মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী এবং ভোলা-১ ও ভোলা-২ আসনের নয়বারের সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (২ জুন) বিকালে তার গ্রামের বাড়ি ভোলার কোড়ালিয়ায় জানাজা শেষে তাকে বাবা-মা ও স্ত্রীর কবরের পাশে সমাহিত করা হয়।
দুটি জানাজা অনুষ্ঠিত
দুপুর আড়াইটার দিকে ভোলা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন খলিফাপট্টি জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. মহিউদ্দিন। পরে বিকাল ৪টায় কোড়ালিয়ায় গ্রামের বাড়িতে দ্বিতীয় জানাজা হয়। জানাজায় সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেয়।
শ্রদ্ধা ও গার্ড অব অনার
প্রথম জানাজার আগে জেলা প্রশাসনের পক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আরিফুজ্জামান ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান এবং গার্ড অব অনার প্রদর্শন করেন। জেলার সাত উপজেলা থেকে সাধারণ মানুষ শেষবারের মতো প্রিয় নেতাকে দেখতে আসেন।
রাজনৈতিক নেতাদের অংশগ্রহণ
জানাজায় আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন দল ও পেশার মানুষ অংশ নেয়। ভোলা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর ও সদস্য সচিব রাইসুল আলম, সাবেক সম্পাদক হারুন অর রশিদ টুমেন উপস্থিত থেকে পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
জানাজার আগে তোফায়েল আহমেদের জামাতা ডা. তৌহিদুজ্জামান তুহীন, আওয়ামী লীগ নেতা হামিদুর রহমান বাহালুল, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. ইউনুছ ও সাবেক পৌর মেয়র সালাউদ্দিন লিংকন বলেন, তিনি ভোলাবাসীর অভিভাবক ছিলেন। সব দলের মানুষ অংশ নেওয়ায় তারা কৃতজ্ঞতা জানান।
মরদেহ হেলিকপ্টারে আনা
দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে করে তার মরদেহ ভোলার বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছায়।
নিরাপত্তা ব্যবস্থা
জানাজা অনুষ্ঠানের নিরাপত্তায় বরিশাল জোনের ডিআইজি, পুলিশ, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও র্যাবের সদস্যরা ভোলার বিভিন্ন এলাকা ও মাঠের পয়েন্টে অবস্থান নেয়।
প্রসঙ্গত, সোমবার (১ জুন) বিকালে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। দীর্ঘদিন ধরে তিনি প্যারালাইজডসহ নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন।



