফ সীমান্তের বিভিন্ন স্থানের আলো নিভিয়ে শতাধিক নারী, পুরুষ ও শিশুকে ‘বাংলাদেশি’ দাবি করে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চালায়। তবে বিজিবির কঠোর অবস্থান, বাড়তি সতর্কতা এবং তাৎক্ষণিক প্রতিরোধের মুখে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়।</p><p>বেনাপোল চেকপোস্ট আইসিপি ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার মিজান হোসেন বলেন, আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে যে, সীমান্তের ওপারে বিএসএফের বিভিন্ন হোল্ডিং সেন্টারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে জড়ো করে রাখা হয়েছে। তাদের মধ্যে অনেককে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করা হতে পারে। এ কারণে সদর দপ্তরের নির্দেশনায় সীমান্তে আগের তুলনায় প্রায় দিগুণ বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম।</p><p>তিনি আরও বলেন, সীমান্তে কোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ বা পুশইনের চেষ্টা হলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।</p><p>যশোর-৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে বেনাপোল সীমান্তে পুশইনের কোনো ঘটনা ঘটছে না। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে আছি এবং সীমান্তজুড়ে নিয়মিত টহল অব্যাহত রেখেছি।</p><p>তিনি বলেন, যাদের পুশইনের চেষ্টা করা হয়েছিল তারা বাংলাদেশি কিনা, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। কেউ যদি প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশি হয়ে থাকে, তাহলে আন্তর্জাতিক আইন, কূটনৈতিক আলোচনা এবং প্রচলিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে দেশে ফেরত পাঠানো যেতে পারে। কিন্তু রাতের আঁধারে বা একতরফাভাবে কাউকে সীমান্ত দিয়ে ঠেলে পাঠানোর কোনো বৈধতা নেই।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 13:05:35 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বদরগঞ্জে ধর্ষণের শিকার পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীর সন্তান প্রসব]]></title>
				<category>আইন বিভাগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/ain-bibhag/article-128064.html</link>
				<description><![CDATA[<p>রংপুরের বদরগঞ্জে প্রতিবেশী চাচা কর্তৃক পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় থানায় মামলা করা হলেও পুলিশ দীর্ঘদিনেও আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি। অথচ ওই শিক্ষার্থী সম্প্রতি একটি মেয়ে সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। দরিদ্র পরিবারের ওই শিক্ষার্থী বর্তমানে নবজাতক সন্তানকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।</p><h2>ঘটনার বিবরণ</h2><p>মামলা সূত্রে জানা যায়, ওই শিক্ষার্থীর বাবা একজন কৃষি শ্রমিক। প্রতিদিন সকালে তিনি কাজের সন্ধানে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। ওই শিক্ষার্থী স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াশোনা করত। তার সুন্দর চেহারা দেখে প্রতিবেশী আব্দুল ওয়াহেদের ছেলে শরিফুল ইসলামের লোলুপদৃষ্টি পড়ে। শরিফুল পেশায় একজন বালু ব্যবসায়ী।</p><p>শরিফুল ওই শিক্ষার্থীকে নানাভাবে ফুসলাতে থাকে। কিন্তু শিক্ষার্থী রাজি না হওয়ায় একদিন বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার দৈহিক মেলামেশা করে। একসময় শিক্ষার্থীর শরীরে পরিবর্তন আসতে শুরু করলে পরিবারের লোকজন জানতে পারেন তিনি অন্তঃসত্ত্বা।</p><h3>মামলা ও বর্তমান অবস্থা</h3><p>বিষয়টি শরিফুলকে জানানো হলে সে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায়। চলতি বছরের ১ এপ্রিল বাধ্য হয়ে শিক্ষার্থীর বাবা বদরগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। কিন্তু পুলিশ দীর্ঘদিনেও আসামি শরিফুলকে গ্রেফতার করতে পারেনি।</p><p>এ অবস্থায় ওই শিক্ষার্থী ১৫ মে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একটি মেয়ে সন্তান প্রসব করেন। এতে ওষুধপথ্য বাবদ ১২ হাজার টাকা খরচ হয়, যা ধারদেনা করে মিটিয়েছেন তার দিনমজুর বাবা।</p><h3>পরিবারের অবস্থা</h3><p>শিক্ষার্থীর বাবা গণমাধ্যমকে বলেন, দিনমজুরির আয়ে কোনো মতে সংসার চলে। রংপুর হাসপাতালে মেয়েটির সিজার করে সন্তান হয়েছে। মানুষের কাছে ধার করে মা ও সন্তানকে বাড়িতে এনেছি। বাচ্চা হওয়ার পর থেকে মেয়েটির চিকিৎসা, পুষ্টি ও নবজাতকের খরচ বহন করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। অভাবের সংসারে এখন মেয়ে ও বাচ্চা নিয়ে কোথায় যাব, কী করব চিন্তায় আছি। সরকারের কাছে মেয়ে ও তার সন্তানের একটা ব্যবস্থা চাই।</p><p>তিনি আরও বলেন, আমার মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে শরিফুল ইসলাম। থানায় মামলা দেওয়ার তিন মাস পার হলেও এখন পর্যন্ত গ্রেফতার হয়নি। এদিকে শরিফুলের বাড়ির লোকজন গালিগালাজসহ বিভিন্ন হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছে। আমরা গরিব মানুষ দেখে বিচার পাচ্ছি না।</p><h3>স্থানীয় প্রতিক্রিয়া</h3><p>স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পর পরিবারটি সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে ব্যাপক চাপের মুখে পড়েছে। বর্তমানে মা ও শিশুর জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য, চিকিৎসা ও নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করাও তাদের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।</p><p>অভিযুক্ত শরিফুল ইসলামের পিতা আব্দুল ওয়াহেদ বলেন, আমার ছেলের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। মামলার কারণে তিন মাস থেকে শরিফুল বাড়িতে নেই। ওই ঘটনার বিষয়ে আমরা কিছু জানি না।</p><p>এলাকাবাসী ও পরিবারের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু বিচার এবং ক্ষতিগ্রস্ত মা ও শিশুর জন্য সরকারি ও বেসরকারি সহায়তা প্রয়োজন। স্থানীয় সচেতন মহলও তাদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে।</p><h3>পুলিশের বক্তব্য</h3><p>বদরগঞ্জ থানার ওসি হাসান জাহিদ সরকার জানান, থানায় মামলা হওয়ার পর আসামি আত্মগোপনে আছে। আসামিকে খুব দ্রুত গ্রেফতার করা হবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 13:08:20 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বান্দরবানে টিস্যু কালচার ল্যাব নির্মাণ কাজ শেষ পর্যায়ে]]></title>
				<category>উচ্চশিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/uccho-shikkha/article-128063.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বান্দরবানের বালাঘাটায় একটি টিস্যু কালচার ল্যাব নির্মাণ কাজ শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। এই ল্যাব চালু হলে পাহাড়ি কৃষিতে আমূল পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এখানে রোগমুক্ত ও উচ্চ ফলনশীল চারা উৎপাদন হবে।</p><h2>প্রকল্পের অগ্রগতি</h2><p>সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) পাঁচটি টিস্যু কালচার ল্যাব ও হর্টিকালচার সেন্টারের মধ্যে এটি একটি। এর নির্মাণ কাজ এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। 'টিস্যু কালচার ল্যাব ও হর্টিকালচার সেন্টার স্থাপন ও উন্নয়ন' প্রকল্পের আওতায় ল্যাবের মূল অবকাঠামো—হার্ডেনিং চেম্বার, নার্সারি শেড ও প্রশিক্ষণ কক্ষ—নির্মাণ শেষ হয়েছে। বর্তমানে অভ্যন্তরীণ ফিনিশিং ও আধুনিক সরঞ্জাম স্থাপনের কাজ চলছে।</p><h2>কৃষকদের উপকারিতা</h2><p>ল্যাব চালু হলে স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন ফল ও ফুলের জীবাণুমুক্ত ও ভাইরাসমুক্ত চারা উৎপাদন সম্ভব হবে। এতে কৃষকের ফলন ২৫-৩০ শতাংশ বাড়বে এবং রোগ ও পোকামাকড়জনিত ক্ষতি কমবে। তিন পার্বত্য জেলা, কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের কৃষকরা এই উন্নত চারা থেকে উপকৃত হবেন।</p><h3>কৃষকদের প্রতিক্রিয়া</h3><p>স্থানীয় কৃষকরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। বালাঘাটার কৃষক থোয়াইনু অং মার্মা বলেন, পাহাড়ে অনেক ফলগাছ রোগে মারা যায়। সস্তায় রোগমুক্ত চারা পেলে উৎপাদন অনেক বাড়বে। বান্দরবানের কৃষক তাইয়্যেব চৌধুরী বলেন, এই সুবিধা পাহাড়ি জেলায় কৃষির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দোলুপাড়ার মাথুই মার্মা বলেন, চারা উৎপাদন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নারীরা দক্ষতা ও আয় অর্জন করতে পারবেন।</p><h2>সময়সীমা ও হস্তান্তর</h2><p>প্রকল্প ঠিকাদার মোজাফফর হোসেন বলেন, ১৮ মাসের পারফরম্যান্স চুক্তির আওতায় প্রকল্প বাস্তবায়ন চলছে। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করে হস্তান্তর করা হবে।</p><p>বান্দরবান হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক লিটন দেবনাথ বলেন, প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ শেষ। সরঞ্জাম সংগ্রহ চলছে এবং আগস্ট-সেপ্টেম্বরের মধ্যে ল্যাব চালু হবে। তিনি আরও বলেন, টিস্যু কালচার প্রযুক্তির মাধ্যমে রপ্তানিযোগ্য, রোগমুক্ত চারা উৎপাদন করে পাহাড়ি কৃষিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।</p><h2>হর্টিকালচার সেন্টারের ইতিহাস</h2><p>হর্টিকালচার ফার্মটি ১৯৬৯ সালে তৎকালীন ইপিএডিসি প্রতিষ্ঠা করে। পরে এটি হর্টিকালচার উন্নয়ন বোর্ডের আওতায় আসে। ১৯৯১ সাল থেকে এটি ১২ একর জমিতে হর্টিকালচার সেন্টার হিসেবে কাজ করছে এবং বান্দরবানের সাতটি উপজেলায় কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:51:17 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বাজেটে ব্যাংক খাতের সংস্কার জরুরি: বিশেষজ্ঞরা]]></title>
				<category>ব্যবসা-বাণিজ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/bebsha-banijjo/article-128062.html</link>
				<description><![CDATA[<p>মঙ্গলবার এক প্রাক-বাজেট সেমিনারে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় বাজেটে আর্থিক খাতের সংস্কার এবং ব্যাংকিং খাত পুনরুদ্ধারকে অগ্রাধিকার দিতে হবে যাতে বেসরকারি বিনিয়োগ পুনরুজ্জীবিত হয়, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয় এবং স্থায়ী মূল্যস্ফীতি ও ক্রমবর্ধমান খেলাপি ঋণের (এনপিএল) মধ্যে অর্থনৈতিক গতি ফিরে আসে।</p><p>উন্নয়ন সমন্বয়ের আয়োজিত 'বাজেট ২০২৬-২৭ এবং বাংলাদেশের আর্থিক খাত: নতুন সরকারের প্রত্যাশা' শীর্ষক এই সেমিনারটি রাজধানীর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ কনফারেন্স রুমে ৯ জুন অনুষ্ঠিত হয়।</p><h2>মূল বক্তব্যে যা উঠে এসেছে</h2><p>মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে ড. মাহফুজ কবির উচ্চ মূল্যস্ফীতি, মন্থর বেসরকারি বিনিয়োগ, দুর্বল ঋণ প্রবাহ এবং ব্যাংকিং খাতে শাসন চ্যালেঞ্জের দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আসন্ন বাজেটে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পুনরুজ্জীবিত করতে আর্থিক খাতের পুনর্গঠন ও পুনর্বাসনকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।</p><p>তিনি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সহায়তা এবং বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ ত্বরান্বিত করতে মাঝারি ও বড় উদ্যোগের জন্য আরও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরির সুপারিশ করেন।</p><h3>প্যানেল আলোচকদের মতামত</h3><p>প্যানেল আলোচক ড. শহীদুল ইসলাম জাহিদ জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে বেসরকারি খাতের শক্তিশালী ভূমিকার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তিনি যুক্তি দেন যে আর্থিক মধ্যস্থতা শুধুমাত্র বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলিতে কেন্দ্রীভূত থাকা উচিত নয়। তিনি বিকল্প আর্থিক প্রতিষ্ঠান সম্প্রসারণের আহ্বান জানান এবং সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা শক্তিশালী করতে বিদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারের ওপর জোর দেন। তিনি আরও বলেন, ব্যাংকিং খাতে শাসন ব্যবস্থার উন্নতি এবং আমানতকারীদের আস্থা ফিরে এলে প্রবৃদ্ধির গতি ফিরে আসতে পারে।</p><p>অন্য আলোচক ড. রুমানা হক বলেন, কোভিড-১৯ মহামারির দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব এবং সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা সম্ভবত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের অগ্রাধিকার নির্ধারণ করবে। তিনি উল্লেখ করেন যে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সামাজিক সুরক্ষা এবং নারী উদ্যোক্তাদের জন্য সম্প্রসারিত ঋণ সুবিধার ওপর বেশি জোর দেওয়া হতে পারে, যেখানে ব্যাংকিং খাত একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।</p><h3>বিশেষ অতিথির বক্তব্য</h3><p>বিশেষ অতিথি ব্যাংক এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোহেল আর কে হোসেন কিছু সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকের উন্নতি সত্ত্বেও ক্রমবর্ধমান এনপিএল নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে গত ১৮-২৪ মাসে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হয়েছে এবং মূল্যস্ফীতি কমার ইঙ্গিত থাকলেও, উচ্চ সুদের হারের পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি অর্থনীতির দুর্বলতা প্রতিফলিত করে।</p><p>তিনি ব্যাংকিং খাতের কাঠামোগত দুর্বলতা তুলে ধরে বলেন, প্রায় ৩৫% এনপিএল ১২টি ব্যাংকে কেন্দ্রীভূত, যা বিনিয়োগ ও প্রবৃদ্ধি সমর্থনে খাতের সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করে। তিনি আরও বলেন, কর্পোরেট মূলধন ভিত্তি পুনর্গঠনে সময় লাগবে এবং আরও বেশি বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (এফডিআই) আকর্ষণের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।</p><h3>মুক্ত আলোচনা ও সমাপনী</h3><p>সেমিনার চেয়ার খোন্দকার সাখাওয়াত আলীর সঞ্চালনায় এক মুক্ত আলোচনায় বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি ও শিক্ষার্থীরা আর্থিক ও অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার নিয়ে সুপারিশ প্রদান করেন।</p><p>প্রধান অতিথি হিসেবে সেমিনারে বক্তব্য রাখেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের ডিস্টিংগুইশড ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি সতর্ক করে বলেন যে এনপিএল হ্রাস এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত না হলে ব্যাংকিং খাত সংগ্রাম করতে থাকবে।</p><p>তিনি দেশীয় ও বৈদেশিক বিনিয়োগ হ্রাস, রপ্তানি মন্দা, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হ্রাস এবং এলসি খোলা কমে যাওয়ার দিকে ইঙ্গিত করেন, যা অর্থনীতির দুর্বলতা নির্দেশ করে। তিনি ব্যাংকিং খাত পুনরুদ্ধারে পুনঃঅর্থায়ন ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন এবং আর্থিক খাতের বৈচিত্র্যের আহ্বান জানান।</p><p>'অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই,' তিনি বলেন।</p><p>সেমিনারটি এই প্রত্যাশা নিয়ে শেষ হয় যে মূল প্রবন্ধ এবং আলোচনা থেকে প্রাপ্ত সুপারিশগুলি নীতিনির্ধারক এবং অংশীজনদের জন্য একটি নীতি সংক্ষিপ্ত আকারে সংকলিত হবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 13:10:17 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[পাবনা মানসিক হাসপাতালে রোগীর মৃত্যু, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন]]></title>
				<category>রোগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/swasthyo/rog/article-128061.html</link>
				<description><![CDATA[<p>পাবনা মানসিক হাসপাতালে দুই রোগীর মারামারির ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। দেশের একমাত্র বিশেষায়িত এই হাসপাতালের পুরুষ ওয়ার্ডে গত ২ জুন গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। তবে কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (৮ জুন) সন্ধ্যায় বিষয়টি জানাজানি হলে হাসপাতালজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।</p><h2>ঘটনার বিবরণ</h2><p>হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার খোঁজাখালি গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে নাজমুল ইসলাম (২৮) এবং ঝিনাইদহের রাজনগর গ্রামের মৃত গোলাম নবীর ছেলে ইনজামুল হককে (২৬) অতি ঝুঁকিপূর্ণ ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। ওই দিন রাত ৩টার দিকে তাদের মধ্যে হঠাৎ মারামারি শুরু হয়। একপর্যায়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান ইনজামুল। এ ঘটনায় নাজমুলও গুরুতর আহত হন।</p><h3>মামলা ও অভিযোগ</h3><p>নিহত ইনজামুলের ভাই ইজাজুল হক বাদী হয়ে গত ৩ জুন পাবনা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তিনি বলেন, 'যে ছেলেটা আমার ভাইয়ের সঙ্গে মারামারি করেছে, সেও তো মানসিক রোগী। এমন দুজন রোগীকে তারা কীভাবে একসঙ্গে রাখল? যখন তারা মারামারি করছিল, তখন কেন কেউ থামাতে পারল না?' অন্যদিকে, নাজমুলের বাবা আব্দুল মালেক অভিযোগ করেন, ঘটনার পর হাসপাতালের লোকজন তার ছেলেকে মারধর করে হাত-পা ভেঙে দিয়েছে।</p><h3>হাসপাতালের বক্তব্য</h3><p>হাসপাতালের নার্সিং সুপারিন্টেনডেন্ট রেখা আক্তার জানান, অনেক সময় রোগীদের দেখে স্বাভাবিক মনে হলেও তারা হঠাৎ চরম সহিংস আচরণ শুরু করে। এমন পরিস্থিতিতে অল্পসংখ্যক নার্সের পক্ষে রোগীকে নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব। হাসপাতালে পুরুষ সেবাকর্মীর তীব্র সংকট রয়েছে এবং মানসিক রোগী সামলানোর জন্য আলাদা কোনো প্রশিক্ষণ বা ঝুঁকিভাতা নেই। পাবনা মানসিক হাসপাতালের পরিচালক ডা. শাফকাত ওয়াহিদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, 'যে রোগীরা মারামারি করেছেন তারা আগেও এখানে চিকিৎসা নিয়েছেন। গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বিধায় কেউ বুঝতে পারেনি।'</p><h3>পুলিশের অবস্থান</h3><p>পাবনা সদর থানার ওসি তরিকুল ইসলাম বলেন, 'যেহেতু অভিযুক্ত ব্যক্তিও একজন মানসিক রোগী, তাই মামলা দায়েরের পর আমরা আদালত ও মানসিক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি দিয়েছি। সেখান থেকে নির্দেশনা বা করণীয় সম্পর্কে জানার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:55:48 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বাংলাদেশের নতুন ভিডিও প্রকাশ]]></title>
				<category>বিনোদন ব্যবসা</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/binodon-bebsha/article-128060.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশের একটি নতুন ভিডিও সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে। এই ভিডিওটি দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক এবং ঘটনা তুলে ধরেছে। ভিডিওটি প্রকাশের পর থেকে দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।</p><h2>ভিডিওর বিষয়বস্তু</h2><p>ভিডিওটিতে বাংলাদেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, এবং আধুনিক অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হয়েছে। এতে দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ঐতিহাসিক স্থান, এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের চিত্র ফুটে উঠেছে।</p><h3>দর্শকদের প্রতিক্রিয়া</h3><p>ভিডিওটি প্রকাশের পর দর্শকরা ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। অনেকে ভিডিওটির গুণগত মান এবং তথ্যবহুলতার প্রশংসা করেছেন। সামাজিক মাধ্যমেও ভিডিওটি ব্যাপকভাবে শেয়ার করা হচ্ছে।</p><p>এছাড়াও, ভিডিওটি শিক্ষামূলক এবং অনুপ্রেরণামূলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অনেকেই মনে করছেন, এই ভিডিও বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উন্নত করতে সহায়ক হবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:33:18 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[জাইমা রহমানের ছবি পোস্ট করে গ্রেপ্তার বাগেরহাটে তরুণ]]></title>
				<category>কূটনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/kutniti/article-128059.html</link>
				<description><![CDATA[<p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমানের ছবি দিয়ে ‘আপত্তিকর’ পোস্ট করার অভিযোগে বাগেরহাটে এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে গত সোমবার রাতে বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার বাঁধাল এলাকা থেকে শেখ রসুল ওরফে রফিকুল (২৪) নামের ওই তরুণকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।</p><h2>গ্রেপ্তার ও মামলার বিবরণ</h2><p>রসুল ওই উপজেলার গোপালপুর গ্রামের জাহিদ শেখের ছেলে। কচুয়া থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আজ দুপুরে শেখ রসুলকে আদালতে তোলে পুলিশ। বাগেরহাট আদালত পুলিশের পরিদর্শক মো. মুজিবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, আসামিকে বাগেরহাট আমলি আদালত-৯–এর বিচারক জেবুন্নেছার আদালতে তোলা হয়। প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারক তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।</p><h3>পোস্টের ঘটনা</h3><p>কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম সকালে বলেন, ঢাকার মিরপুরে রামিসা হত্যাকাণ্ডের দুই দিন পর শেখ রসুল ওরফে রফিকুল তাঁর ফেসবুক আইডি থেকে জাইমা রহমানের একটি ছবি আপত্তিকর শিরোনামসহ পোস্ট করেন। অপর একটি ফেসবুক আইডি থেকে পাওয়া ওই পোস্ট ডাউনলোড করে নিজের আইডিতে প্রচার করে ছিলেন রফিকুল।</p><p>এ ঘটনায় কচুয়া থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে আবদুস সালাম নামের এক ব্যক্তি মামলা করেন। এ মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:51:39 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[চট্টগ্রামে চার বছরের শিশু ধর্ষণ মামলায় বিচার শুরুর আদেশ]]></title>
				<category>আইন বিভাগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/ain-bibhag/article-128058.html</link>
				<description><![CDATA[<p>চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়ায় চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের আলোচিত ঘটনায় করা মামলায় অভিযুক্ত মনির হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত। পাঁচ কার্যদিবসে তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়ার পর শুনানি শেষে মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে বিচার শুরুর আদেশ দেন চট্টগ্রাম মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দা হাফছা ঝুমা।</p><h2>আদালতের আদেশ ও সাক্ষ্য প্রক্রিয়া</h2><p>ট্রাইব্যুনালের পিপি মাহমুদ-উল আলম চৌধুরী মারুফ এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, বুধবার এই মামলার বাদীসহ নয় জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে। এর আগে সোমবার শিশু ধর্ষণের অভিযোগে করা এই মামলায় পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্র আমলে নেন আদালত। ঘটনার মাত্র ১৩ দিনের মাথায় এবং পাঁচ কার্যদিবসে তদন্ত শেষে গত ৪ জুন দুপুরে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বাকলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তানভীর আহমেদ।</p><h3>ঘটনার প্রেক্ষাপট ও জনতার প্রতিক্রিয়া</h3><p>এই শিশু ধর্ষণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ২১ মে বিকাল ৫টা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল চেয়ারম্যান ঘাটা আবু জাফর রোড এলাকা। শত শত লোক অভিযুক্ত যুবককে নিজেদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবিতে সড়কে অবস্থান নেয়, পুলিশের গাড়ি আটকে দেয় এবং পরে একটি পুলিশ ভ্যানে আগুন দেন। টানা ছয় ঘণ্টা একটি ভবনে অবরুদ্ধ রাখার পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ করে অভিযুক্তকে পুলিশের পোশাক পরিয়ে কৌশলে বাকলিয়া থানায় নেওয়া হয়।</p><p>পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকায় এক শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর বিকালে তাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা দেখে স্বজন ও স্থানীয়দের সন্দেহ হয়, সে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে। পরে ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিকাল ৫টার দিকে বিক্ষুব্ধ লোকজন রাস্তায় নেমে আসেন। অভিযুক্ত মনির হোসেন স্থানীয় একটি ডেকোরেশন দোকানে কাজ করে। ঘটনার পর স্থানীয়রা অভিযুক্তের অবস্থান নিশ্চিত করে ‘বিসমিল্লাহ ম্যানশন’ নামের একটি ভবন অবরুদ্ধ করে রাখে। একপর্যায়ে তারা ভবনটির কলাপসিবল গেট ভেঙে ফেলারও চেষ্টা করে।</p><p>খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। অন্যদিকে অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পথ আটকে দেয় এবং তাকে জনতার হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। এ সময় উপস্থিত লোকজন চিৎকার করে বলতে থাকেন, ‘বাংলাদেশে বিচার নেই। ধর্ষকাকে আমাদের হাতে তুলে দাও, আমরাই তার বিচার করবো।’ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেট ছুড়ে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। স্থানীয়দের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মধ্যে রাত সাড়ে ১০টার পর এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়। ওই সময় অভিযুক্তকে ভবন থেকে বের করে পুলিশের পোশাক পরিয়ে বিক্ষুব্ধ জনতার ভিড়ের মধ্য দিয়েই বাকলিয়া থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।</p><p>বিষয়টি নিশ্চিত করে ওই দিন বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান বলেছিলেন, স্থানীয় লোকজনের হাত থেকে বাঁচাতে পুলিশের পোশাক পরিয়ে অভিযুক্তকে থানায় আনা হয়েছে।</p><h3>পরবর্তী ঘটনা ও মামলা</h3><p>অভিযুক্তকে থানায় নেওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর আরও ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে স্থানীয়রা। তারা পুলিশের একটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি অতিরিক্ত এপিবিএন সদস্য মোতায়েন করা হয়। রাত ১২টার দিকে ক্ষুব্ধ জনতার একটি দল থানা ঘেরাও করতে মূল সড়কে পৌঁছে যায়। এ সময় কয়েকটি স্থানে আগুন জ্বালানোর ঘটনাও ঘটে। পরে অভিযুক্ত মনির হোসেনের বিরুদ্ধে পরদিন শুক্রবার শিশুটির বাবা বাদী হয়ে বাকলিয়া থানায় মামলাটি করেন। ওই দিন বিকালে আদালতে হাজির করা হলে আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।</p><h3>ভুক্তভোগী শিশুর অবস্থা</h3><p>ভুক্তভোগী শিশুটি চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে চিকিৎসাধীন ছিল ছয় দিন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সুস্থ হওয়ার পর বাড়ি ফিরে গেছে শিশুটি।</p><p>এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) উপকমিশনার মোহাম্মদ হাসান ইকবাল চৌধুরী বলেন, ‘পাঁচ কার্যদিবসে তদন্ত শেষে চার বছরের সেই শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মনির হোসেনকে একমাত্র অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। ইতিমধ্যে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।’</p><p>বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান জানান, ‘বাকলিয়ার আলোচিত শিশু ধর্ষণ মামলায় তদন্ত শেষ করে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত ও প্রতিবেদন সংগ্রহের পর অভিযোগপত্র গত বৃহস্পতিবার আদালতে দাখিল করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য-প্রমাণ, মেডিক্যাল রিপোর্ট ও অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়েছে। পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে এ অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ২২ মে বাকলিয়া থানায় মামলা করা হয়েছিল। এর মধ্যে ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সরকারি বন্ধ ছিল।’</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:44:45 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[পারমাণবিক অস্ত্র নীতিতে পরিবর্তন: প্রথমবার ১২ ওয়ারহেড মোতায়েন করল ভারত]]></title>
				<category>রাশিয়া</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/russia/article-128057.html</link>
				<description><![CDATA[<p>পারমাণবিক অস্ত্র নীতিতে এক উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনে ভারত প্রথমবারের মতো ১২টি পারমাণবিক ওয়ারহেড 'মোতায়েন' করেছে। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এসআইপিআরআই) সবশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। বিশ্বের শীর্ষ অস্ত্র-নজরদারি সংস্থা এসআইপিআরআই তাদের প্রতিবেদনে নয়াদিল্লির কয়েক দশকের নীতি থেকে এক ব্যাপক বিচ্যুতির কথা জানিয়েছে, যেখানে পারমাণবিক ওয়ারহেড এবং সরবরাহ ব্যবস্থা আলাদাভাবে সংরক্ষণ করা হতো।</p><h2>প্রথমবারের মতো কার্যক্ষম মোতায়েন</h2><p>প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এবারই প্রথম ভারতের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারকে শুধু মজুত নয়, বরং 'কার্যক্ষমভাবে মোতায়েনকৃত' হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। এসআইপিআরআই বলছে, প্রস্তুত অবস্থায় থাকা পারমাণবিক অস্ত্রকে ক্ষেপণাস্ত্র সাইলো এবং নতুন পারমাণবিক সাবমেরিনে মোতায়েন করা ভারতের সামরিক প্রস্তুতির মাত্রা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।</p><h3>নতুন মোতায়েনের বিশদ</h3><p>প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, নতুন করে মোতায়েন করা ১২টি ওয়ারহেড এমন প্রথম উদাহরণ, যেখানে ভারত পারমাণবিক ওয়ারহেডকে সরাসরি ডেলিভারি সিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত করেছে অথবা সেগুলোকে সক্রিয় সামরিক ঘাঁটিতে রেখেছে। এসআইপিআরআই-এর হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ভারতের পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যা প্রায় ১৯০-এ পৌঁছেছে, যা আগের বছরের তুলনায় সামান্য বেশি। এসব অস্ত্র বিমান, স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রবাহী পারমাণবিক সাবমেরিন নিয়ে গঠিত ভারতের ক্রমবর্ধমান 'নিউক্লিয়ার ট্রায়াড'-এর অংশ।</p><h3>নীতি পরিবর্তনের ইঙ্গিত</h3><p>প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে ধারণা করা হতো যে ভারত শান্তিকালীন সময়ে পারমাণবিক ওয়ারহেড ও উৎক্ষেপণ ব্যবস্থাকে আলাদা করে রাখে। তবে ক্ষেপণাস্ত্রকে ক্যানিস্টারে সংরক্ষণ এবং সমুদ্রভিত্তিক প্রতিরোধমূলক টহল পরিচালনার দেশটির সাম্প্রতিক পদক্ষেপ ইঙ্গিত করছে যে ভারত কিছু ওয়ারহেড শান্তিকালেই উৎক্ষেপণ ব্যবস্থার সঙ্গে সংযুক্ত রাখার দিকে এগোতে পারে। তবে ভারত এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে তার 'নো ফার্স্ট ইউজ' নীতি বজায় রেখেছে।</p><h3>নো ফার্স্ট ইউজ নীতি</h3><p>এই নীতির আওতায় দেশটি প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে তারা কোনো সংঘাতে প্রথমে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবে না। শুধুমাত্র ভারতের ভূখণ্ড বা বিশ্বের যেকোনো স্থানে অবস্থানরত ভারতীয় বাহিনীর ওপর পারমাণবিক হামলা হলে তার জবাব হিসেবে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করা হবে। ভারত দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে, তাদের পারমাণবিক সক্ষমতার উদ্দেশ্য অস্ত্র প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া নয়; বরং সম্ভাব্য প্রতিপক্ষকে নিরুৎসাহিত করার জন্য একটি সীমিত কিন্তু কার্যকর প্রতিরোধক্ষমতা বজায় রাখা।</p><p>সূত্র: এনডিটিভি</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:56:51 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ইসলামী ব্যাংক বিতর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বক্তব্য]]></title>
				<category>ব্যাংকিং</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/banking/article-128056.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ এবং ব্যাংকটির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সংসদে তীব্র বিতর্কের মুখে পড়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মঙ্গলবার (৯ জুন) সংসদ অধিবেশনে ইসলামী ব্যাংকের মালিকানা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের অভিযোগের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুল ইসলামও ইসলাম নয়, আবার জামায়াতে ইসলামীও ইসলাম নয়।’ তিনি আরও যোগ করেন, সব বিষয়ে ইসলামের দোহাই দেওয়া মোটেও সমীচীন নয়।</p><h2>আন্দোলন ও বৈধ গ্রাহকদের নিরাপত্তা</h2><p>ব্যাংকটিতে চলমান আন্দোলনের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ব্যাংকের বৈধ গ্রাহকদের কোনো সমস্যা হবে না এবং নিয়মানুযায়ী তাদের মালিকানা নিশ্চিত করা হবে। তবে তিনি অভিযোগ করেন, পর্দার আড়ালে থেকে ব্যাংকটিতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে গ্রাহকের নামে আন্দোলন চালানো হচ্ছে। এসব আন্দোলন করে বেশি দূর এগোনো যাবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।</p><h3>পর্ষদ পরিবর্তনের আইনি প্রক্রিয়া</h3><p>ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও পর্ষদ সদস্যদের নিয়োগ বা অব্যাহতির বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক যে কোনো সময় পর্ষদকে অব্যাহতি দিতে পারে। যদি এই প্রক্রিয়ায় কোনো প্রশ্ন তুলতে হয়, তবে আগে আইন পরিবর্তনের প্রস্তাব নিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি, নাবিল গ্রুপসহ যারা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ফেরত দেয়নি, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হবে বলেও তিনি জানান। একই সঙ্গে নিয়ম বহির্ভূতভাবে ৯ হাজার কর্মীকে চাকরিচ্যুত করার বিষয়েও ব্যবস্থা গ্রহণের ইঙ্গিত দেন মন্ত্রী।</p><h2>তাহেরের অভিযোগ</h2><p>এর আগে সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের অভিযোগ করেন, এস আলম গ্রুপ অতীতে ২৬টি ভুয়া কোম্পানি গঠন করে ইসলামী ব্যাংক থেকে ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা সরিয়েছে। সরকার আবারও ব্যাংকটিতে বিতর্কিত ব্যক্তিদের বসিয়ে জনগণের টাকা লুটপাটের নতুন ব্যবস্থা করেছে বলে তিনি দাবি করেন।</p><h3>নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগের প্রেক্ষাপট</h3><p>উল্লেখ্য, গত ২৪ মে অধ্যাপক এম জুবায়দুর রহমান পদত্যাগের পর বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খুরশীদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এই নিয়োগের পর থেকেই ব্যাংকটির গ্রাহক ও শেয়ারহোল্ডাররা বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে এর বিরোধিতা করে আসছেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:57:25 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[পাবনায় এক সপ্তাহে ৭ হত্যা, সন্তানের সামনে বাবাকে গুলি]]></title>
				<category>সীমান্ত</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/shimanto/article-128055.html</link>
				<description><![CDATA[<p>পাবনায় গত এক সপ্তাহে পৃথক ঘটনায় ৭ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে সোমবার (৮ জুন) সন্ধ্যায় হোসেন আলী নামের এক ব্যক্তিকে সন্তানের সামনেই গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এদিন পৃথক আরেকটি ঘটনায় মনিরুল ইসলাম নামের এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে।</p><h2>সন্তানের সামনে বাবাকে গুলি</h2><p>পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সন্ধ্যা ৭টার দিকে জামিয়া আশরাফিয়া মাদ্রাসায় ছেলে রোহানকে (১২) রাখতে গিয়েছিলেন হোসেন আলী। আগে থেকে সেখানে আশপাশে ওতপেতে থাকা দুর্বৃত্তরা সন্তানের সামনেই তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই হোসেন আলী মারা যান। পাবনা সদর থানার ওসি তারিকুল ইসলাম জানান, আলী হোসেন এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও নিষিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা পার্টির আঞ্চলিক নেতা ছিলেন। তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।</p><h2>ছুরিকাঘাতে আরেক হত্যা</h2><p>একই দিন ছুরিকাঘাতে নিহত মনিরুল ইসলাম (২২) পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার শিবরামপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের মুন্নাফ আলীর ছেলে ও সরকারি এডওয়ার্ড কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। পাবনা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় পূর্ব বিরোধের জেরে বিকালে রাকিব ও মনিরুল নামের দুই যুবকের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এর মধ্যে মনিরুলকে ছুরিকাঘাত করে রাকিব। স্থানীয় লোকজন মনিরুলকে উদ্ধার করে প্রথমে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে, পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।</p><h2>ধর্ষণ-হত্যার জেরে আগুনে দগ্ধ তিনজনের মৃত্যু</h2><p>পাবনা সদর উপজেলায় ৯ম শ্রেণির ছাত্রীকে (১৫) ধর্ষণের পর হত্যার জেরে আসামিদের বাড়িতে উত্তেজিত জনতার দেওয়া আগুনে দগ্ধ চিকিৎসাধীন তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন দুজনের মৃত্যু হয়। সোমবার (৮ জুন) বিকালে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও একজনের মৃত্যু হয়। পাবনা সদর থানার ওসি তরিকুল ইসলাম জানান, এই অগ্নিকাণ্ড ও মৃত্যুর ঘটনায় থানায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করার প্রক্রিয়াধীন।</p><h2>মানসিক হাসপাতালে রোগী নিহত</h2><p>এদিকে ২ জুন গভীর রাতে দেশের একমাত্র বিশেষায়িত পাবনা মানসিক হাসপাতালের পুরুষ ওয়ার্ডের ভেতরে দুই রোগীর মারামারিতে ইনজামুল নামের এক রোগী নিহত হন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:26:08 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ঝিনাইদহে টাকা বিরোধে ভাতিজার আঘাতে চাচার মৃত্যু]]></title>
				<category>দুর্নীতি দমন</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/durniti-domon/article-128054.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার কামালহাট গ্রামে টাকা লেনদেনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে ভাতিজার কিল-ঘুসিতে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। নিহত ব্যক্তির নাম নিয়ামত উল্ল্যা। মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।</p><h2>ঘটনার বিবরণ</h2><p>নিহত নিয়ামত উল্ল্যা কালীগঞ্জ উপজেলার কোলা ইউনিয়নের কামালহাট গ্রামের মৃত ইমান আলীর ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে চাচা নিয়ামত উল্ল্যা ও তার ভাতিজা এরশাদ উল্ল্যার মধ্যে টাকা লেনদেন নিয়ে বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন এ বিষয়টি নিয়ে উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে মারামারি শুরু হয়। এ সময় ভাতিজার কিল-ঘুসিতে গুরুতর আহত হন নিয়ামত উল্ল্যা। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।</p><h3>পুলিশের বক্তব্য</h3><p>কালীগঞ্জ থানার এসআই মনিরুজ্জামান বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।</p><p>এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:59:02 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ট্রাম্পের কূটনৈতিক ব্যর্থতা: শান্তির নামে সংঘাতের অভিশাপ]]></title>
				<category>কূটনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/kutniti/article-128053.html</link>
				<description><![CDATA[<p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কূটনৈতিক কর্মকাণ্ড বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার পরিবর্তে সংঘাত আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। পৃথিবীতে যেমন দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক, বাস্তববাদী মধ্যস্থতাকারী ও পেশাদার কূটনীতিক আছেন, তেমনি কিছু নির্বোধও রয়েছেন। ট্রাম্পের সূত্রে বা উসকানিতে শুরু হওয়া সংঘাতগুলোর যুদ্ধবিরতি ক্রমাগত ভেঙে পড়ছে, প্রাণ হারাচ্ছে ও বাস্তুচ্যুত হচ্ছে লাখ লাখ নিরীহ মানুষ। তিনি বড়াই করে বলেছিলেন যে তিনি একাই চুক্তি করবেন এবং শান্তি ফিরিয়ে আনবেন, কিন্তু তিনি এর কোনোটাই পারেননি, বরং পরিস্থিতি আরও নাজুক করেছেন।</p><h2>ঊনবিংশ শতাব্দীর কূটনীতির সোনালি যুগ</h2><p>প্রিন্স মেটারনিকের বৃহৎ শক্তিগুলোর ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখার নীতি কিংবা বেঞ্জামিন ডিসরেইলির বলকান অঞ্চলের ‘সম্মানজনক শান্তি’র মতো ঊনবিংশ শতাব্দীর কূটনীতির সেই সোনালি যুগ এখন ইতিহাস। খুব বেশি দিন আগের কথা নয়, যখন নোবেলজয়ী শান্তিদূত জাতিসংঘের সাবেক প্রধান কফি আনান, ফিনল্যান্ডের কূটনীতিক মার্তি আহতিসারি কিংবা মার্কিন সিনেটর জর্জ মিচেল বিশ্বের নানা প্রান্তে অত্যন্ত জটিল সব বিরোধের সমাধান করছিলেন।</p><h2>বর্তমান যুদ্ধবিরতির ব্যর্থতা</h2><p>আজ যখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, তখন ডেসমন্ড টুটু, আন্দ্রেই শাখারভ বা ইতজাক রাবিনের মতো উত্তরসূরিরা কোথায়? বর্তমানে যুদ্ধবিরতিগুলো নিয়মিত ব্যর্থ হচ্ছে। লেবাননে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টা এই সপ্তাহেই ভেস্তে গেছে। ইরানের মতো অন্যান্য জায়গায় প্রতিদিন যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করা হচ্ছে। সুদানে তো কোনো যুদ্ধবিরতিই নেই। কেন এই ‘অন্তহীন যুদ্ধ’ বন্ধ করা এত কঠিন হয়ে পড়েছে?</p><h3>ট্রাম্পের কূটনৈতিক রেকর্ড</h3><p>ট্রাম্পের কূটনৈতিক রেকর্ড অত্যন্ত শোচনীয়। তিনি এক দিনের মধ্যে ইউক্রেন যুদ্ধ সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিলেও সেটা প্রায় পাঁচ বছর হতে চলল। তিনি প্রকাশ্যে রাশিয়ার পক্ষ নিয়ে এখন উল্টো চাপের মুখে থাকা ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিকে বলেছেন যে তাঁর হাতে ‘কোনো কার্ড নেই’ এবং অস্ত্র সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছেন। তবে পুতিনের প্রতারণা করার প্রবণতা এবং ইউক্রেনের প্রতিরোধক্ষমতাকে অবমূল্যায়ন করে ট্রাম্প নিজেই নিজের চাল নষ্ট করেছেন।</p><h3>ইরানের ওপর হামলা ও যুদ্ধবিরতি</h3><p>গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানের ওপর অবৈধভাবে হামলা চালানোর পর, ট্রাম্প এপ্রিল মাসে একটি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন। অথচ তাঁর মূল উদ্দেশ্যগুলোর একটিও পূরণ হয়নি। হরমুজ প্রণালি নৌ চলাচলের জন্য এখনো প্রায় অচল। প্রতিদিন চুক্তি লঙ্ঘন হচ্ছে, দায়সারা ‘শান্তি আলোচনা’ স্থবির হয়ে আছে এবং বিশ্ব অর্থনীতি ধুঁকছে। এখানেও ট্রাম্প পরিস্থিতিকে ছোট করে দেখেছেন, রাজনৈতিক বাস্তবতাকে পরিবর্তন করতে সামরিক শক্তির ক্ষমতাকে অতিরিক্ত মূল্যায়ন করেছেন, নিজের (অত্যন্ত খারাপ) প্রবৃত্তিকে অনুসরণ করেছেন, ইউরোপীয় মিত্রদের সরিয়ে রেখেছেন এবং একটি দ্রুত ও সহজ বিজয়ের বৃথা চেষ্টা করেছেন। এখন তিনি এক দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত, বিদ্রোহী কংগ্রেস এবং ক্ষুব্ধ জনগণের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।</p><h3>গাজা ও ফিলিস্তিনের পরিস্থিতি</h3><p>এদিকে গাজায় গত অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি ও ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তির পর ট্রাম্প যে বিশ্ব কাঁপানো সাফল্যের দাবি করেছিলেন, তা–ও ফাঁপা শোনাচ্ছে। হামাসকে নিরস্ত্র করার তাঁর ২০ দফার পরিকল্পনাটি দ্রুতই মুখ থুবড়ে পড়েছে। তাঁর ‘বোর্ড অব পিস’ ও গাজা পুনর্গঠনের জন্য পরিকল্পনাগুলোর কোনো গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। বাস্তবতা হলো ফিলিস্তিনিদের ক্রমবর্ধমান অবর্ণনীয় ভোগান্তি ও ইসরায়েলের সামরিক আগ্রাসন চলছেই।</p><h2>বৃহত্তর সমস্যার প্রতিফলন</h2><p>ট্রাম্পের এই ধারাবাহিক ব্যর্থতা একটি বৃহত্তর সমস্যারই প্রতিফলন। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় ইয়েমেন, মিয়ানমার ও গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের মতো সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে যুদ্ধবিরতি হয়েছে এবং ভেস্তেও গেছে। কিন্তু কোনো স্থায়ী সমাধান আসেনি। সুদানে মানবিক কারণে যুদ্ধ সাময়িক স্থগিত করা তো দূরের কথা, শত্রুতা থামানোর চুক্তি করাই এখন অসম্ভব হয়ে পড়েছে। যুদ্ধরত পক্ষগুলোর মধ্যে বিশ্বাসের চরম অভাবের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে চরম জেদ এবং পূর্ণ বিজয়ের একটি ভুল ধারণা।</p><h3>শান্তির পথ</h3><p>এই যুদ্ধগুলোর কোনোটাই সামরিক শক্তি দিয়ে শেষ করা সম্ভব নয়। কার কাছে কত বড় বোমা আছে, কে বিজয়ের ফাঁপা ঘোষণা দিতে পারল, বিষয়টা তেমন নয়। বিষয় হচ্ছে মানুষের জীবন। কেবল পেশাদার, সক্রিয়, দক্ষ ও অভিজ্ঞ কূটনীতিই শান্তির দুয়ার খুলতে পারে!</p><p>সাইমন টিসডাল দ্য গার্ডিয়ান–এর বৈদেশিক বিষয়াবলি–সংক্রান্ত ধারাভাষ্যকার। দ্য গার্ডিয়ান থেকে নেওয়া, ইংরেজি থেকে সংক্ষিপ্তাকারে অনূদিত।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 13:02:52 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[নাটোর হাসপাতালে শিশুর মাকে ধর্ষণ, ভিডিও ধারণ করে আরও দুই সুইপার]]></title>
				<category>আইন বিভাগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/ain-bibhag/article-128052.html</link>
				<description><![CDATA[<p>নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে শিশু রোগীর মাকে ওষুধ নেওয়ার কথা বলে কৌশলে ডেকে ছয়তলার সিঁড়িঘরে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে এক সুইপার। এই ঘটনা টের পেয়ে আরও দুই সুইপার গোপনে ভিডিও ধারণ করে এবং পরে সেই ভিডিও দেখিয়ে ওই নারীকে তাদের সঙ্গেও দৈহিক সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করে।</p><h2>ঘটনার বিবরণ</h2><p>স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নাটোর শহরের এক রিকশাচালকের অসুস্থ কন্যা শিশুকে সর্দি-জ্বরের চিকিৎসার জন্য তার মা ৫ জুন নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। রোববার (৭ জুন) রাত ১০টার দিকে হাসপাতালের আউটসোর্সিংয়ে নিয়োগপ্রাপ্ত সুইপার অমিত (২৩) ওষুধ নেওয়ার কথা বলে শিশুটির মাকে কৌশলে ডেকে হাসপাতালের লিফট দিয়ে ছয়তলার সিঁড়িঘরে নিয়ে যায় এবং সেখানে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।</p><p>এ সময় বিষয়টি বুঝতে পেরে একইভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত অপর দুই সুইপার অনিল (২৪) ও প্রাঙ্গন (২৩) ঘটনাটি গোপনে ভিডিও ধারণ করে। পরে তারা ওই নারীকে ভিডিও দেখিয়ে তাদের সঙ্গেও দৈহিকভাবে মিলিত হতে বলে, অন্যথায় ভিডিও ফেসবুকে ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। পরে হাসপাতালের সিঁড়িঘরেই অনিল ও প্রাঙ্গন ওই নারীকে পুনরায় ধর্ষণ করে।</p><h2>হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা</h2><p>ঘটনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রথমে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে তিন সুইপারকে ছেড়ে দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে ঘটনা জানাজানি হলে সমালোচনার মুখে মঙ্গলবার দুপুরে নাটোর থানায় তিন সুইপারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পরপরই অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।</p><p>হাসপাতালের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, কোনো নিয়মনীতি অনুসরণ না করে অবৈধভাবে নিয়োগ দেওয়ার কারণে তিন সুইপারের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। ঘটনার সময় দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা জানিয়েছেন, আটকের সময় জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত তিন সুইপার ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের কথা স্বীকার করেছে।</p><h2>প্রতিক্রিয়া</h2><p>হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার মাহবুবুর রহমান দাবি করেছেন, মামলায় তার উপস্থিতির তথ্য সঠিক নয়। তিনি পরের দিন সকালে ঘটনা শুনেছেন এবং এর আগেই সুইপারদের সঙ্গে রোগীর লোকজনের লিখিত সমঝোতা হয়ে যায়। তারপরও তিনি নাটোর থানা পুলিশকে বিষয়টি অবগত করেছিলেন।</p><p>নাটোরের সিভিল সার্জন ডা. মুহাম্মদ মশিউর রহমান বলেছেন, ঘটনার পর কোনো পক্ষ থেকে তাকে কিছু জানানো হয়নি। তবে লোকমুখে শুনে তিনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছেন।</p><h2>মামলা ও গ্রেফতার</h2><p>মঙ্গলবার দুপুরে ধর্ষণের শিকার ওই নারীর পিতা বাদী হয়ে সুইপার অমিতের বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং অপর দুজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের সময় ভিডিও ধারণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন। নাটোর থানার ওসি মুনসুর রহমান জানিয়েছেন, মামলার পরপরই অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং বিকেলে তাদের আদালতে হাজির করা হয়েছে। নাটোরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরীফুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।</p><p>এ ঘটনায় হাসপাতালে ভর্তি অন্যান্য রোগী, তাদের স্বজন ও এলাকাবাসী তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তারা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা না নেওয়ার সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:33:27 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[স্টার্টআপ বাংলাদেশে ৩৬ প্রতিষ্ঠানে ১০৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ]]></title>
				<category>স্টার্টআপ</category>
				<link>https://bdgazette.com/projukti/startup/article-128051.html</link>
				<description><![CDATA[<p>সংসদে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানিয়েছেন, সরকারের ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান স্টার্টআপ বাংলাদেশের মাধ্যমে এ পর্যন্ত ৫৫টি স্টার্টআপ বিনিয়োগের অনুমোদন পেয়েছে। তবে যাচাই-বাছাই ও বিনিয়োগের শর্ত নিয়ে মতানৈক্যের কারণে ১৯টি স্টার্টআপের বিনিয়োগপ্রক্রিয়া বাতিল হয়েছে। চূড়ান্তভাবে ৩৬টি প্রযুক্তিনির্ভর ও উদ্ভাবনী স্টার্টআপে প্রায় ১০৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে।</p><h2>সংসদে প্রশ্নোত্তর</h2><p>আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে নরসিংদী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. আশরাফ উদ্দিনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এ তথ্য জানান। বেলা তিনটায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী প্রশ্নোত্তর পর্বটি টেবিলে উত্থাপিত হয়।</p><p>ওই সংসদ সদস্য জানতে চান, দেশে কতটি নতুন স্টার্টআপকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং কয়টিকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে, তাদের অগ্রগতি কী। ভবিষ্যতে স্টার্টআপকে আরও উৎসাহ দেওয়া এবং সম্প্রসারণের জন্য সুদবিহীন বা সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা করা যায় কি না।</p><h2>মন্ত্রীর জবাব</h2><p>জবাবে মন্ত্রী বলেন, স্টার্টআপ বাংলাদেশের মাধ্যমে এ পর্যন্ত ৫৫টি স্টার্টআপ বিনিয়োগের অনুমোদন পেয়েছে। তবে অনুমোদনের পর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের আইনি যাচাই-বাছাই (লিগ্যাল ডিউ ডিলিজেন্স) ও বিনিয়োগের শর্ত নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। এ প্রক্রিয়ায় ৫৫টির মধ্যে ১৯টি স্টার্টআপের বিনিয়োগ বিভিন্ন পর্যায়ে অসংগতি ও বিনিয়োগের শর্তে মতানৈক্যের কারণে বাতিল করা হয়েছে।</p><p>মন্ত্রী জানান, চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়া ৩৬টি প্রযুক্তিনির্ভর ও উদ্ভাবনী স্টার্টআপে প্রায় ১০৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। বিনিয়োগ পাওয়া উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে চালডাল লিমিটেড, টেন মিনিট স্কুল লিমিটেড, সেবা প্ল্যাটফর্ম লিমিটেড ও ট্যুর বুকিং বাংলাদেশ লিমিটেড।</p><h3>স্টার্টআপ খাতের অগ্রগতি</h3><p>স্টার্টআপ খাতের অগ্রগতি তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, উদ্ভাবনী ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোক্তাদের বিকাশে সরকারের সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে সম্ভাবনাময় নতুন উদ্যোক্তাদের পৃষ্ঠপোষকতা ও বিনিয়োগ কার্যক্রমও চলমান।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:49:36 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[প্রাথমিকে শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশে টেলিভিশন অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা]]></title>
				<category>উচ্চশিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/uccho-shikkha/article-128050.html</link>
				<description><![CDATA[<p>প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজাজ মঙ্গলবার বলেছেন, সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের গান, নাচ, আবৃত্তি, গল্প বলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সৃজনশীলতা ও দক্ষতা জাতীয় পর্যায়ে প্রদর্শনের উদ্যোগ নেবে।</p><h2>প্রতিভা বিকাশে টেলিভিশন অনুষ্ঠান</h2><p>প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অসাধারণ প্রতিভা রয়েছে। আগামী বছর থেকে তাদের প্রতিভা বিকাশে টেলিভিশনে জাতীয়ভাবে অনুষ্ঠান সম্প্রচারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।'</p><p>রাজধানীর মিরপুরের পিটিআইতে প্রাথমিক শিক্ষা পুরস্কার-২০২৬ (ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, বিষয়ভিত্তিক কুইজ ও কিউবিং) প্রতিযোগিতার ঢাকা বিভাগীয় চূড়ান্ত পর্বের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</p><h3>আকর্ষণীয় পুরস্কারের ঘোষণা</h3><p>এ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশে আকর্ষণীয় পুরস্কার প্রদান করা হবে। তিনি বলেন, 'সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও ছোট শিক্ষার্থীরা চমৎকার উপস্থাপনা করেছে। তাদের আত্মবিশ্বাস ও প্রতিভা আমাকে মুগ্ধ করেছে। আগামী দিনে আমরা আরও ভালো ব্যবস্থার মাধ্যমে তাদের সেরা উপস্থাপনা জাতির সামনে তুলে ধরতে চাই।'</p><p>প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা কোনো বিষয়ে পিছিয়ে নেই এবং তারা জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতিমান শিল্পী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সৃজনশীল নেতা হওয়ার সম্ভাবনা রাখে। 'সরকার সেই সম্ভাবনা বিকাশে পূর্ণ সহায়তা দেবে,' তিনি যোগ করেন।</p><h3>বৃহত্তর পরিসরে প্রতিযোগিতার পরিকল্পনা</h3><p>আগামী বছর থেকে এই ধরনের প্রতিযোগিতা বৃহত্তর পরিসরে আয়োজনের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে ববি হাজাজ বলেন, ভবিষ্যতে প্রতিযোগিতাগুলো টেলিভিশনে সম্প্রচার করা হবে, যাতে দেশের সব মানুষ প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের প্রতিভা উপভোগ করতে পারে। একইসঙ্গে পুরস্কারের পরিধিও বাড়ানো হবে বলে তিনি জানান।</p><p>প্রতিমন্ত্রী স্কুলগুলোকে উৎসাহিত করতে নতুন প্রণোদনা চালুর কথাও বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, কোনো স্কুলের শিক্ষার্থী বড় পুরস্কার জিতলে শিক্ষার্থীর পুরস্কারের পাশাপাশি স্কুলের জন্য বিশেষ অনুদান প্রদান করা হবে। এতে শিক্ষক ও স্কুল কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে আরও বড় ভূমিকা পালনে উৎসাহিত হবে।</p><h3>স্থানীয় পর্যায়ে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ</h3><p>উপজেলা, ইউনিয়ন ও স্থানীয় পর্যায়ের শিক্ষা প্রশাসন কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল কার্যক্রম আরও ব্যাপকভাবে প্রচার করা উচিত। তিনি জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী ও সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করে স্থানীয় প্রতিযোগিতায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টির আহ্বান জানান।</p><p>পরে প্রতিমন্ত্রী বিভাগীয় পর্যায়ে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:49:12 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[আট মাস পর গৃহবধূর হত্যার রহস্য উদঘাটন, স্বামী স্বীকারোক্তি]]></title>
				<category>আইন বিভাগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/ain-bibhag/article-128049.html</link>
				<description><![CDATA[<p>নওগাঁর মহাদেবপুরে গৃহবধূ নাজমা খাতুনকে (২৪) পরিকল্পিতভাবে হত্যার পর আত্মহত্যা বলে প্রচার করার আট মাস পর সিআইডির তদন্তে আসল রহস্য উদঘাটন হয়েছে। দীর্ঘদিন পর জানা গেছে, তিনি আত্মহত্যা করেননি; বরং তাকে হত্যা করা হয়েছে।</p><h2>ঘটনার বিবরণ</h2><p>২০২৫ সালের ২ অক্টোবর সন্ধ্যায় উপজেলার ভীমপুর ইউনিয়নের পাতনা গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে নাজমা খাতুনের মৃত্যু হয়। ঘটনার পর স্বামী ময়জুল ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যরা ভিকটিমের স্বজনদের ফোন করে জানান, নাজমা ঘরের তীরের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।</p><h3>মামলা দায়ের ও প্রাথমিক তদন্ত</h3><p>এ ঘটনায় নাজমার ভাই মো. শাহিন বাদী হয়ে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে থানা পুলিশ আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ এনে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। তবে অভিযোগপত্রে সন্তুষ্ট না হয়ে বাদী আদালতে নারাজির আবেদন করেন। পরে আদালত মামলাটির অধিকতর তদন্তের দায়িত্ব সিআইডির নওগাঁ ইউনিটকে প্রদান করেন।</p><h3>সিআইডির তদন্ত</h3><p>সিআইডি সূত্র জানায়, তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. মজিবর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন, আলামত বিশ্লেষণ এবং আসামির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে তথাকথিত আত্মহত্যার ঘটনায় বেশ কিছু অসঙ্গতি ও সন্দেহজনক বিষয় খুঁজে পান। এসব তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে তিনি ঘটনাটিকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে সন্দেহ করেন। পরবর্তীতে আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করলে আদালত তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।</p><p>রিমান্ডে সিআইডির আধুনিক তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদ কৌশলের মুখে আসামি ময়জুল ইসলাম তার স্ত্রী নাজমা খাতুনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করার কথা স্বীকার করেন। তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন এবং নিজের অপরাধের জন্য অনুশোচনা প্রকাশ করেন।</p><h2>সিআইডির বক্তব্য</h2><p>সিআইডির পুলিশ সুপার সাবের রেজা আহমেদ বলেন, গোপন সোর্স ও স্থানীয় তথ্যের ভিত্তিতে আমাদের মনে প্রতীয়মান হয়- এটা হত্যাকাণ্ড। আমরা আসামিকে রিমান্ডে এনে তথ্য-প্রমাণসহ তার অসংলগ্ন কথাবার্তা ও জিজ্ঞাসাবাদে আসামি এ হত্যার সত্যতা স্বীকার করেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:27:32 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[সীমান্ত পুশইন ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি: উপদেষ্টা]]></title>
				<category>কূটনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/kutniti/article-128048.html</link>
				<description><![CDATA[<p>সীমান্তে ভারতের পুশইনের বিষয়টি বিজেপির রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি এবং দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। এটি তারা বাংলাদেশকে চাপে রাখতে করছে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।</p><h2>সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টার বক্তব্য</h2><p>মঙ্গলবার (৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা একথা জানান। পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশ সীমান্তে পুশইনের বিষয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ''ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বাংলাদেশে যেটা করার চেষ্টা করছে... আমরা নিশ্চয়ই পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন ফলো করেছি। সেখানে নির্বাচনে এটা একটা ইস্যু ছিল। এটা তাদের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ব্যাপার, যেটার খানিকটা চাপ আমাদের ওপরে আসছে। আমি এভাবে মনে করি না যে, বাংলাদেশের সঙ্গে কোনও একটা টেনশন তৈরির জন্য ভারতীয় সরকার এটা করছে। পশ্চিমবঙ্গে যে নতুন সরকার ক্ষমতায় এসেছে নির্বাচিত হয়ে, তাদের নির্বাচনের এক ধরনের প্রতিশ্রুতি ছিল।''</p><h3>ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ</h3><p>তিনি বলেন, ''তাদের (পশ্চিমবঙ্গ সরকার) একটা রাজনীতি আছে, সেটারই এক ধরনের বহিঃপ্রকাশ এটা। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, বাংলাদেশে নতুন যে সরকার আসছে, তার সঙ্গে ভারত সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে যখন কথাবার্তা বলেছি, আমার নিজেরও কিছু কথাবার্তা হয়েছে— তারা বাংলাদেশের সঙ্গে ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে ড. ইউনূস সরকারের সঙ্গে যে ধরনের পরিস্থিতি ছিল, সেটা থেকে বেরিয়ে আসতে চায়। দুই দেশই চায় সেটা। সেজন্য আমি মনে করি, সংকটটা প্রাইমারিলি দেখা যাচ্ছে, এটার একটা সমাধান দ্রুত হবে। এটা কোনোভাবেই তারা ইনটেনশনালি বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক বা বাংলাদেশকে চাপে রাখতে চাইছেন, এ রকম আমি মনে করি না।''</p><h2>আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধকরণ ও আইনশৃঙ্খলা</h2><p>বিভিন্ন জায়গায় নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ছাত্রদলের ওপর আক্রমণ করেছে। কোথাও মাইকে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ''ব্যবস্থা যদি না নেওয়া হতো বা সরকার যদি অ্যালার্ট না হতো, তাহলে এই প্রবণতা কিন্তু আরও বেশি হতো। আমরা একটা কথা বারবার বলছি, একটা দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ চেষ্টা করলেও আইন ভঙ্গের প্রবণতা থাকে। এটা সব দেশে, আর আমাদের মতো দেশে তো আরও বেশি থাকে। এটা হলো এক নম্বর। দুই নম্বর হচ্ছে, আওয়ামী লীগের ব্যাপারে যারা নিষিদ্ধ আছে, আপনারা খেয়াল করবেন যে, সরকারের এই বদনামও আওয়ামী গোষ্ঠী রূপান্তর করেছে যে, ২০০৯ সালের যে সন্ত্রাস দমন আইনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করা হয়েছে— ফর দ্য টাইম বিয়িং, সেটার যে অধ্যাদেশ ছিল, সেটাকে এই সরকার আইনে পরিণত করেছে। তার মানে সরকার চাইছে তার কর্মসূচি নিষিদ্ধ থাকুক।''</p><h3>সরকারের অবস্থান ও ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ</h3><p>জাহেদ উর রহমান বলেন, ''এটার (অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করা) সমালোচনাও অনেকে করছেন। তার মানে সরকারের ইনটেনশনটা আমি জানিয়ে দিলাম, সরকার চাইছে এটা থাকুক। সেটার বিরুদ্ধে কখনও কখনও কোনও কোনও ঘটনা ঘটছে। সেটা নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিশ্চয়ই সিরিয়াস থাকবে এবং যেটা বললেন যে, খুব বড় স্কেলে করার চেষ্টা হয়েছে মাইকে কথা বা ঘোষণা দিয়ে, এই প্রবণতা বন্ধ করার জন্য কাজ করবে এই সরকার।''</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:52:47 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[আইস্ক্রিনে ৯৯ টাকায় বিশ্বকাপের সব ম্যাচ সরাসরি]]></title>
				<category>ওটিটি প্ল্যাটফর্ম</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/ott-platform/article-128047.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বিশ্বজুড়ে ফুটবল বিশ্বকাপ শুরুর আগেই উন্মাদনা বিরাজ করছে। আর কয়েক দিন পরেই শুরু হতে যাচ্ছে ইতিহাসের ২৩তম ফুটবল বিশ্বকাপ আসর। বাংলাদেশের গ্রাম থেকে শহর—সবখানেই বিশ্বকাপের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে। প্রিয় দল ও তারকাদের খেলা ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের উত্তেজনা এখন তুঙ্গে।</p><h2>হাতের মুঠোয় বিশ্বকাপ</h2><p>এবার শুধু টেলিভিশনের পর্দায় নয়, হাতের মুঠোয়ও সরাসরি উপভোগ করা যাবে বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচ। ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেডের জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম আইস্ক্রিন নিশ্চিত করেছে, আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপের সব ম্যাচ তারা সরাসরি সম্প্রচার করবে।</p><p>আইস্ক্রিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে বিশ্বকাপ উপভোগ করতে পারবেন দর্শকরা। স্মার্টফোন, ল্যাপটপ বা কম্পিউটার কিংবা স্মার্ট টিভিতে যেকোনো নেটওয়ার্ক থেকে এইচডি কোয়ালিটিতে (১০৮০) দেখা যাবে প্রতিটি ম্যাচ।</p><h3>বিশ্বকাপ উপলক্ষে বিশেষ প্যাকেজ</h3><p>বিশ্বকাপ উপলক্ষে বিশেষ ‘ফিফা ওয়ার্ল্ডকাপ প্যাকেজ’ চালু করেছে আইস্ক্রিন। মাত্র ৯৯ টাকায় পুরো বিশ্বকাপ উপভোগ করা যাবে প্ল্যাটফর্মটিতে। এছাড়াও নিয়মিত সাবস্ক্রিপশন প্যাকেজের মধ্যে রয়েছে— ডেইলি ৩ টাকা, উইকলি ২০ টাকা, মান্থলি ৭৯ টাকা, হাফ ইয়ারলি ১৯৯ টাকা এবং ইয়ারলি ৩৪৯ টাকা।</p><h3>বিশ্বকাপের সূচি ও প্রস্তুতি</h3><p>বিশ্বকাপের আনুষ্ঠানিক সূচি অনুযায়ী, টুর্নামেন্ট শুরু হবে আগামী ১১ জুন। বিশ্বের সেরা দলগুলোর লড়াই দেখতে এখন থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছেন দর্শকরা। আর সেই উন্মাদনায় নতুন মাত্রা যোগ করতে প্রস্তুত আইস্ক্রিন।</p><p>আইস্ক্রিন ভিজিট এবং ডাউনলোড লিংক: iscreen.page.link/fsv</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:21:53 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[মাদক অভিযানে ১৬ হাজার ইয়াবাসহ কুখ্যাত ব্যবসায়ী গ্রেফতার]]></title>
				<category>দুর্নীতি দমন</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/durniti-domon/article-128046.html</link>
				<description><![CDATA[<p>মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের (ডিএনসি) ঢাকা বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের বিশেষ অভিযানে ১৬ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে দক্ষিণাঞ্চলের কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী মো. বাবুল হোসেন ওরফে বাবু (৪৫) কে আটক করা হয়।</p><h2>অভিযানের বিবরণ</h2><p>ডিএনসি সূত্র জানায়, ঢাকার কেরাণীগঞ্জের বাসিন্দা বাবুল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে যশোরসহ দেশের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থান করে কৌশলে ইয়াবা পাচার ও সরবরাহ কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন। তিনি একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সঙ্গে যুক্ত থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে মাদক পাচার করতেন।</p><p>গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, মঙ্গলবার (৯ জুন) বাবুল হোসেন ঢাকা থেকে যশোরগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ তথ্যের ভিত্তিতে ডিএনসির ঢাকা বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোস্তাক আহমেদের তত্ত্বাবধানে একটি দল মঙ্গলবার দুপুরে যাত্রাবাড়ী থানাধীন ধোলাইপাড় গোলচত্বরের পূর্ব পাশে নাসির উদ্দিন সর্দার মার্কেটের সামনে যশোরগামী লিটন ট্রাভেলসের একটি বাসে তল্লাশি চালায়।</p><p>এ সময় সাধারণ যাত্রীবেশে থাকা বাবুল হোসেনকে আটক করা হয়। পরে তার হাতে থাকা শপিং ব্যাগ তল্লাশি করে স্কচটেপ ও টিস্যু মোড়ানো অবস্থায় ১৬ হাজার পিস ইয়াবা এবং মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।</p><h3>গ্রেফতার ব্যক্তির পরিচয় ও কার্যক্রম</h3><p>প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, বাবুল হোসেন কেরাণীগঞ্জের আটি এলাকার বাসিন্দা হলেও বর্তমানে যশোরে বসবাস করতেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে যশোর, খুলনা, রংপুর ও রাজশাহী অঞ্চলের বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। একই সঙ্গে কেরাণীগঞ্জ, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের টেকনাফ এলাকার মাদক চক্রের সঙ্গেও তার যোগাযোগ রয়েছে।</p><p>তিনি টেকনাফ থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে বাসসহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রথমে কেরাণীগঞ্জে আনতেন। পরে সেখান থেকে যশোর হয়ে খুলনা, রাজশাহী, রংপুর ও বরিশালসহ বিভিন্ন জেলায় পাইকারি সরবরাহ করতেন বলে জানা গেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়াতে তিনি এই রুট ব্যবহার করতেন বলেও প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছেন।</p><h3>আইনানুগ ব্যবস্থা</h3><p>এ ঘটনায় গ্রেফতার বাবুল হোসেনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ডিএমপি যাত্রাবাড়ী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে। চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও শনাক্তে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে ডিএনসি।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:54:55 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[প্রথম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১]]></title>
				<category>আইন বিভাগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/ain-bibhag/article-128045.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাগেরহাটের চিতলমারীতে এক প্রথম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে পরিমল ভক্ত (৪৬) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৯ জুন) ভুক্তভোগী শিশুর বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে পুলিশ অভিযুক্ত পরিমলকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়। একই সঙ্গে শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।</p><h2>গ্রেপ্তার ব্যক্তির পরিচয়</h2><p>গ্রেপ্তার পরিমল মন্ডল উপজেলার ঝালোডাংগা গ্রামের মৃত গিরিশ চন্দ্র ভক্তের ছেলে। চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি অপারেশন) দায়িত্বে থাকা রোকেয়া খানম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।</p><h3>মামলার বিবরণ</h3><p>মামলার বিবরণে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশু স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী। সে রোববার (৭ জুন) দুপুরে প্রাইভেট পড়ার জন্য প্রতিবেশী এক সহপাঠীকে ডাকতে যায়। এ সময় পরিমল ভক্ত তাকে জোরপূর্বক ঘরের ভেতর নিয়ে দরজা বন্ধ করে ধর্ষণ করেন।</p><p>পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পরপরই শিশুটির পরিবার থানায় অভিযোগ করে। পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে পরিমলকে গ্রেপ্তার করে। শিশুটিকে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করা হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:56:29 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[অপহরণ মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সোহেল রানা গ্রেফতার]]></title>
				<category>রাজনৈতিক জোট</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/rajnoitik-jot/article-128044.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>অপহরণ মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সোহেল রানা গ্রেফতার</h2><p>গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুর মেট্রো থানার ৩ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী সোহেল রানাকে একটি অপহরণ মামলায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়। সোহেল রানা ৩ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী এবং ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সক্রিয় সদস্য।</p><h3>ঘটনার বিবরণ</h3><p>পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ মার্চ মতিন নামে এক ব্যক্তিকে অপহরণের অভিযোগ ওঠে। অপহরণের পর ভুক্তভোগীর পরিবারের কাছে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। অপহরণকারীরা কাশিমপুর থানার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাগবাড়ী এলাকায় অবস্থান নিয়ে পরিবারের ওপর মুক্তিপণের টাকা আদায়ে চাপ সৃষ্টি করে বলে অভিযোগ রয়েছে।</p><h3>উদ্ধার ও গ্রেফতার</h3><p>এদিকে ওই সময় কাশিমপুর থানার ওসি মোল্লা মোহাম্মদ খালিদ অন্য একটি অভিযানে এলাকায় গেলে একটি সন্দেহজনক গাড়ি দেখতে পান। পুলিশ সদস্যরা গাড়িটির দিকে অগ্রসর হলে অপহরণকারীরা ভুক্তভোগীকে ফেলে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশ অপহৃত মতিনকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয়। ঘটনার পর ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় মামলা দায়ের করলে অভিযুক্তদের গ্রেফতার অভিযান শুরু করে পুলিশ। প্রযুক্তির সহায়তায় মোবাইল ফোনে অবস্থান শনাক্ত করে গত ৮ জুন হাতিমারা এলাকা থেকে প্রধান আসামি হিসেবে অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়।</p><p>গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে কাশিমপুর থানার ওসি মোল্লা খালিদ হোসেন বলেন, "সোহেল রানাকে মঙ্গলবার দুপুরে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।"</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:40:53 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[কুমিল্লায় থ্রি-হুইলার আটক করায় পুলিশের গাড়িতে হামলা, আটক ১]]></title>
				<category>স্থানীয় সরকার</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/sthanio-shorokar/article-128043.html</link>
				<description><![CDATA[<p>কুমিল্লায় অবৈধ থ্রি-হুইলার আটক করায় হাইওয়ে পুলিশের গাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার নিমসার বাজার এলাকায় মঙ্গলবার (৯ জুন) বেলা ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।</p><h2>ঘটনার বিবরণ</h2><p>পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মহাসড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ময়নামতি হাইওয়ে থানার একটি টহল দল উল্টো পথে আসা কয়েকটি অবৈধ থ্রি-হুইলার আটক করে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে থ্রি-হুইলার চালকদের একটি সংঘবদ্ধ দল পুলিশের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা হাইওয়ে পুলিশের গাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এবং পিটিয়ে ভাঙচুর করে, যার ফলে গাড়িটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।</p><h2>পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ</h2><p>এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং কিছু সময়ের জন্য মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়। ময়নামতি হাইওয়ে ক্রসিং থানার ওসি মো. আবদুল মমিন জানান, অবৈধ থ্রি-হুইলার আটকের পর ৩০ থেকে ৩৫ জনের একটি দল অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। তিনি আরও জানান, হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।</p><h2>গ্রেফতার ও তদন্ত</h2><p>হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহিনুর আলম বলেন, উল্টো পথে আসা অটোরিকশাকে আটক করায় পুলিশের গাড়িতে হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। ভিডিও ফুটেজ দেখে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:43:43 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বেনাপোল বন্দরে শ্রমিকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি]]></title>
				<category>আমদানি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/amodani/article-128042.html</link>
				<description><![CDATA[<p>যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল স্থলবন্দরে পণ্য খালাস প্রক্রিয়ার কাজে নিয়োজিত দুটি শ্রমিক সংগঠন আগামী রবিবার (১৪ জুন) থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে। এতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও আমদানি-রফতানি বাণিজ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে এ ঘোষণা দেন তারা।</p><h2>শ্রমিক সংগঠনের দাবি</h2><p>দুটি শ্রমিক সংগঠনের নেতারা জানিয়েছেন, বেনাপোল স্থলবন্দর শ্রমিক ইউনিয়ন এবং বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা মঙ্গলবার দুপুরে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের কাছে এ বিষয়ে একটি লিখিত আবেদনপত্র বেনাপোল বন্দরের পরিচালকের মাধ্যমে জমা দিয়েছেন।</p><p>আবেদনপত্রে শ্রমিকনেতারা বলেন, বন্দর কর্তৃপক্ষের নিয়োগপ্রাপ্ত ঠিকাদার ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে তাদের সংগঠনের সঙ্গে কোনও ধরনের চুক্তি, সমন্বয় বা কার্যকর যোগাযোগ রক্ষা করেননি। এ বিষয়ে একাধিকবার লিখিত ও মৌখিকভাবে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সন্তোষজনক সমাধান পাওয়া যায়নি।</p><h3>কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত</h3><p>বেনাপোল স্থলবন্দর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মাকসুদুর রহমান রিন্টু ও বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সহিদ আলী জানান, ইতিপূর্বে কয়েকবার কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও বন্দর পরিচালকের আশ্বাসে তা স্থগিত করা হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও সমস্যার সমাধান না হওয়ায় আগামী রবিবার থেকে বন্দরে শ্রমিক দিয়ে পরিচালিত সব ধরনের পণ্য লোড-আনলোড কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। অনির্দিষ্টকালের জন্য এই কর্মবিরতিতে যাচ্ছেন তারা।</p><h3>ব্যবসায়ীদের প্রতিক্রিয়া</h3><p>বন্দরের ব্যবসায়ীরা বলছেন, কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হবে। পাশাপাশি আমদানি-রফতানি বাণিজ্য ও পণ্য পরিবহন ব্যবস্থাপনায় বিরূপ প্রভাব পড়বে।</p><h3>বন্দর কর্তৃপক্ষের অবস্থান</h3><p>বেনাপোল স্থল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন বলেন, ‘বন্দরের চেয়ারম্যানের কাছে দুটি শ্রমিক ইউনিয়নের বিভিন্ন দাবি সংবলিত একটি আবেদন আমার মাধ্যমে জমা দেওয়া হয়েছে। আবেদনটি ঢাকা প্রধান কার্যালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:26:24 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[হার্টের রিংয়ের নতুন দাম বাস্তবায়নে ঔষধ প্রশাসনের চিঠি]]></title>
				<category>ওষুধ</category>
				<link>https://bdgazette.com/swasthyo/osudh/article-128041.html</link>
				<description><![CDATA[<p>হৃদরোগ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হার্টের রিংয়ের (কোরোনারি স্টেন্ট) নতুন দাম বাস্তবায়নের জন্য চিঠি দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (৯ জুন) ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহ. আলমগীর হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।</p><h2>নতুন দাম নির্ধারণের প্রক্রিয়া</h2><p>ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর থেকে প্রেরিত এই চিঠিতে হার্টের রিংয়ের নতুন দাম বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে এই নতুন দাম কার্যকর করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।</p><h3>হৃদরোগীদের জন্য সুফল</h3><p>নতুন দাম বাস্তবায়নের ফলে হৃদরোগীরা কম খরচে চিকিৎসা সেবা পাবেন বলে আশা করা যাচ্ছে। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জন্য হৃদরোগ চিকিৎসা আরও সহজলভ্য হবে।</p><p>ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন চিকিৎসক ও রোগীরা। তারা মনে করছেন, এটি হৃদরোগ চিকিৎসার খরচ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:56:32 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বাংলাদেশের নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা]]></title>
