রাজধানীর রমনা থানার মৌচাক এলাকায় স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় জড়িত অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন আল আমিন ও রিয়াজুল। গতকাল সোমবার রাতে ঢাকা ও মুন্সিগঞ্জে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের বিস্তারিত
পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার শেখ জাহিদুল ইসলাম জানান, ঢাকা থেকে আল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। আর রিয়াজুলকে গ্রেপ্তার করা হয় মুন্সিগঞ্জ থেকে। পুলিশ বলছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
হত্যাকাণ্ডের ঘটনা
গতকাল রাত পৌনে আটটার দিকে মৌচাকের আনারকলি মার্কেটের সামনের গলিতে স্বেচ্ছাসেবক দলের রমনা থানার সাবেক আহ্বায়ক বিল্লাল হোসেন তালুকদারকে (৪৫) ছুরিকাঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। রাত ৯টার দিকে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
যুবদলের পদক্ষেপ
ঘটনার পর রাতেই যুবদলের রমনা থানার আহ্বায়ক দিদারুল ইসলাম বাবুকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়। একই সঙ্গে যুবদলের রমনা থানা কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি।
প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা
পরিবারের সদস্য ও প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিদের ভাষ্য, যুবদল নেতা দিদারুল ও তাঁর অনুসারীরা রাত পৌনে আটটার দিকে আনারকলি মার্কেটের সামনে বিল্লালের ভাগনে মোবারক হোসেনকে (আকাশ) মারধর করছিলেন। খবর পেয়ে বিল্লাল সেখানে যান। তিনি বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে দিদারুলের সঙ্গে বিল্লালের কথা-কাটাকাটি হয়। পরে বিল্লালকে ছুরিকাঘাত করা হয়।
নিহত বিল্লালের বাসা মালিবাগের বাগানবাড়ি এলাকায়। তাঁর বাবার নাম ইউসুফ তালুকদার। পুলিশ ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।



