জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় বহুল আলোচিত চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রকল্পটি অনুমোদন পায়নি। তবে সভায় মোট ১০টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যার মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৮৯০ কোটি টাকা। মঙ্গলবার (৯ জুন) সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক সভাপতি তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এটি চলতি অর্থবছরের ১২তম এবং বিএনপি সরকারের চতুর্থ একনেক বৈঠক।
সভায় অনুমোদিত প্রকল্পসমূহ
একনেক সভায় নতুন ও সংশোধিত মিলিয়ে মোট ১২টি প্রকল্প উপস্থাপন করা হয়, যার মধ্যে ১০টি অনুমোদন পেয়েছে। অনুমোদিত প্রকল্পগুলো হলো:
- পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়: বরিশাল সেচ প্রকল্পের রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্বাসন (১ম পর্যায়) প্রকল্প।
- ভূমি মন্ত্রণালয়: “সমন্বিত উপজেলা ভূমি কমপ্লেক্স নির্মাণ” প্রকল্প।
- পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়: “ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের নগর ভবন নির্মাণ” প্রকল্প।
- সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়: “আনোয়ারা-বাঁশখালী-টইটং-পেকুয়া-বদরখালী-চকরিয়া (ঈদমনি) (আর-১৭০) আঞ্চলিক মহাসড়ক (কালাবিবির দিঘী থেকে ঈদমনি) যথাযথমান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ)” প্রকল্প।
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়: “বাংলাদেশের ৩৩টি জেলায় সার্কিট হাউজ এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও ঠাকুরগাঁও এ লিফট সংযোজন” প্রকল্প।
- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়: “বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট সম্প্রসারণ প্রকল্প-২” প্রকল্প।
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়: “ঢাকা সিএমএইচ এ ক্যানসার সেন্টার নির্মাণ (২য় পর্যায়) (১ম সংশোধন)” প্রকল্প।
- শিক্ষা মন্ত্রণালয় (প্রকল্প ১): “মাদ্রাসা এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম (এমইএমআইএস) সাপোর্ট (৩য় সংশোধন)” প্রকল্প।
- শিক্ষা মন্ত্রণালয় (প্রকল্প ২): দেশের ৬৫৩টি মাদ্রাসায় মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন (৩য় সংশোধিত) প্রকল্প।
- বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়: “বিদ্যমান গ্রিড উপকেন্দ্র ও সঞ্চালন লাইনের ক্ষমতাবর্ধন (১ম সংশোধিত)” প্রকল্প।
চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রকল্প প্রসঙ্গ
চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রকল্পটি একনেক সভায় অনুমোদন না পাওয়ার বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। তবে প্রকল্পটি কেন অনুমোদন পায়নি তা সভায় স্পষ্টভাবে জানানো হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, প্রকল্পটির বিভিন্ন দিক পুনর্বিবেচনার জন্য পরবর্তী সভায় আবার উপস্থাপন করা হতে পারে।