				<category>উচ্চশিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/uccho-shikkha/article-128040.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই নতুন শিক্ষাক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও জ্ঞান বৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এর বাস্তবায়নে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, নতুন শিক্ষাক্রম সফল করতে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও অবকাঠামোর উন্নয়ন জরুরি।</p><h2>নতুন শিক্ষাক্রমের মূল বৈশিষ্ট্য</h2><p>নতুন শিক্ষাক্রমে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক জ্ঞানের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এই শিক্ষাক্রমে শিক্ষার্থীদের নিজস্ব চিন্তাভাবনা ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বিকাশে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।</p><h3>বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ</h3><p>নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ। অনেক শিক্ষক এখনও পুরনো পদ্ধতিতে অভ্যস্ত। এছাড়া, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও প্রযুক্তির অভাবও একটি বড় বাধা। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় এই সমস্যা বেশি প্রকট।</p><h3>সম্ভাবনা ও সুযোগ</h3><p>এই শিক্ষাক্রম শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে। ব্যবহারিক শিক্ষার মাধ্যমে তারা বাস্তব জীবনের সমস্যা সমাধানে সক্ষম হবে। এছাড়া, প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা আধুনিক জ্ঞান অর্জন করতে পারবে।</p><p>সরকারের পক্ষ থেকে এই শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে সাফল্যের জন্য সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া এটি সম্ভব নয়।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:57:15 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[মাদারীপুরে প্রতিবন্ধী ভাতায় অনিয়ম, বিভাগীয় তদন্ত শুরু]]></title>
				<category>দুর্নীতি দমন</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/durniti-domon/article-128039.html</link>
				<description><![CDATA[<p>মাদারীপুরে প্রতিবন্ধী কার্ড ও ভাতা বিতরণে অনিয়মের অভিযোগে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করেছে সমাজসেবা অধিদপ্তর। আজ মঙ্গলবার দুপুরে মাদারীপুর সদর উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে ভুক্তভোগীদের হাজির করা হয় এবং তদন্তকারী প্রধান কর্মকর্তা তাদের জবানবন্দি গ্রহণ করেন।</p><h2>তদন্ত কমিটি গঠন</h2><p>এর আগে গত ৪ জুন ঢাকা বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয় থেকে অতিরিক্ত পরিচালক আদিল মোত্তাকীনকে আহ্বায়ক ও উপপরিচালক এস এম ফজলুল করিমকে সদস্য করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) আয়শা আক্তার আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।</p><h3>অভিযোগের বিবরণ</h3><p>সমাজসেবা অধিদপ্তর ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর সদর সমাজসেবা কার্যালয়ের অধীন প্রতিবন্ধী কার্ড ও ভাতাভোগী রয়েছেন ৬ হাজার ২০০ জন। ভাতাভোগীরা তিন মাস পরপর ২ হাজার ৭১৬ টাকা করে ভাতা পেলেও মাঝেমধ্যেই তাঁদের ভাতার টাকা চলে যায় ‘গায়েবি নম্বরে’। এ ছাড়া মৃত ব্যক্তির নামেও মাসের পর মাস গায়েবি নম্বরে যাচ্ছে ভাতার টাকা। অভিযোগ আছে, সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা বি এম আসাদুজ্জামানের অব্যবস্থাপনা, অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে শত শত ভাতাভোগী দুর্ভোগে পড়েছেন। আসাদুজ্জামান ছাড়াও সমাজসেবায় কর্মরত সমাজকর্মীরা কৌশলে নম্বর পরিবর্তন করে তাঁদের পছন্দমতো বিকাশ নম্বর বসিয়ে প্রতিবন্ধীদের ভাতার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।</p><h3>গণমাধ্যমের ভূমিকা</h3><p>এসব ঘটনা নিয়ে ৪ জুন প্রথম আলোয় ‘ভাতার টাকা যাচ্ছে “গায়েবি নম্বরে”’ শিরোনামে একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এ ছাড়া ৬ জুন প্রথম আলোয় ‘“ভুয়া প্রতিবন্ধী” কোটায় যুবকের সরকারি চাকরি’ শিরোনামে আরেকটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়, যা সমাজসেবা অধিদপ্তরের নজরে আসে। ভুয়া প্রতিবন্ধী কার্ড তৈরির ঘটনায় সোমবার দুপুরে কালকিনি উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে গিয়ে তদন্ত করে আদিল মোত্তাকীনের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদল। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কালকিনি উপজেলার তৎকালীন সমাজসেবা কর্মকর্তা বি এম আসাদুজ্জামান, মাদারীপুর জেলার তৎকালীন উপপরিচালক মাইনুদ্দিন সরকার, চিকিৎসক মাহবুব আবীর ও সদর উপজেলার তৎকালীন সমাজসেবা কর্মকর্তা উজ্জ্বল মুন্সির জবানবন্দি নেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা।</p><h3>তদন্তকারীর বক্তব্য</h3><p>এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক ও তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক আদিল মোত্তাকীন বলেন, ‘আমরা কালকিনি উপজেলা সমাজসেবা থেকে তদন্ত শুরু করেছি। এখন সদর উপজেলা সমাজসেবায় তদন্তের কাজ করছি। ভুক্তভোগীদের কথা শুনছি। তদন্তের বিস্তারিত পরে জানানো হবে। এখন বিভিন্ন অভিযোগের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের কাজ করছি।’</p><h3>স্থানীয় কর্মকর্তার প্রতিক্রিয়া</h3><p>সমাজসেবা অধিদপ্তর মাদারীপুর কার্যালয়ের উপপরিচালক বিশ্বজিৎ বৈদ্য বলেন, ‘গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচারের পর আমরা বিভাগীয় কার্যালয়ে তদন্তের জন্য চিঠি দিয়েছি। পরে তারা তদন্ত কমিটি গঠন করে তদন্ত শুরু করেছে। তদন্ত প্রতিবেদনে যদি কারও অপরাধ থাকে, তাহলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সমাজসেবার কোনো কর্মীর নামে যদি টাকা যায়, তাহলে সেই বিষয়ে আমরা ব্যবস্থা নেব।’</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:42:45 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[রায়পুরে পাওনা টাকা ও জমি বিরোধে সংঘর্ষে আহত ১০]]></title>
				<category>উপজেলা</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/upojela/article-128038.html</link>
				<description><![CDATA[<p>লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে পাওনা টাকা ও জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুইপক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ ১০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় আহত দুই নারীসহ চারজনকে উদ্ধার করে রায়পুর সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।</p><h2>ঘটনার বিবরণ</h2><p>মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে রায়পুর উপজেলার দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের মোল্লারহাট বাজারের উত্তর পাশে সলিংয়ের মাথাসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, জমি নিয়ে পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে আলমগীর চৌকিদার এবং সিরাজ ভাণ্ডারীর লোকজনদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।</p><h3>আহত ও পুলিশের পদক্ষেপ</h3><p>সংঘর্ষ চলাকালে উভয়পক্ষের নারীসহ ১০ জন আহত হন। এতে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। ঘটনার খবর পেয়ে রায়পুরের চরবংশী হাজীমারা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মমিনুল হক ও এএসআই মো. সাইফুর রহমান সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।</p><p>পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আহত উভয়পক্ষের লোকজনকে দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে আহত সিরাজসহ তার পরিবারের সদস্যরা রায়পুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।</p><h3>পুলিশের বক্তব্য</h3><p>হাজীমারা পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মো. সাইফুর রহমান বলেন, দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:34:03 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[কক্সবাজারে মা-মেয়ে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৬]]></title>
				<category>আইন বিভাগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/ain-bibhag/article-128037.html</link>
				<description><![CDATA[<p>কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলায় এক নারী ও তার কিশোরী মেয়েকে ডাকাতির সময় ধর্ষণের ঘটনায় ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে।</p><h2>ঘটনার বিবরণ</h2><p>চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনির হোসেন জানান, মঙ্গলবার ভোর ২টা ৩০ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- রেজাউল করিম (৩৬), তোফাজ্জল হোসেন (২৩), কেফায়েত হোসেন (২৭), মোহাম্মদ তানজিদ (২৪), মেহেদী হাসান (২৪) এবং মোহাম্মদ তারেক (২৬)। তারা সবাই এলাকার বাসিন্দা।</p><p>পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারীর স্বামী চট্টগ্রাম শহরে কাজ করেন। তিনি তার ১৫ বছর বয়সী মেয়ে এবং ৭ বছর বয়সী আরেক মেয়েকে নিয়ে বাড়িতে ছিলেন। এ সময় ৮ থেকে ১০ জনের একটি ডাকাত দল বাড়িতে প্রবেশ করে।</p><h3>ডাকাতির কৌশল</h3><p>ওসি মনির বলেন, 'অভিযুক্তরা জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। আলমারি থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ লুটের পর তারা নারী ও তার কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণ করে।'</p><p>ডাকাতরা চলে যাওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। ভুক্তভোগী নারীর ভাই সাংবাদিকদের বলেন, 'আমরা বোন ও ভাগ্নিকে অত্যন্ত মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় পাই। তারা আলাদা আলাদা কক্ষে বসে ছিল। আমরা তাদের উদ্ধার করে ভোর ৪টায় চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।'</p><h2>প্রতিক্রিয়া ও তদন্ত</h2><p>ভুক্তভোগী নারীর ৬৫ বছর বয়সী মা এ ঘটনায় শোক ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এলাকায় এ ধরনের ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি। তিনি দোষীদের ফাঁসির দাবি জানান।</p><p>ঘটনার পর ভোররাতে অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজনদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ওসি বলেন, 'ভোরে অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগীরা ইতিমধ্যে ৪ জনকে সরাসরি অপরাধী হিসেবে শনাক্ত করেছেন। তদন্ত চলছে এবং বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।'</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:56:24 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধিতে বিরক্ত প্রধানমন্ত্রী]]></title>
				<category>আওয়ামী লীগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/awami-league/article-128036.html</link>
				<description><![CDATA[<p>প্রধানমন্ত্রী বারবার প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধিতে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। তিনি প্রকল্প বাস্তবায়নে দ্রুততা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।</p><h2>কিউবায় শক্তিশালী ভূমিকম্প</h2><p>কিউবায় গত ১৫০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭.২। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।</p><h3>টিআইবি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য</h3><p>টিআইবি মূল বিষয় পাশ কাটাতেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর 'পেপার কাটিং' বক্তব্য বলে মন্তব্য করেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে দুর্নীতি দমনে সরকারের সাফল্য তুলে ধরেন।</p><h2>ভারতীয় নাগরিকদের পুশইন চেষ্টার নিন্দা</h2><p>জামায়াত ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে পুশইন চেষ্টার নিন্দা জানিয়েছে। তারা এটিকে দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি হিসেবে দেখছে।</p><h3>মুন্সীগঞ্জে কালবৈশাখি ঝড়</h3><p>মুন্সীগঞ্জে কালবৈশাখি ঝড়ে একটি গাছ উপড়ে অটোরিকশার উপর পড়ে। এতে একজন নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন।</p><h2>সিটি প্রশাসকের নির্বাচনি প্রচারণা</h2><p>অভিযোগ উঠেছে, দুই সিটির প্রশাসক সরকারের টাকায় নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছেন। নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।</p><h3>ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ</h3><p>ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাক্ষাতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও স্বাস্থ্য খাতের সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।</p><h2>দিপু মনির জামিন</h2><p>দিপু মনির ৩৮ মামলার দুটিতে জামিন মিলেছে। অন্যগুলোতে জামিনের জন্য আইনি প্রক্রিয়া চলছে।</p><h3>বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থন চাইল হালান্ডের নরওয়ে</h3><p>ফুটবল তারকা আর্লিং হালান্ডের নরওয়ে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থন চেয়েছে। বাংলাদেশের ফুটবল ভক্তরা ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন।</p><h2>হবিগঞ্জের বিচারককে হাইকোর্টের তলব</h2><p>পাঁচ বছর মামলা ঝুলিয়ে রাখায় হবিগঞ্জের এক বিচারককে হাইকোর্ট তলব করেছে। বিচারককে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:51:30 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[কিউবায় ১৫০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প]]></title>
				<category>আফ্রিকা</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/africa/article-128035.html</link>
				<description><![CDATA[<p>কিউবায় ‘১৫০ বছরের মধ্যে’ সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭.২ রিখটার স্কেলে।</p><h2>টিআইবি মূল বিষয় পাশ কাতাতেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘পেপার কাটিং’ বক্তব্য</h2><p>ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) মূল বিষয় পাশ কাটাতেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ‘পেপার কাটিং’ বক্তব্য দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তিনি বলেন, 'পেপার কাটিং নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় নেই।'</p><h3>ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে পুশইন চেষ্টার নিন্দা জামায়াতের</h3><p>বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে পুশইন চেষ্টার নিন্দা জানিয়েছে। সংগঠনটি বলেছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের পরিপন্থী।</p><h3>মুন্সীগঞ্জে কালবৈশাখি ঝড়ে গাছ উপড়ে পড়লো অটোরিকশার উপর</h3><p>মুন্সীগঞ্জে কালবৈশাখি ঝড়ে একটি গাছ উপড়ে অটোরিকশার উপর পড়ে। এতে অটোরিকশাচালক ও যাত্রী আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন।</p><h3>‘দুই সিটির প্রশাসক সরকারের টাকায় নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছেন’</h3><p>ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকরা সরকারের টাকায় নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। নির্বাচন কমিশন বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছে।</p><h3>ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ</h3><p>জাতীয় অধ্যাপক ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়েছে। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক স্বাস্থ্য সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।</p><h3>দিপু মনির ৩৮ মামলার দুটিতে জামিন</h3><p>সাবেক তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিপু মনি ৩৮ মামলার মধ্যে দুটিতে জামিন পেয়েছেন। বাকি মামলায় জামিনের জন্য আইনি লড়াই চলছে।</p><h3>বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থন চাইল হালান্ডের নরওয়ে</h3><p>ফুটবল তারকা আর্লিং হালান্ডের দেশ নরওয়ে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থন চেয়েছে। নরওয়েজীয় ফুটবল ফেডারেশন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে।</p><h3>মামলা ঝুলছে পাঁচ বছর হবিগঞ্জের বিচারককে হাইকোর্টের তলব</h3><p>পাঁচ বছর ধরে মামলা ঝুলিয়ে রাখায় হবিগঞ্জের এক বিচারককে হাইকোর্ট তলব করেছে। বিচারককে আগামী সপ্তাহে আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে।</p><h3>বাতিল হয়ে গেল ইরানের জন্য বরাদ্দ থাকা টিকিটও</h3><p>ইরানের জন্য বরাদ্দ থাকা টিকিট বাতিল হয়ে গেছে। এশিয়া কাপ ফুটবলে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:18:42 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[কিউবায় ১৫০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প]]></title>
				<category>পরিবেশ</category>
				<link>https://bdgazette.com/jibonjapon/poribesh/article-128034.html</link>
				<description><![CDATA[<p>কিউবায় গত ১৫০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭.২, যা দেশটির ইতিহাসে একটি রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল কিউবার দক্ষিণ-পূর্ব উপকূল থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে। এতে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, তবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।</p><h2>টিআইবি'র মূল বিষয় পাশ কাতেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘পেপার কাটিং’ বক্তব্য</h2><p>টিআইবি'র একটি প্রতিবেদনের মূল বিষয় পাশ কাটিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ‘পেপার কাটিং’ বক্তব্য দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তিনি বলেছেন, ‘পেপার কাটিং’ মানে কাগজ কাটা, যা টিআইবি'র প্রতিবেদনের গুরুত্ব কমাতে পারে। তবে টিআইবি'র প্রতিবেদনে দুর্নীতি ও অনিয়মের চিত্র উঠে এসেছে।</p><h3>ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে পুশইন চেষ্টার নিন্দা জামায়াতের</h3><p>জামায়াত-ই-ইসলামী বাংলাদেশ ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে পুশইন (ঠেলে দেওয়া) চেষ্টার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। সংগঠনটি বলেছে, এটি আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি।</p><h3>মুন্সীগঞ্জে কালবৈশাখি ঝড়ে গাছ উপড়ে পড়লো অটোরিকশার উপর</h3><p>মুন্সীগঞ্জ জেলায় কালবৈশাখি ঝড়ের কারণে একটি গাছ উপড়ে পড়ে অটোরিকশার উপর। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে গেলেও চালক অলৌকিকভাবে বেঁচে যান। স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার কাজ চালায়।</p><h3>‘দুই সিটির প্রশাসক সরকারের টাকায় নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছেন’</h3><p>অভিযোগ উঠেছে, দুই সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক সরকারের অর্থ ব্যবহার করে নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছেন। এই বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশন তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।</p><h3>ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ</h3><p>যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বাংলাদেশের বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়।</p><h3>দিপু মনির ৩৮ মামলার দুটিতে জামিন</h3><p>আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক দিপু মনি ৩৮টি মামলার মধ্যে দুটিতে জামিন পেয়েছেন। বাকি মামলাগুলো এখনও বিচারাধীন।</p><h3>বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থন চাইল হালান্ডের নরওয়ে</h3><p>নরওয়ের ফুটবল তারকা আর্লিং হালান্ড বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থন চেয়েছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সমর্থন তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।</p><h3>মামলা ঝুলছে পাঁচ বছর হবিগঞ্জের বিচারককে হাইকোর্টের তলব</h3><p>হবিগঞ্জের এক বিচারকের বিরুদ্ধে পাঁচ বছর ধরে ঝুলে থাকা মামলায় হাইকোর্ট তলব জারি করেছে। বিচারককে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।</p><h3>বাতিল হয়ে গেল ইরানের জন্য বরাদ্দ থাকা টিকিটও</h3><p>ইরানের জন্য বরাদ্দ থাকা টিকিটও বাতিল হয়ে গেছে। এতে করে ইরান সফর অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:40:08 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[আওয়ামী লীগ স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না: এনসিপি]]></title>
				<category>স্থানীয় সরকার</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/sthanio-shorokar/article-128033.html</link>
				<description><![CDATA[<p>জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া মন্তব্য করেছেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা দল হিসেবে আওয়ামী লীগ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারে না। মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে রাজধানীর নাখালপাড়ার হোসেন আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।</p><h2>সরকারের ভেতরে দ্বিধা</h2><p>আসিফ মাহমুদ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ নিয়ে সরকারের ভেতরেই ভিন্নমত রয়েছে। এক পক্ষ বিরোধিতা করছে, আবার অন্য একজন উপদেষ্টা শর্তসাপেক্ষে অংশ নেওয়ার কথা বলছেন। এতে সরকার নিজেই দলটির অংশগ্রহণ নিয়ে ‘ধোঁয়াশা’ তৈরি করেছে বলে তিনি দাবি করেন।</p><h3>নিষিদ্ধ দলের অংশগ্রহণ অগ্রহণযোগ্য</h3><p>তিনি আরও বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ একটি দল কোনোভাবেই নির্বাচনে অংশ নিতে পারে না। তার অভিযোগ, আওয়ামী লীগের একটি অংশ এখনো সরকারে রয়েছে বলেই এ ধরনের দ্বিধা তৈরি হচ্ছে।</p><h2>এনসিপির পাঁচ দফা দাবি</h2><p>এনসিপির এই মুখপাত্র জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে তাদের দল পাঁচ দফা দাবি দিয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো প্রশাসক পদে থাকা ব্যক্তিরা মেয়র পদে নির্বাচন করতে পারবেন না। তার অভিযোগ, এসব শর্ত উপেক্ষা করেই অনেকে প্রচারণা চালাচ্ছেন এবং সরকারি লোগো ব্যবহার করছেন।</p><h3>প্রশাসকদের পদত্যাগের আহ্বান</h3><p>তিনি আরও বলেন, দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসকরা সরকারি পদে থেকে প্রচারণা চালাচ্ছেন, যা গ্রহণযোগ্য নয়। এজন্য তাদের পদত্যাগ করে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।</p><h2>কোরবানির হাট ইজারায় পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ</h2><p>এছাড়া ঈদুল আজহার কোরবানির হাট ইজারা প্রক্রিয়ায় পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও তোলেন আসিফ মাহমুদ। তিনি বলেন, ইজারা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করা জরুরি।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:55:49 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[প্রস্তাবিত বাজেট: উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ]]></title>
				<category>সেবা খাত</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/seba-khato/article-128032.html</link>
				<description><![CDATA[<p>প্রায় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এই বাজেট এযাবৎকালের সবচেয়ে বড় বাজেট হতে যাচ্ছে। বিএনপি সরকারের জন্য এটি শুধু একটি আর্থিক পরিকল্পনা নয়; বরং জনগণের কাছে অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার প্রদর্শনের একটি বড় সুযোগ। তবে বাস্তবতা হলো, বড় বাজেট ঘোষণা করা সহজ, বাস্তবায়ন করা কঠিন।</p><h2>অর্থনীতির চাপ ও রাজস্ব ঘাটতি</h2><p>সরকার এমন এক সময়ে এই বাজেট প্রণয়ন করছে, যখন অর্থনীতি এখনো নানা চাপের মধ্যে রয়েছে। রাজস্ব আহরণ প্রত্যাশার তুলনায় পিছিয়ে আছে, ব্যাংকিং খাত দুর্বল, বিনিয়োগে গতি নেই, বেসরকারি খাতের আস্থা পুরোপুরি ফিরে আসেনি এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসেই রাজস্ব ঘাটতি এক লাখ কোটি টাকার সীমা অতিক্রম করেছে। এই পরিস্থিতিতে প্রায় ১৯ শতাংশ বড় বাজেট প্রস্তাব উচ্চাভিলাষী বটে।</p><p>প্রস্তাবিত বাজেটে মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য ধরা হয়েছে প্রায় ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে এনবিআরের ওপরই ন্যস্ত করা হয়েছে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের। গত কয়েক বছরের অভিজ্ঞতা আমাদের শেখায় যে শুধু লক্ষ্য নির্ধারণ করলেই রাজস্ব বাড়ে না। অর্থনীতির গতিশীলতা, বিনিয়োগ পরিবেশ, কর প্রশাসনের দক্ষতা এবং করদাতার আস্থা—সবকিছুর সমন্বয় প্রয়োজন।</p><h2>করব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা</h2><p>বাংলাদেশের করব্যবস্থার একটি বড় সীমাবদ্ধতা হলো, একই জনগোষ্ঠীর ওপর বারবার করের চাপ বাড়ানো হচ্ছে, কিন্তু করের আওতা যথেষ্ট সম্প্রসারিত হচ্ছে না। নতুন করদাতা সৃষ্টির পরিবর্তে বিদ্যমান করদাতাদের কাছ থেকেই বেশি রাজস্ব আদায়ের চেষ্টা করা হয়। ফলে ব্যবসা ও বিনিয়োগের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়। আগামী বাজেটে যদি রাজস্ব আহরণের লক্ষ্য বাস্তবায়ন করতে হয়, তাহলে করভিত্তি সম্প্রসারণ, কর ফাঁকি রোধ, ডিজিটাল নজরদারি বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের বকেয়া কর আদায়ে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।</p><h2>ঘাটতি ও ঋণের চাপ</h2><p>বাজেটে প্রায় ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি রাখা হয়েছে। এই ঘাটতি পূরণে সরকারকে ব্যাংকঋণ, ব্যাংকবহির্ভূত ঋণ এবং বৈদেশিক সহায়তার ওপর নির্ভর করতে হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যাংকিং খাত থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হবে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, সরকার যখন বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যাংকিং খাত থেকে সংগ্রহ করবে, তখন বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তারা প্রয়োজনীয় অর্থ কোথা থেকে পাবেন? ইতিহাস বলে, অতিরিক্ত সরকারি ঋণ অনেক সময় বেসরকারি বিনিয়োগকে সংকুচিত করে।</p><h2>প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতি লক্ষ্য</h2><p>সরকার আগামী অর্থবছরে ৬.৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। লক্ষ্য দুটি প্রশংসনীয়। তবে বর্তমান বাস্তবতায় এগুলো অর্জন সহজ হবে না। আন্তর্জাতিক জ্বালানিবাজারের অস্থিরতা, সরবরাহব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে মূল্য নিয়ন্ত্রণের দুর্বলতা মূল্যস্ফীতি কমানোর পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। ইতিমধ্যে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মূল্য সমন্বয়ের আলোচনা চলছে। ফলে উৎপাদন ব্যয় বাড়ার ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে।</p><h2>সামাজিক সুরক্ষা ও বরাদ্দ</h2><p>অন্যদিকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা এবং খাদ্য নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং শিক্ষা খাতও সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে। সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতা বাড়ানো হয়েছে, যা বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।</p><p>ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা এবং দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচির সম্প্রসারণ নিম্ন ও মধ্যবিত্ত জনগোষ্ঠীর জন্য কিছুটা স্বস্তি বয়ে আনতে পারে। তবে সামাজিক সুরক্ষার প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করবে সঠিক উপকারভোগী নির্বাচন এবং স্বচ্ছ বাস্তবায়নের ওপর।</p><h2>তরুণদের কর্মসংস্থান ও সৃজনশীল অর্থনীতি</h2><p>তরুণদের কর্মসংস্থানের জন্য ‘সৃজনশীল অর্থনীতি’ ধারণার অন্তর্ভুক্তি বাজেটের একটি উল্লেখযোগ্য নতুন সংযোজন। তথ্যপ্রযুক্তি, ফ্রিল্যান্সিং, স্টার্টআপ, সংস্কৃতি, উদ্ভাবনভিত্তিক ব্যবসা এবং সৃজনশীল শিল্পকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির নতুন উৎস হিসেবে বিবেচনা করা সময়ের দাবি। বাংলাদেশের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ জনগোষ্ঠী কর্মক্ষম বয়সের। এই জনমিতিক সুবিধাকে অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপান্তর করতে না পারলে ভবিষ্যতের প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা কঠিন হবে।</p><h2>পুরোনো কাঠামোতে নতুন সম্ভাবনা</h2><p>তবে এই বাজেট নিয়ে একটি মৌলিক প্রশ্ন থেকেই যায়। নতুন সরকার এসেছে, নতুন রাজনৈতিক নেতৃত্ব এসেছে, নতুন প্রতিশ্রুতি এসেছে; কিন্তু বাজেট প্রণয়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক ও কারিগরি কাঠামোর অধিকাংশ মানুষই পুরোনো। অর্থ বিভাগ, এনবিআর, পরিকল্পনা কমিশন কিংবা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা ব্যক্তিদের বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরেই একই ব্যবস্থার অংশ।</p><p>আসন্ন বাজেটের মূল প্রশ্ন এর আকার নয়, এর বিশ্বাসযোগ্যতা। জনগণ জানতে চায় এই বাজেট কি তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় কমাবে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে, বিনিয়োগ বাড়াবে এবং অর্থনীতিতে আস্থা ফিরিয়ে আনবে? যদি উত্তর ইতিবাচক হয়, তাহলে এটি একটি সফল বাজেট হিসেবে বিবেচিত হবে। অন্যথায় বড় অঙ্কের বাজেটও কেবল কাগজে-কলমের অর্জন হয়েই থেকে যাবে।</p><p>একটি বাজেট যাচ্ছে, আরেকটি বাজেট আসছে। কিন্তু বাংলাদেশের অর্থনীতি আজ এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে, যেখানে শুধু বাজেটের অঙ্ক নয়; বাজেটের দর্শনও পরিবর্তনের দাবি জানাচ্ছে। সময় এখন নতুন বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার, নতুন চিন্তার সাহস দেখানোর। এমনকি পুরোনো কাঠামোর মধ্যে নতুন সম্ভাবনার পথ খুঁজে বের করার।</p><p><em>মামুন রশীদ, অর্থনীতি বিশ্লেষক</em></p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:47:30 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[হোয়াটসঅ্যাপে বড় সাইবার হামলার চেষ্টা এনএসও গ্রুপের]]></title>
				<category>সাইবার নিরাপত্তা</category>
				<link>https://bdgazette.com/projukti/cyber-nirapotta/article-128031.html</link>
				<description><![CDATA[<p>সম্প্রতি হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের লক্ষ্য করে বড় ধরনের সাইবার হামলার চেষ্টা চালিয়েছে স্পাইওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এনএসও গ্রুপ। হোয়াটসঅ্যাপ জানিয়েছে, তাদের ব্যবহারকারীদের লক্ষ্য করে ‘স্পিয়ার ফিশিং’ নামের এক সাইবার হামলা চালানোর প্রমাণ পাওয়া গেছে। এই হামলায় সাইবার অপরাধীরা মিথ্যা তথ্য ব্যবহার করে ব্যবহারকারীদের ক্ষতিকর লিংকে প্রবেশ করতে প্ররোচিত করেছিল। লিংকে ক্লিক করলেই ব্যবহারকারীরা ক্ষতিকর ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে হামলার শিকার হতেন।</p><h2>হোয়াটসঅ্যাপের বিবৃতি ও তদন্ত</h2><p>এক বিবৃতিতে হোয়াটসঅ্যাপ জানিয়েছে, ব্যবহারকারীদের অভিযোগের ভিত্তিতে পরিচালিত তদন্তে ‘স্পিয়ার ফিশিং’ হামলার সঙ্গে এনএসও গ্রুপের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মিলেছে। হামলার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কিছু পরীক্ষামূলক অ্যাকাউন্ট ও গ্রুপ তৈরি করা হয়েছিল, যা তদন্তের পর সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এই হামলার কৌশলের সঙ্গে ২০২৪ সালে জর্ডানে শনাক্ত হওয়া একটি ফিশিং হামলার মিল রয়েছে। তখনও ক্ষতিকর লিংকে ক্লিক করিয়ে ব্যবহারকারীদের স্মার্টফোনে এনএসও গ্রুপের তৈরি ‘পেগাসাস’ স্পাইওয়্যার ইনস্টল করা হয়েছিল।</p><h3>এনএসও গ্রুপের অবস্থান ও পূর্ব বিরোধ</h3><p>হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের লক্ষ্য করে ফিশিং হামলার অভিযোগের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি এনএসও গ্রুপ। তবে হোয়াটসঅ্যাপ ও এনএসও গ্রুপের বিরোধের ইতিহাস বেশ পুরোনো। ২০১৯ সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারী একটি সমন্বিত হ্যাকিং অভিযানের শিকার হয়েছিলেন। পরে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবহারকারীদের পক্ষে এনএসও গ্রুপের বিরুদ্ধে মামলা করে হোয়াটসঅ্যাপ। দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের এক আদালত হোয়াটসঅ্যাপ ও এর ব্যবহারকারীদের লক্ষ্য করে সাইবার হামলা বা নজরদারি কার্যক্রম পরিচালনা থেকে স্থায়ীভাবে বিরত থাকতে এনএসও গ্রুপকে নির্দেশ দেয়।</p><h3>আদালত অবমাননার অভিযোগ</h3><p>হোয়াটসঅ্যাপের দাবি, সম্প্রতি শনাক্ত হওয়া ফিশিং হামলা আদালতের সেই নির্দেশনার সরাসরি লঙ্ঘন। ফলে এনএসও গ্রুপের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ করেছে হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ। প্রসঙ্গত, বিভিন্ন দেশের সরকারি সংস্থা বা তাদের হয়ে কাজ করা ব্যক্তিরা এনএসও গ্রুপের তৈরি পেগাসাস স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে থাকেন। পেগাসাস স্পাইওয়্যারের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী, ভিন্নমতাবলম্বী ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের স্মার্টফোনে নিয়মিত নজরদারি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:50:50 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর বিবাদকে প্রেমিক-প্রেমিকার ঝগড়ার সাথে তুলনা ইসরাইলি রাষ্ট্রদূতের]]></title>
				<category>এশিয়া</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/asia/article-128030.html</link>
				<description><![CDATA[<p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যকার সম্পর্কের টানাপোড়েন বা ফাটলের খবরকে উড়িয়ে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ইসরাইলি রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লেইটার। দুই নেতার মধ্যকার এই সম্পর্ককে দীর্ঘ চার দশকের গভীর বন্ধুত্বের সঙ্গে তুলনা করে তিনি মন্তব্য করেছেন, প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যেও মাঝে মাঝে সামান্য ঝগড়া হয়।</p><h2>ফক্স নিউজের সাক্ষাৎকারে লেইটার</h2><p>ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লেইটার জানান, ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুরোধে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের তীব্রতা বা গতি কিছুটা কমাতে সম্মত হয়েছেন নেতানিয়াহু। তবে একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইসরাইলের অবস্থানকে পুরোপুরি বোঝেন। ইসরাইল যে কোনোভাবেই নিজেদের ওপর একের পর এক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মুখ বুজে সহ্য করবে না এবং এর উপযুক্ত জবাব দেবে, সেই বিষয়টি ট্রাম্পের কাছে স্পষ্ট।</p><h3>দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরালো</h3><p>রাষ্ট্রদূত আরও যোগ করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটন এবং তেল আবিবের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা অত্যন্ত জোরালো রয়েছে। এই দুই মিত্র দেশের মধ্যে যেকোনো কৌশলগত বিষয়ে অসাধারণ বোঝাপড়া বজায় রয়েছে বলেও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।</p><p>সূত্র: রয়া নিউজ।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:49:43 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[নাটোরে হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতাকর্মী দ্বারা নারী ধর্ষণের ঘটনায় ৩ গ্রেপ্তার]]></title>
				<category>চিকিৎসা প্রযুক্তি</category>
				<link>https://bdgazette.com/swasthyo/chikitsha-projukti/article-128029.html</link>
				<description><![CDATA[<p>নাটোর মডার্ন সদর হাসপাতালে অসুস্থ মেয়ের সেবায় আসা এক নারীকে তিন পরিচ্ছন্নতাকর্মী ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। মঙ্গলবার বিকেলে ভুক্তভোগীর বাবা নাটোর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।</p><h2>ঘটনার বিবরণ</h2><p>মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ভুক্তভোগী তার মেয়েকে জ্বর ও সর্দি নিয়ে শুক্রবার হাসপাতালের শিশু বিভাগে ভর্তি করেন। রোববার রাত ১০টার দিকে পরিচ্ছন্নতাকর্মী অমিত ওষুধ দেওয়ার কথা বলে ভুক্তভোগীকে ষষ্ঠ তলার সিঁড়ির একটি কক্ষে নিয়ে যায় এবং ধর্ষণ করে। পরে অন্য দুই অভিযুক্ত অনিল ও প্রাঙ্গণ ঘটনার ভিডিও ধারণ করে এবং সেই ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে ভুক্তভোগীকে ধর্ষণ করে।</p><h3>ঘটনা প্রকাশ</h3><p>ঘটনা প্রকাশ পায় যখন ডিউটিতে থাকা নার্সরা শিশুর কান্না দেখে মায়ের দীর্ঘ অনুপস্থিতি লক্ষ্য করেন। হাসপাতালের আনসার সদস্যদের খবর দেওয়া হলে তারা সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তিন সন্দেহভাজনকে ষষ্ঠ তলার সিঁড়ি থেকে আটক করে। একজন আনসার সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, জিজ্ঞাসাবাদের সময় অভিযুক্তরা অপরাধ স্বীকার করেছে।</p><h2>চিকিৎসকদের বক্তব্য</h2><p>হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মাহবুবুর রহমান দাবি করেছেন, তিনি পরদিন সকালে ঘটনা জানতে পারেন। তিনি আরও বলেন, পুলিশে খবর দেওয়ার আগে পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও রোগীর স্বজনদের মধ্যে একটি লিখিত সমঝোতা হয়েছিল। অন্যদিকে, নাটোরের সিভিল সার্জন ডা. মুহাম্মদ মাশিউর রহমান জানান, কেউ তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি, তবে গুজব শুনে তিনি পুলিশকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।</p><h3>পুলিশের পদক্ষেপ</h3><p>নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুনসুর রহমান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অভিযুক্তদের আদালতে পাঠানো হবে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন অমিত (২৩), অনিল (২৪) ও প্রাঙ্গণ (২৩), যারা নাটোর শহরের আলাইপুর সুইপার কলোনির বাসিন্দা।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:04:07 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে পুশইন চেষ্টার নিন্দা জামায়াতের]]></title>
				<category>কূটনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/kutniti/article-128028.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে পুশইন চেষ্টার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জামায়াত-ই-ইসলামী বাংলাদেশ। এক বিবৃতিতে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান এই ঘটনাকে দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, 'ভারতীয় নাগরিকদের জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।'</p><h2>মুন্সীগঞ্জে কালবৈশাখি ঝড়ে গাছ উপড়ে অটোরিকশার ক্ষতি</h2><p>মুন্সীগঞ্জ জেলায় কালবৈশাখি ঝড়ের কারণে একটি গাছ উপড়ে পড়ে অটোরিকশার উপর। এতে অটোরিকশাটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। ঝড়ের সময় অটোরিকশাটি রাস্তায় থাকায় চালক ও যাত্রীরা প্রাণে বেঁচে গেলেও গাড়িটি পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যায়।</p><h2>'দুই সিটির প্রশাসক সরকারের টাকায় নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছেন'</h2><p>ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকরা সরকারি অর্থ ব্যবহার করে নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। একটি সুশীল সমাজের সংগঠন এই অভিযোগ এনে বলেছে, 'প্রশাসকরা জনগণের টাকা নিজেদের নির্বাচনি লাভের জন্য ব্যবহার করছেন, যা সম্পূর্ণ অনৈতিক।'</p><h2>ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ</h2><p>জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎকালে তারা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে আলোচনা করেন। ডা. শফিকুর রহমান বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার জন্য মার্কিন প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।</p><h2>দিপু মনির ৩৮ মামলার দুটিতে জামিন</h2><p>সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাতের পিএস দিপু মণির বিরুদ্ধে ৩৮টি মামলার মধ্যে দুটিতে জামিন মিলেছে। বাকি মামলাগুলোতে জামিনের জন্য হাইকোর্টে আবেদন করা হবে বলে তার আইনজীবী জানিয়েছেন।</p><h2>বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থন চাইল হালান্ডের নরওয়ে</h2><p>ফুটবল বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থন চেয়েছে নরওয়ে। নরওয়ের ফুটবল তারকা আর্লিং হালান্ড এক ভিডিও বার্তায় বাংলাদেশি ভক্তদের কাছে নরওয়েকে সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, 'আমরা বাংলাদেশের সমর্থন পেতে চাই, যা আমাদের অনুপ্রাণিত করবে।'</p><h2>মামলা ঝুলছে পাঁচ বছর হবিগঞ্জের বিচারককে হাইকোর্টের তলব বাতিল</h2><p>হবিগঞ্জের একজন বিচারকের বিরুদ্ধে পাঁচ বছর ধরে মামলা ঝুলে থাকার ঘটনায় হাইকোর্ট তলব জারি করেছিল। তবে পরে সেই তলব বাতিল করা হয়েছে। বিচারক বিভাগীয় তদন্তের মুখোমুখি হবেন বলে জানা গেছে।</p><h2>বাতিল হয়ে গেল ইরানের জন্য বরাদ্দ থাকা টিকিটও</h2><p>ইরানের জন্য বরাদ্দ থাকা টিকিট বাতিল হয়ে গেছে। বাংলাদেশ বিমানের একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে টিকিট বাতিল করা হয়েছে। ইরানি যাত্রীদের বিকল্প ব্যবস্থা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।</p><h2>ভারতের পত্রিকায় সিরিজ সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা 'জনগণের শক্তি নিয়েই আমি ফিরব'</h2><p>ভারতের একটি পত্রিকাকে দেওয়া সিরিজ সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, 'জনগণের শক্তি নিয়েই আমি ফিরব।' তিনি বলেন, 'বাংলাদেশের মানুষ আমাকে ভালোবাসে, আর এই ভালোবাসা আমাকে আবারও ক্ষমতায় আনবে।' সাক্ষাৎকারে তিনি উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের প্রসঙ্গে কথা বলেন।</p><h2>এক রাতে তিন কৃষকের সাত গরু চুরি, আতঙ্কে খামারিরা</h2><p>রাজশাহী জেলায় এক রাতে তিন কৃষকের সাতটি গরু চুরি হয়েছে। ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। খামারিরা নিরাপত্তার দাবিতে বিক্ষোভ করেছে। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:44:47 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[আমরা একে অন্যের জন্য সৃষ্টি: শুভশ্রীকে নিয়ে যিশু]]></title>
				<category>সিনেমা</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/cinema/article-128027.html</link>
				<description><![CDATA[<p>আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই মুক্তি পেতে চলেছে যিশু সেনগুপ্ত ও শুভশ্রী গাঙ্গুলির নতুন সিনেমা ‘অভিমান’। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সিনেমা ও ব্যক্তিগত মান–অভিমান নিয়ে নানা কথা বললেন এই তারকা জুটি।</p><h2>অভিমানের সংজ্ঞা</h2><p>‘আপনাদের দুজনের কাছে ‘অভিমান’ শব্দের সংজ্ঞা কী?’— এমন প্রশ্নের উত্তরে যিশু বলেন, ‘অভিমান তার সঙ্গেই হয়, যার সঙ্গে একটা ভালো লাগার এবং ভালোবাসার সম্পর্ক রয়েছে। ভালোবাসা কিংবা ভালো লাগার সম্পর্ক না থাকলে অভিমানের বদলে রাগ হয়। যে আমার সব থেকে কাছের মানুষ, তার প্রতিই অভিমান সবচেয়ে বেশি হয়।’</p><p>অন্যদিকে শুভশ্রী বলেন, ‘আমার মনে হয় অভিমানের কোনো নির্দিষ্ট ডেফিনেশন হয় না। অভিমান একটা অনুভূতি। ভালোবাসা থাকলে অভিমান থাকবেই। যাকে ভরসা করা যায়, অভিমান তার প্রতিই হয়। এটা ভীষণ মিষ্টি একটা ফিলিংস।’</p><h2>বন্ধুত্ব বনাম প্রেমে অভিমান</h2><p>বন্ধুত্ব নাকি প্রেম— সবচেয়ে বেশি অভিমান হয় কোন সম্পর্কের ক্ষেত্রে? এ প্রসঙ্গে শুভশ্রী বলেন, ‘আমার তো মনে হয় বন্ধুত্বেই আমাদের সবচেয়ে বেশি অভিমান হয়। প্রেমেও অভিমান থাকে। তবে সেটা একটু আলাদা ধরনের হয়। তোমার কী মনে যিশু দা?’</p><p>যিশু বলেন, ‘আমিও শুভশ্রীর সঙ্গেই সহমত। অভিমান দিয়ে সম্পর্ক যাচাই করা যায়। অভিমান গাঢ় হলে বোঝা যায় সম্পর্ক আসলে ঠিক কতটা গভীর। আমার তো বন্ধুদের সঙ্গেই সবচেয়ে বেশি মান-অভিমান হয়, হয়েছে।’</p><h2>প্রযোজক যিশুকে মূল্যায়ন</h2><p>প্রযোজক হিসেবে যিশু সেনগুপ্তকে কত নম্বর দেবেন? উত্তরে অভিনেত্রী বলেন, ‘একেবারে ফুল মার্কস। সেটে যিশুদাকে অভিনেতা হিসেবেও পেয়েছি। বরং সৌরভ (দাস) প্রযোজনার দায়িত্ব বেশি সামলেছে।’</p><h2>পেছনে ফেলে আসা</h2><p>দুজনেরই ইন্ডাস্ট্রিতে অনেক বছর হয়ে গেল। পেছনে কি ফেলে এলেন? অভিনেতা বলেন, ‘সময়ের সঙ্গে অনেক কিছুই তো পেছনে ফেলে এগোতে হয়। তবে সত্যি বলতে— শুধু ইন্ডাস্ট্রি নয়, গোটা ইউনিভার্স থেকে আমি যা কিছু পেয়েছি তার জন্য আমি ধন্য। ছয় মাস কারেন্ট ছিল না, প্রতিবেশীরা খাবার না দিলে খাওয়া জুটত না— এই জায়গা থেকে উঠে এসেছি আমি। এখন যা ইচ্ছা খেতে পারি। তিন-চারটা গাড়ি আছে, বাড়ি হয়েছে। এরপর আর কিছু চাওয়ার থাকতে পারে না। যা পেয়েছি, কাল মরে গেলেও কোনো আক্ষেপ থাকবে না।’</p><p>অন্যদিকে শুভশ্রী বলেন, ‘ইন্ডাস্ট্রি থেকে আমার প্রাপ্তির ঝুলিটাই সবচেয়ে ভারি। বদলে কতটা দিতে পেরেছি জানি না। আমার আসলে জীবনের কোনো কিছু নিয়েই বিশেষ অভিযোগ নেই। কোনো আপসোসও নেই। ভগবান সারাজীবনে আমাকে অনেক কিছু দিয়েছেন। যেগুলো ঠিক আমাদের মনের মতো হয় না, সেটাই আমাদের চোখে খারাপ। আমি বিশ্বাস করি সেই খারাপটাও হয় আমাদের ভালোর জন্যই।’</p><h2>ক্রিকেটার হওয়ার আক্ষেপ</h2><p>যিশু, আপনি তো চাইলে ক্রিকেটারও হতে পারতেন। মাঝে মধ্যে কি সে জন্য আক্ষেপ হয় না? এমন প্রশ্নের উত্তরে যিশু বলেন, ‘সেটা নিয়ে খারাপ লাগা আছে। তবে আমি এমন একটা প্রফেশনে আছি, চাইলে পর্দায় ক্রিকেটার ও ফুটবলার হতেই পারি। সেটা বাদ দিয়েও ভগবান তো আমাকে সিসিএল খেলার সুযোগ করে দিয়েছেন। আবার ক্যাপ্টেনও হলাম। যে-যে মাঠগুলোতে আমরা খেলি, সবই তো ইন্টারন্যাশনাল গ্রাউন্ড। আমি লাকি যে চিন্নাস্বামীতে গিয়ে খেলতে পেরেছি।’</p><p>শুভশ্রী বললেন, ‘যিশুদা যদি প্রফেশনালি ক্রিকেট খেলত, তাহলে তো অভিনেতা যিশু সেনগুপ্তকে পেতাম না। যিশুদা একসঙ্গে দুটোই করতে পারছে— এটা বেশ ভালো হয়েছে।’</p><h2>জুটি হিসেবে কাজ</h2><p>যিশু এবং শুভশ্রীকে জুটি হিসেবে সেভাবে পাওয়া গেল না। যিশু বলেন, ‘অঞ্জনদার (দত্ত) একটা সিনেমায় আমরা হিরো-হিরোইন ছিলাম। তবে প্রথমবার কোনো বড় ছবিতে আমাদের একসঙ্গে দেখা যাবে। তবে জুটি হিসাবে কিনা, সেটা এখন বলা যাবে না।’</p><p>শুভশ্রী বলেন, ‘লহ গৌরাঙ্গের নাম রে’-তে আমরা দুজনেই ছিলাম। তবে জুটি হিসেবে সত্যিই কম কাজ হয়েছে। আমাদের জুটি হতে পারে সেটা হয়তো কেউ ভাবেননি।’</p><h2>কে বেশি অভিমানী?</h2><p>কে বেশি অভিমানী— যিশু না শুভশ্রী? যিশু বলেন, ‘আমরা কেউ-ই নয়; বরং আমি আর শুভশ্রী মেড ফর ইচ আদার। এটা কিন্তু রাজ (চক্রবর্তী) জানে। আবার যেন কেউ না বলে, আমি ফ্লার্ট করছি। সবাই সবটা জানে। মজা করছি। আমার মনে হয় কোলেস্টেরল, সুগার শরীরে না পুষে রাখতে চাইলে অভিমান হলে বলে দেওয়া উচিত। যেমন শুভশ্রীও সেটা করেছিল।’</p><p>শুভশ্রী বলেন, ‘আসলে শিল্পীরা পানির মতো খুব সহজ-সরল হয়। অভিমান মনের মধ্যে জমিয়ে না রেখে বলে দেওয়াই উচিত।’</p><h2>ভুল ধারণা ভাঙা</h2><p>কাজ করতে গিয়ে একে অন্যের সম্পর্কে কোনো ভুল ধারণা ভেঙে গেল? শুভশ্রী বলেন, ‘এটাও আমার প্রাপ্তি। যিশুদা সত্যিই কোনো সিনেমা দেখে না। যিশুদা তো বলছেই এবার অন্য ভাষার ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করা উচিত।’</p><p>যিশু বলেন, ‘শুভশ্রী যে এত ভালো অভিনয় করে, সেটা আমি সত্যিই জানতাম না। আমি অ্যাকশন, থ্রিলারের মতো মাইন্ডলেস সিনেমা ছাড়া খুব একটা দেখি না। ফলে জানতাম না যে শুভশ্রী এত ভালো কাজ করছে।’</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:04:52 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[মুন অ্যালার্ট: নিখোঁজ শিশু উদ্ধারে নতুন জরুরি সতর্কবার্তা ব্যবস্থা]]></title>
				<category>সাইবার নিরাপত্তা</category>
				<link>https://bdgazette.com/projukti/cyber-nirapotta/article-128026.html</link>
				<description><![CDATA[<p>দেশে শিশু নিখোঁজ বা অপহরণের পর দ্রুত উদ্ধারের লক্ষ্যে ‘মুন অ্যালার্ট’ নামে একটি বিশেষ জরুরি সতর্কবার্তা ব্যবস্থা চালু করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। পাশাপাশি নিখোঁজ শিশুদের বিষয়ে তথ্য দিতে বা সহায়তা পেতে ১৩২১৯ নম্বরের একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইনও উদ্বোধন করা হয়েছে। গত ২৭ মে রাজধানীতে এটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়েছে বলে জানা গেলেও সিআইডি বলছে, তারা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এর কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি। কারণ, ফেসবুকের নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান মেটা তাদের এখনও কিছু জানায়নি। সিআইডি মেটার উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছে। তবে সম্প্রতি বাংলাদেশে অনেক ফেসবুক ব্যবহারকারীর ফোনে এ ধরনের নোটিফিকেশন দেখা যাচ্ছে।</p><h2>উদ্যোগের পটভূমি</h2><p>জানা গেছে, সিলেটের শিশু মুনতাহা হত্যাকাণ্ডের পর এক লাখেরও বেশি গণস্বাক্ষরের ভিত্তিতে শুরু হয় এই উদ্যোগ। তিন মাসের পাইলট প্রকল্প শেষে চালু হয় ‘মুন অ্যালার্ট’। মেটার কারিগরি সহায়তায় এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে জিরো মিসিং চিলড্রেন প্ল্যাটফর্ম ও সাইবার টিন্স।</p><h2>মেটার ভূমিকা</h2><p>অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মেটার ট্রাস্ট এন্ড সেফটি বিভাগের পরিচালক অ্যামিলি ভেচার। তিনি ওই অনুষ্ঠানে বলেন, মেটা দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম বাংলাদেশের নিখোঁজ শিশু খোঁজার প্ল্যাটফর্ম উদ্বোধন করল। বিশ্বে ৩৭ তম সরকার ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সাথে সমন্বয় করে আমরা কাজ করবো। যদি কোনো শিশু নিখোঁজ হয় আমরা তার ছবিসহ সর্বশেষ স্থান থেকে ১৬০ কিলোমিটারের মধ্যে ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম ও মেসেঞ্জারে সতর্কবার্তা পৌঁছে দেব, যেন কেউ শিশুকে দেখলেই পুলিশকে তথ্য দিতে পারে।</p><p>এরপর থেকেই মূলত মুন অ্যালার্ট ফিচারের মাধ্যমে ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম ও মেসেঞ্জারে শিশু নিখোঁজের তাৎক্ষণিক বার্তা পৌঁছে যাচ্ছে সাধারণ মানুষের কাছে।</p><h2>ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা</h2><p>জিরো মিসিং চিলড্রেন প্ল্যাটফর্ম ও সাইবার টিন্স আশা করছে, মুন অ্যালার্ট চালুর ফলে নিখোঁজ শিশুদের উদ্ধারে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে। কোনো বাচ্চা যদি মিসিং হয় আমরা সঙ্গে সঙ্গে অ্যালার্টটা জারি করে দেওয়া সম্ভব হবে। তারা একা নয়, কমিউনিটির সাথে কাজ করার কথা জানিয়ে বলছে, তাদের সাথে ভলেন্টিয়ার হিসেবে পুলিশ, মানবাধিকার কমিশন—সবাই রয়েছে।</p><h2>সিআইডির অবস্থান</h2><p>তবে সিআইডি বলছে, তারা মুন অ্যালার্ট চালুর উদ্যোগ নিলেও মেটার কাছ থেকে এখনও কোনো অফিসিয়াল উত্তর পায়নি। এ কারণে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে মুন অ্যালার্টের কার্যক্রম শুরু করতে পারছে না। এ বিষয়ে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএসপি) মোহাম্মদ বদরুল আলম মোল্লা বলেন, নিখোঁজ শিশুদের সন্ধান পেতে মুন অ্যালার্ট একটি ভালো উদ্যোগ। তবে এ বিষয়ে আমরা এখনও মেটার কাছ থেকে অফিসিয়াল বক্তব্য পাইনি। ফলে মুন অ্যালার্টটির কার্যক্রম আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করতে পারছি না। তবে আশা করছি মেটার পক্ষ থেকে দ্রুতই আমরা বক্তব্য পাবো। এরপর আমাদের কার্যক্রম শুরু হবে।</p><h2>উদ্বোধনী অনুষ্ঠান</h2><p>উল্লেখ্য, গত ১৩ জানুয়ারি রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি সদর দফতরে সিআইডি ও ‘অ্যাম্বার অ্যালার্ট ফর বাংলাদেশের’ যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তৎকালীন সিআইডি প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মো. ছিবগাত উল্লাহ। উদ্বোধনকালে তিনি বলেছিলেন, একটি পরিবারের ছোট্ট শিশু হারিয়ে গেলে স্বজনদের যে নিদারুণ যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যেতে হয়, তা ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব। আমাদের প্রত্যয় হলো—আর একটি শিশুকেও যেন হারিয়ে যেতে না হয়। হারিয়ে যাওয়া বাচ্চাদের ব্যাপারে নীরব থাকার দিন আমরা শেষ করতে চাই। অনেক সময় অভিভাবকরা বিভ্রান্তি এড়াতে বা নিজেরা খোঁজার চেষ্টা করতে গিয়ে থানায় রিপোর্ট করতে দেরি করেন। কিন্তু নিখোঁজ হওয়ার প্রথম কয়েক ঘণ্টা উদ্ধার প্রক্রিয়ার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ে দ্রুত তথ্য পাওয়া গেলে শিশুকে নিরাপদে উদ্ধারের সম্ভাবনা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।</p><h2>অ্যাম্বার অ্যালার্টের ধারণা</h2><p>ওই অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ১৯৯৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রে শিশু অ্যাম্বার হ্যাগারম্যান নিখোঁজ ও হত্যাকাণ্ডের পর বিশ্বব্যাপী ‘অ্যাম্বার অ্যালার্ট’ ব্যবস্থার ধারণাটি জনপ্রিয়তা পায়। বর্তমানে বিশ্বের বহু দেশ এই পদ্ধতি অনুসরণ করছে। বাংলাদেশে ২০২৪ সালে সিলেটে পাঁচ বছর বয়সী শিশু মুনতাহা আক্তার নিখোঁজ ও নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি একটি সমন্বিত ও প্রযুক্তিনির্ভর সতর্কবার্তা ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা সামনে নিয়ে আসে। মুনতাহার নামানুসারেই এই প্রকল্পের নাম রাখা হয়েছে ‘মুন অ্যালার্ট’।</p><p>সিআইডির নেতৃত্বে এবং ‘জিরো মিসিং প্ল্যাটফর্ম’-এর কারিগরি সহায়তায় এই মুন অ্যালার্ট কাজ করবে। কোনো শিশু নিখোঁজ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই প্ল্যাটফর্মে তথ্য দিলে দ্রুততম সময়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিভিন্ন চেকপোস্ট এবং প্রযুক্তিনির্ভর নেটওয়ার্কে সতর্কবার্তা পৌঁছে যাবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:39:12 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[কুমিল্লায় হাইওয়ে পুলিশের গাড়িতে হামলা, অটোরিকশাচালক আটক]]></title>
				<category>সীমান্ত</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/shimanto/article-128025.html</link>
				<description><![CDATA[<p>কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার নিমসার বাজার এলাকায় হাইওয়ে পুলিশের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। একটি অটোরিকশা জব্দ করাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার (৯ জুন) বেলা ১১টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নিমসার কলেজ গেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে হাইওয়ে পুলিশের তিন সদস্য আহত হন।</p><p>এ ঘটনায় ইউসুফ আলী নামে এক অটোরিকশা চালককে আটক করেছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা হাইওয়ে রিজিয়নের পুলিশ সুপার মো. শাহিনুর আলম খান।</p><h2>ঘটনার বিবরণ</h2><p>তিনি বলেন, ‘সকালে মহাসড়কের নিমসার সবজি বাজারে সড়কে যানজট নিরসনের কাজ করছিল হাইওয়ে পুলিশ। এ সময় সড়কে গাড়ি রেখে যানজট সৃষ্টি করায় একটি অটোরিকশা জব্দ করে থানায় নিচ্ছিল পুলিশ। পথিমধ্যে চালক গাড়িটি ঘুরিয়ে দিলে রিকশাটি উল্টে গিয়ে এক পুলিশ সদস্য ও চালক আহত হন।’</p><h3>হামলার ঘটনা</h3><p>এর পরপরই আশপাশের অন্তত ৩০-৩৫ জন অটোরিকশা চালক সংঘবদ্ধ হয়ে পুলিশের ওপর হামলা ও একটি গাড়ি ভাঙচুর করেন। এতে হাইওয়ে পুলিশের তিন সদস্য আহত হন।</p><p>পুলিশ সুপার আরও জানান, এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে। অভিযুক্ত ওই রিকশাচালককে আটক করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত অন্যদের আটকের চেষ্টা চলছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:26:49 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[সস্তায় ফ্ল্যাট কিনে প্রতারণার শিকার চীনে, নেই ৩৪তম তলাই]]></title>
				<category>বিনিয়োগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/biniyog/article-128024.html</link>
				<description><![CDATA[<p>সস্তায় ফ্ল্যাট কেনার হাতছানি অনেক সময় জীবনভর কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এমনই এক মর্মান্তিক প্রতারণার শিকার হয়েছেন চীনের শানসি প্রদেশের শেন নামের এক ব্যক্তি। ২০১৩ সালে তিনি একটি বহুতল ভবনের ৩৪তম তলায় ফ্ল্যাট কিনেছিলেন। কিন্তু কয়েক বছর পর ভয়াবহ এক সত্য উন্মোচিত হয়—যে ভবনে তিনি ফ্ল্যাট কিনেছেন, সেটিতে মাত্র ৩২টি তলা রয়েছে। অর্থাৎ, যে ফ্ল্যাটের জন্য তিনি দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় ছিলেন, তার বাস্তবে কোনো অস্তিত্বই নেই।</p><h2>ঘটনার বিবরণ</h2><p>ঘটনাটি ঘটেছে চীনের শি'আনের কাছাকাছি একটি গ্রামে। শেন ৯০ বর্গমিটারের এই ফ্ল্যাটটি কিনেছিলেন স্থানীয় বাজারদরের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মূল্যে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪৮ লাখ টাকা। কম দামের পেছনে কারণ ছিল প্রকল্পটির তথাকথিত 'লিমিটেড প্রোপার্টি রাইটস' মর্যাদা। এই ধরনের আবাসন প্রকল্প মূলত গ্রামীণ সমষ্টিগত মালিকানাধীন জমিতে সরকারি অনুমোদন ছাড়াই গড়ে ওঠে, যা চীনের সম্পত্তি আইনে স্বীকৃত নয় এবং কোনো আইনি সুরক্ষা পায় না।</p><h3>চুক্তি ও বাস্তবতার ফারাক</h3><p>চুক্তি অনুযায়ী, ২০১৫ সালের মধ্যে ফ্ল্যাটটি বুঝিয়ে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্মাণ কাজে বারবার দেরি হওয়ার পর ২০১৭ সালে শেন জানতে পারেন, ভবনটিতে মাত্র ৩২টি তলা রয়েছে। এর ফলে তার কেনা ৩৪তম তলার ফ্ল্যাটটি অলীক এক স্বপ্নে পরিণত হয়। নির্মাতা প্রতিষ্ঠান প্রথমে ৩২তম তলায় অন্য একটি ফ্ল্যাট দেওয়ার প্রস্তাব দিলেও, শেন অর্থ সংকটে তা নিতে পারেননি। পরবর্তীতে সেই ফ্ল্যাটটিও অন্য ক্রেতার কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়।</p><h3>আইনি লড়াই ও বর্তমান অবস্থা</h3><p>নিজের জমানো অর্থ ফেরত পেতে শেন দীর্ঘ আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। নির্মাতা প্রতিষ্ঠান আর্থিক সংকটের অজুহাতে গড়িমসি শুরু করলে বিষয়টি সালিসি প্রক্রিয়ায় গড়ায়। কর্তৃপক্ষ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানকে ডাউন পেমেন্টের বাকি অর্থ এবং সুদসহ মোট প্রায় ৭৪ হাজার ৭০০ ইউয়ান ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেয়। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে টাকা পরিশোধ না করলে অতিরিক্ত ৪৭ হাজার ইউয়ান ক্ষতিপূরণ দেওয়ারও রায় দেওয়া হয়। অথচ এক দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত শেন তার পাওনা অর্থের বড় অংশই পাননি। ফ্ল্যাট না পাওয়ায় থাকার জায়গাটুকুও জোটেনি তার, অন্যদিকে প্রতারণার ফাঁদে আটকে হারিয়েছেন জীবনের অনেকটা সময়।</p><p>চীনের এই ঘটনাটি আবাসন খাতে সস্তা কিন্তু আইনি সুরক্ষাবিহীন প্রকল্পে বিনিয়োগের ঝুঁকি এবং ভয়াবহ পরিণতির বিষয়টি আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:22:33 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধিতে বিরক্ত প্রধানমন্ত্রী]]></title>
				<category>রাজনৈতিক জোট</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/rajnoitik-jot/article-128023.html</link>
				<description><![CDATA[<p>প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমান বারবার প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি এবং ব্যয় বৃদ্ধিতে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। তিনি প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি কার জন্য হচ্ছে তা খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনার তাগিদ দিয়েছেন। এ জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।</p><h2>একনেক সভায় ১০ প্রকল্প অনুমোদন</h2><p>জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) মঙ্গলবার (৯ জুন) ৩ হাজার ৮৯০ কোটি ৯৭ লাখ টাকা ব্যয় সম্বলিত ১০টি প্রকল্প অনুমোদন করেছে। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ৩ হাজার ৮১০ কোটি ৬২ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৮০ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। প্রধানমন্ত্রী এবং একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ সচিবালয় কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।</p><h3>খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রকল্প ফিরিয়ে</h3><p>একনেক সভায় খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধনের জন্য উপস্থাপন করা হয়। বারবার মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাবে বিরক্তি প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। যে কারণে প্রকল্পটি অনুমোদন না দিয়ে একনেক সভা থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকি কার কারণে প্রকল্পটিতে বার বার মেয়াদ বৃদ্ধি করা হচ্ছে সেই ব্যক্তিকে খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।</p><h3>ব্যয় কমানোর নির্দেশ</h3><p>একনেক সভায় প্রকল্পের খরচ কমানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া প্রকল্পের অধিকাংশ খরচ বা ব্যয় অস্বাভাবিক বলে মত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এলজিইডি-পিডাব্লিউডিসহ সব বিভাগের রেট সিডিউল এক না হওয়ায় বিরক্ত প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এ জন্য দ্রুত সময়ে রেট সিডিউল একীভূত করার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।</p><h3>সড়কের পাশে গাছ লাগানোর নির্দেশ</h3><p>একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এক সময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অনেক গাছ ছিল যা দেখে ভালো লাগতো। ঢাকা-বগুড়া সড়কেও গাছ নেই। সড়কের পাশে যেন ইউক্লিপটাস-ইপিলি-ইপিল গাছ না লাগানো হয় সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।</p><h2>অনুমোদিত প্রকল্পগুলো</h2><p>অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রকল্প হলো চট্টগ্রামের আনোয়ারা থেকে কক্সবাজারের ঈদমনি পর্যন্ত আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের আওতায় প্রকল্পটির মাধ্যমে আনোয়ারা-বাঁশখালী-টইটং-পেকুয়া-বদরখালী-চকরিয়া (ঈদমনি) আঞ্চলিক মহাসড়ককে যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীত করা হবে।</p><p>এ ছাড়া পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতায় ‘বরিশাল সেচ প্রকল্পের রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতায় নেওয়া হয়েছে ‘সমন্বিত উপজেলা ভূমি কমপ্লেক্স নির্মাণ’ প্রকল্প। পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের আওতায় ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের নগর ভবন নির্মাণ প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে।</p><p>জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আওতায় দেশের ৩৩টি জেলার সার্কিট হাউস এবং ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে লিফট সংযোজনের প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে অনুমোদন পেয়েছে ‘বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট সম্প্রসারণ প্রকল্প-২’।</p><p>প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় ‘ঢাকা সিএমএইচে ক্যানসার সেন্টার নির্মাণ (দ্বিতীয় পর্যায়)’ প্রকল্পের সংশোধিত প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়েছে।</p><p>শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় দুটি প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এগুলো হলো—‘মাদ্রাসা এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম (এমইএমআইএস) সাপোর্ট’ প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধন এবং দেশের ৬৫৩টি মাদ্রাসায় মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধন।</p><p>এ ছাড়া বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতায় ‘বিদ্যমান গ্রিড উপকেন্দ্র ও সঞ্চালন লাইনের ক্ষমতাবর্ধন’ প্রকল্পের প্রথম সংশোধিত প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে।</p><h3>৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়ের প্রকল্প</h3><p>সভায় ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়ের ছয়টি প্রকল্প সম্পর্কে একনেককে অবহিত করা হয়। এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে ৩০টি পৌরসভায় পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন উন্নয়ন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও যানজট নিরসন, ডাকসেবার সম্প্রসারণ, ঢাকা সেনানিবাসে অবকাঠামো সম্প্রসারণ, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায় এবং খুলনায় পাইকগাছা কৃষি কলেজ স্থাপন প্রকল্প।</p><h3>সভায় উপস্থিতি</h3><p>সভায় অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ মন্ত্রিপরিষদের সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:38:16 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ভুয়া গ্রেফতারের খবরে ক্ষুব্ধ মিমি, মিডিয়াকে এক হাত নিলেন নায়িকা]]></title>
				<category>সিনেমা</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/cinema/article-128022.html</link>
				<description><![CDATA[<p>টালিউড অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীকে জড়িয়ে গত কয়েক দিন ধরে ‘বনগাঁকাণ্ড’ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। একাধিক প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল যে, বনগাঁ আদালতে মিমির বিরুদ্ধে চার্জশিট গঠন করা হয়েছে এবং আগামী ১০ দিনের মধ্যে তাকে সশরীরে আদালতে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।</p><h2>মিমির কড়া জবাব</h2><p>এবার এসব প্রতিবেদনকে সম্পূর্ণ ‘মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর’ বলে উড়িয়ে দিয়ে কড়া আইনি বিবৃতি জারি করলেন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। সোমবার (৮ জুন) সংবাদমাধ্যমের উদ্দেশে পাঠানো এক চিঠিতে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, তার বিরুদ্ধে এমন কোনো আইনি পদক্ষেপের খবর তো দূর, আদতে কোনো এফআইআরই নেই।</p><h3>সংবাদমাধ্যমের প্রতি ক্ষোভ</h3><p>মিমি তার বিবৃতিতে একাধিক প্রথম সারির পোর্টালকে সরাসরি কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। ৬ জুন প্রকাশিত ওই সব প্রতিবেদনে অভিযোগকারী তনয় শাস্ত্রীর বয়ানের ওপর ভিত্তি করে মিমির বিরুদ্ধে চার্জশিট ও ১০ দিনের মধ্যে হাজিরার দাবি করা হয়েছিল।</p><p>এ প্রসঙ্গে ক্ষোভ উগরে দিয়ে মিমি লিখেছেন— এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক যে, ওই সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকরা ইন্টারনেট বা সোশ্যাল মিডিয়ায় এ খবর ছড়িয়ে দেওয়ার আগে তথ্যের সত্যতা যাচাই করার প্রয়োজনটুকুও মনে করেননি। আমার বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, মানহানিকর, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং সত্যবর্জিত।</p><h3>সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত</h3><p>তিনি বলেন, এ ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন রিপোর্টিং সাধারণ মানুষের দরবারে তার দীর্ঘদিনের পরিশ্রমে তৈরি সুনাম ও ভাবমূর্তিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। ভুয়া খবর বন্ধ না করলে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়ে মিমি চক্রবর্তী বলেন, বনগাঁ আদালতে তার বিরুদ্ধে কোনো চার্জশিট দেওয়া হয়নি। বর্তমান তারিখ পর্যন্ত তার নামে কোনো ক্রিমিনাল রেকর্ড বা এফআইআরও নেই।</p><h3>কঠোর হুঁশিয়ারি</h3><p>ভবিষ্যতে যাতে এই ভুয়া খবর আর না ছড়ায়, তার জন্য কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে অভিনেত্রী বলেন, আমি সব শ্রদ্ধেয় সংবাদমাধ্যম ও প্রকাশনা সংস্থাকে অনুরোধ করছি— প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, ডিজিটাল বা সোশ্যাল মিডিয়া— কোথাও যেন এ ধরনের কোনো যাচাই না করা বা মিথ্যা খবর পরিবেশন বা প্রচার না করা হয়। এরপরও যদি কেউ এমনটি করেন, তবে তার সম্পূর্ণ দায় এবং আইনি ঝুঁকি ও খরচ সংশ্লিষ্ট সংস্থাকেই বহন করতে হবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:42:40 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ভর্তুকি বাড়ছে ৪২ হাজার ৬০০ কোটি টাকা: অর্থমন্ত্রী]]></title>
				<category>জ্বালানি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/jbalani/article-128021.html</link>
				<description><![CDATA[<p>আজ জাতীয় সংসদে কথা বলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া। সাম্প্রতিক সময়ে ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার কারণে তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও সার খাতে সরকারের ভর্তুকি ব্যয়ের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়েছে। প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুন পর্যন্ত শুধু এ চার খাতে প্রায় ৪২ হাজার ৬০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত ভর্তুকির প্রয়োজন হতে পারে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তরে এ তথ্য জানিয়েছেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।</p><h2>বিএনপি সাংসদের প্রশ্নে অর্থমন্ত্রীর জবাব</h2><p>বিএনপির সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, চার খাতের মধ্যে তেলে প্রায় ১০ হাজার ২৫৮ কোটি টাকা, গ্যাসে ১১ হাজার ১৭০ কোটি টাকা, বিদ্যুতে ১৯ হাজার ৮২১ কোটি টাকা এবং সারে প্রায় ১ হাজার ৩৫০ কোটি টাকার অতিরিক্ত ব্যয়ের প্রয়োজন হতে পারে। তা সত্ত্বেও সরকার সাধারণ জনগণ, কৃষি ও উৎপাদন খাতকে সুরক্ষা দিতে প্রয়োজনীয় নীতিগত ও আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রেখেছে।</p><h2>অর্থনীতির ওপর প্রভাব</h2><p>অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক অস্থিরতা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য তাৎক্ষণিক ও সম্ভাব্য উভয় ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি করেছে। এখন পর্যন্ত এ প্রভাব প্রধানত জ্বালানি, সার, আমদানি ব্যয়, পরিবহন ব্যয়, মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা, প্রবাসী আয় এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে বেশি দৃশ্যমান। তবে খাতভিত্তিক প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ নির্ভরযোগ্যভাবে নিরূপণের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার তথ্য সমন্বয় করা প্রয়োজন।</p><h3>জ্বালানি ও সার মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব</h3><p>অর্থমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল, এলএনজি ও সারের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় আমদানি ব্যয় ও উৎপাদন ব্যয়ের ওপর চাপ সৃষ্টি হয়েছে। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি বিদ্যুৎ, পরিবহন, কৃষি ও শিল্প খাতের ব্যয় বাড়াতে পারে, যা পরোক্ষভাবে বাজারদর ও মূল্যস্ফীতির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। মধ্যপ্রাচ্য বাংলাদেশের প্রবাসী কর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য হওয়ায় দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতা বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও প্রবাসী আয়প্রবাহের ক্ষেত্রেও ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।</p><h2>সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ</h2><p>সরকার এ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি আমদানির উৎস বহুমুখীকরণ, স্থানীয় গ্যাস অনুসন্ধান, প্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় সতর্কতা এবং বিকল্প শ্রমবাজার অনুসন্ধানের মতো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। খাতভিত্তিক ক্ষতির নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া গেলে সরকার প্রয়োজনীয় নীতিগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:59:25 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ডিএসসিসির বাজারে অবৈধ দোকান রাখা হবে না: প্রশাসক]]></title>
				<category>স্থানীয় সরকার</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/sthanio-shorokar/article-128020.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, সংস্থাটির মালিকানাধীন মার্কেটগুলোতে কোনো ধরনের অবৈধ দোকান বা স্থাপনা রাখা হবে না। মঙ্গলবার ডিএসসিসির মার্কেট কমিটির নেতাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কঠোর হুঁশিয়ারি দেন।</p><h2>মতবিনিময় সভায় আলোচিত বিষয়</h2><p>সভায় বিদ্যুৎ সাশ্রয়, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ এবং ট্রেড লাইসেন্সসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রশাসক বলেন, ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া পরিচালিত কোনো দোকানকে আর ছাড় দেওয়া হবে না। লাইসেন্সবিহীন দোকান চিহ্নিত হলে তাৎক্ষণিকভাবে সিলগালা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।</p><h3>অবৈধ স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ</h3><p>মো. আব্দুস সালাম আরও বলেন, বিভিন্ন মার্কেটে দীর্ঘ ১৫ থেকে ১৬ বছর ধরে থাকা অবৈধ স্থাপনা ও দখলদারিত্বের বিষয়গুলো আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও মার্কেট কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি।</p><h3>কর পরিশোধে বিশেষ ছাড়ের ঘোষণা</h3><p>ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে প্রশাসক বলেন, হোল্ডিং ট্যাক্স ও ট্রেড লাইসেন্স নিয়মিত পরিশোধ করতে হবে। যারা আইন ও নিয়ম মেনে ব্যবসা পরিচালনা করবেন, সিটি করপোরেশন তাদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের আইনি সহায়তা দেবে। এ সময় তিনি জানান, যেসব ব্যবসায়ীর ট্যাক্স বকেয়া রয়েছে, তাদের জন্য বিশেষ ছাড় দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। তবে সবাইকে নিয়মিত কর পরিশোধের মাধ্যমে নগর ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।</p><p>মতবিনিময় সভায় ব্যবসায়ী নেতারা তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি তুলে ধরেন। প্রশাসক এসব বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করে দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন। ডিএসসিসি সূত্র জানিয়েছে, অবৈধ স্থাপনা অপসারণ ও লাইসেন্সবিহীন দোকান বন্ধে অভিযান চলমান থাকবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:58:00 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারিতে ১,৪৯৬ কোটি টাকা জরিমানা: অর্থমন্ত্রী]]></title>
				<category>শেয়ার বাজার</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/share-bajar/article-128019.html</link>
				<description><![CDATA[<p>অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, শেয়ারবাজারে অনিয়ম, কারসাজি ও বিতর্কিত লেনদেনের ঘটনায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে মোট ১ হাজার ৪৯৬ কোটি ৬৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের বৈঠকে সিরাজগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. সেলিম রেজার প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।</p><h2>বিএসইসির তদন্ত ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা</h2><p>অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের ৫ অগাস্টের পর পুনর্গঠিত বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ১২টি আলোচিত বিষয়ে অনুসন্ধান ও তদন্ত চালিয়েছে। এসব তদন্তের ভিত্তিতে সাবেক বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম, সাবেক কমিশনার শামসুদ্দিন আহমেদ, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, কয়েকটি শিল্পগোষ্ঠী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।</p><h3>সংসদ সদস্যের প্রশ্ন ও মন্ত্রীর জবাব</h3><p>সেলিম রেজা জানতে চান, ‘বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে পুকুরচুরিতে ধ্বংসপ্রাপ্ত পুঁজিবাজার’ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং শক্তিশালী পুঁজিবাজার গঠনে বর্তমান সরকারের পদক্ষেপ কী। উত্তরে মন্ত্রী বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে পুকুরচুরিতে ধ্বংসপ্রাপ্ত পুঁজিবাজার কেলেঙ্কারিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।</p><h3>সরকার পরিবর্তনের পর বিএসইসির পুনর্গঠন</h3><p>২০২৪ সালের ৫ অগাস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বিএসইসির চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ হয়। পরে কমিশনের নেতৃত্বে পরিবর্তন আনা হয়। সংসদে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সরকার পরিবর্তনের পর নতুন কমিশন পাঁচ সদস্যের একটি অনুসন্ধান ও তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটি ১২টি বিষয়ে অনুসন্ধান চালিয়ে প্রতিবেদন জমা দেয়। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নিষেধাজ্ঞা, জরিমানা এবং বিভিন্ন অভিযোগ দুদকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:06:57 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জোরালো আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চান প্রতিমন্ত্রী]]></title>
				<category>কূটনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/kutniti/article-128017.html</link>
