প্রাইম ব্যাংকের অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং (এএমএল) ও কমব্যাটিং দ্য ফাইন্যান্সিং অব টেরোরিজম (সিএফটি) বিভাগ সম্প্রতি ‘এএমএল অ্যান্ড সিএফটি কমপ্লায়েন্স বিষয়ক আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ’ সফলভাবে আয়োজন করেছে। প্রাইম টাওয়ার, নিকুঞ্জ-২-এ অবস্থিত মেরিনা ইয়াসমিন চৌধুরী হলে অনুষ্ঠিত এই প্রশিক্ষণে ঢাকা পূর্ব অঞ্চলের ১৫৩ জন শাখা কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ব্যাংকটি বিশ্বব্যাপী সম্মতি মানদণ্ডে নিজেদের অঙ্গীকার আরও জোরদার করেছে।
উদ্বোধন ও মূল বক্তব্য
প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিএএমএলসিও মো: জিয়াউর রহমান। তার মূল বক্তব্যে তিনি আর্থিক অপরাধ থেকে জাতীয় অর্থনীতি রক্ষায় শাখা কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, ‘শাখা পর্যায়ের কর্মকর্তারা আর্থিক লেনদেনের প্রথম সারির যোদ্ধা, তাই তাদের সচেতনতা ও দক্ষতা অপরিহার্য।’
প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি
সর্বোচ্চ প্রযুক্তিগত দক্ষতা নিশ্চিত করতে এই সম্মেলনে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা বিশেষ প্রশিক্ষণ সেশন পরিচালনা করেন। এর মধ্যে ছিলেন বিএফআইইউ’র যুগ্ম পরিচালক মো: জয়নুল আবেদীন এবং সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন। তারা অংশগ্রহণকারীদের মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী অর্থায়ন প্রতিরোধে সর্বশেষ কৌশল ও নিয়মাবলী সম্পর্কে অবহিত করেন।
শীর্ষ কর্মকর্তাদের উপস্থিতি
প্রাইম ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: ইকবাল হোসেন, সিনিয়র নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট মামুর আহমেদ, আঞ্চলিক প্রধান মো: এনামুল কবির এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তারা ব্যাংকের মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী অর্থায়নের বিরুদ্ধে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি পুনর্ব্যক্ত করেন। এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি প্রাইম ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ সম্মতি ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে।



