আজ বুধবার থেকে শুরু হয়েছে যুক্তরাজ্যের শেফিল্ড ডকফেস্ট। এই উৎসবটি যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে বড় প্রামাণ্যচিত্র উৎসব এবং প্রভাবশালী ডকুমেন্টারি বাজার হিসেবে পরিচিত। এতে নিজেদের প্রকল্প নিয়ে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশের চার নির্মাতা ও প্রযোজক।
বাংলাদেশের নির্মাতাদের অংশগ্রহণ
মূলত নির্মাতারা ‘নিউ স্টোরিজ, ইমার্জিং অথরস: শোকেস অব ওয়ার্ক ইন প্রোগ্রেস ফ্রম বাংলাদেশ’ শীর্ষক আয়োজনে তাঁদের প্রকল্প তুলে ধরবেন। নির্মিত তথ্যচিত্রের কিছু অংশও সেখানে প্রদর্শন করবেন।
নোম্যাডস অব দ্য নর্থ নিয়ে অংশ নিচ্ছেন পরিচালক ও প্রযোজক পিপলু আর খান। তথ্যচিত্রটির শুটিং চলছে। এ ছাড়া কাজী আরেফিন আহমেদ অপেক্ষা, তায়রান রাজ্জাক মন্ত্র অব দ্য ম্যানগ্রোভস এবং মকবুল চৌধুরী মাশাব শীর্ষক তিনটি তথ্যচিত্রের প্রকল্প তুলে ধরবেন। এই তিনটি তথ্যচিত্রের কাজ চলছে।
নির্মাতাদের বক্তব্য
পরিচালক ও প্রযোজক পিপলু আর খান বলেন, ‘শেফিল্ড ডকফেস্টে আমরা প্রযোজক, পরিবেশক ও সেলস এজেন্টদের কাছে তথ্যচিত্রটি তুলে ধরব। সাউথ এশিয়ান নির্মাতাদের জন্য এটা একটি বড় আয়োজন। এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে আমরা তথ্যচিত্রটিকে বড় পরিসরে নিয়ে যেতে চাই।’
শেফিল্ড ডকফেস্টের গুরুত্ব
প্রতিবছর ইংল্যান্ডের শেফিল্ডে হয় এই উৎসব। এ সময়ে বিশ্বজুড়ে প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা, প্রযোজক, পরিবেশক, সম্প্রচারক ও দর্শকদের মিলনমেলায় পরিণত হয় শেফিল্ড। শুধু তথ্যচিত্র নয়, টেলিভিশন, পডকাস্ট, ইমারসিভ মিডিয়া এবং শিল্পভিত্তিক নানা ধরনের ডকুমেন্টারি কাজও এখানে প্রদর্শিত হয়।
২০২৬ সালের আয়োজনে স্থান পেয়েছে বিশ্বের ১০৪টি চলচ্চিত্র। চলবে ১৫ জুন পর্যন্ত। ঢাকা ডকল্যাব ও ব্রিটিশ কাউন্সিলের সহযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশের নির্মাতারা।