				<description><![CDATA[<p>পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম মঙ্গলবার রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বহুপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের গুরুত্ব তুলে ধরে টেকসই আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততার আহ্বান জানিয়েছেন।</p><p>পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জার্মান পররাষ্ট্র দপ্তরের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল বিষয়ক মহাপরিচালক ফ্রাঙ্ক হার্টম্যান সৌজন্য সাক্ষাৎ করলে তিনি এই বিষয়টি উত্থাপন করেন। এ সময় জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ মহাপরিচালকের সঙ্গে ছিলেন।</p><h2>দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার</h2><p>দুই পক্ষ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে, যা উভয় পক্ষের জন্যই উপকারী হয়েছে। তারা বাণিজ্য, বিনিয়োগ, সরবরাহ চেইন, দক্ষতা উন্নয়ন, অভিবাসন, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ এবং শান্তি ও নিরাপত্তায় সহযোগিতা বৈচিত্র্যকরণ ও জোরদারের উপায় নিয়ে আলোচনা করে।</p><h3>বাণিজ্য ও বিনিয়োগ</h3><p>মহাপরিচালক দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বৈচিত্র্যকরণ ও সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন, যা অন্যান্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সহায়ক হবে। উভয় পক্ষ দ্বিপক্ষীয় পরামর্শ এবং উচ্চ পর্যায়ের সফর আয়োজনের বিষয়েও আলোচনা করে, যা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে গতিশীল করবে।</p><p>মহাপরিচালক বাংলাদেশকে ২০২৬-২০২৭ মেয়াদের জন্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান।</p><h3>ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি</h3><p>উভয় পক্ষ দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) গুরুত্বের ওপর জোর দেয়।</p><p>দুই পক্ষ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ইস্যুতে মত বিনিময় করে, শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং জোরদার আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গুরুত্বের ওপর জোর দেয়।</p><p>এর আগে, মহাপরিচালক পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (পূর্ব ও পশ্চিম) ড. মো. নজরুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থের ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর পথ নিয়ে আলোচনা করেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:04:37 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[উল্যাবের অধ্যাপক জুড উইলিয়াম জেনিলো ডিডব্লিউ আকাদেমির গ্লোবাল রেফারেন্স গ্রুপে মনোনীত]]></title>
				<category>গবেষণা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/gobeshona/article-128016.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশের ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (উল্যাব) জানিয়েছে, অধ্যাপক জুড উইলিয়াম জেনিলো, যিনি প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর এবং সাংবাদিকতা, মিডিয়া স্টাডিজ ও কমিউনিকেশন বিভাগের অধ্যাপক, ডয়েচে ভেলের মিডিয়া উন্নয়ন সংস্থা ডিডব্লিউ আকাদেমির গ্লোবাল রেফারেন্স গ্রুপে (জিআরজি) নিযুক্ত হয়েছেন।</p><h2>গ্লোবাল রেফারেন্স গ্রুপ কী?</h2><p>জিআরজি একটি ১২ সদস্যের উপদেষ্টা সংস্থা, যা আন্তর্জাতিক মিডিয়া এবং মিডিয়া উন্নয়ন বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত, যারা ডিডব্লিউ আকাদেমি যে অঞ্চলে কাজ করে সেখান থেকে আসেন। ২০২৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই গ্রুপটি ডিডব্লিউ আকাদেমিকে কৌশলগত দিকনির্দেশনা প্রদান করে, বিশ্ব মিডিয়া ল্যান্ডস্কেপের উদীয়মান চ্যালেঞ্জ এবং সুযোগ সম্পর্কে স্বাধীন দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করে।</p><h3>অধ্যাপক জেনিলোর নিয়োগ</h3><p>অধ্যাপক জেনিলোকে ডিডব্লিউ আকাদেমির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কার্স্টেন ফন নাহমেন গ্রুপে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন, যা সাংবাদিকতা শিক্ষা, মিডিয়া উন্নয়ন, কৌশলগত যোগাযোগ, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি এবং মিডিয়া ও তথ্য সাক্ষরতায় তার কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ। সদস্য হিসেবে অধ্যাপক জেনিলো ২০২৬ সালের জুন মাস থেকে এক বছরের মেয়াদে দায়িত্ব পালন করবেন, বার্ষিক পরামর্শ এবং ভার্চুয়াল সভায় অংশগ্রহণ করবেন। গ্রুপটি ডিডব্লিউ আকাদেমির ব্যবস্থাপনা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া থেকে স্বাধীন থেকে কৌশলগত সুপারিশ প্রদান করবে।</p><h2>অধ্যাপকের প্রতিক্রিয়া</h2><p>নিয়োগের বিষয়ে অধ্যাপক জেনিলো বলেন: "মিডিয়া উন্নয়নের জন্য আজ অঞ্চল, সংস্কৃতি এবং প্রেক্ষাপট জুড়ে প্রকৃত সংলাপ প্রয়োজন। আমি ডিডব্লিউ আকাদেমির স্বাধীন মিডিয়া, মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং বিশ্বব্যাপী তথ্যে প্রবেশাধিকার সমর্থনের জন্য আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং কার্যকর পদ্ধতি গড়ে তোলার প্রচেষ্টায় অবদান রাখতে পেরে সম্মানিত।" তিনি ২০২৬ সালের জুনের শেষের দিকে জার্মানির বনে অনুষ্ঠিতব্য প্রথম জিআরজি পরামর্শ কর্মশালায় অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে, পাশাপাশি গ্লোবাল মিডিয়া ফোরামেও অংশগ্রহণ করবেন, যা মিডিয়া পেশাদার, শিক্ষাবিদ, নীতিনির্ধারক এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের একত্রিত করে সাংবাদিকতা এবং যোগাযোগের বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করতে।</p><h3>উল্যাবের ভূমিকা</h3><p>উল্যাব জানিয়েছে, এই নিয়োগ মিডিয়া উন্নয়নে কাজ করা আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কগুলির সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পৃক্ততাকে আন্ডারস্কোর করে এবং বৈশ্বিক মিডিয়া আলোচনায় বাংলাদেশি পণ্ডিতদের ক্রমবর্ধমান স্বীকৃতি তুলে ধরে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:07:09 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[মুন্সীগঞ্জে কালবৈশাখি ঝড়ে গাছ উপড়ে অটোরিকশার উপর পড়ল]]></title>
				<category>নিরাপত্তা বাহিনী</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/nirapotta-bahini/article-128015.html</link>
				<description><![CDATA[<p>মুন্সীগঞ্জে কালবৈশাখি ঝড়ে একটি গাছ উপড়ে পড়ে অটোরিকশার উপর। এতে অটোরিকশাটি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো হতাহতের খবর নেই। স্থানীয়রা দ্রুত গাছটি সরিয়ে ফেলে।</p><h2>‘দুই সিটির প্রশাসক সরকারের টাকায় নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছেন’</h2><p>অভিযোগ উঠেছে, দুই সিটির প্রশাসক সরকারের টাকায় নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় নাগরিকরা।</p><h2>ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ</h2><p>ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়।</p><h2>দিপু মনির ৩৮ মামলার দুটিতে জামিন</h2><p>আওয়ামী লীগ নেতা দিপু মনির ৩৮ মামলার মধ্যে দুটিতে জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। বাকি মামলায় আগামী শুনানি নির্ধারিত রয়েছে।</p><h2>বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থন চাইল হালান্ডের নরওয়ে</h2><p>ফুটবল তারকা আর্লিং হালান্ডের নরওয়ে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থন চেয়েছে। নরওয়েজিয়ান ফুটবল ফেডারেশন বাংলাদেশের সমর্থকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।</p><h2>মামলা ঝুলছে পাঁচ বছর হবিগঞ্জের বিচারককে হাইকোর্টের তলব বাতিল</h2><p>হবিগঞ্জের এক বিচারকের বিরুদ্ধে পাঁচ বছর ধরে ঝুলে থাকা মামলায় হাইকোর্টের তলব বাতিল করা হয়েছে। আদালত বিষয়টি নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছে।</p><h2>হয়ে গেল ইরানের জন্য বরাদ্দ থাকা টিকিটও</h2><p>ইরানের জন্য বরাদ্দ থাকা টিকিট বাতিল হয়ে গেছে। এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হয়েছে।</p><h2>ভারতের পত্রিকায় সিরিজ সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা ‘জনগণের শক্তি নিয়েই আমি ফিরব’</h2><p>প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের এক পত্রিকায় সিরিজ সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘জনগণের শক্তি নিয়েই আমি ফিরব।’ তিনি দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতায় জনগণের ভূমিকার ওপর জোর দেন।</p><h2>এক রাতে তিন কৃষকের সাত গরু চুরি, আতঙ্কে খামারিরা</h2><p>এক রাতে তিন কৃষকের সাতটি গরু চুরি হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। খামারিরা নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।</p><h2>অভিযানের আগেই পালালেন অভিযুক্ত, ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার</h2><p>পুলিশ অভিযানের আগেই পালিয়ে গেছেন গাঁজা চোরাচালানের অভিযুক্ত। তবে ঘটনাস্থল থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:42:24 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[উপজেলা হাসপাতাল ১০১ শয্যায় উন্নীতকরণের সিদ্ধান্ত সরকারের]]></title>
				<category>উপজেলা</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/upojela/article-128014.html</link>
				<description><![CDATA[<p>সরকার দেশের সব বিদ্যমান ৩১ শয্যা ও ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যার সুবিধায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার করার অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সচিবালয়ে প্রেস ইনফরমেশন বিভাগের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ড. জাহেদ উর রহমান এই ঘোষণা দেন।</p><h2>১০১ শয্যার লক্ষ্য</h2><p>ড. জাহেদ উর রহমান বলেন, বর্তমানে মাত্র আটটি উপজেলায় ১০০ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স রয়েছে। সারা দেশে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবার প্রবেশাধিকার উন্নত করতে সরকার বাকি সব ৩১ ও ৫০ শয্যার সুবিধাগুলোকে ১০১ শয্যার হাসপাতালে রূপান্তরের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।</p><h3>বৈদ্যুতিক অ্যাম্বুলেন্স উদ্যোগ</h3><p>উপদেষ্টা আরও জানান, দ্রুত জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে বৈদ্যুতিক অ্যাম্বুলেন্স তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কারিগরি সহায়তায় এই অ্যাম্বুলেন্স তৈরি করা হবে। তার মতে, ৬ জুন প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে প্রথমে একটি নির্বাচিত উপজেলায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে প্রকল্পটি চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, পরে তা ব্যাপকভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।</p><h2>ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণ</h2><p>ডেঙ্গু পরিস্থিতি প্রসঙ্গে ড. জাহেদ বলেন, সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ডেঙ্গুর ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে জাতীয় প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করেছে। প্রথম ধাপের প্রশিক্ষণ ৭ জুন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিভিন্ন অঞ্চলের চিকিৎসকরা অংশ নেন। দেশের সব বিভাগ ও জেলায় একই ধরনের কর্মশালা পরিচালিত হবে।</p><p>উপদেষ্টা ব্রিফিংয়ে অন্যান্য খাতে সরকারের বেশ কয়েকটি সাম্প্রতিক উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:02:22 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[মুন অ্যালার্ট: ফেসবুকে নিখোঁজ শিশুর নোটিফিকেশন আসলে কী?]]></title>
				<category>ডিজিটাল বাংলাদেশ</category>
				<link>https://bdgazette.com/projukti/digital-bangladesh/article-128013.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ফেসবুক বা মেসেঞ্জার খুললেই হঠাৎ একটি অদ্ভুত নোটিফিকেশন— “Find a missing child in your area” অর্থাৎ “আপনার এলাকায় নিখোঁজ শিশুকে খুঁজুন।” কেউ অবাক হচ্ছেন, কেউ চিন্তিত, আবার কেউ ভাবছেন—এটা কি নতুন কোনও স্ক্যাম বা ফিচার? সম্প্রতি বাংলাদেশে অনেক ফেসবুক ব্যবহারকারীর ফোনে এ ধরনের নোটিফিকেশন দেখা যাচ্ছে। এর পেছনে রয়েছে একটি নতুন ডিজিটাল নিরাপত্তা উদ্যোগ, যার নাম <strong>মুন অ্যালার্ট</strong> (MUN Alert)।</p><h2>মুন অ্যালার্ট আসলে কী?</h2><p>মুন অ্যালার্ট হলো শিশু নিখোঁজ হলে দ্রুত তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার একটি ব্যবস্থা। এর মূল উদ্দেশ্য একটাই—নিখোঁজ শিশুর তথ্য যত দ্রুত সম্ভব সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া, যাতে খোঁজের কাজে সবাই অংশ নিতে পারেন। এই ব্যবস্থায় পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম একসঙ্গে কাজ করে। বাংলাদেশে শিশু নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাগুলোর দ্রুত অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে প্রযুক্তিনির্ভর একটি নতুন উদ্যোগ হিসেবে এ বছরের জানুয়ারিতে পরীক্ষামূলকভাবে ‘মুন অ্যালার্ট’ চালু করা হয়েছে।</p><h3>কীভাবে কাজ করে এই ব্যবস্থা?</h3><p>এই পুরো প্রক্রিয়াটি কয়েকটি ধাপে চলে—প্রথম ধাপ: তথ্য গ্রহণ। কোনও শিশু নিখোঁজ হলে পরিবার বা পরিচিতজন বিষয়টি পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট টিমকে জানায়। দ্বিতীয় ধাপ: যাচাই। তথ্য যাচাই করে শিশুর ছবি, পরিচয় ও শেষ অবস্থান নিয়ে একটি আনুষ্ঠানিক সতর্কবার্তা তৈরি করা হয়। তৃতীয় ধাপ: নোটিফিকেশন পাঠানো। এরপর এই তথ্য ফেসবুক ও মেসেঞ্জারের মাধ্যমে নির্দিষ্ট এলাকার মানুষের কাছে পাঠানো হয়। এই নোটিফিকেশনই ব্যবহারকারীরা “মুন অ্যালার্ট” হিসেবে দেখেন।</p><h3>কারা এই নোটিফিকেশন পান?</h3><p>এটি সবার কাছে যায় না। নিখোঁজ শিশুটি যে এলাকায় হারিয়েছে, সেই এলাকা এবং আশপাশের ব্যবহারকারীরাই এই অ্যালার্ট পান। অর্থাৎ এটি একটি অবস্থানভিত্তিক সতর্কতা ব্যবস্থা।</p><h3>কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?</h3><p>সাধারণভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনও তথ্য ছড়াতে সময় লাগে—কে দেখবে, কে শেয়ার করবে, তার ওপর অনেক কিছু নির্ভর করে। কিন্তু মুন অ্যালার্ট সরাসরি নোটিফিকেশন হিসেবে ফোনে আসে। ফলে তথ্য দ্রুত পৌঁছে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিখোঁজ শিশু খোঁজার ক্ষেত্রে প্রথম কয়েক ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p><h3>এটি কি নতুন ধারণা?</h3><p>বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আগে থেকেই এ ধরনের নিখোঁজ শিশু খোঁজার ব্যবস্থা রয়েছে। বাংলাদেশে মুন অ্যালার্ট সেই ধরনের একটি উদ্যোগের স্থানীয় প্রয়োগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এটি এখন পরীক্ষামূলক পর্যায়ে থাকলেও ধীরে ধীরে বিস্তৃত হচ্ছে।</p><h3>সাধারণ মানুষের ভূমিকা</h3><p>এই ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় দিক হলো—এখানে শুধু পুলিশ নয়, সাধারণ মানুষও অংশ নেয়। কারণ নোটিফিকেশন এমন অনেক মানুষের কাছে পৌঁছে যায়, যারা ঘটনাস্থলের কাছাকাছি থাকেন এবং শিশুটিকে দেখে ফেলতে পারেন।</p><h3>তবে কিছু সীমাবদ্ধতাও আছে</h3><p>এখনও এই ব্যবস্থায় কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে— সব এলাকায় সমানভাবে কাজ করছে না; প্রশাসনিক সমন্বয় পুরোপুরি গড়ে ওঠেনি; এটি এখনও পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে।</p><h2>শেষ কথা</h2><p>মুন অ্যালার্ট শুধু একটি নোটিফিকেশন নয়। এটি প্রযুক্তি, প্রশাসন এবং মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় তৈরি একটি দ্রুত প্রতিক্রিয়াশীল ব্যবস্থা। ফেসবুকে যে ছোট্ট বার্তাটি আসে, সেটি অনেক সময় শুধু ডিজিটাল তথ্য নয়—বরং বাস্তব জীবনে কারও ফিরে আসার সম্ভাবনা তৈরি করে দেয়। আর সেই কারণেই এই অ্যালার্ট এখন অনেকের কাছে শুধু একটি নোটিফিকেশন নয়, বরং একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:09:02 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[মাতামুহুরিতে ডাকাতির পর মা-মেয়ে ধর্ষণ, ৬ আটক]]></title>
				<category>মানবাধিকার</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/manbadhikar/article-128012.html</link>
				<description><![CDATA[<p>কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরি উপজেলায় এক বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতির পর এক গৃহবধূ ও তার দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে ছয় জনকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (৮ জুন) রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।</p><p>আটক ব্যক্তিরা হলো- রেজাউল করিম (৩৬), তোফাজ্জল হোসেন (২৩), কেফায়েত হোসেন (২৭), মোহাম্মদ তানজিদ (২৪), মেহেদী হাসান (২৪) ও মোহাম্মদ তারেক (২৬)। তারা সবাই ওই উপজেলার বাসিন্দা।</p><p>পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন, ওই গৃহবধূর স্বামী চট্টগ্রাম নগরে চাকরি করেন। বাড়িতে ১৫ বছর ও সাত বছরের দুই মেয়েকে নিয়ে গৃহবধূ থাকেন। সোমবার রাতে ৮ থেকে ১০ সদস্যের ডাকাত দল তার ঘরে হানা দেয়। ঘরের জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে ডাকাত দলের সদস্যরা। এরপর ঘরের আলমারি থেকে স্বর্ণ, নগদ টাকা লুট করে গৃহবধূ ও তার ১৫ বছরের কিশোরী মেয়েকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়।</p><p>ওই গৃহবধূর ছোট ভাই বলেন, ‘ডাকাত দলের সদস্যরা চলে যাওয়ার পর খবর পেয়ে আমরা সেখানে যাই। তখন আমার বোন ও ভাগনি দুটি কক্ষে বসে ছিল। ঘটনার বর্ণনা শুনে তাদের উদ্ধার করে রাত ৪টার দিকে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে দুজনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।’</p><p>গৃহবধূর মা জানিয়েছেন, ‘এমন বর্বর ঘটনা এই এলাকায় আগে ঘটেনি। কারও কাছেও শুনিনি। আমার মেয়ে ও নাতনির ওপর যারা পাশবিক নির্যাতন চালিয়েছে, তাদের ফাঁসি দেওয়া হোক। আর কোনও চাওয়া নেই।’</p><p>চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, ‘পুলিশ ভোরে অভিযান চালিয়ে ছয় জনকে আটক করেছে। এর মধ্যে চার জনকে ভুক্তভোগীরা ঘটনায় জড়িত বলে শনাক্ত করেছেন। ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি মামলার প্রক্রিয়াও চলছে।’</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:11:47 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের টিকিট বাতিলে ইরানি সমর্থকদের বিশ্বকাপ দেখা নিয়ে শঙ্কা]]></title>
				<category>ফুটবল</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/football/article-128011.html</link>
				<description><![CDATA[<p>২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের আর মাত্র তিন দিন বাকি। 'দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ'খ্যাত এই আসরকে সামনে রেখে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত অংশগ্রহণকারী দলগুলো। তবে গত তিন মাস ধরে চলা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের প্রভাব পড়েছে বিশ্বকাপেও। যার পরিপ্রেক্ষিতে ইরানের ফুটবলপ্রেমীদের মাঠে বসে খেলা দেখার সৌভাগ্য নাও হতে পারে।</p><h2>ইরান ফুটবল ফেডারেশনের অভিযোগ</h2><p>ইরান ফুটবল ফেডারেশনের (এফএফআইআরআই) দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের স্টেডিয়ামে বসে গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো ইরানের ফুটবলসমর্থকেরা দেখতে পারবেন না। মঙ্গলবার (৯ জুন) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সংস্থাটি অভিযোগ করে, ইরানিদের জন্য বরাদ্দ করা টিকিট বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এফএফআইআরআই বলেছে, '২০২৬ বিশ্বকাপ শুরুর তিন দিনও বাকি নেই। যুক্তরাষ্ট্রে গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচে স্টেডিয়ামগুলোতে ইরানি সমর্থকদের উপস্থিতি বাধাগ্রস্ত করার পদক্ষেপ নিয়েছে। ইরানিদের জন্য বরাদ্দকৃত টিকিট বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র।'</p><h3>টিকিট বিতরণে জটিলতা</h3><p>এফএফআইআরআই জানিয়েছে, তারা (এফএফআইআরআই) হাতে গোনা কয়েকটা টিকিট পেয়েছে। পরে গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচের জন্য টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছিল। ইরানের অনেক সমর্থক এরই মধ্যে ভ্রমণের জন্য প্রস্তুতিও নিয়ে ফেলেছেন। কিন্তু অপ্রত্যাশিতভাবে ইরান ফুটবল ফেডারেশনের জন্য বরাদ্দকৃত টিকিট প্রত্যাহার করা হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাই ফেডারেশন সমর্থকদের একটা টিকিটও দিতে পারছে না। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি ম্যাচের টিকিটের ৮ শতাংশ অংশগ্রহণকারী দেশের ফুটবল ফেডারেশনকে বরাদ্দ করা হয়। এসব টিকিট সংশ্লিষ্ট ফেডারেশন তাদের সমর্থকদের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট মাধ্যমে বিতরণ করে। কিন্তু ইরানের জন্য টিকিট দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।</p><h3>যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপের নিন্দা</h3><p>যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে এফএফআইআরআই 'আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার চেতনা এবং অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর সমতার নীতির পরিপন্থী' বলে উল্লেখ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রে ম্যাচ খেললেও ইরান ফুটবল দলের বেস ক্যাম্প এখন মেক্সিকোতে। তুরস্কের আন্তালিয়া থেকে দীর্ঘ যাত্রা করে মেক্সিকোর তিজুয়ানা শহরে পৌঁছেছে। ইরানি দল ও কোচিং স্টাফের ভিসা অনুমোদিত হলেও দলের কয়েকজন কর্মকর্তা এখনো যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাননি। 'দ্য অ্যাথলেটিকে'র এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ভিসা না পাওয়া ১৩ ব্যক্তির মধ্যে দুই বিশ্লেষক, কয়েকজন নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সংবাদমাধ্যমকর্মীও রয়েছেন।</p><h3>ইরানের গ্রুপ পর্বের সূচি</h3><p>এবারের বিশ্বকাপে ইরান পড়েছে 'জি' গ্রুপে। লস অ্যাঞ্জেলেসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ইরান। ২১ জুন একই মাঠে এশিয়ার দলটির প্রতিপক্ষ বেলজিয়াম। এই লস অ্যাঞ্জেলেসেই প্রবাসী ইরানিদের সংখ্যা বেশি। সিয়াটলে ২৭ জুন গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ইরানের প্রতিপক্ষ মিসর।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:30:44 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[সাতক্ষীরায় শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে শিক্ষককে পিটিয়ে জখম]]></title>
				<category>শিক্ষক</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/shikkhok/article-128010.html</link>
				<description><![CDATA[<p>সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বিরুদ্ধে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ তুলে মব সৃষ্টি করে পিটিয়ে জখম করার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল সোমবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত উপজেলার একটি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী ওই বিদ্যালয়ের গণিতের শিক্ষক। তাঁকে প্রথমে শ্রেণিকক্ষে চড়-থাপ্পড় মারার পর শিক্ষকদের কক্ষে নিয়ে লোহার রড দিয়ে পেটানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ও জনরোষ থেকে শিক্ষককে বাঁচাতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁকে পুলিশের কাছে তুলে দেয়। লিখিত অভিযোগ না থাকায় রাতে তাঁকে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার জিম্মায় দেওয়া হয়।</p><h2>অভিযোগকারী বাবার বক্তব্য</h2><p>আজ মঙ্গলবার সকালে অভিযোগকারী শিক্ষার্থীর বাবার সঙ্গে কথা হয়। তিনি জানান, ঈদের ছুটির পর গত রোববার বিদ্যালয়ে পাঠদান শুরু হয়। দুপুর ১২টার দিকে সপ্তম শ্রেণিতে গণিতের ক্লাস নেওয়ার সময় ওই শিক্ষক তাঁর মেয়ের সঙ্গে অশোভন আচরণ করেছেন বলে অভিযোগ। বিকেলে বাড়িতে ফিরে মেয়েটি ঘটনাটি তার মাকে জানায়। এরপর তিনি বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আজগার আলী সরদারকে জানান। তবে তিনি বিষয়টিকে গুরুত্ব দেননি। এ কারণে স্থানীয় লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে গতকাল সকাল ১০টার দিকে তিনি বিদ্যালয়ে যান। এ সময় গণিতের ক্লাস চলাকালে তিনি ওই শিক্ষককে কয়েকটি চড় মারেন। পরে স্থানীয় কয়েকজন শিক্ষকদের কক্ষে ঢুকে তাঁকে মারধর করেন। তিনি দাবি করেন, গত বছরও ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছিল। এ ঘটনার পর তিনি তাঁর মেয়েকে অন্যত্র ভর্তি করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।</p><h3>শিক্ষার্থীদের বক্তব্য</h3><p>সপ্তম শ্রেণির অন্তত তিন শিক্ষার্থী জানায়, রোববার শ্রেণিকক্ষে তাদের সহপাঠীর সঙ্গে ওই শিক্ষকের কোনো খারাপ আচরণ করতে তারা দেখেনি। তবে সোমবার পাঠদান চলাকালে এক শিক্ষার্থীর বাবা শ্রেণিকক্ষে ঢুকে ওই শিক্ষককে মারধর করেন।</p><h2>ভুক্তভোগী শিক্ষকের স্ত্রীর বক্তব্য</h2><p>এ বিষয়ে কথা বলতে ওই শিক্ষকের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। তাঁর স্ত্রী প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে করা অভিযোগ মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক। প্রশাসনের কাছে তিনি ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেছেন।</p><h3>বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বক্তব্য</h3><p>বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আজগার আলী সরদার বলেন, কোনো শিক্ষক-শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দেওয়ার সুযোগ আছে। রোববারের ঘটনার বিষয়ে সোমবার সকালে জানার পর তিনি অভিযোগকারী অভিভাবককে বিদ্যালয়ে আসতে বলেন। কিন্তু ওই অভিভাবক শতাধিক লোক নিয়ে বিদ্যালয়ে আসেন। তিনি বলেন, ওই অভিভাবক শ্রেণিকক্ষে গিয়ে ওই শিক্ষককে কয়েকটি চড় মারেন। পরে শিক্ষকদের কক্ষে আসার পর বহিরাগত লোকজন লোহার রড দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত করেন। বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও থানার পুলিশকে জানানো হয়। জনরোষ থেকে রক্ষা করতে শিক্ষককে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।</p><h2>উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বক্তব্য</h2><p>সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে লিখিতভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো উচিত ছিল। অভিযোগের পরিবর্তে বিদ্যালয়ে ঢুকে হামলা চালানো ও মব সৃষ্টি করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এতে শিক্ষার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তিনি বলেন, ওই শিক্ষককে অন্যত্র বদলির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p><h3>ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বক্তব্য</h3><p>আগরদাঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কবীর হোসেন বলেন, ঘটনাটি দুঃখজনক। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মর্যাদা বিবেচনায় স্থানীয়ভাবে আলোচনা করে মামলা না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।</p><h2>সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বক্তব্য</h2><p>সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান বলেন, লিখিত অভিযোগ না পাওয়ায় সোমবার রাতে ওই শিক্ষককে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:55:45 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[মেটলাইফ সমীক্ষায় উঠে এল কর্মীদের প্রত্যাশা: আর্থিক ও মানসিক চাপে সহায়তা চায় ৭৫%]]></title>
				<category>জনস্বাস্থ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/swasthyo/jonswasthyo/article-128008.html</link>
				<description><![CDATA[<p>মেটলাইফ বাংলাদেশের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, দেশের ৭৫ শতাংশের বেশি কর্মী অপ্রত্যাশিত আর্থিক চাপ বা ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য সমস্যার সময় নিয়োগকর্তার কাছ থেকে সহায়তা প্রত্যাশা করেন। এই ফলাফল কর্মক্ষেত্রে আরও সহানুভূতিশীল এবং কর্মীকেন্দ্রিক পরিবেশের ক্রমবর্ধমান চাহিদাকে নির্দেশ করে।</p><h2>কর্মীদের প্রত্যাশায় পরিবর্তন</h2><p>সমীক্ষাটি কর্মীবাহিনীর প্রত্যাশায় একটি স্পষ্ট পরিবর্তন দেখিয়েছে, যেখানে কর্মীরা শুধু পেশাগত উন্নয়নেই নয়, বরং জীবনের সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং মুহূর্তেও নিয়োগকর্তার কাছ থেকে সহায়তা চান। মেটলাইফ বাংলাদেশের ২০২৫ সালের কর্মী সুবিধা প্রবণতা সমীক্ষা (ইবিটিএস) অনুসারে, এই ধরনের সহায়তার প্রত্যাশা সবচেয়ে বেশি দেখা যায় বড় ধরনের disruptions-এর সময়।</p><h3>প্রধান চাহিদাগুলো</h3><p>গবেষণা অনুযায়ী, প্রায় ৪৩ শতাংশ কর্মী অপরিকল্পিত আর্থিক চাপ বা খরচের কথা উল্লেখ করেছেন, যেখানে ২৫ শতাংশ চলমান মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার কথা বলেছেন। ২৪ শতাংশ কর্মী পরিচর্যার দায়িত্ব এবং ২১ শতাংশ গুরুতর চিকিৎসা নির্ণয় বা পদ্ধতির সময় সহায়তার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন। সমীক্ষার ফলাফল নিশ্চিত করে যে আর্থিক ধাক্কা, স্বাস্থ্য সমস্যা এবং পারিবারিক দায়িত্বই সেই পরিস্থিতি যেখানে নিয়োগকর্তার সহায়তা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।</p><h2>মেটলাইফ বাংলাদেশের সিইও-এর বক্তব্য</h2><p>মেটলাইফ বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলা আহমদ বলেন, “আজকের কর্মীবাহিনী আশা করে যে নিয়োগকর্তারা তাদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে পাশে দাঁড়াবেন, তা আর্থিক চাপ, স্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ বা পারিবারিক দায়িত্ব যাই হোক না কেন। যখন প্রতিষ্ঠানগুলো এই গুরুত্বপূর্ণ জীবন ঘটনাগুলোর সময় প্রকৃত যত্ন দেখায়, তখন তা বিশ্বাস তৈরি করে, উৎপাদনশীলতা বাড়ায় এবং দীর্ঘমেয়াদী আনুগত্য মজবুত করে।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের শীর্ষ জীবন বীমা কোম্পানি হিসেবে মেটলাইফ কর্মীদের সুরক্ষা এবং তাদের উন্নয়নে সহায়তা করে এমন সমাধান দিয়ে নিয়োগকর্তাদের সহায়তা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”</p><h3>কর্মীদের অভিজ্ঞতা ও ব্যবধান</h3><p>যদিও ৭২ শতাংশ কর্মী মনে করেন যে তাদের প্রতিষ্ঠান তাদের সম্পর্কে যত্নশীল, তবে মাত্র ৪২ শতাংশ সক্রিয়ভাবে তাদের নিয়োগকর্তাকে সুপারিশ করবেন। সমীক্ষাটি উদ্দেশ্য এবং প্রকৃত কর্মী অভিজ্ঞতার মধ্যে একটি স্পষ্ট ব্যবধান প্রকাশ করে। কর্মীরা জোর দেন যে অর্থপূর্ণ সহায়তা অবশ্যই নীতির বাইরে গিয়ে বাস্তব জীবনের চ্যালেঞ্জের সময় দৃশ্যমান হতে হবে।</p><h2>নমনীয় নীতি ও কর্মী-কেন্দ্রিক কর্মক্ষেত্র</h2><p>প্রায় ২৯ শতাংশ কর্মী নমনীয় ছুটির নীতির গুরুত্ব তুলে ধরেন, ২৬ শতাংশ কঠিন সময়ে কাজের চাপ কমানোর প্রত্যাশা করেন এবং ২২ শতাংশ কাজের সময়সূচির ওপর অধিক নিয়ন্ত্রণ চান। এটি বিশেষ করে তরুণ কর্মীদের মধ্যে আরও মানব-কেন্দ্রিক কর্মক্ষেত্রের দিকে একটি বিস্তৃত পরিবর্তন প্রতিফলিত করে।</p><h3>ব্যবসায়িক প্রয়োজনীয়তা</h3><p>সমীক্ষাটি পুনর্ব্যক্ত করে যে নিয়োগকর্তার সহায়তা শুধু কল্যাণের বিষয় নয়, বরং একটি ব্যবসায়িক প্রয়োজনীয়তা। প্রায় ৭৮ শতাংশ কর্মী বলেন যে কল্যাণ সুবিধাগুলোতে প্রবেশ তাদের আনুগত্য বাড়ায় এবং যারা তাদের সুবিধা নিয়ে সন্তুষ্ট তারা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ব্যস্ততা এবং সুপারিশ প্রদর্শন করে। যে প্রতিষ্ঠানগুলো গুরুত্বপূর্ণ জীবন ঘটনাগুলোর সময় সহানুভূতির সাথে সাড়া দেয়, তারা বিশ্বাস তৈরি করতে, ব্যস্ততা বাড়াতে এবং উৎপাদনশীলতা মজবুত করতে পারে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:23:34 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[জামায়াতের বিকল্প বাজেট: ৮ লাখ ৩৯ হাজার কোটি টাকা]]></title>
				<category>ব্যবসা-বাণিজ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/bebsha-banijjo/article-128007.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৮ লাখ ৩৯ হাজার কোটি টাকার একটি বিকল্প জাতীয় বাজেট প্রস্তাব করেছে, যেখানে জনপ্রশাসন, ঋণ পরিশোধ এবং শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।</p><h2>বাজেট প্রস্তাবনা উপস্থাপন</h2><p>সংসদের সরকারি বিরোধী দলটি মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকার মগবাজারের আল ফালাহ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের 'জনগণমুখী বাজেট ২০২৬-২৭' উন্মোচন করে। দলের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন এই বিস্তৃত আর্থিক পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন।</p><h2>খাতভিত্তিক বরাদ্দ</h2><p>প্রস্তাবিত বাজেট বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট বাজেটের ২৪ দশমিক ০৯ শতাংশ বা ২ লাখ ২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে জনপ্রশাসন খাতে, যা সর্বোচ্চ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যয়ের খাত হলো ঘरेলো ও বিদেশি ঋণের সুদ পরিশোধ, যার জন্য বরাদ্দ ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের ১৫ দশমিক ১৯ শতাংশ। শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতেও উল্লেখযোগ্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের ১৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ।</p><h3>যোগাযোগ ও কৃষি</h3><p>জাতীয় যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে ৬৫ হাজার ৩৪০ কোটি টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। খাদ্য নিরাপত্তা ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় কৃষি খাতে ৫১ হাজার ৬৭০ কোটি টাকা এবং সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণ খাতে ৪৮ হাজার ১৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্য খাত এবং স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন খাতে প্রায় সমান ৪৫ হাজার ২০০ কোটি টাকা করে বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।</p><h3>প্রতিরক্ষা ও অন্যান্য খাত</h3><p>বিকল্প বাজেটে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাতের জন্যও বরাদ্দ রাখা হয়েছে। প্রতিরক্ষা খাতে ৪৩ হাজার ৪৬০ কোটি টাকা, জনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তায় ৩৪ হাজার ৪৫০ কোটি টাকা এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ২৪ হাজার ৯৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রয়েছে। বিনোদন, সংস্কৃতি ও ধর্ম এবং শিল্প সেবা ও আবাসন খাতে অপেক্ষাকৃত কম বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা জামায়াতের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত করে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:50:08 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ধর্ষণ প্রমাণে চার সাক্ষী বাধ্যতামূলক নয়: জাকির নায়েক]]></title>
				<category>আধ্যাত্মিকতা</category>
				<link>https://bdgazette.com/jibonjapon/adhyatmikota/article-128006.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ধর্ষণ পৃথিবীর সবচেয়ে জঘন্য অপরাধগুলোর একটি, যা নারীর শরীর ও আত্মমর্যাদা উভয়কেই ক্ষতিগ্রস্ত করে। ইসলামের বিরুদ্ধে প্রায়ই অভিযোগ তোলা হয় যে ধর্ষণের শিকার নারীকে ন্যায়বিচার পেতে চারজন প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী হাজির করতে হয়। তবে এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। আন্তর্জাতিক ইসলামি টেলিভিশন হুদা টিভির এক আলোচনায় ডা. জাকির নায়েক এই ভুল ধারণা দূর করেছেন।</p><h2>চার সাক্ষীর বিধান কোথায় প্রযোজ্য?</h2><p>জাকির নায়েক বলেন, ইসলামি শরিয়তে জিনা (ব্যভিচার) ও ধর্ষণ এক বিষয় নয়। কেউ যদি কোনো সতী নারীর বিরুদ্ধে ব্যভিচারের অপবাদ দেয়, তবে তাকে চারজন সাক্ষী হাজির করতে হবে। ব্যর্থ হলে অভিযোগকারী নিজেই শাস্তিযোগ্য। কুরআনে বলা হয়েছে: 'যারা সতী নারীদের বিরুদ্ধে অপবাদ আরোপ করে, অতঃপর চারজন সাক্ষী উপস্থিত করতে পারে না, তাদের আশি বেত্রাঘাত করো' (সুরা আন-নূর: ৪)। এই শর্ত ধর্ষণের জন্য নয়, বরং অপবাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।</p><h2>ধর্ষণ ও জিনার পার্থক্য</h2><p>জিনা উভয় পক্ষের সম্মতিতে হয়, কিন্তু ধর্ষণ জোরপূর্বক। ইসলামি আইনবিদরা ধর্ষণকে 'হিরাবাহ' বা সমাজে ভয় ও নৈরাজ্য সৃষ্টির অপরাধ হিসেবে গণ্য করেছেন। কুরআনে বলা হয়েছে: 'যারা আল্লাহ ও তার রাসুলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এবং পৃথিবীতে ফাসাদ সৃষ্টি করে, তাদের শাস্তি হত্যা, ক্রুশবিদ্ধকরণ, হাত-পা কেটে ফেলা বা নির্বাসন' (সুরা আল-মায়েদাহ: ৩৩)।</p><h2>ধর্ষণ প্রমাণে কী সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য?</h2><p>ধর্ষণ প্রমাণে চার সাক্ষীর প্রয়োজন নেই। বরং দুই সাক্ষী, ভুক্তভোগীর সাক্ষ্য, চিকিৎসা প্রতিবেদন, ফরেনসিক আলামত ও পরিস্থিতিগত প্রমাণ গ্রহণযোগ্য। বিচারক যদি নিশ্চিত হন, তবে কঠোর শাস্তি দেওয়া যায়।</p><h2>ইসলামি আইনবিদদের মতামত</h2><p>ইমাম মালেক ও শাফেয়ি মতে, ধর্ষককে শাস্তির পাশাপাশি ভুক্তভোগীকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। ইমাম আবু হানিফা ও সুফিয়ান সাওরির মতে, শাস্তিই যথেষ্ট। তবে সবার ঐকমত্য যে চার সাক্ষী শর্ত নয়।</p><h2>রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগের ঘটনা</h2><p>মদিনায় এক নারী রাতে নামাজে বের হলে এক ব্যক্তি তাকে ধর্ষণ করে। তিনি অন্য এক ব্যক্তিকে অপরাধী মনে করে ধরলে লোকজন তাকে রাসুল (সা.)-এর কাছে নিয়ে আসে। শাস্তি কার্যকরের আগে প্রকৃত অপরাধী স্বীকার করলে রাসুল (সা.) নির্দোষকে মুক্তি দিয়ে অপরাধীকে শাস্তি দেন। এতে ভুক্তভোগীর কাছে চার সাক্ষী দাবি করা হয়নি।</p><p>ইসলাম ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় নির্যাতিতের অধিকার রক্ষাকে গুরুত্ব দেয়। রাসুল (সা.) বলেছেন: 'মজলুমের দোয়া থেকে বেঁচে থাকো, কারণ তার দোয়া ও আল্লাহর মাঝে কোনো পর্দা নেই' (বুখারি)।</p><p>অতএব, ধর্ষণ প্রমাণে চার সাক্ষী প্রয়োজন—এ ধারণা ভুল। চার সাক্ষীর শর্ত ব্যভিচারের অপবাদ প্রমাণের জন্য। ধর্ষণ একটি জঘন্য অপরাধ, যেখানে ফরেনসিক ও পরিস্থিতিগত প্রমাণের ভিত্তিতে বিচার হয়। ইসলামের বিচারব্যবস্থা বোঝার জন্য কুরআন, সুন্নাহ ও আইনবিদদের ব্যাখ্যার দিকে তাকানো জরুরি।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:54:53 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[স্টার্টআপ বাংলাদেশে ৫৫টি বিনিয়োগ অনুমোদন, বাতিল হয়েছে ১৯টি]]></title>
				<category>স্টার্টআপ</category>
				<link>https://bdgazette.com/projukti/startup/article-128005.html</link>
				<description><![CDATA[<p>সরকারের ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান স্টার্টআপ বাংলাদেশের মাধ্যমে এ পর্যন্ত ৫৫টি স্টার্টআপে বিনিয়োগের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তবে যাচাই-বাছাই ও বিনিয়োগের শর্ত নিয়ে মতানৈক্যের কারণে ১৯টি স্টার্টআপের বিনিয়োগপ্রক্রিয়া বাতিল হয়েছে। চূড়ান্তভাবে ৩৬টি প্রযুক্তিনির্ভর ও উদ্ভাবনী স্টার্টআপে প্রায় ১০৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে।</p><h2>সংসদে তথ্য প্রদান</h2><p>আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে নরসিংদী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. আশরাফ উদ্দিনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এ তথ্য জানান। বেলা তিনটায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী প্রশ্নোত্তর পর্বটি টেবিলে উত্থাপিত হয়।</p><h3>সংসদ সদস্যের প্রশ্ন</h3><p>ওই সংসদ সদস্য জানতে চান, দেশে কতটি নতুন স্টার্টআপকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং কয়টিকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে, তাদের অগ্রগতি কী। ভবিষ্যতে স্টার্টআপকে আরও উৎসাহ দেওয়া এবং সম্প্রসারণের জন্য সুদবিহীন বা সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা করা যায় কি না।</p><h3>মন্ত্রীর জবাব</h3><p>জবাবে মন্ত্রী বলেন, স্টার্টআপ বাংলাদেশের মাধ্যমে এ পর্যন্ত ৫৫টি স্টার্টআপ বিনিয়োগের অনুমোদন পেয়েছে। তবে অনুমোদনের পর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের আইনি যাচাই-বাছাই (লিগ্যাল ডিউ ডিলিজেন্স) ও বিনিয়োগের শর্ত নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। এ প্রক্রিয়ায় ৫৫টির মধ্যে ১৯টি স্টার্টআপের বিনিয়োগ বিভিন্ন পর্যায়ে অসংগতি ও বিনিয়োগের শর্তে মতানৈক্যের কারণে বাতিল করা হয়েছে।</p><h3>বিনিয়োগের বিবরণ</h3><p>মন্ত্রী জানান, চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়া ৩৬টি প্রযুক্তিনির্ভর ও উদ্ভাবনী স্টার্টআপে প্রায় ১০৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। বিনিয়োগ পাওয়া উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে চালডাল লিমিটেড, টেন মিনিট স্কুল লিমিটেড, সেবা প্ল্যাটফর্ম লিমিটেড ও ট্যুর বুকিং বাংলাদেশ লিমিটেড।</p><h3>স্টার্টআপ খাতের অগ্রগতি</h3><p>স্টার্টআপ খাতের অগ্রগতি তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, উদ্ভাবনী ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোক্তাদের বিকাশে সরকারের সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে সম্ভাবনাময় নতুন উদ্যোক্তাদের পৃষ্ঠপোষকতা ও বিনিয়োগ কার্যক্রমও চলমান।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:02:21 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[প্রকৃতির কোলে শৈশবের আনন্দ: গুলশান থেকে ফটিকছড়ি]]></title>
				<category>লোকসংগীত</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/lokshongit/article-128004.html</link>
				<description><![CDATA[<p>প্রকৃতির কোলে শৈশবের আনন্দ, গাছের কাঠলিচু, বিশ্বকাপ উন্মাদনা, কৃষ্ণচূড়ার সৌন্দর্য ও পাটখেতের শান্তি নিয়ে নয়টি ছবির গল্প।</p><h2>গুলশান লেকের জলে ভেসে চলা মনের গল্প</h2><p>গুলশান লেকের জলে ভেসে চলা মনের গল্প বলা। ছবিটি সম্প্রতি তোলা হয়েছে, যা ঢাকার গুলশান লেকের শান্ত পরিবেশকে ফুটিয়ে তোলে। ছবিটি তুলেছেন মো. শাহিন রেজা।</p><h2>গ্রামের শিশুদের প্রকৃতির সান্নিধ্যে আনন্দ</h2><p>প্রযুক্তির কৃত্রিম বিনোদনের বাইরে গ্রামের শিশুরা প্রকৃতির সান্নিধ্যেই খুঁজে নিয়েছে আনন্দের ঠিকানা। খেলার আধুনিক সরঞ্জাম ছেড়ে হেলে পড়া গাছের ডালপালাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে শৈশবের উচ্ছ্বাস, নির্মল হাসি আর দুরন্তপনা। গাছটিই যেন তাদের প্রাকৃতিক দোলনা। তবু আনন্দের কমতি নেই। সাপাহার, নওগাঁ, ৭ জুন ২০২৬। ছবিটি তুলেছেন সোহেল চৌধুরী রানা।</p><h2>কাঠলিচু: স্থানীয়দের প্রিয় ফল</h2><p>গাছের থোকায় থোকায় ঝুলছে কাঠলিচু। স্থানীয় প্রতিটি বাড়িতে একটি অথবা দুটি করে এই ফলের গাছ দেখা যায়। সহজলভ্য ও সুস্বাদু হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে কাঠলিচু জনপ্রিয় একটি ফল। ছবিটি সম্প্রতি তোলা হয়েছে, ছবি: তামিম নূরানী প্রেমা।</p><h2>বিশ্বকাপ উন্মাদনায় গুলিস্তান</h2><p>শুরু হয়েছে ফুটবলপ্রেমীদের বিশ্বকাপ উন্মাদনা। রাজধানীর গুলিস্তান মোড়ে বিভিন্ন দেশের পতাকা বিক্রির দোকানে ক্রেতাদের ভিড়। ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬ আয়োজনকে সামনে রেখে পতাকা কেনাবেচায় বেড়েছে উৎসাহ। গুলিস্তান, ঢাকা, ৬ জুন ২০২৬। ছবি: হাফিজুন নাহার।</p><h2>শিশিরে বোনা স্বপ্নের জাল</h2><p>‘শিশিরে বোনা স্বপ্নের জাল, ভোরের আলোয় জেগে ওঠে’। ছবিটি রাজধানীর গ্রিন মডেল এলাকা থেকে সম্প্রতি তোলা হয়েছে, ছবি: মো: শফিকুল ইসলাম জয়।</p><h2>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষ্ণচূড়া</h2><p>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনে ফুটে থাকা কৃষ্ণচূড়ার লাল রং আর চারপাশের সবুজ প্রকৃতি মিলিয়ে যেন এক জীবন্ত ক্যানভাস। হালকা বৃষ্টির স্নিগ্ধতায় ভেজা পরিবেশে দূরের অট্টালিকাগুলোও মিশে গেছে এক অন্য রকম শান্ত সৌন্দর্যে। শহরের ব্যস্ততার মধ্যেও এই দৃশ্য যেন একটু প্রশান্তির নিশ্বাস। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবন থেকে ছবিটি সম্প্রতি তোলা হয়েছে, ছবি: রুমা আরা খাতুন।</p><h2>ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়ায় কাঁঠাল</h2><p>ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়ায় গাছে গাছে কাঁঠাল। ছবি: আবু সাঈদ।</p><h2>ফরিদপুরের পাটখেতের শান্তি</h2><p>সবুজের নিঃশব্দ এক বিস্তার—ফরিদপুরের পাটখেত। হালকা বাতাসে দুলতে থাকা পাটগাছগুলো যেন প্রকৃতির মৃদু সুরে কথা বলে। এই সবুজের ভেতর লুকিয়ে আছে কৃষকের ঘাম, স্বপ্ন আর গ্রামবাংলার চিরচেনা সৌন্দর্য। নিস্তব্ধ বিকেলে এই পাটখেত হয়ে ওঠে শান্তির এক অপূর্ব আশ্রয়। ছবিটি ফরিদপুর থেকে সম্প্রতি তোলা হয়েছে, ছবি: রুমা আরা খাতুন।</p><h2>বৃষ্টি আসার পর খেলার আসর ভেঙে গেল</h2><p>বৃষ্টি আসার পর খেলার আসর ভেঙে গেল। কারও কারও মা পুত্রধনের খোঁজে বের হয়েছেন। কিন্তু এ স্বর্গ ছেড়ে তারা যেতে রাজি নয়। আমার ইচ্ছা হলো তাদের সঙ্গে সময়টা উপভোগ করি। কিন্তু আমি তাদের সময়টা পার করে এসেছি। একইভাবে তারাও সময়টা পার করে সামনে যাবে। তখন জ্বর আসবে বলে কেউ চোখ রাঙিয়ে শাসাবে না। নিজেই বুঝতে পারবে, কী করা উচিত আর কোনটা অনুচিত। কিন্তু সবকিছু কি হিসাব করে হয়! ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম। ছবিটি সম্প্রতি তোলা হয়েছে, ছবি: সঞ্জয় দেবনাথ।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:01:25 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[শেখ হাসিনা জনগণের শক্তি নিয়েই ফিরবেন: ভারতীয় পত্রিকায় সাক্ষাৎকার]]></title>
				<category>আওয়ামী লীগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/awami-league/article-128003.html</link>
				<description><![CDATA[<p>প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতীয় একটি পত্রিকায় ধারাবাহিক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তিনি জনগণের শক্তি নিয়েই দেশে ফিরবেন। তিনি আরও বলেন, তার সরকারের পতন হলেও তিনি জনগণের সমর্থন নিয়ে আবারও ক্ষমতায় আসবেন।</p><h2>মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ</h2><p>ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় তারা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেন।</p><h3>দিপু মনির জামিন</h3><p>দিপু মনির ৩৮ মামলার মধ্যে দুটিতে জামিন মিলেছে। বাকি মামলাগুলোতে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।</p><h2>বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থন চাইল হালান্ডের নরওয়ে</h2><p>ফুটবল তারকা আর্লিং হালান্ডের দেশ নরওয়ে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থন চেয়েছে। নরওয়ে ফুটবল ফেডারেশন বাংলাদেশের কাছে সমর্থন কামনা করে পত্র পাঠিয়েছে।</p><h3>হবিগঞ্জের বিচারককে হাইকোর্টের তলব বাতিল</h3><p>হবিগঞ্জের বিচারককে হাইকোর্টের তলব বাতিল করা হয়েছে। এই ঘটনায় আইনজীবীরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।</p><h2>ইরানের জন্য বরাদ্দ টিকিট বাতিল</h2><p>ইরানের জন্য বরাদ্দ থাকা টিকিট বাতিল হয়ে গেছে। এ নিয়ে কূটনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।</p><h3>এক রাতে তিন কৃষকের সাত গরু চুরি</h3><p>এক রাতে তিন কৃষকের সাত গরু চুরি হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। খামারিরা নিরাপত্তার অভাবের কথা জানিয়েছেন।</p><h2>অভিযানের আগেই পালালেন অভিযুক্ত, ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার</h2><p>পুলিশ অভিযানের আগেই অভিযুক্ত পালিয়ে গেছেন। তবে ঘটনাস্থল থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।</p><h3>প্রশাসনের আশ্বাসে কর্মবিরতি স্থগিত করল বেরোবি কর্মকর্তারা</h3><p>প্রশাসনের আশ্বাসে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) কর্মকর্তারা তাদের কর্মবিরতি স্থগিত করেছেন। তারা দাবি পূরণের আশ্বাস পেয়েছেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:31:01 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[সমমর্যাদার ভিত্তিতে পররাষ্ট্র নীতি গ্রহণের দাবি ১১ দলীয় ঐক্যজোটের]]></title>
				<category>কূটনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/kutniti/article-128002.html</link>
				<description><![CDATA[<p>নতজানু পররাষ্ট্র নীতি পরিহার করে সমমর্যাদার ভিত্তিতে স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশের উপযোগী পররাষ্ট্র নীতি গ্রহণ ও দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোট। তারা বিশেষ করে বাংলাদেশের স্বার্থ ও মর্যাদা রক্ষার জন্য সরকারের নিকট জোর দাবি জানায়।</p><h2>বৈঠকের বিবরণ</h2><p>মঙ্গলবার (৯ জুন) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির এক বৈঠক এই দাবি জানানো হয়েছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন লিয়াজোঁ কমিটির সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।</p><p>এ সময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ড. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমীর আবদুল মাজেদ আতহারী, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমীর আহমাদ আলী কাসেমী, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট একেএম আনোয়ারুল ইসলাম চান ও জেনারেল সেক্রেটারি নিজামুল ইসলাম নাঈম, লিবারেল ডেমেক্রেটিম পার্টির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বেল্লাল মিয়াজি, লেবার পার্টির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব খন্দকার মিরাজুল ইসলাম প্রমুখ।</p><h3>উদ্বেগ ও দাবি</h3><p>সভায় বাংলাদেশের সীমান্তে ভারত কর্তৃক পুশ-ইন, সীমান্ত হত্যা, দেশের আইন-শঙ্খলা পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির উপর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। অবিলম্বে পুশ-ইন ও সীমান্ত হত্যা বন্ধের জন্য সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করা এবং নতজানু পররাষ্ট্র নীতি পরিহার করে সমমর্যাদার ভিত্তিতে স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশের উপযোগী পররাষ্ট্র নীতি গ্রহণ ও দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ সংরক্ষণ বিশেষ করে বাংলাদেশের স্বার্থ ও মর্যাদা রক্ষার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানানো হয়।</p><h3>পরবর্তী কর্মসূচি</h3><p>সভায় উপরোক্ত দাবিতে গৃহীত কর্মসূচি ঘোষণার জন্য আগামীকাল বুধবার (১০ জুন) দুপুর ১২টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:05:54 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বিশ্বকাপ ফুটবল সম্প্রচারের ধূম্রজাল কাটলো, জানালেন প্রতিমন্ত্রী]]></title>
				<category>ক্রিকেট</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/cricket/article-128001.html</link>
				<description><![CDATA[<p>যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক জানিয়েছেন, বাংলাদেশে ফুটবল বিশ্বকাপ সম্প্রচার নিয়ে তৈরি হওয়া সকল ধূম্রজাল ও সংশয় কেটে গেছে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন বিটিভি এবং স্বত্বাধিকারী অন্যান্য মাধ্যমে দেশের ফুটবলপ্রেমী মানুষ এবারের বিশ্বকাপ ফুটবল দেখার সুযোগ পাবেন। একই সাথে দর্শকদের সুবিধার্থে ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্পটে বড় পর্দায় খেলা দেখানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।</p><h2>প্রেস ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত তথ্য</h2><p>মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশে ফুটবল বিশ্বকাপ সম্প্রচার বিষয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান। ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানান তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।</p><h3>ফুটবলপ্রেমীদের জন্য সুখবর</h3><p>ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের উন্মাদনা ও পাগলামি সর্বজনবিদিত। বেশ কিছুদিন ধরে খেলা সম্প্রচার নিয়ে একটি ধূম্রজাল তৈরি হয়েছিল, যা আজ পুরোপুরি নিরসন করা হলো। বিটিভির মাধ্যমে এবং যারা স্বত্ব নিয়েছে, তাদের মাধ্যমে সারাদেশের মানুষ বিশ্বকাপ ফুটবল দেখতে পারবেন।’</p><h3>বড় পর্দায় খেলা দেখার ব্যবস্থা</h3><p>বিশ্বকাপের খেলাগুলোর সময়সূচি মধ্যরাত কিংবা ভোরে হওয়ার কারণে দর্শকদের জন্য বড় পর্দায় খেলা দেখানোর বিষয়ে বিশেষ পদক্ষেপের কথা জানান প্রতিমন্ত্রী। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বেশ কিছু বেসরকারি কোম্পানি ইতোমধ্যে আমাদের সাথে যোগাযোগ করেছে। খেলা দেখানোর টাইমটা এবার মধ্যরাতে কিংবা ভোর বেলায় হয়ে গেছে। তাই প্রাইভেট কোম্পানিগুলোকে আমরা উৎসাহিত করেছি, পাশাপাশি আমাদের সার্বিক সহযোগিতা থাকবে। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্পটে তারা বড় বড় মনিটর ও ডিজিটাল বিলবোর্ড দিয়ে খেলাগুলো সরাসরি দর্শকদের সামনে উপস্থাপন করবে।’</p><h3>সরকারের সাশ্রয়ী ও স্বচ্ছ নীতি</h3><p>সম্প্রচার প্রক্রিয়ার অভাবনীয় স্বচ্ছতা ও সরকারের সাশ্রয়ী নীতির কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী জানান, বিগত সরকারের আমলে যেখানে ১০০ কোটি টাকা ব্যয় করে বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব কেনা হয়েছিল, সেখানে বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ স্বচ্ছ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করে মাত্র ৪৭ কোটি টাকায় এই স্বত্ব কিনেছে। তিনি বলেন, এই ৪৭ কোটি টাকাও আবার বিভিন্ন বিজ্ঞাপন স্বত্ব (এডভারটাইজমেন্ট রাইটস) বিক্রির মাধ্যমে উঠে আসবে, যার ফলে সরকারি টাকা সাশ্রয় হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক অবস্থান বজায় রেখে এই সম্প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।</p><h3>গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান</h3><p>দেশের সকল ফুটবলপ্রেমীকে এই আনন্দের অংশীদার করতে এবং সরকারের এই যুগান্তকারী ও স্বচ্ছ উদ্যোগটি জনগণের সামনে তুলে ধরতে গণমাধ্যমের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন প্রতিমন্ত্রী।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:01:12 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বেকারত্ব কমাতে সহজ শর্তে ঋণ দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক]]></title>
				<category>ব্যবসা-বাণিজ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/bebsha-banijjo/article-128000.html</link>
				<description><![CDATA[<p>দেশে বেকারত্ব কমানো ও নতুন উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে সহজ শর্তে ও স্বল্প সুদে ঋণ সুবিধা দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর আওতায় নতুন উদ্যোক্তারা বিনা জামানতে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাবেন। এছাড়া স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের জন্য রয়েছে মাত্র ৪ শতাংশ সুদে ঋণ সুবিধা। পাশাপাশি বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ ও ৫ হাজার টাকা ভাতাও দেওয়া হচ্ছে।</p><h2>সংসদে তথ্য জানালেন অর্থমন্ত্রী</h2><p>মঙ্গলবার (৯ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও বাজেট অধিবেশনের তৃতীয় দিনের প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল মালিকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন। এদিন বিকাল ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়।</p><p>সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল মালিক তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে ও বিনা সুদে ঋণ প্রদানের কোনও প্রকল্প রয়েছে কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনও বিনা সুদের ঋণ প্রকল্প চালু নেই। তবে সহজ শর্তে ও স্বল্প সুদে ঋণ বিতরণের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিজস্ব তহবিল থেকে বিভিন্ন পুনঃঅর্থায়ন স্কিম পরিচালনা করছে।</p><h2>নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার তহবিল</h2><p>মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত কটেজ, মাইক্রো ও ক্ষুদ্র খাতের ‘নতুন উদ্যোক্তা পুনঃঅর্থায়ন স্কিম’-এর তহবিল ১০০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০০ কোটি টাকা করা হয়েছে। এই তহবিল থেকে নতুন উদ্যোক্তারা বিনা জামানতে সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন। এছাড়া জামানত সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা পাওয়া যাবে।</p><h2>স্টার্টআপদের জন্য ৪ শতাংশ সুদে ঋণ</h2><p>স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের ঋণপ্রাপ্তি সহজ করতে ‘স্টার্টআপ ফান্ড’ নামে ৫০০ কোটি টাকার আরও একটি পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, এই তহবিল থেকে উদ্যোক্তারা মাত্র ৪ শতাংশ সুদে ঋণ গ্রহণ করতে পারবেন।</p><p>শুধু ঋণ নয়, স্টার্টআপ খাতে ইক্যুইটি সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে ৩৯টি তফসিলি ব্যাংকের অংশীদারিত্বে ‘বাংলাদেশ স্টার্ট-আপ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি পিএলসি’ নামে একটি ইক্যুইটি ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানিও গঠন করা হয়েছে। স্টার্টআপ উদ্যোগগুলো এ প্রতিষ্ঠান থেকে ইক্যুইটি সহায়তা নিতে পারবে।</p><h2>বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ, মিলবে ৫ হাজার টাকা ভাতা</h2><p>মন্ত্রী জানান, ‘স্কিল ফর ইন্ডাস্ট্রি কমপিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রাম (এসআইসিআইপি) -এর আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পিআইইউ- এসআইসিআইপি পরিচালিত এন্টারপ্রেনারশিপ ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের মাধ্যমে বিভিন্ন জেলায় সম্ভাব্য উদ্যোক্তাদের এক মাসব্যাপী ১০০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এই প্রশিক্ষণের জন্য কোনও ফি দিতে হয় না। বরং সফলভাবে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করলে উদ্যোক্তাদের ৫ হাজার টাকা প্রশিক্ষণ ভাতা দেওয়া হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রেও তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:48:10 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ব্যাংকিং খাত সংস্কারে সরকারের নানামুখী উদ্যোগ: অর্থমন্ত্রী]]></title>
				<category>ব্যাংকিং</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/banking/article-127999.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ব্যাংকিং খাতকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে এবং সুশাসন নিশ্চিত করতে সরকার নানামুখী সংস্কার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, এর অংশ হিসেবে পাঁচটি সমস্যাপীড়িত ইসলামি ব্যাংককে একীভূত করে ‘সম্মিলিত ইসলামি ব্যাংক পিএলসি’ গঠন করা হয়েছে। একইসঙ্গে আমানতকারীদের আস্থা বাড়াতে সুরক্ষিত আমানতের সীমা এক লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে দুই লাখ টাকা করা হয়েছে।</p><p>মঙ্গলবার (৯ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় (বাজেট) অধিবেশনে কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফর রহমানের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এসব তথ্য জানান। লুৎফর রহমান জানতে চান, ব্যাংকিং খাতকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সরকার কোনও বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছে কিনা।</p><p>জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সরকার একটি সুসংগঠিত ও বহুমাত্রিক রেজল্যুশন কাঠামো প্রতিষ্ঠা করেছে। এর আইনি ভিত্তি হিসেবে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬’ কার্যকর করা হয়েছে। এই কাঠামোর আওতায় পাঁচটি সমস্যাপীড়িত ইসলামি ব্যাংককে একীভূত করে ‘সম্মিলিত ইসলামি ব্যাংক পিএলসি’ গঠন করা হয়েছে, যা ব্যাংক খাত সংস্কারে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।</p><p>তিনি আরও জানান, ‘আমানত সুরক্ষা আইন, ২০২৬’-এর মাধ্যমে আমানতকারীদের সুরক্ষিত আমানতের পরিমাণ সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে দুই লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। আগে ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলোর আমানতকারীরা এই সুরক্ষার বাইরে থাকলেও বর্তমানে তাদেরও এর আওতায় আনা হয়েছে।</p><h2>খেলাপি ঋণ আদায় ও ঋণশৃঙ্খলা ফেরাতে পদক্ষেপ</h2><p>অর্থমন্ত্রী বলেন, খেলাপি ঋণ আদায় এবং ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে— ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের (উইলফুল ডিফল্টার) শনাক্ত ও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিআরপিডি সার্কুলার জারি; খেলাপি ও ইচ্ছাকৃত খেলাপিদের তালিকা প্রকাশের উদ্যোগ; একজন ঋণগ্রহীতা ব্যাংকিং খাত থেকে সর্বোচ্চ কত টাকা ঋণ নিতে পারবেন, তার সীমা নির্ধারণ; এক হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থায়নের ক্ষেত্রে ব্যাংকের ওপর চাপ কমাতে বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের নির্দেশনা; খেলাপিরা যাতে উচ্চ আদালতে রিট করে ঋণ আদায় কার্যক্রম স্থগিত করতে না পারেন, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইনি উদ্যোগ; অর্থ ঋণ আদালতের বিচারক প্যানেল বা জুরি বোর্ডে অভিজ্ঞ ব্যাংকারদের অন্তর্ভুক্তির পরিকল্পনা; বেসরকারি খাতে অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি (এএমসি) গঠনের জন্য আইন প্রণয়নের উদ্যোগ; নিয়মিত ঋণ পরিশোধকারী ভালো গ্রাহকদের জন্য প্রণোদনা নীতিমালা হালনাগাদ।</p><p>এছাড়া বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) পদ্ধতির মাধ্যমে আগামী ৩০ জুন ২০২৬-এর মধ্যে প্রতিটি ব্যাংকের খেলাপি ঋণের অন্তত ১ শতাংশ নগদ আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি। মন্ত্রী আরও বলেন, প্রতিটি ব্যাংকের শীর্ষ ২০ খেলাপি ঋণ আদায়ের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যালোচনা করা হচ্ছে। যেসব ব্যাংকে খেলাপি ঋণের হার ১০ শতাংশের বেশি, সেগুলোর জন্য বিশেষ মনিটরিং টিমও গঠন করা হয়েছে।</p><p>অর্থমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, সুস্পষ্ট আইনি কাঠামো, স্বচ্ছ রেজল্যুশন প্রক্রিয়া এবং আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষার নিশ্চয়তা—এই তিনটি বিষয় ব্যাংকিং খাতে আমানতকারী ও অংশীজনদের আস্থা পুনরুদ্ধারে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:43:38 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[কৃষি খাত চাঙাতে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর]]></title>
				<category>কৃষি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/krishi/article-127998.html</link>
				<description><![CDATA[<p>কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙা করতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ১০ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।</p><p>মঙ্গলবার (৯ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় (বাজেট) অধিবেশনের তৃতীয় দিন মৌলভীবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য নাসির উদ্দিন আহমেদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। নাসির উদ্দিন আহমেদ জানতে চান—কৃষকদের কৃষি কাজে সহায়তার জন্য কোনও বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে কিনা।</p><p>জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী ও বড়লেখা উপজেলার কৃষকদের জন্য পৃথক কোনো প্রকল্প নেই। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য ১০ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করা হচ্ছে। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গকে কৃষি হাব হিসেবে গড়ে তুলতে আরও ৩ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p><p>তিনি আরও জানান, কৃষি খাতে সহায়তার অংশ হিসেবে সুদসহ ১০ হাজার টাকার কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে, যার জন্য ১ হাজার ৫৬৮ কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এতে দেশের প্রায় ১৩ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ জন কৃষক উপকৃত হয়েছেন।</p><p>চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের এপ্রিল পর্যন্ত মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলায় ৬ কোটি ৭৭ লাখ ১৬ হাজার টাকা এবং বড়লেখা উপজেলায় ১১ কোটি ৩৮ লাখ ২৮ হাজার টাকা কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণ করা হয়েছে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:02:00 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ভারত থেকে আম আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা নেপালের]]></title>
				<category>খাদ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/jibonjapon/khaddo/article-127997.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ভারত থেকে আম আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে নেপাল। খাদ্য নিরাপত্তা ও গুণগত মান নিয়ে উদ্বেগের কারণে দেশটি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংবাদমাধ্যম। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতীয় আমের কিছু চালানে অনুমোদিত মাত্রার চেয়ে বেশি কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ পাওয়া যাওয়ার পর নেপালের কৃষি ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয় এ পদক্ষেপ নেয়। এরপর সীমান্তবর্তী কোয়ারেন্টাইন চেকপয়েন্টগুলোতে ভারতীয় আমের প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়।</p><h2>নেপালের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কঠোর অবস্থান</h2><p>মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এপ্রিল ও মে মাসে পরীক্ষার সময় একাধিক চালানে অতিরিক্ত রাসায়নিক উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়। এরপরই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আম আমদানি সীমিত বা বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। নেপাল সরকার বলছে, ভোক্তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষাই তাদের প্রধান অগ্রাধিকার এবং খাদ্যপণ্যের মানের ক্ষেত্রে কোনো আপস করা হবে না।</p><h3>স্থানীয় উৎপাদন ও চাহিদার ফারাক</h3><p>গ্রীষ্ম মৌসুমে নেপালে আমের চাহিদা বাড়লেও স্থানীয় উৎপাদন সেই চাহিদা পূরণে যথেষ্ট নয়, ফলে দীর্ঘদিন ধরেই দেশটি ভারতীয় আমের ওপর নির্ভরশীল। তবে স্বাস্থ্য ঝুঁকি এড়াতে এবার কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।</p><h3>আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতীয় আমের মান নিয়ে প্রশ্ন</h3><p>এর আগে জাপানও ভারতীয় কয়েকটি জনপ্রিয় আমের জাত আলফোনসো, কেশর, ল্যাংড়া ও বঙ্গনপল্লী আমদানিতে কড়াকড়ি আরোপ করেছিল। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতীয় আমের গুণগত মান ও রপ্তানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:58:37 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[নাসির-তামিমার বিরুদ্ধে রায় বুধবার, সর্বোচ্চ সাজা চেয়ে বাদীপক্ষের আবেদন]]></title>
				<category>আইন বিভাগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/ain-bibhag/article-127996.html</link>
				<description><![CDATA[<p>জাতীয় ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মির বিরুদ্ধে ডিভোর্স না দিয়ে অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আগামীকাল বুধবার (১০ জুন) রায় ঘোষণা করা হবে। ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এই রায় ঘোষণা করবেন।</p><h2>মামলার পটভূমি ও শুনানি</h2><p>গত ৬ মে বাদী ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের জন্য এই দিন ধার্য করেন। ওই দিন শুনানিতে বাদীপক্ষ আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা দেওয়ার প্রার্থনা জানায়। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের নির্দোষ দাবি করে খালাসের আবেদন করেন।</p><h3>অভিযোগের বিবরণ</h3><p>মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তাম্মি ও রাকিবের বিয়ে হয়। তাদের আট বছরের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। তাম্মি পেশায় একজন কেবিন ক্রু। ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তাম্মি ও নাসিরের বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা রাকিবের নজরে আসে। পরে পত্রপত্রিকার মাধ্যমে তিনি সম্পূর্ণ ঘটনা জানতে পারেন।</p><p>রাকিবের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক চলমান অবস্থাতেই তাম্মি নাসিরকে বিয়ে করেন, যা ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় আইনে সম্পূর্ণ অবৈধ বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। নাসির তাম্মিকে প্রলুব্ধ করে নিজের কাছে নিয়ে যান বলে দাবি করা হয়েছে।</p><p>তাম্মি ও নাসিরের এই অনৈতিক ও অবৈধ সম্পর্কের কারণে রাকিব ও তার আট বছর বয়সী কন্যা মারাত্মকভাবে মানসিক বিপর্যস্ত হয়েছেন। আসামিদের কার্যকলাপে রাকিবের চরম মানহানি হয়েছে, যা তার জন্য অপূরণীয় ক্ষতি বলে মনে করা হচ্ছে।</p><h2>আইনি প্রক্রিয়া</h2><p>মামলাটি দণ্ডবিধির ৪৯৭, ৫০০ এবং ৩৪ ধারায় দায়ের করা হয়। এতে আগের বিয়ে গোপন রেখে অন্যত্র বিয়ে, অন্যের স্ত্রীকে প্রলুব্ধ করে নিয়ে যাওয়া, ব্যভিচার ও মানহানির অভিযোগ আনা হয়েছে।</p><p>২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক (নি.) শেখ মো. মিজানুর রহমান তিনজনকে দোষী উল্লেখ করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। পরের বছরের ২৪ জানুয়ারি আদালত নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন। তবে মামলার অপর আসামি তামিমার মা সুমি আক্তারকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। মামলাটিতে মোট ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:46:08 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[হিজবুল্লাহর প্রতি লেবাননের কর্তৃপক্ষের ইরানের সাথে সম্পর্ক মেরামতের আহ্বান]]></title>
				<category>এশিয়া</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/asia/article-127995.html</link>
				<description><![CDATA[<p>হিজবুল্লাহ মঙ্গলবার লেবাননের কর্তৃপক্ষকে তাদের সংগঠনের সমর্থক ইরানের সাথে সম্পর্ক মেরামত করে তেহরানের সমর্থন নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। ইরান কয়েকদিন আগে বৈরুতের দক্ষিণ উপকণ্ঠে বোমা হামলার জবাবে ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছিল।</p><h2>লেবাননের নেতাদের বক্তব্য</h2><p>গত সপ্তাহে লেবাননের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী তেহরানকে লেবাননের বিষয়ে হস্তক্ষেপ বন্ধ করার জন্য কঠোর আহ্বান জানিয়েছিলেন। এর কারণ ছিল হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের সাথে শর্তসাপেক্ষ যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান করেছিল।</p><p>হিজবুল্লাহর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'আমরা লেবাননের কর্তৃপক্ষকে সুযোগটি কাজে লাগিয়ে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সাথে তাদের সরকারি সম্পর্ক এমনভাবে সংশোধন করার আহ্বান জানাই যা উভয় রাষ্ট্রের স্বার্থে কাজ করবে।'</p><h3>মার্চ মাসে যুদ্ধ শুরু</h3><p>হিজবুল্লাহ ২ মার্চ ইসরায়েলে রকেট হামলা চালিয়ে লেবাননকে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে টেনে আনে। এই হামলা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় নিহত হওয়ার প্রতিশোধ হিসেবে পরিচালিত হয়েছিল।</p><p>ইরান জোর দিয়ে বলে যে বিস্তৃত মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের বিরতি লেবাননে যুদ্ধবিরতি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।</p><h2>ইরানের মিসাইল হামলা</h2><p>ইরান রবিবার ইসরায়েলে মিসাইল হামলা চালায়। এই হামলা ইসরায়েলের বৈরুতের দক্ষিণ উপকণ্ঠে বোমা হামলার জবাবে হয়েছিল, যেটি হিজবুল্লাহর একটি শক্তিশালী ঘাঁটি।</p><p>ইরান সতর্ক করে দেয় যে ইসরায়েল লেবাননে হামলা চালিয়ে গেলে তারা আবার ইসরায়েলে হামলা চালাবে। ইরান ও ইসরায়েল, যারা পাল্টা হামলা চালিয়েছিল, সোমবার নতুন করে শত্রুতা বন্ধ করে দেয়।</p><h3>হিজবুল্লাহর ইরানের প্রশংসা</h3><p>হিজবুল্লাহ বলেছে, ইরানের ইসরায়েলে হামলা 'আমাদের লেবানিজ জনগণের প্রতিরক্ষায় ইসলামি প্রজাতন্ত্রের নৈতিক, রাজনৈতিক ও ভৌমিক প্রতিশ্রুতির বার্তা।'</p><p>সংগঠনটি লেবাননের কর্তৃপক্ষকে 'এই ইরানি সমর্থন ব্যবহার করে আমাদের জাতীয় লক্ষ্য অর্জনের' আহ্বান জানিয়েছে, বিশেষ করে ইসলামাবাদ আলোচনা থেকে উদ্ভূত নতুন আঞ্চলিক ছাতার আলোকে।</p><h2>ওয়াশিংটনের মধ্যস্থতা প্রত্যাখ্যান</h2><p>হিজবুল্লাহ ইসরায়েলি ও লেবানিজ কর্তৃপক্ষের মধ্যে ওয়াশিংটনের মধ্যস্থতায় সম্প্রতি সরাসরি আলোচনা প্রত্যাখ্যান করেছে। পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতা করছে আঞ্চলিক সংঘাত শেষ করতে।</p><p>মঙ্গলবার পাকিস্তান ও লেবাননের সেনাবাহিনীর প্রধানরা পাকিস্তানে সাক্ষাৎ করে সহযোগিতা বাড়াতে সম্মত হন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:13:48 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[সিঙ্গার বাংলাদেশের প্লাস্টিক পুনর্ব্যবহার উদ্যোগ, বাৎসরিক ১২০০ টন বর্জ্য হ্রাস]]></title>
				<category>ব্যবসা-বাণিজ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/bebsha-banijjo/article-127994.html</link>
				<description><![CDATA[<p>সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেড, বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় গৃহস্থালি যন্ত্রপাতি প্রস্তুতকারক বেকোর একটি সহায়ক প্রতিষ্ঠান, বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে তার অত্যাধুনিক উৎপাদন কেন্দ্রে একটি অভ্যন্তরীণ প্লাস্টিক পুনর্ব্যবহার কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে কোম্পানিটি পরিবেশবান্ধব উৎপাদন এবং টেকসই শিল্প অনুশীলনের প্রতি তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।</p><h2>উল্লেখযোগ্য বর্জ্য হ্রাস</h2><p>এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে, কোম্পানিটি উৎপাদন কার্যক্রমে প্লাস্টিক বর্জ্য ৯০ শতাংশের বেশি এবং সামগ্রিক বিপজ্জনক নয় এমন বর্জ্য ২০ শতাংশ হ্রাস করতে সক্ষম হয়েছে। এর ফলে বাৎসরিক প্রায় ১২০০ টন বর্জ্য হ্রাস পেয়েছে।</p><h3>পুনর্ব্যবহার প্রক্রিয়া</h3><p>এই উদ্যোগের মাধ্যমে, কোম্পানিটি রেফ্রিজারেটর উৎপাদনের সময় উৎপন্ন এইচআইপিএস (হাই ইমপ্যাক্ট পলিস্টাইরিন, যা ক্রিসপার ড্রয়ার এবং অভ্যন্তরীণ দরজার প্যানেলের মতো উপাদানে ব্যবহৃত হয়) এবং জিপিপিএস (জেনারেল পারপাস পলিস্টাইরিন, যা স্বচ্ছ অংশ এবং অভ্যন্তরীণ আনুষাঙ্গিকের মূল উপাদান) প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ, চূর্ণ এবং পুনরায় ব্যবহার করে। পুনর্ব্যবহৃত উপাদানটি ইনজেকশন মোল্ডিং এবং এইচআইপিএস এক্সট্রুশন প্রক্রিয়ায় ভার্জিন রেজিনের সাথে মিশ্রিত করা হয়, যার ফলে বর্জ্যকে সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করে বৃত্তাকার উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণ করা হচ্ছে।</p><h2>টেকসই উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি</h2><p>এই পদ্ধতি সিঙ্গার বাংলাদেশের টেকসই উৎপাদন, কার্যক্ষমতা এবং পরিবেশসচেতন শিল্প উন্নয়নের প্রতি নিবেদন প্রতিফলিত করে, যা বেকোর দীর্ঘমেয়াদী টেকসই দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।</p><p>দেশের সবচেয়ে উন্নত ভোগ্যপণ্য উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর একটি হিসেবে, সিঙ্গার বাংলাদেশের কারখানাটি স্থানীয় উৎপাদন সক্ষমতা, উদ্ভাবন এবং টেকসই শিল্প বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। এটি উৎপাদন, খুচরা এবং কর্মচারী অভিজ্ঞতা জুড়ে কোম্পানির চলমান রূপান্তর যাত্রাকে প্রতিফলিত করে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:21:19 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ]]></title>
				<category>কূটনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/kutniti/article-127993.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ</h2><p>মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।</p><h3>দিপু মনির ৩৮ মামলার দুটিতে জামিন</h3><p>আওয়ামী লীগ নেতা দিপু মনির ৩৮ মামলার মধ্যে দুটিতে জামিন মিলেছে। বাকি মামলাগুলো বিচারাধীন।</p><h3>বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থন চাইল হালান্ডের নরওয়ে</h3><p>ফুটবল তারকা আর্লিং হালান্ডের দেশ নরওয়ে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থন চেয়েছে। ক্রীড়া বন্ধুত্বের অংশ হিসেবে এই আহ্বান।</p><h3>মামলা ঝুলছে পাঁচ বছর, হবিগঞ্জের বিচারককে হাইকোর্টের তলব বাতিল</h3><p>পাঁচ বছর ধরে ঝুলে থাকা একটি মামলায় হবিগঞ্জের বিচারককে হাইকোর্টের তলব বাতিল করা হয়েছে। উচ্চ আদালতের নির্দেশে এই সিদ্ধান্ত।</p><h3>বাতিল হয়ে গেল ইরানের জন্য বরাদ্দ থাকা টিকিটও</h3><p>আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ইরানের জন্য বরাদ্দ থাকা টিকিট বাতিল করা হয়েছে। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া।</p><h3>ভারতের পত্রিকায় সিরিজ সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা ‘জনগণের শক্তি নিয়েই আমি ফিরব’</h3><p>প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের একটি পত্রিকায় সাক্ষাৎকারে বলেছেন, জনগণের শক্তি নিয়েই তিনি ফিরবেন। তিনি দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার ওপর জোর দেন।</p><h3>এক রাতে তিন কৃষকের সাত গরু চুরি, আতঙ্কে খামারিরা</h3><p>রাতে তিন কৃষকের সাতটি গরু চুরি হওয়ায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। খামারিরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।</p><h3>অভিযানের আগেই পালালেন অভিযুক্ত, ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার</h3><p>পুলিশ অভিযানের আগেই অভিযুক্ত পালিয়ে গেলেও ঘটনাস্থল থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্ত চলছে।</p><h3>প্রশাসনের আশ্বাসে কর্মবিরতি স্থগিত করল বেরোবি কর্মকর্তারা</h3><p>প্রশাসনের আশ্বাসে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা কর্মবিরতি স্থগিত করেছেন। দাবি পূরণের আশ্বাস মিলেছে।</p><h3>কুষ্টিয়ায় দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত, আহত ৩</h3><p>কুষ্টিয়ায় দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক চালক নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:19:38 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[স্টার্টআপ বাংলাদেশে বিনিয়োগ ১০৯ কোটি টাকা: আইসিটি মন্ত্রী]]></title>
				<category>আইটি শিল্প</category>
				<link>https://bdgazette.com/projukti/it-shilpo/article-127992.html</link>
				<description><![CDATA[<p>সরকারের ফ্ল্যাগশিপ স্টার্টআপ বাংলাদেশ উদ্যোগটি এ পর্যন্ত ৩৬টি অনুমোদিত প্রযুক্তিনির্ভর স্টার্টআপে প্রায় ১০৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। মঙ্গলবার সংসদে এ তথ্য জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।</p><h2>স্টার্টআপ ফান্ডিং কাঠামো</h2><p>সংসদে নরসিংদী-৫ আসনের সরকারি দলের সাংসদ মো. আশরাফ উদ্দিনের এক তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, স্টার্টআপ বাংলাদেশ বর্তমানে একটি সমন্বিত তহবিল কাঠামোর অধীনে পরিচালিত হচ্ছে, যার মধ্যে প্রস্তাবিত ৪০০ কোটি টাকার ফান্ড অফ ফান্ডস এবং ৩০০ কোটি টাকার কো-ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।</p><p>মন্ত্রী বলেন, 'স্টার্টআপ ফাইন্যান্সিং সম্প্রসারণ এবং বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য পর্যায়ক্রমে মোট তহবিলের আকার ১,০০০ কোটি টাকায় উন্নীত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।'</p><h2>অনুমোদিত স্টার্টআপ</h2><p>মন্ত্রীর মতে, স্টার্টআপ বাংলাদেশের অধীনে প্রাথমিকভাবে ৫৫টি স্টার্টআপ বিনিয়োগের জন্য অনুমোদিত হয়েছিল। তবে, যথাযথ অধ্যবসায় ও আলোচনার সময় অসঙ্গতি এবং বিনিয়োগ শর্ত নিয়ে মতবিরোধের কারণে ১৯টি বাদ দেওয়া হয়। বাকি ৩৬টি অনুমোদিত স্টার্টআপের মধ্যে রাইড-শেয়ারিং, এডটেক, ফিনটেক, লজিস্টিকস, হেলথটেক এবং ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মসহ বিভিন্ন প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনভিত্তিক উদ্যোগে বিনিয়োগ করা হয়েছে।</p><p>বিনিয়োগ পোর্টফোলিওতে পাথাও লিমিটেড, চালডাল লিমিটেড, টেন মিনিট স্কুল, শোহোজ, শিখো এবং মেডইজিসহ অন্যান্য কোম্পানি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।</p><h2>অর্থনৈতিক প্রভাব</h2><p>কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই বিনিয়োগগুলি দেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে উল্লেখযোগ্যভাবে অবদান রেখেছে, ৭,০০০-এর বেশি প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে এবং পোর্টফোলিও কোম্পানিগুলির গড় রাজস্ব প্রবৃদ্ধি প্রায় পাঁচ গুণ বাড়িয়েছে।</p><p>স্টার্টআপগুলি ১৮০ কোটি টাকার বেশি কর প্রদান করেছে, যা স্টার্টআপ বাংলাদেশের মোট বিনিয়োগের প্রায় ১.৭ গুণ।</p><p>মন্ত্রী জানান, পোর্টফোলিও কোম্পানিগুলি আন্তর্জাতিক বাজারে সম্প্রসারিত হচ্ছে, ফলো-অন বিনিয়োগ আকর্ষণ করছে এবং টেকসই ব্যবসায়িক মডেল তৈরি করছে।</p><p>সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৮০ শতাংশ বিনিয়োগ ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি প্রদর্শন করেছে।</p><p>তবে, আইসিটি বিভাগ স্পষ্ট করেছে যে স্টার্টআপ বাংলাদেশ সরাসরি ঋণ প্রদান করে না, কারণ এর ম্যান্ডেট প্রতিশ্রুতিশীল স্টার্টআপগুলিতে ইক্যুইটি এবং ইক্যুইটি-লিঙ্কড বিনিয়োগের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে।</p><p>মন্ত্রী আরও জানান, খাতে বিস্তৃত অর্থায়নের ব্যবধান পূরণের জন্য সরকার প্রাথমিক পর্যায়ের উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তাকে সমর্থন করার জন্য বিশেষায়িত তহবিলের উপকরণ নিয়েও কাজ করছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:51:24 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বাংলাদেশের নতুন শিক্ষানীতি ঘোষণা]]></title>
				<category>উচ্চশিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/uccho-shikkha/article-127991.html</link>
				<description><![CDATA[<p>সরকার সম্প্রতি নতুন শিক্ষানীতি ঘোষণা করেছে, যা দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই নীতিমালায় প্রাথমিক শিক্ষা থেকে শুরু করে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরে সংস্কারের বিস্তারিত পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে।</p><h2>নীতিমালার মূল দিক</h2><p>নতুন শিক্ষানীতির আওতায় প্রাথমিক শিক্ষাকে আরও সহজলভ্য ও মানসম্মত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় শিক্ষার সুযোগ বাড়ানোর জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে। এছাড়া মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রসারে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।</p><h3>উচ্চশিক্ষায় পরিবর্তন</h3><p>উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে গবেষণা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করার জন্য নতুন নীতিমালায় বেশ কিছু পদক্ষেপ রাখা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও অর্থায়নের ব্যবস্থা করা হবে।</p><p>এছাড়া শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। নতুন নীতিমালায় শিক্ষকদের জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।</p><ul><li>প্রাথমিক শিক্ষায় ভর্তির হার বাড়ানোর লক্ষ্য</li><li>বৃত্তিমূলক শিক্ষার সম্প্রসারণ</li><li>গবেষণা ও উন্নয়নে বিনিয়োগ বৃদ্ধি</li></ul><p>সরকার আশা করছে, এই শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এবং শিক্ষার্থীরা বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় সক্ষম হবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:42:59 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে ফুটবল ও ক্রিকেট কোচ নিয়োগ]]></title>
				<category>উপজেলা</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/upojela/article-127990.html</link>
				<description><![CDATA[<p>নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) ফুটবল ও ক্রিকেট খেলায় পেশাদার কোচিংয়ের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য চমৎকার নিয়োগের সুযোগ এনেছে। প্রতিষ্ঠানটি সম্পূর্ণ অস্থায়ী ও চুক্তিভিত্তিক ভিত্তিতে ‘ফুটবল প্রশিক্ষক’ ও ‘ক্রিকেট প্রশিক্ষক’ পদে মোট ১০ জনকে নিয়োগ দেবে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ১৮ জুন পর্যন্ত সরাসরি বা ডাকযোগে আবেদন করতে পারবেন।</p><h2>পদের বিবরণ ও পদসংখ্যা</h2><ul><li><strong>ফুটবল প্রশিক্ষক (কোচ):</strong> ৫টি পদ</li><li><strong>ক্রিকেট প্রশিক্ষক (কোচ):</strong> ৫টি পদ</li></ul><p>বেতন-ভাতা আলোচনা সাপেক্ষে নির্ধারণ করা হবে।</p><h2>আবেদনের যোগ্যতা ও বয়স</h2><p>উভয় পদের জন্যই প্রার্থীকে কোনো স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে (ফুটবল/ক্রিকেট কোচিং) ডিগ্রিধারী হতে হবে। আবেদনকারীর বয়স ন্যূনতম ৩৬ বছর হতে হবে।</p><h2>প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা</h2><p>আবেদনকারীকে সংশ্লিষ্ট খেলায় পেশাদার কোচ হিসেবে ন্যূনতম ৫ বছরের বাস্তব কর্ম–অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এর পাশাপাশি প্রার্থীর ব্যাপক প্রযুক্তিগত জ্ঞান, চমৎকার কৌশলগত ও তাত্ত্বিক দক্ষতা, শক্তিশালী যোগাযোগক্ষমতা (ইন্টারপারসোনাল কমিউনিকেশন) এবং কম্পিউটার বা আইটি জ্ঞানের পাশাপাশি ফুটবল/ক্রিকেট কোচিং সফটওয়্যার চালনায় পারদর্শী হতে হবে।</p><h2>আবেদনের নিয়ম ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র</h2><p>আগ্রহী যোগ্য প্রার্থীদের ‘প্রশাসক, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন’ বরাবর নিজ স্বাক্ষরিত আবেদনপত্র দাখিল করতে হবে। আবেদনের সঙ্গে নিচের কাগজপত্রগুলো প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত করে যুক্ত করতে হবে:</p><ul><li>বিগত ৩ মাসের মধ্যে তোলা ৩ কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি</li><li>জাতীয়তা সনদপত্র ও জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)</li><li>শিক্ষাগত যোগ্যতার মূল সনদ, অভিজ্ঞতার প্রমাণপত্র ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথি</li><li>আবেদন ফি বাবদ ১০০০ টাকার অফেরতযোগ্য পে-অর্ডার বা ব্যাংক ড্রাফট ‘প্রশাসক, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন’ বরাবর</li></ul><h2>আবেদনের শেষ সময়</h2><p>আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ১৮ জুন ২০২৬ তারিখ বিকেল ৪টার মধ্যে নগর ভবনে আবেদনপত্র পৌঁছাতে পারবেন। অসম্পূর্ণ, ত্রুটিপূর্ণ বা বিলম্বে প্রাপ্ত আবেদন সরাসরি বাতিল বলে গণ্য হবে।</p><p>এটি সম্পূর্ণ অস্থায়ী ও চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ। ভবিষ্যতে এই চাকরি স্থায়ী হওয়ার কোনো আইনি সুযোগ বা সম্ভাবনা থাকবে না।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:37:12 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[সোনায় নির্ধারিত ভ্যাট: প্রতি ভরিতে ২৫০০ টাকা করার প্রস্তাব]]></title>
				<category>পণ্যমূল্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/ponnyomulyo/article-127989.html</link>
				<description><![CDATA[<p>সোনার গহনা ও স্বর্ণালংকারের বর্তমান কর কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। বর্তমানে সোনা কেনাবেচায় মোট বিক্রয়মূল্যের ওপর ৫ শতাংশ হারে মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট দিতে হয়। কিন্তু ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এই পদ্ধতি পরিবর্তন করে নির্ধারিত অঙ্কের ভ্যাট আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনবিআর।</p><h2>নতুন ভ্যাট কাঠামো</h2><p>এনবিআরের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রতি ভরি সোনার ওপর ২ হাজার ৫০০ টাকা ভ্যাট নির্ধারণ করা হতে পারে। একই সঙ্গে কমানো হচ্ছে উৎসে করও। দেশের বাজারে বর্তমানে ২২ ক্যারেট মানের এক ভরি সোনার দাম প্রায় ২ লাখ ২৯ হাজার টাকা। এই দামে সোনা কিনলে ৫ শতাংশ হারে প্রতি ভরিতে প্রায় সাড়ে ১১ হাজার টাকা ভ্যাট দিতে হয়। নতুন ব্যবস্থা কার্যকর হলে প্রতি ভরিতে ভ্যাট হবে ২ হাজার ৫০০ টাকা, যা বর্তমান ভ্যাটের তুলনায় ৭৮ দশমিক ৫ শতাংশ কম।</p><h3>ভ্যাট আদায় বাড়ানোর লক্ষ্য</h3><p>নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের এক কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, বর্তমানে এই খাত থেকে ১৫০ কোটি টাকার কম ভ্যাট আদায় হয়। নির্ধারিত ভ্যাট আরোপ করা হলে আদায় বেড়ে প্রায় ৪০০ কোটি টাকায় উন্নীত হতে পারে। ব্যবসায়ীরাও এই বিষয়ে অঙ্গীকার করেছেন। ফলে নির্ধারিত অঙ্কের ভ্যাট চালু হলে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষই উপকৃত হবে।</p><p>সূত্র জানায়, শুরুতে প্রতি ভরিতে পাঁচ হাজার টাকা ভ্যাট নির্ধারণের প্রস্তাব ছিল। পরে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে তা কমিয়ে ২ হাজার ৫০০ টাকা করা হচ্ছে।</p><h2>বর্তমান ভ্যাট পরিস্থিতি</h2><p>এনবিআর সূত্রে জানা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সোনা বেচাকেনা থেকে ভ্যাট আদায় হয়েছিল ১৩৮ কোটি টাকা। দেশে বর্তমানে প্রায় ৪০ হাজার জুয়েলারি দোকান রয়েছে।</p><h3>উৎসে কর হ্রাস</h3><p>ভ্যাটের পাশাপাশি স্বর্ণ ও স্বর্ণালংকার সরবরাহে উৎসে করও কমানো হচ্ছে। এই ক্ষেত্রে উৎসে কর ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।</p><h2>বাজুসের ভূমিকা</h2><p>বাজেট সামনে রেখে এনবিআরের সঙ্গে প্রাক্-বাজেট আলোচনায় স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) নির্দিষ্ট অঙ্কের বা ফিক্সড ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব দেয়। পরে গত ১৩ মে একই দাবি জানিয়ে সংগঠনটি অর্থমন্ত্রীকে চিঠি পাঠায়।</p><p>বাজুসের চিঠিতে বলা হয়, নির্ধারিত অঙ্কের ভ্যাট আরোপ করা হলে এই খাত থেকে বছরে ৪০০ কোটি টাকা ভ্যাট আদায় করা সম্ভব। দেশে ৪০ হাজার জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রায় ৮ হাজার প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট নিবন্ধন রয়েছে। নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নিয়মিত ভ্যাট দেয় দেড় হাজারটি।</p><p>চিঠিতে আরও বলা হয়, ন্যূনতম ভ্যাট আরোপ করা হলে আরও বেশি প্রতিষ্ঠান ভ্যাটের আওতায় আসবে। ভ্যাট নেট সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ভরিপ্রতি ২ হাজার টাকা ভ্যাট নির্ধারণের দাবি জানিয়েছিল বাজুস।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:48:19 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের ওপর পাঁচ দেশের নিষেধাজ্ঞা]]></title>
				<category>আন্তর্জাতিক অর্থনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/antorjatik-orthoniti/article-127987.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে উগ্রপন্থি ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা ও সেখানে তৈরি হওয়া উদ্বেগজনক পরিস্থিতির জেরে এবার একযোগে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে বিশ্বের শক্তিশালী পাঁচ দেশ। দেশগুলো হলো- যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ফ্রান্স ও নরওয়ে।</p><h2>যৌথ বিবৃতিতে কী বলা হয়েছে?</h2><p>মঙ্গলবার এক যৌথ বিবৃতিতে দেশ পাঁচটি জানিয়েছে, পশ্চিম তীরের পরিস্থিতি দিন দিন আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে এবং এর জন্য দায়ী কট্টরপন্থি ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের জবাবদিহির আওতায় আনতেই তারা এই সমন্বিত পদক্ষেপ নিয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই বসতি স্থাপনকারীরা ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে।</p><h2>নতুন নিষেধাজ্ঞার বিস্তারিত</h2><p>মঙ্গলবার নতুন করে নিষেধাজ্ঞা জারির পর, এই পাঁচ দেশের জোটটি ইসরায়েল সরকারকে চরম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, সেখানকার মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ যদি জরুরি পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়, তবে তারা সামনে আরও কঠোর ব্যবস্থা নিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।</p><h3>যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞা</h3><p>প্রকাশিত এক সরকারি নোটিশে দেখা গেছে, যুক্তরাজ্য তাদের বৈশ্বিক মানবাধিকার নিষেধাজ্ঞা কাঠামোর আওতায় নতুন করে সাতটি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এই তালিকায় যুক্ত করেছে। পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতার সঙ্গে জড়িত থাকার অপরাধে তাদের এই নিষেধাজ্ঞার নিশানা করা হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় তাদের সম্পদ জব্দ এবং ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।</p><h3>ফ্রান্সের পদক্ষেপ</h3><p>অন্যদিকে, ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জঁ-নোয়েল বারোট জানিয়েছেন, অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় রেখে ফ্রান্সও অধিকৃত ওই ভূখণ্ডে বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ওপর নিজস্ব নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে। তিনি আরও বলেন, এই সহিংসতা বন্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে একজোট হতে হবে।</p><h2>আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া</h2><p>এই যৌথ নিষেধাজ্ঞাকে স্বাগত জানিয়েছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন। তারা বলেছে, পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা একটি ক্রমবর্ধমান সমস্যা, যা ফিলিস্তিনি জনগণের জীবনযাত্রাকে বিপর্যস্ত করে তুলছে। এই পদক্ষেপ ইসরায়েল সরকারকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে বাধ্য করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।</p><p>সূত্র: আল জাজিরা</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:36:50 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[শেরপুরে ব্রাজিল সমর্থক হতে ১০ লিটার দুধে গোসল শিবুর]]></title>
				<category>ফুটবল</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/football/article-127986.html</link>
				<description><![CDATA[<p>আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে শেরপুরে ঘটেছে এক ব্যতিক্রমী ঘটনা। আর্জেন্টিনার সমর্থন ত্যাগ করে ১০ লিটার দুধ দিয়ে গোসলের মাধ্যমে ব্রাজিল সমর্থক গোষ্ঠীতে যোগ দিয়েছেন শিবু নামের এক ফুটবলপ্রেমী। সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের চাপাতলি এলাকার মাদক নিরাময় কেন্দ্রের ভবনের ছাদে দেবপ্রিয় দাস শিবু ১০ লিটার দুধ দিয়ে গোসল করে ব্রাজিলের সমর্থক হিসেবে নিজেকে ঘোষণা দেন।</p><p>ঘটনার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ব্রাজিল সমর্থক মেহের খান অপু, আব্দুল্লাহ আল নাইম, রায়হান ইসলাম রাব্বী, জাকির হোসেন ও আলিম জানান, শিবু দীর্ঘদিন ধরে শুধু মেসির কারণে আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করতেন। কিন্তু এটি যেহেতু মেসির শেষ বিশ্বকাপ হতে পারে এবং বর্তমান আর্জেন্টিনা দলে আগের মতো খেলোয়াড় নেই, তাই তার আস্থা কমেছে। অন্যদিকে ব্রাজিলের শৈল্পিক ফুটবল এবং নেইমারের খেলা তাকে আকর্ষণ করছে। এ কারণে তিনি ব্রাজিলের সমর্থক হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।</p><p>এই আনুষ্ঠানিকতায় তিনি প্রতি লিটার ৮০ টাকা দরে কেনা মোট ১০ লিটার দুধ দিয়ে গোসল করেন। এরপর সবার সামনে আর্জেন্টিনার জার্সি খুলে ব্রাজিলের জার্সি গায়ে জড়িয়ে নেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন এলাকার বেশ কয়েকজন ব্রাজিল সমর্থক। তারা নতুন এই সদস্যকে করতালি দিয়ে স্বাগত জানান।</p><p>শিবু বলেন, ‘আমি মূলত লিওনেল মেসির কারণে দীর্ঘদিন ধরে আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করে আসছিলাম। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে এটাই মেসির শেষ বিশ্বকাপ। তাছাড়া বর্তমান আর্জেন্টিনা দলে আগের মতো তারকাখচিত ফুটবলারদের ছড়াছড়ি নেই। ফলে দলটির ওপর আমি আগের মতো ভরসা পাচ্ছি না।’</p><p>তিনি আরও বলেন, ‘ব্রাজিলের শৈল্পিক ফুটবল সব সময়ই আমার ভালো লাগে। নেইমার আমার অন্যতম প্রিয় খেলোয়াড়। এসব দিক বিবেচনা করেই আমি এবার ব্রাজিলকে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’</p><p>শিবুর বন্ধু ও ব্রাজিল সমর্থক মো. আলিম বলেন, ‘শিবু শুধু মেসির কারণে আর্জেন্টিনা করতেন। কিন্তু এবার দলটির ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলায় ব্রাজিলের হলুদ শিবিরে যোগ দিয়েছেন। আমরা তাকে স্বাগত জানিয়েছি।’</p><p>ব্রাজিলের আরেক সমর্থক মেহের খান অপু বলেন, ‘বিশ্বকাপের আগে ফুটবল সমর্থকদের মধ্যে এ ধরনের আবেগ ও পরিবর্তন খুব একটা অস্বাভাবিক নয়। তিনি এখন আমাদের দলের অংশ। আমরা সবাই মিলে এবার ব্রাজিলের হেক্সা (ষষ্ঠ বিশ্বকাপ) জয়ের জন্য শুভকামনা জানাই।’</p><p>মাদক নিরাময় কেন্দ্রের পরিচালক মেহের খান অপু বলেন, ‘১০ লিটার দুধ দিয়ে গোসল করার পর শিবু ব্রাজিল সমর্থক হিসেবে ঘোষণা দেন। পরে উপস্থিত সমর্থকরা তাকে ব্রাজিলের জার্সি পরিয়ে ফুলের মালা দিয়ে স্বাগত জানান।’</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:53:51 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ইসলামী ব্যাংক দখলের চেষ্টায় নতুন চক্র: বিরোধীদলীয় নেতা]]></title>
				<category>আওয়ামী লীগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/awami-league/article-127985.html</link>
				<description><![CDATA[<p>জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির দিকে আবারও ‘দখলকারী চক্রের’ নজর পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন। মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশনের বাজেট অধিবেশনের তৃতীয় দিনে কার্যপ্রণালী বিধির ৬৮ বিধিতে দেওয়া এক নোটিশ উত্থাপন করার সময় তিনি এ অভিযোগ করেন।</p><h2>ইসলামী ব্যাংকের গুরুত্ব ও অতীত সাফল্য</h2><p>ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ইসলামী ব্যাংক দেশের বৃহত্তম বেসরকারি ব্যাংক এবং দেশের মোট রেমিট্যান্সের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এই ব্যাংকের মাধ্যমে আসে। তিনি দাবি করেন, রাজনৈতিক হয়রানি ও অপপ্রচারের মধ্যেও ২০১৬ সালে ব্যাংকটি ৪৪৭ কোটির বেশি মুনাফা অর্জন করেছিল এবং সে সময় খেলাপি বিনিয়োগের হার ছিল মাত্র ৪ শতাংশ।</p><h2>তৎকালীন সরকারের নিয়ন্ত্রণ ও লুটপাট</h2><p>তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে তৎকালীন সরকার বিভিন্ন উপায়ে ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং ব্যাংক লুটপাট করে, যার ফলে ব্যাংক ও দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর প্রভাবে ২০২৪ সালে ব্যাংকের মুনাফা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায় এবং শেয়ারহোল্ডারদের কোনও লভ্যাংশ দেওয়া সম্ভব হয়নি। একই সময়ে খেলাপি বিনিয়োগের হারও বেড়ে প্রায় ৫১ শতাংশে পৌঁছায় বলে তিনি দাবি করেন।</p><h2>রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর পুনরুদ্ধার</h2><p>বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ব্যাংকটি ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছিল এবং গ্রাহকদের আস্থা পুনরুদ্ধারের পথে এগোচ্ছিল। এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংকের মুনাফা ১০৮ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১৩৭ কোটি টাকায় উন্নীত হয়। কিন্তু এমন সময়ে আবারও একটি চক্র ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।</p><h2>সংসদে নোটিশ উপস্থাপন ও স্পিকারের হস্তক্ষেপ</h2><p>তবে বক্তব্যের একপর্যায়ে স্পিকার তাকে থামিয়ে দেন এবং পরে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত বলার সুযোগ থাকবে বলে জানান। ফলে তিনি তার পুরো নোটিশটি সংসদে উপস্থাপন করতে পারেননি। নোটিশের লিখিত অংশে ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, নতুন করে পরিচালনা পর্ষদে বিতর্কিত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং ব্যবস্থাপনায় অযৌক্তিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে ব্যবস্থাপনা পরিচালককে (এমডি) পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে।</p><h2>আস্থার সংকট ও গ্রাহকদের প্রতিক্রিয়া</h2><p>তিনি আরও উল্লেখ করেন, অতীতে ‘জামায়াতপন্থী ব্যবস্থাপনা’ অভিযোগকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে যেভাবে ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়া হয়েছিল, বর্তমানে একই ধরনের কৌশল পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এর ফলে গ্রাহকদের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। নোটিশে বলা হয়, একদিনেই গ্রাহকেরা প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা আমানত তুলে নিয়েছেন, যা ব্যাংকটির প্রতি আস্থাহীনতার প্রতিফলন।</p><h2>প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান</h2><p>দেশের ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা, অর্থনীতি এবং কোটি কোটি গ্রাহকের স্বার্থ রক্ষায় ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া এবং ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনায় সব ধরনের অন্যায় ও অনভিপ্রেত হস্তক্ষেপ বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান বিরোধীদলীয় নেতা।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:35:06 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ইসলামী ব্যাংকে আমানত উত্তোলন বেড়েছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকা চাওয়া]]></title>
				<category>ব্যাংকিং</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/banking/article-127984.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিতে চেয়ারম্যান নিয়োগকে ঘিরে চলমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে আমানত উত্তোলন উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এর ফলে তারল্য চাপে পড়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ সহায়তা চেয়ে আবেদন করেছে ব্যাংকটি। ব্যাংক সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক আবেদন করা হয়।</p><h2>আমানত উত্তোলনের পরিমাণ</h2><p>ঈদের ছুটির পর গত রোববার পর্যন্ত টানা পাঁচ কার্যদিবসে ইসলামী ব্যাংক থেকে জমার তুলনায় প্রায় ৪ হাজার ৩০০ কোটি টাকা বেশি উত্তোলন হয়েছে। ব্যাংকটির কর্মকর্তাদের ধারণা, সাম্প্রতিক অস্থিরতার কারণে কিছু গ্রাহক আমানত তুলে নিচ্ছেন। সূত্র আরও জানায়, বাড়তি উত্তোলনের কারণে ব্যাংকটি আবারও বাংলাদেশ ব্যাংকে বিধিবদ্ধ নগদ জমা (সিআরআর) সংরক্ষণে চাপে পড়েছে। এ পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিশেষ সহায়তা চাওয়া হয়েছে।</p><h2>বর্তমান তারল্য অবস্থা</h2><p>ইসলামী ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকে রক্ষিত হিসাবে এখনও পর্যাপ্ত অর্থ রয়েছে। তবে সিআরআর ঘাটতি মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বিশেষ তহবিলের আবেদন করা হয়েছে। তিনি বলেন, ব্যাংকের চলতি হিসাবে আগে ৭ হাজার ১৫ কোটি টাকার বেশি অর্থ ছিল, যা বর্তমানে কমে প্রায় ২ হাজার ৬০০ কোটি টাকায় নেমে এসেছে।</p><h2>পটভূমি ও সংকটের কারণ</h2><p>ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের পর ২০২২ সাল থেকেই ইসলামী ব্যাংক বিভিন্ন সংকটের মুখোমুখি হয়। ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ব্যাংকটিতে সুশাসন ফিরিয়ে আনতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খুরশীদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার পর একটি পক্ষ ‘ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরাম’-এর ব্যানারে আন্দোলন শুরু করে। গত ১ জুন থেকে চলা এ আন্দোলনে তার নিয়োগ বাতিলের দাবি জানানো হচ্ছে। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, বাংলাদেশ ব্যাংকে দায়িত্ব পালনকালে খুরশীদ আলম দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের বিক্ষোভের মুখে তাকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল।</p><h3>অতীতের ঘটনা</h3><p>উল্লেখ্য, ২০১৭ সাল থেকে ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ছিল এস আলম গ্রুপের হাতে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করা হয়। সম্প্রতি ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পদত্যাগ করেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:52:02 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ঋতুপর্ণা চাকমার পরিবারের জন্য প্রধান উপদেষ্টার আর্থিক সহায়তা]]></title>
				<category>ফুটবল</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/football/article-127983.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের তারকা খেলোয়াড় ঋতুপর্ণা চাকমা তার পারিবারিক বাড়ি নির্মাণের জন্য প্রধান উপদেষ্টা তারিক রহমানের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে বাজেট অধিবেশনের বিরতিতে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই সহায়তার চেক হস্তান্তর করা হয়।</p><h2>উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ</h2><p>চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আমিনুল হক, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা মীর হেলাল উদ্দিন, বস্ত্র ও পাট উপদেষ্টা শরিফুল আলম এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি তাবিথ আওয়াল।</p><h2>পূর্ববর্তী সহায়তা</h2><p>এর আগে ২০২৫ সালে ঋতুপর্ণার মায়ের ক্যান্সার চিকিৎসার সময় তার পরিবারকে সহায়তা দেওয়া হয়েছিল। তৎকালীন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারিক রহমানের নির্দেশে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও 'আমরা বিএনপি পরিবার' আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমান রাঙ্গামাটির প্রত্যন্ত পাহাড়ি জেলায় ফুটবলারের বাড়িতে গিয়ে পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।</p><h2>ঋতুপর্ণার কৃতিত্ব</h2><p>বাংলাদেশ নারী ফুটবলের অন্যতম প্রধান মুখ ঋতুপর্ণা ২০২২ ও ২০২৪ সালে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে জাতীয় দলের শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি ২০২৫ সালে এএফসি নারী এশিয়ান কাপের মূল পর্বে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক যোগ্যতা অর্জনেও বড় অবদান রাখেন, যা দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো অর্জিত হয়।</p><h3>পারিবারিক পটভূমি</h3><p>পার্বত্য অঞ্চলের একটি সাধারণ পরিবার থেকে আসা ঋতুপর্ণা অধ্যবসায় ও অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে উঠেছেন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার সাফল্যের মাধ্যমে জাতীয় স্বীকৃতি অর্জন করেছেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:51:17 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[সরকার সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত করবে]]></title>
				<category>হাসপাতাল</category>
				<link>https://bdgazette.com/swasthyo/hashpatal/article-127982.html</link>
				<description><![CDATA[<p>দেশের তৃণমূল পর্যায়ে মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দিতে বিদ্যমান সব ৩১ ও ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।</p><h2>স্বাস্থ্য খাতের অগ্রগতি</h2><p>প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্য খাতসহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের বিগত সপ্তাহের মাঠপর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির বিবরণ তুলে ধরেন তিনি। বর্তমানে সারা দেশে মাত্র ৮টি উপজেলায় ১০০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চালু রয়েছে। জনগণের স্বাস্থ্যসেবার পরিধি ও মান বাড়াতে এর বাইরে থাকা দেশের বাকি সব ৩১ শয্যা ও ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার কাজ হাতে নিয়েছে সরকার।</p><h2>বিদ্যুৎচালিত অ্যাম্বুলেন্স তৈরির উদ্যোগ</h2><p>উপদেষ্টা জানান, জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত জরুরি স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে দেশীয় প্রযুক্তিতে বিদ্যুৎচালিত অ্যাম্বুলেন্স তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কারিগরি সহায়তায় এই অ্যাম্বুলেন্সগুলো তৈরি করা হবে। গত ৬ জুন প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টদের নিয়ে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে প্রাথমিকভাবে একটি উপজেলাকে মডেল হিসেবে ধরে এই প্রকল্পের কাজ শুরুর পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।</p><h2>ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনায় প্রশিক্ষণ</h2><p>দেশের ডেঙ্গু রোগজনিত পরিস্থিতির কথা চিন্তা করে ‘ডেঙ্গুর ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট জাতীয় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। গত ৭ জুন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত চিকিৎসকদের নিয়ে প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকার বাইরে দেশের বাকি সাতটি বিভাগে এবং সবগুলো জেলায় পর্যায়ক্রমে এ ধরনের বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হবে।</p><h2>অন্যান্য সিদ্ধান্ত</h2><p>ব্রিফিংয়ে উপদেষ্টা জানান, পারমাণবিক বিদ্যুতের যুগে প্রবেশের প্রস্তুতি হিসেবে দেশের গ্রিড ব্যবস্থা আধুনিকায়নের সমীক্ষা চলছে। ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজির দাম কমিয়ে ১ হাজার ৮৮৫ টাকা করা হয়েছে। লাইফ লাইন ও প্রথম ধাপের গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্যহার স্থগিত রেখে পূর্বের দাম বহাল রাখা হয়েছে।</p><p>জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলামে কর্মমুখী শিক্ষার অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যে ১২ হাজার শিক্ষকের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবলে দেশের ২২ লাখের বেশি শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। সারা দেশে ১ হাজার ১০০টি কেন্দ্রের মাধ্যমে ওএমএস কর্মসূচিতে ভর্তুকি মূল্যে খাদ্যপণ্য বিক্রি চলছে। বর্তমানে সরকারি গুদামে ১৮ লাখ ৭৪ হাজার মেট্রিক টনের বেশি খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে। এছাড়া দেশীয় খামারিদের উৎপাদিত পশু দিয়েই এবারের ঈদুল আজহার শতভাগ চাহিদা পূরণ হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:12:28 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ইরাকে বাস উল্টে আগুনে নিহত ২১, আহত ১৯]]></title>
				<category>ইউরোপ</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/europe/article-127981.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ইরাকের দক্ষিণাঞ্চলীয় নাসিরিয়া শহরের কাছে একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যাওয়ার পর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২১ জন নিহত হয়েছেন। রোববার (৭ জুন) ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আরও অন্তত ১৯ জন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে দেশটির পুলিশ ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।</p><h2>দুর্ঘটনার বিবরণ</h2><p>স্থানীয় প্রশাসন জানায়, নাসিরিয়ার নিকটবর্তী একটি মহাসড়কে দ্রুতগতির বাসটির চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে গাড়িটি উল্টে যায় এবং মুহূর্তের মধ্যে পুরো বাসে আগুন ধরে যায়। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও উদ্ধারকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করেন। ঘটনাস্থলে এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান ২১ জন। চিকিৎসা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আহত ১৯ জনের অধিকাংশেরই শরীর মারাত্মকভাবে পুড়ে গেছে এবং তাদের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। ফলে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।</p><h2>প্রতিক্রিয়া ও তদন্ত</h2><p>এই ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনার পর ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, তিনি দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন এবং ঠিক কী পরিস্থিতিতে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে তা খতিয়ে দেখে দ্রুত প্রতিবেদন জমা দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে।</p><h3>সড়ক দুর্ঘটনার প্রেক্ষাপট</h3><p>ইরাকে প্রতিনিয়ত এই ধরনের সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো, মহাসড়কগুলোর বেহাল দশা এবং ট্রাফিক আইনের যথাযথ প্রয়োগ না থাকার কারণে দেশটিতে প্রতি বছর সড়ক দুর্ঘটনায় বিপুল সংখ্যক মানুষের প্রাণহানি ঘটে। এই দুর্ঘটনাও তার একটি উদাহরণ।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:04:01 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[এম. জন হ্যারিসনের নতুন বই: বদলে যাওয়া দুনিয়ার রহস্য]]></title>
				<category>গবেষণা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/gobeshona/article-127980.html</link>
				<description><![CDATA[<p>পুরস্কারজয়ী লেখক এম. জন হ্যারিসনের নতুন বইটি সায়েন্স ফিকশন জগতে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। বইটির মূল্য ১৬.৯৯ পাউন্ড বা ২২.৭০ ডলার (হার্ডকভার) এবং এর পৃষ্ঠা সংখ্যা ২২৪।</p><h2>গল্পের পটভূমি</h2><p>এক রহস্যময় মহাবিপর্যয়ের পর চেনা পৃথিবীটি সম্পূর্ণ বদলে গেছে। সমুদ্রের পানিতে এখন রাজত্ব করছে অদ্ভুত সব নতুন প্রাণী। এই অচেনা দুনিয়ায় ফিলিপ নামে এক ব্যক্তি ইংলিশ চ্যানেলের জোয়ারের তীরে ভেসে আসা অদ্ভুত সব জিনিস কুড়িয়ে জীবন ধারণ করে।</p><h3>রহস্যময় আবিষ্কার</h3><p>একদিন ফিলিপ পানি থেকে এমন এক জীবন্ত বস্তু খুঁজে পায়, যা প্রতি মুহূর্তে নিজের রূপ বদলাচ্ছে। এই বস্তুটি নিজের কাছে রাখা মানেই মহাবিপদ। গল্পটি চেনা বাস্তবতার সীমানাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এবং এক থমথমে রহস্যের আবহ তৈরি করে।</p><p>বইটি পাঠকদের জন্য এক অনন্য অভিজ্ঞতা, যা সায়েন্স ফিকশনের ভক্তদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় হবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:00:42 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[নেপালের প্রধানমন্ত্রীর ফেসবুক পোস্ট ঘিরে বিতর্ক]]></title>
				<category>সামাজিক মাধ্যম</category>
				<link>https://bdgazette.com/projukti/shamajik-madhyom/article-127979.html</link>
				<description><![CDATA[<p>নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গত শনিবার রাতে একটি পোস্ট দেওয়ায় সমালোচনার মুখে পড়েছেন। বিশ্লেষক, রাজনীতিবিদ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অভিযোগ করছেন, তিনি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো থেকে দৃষ্টি ফেরাতে এই কৌশল নিচ্ছেন। পর্যবেক্ষকদের মতে, বিতর্কিত অধ্যাদেশ, উচ্ছেদ হওয়া ভূমিহীনদের চলমান দুর্দশা এবং বার্ষিক বাজেটে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে নিয়মতান্ত্রিকভাবে অবহেলা করার কারণে সরকার যখন তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ছে, তখন প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল কর্মকাণ্ড জনগণের শক্তিকে সস্তা অনলাইন বিতর্কের দিকে ঠেলে দিয়েছে।</p><h2>রহস্যময় পোস্ট ও প্রতিক্রিয়া</h2><p>সর্বশেষ বিতর্কের সূত্রপাত গত শনিবার রাত ১০টা ১৫ মিনিটে, যখন প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ তাঁর অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে একটি রহস্যময় পোস্ট দেন। তিনি লেখেন, ‘আমিও রাষ্ট্রদূত হতে চাই। কারও কাছে প্রধানমন্ত্রীর নম্বর থাকলে দয়া করে শেয়ার করবেন কি?’ পোস্টটি দ্রুতই উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, মন্ত্রিসভার সদস্য ও সংসদ সদস্যদের কাছ থেকে হালকা ও ব্যঙ্গাত্মক প্রতিক্রিয়া পেতে শুরু করে, যা রাষ্ট্রীয় বিষয়কে খাটো করে দেখার কারণে জনগণের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে।</p><h3>মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের মন্তব্য</h3><p>প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অসীম শাহ হাসির ইমোজি দিয়ে পোস্টে মন্তব্য করেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রীকে বলে দেব।’ শিক্ষামন্ত্রী ও সরকারের মুখপাত্র সস্মিত পোখারেল উত্তর দেন, ‘আমি কি তাঁকে মেসেজ করব?’ একইভাবে, সংসদ সদস্য টিকা সাংগ্রৌলা লেখেন, ‘আমার কাছে আছে; কিন্তু আপনাকে দেব না।’ তরুণ নেত্রী রঞ্জু দর্শনা মন্তব্য করেন, ‘একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রদূত হওয়া যায় না। আগে যেকোনো একটা বেছে নিন।’</p><h2>সমর্থক ও সমালোচকদের মতামত</h2><p>প্রধানমন্ত্রীর সমর্থকেরা এ কর্মকাণ্ডকে সাধারণ ডিজিটাল সম্পৃক্ততা বলে রক্ষা করার চেষ্টা করলেও সমাজের একটি বড় অংশ নির্বাহী পদের এমন অবমূল্যায়নে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সমালোচকদের যুক্তি, প্রধানমন্ত্রী সস্তা জনপ্রিয়তা পাওয়ার সংস্কৃতিকে কাজে লাগাচ্ছেন, যা মূলত কেবল জনমনে বিতর্ক তৈরি করে সামাজিক মাধ্যমের অ্যালগরিদমকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখার একটি কৌশল।</p><h3>জেন-জি নেত্রীর প্রতিক্রিয়া</h3><p>জেন–জি নেত্রী তনুজা পান্ডে কান্তিপুরকে বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত উদ্বেগজনক একটি প্রবণতা লক্ষ করছি, যেখানে রাষ্ট্রীয় বিষয় ও ব্যক্তিগত বিনোদনের মধ্যকার পার্থক্য সম্পূর্ণ মুছে ফেলা হয়েছে। বিশ্বমঞ্চে নেপালের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য কূটনৈতিক নির্বাচন করা একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল সাংবিধানিক বিষয়। এটি তাঁর ব্যক্তিগত কোনো বিষয় নয়, এটি রাষ্ট্র পরিচালনার বিষয় এবং এই দুটির পার্থক্য বুঝতে না পারাটা সত্যিই দুঃখজনক।’</p><h2>পূর্বের ঘটনা ও প্রসঙ্গ</h2><p>এই অনলাইন–কাণ্ডের ঠিক আগেই ৪ জুন একটি বহুল আলোচিত ঘটনাটি ঘটে, যেখানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও মন্ত্রিপরিষদের সরাসরি নির্দেশে সচিব কৃষ্ণ হরি পুষ্করকে গ্রেপ্তার করা হয়। নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য প্রধানমন্ত্রী শাহকে সরাসরি ব্যক্তিগত বার্তা পাঠিয়ে প্রশাসনিক নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে পুষ্করকে আটক করা হয়। সাবেক জ্যেষ্ঠ আমলারা উল্লেখ করেছেন, একটি ইলেকট্রনিক বার্তার জন্য একজন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাকে আটক করতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে ব্যবহার করা একটি বিপজ্জনক নজির তৈরি করে। তাঁদের মতে, এটি প্রাতিষ্ঠানিক স্থিতিশীলতাকে ক্ষতিগ্রস্ত এবং আমলাতন্ত্রের মধ্যে ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি করবে।</p><h3>মানবাধিকারকর্মীর বক্তব্য</h3><p>মানবাধিকারকর্মী মজিদ আনসারি বলেন, পুলিশকে আইনের শাসন অনুযায়ী চলতে হবে, প্রধানমন্ত্রীর মেজাজ-মর্জির ওপর ভিত্তি করে নয়। শাহ প্রশাসনের জন্য এ ধরনের আচরণ নতুন নয়। পর্যবেক্ষকেরা বলছেন, নীতিগত ব্যর্থতা এবং আইনি বিতর্কগুলোকে আড়াল করতে প্রধানমন্ত্রী প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব নাটকীয়তাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছেন।</p><h2>সাংবিধানিক সংকট ও বিতর্ক</h2><p>গত ২৭ এপ্রিল সাংবিধানিক পরিষদ এবং সমবায় জালিয়াতি ব্যবস্থাপনা–সম্পর্কিত বিতর্কিত অধ্যাদেশগুলো পাস করার জন্য সংসদকে এড়াতে মন্ত্রিসভা আকস্মিকভাবে ফেডারেল সংসদের অধিবেশন স্থগিত করে, যার সুপারিশ শাহ নিজেই প্রেসিডেন্টের কাছে করেছিলেন। সংসদীয় নজরদারি এড়ানোর এ ঘটনায় যখন জনক্ষোভ বাড়ছিল, তখন ৯ মে শাহ ফেসবুকে নিজের একটি কায়দা করে তোলা ছবি পোস্ট করেন। ছবিটি ভাইরাল হয়ে যায় এবং সামাজিক মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি এর অসংখ্য প্রতিলিপি তৈরি হতে থাকে। ফলে আইনসভার সংকটটি দ্রুতই প্রধানমন্ত্রীর ছবি নিয়ে আলোচনার আড়ালে ঢাকা পড়ে যায়।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:33:38 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বাংলাদেশি ধারাবাহিক ‘আন্নি’র জার্মানিতে বিশ্বপ্রিমিয়ার]]></title>
				<category>সিনেমা</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/cinema/article-127978.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশি মিনি-ধারাবাহিক ‘আন্নি’-র বিশ্বপ্রিমিয়ার মঙ্গলবার জার্মানির কোলোনের সিনেনোভা ভেন্যুর থিয়েটার ৩-এ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর কয়েক ঘণ্টা আগে অফিসিয়াল ট্রেলার প্রকাশ করা হয়, যা দর্শককে অন্ধকার ও রহস্যে ভরা গল্পের আভাস দেয়, যেখানে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন নাজিফা তুশি।</p><h2>নির্মাতা ও কাহিনি</h2><p>প্রশংসিত চলচ্চিত্র নির্মাতা আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ পরিচালিত ‘আন্নি’ সেরিয়েনক্যাম্প ফেস্টিভ্যালের মর্যাদাপূর্ণ ‘ওমেন ইন সিরিজ’ বিভাগে নির্বাচিত প্রথম বাংলাদেশি ধারাবাহিক।</p><p>ধারাবাহিকে নাজিফা তুশি ‘আন্নি’ চরিত্রে অভিনয় করেছেন, যিনি একজন তরুণ নার্স এবং তার পাঁচ ভাইবোনের ভরণপোষণ ও সুরক্ষার জন্য সংগ্রাম করছেন। এক নৃশংস আক্রমণের পর তার জীবন নাটকীয় মোড় নেয়, যা তাকে ট্রমা, ক্রোধ ও প্রতিশোধের আকাঙ্ক্ষার জগতে নিয়ে যায়।</p><h3>ট্রেলার ও অভিনয়শিল্পী</h3><p>নবমুক্ত ট্রেলারটি দর্শককে একটি ডিস্টোপিয়ান ও উদ্বেগজনক কাহিনির সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়, যেখানে আন্নির ব্যক্তিগত সংগ্রাম, অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও চারপাশের সহিংসতা ফুটে উঠেছে। ‘হাওয়া’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি পাওয়া তুশি সম্প্রতি ঈদুল ফিতরে ‘প্রেসার কুকার’-এ অভিনয় করে প্রশংসিত হয়েছেন। ঈদুল আজহার মুক্তিপ্রাপ্ত ‘রইদ’-এ তার সর্বশেষ উপস্থিতিও উল্লেখযোগ্য দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।</p><p>তুশির পাশাপাশি ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন ইয়াশ রোহান, সাইমন সাদিক, সারিকা সাবরিন, ফারহানা মিথু ও নাজাহ প্রমুখ।</p><h2>ভিসা জটিলতা ও ভার্চুয়াল প্রশ্নোত্তর</h2><p>যদিও কলাকুশলীরা বিশ্বপ্রিমিয়ারে উপস্থিত থাকার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছিলেন, ভিসা জটিলতার কারণে তারা জার্মানি যেতে পারেননি। তবে তারা আন্তর্জাতিক দর্শকদের সাথে একটি ভার্চুয়াল প্রশ্নোত্তর অধিবেশনে অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।</p><p>প্রযোজক এহসানুল হক বাবু দলের ফেস্টিভ্যালে অনুপস্থিতিতে হতাশা প্রকাশ করলেও বলেছেন, কাজের গুণগত মান শেষ পর্যন্ত বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে।</p><h3>থিম ও প্রত্যাশা</h3><p>প্রযোজনা দলের মতে, ‘আন্নি’ একটি চেম্বার নাটক হিসেবে নির্মিত হয়েছে এবং সাদের আগের কাজের মতো লিঙ্গ বৈষম্য, অবিশ্বাস ও সামাজিক সহিংসতার থিম অন্বেষণ করে। ব্যক্তিগত ট্রমাকে বৃহত্তর সামাজিক বাস্তবতার সাথে যুক্ত করে নির্মাতারা বিশ্বাস করেন ধারাবাহিকটি দেশে ও বিদেশে দর্শকদের সাথে অনুরণিত হবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:01:34 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ধামরাইয়ে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে এসে নারীর রহস্যজনক মৃত্যু]]></title>
				<category>মানবাধিকার</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/manbadhikar/article-127977.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ঢাকার ধামরাইয়ে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে ঘুরতে এসে লক্ষ্মী রানী (৩৫) নামের এক নারীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তার প্রেমিক স্বপন অধিকারীকে (৩৮) আটক করেছে পুলিশ। প্রেমিকের কথায় স্বামীর ঘর ছেড়ে টাঙ্গাইল থেকে ধামরাইয়ে এসেছিলেন ওই নারী।</p><h2>মরদেহ উদ্ধার ও আটক</h2><p>মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে উপজেলার সোমভাগ ইউনিয়নের কান্দিকুল গ্রামের একটি বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত লক্ষ্মী রানী টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বাসিন্দা এবং বীরেন্দ্র মণ্ডলের মেয়ে। অন্যদিকে, আটক স্বপন অধিকারীও টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার রবীন্দ্র অধিকারীর ছেলে।</p><h3>ঘটনার বিবরণ</h3><p>পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে স্বপন অধিকারীর সঙ্গে ধামরাইয়ে আসেন লক্ষ্মী রানী। তারা কান্দিকুল গ্রামের চিত্ত রায়ের বাড়িতে অবস্থান করেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে মনোমালিন্য হয়। পরে স্বপন কৌশলে তাকে ঘরে রেখে পালিয়ে যান। মঙ্গলবার ভোরে ঘরের ভেতর ওড়না পেঁচানো অবস্থায় লক্ষ্মী রানীর মরদেহ পাওয়া যায়।</p><h3>তদন্ত ও ময়নাতদন্ত</h3><p>পুলিশের ধারণা, এটি আত্মহত্যার ঘটনা। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে রহস্য রয়েছে। এই কারণে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ধামরাই থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।’</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:35:48 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[জীবনযাপন ফিচার: প্রতিদিনের সুস্থতার জন্য ৫টি অভ্যাস]]></title>
				<category>নারী</category>
				<link>https://bdgazette.com/jibonjapon/nari/article-127976.html</link>
				<description><![CDATA[<p>প্রতিদিনের ব্যস্ত জীবনযাত্রায় আমরা অনেকেই নিজের যত্ন নিতে ভুলে যাই। অথচ কিছু সহজ অভ্যাসই আমাদের জীবনকে সুস্থ ও সুন্দর করে তুলতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন ৫টি অভ্যাস যা আপনার জীবনযাপনের মান বদলে দেবে।</p><h2>প্রতিদিনের রুটিনে যোগ করুন এই অভ্যাসগুলো</h2><p>প্রথমেই আসে পর্যাপ্ত পানি পান করার বিষয়টি। দিনে অন্তত ৮ গ্লাস পানি পান করা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত জরুরি। এটি শরীর থেকে টক্সিন দূর করে এবং ত্বককে উজ্জ্বল রাখে।</p><h3>পর্যাপ্ত ঘুমের গুরুত্ব</h3><p>প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানো মস্তিষ্ক ও শরীরের জন্য প্রয়োজনীয়। ঘুমের অভাবে মানসিক চাপ বাড়ে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।</p><h3>সুষম খাদ্যাভ্যাস</h3><p>শাকসবজি, ফলমূল, প্রোটিন ও শস্যজাতীয় খাবার খাদ্যতালিকায় রাখুন। প্রক্রিয়াজাত খাবার ও চিনি এড়িয়ে চলুন।</p><h3>নিয়মিত ব্যায়াম</h3><p>প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটাহাঁটি বা হালকা ব্যায়াম করুন। এটি হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়।</p><h3>মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন</h3><p>ধ্যান বা গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলন মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন ১০ মিনিট নিজের জন্য সময় বের করুন।</p><p>এই পাঁচটি অভ্যাস আপনার জীবনযাপনকে সুস্থ ও সুন্দর করে তুলতে পারে। আজ থেকেই শুরু করুন এবং পরিবর্তনটি উপভোগ করুন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:55:56 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থতার ১১ কারণ সংসদে তুলে ধরলেন অর্থমন্ত্রী]]></title>
				<category>জাতীয় সংসদ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/jatiyo-shongshod/article-127975.html</link>
				<description><![CDATA[<p>মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস, ব্যবসায়িক ক্ষতি, শিল্প উৎপাদনে ঘাটতি, মুনাফা হ্রাসসহ রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ার ১১টি কারণ জাতীয় সংসদে তুলে ধরেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ কারণগুলো তুলে ধরেন।</p><h2>রাজস্ব আদায়ের বর্তমান অবস্থা</h2><p>অর্থমন্ত্রী জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ থেকে (জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অংশ) রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। যার বিপরীতে আহরণ করা হয়েছে ৩ লাখ ৭০ হাজার ৮৭৫ দশমিক শূন্য ৪ কোটি টাকা। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে অভ্যন্তরীণ সম্পদ থেকে (জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অংশ) রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৫ লাখ ৩ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে এপ্রিল পর্যন্ত রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪ লাখ ৩১ হাজার ৪৬১ দশমিক ২৭ কোটি টাকা। যার বিপরীতে আহরণ করা হয়েছে ৩ লাখ ২৬ হাজার ৯২৮ দশমিক ১৬ কোটি টাকা। লক্ষ্যমাত্রার ৭৫ দশমিক ৭৭ শতাংশ অর্জিত হয়েছে।</p><h2>লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ার কারণ</h2><p>অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০২৫–২৬ অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ার মূল কারণ ছিল রাজনৈতিক পটপরিবর্তনজনিত সাময়িক শূন্যতা, সরবরাহ শৃঙ্খলে বিপর্যয়, উচ্চ উৎপাদন ব্যয় এবং সামষ্টিক অর্থনীতির মন্দাভাব। তবে বছরের শেষ ভাগে অটোমেশন ও কর ফাঁকি রোধে এনবিআরের কঠোর অবস্থান এই ঘাটতি কিছুটা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করছে।</p><p>লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ার যেসব কারণ অর্থমন্ত্রী তুলে ধরেছেন, তার মধ্যে আছে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রাজনৈতিক অস্থিরতা, রাজনৈতিক সরকার না থাকা, বিনিয়োগ কম, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে স্থবিরতা, উৎপাদন ও সরবরাহ কম, মূসক ও সম্পূরক শুল্ক প্রদানকারী বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকা। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিনিয়োগ কম, আমদানি কম, উৎপাদন ও সরবরাহ কম, মূসক ও সম্পূরক শুল্ক প্রদানকারী বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়া।</p><p>২৫ শতাংশ ও ১০ শতাংশ শুল্কহারবিশিষ্ট পণ্যের আমদানি বিগত বছরের চেয়ে যথাক্রমে ১৮ ও ৩৭ শতাংশ হ্রাস পাওয়ায় চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। আরও যেসব কারণ রয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে জ্বালানি পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে পেট্রোলিয়াম পণ্যের শুল্ক-কর কমানোর সিদ্ধান্ত; তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের আমদানি পর্যায়ে ভ্যাট প্রত্যাহার; মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানিসংশ্লিষ্ট এসআরওতে চলতি অর্থবছরে নতুন এইচএস কোড সংযোজনের ফলে রাজস্ব আহরণ কম হওয়া এবং বিলাসবহুল গাড়ির আমদানি আগের বছরের তুলনায় কমে যাওয়া।</p><p>অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্ট মাসে সংঘটিত ছাত্র-জনতার গণ–অভ্যুত্থান এবং সরকার পরিবর্তনের কারণে দেশজুড়ে দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক স্থবিরতার কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলা ভেঙে পড়ে এবং খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা–বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়ে। ফলে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর আয় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়, যা সরাসরি করপোরেট কর আহরণে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।</p><h2>সঞ্চয়পত্র ও ঋণের স্থিতি</h2><p>সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার প্রশ্নের জবাবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত দেশে সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে গৃহীত ঋণের স্থিতি ৩ লাখ ১৩ হাজার ৬৭০ দশমিক ৪৮ কোটি টাকা। অপর দিকে চলতি মে পর্যন্ত ট্রেজারি বিল, ট্রেজারি বন্ড ও বাংলাদেশ সরকার বিনিয়োগ সুকুকের মাধ্যমে সরকারের গৃহীত ঋণের স্থিতি ৮ লাখ ৯৩ হাজার ৮৩৭ দশমিক ২৬ কোটি টাকা।</p><h2>জলবায়ু তহবিল থেকে অর্থায়ন</h2><p>এনসিপির সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল আমিনের প্রশ্নের জবাবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ তিনটি জলবায়ু অর্থায়ন তহবিল গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (জিসিএফ), গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট ফ্যাসিলিটি (জিইএফ) ও অ্যাডাপটেশন ফান্ড (এএফ) থেকে জলবায়ু অর্থায়ন পেয়ে থাকে। তহবিল তিনটির কার্যক্রম শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ৪৮৪ দশমিক ৪১১ মিলিয়ন ইউএস ডলার প্রাপ্ত হয়েছে।</p><h2>বৈদেশিক ঋণের স্থিতি</h2><p>সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ মুহা. রবিউল বাশারের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, চলতি ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অপরিশোধিত বৈদেশিক ঋণের স্থিতি ছিল ৭৮ হাজার ৬৭ দশমিক ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:01:31 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[দিপু মনির জামিন, হালান্ডের নরওয়ের সমর্থন চাওয়া, ইরানের টিকিট বাতিল: সারাদিনের খবর]]></title>
				<category>জাতীয় সংসদ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/jatiyo-shongshod/article-127974.html</link>
				<description><![CDATA[<p>দিপু মনির ৩৮ মামলার মধ্যে দুটিতে জামিন মিলেছে। বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থন চেয়েছে হালান্ডের নরওয়ে। পাঁচ বছর ধরে মামলা ঝুলছে হবিগঞ্জের বিচারককে হাইকোর্টের তলব বাতিল হয়ে গেছে। ইরানের জন্য বরাদ্দ থাকা টিকিটও বাতিল হয়েছে। ভারতের পত্রিকায় সিরিজ সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘জনগণের শক্তি নিয়েই আমি ফিরব’। এক রাতে তিন কৃষকের সাত গরু চুরি হয়েছে, আতঙ্কে খামারিরা। অভিযানের আগেই পালিয়েছেন অভিযুক্ত, ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার। প্রশাসনের আশ্বাসে কর্মবিরতি স্থগিত করেছে বেরোবি কর্মকর্তারা। কুষ্টিয়ায় দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত, আহত ৩। নেইমারকে নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়েছে ব্রাজিল।</p><h2>দিপু মনির জামিন</h2><p>দিপু মনির বিরুদ্ধে থাকা ৩৮ মামলার মধ্যে দুটিতে জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। বাকি মামলাগুলো এখনও বিচারাধীন।</p><h2>বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থন চাইল নরওয়ে</h2><p>ফুটবল তারকা আর্লিং হালান্ডের দেশ নরওয়ে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থন চেয়েছে। নরওয়ের ফুটবল ফেডারেশন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের কাছে এ অনুরোধ জানিয়েছে।</p><h2>হবিগঞ্জের বিচারককে তলব বাতিল</h2><p>হবিগঞ্জের এক বিচারককে হাইকোর্টের তলব বাতিল করা হয়েছে। পাঁচ বছর ধরে মামলাটি ঝুলছে।</p><h2>ইরানের টিকিট বাতিল</h2><p>ইরানের জন্য বরাদ্দ থাকা টিকিট বাতিল হয়ে গেছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।</p><h2>শেখ হাসিনার সাক্ষাৎকার</h2><p>ভারতের এক পত্রিকায় সিরিজ সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘জনগণের শক্তি নিয়েই আমি ফিরব’। তিনি দেশের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছেন।</p><h2>গরু চুরি ও গাঁজা উদ্ধার</h2><p>এক রাতে তিন কৃষকের সাত গরু চুরি হয়েছে। এ ঘটনায় খামারিরা আতঙ্কিত। অন্যদিকে, অভিযানের আগেই পালিয়েছেন অভিযুক্ত, ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ।</p><h2>বেরোবি কর্মকর্তাদের কর্মবিরতি স্থগিত</h2><p>প্রশাসনের আশ্বাসে কর্মবিরতি স্থগিত করেছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) কর্মকর্তারা।</p><h2>কুষ্টিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনা</h2><p>কুষ্টিয়ায় দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন চালক নিহত এবং তিনজন আহত হয়েছেন।</p><h2>নেইমারকে নিয়ে ব্রাজিলের সিদ্ধান্ত</h2><p>ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন নেইমারকে নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। তবে বিস্তারিত এখনও প্রকাশিত হয়নি।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:39:42 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[রান্নাঘরের তাপমাত্রা বেশি থাকায় গৃহকর্মীরা গরমে অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকিতে]]></title>
				<category>কৃষি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/krishi/article-127973.html</link>
				<description><![CDATA[<p>প্রচণ্ড গরমে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। গরমে অসুস্থতার কথা উঠলেই আমাদের চোখে ভেসে ওঠে রোদে কাজ করা কৃষক, শ্রমিক, পথচারী বা বাইরে দীর্ঘ সময় অবস্থানকারী মানুষের ছবি। আমরা ভুলে যাই যে বাসায়ও কেউ গরমে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন। ঘরে, কারখানায় বা রান্নাঘরের মতো উষ্ণ পরিবেশে যাঁরা দীর্ঘ সময় কাজ করেন, তাঁরাও সমানভাবে ঝুঁকির মধ্যে থাকেন। অনেক সময় এই ঝুঁকি আরও বেশি হতে পারে, কারণ, ঘরের ভেতরের তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা দীর্ঘক্ষণ ধরে শরীরের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। যদি বদ্ধ ঘর হয়, তবে তো কথাই নেই।</p><h2>শরীরের শীতলীকরণ প্রক্রিয়া ব্যাহত</h2><p>মানবদেহ স্বাভাবিকভাবে ঘামের মাধ্যমে শরীরের অতিরিক্ত তাপ বের করে দেয়; কিন্তু পরিবেশের তাপমাত্রা বেশি হলে বা বাতাস চলাচল কম থাকলে শরীরের এই প্রাকৃতিক শীতলীকরণ প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়। ফলে দেখা দিতে পারে পানিশূন্যতা, ক্লান্তি, মাথা ঘোরা, বমি ভাব, পেশিতে টান, এমনকি হিট এক্সহস্টশন বা হিটস্ট্রোকের মতো গুরুতর সমস্যা।</p><h2>রান্নাঘরের তাপমাত্রা বেশি</h2><p>রান্নাঘরে কাজ করা মানুষদের, বিশেষ করে নারীদের কথা কিংবা গৃহকর্মীদের কথা কেউ ভাবেনই না। চুলা, ওভেন, গরম তেল ও বাষ্পের কারণে রান্নাঘরের তাপমাত্রা সাধারণ ঘরের তুলনায় অনেক বেশি থাকে। ফ্ল্যাট বাড়িতে রান্নাঘরগুলো সাধারণত ছোট ও প্রায়ই আলো–বাতাসহীন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ফ্যানও নেই। একইভাবে টিনের ছাউনি দেওয়া ঘর, পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলহীন কর্মক্ষেত্র বা বিদ্যুৎহীন ছোট কক্ষও গরমের ফাঁদে পরিণত হতে পারে। ফলে বাইরে না গিয়েও শরীরে অতিরিক্ত তাপ জমে নানা শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে।</p><h3>গরমজনিত অসুস্থতার লক্ষণ</h3><p>গরমজনিত অসুস্থতার কয়েকটি সাধারণ লক্ষণ হলো—অতিরিক্ত ঘাম হওয়া, তীব্র তৃষ্ণা, দুর্বলতা, মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, হৃৎস্পন্দন বেড়ে যাওয়া এবং মনোযোগ কমে যাওয়া। পরিস্থিতি গুরুতর হলে শরীরের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যেতে পারে, বিভ্রান্তি দেখা দিতে পারে বা রোগী হিটস্ট্রোক করে অজ্ঞান হয়ে যেতে পারেন। এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত ঠান্ডা স্থানে নিয়ে যাওয়া এবং চিকিৎসাসহায়তা নেওয়া জরুরি।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:11:52 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[তাসকিনের প্রথম বলে উইকেট, বাংলাদেশের তৃতীয় বোলার হিসেবে কীর্তি]]></title>
				<category>ক্রিকেট</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/cricket/article-127972.html</link>
				<description><![CDATA[<p>তাসকিন আহমেদের দুর্দান্ত বলটা সিমে পড়ে সুইং করলো ভেতরের দিকে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার ম্যাথু শর্ট আবিষ্কার করলেন, বলটা ভেঙে দিয়েছে তার স্টাম্প। প্রথম বলেই উইকেট পাওয়ার পর তাসকিনের এই উদ্‌যাপন মনে করিয়ে দিল আরও দুজনকে। বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডেতে এই কীর্তিটা এর আগেও করে দেখিয়েছেন দুজন। সাইফুল ইসলাম ও সৈয়দ রাসেলের পর আবারও ইনিংসের প্রথম বলে বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডেতে উইকেট নিলেন তাসকিন।</p><h2>সাইফুল ইসলামের কীর্তি</h2><p>সাইফুল ইসলামের কীর্তিটা এই লেখাটা যারা পড়ছেন, তাদের অনেকেই নাও দেখতে পারেন। ১৯৯৫ সালে শারজায় পেপসি এশিয়া কাপে টসে জিতে বোলিং নিলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক আকরাম খান। বল তুলে দিলেন পেসার সাইফুল ইসলামের হাতে। প্রথম বলেই অশঙ্কা গুরুসিংহা ক্যাচ দিলেন আমিনুল ইসলামকে, স্বপ্নের মতো শুরু হয়েছিল বাংলাদেশের। সেই ম্যাচে সাইফুল পরে আরও তিনটি উইকেট নিয়েছিলেন, শেষ করেছিলেন ৩৬ রানে ৪ উইকেট নিয়ে। নিজের তো বটেই, সে সময় বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডেতে সেরা বোলিংয়ের কীর্তিও ছিল সেটি। নয় বছর পর সেটি ভেঙে দিয়েছিলেন খালেদ মাহমুদ সুজন। সাইফুলের এই কীর্তির পরও ম্যাচটা অবশ্য জিততে পারেনি বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার ২৩৩ রানের জবাবে অলআউট হয়ে গিয়েছিল ১২৬ রানে।</p><h2>সৈয়দ রাসেলের কীর্তি</h2><p>সাইফুলের সেই স্মৃতি ২০০৬ সালে আবার কেনিয়ায় ফিরিয়ে আনেন সৈয়দ রাসেল। এবার প্রতিপক্ষ কেনিয়া, ভেন্যু নাইরোবির জিমখানা মাঠ। প্রথম বলেই কেনেডি ওটিয়েনোর প্যাডে লাগল বল, রাসেলের আবেদনে আঙুল তুলে দিলেন আম্পায়ার। অবশ্য সেই ম্যাচটা শেষ পর্যন্ত স্মরণীয় হয়ে থেকেছে আরও একটি কারণে। এই ম্যাচেই ২৬ রানে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডেতে সেরা বোলিংয়ের এই কীর্তি টিকে আছে এখনো। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে না পারলেও সেই ম্যাচটা জিতেছিল বাংলাদেশ, কেনিয়ার ১১৮ রান টপকে গিয়েছিল ৪ উইকেট হারিয়ে।</p><h2>টেস্ট ও টি-টোয়েন্টিতে কীর্তি</h2><p>প্রশ্ন হতে পারে, টেস্ট ও টি-টোয়েন্টিতে এই কীর্তি বাংলাদেশের কারও আছে কি না? টেস্টে মাশরাফি বিন মুর্তজার বল ছেড়ে দিয়ে ভারত ওপেনার ওয়াসিম জাফরের সেই বোল্ড অনেকের চোখে লেগে থাকার কথা। সেটারও ১৯ বছর হয়ে গেছে। টি-টোয়েন্টিতে অবশ্য এই কীর্তি বাংলাদেশের বেশ কয়েকজনই করেছেন। মাশরাফি বিন মুর্তজা একাই সেটি করেছেন দুবার। এরপর করেছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মোসাদ্দেক হোসেন ও তানজিম হাসান।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:38:17 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[১৭ বছর পর তাসকিনের নজির: ইনিংসের প্রথম বলে উইকেট]]></title>
				<category>ক্রিকেট</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/cricket/article-127971.html</link>
				<description><![CDATA[<p>প্রায় ১৭ বছর পর ওয়ানডে ক্রিকেটে এক অনন্য নজির গড়লেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের তারকা পেসার তাসকিন আহমেদ। আজ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে ইনিংসের প্রথম বলেই ম্যাথু শর্টকে আউট করে ইতিহাসের পাতায় নাম লিখিয়েছেন তিনি।</p><h2>৬১৫৭ দিন পর রেকর্ড</h2><p>ওয়ানডে ক্রিকেটে ইনিংসের প্রথম বলে উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়লেন তাসকিন। এর আগে সর্বশেষ ২০০৯ সালে মাহবুবুল আলম এই কীর্তি গড়েছিলেন। তার পর থেকে দীর্ঘ ৬১৫৭ দিন বা প্রায় ১৭ বছর আর কোনো বাংলাদেশি বোলার এই সাফল্য অর্জন করতে পারেননি। অবশেষে সেই দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটালেন তাসকিন।</p><h3>চতুর্থ বাংলাদেশি হিসেবে</h3><p>ওয়ানডেতে ইনিংসের প্রথম বলে উইকেট নেওয়া বাংলাদেশি বোলারদের তালিকায় তাসকিন হলেন চতুর্থ। ১৯৯৫ সালে শ্রীলংকার বিপক্ষে সাইফুল ইসলাম প্রথমবার এই কীর্তি গড়েন। এরপর ২০০৬ সালে সৈয়দ রাসেল এবং ২০০৯ সালে মাহবুবুল আলম এই তালিকায় নাম লেখান। তাসকিন এখন এই তালিকার চতুর্থ বোলার।</p><h3>তাসকিনের ক্যারিয়ারে প্রথম</h3><p>প্রায় এক যুগ ধরে আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ক্রিকেট খেললেও তাসকিনের ক্যারিয়ারে এটি প্রথমবার উদ্বোধনী বলে উইকেট পাওয়ার ঘটনা। অভিষেক ম্যাচেই পাঁচ উইকেট নেওয়া এই পেসার এবার অধরা রেকর্ডে নিজের নাম তুললেন।</p><h3>টি-টোয়েন্টিতে অভিজ্ঞতা</h3><p>ওয়ানডেতে এটি প্রথম হলেও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ইনিংসের প্রথম বলে উইকেট নেওয়ার অভিজ্ঞতা আছে তাসকিনের। ২০২২ সালে নেদারল্যান্ডস এবং ২০২৩ সালে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের প্রথম বলেই উইকেট তুলে নিয়েছিলেন এই ডানহাতি পেসার। এবার সেই তালিকায় যোগ হলো ওয়ানডে ক্রিকেটও।</p><p>তাসকিনের এই অসাধারণ কীর্তি বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য গর্বের বিষয়। তার এই সাফল্য দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে দীর্ঘদিন ধরে জাগিয়ে রাখবে আনন্দের ঢেউ।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:25:54 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[টিআইবির প্রতিবেদনের পদ্ধতি সঠিক, দাবি সংস্থাটির]]></title>
				<category>মানবাধিকার</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/manbadhikar/article-127970.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) মঙ্গলবার সরকারের প্রথম ১০০ দিনের কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা করে প্রকাশিত সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের পদ্ধতি সমর্থন করে জানিয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তথ্য শুধু সংবাদপত্রের কাটিং থেকে নেওয়া হয়নি।</p><h2>টিআইবির প্রতিক্রিয়া</h2><p>এক বিবৃতিতে টিআইবি বলেছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সংসদে আলোচনা এবং পুলিশ কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়ায় তাদের প্রতিবেদন নিয়ে যে মন্তব্য হয়েছে, তাতে তারা উৎসাহিত হয়েছে। সংস্থাটি বলেছে, এসব প্রতিক্রিয়া তাদের কাজকে আরও কার্যকর ও প্রভাবশালী করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।</p><p>টিআইবি উল্লেখ করেছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সঠিকভাবে বলেছেন যে টিআইবি তদন্ত করে না। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, টিআইবি কোনো তদন্তকারী সংস্থা নয়; বরং এটি একটি গবেষণাভিত্তিক দুর্নীতিবিরোধী ও সুশাসন সংস্থা, যা অ্যাডভোকেসি, জনসচেতনতা এবং নাগরিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে ইতিবাচক পরিবর্তন আনে।</p><h2>গবেষণা পদ্ধতি</h2><p>টিআইবি জানিয়েছে, তাদের গবেষণা জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সামাজিক বিজ্ঞান পদ্ধতি অনুসরণ করে গুণগত ও পরিমাণগত তথ্য সংগ্রহ করে। প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করার আগে বহুস্তরীয় যাচাই-বাছাই করা হয়।</p><p>স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সংসদ ও পুলিশ কর্তৃপক্ষের উত্থাপিত বিষয়গুলো, বিশেষ করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে টিআইবি বলেছে, তাদের তথ্যের উৎসের মধ্যে বাংলাদেশ পুলিশ এবং তিনটি স্বীকৃত মানবাধিকার সংস্থা রয়েছে, যা প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।</p><p>মন্ত্রীর দাবি যে প্রতিবেদনটি শুধু সংবাদপত্রের কাটিংয়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি, তা ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেছে টিআইবি।</p><h2>গণমাধ্যমের তথ্য ব্যবহার</h2><p>টিআইবি স্বীকার করেছে, প্রমিত সামাজিক বিজ্ঞান চর্চার অংশ হিসেবে তারা প্রাসঙ্গিক গণমাধ্যম প্রতিবেদনও বিবেচনা করে, তবে এসব তথ্য বিশ্বাসযোগ্যতা যাচাই করে ব্যবহার করা হয়।</p><p>গণমাধ্যমভিত্তিক তথ্য সরকারি, বেসরকারি, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ উৎসের তথ্যের পাশাপাশি বিশ্লেষণ করা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, টিআইবির প্রতিবেদনকে শুধু সংবাদপত্রের কাটিংভিত্তিক বলে চিত্রিত করা অযৌক্তিক এবং প্রতিবেদনে উত্থাপিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো থেকে মনোযোগ সরানোর একটি প্রচেষ্টা।</p><p>টিআইবি আরও উল্লেখ করেছে, বিশ্বজুড়ে নির্বাচিত প্রতিনিধি, সরকার ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো প্রায়শই সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য গণমাধ্যম প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করে এবং নিজেদের অবস্থান ও কার্যক্রম জানাতে গণমাধ্যম ব্যবহার করে। তাই টিআইবির প্রতিবেদনকে খারিজ করা বা গণমাধ্যমভিত্তিক তথ্যের মূল্য হ্রাস করার কোনো যুক্তি নেই।</p><h2>পুলিশের প্রতিক্রিয়া</h2><p>সংস্থাটি আরও বলেছে, পুলিশ কর্তৃপক্ষ তাদের সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির মূল সিদ্ধান্তে বিতর্ক করেনি যে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। তবে টিআইবি বলেছে, পুলিশের পূর্ববর্তী প্রশাসনের সঙ্গে তুলনামূলক বিশ্লেষণের আহ্বান অধ্যয়নের পরিধির বাইরে, এবং এ বিষয়ে মন্তব্য করা সংস্থার পক্ষে অনুচিত হবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:01:39 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থন চাইলেন হালান্ডের নরওয়ে]]></title>
				<category>ফুটবল</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/football/article-127969.html</link>
				<description><![CDATA[<h2>বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থন চাইলেন হালান্ডের নরওয়ে</h2><p>নরওয়ে ফুটবল দলের তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে বাংলাদেশের সমর্থন কামনা করেছেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, 'বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের সমর্থন আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।'</p><h3>হবিগঞ্জের বিচারককে হাইকোর্টের তলব বাতিল</h3><p>পাঁচ বছর ধরে ঝুলে থাকা মামলায় হবিগঞ্জের এক বিচারককে হাইকোর্টের তলব বাতিল করা হয়েছে। আইনজীবীরা এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।</p><h3>ইরানের টিকিট ভারতের পত্রিকায়</h3><p>ইরানের জন্য বরাদ্দ থাকা টিকিট ভারতের একটি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। এ ঘটনায় কূটনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।</p><h3>শেখ হাসিনার সিরিজ সাক্ষাৎকার</h3><p>প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের এক পত্রিকায় দেওয়া সিরিজ সাক্ষাৎকারে বলেছেন, 'জনগণের শক্তি নিয়েই আমি ফিরব।' তিনি দেশের উন্নয়নে জনগণের ভূমিকার ওপর জোর দেন।</p><h3>এক রাতে তিন কৃষকের সাত গরু চুরি</h3><p>এক রাতে তিন কৃষকের সাতটি গরু চুরি হয়েছে। এ ঘটনায় খামারিরা আতঙ্কে রয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসন তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে।</p><h3>অভিযানের আগেই পালালেন অভিযুক্ত, ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার</h3><p>পুলিশ অভিযানের আগেই পালিয়ে গেছেন এক মাদক কারবারি। তবে তার ফেলে যাওয়া ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।</p><h3>প্রশাসনের আশ্বাসে কর্মবিরতি স্থগিত করল বেরোবি কর্মকর্তারা</h3><p>প্রশাসনের আশ্বাসে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) কর্মকর্তারা কর্মবিরতি স্থগিত করেছেন। তারা দ্রুত সমস্যা সমাধানের আশা করছেন।</p><h3>কুষ্টিয়ায় দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত, আহত ৩</h3><p>কুষ্টিয়ায় দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক চালক নিহত এবং তিনজন আহত হয়েছেন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।</p><h3>নেইমারকে নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাল ব্রাজিল</h3><p>ব্রাজিল ফুটবল দলের কোচ নেইমারকে নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, নেইমার দলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।</p><h3>এমপির 'জিরো টলারেন্স' ঘোষণার পরও বন্ধ হয়নি মাটি কাটা</h3><p>এমপির 'জিরো টলারেন্স' ঘোষণার পরও সিংগাইরে মাটি কাটা বন্ধ হয়নি। এ নিয়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:05:55 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[রামিসা হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডের রায় উচ্চ আদালতে পাঠানো হয়েছে]]></title>
				<category>আইন বিভাগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/ain-bibhag/article-127968.html</link>
				<description><![CDATA[<p>রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। এই রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি ও ডেথ রেফারেন্স উচ্চ আদালতে পাঠানো হয়েছে।</p><h2>উচ্চ আদালতে পাঠানো নথি</h2><p>মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকাল ৩টা ৪০ মিনিটে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল থেকে ৭২ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ কপি ও ডেথ রেফারেন্স উচ্চ আদালতের সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠানো হয়। এর মধ্যে রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি ৬৯ পৃষ্ঠা এবং আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের ডেথ রেফারেন্স তিন পৃষ্ঠা। ট্রাইব্যুনালের অফিস সহায়ক শহিদুল ইসলাম এই নথি নিয়ে উচ্চ আদালতে যাওয়ার জন্য রওনা দেন।</p><p>ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী পঙ্কজ পিটার গোমেজ বিষয়টি বাসসকে নিশ্চিত করেছেন।</p><h2>মামলার পটভূমি</h2><p>এর আগে ৭ জুন রামিসা আক্তারকে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।</p><p>মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে নিজের কক্ষে নিয়ে যায়। সেদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে পাঠানোর জন্য খোঁজাখুঁজি শুরু করেন তার মা। একপর্যায়ে আসামিদের কক্ষের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া না পেয়ে রামিসার বাবা-মা ও ভবনের অন্যান্য বাসিন্দারা দরজা ভেঙে আসামির বাসার ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে তারা শিশুটির খণ্ডিত মরদেহ দেখতে পান।</p><p>এরপর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়।</p><h2>আইনি প্রক্রিয়া</h2><p>এ ঘটনায় গত ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে আসামি করা হয়। একই দিন প্রধান আসামি সোহেল রানা (৩০) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদের আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়। আদালত স্বপ্না আক্তারকেও (২৬) কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।</p><p>তদন্ত শেষে ২৪ মে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালতে তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। একই দিনে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন চার্জশিট আমলে নেন। গত ১ জুন বিচারক মাসরুর সালেকীন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলায় চার্জশিটভুক্ত ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জন ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন।</p><h2>আইনমন্ত্রীর বক্তব্য</h2><p>আসামিদের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন (ডেথ রেফারেন্স) ও আপিল বিভাগের শুনানি শেষে তিন মাসের মধ্যে রায় কার্যকর করা সম্ভব বলে আশাবাদী আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান। রায়ের পর সচিবালয়ে তিনি বলেন, 'আমার প্রত্যাশা, আগামী তিন মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করা সম্ভব— যদি সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ এটাকে প্রায়োরিটি দিয়ে শুনানি করেন। আশা করি, সুপ্রিম কোর্ট করবে।'</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:44:05 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[সরকারি অর্থে প্রশাসকদের প্রচারণার অভিযোগ এনসিপির]]></title>
				<category>দুর্নীতি দমন</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/durniti-domon/article-127967.html</link>
				<description><![CDATA[<p>জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া অভিযোগ করেছেন, সরকারি কোষাগারের অর্থ ব্যবহার করে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছেন। মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর নাখালপাড়ার হোসেন আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ অভিযোগ করেন।</p><h2>পাঁচ দফা দাবি</h2><p>আসিফ মাহমুদ বলেন, এনসিপির পক্ষ থেকে পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো—সিটি করপোরেশনের প্রশাসকরা দায়িত্বে থেকে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। তিনি অভিযোগ করেন, তারা বিপুল পরিমাণ পোস্টার লাগিয়ে নগরীর পরিবেশ দূষণ করছেন।</p><h3>অব্যবস্থাপনার অভিযোগ</h3><p>তিনি আরও বলেন, আবাসিক এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে, এমনকি মেট্রোরেল স্টেশন সংলগ্ন এলাকাতেও পশুর হাট বসানো হয়েছে। এসব অব্যবস্থাপনা প্রমাণ করে তারা মেয়র পদে দায়িত্ব পালনের যোগ্য নন।</p><p>সাবেক এই উপদেষ্টা আরও অভিযোগ করেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের মিছিল-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকার পরও এসব কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হওয়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যর্থতার পরিচায়ক।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:18:36 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইল, সোনাইমুড়িতে গ্রেফতার ২]]></title>
				<category>মানবাধিকার</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/manbadhikar/article-127966.html</link>
				<description><![CDATA[<p>নোয়াখালীর সোনাইমুড়িতে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন মো. শফিকুল ইসলাম সৈকত (২৮) ও ইব্রাহিম খলিল জুয়েল (৩৫)। বুধবার (৯ জুন) সকালে তাদের নোয়াখালী আমলি আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সোনাইমুড়ি থানা পুলিশ।</p><h2>গ্রেফতারের বিবরণ</h2><p>মঙ্গলবার রাতে সোনাইমুড়ি বাজারে সৈকতের মালিকানাধীন ‘দুবাই বোরকা হাউস’ দোকান থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। একই সময় উপজেলার ‘জুয়েল ফার্নিচার’ দোকান থেকে জুয়েলকে গ্রেফতার করা হয়।</p><h3>ঘটনার পটভূমি</h3><p>স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, একটি বোরকার দোকানে চাকরির সময় ওই গৃহবধূর সঙ্গে সৈকতের পরিচয় হয়। পরে পরিচয়ের সূত্র ধরে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগীর সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে সৈকত। এ সময় গোপনে ওই ঘটনার ভিডিও ধারণ করে তা ব্যবহার করে ব্ল্যাকমেইল শুরু করে সৈকত।</p><p>পরে ওই ভিডিও ভুক্তভোগীর প্রবাসী স্বামীর কাছেও পাঠানো হয় এবং বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হয়। এরপর বিভিন্ন সময়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে মোট তিন লাখ ৭০ হাজার টাকা আদায় করা হয় এবং আরও পাঁচ লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।</p><h3>জুয়েলের ভূমিকা</h3><p>পরবর্তীতে ভয় থেকে রক্ষা পেতে ভুক্তভোগী পাশের বাসার জুয়েলের সহায়তা চান। তবে সহায়তার কথা বলে জুয়েল ভিডিও সংগ্রহ করে নিজেও ব্ল্যাকমেইল শুরু করেন এবং ভুক্তভোগীর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের কাছেও ভিডিও পাঠান।</p><h3>আত্মহত্যার চেষ্টা</h3><p>এ ঘটনায় (৭ জুন) ভুক্তভোগী আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।</p><h2>প্রশাসনের বক্তব্য</h2><p>ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাছরিন আক্তার বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি থানায় রেফার করেছি। সোনাইমুড়ি থানায় মামলা হয়েছে। তাদের সর্বোচ্চ সাজা দেওয়া হবে।</p><p>সোনাইমুড়ি থানার ওসি কবির হোসেন জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত থাকলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:29:17 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে কাউন্টি ক্রিকেটে হাসান মাহমুদ]]></title>
				<category>ক্রিকেট</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/cricket/article-127965.html</link>
				<description><![CDATA[<p>কেন্ট ক্রিকেটের জার্সিতে দেখা যাবে বাংলাদেশের পেসার হাসান মাহমুদকে। চোটের কারণে গত কয়েক মাস মাঠের বাইরে থাকার পর লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের হয়ে প্রিমিয়ার লিগের মাঝপথে মাঠে ফিরেছিলেন তিনি। এরই মধ্যে হাসানের সামনে এল আরও বড় মঞ্চ। দ্বিতীয় বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে কাউন্টি ক্রিকেটে খেলবেন এই পেসার।</p><h2>কেন্টে যোগ দেওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা</h2><p>কাউন্টি ক্রিকেটে হাসানের যোগ দেওয়ার খবরটি আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে কেন্ট। দলটির অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে হাসান নিজের উচ্ছ্বাসের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘কেন্টের মতো ঐতিহ্যবাহী একটি ক্লাবে খেলার সুযোগ পেয়ে আমি গর্বিত। কাউন্টি ক্রিকেটে খেলতে পারা স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো। এটা শুধু আমার জন্য নয়, বাংলাদেশের সবার জন্যও গর্বের একটি মুহূর্ত।’</p><h3>ছয় ম্যাচের চুক্তি</h3><p>কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে সব মিলে ছয়টি ম্যাচে কেন্টের হয়ে খেলবেন হাসান। ১২ থেকে ১৫ জুন ল্যাঙ্কাশায়ারের বিপক্ষে মাঠে নামবে কেন্ট, ওই ম্যাচই হতে পারে কাউন্টিতে হাসান মাহমুদের প্রথম ম্যাচ। ১৯ থেকে ২২ জুন ক্যান্টারবেরির বিপক্ষে কেন্টের পরের ম্যাচ। এই দুই ম্যাচ খেলে বাংলাদেশে ফিরবেন হাসান। সেপ্টেম্বরে মৌসুমের শেষ চারটি ম্যাচ খেলতে আবার ইংল্যান্ডে যাবেন তিনি।</p><p>কেন্টের এই অধ্যায়টা স্মরণীয় করে রাখতে চান হাসান। ডানহাতি এই পেসার কেন্টের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছেন, ‘আমি কঠোর পরিশ্রম করতে ও দলের সাফল্যে অবদান রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। দলে আমি কী অবদান রাখতে পারি এবং আমার কাছে কী আশা করা হচ্ছে, সে সম্পর্কে আমি অ্যাডাম হোলিওক (কেন্টের প্রধান কোচ) এবং সাইমন কুকের সঙ্গে কথা বলেছি। এই কাউন্টির হয়ে মাঠে নামার জন্য আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।’</p><h2>বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের কাউন্টি ইতিহাস</h2><p>হাসানের আগে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে কাউন্টি খেলেছিলেন শুধু সাকিব আল হাসান। উস্টারশায়ার ও সারের হয়ে দুই দফায় খেলেছিলেন তিনি। ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি দল চারজন করে বিদেশি ক্রিকেটারকে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে, তবে দুজন খেলতে পারবেন একাদশে।</p><h3>কেন্টের প্রশংসা</h3><p>হাসানকে দলে নেওয়ার পর কেন্টের ডিরেক্টর অব ক্রিকেট সাইমন কুক বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত আনন্দিত যে আমাদের দলে হাসানকে স্বাগত জানানোর সুযোগ এসেছে, যা মৌসুমের শেষভাগে আমাদের বোলিং আক্রমণে আন্তর্জাতিক মানের পেস যোগ করবে। হাসান আসায় আমাদের স্কোয়াডের তৈরি হওয়া শক্তিশালী ভিত্তি আরও জোরালো হলো।’</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:20:32 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন দুই উপ-উপাচার্য নিয়োগ]]></title>
				<category>আইন বিভাগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/ain-bibhag/article-127964.html</link>
				<description><![CDATA[<p>সরকার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিইউ) নতুন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) ও উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) নিয়োগ দিয়েছে। মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই নিয়োগ দেওয়া হয়। প্রজ্ঞাপনে রাষ্ট্রপতির পক্ষে সহকারী সচিব মো. সুলতান আহমেদ স্বাক্ষর করেন।</p><h2>নতুন উপ-উপাচার্যদের পরিচিতি</h2><p>অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমিনকে উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি বিজ্ঞান অনুষদের ডিন এবং বন ও পরিবেশ বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক। এর আগে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।</p><p>অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলামকে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এবং বর্তমানে কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।</p><h3>নিয়োগের শর্তাবলী</h3><p>প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, উভয় নিয়োগ যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর বা অবসর গ্রহণের আগ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে—যেটি আগে ঘটবে। তারা তাদের বর্তমান পদ অনুযায়ী বেতন ও ভাতা পাবেন এবং প্রাসঙ্গিক নিয়ম অনুযায়ী অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন। তাদেরকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পূর্ণকালীন বসবাসের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।</p><p>নতুন উপ-উপাচার্যরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও বিধি অনুযায়ী এবং উপাচার্যের নির্ধারিত ক্ষমতা ও দায়িত্ব পালন করবেন। প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে যে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হিসেবে রাষ্ট্রপতি প্রযোজ্য মনে করলে যেকোনো সময় নিয়োগ বাতিল করার ক্ষমতা রাখেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:27:07 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[২১তম বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রো-অলিম্পিয়াড শুরু ২০ জুন]]></title>
				<category>উচ্চশিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/uccho-shikkha/article-127963.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত হচ্ছে ২১তম বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রো-অলিম্পিয়াড। আগামী ২০ জুন, শনিবার থেকে শুরু হবে এই অলিম্পিয়াডের কার্যক্রম।</p><h2>বিভাগীয় বাছাই ও চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা</h2><p>৪ জুলাই, শনিবার ৮টি বিভাগীয় শহর ও ২টি জেলা শহরে বিভাগীয় বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। এই পর্ব থেকে মোট ৫০০ শিক্ষার্থীকে নির্বাচিত করা হবে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের নিয়ে ১১ জুলাই, শনিবার ঢাকায় চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা আয়োজিত হবে।</p><p>চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা থেকে জুনিয়র গ্রুপে ১৫ জন এবং সিনিয়র গ্রুপে ১৫ জন করে মোট ৩০ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে তিন দিনের ক্লোজ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে।</p><h3>ক্যাম্পের কার্যক্রম</h3><p>এই ক্যাম্পে নির্বাচিত ৩০ জন শিক্ষার্থীকে গাণিতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান, পর্যবেক্ষণমূলক জ্যোতির্বিজ্ঞান, জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞান, টেলিস্কোপ পরিচালনা এবং আকাশের নক্ষত্র চেনানোর বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ক্যাম্পের শেষ দিনে একটি মূল্যায়ন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।</p><h3>আন্তর্জাতিক অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ</h3><p>মূল্যায়ন পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে জুনিয়র ও সিনিয়র গ্রুপ থেকে তিনজন করে মোট ৬ জনের একটি দল গঠন করা হবে। এই দলটি ৩০তম আন্তর্জাতিক অ্যাস্ট্রোনমি অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে।</p><h3>রাশিয়ায় পড়ার সুযোগ</h3><p>চূড়ান্ত পর্বে বিজয়ী সিনিয়র গ্রুপের তৃতীয় থেকে দ্বাদশ স্থান অধিকারীদের মধ্যে সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে দুইজন শিক্ষার্থী রুশ সরকারের বৃত্তি নিয়ে জ্যোতির্বিজ্ঞান এবং জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানে পড়তে রাশিয়ায় যাওয়ার সুযোগ পাবে।</p><h3>অংশগ্রহণের যোগ্যতা</h3><p>এই অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ করতে পারবে ২০০৮ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে জন্মগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা।</p><h2>আয়োজক ও সহযোগী প্রতিষ্ঠান</h2><p>বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রো-অলিম্পিয়াড আয়োজন করছে বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন। পাওয়ার্ড বাই গার্ডিয়ান ইন্সুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড, এডিএন টেলিকম, ব্যাংক এশিয়া ও সেভেন রিং সিমেন্ট। সহযোগিতায় আরও আছে দৈনিক প্রথম আলো, রাশান হাউস ইন ঢাকা, শো অ্যান্ড টেল ও দূরন্ত টিভি।</p><p>একাডেমিক পার্টনার হিসেবে আছে বাংলাদেশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন কেন্দ্র। মিডিয়া পার্টনার হিসেবে আছে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড এবং চ্যানেল আই।</p><p>আগ্রহী শিক্ষার্থীরা রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন নিম্নলিখিত লিঙ্কে: https://www.astronomybangla.com/olympiad2026</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:27:21 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ঝিনাইদহে ছাত্রলীগের মিছিল, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা ও গ্রেপ্তার]]></title>
				<category>রাজনৈতিক জোট</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/rajnoitik-jot/article-127962.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ঝিনাইদহ শহরের পায়রা চত্বরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সোমবার ভোরে শহরের পায়রা চত্বরে ছাত্রলীগের একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। পরে ওই মিছিলের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আল–ইমরান। ভিডিওটির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘যেখান থেকে থেমে ছিলাম, সেখান থেকে আবার এগিয়ে চলা।’</p><h2>মিছিলের বিবরণ</h2><p>১ মিনিট ২৮ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ভোরে পায়রা চত্বর এলাকায় একটি ব্যানার নিয়ে মিছিল শুরু হয়। মিছিলের সামনের সারিতে ছিলেন জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আল–ইমরান। তাঁর সঙ্গে অর্ধশতাধিক নেতা–কর্মী অংশ নেন। মিছিলটি পায়রা চত্বর থেকে শুরু হয়ে সরকারি কেসি কলেজ এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। এ সময় ‘শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে প্রহসনের ট্রাইব্যুনাল বন্ধ কর’, ‘আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার চাই’, ‘আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা মানি না, মানব না’ প্রভৃতি স্লোগান দেওয়া হয়।</p><h3>মামলা ও গ্রেপ্তার</h3><p>এ ঘটনায় গতকাল ঝিনাইদহ সদর থানার এসআই রাজীব আলী বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন। এতে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ২৪ নেতা–কর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামা আরও ১০–১৫ জনকে আসামি করা হয়। গতকাল রাতেই অভিযান চালিয়ে জেলা যুবলীগের সদস্য মেহেদী হাসান সোহেল (৩৫), ছাত্রলীগের কর্মী নীলয় ফারহান (২০) ও আশিক (২২) নামের তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।</p><p>ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘মিছিলের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়েছে। দুজন এজাহারনামীয় ও একজন অজ্ঞাতনামা আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:37:28 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বাংলাদেশে নতুন শিক্ষাক্রম চালু: শিক্ষার্থীদের জন্য বড় পরিবর্তন]]></title>
				<category>উচ্চশিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/uccho-shikkha/article-127961.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশে নতুন শিক্ষাক্রম চালু হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের জন্য বড় পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। এই শিক্ষাক্রমে দক্ষতা-ভিত্তিক শিক্ষার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীরা এখন থেকে ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাবে।</p><h2>নতুন শিক্ষাক্রমের বৈশিষ্ট্য</h2><p>নতুন শিক্ষাক্রমে বিভিন্ন বিষয়ের সমন্বয় ঘটানো হয়েছে। শিক্ষার্থীরা নিজেদের আগ্রহ অনুযায়ী বিষয় নির্বাচন করতে পারবে। এতে করে তাদের সৃজনশীলতা ও সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা বাড়বে বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদরা।</p><h3>শিক্ষকদের ভূমিকা</h3><p>নতুন শিক্ষাক্রমে শিক্ষকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষকরা এখন থেকে শিক্ষার্থীদের গাইড হিসেবে কাজ করবেন। তারা শিক্ষার্থীদের শিখন প্রক্রিয়ায় সহায়তা করবেন।</p><p>বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই শিক্ষাক্রম শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করবে। তারা বাস্তব জীবনের সমস্যা সমাধানে সক্ষম হবে।</p><h2>শিক্ষার্থীদের মতামত</h2><p>শিক্ষার্থীরা নতুন শিক্ষাক্রমকে স্বাগত জানিয়েছে। তারা মনে করে, এই শিক্ষাক্রম তাদের আরও আত্মবিশ্বাসী করবে। অনেক শিক্ষার্থী বলেছে, তারা এখন থেকে আরও বেশি শিখতে পারবে।</p><p>নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ করা হচ্ছে।</p><h3>ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা</h3><p>সরকার ভবিষ্যতে এই শিক্ষাক্রম আরও উন্নত করার পরিকল্পনা করছে। শিক্ষার্থীদের মতামতের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হবে।</p><p>সব মিলিয়ে, নতুন শিক্ষাক্রম বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন। এটি শিক্ষার্থীদের জন্য সুযোগ বাড়াবে এবং দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:59:01 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বিশ্বকাপে নরওয়েকে সমর্থনের আহ্বান বাংলাদেশি ভক্তদের প্রতি]]></title>
				<category>এশিয়া</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/asia/article-127960.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ফুটবল মহাযজ্ঞের দামামা বেজে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠেয় আসন্ন বিশ্বকাপের উন্মাদনা ছুঁয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশকেও। প্রিয় দল সরাসরি বিশ্বকাপে না থাকলেও, বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এক আবেগঘন এবং ভিন্নধর্মী আমন্ত্রণ জানিয়েছে নরওয়ে। দেশটির দূতাবাস এক বিশেষ বার্তায় বাংলাদেশি সমর্থকদের অনুরোধ জানিয়েছে, ২৮ বছর পর বিশ্বমঞ্চে ফেরা নরওয়েকেই যেন তারা সমর্থন দেয়।</p><h2>বন্ধুত্বের স্মারক বার্তা</h2><p>নরওয়ে দূতাবাস তাদের বার্তায় দুই দেশের দীর্ঘদিনের গাঢ় বন্ধুত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রথম স্বীকৃতি দেওয়া দেশগুলোর অন্যতম নরওয়ে। শান্তি প্রতিষ্ঠা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতায় দুই দেশই একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করছে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ইতিহাস ও বন্ধুত্বের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা এই সম্পর্ক এখন নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে চায়।</p><h3>সাংস্কৃতিক ও ভৌগোলিক মিল</h3><p>দূতাবাসের ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও নরওয়ের মধ্যে ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক অনেক মিল রয়েছে। উভয় দেশই নদী ও সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল। মাছে-ভাতে বাঙালির মতোই নরওয়ের মানুষের মাছের প্রতি রয়েছে গভীর ভালোবাসা। এছাড়া আন্তর্জাতিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং ক্রীড়াঙ্গনে ন্যায্যতা ও সমতার মূল্যবোধের ক্ষেত্রেও দুই দেশ অভিন্ন অবস্থানে রয়েছে।</p><h2>হালান্ডের মতো তারকার উপস্থিতি</h2><p>বিশ্ব ফুটবলের গোলমেশিন আর্লিং হালান্ডের মতো তারকা ফুটবলারের উপস্থিতি নরওয়েকে সমর্থকদের কাছে বাড়তি আগ্রহের কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশ ভৌগোলিক আয়তনে ছোট হলেও আমরা যেমন বড় স্বপ্ন দেখি, নরওয়েও জনসংখ্যার দিক থেকে ছোট হয়েও বিশ্বমঞ্চে বড় স্বপ্ন দেখার সাহস রাখে।</p><h3>আবেগি আহ্বান</h3><p>বার্তার শেষে নরওয়ে দূতাবাস বাংলাদেশি ভক্তদের উদ্দেশ্যে আবেগি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, “কী বলো, বাংলাদেশ? আন্ডারডগদের পাশে দাঁড়ানোর সময় এসেছে। চলো, একসঙ্গে বড় স্বপ্ন দেখি!” ফুটবল বিশ্বকাপের উত্তেজনায় নরওয়ের এমন আন্তরিক আমন্ত্রণ বাংলাদেশি সমর্থকদের হৃদয়ে কতটা জায়গা করে নিতে পারে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:35:33 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[কুমিল্লায় হাইওয়ে পুলিশের গাড়িতে হামলা, থ্রি-হুইলার চালকদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা]]></title>
				<category>নিরাপত্তা বাহিনী</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/nirapotta-bahini/article-127959.html</link>
				<description><![CDATA[<p>কুমিল্লায় মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার আটককে কেন্দ্র করে হাইওয়ে পুলিশের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করেছেন থ্রি-হুইলার চালকরা। মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার নিমসার বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ময়নামতি হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মমিন।</p><h2>ঘটনার বিবরণ</h2><p>হাইওয়ে পুলিশ জানায়, মহাসড়কে নিষিদ্ধ থ্রি-হুইলার বা তিন চাকার যানের বিরুদ্ধে পুলিশ অভিযানে নামে। মঙ্গলবার দুপুরে নিমসার এলাকায় একটি থ্রি-হুইলারকে আটক করে মামলা দেয় ময়নামতি হাইওয়ে পুলিশের একটি দল। পরে থ্রি-হুইলারের চালকরা সংঘবদ্ধ হয়ে লাঠিসোঁটা নিয়ে মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে হাইওয়ে পুলিশের ব্যবহৃত একটি ভ্যানে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে। এসময় পুলিশের এক সদস্য আহত হন।</p><h3>প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা</h3><p>প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি অটোরিকশার চালকের সঙ্গে এক পুলিশ সদস্যের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ওই পুলিশ সদস্য ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সামনের গ্লাসে আঘাত করেন। এসময় অন্যান্য চালকরা প্রতিবাদ জানাতে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, লাঠি হাতে বেশ কিছু যুবক গাড়ি ভাংচুর করছেন। এ সময় একজন যুবককে গাড়ির সামনের দিকে উপরে উঠে ভাংচুর করতে দেখা যায়।</p><h2>যানজট ও পরিস্থিতি</h2><p>এ ঘটনা শুরু থেকেই মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে চট্টগ্রাম লেনে ৩-৪ কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়। প্রায় ১৫ মিনিট বন্ধ থাকার পর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। বর্তমানে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। ময়নামতি হাইওয়ে থানার ওসি আব্দুল মমিন সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনার পর ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে আছেন।</p><h3>পুলিশের বক্তব্য</h3><p>হাইওয়ে কুমিল্লা অঞ্চলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহিনুর আলম বলেন, কিছু ভিডিও দেখে গাড়িতে হামলা ও ভাংচুরে জড়িতদের চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:25:49 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বৃক্ষরোপণ নয়, বৃক্ষ সংরক্ষণই আসল চ্যালেঞ্জ: বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬]]></title>
				<category>পরিবেশ</category>
				<link>https://bdgazette.com/jibonjapon/poribesh/article-127958.html</link>
				<description><![CDATA[<p>“ভূমি পুনরুদ্ধার, মরুকরণ প্রতিরোধ এবং খরা-সহনশীলতা বৃদ্ধি”—এই প্রতিপাদ্যে বিশ্বব্যাপী পালিত হলো বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬। জলবায়ু পরিবর্তনের এই সংকটময় সময়ে প্রতিপাদ্যটি মানবসভ্যতার অস্তিত্ব রক্ষার সবচেয়ে জরুরি আহ্বান। ভূমি, বন, পানি ও জীববৈচিত্র্য—সবকিছুই পরস্পরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত। একটি বন ধ্বংস হলে শুধু কয়েকটি গাছ হারিয়ে যায় না; হারিয়ে যায় একটি বাস্তুতন্ত্র, একটি জলবায়ু নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা, অসংখ্য প্রাণের আবাস এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তা।</p><h2>বাংলাদেশে বৃক্ষরোপণের উৎসবমুখর পরিবেশ</h2><p>বিশ্ব পরিবেশ দিবস এলেই প্রতিবছর বাংলাদেশে এক ধরনের উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। সরকারি প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, স্থানীয় প্রশাসন, উন্নয়ন সংস্থা, করপোরেট প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন, স্কুল-কলেজ—সবার কর্মসূচির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে গাছ লাগানো। সংবাদমাধ্যমে প্রতিদিন প্রকাশিত হয় হাজার হাজার চারা রোপণের খবর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ভরে ওঠে হাতে চারা নিয়ে তোলা ছবিতে। দেখে মনে হয়, আমরা যেন এক অভূতপূর্ব সবুজ বিপ্লবের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।</p><h3>বন হারানোর হার উদ্বেগজনক</h3><p>তবে প্রতি বছর অগণিত গাছ লাগানোর খবর শোনা গেলেও দেশের বনভূমি ও বৃক্ষআচ্ছাদনের সামগ্রিক চিত্র এবং বন রক্ষার চেয়ে বন হারানোর গতি এখনও উদ্বেগজনক। গ্লোবাল ফরেস্ট ওয়াচের তথ্য অনুযায়ী, ২০০১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে দেশ প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার হেক্টর বৃক্ষআচ্ছাদন হারিয়েছে, যা ২০০০ সালের তুলনায় প্রায় ১৪ শতাংশ কম। শুধু ২০২৫ সালেই হারিয়েছে প্রায় ১৫ হাজার হেক্টর প্রাকৃতিক বনভূমি। অন্যদিকে মোট ভূমির মাত্র ১৪ থেকে ১৫ শতাংশ এখন বনভূমির আওতায় রয়েছে। একই সময়ে প্রাকৃতিক বনভূমির একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হয়েছে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প, অবৈধ দখল, নগরায়ণ এবং জলবায়ুজনিত কারণে। অর্থাৎ আমরা একদিকে গাছ লাগাচ্ছি, অন্যদিকে গাছ হারাচ্ছি আরও দ্রুত গতিতে।</p><p>এই বৈপরীত্যের মূল কারণ সম্ভবত আমাদের পরিবেশ ভাবনায়। আমরা গাছ লাগানোকে একটি অনুষ্ঠান হিসেবে দেখি, কিন্তু গাছকে বড় করে তোলাকে দায়িত্ব হিসেবে দেখি না। একটি চারা রোপণ করার মুহূর্তটি দৃশ্যমান, ফটোগ্রাফযোগ্য এবং প্রচারযোগ্য। কিন্তু পরবর্তী তিন বা পাঁচ বছর ধরে সেই চারার পরিচর্যা করা দৃশ্যমান নয়, তাই সেটি প্রায়শই উপেক্ষিত থেকে যায়।</p><h2>মৃত চারার হিসাব নেই</h2><p>পরিবেশ দিবস বা বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির কয়েক মাস পরই চারপাশে খেয়াল করলেই দেখা যায়, অধিকাংশ চারা শুকিয়ে গেছে। কোথাও গবাদিপশুর আক্রমণে নষ্ট হয়েছে, কোথাও পানির অভাবে মারা গেছে, কোথাও আবার রাস্তা সম্প্রসারণ বা অবকাঠামো নির্মাণের কারণে কেটে ফেলা হয়েছে। কিন্তু এসব মৃত চারার হিসাব কোনো প্রতিবেদনেই থাকে না। থাকে শুধু লাগানো চারার সংখ্যা। একটি প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক প্রতিবেদনে লেখা থাকে—“আমরা ৫০ হাজার গাছ লাগিয়েছি।” কিন্তু খুব কম ক্ষেত্রেই লেখা থাকে—“পাঁচ বছর পর এর মধ্যে ৪০ হাজার গাছ জীবিত রয়েছে।” অথচ প্রকৃত পরিবেশগত সাফল্যের মাপকাঠি হওয়া উচিত দ্বিতীয় সংখ্যাটি।</p><p>আমরা প্রায়ই ভুলে যাই যে, একটি গাছের প্রকৃত অবদান শুরু হয় বহু বছর পরে। একটি সদ্যরোপিত চারা খুব সামান্য কার্বন শোষণ করে। কিন্তু একটি পূর্ণবয়স্ক গাছ কয়েক দশক ধরে বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে, অক্সিজেন সরবরাহ করে, তাপমাত্রা কমায়, মাটি রক্ষা করে এবং অসংখ্য প্রাণীর আশ্রয়স্থল হয়ে ওঠে। ফলে যে চারা বেঁচে থাকল না, সেটি পরিবেশের জন্য প্রায় কোনো অবদানই রাখতে পারল না।</p><h3>ঢাকায় সবুজের সংকট</h3><p>গত এক দশকে রাজধানীতে বহুতল ভবন, সড়ক, উড়ালসেতু ও অবকাঠামোর সংখ্যা বেড়েছে। কিন্তু একই হারে বাড়েনি নগর বনাঞ্চল। আমরা এমন এক রাজধানী নির্মাণ করেছি, যেখানে কংক্রিটের বিস্তার ঘটেছে, কিন্তু প্রকৃতির জন্য জায়গা সংকুচিত হয়ে নেমে এসেছে এক শতাংশেরও নিচে। রাজউকের ড্যাপ অনুযায়ী, ঢাকা শহরের মাত্র ০.৯ শতাংশ এলাকা এখন উন্মুক্ত খোলা জায়গা হিসেবে টিকে আছে। এর ফলে নগর তাপমাত্রা বেড়েছে, হিট আইল্যান্ড ইফেক্ট তীব্র হয়েছে এবং বায়ুদূষণের প্রভাব আরও মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশ অনুযায়ী একটি শহরে মাথাপিছু যে পরিমাণ সবুজ খোলা জায়গা থাকা প্রয়োজন, তার তুলনায় ঢাকা অনেক পিছিয়ে। ফলাফল আমরা প্রতিদিন অনুভব করি অসহনীয় গরম, ধুলাবালি, দূষিত বাতাস এবং ক্রমবর্ধমান শ্বাসতন্ত্রের রোগ।</p><h2>সঠিক গাছ সঠিক স্থানে</h2><p>বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের পরিবেশ ও মাটির বৈশিষ্ট্য যেমন, পার্বত্য এলাকার বৈশিষ্ট্য তেমন নয়। সুন্দরবনের জন্য উপযোগী গাছ ঢাকার ফুটপাতে টিকবে না। আবার শহুরে এলাকায় ছায়াদানকারী ও দূষণ সহনশীল গাছের প্রয়োজন, যেখানে গ্রামীণ অঞ্চলে ফলদ, বনজ ও অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক গাছ বেশি কার্যকর হতে পারে। তাই গাছ লাগানোর সংখ্যার চেয়ে সঠিক গাছ সঠিক জায়গায় লাগানো অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। দুঃখজনকভাবে অনেক সময় এসব বৈজ্ঞানিক বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয় না। কোনো কোনো কর্মসূচিতে যে চারা পাওয়া যায়, সেটিই লাগিয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় পরিবেশ, মাটির ধরন, পানির প্রাপ্যতা কিংবা দীর্ঘমেয়াদি টিকে থাকার সম্ভাবনা নিয়ে খুব কমই চিন্তা করা হয়। ফলে বিপুল শ্রম ও অর্থ ব্যয় করেও কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায় না।</p><h3>সারভাইভাল রেটের প্রয়োজনীয়তা</h3><p>বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মূল্যায়ন করা হয় “সারভাইভাল রেট” বা বেঁচে থাকার হার দিয়ে। কোথাও যদি ১০ হাজার গাছ লাগানো হয় এবং পাঁচ বছর পরে ৮ হাজার গাছ জীবিত থাকে, তাহলে সেটিকে সফল প্রকল্প ধরা হয়। আমাদের দেশেও একই পদ্ধতি চালু হওয়া প্রয়োজন। প্রতি বছর কত গাছ লাগানো হলো তার পাশাপাশি কত গাছ টিকে রইল, সেই তথ্যও প্রকাশ করা উচিত। একটি ভালো উদাহরণ হতে পারে বিদ্যালয়ভিত্তিক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। যদি কোনো শিক্ষার্থীকে শুধু একটি গাছ লাগাতে নয়, বরং সেই গাছের তিন বছরের দায়িত্ব দেওয়া হয়, তাহলে সে প্রকৃতির সঙ্গে একটি সম্পর্ক তৈরি করতে শিখবে। পরিবেশ শিক্ষা তখন বইয়ের পাতার বাইরে বাস্তব জীবনে প্রবেশ করবে।</p><p>আমাদের নীতিনির্ধারকদেরও ভাবতে হবে, পরিবেশ রক্ষাকে কেবল প্রতীকী কার্যক্রমের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। যে উন্নয়ন প্রকল্পের কারণে গাছ কাটা হচ্ছে, সেখানে কতগুলো নতুন গাছ লাগানো হবে, কোথায় লাগানো হবে এবং সেগুলো বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা কীভাবে দেওয়া হবে—এসব বিষয় বাধ্যতামূলকভাবে নিশ্চিত করতে হবে। শুধু প্রতিস্থাপন নয়, কার্যকর প্রতিস্থাপন প্রয়োজন।</p><h2>নাগরিক সমাজের দায়িত্ব</h2><p>একই সঙ্গে নাগরিক সমাজেরও দায়িত্ব রয়েছে। আমরা অনেক সময় পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব পুরোপুরি সরকারের ওপর ছেড়ে দিই। অথচ একটি গাছের জীবন বাঁচাতে একজন সচেতন নাগরিকের ভূমিকাও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। নিজের বাড়ির সামনে, অফিস প্রাঙ্গণে, স্কুলে কিংবা পাড়ার খোলা জায়গায় লাগানো গাছটির খোঁজ নেওয়া, প্রয়োজন হলে পানি দেওয়া, সুরক্ষার ব্যবস্থা করা, এসব ছোট ছোট কাজই দীর্ঘমেয়াদে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।</p><h3>সাংস্কৃতিক সংকট ও দীর্ঘমেয়াদি দায়িত্ববোধ</h3><p>তবে সমস্যাটি শুধু পরিবেশ ব্যবস্থাপনার নয়; আমাদের সাংস্কৃতিক সংকটও। আমরা এমন এক সমাজে পরিণত হচ্ছি, যেখানে তাৎক্ষণিক সাফল্য দীর্ঘমেয়াদি দায়িত্ববোধকে ছাপিয়ে যাচ্ছে। ছবি তোলা সহজ, পরিচর্যা করা কঠিন। ঘোষণা দেওয়া সহজ, ধারাবাহিকতা বজায় রাখা কঠিন। গাছ লাগানো সহজ, গাছ বাঁচানো কঠিন। কিন্তু প্রকৃতি কখনো প্রচারণার ভাষা বোঝে না। প্রকৃতি ফলাফল দেখে। কত সংবাদ প্রকাশিত হলো, কত ব্যানার টানানো হলো কিংবা কত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হলো, এসবের কোনো মূল্য প্রকৃতির কাছে নেই। প্রকৃতি শুধু দেখে, একটি গাছ সত্যিই বড় হলো কি না; সেটি পাখির আশ্রয় হলো কি না; তার ছায়ায় মানুষ দাঁড়াতে পারল কি না; তার পাতায় বাতাস কিছুটা নির্মল হলো কি না।</p><p>বাংলাদেশ এখন জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। তাপপ্রবাহ, খরা, নদীভাঙন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা, বায়ুদূষণ এবং জীববৈচিত্র্যের ক্ষয়—সবকিছু মিলিয়ে পরিবেশগত সংকট ক্রমেই গভীর হচ্ছে। এই বাস্তবতায় গাছ কেবল সৌন্দর্যের উপাদান নয়; এটি জলবায়ু প্রতিরোধের অবকাঠামো, জনস্বাস্থ্যের রক্ষাকবচ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তা।</p><h2>সময়ের দাবি: বৃক্ষরোপণ থেকে বৃক্ষ সংরক্ষণ সংস্কৃতিতে উত্তরণ</h2><p>তাই সময় এসেছে পরিবেশ নিয়ে আমাদের চিন্তার কেন্দ্রবিন্দু পরিবর্তন করার। আমরা কতটি গাছ লাগালাম তার চেয়ে জরুরি আমরা কত গাছ বাঁচিয়ে রাখতে পারলাম। একটি সবুজ, সহনশীল ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়তে ‘বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি’ থেকে ‘বৃক্ষ সংরক্ষণ সংস্কৃতি’-তে উত্তরণ ঘটাতে হবে। গাছ লাগানোকে উৎসবের পর্যায় থেকে বের করে দায়িত্বের পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে। কারণ একটি চারা রোপণ একটি দিনের কাজ; কিন্তু একটি বন সৃষ্টি হয় কয়েক দশকের যত্ন, ধৈর্য, পরিকল্পনা এবং দায়বদ্ধতার মধ্য দিয়ে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:31:20 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[অস্ট্রেলিয়ায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য কঠোর নিয়মের দাবি ওয়ান নেশনের]]></title>
				<category>উচ্চশিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/uccho-shikkha/article-127957.html</link>
				<description><![CDATA[<p>অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসনব্যবস্থার অপব্যবহার রোধ এবং অবৈধ নাগরিকদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া গতিশীল করতে বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য কঠোর নিয়ম চালুর দাবি উঠেছে। নতুন এই প্রস্তাব অনুযায়ী, উচ্চশিক্ষার জন্য আসা শিক্ষার্থীদের পরবর্তী কোর্সে আবেদনের আগে বাধ্যতামূলকভাবে নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে। অস্ট্রেলিয়ার রাজনৈতিক দল ‘ওয়ান নেশন’-এর প্রধান সিনেটর পলিন হ্যানসন আজ এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান।</p><h2>অভিযোগ ও বর্তমান পরিস্থিতি</h2><p>তিনি অভিযোগ করেন, দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিদেশি শিক্ষার্থীদের অর্থের ওপর অতিরিক্ত মাত্রায় নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে এবং এই অনিয়মের পরোক্ষ অংশীদারে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় রেকর্ড ২৬ লাখ অস্থায়ী ভিসাধারী অবস্থান করছেন, যার জন্য এই অব্যবস্থাপনা আংশিক দায়ী বলে তিনি উল্লেখ করেন।</p><h3>শিক্ষার্থীদের মূল উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন</h3><p>সিনেটর হ্যানসন বলেন, এই বিপুলসংখ্যক মানুষের একটি বড় অংশ এমন সব ঘরবাড়ি ও নাগরিক সুবিধা ব্যবহার করছেন, যা প্রকৃত অস্ট্রেলীয়দের প্রাপ্য। এটি স্পষ্ট যে অনেক শিক্ষার্থীর মূল উদ্দেশ্য পড়াশোনা নয়; বরং ব্যবস্থার ফাঁকফোকর গলে অস্ট্রেলিয়ার উচ্চ মজুরি ও অর্থনৈতিক সুবিধা ভোগ করা।</p><h2>শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের সংকট</h2><p>বিবৃতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের প্রবণতাকে একটি বড় সংকট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। অভিযোগ করা হয়েছে, অনেক বিদেশি শিক্ষার্থী স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় আসার পরপরই মূল পড়াশোনা ছেড়ে দেন এবং ভুয়া কোর্সে ভর্তি হন। এই প্রক্রিয়ার অন্তর্বর্তী সময়ে তাঁরা একধরনের বিশেষ ভিসায় (ব্রিজিং ভিসা) বছরের পর বছর অবস্থান করেন, যা তাঁদের এখানে কাজ করার ও বসবাসের আইনি সুযোগ দেয়।</p><h3>অন্তর্বর্তীকালীন ভিসা প্রক্রিয়ার জটিলতা</h3><p>সরকারি হিসাব তুলে ধরে জানানো হয়, এই অন্তর্বর্তীকালীন ভিসা–প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে গড়ে ২০০ দিন সময় লাগে। আবেদন নাকচ হলে শিক্ষার্থীরা আপিল বা পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন, যা নিষ্পত্তিতে আরও প্রায় ৬৪ সপ্তাহ কেটে যায়। এমনকি কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই অনেকে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেন। কারণ, এ ধরনের আবেদন ঝুলে থাকে প্রায় তিন বছর। প্রথম দফায় নাকচ হলে আবারও আপিল করে অস্ট্রেলিয়ায় অর্থ উপার্জনের সময় বাড়িয়ে নেওয়া হয়।</p><p>বিগত মাত্র তিন বছরে এই অন্তর্বর্তীকালীন ভিসায় থাকা বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩ হাজার থেকে বেড়ে ১ লাখ ৭ হাজারে দাঁড়িয়েছে। সিনেটর হ্যানসন সেন্ট্রাল কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের উদাহরণ টেনে বলেন, ২০২৩ সালে সেখানে প্রথম বর্ষের বিদেশি শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হার ছিল ৫৭ দশমিক ২ শতাংশ। সিডনির মতো প্রধান শহরগুলোতে ক্যাম্পাস খোলার একমাত্র উদ্দেশ্য বিদেশি শিক্ষার্থীদের অর্থ লুফে নেওয়া।</p><h2>ওয়ান নেশনের প্রস্তাবিত নীতিমালা</h2><p>এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ওয়ান নেশন দল একটি নতুন নীতিমালা প্রস্তাব করেছে। এর অধীন পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়া কোনো বিদেশি শিক্ষার্থীকে অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান বা কাজের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন ভিসা দেওয়া হবে না এবং দেশটির পুনর্বিবেচনা ট্রাইব্যুনালে আপিল করার কোনো সুযোগ থাকবে না। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে স্থানীয় শিক্ষার্থীদের শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে বিবৃতিতে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:55:14 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[পাঁচ বছর ঝুলে থাকা মামলায় হবিগঞ্জের বিচারককে হাইকোর্টের তলব বাতিল]]></title>
				<category>কূটনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/kutniti/article-127956.html</link>
				<description><![CDATA[<p>পাঁচ বছর ঝুলে থাকা একটি মামলায় হবিগঞ্জের বিচারককে হাইকোর্টের তলব বাতিল করা হয়েছে। একইসঙ্গে ইরানের জন্য বরাদ্দ থাকা টিকিটও বাতিল হয়ে গেছে। ভারতের একটি পত্রিকাকে দেওয়া সিরিজ সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘জনগণের শক্তি নিয়েই আমি ফিরব’।</p><h2>এক রাতে তিন কৃষকের সাত গরু চুরি</h2><p>এক রাতে তিন কৃষকের সাতটি গরু চুরি হয়েছে। এ ঘটনায় আতঙ্কে রয়েছেন খামারিরা। অভিযানের আগেই পালিয়ে গেছেন অভিযুক্তরা। এদিকে, ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ।</p><h3>প্রশাসনের আশ্বাসে কর্মবিরতি স্থগিত</h3><p>প্রশাসনের আশ্বাসে কর্মবিরতি স্থগিত করেছেন বেরোবি কর্মকর্তারা। অন্যদিকে, কুষ্টিয়ায় দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক চালক নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন।</p><h3>নেইমারকে নিয়ে ব্রাজিলের সিদ্ধান্ত</h3><p>ফুটবল তারকা নেইমারকে নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়েছে ব্রাজিল। এছাড়া, এমপির ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণার পরও বন্ধ হয়নি মাটি কাটা। সিংগাইরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।</p><h3>মামদানির ভবিষ্যদ্বাণী</h3><p>মামদানির মতে, ২০২৬ বিশ্বকাপ জিতবে কোন দেশ। সব খবর জানতে আমাদের সঙ্গেই থাকুন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:36:28 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: বিটিভির সম্প্রচারস্বত্ব চুক্তি ৩.৮৫ মিলিয়ন ডলারে]]></title>
				<category>টেলিভিশন</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/television/article-127955.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সম্প্রচারস্বত্ব কিনতে ৩ দশমিক ৮৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের চুক্তি চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি)। ভ্যাট ও আয়করসহ এর মোট ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় ৬৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা। তবে এই অর্থের প্রায় পুরোটাই বিজ্ঞাপন ও সম্প্রচারস্বত্ব বিক্রির মাধ্যমে উঠে আসবে বলে জানিয়েছে সরকার।</p><h2>সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা</h2><p>মঙ্গলবার (৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। তিনি বলেন, ফিফার সঙ্গে ৩ দশমিক ৮৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের চুক্তি হয়েছে। বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী যার মূল্য প্রায় ৪৭ কোটি ২৫ লাখ ৮৭ হাজার ৫০০ টাকা। ভ্যাট ও আয়কর যুক্ত হলে মোট ব্যয় দাঁড়াবে ৬৩ কোটি ৭৯ লাখ ৯৩ হাজার ১২৫ টাকা। তবে সরকার বা বিটিভিকে এ জন্য কোনও ভর্তুকি দিতে হচ্ছে না বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।</p><h3>স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় চুক্তি</h3><p>ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, অত্যন্ত স্বচ্ছ প্রক্রিয়া ও নীতিমালার আলোকে এবারের বিশ্বকাপ সম্প্রচারের চুক্তিমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। টেলিকম অপারেটর, স্যাটেলাইট চ্যানেল ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মের কাছে বিজ্ঞাপন এবং সম্প্রচারস্বত্ব বিক্রির মাধ্যমে প্রায় পুরো অর্থই আদায় করা সম্ভব হয়েছে। তিনি জানান, গ্রামীণফোন, বাংলালিংকসহ কয়েকটি টেলিকম অপারেটর এবং টি স্পোর্টস ও সময় টিভি বিশ্বকাপ সম্প্রচারের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। এছাড়া বিভিন্ন মোবাইল অ্যাপ ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও ম্যাচগুলো দেখা যাবে।</p><h3>অর্থ পুনরুদ্ধার</h3><p>প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের শুরু থেকেই লক্ষ্য ছিল বিটিভিকে যেন অতিরিক্ত কোনও আর্থিক বোঝা বহন করতে না হয়। ইতোমধ্যে প্রায় ৯৬ শতাংশ অর্থ পুনরুদ্ধারের চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। বাকি অংশও আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে বিজ্ঞাপন থেকে উঠে আসবে। তিনি আরও বলেন, সরকারের কোনও ভর্তুকি প্রয়োজন হচ্ছে না এবং বিটিভিরও কোনও আর্থিক ক্ষতি হবে না।</p><h3>অতীতের তুলনায় সাশ্রয়</h3><p>অতীতের তুলনায় এবার কম ব্যয়ে বিশ্বকাপ সম্প্রচারস্বত্ব কেনা সম্ভব হয়েছে উল্লেখ করে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, আগে এ খাতে প্রায় ২০০ কোটি টাকার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা ছিল। স্বচ্ছতা ও সাশ্রয়ী মূল্যে এবার চুক্তি সম্পন্ন করা হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অতীতে ৯৬ কোটি টাকা ব্যয়ে সম্প্রচারস্বত্ব কেনা হলেও বিটিভির আর্থিক লাভ হয়নি। তবে এবার সম্প্রচারস্বত্ব কেনার অর্থ প্রায় পুরোপুরি পুনরুদ্ধার হওয়ায় সরকারি অর্থের অপচয় রোধ করা সম্ভব হয়েছে।</p><h3>ম্যাচ সম্প্রচার ও জনগণের সেবা</h3><p>প্রতিমন্ত্রী জানান, বিশ্বকাপের বেশিরভাগ ম্যাচ গভীর রাত ও ভোরে অনুষ্ঠিত হবে। এ কারণে বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বড় পর্দায় খেলা দেখানোর উদ্যোগ নিয়েছে এবং এ বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেবে। তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য ছিল জনগণকে সর্বোচ্চ সেবা দেওয়া এবং সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা। সেই লক্ষ্য পূরণে আমরা সফল হয়েছি।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:17:12 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ইকনেকের সভায় ২ হাজার ২৬৬ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন]]></title>
				<category>অর্থ ব্যবস্থাপনা</category>
				<link>https://bdgazette.com/jibonjapon/ortho-bebosthapona/article-127954.html</link>
				<description><![CDATA[<p>জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ইকনেক) মঙ্গলবার ২ হাজার ২৬৬ কোটি ৪১ লাখ টাকা ব্যয়ে আটটি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করেছে। এই প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে পানি সম্পদ, পরিবহন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও জ্বালানি খাতের গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।</p><h2>সভার বিবরণ</h2><p>ইকনেকের চলতি অর্থবছরের ১২তম সভা বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ইকনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমান। মোট প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে ২ হাজার ২২৯ কোটি ১৩ লাখ টাকা সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে এবং ৩৭ কোটি ২৮ লাখ টাকা বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলোর তহবিল থেকে অর্থায়ন করা হবে।</p><h2>অনুমোদিত প্রকল্পসমূহ</h2><p>পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে তিনটি নতুন প্রকল্প, তিনটি সংশোধিত প্রকল্প এবং দুটি সময় বর্ধিতকরণ প্রকল্প রয়েছে।</p><h3>পানি সম্পদ খাত</h3><p>পানি সম্পদ খাতে বরিশাল সেচ প্রকল্পের (প্রথম পর্যায়) রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্বাসন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।</p><h3>পরিবহন খাত</h3><p>পরিবহন খাতে আনোয়ারা-বাঁশখালী-তৈটং-পেকুয়া-বাদারখালী-চকরিয়া (ঈদমনি) আঞ্চলিক মহাসড়ক (আর-১৭০) কালাবিবির দীঘি থেকে ঈদমনি পর্যন্ত যথাযথ মান ও প্রস্থে উন্নীতকরণ প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে।</p><h3>জনপ্রশাসন খাত</h3><p>জনপ্রশাসন খাতে ৩৩টি জেলার সার্কিট হাউস ও ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে লিফট স্থাপনের জন্য একটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।</p><h3>স্বাস্থ্য খাত</h3><p>স্বাস্থ্য খাতে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট সম্প্রসারণ (প্রকল্প-২) এবং ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ক্যান্সার সেন্টার প্রতিষ্ঠার প্রথম সংশোধিত পর্যায়ের প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে।</p><h3>শিক্ষা খাত</h3><p>শিক্ষা খাতে দুটি সংশোধিত প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাপনা ও তথ্য ব্যবস্থা (এমইএমআইএস)-এ অব্যাহত সহায়তা এবং দেশের ৬৫৩টি মাদ্রাসায় মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন প্রকল্প।</p><h3>জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত</h3><p>জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণ সেবা উন্নত করতে বিদ্যমান গ্রিড সাবস্টেশন ও ট্রান্সমিশন লাইনের সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে একটি সংশোধিত প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।</p><h2>পরিকল্পনা মন্ত্রীর অনুমোদিত প্রকল্প</h2><p>পরিকল্পনা কর্মকর্তারা সভায় জানান, পরিকল্পনা মন্ত্রী ইতোমধ্যে ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়ের ছয়টি প্রকল্প অনুমোদন করেছেন। এই প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে ৩০টি পৌরসভায় পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের অধীনে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও যানজট হ্রাস উদ্যোগ, ডাকসেবা সম্প্রসারণ, ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে এমইএস ট্রেনিং সেলের অবকাঠামো উন্নয়ন, বাল্যবিবাহ নির্মূল প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায় এবং খুলনায় পাইকগাছা কৃষি কলেজ প্রতিষ্ঠা।</p><h2>সভায় উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ</h2><p>সভায় অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ ইকনেকের অন্যান্য সদস্য ও ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:27:36 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বাংলাদেশের ক্রিকেটে নতুন ইতিহাস, প্রথমবার টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়]]></title>
				<category>ক্রিকেট</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/cricket/article-127953.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশ ক্রিকেট দল একটি ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেছে। তারা প্রথমবারের মতো একটি পূর্ণাঙ্গ টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক সিরিজ জিতেছে। এই জয় দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হবে।</p><h2>সিরিজের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত</h2><p>সিরিজের প্রতিটি ম্যাচেই বাংলাদেশ দল অসাধারণ দক্ষতা প্রদর্শন করেছে। ব্যাটিং, বোলিং এবং ফিল্ডিংয়ের প্রতিটি বিভাগেই দলটি সেরা পারফরম্যান্স দিয়েছে। বিশেষ করে তরুণ খেলোয়াড়দের অবদান প্রশংসার দাবি রাখে।</p><h3>প্রথম ম্যাচের জয়</h3><p>প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ দল নির্ধারিত ওভারে ১৮০ রান সংগ্রহ করে। জবাবে প্রতিপক্ষ দল ১৬০ রানে গুটিয়ে যায়। এই জয় দলের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়।</p><h3>দ্বিতীয় ম্যাচের নাটকীয়তা</h3><p>দ্বিতীয় ম্যাচটি ছিল অত্যন্ত নাটকীয়। শেষ ওভার পর্যন্ত জয়-পরাজয় অনিশ্চিত ছিল। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ দল ২ রানের ব্যবধানে জয় পায়।</p><h2>খেলোয়াড়দের অসাধারণ পারফরম্যান্স</h2><p>সিরিজ সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন অধিনায়ক। তিনি ব্যাটিং এবং বোলিং উভয় বিভাগেই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। এছাড়াও আরও কয়েকজন খেলোয়াড় দারুণ পারফর্ম করেছেন।</p><ul><li>অধিনায়ক: ২ ম্যাচে ১২০ রান এবং ৪ উইকেট</li><li>ওপেনার: ৭৫ রানের ইনিংস</li><li>বোলার: ৫ উইকেট</li></ul><h2>দেশবাসীর প্রতিক্রিয়া</h2><p>এই জয়ে দেশবাসী আনন্দিত। সামাজিক মাধ্যমে অভিনন্দনের ঝড় উঠেছে। ক্রিকেটপ্রেমীরা এই সাফল্যকে সামনের বিশ্বকাপের জন্য ভালো লক্ষণ হিসেবে দেখছেন।</p><h3>ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা</h3><p>এই জয় বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে আরও উজ্জ্বল করেছে। দলটি এখন বিশ্ব ক্রিকেটে আরও বড় চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত।</p><p>সব মিলিয়ে, এই সিরিজ জয় বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে একটি স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:46:01 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[খামেনির জানাজা আশুরার পর, বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ কমিটির]]></title>
				<category>মধ্যপ্রাচ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/moddho-pracho/article-127952.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠান মহররম মাসের প্রথম ১০ দিন শেষ হওয়ার পর অনুষ্ঠিত হবে। সংশ্লিষ্ট স্মরণসভা কমিটি মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।</p><h2>জানাজার সময়সূচি নির্ধারণ</h2><p>বিবৃতিতে বলা হয়, খামেনি ও তার পরিবারের সদস্যদের স্মরণসভা, জানাজা এবং দাফন অনুষ্ঠান মর্যাদাপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। ইরানের আধাসরকারি সংবাদমাধ্যম মেহের নিউজ এ তথ্য প্রকাশ করেছে।</p><h3>গুজব ও বিভ্রান্তি এড়াতে সতর্কতা</h3><p>বিবৃতিতে দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে অনুষ্ঠানটির সময়সূচি ও আয়োজন নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন জল্পনা-কল্পনা এবং যাচাইবিহীন প্রতিবেদনের বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। কমিটির দাবি, এসব তথ্যের কোনো নির্ভরযোগ্য ভিত্তি নেই এবং এগুলো সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।</p><p>কমিটি আরও জানায়, ইমাম হুসাইনের শোকানুষ্ঠানের প্রতি খামেনির দীর্ঘদিনের অঙ্গীকারের প্রতি সম্মান জানিয়ে আশুরার পর, অর্থাৎ মহররমের প্রথম ১০ দিন শেষ হলে জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে।</p><h2>সমন্বয় ও প্রস্তুতি</h2><p>কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শোকাহতদের অংশগ্রহণ এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানসংক্রান্ত চূড়ান্ত সময়সূচি ও অন্যান্য বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।</p><p>উল্লেখ্য, খামেনির মৃত্যু এবং এর প্রেক্ষাপট নিয়ে বিভিন্ন তথ্য ও দাবি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচিত হচ্ছে। এ বিষয়ে ইরানি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক অবস্থান ও ঘোষণার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কমিটি। সূত্র: মেহের নিউজ।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:50:01 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বাংলাদেশের ভিডিও নিয়ে নতুন তথ্য প্রকাশ]]></title>
				<category>বিনোদন ব্যবসা</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/binodon-bebsha/article-127951.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশের একটি ভিডিও নিয়ে নতুন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। ভিডিওটি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। সম্প্রতি এই ভিডিওটি সামনে আসার পর থেকে এটি নিয়ে নানা মতামত দেখা যাচ্ছে।</p><h2>ভিডিওটির বিষয়বস্তু</h2><p>ভিডিওটিতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে যা দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোকপাত করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ভিডিও থেকে অনেক কিছু জানা যেতে পারে।</p><h3>প্রতিক্রিয়া</h3><p>ভিডিওটি প্রকাশের পর সামাজিক মাধ্যমে এটি ভাইরাল হয়েছে। অনেকে এর সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, আবার অনেকে এটিকে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে দেখছেন।</p><p>এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ভিডিওটির তদন্ত শুরু হয়েছে।</p><p>দেশের সাধারণ মানুষও এই ভিডিও নিয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। অনেকেই এটি নিয়ে নিজেদের মতামত প্রকাশ করছেন।</p><p>এই ঘটনায় আরও বিস্তারিত তথ্য সামনে আসলে আমরা জানাব।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:32:00 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[নাটোর হাসপাতালে শিশুর মা ধর্ষণ: তিন পরিচ্ছন্নতাকর্মী গ্রেপ্তার]]></title>
				<category>জনস্বাস্থ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/swasthyo/jonswasthyo/article-127950.html</link>
				<description><![CDATA[<p>নাটোরের আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক শিশুর মাকে (১৮) ধর্ষণের অভিযোগে হাসপাতালের তিন পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে (আউটসোর্সিং) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার তিনজন হলেন অমিত (২৩), অনিল (২৪) ও প্রাঙ্গণ (২৩)। তাঁরা নাটোর শহরের আলাইপুর সুইপার কলোনির বাসিন্দা।</p><h2>ঘটনার বিবরণ</h2><p>সদর থানা ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নাটোর পৌর এলাকার এক নারী তাঁর দুই বছর বয়সী অসুস্থ মেয়েকে চিকিৎসার জন্য ৫ জুন সন্ধ্যায় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। গত রোববার রাত ১১টার দিকে অমিত শিশুটির মাকে ওষুধ দেওয়ার কথা বলে লিফটে নিয়ে যান। পরে ওই নারী ধর্ষণের শিকার হন। ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করেন অনিল ও প্রাঙ্গণ।</p><h3>ভিডিও দেখিয়ে চাপ</h3><p>ওই ভিডিও দেখিয়ে ভুক্তভোগী নারীকে অনিল ও প্রাঙ্গণ চাপ দেন। অসুস্থ শিশুটি মাকে না পেয়ে কান্নাকাটি শুরু করে। দায়িত্বপ্রাপ্ত নার্স ও ওয়ার্ডবয়রা আনসার সদস্যদের নিয়ে ভুক্তভোগী নারীর সন্ধান করতে থাকেন। একপর্যায়ে সিসিটিভির ফুটেজ দেখে ওই নারীকে তাঁরা উদ্ধার করেন। ভুক্তভোগী নারী তাঁদের ঘটনার বিস্তারিত জানান।</p><h2>তদন্ত ও মামলা</h2><p>অভিযোগ আছে, এ সময় আনসার সদস্যরা হাসপাতালের কর্মীদের পরামর্শে অভিযুক্ত তিন পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে ছেড়ে দেন। ভুক্তভোগী নারীও এ ঘটনায় মামলা করতে উৎসাহ দেখাননি। সোমবার রাতে বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশ তৎপর হয় এবং অভিযুক্ত তিন পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে আটক করে। মঙ্গলবার ভুক্তভোগী নারীর বাবা বাদী হয়ে সদর থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় আটক ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।</p><p>তবে ওই হাসপাতালের আনসার সদস্য আল আমিন বলেন, তাঁরা নার্সদের কাছে ঘটনা শুনে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করেন এবং অভিযুক্তদের আটক করেন। তবে পরে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা কীভাবে ছাড়া পেয়েছেন, তা তিনি জানেন না।</p><p>হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহাবুবুর রহমান বলেন, অসুস্থ শিশুটির কান্নাকাটি শুনে কর্মীরা তাৎক্ষণিক ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করেন। পরে পুলিশকে তাঁরা সব রকম সহযোগিতা করেছেন।</p><p>সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনসুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীর স্বাস্থ্য পরীক্ষাসহ অন্যান্য আইনি কার্যক্রম চলছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:51:52 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[নিঃশ্বাসে নিঃশ্বাসে শুকরিয়া: আলহামদুলিল্লাহর মর্মকথা]]></title>
				<category>আধ্যাত্মিকতা</category>
				<link>https://bdgazette.com/jibonjapon/adhyatmikota/article-127949.html</link>
				<description><![CDATA[<p>জীবনের সব দিন একরকম হয় না। কখনো সুখের আলোয় হৃদয় ভরে ওঠে, আবার কখনো দুঃখের মেঘে চারপাশ অন্ধকার হয়ে আসে। এমনও মুহূর্ত আসে, যখন মনে হয় আর হয়তো পারব না; বুকভরা ক্লান্তি, হতাশা আর অজানা শঙ্কা আমাদের ঘিরে ধরে। কিন্তু ঠিক তখনই যদি একটু থেমে নিজের জীবনটার দিকে তাকাই, বুঝতে পারি—আমরা এখনও শ্বাস নিচ্ছি, এখনও বেঁচে আছি, এখনও অসংখ্য নিয়ামতের মাঝে আছি। আর এই উপলব্ধিই একজন মুমিনের হৃদয় থেকে বের করে আনে একটি শব্দ—আলহামদুলিল্লাহ।</p><h2>আল্লাহর অগণিত নেয়ামতের প্রতি কৃতজ্ঞতা</h2><p>হে আল্লাহ! তুমি এখনও আমাকে প্রতিটি নিঃশ্বাস দিচ্ছো—এর জন্য আলহামদুলিল্লাহ। তুমি এমন সব অজানা দিক থেকে রিজিক দিচ্ছো, যা আমি কখনো কল্পনাও করিনি—এর জন্য আলহামদুলিল্লাহ। তুমি আমার হৃদয়কে এখনও শক্ত রেখেছো, যদিও কোনো এক সময় আমি হাল ছেড়ে দিতে চেয়েছিলাম—এর জন্যও আলহামদুলিল্লাহ।</p><p>অনেক সময় আমরা যা হারিয়েছি তা নিয়েই ব্যস্ত থাকি, অথচ যা পেয়েছি তার হিসাব করি না। অথচ আল্লাহ তাআলা আমাদের এমন অসংখ্য নেয়ামত দিয়েছেন, যা গুণে শেষ করা সম্ভব নয়। আল্লাহ তাআলা বলেন—<em>وَإِن تَعُدُّوا نِعْمَةَ اللَّهِ لَا تُحْصُوهَا</em> ‘তোমরা যদি আল্লাহর নেয়ামত গণনা করতে চাও, তবে তা কখনো গুণে শেষ করতে পারবে না।’ (সুরা আন-নাহল: আয়াত ১৮) প্রতিটি সকাল, প্রতিটি নিঃশ্বাস, প্রতিটি সুস্থতা এবং প্রতিটি নতুন সুযোগ আসলে আল্লাহর পক্ষ থেকে একেকটি উপহার।</p><h2>কষ্টের মাঝেও আল্লাহর রহমত</h2><p>জীবনের কঠিন সময়গুলো আমাদের ভেঙে দেওয়ার জন্য নয়; বরং আমাদের আরও শক্তিশালী ও আল্লাহর কাছাকাছি নিয়ে আসার জন্য। কখনো কখনো আমরা বুঝতে পারি না কেন একটি দরজা বন্ধ হয়ে গেল, কেন একটি স্বপ্ন পূরণ হলো না, কিংবা কেন এত কষ্টের ভেতর দিয়ে যেতে হচ্ছে। কিন্তু আল্লাহ সবকিছু জানেন, আর তার পরিকল্পনা সর্বোত্তম। আল্লাহ তাআলা বলেন—<em>فَإِنَّ مَعَ الْعُسْرِ يُسْرًا ۝ إِنَّ مَعَ الْعُسْرِ يُسْرًا</em> ‘নিশ্চয়ই কষ্টের সঙ্গেই রয়েছে স্বস্তি। নিশ্চয়ই কষ্টের সঙ্গেই রয়েছে স্বস্তি।’ (সুরা আলাম নাশরাহ: আয়াত ৫-৬) এই আয়াতে আল্লাহ একই কথা দু’বার বলেছেন, যাতে মুমিনের হৃদয়ে আশা কখনো নিভে না যায়।</p><h2>হিদায়াতের জন্য প্রার্থনা</h2><p>হে আল্লাহ! তুমি আমার প্রতিটি পদক্ষেপে হিদায়াত দান করো। এমন পথে পরিচালিত করো, যে পথ তোমার সন্তুষ্টির দিকে নিয়ে যায়। আমার হৃদয়কে অহংকার, হতাশা এবং গুনাহ থেকে রক্ষা করো। আমার জীবনের প্রতিটি সিদ্ধান্তে তোমার রহমত ও প্রজ্ঞা দান করো। আল্লাহ তাআলা বলেন—<em>اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ</em> ‘আমাদের সরল পথের হিদায়াত দান করুন।’ (সুরা আল-ফাতিহা: আয়াত ৬) একজন মুমিনের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো হিদায়াত। কারণ হিদায়াত থাকলে মানুষ দুনিয়ার অন্ধকারের মধ্যেও আলোর পথ খুঁজে পায়।</p><h2>মুমিনের জীবনে আশার আলো</h2><p>রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—<em>عَجَبًا لِأَمْرِ الْمُؤْمِنِ، إِنَّ أَمْرَهُ كُلَّهُ لَهُ خَيْرٌ</em> ‘মুমিনের ব্যাপারটি বড়ই বিস্ময়কর। তার প্রতিটি অবস্থাই তার জন্য কল্যাণকর।’ তিনি আরও বলেন—‘সুখ পেলে সে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে, ফলে তা তার জন্য কল্যাণকর হয়; আর কষ্ট পেলে ধৈর্য ধারণ করে, ফলে তাও তার জন্য কল্যাণকর হয়।’ (মুসলিম) এটাই একজন মুমিনের সৌন্দর্য। সে সুখে আল্লাহকে ভুলে যায় না, আবার দুঃখেও আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয় না।</p><p>জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ে আল্লাহর রহমতের ছাপ রয়েছে। কখনো তা আমরা স্পষ্টভাবে দেখতে পাই, আবার কখনো তা লুকিয়ে থাকে পরীক্ষার আড়ালে। তাই আজও যদি হৃদয় ভেঙে যায়, যদি পথ কঠিন হয়ে ওঠে, যদি চোখে অশ্রু জমে— তবুও বলি, আলহামদুলিল্লাহ। কারণ আল্লাহ এখনও আমাদের নিঃশ্বাস দিচ্ছেন, রিজিক দিচ্ছেন, আশার আলো দিচ্ছেন এবং তার দিকে ফিরে আসার সুযোগ দিচ্ছেন। হে আল্লাহ! আমাদের অন্তরকে তোমার স্মরণে প্রশান্ত রাখ, আমাদের পদক্ষেপকে হিদায়াতের পথে দৃঢ় কর, আর আমাদের সব কষ্টকে তোমার রহমত ও বরকতে কল্যাণে পরিণত করে দাও। আমিন ইয়া রব্বাল আলামিন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:38:49 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বিড়ির দাম বাড়ছে না, অপরিবর্তিত থাকছে করহার]]></title>
				<category>পণ্যমূল্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/ponnyomulyo/article-127948.html</link>
				<description><![CDATA[<p>আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বিড়ির দাম ও করহার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে নতুন অর্থবছরে বিড়ির দামে কোনো পরিবর্তন আসছে না। মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত নারী আসন-৩ এর সংসদ সদস্য রাশেদা বেগম হীরার এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।</p><h2>প্রশ্ন ও জবাব</h2><p>রাশেদা বেগম হীরা জানতে চেয়েছিলেন, তামাকজাত পণ্যের ওপর কর বৃদ্ধি, বিশেষ করে বিড়ির খুচরা মূল্যের ওপর ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ও এক শতাংশ স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ বহাল রেখে অতিরিক্ত সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হবে কিনা। জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাজেটে বিড়ির ক্ষেত্রে মূল্য এবং করহার আগের বছরের ন্যায় অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।</p><h3>অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য</h3><p>অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সংসদে আরও বলেন, বিড়ির দাম ও করহার অপরিবর্তিত রাখার মাধ্যমে ভোক্তাদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান বাজেটে তামাকজাত পণ্যের ওপর কর কাঠামো পুনর্বিবেচনা করা হলেও বিড়ির ক্ষেত্রে তা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।</p><p>এদিকে, সংসদ সদস্য রাশেদা বেগম হীরা তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালী করার পাশাপাশি বিড়ির ওপর কর বাড়ানোর প্রস্তাব করেছিলেন। তবে অর্থমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, বাজেটে বিড়ির দাম ও করহার অপরিবর্তিত থাকবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:48:39 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা রেকর্ড সর্বনিম্নের কাছাকাছি, ইরান যুদ্ধের প্রভাব]]></title>
				<category>এশিয়া</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/asia/article-127947.html</link>
				<description><![CDATA[<p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে জনপ্রিয়তার পারদ আবারও রেকর্ড সর্বনিম্নের কাছাকাছি এসে ঠেকেছে। ইরান যুদ্ধের জেরে দেশটিতে জ্বালানি তেলের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কার মধ্যেই সোমবার (৮ জুন) শেষ হওয়া রয়টার্স ও ইপসোস-এর সর্বশেষ এক জনমত জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে।</p><h2>জরিপের ফলাফল</h2><p>জরিপে মাত্র ৩৫ শতাংশ উত্তরদাতা হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের কর্মকাণ্ডের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন, যা গত মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে পরিচালিত জরিপের সমান। এই হার ট্রাম্পের চলতি মেয়াদের সর্বনিম্ন রেটিং ৩৪ শতাংশ (গত এপ্রিলের জরিপ) এবং তার প্রথম মেয়াদের সর্বনিম্ন রেটিং ৩৩ শতাংশের (ডিসেম্বর ২০১৭) অত্যন্ত কাছাকাছি।</p><h3>ইরান যুদ্ধের প্রভাব</h3><p>সম্প্রতি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার পর থেকেই তীব্র জনঅসন্তোষের মুখে পড়েছেন এই রিপাবলিকান নেতা। এই যুদ্ধের প্রত্যক্ষ প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রোলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে। যদিও ইরান সংঘাতের অবসানের আশায় সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে পাম্পে জ্বালানির দাম কিছুটা কমেছে, তবুও সাধারণ মানুষের আশঙ্কা কাটেনি।</p><p>ছয় দিনব্যাপী পরিচালিত এই জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৫৯ শতাংশ মার্কিনি মনে করেন আগামী এক বছরে দেশটির জ্বালানি তেলের বাজার পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। বিপরীতে মাত্র ১৭ শতাংশ মানুষ পরিস্থিতি উন্নতির আশা করছেন।</p><h2>জীবনযাত্রার ব্যয়ে অসন্তোষ</h2><p>বিশেষ করে জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্পের ব্যর্থতা নিয়ে মার্কিন নাগরিকদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা গেছে। মাত্র ২২ শতাংশ মার্কিনি গৃহস্থালির জীবনযাত্রার ব্যয় ব্যবস্থাপনায় ট্রাম্পের ভূমিকা অনুমোদন করেছেন, যেখানে ৭০ শতাংশ মানুষই তার ওপর অসন্তুষ্ট।</p><p>জীবনযাত্রার ব্যয়ের প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ এখন ট্রাম্পের চেয়ে তার ডেমোক্র্যাট পূর্বসূরি জো বাইডেনের ওপর বেশি আস্থা রাখছেন। বাইডেন তার মেয়াদের শেষে এই খাতে ২৯ শতাংশ সমর্থন এবং ৬৩ শতাংশ অসন্তোষ নিয়ে বিদায় নিয়েছিলেন। অথচ ট্রাম্প গত নির্বাচনী প্রচারণায় মূল্যস্ফীতি কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েই ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কমলা হ্যারিসকে পরাজিত করেছিলেন। এখন এই লাগামহীন জ্বালানির দাম আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার ক্ষেত্রে রিপাবলিকানদের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।</p><h3>ইরান হামলার সমর্থন</h3><p>অন্যদিকে, ইরানের ওপর মার্কিন হামলার পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন মাত্র ৩৬ শতাংশ মার্কিনি এবং ২৫ শতাংশ মনে করেন এই হামলার সুফল ব্যয়ের তুলনায় অনেক বেশি ছিল।</p><h2>মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রভাব</h2><p>এই জনমত জরিপ আগামী মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জন্য একটি সুবিধাজনক অবস্থানের ইঙ্গিত দিচ্ছে। নির্বাচন হলে নিবন্ধিত ভোটারদের ৪১ শতাংশ ডেমোক্র্যাটদের এবং ৩৭ শতাংশ রিপাবলিকানদের ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন। গত বছর পর্যন্ত অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় ভোটাররা রিপাবলিকানদের ওপর বেশি ভরসা রাখলেও, এখন সেই সুবিধা অনেকটাই মুছে গেছে।</p><p>বর্তমানে অর্থনীতি নিয়ে ৩৬ শতাংশ ভোটার ডেমোক্র্যাটদের এবং ৩৭ শতাংশ রিপাবলিকানদের পরিকল্পনাকে সেরা মনে করছেন। দেশজুড়ে অনলাইনে পরিচালিত এই জরিপে ৪,৫৩১ জন মার্কিন প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক অংশ নেন, যার ত্রুটির মাত্রা (মার্জিন অব এরর) ছিল ২ শতাংশ।</p><p>সূত্র: রয়টার্স।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:30:39 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ পদে শিক্ষক-কর্মকর্তা নিয়োগ]]></title>
				<category>উচ্চশিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/uccho-shikkha/article-127946.html</link>
				<description><![CDATA[<p>নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক ও কর্মকর্তা পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। মোট পদসংখ্যা ৮টি। আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদনের শেষ তারিখ ২৯ জুন ২০২৬।</p><h2>পদের নাম ও বিবরণ</h2><h3>১. সহযোগী অধ্যাপক</h3><p>বিভাগ ও পদসংখ্যা: আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ-১, তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগ-১। বেতন স্কেল ও গ্রেড: (গ্রেড-৪) ৫০,০০০-৭১,২০০ টাকা।</p><h3>২. সহকারী অধ্যাপক</h3><p>বিভাগ ও পদসংখ্যা: আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ-১, উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগ-১। বেতন স্কেল ও গ্রেড: (গ্রেড-৬) ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা।</p><h3>৩. প্রভাষক</h3><p>বিভাগ ও পদসংখ্যা: কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ-১। বেতন স্কেল ও গ্রেড: (গ্রেড-৯) ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।</p><h3>৪. পরিচালক</h3><p>বিভাগ ও পদসংখ্যা: পরিকল্পনা ও উন্নয়ন-১। বেতন স্কেল ও গ্রেড: (গ্রেড-৩) ৫৬,৫০০-৭৪,৪০০ টাকা।</p><h3>৫. উপপরিচালক</h3><p>বিভাগ ও পদসংখ্যা: অর্থ ও হিসাব-১। বেতন গ্রেড: (গ্রেড-৫) ৪৩,০০০-৬৯,৮৫০ টাকা।</p><h3>৬. সহকারী প্রকৌশলী</h3><p>বিভাগ ও পদসংখ্যা: ইলেকট্রিক্যাল-১। বেতন স্কেল ও গ্রেড: (গ্রেড-৯) ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।</p><h2>আবেদনের নিয়ম</h2><p>ডাকযোগে বা সশরীরে রেজিস্ট্রার দপ্তর, নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়, নেত্রকোনা-২৪০০ ঠিকানায় ৫ সেট আবেদনপত্র পৌঁছাতে হবে। নির্ধারিত আবেদনপত্র ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করতে হবে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইন আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে।</p><h2>আবেদন ফি</h2><p>সব পদের জন্য ২০০ টাকা।</p><h2>আবেদনের সময়সীমা</h2><p>আবেদন শুরু: ৯ জুন ২০২৬। আবেদন শেষ: ২৯ জুন ২০২৬।</p><p>আবেদনের শর্তাবলিসহ বিস্তারিত ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:39:20 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বলিউড-আন্ডারওয়ার্ল্ড যোগ: মিথ বনাম বাস্তবতা]]></title>
				<category>সিনেমা</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/cinema/article-127945.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বলিউডে দাউদ ইব্রাহিম ও আন্ডারওয়ার্ল্ডের যোগাযোগের কতটা সত্যি কতটা গুজব—এই প্রশ্ন দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত। আশি ও নব্বইয়ের দশকে বলিউড ও মাফিয়া চক্রের সম্পর্ক নিয়ে অসংখ্য গল্প, গুজব, পুলিশি তদন্ত এবং আদালতের নথি সামনে এসেছে। কখনো অর্থায়ন, কখনো চাঁদাবাজি, কখনো তারকাদের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক—সব মিলিয়ে বলিউডের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে আছে এই আন্ডারওয়ার্ল্ড-যোগ।</p><h2>শুরুটা কোথায়?</h2><p>বলিউডে আন্ডারওয়ার্ল্ডের প্রবেশ রাতারাতি ঘটেনি। ভারতের স্বাধীনতার পরবর্তী দশকগুলোতে দেশটির চলচ্চিত্রশিল্পকে সরকার আনুষ্ঠানিক শিল্প হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। ফলে ব্যাংকঋণ বা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগের সুযোগ ছিল সীমিত। প্রযোজকদের অধিকাংশকেই ব্যক্তিগত অর্থদাতা, ব্যবসায়ী কিংবা অনানুষ্ঠানিক উৎসের ওপর নির্ভর করতে হতো। এই শূন্যস্থানই ধীরে ধীরে অপরাধজগতের জন্য সুযোগ তৈরি করে।</p><p>ষাট ও সত্তরের দশকে মুম্বাইয়ের কুখ্যাত স্মাগলার ও আন্ডারওয়ার্ল্ড ব্যক্তিত্বদের মধ্যে কেউ কেউ চলচ্চিত্র ব্যবসার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতে শুরু করেন। তবে তখন বিষয়টি ছিল তুলনামূলকভাবে সীমিত। পরিস্থিতি নাটকীয়ভাবে বদলে যায় আশির শেষ ও নব্বইয়ের দশকে, যখন মুম্বাই আন্ডারওয়ার্ল্ডের সবচেয়ে আলোচিত নাম দাউদ ইব্রাহিম ও তাঁর ডি-কোম্পানি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কে পরিণত হয়।</p><h2>কেন বলিউডে আগ্রহী ছিল মাফিয়ারা?</h2><p>অপরাধজগতের জন্য চলচ্চিত্র ছিল একাধিক কারণে আকর্ষণীয়। প্রথমত, এটি ছিল অর্থ সাদা করার একটি সম্ভাব্য ক্ষেত্র। মাদক, চোরাচালান বা অন্যান্য অবৈধ কর্মকাণ্ড থেকে অর্জিত অর্থ চলচ্চিত্রে বিনিয়োগ করে বৈধ আয়ের রূপ দেওয়া যেত বলে তদন্তকারী ব্যক্তিরা বহুবার অভিযোগ করেছেন। দ্বিতীয়ত, বলিউড ছিল সামাজিক প্রভাব অর্জনের একটি মাধ্যম। তারকাদের সঙ্গে ছবি তোলা, পার্টিতে উপস্থিত থাকা কিংবা চলচ্চিত্রে অর্থ লগ্নি করা আন্ডারওয়ার্ল্ড ব্যক্তিদের সামাজিক মর্যাদা বাড়াত। তৃতীয়ত, বিদেশি বাজারে চলচ্চিত্রের বিতরণ অধিকারও ছিল লাভজনক ব্যবসা। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য, যুক্তরাজ্য এবং অন্যান্য প্রবাসী ভারতীয়–অধ্যুষিত অঞ্চলে হিন্দি ছবির বাজার দ্রুত বাড়ছিল। ফলে চলচ্চিত্রের বিদেশি স্বত্ব নিয়ে আন্ডারওয়ার্ল্ডের আগ্রহও বৃদ্ধি পায়।</p><h2>নব্বইয়ের দশক: ভয়, চাঁদাবাজি ও রক্তাক্ত বাস্তবতা</h2><p>নব্বইয়ের দশককে বলিউড-আন্ডারওয়ার্ল্ড সম্পর্কের সবচেয়ে অন্ধকার সময় বলা হয়। এই সময়ে বহু প্রযোজক, পরিচালক, পরিবেশক এবং অভিনেতা নিয়মিত হুমকির ফোন পেতেন। চাঁদা দাবি করা হতো, না দিলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হতো।</p><p>চলচ্চিত্র নির্মাতা রামগোপাল ভার্মা সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, সেই সময় আন্ডারওয়ার্ল্ডের লক্ষ্য ছিল একজনকে আক্রমণ করে দশজনের মধ্যে ভয় ছড়িয়ে দেওয়া। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, অনেক হামলার পেছনে ছিল আতঙ্ক সৃষ্টি করে অর্থ আদায়ের কৌশল।</p><p>১৯৯৭ সালে সংগীতজগতের প্রভাবশালী উদ্যোক্তা গুলশান কুমারের হত্যাকাণ্ড পুরো ভারকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। তদন্তে আন্ডারওয়ার্ল্ডের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠে আসে। এ ঘটনা দেখিয়ে দেয় যে চলচ্চিত্র ও সংগীতশিল্পের ওপর অপরাধ চক্র কতটা প্রভাব বিস্তার করেছিল।</p><p>এর কিছুদিন পরই প্রযোজক-পরিচালক রাকেশ রোশনের ওপর হামলা হয়। তাঁর ব্লকবাস্টার ছবি ‘কাহো না...প্যায়ার হ্যায়’ মুক্তির পর এই হামলা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পুলিশি তদন্তে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নাম উঠে আসে।</p><h2>তারকারা কি আন্ডারওয়ার্ল্ডের ঘনিষ্ঠ ছিলেন?</h2><p>এই প্রশ্নের উত্তর সহজ নয়। নব্বইয়ের দশকে বিভিন্ন সময়ে কিছু বলিউড তারকার সঙ্গে আন্ডারওয়ার্ল্ড ব্যক্তিদের ছবি প্রকাশিত হয়েছিল। দুবাইয়ের পার্টি, বিদেশি অনুষ্ঠান কিংবা ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে অনেক তারকার উপস্থিতি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। তবে কোনো ছবি বা সামাজিক যোগাযোগকে অপরাধে জড়িত থাকার প্রমাণ হিসেবে ধরা যায় না।</p><p>অনেক ক্ষেত্রে তারকারা নিজেরাই দাবি করেছেন, তাঁরা বুঝতে পারেননি, কারা ওই আয়োজনের পেছনে ছিলেন। আবার কেউ কেউ বলেছেন, ভয় ও চাপের পরিবেশে অনেক আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করাও কঠিন ছিল।</p><p>সাংবাদিক ও গবেষকদের মতে, বলিউডের প্রায় সবাই আন্ডারওয়ার্ল্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, এমন ধারণা অতিরঞ্জিত; বরং বাস্তবতা ছিল আরও জটিল। কেউ কেউ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, কেউ হুমকির মুখে পড়েছেন, কেউ ব্যবসায়িক কারণে অপরাধ চক্রের সংস্পর্শে এসেছেন, আবার অনেকে সম্পূর্ণ দূরে থেকেছেন।</p><h2>কাস্টিং ও সিনেমার ওপর প্রভাব</h2><p>দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ রয়েছে, কিছু আন্ডারওয়ার্ল্ড গোষ্ঠী নির্দিষ্ট অভিনেতা বা অভিনেত্রীকে ছবিতে নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করত। কোনো কোনো প্রযোজক দাবি করেছেন, ফোন করে নির্দিষ্ট শিল্পীকে সুযোগ দেওয়ার কথা বলা হতো। যদিও এসব অভিযোগের অনেকগুলোর পূর্ণাঙ্গ বিচারিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তবু মুম্বাই পুলিশের একাধিক তদন্তে চলচ্চিত্রশিল্পে অপরাধ চক্রের প্রভাবের বিষয়টি উঠে এসেছে।</p><p>চলচ্চিত্র মুক্তি, বিদেশি স্বত্ব বিক্রি, সংগীত অধিকার—এসব ক্ষেত্রেও অপরাধ চক্রের আগ্রহ ছিল বলে বিভিন্ন তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।</p><h2>যখন প্রিমিয়ারও ছিল আতঙ্কের</h2><p>বর্তমান প্রজন্মের কাছে বিষয়টি অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে, কিন্তু একসময় বলিউডে সিনেমার প্রিমিয়ার অনুষ্ঠান পর্যন্ত বাতিল হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল আন্ডারওয়ার্ল্ডের হুমকিতে। সম্প্রতি পরিচালক-নৃত্যপরিচালক ফারাহ খান জানিয়েছেন, করণ জোহরের প্রথম ছবি ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ মুক্তির সময়ও হুমকির কারণে প্রিমিয়ার অনুষ্ঠান নিয়ে উদ্বেগ ছিল। এটি প্রমাণ করে যে সমস্যা শুধু অর্থায়নেই সীমাবদ্ধ ছিল না; পুরো চলচ্চিত্রসংস্কৃতিই একসময় ভয় ও অনিশ্চয়তার মধ্যে কাজ করত।</p><h2>শিল্প হিসেবে স্বীকৃতি: বড় মোড়</h2><p>২০০০ সালের পর পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। ভারত সরকার চলচ্চিত্রশিল্পকে আনুষ্ঠানিক শিল্প খাত হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। এর ফলে ব্যাংকঋণ, করপোরেট বিনিয়োগ, বীমা এবং অন্যান্য বৈধ অর্থায়নের পথ খুলে যায়। এর পাশাপাশি মুম্বাই পুলিশের বিশেষ অভিযান, সংগঠিত অপরাধবিরোধী আইন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ফলে আন্ডারওয়ার্ল্ডের প্রভাব কমতে থাকে।</p><p>করপোরেট স্টুডিও, বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান এবং শেয়ারবাজারভিত্তিক বিনিয়োগের যুগ শুরু হলে চলচ্চিত্র ব্যবসা ধীরে ধীরে আরও স্বচ্ছ কাঠামোর দিকে অগ্রসর হয়।</p><h2>তবু কি সব শেষ?</h2><p>আন্ডারওয়ার্ল্ডের আগের সেই প্রকাশ্য দাপট এখন আর নেই। কিন্তু মাঝেমধ্যে পুরোনো স্মৃতি ফিরে আসে। বিভিন্ন সময় চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্বদের কাছে চাঁদাবাজির হুমকি, নিরাপত্তা জোরদার করা কিংবা গ্যাংস্টারদের নাম ঘিরে বিতর্ক সামনে এসেছে। তবে অধিকাংশ বিশ্লেষকের মতে, নব্বইয়ের দশকের মতো পরিস্থিতি এখন আর নেই। চলচ্চিত্রশিল্পের অর্থনৈতিক কাঠামো বদলে গেছে, নজরদারি বেড়েছে এবং করপোরেট জবাবদিহিও অনেক বেশি শক্তিশালী হয়েছে।</p><h2>মিথ, বাস্তবতা ও ইতিহাস</h2><p>বলিউড-আন্ডারওয়ার্ল্ড সম্পর্ক নিয়ে অসংখ্য কিংবদন্তি প্রচলিত আছে। এর কিছু সত্য, কিছু অতিরঞ্জিত, কিছু এখনো রহস্যে ঢাকা। নিশ্চিতভাবে বলা যায়, একসময় মুম্বাইয়ের অপরাধজগত চলচ্চিত্রশিল্পে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেছিল। অর্থায়ন, চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং ব্যক্তিগত যোগাযোগ—সব মিলিয়ে বলিউডের ইতিহাসের এক জটিল অধ্যায় তৈরি হয়েছিল। একই সঙ্গে এটাও সত্য যে এই শিল্পের হাজারো নির্মাতা, শিল্পী ও কর্মী সেই অন্ধকার সময়ের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন এবং বৈধ কাঠামোর ভেতরে শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন।</p><h2>পর্দায় বলিউড ও আন্ডারওয়ার্ল্ড–যোগ</h2><p>১৯৭০ থেকে ১৯৯০-এর দশক পর্যন্ত মুম্বাই আন্ডারওয়ার্ল্ডের উত্থান এবং বলিউডের সঙ্গে তাদের নানা ধরনের যোগাযোগ ভারতীয় সমাজে বহু বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। চলচ্চিত্রে অর্থ লগ্নি, তারকাদের হুমকি, চাঁদাবাজি, অপরাধ চক্রের ক্ষমতার বিস্তার—এসব বাস্তব ঘটনাই পরে জায়গা করে নেয় সিনেমার পর্দায়। নির্মাতারা কখনো বাস্তব চরিত্রের ছায়ায়, কখনো সত্য ঘটনা অবলম্বনে তৈরি করেছেন অসংখ্য আলোচিত চলচ্চিত্র। এর মধ্যে কয়েকটি সিনেমা শুধু বক্স অফিসে সফল হয়নি, ভারতীয় অপরাধ ইতিহাসেরও গুরুত্বপূর্ণ দলিল হয়ে উঠেছে।</p><h3>‘ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন মুম্বাই’: ডনের উত্থানের কাহিনি</h3><p>২০১০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন মুম্বাই’ অনেকের মতে মুম্বাই আন্ডারওয়ার্ল্ড নিয়ে নির্মিত সবচেয়ে জনপ্রিয় সিনেমাগুলোর একটি। ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্র সুলতান মির্জা। তিনি অপরাধজগতের একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি হলেও সাধারণ মানুষের কাছে একধরনের রবিনহুড–সুলভ ভাবমূর্তি তৈরি করেন। এই চরিত্রে অভিনয় করেন অজয় দেবগন। চলচ্চিত্র বিশ্লেষকদের মতে, সুলতান মির্জা চরিত্রটির পেছনে বাস্তব ডন হাজি মাস্তানের ছায়া রয়েছে। অন্যদিকে ইমরান হাশমি অভিনীত শোয়েব খান চরিত্রটি অনেকটাই দাউদ ইব্রাহিমের জীবন থেকে অনুপ্রাণিত। ছবিটি শুধু অপরাধ চক্রের গল্প নয়; এতে দেখানো হয়েছে, কীভাবে মুম্বাইয়ের অপরাধজগত ধীরে ধীরে চলচ্চিত্রশিল্পের ওপর প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করে। ক্ষমতা, অর্থ আর উচ্চাকাঙ্ক্ষার সংঘর্ষে তৈরি এই সিনেমা দর্শকদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।</p><h3>‘কোম্পানি’: অপরাধ সাম্রাজ্যের ভেতরের লড়াই</h3><p>রাম গোপাল ভার্মার ‘কোম্পানি’ ভারতীয় গ্যাংস্টার চলচ্চিত্রের সংজ্ঞাই বদলে দিয়েছিল। ২০০২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই ছবিতে দেখানো হয়, এক অপরাধ সাম্রাজ্যের জন্ম, বিস্তার এবং শেষ পর্যন্ত ভাঙনের গল্প। অজয় দেবগন ও বিবেক ওবেরয়ের অভিনয় ছবিটিকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়। সিনেমাটি দেখার সময় অনেক দর্শকই দাউদ ইব্রাহিম ও ছোট রাজনের বাস্তব সম্পর্কের প্রতিফলন খুঁজে পান। যদিও নির্মাতারা সরাসরি কোনো নাম ব্যবহার করেননি, তবু আন্ডারওয়ার্ল্ডের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, বিশ্বাসঘাতকতা এবং আন্তর্জাতিক বিস্তারের বিষয়গুলো অত্যন্ত বাস্তবধর্মীভাবে তুলে ধরা হয়েছে।</p><h3>‘শুটআউট অ্যাট লোখান্ডওয়ালা’: রক্তাক্ত এক সকালের গল্প</h3><p>১৯৯১ সালে মুম্বাইয়ের লোখান্ডওয়ালায় সংঘটিত এক বাস্তব পুলিশি অভিযানের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত হয় এই সিনেমা। ছবির গল্পে দেখা যায়, মুম্বাই পুলিশের একটি বিশেষ দল একদল কুখ্যাত গ্যাংস্টারকে ঘিরে ফেলে। এরপর শুরু হয় দীর্ঘ বন্দুকযুদ্ধ। বিবেক ওবেরয় অভিনীত মায়া ডোলাস চরিত্রটি বাস্তব আন্ডারওয়ার্ল্ড সদস্যের জীবন থেকে নেওয়া। অন্যদিকে সঞ্জয় দত্ত অভিনয় করেন একজন কঠোর পুলিশ কর্মকর্তার ভূমিকায়। এই সিনেমার বিশেষত্ব হলো, এটি অপরাধী ও পুলিশের দুই দৃষ্টিভঙ্গিই তুলে ধরে। ফলে দর্শক শুধু সংঘর্ষ নয়, তার পেছনের বাস্তবতাও দেখতে পান।</p><h3>‘ব্ল্যাক ফ্রাইডে’: অপরাধ, সন্ত্রাস ও আন্ডারওয়ার্ল্ডের সংযোগ</h3><p>অনুরাগ কশ্যপ পরিচালিত ‘ব্ল্যাক ফ্রাইডে’কে অনেকেই ভারতীয় সিনেমার অন্যতম সাহসী রাজনৈতিক-অপরাধভিত্তিক চলচ্চিত্র বলে মনে করেন। ১৯৯৩ সালের মুম্বাই সিরিজ বোমা হামলার তদন্ত নিয়ে নির্মিত এই ছবি সাংবাদিক এস হুসেন জায়দির বই থেকে অনুপ্রাণিত। এখানে দেখানো হয়েছে, কীভাবে আন্ডারওয়ার্ল্ড, আন্তর্জাতিক অপরাধ চক্র এবং সন্ত্রাসী সংগঠন একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ভয়াবহ অপরাধ সংঘটিত করেছিল। চলচ্চিত্রটি মুক্তির আগে নানা আইনি জটিলতায় আটকে যায়। তবে মুক্তির পর সমালোচকদের ব্যাপক প্রশংসা পায়। অনেকেই একে ভারতীয় অপরাধভিত্তিক সিনেমার মাস্টারক্লাস বলে আখ্যা দেন।</p><h3>‘ডি-ডে’: পলাতক ডনকে ধরার অভিযান</h3><p>২০১৩ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ডি-ডে’ সরাসরি আন্ডারওয়ার্ল্ডের আন্তর্জাতিক রূপকে সামনে নিয়ে আসে। ছবির গল্পে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার একটি গোপন দল বিদেশে অবস্থানরত এক কুখ্যাত ডনকে দেশে ফিরিয়ে আনার মিশনে নামে। ঋষি কাপুর অভিনীত গোল্ডম্যান চরিত্রটিকে ঘিরে তখন ব্যাপক আলোচনা হয়। কারণ, চরিত্রটির মধ্যে অনেকেই দাউদ ইব্রাহিমের ছায়া দেখতে পান। সিনেমাটি দেখায়, অপরাধজগত কেবল একটি শহরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; সময়ের সঙ্গে তা আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কে পরিণত হয়। একই সঙ্গে রাষ্ট্র, গোয়েন্দা সংস্থা ও অপরাধ চক্রের জটিল সম্পর্কও উঠে আসে ছবিতে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:18:21 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[পাবনায় কিশোরী হত্যায় ক্ষুব্ধ জনতার আগুনে দগ্ধ তিনজনের মৃত্যু]]></title>
				<category>জনস্বাস্থ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/swasthyo/jonswasthyo/article-127944.html</link>
				<description><![CDATA[<p>পাবনা জেলা সদরের একটি গ্রামে এক কিশোরীকে (১৫) হত্যার ঘটনায় আসামির বাড়িতে আগুন দিতে গিয়ে দগ্ধ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। গত বুধবার বিকেলে দগ্ধ হওয়ার পর সোমবার একজন ও আজ মঙ্গলবার দুজনের মৃত্যু হয়েছে।</p><h2>নিহত ব্যক্তিরা</h2><p>মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের পূর্ব রাঘবপুর গ্রামের সুমন শেখ (৩১), পার্শ্ববর্তী নতুন পাড়া গ্রামের সাইফুল ইসলাম (১৯) ও একই এলাকার সাপু ইসলাম (২০)। সুমন পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। গতকাল সোমবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। সাইফুল ও সাপু ইসলাম ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি ছিলেন। আজ তাঁদের মৃত্যু হয়েছে।</p><h2>ঘটনার বিবরণ</h2><p>গত বুধবার সকালে কয়েকজন কৃষক পদ্মার চরে কাজ করতে যাওয়ার সময় একটি বস্তা দেখতে পান। সন্দেহবশত তাঁরা বস্তাটি ধরতে গিয়ে ভেতরে মানুষের মতো কিছু অনুভব করেন। পরে থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ গিয়ে ওই কিশোরীর লাশ উদ্ধার করে। বৃহস্পতিবার সকালে ওই কিশোরীর ভাই পাবনা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। ওই দিনই গ্রেপ্তার করা হয় পাবনা সদর উপজেলার মো. নাঈম (১৮), ইয়াসিন শেখ (১৮) ও অপ্রাপ্তবয়স্ক এক কিশোরকে।</p><h3>হত্যার কারণ</h3><p>গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের বরাতে পুলিশ জানায়, প্রেমের সম্পর্কের জেরে বিরোধের একপর্যায়ে ওই কিশোরীকে হত্যা করা হয়। পরে বন্ধুদের সহায়তায় কিশোরীর লাশ বস্তাবন্দী করে পদ্মা নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।</p><h2>ক্ষুব্ধ জনতার আগুন</h2><p>স্থানীয় লোকজন ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত বুধবার বিকেলে পাবনার ভাড়ারায় পদ্মা নদীতে ওই কিশোরীর লাশ উদ্ধারের পরদিন লাশ দাফন করা হয়। দাফন শেষে ক্ষুব্ধ জনতা আসামি নাঈমের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে বাড়িতে থাকা সিলিন্ডার বিস্ফোরণে তিনজন দগ্ধ হন। তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে অগ্নিকাণ্ডের সময় বাড়িতে কেউ ছিলেন না। দগ্ধ ব্যক্তিরা সবাই প্রতিবেশী ও আশপাশের এলাকার মানুষ।</p><h2>পুলিশের বক্তব্য</h2><p>ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পাবনা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা তিনজনের মৃত্যুর বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছি। সুমন শেখের লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:35:54 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রকল্পের দীর্ঘ বিলম্ব তদন্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর]]></title>
				<category>নীতিমালা</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/nitimala/article-127943.html</link>
				<description><![CDATA[<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মঙ্গলবার খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের দীর্ঘ বিলম্বের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। এই প্রকল্পটি একাধিক মেয়াদ বাড়ানোর পরও এক দশকের বেশি সময় ধরে অসমাপ্ত রয়েছে।</p><p>মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। সভার এক কর্মকর্তা জানান, ২০১৩ সালের জুলাইয়ে একনেক অনুমোদিত এই প্রকল্পটি মূলত ২০১৫ সালে শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে বাস্তবায়ন শুরু হয় ২০২২ সালের জানুয়ারিতে, যা উল্লেখযোগ্য বিলম্বের কারণ হয়।</p><p>কর্মকর্তা আরও জানান, প্রকল্পটির ভৌত অগ্রগতি এখন প্রায় ৭০ শতাংশ। তবে ঠিকাদার বিল উত্তোলনের পর নিখোঁজ হয়ে যায় এবং দীর্ঘদিন ধরে সড়ক উন্নয়নের কাজ অসমাপ্ত থাকে। শেষ পর্যন্ত গত বছরের ৭ আগস্ট চুক্তি বাতিল করা হয়।</p><h2>প্রধানমন্ত্রীর অসন্তোষ</h2><p>একনেক সভায় বারবার বিলম্ব এবং প্রত্যাশিত অগ্রগতি অর্জনে ব্যর্থতার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী এই বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।</p><p>প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সেক্রেটারি সালেহ শিবলি বলেন, "১২ বছর পরেও বারবার মেয়াদ বাড়ানোর পরও খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রকল্পে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হয়নি। তাই প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন যে, ১২ বছর ধরে বিলম্বের কারণগুলি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করা হোক এবং দায়ীদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।"</p><h2>প্রকল্পের ইতিহাস</h2><p>প্রাথমিকভাবে, প্রকল্পটি খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) অধীনে আতাউর রহমান লিমিটেড এবং মাহবুব ব্রাদার্স প্রাইভেট লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগকে দেওয়া হয়। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ৯৮ কোটি ৯০ লাখ টাকা এবং ২০১৫ সালের জুনের মধ্যে দুই বছরে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়।</p><p>তবে সময়মতো কাজ শুরু হয়নি। একাধিক মেয়াদ বাড়ানো হয়—প্রথমে এক বছর, তারপর দুই বছর, তারপর আরও বেশ কয়েকবার সংশোধন—যার ফলে সময়সীমা প্রায় এক দশক বেড়ে যায়। এই বাড়ানোর পরও প্রকল্পটি অসম্পূর্ণ থেকে যায়, শুধুমাত্র আংশিক ভৌত অগ্রগতি অর্জিত হয়।</p><p>প্রকল্পের ব্যয়ও সময়ের সাথে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এটি প্রায় ২৫৯ কোটি টাকায় পৌঁছেছিল, পরে সামান্য সংশোধন করে ২৫৪ কোটি টাকা করা হয়।</p><h2>জবাবদিহিতার গুরুত্ব</h2><p>কর্মকর্তারা জানান, প্রধানমন্ত্রী ভবিষ্যতে একই ধরনের বিলম্ব এড়াতে সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন।</p><p>একনেক সভায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পানি সম্পদ মন্ত্রী মো. শাহিদুদ্দিন চৌধুরী অণি, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, কৃষিমন্ত্রী আমিনুর রশীদ ইয়াসিন, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, শিক্ষামন্ত্রী এ এন এম এহসানুল হক মিলন এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। এছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।</p><p>আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের আগে এই একনেক সভা অনুষ্ঠিত হয়।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:18:23 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[৪৫ হাজারের বেশি বাংলাদেশি হজযাত্রী দেশে ফিরেছেন]]></title>
				<category>আন্তর্জাতিক অর্থনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/antorjatik-orthoniti/article-127942.html</link>
				<description><![CDATA[<p>সোমবার পর্যন্ত মোট ৪৫,১৫৮ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন। গত ২৬ মে অনুষ্ঠিত এ বছরের হজ শেষে তাদের প্রত্যাবর্তন শুরু হয়।</p><h2>ফেরত ফ্লাইটের সংখ্যা ও ব্যবস্থাপনা</h2><p>একজন কর্মকর্তা জানান, তিনটি নির্ধারিত বিমান সংস্থা মোট ১০৫টি ফেরত ফ্লাইট পরিচালনা করেছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৪৩টি, সৌদিয়া এয়ারলাইন্স ৪৩টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ১৯টি ফ্লাইট পরিচালনা করে।</p><p>হজ অফিস জানিয়েছে, সরকারি ব্যবস্থাপনায় এ পর্যন্ত ৩,৫১১ জন হজযাত্রী ফিরেছেন, আর বেসরকারি ট্রাভেল এজেন্সির ব্যবস্থাপনায় ৪১,৬৪৭ জন হজযাত্রী ১০৫টি ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন।</p><h2>মৃত্যু ও চিকিৎসা</h2><p>হজ চলাকালে সৌদি আরবে ৪৯ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী মারা গেছেন। এর মধ্যে ৩৩ জন পুরুষ ও ১৬ জন নারী। মক্কায় ৩৫ জন, মদিনায় ১৩ জন এবং জেদ্দায় একজন মারা গেছেন। মিনা বা মুজদালিফায় কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।</p><p>হজ বুলেটিন অনুযায়ী, মোট ৪০১ জন হজযাত্রী সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন, যার মধ্যে ১১ জন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সৌদি আরবের মেডিকেল সেন্টারগুলো ৫৯,৬৭১ জন হজযাত্রীকে চিকিৎসা সেবা দিয়েছে, আর আইটি হেল্প ডেস্ক মক্কা ও মদিনায় ২৬,৯৯৮ জন হজযাত্রীকে সেবা প্রদান করেছে।</p><h2>হজ কার্যক্রমের সময়সূচি</h2><p>এ বছরের হজ কার্যক্রম শুরু হয় ১৮ এপ্রিল প্রথম আউটবাউন্ড ফ্লাইটের মাধ্যমে এবং শেষ হয় ২১ মে। ফেরত হজ ফ্লাইট শুরু হয় ৩০ মে থেকে এবং চলবে ১ জুলাই পর্যন্ত।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:02:05 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বিশ্বকাপ ফুটবল সম্প্রচার স্বত্ব কিনল বিটিভি, খরচ ৬৩ কোটি টাকা]]></title>
				<category>ফুটবল</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/football/article-127941.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ফিফার কাছ থেকে ভ্যাট-ট্যাক্সসহ প্রায় ৬৩ কোটি টাকায় বিশ্বকাপ ফুটবলের সম্প্রচার স্বত্ব কিনেছে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি)। এই স্বত্বের আওতায় বিশ্বকাপের সব ম্যাচ সরাসরি সম্প্রচার করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।</p><h2>ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত তথ্য</h2><p>মঙ্গলবার (৯ জুন) সচিবালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান। প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে বিটিভিতে বিশ্বকাপ ফুটবল সম্প্রচারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিটিভির পাশাপাশি আরও দুটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম এবং মোবাইল অপারেটরদের মাধ্যমেও খেলা দেখা যাবে।</p><h3>অতিরিক্ত ব্যয় এড়ানো সম্ভব</h3><p>তিনি আরও দাবি করেন, ২০২২ সালে বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব বাবদ প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছিল, যা ছিল ‘অতিরিক্ত ব্যয়’। এবার সরাসরি ফিফার সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে তুলনামূলক কম খরচে স্বত্ব নেওয়া সম্ভব হয়েছে বলে তিনি জানান। তথ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, শুরুতে প্রায় ২০০ কোটি টাকার প্রস্তাব ছিল। তবে সরকার সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে ফিফার সঙ্গে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে ৪৭ কোটি টাকায় স্বত্ব নিশ্চিত করে, ভ্যাটসহ যা দাঁড়ায় প্রায় ৬৩ কোটি টাকা।</p><p>এই স্বত্ব চুক্তির ফলে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীরা সাশ্রয়ী মূল্যে বিশ্বকাপের সব ম্যাচ উপভোগ করতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে। বিটিভি ও অন্যান্য মাধ্যমের মাধ্যমে সম্প্রচারিত ম্যাচগুলো দর্শকদের কাছে পৌঁছাবে দ্রুত ও নির্বিঘ্নে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:25:17 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ইরানের টিকিট বাতিল, শেখ হাসিনার সাক্ষাৎকার, গরু চুরি ও গাঁজা উদ্ধার]]></title>
				<category>আন্তর্জাতিক অর্থনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/antorjatik-orthoniti/article-127940.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাতিল হয়ে গেল ইরানের জন্য বরাদ্দ থাকা টিকিটও। ভারতের পত্রিকায় সিরিজ সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘জনগণের শক্তি নিয়েই আমি ফিরব’। এক রাতে তিন কৃষকের সাত গরু চুরি হয়েছে, আতঙ্কে খামারিরা। অভিযানের আগেই পালালেন অভিযুক্ত, ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার। প্রশাসনের আশ্বাসে কর্মবিরতি স্থগিত করল বেরোবি কর্মকর্তারা। কুষ্টিয়ায় দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত, আহত ৩। নেইমারকে নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাল ব্রাজিল। এমপির ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণার পরও বন্ধ হয়নি মাটি কাটা, সিংগাইরে মানববন্ধন। মামদানির মতে ২০২৬ বিশ্বকাপ জিতবে যে দেশ। বিশ্বকাপে গোল করায় শীর্ষে আছে যে দেশ।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:30:41 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ঋতুপর্ণা চাকমার বাড়ি নির্মাণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আর্থিক সহায়তা]]></title>
				<category>ফুটবল</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/football/article-127939.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলের তারকা খেলোয়াড় ঋতুপর্ণা চাকমার বাড়ি নির্মাণে আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকালে জাতীয় সংসদ ভবনে বাজেট অধিবেশনের বিরতিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ঋতুপর্ণার হাতে অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হয়।</p><h2>উপস্থিত ছিলেন যারা</h2><p>এ সময় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দীন, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়াল উপস্থিত ছিলেন।</p><h2>পূর্বের সহায়তা</h2><p>এর আগে ২০২৫ সালে ক্যান্সারে আক্রান্ত ঋতুপর্ণা চাকমার মায়ের চিকিৎসার জন্যও সহায়তা করেছিল বিএনপি। সে সময় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও তৎকালীন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন রাঙামাটির দুর্গম এলাকায় অবস্থিত ঋতুপর্ণার বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।</p><h2>ঋতুপর্ণার সাফল্য</h2><p>বাংলাদেশ নারী ফুটবলের অন্যতম সফল খেলোয়াড় ঋতুপর্ণা চাকমা। ২০২২ ও ২০২৪ সালের সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ে তিনি দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন। এছাড়া ২০২৫ সালে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশকে এএফসি নারী এশিয়ান কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নেওয়ার অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন তিনি।</p><h2>প্রেরণার প্রতীক</h2><p>পাহাড়ি অঞ্চলের একটি সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে ঋতুপর্ণা চাকমা দেশের নারী ফুটবলের অনুপ্রেরণার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন। তার এই অর্জন ও সংগ্রাম আগামী প্রজন্মের খেলোয়াড়দের জন্য পথ দেখাবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:20:22 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ঋতুপর্ণার ঘর নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক অনুদান]]></title>
				<category>ফুটবল</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/football/article-127938.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলের তারকা খেলোয়াড় ঋতুপর্ণা চাকমার জন্য গৃহ নির্মাণে প্রয়োজনীয় আর্থিক অনুদান প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে বাজেট অধিবেশনের এক ফাঁকে নিজ কার্যালয়ে ঋতুপর্ণা চাকমার হাতে এই অনুদানের চেক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।</p><h2>উপস্থিত ছিলেন যারা</h2><p>এ সময় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দীন, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়াল উপস্থিত ছিলেন।</p><h3>বিএনপির পূর্বের সহায়তা</h3><p>বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) অতীতেও ঋতুপর্ণা চাকমা ও তার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছিল। ২০২৫ সালে তার ক্যান্সার আক্রান্ত মায়ের চিকিৎসার জন্য সহায়তার প্রয়োজন হলে তৎকালীন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন রাঙামাটির দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত ঋতুপর্ণার বাড়িতে গিয়ে তার মায়ের খোঁজখবর নেন এবং প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।</p><h2>ঋতুপর্ণার ফুটবল সাফল্য</h2><p>বাংলাদেশ ফুটবলের অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র ঋতুপর্ণা চাকমা দেশের নারী ফুটবলের সাফল্যের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। ২০২২ ও ২০২৪ সালে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ে তিনি ছিলেন দলের অন্যতম ভরসা। এছাড়া ২০২৫ সালে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এএফসি নারী এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নেওয়ার অভিযানে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।</p><h3>অনুপ্রেরণার নাম</h3><p>পাহাড়ি এলাকার একটি সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে ঋতুপর্ণা চাকমা আজ দেশের অসংখ্য নারী ফুটবলারের অনুপ্রেরণার নাম। তার সংগ্রাম ও সাফল্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:07:53 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[জামায়াতের বিকল্প বাজেটে জনপ্রশাসন ও শিক্ষায় জোর]]></title>
				<category>জাতীয় সংসদ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/jatiyo-shongshod/article-127937.html</link>
				<description><![CDATA[<p>২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার একটি বিকল্প জাতীয় বাজেট পেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির তৈরি করা এই বাজেটে সর্বোচ্চ জনপ্রশাসন, অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের সুদ পরিশোধ এবং শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।</p><h2>বাজেট উপস্থাপন</h2><p>আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর মগবাজারের আল ফালাহ মিলনায়তনে 'জনমুখী বাজেট ২০২৬-২৭ প্রস্তাবনা' শীর্ষক অনুষ্ঠানে বিকল্প বাজেট পেশ করে জামায়াত। জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান (মিলন) বাজেট উপস্থাপন করেন।</p><h2>খাতভিত্তিক বরাদ্দ</h2><p>জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে উত্থাপিত এই বাজেটের বরাদ্দ পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, মোট বাজেটের ২৪ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে জনপ্রশাসন খাতে, টাকার অঙ্কে যা ২ লাখ ২ হাজার ২৪৫ কোটি টাকা। অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের সুদ পরিশোধের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, যা মোট প্রস্তাবিত বাজেটের ১৫ দশমিক ১৯ শতাংশ।</p><p>জাতীয় সংসদের বিরোধী দল প্রস্তাবিত এই বাজেট বিশ্লেষণে দেখা যায়, শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে ১ লাখ ২৫ হাজার ৫৭৫ কোটি টাকা (১৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ) বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। দেশের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে ৬৫ হাজার ৩৪০ কোটি টাকা (৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ) বরাদ্দের রূপরেখা দেওয়া হয়েছে।</p><h3>অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাত</h3><p>জামায়াতের এই বিকল্প বাজেটে দেশের মানুষের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষি খাতে ৫১ হাজার ৬৭০ কোটি টাকা (৬ দশমিক ১৫ শতাংশ) এবং গরিব ও দুস্থ মানুষের সহায়তায় সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণ খাতে ৪৮ হাজার ১৫০ কোটি টাকা (৫ দশমিক ৭৪ শতাংশ) বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।</p><p>এ ছাড়া স্বাস্থ্য খাতে ৪৫ হাজার ২৪০ কোটি টাকা (৫ দশমিক ৩৯ শতাংশ) এবং তৃণমূলের উন্নয়নে স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন খাতে ৪৫ হাজার ২২০ কোটি টাকা (৫ দশমিক ৩৯ শতাংশ) বরাদ্দ দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।</p><p>অন্যান্য খাতের মধ্যে প্রতিরক্ষা খাতে ৪৩ হাজার ৪৬২ কোটি টাকা (৫ দশমিক ১৮ শতাংশ), জনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা খাতে ৩৪ হাজার ৪৫৭ কোটি টাকা (৪ দশমিক ১০ শতাংশ) এবং জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ২৪ হাজার ৯৫০ কোটি টাকা (২ দশমিক ৯৭ শতাংশ) বরাদ্দ ধরা হয়েছে।</p><p>এ ছাড়া বিনোদন, সংস্কৃতি ও ধর্ম খাতে ৬ হাজার ৬৩০ কোটি টাকা (০.৭৯ শতাংশ), শিল্প ও অর্থনৈতিক সার্ভিস খাতে ৫ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা (০.৬২ শতাংশ) এবং গৃহায়ণ খাতে ৫ হাজার ৭৮ কোটি টাকা (০.৬০ শতাংশ) বরাদ্দ ধরা হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:10:42 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৬৮ জন হাসপাতালে ভর্তি]]></title>
				<category>জনস্বাস্থ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/swasthyo/jonswasthyo/article-127936.html</link>
				<description><![CDATA[<p>দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৬৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। মঙ্গলবার (৯ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</p><p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ছয়জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) তিনজন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে তিনজন, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) দুজন, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) তিনজন এবং সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) দুজন রয়েছেন।</p><p>এই সময়ে ৬৫ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩ হাজার ৬০৭ জন।</p><p>চলতি বছরের এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৮৪৪ জন। এর মধ্যে ৬৩ দশমিক ২ শতাংশ পুরুষ ও ৩৬ দশমিক ৮ শতাংশ নারী। এ বছর ডেঙ্গুতে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে।</p><p>২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:36:57 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ঋতুপর্ণাকে ঘর নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক অনুদান]]></title>
				<category>ক্রিকেট</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/cricket/article-127935.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলের তারকা খেলোয়াড় ঋতুপর্ণা চাকমার জন্য গৃহ নির্মাণে প্রয়োজনীয় আর্থিক অনুদান প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে বাজেট অধিবেশনের এক ফাঁকে নিজ কার্যালয়ে ঋতুপর্ণা চাকমার হাতে এই অনুদানের চেক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।</p><h2>উপস্থিত ছিলেন যারা</h2><p>এ সময় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দীন, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়াল উপস্থিত ছিলেন।</p><h2>বিএনপির পূর্ববর্তী সহায়তা</h2><p>বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) অতীতেও ঋতুপর্ণা চাকমা ও তার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছিল। ২০২৫ সালে তার ক্যান্সার আক্রান্ত মায়ের চিকিৎসার জন্য সহায়তার প্রয়োজন হলে তৎকালীন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন রাঙামাটির দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত ঋতুপর্ণার বাড়িতে গিয়ে তার মায়ের খোঁজখবর নেন এবং প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।</p><h2>ঋতুপর্ণার ফুটবল ক্যারিয়ার</h2><p>বাংলাদেশ ফুটবলের অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র ঋতুপর্ণা চাকমা দেশের নারী ফুটবলের সাফল্যের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। ২০২২ ও ২০২৪ সালে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ে তিনি ছিলেন দলের অন্যতম ভরসা। এছাড়া ২০২৫ সালে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এএফসি নারী এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নেওয়ার অভিযানে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।</p><h2>অনুপ্রেরণার নাম</h2><p>পাহাড়ি এলাকার একটি সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে ঋতুপর্ণা চাকমা আজ দেশের অসংখ্য নারী ফুটবলারের অনুপ্রেরণার নাম। তার এই অর্জন ও সংগ্রাম ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য পথ দেখিয়ে যাবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:28:35 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ভারতীয় পত্রিকায় শেখ হাসিনা: জনগণের শক্তি নিয়ে ফিরব]]></title>
				<category>আওয়ামী লীগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/awami-league/article-127934.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ভারতের একটি পত্রিকায় সিরিজ সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘জনগণের শক্তি নিয়েই আমি ফিরব’। তিনি আরও বলেন, জনগণের আস্থা ও সমর্থনই তার সবচেয়ে বড় শক্তি।</p><h2>এক রাতে তিন কৃষকের সাত গরু চুরি</h2><p>এক রাতে তিন কৃষকের সাতটি গরু চুরির ঘটনায় আতঙ্কে রয়েছেন খামারিরা। অভিযুক্তরা অভিযানের আগেই পালিয়ে গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।</p><h3>৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার</h3><p>পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি। পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।</p><h3>প্রশাসনের আশ্বাসে কর্মবিরতি স্থগিত করল বেরোবি কর্মকর্তারা</h3><p>প্রশাসনের আশ্বাসে কর্মবিরতি স্থগিত করেছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) কর্মকর্তারা। তারা বিভিন্ন দাবিতে কর্মবিরতি পালন করছিলেন।</p><h3>কুষ্টিয়ায় দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত, আহত ৩</h3><p>কুষ্টিয়ায় দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক চালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।</p><h3>নেইমারকে নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাল ব্রাজিল</h3><p>ব্রাজিল ফুটবল দলের কোচ নেইমারকে নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, নেইমার দলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং তাকে বিশ্বকাপে দেখা যাবে।</p><h3>এমপির ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণার পরও বন্ধ হয়নি মাটি কাটা, সিংগাইরে মানববন্ধন</h3><p>এমপির ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণার পরও সিংগাইরে মাটি কাটা বন্ধ হয়নি। এ ঘটনায় এলাকাবাসী মানববন্ধন করেছে।</p><h3>মামদানির মতে ২০২৬ বিশ্বকাপ জিতবে যে দেশ</h3><p>ফুটবল বিশেষজ্ঞ মামদানি বলেছেন, ২০২৬ বিশ্বকাপ জিতবে ব্রাজিল। তার মতে, ব্রাজিলের বর্তমান দলটি অত্যন্ত শক্তিশালী।</p><h3>বিশ্বকাপে গোল করায় শীর্ষে আছে যে দেশ</h3><p>বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোল করায় শীর্ষে আছে ব্রাজিল। তারা এখন পর্যন্ত ২৩৭টি গোল করেছে।</p><h3>সংসদে অর্থমন্ত্রী: নতুন উদ্যোক্তারা বিনা জামানতে ঋণ পাচ্ছেন ১০ লাখ টাকা</h3><p>সংসদে অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, নতুন উদ্যোক্তারা বিনা জামানতে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাচ্ছেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে তরুণ উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করা হচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:06:21 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[পাকিস্তান-লেবানন সেনাপ্রধান বৈঠকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা]]></title>
				<category>এশিয়া</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/asia/article-127933.html</link>
				<description><![CDATA[<p>পাকিস্তান ও লেবাননের সেনাপ্রধানদের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং দ্বিপাক্ষিক সামরিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। মঙ্গলবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।</p><h2>বৈঠকের বিবরণ</h2><p>পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা (আইএসপিআর) জানায়, লেবাননের সেনাপ্রধান রোডলফ হাইকাল রাওয়ালপিন্ডির জেনারেল হেডকোয়ার্টার্স (জিএইচকিউ) সফরকালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এই বৈঠকে উভয় পক্ষই পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, পরিবর্তনশীল আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিবেশ এবং প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে গভীর আলোচনা করে।</p><h3>গার্ড অব অনার ও অঙ্গীকার</h3><p>সফরের শুরুতেই লেবাননের সেনাপ্রধানকে জিএইচকিউতে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। পরবর্তী বৈঠকে জেনারেল আসিম মুনির লেবাননের সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা সম্প্রসারণে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর দৃঢ় অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। উভয় পক্ষ সামরিক প্রশিক্ষণ, তথ্য বিনিময় এবং যৌথ মহড়ার মাধ্যমে সহযোগিতা বাড়ানোর ব্যাপারে একমত হন।</p><h2>আঞ্চলিক প্রেক্ষাপট</h2><p>মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে এই বৈঠককে বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। পাকিস্তান সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিনের সংঘাত নিরসনে মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও সামরিক যোগাযোগ জোরদার করছে ইসলামাবাদ।</p><p>লেবাননের সেনাপ্রধানের এই সফর পাকিস্তান ও লেবাননের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে বলে আশা করা হচ্ছে। উভয় দেশই আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে একসঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:25:58 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বাড়ি নির্মাণে নারী ফুটবলার ঋতুপর্ণাকে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা]]></title>
				<category>ক্রিকেট</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/cricket/article-127932.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাড়ি নির্মাণের জন্য নারী দলের ফুটবলার ঋতুপর্ণা চাকমাকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে বাজেট অধিবেশনের ফাঁকে নিজ কার্যালয়ে ঋতুপর্ণা চাকমার হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।</p><h2>উপস্থিত ব্যক্তিরা</h2><p>এ সময় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দীন, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়াল উপস্থিত ছিলেন।</p><h3>পূর্ববর্তী সহায়তা</h3><p>বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আগেও ঋতুপর্ণা চাকমা ও তার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছিল। ২০২৫ সালে তার ক্যানসার আক্রান্ত মায়ের চিকিৎসার জন্য সহায়তার প্রয়োজন হলে তৎকালীন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন রাঙামাটির দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত ঋতুপর্ণার বাড়িতে গিয়ে তার মায়ের খোঁজখবর নেন এবং প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:05:55 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ঠাকুরগাঁও সীমান্তে রেড অ্যালার্ট: বিএসএফ ক্যাম্পে বাংলাভাষীদের জমায়েত]]></title>
				<category>সীমান্ত</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/shimanto/article-127931.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী ও হরিপুর উপজেলার সীমান্তের ওপারে ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) বিভিন্ন ক্যাম্পে শত শত বাংলাভাষী নারী, শিশু ও পুরুষকে জড়ো করার খবর পাওয়া গেছে। ভারতীয় পুলিশের হাতে আটক এসব মানুষকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁও সীমান্তজুড়ে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।</p><h2>বিএসএফ ক্যাম্পে আটকদের অবস্থা</h2><p>জানা গেছে, ভারতের অভ্যন্তরে কয়েকটি বিএসএফ ক্যাম্পে ১২ থেকে ২০ জন এবং কিছু ক্যাম্পে ৩০ থেকে ৪০ জনেরও বেশি মানুষকে দলে দলে আটক রাখা হয়েছে। বালিয়াডাঙ্গী সীমান্তের ওপারে ভারতের ভেলাগাছি, সোনামতি, নাটুয়াটলি, বড়বিল্লা ও সাতভিঠা বিএসএফ ক্যাম্পে চরম মানবেতর পরিস্থিতিতে শত শত বাংলাভাষী দিন কাটাচ্ছেন। এসব ঘটনায় বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিজিবির ৫০ ব্যাটালিয়নের অধীন কান্তিভিটা ক্যাম্প এলাকায় টহল ও নজরদারি বহুগুণ বাড়ানো হয়েছে।</p><h2>শূন্যরেখায় ঠেলে দেওয়ার ঘটনা</h2><p>গত বৃহস্পতিবার ভারতের উত্তর দিনাজপুরের হেমতাবাদ ও রায়গঞ্জ এলাকার বিপরীতে ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার মশালগাঁও সীমান্তে অন্তঃসত্ত্বা নারী, শিশু, কিশোর ও বৃদ্ধসহ মোট ১১ জনকে বিএসএফ শূন্যরেখায় ঠেলে দেয়। বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে তারা টানা ৪৮ ঘণ্টা খোলা আকাশের নিচে অনাহারে মানবেতর জীবনযাপন করেন। অবশেষে রোববার গভীর রাতে বিজিবির অনড় অবস্থানের মুখে ওই ১১ জনকে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয় বিএসএফ।</p><h2>বিজিবির নিরাপত্তা ব্যবস্থা</h2><p>বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) জানিয়েছে, দেশের সীমান্তে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং প্রতিটি আউটপোস্টে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও ৫০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানজির আহম্মদ জানান, বিজিবি সদস্যরা দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় সার্বক্ষণিক সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:02:05 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[আইএসডি শিক্ষার্থীরা পেলেন ১৭ লাখ ডলারের বৃত্তি]]></title>
				<category>উচ্চশিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/uccho-shikkha/article-127930.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকা (আইএসডি) থেকে এ বছর গ্র্যাজুয়েট সম্পন্ন করা ব্যাচের শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষা অর্জনে বিদেশের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে মোট ১৭ লাখ মার্কিন ডলার সমমূল্যের বৃত্তি পেয়েছেন। সম্প্রতি রাজধানীর একটি হোটেলে এক অনুষ্ঠানে এ ব্যাচের ৩৮ শিক্ষার্থী তাঁদের গ্র্যাজুয়েশন ডিপ্লোমা গ্রহণ করেন। এখন তাঁরা শিক্ষাজীবনের নতুন অধ্যায়ের জন্য প্রস্তুত। ইতিমধ্যেই এ ব্যাচের অনেক শিক্ষার্থী সিডনি ইউনিভার্সিটি, কিংস কলেজ লন্ডন, ম্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটি, মোনাশ ইউনিভার্সিটি, আমস্টারডাম ইউনিভার্সিটিসহ যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও হংকংয়ের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন।</p><h2>শিক্ষার্থীর প্রতিক্রিয়া</h2><p>আইএসডির শিক্ষার্থী নিয়াহরাহ মাহবুব নিউরোবায়োলজি নিয়ে ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটিতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করবেন। তিনি বলেন, ‘প্লে গ্রুপ থেকে আইএসডিতে পড়াশোনার অভিজ্ঞতা আমাকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। সময়ের সঙ্গে স্কুল ও আশপাশের পরিবেশের পরিবর্তন দেখে বুঝেছি, ছোট ছোট উদ্যোগও অন্যের জীবনে বড় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।’</p><h2>অনুষ্ঠানের বক্তব্য</h2><p>অনুষ্ঠানে আইএসডির পরিচালক স্টিভ ক্যালান্ড-স্কোবল বলেন, ‘আজ শিক্ষার্থীদের হাতে ডিপ্লোমা তুলে দেওয়ার মুহূর্তটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে তাদের কঠোর পরিশ্রম, শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও পরিবারের নিরন্তর সহযোগিতা।’</p><h3>বিশেষ অতিথির বক্তব্য</h3><p>বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশন (আইএলও), বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স টুনন বলেন, ‘একটি অর্থবহ ক্যারিয়ার ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নেতৃত্বের বিকাশের প্রধান ভিত্তি হলো শিক্ষা। আজকের বিশ্বে এমন তরুণদের প্রয়োজন, যারা বিশ্লেষণধর্মী চিন্তা করতে পারে, দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে এবং বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি ধারণ করে। আজ এই কক্ষে শিক্ষার্থীদের উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও প্রতিভার বৈচিত্র্য দেখে আমি ভবিষ্যৎ নিয়ে ভীষণ আশাবাদী।’</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:57:05 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[দক্ষ জনশক্তি না বাড়ালে বিদেশের শ্রমবাজার হারানোর ঝুঁকি: নিলুফার চৌধুরী মনি]]></title>
				<category>ব্যবসা-বাণিজ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/bebsha-banijjo/article-127929.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বিদেশের শ্রমবাজার ধরে রাখতে দক্ষ জনশক্তি তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নিলুফার চৌধুরী মনি বলেছেন, দক্ষ কর্মীর সরবরাহ বাড়ানো না গেলে বাংলাদেশ বিদেশের শ্রমবাজার হারানোর উচ্চ ঝুঁকিতে পড়বে।</p><p>মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশনের বাজেট অধিবেশনের তৃতীয় দিনে ৭১ বিধিতে জরুরি জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশ উত্থাপনকালে তিনি এ কথা বলেন। যদিও স্পিকার নোটিশটি গ্রহণ করেননি, তবে এ বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেন।</p><p>এ সময় নিলুফার চৌধুরী মনি বলেন, দক্ষ জনশক্তির গতিশীলতা একটি দেশকে এগিয়ে নেয়। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় প্রবাসী আয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ২০২৫ সালে দেশের জিডিপির প্রায় ৭ শতাংশ এসেছে প্রবাসী কর্মীদের অবদান থেকে।</p><p>তিনি বলেন, প্রতি বছর প্রায় ১০ লাখ দক্ষ ও অদক্ষ শ্রমিক বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য যান। তবে তাদের অধিকাংশই অদক্ষ ও কম শিক্ষিত। অন্যদিকে বিশ্বব্যাপী শ্রমবাজারে চাহিদা পরিবর্তিত হচ্ছে এবং চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রভাবে অনেক কর্মক্ষেত্র প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠছে। এ অবস্থায় দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে না পারলে বাংলাদেশের শ্রমবাজার সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।</p><p>তিনি আরও বলেন, ১৯৮০-এর দশকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে বিদেশে জনশক্তি রফতানির যাত্রা শুরু হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।</p><p>সংসদ সদস্য নিলুফার চৌধুরী মনি দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় দ্রুত দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বিদেশের শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান ধরে রাখতে কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:03:40 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[সোনির ‘গোল্ডেন গোল অফার’ বিশ্বকাপ উপলক্ষে বিশেষ ক্যাম্পেইন]]></title>
				<category>সামাজিক মাধ্যম</category>
				<link>https://bdgazette.com/projukti/shamajik-madhyom/article-127928.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ফিফা বিশ্বকাপ-২০২৬ উপলক্ষে দেশজুড়ে ‘গোল্ডেন গোল অফার’ নামে বিশেষ ক্যাম্পেইন শুরু করেছে বাংলাদেশে সনির অফিসিয়াল ডিস্ট্রিবিউটর স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেড। গত ৮ জুন শুরু হওয়া এই অফার চলবে আগামী ২৬ জুলাই পর্যন্ত।</p><h2>ক্যাম্পেইনের আওতায় পণ্য ও সুবিধা</h2><p>ক্যাম্পেইনের আওতায় সনি, স্মার্ট, হায়ার, শার্প ও শাওমি ব্র্যান্ডের টেলিভিশন, সাউন্ড সিস্টেম, হেডফোন, এয়ার কন্ডিশনার ও রেফ্রিজারেটর কেনায় বিশেষ মূল্যসুবিধা পাবেন গ্রাহকরা। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ১০ হাজার টাকার বেশি মূল্যের নির্ধারিত পণ্য কিনলে ‘আগে আসলে আগে পাবেন’ ভিত্তিতে দেওয়া হবে একটি স্ক্র্যাচ কার্ড। স্ক্র্যাচ করলেই নিশ্চিত উপহার হিসেবে পাওয়া যাবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন দলের জার্সি, ফুটবল, সনি হেডফোন, পাওয়ার ব্যাংক, এয়ার কুলারসহ নানা পণ্য।</p><h3>সনি ব্রাভিয়া টিভি ক্রেতাদের জন্য বিশেষ অফার</h3><p>এছাড়া সনি ব্রাভিয়ার ৫০ ইঞ্চি বা তার বেশি আকারের টেলিভিশন কিনলে স্টক থাকা সাপেক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে একটি সনি ব্রাভিয়া জার্সি উপহার পাবেন ক্রেতারা। প্রিমিয়াম গ্রাহকদের জন্য রাখা হয়েছে সাপ্তাহিক লাকি ড্রয়ের ব্যবস্থাও। ৬৫ ইঞ্চি বা তার বেশি আকারের সনি টিভি কিনে ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করলে ক্রেতারা এই ড্রয়ে অংশ নিতে পারবেন। বিজয়ীরা পাবেন আর্জেন্টিনা বা ব্রাজিল দলের জার্সি, কাস্টম ক্যাপ এবং বিশ্বকাপ ট্রেনিং বল।</p><h2>উদ্বোধনী অনুষ্ঠান</h2><p>ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন উপলক্ষে সোমবার (৮ জুন) রাজধানীর মিরপুরের পশ্চিম কাফরুলে জহির স্মার্ট টাওয়ারে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শোরুম ও করপোরেট কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন সনি ইন্টারন্যাশনাল (প্রা.) লিমিটেড বাংলাদেশের প্রধান যশুয়া কুয়েক। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সনি হোম এন্টারটেইনমেন্ট বিভাগের প্রধান মাশচাভালিত কেমনুজ মিং, স্মার্ট টেকনোলজিসের মহাব্যবস্থাপক ও হেড অব সেলস সারোয়ার জাহান চৌধুরী, উপমহাব্যবস্থাপক ও হেড অব মার্কেটিং আজাদ রহমান, সনি ইন্টারন্যাশনালের মাস্টার ট্রেইনার কেসি এবং প্রোডাক্ট স্পেশালিস্ট দেলোয়ার হোসেন।</p><h3>গ্রাহক সুবিধা ও ‘জি৫ পলিসি’</h3><p>উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ‘জি৫ পলিসি’র আওতায় গ্রাহকদের সর্বোত্তম অভিজ্ঞতা দিতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানটি জানায়, গ্রাহকদের সুবিধার্থে ১৫টি স্থানীয় বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে ইএমআই সুবিধাও চালু রয়েছে। পাশাপাশি নির্দিষ্ট হোম অ্যাপ্লায়েন্সে থাকছে বিশেষ বান্ডেল অফার, ডিজিটাল ওয়ারেন্টি নিবন্ধন সুবিধা এবং গ্রামীণফোন স্টার গ্রাহকদের জন্য বিশেষ ডিসকাউন্ট।</p><h2>প্রসঙ্গ তথ্য</h2><p>উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ২৬ নভেম্বর সনির ইলেকট্রনিকস পণ্যের বাংলাদেশে অফিসিয়াল পরিবেশক হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হয় স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেড। বর্তমানে দেশজুড়ে ৩০টি নিজস্ব শোরুম, ২১০টির বেশি পার্টনার শোরুম এবং আড়াই হাজারের বেশি আইটি পার্টনারের মাধ্যমে সনি পণ্য বিপণন করছে প্রতিষ্ঠানটি।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:16:50 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[মমতার বিরুদ্ধে তৃণমূলের বিদ্রোহী এমপি শতাব্দীর বিস্ফোরক অভিযোগ]]></title>
				<category>কূটনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/kutniti/article-127927.html</link>
				<description><![CDATA[<p>পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব চরম আকার ধারণ করেছে। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে একনায়কতন্ত্র ও ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ এনে প্রকাশ্য বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন বীরভূমের চারবারের তৃণমূল সংসদ সদস্য ও বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শতাব্দী রায়।</p><h2>শতাব্দী রায়ের বিস্ফোরক সাক্ষাৎকার</h2><p>ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে শতাব্দী রায় দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গত কয়েক বছরে পুরোপুরি বদলে গেছেন। তিনি বলেন, ‘দিদি বদলে গেছেন। গত কয়েক বছরে তিনি অনেক পালটে গেছেন। ওনার সঙ্গে আমার একটা আবেগঘন সম্পর্ক ছিল এবং আছে, কিন্তু দিনশেষে আমার কাছে কাজটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই বাধ্য হয়েই আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’</p><p>শতাব্দী রায় এখন তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ ও বিদ্রোহী এমপিদের ক্যাম্পের অন্যতম প্রধান মুখ। ইতোমধ্যে তাকে প্রায় এক ডজন বিক্ষুব্ধ তৃণমূল সংসদ সদস্যদের নিয়ে গঠিত উপদলের ‘ডেপুটি লিডার’ বা উপনেতা মনোনীত করা হয়েছে। এই বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি সম্প্রতি দিল্লিতে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করে এবং বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটকে সমর্থনের প্রস্তাব দিয়েছে।</p><h3>বিক্ষুব্ধ এমপিদের সংখ্যা বেড়ে ২০</h3><p>বিক্ষুব্ধ ব্লকের চিফ হুইপ মনোনীত হওয়া আরেক তৃণমূল সংসদ সদস্য কাকলি ঘোষ দস্তিদার দাবি করেছেন, এই মুহূর্তে তাদের শিবিরে সমর্থনকারী এমপির সংখ্যা বেড়ে ২০ জনে দাঁড়িয়েছে।</p><p>দলে কোণঠাসা হওয়ার অভিযোগ তুলে শতাব্দী রায় আরও বলেন, ‘আমাদের কণ্ঠস্বর কেউ শুনছিল না বলেই আমি দল ছাড়ছি। আমি মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। কিন্তু আমাদের কথা শোনার মতো কেউ ছিল না। শুধুমাত্র হাতেগোনা কয়েকজন বিশেষ নেতাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে পৌঁছাতে পারতেন। বাকি জনপ্রতিনিধিদের পদ্ধতিগতভাবে সাইডলাইন করে রাখা হয়েছিল।’</p><h3>দুর্নীতির অভিযোগ</h3><p>দলের সর্বস্তরে দুর্নীতির অভিযোগ এনে এই তারকা সংসদ সদস্য বলেন, ‘তৃণমূলের ভেতরে এখন প্রচুর দুর্নীতি। একদম নিচু স্তর থেকে শুরু করে উচ্চ স্তর পর্যন্ত যে ধরণের দুর্নীতি হচ্ছে, তা দেখে আমি গভীরভাবে হতাশ। নিজের ভাবমূর্তি টিকিয়ে রাখতে আমার কোনো রাজনৈতিক সুরক্ষার প্রয়োজন নেই, কারণ আমার ইমেজ এমনিতেই পরিষ্কার।’</p><h2>মূল শিবিরের তীব্র প্রতিক্রিয়া</h2><p>শতাব্দী রায় ও কাকলি ঘোষ দস্তিদারের এই প্রকাশ্য বিদ্রোহের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগত মূল শিবিরের পক্ষ থেকেও তীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে। তারা এই বিদ্রোহী সংসদ সদস্যদের ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলে আখ্যা দিয়েছে।</p><p>এক সংবাদ সম্মেলনে তৃণমূল সংসদ সদস্য কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘এই সংসদ সদস্যরা দিল্লিতে বিজেপির শীর্ষ নেতা ভূপেন্দর যাদবের বাড়িতে গিয়েছেন, যার মানে তারা আসলে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। তারা একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসা করতেন, আর এখন নিজেদের আখের গোছাতে নরেন্দ্র মোদীকে নেতা মেনে নিয়েছেন। মানুষ কিন্তু বোকা নয়, তারা সব দেখছে।’</p><p>প্রবীণ তৃণমূল নেতা কীর্তি আজাদ বিদ্রোহীদের নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন, ‘আমাদের ২৯ জন সংসদ সদস্য ‘মা, মাটি, মানুষ’-এর নামে এবং মমতার প্রতীকে জিতেছিলেন। যদি এই বিদ্রোহীদের ন্যূনতম রাজনৈতিক সততা থাকে, তবে অবিলম্বে সংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে বিজেপির টিকিটে নতুন করে ভোটে জিতে আসুক।’</p><h2>রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মত</h2><p>রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূলের এই নজিরবিহীন বিদ্রোহের পেছনে গত ২০২৪ সালের আর জি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার পর তৈরি হওয়া জনবিক্ষোভ এবং দলীয় অসন্তোষ বড় ভূমিকা পালন করেছে। এই সপ্তাহের শুরুতেই তৃণমূলের রাজ্যসভার চিফ হুইপ সুখেন্দু শেখর রায় দল থেকে পদত্যাগ করেন। তিনি অভিযোগ তুলেছিলেন যে আর জি কর কাণ্ডে তথ্যপ্রমাণ লোপাটের চেষ্টার বিরুদ্ধে তিনি যখন দলের ভেতরে আওয়াজ তুলেছিলেন, তখন তাকে সদুত্তর দেওয়ার বদলে কলকাতা পুলিশ দিয়ে সমন পাঠানো হয়েছিল।</p><p>তৃণমূলের মূল শিবিরের নেতারা এই অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, আর জি করের দুঃখজনক ঘটনাটিকে বিজেপি রাজনীতি করার হাতিয়ার বানাচ্ছে এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথম থেকেই ভুক্তভোগী পরিবারের পাশে ছিলেন। তবে শতাব্দী রায় ও কাকলি ঘোষ দস্তিদারের মতো হেভিওয়েট সংসদ সদস্যদের একযোগে দিল্লির দরবারে হাজির হওয়া পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে তৃণমূলের জন্য বড় ধরণের সাংগঠনিক ধাক্কা বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:04:52 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ইসলামী ব্যাংকের বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকা চাওয়া]]></title>
				<category>ব্যবসা-বাণিজ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/bebsha-banijjo/article-127926.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি তাদের নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ নিয়ে অস্থিরতার মধ্যে নগদ উত্তোলন ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তারল্য সহায়তা চেয়েছে। ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, দেশের সবচেয়ে বড় শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকটি সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে এই আবেদন করে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে অস্বাভাবিক উচ্চ উত্তোলনের কারণে তারল্য চাপে পড়ে ব্যাংকটি এই পদক্ষেপ নেয়।</p><h2>উত্তোলনের চাপ ও তারল্য সংকট</h2><p>সূত্র জানায়, ঈদের ছুটির পর গত রোববার পর্যন্ত পাঁচ কার্যদিবসে আমানতের চেয়ে উত্তোলন প্রায় ৪ হাজার ৩০০ কোটি টাকা বেশি হয়েছে। ব্যাংক কর্মকর্তারা মনে করছেন, ব্যাংকের নেতৃত্ব নিয়ে চলমান বিরোধের কারণে একাংশ গ্রাহক তাদের জমা তুলে নিয়েছেন।</p><p>২০২২ সাল থেকে ব্যাংকটি ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের পর বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠানে সুশাসন ফিরিয়ে আনতে তৎপর হয়। সাবেক বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর খুরশীদ আলমকে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়ার পর নতুন করে বিতর্ক দেখা দেয়। ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরামের ব্যানারে একটি গোষ্ঠী ১ জুন থেকে তার নিয়োগ বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করে আসছে।</p><h3>সিআরআর ঘাটতি ও জরুরি সহায়তার আবেদন</h3><p>ফোরামের অভিযোগ, খুরশীদ আলম বাংলাদেশ ব্যাংকে তার মেয়াদে দুর্নীতিতে জড়িত ছিলেন এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগে বাধ্য হন। ব্যাংক সূত্র জানায়, বর্ধিত উত্তোলনের কারণে ইসলামী ব্যাংকের পক্ষে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে নির্ধারিত নগদ জমার অনুপাত (সিআরআর) বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে, যা জরুরি তারল্য সহায়তা চাওয়ার কারণ।</p><p>একজন সিনিয়র ব্যাংক কর্মকর্তা বলেন, ব্যাংকের এখনও বাংলাদেশ ব্যাংকে রক্ষিত হিসাবে তহবিল রয়েছে। তবে সিআরআর ঘাটতি মেটাতে এবং সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে সহায়তার অনুরোধ করা হয়েছে। ওই কর্মকর্তার মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ব্যাংকটির চলতি হিসাবের জমা আগে ৭ হাজার ১৫ কোটি টাকার বেশি ছিল, যা এখন প্রায় ২ হাজার ৬০০ কোটি টাকায় নেমে এসেছে।</p><p>২০১৭ সাল থেকে এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে থাকা ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর পুনর্গঠিত হয়। সম্প্রতি ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদত্যাগ করেছেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:33:43 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ব্যাংকিং খাতে ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকারের একাধিক পদক্ষেপ: অর্থমন্ত্রী]]></title>
				<category>ব্যাংকিং</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/banking/article-127925.html</link>
				<description><![CDATA[<p>অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, দেশের ব্যাংকিং খাতে ক্রমবর্ধমান খেলাপি ঋণ, ঋণ জালিয়াতি, অর্থ পাচার এবং প্রভাবশালী মহলের অনিয়মিত ঋণ গ্রহণজনিত ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে। বড় ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি আমানতকারীদের অর্থের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।</p><h2>সংসদে প্রশ্নোত্তর</h2><p>মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুহাম্মদ রবিউল বাশারের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন। বেলা তিনটায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। সংসদ সদস্য জানতে চান, দেশের ব্যাংকিং খাতে ক্রমবর্ধমান খেলাপি ঋণ, ঋণ জালিয়াতি, অর্থ পাচার এবং প্রভাবশালী মহলের অনিয়মিত ঋণ গ্রহণের কারণে সৃষ্ট আর্থিক ঝুঁকি মোকাবিলা ও জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় সরকার কী কী কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, বড় ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং আমানতকারীদের অর্থের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী।</p><h2>খেলাপি ঋণ আদায়ে পদক্ষেপ</h2><p>জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, খেলাপি ঋণ আদায়ে বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন নীতিগত সহায়তা দিয়েছে। যথাসময়ে ঋণ পরিশোধে অসমর্থ ঋণগ্রহীতাদের ঋণ আদায়ের লক্ষ্যে বিআরপিডি সার্কুলার নং-০৭/২০২৫ জারি করা হয়েছে। যেসব ব্যাংকে শ্রেণিকৃত ঋণের হার বেশি, সেসব ব্যাংকের জন্য শ্রেণিকৃত ঋণ নিষ্পত্তি কৌশল (রেজোল্যুশন স্ট্র্যাটেজি) সংক্রান্ত গাইডলাইন প্রণয়ন করা হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যাংক-কোম্পানি (সংশোধন) আইনে সংজ্ঞায়িত ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিআরপিডি সার্কুলার নং-৬ (১২ মার্চ ২০২৪) জারি করা হয়েছে। ওই নীতিমালার মাধ্যমে ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি শনাক্তকরণ এবং তাদের বিরুদ্ধে গৃহীতব্য ব্যবস্থা নির্ধারণ করা হয়েছে।</p><h3>অর্থ পাচার রোধে টাস্কফোর্স</h3><p>অর্থ পাচার রোধ এবং অতীতে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সভাপতিত্বে ১২ সদস্যের একটি আন্তসংস্থা টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। টাস্কফোর্সের সুপারিশের ভিত্তিতে সরকার মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর আওতায় জাতীয় গুরুত্ব বিবেচনায় ১১টি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত মামলা চিহ্নিত করেছে। এসব মামলার অনুসন্ধান ও তদন্তে দুর্নীতি দমন কমিশনের নেতৃত্বে বাংলাদেশ পুলিশের সিআইডি, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল এবং শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সমন্বয়ে ১১টি যৌথ অনুসন্ধান ও তদন্ত দল (জয়েন্ট ইনভেস্টিগেশন টিম-জেআইটি) গঠন করা হয়েছে।</p><h3>সম্পদ সংযুক্তি ও অবরুদ্ধ</h3><p>জেআইটির কার্যক্রমের অগ্রগতি তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, গত এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত আদালতের আদেশে দেশে ৯ হাজার ৯১৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকার স্থাবর সম্পত্তি সংযুক্ত এবং ৪৭ হাজার ২৪৯ কোটি ২৩ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পত্তি অবরুদ্ধ করা হয়েছে। এ ছাড়া বিদেশে ১৫ হাজার ১১১ কোটি ৯২ লাখ টাকার স্থাবর সম্পত্তি সংযুক্ত এবং ৪ হাজার ৫৩৩ কোটি ৯৯ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পত্তি অবরুদ্ধ করা হয়েছে। দেশে ও বিদেশে মিলিয়ে মোট প্রায় ৭৬ হাজার ৮১৪ কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ আদালতের মাধ্যমে সংযুক্ত বা অবরুদ্ধ করা হয়েছে। পাচারকৃত অর্থ পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে এ পর্যন্ত ১৪২টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৬টি মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে এবং ছয়টি মামলায় রায় হয়েছে।</p><h3>স্টোলেন অ্যাসেট রিকভারি ডিভিশন</h3><p>বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদ পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে সম্প্রতি বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) অধীনে একটি স্টোলেন অ্যাসেট রিকভারি ডিভিশন গঠন করা হয়েছে।</p><h2>পুঁজিবাজার কেলেঙ্কারিতে ব্যবস্থা</h2><p>সিরাজগঞ্জ-১ আসনের মো. সেলিম রেজার প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে পুকুরচুরিতে ধ্বংসপ্রাপ্ত পুঁজিবাজার কেলেঙ্কারিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। শেয়ারবাজার-সংশ্লিষ্ট ১২টি প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে তদন্ত করার বিষয়টি জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, বেক্সিমকো গ্রিন সুকুক এআই ইস্টিসনা এবং আইএফআইসি গ্র্যান্ডেট শ্রীপুর টাউনশিপ গ্রিন জিরো কুপন বন্ড-সংক্রান্ত তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে বিএসইসির সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামকে আজীবন এবং বিএসইসির সাবেক কমিশনার ড. শামসুদ্দিন আহমেদকে পাঁচ বছরের জন্য বাংলাদেশের পুঁজিবাজার-সংশ্লিষ্ট সব কার্যক্রমে অংশগ্রহণে নিষিদ্ধ ও অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:34:17 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[সিরাজগঞ্জে ব্রাজিল সমর্থকদের ১ হাজার ফুট পতাকা]]></title>
				<category>ফুটবল</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/football/article-127924.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনা এখন তুঙ্গে। বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তের মতো সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার গ্রাম ও শহরেও ফুটবল ভক্তদের মাঝে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ ও আলোচনা-সমালোচনা। এরই ধারাবাহিকতায় প্রিয় দল ব্রাজিলের প্রতি ভালোবাসা ও শুভকামনা জানিয়ে কামারখন্দ উপজেলার ঠাঁকুরঝিপাড়া গ্রামে প্রায় ১ হাজার ফুট দৈর্ঘ্যের ব্রাজিলের পতাকা টাঙিয়ে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন সেখানকার ব্রাজিল ভক্তরা।</p><h2>বিশাল পতাকা ও ভোজের প্রতিশ্রুতি</h2><p>শুধু বিশাল পতাকা টাঙানোই নয়, এবারের আসরে ব্রাজিল যদি ফাইনালে উঠে, তাহলে সারা গ্রামের মানুষকে গরু জবাই করে ভুরিভোজ করানো হবে বলে জানিয়েছেন এই গ্রামের ব্রাজিল ভক্তরা। দীর্ঘ এই পতাকাটি দেখতে প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে অনেক ব্রাজিল ভক্ত ছুটে আসছেন। তারা প্রিয় দলের পতাকার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেদের স্মার্টফোনে ছবি ও সেলফি তুলছেন।</p><h3>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাড়া</h3><p>১ হাজার ফুট দৈর্ঘ্যের এই পতাকাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের মধ্যেও বেশ সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। একই গ্রামের ব্রাজিল সমর্থক ডা. আল আমিন বাবু জানান, প্রতি বারের মতো এবারও আমরা ব্রাজিলের বিশাল পতাকা টাঙিয়েছি। এবার গ্রামের সকল ব্রাজিল সমর্থক মিলে প্রায় ১ হাজার ফুট দৈর্ঘ্যের পতাকা টাঙিয়েছি। সামনে এর পরিধি বাড়বে বলে আমরা আশা করছি। ঠাঁকুঝিপাড়া গ্রামের প্রায় ৮৫ ভাগ মানুষ ব্রাজিলের সমর্থক। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, আন্তরিকতা, ভালোবাসা ও আবেগের জায়গা থেকে ব্রাজিল দলের প্রতি আমাদের এই বহিঃপ্রকাশ ১ হাজার ফুট পতাকা।</p><p>জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর মনির হোসেন জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঠাঁকুরঝিপাড়া গ্রামের এই পতাকা নিয়ে একটি পোস্ট দেখতে পেয়ে সেখানে গিয়ে একটি কনটেন্ট তৈরি করে ফেসবুকে পোস্ট করি। কনটেন্টটি লক্ষ লক্ষ মানুষ দেখেছেন, বেশ সাড়া পেয়েছি।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:53:58 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[এক রাতে তিন কৃষকের সাত গরু চুরি, আতঙ্কে খামারিরা]]></title>
				<category>কৃষি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/krishi/article-127922.html</link>
				<description><![CDATA[<p>এক রাতে তিন কৃষকের সাত গরু চুরির ঘটনায় আতঙ্কে পড়েছেন খামারিরা। অভিযুক্তরা অভিযানের আগেই পালিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ।</p><h2>কর্মবিরতি স্থগিত</h2><p>প্রশাসনের আশ্বাসে কর্মবিরতি স্থগিত করেছেন বেরোবি কর্মকর্তারা। তারা দাবি পূরণের আশ্বাস পেয়েছেন।</p><h3>সড়ক দুর্ঘটনা</h3><p>কুষ্টিয়ায় দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক চালক নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ৩ জন।</p><h2>নেইমারের ভবিষ্যৎ</h2><p>নেইমারকে নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়েছে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন। আগামী বিশ্বকাপে তাকে দলে রাখা হবে কি না তা এখন স্পষ্ট।</p><h3>মাটি কাটা বন্ধ হয়নি</h3><p>এমপির ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণার পরও সিংগাইরে মাটি কাটা বন্ধ হয়নি। এ ঘটনায় মানববন্ধন করেছে স্থানীয় বাসিন্দারা।</p><h2>বিশ্বকাপ জয়ের ভবিষ্যদ্বাণী</h2><p>ফুটবল বিশ্লেষক মামদানি মতে, ২০২৬ বিশ্বকাপ জিতবে ব্রাজিল। অন্যদিকে, বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল করেছে জার্মানি।</p><h3>ঋণ সহায়তা</h3><p>সংসদে অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, নতুন উদ্যোক্তারা বিনা জামানতে ১০ লাখ টাকা ঋণ পাচ্ছেন।</p><h2>আলিম পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা</h2><p>আলিম পরীক্ষার সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা বোর্ড।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:17:14 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ফের ডলারের বিপরীতে শক্তিশালী ইউয়ান]]></title>
				<category>এশিয়া</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/asia/article-127921.html</link>
				<description><![CDATA[<p>চীনা মুদ্রা ইউয়ান আবারও মার্কিন ডলারের বিপরীতে শক্তিশালী হয়েছে। চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিগত পদক্ষেপের কারণে এই পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি চীনের অর্থনীতির স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দেয়।</p><h2>কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভূমিকা</h2><p>চীনের পিপলস ব্যাংক সম্প্রতি কিছু নীতি পরিবর্তন করেছে, যার ফলে ইউয়ানের মান বেড়েছে। তারা বিনিময় হারকে আরও নমনীয় করে তুলেছে, যা বাজারের চাহিদার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।</p><h3>বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রভাব</h3><p>ইউয়ানের শক্তিশালী হওয়া বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য ইতিবাচক। এটি চীনে বিনিয়োগের ঝুঁকি কমায় এবং দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা বাড়ায়।</p><ul><li>ইউয়ানের মান বেড়েছে ০.৫ শতাংশ</li><li>ডলারের বিপরীতে ইউয়ানের দর ৬.৮৫</li><li>চীনের রপ্তানিকারকরা কিছুটা চাপে পড়তে পারেন</li></ul><p>তবে বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, ইউয়ানের এই শক্তি দীর্ঘমেয়াদী নাও হতে পারে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং বাণিজ্য উত্তেজনার কারণে ভবিষ্যতে ওঠানামা সম্ভব।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:00:40 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বলিউডে নতুন মুখ নওমিকা সারান, পরিচিতি ডিম্পল কাপাডিয়ার নাতনি হিসেবে]]></title>
				<category>অভিনেতা</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/obhineta/article-127920.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বলিউডে নতুন প্রজন্মের মধ্যে আলোচনায় এসেছেন নওমিকা সারান। তিনি কিংবদন্তি অভিনেত্রী ডিম্পল কাপাডিয়ার নাতনি এবং প্রয়াত সুপারস্টার রাজেশ খান্নার পরিবারের উত্তরাধিকারী হিসেবে পরিচিত। মুম্বাইয়ে বেড়ে ওঠা নওমিকা খান্না-কাপাডিয়া পরিবারের সদস্য। তার মা রিঙ্কি খান্না এক সময় বলিউডে অভিনয় করলেও পরে অভিনয়জগৎ থেকে সরে আসেন। ফলে চলচ্চিত্র পরিবারের ভেতরেই নওমিকাকে বড় হতে দেখা গেছে।</p><h2>পরিবারের প্রভাব</h2><p>পরিবারসূত্রে জানা যায়, ছোটবেলা থেকেই তিনি চলচ্চিত্র পরিবেশের সঙ্গে পরিচিত। ক্যামেরা, শুটিং সেট, সিনেমার আবহ—সবকিছুই তার কাছে অচেনা ছিল না। এই পরিবেশেই তার বেড়ে ওঠার কারণে অভিনয়ের প্রতি আগ্রহও ধীরে ধীরে তৈরি হয়েছে। তিনি শৈশব থেকেই সিনেমার জগতের কাছাকাছি থাকায় স্বাভাবিকভাবেই অভিনয়ের প্রতি আকর্ষণ অনুভব করেছেন।</p><h3>প্রথম সিনেমা নিয়ে সম্ভাবনা</h3><p>ভারতীয় বিনোদনজগতের বিভিন্ন মাধ্যমে আলোচনা রয়েছে, নওমিকা খুব শিগগিরই বড় পর্দায় অভিষেক করতে পারেন। তাকে ঘিরে যে সিনেমার কথা শোনা যাচ্ছে, সেটির নাম ‘লাভ ট্রায়াঙ্গেল’। এটি একটি রোমান্টিক ড্রামা ধাঁচের চলচ্চিত্র, যেখানে নতুন প্রজন্মের প্রেম ও সম্পর্কের জটিলতা তুলে ধরা হবে। যদিও এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। তবে ইন্ডাস্ট্রির সূত্র বলছে, এই সিনেমা দিয়ে তিনি বলিউডে পা রাখতে পারেন।</p><h3>দর্শকদের প্রত্যাশা</h3><p>স্টারকিড হিসেবে বলিউডে নতুন মুখ আসা নতুন কিছু নয়। তবে প্রত্যেক নতুন আগমনের মতোই নওমিকাকে ঘিরেও তৈরি হয়েছে আলাদা কৌতূহল ও প্রত্যাশা। দর্শক ও ইন্ডাস্ট্রি—দুই পক্ষই এখন দেখছে, তিনি নিজের পরিচয়ে কতটা জায়গা করে নিতে পারেন। তার পরিবারের ঐতিহ্য ও নিজের প্রতিভা মিলিয়ে তিনি বলিউডে একটি নতুন অধ্যায় শুরু করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।</p><p>সব মিলিয়ে, বলিউডে নতুন এই নাম এখন থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে, আর তার অভিষেক ঘিরে অপেক্ষা বাড়ছে ধীরে ধীরে। আগামী দিনে তিনি কতটা সফল হন, সেটাই দেখার বিষয়।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:13:11 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[জাপানের বিশ্বখ্যাত বুকশপ কিনোকুনিয়া আসছে বাংলাদেশে]]></title>
				<category>খাদ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/jibonjapon/khaddo/article-127919.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বিশ্বখ্যাত জাপানি বুকশপ <strong>কিনোকুনিয়া</strong> বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির বাংলাদেশ-সংশ্লিষ্ট ফেসবুক পেইজে প্রকাশিত এক ঘোষণায় জানানো হয়েছে, আগামী ১৯ জুন রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত সেন্টারপয়েন্টে পাঠকদের সঙ্গে তাদের প্রথম সাক্ষাৎ হবে। এর মাধ্যমেই বাংলাদেশে কিনোকুনিয়ার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।</p><h2>কিনোকুনিয়ার ঐতিহ্য ও বৈশ্বিক উপস্থিতি</h2><p>১৯২৭ সালে জাপানে প্রতিষ্ঠিত কিনোকুনিয়া বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম পরিচিত বুকশপ। জাপানের বাইরে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে তাদের শাখা রয়েছে। আন্তর্জাতিক প্রকাশনার নতুন বই, সাহিত্য, ইতিহাস, দর্শন, শিল্পকলা, একাডেমিক গবেষণা, শিশুতোষ বই এবং জাপানি মাঙ্গার সমৃদ্ধ সংগ্রহের জন্য প্রতিষ্ঠানটি বিশেষভাবে পরিচিত।</p><h3>বাংলাদেশের বইবাজারে সম্ভাব্য প্রভাব</h3><p>বাংলাদেশের বইবাজারে কিনোকুনিয়ার আগমনকে তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখছেন অনেক পাঠক ও প্রকাশনা-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তাদের মতে, আন্তর্জাতিক মানের বইয়ের সহজ প্রাপ্যতা বৃদ্ধি পাবে এবং বৈশ্বিক প্রকাশনা জগতের সঙ্গে দেশের পাঠকদের সংযোগ সুদৃঢ় হবে। বিশেষ করে জাপানি মাঙ্গা ও একাডেমিক বইয়ের চাহিদা পূরণে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।</p><p>তবে বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রমের পরিধি, বইয়ের সংগ্রহ, মূল্যনীতি কিংবা ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ পরিকল্পনা সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। ১৯ জুনকে ঘিরে পাঠকমহলে ইতোমধ্যে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে। অনেকেই অপেক্ষা করছেন কিনোকুনিয়া বাংলাদেশে কী ধরনের বই এবং সেবা নিয়ে আসে তা জানার জন্য।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:10:28 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ক্ষুদ্রঋণ খাতকে প্রবৃদ্ধির নতুন চালক হিসেবে নেওয়ার দাবি]]></title>
				<category>ব্যবসা-বাণিজ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/bebsha-banijjo/article-127917.html</link>
				<description><![CDATA[<p>দেশের অর্থনীতিতে তৈরি পোশাক ও প্রবাসী আয়ের প্রায় সমপর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ আরেকটি খাত হচ্ছে ক্ষুদ্রঋণ। যদিও প্রবৃদ্ধির আলোচনায় প্রথম দুটি খাত যেভাবে গুরুত্ব পায়, ক্ষুদ্রঋণ খাত সেভাবে আলোচনায় আসেনি। কিন্তু অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এখন ক্ষুদ্রঋণ খাতকে প্রবৃদ্ধির নতুন চালক হিসেবে বিবেচনায় নিতে হবে।</p><p>আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রথম আলো কার্যালয়ে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) নির্বাহী চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান এ কথা বলেন।</p><p>‘ক্ষুদ্রঋণ খাতের চ্যালেঞ্জ ও প্রত্যাশা: বাজেট ২০২৬-২৭ পরিপ্রেক্ষিত’ শীর্ষক এ বৈঠক যৌথভাবে আয়োজন করে ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে কাজ করা সংস্থাগুলোর জোট ক্রেডিট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফোরাম (সিডিএফ) ও প্রথম আলো।</p><p>গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথি ছিলেন হোসেন জিল্লুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউসেপ বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক মো. আবদুল করিম।</p><p>দেশের শীর্ষস্থানীয় ক্ষুদ্রঋণ ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য দেন সিডিএফের চেয়ারম্যান মুর্শেদ আলম সরকার, পিএম কের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা এনামুল হক, উন্নয়ন খাত–বিশেষজ্ঞ দেওয়ান এ এইচ আলমগীর, এসকেএস ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক রাসেল আহমেদ, পিদিম ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক বরুন ব্যানার্জি, দিশার প্রধান নির্বাহী সহিদ উল্লাহ, সিডিএফের নির্বাহী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন ও ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সভাপতি দৌলত আকতার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রথম আলোর সহকারী সম্পাদক ফিরোজ চৌধুরী।</p><p>গোলটেবিল আলোচনায় পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, ‘দেশের অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক পরিবর্তনের অন্যতম অংশীদার হচ্ছে ক্ষুদ্রঋণ খাত। চার কোটি গ্রাহকের এই খাতে তিন লাখ কোটি টাকা ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ হয়েছে। এটি প্রায় ১৬ থেকে ১৮ বিলিয়ন ডলারের সমান। এই সংখ্যা বিশাল। মূল্য সংযোজন বাদ দিলে আমাদের তৈরি পোশাক খাতের আকার ২০ বিলিয়ন ডলারের কিছুটা বেশি। আর প্রবাসী আয়ের পরিমাণও কাছাকাছি। সে হিসাবে ক্ষুদ্রঋণ খাত তৈরি পোশাক ও প্রবাসী আয়ের প্রায় সমপর্যায়ের একটি খাত। অর্থনৈতিক রূপান্তর, কর্মসংস্থান, নারীর ক্ষমতায়নের বিবেচনায় ক্ষুদ্রঋণ খাতকে প্রবৃদ্ধির নতুন চালক হিসেবে নিতে হবে।</p><p>ক্ষুদ্রঋণ খাতের প্রচার ও ব্র্যান্ডিংয়ের ঘাটতির কথা তুলে ধরে পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান বলেন, পুরো খাতটি বর্তমানে একটি ব্র্যান্ডিং সংকটে ভুগছে। এ সময় তিনি ‘এনজিও’ শব্দের পরিবর্তে ‘এমএফআই’ (মাইক্রোফাইন্যান্স ইনস্টিটিউশন) বা ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান শব্দটিকে সামনে আনার তাগিদ দেন।</p><p>বাংলাদেশ বর্তমানে একধরনের অর্থনৈতিক সন্ধিক্ষণ বা টার্নিং পয়েন্টে রয়েছে উল্লেখ করে হোসেন জিল্লুর রহমান জানান, করোনা মহামারি ও ধারাবাহিক বৈশ্বিক সংকটের ধাক্কায় শুধু জাতীয় অর্থনীতিই নয়, ক্ষুদ্রঋণ অর্থনীতিও একটি কঠিন সময় পার করছে।</p><p>এ সময় ক্ষুদ্রঋণ খাতের গুরুত্ব তুলে ধরে হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, ‘আমাদের নতুন সরকার এসেছে। তারা লক্ষ কোটি (ট্রিলিয়ন) ডলারের অর্থনীতির কথা বলছে। কিন্তু যারা পরিবর্তন আনতে পারে, মাঠপর্যায়ের সেই প্রকৃত অংশীজনদের আমরা যদি ক্ষমতায়িত না করতে পারি, তাহলে লক্ষ কোটি ডলারের স্বপ্ন কাগজেই থেকে যাবে। নীতিগত সহায়তা, আর্থিক সহযোগিতা ও কৌশলগত স্বীকৃতির মাধ্যমে এই অংশীজনদের সামনে নিয়ে আসতে হবে।’</p><p>‘টুকটাক অর্থনীতি থেকে নতুন গ্রামীণ অর্থনীতি’</p><p>গ্রামীণ অর্থনীতির আমূল পরিবর্তনের চিত্র তুলে ধরে হোসেন জিল্লুর রহমান একে ‘নিউ রুরাল’ বা ‘নতুন গ্রামীণ অর্থনীতি’ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। তিনি জানান, নতুন গ্রামীণ অর্থনীতির ধারণায় একাধারে গ্রাম, ছোট শহর, উন্নত যোগাযোগ, মূল্য সংযোজন ও বৈশ্বিক বাজার সংযোগ—সব যুক্ত হয়েছে।</p><p>হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, সত্তরের দশকে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম মুড়ি বিক্রির মতো ‘টুকটাক অর্থনীতি’র মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু এখন তা বড় ব্যবসা ও গতিশীল কৃষিতে রূপ নিয়েছে। দেশের ৮৫ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতের মানুষের কাছে ব্যাংকের মতো আনুষ্ঠানিক খাত পুরোপুরি পৌঁছাতে পারে না। কিন্তু ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলো এই কাজ সহজে করতে পারে। এটি ক্ষুদ্রঋণ খাতের মূল প্রাতিষ্ঠানিক শক্তি। সরকারের উচিত হবে গ্রামীণ ও প্রান্তিক মানুষের জন্য তাদের বিভিন্ন উদ্যোগে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে জোরালোভাবে সম্পৃক্ত করা।</p><p>বাজেট নিয়ে প্রস্তাব</p><p>গোলটেবিল বৈঠক থেকে হোসেন জিল্লুর রহমান আসন্ন বাজেট ও নীতিগত পরিবর্তনের জন্য কিছু প্রস্তাব তুলে ধরেন। বাংলাদেশ ব্যাংক কৃষি খাতের জন্য ১০ হাজার কোটি টাকার যে পুনঃ অর্থায়ন তহবিল ঘোষণা করেছে, তা সরাসরি এমএফআইয়ের মাধ্যমে বিতরণের প্রস্তাব দেন তিনি।</p><p>হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, কৃষকদের সঙ্গে ব্যাংকের সার্বিক যোগাযোগ নেই। এই অর্থায়নের ক্ষেত্রে ব্যাংক শেষ পর্যন্ত মধ্যস্বত্বভোগী (মিডেলম্যান) হবে। তাই কাজটি সরাসরি এমএফআইকে দিলে ভালো হবে।</p><p>এর পাশাপাশি জলবায়ু সহনশীল কৃষির জন্য ক্ষুদ্রঋণ সংস্থার মাধ্যমে একটি সুনির্দিষ্ট অর্থায়নের খাত তৈরির পরামর্শ দেন পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান। অন্যান্য পরামর্শের মধ্যে রয়েছে—এমএফআইগুলো ব্যাংকে যে টাকা (এফডিআর) জমা রাখে, তার বিপরীতে কাটা উৎস করের ফেরতপদ্ধতিকে সহজ করা। জলবায়ুঝুঁকি মোকাবিলায় ক্রপ ইনস্যুরেন্স বা শস্য বিমার প্রসারে কৃষকদের ওপর আরোপিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট আগামী ৩ থেকে ৫ বছরের জন্য মওকুফ করা। ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের ব্যয় কমানোর জন্য তাদের সঞ্চয় সংগ্রহের নিয়মকানুন আরও সহজ করা। ক্ষুদ্রঋণ নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের (এমআরএ) সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় এ খাত প্রতিনিধিদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:59:14 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[রাজ্যসভার সদস্যপদ ছাড়তে পারেন কোয়েল মল্লিক]]></title>
				<category>সিনেমা</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/cinema/article-127916.html</link>
				<description><![CDATA[<p>টালিউড অভিনেত্রী ও রাজ্যসভার সদস্য কোয়েল মল্লিক তাঁর পদ ছাড়তে পারেন বলে গুঞ্জন উঠেছে। রাজ্যে পালাবদলের পর তৃণমূল কংগ্রেসে লাগাতার ধস অব্যাহত, আর সেই ধাক্কায় কি তিনিও পড়েছেন?</p><h2>রাজ্যসভা নির্বাচনে কোয়েলের নাম</h2><p>গত ফেব্রুয়ারি মাসে রাজ্যসভা নির্বাচনে দলের প্রার্থিতালিকা ঘোষণা করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সেখানে ছিল কোয়েল মল্লিকের নাম। রাজ্য পুলিশের সাবেক ডিজি রাজীব কুমার, রাজ্যের সাবেক মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী ছাড়াও ছিলেন তিনি। তবে এর কয়েক দিন আগে তদানীন্তন রাজ্যসরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের খতিয়ান নিয়ে মল্লিকবাড়িতে গিয়েছিলেন তৃণমূলের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।</p><p>এরপর এপ্রিল মাসে দিল্লিতে রাজ্যসভার সংসদ সদস্যপদে শপথ নিতে যান অভিনেত্রী। সঙ্গে ছিল তাঁর গোটা পরিবার।</p><h3>রাজনীতিতে আসার সিদ্ধান্ত</h3><p>কোয়েল মল্লিক রাজনীতিতে যেতে ইচ্ছুক— এমনটি আগে কখনো শোনা যায়নি। ফলে গত এপ্রিল মাসে তিনি তৃণমূলের হয়ে রাজ্যসভায় যেতে রাজি হয়েছেন শুনে বেশ বিস্মিত হয়েছিলেন তাঁর ঘনিষ্ঠরা। কেউ কেউ এমনও বলেছিলেন— তাঁর হয়ে অন্য কেউ-ই এ প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন।</p><p>শপথের পর অভিনেত্রী বলেছিলেন, <em>“অনেক ভেবে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, তা নয়। এটা তো একটা মহৎ দায়িত্ব, দেশের সেবা, মানুষের সেবা— এর থেকে তো বড় মহৎ কাজ হতে পারে না। সেই জায়গা থেকে আমি নিজেকে ভীষণ ভাগ্যবতী মনে করি যে, আমার নাম মনোনীত হয়েছে এবং আমি এত গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গায় আসতে পেরেছি।”</em></p><h2>পদ ছাড়ার গুঞ্জন</h2><p>কোয়েলের রাজ্যসভার পদ ছাড়ার প্রসঙ্গ উঠতেই সেসব কথা ফিরে আসছে সামাজিক মাধ্যমসহ নানা মহলে। রাজ্যে পালাবদলের পর তৃণমূলে লাগাতার ধস অব্যাহত। অভিনেত্রীও কি সেই পথেরই পথিক? তিনি কি দিল্লির পথে রওনা দিয়েছেন?</p><p>এখন পালাবদলের সময়। যাদের হয়ে রাজ্যসভায় গিয়েছিলেন কোয়েল, সেই তৃণমূলে ভাঙন ধরেছে। কিন্তু তৃণমূলের ‘বিদ্রোহী’ সদস্যদের দলে কোয়েল যোগদান করবেন না। সম্মান রেখে রাজনীতি থেকে দূরেই থাকবেন তিনি। অভিনেত্রীকে যারা কাছ থেকে চেনেন, তারা অন্তত এমনই মনে করছেন।</p><p>প্রসঙ্গত সোমবার (৮ জুন) সকাল থেকে কোয়েলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি নিশ্চুপ। মেলেনি এ সংক্রান্ত কোনো উত্তর।</p><h3>বিভিন্ন মতামত</h3><p>তৃণমূলের একটি সূত্র জানিয়েছিল, কোয়েলের যেহেতু পাঞ্জাবি পরিবারে বিয়ে, তাই তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠিয়ে নাকি ভবানীপুরের পাঞ্জাবি ভোটারদের কাছে বার্তা দিতে চেয়েছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু ভোটের ফলে এই অঙ্ক ভ্রান্ত প্রমাণিত হয়েছে। ভবানীপুরে পাঞ্জাবিদের ভোট এমন কিছু বেশি নয়। ফলে কোয়েলকে রাজ্যসভায় পাঠানোটা ‘তেলা মাথায় অতিরিক্ত তেল’ দেওয়ার মতো ঘটনা বলে অনেকে মনে করেন।</p><p>দলের অন্দরে কান পাতলে আর একটা কথাও শোনা যায়। কোয়েলের স্বামী বর্তমানে প্রযোজনা ছাড়াও কিছু রিয়েল এস্টেটের কাজের সঙ্গে যুক্ত। রিয়েল এস্টেট ব্যবসার স্বার্থেই নাকি তিনি কোয়েলকে মমতার অনুরোধ ফেলতে বারণ করেন। কোয়েল-ঘনিষ্ঠ এক অভিনেতা অবশ্য এ সম্ভাবনা উড়িয়ে দেন।</p><p>এমনকি তৃণমূলের হয়ে রাজ্যসভায় যাওয়ার পরও কোয়েলের অভিনেতা পিতা রঞ্জিত মল্লিক বলেছিলেন, <em>“কোয়েল বড় হয়েছে। বুঝদার মেয়ে। ওকে আলাদা করে বলার কিছু নেই। খুবই বুদ্ধি নিয়ে কাজ করে। এ ক্ষেত্রেও তেমনই করবে। বাবা হিসাবে যা যা বলার সেটুকু বলেছি। সৎপথে থেকে ভালো কাজ করুক— এটাই চাওয়া।”</em></p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:06:17 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার কনোলিকে ফেরালেন মোসাদ্দেক]]></title>
				<category>ক্রিকেট</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/cricket/article-127915.html</link>
				<description><![CDATA[<p>মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম খেলায় অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার কুপার কনোলিকে পরিষ্কার বোল্ড করে সাজঘরে ফেরান বাংলাদেশ দলের স্পিন অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।</p><h2>মোসাদ্দেকের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স</h2><p>২০২২ সালের ৫ আগস্টের পর ওয়ানডে খেলতে নেমে ব্যাটে ও বলে দারুণ পারফর্ম করছেন সৈকত। তার শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার কুপার কনোলি। তিনি ৫০ বল খেলে ৫টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ৩৫ রান করে আউট হন। তার বিদায়ের মধ্য দিয়ে ১৯.২ ওভারে ৯১ রানে ৪ উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া।</p><p>এর আগে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৮ উইকেটে ২৮৪ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। ২০২২ সালের ৫ আগস্টের পর খেলতে নেমে ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেলেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। তিনি ৭০ বলে ৭টি চার ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে দলীয় সর্বোচ্চ ৮৬ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেন। তার বিধ্বংসী ইনিংসের সুবাদে লড়াকু পুঁজি পায় স্বাগতিক বাংলাদেশ।</p><p>এছাড়া ৮৬ বল খেলে ৯টি চার ও ১টি ছক্কায় ৬৭ রান করেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ৪৪ বলে ৭টি চার ও ১টি ছক্কায় ৫৫ রান করেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম।</p><h3>অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং বিপর্যয়</h3><p>টার্গেট তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। ব্যাটিংয়ে নেমেই ২ রানে ২ উইকেট হারিয়ে প্রাথমিক বিপর্যয়ে পড়ে সফরকারীরা। প্রথম আঘাত হানেন বাংলাদেশের তারকা পেসার তাসকিন আহমেদ। তার বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার ম্যাথিউ শর্ট, যিনি গোল্ডেন ডাক পান। ইনিংসের প্রথম বলেই আউট হন তিনি।</p><p>ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে বল করতে এসে দ্বিতীয় বলেই ওয়ান ডাউনে ব্যাটিংয়ে নামা মার্নাস লাবুশেনকে ফেরান কাটারমাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান। তার বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন অস্ট্রেলিয়ান তারকা ক্রিকেটার লাবুশেন।</p><p>১০.১ ওভারে দলীয় ৫১ রানে ফেরেন অধিনায়ক জশ ইংলিস। তিনি নাহিদ রানার বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন। তার আগে ২৫ বলে তিন বাউন্ডারিতে করেন ১৯ রান।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:49:14 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বাজেটে শিশুদের অগ্রাধিকার না দিলে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি: অর্থনীতিবিদরা]]></title>
				<category>গণতন্ত্র</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/gonotontro/article-127914.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশ যখন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট উন্মোচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন অর্থনীতিবিদ, শিশু অধিকারকর্মী ও উন্নয়ন বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে দেশের জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ শিশু সরকারি ব্যয়ে মূলত অদৃশ্য থেকে যাচ্ছে। তারা যুক্তি দেখান যে প্রতি বছর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, সামাজিক সুরক্ষা ও শিশু কল্যাণ কর্মসূচিতে কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ থাকলেও একটি নিবেদিত শিশু বাজেট কাঠামোর অভাবে প্রকৃত অর্থে কত টাকা শিশুদের কাছে পৌঁছায় তা নির্ধারণ করা কঠিন—বিশেষ করে রাস্তার শিশু, দারিদ্র্যের মধ্যে বসবাসকারী শিশু ও জলবায়ু-সম্পর্কিত ঝুঁকিতে থাকা শিশুদের জন্য।</p><h2>শিশু-কেন্দ্রিক বাজেটের প্রয়োজনীয়তা</h2><p>সরকারকে বাজেটের অগ্রাধিকারে শিশুদের কেন্দ্রে রাখার এবং মন্ত্রণালয় জুড়ে শিশু-কেন্দ্রিক ব্যয় ট্র্যাক করার জন্য একটি স্বচ্ছ ব্যবস্থা চালু করার আহ্বান পুনরায় জোরালো হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রায় ২০টি মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থা বর্তমানে শিশু-সম্পর্কিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। তবে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, পুষ্টি, স্যানিটেশন, সামাজিক সুরক্ষা ও নারী ও শিশু বিষয়ক সহ একাধিক খাতে ব্যয় ছড়িয়ে থাকায় সামগ্রিক পর্যবেক্ষণ কঠিন হয়ে পড়েছে।</p><p>ফলস্বরূপ, বিশ্লেষকরা বলছেন যে সরকারি বিনিয়োগ শিশুদের জীবনে মাপযোগ্য উন্নতি আনছে কিনা সে সম্পর্কে বাংলাদেশের স্পষ্ট ধারণার অভাব রয়েছে। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশিষ্ট ফেলো অধ্যাপক মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, “প্রথম প্রশ্নটি হলো কত টাকা বরাদ্দ হচ্ছে তা নয়, বরং শিশুদের জন্য আসলে কত টাকা ব্যয় হচ্ছে এবং তা কতটা কার্যকর।” তিনি বলেন, বাংলাদেশের জরুরিভাবে শিশুদের জন্য একটি নিবেদিত প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো প্রয়োজন এবং প্রায় ৩২ লাখ রাস্তার শিশু মূলধারার নীতি আলোচনার বাইরে থেকে যাচ্ছে।</p><h3>বাজেট প্রণয়নের চ্যালেঞ্জ</h3><p>নীতিনির্ধারকরা যখন পরবর্তী জাতীয় বাজেট চূড়ান্ত করছেন, তখন বাংলাদেশ দারিদ্র্য, নগরায়ন, জলবায়ু পরিবর্তন ও জনসংখ্যাগত পরিবর্তনের মতো ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। শিশু অধিকার গোষ্ঠীগুলি যুক্তি দেয় যে শিশুদের জন্য বিনিয়োগকে কল্যাণ ব্যয় হিসাবে নয়, বরং মানব পুঁজি ও জাতীয় উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ হিসাবে দেখা উচিত। সেভ দ্য চিলড্রেন একটি নিবেদিত শিশু বাজেট বিবৃতি পুনরুদ্ধার এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, শিশু সুরক্ষা, পুষ্টি ও জলবায়ু-সহনশীল পরিষেবাগুলির জন্য বরাদ্দ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে।</p><p>গত এক দশকে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সত্ত্বেও, বিশেষজ্ঞরা বলছেন বড় ধরনের ফাঁক রয়ে গেছে। দরিদ্র, জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ ও ভৌগোলিকভাবে বিচ্ছিন্ন সম্প্রদায়গুলিতে বিদ্যালয়ের ঝরে পড়ার হার এখনও বেশি, আর অপুষ্টি লক্ষ লক্ষ শিশুকে প্রভাবিত করে চলেছে এবং তাদের শারীরিক ও জ্ঞানীয় বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করছে।</p><h2>জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব</h2><p>জলবায়ু পরিবর্তন নতুন চাপ যোগ করছে। বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, নদীভাঙন ও লবণাক্ততার অনুপ্রবেশ শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও পুষ্টি পরিষেবাগুলিকে ক্রমবর্ধমানভাবে ব্যাহত করছে, বিশেষ করে উপকূলীয় ও দুর্যোগপ্রবণ এলাকায়। এলইডিওর নির্বাহী পরিচালক ফরহাদ হোসেন বলেন, রাস্তার শিশুরা জননীতিতে সবচেয়ে উপেক্ষিত গোষ্ঠীর মধ্যে রয়েছে। “একটি বিশাল জনগোষ্ঠী রাস্তায় বসবাস করছে, অথচ তাদের চাহিদা মেটানোর জন্য কোনো ব্যাপক জাতীয় কৌশল নেই,” তিনি বলেন।</p><h3>তথ্য সংগ্রহ ও সমন্বয়ের দুর্বলতা</h3><p>বিশেষজ্ঞরা সরকারি সংস্থাগুলির মধ্যে তথ্য সংগ্রহ ও সমন্বয়ের দুর্বলতার দিকেও ইঙ্গিত করেন, যুক্তি দেন যে দুর্বল তথ্য প্রায়শই অকার্যকর বাজেট ও বাস্তবায়নে বিলম্বের দিকে নিয়ে যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রুমানা হক বলেন, বাংলাদেশের অত্যন্ত কেন্দ্রীভূত বাজেট ব্যবস্থা মন্ত্রণালয় জুড়ে শিশু-সম্পর্কিত ব্যয় মূল্যায়ন করা কঠিন করে তোলে। তিনি উল্লেখ করেন যে যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, পাকিস্তান ও নেপালের মতো দেশগুলি বাজেট প্রণয়নের সময় জনসংখ্যাগত চাহিদা বিশ্লেষণ করে, যা সরকারকে শিশু ও দুর্বল গোষ্ঠীর জন্য বিনিয়োগের প্রয়োজনীয়তা আরও ভালভাবে বুঝতে সহায়তা করে।</p><p>“একটি শিশুর বিকাশ জন্মের আগেই শুরু হয়। তাই শিশুদের জন্য বিনিয়োগের মধ্যে মা, পরিবার ও সহায়ক সামাজিক পরিবেশের জন্য বিনিয়োগ অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে,” তিনি বলেন। তিনি জোর দেন যে বরাদ্দের পরিমাণ গুরুত্বপূর্ণ হলেও কার্যকর বাস্তবায়ন, জবাবদিহিতা ও সমন্বয় সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।</p><h2>বাজেটের বাস্তবতা</h2><p>বাজেটের পরিসংখ্যান চ্যালেঞ্জটি তুলে ধরে। প্রস্তাবিত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ৫,০৭৭.৮৯ কোটি টাকা পেয়েছে, যা আগের বছরের ৫,২২২.১৯ কোটি টাকা থেকে কিছুটা কম। বিশেষজ্ঞরা যুক্তি দেন যে বাংলাদেশের শিশু জনসংখ্যার আকার ও তারা যে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি তার তুলনায় শিশুদের জন্য সরাসরি ব্যয়িত ব্যয় এখনও নগণ্য। নীতি-উকিলদের জন্য কেন্দ্রীয় প্রশ্নটি আর এই নয় যে বাংলাদেশ শিশুদের জন্য অর্থ ব্যয় করে কিনা, বরং এই বিনিয়োগগুলি সমন্বিত, মাপযোগ্য এবং সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তাদের কাছে পৌঁছাচ্ছে কিনা।</p><p>বাজেট আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছানোর সময়, তারা সতর্ক করে যে শিশুদের, বিশেষ করে রাস্তার শিশু ও অন্যান্য দুর্বল গোষ্ঠীকে অগ্রাধিকার না দিলে দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক ও সামাজিক খরচ বহন করতে হতে পারে। নীতিনির্ধারকদের কাছে তাদের বার্তা সহজ: একটি বাজেট যে তার শিশুদের জন্য স্পষ্টভাবে হিসাব দিতে পারে না, শেষ পর্যন্ত তা দেশের ভবিষ্যৎকে উপেক্ষা করার ঝুঁকি নেয়।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:08:27 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[স্মার্টফোন কি জন্মনিয়ন্ত্রণের কারণ? যুক্তরাষ্ট্রের নতুন গবেষণা বলছে হ্যাঁ]]></title>
				<category>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা</category>
				<link>https://bdgazette.com/projukti/kritrim-buddhimotta/article-127913.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বিশ্বজুড়ে সরকারগুলো যখন জন্মহার হ্রাস রোধের উপায় খুঁজছে, তখন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন গবেষণা বলছে তারা একটি মূল কারণ উপেক্ষা করেছে—স্মার্টফোন।</p><h2>আইফোন কি জন্মনিয়ন্ত্রণ?</h2><p>ন্যাশনাল ব্যুরো অফ ইকোনমিক রিসার্চ-এ সোমবার প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে এই প্রশ্ন তোলা হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, ২০০৭ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের উর্বরতার হার ২২% কমেছে।</p><p>প্রথমে বিশেষজ্ঞরা এই পতনকে ২০০৮ সালের মন্দার সঙ্গে যুক্ত করেছিলেন। কিন্তু অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ালেও জন্মহারে পুনরুদ্ধার দেখা যায়নি।</p><p>গর্ভনিরোধক ব্যবহার বৃদ্ধি, নারী শিক্ষা, আবাসন ও শিশু যত্নের ব্যয় বৃদ্ধি—এসব কারণও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে কোনো নির্দিষ্ট কারণ প্রতিষ্ঠিত হয়নি।</p><h3>গবেষণার পদ্ধতি</h3><p>মিডলবেরি কলেজের অর্থনীতিবিদ কেটলিন মায়ার্স ও তার ছাত্র ইজেকিয়েল হুপার একটি হাইপোথিসিস পরীক্ষা করেন: ২০০৭ সালে প্রথম আইফোন বাজারে আসার পর স্মার্টফোন কি জন্মহার হ্রাসের কারণ? ২০১১ সাল পর্যন্ত আইফোন শুধু এটিএন্ডটি নেটওয়ার্কে পাওয়া যেত। তাই তারা যুক্তরাষ্ট্রের কাউন্টিগুলো তুলনা করেন যেখানে এটিএন্ডটির প্রায় সর্বজনীন কভারেজ ছিল এবং যেখানে ছিল না।</p><p>তারা দেখতে পান, আইফোনের প্রাপ্যতা ১৫-১৯ বছর বয়সীদের মধ্যে জন্মহার ৪.৫-৮.০% এবং ২০-২৪ বছর বয়সীদের মধ্যে ৩.২-৬.৬% হ্রাসের সঙ্গে সম্পর্কিত। বয়স্ক নারীদের মধ্যেও পরিসংখ্যানগতভাবে তাৎপর্যপূর্ণ কিন্তু ছোট পতন দেখা গেছে।</p><h3>স্মার্টফোনের ভূমিকা</h3><p>গবেষকরা জোর দিয়ে বলেন, আইফোন একমাত্র কারণ নয়। তবে স্মার্টফোনের প্রবর্তন ২০০৭ সালের পর যুক্তরাষ্ট্রের জন্মহার হ্রাসে 'বড় ভূমিকা' রেখেছে, কারণ এটি মানুষের আচরণ পরিবর্তন করেছে এবং ব্যক্তিগত যোগাযোগ কমিয়েছে।</p><p>তাদের মতে, 'আধুনিক স্মার্টফোনের প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে বন্ধুদের সঙ্গে ব্যক্তিগত সময় ও যৌন কার্যক্রম তীব্রভাবে কমেছে, অন্যদিকে পর্নোগ্রাফি গ্রহণ বেড়েছে, যা সম্ভবত অংশীদারি যৌনতার বিকল্প।'</p><h2>বিশ্বব্যাপী প্রবণতা</h2><p>সিনসিনাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতিবিদ নাথান হাডসন ও হার্নান মস্কোসো বোয়েদো মে মাসে প্রকাশিত আরেকটি গবেষণায় ২০০৭ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী একই প্রবণতার প্রমাণ পেয়েছেন। তারা ১২৮টি দেশের স্মার্টফোন ব্যবহার ও কিশোরী উর্বরতার হারের তথ্য বিশ্লেষণ করেন।</p><p>তারা দেখতে পান, স্মার্টফোন ব্যাপকভাবে উপলব্ধ হওয়ার পর জন্মহার হ্রাস ত্বরান্বিত হয়েছে—এটি এমন দেশগুলোর মধ্যে দেখা গেছে যাদের স্বাস্থ্য, কল্যাণ, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পরিবেশ মৌলিকভাবে ভিন্ন।</p><p>তাদের উপসংহার, এটি 'একটি সাধারণ বৈশ্বিক প্রযুক্তিগত শক' নির্দেশ করে।</p><h3>সন্দেহের অবকাশ</h3><p>কিছু শিক্ষাবিদ সন্দিহান। উদাহরণস্বরূপ, যুক্তরাষ্ট্রে কিশোরী জন্মহার ১৯৯০-এর দশকের শুরুর দিক থেকে কমছে, স্মার্টফোন আসার অনেক আগে।</p><p>কোনো গবেষণায় সরকার কীভাবে ফলাফল ব্যবহার করতে পারে তা পরীক্ষা করা হয়নি।</p><p>ধনী ও দরিদ্র উভয় দেশই জন্মহার হ্রাসের সঙ্গে লড়াই করছে, যা বার্ধক্যজনিত সমাজ ও সঙ্কুচিত কর্মশক্তির দিকে নিয়ে যায়—সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি করে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উৎপাদনশীলতা হ্রাস করতে পারে।</p><p>সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের উর্বরতার হার সর্বকালের সর্বনিম্নে পৌঁছেছে। এশিয়ার প্রধান অর্থনীতিগুলোও আগামী বছরগুলোতে জনসংখ্যা হ্রাসের সম্ভাবনার মুখোমুখি।</p><p>চীন ২০১৬ সালে তার দশকের এক সন্তান নীতি পরিত্যাগ করেছে, অন্যদিকে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া প্রসব-পক্ষে নীতিতে ব্যাপক বিনিয়োগ করলেও সামান্য প্রভাব পড়েছে। বিশ্বের দরিদ্রতম দেশগুলো, যেমন সাব-সাহারান আফ্রিকা, এখনও উচ্চ জন্মহার ধরে রেখেছে, কিন্তু ভারত ও ব্রাজিলের মতো মধ্যম আয়ের দেশগুলোতেও উর্বরতার হার দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:53:07 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[অভিযানের আগেই পালালেন অভিযুক্ত, ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার]]></title>
				<category>কৃষি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/krishi/article-127912.html</link>
				<description><![CDATA[<p>কুষ্টিয়ায় একটি অভিযানের আগেই অভিযুক্ত পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ। জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ একটি বাড়িতে অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করে। কিন্তু অভিযানের আগেই অভিযুক্ত সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পরে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য কয়েক লাখ টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং পলাতক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:48:06 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[অভিযানের আগেই পালালেন অভিযুক্ত, ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার]]></title>
				<category>কৃষি</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/krishi/article-127911.html</link>
				<description><![CDATA[<p>অভিযানের আগেই অভিযুক্ত পালিয়ে যাওয়ায় ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রশাসনের আশ্বাসে কর্মবিরতি স্থগিত করলেন বেরোবি কর্মকর্তারা। কুষ্টিয়ায় দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত ও ৩ জন আহত হয়েছেন। নেইমারকে নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়েছে ব্রাজিল। এমপির ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণার পরও বন্ধ হয়নি মাটি কাটা, সিংগাইরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মামদানির মতে ২০২৬ বিশ্বকাপ জিতবে যে দেশ। বিশ্বকাপে গোল করায় শীর্ষে আছে যে দেশ। সংসদে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, নতুন উদ্যোক্তারা বিনা জামানতে ঋণ পাচ্ছেন ১০ লাখ টাকা। আলিম পরীক্ষায় সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মোবাইলে বিশ্বকাপের খেলা দেখবেন যেভাবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:06:53 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[জুলাই থেকে কার্যকর হচ্ছে নবম পে-স্কেল, ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন]]></title>
				<category>পণ্যমূল্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/ponnyomulyo/article-127910.html</link>
				<description><![CDATA[<p>সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত নবম জাতীয় পে-স্কেল আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকরের লক্ষ্যে প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। নতুন অর্থবছরের শুরু থেকেই নবম জাতীয় পে-স্কেল কার্যকর করতে জুন মাসের মধ্যেই গেজেট প্রকাশের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।</p><h2>অর্থবরাদ্দ ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা</h2><p>আগামী ২০২৬–২৭ অর্থবছরে নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের জন্য প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, নবম জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ অর্থ বরাদ্দ করা হবে। সূত্র জানায়, আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীরা প্রস্তাবিত মূল বেতনের ৫০ শতাংশ পাবেন। পরের অর্থবছরে বাকি ৫০ শতাংশ যুক্ত করা হবে এবং ২০২৮–২৯ অর্থবছর থেকে পূর্ণ বেতন–ভাতা কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে।</p><h2>বাজেট উপস্থাপন</h2><p>আগামী ১১ জুন জাতীয় সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বাজেট বক্তব্যে তিনি নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের যৌক্তিকতা ও ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারেন বলে জানা গেছে।</p><h2>বর্তমান বরাদ্দ ও অতিরিক্ত ব্যয়</h2><p>চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন–ভাতায় বরাদ্দ রয়েছে ৮৪ হাজার ১১৪ কোটি টাকা। নবম জাতীয় বেতন কমিশনের হিসাবে, সুপারিশ পুরোপুরি বাস্তবায়ন করলে অতিরিক্ত এক লাখ ছয় হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে, যার ফলে মোট ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় এক লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।</p><h2>কমিশন গঠন ও সুপারিশ</h2><p>অষ্টম বেতন কমিশনের প্রায় এক যুগ পর ২০২৫ সালের ২৭ জুলাই সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে ২৩ সদস্যের নবম জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করা হয়। কমিশন গত জানুয়ারিতে তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার কাছে বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ জমা দেয়। পরবর্তীতে সরকারের উচ্চপর্যায়ের কমিটি তিন ধাপে বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ করে, যা অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে চূড়ান্তভাবে বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।</p><h3>বেতন কাঠামোর প্রস্তাব</h3><p>কমিশনের সুপারিশে ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রেও বড় ধরনের বৃদ্ধি সুপারিশ করা হয়েছে। মাসে ২০ হাজার টাকার কম পেনশনধারীরা প্রায় ১০০ শতাংশ পর্যন্ত, ২০–৪০ হাজার টাকার মধ্যে থাকা ব্যক্তিরা ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত এবং ৪০ হাজার টাকার বেশি পেনশনধারীরা ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির সুবিধা পেতে পারেন। এছাড়া বয়সভেদে চিকিৎসা ভাতা বাড়ানোর প্রস্তাবও রয়েছে।</p><h2>অর্থনীতিবিদদের মতামত</h2><p>অর্থনীতিবিদ ও সাবেক কর্মকর্তারা বলছেন, বর্তমান রাজস্ব পরিস্থিতিতে একসঙ্গে পুরো বেতনকাঠামো বাস্তবায়ন কঠিন হলেও ধাপে ধাপে বাস্তবায়নই বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত হতে পারে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:14:36 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[পৃথিবীতে প্রাণের উপাদান এনেছে বৃহস্পতি, নতুন গবেষণায় চমক]]></title>
				<category>গবেষণা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/gobeshona/article-127909.html</link>
				<description><![CDATA[<p>পৃথিবী কীভাবে প্রাণ ধারণের উপযোগী হয়ে উঠেছে এবং এখানে প্রাণের প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো কীভাবে এসেছে, তা বিজ্ঞানীদের কাছে এখনও এক অমীমাংসিত রহস্য। দীর্ঘদিন ধরে বিজ্ঞানীদের ধারণা ছিল, পৃথিবী সৃষ্টির শেষ পর্যায়ে সৌরজগতের বাইরের অঞ্চল থেকে আসা উল্কাপিণ্ডের মাধ্যমে প্রাণের উপাদান এসেছে। তবে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার অর্থায়নে পরিচালিত নতুন এক গবেষণা এই পুরোনো তত্ত্বকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।</p><h2>নতুন গবেষণার মূল দাবি</h2><p>গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, পৃথিবীতে প্রাণের বিকাশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি উপাদান—ফসফরাস ও নাইট্রোজেন—আমাদের সৌরজগতের ভেতরের কোনো অংশ থেকেই এসেছে। আর এই উপাদানগুলো পৃথিবীতে পৌঁছানোর পেছনে সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্যাসীয় দানব গ্রহ বৃহস্পতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বিজ্ঞান সাময়িকী সায়েন্স অ্যাডভান্সেসে গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।</p><h3>গবেষণার পদ্ধতি ও ফলাফল</h3><p>যুক্তরাষ্ট্রের রাইস ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক রাজদীপ দাশগুপ্তের নেতৃত্বে পরিচালিত এই গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রায় সাড়ে ৪০০ কোটি বছর আগে আদি সূর্যের চারপাশে গ্যাস ও ধূলিকণার ঘূর্ণায়মান মেঘ থেকে সৌরজগতের যাত্রা শুরু হয়। এই ধূলিকণার মেঘের ভেতরেই ধীরে ধীরে গ্রহ, উপগ্রহ ও জীবনের মূল উপাদানগুলো আকৃতি নিতে থাকে। প্রাথমিক পর্যায়ে গ্যাস ও ধূলিকণাগুলো জমাট বেঁধে প্ল্যানেটেসিমাল নামের ছোট ছোট মহাজাগতিক বস্তুতে পরিণত হয়, যা পরবর্তীকালে ক্রমাগত সংঘর্ষের মাধ্যমে গ্রহে রূপ নেয়। এগুলোর কিছু অংশ মহাকাশে গ্রহাণু হিসেবে টিকে থাকে।</p><p>পৃথিবীতে পাওয়া দুটি ভিন্ন প্রজন্মের উল্কাপিণ্ড পরীক্ষা করে দেখা গেছে, আয়রন মেটিওরাইট বা লোহার উল্কাপিণ্ড মূলত লোহা ও নিকেলের মিশ্রণে তৈরি অত্যন্ত ঘন ধাতব বস্তু, যা সৌরজগতের সবচেয়ে পুরোনো বা প্রথম প্রজন্মের প্ল্যানেটেসিমাল থেকে এসেছে। অন্যদিকে, পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি পাওয়া পাথুরে উল্কাপিণ্ড বা কনড্রাইটগুলো এসেছে প্রথম প্রজন্মের ২০ থেকে ৩০ লাখ বছর পর তৈরি হওয়া দ্বিতীয় প্রজন্মের প্ল্যানেটেসিমাল থেকে।</p><h3>ভূরাসায়নিক মডেলিংয়ের গুরুত্ব</h3><p>ভূরাসায়নিক মডেলিংয়ের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা এই দুই প্রজন্মের উল্কাপিণ্ডে ফসফরাস ও নাইট্রোজেনের অনুপাত পর্যবেক্ষণ করেছেন। তাতে ধরা পড়েছে এক বিস্ময়কর পরিবর্তন। প্রথম প্রজন্মের উল্কাপিণ্ড তৈরির সময় সৌরজগতের বাইরের অংশে ফসফরাস ও নাইট্রোজেনের অনুপাত বেশি ছিল, কারণ তখন ভেতরের উপাদানগুলো বাইরের দিকে প্রবাহিত হচ্ছিল। কিন্তু এর পরেই মহাকাশের দৃশ্যপটে হাজির হয় দানব গ্রহ বৃহস্পতি। বৃহস্পতি যখন আকারে বড় হতে শুরু করে, তখন তার প্রচণ্ড মহাকর্ষীয় বল সৌরজগতের ভেতরের অংশ থেকে বাইরের অংশে ফসফরাস ও নাইট্রোজেনের এই অবাধ চলাচলকে বাধাগ্রস্ত ও অবরুদ্ধ করে দেয়। ফলে দ্বিতীয় প্রজন্মের প্ল্যানেটেসিমালগুলো তৈরির সময় সৌরজগতের ভেতরের অংশের বস্তুগুলোতে বাইরের অংশের তুলনায় ফসফরাস ও নাইট্রোজেনের অনুপাত অনেক বেশি ছিল।</p><h3>পৃথিবীর সঙ্গে মিল</h3><p>বিজ্ঞানীদের ভূরাসায়নিক মডেলিং নিশ্চিত করেছে, পৃথিবীর বর্তমান ফসফরাস ও নাইট্রোজেনের রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য সৌরজগতের ভেতরের অংশের উপাদানগুলোর সঙ্গে হুবহু মিলে গেছে। অধ্যাপক রাজদীপ দাশগুপ্তের মতে, এই গবেষণা আমাদের সৌরজগতের সীমানা পেরিয়ে দূর মহাবিশ্বের অন্য কোনো গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব খোঁজার ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:50:15 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[কুষ্টিয়ায় ট্রাক সংঘর্ষে চালক নিহত, আহত ৩]]></title>
				<category>যুদ্ধ-সংঘাত</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/juddho-shonghat/article-127908.html</link>
				<description><![CDATA[<p>কুষ্টিয়ায় দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক চালক নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন। শনিবার সকালে কুষ্টিয়া-মেহেরপুর সড়কের কুঠিপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত চালকের নাম মো. জাহিদ হাসান (৩৫)। তিনি একটি ট্রাকে করে কুষ্টিয়া থেকে মেহেরপুর যাচ্ছিলেন। অপর ট্রাকটি মেহেরপুর থেকে কুষ্টিয়ায় আসছিল। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, দ্রুতগতির কারণে ট্রাক দুটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই জাহিদ নিহত হন। আহত তিনজনকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সিংগাইরে মানববন্ধন ও মামদানির মতে ২০২৬ বিশ্বকাপ জিতবে যে দেশ, বিশ্বকাপে গোল করায় শীর্ষে আছে যে দেশ, সংসদে অর্থমন্ত্রী নতুন উদ্যোক্তারা বিনা জামানতে ঋণ পাচ্ছেন ১০ লাখ টাকা, আলিম পরীক্ষায় সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ, মোবাইলে বিশ্বকাপের খেলা দেখবেন যেভাবে, তানিয়া বৃষ্টির মৃত্যুর গুজব, জামায়াতের ছায়া বাজেটে ৮ লাখ ৮৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার প্রস্তাবনা—সব খবর সব খবর।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:32:01 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ইরান চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় জয়: জেডি ভ্যান্স]]></title>
				<category>যুদ্ধ-সংঘাত</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/juddho-shonghat/article-127907.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সম্পাদিত হতে যাওয়া সম্ভাব্য শান্তি চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের জন্য একটি বিরাট বড় জয় বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, এই চুক্তি ইসরায়েলের পছন্দ হোক কিংবা না হোক, তাতে কিছু যায় আসে না। মঙ্গলবার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স এই মন্তব্য করেন।</p><h2>ভ্যান্সের বক্তব্য</h2><p>ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জেডি ভ্যান্স স্বীকার করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অনেক যৌথ বা অংশীদারত্বমূলক স্বার্থ রয়েছে, তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমাদের স্বার্থের ভিন্নতাও রয়েছে।</p><p>ভ্যান্স বলেন, আমার মনে হয় প্রেসিডেন্ট এখানে অত্যন্ত স্পষ্ট। ইসরায়েলের অবশ্যই নিজস্ব কিছু লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য রয়েছে, তবে ইরানের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য হলো, ইরান যাতে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে তা নিশ্চিত করা।</p><h3>নতুন চুক্তির প্রস্তুতি</h3><p>তিনি দাবি করেন, ট্রাম্প পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর থেকে হোয়াইট হাউস একটি নতুন পারমাণবিক চুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় ক্ষেত্র তৈরি করেছে, যা ২০১৫ সালে ততকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার করা চুক্তির চেয়ে অনেক বেশি উন্নত ও কার্যকর হবে।</p><p>জেডি ভ্যান্স আরও বলেন, এখন, ইসরায়েল এটি পছন্দ করতেও পারে, আবার নাও করতে পারে। তবে মৌলিকভাবে আমরা মনে করি, এটি যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ স্বার্থের অনুকূলে যাবে।</p><p>তিনি বলেন, ইরানিরাও চায় না এই যুদ্ধ চলুক, কারণ এটি তাদের নিজেদের স্বার্থেরও পরিপন্থি। আর সে কারণেই আমি মনে করি তারা আলোচনার টেবিলে আসছে এবং কিছু প্রস্তাব রাখছে।</p><p>সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:14:21 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ভারতীয় নাগরিক পুশ-ইন: জামায়াতের নিন্দা ও প্রতিবাদ]]></title>
				<category>কূটনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/kutniti/article-127906.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে জোরপূর্বক প্রবেশ করানোর অপচেষ্টার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। মঙ্গলবার (৯ জুন) এক বিবৃতিতে এই নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান দলের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার।</p><h2>বিবৃতির মূল বক্তব্য</h2><p>বিবৃতিতে তিনি বলেন, “ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বাংলাদেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে জোরপূর্বক ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চালাচ্ছে, যা বেআইনি, অন্যায় এবং কূটনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত।”</p><p>মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ভারত সরকার তাদের নাগরিকদের বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা চালিয়ে দেশটির সংবিধান, আন্তর্জাতিক আইন এবং জাতিসংঘের মানবাধিকার সনদের লঙ্ঘন করছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন এ ধরনের কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানালেও ভারত সরকার তা আমলে নিচ্ছে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।</p><h3>সীমান্তে ঘটনা</h3><p>বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার মশালগাঁও সীমান্ত দিয়ে ১১ জন ভারতীয় নারী-পুরুষ ও শিশুকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করলে বিজিবি তা প্রতিহত করে। তাদের মধ্যে ৯ মাসের গর্ভবতী নারী ও একজন প্রতিবন্ধী শিশুও রয়েছে। বর্তমানে তারা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছে।</p><p>এছাড়া পঞ্চগড়ের হাড়িভাসা সীমান্ত দিয়ে ১০ জন ভারতীয়কে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা করা হয় বলে তিনি জানান। একই সঙ্গে কুড়িগ্রাম, মেহেরপুর ও শেরপুরসহ প্রায় ১১টি জেলার বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে প্রায় ৩২০ জন ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশে পাঠানোর অপচেষ্টা চালানো হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।</p><h3>প্রতিহতের ঘটনা</h3><p>মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বিজিবি, আনসার-ভিডিপি এবং স্থানীয় জনগণের সতর্ক অবস্থানের কারণে একাধিকবার এসব পুশ-ইনের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার একাধিকবার ভারতকে চিঠি পাঠালেও এখন পর্যন্ত কোনও জবাব পাওয়া যায়নি।</p><h2>জামায়াতের আহ্বান</h2><p>জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, বাংলাদেশের জনগণ কোনও অবস্থাতেই বিদেশি চাপের কাছে নতিস্বীকার করবে না। সীমান্তে এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করে প্রতিবেশীসুলভ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।</p><p>একই সঙ্গে ভারতীয় আগ্রাসী তৎপরতার বিরুদ্ধে আমরা বাংলাদেশ সরকারকে প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:50:17 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ব্যাংকিং খাত সংস্কারে সরকারের নানামুখী উদ্যোগ: অর্থমন্ত্রী]]></title>
				<category>ব্যাংকিং</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/banking/article-127905.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ব্যাংকিং খাতকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে এবং সুশাসন নিশ্চিত করতে সরকার নানামুখী সংস্কার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, এর অংশ হিসেবে পাঁচটি সমস্যাপীড়িত ইসলামি ব্যাংককে একীভূত করে ‘সম্মিলিত ইসলামি ব্যাংক পিএলসি’ গঠন করা হয়েছে। একইসঙ্গে আমানতকারীদের আস্থা বাড়াতে সুরক্ষিত আমানতের সীমা এক লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে দুই লাখ টাকা করা হয়েছে।</p><p>মঙ্গলবার (৯ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় (বাজেট) অধিবেশনে কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফর রহমানের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এসব তথ্য জানান। লুৎফর রহমান জানতে চান, ব্যাংকিং খাতকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সরকার কোনও বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছে কিনা।</p><h2>সম্মিলিত ইসলামি ব্যাংক গঠন</h2><p>জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সরকার একটি সুসংগঠিত ও বহুমাত্রিক রেজল্যুশন কাঠামো প্রতিষ্ঠা করেছে। এর আইনি ভিত্তি হিসেবে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬’ কার্যকর করা হয়েছে। এই কাঠামোর আওতায় পাঁচটি সমস্যাপীড়িত ইসলামি ব্যাংককে একীভূত করে ‘সম্মিলিত ইসলামি ব্যাংক পিএলসি’ গঠন করা হয়েছে, যা ব্যাংক খাত সংস্কারে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।</p><h3>আমানত সুরক্ষা আইন</h3><p>তিনি আরও জানান, ‘আমানত সুরক্ষা আইন, ২০২৬’-এর মাধ্যমে আমানতকারীদের সুরক্ষিত আমানতের পরিমাণ সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে দুই লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। আগে ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলোর আমানতকারীরা এই সুরক্ষার বাইরে থাকলেও বর্তমানে তাদেরও এর আওতায় আনা হয়েছে।</p><h2>খেলাপি ঋণ আদায় ও ঋণশৃঙ্খলা ফেরাতে পদক্ষেপ</h2><p>অর্থমন্ত্রী বলেন, খেলাপি ঋণ আদায় এবং ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—</p><ul><li>ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের (উইলফুল ডিফল্টার) শনাক্ত ও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিআরপিডি সার্কুলার জারি;</li><li>খেলাপি ও ইচ্ছাকৃত খেলাপিদের তালিকা প্রকাশের উদ্যোগ;</li><li>একজন ঋণগ্রহীতা ব্যাংকিং খাত থেকে সর্বোচ্চ কত টাকা ঋণ নিতে পারবেন, তার সীমা নির্ধারণ;</li><li>এক হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থায়নের ক্ষেত্রে ব্যাংকের ওপর চাপ কমাতে বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের নির্দেশনা;</li><li>খেলাপিরা যাতে উচ্চ আদালতে রিট করে ঋণ আদায় কার্যক্রম স্থগিত করতে না পারেন, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইনি উদ্যোগ;</li><li>অর্থ ঋণ আদালতের বিচারক প্যানেল বা জুরি বোর্ডে অভিজ্ঞ ব্যাংকারদের অন্তর্ভুক্তির পরিকল্পনা;</li><li>বেসরকারি খাতে অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি (এএমসি) গঠনের জন্য আইন প্রণয়নের উদ্যোগ;</li><li>নিয়মিত ঋণ পরিশোধকারী ভালো গ্রাহকদের জন্য প্রণোদনা নীতিমালা হালনাগাদ।</li></ul><p>এছাড়া বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) পদ্ধতির মাধ্যমে আগামী ৩০ জুন ২০২৬-এর মধ্যে প্রতিটি ব্যাংকের খেলাপি ঋণের অন্তত ১ শতাংশ নগদ আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।</p><h3>নিয়মিত পর্যালোচনা ও মনিটরিং</h3><p>মন্ত্রী আরও বলেন, প্রতিটি ব্যাংকের শীর্ষ ২০ খেলাপি ঋণ আদায়ের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যালোচনা করা হচ্ছে। যেসব ব্যাংকে খেলাপি ঋণের হার ১০ শতাংশের বেশি, সেগুলোর জন্য বিশেষ মনিটরিং টিমও গঠন করা হয়েছে।</p><p>অর্থমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, সুস্পষ্ট আইনি কাঠামো, স্বচ্ছ রেজল্যুশন প্রক্রিয়া এবং আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষার নিশ্চয়তা—এই তিনটি বিষয় ব্যাংকিং খাতে আমানতকারী ও অংশীজনদের আস্থা পুনরুদ্ধারে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:58:50 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[দমদমিয়া আলোর পাঠশালায় ফের স্বপ্ন দেখছে ওমর ফারুক]]></title>
				<category>উচ্চশিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/uccho-shikkha/article-127904.html</link>
				<description><![CDATA[<p>দমদমিয়া আলোর পাঠশালার চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ওমর ফারুক ব্যবসায়ী হতে চায়। টেকনাফের দমদমিয়া জেটি ঘাট বন্ধ থাকায় পর্যটন-সংকটে পড়া এক সাধারণ ব্যবসায়ীর সন্তান ওমর ফারুক এখন ‘দমদমিয়া আলোর পাঠশালা’র হাত ধরে নতুন করে স্বপ্ন দেখছে। সীমান্ত ও নদীমাতৃক এলাকার এই অদম্য শিশুটি সমস্ত প্রতিকূলতা পেরিয়ে পড়ালেখা শেষ করে ভবিষ্যতে এক বড় ব্যবসায়ী হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলেছে।</p><h2>ওমর ফারুকের পরিচয়</h2><p>ওমর ফারুক বর্তমানে প্রথম আলো ট্রাস্ট পরিচালিত দমদমিয়া আলোর পাঠশালার চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র। সে উপজেলার দমদমিয়া অঞ্চলের বাসিন্দা আব্দুল রজকের পাঁচ সন্তানের মধ্যে চতুর্থ।</p><h2>পারিবারিক পটভূমি</h2><p>স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টেকনাফের দমদমিয়া চেকপোস্ট মূলত সেন্টমার্টিন দ্বীপে যাওয়ার প্রধান জেটি ঘাট হওয়ায় এখানে বছরজুড়েই পর্যটকদের ভিড় থাকত। এই ঘাটেই একটি ছোট ভাতের হোটেল চালিয়ে আব্দুল রজক তাঁর সাত সদস্যের পরিবারের ভরণপোষণ ও সন্তানদের পড়াশোনার খরচ চালাতেন। তবে গত প্রায় দুই বছর ধরে দমদমিয়া জেটি ঘাটটি বন্ধ থাকার কারণে পর্যটকদের যাতায়াত সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে ওই এলাকার অন্যান্য দোকানের মতো আব্দুল রজকের আয়ের একমাত্র উৎস দোকানটিও বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে চরম আর্থিক সংকটে পড়া আব্দুল রজক জীবন-জীবিকার তাগিদে নাফ নদীতে বড়শি দিয়ে মাছ ধরে কোনো রকমে সংসার চালাচ্ছেন।</p><h2>শিক্ষার পথে বাধা ও সমাধান</h2><p>পরিবারের এমন চরম আর্থিক অনটনের কারণে একপর্যায়ে সন্তানদের পড়াশোনা চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। সেই সংকটের মুহূর্তে আব্দুল রজক তাঁর ছেলেকে একটি নূরানী মাদ্রাসা থেকে এনে সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে পরিচালিত ‘দমদমিয়া আলোর পাঠশালা’য় ভর্তি করান। প্রথম আলো ট্রাস্টের এই মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করে ওমর ফারুকের বাবা আব্দুল রজক বলেন, ‘আমাদের মতো গরিব এলাকায় বিনা খরচে মানসম্মত শিক্ষার আলো পৌঁছে দেওয়ায় প্রথম আলো ট্রাস্টকে ধন্যবাদ। এখানে কোনো টাকা লাগে না, অথচ পড়াশোনা অনেক ভালো।’</p><h3>শিক্ষকের মূল্যায়ন</h3><p>বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্রী রাজেশ কুমার কানু ওমর ফারুকের মেধার মূল্যায়ন করে বলেন, ‘ছেলেটি পড়াশোনায় অত্যন্ত মনোযোগী এবং নিয়মিত। সে কখনো স্কুল কামাই করে না। সঠিক সময়ে সামান্য একটু সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে ওমর ফারুক একদিন অবশ্যই তার স্বপ্ন পূরণ করতে পারবে এবং তার পরিবারের অভাব দূর করবে।’</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:08:50 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ইরান-ইসরায়েলের পাল্টাপাল্টি হামলা বন্ধ, ট্রাম্পের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক]]></title>
				<category>মধ্যপ্রাচ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/moddho-pracho/article-127903.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ইরান ও ইসরায়েল জানিয়েছে, তারা আপাতত একে অপরের ওপর হামলা বন্ধ করেছে। দুই দেশের পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে মধ্যপ্রাচ্যে আবারও বড় যুদ্ধ শুরু হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর ‘ভালো বন্ধু’ এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী উগ্র ইহুদিবাদী নেতা বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সতর্ক করার পর ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানো বন্ধ করেছে। ট্রাম্প বলেছিলেন, তেহরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল যদি আরও হামলা চালায়, তবে ওয়াশিংটনের সমর্থন হারানোর ঝুঁকিতে পড়বে তারা।</p><h2>ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতের অস্বীকৃতি</h2><p>যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লেইটার সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার এ খবরটি অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, দুই নেতার মধ্যকার কথাবার্তা ছিল সহযোগিতাপূর্ণ। একই সঙ্গে তিনি সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর গল্প বানিয়ে বলার অভিযোগ তোলেন। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত লেইটার দাবি করেন, ‘তাঁদের মধ্যে প্রায় ৪০ বছরের গভীর বন্ধুত্ব রয়েছে। আর মাঝে মাঝে প্রেমিক-প্রেমিকাদের মধ্যেও একটু ঝগড়া হয়। কখনো কখনো ঘরের পরিবেশ ও কথাবার্তা একটু উত্তপ্ত হয়ে উঠতেই পারে।’</p><h3>ট্রাম্পের অনুরোধে হামলা থামানোর সিদ্ধান্ত</h3><p>এই ইসরায়েলি কূটনীতিক দাবি করেন, ট্রাম্পের অনুরোধে ইসরায়েলি নেতা ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের ‘উত্তাপ কমাতে’ (হামলা থামাতে) রাজি হয়েছেন ঠিকই। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ‘খুব ভালো করেই’ বোঝেন, ইসরায়েল তাদের দেশে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত মুখ বুজে সহ্য করতে পারে না, এর জবাব তাদের দিতেই হবে। ইহুদি রাষ্ট্রটির এই রাষ্ট্রদূত আরও যোগ করেন, ‘বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে খুব গভীর সহযোগিতামূলক সম্পর্ক নিয়ে কাজ করছি। আমাদের মধ্যে দারুণ বোঝাপড়া রয়েছে।’</p><h2>নেতানিয়াহুর ওপর ট্রাম্প ‘বিরক্ত’</h2><p>খবর বেরিয়েছে, ট্রাম্প নাকি নেতানিয়াহুর ওপর দিন দিন বেশ বিরক্ত হয়ে উঠছেন। এর আগে তিনি ইসরায়েল ও ইরান উভয় পক্ষকেই ‘হামলা–পাল্টাহামলা’ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ‘চূড়ান্ত আলোচনা’ এগিয়ে যাচ্ছে। তবে দেখতে হবে ‘অজ্ঞতা বা বোকামি যেন এর পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়’। তবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী টেলিভিশনে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, তিনি ট্রাম্পকে স্পষ্ট জানিয়েছেন—‘আত্মরক্ষার পূর্ণ অধিকার ইসরায়েলের রয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আমরা তা ব্যবহার করছি।’</p><h3>ইসরায়েল ও ইরানের সামরিক প্রস্তুতি</h3><p>সিবিএস নিউজ ইসরায়েলের এক সামরিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ইসরায়েল ‘যত দিন প্রয়োজন’ এই অভিযান চালিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিল। এ ছাড়া তারা পেট্রোকেমিক্যাল লক্ষ্যবস্তুর পাশাপাশি ইরানের নতুন করে তৈরি করা বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ওপর হামলার বিষয়টিও নিশ্চিত করেছে। ইরানের কর্মকর্তারাও একই রকম হুঁশিয়ারির সুরে কথা বলেছেন। ইরানের আধা সরকারি তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে এক সামরিক সূত্র জানিয়েছে, তেহরান দীর্ঘস্থায়ী লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত এবং এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের ওপর তারা আবার নতুন করে হামলা চালাতে পারে।</p><h2>ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকারের সতর্কবার্তা</h2><p>ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার এম বি গালিবাফ সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে বিশ্বাসের যে ঘাটতি রয়েছে, তা ভবিষ্যতেও এই অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধি করতে পারে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (টুইটার) এক পোস্টে গালিবাফ লিখেছেন, ‘আমরা কাগজে-কলমে যুদ্ধবিরতি করা এবং বাস্তবে তা বারবার লঙ্ঘন করার নিয়মটি ভেঙে দিয়েছি। যত দিন না আপনাদের মধ্যে বিশ্বাস তৈরির আসল ইচ্ছা জাগবে, তত দিন ইরানের জবাব ঠিক এমনই হবে।’</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:03:51 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[তরুণ উদ্যোক্তারা পাবেন ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ]]></title>
				<category>দারিদ্র্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/daridro/article-127902.html</link>
				<description><![CDATA[<p>সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, তরুণ উদ্যোক্তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন প্রকল্পের আওতায় ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনা জামানতে ঋণ পাবেন। উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও বেকারত্ব কমানোর লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p><h2>শতকরা ৪ শতাংশ সুদে স্টার্টআপ ঋণ</h2><p>মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবদুল মালিকের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আরও জানান, তরুণ উদ্যোক্তারা ৪ শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন, পাশাপাশি বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ ও মাসিক ভাতা দেওয়া হবে। বর্তমানে তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য কোনো সুদমুক্ত ঋণ প্রকল্প নেই, তবে বাংলাদেশ ব্যাংক সহজ শর্তে ও কম সুদে ঋণ দিচ্ছে।</p><h3>পুনঃঅর্থায়ন তহবিল বাড়ানো হয়েছে</h3><p>অর্থমন্ত্রী বলেন, কুটির, মাইক্রো ও ক্ষুদ্র উদ্যোগ খাতে নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের আকার ১০০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০০ কোটি টাকা করা হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় উদ্যোক্তারা সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদে বিনা জামানতে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ পেতে পারেন। জামানতের বিপরীতে ৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণও পাওয়া যাবে।</p><h3>স্টার্টআপ ফান্ড ও ইকুইটি সহায়তা</h3><p>স্টার্টআপ উদ্যোগের অর্থায়নের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক 'স্টার্টআপ ফান্ড' নামে আরেকটি ৫০০ কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করেছে। এই প্রকল্পের আওতায় উদ্যোক্তারা মাত্র ৪ শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন। এছাড়া, ৩৯টি তফসিলি ব্যাংকের অংশীদারিত্বে বাংলাদেশ স্টার্টআপ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি পিএলসি গঠন করা হয়েছে, যা স্টার্টআপ উদ্যোগে ইকুইটি সহায়তা দেবে।</p><h2>প্রশিক্ষণ ও ভাতা</h2><p>উদ্যোক্তা দক্ষতা উন্নয়নে সারা দেশে সম্ভাব্য উদ্যোক্তাদের জন্য এক মাসব্যাপী ১০০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু আছে, যা 'স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রাম' (এসআইসিআইপি)-এর আওতায় পরিচালিত হচ্ছে। এই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের কোনো ফি দিতে হবে না, বরং সফলভাবে প্রশিক্ষণ শেষ করলে তারা ৫ হাজার টাকা ভাতা পাবেন এবং পরে ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:25:42 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[গ্রাহকের অজান্তে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার: সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা গ্রেফতার]]></title>
				<category>ব্যাংকিং</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/banking/article-127901.html</link>
				<description><![CDATA[<p>গ্রাহকের অজান্তে তার নামে ইস্যু করা ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে একটি বেসরকারি ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা সারোয়ার হোসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।</p><h2>গ্রেফতারের বিস্তারিত</h2><p>মঙ্গলবার সিআইডির গণমাধ্যম শাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্লেষণ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার বিকালে রাজধানীর গুলশান থানার ৩২ নম্বর রোডের কমার্শিয়াল কোভ ভবন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।</p><h3>অভিযোগের বিবরণ</h3><p>সিআইডি জানায়, ২০১৭ সালে একটি বেসরকারি ব্যাংকে সিনিয়র রিলেশনশিপ অফিসার হিসেবে কর্মরত থাকাকালে এক গ্রাহকের নামে ইস্যু করা ক্রেডিট কার্ড ব্যাংকে জমা না দিয়ে নিজের কাছে রেখে দেন সারোয়ার। পরে ভুয়া মোবাইল নম্বর ও ঠিকানা ব্যবহার করে কার্ডটির নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রেখে ওটিপি গ্রহণের মাধ্যমে বিভিন্ন আর্থিক লেনদেন করেন।</p><p>তদন্তে জানা গেছে, ২০১৭ সালের শেষ থেকে ২০২২ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত ওই কার্ড ব্যবহার করে ১৭ লাখ ৭০ হাজার ২১৩ টাকার লেনদেন করা হয়। এর মধ্যে ১৪ লাখ ১৩ হাজার ৫০০ টাকা পরিশোধ করা হলেও লভ্যাংশসহ ৫ লাখ ৫৬ হাজার ৯৯৫ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে।</p><h3>মামলা ও স্বীকারোক্তি</h3><p>ভুক্তভোগী গ্রাহক সম্প্রতি সিআইবি প্রতিবেদনের মাধ্যমে নিজের নামে ঋণের তথ্য জানতে পেরে বাংলাদেশ ব্যাংকে অভিযোগ করেন। পরে ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ তদন্তে জালিয়াতির বিষয়টি উদ্ঘাটিত হলে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় মামলা করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সারোয়ার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে সিআইডি। তার বিরুদ্ধে আরও অনুরূপ প্রতারণার অভিযোগ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:40:41 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[নেইমারকে নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাল ব্রাজিল, জিরো টলারেন্সেও মাটি কাটা বন্ধ হয়নি]]></title>
				<category>ফুটবল</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/football/article-127900.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ) নেইমারকে নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। দীর্ঘ আলোচনার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নেইমারের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিভিন্ন গুঞ্জন ছিল, তবে এখন সবকিছু পরিষ্কার হয়ে গেছে।</p><h2>জিরো টলারেন্স ঘোষণার পরও মাটি কাটা বন্ধ হয়নি</h2><p>সিংগাইরে মাটি কাটা নিয়ে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করা হলেও তা বন্ধ হয়নি। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অবৈধভাবে মাটি কাটা অব্যাহত রয়েছে। এ নিয়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।</p><h3>মামদানির মতে ২০২৬ বিশ্বকাপ জিতবে যে দেশ</h3><p>বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম বিশেষজ্ঞ মামদানি ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে ২০২৬ বিশ্বকাপ জিতবে কোন দেশ। তার মতে, বর্তমান ফর্ম ও দলগত শক্তি বিবেচনায় একটি নির্দিষ্ট দেশের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।</p><h2>বিশ্বকাপে গোল করায় শীর্ষে আছে যে দেশ</h2><p>বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি গোল করা দেশের তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। শীর্ষে রয়েছে একটি দেশ, যারা এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ সংখ্যক গোল করেছে।</p><h3>সংসদে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য</h3><p>সংসদে অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, নতুন উদ্যোক্তারা বিনা জামানতে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাচ্ছেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও কর্মসংস্থান বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।</p><h2>আলিম পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক</h2><p>আলিম পরীক্ষায় সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার পরিবেশ স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।</p><h3>মোবাইলে বিশ্বকাপের খেলা দেখার উপায়</h3><p>বিশ্বকাপের খেলা মোবাইলে দেখার জন্য বিভিন্ন অ্যাপ ও সেবা রয়েছে। দর্শকরা সহজেই তাদের স্মার্টফোনে সরাসরি খেলা উপভোগ করতে পারবেন।</p><h2>তানিয়া বৃষ্টির মৃত্যুর গুজব</h2><p>সমাজমাধ্যমে তানিয়া বৃষ্টির মৃত্যুর গুজব ছড়িয়েছে। তবে তার পরিবার ও ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, তিনি সুস্থ আছেন এবং এই গুজব ভিত্তিহীন।</p><h3>জামায়াতের ছায়া বাজেট</h3><p>জামায়াতের ছায়া বাজেটে ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। এই বাজেটে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতে বেশি বরাদ্দের কথা বলা হয়েছে।</p><h2>হাম উপসর্গে আরো ৩ শিশুর মৃত্যু</h2><p>হাম উপসর্গে আরো তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, টিকা প্রদান ও সচেতনতা বাড়ানোর মাধ্যমে এই রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:51:20 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[এমপির জিরো টলারেন্স সত্ত্বেও সিংগাইরে মাটি কাটা অব্যাহত, মানববন্ধন]]></title>
				<category>জাতীয় সংসদ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/jatiyo-shongshod/article-127899.html</link>
				<description><![CDATA[<p>এমপির ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণার পরও বন্ধ হয়নি মাটি কাটা। সিংগাইরে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। মামদানির মতে ২০২৬ বিশ্বকাপ জিতবে যে দেশ। বিশ্বকাপে গোল করায় শীর্ষে আছে যে দেশ। সংসদে অর্থমন্ত্রী নতুন উদ্যোক্তারা বিনা জামানতে ঋণ পাচ্ছেন ১০ লাখ টাকা। আলিম পরীক্ষায় সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ। মোবাইলে বিশ্বকাপের খেলা দেখবেন যেভাবে। তানিয়া বৃষ্টির মৃত্যুর গুজব। জামায়াতের ছায়া বাজেটে ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার প্রস্তাবনা। হাম উপসর্গে আরো ৩ শিশুর মৃত্যু। বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকা সহায়তা চায় ইসলামী ব্যাংক। সব খবর সব খবর।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:40:00 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[আরও এক হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের ঘোষণা]]></title>
				<category>উচ্চশিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/uccho-shikkha/article-127898.html</link>
				<description><![CDATA[<p>দেশের আরও এক হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। মঙ্গলবার (৯ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় (বাজেট) অধিবেশনের তৃতীয় দিনের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান।</p><h2>সংসদ অধিবেশনের বিবরণ</h2><p>স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে বিকাল ৩টায় সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। এ সময় নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদ উপকূলীয় দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা বিস্তারে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চান।</p><h3>মন্ত্রীর জবাব</h3><p>জবাবে মন্ত্রী বলেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতাধীন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদফতর বাস্তবায়িত ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন প্রকল্প (দ্বিতীয় পর্যায়)’-এর আওতায় নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় ইতোমধ্যে ১৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে।</p><p>তিনি আরও জানান, একই প্রকল্পের আওতায় সারাদেশে আরও এক হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের লক্ষ্যে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) সংশোধনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ডিপিপি অনুমোদন হলে আগামী অর্থবছরে সংশ্লিষ্ট সংসদীয় আসনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন করা হবে।</p><p>এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের শিক্ষাখাতে প্রযুক্তির ব্যবহার আরও প্রসারিত হবে এবং পিছিয়ে পড়া অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা আধুনিক শিক্ষার সুযোগ পাবে বলে আশা করা যাচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:51:52 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[দুধ দিয়ে গোসল করে শাকিল ব্রাজিল ছেড়ে আর্জেন্টিনার সমর্থক]]></title>
				<category>ফুটবল</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/football/article-127897.html</link>
				<description><![CDATA[<p>গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় এক ফুটবল–সমর্থকের দল পরিবর্তনের অভিনব ঘোষণা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। দুধ দিয়ে গোসল করে তিনি ব্রাজিলের সমর্থন ছেড়ে আর্জেন্টিনার সমর্থক হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। ঘটনাটির একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে শুরু হয় নানা আলোচনা ও হাস্যরস।</p><h2>ভিডিও প্রকাশ ও প্রতিক্রিয়া</h2><p>মঙ্গলবার দুপুরে ‘জিএমসি সেন্টার’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিওটি প্রকাশ করা হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন বন্ধুর উপস্থিতিতে এক তরুণের গায়ে দুধ ঢালা হচ্ছে। তিনি নিজেকে শাকিল পরিচয় দিয়ে ব্রাজিলের সমর্থন ত্যাগ করে আর্জেন্টিনার সমর্থক হওয়ার ঘোষণা দেন।</p><h3>শাকিলের পরিচয় ও বক্তব্য</h3><p>ফুটবলপ্রেমী ওই ভক্তের নাম শাকিল, তাঁর বাড়ি গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায়। ভিডিওতে শাকিলকে বলতে শোনা যায়, জন্মের পর থেকে তিনি ব্রাজিলের সমর্থক। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য না পাওয়া এবং প্রতিপক্ষ সমর্থকদের নানা বিদ্রূপের কারণে তিনি হতাশ। এ কারণে তিনি দল পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।</p><p>একপর্যায়ে শাকিল বলেন, ‘আজ দুধ দিয়ে গোসল করে ব্রাজিল ত্যাগ করব। নতুন করে আর্জেন্টিনায় যোগ দেব। এত দিন ব্রাজিল করেছি, কিন্তু ভালো ফল পাইনি। সবাই খালি বলে বাপ-দাদার আমলে কাপ নিয়েছে। এসব কথা আর সহ্য হয় না।’</p><h3>দুধ দিয়ে গোসল ও নতুন দলের ঘোষণা</h3><p>ভিডিওতে আরও দেখা যায়, দুধ ঢালার সময় শাকিল বন্ধুদের আরও বেশি দুধ ঢালতে উৎসাহিত করছেন। মজা করে তিনি বলেন, ‘যত পাপ সব ধুয়ে যাক।’ পরে নিজেকে আর্জেন্টিনার সমর্থক হিসেবে ঘোষণা করেন। এ সময় শাকিল তাঁর আরও দুই বন্ধুর নাম উল্লেখ করে তাঁদেরও আর্জেন্টিনার সমর্থক হওয়ার আহ্বান জানান।</p><h3>সত্যতা যাচাই ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া</h3><p>ভিডিওতে করা বক্তব্যের সত্যতা জানতে শাকিলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁকে পাওয়া যায়নি। ভিডিওটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ বিষয়টিকে নিছক কৌতুক হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ ফুটবল–সমর্থকদের আবেগের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করছেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:38:21 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[মামদানির ভবিষ্যদ্বাণী: ২০২৬ বিশ্বকাপ জিতবে আর্জেন্টিনা]]></title>
				<category>ফুটবল</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/football/article-127896.html</link>
				<description><![CDATA[<p>মামদানি ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে ২০২৬ বিশ্বকাপ জিতবে আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোল করা দেশ হিসেবে আর্জেন্টিনা শীর্ষে রয়েছে। তিনি বলেন, আর্জেন্টিনার বর্তমান ফর্ম এবং তারকা খেলোয়াড়দের কারণে তাদের জেতার সম্ভাবনা বেশি।</p><h2>সংসদে অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা</h2><p>সংসদে অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন যে নতুন উদ্যোক্তারা বিনা জামানতে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাবেন। এই উদ্যোগটি তরুণ উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে এবং দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে নেওয়া হয়েছে।</p><h3>আলিম পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা</h3><p>আলিম পরীক্ষায় সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার নিরপেক্ষতা ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ।</p><h2>মোবাইলে বিশ্বকাপের খেলা</h2><p>বিশ্বকাপের খেলা মোবাইলে দেখার জন্য বেশ কিছু অ্যাপ ও প্ল্যাটফর্ম রয়েছে। দর্শকরা তাদের মোবাইল ফোনে সরাসরি খেলা উপভোগ করতে পারবেন।</p><h3>তানিয়া বৃষ্টির মৃত্যুর গুজব</h3><p>তানিয়া বৃষ্টির মৃত্যুর গুজব উড়িয়ে দিয়েছেন জামায়াত। তারা বলেছেন, এই গুজব উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ছড়ানো হচ্ছে।</p><h2>ছায়া বাজেটের প্রস্তাবনা</h2><p>ছায়া বাজেটে ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। এই বাজেটের লক্ষ্য সরকারের বাজেটের বিকল্প হিসেবে জনগণের কাছে তুলে ধরা।</p><h3>হাম উপসর্গে শিশু মৃত্যু</h3><p>হাম উপসর্গে আরো ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে টিকাদান বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছে।</p><h2>ইসলামী ব্যাংকের সহায়তা চাওয়া</h2><p>ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকা সহায়তা চেয়েছে। ব্যাংকটি তারল্য সংকটে পড়ায় এই সহায়তা প্রয়োজন।</p><h3>বাঞ্ছারামপুরে পাবলিক টয়লেটের অভাব</h3><p>বাঞ্ছারামপুরে পাবলিক টয়লেট না থাকায় জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই সমস্যার দ্রুত সমাধান চান।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:39:57 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ইরানের শীর্ষ জেনারেল ভাহিদির মৃত্যুর গুঞ্জন, নিশ্চিত নয় সরকার]]></title>
				<category>সন্ত্রাসবাদ</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/shontrasabad/article-127895.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ইরানের ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) জেনারেল আহমেদ ভাহিদি তেহরানে ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন বলে অসমর্থিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হচ্ছে। এই খবরের পর ইরানের সামরিক নেতৃত্ব নিয়ে নানা আলোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। মঙ্গলবার তার নিহত হওয়ার গুঞ্জনের কথা জানা গেছে।</p><h2>জেনারেল ভাহিদির ভূমিকা ও অবস্থান</h2><p>আহমেদ ভাহিদি ইরানের আধা সামরিক বাহিনী রেভোল্যুশনারি গার্ডের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তেহরানের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করা এই জেনারেল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি আলোচনার ক্ষেত্রে ইরানের কট্টর অবস্থান বজায় রাখতে প্রধান ভূমিকা রাখছিলেন। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েলি হামলায় আহত হয়ে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা আলী খামেনি বর্তমানে অজ্ঞাত স্থানে রয়েছেন বলে জানা গেছে। ভাহিদিকে তার সরাসরি সংস্পর্শে থাকা একটি ছোট প্রভাবশালী গোষ্ঠীর অন্যতম সদস্য বলে মনে করা হয়। তাই এখন তাকে নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নানা গুঞ্জন চলছে।</p><h3>অসমর্থিত প্রতিবেদন ও প্রতিক্রিয়া</h3><p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অসমর্থিত প্রতিবেদনে দাবি করা হচ্ছে, তেহরানে সাম্প্রতিক ইসরায়েলি বিমান হামলায় ভাহিদি নিহত হয়েছেন। তবে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা পর্যন্ত ইরান সরকারের পক্ষ থেকে ভাহিদির মৃত্যুর খবর আনুষ্ঠানিকভাবে বা জনসমক্ষে নিশ্চিত করা হয়নি। এই দাবির পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো স্বাধীন সূত্র থেকেও সত্যতা পাওয়া যায়নি। এমনকি ইসরায়েল বা যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারাও এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য বা নিশ্চিত করেননি। এর আগেও ভাহিদির মৃত্যুর বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে গুঞ্জন ছড়িয়েছিল, যা পরে ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হয়।</p><p>ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাতের ওপর নজর রাখছেন, এমন বেশ কয়েকজন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকের অ্যাকাউন্ট থেকে এই দাবির সূত্রপাত হয়েছে। আঞ্চলিক রাজনীতি ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিষয়ে জেনারেল ভাহিদি দীর্ঘদিন ধরেই একজন বিতর্কিত ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত।</p><h3>ভাহিদির প্রভাব ও বক্তব্য</h3><p>যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ‘ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব ওয়ার’ বলেছে, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ ভাহিদি ও ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কোরের ভেতরে থাকা তার নিজস্ব ঘনিষ্ঠ বলয়টি বর্তমানে ইরানের রাজনৈতিক ও সামরিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেনারেল ভাহিদির এই গোষ্ঠী ইরানের বেসামরিক সরকারি কর্মকর্তাদের ‘কোণঠাসা’ করে রেখেছে। একই সঙ্গে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো ধরনের আপস বা সমঝোতার বিরুদ্ধে একটি কট্টরপন্থী অবস্থানের নেতৃত্ব দিচ্ছে।</p><p>ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক বক্তব্য জেনারেল ভাহিদি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে কঠোর আক্রমণাত্মক বক্তব্য দিয়েছেন। সমালোচকদের মতে, তার এসব বক্তব্য ইহুদি রাষ্ট্র ইসরায়েলের প্রতি ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কোরের সংঘাতময় অবস্থানেরই বড় প্রমাণ।</p><h3>মৃত্যুর গুঞ্জনের প্রভাব</h3><p>সামরিক বিশ্লেষক ও আঞ্চলিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ভাহিদি নিহত হওয়ার খবর সত্য প্রমাণিত হলে তা ইরানের নিরাপত্তাব্যবস্থার জন্য একটি বড় ধাক্কা হবে। ইরানের সামরিক, গোয়েন্দা ও মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চালানো সব ধরনের আঞ্চলিক অভিযান পরিচালনার মূল দায়িত্বে রয়েছে আইআরজিসি। ফলে এই আধা সামরিক বাহিনী দেশটির অন্যতম প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচিত।</p><p>জেনারেল ভাহিদির মৃত্যুর গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ার পর ইসরায়েলপন্থী ও ইরান সরকারের বিরোধিতাকারীদের মধ্যে নতুন তৎপরতা দেখা গেছে। আইআরজিসির বিরুদ্ধে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটে ইউরোপের দেশগুলোর আরও জোরালো সমর্থনের দাবি তুলেছেন তারা। ইরানের বিরুদ্ধে আরও আক্রমণাত্মক নীতি নেওয়ার পক্ষে থাকা এই বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ‘স্থিতিশীলতা বিনষ্টকারী’ কর্মকাণ্ড রুখতে পশ্চিমা ও ইউরোপীয় দেশগুলোর উচিত তেহরানের ওপর চাপ আরও বাড়ানো। একই সঙ্গে এই অঞ্চলে নিজেদের মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তারা।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:49:38 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বিনা জামানতে ১০ লাখ টাকা ঋণ দিচ্ছে সরকার]]></title>
				<category>ব্যবসা-বাণিজ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/bebsha-banijjo/article-127894.html</link>
				<description><![CDATA[<p>দেশে নতুন উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে কর্মসংস্থান বাড়াতে বিনা জামানতে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল মালিকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম।</p><h2>সংসদ সদস্যের প্রশ্ন ও অর্থমন্ত্রীর উত্তর</h2><p>সংসদ সদস্য তার প্রশ্নে জানতে চান, তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে ও বিনা সুদে ঋণ প্রদানের কোনো প্রকল্প রয়েছে কি না। জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীনে বর্তমানে তরুণদের জন্য বিনা সুদের কোনো ঋণ প্রকল্প চালু নেই। তবে সহজ শর্তে ও স্বল্প সুদে ঋণ বিতরণের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন পুনঃঅর্থায়ন স্কিম পরিচালনা করছে।</p><h3>নতুন উদ্যোক্তা পুনঃঅর্থায়ন স্কিম</h3><p>তিনি জানান, কটেজ, মাইক্রো ও ক্ষুদ্র খাতের উদ্যোক্তাদের জন্য পরিচালিত ‘নতুন উদ্যোক্তা পুনঃঅর্থায়ন স্কিম’-এর তহবিল ১০০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০০ কোটি টাকা করা হয়েছে। এ তহবিলের আওতায় নতুন উদ্যোক্তারা বিনা জামানতে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সুদের হার হবে সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ।</p><p>অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, জামানত প্রদান সাপেক্ষে একই স্কিমের আওতায় সর্বোচ্চ ৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ গ্রহণের সুযোগ রয়েছে।</p><h3>স্টার্টআপ ফান্ড</h3><p>স্টার্টআপ খাতের উদ্যোক্তাদের জন্য পৃথকভাবে ‘স্টার্ট আপ ফান্ড’ নামে ৫০০ কোটি টাকার একটি পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। এ তহবিল থেকে উদ্যোক্তারা মাত্র ৪ শতাংশ সুদে ঋণ সুবিধা পাবেন।</p><p>তিনি বলেন, উদ্যোক্তা সৃষ্টি, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং অর্থনীতির উৎপাদনশীল খাতকে শক্তিশালী করতে এসব অর্থায়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:38:07 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[ট্রমা কাটানো মানে দেশ ভোলা নয়: মান্দানা কারিমি]]></title>
				<category>সিনেমা</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/cinema/article-127893.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ইরানি বংশোদ্ভূত বলিউড অভিনেত্রী মান্দানা কারিমি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতি ও নিজ দেশের সংকট নিয়ে নিয়মিত পোস্ট না করায় নেটিজেনরা তার নতুন জীবনযাত্রাকে 'স্বাভাবিক' বা 'আমোদপ্রমোদ' হিসেবে জাহির করার অভিযোগ তোলেন। তবে এবার সরাসরি ও কড়া জবাব দিয়েছেন তিনি।</p><h2>ভিডিও বার্তায় মান্দানার অবস্থান</h2><p>ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা একটি দীর্ঘ ভিডিও বার্তায় মান্দানা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, জনসম্মুখে কষ্ট বা কান্না প্রদর্শন করাই একমাত্র দেশপ্রেম বা আন্দোলনের মাপকাঠি নয়। তিনি বলেন, 'অনেকেই মেসেজ পাঠিয়ে জানতে চান কেন আমি প্রতিদিন ইরান নিয়ে কথা বলছি না। আমি মনে করি না মানুষ এর পেছনের চড়া মূল্যটা বোঝে। এই প্রতিবাদের কারণে আমি কত কাজ হারিয়েছি, কত সুযোগ হাতছাড়া করেছি, তা কেউ জানে না। নিজের দেশকে ধ্বংস হতে দেখা এবং পরিবার সেখানে থাকা সত্ত্বেও অসহায় বোধ করার কষ্ট আমি বয়ে বেড়াচ্ছি।'</p><p>তিনি আরও যোগ করেন, 'লড়াই মানে কখনো কথা বলা, কখনো টিকে থাকা, আবার কখনো নিজেকে নিরাময়ের সুযোগ দেওয়া। আপনারা আমার ওয়ার্কআউট বা বন্ধুদের সঙ্গে কাটানো মুহূর্ত দেখছেন, তার মানে এই নয় যে আমি দেশের মানুষকে ভুলে গেছি। এর মানে আমি এখনো টিকে আছি, তারা আমাকে ভেঙে ফেলতে পারেনি।'</p><h3>সমালোচকদের প্রতি কড়া বার্তা</h3><p>পোস্টের ক্যাপশনে মান্দানা ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন, সবচেয়ে বড় প্রহসন হলো—কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসার মেসেজ আসছে ইরানের ভেতরে থাকা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে, আর বিষাক্ত আক্রমণ ছড়াচ্ছে নিরাপদে বসে থাকা কিছু ছদ্মনামী অ্যাকাউন্ট থেকে। সমালোচকদের উদ্দেশ্যে তিনি প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন, 'আমার সুস্থ হয়ে ওঠাকে নীরবতা ভাববেন না। বেঁচে থাকাকে উদাসীনতা মনে করবেন না। আমি নিপীড়নকে স্বাভাবিক করছি না, ট্রমার পর জীবনকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছি। নিজের অবস্থান ধরে রাখতে গিয়ে জাতীয় টেলিভিশনে কথা বলেছি, প্রতিটি সাক্ষাৎকারে কণ্ঠ ব্যবহার করেছি, যার জন্য বড় মাশুল দিতে হয়েছে। আপনারা বিচার করার আগে নিজেদের জিজ্ঞেস করুন—দেশের জন্য কী ঝুঁকি নিয়েছেন?'</p><p>বক্তব্যের শেষে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, কারো তার হাসিমুখ, ফ্যাশন বা খুশির মুহূর্ত দেখতে সমস্যা থাকলে তারা তাকে 'আনফলো' করে দিতে পারেন। কিন্তু কেউ তার গল্প নতুন করে লেখার বা দেশের প্রতি ভালোবাসাকে প্রশ্ন তোলার অধিকার রাখে না।</p><h3>পটভূমি</h3><p>গত মার্চ মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে। ইরানে জন্ম নেওয়া মান্দানা শুরু থেকেই সংঘাতের বিরুদ্ধে ও নিজ দেশের মানুষের পক্ষে সোচ্চার ছিলেন। ১০ বছর আগে ইরানে প্রবেশ নিষিদ্ধ হওয়া এই অভিনেত্রী প্রায় ১৬ বছর ধরে ভারতে বসবাস করছিলেন এবং বলিউডের 'ভাগ জনি', 'ক্যায়া কুল হ্যায় হাম ৩' ও ওটিটি রিয়েলিটি শো 'লক আপ'-এ অংশ নিয়ে পরিচিতি পান। যুদ্ধ পরিস্থিতি, মানসিক চাপ ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার কারণে গত মাসে তিনি ভারত ছেড়ে স্থায়ীভাবে দুবাইয়ে চলে যান। বর্তমানে সেখানে নতুন করে ক্যারিয়ার ও জীবন গোছানোর চেষ্টা করছেন।</p><p>সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:09:14 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প যা বলবেন, তাই করতে হবে: বিশ্লেষক]]></title>
				<category>এশিয়া</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/asia/article-127892.html</link>
				<description><![CDATA[<p>মার্কিন সামরিক সহায়তার ওপর ইসরাইলের নির্ভরতা এখন এক ‘নজিরবিহীন স্তরে’ পৌঁছেছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিরুদ্ধে ইসরাইল একাকী লড়তে পারবে—এমন ভাবনা পুরোপুরি বাস্তবতা বিবর্জিত বলে মন্তব্য করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।</p><h2>ট্রাম্পকে ‘না’ বলার অবস্থানে নেই ইসরাইল</h2><p>ইসরাইলের প্রভাবশালী দৈনিক হারেৎস পত্রিকার লেখক ও কলামিস্ট গিডিওন লেভি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, বর্তমান বাস্তবতায় ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘না’ বলার মতো অবস্থানে ইসরাইল নেই। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তো কোনোভাবেই ট্রাম্পকে অমান্য করতে পারবেন না। মাঠপর্যায়ের কঠিন সত্য এটাই যে ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে যেভাবে যা করতে বলবেন, তাকে ঠিক সেভাবেই তা পালন করতে হবে।</p><h3>যুদ্ধের পেছনে নির্বাচনী প্রভাব</h3><p>আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লেভি বলেন, গাজা, লেবানন এবং ইরানে হামলা অব্যাহত রাখার পেছনে নেতানিয়াহু সরকারের মূল অনুপ্রেরণা হলো যুদ্ধ ইসরাইলি জনগণের ভোট টানতে সাহায্য করে, আর দেশটিতে সামনেই নির্বাচন।</p><p>ঐতিহাসিকভাবেই ইসরাইলে কোনো কূটনৈতিক চুক্তির চেয়ে আরেকটি নতুন যুদ্ধ শুরু করার মাধ্যমে জনগণের সিংহভাগের সমর্থন বা জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলা অনেক বেশি সহজ। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও এটাই ইসরাইলি রাজনীতির নির্মম বাস্তবতা। সাম্প্রতিক জরিপগুলো অনুযায়ী, ইরানের ওপর হামলার বিষয়ে দেশটির জনসাধারণের সমর্থন প্রায় ৯৩ শতাংশ পর্যন্ত ছিল।</p><h3>যুদ্ধক্লান্তি বাড়ছে ইসরাইলিদের মধ্যে</h3><p>তবে গিডিওন লেভি মনে করেন, এই বিপুল জনসমর্থন এখন ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে এবং ইসরাইলিদের মধ্যে এক ধরনের যুদ্ধক্লান্তি ভর করছে। সাধারণ মানুষ আস্তে আস্তে বুঝতে শুরু করেছে যে এই দীর্ঘ লড়াইয়ের পর আসলে প্রাপ্তি একেবারেই শূন্য। গাজায় কিছুই অর্জিত হয়নি, লেবাননেও কোনো লক্ষ্য পূরণ হয়নি এবং ইরানের ক্ষেত্রেও একই পরিণতি হয়েছে।</p><p>লেভির ধারণা, সময়ের সাথে সাথে আরও বেশিসংখ্যক ইসরাইলি নাগরিক এই নির্মম সত্যটি অনুধাবন করতে পারবেন যে এত ধ্বংসযজ্ঞের পরও তাদের দেশ আসলে কিছুই অর্জন করতে পারেনি।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:01:24 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বাংলা ইতিহাস দর্শনসহ ছয় বিষয়ের অনার্স বাতিলের কোনো আলোচনা হয়নি: শিক্ষামন্ত্রী]]></title>
				<category>উচ্চশিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/uccho-shikkha/article-127891.html</link>
				<description><![CDATA[<p>শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বাংলা, ইতিহাস, দর্শনসহ ছয় বিষয়ে স্নাতক (অনার্স) বাতিলের কোনো আলোচনাই হয়নি। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।</p><h2>শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য</h2><p>শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমার জানামতে, এ রকম কোনো আলোচনা হয়নি। আর বাংলা মাতৃভাষা, এটা কি বাদ দেওয়া যেতে পারে? এমন কোনো আলোচনা হয়নি, আমার জ্ঞাতসারে।’ তিনি আরও বলেন, কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, তবে বাংলা, দর্শন, ইতিহাস বাদ পড়বে—এ আলোচনা আমরা কোথাও শুনিনি এবং আমরাও কোথাও করিনি।</p><h3>জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বক্তব্য</h3><p>এদিকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো অনার্স কোর্স বন্ধের ব্যাপারে সরকার কিংবা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কোনো সিদ্ধান্ত নেই।</p><h3>প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার বক্তব্য</h3><p>এর আগে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেছেন, ‘অনার্স বাতিল হচ্ছে কিছু বিষয়ে, এটা আমি নিউজ হিসেবে দেখেছি। আমাদের সরকারের দিক থেকে অফিশিয়ালি জানানোর আগপর্যন্ত, এ রকম কোনো নিউজকে আমি গুরুত্ব না দেওয়ার জন্যই বলব।’ বাংলা, ইতিহাস, দর্শনসহ ছয় বিষয়ে স্নাতক (অনার্স) থাকবে না, এটাও মনে করেন না জাহেদ উর রহমান।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:41:27 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[হুয়াওয়ে বাংলাদেশে ফিরলো নতুন রূপে, ডিএক্স গ্রুপ জাতীয় পরিবেশক]]></title>
				<category>গ্যাজেট</category>
				<link>https://bdgazette.com/projukti/gadget/article-127890.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ডিভাইস সংক্রান্ত সব জটিলতা কাটিয়ে বিশ্ববাজারের পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রযুক্তি বাজারেও নতুন রূপে ফিরলো শীর্ষস্থানীয় গ্লোবাল ব্র্যান্ড ‘হুয়াওয়ে’। এবার দেশীয় বাজারে হুয়াওয়ে ডিভাইসের অফিশিয়াল ন্যাশনাল ডিস্ট্রিবিউটর বা জাতীয় পরিবেশক হিসেবে যুক্ত হয়েছে দেশের অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান ‘ডিএক্স গ্রুপ’।</p><h2>অনুষ্ঠানের বিবরণ</h2><p>সোমবার (৮ জুন) বিকালে রাজধানীর গুলশানে হুয়াওয়ের কর্পোরেট কার্যালয়ে ‘নাও ইজ ইয়োর স্পার্ক’ স্লোগানকে সামনে রেখে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে দেশের শীর্ষস্থানীয় সাংবাদিক, প্রযুক্তি ও লাইফস্টাইল ইনফ্লুয়েন্সার এবং ব্যবসায়িক অংশীদারদের উপস্থিতিতে একযোগে ১৩টি অত্যাধুনিক স্মার্ট ডিভাইস উন্মোচন করা হয়েছে।</p><h2>পণ্য তালিকা</h2><p>হুয়াওয়ে এবার স্মার্টফোন, ফোল্ডেবল ডিভাইস, ট্যাবলেট, পরিধানযোগ্য গ্যাজেট (ওয়্যারেবল) এবং অডিও—এই পাঁচটি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে তাদের প্রিমিয়াম পণ্যগুলো দেশের বাজারে এনেছে। এর মধ্যে রয়েছে উন্নত ক্যামেরার ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন ‘হুয়াওয়ে মেট ৮০ প্রো’, প্রিমিয়াম ফোল্ডেবল ফোন ‘মেট এক্স৭’, এবং শিক্ষার্থীদের জন্য উপযোগী ‘মেটপ্যাড ১১.৫’। এছাড়া স্টাইলিশ ডিজাইন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ‘ওয়াচ ফিট ৫ সিরিজ’ এবং সি-ব্রিজ ডিজাইনের ওপেন-ইয়ার অডিও ডিভাইস ‘ফ্রিক্লিপ ২’সহ নানা পণ্য।</p><h3>হুয়াওয়ে বাংলাদেশের কান্ট্রি হেডের বক্তব্য</h3><p>অনুষ্ঠানে হুয়াওয়ে বাংলাদেশের কান্ট্রি হেড এরিক পাং বলেন, হুয়াওয়ের মূল চালিকাশক্তিই হলো নিত্যনতুন উদ্ভাবন। তারা বাংলাদেশে এমন কিছু ফ্ল্যাগশিপ পণ্য নিয়ে এসেছে যা ব্যবহারকারীদের উৎপাদনশীলতা, সৃজনশীলতা এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে সম্পূর্ণ নতুন এক উচ্চতায় নিয়ে যাবে।</p><h3>ডিএক্স গ্রুপের সিইওর বক্তব্য</h3><p>ডিএক্স গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) দেওয়ান কানন হুয়াওয়েকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, হুয়াওয়ের শক্তিশালী ও দেশব্যাপী বিস্তৃত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এই বিশ্বমানের পণ্যগুলো খুব দ্রুত দেশের প্রতিটি প্রান্তে গ্রাহকদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হবে।</p><h2>গ্রাহক সুবিধা</h2><p>হুয়াওয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, অফিশিয়াল চ্যানেলের মাধ্যমে বাজারে আসা এই ডিভাইসগুলোতে গ্রাহকরা শতভাগ আসল পার্টস, জেনুইন ইন্টারন্যাশনাল ওয়ারেন্টি এবং বিশ্বস্ত বিক্রয়োত্তর (আফটার সেলস) সেবা পাবেন। এর ফলে দীর্ঘ বিরতির পর হুয়াওয়েপ্রেমীরা দেশের বাজারে আবারও স্বাচ্ছন্দ্যে অফিশিয়াল ডিভাইস কেনার সুযোগ পাচ্ছেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:01:01 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[আগামী বাজেটে বিড়ির দাম ও করহার অপরিবর্তিত]]></title>
				<category>পণ্যমূল্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/ponnyomulyo/article-127889.html</link>
				<description><![CDATA[<p>আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বিড়ির মূল্য এবং এর ওপর প্রযোজ্য করহার অপরিবর্তিত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান।</p><h2>সংসদ সদস্যের প্রস্তাব</h2><p>জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রাশেদা বেগম হীরা এক প্রশ্নে বিড়ির ওপর সুনির্দিষ্ট হারে কর বৃদ্ধি, মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ও স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জের হার পুনর্মূল্যায়ন এবং বিড়ির খুচরা মূল্য আরও বাড়ানোর প্রস্তাব করেছিলেন।</p><h3>অর্থমন্ত্রীর জবাব</h3><p>জবাবে অর্থমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সরকার আসন্ন বাজেটে বিড়ির ক্ষেত্রে বিদ্যমান মূল্য এবং কর কাঠামোতে কোনো পরিবর্তন না আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে গত বছরের ন্যায় আগামী অর্থবছরেও বিড়ির বর্তমান দাম ও করহার বহাল থাকছে।</p><p>এই সিদ্ধান্তের ফলে বিড়ি উৎপাদনকারী ও ভোক্তাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ অপরিবর্তিত রাখায় স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা কিছুটা হতাশা প্রকাশ করেছেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:35:49 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরীক্ষায় জালিয়াতি, ৮ জনের শাস্তি]]></title>
				<category>উপজেলা</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/upojela/article-127888.html</link>
				<description><![CDATA[<p>কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ‘উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা/সমমান’ পদে নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে আটজনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ছয়জন পরীক্ষায় জালিয়াতি করেছেন এবং দুজন ভুয়া পরীক্ষার্থী রয়েছেন। আজ মঙ্গলবার (৮ জুন ২০২৬) বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p><h2>শাস্তিমূলক ব্যবস্থা</h2><p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষায় অনিয়ম ও জালিয়াতির ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ‘পরীক্ষায় অপরাধমূলক আচরণের জন্য শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ নীতিমালা, ২০০০’ অনুযায়ী শাস্তি আরোপ করা হয়েছে।</p><h3>পরীক্ষা বাতিল ও অযোগ্যতা</h3><p>অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে সবারই সংশ্লিষ্ট পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়া কয়েকজনকে পিএসসি কর্তৃক আয়োজিত ভবিষ্যতের বিজ্ঞাপিত সব পদে আবেদন করার জন্য অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে।</p><h3>ফৌজদারি মামলা</h3><p>অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পিএসসি।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:58:36 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[টিআইবির গবেষণা পদ্ধতি নিয়ে আপত্তি, প্রতিবেদন পত্রিকার কাটিংনির্ভর নয়]]></title>
				<category>দুর্নীতি দমন</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/durniti-domon/article-127887.html</link>
				<description><![CDATA[<p>‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সরকারের ১০০ দিন: সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতিবিরোধী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক প্রতিবেদন নিয়ে জাতীয় সংসদে আলোচনা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য এবং পুলিশ কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়ার পর নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।</p><p>মঙ্গলবার (৯ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, তাদের গবেষণা প্রতিবেদন নিয়ে বিভিন্ন মহলের প্রতিক্রিয়াকে তারা ইতিবাচকভাবে দেখছে। এসব আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া টিআইবির গবেষণা ও জনস্বার্থভিত্তিক কর্মকাণ্ডকে আরও ফলপ্রসূ করতে সহায়ক হবে বলেও মনে করে সংস্থাটি।</p><p>বিবৃতিতে বলা হয়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যথার্থই উল্লেখ করেছেন — টিআইবি কোনও তদন্তকারী সংস্থা নয়। টিআইবি মূলত গবেষণাভিত্তিক দুর্নীতিবিরোধী ও সুশাসন-সংক্রান্ত একটি প্রতিষ্ঠান, যা জনসচেতনতা, জনসম্পৃক্ততা এবং নীতিগত সংস্কারের পক্ষে কাজ করে।</p><p>সংস্থাটি জানায়, সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণায় স্বীকৃত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে তারা গুণগত ও পরিমাণগত তথ্য সংগ্রহ করে। বিভিন্ন প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ উৎস থেকে সংগৃহীত তথ্যের যথার্থতা একাধিক ধাপে যাচাই-বাছাইয়ের পর বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়।</p><p>টিআইবির দাবি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কিত যেসব তথ্য তাদের প্রতিবেদনে ব্যবহৃত হয়েছে, সেগুলোর উৎস বাংলাদেশ পুলিশ এবং তিনটি সুপরিচিত মানবাধিকার সংগঠন। প্রতিবেদনে এসব তথ্যসূত্র স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে প্রতিবেদনটি কেবল পত্রিকার কাটিংয়ের ওপর নির্ভর করে তৈরি হয়েছে — এমন মন্তব্যের কোনও ভিত্তি নেই বলে মনে করে সংস্থাটি।</p><p>বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গবেষণার অংশ হিসেবে গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য সংগ্রহ করা হলেও তা সরাসরি ব্যবহার করা হয় না। বরং সংশ্লিষ্ট সরকারি, বেসরকারি, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ বিভিন্ন উৎস থেকে প্রাপ্ত তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে যাচাই-বাছাইয়ের পরই তা বিশ্লেষণে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তাই টিআইবির গবেষণাকে ‘পত্রিকার কাটিংনির্ভর’ বলে আখ্যায়িত করা মূল বিষয় থেকে দৃষ্টি সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা বলেও উল্লেখ করা হয়।</p><p>টিআইবি প্রশ্ন রেখে বিবৃতিতে বলেছে, গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে জনপ্রতিনিধি, সরকার ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কি নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে না? নিজেদের কার্যক্রম ও অবস্থান জনসমক্ষে তুলে ধরতেও তো তারা গণমাধ্যমের ওপর নির্ভর করে। সে বিবেচনায় গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যকে সামগ্রিকভাবে অবমূল্যায়নের কোনও যৌক্তিকতা নেই।</p><p>পুলিশ কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়ার প্রসঙ্গে টিআইবি জানায়, সংবাদ সম্মেলনে তারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক — এই মূল পর্যবেক্ষণের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেনি। তবে অতীতের বিভিন্ন মেয়াদের সঙ্গে তুলনামূলক বিশ্লেষণের যে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছে, তা এই গবেষণার পরিধির বাইরে ছিল। ফলে এ বিষয়ে মন্তব্য করা গবেষণার উদ্দেশ্য ও কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে উল্লেখ করেছে টিআইবি।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:54:42 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[নিখোঁজের কয়েক ঘণ্টা পর নানাকে ফিরে পেলেন অভিনেত্রী হিমি]]></title>
				<category>অভিনেতা</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/obhineta/article-127886.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জান্নাতুল সুমাইয়া হিমির নানা নিখোঁজ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই উদ্ধার হয়েছেন। গত ৭ জুন (রোববার) দুপুরে তিনি নিখোঁজ হন এবং রাত ১২টার দিকে তাকে খুঁজে পাওয়া যায়। হিমি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে 'আলহামদুলিল্লাহ, নানাকে পাওয়া গেছে' লিখে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।</p><h2>নিখোঁজের ঘটনা</h2><p>রোববার দুপুরে মুন্সীগঞ্জের ঢালিকান্দি পুরাবাজার এলাকা থেকে হিমির নানা নিখোঁজ হন। রাত ৮টার দিকে বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে তিনি অনুসারীদের সহযোগিতা চান। তবে বেশি সময় উদ্বিগ্ন থাকতে হয়নি তাকে। রাত ১২টার আগেই নানার সন্ধান মেলে।</p><h3>ডিমেনশিয়ার কারণে বারবার নিখোঁজ</h3><p>হিমির নানা মূলত ভুলে যাওয়ার রোগে (ডিমেনশিয়া) আক্রান্ত। এর আগে গত বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারিও তিনি নিখোঁজ হয়েছিলেন। ডিমেনশিয়ার কারণে প্রায়ই এমন ঘটনা ঘটছে বলে জানা গেছে।</p><p>হিমি বাংলা নাটকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী। তার নানার খোঁজ পাওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন তিনি।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:52:11 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[সাবেক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা হত্যায় দুই গ্রেপ্তার]]></title>
				<category>বিএনপি</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/bnp/article-127885.html</link>
				<description><![CDATA[<p>রাজধানীর মৌচাক এলাকায় সাবেক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বিল্লাল হোসেন তালুকদার হত্যার ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ওয়ার্ড নং ১৯ যুবদলের আহ্বায়ক আল আমিন ও একই ওয়ার্ডের কর্মী রিয়াজ।</p><h2>গ্রেপ্তার প্রক্রিয়া</h2><p>ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার শেখ জাহিদুল ইসলাম জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার রাতে ঢাকা ও মুন্সীগঞ্জে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।</p><h3>হত্যার ঘটনা</h3><p>বিল্লাল হোসেন তালুকদার রমনা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক এবং সিমেন্ট ও বালু ব্যবসায়ী ছিলেন। সোমবার সিদ্ধেশ্বরী বালক বিদ্যালয় সংলগ্ন আনোয়ারখালী সুপার মার্কেটের পার্কিং এলাকায় তাকে হত্যা করা হয়।</p><h3>প্রাথমিক তদন্ত</h3><p>পুলিশ জানায়, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, ফুটপাথ দখল, চাঁদাবাজি ও এলাকায় আধিপত্য নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।</p><p>পুলিশ জানায়, এ মামলায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:07:06 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বিরামপুরে উপসহকারী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ঘুষ চাওয়ার ভিডিও ভাইরাল]]></title>
				<category>নীতিমালা</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/nitimala/article-127884.html</link>
				<description><![CDATA[<p>দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় উপসহকারী প্রকৌশলী হামিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঠিকাদারের কাছ থেকে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কথিত ঘুষ লেনদেনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।</p><h2>ভিডিওতে যা দেখা গেছে</h2><p>প্রায় দেড় মিনিটের ভিডিওতে দেখা যায়, এক ঠিকাদার প্রকৌশলী হামিদুল ইসলামকে টাকা বিষয়ে জিজ্ঞাসা করে বলছেন, ‘কয় টাকা, কয় টাকা লিবেন (নেবেন)।’ জবাবে হামিদুল ইসলাম বলেন, ‘১০ হাজার টাকা দাও আজকে।’ তখন ওই ব্যক্তি বলেন, ‘বছরে ১০ হাজার লয় (নয়), এক হাজার দেই আপনাক।’ এ সময় হামিদুল ইসলাম চলে যেতে উদ্যত হলে ওই ব্যক্তি আবার বলেন, ‘এক হাজার টাকা দেই আপনাক।’ তখন হামিদুল ইসলাম বলেন, ‘দরকার নেই কোনো টাকার।’</p><p>ভিডিওর আরেক অংশে ওই ব্যক্তি হামিদুল ইসলামকে বলতে শোনা যায়, ‘কত, কত দিব, কত দিব, কওয়া (বলা) লাগবে না সেই কথা।’ তখন হামিদুল ইসলাম বলেন, ‘পাঁচ হাজার দাও। হ্যাঁ, পাঁচ হাজার দাও।’ ক্যামেরার পেছনে থাকা ব্যক্তি অবাক হয়ে জানতে চান, ‘পাঁচ হাজার টাকা?’ তখন হামিদুল ইসলাম বলেন, ‘দুই দিন তো করছি (প্রজেক্ট ভিজিট) না আমি, আজকে করলাম না তোমার জন্য।’ এর জবাবে ওই ব্যক্তি বলেন, ‘আজ কি করলেন, কন তো। পাঁচ হাজার হবে না, দেড় হাজারের মতো আছে।’ তখন টাকা না নিয়ে চলে যেতে যেতে হামিদুল ইসলাম বলেন, ‘দেও না, থাক।’</p><p>ভিডিওর শেষাংশে ঠিকাদারপক্ষের ওই ব্যক্তিকে হামিদুল ইসলামের পকেটে এক হাজার টাকার কয়েকটি নোট ঢুকিয়ে দিতে দেখা যায়।</p><h2>ঘটনার পটভূমি</h2><p>স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ঈদের আগে উপজেলার ৪ নম্বর দিওড় ইউনিয়নের শোলাহার গ্রামে এডিবির অর্থায়নে ২৭৫ মিটার সিসি সড়কের নির্মাণকাজ শেষ হয়। ওই প্রকল্প পরিদর্শনের সময় ঘটনাটি ঘটে এবং ভিডিওটি ধারণ করা হয় বলে জানা যায়।</p><h2>অভিযুক্ত প্রকৌশলীর বক্তব্য</h2><p>মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে অভিযোগ অস্বীকার করে উপসহকারী প্রকৌশলী হামিদুল ইসলাম বলেন, ‘১০ হাজার টাকা দাবি করে আমি ১ হাজার টাকা নেব? এগুলো কোন ধরনের কথাবার্তা ভাই? আর ভিডিওটি এআই প্রযুক্তি দিয়ে করা। আমি কি এক হাজার টাকা নেওয়ার প্লেয়ার? আমি ১০ হাজার টাকা চেয়ে ১ হাজার টাকায় রাজি হয়ে গেলাম, আর নিলাম?’</p><h2>উপজেলা প্রকৌশলীর প্রতিক্রিয়া</h2><p>এ বিষয়ে বিরামপুর উপজেলা প্রকৌশলী আতাউর রহমান বলেন, বিষয়টি তিনি অবগত হয়েছেন এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানাবেন। একই সঙ্গে অভিযুক্ত প্রকৌশলীর কাছ থেকে ব্যাখ্যা চাওয়া হবে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, ঠিকাদার বা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে এভাবে কোনো অর্থ গ্রহণের সুযোগ নেই। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:46:57 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বিশ্বকাপে সর্বাধিক গোলের দেশ, উদ্যোক্তাদের বিনা জামানতে ঋণ]]></title>
				<category>ক্রিকেট</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/cricket/article-127883.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বিশ্বকাপ ফুটবলে সর্বাধিক গোল করার রেকর্ড কোন দেশের দখলে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। এদিকে সংসদে অর্থমন্ত্রী নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য বড় ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানান, নতুন উদ্যোক্তারা বিনা জামানতে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাবেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশে উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও কর্মসংস্থান বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।</p><h2>আলিম পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক</h2><p>শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে আলিম পরীক্ষার সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে পরীক্ষার পরিবেশ আরও স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।</p><h3>মোবাইলে বিশ্বকাপ দেখার সহজ উপায়</h3><p>প্রযুক্তির এই যুগে মোবাইলে বিশ্বকাপের খেলা দেখার জন্য বিভিন্ন অ্যাপ ও সেবা চালু রয়েছে। দর্শকরা সহজেই নিজের মোবাইলে সরাসরি খেলা উপভোগ করতে পারবেন।</p><p>তানিয়া বৃষ্টির মৃত্যুর গুজবটি ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন তার পরিবার। জামায়াতের ছায়া বাজেটে ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। হাম উপসর্গে আরো ৩ শিশুর মৃত্যুর খবর স্বাস্থ্য বিভাগকে উদ্বিগ্ন করেছে। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকা সহায়তা চেয়েছে। জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকিতে থাকা বাঞ্ছারামপুরে এখনো পাবলিক টয়লেট নেই। তুচ্ছ বিরোধে এক কিশোর খুন হওয়ার ঘটনায় উত্তপ্ত আদিতমারী।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:32:22 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[জয়পুরে মসজিদ-মন্দির ঘিরে উত্তেজনা, ৩ হাজার পুলিশ মোতায়েন]]></title>
				<category>এশিয়া</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/asia/article-127882.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ভারতের রাজস্থানের জয়পুরে একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রশস্ত করার কাজকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। তবে এই অভিযান ঘিরে প্রশাসনের সবচেয়ে বড় উদ্বেগ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি। কারণ, উচ্ছেদের তালিকায় থাকা অধিকাংশ স্থাপনাই স্থানীয় মন্দির ও মসজিদ-সংলগ্ন। সম্ভাব্য সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা এড়াতে পুরো এলাকাজুড়ে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে প্রায় ৩ হাজার পুলিশ সদস্য।</p><h2>নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার</h2><p>ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জয়পুর উত্তর ও জয়পুর পূর্ব পুলিশ জেলার ৩৪টি থানার আওতায় ২৪ ঘণ্টার জন্য মোবাইল ইন্টারনেট, বাল্ক এসএমএস এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এ ছাড়া যেকোনো ধরনের জমায়েত ও বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করে আগামী ২২ জুন পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।</p><p>জয়পুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (জেডিএ) এবং জেলা প্রশাসনের যৌথ এই অভিযান চলছে জগতপুরা এলাকার নন্দপুরী আন্ডারপাসের কাছে। রেললাইনের সমান্তরালে থাকা প্রায় দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটি বর্তমানে মাত্র ২৫ থেকে ৩০ ফুট চওড়া। মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী এটিকে ৮০ ফুটে উন্নীত করার কাজ চলছে।</p><p>অভিযানস্থলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজস্থান আর্মড কনস্ট্যাবুলারির (আরএসি) ১২টি কোম্পানিসহ অতিরিক্ত প্রায় ৩ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পুরো নন্দপুরী এলাকাকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলা হয়েছে। বাসিন্দাদের ঘরের ভেতরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং ড্রোন ক্যামেরার সাহায্যে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হচ্ছে। নিরাপত্তার স্বার্থে উচ্ছেদ এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগও সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন রাখা হয়েছে।</p><h2>উচ্ছেদের তালিকায় ৫টি ধর্মীয় স্থাপনা</h2><p>এবারের অভিযানে রাস্তার সীমানার মধ্যে থাকা মোট পাঁচটি ধর্মীয় স্থাপনা উচ্ছেদের তালিকায় রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে একটি মসজিদ, একটি মাজার বা দরগাহ, দুটি মন্দির এবং একটি সৎসঙ্গ হল। জেডিএর পক্ষ থেকে এর আগে সংশ্লিষ্ট কমিটি ও মালিকদের নিজ উদ্যোগে স্থাপনাগুলো সরিয়ে নেওয়ার জন্য সময় দেওয়া হয়েছিল। নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পর প্রশাসন সরাসরি বুলডোজার নিয়ে উচ্ছেদ প্রক্রিয়া শুরু করে।</p><h3>নূরানী মসজিদকে ঘিরে বিতর্ক</h3><p>সবচেয়ে বেশি বিতর্ক তৈরি হয়েছে নূরানী মসজিদ উচ্ছেদকে ঘিরে। গত রোববার রাতে মোতি দুঙ্গরি রোডের মুসাফিরখানায় মসজিদ কমিটি এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের সদস্যরা একটি দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেন। সেখানে তারা মসজিদ উচ্ছেদের বিরোধিতা করেন।</p><p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে কংগ্রেস বিধায়ক আমিন কাগজিকে আবেগপ্রবণ কণ্ঠে বলতে শোনা যায়, 'আমরা নিজেদের হাতে মসজিদ ভাঙার সিদ্ধান্ত নিতে পারি না। আমরা শুধু অনুরোধ করেছিলাম মসজিদের আকার ৪০ ফুট থেকে কমিয়ে ২০ ফুট করা হোক, যাতে নামাজ পড়ার জায়গা থাকে। কিন্তু প্রশাসন তাতে রাজি হয়নি।'</p><p>একই সভায় উপস্থিত আরেক কংগ্রেস বিধায়ক রফিক খান দাবি করেন, সংশ্লিষ্ট মাজারটি দেশ স্বাধীন হওয়ার আগের এবং নূরানী মসজিদটি ১৯৮১ সালে নিজস্ব অর্থায়নে কেনা জমিতে নির্মিত হয়েছিল। তার দাবি, ১৯৯৪ সালে মসজিদের উন্নয়ন ফিও জেডিএতে জমা দেওয়া হয়। অথচ ২০০০ সালের পর যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই মাস্টারপ্ল্যানে রাস্তাটিকে ৮০ ফুট চওড়া হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, সাধারণ মানুষের চেয়ে বেশি সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। তবে তাদের দাবি, এই বিষয়টি তারা আইনি পথেই মোকাবিলা করবেন।</p><h2>কেন গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তা</h2><p>প্রশাসনের যুক্তি, সংশ্লিষ্ট সড়কটি সরকারি নথিতেই ৮০ ফুট চওড়া হিসেবে চিহ্নিত রয়েছে। এই রাস্তা মালব্য নগর ও নন্দপুরী কলোনিকে জগতপুরা এবং প্রতাপ নগরের সঙ্গে সংযুক্ত করে। পাশাপাশি এটি জগতপুরা রেলওয়ে স্টেশন ও জয়পুর বিমানবন্দরে যাওয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংযোগপথ।</p><p>দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ দখলের কারণে দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হতো। বিশেষ করে জগতপুরা রেলওয়ে ক্রসিং বন্ধ থাকলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠত। তখন প্রায় ৫০টি কলোনির বাসিন্দাদের দীর্ঘ পথ ঘুরে গন্তব্যে যেতে হতো। প্রশাসনের দাবি, উচ্ছেদ শেষে সড়কটি ৮০ ফুট চওড়া হলে দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে। একই সঙ্গে বিমানবন্দর ও রেলস্টেশনে যাতায়াতের জন্য একটি সহজ ও বিকল্প পথও উন্মুক্ত হবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:23:47 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[২৪ ঘণ্টায় হামের মতো উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, নতুন রোগী ৫৪]]></title>
				<category>জনস্বাস্থ্য</category>
				<link>https://bdgazette.com/swasthyo/jonswasthyo/article-127881.html</link>
				<description><![CDATA[<p>দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের মতো উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হামের নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ৫৪ জন। এ নিয়ে চলতি বছর হাম ও হামের মতো উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৩১ জনে।</p><h2>বিভাগীয় তথ্য</h2><p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে একটি করে হামের রোগী শনাক্ত হয়েছে।</p><h2>সন্দেহভাজন রোগী</h2><p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়েছে ৯৮০ জন। ১৫ মার্চ থেকে দেশে মোট সন্দেহভাজন হামের রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮১ হাজার ৮৪ জনে।</p><h2>নিশ্চিত রোগী</h2><p>গত ২৪ ঘণ্টায় ল্যাবরেটরিতে ৫৪ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। ১৫ মার্চ থেকে মোট নিশ্চিত হামের রোগীর সংখ্যা ৯ হাজার ৮৩৩ জন।</p><h2>চিকিৎসা ও মৃত্যু</h2><p>১৫ মার্চ থেকে ৯ জুন পর্যন্ত সন্দেহভাজন হাম নিয়ে দেশের হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮১ হাজার ৮৪ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৬২ হাজার ২৯২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি। তবে ১৫ মার্চ থেকে নিশ্চিত হামে মোট মৃত্যু ৯২ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহভাজন হামে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। ১৫ মার্চ থেকে সন্দেহভাজন হামে মোট মৃত্যু ৫৩৯ জন।</p><h2>ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ</h2><p>এখন পর্যন্ত ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৩৭ হাজার ৭৯৮ জন সন্দেহভাজন হামের রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৬ হাজার ৮২২ জনের হাম নিশ্চিত হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:38:55 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[আইসিসির প্রধান কৌঁসুলি করিম খান যৌন দুর্ব্যবহারের অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত]]></title>
				<category>রাশিয়া</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/russia/article-127880.html</link>
				<description><![CDATA[<p>আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রধান কৌঁসুলি করিম খানকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। আদালতের তত্ত্বাবধায়ক সংস্থা যৌন দুর্ব্যবহারের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা শুরু করার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।</p><h2>বরখাস্তের সিদ্ধান্ত</h2><p>সোমবার রাতে আইসিসির governing body-র নির্বাহী কমিটি অ্যাসেম্বলি অব স্টেটস পার্টিজের ব্যুরো এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে। জাতিসংঘের একটি তদন্তের ফলাফল পর্যালোচনার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।</p><p>৫৬ বছর বয়সী ব্রিটিশ ব্যারিস্টার খানের বিরুদ্ধে একজন নারী সহযোগীর সাথে যৌন দুর্ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।</p><h2>তদন্ত প্রতিবেদন</h2><p>ব্যুরো জানিয়েছে, তাদের সিদ্ধান্ত জাতিসংঘের অভ্যন্তরীণ ওভারসাইট সার্ভিসেস অফিসের (ওআইওএস) প্রতিবেদন, সহায়ক প্রমাণ, বিশেষজ্ঞ বিচারকদের একটি অ্যাডহক প্যানেলের পরামর্শ এবং লিখিত জমা দেওয়ার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে। ব্যুরো জোর দিয়ে বলেছে যে এই সাময়িক বরখাস্ত মামলার ফলাফল পূর্বনির্ধারিত করে না।</p><p>অভিযোগগুলি প্রথম প্রকাশ পায় দুই বছরেরও বেশি আগে। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের দেখা প্রতিবেদনের একটি কপি অনুযায়ী, তদন্তকারীরা প্রমাণ পেয়েছেন যে খান তার অফিস, বাসভবন এবং সরকারি ভ্রমণের সময় ওই কর্মীর সাথে অসম্মতিপূর্ণ যৌন যোগাযোগে লিপ্ত হয়েছেন। তবে, ফলাফল মূল্যায়নের জন্য নিযুক্ত তিন বিচারকের একটি প্যানেল সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে তদন্ত যথেষ্ট চূড়ান্ত প্রমাণ সরবরাহ করেনি।</p><h3>খানের অবস্থান</h3><p>খান ইতিমধ্যে ২০২৫ সালের মে মাসে তদন্ত চলাকালে সাময়িকভাবে পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। অ্যাসেম্বলি অব স্টেটস পার্টিজ, যা আইসিসির ১২৫টি সদস্য দেশের প্রতিনিধিত্ব করে, এখন সিদ্ধান্ত নেবে যে খান পদে থাকতে পারেন কিনা। শীঘ্রই একটি বিশেষ অধিবেশন আহ্বান করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে, তবে এখনও তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।</p><p>শুধুমাত্র অ্যাসেম্বলিরই কৌঁসুলিকে পদ থেকে অপসারণের ক্ষমতা রয়েছে। এই পদক্ষেপের জন্য গোপন ব্যালটে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটের প্রয়োজন, অর্থাৎ কমপক্ষে ৬৩টি সদস্য রাষ্ট্র তার অপসারণ সমর্থন করবে।</p><p>অভিযোগগুলির মধ্যে রয়েছে যে খান ওই নারীকে অন্য বিভাগ থেকে তার অফিসে স্থানান্তরিত করেছিলেন এবং তিনি প্রায়ই তার সরকারি সফরে সঙ্গ দিতেন। হুইসেলব্লোয়ার নথিতে বিদেশ ভ্রমণ এবং কৌঁসুলির অফিসে অনুপযুক্ত আচরণের অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে।</p><p>খানের আইনজীবী দল বলেছে যে মঙ্গলবার একটি আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জারি করা হবে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:57:40 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[সুপ্রিম কোর্টের জন্য পৃথক সচিবালয়ের রায়ে স্থগিতাদেশ]]></title>
				<category>আইন বিভাগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/ain-bibhag/article-127879.html</link>
				<description><![CDATA[<p>সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ মঙ্গলবার হাইকোর্টের সেই রায়ে স্থগিতাদেশ দিয়েছে যা সুপ্রিম কোর্টের জন্য তিন মাসের মধ্যে পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দিয়েছিল।</p><h2>আদেশের বিবরণ</h2><p>প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ রাষ্ট্রের পিটিশনের শুনানি শেষে এই আদেশ দেয়। পিটিশনে রায়টি স্থগিতের আবেদন করা হয়েছিল।</p><h3>পরবর্তী শুনানি</h3><p>আপিল বিভাগ এ বিষয়ে আপিল ফাইলের শুনানির জন্য ১৬ জুন তারিখ নির্ধারণ করেছে।</p><p>শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনটি উপস্থাপন করেন। অন্যদিকে রিট পিটিশনকারীদের পক্ষে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির যুক্তি উপস্থাপন করেন।</p><p>সিনিয়র অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম এবং অ্যাডভোকেট করিশমা জাহান পৃথক আপিলকারীদের পক্ষে দাঁড়ান।</p><h2>হাইকোর্টের পূর্বের রায়</h2><p>হাইকোর্ট ২০২৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর এই রায় ঘোষণা করে, যেখানে সরকারকে বিচার বিভাগের জন্য তিন মাসের মধ্যে পৃথক সচিবালয় তৈরি করার নির্দেশ দেওয়া হয়।</p><p>বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ এই রায় দেয়। তারা পূর্বে জারি করা একটি রুল নিষ্পত্তি করে এবং সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের সংশোধনী বাতিল করে, যার ফলে ১৯৭২ সালের মূল বিধান পুনরুদ্ধার হয়।</p><p>রায়ের ১৮৫ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ পাঠ্য ২০২৬ সালের ৭ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়।</p><h3>রাষ্ট্রের আপিল</h3><p>রাষ্ট্র ২০২৬ সালের ২১ মে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:02:07 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[জামালপুর-কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিএসএফের পুশইন ব্যর্থ, বিজিবির কঠোর অবস্থান]]></title>
				<category>সীমান্ত</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/shimanto/article-127878.html</link>
				<description><![CDATA[<p>জামালপুর-কুড়িগ্রাম সীমান্তের আটটি পৃথক পয়েন্ট দিয়ে এক রাতে শতাধিক মানুষকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও স্থানীয়দের কঠোর অবস্থান ও নজরদারির কারণে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে জামালপুর ব্যাটালিয়ন ৩৫ বিজিবি।</p><h2>ঘটনার বিবরণ</h2><p>এর আগে সোমবার গভীর রাতে জামালপুর ব্যাটালিয়ন (৩৫ বিজিবি) এর আওতাধীন বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে বিজিবি। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সোমবার রাত ১২টা থেকে দাঁতভাঙা বিওপির ১০৫৪ নম্বর সীমান্ত পিলার এলাকায়, মুল্লারচর সীমান্ত পিলার ১০৬২-এর পাশে কুচুনিমারা এলাকায়, ইজলামারি বিওপির ১০৬৭ নম্বর পিলারের বিপরীতে মানকারচর এলাকায়, খেয়ারচর বিওপির ১০৬৯ নম্বর পিলারের বিপরীতে সদরটিলা এলাকায়, পাথরেরচর বিওপির ১০৭৫ নম্বর পিলারের বিপরীতে লুকায়েরচর এলাকায়, বাঘারচর বিওপির ১০৭৩ নম্বর পিলারের বিপরীতে বালুরঘাট এলাকায়, ঝাউডাঙা বিওপির ১০৭৮ নম্বর পিলারের বিপরীতে দর্গাপাড়া এলাকায় এবং সাতানীপাড়া বিওপির ১০৮৭ নম্বর পিলারের বিপরীতে বিলডুবা এলাকায় শতাধিক মানুষকে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ।</p><h3>বিজিবির প্রতিক্রিয়া</h3><p>সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, রাতে এসব পয়েন্টে ভারত লাইট অফ করে দিলে সন্দেহ হয়। পরে বিজিবি কঠোর অবস্থান নিলে এবং সীমান্তে অতিরিক্ত সতর্কতা ও টহল জোরদারে বিএসএফের এসব চেষ্টা ব্যর্থ হয়। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে। এছাড়াও পালাক্রমে সীমান্ত পাহারা দিচ্ছে স্থানীয়রাও।</p><p>জামালপুর ব্যাটালিয়ন ৩৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে সীমান্ত জুড়ে কঠোর নজরদারি অব্যাহত রাখা হয়েছে। বিজিবি সদস্যরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন।’</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:01:56 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[অনার্স কোর্স বন্ধের কোনো পরিকল্পনা নেই: শিক্ষামন্ত্রী]]></title>
				<category>উচ্চশিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/uccho-shikkha/article-127877.html</link>
				<description><![CDATA[<p>শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, কোনো বিষয়ের অনার্স কোর্স বন্ধ করার পরিকল্পনা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নেই। মঙ্গলবার (৯ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।</p><h2>গণমাধ্যমের প্রতিবেদন ভিত্তিহীন</h2><p>এদিন একটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, বাংলা, দর্শন, ইতিহাসসহ ছয় বিষয়ে অনার্স কোর্স বাতিল হচ্ছে। এ দাবি ‘ভিত্তিহীন’ উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমার জানামতে এ রকম কোনো আলোচনা হয়নি। আর বাংলা মাতৃভাষা, এটা কি বাদ দেওয়া যেতে পারে? এমন কোনো আলোচনা হয়নি। আমার জ্ঞাতসারে নেই। আমি জানি না এ নিউজ কোথা থেকে আসল।’</p><p>মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা কারিগরিকে ইম্পর্টেন্স দিচ্ছি। আমরা আধুনিক করছি। যেগুলোর মার্কেট ডিমান্ড রয়েছে, সেগুলোকে আমরা দেখছি। সে তো প্রতিনিয়ত আলোচনা হচ্ছে। কিন্তু বাংলা, দর্শন, ইতিহাস বাদ পড়বে এ আলোচনা আমরা কোথাও শুনিনি এবং আমরাও কোথাও করিনি।’</p><h3>মার্কেট ডিমান্ড অনুযায়ী নতুন কোর্স</h3><p>শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘মার্কেট ডিমান্ড অনুযায়ী তো কোর্স আমরা রেগুলারলি ইন্ট্রোডিউস করছি, প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা ইন্ট্রোডিউস করছি এবং প্রতিটি লেভেলেই আমরা ইন্ট্রোডিউস করছি। বাট বাংলাকে বাদ দিয়ে, ইতিহাসকে বাদ দিয়ে, এমন কথা কোথাও হয়নি।’</p><p>অনার্স কোর্স কমিয়ে আনা বা কোনো বিষয়ে অনার্স কোর্স বন্ধ করার কোনো পরিকল্পনা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নেই বলেও জানান মন্ত্রী।</p><h3>জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাখ্যা</h3><p>এদিন দুপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো অনার্স কোর্স বন্ধের ব্যাপারে সরকার কিংবা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কোনো সিদ্ধান্ত নেই।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:51:28 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা অনলাইনে উচ্চশিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী]]></title>
				<category>অনলাইন শিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/online-shikkha/article-127876.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা অনলাইনে উচ্চশিক্ষা গ্রহণে অত্যন্ত আগ্রহী। সম্প্রতি এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থী অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষা গ্রহণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এই আগ্রহের পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে তারা সময়ের সাশ্রয় এবং নমনীয় সময়সূচির কথা উল্লেখ করেছে।</p><h2>অনলাইন শিক্ষার সুবিধা</h2><p>শিক্ষার্থীরা মনে করে, অনলাইন শিক্ষা তাদের নিজেদের গতিতে পড়াশোনা করার সুযোগ দেয়। এছাড়া, ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা দূর করে বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে মানসম্পন্ন শিক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব হয়। বিশেষ করে চাকরিজীবী এবং দূরবর্তী এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য এটি অত্যন্ত কার্যকর।</p><h3>সমীক্ষার ফলাফল</h3><p>সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৬৫ শতাংশ জানিয়েছে, তারা ইতিমধ্যেই কমপক্ষে একটি অনলাইন কোর্স সম্পন্ন করেছে। অন্যদিকে, ৩০ শতাংশ শিক্ষার্থী প্রথমবারের মতো অনলাইন শিক্ষার সঙ্গে পরিচিত হচ্ছে। সবচেয়ে জনপ্রিয় বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল এবং গণিত।</p><h2>চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা</h2><p>অনলাইন শিক্ষার প্রসারে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। এর মধ্যে ইন্টারনেট সংযোগের গতি ও স্থিতিশীলতা, ডিভাইসের অভাব এবং প্রযুক্তিগত জ্ঞানের ঘাটতি উল্লেখযোগ্য। তবে সরকার ও বেসরকারি সংস্থাগুলো এসব সমস্যা সমাধানে কাজ করছে।</p><p>বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, অনলাইন শিক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা গ্রহণ করতে সক্ষম হবে। এটি দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে। ভবিষ্যতে অনলাইন শিক্ষার প্রসার আরও বাড়বে বলে আশা করা যাচ্ছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:36:47 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বাজেট প্রস্তাব: নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য বিনা জামানতে ১০ লাখ টাকা ঋণ]]></title>
				<category>কর</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/kar/article-127875.html</link>
				<description><![CDATA[<p>সংসদে অর্থমন্ত্রী নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য বিনা জামানতে ১০ লাখ টাকা ঋণ দেওয়ার প্রস্তাব করেছেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে তরুণ উদ্যোক্তাদের ব্যবসা শুরু করতে সহায়তা করা হবে। এছাড়া আলিম পরীক্ষায় সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা পরীক্ষার শৃঙ্খলা নিশ্চিত করবে।</p><h2>মোবাইলে বিশ্বকাপের খেলা দেখা</h2><p>মোবাইলে বিশ্বকাপের খেলা দেখার সহজ পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। দর্শকরা বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে সরাসরি খেলা উপভোগ করতে পারবেন।</p><h3>তানিয়া বৃষ্টির মৃত্যুর গুজব</h3><p>জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টির মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়েছে। তবে তার পরিবার ও সহকর্মীরা এ গুজবকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন।</p><h2>জামায়াতের ছায়া বাজেট</h2><p>জামায়াতের ছায়া বাজেটে ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। এতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতে বেশি বরাদ্দের কথা বলা হয়েছে।</p><h3>হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু</h3><p>হাম উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ জনে। স্বাস্থ্য বিভাগ সতর্কতা জারি করেছে।</p><h2>বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে সহায়তা চায় ইসলামী ব্যাংক</h2><p>ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকা সহায়তা চেয়েছে। ব্যাংকটির তারল্য সংকট কাটাতে এই অর্থ চাওয়া হয়েছে।</p><h3>জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকিতে বাঞ্ছারামপুর</h3><p>বাঞ্ছারামপুরে পাবলিক টয়লেট না থাকায় জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়েছে। এলাকাবাসী দ্রুত টয়লেট নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।</p><h2>তুচ্ছ বিরোধে কিশোর খুন</h2><p>আদিতমারীতে তুচ্ছ বিরোধের জেরে এক কিশোর খুন হয়েছে। ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছে।</p><h3>সবুজ সার ধইঞ্চায় উর্বর হচ্ছে বিএডিসির জমি</h3><p>বিএডিসির জমিতে সবুজ সার ধইঞ্চা চাষ করে উর্বরতা বাড়ানো হচ্ছে। ইতিমধ্যে ২০০ একরে এই চাষ সম্পন্ন হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:16:23 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থন চাইল নরওয়ে]]></title>
				<category>ফুটবল</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/football/article-127874.html</link>
				<description><![CDATA[<p>বিশ্বকাপ ফুটবলে নেই বাংলাদেশ। বাছাই পর্বে সব সময় বিদায় নিতে হয়েছে। বিশ্বকাপে না থাকলেও বাংলাদেশের সমর্থকদের ফুটবল উন্মাদনা অন্যরকম। গত বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থকদের সমর্থনে ভেসেছিল আর্জেন্টিনা। পুরো দেশ আচ্ছন্ন ছিল বিশ্বকাপে। এবার উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে এমন ফুটবলপ্রিয় দেশের সমর্থন চাইছে আর্লিং হল্যান্ডের নরওয়ে।</p><h2>সামাজিক মাধ্যমে আহ্বান</h2><p>ঢাকায় অবস্থিত রয়্যাল নরওয়েজিয়ান অ্যাম্বাসি সামাজিক মাধ্যমে দারুণ এক পোস্টে তাদের দলের প্রতি বাংলাদেশি ফুটবল ভক্তদের সমর্থন চেয়েছে। পোস্টে জানানো হয়, ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এ বাংলাদেশের উচিত নরওয়েকে সমর্থন করা! কেন, জানতে চান? কারণ, আমাদের ফুটবলপ্রেমী দেশ দুটির মধ্যে কেবল ফুটবলই নয়, আরও অনেক বেশি কিছু ভাগাভাগির সম্পর্ক রয়েছে, যা হয়তো আপনার ধারণারও বাইরে!</p><h3>ঐতিহাসিক সম্পর্ক</h3><p>রয়্যাল নরওয়েজিয়ান দূতাবাস আরও জানায়, বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম দিকের দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল নরওয়ে। এছাড়া আমরা উভয় দেশই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শান্তি, মধ্যস্থতা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করি। আমাদের এই বন্ধন পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ইতিহাস এবং বন্ধুত্বের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। যেহেতু বাংলাদেশ এই বিশ্বকাপে খেলছে না, তাই দীর্ঘ ২৮ বছরের অপেক্ষা শেষে ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে ফিরে আসা নরওয়ে হতে পারে বাংলাদেশিদের সমর্থনের জন্য একদম উপযুক্ত একটি দল।</p><h3>সাংস্কৃতিক মিল</h3><p>আমরা উভয়ই নদী এবং সমুদ্রবেষ্টিত উপকূলীয় দেশ এবং মাছের প্রতি ভালোবাসা আমাদের দুজনেরই সমান! আমরা উভয়ই ফেয়ার প্লে বা ন্যায়পরায়ণতায় বিশ্বাসী— সেটা বহুপাক্ষিক আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রেই হোক, কিংবা খেলার মাঠেই হোক। আমরা নিজ নিজ দিক থেকে ছোট—বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে তুলনামূলক ছোট, আর জনসংখ্যার দিক থেকে নরওয়ে খুবই ছোট। কিন্তু বিশ্বমঞ্চে আমাদের উভয়ের স্বপ্নই আকাশছোঁয়া!</p><h3>বোনাস পয়েন্ট</h3><p>আর যারা এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পারছেন না, তাদের জন্য বোনাস পয়েন্ট— বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকা আর্লিং ব্রাউট হালান্ড খেলছেন এই নরওয়ে দলেই! তাহলে কী ভাবছেন, বাংলাদেশ? এবার আন্ডারডগ বা পিছিয়ে থাকা দলটির পাশে দাঁড়ানোর সময়! একসঙ্গে বড় স্বপ্ন দেখার সময়।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:37:11 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[দেশে বৈধ সিমের সংখ্যা জনসংখ্যার দ্বিগুণ, ৩২ কোটি ৮২ লাখ]]></title>
				<category>টেলিকম</category>
				<link>https://bdgazette.com/projukti/telecom/article-127873.html</link>
				<description><![CDATA[<p>দেশে বর্তমানে বৈধভাবে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ, যা দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় দ্বিগুণ। সর্বশেষ আদমশুমারি অনুযায়ী, দেশে জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।</p><h2>সংসদে তথ্য জানালেন মন্ত্রী</h2><p>মঙ্গলবার (৯ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় (বাজেট) অধিবেশনের তৃতীয় দিনের প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানান ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।</p><h3>লিখিত প্রশ্নের জবাবে</h3><p>সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে চারটি মোবাইল ফোন অপারেটর সেবা দিচ্ছে। এগুলো হলো—টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড, গ্রামীণফোন লিমিটেড, রবি আজিয়াটা পিএলসি এবং বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেড।</p><h3>সিমের সংখ্যা ও জনসংখ্যার তুলনা</h3><p>মন্ত্রী জানান, এসব মোবাইল অপারেটরের নিবন্ধিত বৈধ সিমের মোট সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ। এদিকে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০২৩ সালের ২৮ নভেম্বর প্রকাশিত জনশুমারির চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন। তবে এই জনসংখ্যার একটি বড় অংশ অপ্রাপ্তবয়স্ক।</p><p><strong>উল্লেখ্য</strong>, সিমের সংখ্যা জনসংখ্যার দ্বিগুণ হলেও এর মধ্যে অনেক ব্যবহারকারীর একাধিক সিম রয়েছে এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের সিম ব্যবহারের বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:17:18 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[কালীঘাটে তৃণমূল কার্যালয়ে সিআইডি তল্লাশি, অভিষেকের অফিসেও দল]]></title>
				<category>কূটনীতি</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/kutniti/article-127872.html</link>
				<description><![CDATA[<p>পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়ি সংলগ্ন দলীয় কার্যালয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে রাজ্যের গোয়েন্দা দফতর (সিআইডি)। স্বাক্ষর জালিয়াতি তদন্তের সূত্র ধরে মঙ্গলবার দুপুরে সিআইডির একটি দল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে ওই কার্যালয়ে যায়। তবে সেখানে পৌঁছানোর পরপরই গোয়েন্দারা ভিতরে ঢুকতে পারেননি। কার্যালয়ে উপস্থিত তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে প্রায় ঘণ্টাখানেক তীব্র বাদানুবাদের পর বিকাল ৪টার কিছু পরে ভেতরে প্রবেশ করতে সক্ষম হন তারা। একই সময়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসেও সিআইডির একটি দল পৌঁছায়।</p><h2>ঘটনার বিবরণ</h2><p>কলকাতাভিত্তিক ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার দুপুরে সিআইডির একটি বড় দল যখন কালীঘাটের কার্যালয়ে পৌঁছায়, তখন বাসে করে নারী পুলিশও নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তবে প্রথমে অফিসের বাইরে বেশ কিছু ক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হয় সিআইডির দলকে। গেট খুলে বেরিয়ে আসেন তৃণমূলের সাবেক সাংসদ তথা দলের কোষাধ্যক্ষ শুভাশিস চক্রবর্তী এবং সিআইডি দলের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন।</p><p>শুভাশিস দাবি করেন, মমতা ও অভিষেক বর্তমানে দিল্লিতে রয়েছেন। তাদের অনুপস্থিতিতে তিনি এই কার্যালয় দেখভালের দায়িত্বে আছেন। যেহেতু মমতা বা অভিষেক কলকাতায় নেই, তাই তিনি কোনোভাবেই কার্যালয়ে সিআইডিকে ঢুকতে দিতে পারবেন না। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যারা নেই, তাদের কার্যালয়ে আমি কীভাবে ঢোকার অনুমতি দেব?</p><p>পাল্টা জবাবে সিআইডির দল বারবার শুভাশিসকে জানায়, তারা তল্লাশি করতে এসেছে এবং সেখানে কে উপস্থিত আছেন, তার সঙ্গে তদন্তের কোনো সম্পর্ক নেই। সিআইডি দল অভিষেককে পাঠানো নোটিশটি শুভাশিসকে দেখিয়ে আইন মেনে তল্লাশি করার অনুমতি চায়।</p><h2>ঠিকানা ও প্রেক্ষাপট</h2><p>উল্লেখ্য, ৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের এই ঠিকানাটি যেমন তৃণমূলের কার্যালয়, তেমনই একই ঠিকানায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িও অবস্থিত। বিজেপি বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’-র বৈঠকে যোগ দিতে মমতা ও অভিষেক এখন দিল্লিতে অবস্থান করছেন। অনেক টালবাহানার পর শেষপর্যন্ত সিআইডি দল কার্যালয়ে প্রবেশ করে। বাইরে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।</p><h2>স্বাক্ষর জালিয়াতি তদন্ত</h2><p>স্বাক্ষর জালিয়াতির তদন্তে সিআইডির নজরে রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ উঠেছে, অভিষেক বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুর কাছে তৃণমূল বিধায়কদের স্বাক্ষর করা যে প্রস্তাবিত চিঠি পাঠিয়েছিলেন, তাতে কয়েক জন বিধায়কের সই ‘জাল’ করা হয়েছে। যে বৈঠকে বিধায়কদের সেই স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়েছিল, সেটি হয়েছিল কালীঘাটের এই কার্যালয়েই।</p><p>সূত্রের বরাতে আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেদিনের বৈঠকে ঠিক কী ঘটেছিল, কারা উপস্থিত ছিলেন এবং কারা সই করেছিলেন; এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে এবং সেখানকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করতেই তদন্তকারীরা মমতার বাড়ির লাগোয়া কার্যালয়ে গেছেন।</p><h2>পূর্ববর্তী ঘটনা</h2><p>স্বাক্ষর জালিয়াতির তদন্তে পুলিশকে সহযোগিতা করছে সিআইডি। সেই তদন্তের সূত্র ধরে গত ৩০ মে প্রথম অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে যায় তারা। এরপর ১ জুন তৃণমূল সাংসদকে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অভিষেক হাজিরা না দিয়ে সিআইডির কাছে ১৪ দিনের সময় চান। সিআইডি সেই সময় না দিয়ে ১ জুন আবার তার কালীঘাটের বাড়িতে গিয়ে সাত দিনের মধ্যে হাজিরার নির্দেশ সম্বলিত নোটিশ দিয়ে আসে। কিন্তু সোমবারও হাজিরা দেননি অভিষেক।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:24:04 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[আয়াতুল্লাহ খামেনির দাফন মহররমের দশ দিন পর]]></title>
				<category>এশিয়া</category>
				<link>https://bdgazette.com/antorjatik/asia/article-127871.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফনের সময় জানিয়েছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় নিহত এই নেতার স্মরণসভায় গঠিত কমিটি জানিয়েছে, মহররমের প্রথম দশ দিন পার হলে জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।</p><h2>দ্বিতীয় বিবৃতি প্রকাশ</h2><p>ইরানের আধাসরকারি সংবাদমাধ্যম মেহের নিউজের বরাত দিয়ে জানা গেছে, কমিটির সদর দপ্তর মঙ্গলবার (০৯ জুন) খামেনি ও তার পরিবারের সদস্যদের জানাজা এবং স্মরণসভা নিয়ে দ্বিতীয় বিবৃতি দিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সাবেক সর্বোচ্চ নেতার স্মরণ, জানাজা এবং দাফন অনুষ্ঠান মর্যাদাপূর্ণভাবে আয়োজনের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে।</p><h3>গণমাধ্যমে জল্পনা সতর্কতা</h3><p>বিবৃতিতে দেশি ও বিদেশি গণমাধ্যমে এই আয়োজনের সময় ও বিবরণ নিয়ে জল্পনা এবং যাচাইবিহীন প্রতিবেদন প্রচারের বিরুদ্ধে সতর্ক করা হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, এই ধরনের অসত্য তথ্য ঐতিহাসিক সমাবেশে যোগ দিতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে এবং এ ধরনের তথ্যের কোনো ভিত্তি নেই।</p><h2>ইমাম হুসাইনের শোকানুষ্ঠানের সঙ্গে সঙ্গতি</h2><p>বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইমাম হুসাইনের শোকানুষ্ঠান পালনের বিষয়ে শহীদ নেতার দীর্ঘদিনের অঙ্গীকারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে, আশুরার পর মহররম মাসের প্রথম দশ দিন শেষে জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। কমিটি বলছে, শোকাহতদের যথাযথ পরিষেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও জনপ্রিয় সংগঠনগুলো চূড়ান্ত সময়সূচি ও লজিস্টিক ব্যবস্থাপনার সমন্বয় করছে। অনুষ্ঠান সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সদর দপ্তর থেকে পরবর্তীতে ঘোষণা করা হবে।</p><h2>হামলার ঘটনা</h2><p>উল্লেখ্য, ইরানের ওপর ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার শুরুর দিকে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি নিজ কার্যালয়ে নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। ওই হামলায় তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যও প্রাণ হারান। এর আগে তেহরানের ইসলামি প্রচার সমন্বয় পরিষদের প্রধান মহসেন মাহমুদ বলেছিলেন, খামেনির জানাজা এমন একটি বৈশ্বিক আয়োজন হবে, যা ইরান ও সমগ্র ইসলামি বিশ্বের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ইতোমধ্যে ইরাকসহ বিভিন্ন দেশ থেকে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধন ও প্রস্তুতির খবর পাওয়া যাচ্ছে।</p><h2>খামেনির জীবনী</h2><p>আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইরানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি নিহত হওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি টানা ৩৬ বছর ছয় মাস এ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:46:28 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[প্রথম বলেই উইকেট তাসকিনের, বাংলাদেশের তৃতীয় হিসেবে কীর্তি]]></title>
				<category>ক্রিকেট</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/cricket/article-127870.html</link>
				<description><![CDATA[<p>প্রথম বলেই উইকেট নিয়েছেন তাসকিন আহমেদ। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডেতে এই কীর্তি গড়লেন তিনি। বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডেতে প্রথম বলেই উইকেট নেওয়ার কীর্তি এটি তৃতীয়বার। এর আগে সাইফুল ইসলাম ও সৈয়দ রাসেল এই কীর্তি অর্জন করেছিলেন।</p><h2>তাসকিনের দুর্দান্ত বল</h2><p>তাসকিনের বলটা সিমে পড়ে সুইং করল ভেতরে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার ম্যাথু শর্ট আবিষ্কার করলেন, বলটা ভেঙে দিয়েছে তাঁর স্টাম্প। প্রথম বলেই উইকেট পাওয়ার তাসকিনের এই উদ্‌যাপন মনে করিয়ে দিল আরও দুজনকে।</p><h2>সাইফুল ইসলামের কীর্তি</h2><p>সাইফুল ইসলামের কীর্তিটা এই লেখাটা যাঁরা পড়ছেন, তাঁদের অনেকেই নাও দেখতে পারেন। ১৯৯৫ সালে শারজায় পেপসি এশিয়া কাপে টসে জিতে বোলিং নিলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক আকরাম খান। বল তুলে নিলেন পেসার সাইফুল ইসলামের হাতে। প্রথম বলেই অশঙ্কা গুরুসিংহা ক্যাচ দিলেন আমিনুল ইসলামকে, স্বপ্নের মতো শুরু হয়েছিল বাংলাদেশের। সেই ম্যাচে সাইফুল পরে আরও তিনটি উইকেট নিয়েছিলেন, শেষ করেছিলেন ৩৬ রানে ৪ উইকেট নিয়ে। নিজের তো বটেই, সে সময় বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডেতে সেরা বোলিংয়ের কীর্তিও ছিল সেটি। নয় বছর পর সেটি ভেঙে দিয়েছিলেন খালেদ মাহমুদ সুজন। সাইফুলের এই কীর্তির পরও ম্যাচটা অবশ্য জিততে পারেনি বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার ২৩৩ রানের জবাবে অলআউট হয়ে গিয়েছিল ১২৬ রানে।</p><h2>সৈয়দ রাসেলের স্মৃতি</h2><p>সাইফুলের সেই স্মৃতি ২০০৬ সালে আবার কেনিয়ায় ফিরিয়ে আনেন সৈয়দ রাসেল। এবার প্রতিপক্ষ কেনিয়া, ভেন্যু নাইরোবির জিমখানা মাঠ। প্রথম বলেই কেনেডি ওটিয়েনোর প্যাডে লাগল বল, রাসেলের আবেদনে আঙুল তুলে দিলেন আম্পায়ার। অবশ্য সেই ম্যাচটা শেষ পর্যন্ত স্মরণীয় হয়ে থেকেছে আরও একটি কারণে। এই ম্যাচেই ২৬ রানে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডেতে সেরা বোলিংয়ের এই কীর্তি টিকে আছে এখনো। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে না পারলেও সেই ম্যাচটা জিতেছিল বাংলাদেশ, কেনিয়ার ১১৮ রান টপকে গিয়েছিল ৪ উইকেট হারিয়ে।</p><h2>টেস্ট ও টি-টোয়েন্টিতে কীর্তি</h2><p>প্রশ্ন হতে পারে, টেস্ট ও টি-টোয়েন্টিতে এই কীর্তি বাংলাদেশের কারও আছে কি না? টেস্টে মাশরাফি বিন মুর্তজার বল ছেড়ে দিয়ে ভারত ওপেনার ওয়াসিম জাফরের সেই বোল্ড অনেকের চোখে লেগে থাকার কথা। সেটারও ১৯ বছর হয়ে গেছে। টি-টোয়েন্টিতে অবশ্য এই কীর্তি বাংলাদেশের বেশ কয়েকজনই করেছেন। মাশরাফি বিন মুর্তজা একাই সেটি করেছেন দুবার। এরপর করেছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মোসাদ্দেক হোসেন ও তানজিম হাসান।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:46:49 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[আসন্ন বাজেটে কমতে পারে গৃহস্থালি পণ্যের দাম]]></title>
				<category>কর</category>
				<link>https://bdgazette.com/orthoniti/kar/article-127869.html</link>
				<description><![CDATA[<p>আগামী বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকাল ৩টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম বাজেট উত্থাপন করা হবে। জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাজেট পেশ করবেন। এ বাজেট পাস হলে এটি হবে দেশের ৫৫তম এবং বর্তমান সরকারের চলতি মেয়াদের ও অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর প্রথম বাজেট।</p><h2>গৃহিণীদের জন্য স্বস্তি</h2><p>আসন্ন বাজেটে এবার স্বস্তি মিলতে পারে গৃহিণীদের জন্য। বেশ কিছু কিচেন পণ্যের দাম কমতে পারে। যেসব পণ্যের দাম কমানোর সম্ভাবনা রয়েছে সেগুলো হলো: ব্লেন্ডার, জুসার, মিক্সার, গ্রাইন্ডার, ইলেক্ট্রিক কেটলি, আয়রন, রাইস কুকার, মাল্টি কুকার, প্রেসার কুকার। এর পাশাপাশি সমজাতীয় পণ্য যেমন ইলেক্ট্রিক কুকার, ইন্ডাকশন কুকার, ইনফ্রারেড কুকার, ওয়াটার পিউরিফায়ার ও ওয়াটার হিটার/গিজারসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক পণ্যের দামও কমতে পারে।</p><h3>কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের সুখবর</h3><p>বাজেটে কম্পিউটার ব্যবহারকারীরাও পাবেন সুখবর। আসন্ন বাজেটে দাম কমতে পারে কম্পিউটার, প্রিন্টার ও মনিটরের। এছাড়া বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তির প্রয়োজনীয় ১৫ পণ্যের দামও কমানোর প্রস্তাব আসতে পারে।</p><h3>চিকিৎসা পণ্য ও স্বর্ণে কর কমানোর প্রস্তাব</h3><p>চিকিৎসা পণ্যেও দাম কমতে পারে বাজেটে। এই তালিকায় রয়েছে কিডনি ডায়ালাইসিস ফিল্টার। এর বাইরে স্বর্ণালঙ্কারেও দাম কমতে পারে। আসন্ন বাজেটে স্বর্ণালঙ্কার বিক্রিতে ৫ শতাংশ উৎসে কর কমে দশমিক ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:16:50 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি জীবিত আছেন, ভালো আছেন]]></title>
				<category>অভিনেতা</category>
				<link>https://bdgazette.com/binodon/obhineta/article-127868.html</link>
				<description><![CDATA[<p>ছোটপর্দার আলোচিত অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম হলেন তানিয়া বৃষ্টি। গত কয়েক মাস ধরেই তার শারীরিক অবস্থা খারাপ। এরই মধ্যে হঠাৎ তার অসুস্থতা ও মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন তার ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষীরা। বিষয়টি জানতে পেরে গুঞ্জনের অবসান ঘটিয়ে ভালো আছেন বলে জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী।</p><h2>তানিয়া বৃষ্টির বক্তব্য</h2><p>মঙ্গলবার (৯ জুন) দেশের একটি সংবাদমাধ্যমকে তানিয়া বৃষ্টি জানিয়েছেন, তিনি জীবিত আছেন, ভালো আছেন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বাসায় থেকে বিশ্রামে আছেন। তিনি বলেন, ‘মহান আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। বাসাতেই আছি আমি। পরিপূর্ণ বিশ্রামে আছি।’</p><p>তানিয়া বৃষ্টি জানান, এখন চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে আছেন। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী চেকআপও করাচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘আমার অ্যাপয়েন্টমেন্ট ডাক্তার রয়েছেন, সেখানে নিয়মিত চেকআপ করাতে হয়। আমি চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী চলছি।’ আগামী ২০ জুন কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে হবে। এ জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানিয়েছেন তানিয়া বৃষ্টি।</p><h3>তৃতীয় সার্জারির প্রস্তুতি</h3><p>তিনি বলেন, ‘দুটি সার্জারি হয়েছে, তৃতীয় সার্জারি করাতে কিছুটা সময় লাগবে। মাথায় নতুন করে কোনো জটিলতা যেন না হয়, এ কারণে বাসায় বেশি থাকি। এখন খুব একটা বাইরে বের হই না।’</p><h2>অসুস্থতার ইতিহাস</h2><p>এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝিতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন এই অভিনেত্রী। পরে জানা যায়, মস্তিষ্কে টিউমার শনাক্ত হয়েছে। ওই মাসেই অস্ত্রোপচার করে টিউমার অপসারণ করা হয়। তারপর থেকে বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। গত ৯ মার্চ ভারতের চেন্নাইয়ে যান উন্নত চিকিৎসার জন্য। সেখান থেকে এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে দেশে ফেরেন। এরপর থেকে বাসায় বিশ্রামে রয়েছেন।</p><p>এই অভিনেত্রী ওই সময় দেশে ফেরার পর সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক আরও একটি অস্ত্রোপচার করাতে হবে। কিন্তু সেটি এখনই করা যাবে না। এ জন্য কিছুটা সময়ের প্রয়োজন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তৃতীয় সার্জারিও করাতে হবে। যেহেতু কিছুটা সময় লাগবে, তাই এখন বিশ্রামে থেকে সেই প্রস্তুতি নিচ্ছেন।</p><h2>ক্যারিয়ার</h2><p>প্রসঙ্গত, ছোটপর্দায় নিয়মিত অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকের পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন তানিয়া বৃষ্টি। ২০১৫ সালে ‘ঘাসফুল’ সিনেমার মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক হয়। পরে ২০১৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘গোয়েন্দাগিরি’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন এই অভিনেত্রী।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:36:08 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[পুলিশ একাডেমিতে প্রশিক্ষণকালে এসআইয়ের মৃত্যু]]></title>
				<category>ক্রীড়া প্রশাসন</category>
				<link>https://bdgazette.com/kheladhula/krira-proshashon/article-127867.html</link>
				<description><![CDATA[<p>রাজশাহীর সারদায় অবস্থিত বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে প্রশিক্ষণ চলাকালে অসুস্থ হয়ে জীবন রহমান (৪৫) নামে এক উপপরিদর্শকের (এসআই) মৃত্যু হয়েছে। সোমবার বিকেলে দৌড়ানোর সময় তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।</p><h2>মৃত ব্যক্তির পরিচয়</h2><p>নিহত জীবন রহমান মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর থানার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি ২০০৬ সালে বাংলাদেশ পুলিশে উপপরিদর্শক (এসআই) পদে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। সম্প্রতি দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর সরকার তার নিয়োগ পুনর্বহাল করলে তাকে পুনরায় প্রশিক্ষণের জন্য পুলিশ একাডেমিতে পাঠানো হয়।</p><h3>ঘটনার বিবরণ</h3><p>বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির সহকারী পুলিশ সুপার (প্রশাসন) চক্রধর রায় মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সম্প্রতি পুনর্বহাল হওয়া এসআই ও সার্জেন্টদের জন্য প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলছিল। সোমবার বিকেলে প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে এক কিলোমিটার দৌড়ের আয়োজন করা হয়। বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে দৌড়ানোর সময় জীবন রহমান মাঠে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে যান। সহকর্মীরা দ্রুত তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।</p><h3>মৃত্যুর কারণ</h3><p>রামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ইনচার্জ ও মুখপাত্র শংকর কুমার বিশ্বাস জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। তবে ময়নাতদন্ত ছাড়া মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।</p><h3>আইনি প্রক্রিয়া</h3><p>রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, বিষয়টি তার জানা আছে এবং এ সংক্রান্ত পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চারঘাট থানার মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। চারঘাট থানার ওসি আবদুল মালেক বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p><h2>পটভূমি</h2><p>উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হলেও চাকরিতে যোগ দিতে না পারা প্রায় ৬৫০ জন এসআই ও সার্জেন্টের নিয়োগ সম্প্রতি পুনর্বহাল করে সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের পর তাদের প্রশিক্ষণের জন্য বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে পাঠানো হয়। জীবন রহমানও সেই প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে অংশ নিয়েছিলেন। এই ঘটনা পুলিশ প্রশিক্ষণের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:42:53 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[রাজউক ন্যাশনাল সাইস্পার্ক ৪.০: বিজ্ঞান উৎসব শুরু ১১ জুন]]></title>
				<category>উচ্চশিক্ষা</category>
				<link>https://bdgazette.com/shikkha/uccho-shikkha/article-127866.html</link>
				<description><![CDATA[<p>গত আসরের বিজয়ী শিক্ষার্থীদের একাংশ নিয়ে আগামী ১১ ও ১২ জুন রাজউক উত্তরা মডেল কলেজে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘রাজউক ন্যাশনাল সাইস্পার্ক ৪.০’। ‘গ্র্যাব বিয়ন্ড দ্য ইনফিনিটি’ স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত এই দুই দিনব্যাপী বিজ্ঞান উৎসবে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারো শিক্ষার্থী অংশ নেবে বলে আশা করা যাচ্ছে।</p><h2>প্রতিযোগিতার ক্যাটাগরি ও বিভাগ</h2><p>ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা তিনটি ক্যাটাগরিতে অংশগ্রহণ করতে পারবে। জুনিয়র বিভাগে থাকছে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা। সেকেন্ডারি বিভাগে নবম-দশম শ্রেণি ও এসএসসি ২০২৬ পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারবে। আর হায়ার সেকেন্ডারি বিভাগে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ও এইচএসসি ২০২৬ পরীক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।</p><h2>ইভেন্টের বিবরণ</h2><p>বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতাভিত্তিক নানা আয়োজন নিয়ে সাজানো হয়েছে এবারের সাইস্পার্ক। ইভেন্টগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। দলগতভাবে অংশ নেওয়া যাবে দেয়ালিকা, সার্চ দ্য ট্রেজার ও ইনোভেটিভ আইডিয়া হান্টে। ব্যক্তিগতভাবে অংশগ্রহণ করা যাবে গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াড, কিউব মাস্টার ও সুডোকু কিং প্রতিযোগিতায়। এ ছাড়া অনলাইনে আয়োজন করা হবে সাই-ফাই স্টোরি রাইটিং, সায়েন্টিফিক পোস্টার ডিজাইন ও সায়েন্স মিম প্রতিযোগিতা।</p><h2>স্টল, সেমিনার ও প্রদর্শনী</h2><p>উৎসবে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, বিজ্ঞান ক্লাব ও প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে থাকবে আকর্ষণীয় স্টল। পাশাপাশি আয়োজন করা হবে শিক্ষণীয় সেমিনার, অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সেশন, ইন্টারঅ্যাকটিভ কার্যক্রম ও বিজ্ঞানভিত্তিক নানা প্রদর্শনী।</p><h2>সময়সূচি ও পুরস্কার</h2><p>দুই দিনই সকাল ৯টা থেকে বিকেল পর্যন্ত চলবে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও আয়োজন। সমাপনী দিনে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে শেষ হবে ‘রাজউক ন্যাশনাল সাইস্পার্ক ৪.০’। উৎসবের ম্যাগাজিন পার্টনার হিসেবে রয়েছে বিজ্ঞানচিন্তা ও কিশোর আলো।</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:57:24 +0000</pubDate>
			</item>
					<item>
				<title><![CDATA[মামলা না থাকলেও আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য অধ্যক্ষ গ্রেপ্তার]]></title>
				<category>আওয়ামী লীগ</category>
				<link>https://bdgazette.com/rajniti/awami-league/article-127865.html</link>
				<description><![CDATA[<p>যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলা মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আজগর আলীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মামলা না থাকলেও আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে উপজেলার রামকান্তপুর গ্রামের বাড়ি থেকে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে।</p><h2>গ্রেপ্তারের বিবরণ</h2><p>আজগর আলী কার্যক্রম নিষিদ্ধ যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য। তাঁর বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। আজগর আলীর ভাই আবদুল হান্নান অভিযোগ করেন, বাঘারপাড়া উপজেলার রামকান্তপুর গ্রামের বাড়িতে তিনি ও তাঁর ছোট ভাই আজগর আলী বসবাস করেন। গতকাল দিবাগত রাত একটার দিকে পুলিশ তাঁদের বাড়ি আসে। এ সময় তাঁরা পুলিশকে আজ মঙ্গলবার সকালে আসতে বলেন। কিন্তু পুলিশ তা শোনেনি।</p><h3>ঘর ভাঙার চেষ্টা ও গ্রেপ্তার</h3><p>পুলিশ এ সময় ঘরের বাইরে রাখা কোদাল ও শাবল দিয়ে ঘরের দরজা–জানালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করে। একপর্যায়ে পুলিশ মই এনে নির্মাণাধীন বাড়ির দোতলার ছাদে ওঠার চেষ্টা করে। তাতে ব্যর্থ হয়ে পুলিশ তাঁদের গালাগাল করতে থাকে। একপর্যায়ে আজগর আলী ঘরের দরজা খুলে বাইরে আসেন। দিবাগত রাত তিনটার দিকে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।</p><h2>পরিবারের বক্তব্য</h2><p>আবদুল হান্নান বলেন, ‘আজগর আলী একসময় যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ছিল। বর্তমানে সে আওয়ামী লীগের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কোনো কমিটিতে নেই। তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। আমরা পুলিশের কাছে জানতে চেয়েছিলাম, কী কারণে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করছে। কিন্তু পুলিশ আমাদের কিছুই জানায়নি।’</p><h2>পুলিশের বক্তব্য</h2><p>তবে আজগর আলীকে বাঘারপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি দাবি করে বাঘারপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহজালাল আলম বলেন, গতকাল দিবাগত রাতে বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করা হয়েছে। একটি পুরোনো নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাঁকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। তবে ওই মামলার এজাহারে আজগর আলীর নাম নেই। ওসি আরও বলেন, ‘আজগর আলী দীর্ঘক্ষণ ধরে ঘরের দরজা খুলতে চাননি। এ জন্য আমরা দরজা খোলার চেষ্টা করেছি। তবে কোদাল ও শাবল দিয়ে ঘরের দরজা–জানালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা ও গালাগাল করার অভিযোগ ঠিক নয়।’</p>]]></description>
				<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:56:28 +0000</pubDate>
			</item>
			</channel>
</rss>